বর্তমানে স্মার্টফোন আমাদের নিত্যদিনের সঙ্গী। সর্বশেষ খবর বা বন্ধুদের সঙ্গে সামাজিক যোগাযোগ মাধ্যমে যুক্ত থাকতে ও তাদের সম্পর্কে আপডেট পেতে ক্রমাগত নোটিফিকেশন আসতে থাকে ফোনে।
তবে এসব নোটিফিকেশনের বিপবিপ, রিং ও অন্যান্য শব্দ যদি ক্রমাগত জরুরি কোনো কাজ, ঘুম বা পড়াশোনার সময় ও অফিসের মিটিংয়ে আসতে থাকে তবে তা কারও জন্য বিরক্তির কারণ ঘটাতে পারে।
ব্যবহারকারীরা চাইলে কেবল ফোনের মাধ্যমেই ফোন কল, টেক্সট ও অ্যালার্মসহ অ্যান্ড্রয়েড ফোনের সব ধরনের নোটিফিকেশন বন্ধ করতে পারেন। অ্যান্ড্রয়েডে ‘ডু নট ডিস্টার্ব’ বা ডিএনডি মোডের মাধ্যমে এমনটি করতে পারেন তারা।
এ ফিচারের মাধ্যমে জরুরি কাজের সময় ফোনের ওপর বিরক্তি বোধ কমাতে ও নিজের কাজে মনোযোগ দিতে পারেন। ‘ডু নট ডিস্টার্ব’ কীভাবে কাজ করে তা ব্যবহারকারীর ডিভাইসের ওপর ভিত্তি করে পরিবর্তিত হতে পারে। তবে সব অ্যান্ড্রয়েড ডিভাইসের ক্ষেত্রে নিয়ম প্রায় একই রকম।
ডু নট ডিস্টার্ব মোডের কাজ কী?
অ্যান্ড্রয়েডের ডিএনডি মোডের সাহায্যে ফোনের কিছু নোটিফিকেশন বা প্রয়োজনের ভিত্তিতে সব ধরনের নোটিফিকেশন বন্ধ করতে পারেন। ডিএনডি মোড চালুর পর ফোনটি সাইলেন্ট বা নীরব হয়ে যাবে। ফলে ফোনের শব্দ, কম্পন বা ভিজ্যুয়াল কোনো নোটিফিকেশনই ব্যবহারকারী টের পাবেন না। ফোন থেকে ম্যানুয়ালি ডিএনডি মোড চালু করতে পারেন বা চাইলে নির্দিষ্ট সময়ের জন্যও এসব নোটিফিকেশন বন্ধ করতে পারেন।
মোডটি চাইলে সহজেই বন্ধ করা সম্ভব। এজন্য স্ক্রিনের ওপরের বার নিচের দিকে সোয়াইপ করে কন্ট্রোল প্যানেল খুলুন। তারপর ‘ডু নট ডিস্টার্ব’ মোডটি ট্যাপ করে তা বন্ধ করতে পারবেন।
‘ডু নট ডিস্টার্ব’ ও ‘স্লিপ মোড’ এর মধ্যে পার্থক্য কী?
ডিনডি ও স্লিপ মোড অনেক ক্ষেত্রে একইরকম হলেও এদের ফোকাস মূলত আলাদা। মিটিং, কাজের সময় বা অন্যান্য সময় বা দিনের বেলা যখন কোনো কাজে নিজের মনোযোগ ঠিক রাখতে চান সে সময় ডিএনডি মোড ব্যবহার করতে পারেন।
অন্যদিকে স্লিপ মোড ব্যবহারকারীর ফোনের রঙিন স্কিমে পরিবর্তন করবে ও ফোনের আলোর পরিবর্তন ঘটাবে। তবে ডিএনডি কেবল ফোনের নোটিফিকেশন বন্ধ করে দেবে ও ফোনটিকে নীরব রাখবে।
বিডি-প্রতিদিন/আব্দুল্লাহ