কাজী সালাউদ্দিনই একমাত্র ব্যক্তি যিনি ফুটবল খেলেছেন। সেই সঙ্গে জাতীয় দল ও ঢাকা আবাহনীর অধিনায়ক ও প্রশিক্ষকের দায়িত্ব পালন করেছেন। ছিলেন সিলেকশন কমিটির চেয়ারম্যান। তারপর আবার দ্বিতীয় ফুটবলার হিসেবে বাংলাদেশ ফুটবল ফেডারেশনের সভাপতি ছিলেন এবং নির্বাচিত হয়েই। আরেক ফুটবলার হাফিজউদ্দিন আহমদ ছিলেন মনোনীত সভাপতি। শুধু তাই নয়, টানা চার মেয়াদে নির্বাচিত ১৬ বছর দেশের ফুটবলের অভিভাবককের দায়িত্ব পালন করেন কাজী সালাউদ্দিন। ২০২৪ সালে স্বেচ্ছায় সভাপতির পদ থেকে সরে দাঁড়ান। নির্বাচনে অংশ নেননি। বাফুফের নতুন সভাপতি এখন তাবিথ আউয়াল। তিনিও সাবেক ফুটবলার।সভাপতি পদ থেকে সরে যাওয়ায় অনেকের ধারণা ছিল ফুটবলের সঙ্গে আর নিজেকে জড়িয়ে রাখবেন না সালাউদ্দিন। মেয়াদ শেষ হলেই সাউথ এশিয়ান ফুটবল ফেডারেশনের সভাপতির পদ থেকেও সরে দাঁড়াবেন। ২০০৯ সাল থেকে সালাউদ্দিন সাফের সভাপতি রয়েছেন। সাফের মহাসচিব ছিলেন বাংলাদেশেরই সংগঠক আনোয়ারুল হক হেলাল। কিছুদিন আগে তিনি পদত্যাগ করেন। সালাউদ্দিন সে পথে যেতে চাচ্ছেন না। তিনি সাফের সভাপতি পদে নির্বাচন করার প্রস্তুতি নিচ্ছেন। সাফের গঠনতন্ত্রে ছিল ৭০ বছরের বেশি হলে সভাপতি পদে প্রার্থী হতে পারবেন না। সে ক্ষেত্রে স্বাভাবিকভাবে সালাউদ্দিন বাদ যেতেন। কিন্তু কলম্বোতে তাদের যে বৈঠক হয়েছে তাতে নিয়ম বদল হয়েছে। এখন বয়স কোনো ফ্যাক্টর হবে না। তাই সালাউদ্দিনও প্রার্থী হতে পারবেন। তিনি ফুটবলের সঙ্গে টিকে থাকতে পারবেন কি না তা নির্ভর করছে বাফুফের সিদ্ধান্তের ওপর। এরপর বিজয়ী হবেন কি না সেটাও প্রশ্ন। টানা ১৬ বছর ফুটবলে যে বিতর্ক তৈরি করেছিলেন তিনি। তার পরও কি বাফুফের কেউ চাইবেন সালাউদ্দিন সাফের সভাপতি প্রার্থী হোন? তা এখন দেখার বিষয়।
হয়তো সরকারের উচ্চমহলও এখানে হস্তক্ষেপ করতে পারে।