শিরোনাম
প্রকাশ: ০০:০০, বুধবার, ০৮ জানুয়ারি, ২০২৫

ইয়াজিদের বানর ও জেনারেল মইনের ঘোড়া

সুমন পালিত
প্রিন্ট ভার্সন
ইয়াজিদের বানর ও জেনারেল মইনের ঘোড়া

উমাইয়া খলিফা ইয়াজিদ ইবনে মুয়াবিয়াকে নৃশংসতার প্রতীক বলে ভাবা হয়। হজরত ইমাম হোসাইন (রা.)-সহ নবী (সা.) বংশের হত্যাকাণ্ডে তাঁর শাসনামল ব্যাপকভাবে সমালোচিত। কাবাঘরে আগুন লাগানো ও মদিনায় লুটপাট চালানোর ঘটনা উমাইয়া হুকুমতের একটি কলঙ্কিত অধ্যায়। বলা হয়ে থাকে, নৃশংসতার মনোভাব ইয়াজিদ পেয়েছেন উত্তরাধিকার সূত্রে। ওহুদের যুদ্ধে শহীদ হন রসুল (সা.)-এর চাচা মহাবীর হামজা (রা.)। তাঁর বুক চিরে কলিজা চাবিয়ে প্রতিহিংসা চরিতার্থ করেন যে হিন্দা, তিনি ইয়াজিদের দাদি। এই উমাইয়া শাসকের পোষা বানরের নাম ছিল আবু ক্বাইস। রাজধানী দামেস্কের দরবারে সিংহাসনের পাশে ছিল বানরের আসন। উমাইয়া আমির-উমরাহ ও দর্শনার্থীদের ইয়াজিদের পাশাপাশি তাঁর পোষা বানরকেও কুর্নিশ করতে হতো। বানরটি মারা গেলে তাকে দাফন করা হয় কাফন পরিয়ে। খলিফার নির্দেশে সিরিয়াবাসীকে শোক পালনে বাধ্য করা হয়। জানামতে, প্রায় ১৪০০ বছর আগে কোনো প্রাণীকে জাতীয় পশু হিসেবে স্বীকৃতি দেওয়ার রেওয়াজ ছিল না। থাকলে হয়তো বানর উমাইয়া হুকুমতের জাতীয় পশুর স্বীকৃতি পেত।

বাংলাদেশের জাতীয় পশু বাঘ। যে সে বাঘ নয় রয়েল বেঙ্গল টাইগার। বলা হয়, বাঘের মাসি বিড়াল। সারা দুনিয়ায় বিড়ালপ্রেমী মানুষের সংখ্যা কম নয়। জানামতে, বিড়াল কোনো দেশের জাতীয় পশুর স্বীকৃতি পায়নি। দক্ষিণ এশিয়ায় জনসংখ্যা ও আয়তনে দ্বিতীয় বৃহত্তম দেশ পাকিস্তান। পাকিস্তানের জাতীয় পশু ছাগল। রয়েল বেঙ্গল টাইগারের বিচরণভূমি বাংলাদেশও একসময় ছিল পাকিস্তানের অংশ। ১৯৭১ সালে দীর্ঘ ৯ মাসের মুক্তিযুদ্ধ শেষে বাংলাদেশ স্বাধীন রাষ্ট্র হিসেবে বিশ্বের মানচিত্রে ঠাঁই পায়। মুক্তিযুদ্ধে পাকিস্তানি দখলদারদের বিরুদ্ধে বাঙালিরা জিতেছে বাঘের মতো শৌর্যবীর্য দেখিয়ে! আমাদের ঘনিষ্ঠ প্রতিবেশী ভারত জনসংখ্যার দিক থেকে বিশ্বের সবচেয়ে বড় দেশ। সে দেশের সংখ্যাগরিষ্ঠ মানুষ সনাতন ধর্মের অনুসারী। যাদের গো-প্রেমের কোনো তুলনা নেই। তারপরও গরু ভারতের জাতীয় পশুর স্বীকৃতি পায়নি। যে স্বীকৃতি দিয়েছে পাশের দেশ নেপাল। জাতীয় পশু হওয়া সত্ত্বেও নেপালে গো-রক্ষার নামে মানুষ হত্যা কেউ কখনো করেনি। ধর্মের নামে ভারতে সেটি অহরহই ঘটে। অথচ সনাতনী ধর্মগ্রন্থ বেদ-এ বিভিন্ন যজ্ঞে গো-বলীর তথ্য রয়েছে।

দুনিয়ায় কুকুরপ্রেমী লোকের সংখ্যা অগুনতি। তবে একমাত্র মেক্সিকোয় কুকুর জাতীয় পশুর স্বীকৃতি পেয়েছে। সে দেশের প্রাচীন সভ্যতার সঙ্গে রয়েছে এ প্রাণীটির সম্পর্ক। গ্রিনল্যান্ডে যাতায়াতের জনপ্রিয় মাধ্যম সেøজ গাড়ি। বরফের ওপর দিয়ে যে গাড়ি টেনে নিয়ে যায় পোষা কুকুরের দল। বিশ্বনেতাদের মধ্যে একমাত্র কানাডার প্রধানমন্ত্রী জাস্টিন ট্রুডো সেøজ গাড়িতে চড়েছেন। ২০২৪ সালের ২০ জানুয়ারি জলবায়ু পরিবর্তন সম্পর্কে জনসচেতনতা বৃদ্ধির এক প্রচার অভিযানে। জাস্টিন ট্রুডোর বাবা পিয়েরে ট্রুডোও ছিলেন কানাডার প্রধানমন্ত্রী। বাংলাদেশের মুক্তিযুদ্ধের বন্ধু। ১৯৮৩ সালে বাবার সফরসঙ্গী হয়ে জাস্টিন ১২ বছর বয়সে বাংলাদেশ সফর করেন। এ লেখা যখন লিখছি তখন খবর পেলাম জাস্টিন ট্রুডো প্রধানমন্ত্রীর পদ ছাড়ার সিদ্ধান্ত নিয়েছেন।

ইসলামে কুকুর নাপাক জীব হিসেবে বিবেচিত। তবে নিরাপত্তার কাজে কুকুর পোষা নিষিদ্ধ নয়। ইসরায়েলের সঙ্গে ইউরোপ-আমেরিকার হরিহর আত্মার সম্পর্ক সবার জানা। তবে কুকুর নামের প্রাণীটির ক্ষেত্রে তাদের দৃষ্টিভঙ্গি একেবারে বিপরীত। ইহুদিরা ধর্মীয়ভাবে কুকুরবিদ্বেষী। খ্রিস্টানদের মধ্যে তা একেবারেই অনুপস্থিত। ইসরায়েলের ধর্মীয় আদালতে কুকুরকে মৃত্যুদণ্ডে দণ্ডিত করার একাধিক নজির রয়েছে। ইসরায়েলের বাইরে একমাত্র তানজেনিয়ায় একবার এক কুকুরকে আদালতে মৃত্যুদণ্ড দেওয়া হয়েছিল।

কানাডার সাবেক প্রধানমন্ত্রী স্টিফেন হারপারের শখ ছিল বিড়াল পোষা। ২০১১ সালে তাঁর সরকারি বাসভবনে নতুন অতিথি হিসেবে যোগ দেয় একটি বিড়াল। হারপার ফেসবুকে তাঁর নতুন বিড়ালের জন্য একটি পছন্দনীয় নাম চান দেশবাসীর কাছে। তাঁর আহ্বানে বেশ সাড়াও পড়ে। অনেকেই প্রধানমন্ত্রীর বিড়ালের জন্য নাম পাঠান। সেসব নামের একটি হলো মেজরিটি। হারপারের রক্ষণশীল দল নির্বাচনে নিরঙ্কুশ সংখ্যাগরিষ্ঠতা নিয়ে ক্ষমতায় আসার সুযোগ পেয়েছিল। সে অভাবনীয় সাফল্যকে স্মরণ করে এক কানাডীয় বিড়ালটির নাম মেজরিটি রাখার প্রস্তাব করেন।

পাকিস্তানের জাতীয় পশু ছাগল। রয়েল বেঙ্গল টাইগারের বিচরণভূমি বাংলাদেশও একসময় ছিল পাকিস্তানের অংশ। ১৯৭১ সালে দীর্ঘ ৯ মাসের মুক্তিযুদ্ধ শেষে বাংলাদেশ স্বাধীন রাষ্ট্র হিসেবে বিশ্বের মানচিত্রে ঠাঁই পায়। মুক্তিযুদ্ধে পাকিস্তানি দখলদারদের বিরুদ্ধে বাঙালিরা জিতেছে বাঘের মতো শৌর্যবীর্য দেখিয়ে

ইয়াজিদের বানর ও জেনারেল মইনের ঘোড়াবাংলাদেশের একসময়ের দাপুটে মন্ত্রী প্রয়াত মতিয়া চৌধুরী পরিচিত ছিলেন বিড়ালপ্রেমী হিসেবে। নিঃসন্তান এই রাজনৈতিক নেত্রী শতব্যস্ততার মধ্যেও পোষা বিড়ালের যত্ন নিতে ভুলতেন না। এমনকি বাইরে কোথাও বিড়াল নামের নিরীহ প্রাণী দেখলে তাঁর স্নেহাতুর মনোভাব উথলে উঠত। বিষয়টি কখনো কখনো পত্রপত্রিকায় খবর হিসেবেও ছাপা হয়েছে। মার্কিন ও ব্রিটিশ নেতাদের প্রায় সবাই কুকুরপ্রেমী হিসেবে পরিচিত। আমেরিকা যুক্তরাষ্ট্রের সাবেক প্রেসিডেন্ট ওবামা তাঁর দুই কন্যাকে নিয়ে পোষা কুকুরের সঙ্গে খেলা করছেন এমন চিত্রও দেশবিদেশের পত্রপত্রিকায় ছাপা হয়েছে। সে দেশের আরেক সাবেক প্রেসিডেন্ট সিনিয়র বুশও ছিলেন কুকুরপ্রেমী। ১৯৯২ সালের প্রেসিডেন্ট নির্বাচনে তিনি ক্লিনটনের কাছে হেরে যান। নির্বাচনি প্রচারণায় আত্মগর্বী বুশ বলেছিলেন, ক্লিনটনের চেয়ে তাঁর পোষা কুকুরও পররাষ্ট্রনীতি সম্পর্কে বেশি অভিজ্ঞ। ভাসানী ন্যাপ নেতা মসিয়ুর রহমান যাদু মিয়ার পুত্র সাবেক মন্ত্রী শফিকুল গাণি স্বপনের শখ ছিল কুকুর পোষা। আশির দশকে তিনি তাঁর শারমেয়র পেছনে মাসে ১০ হাজার টাকারও বেশি ব্যয় করতেন। তাঁর এক ঘনিষ্ঠজনের কাছ থেকে শোনা গল্প। স্বপন সাহেব একবার গিয়েছেন গ্রামের বাড়িতে। কুকুরের পেছনে তাঁর এই বিপুল ব্যয়ের বিষয়টি কেমন করে যেন রটে যায়। পরিণতিতে এলাকায় দেখা দেয় গুঞ্জন। পরিণতিতে দুর্জনরা বিষপ্রয়োগে হত্যা করে কুকুরটিকে। নিরপরাধ একটি পশুকে প্রাণ দিতে হয় এভাবে।

লাইবেরিয়ার ক্ষমতাচ্যুত প্রেসিডেন্ট স্যামুয়েল ডো নিজেকে সিংহের মতো ক্ষমতাধর বলে ভাবতেন। তিনি তাঁর বাসভবনে সিংহ পুষতেন। সিংহের খাঁচায় বিরোধী মতের লোকদের নিক্ষেপ করার অভিযোগ রয়েছে তাঁর বিরুদ্ধে। ক্ষুধাতুর সিংহ অসহায় মানুষকে যখন ছিন্নভিন্ন করে ভক্ষণ করত স্যামুয়েল ডো তা দেখে উল্লাস করতেন। সঙ্গীদের নিয়ে তিনি মেতে উঠতেন আদিম আনন্দে। ইথিওপিয়ার শেষ সম্রাট হাইলে সেলাসি। ইহুদিদের ধর্মগ্রন্থ তাওরাত বা বাইবেলের ওল্ড টেস্টামেন্টে উল্লেখিত সলোমন ও সেবা বংশের শেষ উত্তরসূরি তিনি। সামরিক অভ্যুত্থানে ক্ষমতা হারান এই সম্রাট। ১৯৭৪ সালের ফেব্রুয়ারিতে ইথিওপিয়ার রাজধানী আদ্দিস আবাবা উত্তাল হয়ে ওঠে ছাত্র-জনতার বিক্ষোভে। সে সময় রাজপ্রাসাদে এক সংবাদ সম্মেলনের আয়োজন করেন সম্রাট। সে সংবাদ সম্মেলনে যোগ দেন এক ইতালীয় সাংবাদিক। অধুনালুপ্ত বাংলাদেশ টাইমস-এর সম্পাদক মরহুম আলহাজ শামসুল হুদার সঙ্গে তাঁর বন্ধুত্ব ছিল। হুদা ভাই এক আড্ডায় বলেছেন, ওই সংবাদ সম্মেলনের সময় রাজপ্রাসাদে সিংহের গর্জন শুনেছেন ইতালীয় সাংবাদিক। সংবাদ সম্মেলনে উপস্থিত সাংবাদিকরা যখন বৃদ্ধ সম্রাটের ভাষণ শুনছিলেন তখন তাঁর কণ্ঠ মাঝেমধ্যে ঢাকা পড়ছিল সিংহের গর্জনে।

উগান্ডার ক্ষমতাচ্যুত স্বৈরশাসক ইদি আমিনও ছিলেন পশুপ্রেমী। দেশের মানুষের প্রতি তাঁর ভালোবাসা নিয়ে সংশয় থাকলেও পশুপাখি ও সামুদ্রিক জীবের প্রতি তাঁর মমত্ব ছিল নিখাঁদ। ইদি আমিন ছিলেন সেনাবাহিনীর একজন সামান্য করপোরাল। উগান্ডা স্বাধীন হওয়ার পর ইদির ভাগ্য খুলে যায়। রাতারাতি জেনারেল বনে যান। তারপর সুযোগ বুঝে মিল্টন ওবাটেকে হটিয়ে নিজেকে উগান্ডার প্রেসিডেন্ট ঘোষণা করেন। পাকিস্তানের একসময়ের সেনাশাসক আইয়ুব খানের মতো ফিল্ড মার্শাল সাজেন তিনি। অনেকের মতে, মধ্য আফ্রিকা প্রজাতন্ত্রের প্রেসিডেন্ট বোকাসোকে অনুসরণ করে উগান্ডার সম্রাট হতে চেয়েছিলেন ইদি। তবে শেষ পর্যন্ত সাহস পাননি বিরূপ প্রতিক্রিয়ার ভয়ে। দুধের স্বাদ ঘোল দিয়ে মেটাতে প্রেসিডেন্ট ইদি আমিন রাষ্ট্রীয় ফরমান জারি করে নিজেকে পৃথিবীর সব পশুপাখি, সাগরের মাছ ও অন্যান্য প্রাণীর সম্রাট ঘোষণা করেন। সংযুক্ত আরব আমিরাতের শাহি পরিবারের ঈগল পোষার কাহিনি জগৎবাসীর জানা। ঈগলের পেছনে তারা যে অর্থ ব্যয় করেন তা শুনলে ভিরমি খেতে হবে। ভারতের রাষ্ট্রপিতা মহাত্মা গান্ধী ছাগল পুষতেন। ছাগীর দুধ ছিল তাঁর নিত্যদিনের খাদ্যতালিকার অপরিহার্য উপাদান। ব্যক্তিগত জীবনে মহাত্মা গান্ধী ছিলেন চরম সংযমী। কোনো কোনো সময় শুধু দুধ পান করেই দিন কাটাতেন।

রাষ্ট্রনেতা, মন্ত্রী বা রাজনীতিকরা পশুপ্রেমী হবেন এতে আপত্তির কিছু নেই। ধর্ম বিশ্লেষকদের মতে, সব জীবই যেহেতু উপরওয়ালার সৃষ্টি, সেহেতু সৃষ্ট জীবের প্রতি ভালোবাসা স্রষ্টার সৃষ্টির প্রতি ভালোবাসার অংশ। তবে মানুষের প্রতি ভালোবাসা ও দায়বোধকে উপেক্ষা করে যারা পশুপ্রেমের পরকাষ্ঠা দেখান, তাদের মানসিক সুস্থতা নিয়ে প্রশ্ন উঠতেই পারে। সৃষ্টির সেরা জীব হিসেবে মানুষের প্রতি মানুষের মমত্ববোধ থাকতেই হবে। যারা রাষ্ট্রনেতা, সমাজনেতা, মন্ত্রী কিংবা রাজনীতিক তাঁদের সে দায়বোধ বেশি থাকাই উচিত।

পাদটীকা : বাংলাদেশের এক সাবেক শাসক (?) জেনারেল মইন উ আহমেদ পশুপ্রেমী ছিলেন কি না, জানি না। তবে তিনি ভারত সফরকালে তাঁকে ঘোড়া উপহার দেওয়া হয়। এ সফরের সময় ভারতের ঘোড়া কূটনীতি নিয়ে দুর্জনরা অনেক কথাই বলেছেন। বলা হয়, ২০০৭ সালে ফখরুদ্দীন-মইন উদ্দিনের নেতৃত্বে জাতির ঘাড়ে যে ওয়ান-ইলেভেনের মসিবত নেমে আসে তার পেছনে প্রতিবেশী দেশেরও ইন্ধন ছিল। ভারতীয়রা ওই জেনারেলকে তাদের ঘোড়ার সহিস হিসেবেই ভেবেছে। ঘোড়া উপহার দেওয়ার পেছনে সে মনস্তত্ত্ব কাজ করেছে এমন ধারণা অনেকের।

তবে ভাগ্য ভালো, জেনারেল মইন ভারতীয়দের কাছ থেকে উপহার হিসেবে পাওয়া ঘোড়ার জন্য পিএইচডির আবদার করেননি। টাকা দিয়ে পিএইচডি ডিগ্রি কেনাসংক্রান্ত অতি বিখ্যাত কৌতুকটি এ প্রসঙ্গে স্মর্তব্য। এক লোক কোথাও যাচ্ছিল ঘোড়ায় চড়ে। যাওয়ার পথে জানতে পারল ধারেকাছে একটা ইউনিভার্সিটি আছে। সেখানে টাকার বিনিময়ে পিএইচডি ডিগ্রি দেওয়া হয়। লোকটি ছিল বেশ ধনী। সে ইউনিভার্সিটিতে গিয়ে বলল তার একটা পিএইচডি ডিগ্রি চাই। টাকার বিনিময়ে সে সহজেই ডিগ্রি পেয়ে গেল। খুশিতে বাকবাকুম লোকটি ঘোড়ায় চড়ে বসল। হঠাৎ মনে হলো, প্রিয় ঘোড়াটার জন্যও একটা ডিগ্রি নিই না কেন। লোকটা আবার গেল ইউনিভার্সিটিতে। বলল, এই নিন টাকা, আমার ঘোড়ার জন্য একটা পিএইচডি ডিগ্রি দিন।

ইউনিভার্সিটি কর্তৃপক্ষের জবাব, দুঃখিত, আমরা শুধু গাধাদের ডিগ্রি দিই, ঘোড়াদের না।

লেখক : সিনিয়র সহকারী সম্পাদক, বাংলাদেশ প্রতিদিন

ইমেইল : [email protected]

এই বিভাগের আরও খবর
তরমুজ-শসা খান
তরমুজ-শসা খান
আহা! ডিজিটাল বাংলাদেশ
আহা! ডিজিটাল বাংলাদেশ
ইউনূস-মোদি বৈঠক
ইউনূস-মোদি বৈঠক
রমজানের শিক্ষা ধরে রাখতে হবে
রমজানের শিক্ষা ধরে রাখতে হবে
ট্রাম্পের শুল্কনীতির কী প্রভাব পড়বে বাংলাদেশে
ট্রাম্পের শুল্কনীতির কী প্রভাব পড়বে বাংলাদেশে
দেশই সবকিছু, ব্যক্তি বা পরিবার নয়
দেশই সবকিছু, ব্যক্তি বা পরিবার নয়
সামাজিক ব্যবসা
সামাজিক ব্যবসা
রপ্তানি খাতে ধাক্কা
রপ্তানি খাতে ধাক্কা
ফিলিস্তিনের নাবলুস নগরী
ফিলিস্তিনের নাবলুস নগরী
জীবনজুড়ে রমজানের রেশ ধরে রাখুন
জীবনজুড়ে রমজানের রেশ ধরে রাখুন
ফুলচাষিদের স্বাস্থ্যঝুঁঁকি
ফুলচাষিদের স্বাস্থ্যঝুঁঁকি
রেমিট্যান্সে আশার আলো
রেমিট্যান্সে আশার আলো
সর্বশেষ খবর
সিঙ্গাপুর গেলেন মির্জা ফখরুল
সিঙ্গাপুর গেলেন মির্জা ফখরুল

১ সেকেন্ড আগে | জাতীয়

লেবানন ও সিরিয়াকে অস্থিতিশীল করতে চাইছে ইসরায়েল: আরব লীগ মহাসচিব
লেবানন ও সিরিয়াকে অস্থিতিশীল করতে চাইছে ইসরায়েল: আরব লীগ মহাসচিব

৪ মিনিট আগে | পূর্ব-পশ্চিম

আইনে পরিণত হলো বিতর্কিত ওয়াকফ সংশোধনী বিল
আইনে পরিণত হলো বিতর্কিত ওয়াকফ সংশোধনী বিল

৫ মিনিট আগে | পূর্ব-পশ্চিম

ইউটিউবে রেনেসাঁ ব্যান্ডের নতুন গান
ইউটিউবে রেনেসাঁ ব্যান্ডের নতুন গান

১২ মিনিট আগে | শোবিজ

দক্ষিণ সুদানের সব অভিবাসীর ভিসা বাতিল যুক্তরাষ্ট্রের
দক্ষিণ সুদানের সব অভিবাসীর ভিসা বাতিল যুক্তরাষ্ট্রের

১৪ মিনিট আগে | পূর্ব-পশ্চিম

মিয়ানমারে ত্রাণ দিতে গিয়ে চাকরি হারালেন মার্কিন কর্মীরা
মিয়ানমারে ত্রাণ দিতে গিয়ে চাকরি হারালেন মার্কিন কর্মীরা

২৪ মিনিট আগে | পূর্ব-পশ্চিম

‘সংবেদনশীল গোষ্ঠীর’ জন্য ঢাকার বাতাস অস্বাস্থ্যকর
‘সংবেদনশীল গোষ্ঠীর’ জন্য ঢাকার বাতাস অস্বাস্থ্যকর

২৯ মিনিট আগে | নগর জীবন

আশুলিয়ায় চলন্ত বাসে আগুন
আশুলিয়ায় চলন্ত বাসে আগুন

৩৬ মিনিট আগে | দেশগ্রাম

বাণিজ্য বর্জন কর্মসূচিতে অংশ নেওয়ায় তুরস্কে অভিনেতাসহ গ্রেফতার ১১
বাণিজ্য বর্জন কর্মসূচিতে অংশ নেওয়ায় তুরস্কে অভিনেতাসহ গ্রেফতার ১১

৪৯ মিনিট আগে | পূর্ব-পশ্চিম

ভিনিসিয়ুসের পেনাল্টি মিসের রাত, রিয়ালের হার
ভিনিসিয়ুসের পেনাল্টি মিসের রাত, রিয়ালের হার

১ ঘণ্টা আগে | মাঠে ময়দানে

গুরুত্বপূর্ণ সংস্কার ছাড়া নির্বাচন নয়
গুরুত্বপূর্ণ সংস্কার ছাড়া নির্বাচন নয়

১ ঘণ্টা আগে | জাতীয়

ড. ইউনূসের আরো স্থায়িত্বের প্রশ্নে কিছু কথা
ড. ইউনূসের আরো স্থায়িত্বের প্রশ্নে কিছু কথা

১ ঘণ্টা আগে | মুক্তমঞ্চ

ইউরোপজুড়ে ট্রাম্প-ইলন মাস্কের বিরুদ্ধে বিক্ষোভ, যোগ দেন প্রবাসী মার্কিন নাগরিকরাও
ইউরোপজুড়ে ট্রাম্প-ইলন মাস্কের বিরুদ্ধে বিক্ষোভ, যোগ দেন প্রবাসী মার্কিন নাগরিকরাও

১ ঘণ্টা আগে | পূর্ব-পশ্চিম

মিয়ানমারে ভূমিকম্পে বাংলাদেশ সশস্ত্র বাহিনীর নেতৃত্বে উদ্ধার ও চিকিৎসা তৎপরতা অব্যাহত
মিয়ানমারে ভূমিকম্পে বাংলাদেশ সশস্ত্র বাহিনীর নেতৃত্বে উদ্ধার ও চিকিৎসা তৎপরতা অব্যাহত

১ ঘণ্টা আগে | জাতীয়

আজ থেকে ব্যাংক লেনদেন ১০-৪টা
আজ থেকে ব্যাংক লেনদেন ১০-৪টা

১ ঘণ্টা আগে | বাণিজ্য

আরও ১১ খুনের কথা স্বীকারে প্রস্তুত সেই ‘চেসবোর্ড কিলার’
আরও ১১ খুনের কথা স্বীকারে প্রস্তুত সেই ‘চেসবোর্ড কিলার’

১ ঘণ্টা আগে | পাঁচফোড়ন

সরকারি সফরে রাশিয়া ও ক্রোয়েশিয়া গেলেন সেনাপ্রধান
সরকারি সফরে রাশিয়া ও ক্রোয়েশিয়া গেলেন সেনাপ্রধান

১ ঘণ্টা আগে | জাতীয়

ট্রাম্প-মাস্কের নীতির বিরুদ্ধে যুক্তরাষ্ট্রজুড়ে গণবিক্ষোভ
ট্রাম্প-মাস্কের নীতির বিরুদ্ধে যুক্তরাষ্ট্রজুড়ে গণবিক্ষোভ

১ ঘণ্টা আগে | পূর্ব-পশ্চিম

সনাতন ধর্মাবলম্বীদের ধর্মীয় উৎসব উপলক্ষ্যে সেনাবাহিনীর নিরাপত্তা ও সহযোগিতা কার্যক্রম
সনাতন ধর্মাবলম্বীদের ধর্মীয় উৎসব উপলক্ষ্যে সেনাবাহিনীর নিরাপত্তা ও সহযোগিতা কার্যক্রম

১ ঘণ্টা আগে | জাতীয়

লাহোরকে শিরোপা জেতাতে চান রিশাদ
লাহোরকে শিরোপা জেতাতে চান রিশাদ

১ ঘণ্টা আগে | মাঠে ময়দানে

স্মার্টফোনে ‘ডু নট ডিস্টার্ব’ মোডের কাজ কী?
স্মার্টফোনে ‘ডু নট ডিস্টার্ব’ মোডের কাজ কী?

২ ঘণ্টা আগে | টেক ওয়ার্ল্ড

রিয়ালের সঙ্গে ব্যবধান বাড়ানোর সুযোগ হারাল বার্সা
রিয়ালের সঙ্গে ব্যবধান বাড়ানোর সুযোগ হারাল বার্সা

২ ঘণ্টা আগে | মাঠে ময়দানে

অঁজিকে হারিয়ে অপরাজিত চ‍্যাম্পিয়ন পিএসজি, জয়ের নায়ক দুয়ে
অঁজিকে হারিয়ে অপরাজিত চ‍্যাম্পিয়ন পিএসজি, জয়ের নায়ক দুয়ে

২ ঘণ্টা আগে | মাঠে ময়দানে

মেহেরপুরে নিষিদ্ধ সংগঠন ছাত্রলীগের সহ-সভাপতিসহ গ্রেফতার ৩
মেহেরপুরে নিষিদ্ধ সংগঠন ছাত্রলীগের সহ-সভাপতিসহ গ্রেফতার ৩

২ ঘণ্টা আগে | দেশগ্রাম

ইউক্রেনে একদিনে ৪৩০ সেনা হতাহত: মস্কো
ইউক্রেনে একদিনে ৪৩০ সেনা হতাহত: মস্কো

২ ঘণ্টা আগে | পূর্ব-পশ্চিম

আরাফাত রহমান কোকোর শাশুড়ি মারা গেছেন
আরাফাত রহমান কোকোর শাশুড়ি মারা গেছেন

২ ঘণ্টা আগে | জাতীয়

মেক্সিকো-আর্জেন্টিনা-ব্রাজিলের শেয়ারবাজারে বড় পতন
মেক্সিকো-আর্জেন্টিনা-ব্রাজিলের শেয়ারবাজারে বড় পতন

২ ঘণ্টা আগে | পূর্ব-পশ্চিম

একনজরে আজকের বাংলাদেশ প্রতিদিন (৬ এপ্রিল)
একনজরে আজকের বাংলাদেশ প্রতিদিন (৬ এপ্রিল)

৩ ঘণ্টা আগে | জাতীয়

রমজানের শিক্ষা ধরে রাখতে হবে
রমজানের শিক্ষা ধরে রাখতে হবে

৩ ঘণ্টা আগে | ইসলামী জীবন

মেহমানের সমাদরে জান্নাত মেলে
মেহমানের সমাদরে জান্নাত মেলে

৪ ঘণ্টা আগে | ইসলামী জীবন

সর্বাধিক পঠিত
আত্মরক্ষার জন্য ইরানের সর্বোচ্চ প্রস্তুতি রয়েছে : সৌদি যুবরাজকে পেজেশকিয়ান
আত্মরক্ষার জন্য ইরানের সর্বোচ্চ প্রস্তুতি রয়েছে : সৌদি যুবরাজকে পেজেশকিয়ান

২৩ ঘণ্টা আগে | পূর্ব-পশ্চিম

আপনার প্রতি শেখ হাসিনার অসম্মানজনক আচরণ দেখেছি : ড. ইউনূসকে বলেন মোদি
আপনার প্রতি শেখ হাসিনার অসম্মানজনক আচরণ দেখেছি : ড. ইউনূসকে বলেন মোদি

১৮ ঘণ্টা আগে | জাতীয়

ইরানে হামলার হুমকি থেকে পিছু হটলেন ট্রাম্প, সরাসরি আলোচনার প্রস্তাব
ইরানে হামলার হুমকি থেকে পিছু হটলেন ট্রাম্প, সরাসরি আলোচনার প্রস্তাব

১৯ ঘণ্টা আগে | পূর্ব-পশ্চিম

ইসরায়েলের বিরুদ্ধে মুসলিমদের জিহাদের আহ্বান জানিয়ে ফতোয়া জারি
ইসরায়েলের বিরুদ্ধে মুসলিমদের জিহাদের আহ্বান জানিয়ে ফতোয়া জারি

১৩ ঘণ্টা আগে | পূর্ব-পশ্চিম

যুক্তরাষ্ট্রের শুল্ক ইস্যুতে জরুরি সভা ডেকেছেন প্রধান উপদেষ্টা
যুক্তরাষ্ট্রের শুল্ক ইস্যুতে জরুরি সভা ডেকেছেন প্রধান উপদেষ্টা

২০ ঘণ্টা আগে | জাতীয়

এবার ইউক্রেনের বন্দর চাইছে পোল্যান্ড
এবার ইউক্রেনের বন্দর চাইছে পোল্যান্ড

১৩ ঘণ্টা আগে | পূর্ব-পশ্চিম

সাত দিনের মধ্যে যুক্তরাষ্ট্র ছাড়ার নির্দেশ, আতঙ্কে ইউক্রেনীয়রা
সাত দিনের মধ্যে যুক্তরাষ্ট্র ছাড়ার নির্দেশ, আতঙ্কে ইউক্রেনীয়রা

১৭ ঘণ্টা আগে | পূর্ব-পশ্চিম

ফিলিস্তিনি জনগণের প্রতি পাকিস্তান সেনা কমান্ডারদের অকুণ্ঠ সমর্থন
ফিলিস্তিনি জনগণের প্রতি পাকিস্তান সেনা কমান্ডারদের অকুণ্ঠ সমর্থন

১৭ ঘণ্টা আগে | পূর্ব-পশ্চিম

কালশী ফ্লাইওভারে দুর্ঘটনায় নিহত দুই যুবকের পরিচয় মিলেছে
কালশী ফ্লাইওভারে দুর্ঘটনায় নিহত দুই যুবকের পরিচয় মিলেছে

১৭ ঘণ্টা আগে | নগর জীবন

বিশ্বের শক্তিশালী পাসপোর্টের তালিকায় এক ধাপ এগোল বাংলাদেশ
বিশ্বের শক্তিশালী পাসপোর্টের তালিকায় এক ধাপ এগোল বাংলাদেশ

২২ ঘণ্টা আগে | জাতীয়

নির্বাচনের কথা বলে মুখে ফেনা তুলে ফেললেই গণতন্ত্র হয় না : নুসরাত তাবাসসুম
নির্বাচনের কথা বলে মুখে ফেনা তুলে ফেললেই গণতন্ত্র হয় না : নুসরাত তাবাসসুম

২০ ঘণ্টা আগে | রাজনীতি

শরীয়তপুরে দুই গ্রুপের সংঘর্ষ, শতাধিক হাতবোমা বিস্ফোরণ
শরীয়তপুরে দুই গ্রুপের সংঘর্ষ, শতাধিক হাতবোমা বিস্ফোরণ

২২ ঘণ্টা আগে | দেশগ্রাম

‘আতঙ্কে তারা ভুল করেছে’: চীনের পাল্টা শুল্ক নিয়ে ট্রাম্প
‘আতঙ্কে তারা ভুল করেছে’: চীনের পাল্টা শুল্ক নিয়ে ট্রাম্প

২০ ঘণ্টা আগে | পূর্ব-পশ্চিম

পরকীয়া প্রেমে বাধা দেওয়ায় স্বামীর পুরুষাঙ্গ কাটলো স্ত্রী
পরকীয়া প্রেমে বাধা দেওয়ায় স্বামীর পুরুষাঙ্গ কাটলো স্ত্রী

২২ ঘণ্টা আগে | দেশগ্রাম

হাতে সব প্রমাণ আছে, আইনিভাবে মোকাবিলা করবো : পরীমণি
হাতে সব প্রমাণ আছে, আইনিভাবে মোকাবিলা করবো : পরীমণি

১৮ ঘণ্টা আগে | শোবিজ

আরাফাত রহমান কোকোর শাশুড়ি মারা গেছেন
আরাফাত রহমান কোকোর শাশুড়ি মারা গেছেন

২ ঘণ্টা আগে | জাতীয়

ধূলিঝড়ের পর রাজধানীতে স্বস্তির বৃষ্টি
ধূলিঝড়ের পর রাজধানীতে স্বস্তির বৃষ্টি

১৪ ঘণ্টা আগে | নগর জীবন

লৌহজংয়ে পাওয়া মরদেহের টুকরোগুলো সাভারের সবুজ মোল্যার
লৌহজংয়ে পাওয়া মরদেহের টুকরোগুলো সাভারের সবুজ মোল্যার

২০ ঘণ্টা আগে | দেশগ্রাম

শান্তি আলোচনায় সময় ফুরিয়ে আসছে, রাশিয়াকে হুঁশিয়ারি যুক্তরাষ্ট্রের
শান্তি আলোচনায় সময় ফুরিয়ে আসছে, রাশিয়াকে হুঁশিয়ারি যুক্তরাষ্ট্রের

১৩ ঘণ্টা আগে | পূর্ব-পশ্চিম

পিঁয়াজ নিয়ে হতাশ মানিকগঞ্জের কৃষকরা
পিঁয়াজ নিয়ে হতাশ মানিকগঞ্জের কৃষকরা

২২ ঘণ্টা আগে | দেশগ্রাম

যথাসময়ে আমরা নির্বাচন আদায় করে নেব : ইশরাক
যথাসময়ে আমরা নির্বাচন আদায় করে নেব : ইশরাক

১৩ ঘণ্টা আগে | রাজনীতি

কোনো স্থানেই ময়লা পোড়ানো যাবে না : পরিবেশ উপদেষ্টা
কোনো স্থানেই ময়লা পোড়ানো যাবে না : পরিবেশ উপদেষ্টা

১৯ ঘণ্টা আগে | জাতীয়

ঈদের পঞ্চম দিনেও ‘দাগি’-‘জংলি’র দাপট অব্যাহত, আয় কত?
ঈদের পঞ্চম দিনেও ‘দাগি’-‘জংলি’র দাপট অব্যাহত, আয় কত?

১৬ ঘণ্টা আগে | শোবিজ

ইউক্রেনে একদিনে ৪৩০ সেনা হতাহত: মস্কো
ইউক্রেনে একদিনে ৪৩০ সেনা হতাহত: মস্কো

২ ঘণ্টা আগে | পূর্ব-পশ্চিম

প্রেমা নেই, শেষ হয়ে গেল পুরো পরিবার
প্রেমা নেই, শেষ হয়ে গেল পুরো পরিবার

২১ ঘণ্টা আগে | চট্টগ্রাম প্রতিদিন

আরো বাড়ল মিয়ানমারে ভূমিকম্পে মৃতের সংখ্যা
আরো বাড়ল মিয়ানমারে ভূমিকম্পে মৃতের সংখ্যা

২৩ ঘণ্টা আগে | পূর্ব-পশ্চিম

যুক্তরাষ্ট্রে বাংলাদেশের রফতানি আরও বাড়বে, কমবে না: প্রেস সচিব
যুক্তরাষ্ট্রে বাংলাদেশের রফতানি আরও বাড়বে, কমবে না: প্রেস সচিব

১৫ ঘণ্টা আগে | জাতীয়

বিমসটেক শীর্ষ সম্মেলনে যেসব সিদ্ধান্ত গৃহীত
বিমসটেক শীর্ষ সম্মেলনে যেসব সিদ্ধান্ত গৃহীত

১৫ ঘণ্টা আগে | জাতীয়

ঢাকাসহ চার বিভাগে বৃষ্টির সম্ভাবনা
ঢাকাসহ চার বিভাগে বৃষ্টির সম্ভাবনা

২২ ঘণ্টা আগে | জাতীয়

শুল্ক ইস্যুতে মার্কিন প্রশাসনের সঙ্গে আলোচনা করবেন প্রধান উপদেষ্টা
শুল্ক ইস্যুতে মার্কিন প্রশাসনের সঙ্গে আলোচনা করবেন প্রধান উপদেষ্টা

১৩ ঘণ্টা আগে | বাণিজ্য

প্রিন্ট সর্বাধিক
সেন্টমার্টিন এখন অন্যরকম
সেন্টমার্টিন এখন অন্যরকম

পেছনের পৃষ্ঠা

মার্কিন পণ্যে কমছে শুল্ক
মার্কিন পণ্যে কমছে শুল্ক

প্রথম পৃষ্ঠা

জটিলতা ৫৫ আসনে
জটিলতা ৫৫ আসনে

পেছনের পৃষ্ঠা

ফের উত্তপ্ত হবে রাজপথ
ফের উত্তপ্ত হবে রাজপথ

প্রথম পৃষ্ঠা

ট্রাম্পকাণ্ড রুখে দেওয়ার আহ্বান ওবামার
ট্রাম্পকাণ্ড রুখে দেওয়ার আহ্বান ওবামার

প্রথম পৃষ্ঠা

দূরত্ব কাটাবে ঢাকা-দিল্লি
দূরত্ব কাটাবে ঢাকা-দিল্লি

প্রথম পৃষ্ঠা

এখনো চ্যালেঞ্জিং রোহিঙ্গা ফেরত
এখনো চ্যালেঞ্জিং রোহিঙ্গা ফেরত

প্রথম পৃষ্ঠা

আজকের ভাগ্যচক্র
আজকের ভাগ্যচক্র

আজকের রাশি

ধর্ষণের শিকার দুই বোনের দায়িত্ব নিলেন তারেক রহমান
ধর্ষণের শিকার দুই বোনের দায়িত্ব নিলেন তারেক রহমান

প্রথম পৃষ্ঠা

ক্ষমতার মজা পেয়ে গেছেন উপদেষ্টা পরিষদের সবাই
ক্ষমতার মজা পেয়ে গেছেন উপদেষ্টা পরিষদের সবাই

প্রথম পৃষ্ঠা

রাজবাড়ীতে বিলুপ্তপ্রায় প্রজাতির শকুন উদ্ধার
রাজবাড়ীতে বিলুপ্তপ্রায় প্রজাতির শকুন উদ্ধার

পেছনের পৃষ্ঠা

সুপার লিগে খেলার লড়াই
সুপার লিগে খেলার লড়াই

মাঠে ময়দানে

যৌন সহিংসতার তথ্য পেয়েছে জাতিসংঘ
যৌন সহিংসতার তথ্য পেয়েছে জাতিসংঘ

প্রথম পৃষ্ঠা

মিডিয়া সংস্কারে কার স্বার্থে একচোখা সুপারিশ
মিডিয়া সংস্কারে কার স্বার্থে একচোখা সুপারিশ

প্রথম পৃষ্ঠা

বুবলীতে মুগ্ধ দর্শক
বুবলীতে মুগ্ধ দর্শক

শোবিজ

বাংলাদেশসহ কয়েকটি দেশের ওপর সৌদির ভিসা নিষেধাজ্ঞা
বাংলাদেশসহ কয়েকটি দেশের ওপর সৌদির ভিসা নিষেধাজ্ঞা

পেছনের পৃষ্ঠা

বাণিজ্য ছাড়িয়েছিল হাজার কোটি ডলার
বাণিজ্য ছাড়িয়েছিল হাজার কোটি ডলার

পেছনের পৃষ্ঠা

সাবেক রেলমন্ত্রীর বাড়ি ভাঙচুর ও অগ্নিসংযোগ
সাবেক রেলমন্ত্রীর বাড়ি ভাঙচুর ও অগ্নিসংযোগ

পেছনের পৃষ্ঠা

লাহোরে নিগারদের অনুশীলন
লাহোরে নিগারদের অনুশীলন

মাঠে ময়দানে

ভারতে বিতর্কিত ওয়াক্ফ বিল পাসে জামায়াতের নিন্দা
ভারতে বিতর্কিত ওয়াক্ফ বিল পাসে জামায়াতের নিন্দা

প্রথম পৃষ্ঠা

আওয়ামী লীগ নিষিদ্ধ করতে হবে
আওয়ামী লীগ নিষিদ্ধ করতে হবে

প্রথম পৃষ্ঠা

একই দিনে দুই বিয়ে
একই দিনে দুই বিয়ে

শোবিজ

বিএনপির দুই গ্রুপে সংঘর্ষে একজন নিহত, আহত ৪০
বিএনপির দুই গ্রুপে সংঘর্ষে একজন নিহত, আহত ৪০

প্রথম পৃষ্ঠা

অভিযোগের জবাবে পরী
অভিযোগের জবাবে পরী

শোবিজ

লিচুর ফলন শঙ্কায় চাষি
লিচুর ফলন শঙ্কায় চাষি

দেশগ্রাম

শরীয়তপুরে খোলা মাঠ যেন যুদ্ধক্ষেত্র
শরীয়তপুরে খোলা মাঠ যেন যুদ্ধক্ষেত্র

প্রথম পৃষ্ঠা

সংস্কার শেষেই নির্বাচন দিতে হবে
সংস্কার শেষেই নির্বাচন দিতে হবে

প্রথম পৃষ্ঠা

আওয়ামী লীগের বিচার চায় বিএনপি
আওয়ামী লীগের বিচার চায় বিএনপি

প্রথম পৃষ্ঠা

জরাজীর্ণ ভবন, নষ্ট এক্স-রে মেশিন
জরাজীর্ণ ভবন, নষ্ট এক্স-রে মেশিন

দেশগ্রাম

ফুটবলেই থাকছেন সালাউদ্দিন
ফুটবলেই থাকছেন সালাউদ্দিন

মাঠে ময়দানে