গণঅধিকার পরিষদের সাধারণ সম্পাদক মুহাম্মদ রাশেদ খান বলেছেন, জাতীয় সংলাপ ডেকে আওয়ামী লীগকে নিষিদ্ধ করতে হবে। এজন্য সরকারি ও রাজনৈতিক সিদ্ধান্ত নিতে হবে। এদিকে সরকারের উপদেষ্টা ও মুখপাত্র মাহফুজ আলম বলেছেন, সরকার এককভাবে সিদ্ধান্ত নিয়ে আওয়ামী লীগকে নিষিদ্ধ করতে পারে না। আমি বলতে চাই, উপদেষ্টা পরিষদ গঠিত হয়েছে, আওয়ামী লীগের প্রেতাত্মাদের সরকারি বিভিন্ন দপ্তরে, সেক্টরে পুনর্বাসিত করা হয়েছে। এমনকি উপদেষ্টা বানানো হয়েছে। তখন কি জনগণের ম্যানডেট লেগেছিল? তাহলে এখন কেন আওয়ামী লীগ নিষিদ্ধ করতে সরকার একক সিদ্ধান্ত নিতে পারবে না। সরকার সিদ্ধান্ত নিলে রাজনীতিবিদদের কোনো আপত্তি থাকবে না। গতকাল সকালে ঝিনাইদহের একটি রেস্টুরেন্টে জেলার সাংবাদিকদের সঙ্গে মতবিনিময় সভায় তিনি এসব কথা বলেন। গণঅধিকার পরিষদের জেলা সভাপতি সাখাওয়াত হোসেনের সভাপতিত্বে সভায় অন্যদের মধ্যে উপস্থিত ছিলেন গণঅধিকার পরিষদের জেলা সাধারণ সম্পাদক ইকবাল জাহিদ রাজন, সদর উপজেলা সভাপতি হালিম পারভেজ, যুব অধিকার পরিষদ সভাপতি আবদুল্লা আল-মামুন, সাধারণ সম্পাদক রিহান হোসেন রায়হান ও পৌর গণঅধিকার পরিষদের আহ্বায়ক মাহফুজুর রহমান প্রমুখ।
রাশেদ খান বলেন, প্রধান উপদেষ্টার সঙ্গে ভারতের প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদির বৈঠকে শেখ হাসিনাকে ফেরত চাওয়া হয়েছে। ভারতের পক্ষ থেকে কোনো বক্তব্য দেওয়া হয়নি। আমরা সব সময় দাবি জানিয়েছি, শেখ হাসিনাকে বাংলাদেশে ফিরিয়ে এনে ফাঁসিতে ঝোলাতে হবে। পাশাপাশি তার সাঙ্গপাঙ্গ ওবায়দুল কাদের থেকে শুরু আসাদুজ্জামান খান কামাল, হাছান মাহমুদদেরও ফাঁসি কার্যকর করতে হবে।