শিরোনাম
প্রকাশ: ০০:০০, শনিবার, ০৫ এপ্রিল, ২০২৫

ফুলচাষিদের স্বাস্থ্যঝুঁঁকি

শাইখ সিরাজ
প্রিন্ট ভার্সন
ফুলচাষিদের স্বাস্থ্যঝুঁঁকি

সাভারের বিরুলিয়ায় গিয়েছিলাম একটা প্রতিবেদনের দৃশ্য ধারণ করতে। তখন ডিসেম্বর মাস। ফেরার পথে গোলাপ গ্রাম হয়ে এলাম। খুব দ্রুতই পাল্টে যাচ্ছে সেখানকার চিত্র। খণ্ড খণ্ড কৃষিজমি আরও খণ্ড খণ্ড হয়ে যাচ্ছে। অনুচ্চ বাউন্ডারি তৈরি করে বানানো হচ্ছে আবাসন প্লট। কিন্তু এখনো নতুন আবাসিক শহর রূপ লাভ করেনি। বলা চলে এখানকার বিদায়ি কৃষি হিসেবে সৌন্দর্য বর্ধন করে চলেছে ফুল। বিশেষ করে গোলাপ।

পৌষের মিষ্টি রোদ, দুপুর গড়ানো বিকালে এক আনন্দমুখর এলাকা হয়ে উঠেছে ঢাকার কাছাকাছি এ প্রাকৃতিক পর্যটনক্ষেত্র। অনেক কিশোর-কিশোরী, তরুণ-তরুণী ফুলের সৌন্দর্যের কাছাকাছি এসে প্রাকৃতিক সৌরভ গ্রহণ করছে। মাঠের কোনায় এখানে-সেখানে বসেছে ফুলের দোকান। কিশোরী-তরুণীরা সেখান থেকে ফুলের মুকুট মাথায় দিয়ে ঘুরে বেড়াচ্ছে।

দৃশ্যপট অনেকটা যশোরের ঝিকরগাছার গদখালির মতোই। গদখালির মাঠগুলোও তখন ফুলে পূর্ণ। নতুন বছরকে সামনে রেখে ফুলবাণিজ্যের হিসাব কষেছিলেন ফুলচাষিরা। পরপর দুই বছর লোকসানের পর এবার তারা তাদের চাষ ও বাণিজ্য নিয়ে অনেকটা স্বাভাবিক জায়গায় ফিরতে পেরেছেন। শহীদ বুদ্ধিজীবী দিবস ও বিজয় দিবসকে কেন্দ্র করে প্রায় ১ কোটি ২০ লাখ টাকার ফুল বিক্রি হয়েছে। বর্তমান বাজারব্যবস্থা নিয়ে খুশি ফুল বিক্রেতারা।

সাভারের এই বিরুলিয়া এলাকায় ফুলচাষি রয়েছেন তিন শতাধিক। ঢাকার এত কাছাকাছি তাদের ফুল চাষকেন্দ্রিক কৃষিবাণিজ্য রীতিমতো সম্প্রসারিত হচ্ছে। শ্যামপুর, কমলাপুর, বাগীবাড়ি, সাদুল্লাহপুরসহ বিভিন্ন গ্রাম ঘুরে দেখলাম, চাষিদের মধ্যে অনেকেই ফুলবাগান পরিচর্যায় ব্যস্ত আবার কেউ কেউ বিক্রির জন্য ফুল তুলছেন। দর্শনার্থীদের আনাগোনাও অন্যান্য সময়ের তুলনায় ছিল বেশি। একজন চাষি একমনে ফুল তুলছিলেন। লক্ষ করলাম, ফুল তোলার ক্ষেত্রে কোনো সুরক্ষা তার হাতে নেই। কথা বললাম তার সঙ্গে। নাম বাদল। জানতে চাইলাম, বাদল, আপনি যে ফুল তুলছেন, গ্লাভস পরে নিলে ভালো হতো না?

ওইতা লাগে না। ওগুলো পরে কাজ করতে ভেজাল লাগে। বাদলের সহজসরল উত্তর।

সাভারের বিরুলিয়ায় গিয়েছিলাম একটা প্রতিবেদনের দৃশ্য ধারণ করতেবললাম, দেখি, আপনার হাত দুটি দেখি। হাতের ফুল রেখে দুটি তালু মেলে ধরলেন বাদল। অসংখ্য কাঁটার আঘাতের চিহ্ন দুই হাতের তালুতে ভরে আছে। সেই ক্ষতগুলোতে হাত বুলিয়ে বললাম, এইগুলো কী তবে? বললেন, কাঁটা বিঁধলে পেকে গিয়ে বের হয়ে যায়। কোনো ইনফেকশন হয় না।

আপনাকে কে বলেছে ইনফেকশন হয় না! গ্লাভস পরে কাজ করলে বড় ধরনের ক্ষতি থেকে রক্ষা পাবেন। আমার কথায় গ্লাভস পরে কাজ করবে বলে জানালেন বাদল। তিনি অন্যের গোলাপ বাগানে কাজ করেন। সকাল ৭টা থেকে বেলা ২টা পর্যন্ত কাজ করে প্রতিদিন ৭০০ থেকে ৮০০ টাকা পর্যন্ত মজুরি পান। তার নিজেরও দুই বিঘা জমিতে গোলাপের বাগান আছে। করোনার দুঃসময়ের কথা স্মরণ করে বাদল বললেন, আয়-রোজগার বলতে সে সময় কিছুই ছিল না। বাগানের ফুল বাগানেই নষ্ট হইছে। তবে এখন আবার আয়-রোজগার হইতাছে। বাজারও ভালো যাইতাছে।

জানতে চাইলাম, আজকে গোলাপের বাজার কত? বললেন, ৫ টাকা পিস যাচ্ছে আজ।

বাদল জানালেন, ভালোবাসা দিবসে ফুলের সবচেয়ে বেশি চাহিদা থাকে। দামটাও ভালো পান। এ ছাড়া পয়লা জানুয়ারি, নববর্ষ, বিজয় দিবস, স্বাধীনতা দিবস- এমন জাতীয় দিবসগুলোতে ফুলের বাজার থাকে ভালো।

বাদলকে বললাম, ফুলচাষিদের স্বাস্থ্যগত বেশ কিছু বিষয় মেনে চলা উচিত। কীটনাশক ও রাসায়নিক সার ব্যবহারের সময় মাস্ক, দস্তানা ও সুরক্ষিত পোশাক পরা উচিত এবং ব্যবহারের পর হাত-মুখ ভালোভাবে ধুতে হবে এবং কাপড় পরিবর্তন করতে হবে। কীটনাশক প্রয়োগের সময় বাতাসের দিক বিবেচনা করে স্প্রে করতে হবে। দীর্ঘ সময় মাঠে কাজ করার ফলে শরীর পানিশূন্য হতে পারে, তাই নিয়মিত পানি পান করা জরুরি। তীব্র গরমের সময় পর্যাপ্ত পানি ও লবণযুক্ত পানীয় খাওয়ার অভ্যাস গড়ে তোলা দরকার। হাত ও পা ভালোভাবে ধোয়া উচিত, বিশেষত কীটনাশক ও মাটি স্পর্শ করার পর। ফুলবাগান বা জমিতে পরিচ্ছন্নতা বজায় রাখা প্রয়োজন, যাতে রোগজীবাণু কম থাকে। সকাল বা বিকালে কাজ করা ভালো, তীব্র রোদে কাজ করা এড়িয়ে চলা উচিত। দীর্ঘক্ষণ ঝুঁঁকে কাজ করার ফলে কোমর বা পিঠের ব্যথা হতে পারে। ভারী কাজের পর পর্যাপ্ত বিশ্রাম নিতে হবে।

ঘুরতে ঘুরতে গেলাম গোলাপ গ্রামের আরেকটি গোলাপখেতে। খেতের মালিক আবদুল বারেক। বারেক স্থানীয় একজন চাষি। কৃষক পরিবারের সন্তান। চোখের সামনে কৃষিনির্ভর এ এলাকার বহুমুখী পরিবর্তন দেখেছেন তিনি। ৯০ শতাংশ জমিতে তার ফুল চাষ। বারেকের সঙ্গে কথা বলে জানা গেল, গোলাপবাগানের জমিটি তিনি বাণিজ্যিক প্লট ব্যবসায়ীদের কাছে বিক্রি করে দিয়েছেন। তাদের সঙ্গে সমঝোতার ভিত্তিতেই কৃষিকাজ করছেন। এখানে যতদিন নির্মাণকাজ শুরু না হচ্ছে ততদিন বিনা ভাড়ায় চাষাবাদের সুযোগ পাচ্ছেন বারেক।

তার কাছে জানতে চাইলাম, এখন তো গোলাপ চাষ করছেন। যখন এখানে নির্মাণকাজ শুরু হবে তখন কী করবেন? ভবিষ্যৎ কী জানেন না বারেক। মনে হলো জানতেও চান না। বর্তমান নিয়ে সন্তুষ্ট তিনি। ফুলের বাজার ফিরে এসেছে। ফুল না থাকলে আর কোনো ব্যবসা খুঁজে নিতে অইবো। নীরস উত্তর বারেকের। এখন ফুলই ধ্যানজ্ঞান। ভালো ফলন হইছে এবার। দামও ভালো। খুশিতে চোখমুখ উজ্জ্বল হয়ে ওঠে তার। বারেকের বিবেচনায় অভাবনীয় এক লাভজনক কৃষি হচ্ছে গোলাপ চাষ। গাছ রোপণের পরের মাস থেকেই ফুল ধরতে শুরু করে। তারপর শুধু ফুল তোলা আর বিক্রি।

এখানে ফুলের চাষ ঘিরে সারা বছরের একটি পর্যটনশিল্পও বেশ জমে উঠেছে। শীত মৌসুমই পর্যটনের সবচেয়ে উপযুক্ত সময়। এ ফুলের চাষ এলাকায় তখন পর্যটনেরই পরিবেশ বিরাজ করছে। শিশু থেকে শুরু করে বিভিন্ন বয়সি নারী-পুরুষ আসছেন। সেই সঙ্গে জমে উঠেছে ছোটখাটো বাণিজ্য। বারেকের খেতের পাশেই ফুল বিক্রি করছিলেন এক বৃদ্ধ। ফুল কিনতে এসেছিল তিন তরুণী। কলেজের ছুটিতে তিন বন্ধু এখানে বেড়াতে এসেছে। কথা বললাম তাদের সঙ্গে। গোলাপ গ্রামের কথা অনেক শুনেছে তারা। এবারই প্রথম দেখতে এলো। একজন বলল, ইউটিউবে গোলাপ গ্রাম নিয়ে আপনার অনুষ্ঠানও দেখেছি স্যার। আমি হাসলাম, জানতে চাইলাম, টিভি দেখ না। বলল টিভিতেও দেখি, ইউটিউবে বেশি দেখি। মোবাইল ফোনে দেখা যায়। প্রযুক্তিপ্রেমী তরুণ-তরুণীদের হাতের ফোনটিই এখন সব ধরনের যোগাযোগ ও বিনোদনের প্রধান মাধ্যম।

এ এলাকায় ফুলের চাষ সম্প্রসারিত হওয়ায় স্থানীয় কৃষিশ্রমিকদের সারা বছরের কাজ নিশ্চিত হয়েছে। মাঠে কাজ করছিলেন দুজন নারীশ্রমিক। কথা বলে জানা গেল, এখানে তাদের নির্ধারিত মজুরিও বেশ সন্তোষজনক। ফুলকে ঘিরে একটা অর্থনৈতিক বলয় এখানে গড়ে উঠেছে। ফুলই হয়ে উঠেছে এ অঞ্চলের অনেক মানুষের নির্ভরতার ক্ষেত্র।

আমাদের বৈচিত্র্যময় কৃষিতে ফুল এক অসাধারণ সংযোজন। এটি আমাদের রঙিন অর্থনীতি। দেশের বহু কৃষক ও তৃণমূল উদ্যোক্তার ভাগ্য উন্নয়নে ফুলের চাষ অভূতপূর্ব অবদান রেখেছে। যশোরের ঝিকরগাছা উপজেলার গদখালি, পানিসারাসহ বেশ কয়েকটি গ্রামসহ ঝিনাইদহ ও চুয়াডাঙ্গার অনেক অংশে এখন ফুলের চাষ ছড়িয়ে পড়েছে। ঢাকার সাভারও ফুলচাষের এক অনন্য ক্ষেত্র। এখানে ফুল চাষের পরিধি সম্প্রসারিত হচ্ছে দিনের পর দিন। বাড়ছে বাজারের পরিধি।

করোনার দুই বছর লোকসান গুনলেও ফুল চাষ ও বাণিজ্যে আবার স্বাভাবিক পরিবেশ ফিরে আসায় নতুন আশায় বুক বেঁধেছেন চাষিরা। তাদের বিশ্বাস জনজীবন স্বাভাবিক থাকলে ফুল চাষের গতি ও সমৃদ্ধি বাড়তেই থাকবে। ফুলের সৌরভে ভরে উঠবে তাদের জীবন।

লেখক : মিডিয়াব্যক্তিত্ব

[email protected]

এই বিভাগের আরও খবর
সামাজিক ব্যবসা
সামাজিক ব্যবসা
রপ্তানি খাতে ধাক্কা
রপ্তানি খাতে ধাক্কা
ফিলিস্তিনের নাবলুস নগরী
ফিলিস্তিনের নাবলুস নগরী
জীবনজুড়ে রমজানের রেশ ধরে রাখুন
জীবনজুড়ে রমজানের রেশ ধরে রাখুন
রেমিট্যান্সে আশার আলো
রেমিট্যান্সে আশার আলো
ভোটের আলোচনা
ভোটের আলোচনা
বিমসটেক সম্মেলন
বিমসটেক সম্মেলন
ডিজিটাল সংস্কৃতি : ভার্চুয়াল উৎসব
ডিজিটাল সংস্কৃতি : ভার্চুয়াল উৎসব
শাওয়াল মাসের ছয় রোজার পুণ্য
শাওয়াল মাসের ছয় রোজার পুণ্য
ব্যাংককে বৈঠক, ঢাকা-দিল্লিতে গুঞ্জন
ব্যাংককে বৈঠক, ঢাকা-দিল্লিতে গুঞ্জন
এই সময়ের রাজনৈতিক চ্যালেঞ্জ
এই সময়ের রাজনৈতিক চ্যালেঞ্জ
ভূমিকম্পের ঝুঁকি
ভূমিকম্পের ঝুঁকি
সর্বশেষ খবর
সেচ পাম্পে গোসল করতে যাওয়ায় কিশোরকে পিটিয়ে হত্যা
সেচ পাম্পে গোসল করতে যাওয়ায় কিশোরকে পিটিয়ে হত্যা

১ সেকেন্ড আগে | দেশগ্রাম

আওয়ামী লীগের টাকার লোভে না পড়তে দলীয় নেতাদের হুঁশিয়ারি শামা ওবায়েদের
আওয়ামী লীগের টাকার লোভে না পড়তে দলীয় নেতাদের হুঁশিয়ারি শামা ওবায়েদের

৩ ঘণ্টা আগে | রাজনীতি

প্রতিকূল পরিবেশেও খেলাপি ঋণ কমেছে
প্রতিকূল পরিবেশেও খেলাপি ঋণ কমেছে

৩ ঘণ্টা আগে | বাণিজ্য

ফ্যাসিবাদ পুনর্বাসনের প্রচেষ্টা কোনোভাবেই মেনে নেওয়া হবে না : গোলাম পরওয়ার
ফ্যাসিবাদ পুনর্বাসনের প্রচেষ্টা কোনোভাবেই মেনে নেওয়া হবে না : গোলাম পরওয়ার

৩ ঘণ্টা আগে | রাজনীতি

কালশী ফ্লাইওভারে গাড়ির সঙ্গে মোটরসাইকেলের সংঘর্ষ, দুই যুবক নিহত
কালশী ফ্লাইওভারে গাড়ির সঙ্গে মোটরসাইকেলের সংঘর্ষ, দুই যুবক নিহত

৪ ঘণ্টা আগে | নগর জীবন

মিয়ানমারে বাংলাদেশ সশস্ত্র বাহিনীর নেতৃত্বে উদ্ধার ও চিকিৎসা কার্যক্রম অব্যাহত
মিয়ানমারে বাংলাদেশ সশস্ত্র বাহিনীর নেতৃত্বে উদ্ধার ও চিকিৎসা কার্যক্রম অব্যাহত

৪ ঘণ্টা আগে | জাতীয়

মাদক নিয়ে দ্বন্দ্বে যুবককে কুড়াল দিয়ে কুপিয়ে হত্যা
মাদক নিয়ে দ্বন্দ্বে যুবককে কুড়াল দিয়ে কুপিয়ে হত্যা

৫ ঘণ্টা আগে | দেশগ্রাম

দেশে ফিরেছেন প্রধান উপদেষ্টা
দেশে ফিরেছেন প্রধান উপদেষ্টা

৫ ঘণ্টা আগে | জাতীয়

ভালুকায় মোটরসাইকেলের ধাক্কায় বৃদ্ধ নিহত
ভালুকায় মোটরসাইকেলের ধাক্কায় বৃদ্ধ নিহত

৫ ঘণ্টা আগে | দেশগ্রাম

হাসিনার এক মন্তব্যে সংকটে মাদারগঞ্জের সমবায় সমিতি
হাসিনার এক মন্তব্যে সংকটে মাদারগঞ্জের সমবায় সমিতি

৫ ঘণ্টা আগে | দেশগ্রাম

এখনো ফাঁকা বন্দরনগরী
এখনো ফাঁকা বন্দরনগরী

৭ ঘণ্টা আগে | চট্টগ্রাম প্রতিদিন

৫ মিলিয়ন ডলারের ‘গোল্ড কার্ড’ ভিসা উন্মোচন করলেন ট্রাম্প
৫ মিলিয়ন ডলারের ‘গোল্ড কার্ড’ ভিসা উন্মোচন করলেন ট্রাম্প

৭ ঘণ্টা আগে | পূর্ব-পশ্চিম

মাছ ব্যবসায়ীকে হত্যার পর গণপিটুনিতে যুবকের মৃত্যু
মাছ ব্যবসায়ীকে হত্যার পর গণপিটুনিতে যুবকের মৃত্যু

৭ ঘণ্টা আগে | দেশগ্রাম

ব্রাহ্মণবাড়িয়ায় মাদক বিরোধী মিছিল ও প্রতিবাদ সভা
ব্রাহ্মণবাড়িয়ায় মাদক বিরোধী মিছিল ও প্রতিবাদ সভা

৭ ঘণ্টা আগে | দেশগ্রাম

ঐশ্বরিয়া আমার মেয়ে নয়, কেবল ছেলের বউ : জয়া বচ্চন
ঐশ্বরিয়া আমার মেয়ে নয়, কেবল ছেলের বউ : জয়া বচ্চন

৭ ঘণ্টা আগে | শোবিজ

বড় ভাইয়ের হাতে প্রাণ গেল ছোট ভাইয়ের
বড় ভাইয়ের হাতে প্রাণ গেল ছোট ভাইয়ের

৮ ঘণ্টা আগে | চট্টগ্রাম প্রতিদিন

মাদকসহ এয়ারপোর্টে আটক কানাডার অধিনায়ক
মাদকসহ এয়ারপোর্টে আটক কানাডার অধিনায়ক

৮ ঘণ্টা আগে | মাঠে ময়দানে

রাজশাহীতে মাছ ব্যবসায়ীকে হত্যার পর গণপিটুনিতে যুবকের মৃত্যু
রাজশাহীতে মাছ ব্যবসায়ীকে হত্যার পর গণপিটুনিতে যুবকের মৃত্যু

৮ ঘণ্টা আগে | দেশগ্রাম

ঈদের ছুটিতেও
ব্রাহ্মণবাড়িয়া মা ও শিশু কল্যাণ কেন্দ্রে সেবা প্রদান
ঈদের ছুটিতেও ব্রাহ্মণবাড়িয়া মা ও শিশু কল্যাণ কেন্দ্রে সেবা প্রদান

৮ ঘণ্টা আগে | দেশগ্রাম

‘প্রয়োজনে জোটগতভাবে নির্বাচন করবে এনসিপি’
‘প্রয়োজনে জোটগতভাবে নির্বাচন করবে এনসিপি’

৮ ঘণ্টা আগে | রাজনীতি

ট্রাম্পের শুল্ক বৃদ্ধিতে আইফোনের দাম হতে পারে ৩ লাখ টাকা
ট্রাম্পের শুল্ক বৃদ্ধিতে আইফোনের দাম হতে পারে ৩ লাখ টাকা

৮ ঘণ্টা আগে | টেক ওয়ার্ল্ড

খোলপেটুয়া নদীর ভেঙে যাওয়া বাঁধ মেরামত, এলাকায় স্বস্তি
খোলপেটুয়া নদীর ভেঙে যাওয়া বাঁধ মেরামত, এলাকায় স্বস্তি

৮ ঘণ্টা আগে | দেশগ্রাম

পর্দায় নয়, এবার সত্যিই বিয়ে করলেন শামীম হাসান সরকার
পর্দায় নয়, এবার সত্যিই বিয়ে করলেন শামীম হাসান সরকার

৮ ঘণ্টা আগে | শোবিজ

নিউইয়র্কে ‘বাংলাদেশের ঐতিহ্য উদযাপনী’ সমাবেশ
নিউইয়র্কে ‘বাংলাদেশের ঐতিহ্য উদযাপনী’ সমাবেশ

৮ ঘণ্টা আগে | পরবাস

ঈদুল আজহার সম্ভাব্য তারিখ প্রকাশ
ঈদুল আজহার সম্ভাব্য তারিখ প্রকাশ

৮ ঘণ্টা আগে | পূর্ব-পশ্চিম

বগুড়ার কথিত মিনি জাফলং: স্বাস্থ্য ঝুঁকিতে শিক্ষার্থীর প্রাণহানি
বগুড়ার কথিত মিনি জাফলং: স্বাস্থ্য ঝুঁকিতে শিক্ষার্থীর প্রাণহানি

৮ ঘণ্টা আগে | দেশগ্রাম

গোপালগঞ্জে বিএনপি নেতাসহ ৪ জনকে পিটিয়ে আহত
গোপালগঞ্জে বিএনপি নেতাসহ ৪ জনকে পিটিয়ে আহত

৮ ঘণ্টা আগে | দেশগ্রাম

ড. ইউনূস-মোদি বৈঠক আশার আলো তৈরি করেছে: মির্জা ফখরুল
ড. ইউনূস-মোদি বৈঠক আশার আলো তৈরি করেছে: মির্জা ফখরুল

৮ ঘণ্টা আগে | রাজনীতি

তিন বন্ধু মোটরসাইকেলে ঘুরতে গিয়ে দুর্ঘটনা, একজন নিহত
তিন বন্ধু মোটরসাইকেলে ঘুরতে গিয়ে দুর্ঘটনা, একজন নিহত

৯ ঘণ্টা আগে | দেশগ্রাম

'জুলাই বিপ্লবের শহীদদের স্বপ্ন বাস্তবায়নে জনগণ জামায়াতের প্রার্থীকে বিজয়ী করবে'
'জুলাই বিপ্লবের শহীদদের স্বপ্ন বাস্তবায়নে জনগণ জামায়াতের প্রার্থীকে বিজয়ী করবে'

৯ ঘণ্টা আগে | চট্টগ্রাম প্রতিদিন

সর্বাধিক পঠিত
শেখ হাসিনার প্রত্যর্পণ চাইলো বাংলাদেশ
শেখ হাসিনার প্রত্যর্পণ চাইলো বাংলাদেশ

১৬ ঘণ্টা আগে | জাতীয়

নরেন্দ্র মোদিকে যে উপহার দিলেন প্রধান উপদেষ্টা
নরেন্দ্র মোদিকে যে উপহার দিলেন প্রধান উপদেষ্টা

১৫ ঘণ্টা আগে | জাতীয়

ইরানে মার্কিন হামলার হুমকি অগ্রহণযোগ্য: রাশিয়া
ইরানে মার্কিন হামলার হুমকি অগ্রহণযোগ্য: রাশিয়া

১৯ ঘণ্টা আগে | পূর্ব-পশ্চিম

প্রথম দফায় ১ লাখ ৮০ হাজার রোহিঙ্গা নিতে রাজি মিয়ানমার
প্রথম দফায় ১ লাখ ৮০ হাজার রোহিঙ্গা নিতে রাজি মিয়ানমার

১১ ঘণ্টা আগে | জাতীয়

ঈদুল আজহার সম্ভাব্য তারিখ প্রকাশ
ঈদুল আজহার সম্ভাব্য তারিখ প্রকাশ

৮ ঘণ্টা আগে | পূর্ব-পশ্চিম

ড. ইউনূস-মোদির ৪০ মিনিটের বৈঠক, আলাপ হলো কী নিয়ে
ড. ইউনূস-মোদির ৪০ মিনিটের বৈঠক, আলাপ হলো কী নিয়ে

১০ ঘণ্টা আগে | জাতীয়

ব্যাংককে ড. ইউনূস-মোদির বৈঠক
ব্যাংককে ড. ইউনূস-মোদির বৈঠক

১৭ ঘণ্টা আগে | জাতীয়

ড. ইউনূস ও মোদির বৈঠক নিয়ে যা জানালেন ভারতের পররাষ্ট্র সচিব
ড. ইউনূস ও মোদির বৈঠক নিয়ে যা জানালেন ভারতের পররাষ্ট্র সচিব

১০ ঘণ্টা আগে | জাতীয়

খুলনায় গ্রেনেড বাবুর বাড়িতে অভিযানে অস্ত্র উদ্ধার, আটক ৩
খুলনায় গ্রেনেড বাবুর বাড়িতে অভিযানে অস্ত্র উদ্ধার, আটক ৩

১৫ ঘণ্টা আগে | নগর জীবন

পর্দায় নয়, এবার সত্যিই বিয়ে করলেন শামীম হাসান সরকার
পর্দায় নয়, এবার সত্যিই বিয়ে করলেন শামীম হাসান সরকার

৮ ঘণ্টা আগে | শোবিজ

প্রতিশোধ নিল চীন, মার্কিন পণ্যের ওপর অতিরিক্ত ৩৪% শুল্ক আরোপ
প্রতিশোধ নিল চীন, মার্কিন পণ্যের ওপর অতিরিক্ত ৩৪% শুল্ক আরোপ

১১ ঘণ্টা আগে | পূর্ব-পশ্চিম

বাংলাদেশ বিমসটেকের পরবর্তী চেয়ারম্যান
বাংলাদেশ বিমসটেকের পরবর্তী চেয়ারম্যান

১৪ ঘণ্টা আগে | জাতীয়

অভ্যুত্থানের সময় গ্রেফতার, সৌদিতে জেল খেটে দেশে ফিরলেন ১০ প্রবাসী
অভ্যুত্থানের সময় গ্রেফতার, সৌদিতে জেল খেটে দেশে ফিরলেন ১০ প্রবাসী

১৩ ঘণ্টা আগে | জাতীয়

৫ মিলিয়ন ডলারের ‘গোল্ড কার্ড’ ভিসা উন্মোচন করলেন ট্রাম্প
৫ মিলিয়ন ডলারের ‘গোল্ড কার্ড’ ভিসা উন্মোচন করলেন ট্রাম্প

৭ ঘণ্টা আগে | পূর্ব-পশ্চিম

ইউনূস-মোদি বৈঠক ফলপ্রসূ হয়েছে: প্রেস সচিব
ইউনূস-মোদি বৈঠক ফলপ্রসূ হয়েছে: প্রেস সচিব

১৩ ঘণ্টা আগে | জাতীয়

ট্রাম্পের শুল্ক বাংলাদেশ-শ্রীলঙ্কার পোশাকশিল্পে বড় ধাক্কা: নিউইয়র্ক টাইমস
ট্রাম্পের শুল্ক বাংলাদেশ-শ্রীলঙ্কার পোশাকশিল্পে বড় ধাক্কা: নিউইয়র্ক টাইমস

১৮ ঘণ্টা আগে | বাণিজ্য

৩০০ আসনে প্রার্থী দেওয়ার চ্যালেঞ্জ নিতে প্রস্তুত এনসিপি: সারজিস
৩০০ আসনে প্রার্থী দেওয়ার চ্যালেঞ্জ নিতে প্রস্তুত এনসিপি: সারজিস

১২ ঘণ্টা আগে | নগর জীবন

দীর্ঘ ১৫ বছর পর বঞ্চিত কমিউনিটি নেতারা দাওয়াত পেলেন রাষ্ট্রীয় অনুষ্ঠানে
দীর্ঘ ১৫ বছর পর বঞ্চিত কমিউনিটি নেতারা দাওয়াত পেলেন রাষ্ট্রীয় অনুষ্ঠানে

১২ ঘণ্টা আগে | পরবাস

প্রধান উপদেষ্টার সঙ্গে শ্রীলঙ্কার প্রধানমন্ত্রীর সাক্ষাৎ
প্রধান উপদেষ্টার সঙ্গে শ্রীলঙ্কার প্রধানমন্ত্রীর সাক্ষাৎ

১২ ঘণ্টা আগে | জাতীয়

দুই দিন ধরে তুর্কি বিমানবন্দরে আটকা ২৫০ যাত্রী
দুই দিন ধরে তুর্কি বিমানবন্দরে আটকা ২৫০ যাত্রী

১২ ঘণ্টা আগে | পূর্ব-পশ্চিম

আসিয়ান সদস্যপদের জন্য থাইল্যান্ডের সমর্থন চাইলেন প্রধান উপদেষ্টা
আসিয়ান সদস্যপদের জন্য থাইল্যান্ডের সমর্থন চাইলেন প্রধান উপদেষ্টা

১৬ ঘণ্টা আগে | জাতীয়

একনজরে আজকের বাংলাদেশ প্রতিদিন (৪ এপ্রিল)
একনজরে আজকের বাংলাদেশ প্রতিদিন (৪ এপ্রিল)

২১ ঘণ্টা আগে | জাতীয়

‘যত দ্রুত সম্ভব নির্বাচন আয়োজন করা সরকারের সর্বোচ্চ অগ্রাধিকার’
‘যত দ্রুত সম্ভব নির্বাচন আয়োজন করা সরকারের সর্বোচ্চ অগ্রাধিকার’

১৮ ঘণ্টা আগে | জাতীয়

নিষেধাজ্ঞায় পড়লেন মেসির দেহরক্ষী
নিষেধাজ্ঞায় পড়লেন মেসির দেহরক্ষী

২০ ঘণ্টা আগে | মাঠে ময়দানে

শনিবার ঢাকায় আসছে আইএমএফের প্রতিনিধি দল
শনিবার ঢাকায় আসছে আইএমএফের প্রতিনিধি দল

১৫ ঘণ্টা আগে | জাতীয়

ঐশ্বরিয়া আমার মেয়ে নয়, কেবল ছেলের বউ : জয়া বচ্চন
ঐশ্বরিয়া আমার মেয়ে নয়, কেবল ছেলের বউ : জয়া বচ্চন

৮ ঘণ্টা আগে | শোবিজ

ইউনূসের সঙ্গে মোদির বৈঠক প্রয়োজন ছিল: মির্জা আব্বাস
ইউনূসের সঙ্গে মোদির বৈঠক প্রয়োজন ছিল: মির্জা আব্বাস

১০ ঘণ্টা আগে | রাজনীতি

মিঠামইনে কৃষকের মৃত্যুকে কেন্দ্র করে রহস্য
মিঠামইনে কৃষকের মৃত্যুকে কেন্দ্র করে রহস্য

১৭ ঘণ্টা আগে | দেশগ্রাম

গ্রিনল্যান্ডকে এভাবে সংযুক্ত করা যায় না : যুক্তরাষ্ট্রকে ডেনমার্ক
গ্রিনল্যান্ডকে এভাবে সংযুক্ত করা যায় না : যুক্তরাষ্ট্রকে ডেনমার্ক

১৩ ঘণ্টা আগে | পূর্ব-পশ্চিম

ড. ইউনূস-মোদি বৈঠক আশার আলো তৈরি করেছে: মির্জা ফখরুল
ড. ইউনূস-মোদি বৈঠক আশার আলো তৈরি করেছে: মির্জা ফখরুল

৮ ঘণ্টা আগে | রাজনীতি

প্রিন্ট সর্বাধিক
সুবিধাবাদী হাইব্রিডে অতিষ্ঠ বিএনপি
সুবিধাবাদী হাইব্রিডে অতিষ্ঠ বিএনপি

প্রথম পৃষ্ঠা

মুজিব ছিলেন বেপরোয়া
মুজিব ছিলেন বেপরোয়া

প্রথম পৃষ্ঠা

চলতি বছর টাইগারদের ৬ টেস্ট
চলতি বছর টাইগারদের ৬ টেস্ট

মাঠে ময়দানে

দেশের প্রযুক্তি খাতে বিপ্লব ঘটাবে স্টারলিংক
দেশের প্রযুক্তি খাতে বিপ্লব ঘটাবে স্টারলিংক

প্রথম পৃষ্ঠা

ধুঁকছেন পেট্রাপোলের ব্যবসায়ীরাও
ধুঁকছেন পেট্রাপোলের ব্যবসায়ীরাও

পেছনের পৃষ্ঠা

আজকের ভাগ্যচক্র
আজকের ভাগ্যচক্র

আজকের রাশি

দীর্ঘদিন ক্ষমতা আঁকড়ে রাখার চিন্তা করলে জনগণ মেনে নেবে না
দীর্ঘদিন ক্ষমতা আঁকড়ে রাখার চিন্তা করলে জনগণ মেনে নেবে না

নগর জীবন

রাজশাহী বিএনপিতে ত্রিধারা
রাজশাহী বিএনপিতে ত্রিধারা

নগর জীবন

হাসিনাকে চাইল বাংলাদেশ
হাসিনাকে চাইল বাংলাদেশ

প্রথম পৃষ্ঠা

কবির-মুসার বিরুদ্ধে এবার জালিয়াতির অভিযোগ
কবির-মুসার বিরুদ্ধে এবার জালিয়াতির অভিযোগ

নগর জীবন

চট্টগ্রাম-কক্সবাজার সড়কে শঙ্কা
চট্টগ্রাম-কক্সবাজার সড়কে শঙ্কা

পেছনের পৃষ্ঠা

ইলিশের দামে আগুন
ইলিশের দামে আগুন

পেছনের পৃষ্ঠা

আত্রাই নদীর চরে কুমড়াবাড়ি!
আত্রাই নদীর চরে কুমড়াবাড়ি!

পেছনের পৃষ্ঠা

মুখোমুখি সরকার-আইএমএফ
মুখোমুখি সরকার-আইএমএফ

প্রথম পৃষ্ঠা

‘মিনি জাফলংয়ে’ স্বাস্থ্যঝুঁকি
‘মিনি জাফলংয়ে’ স্বাস্থ্যঝুঁকি

নগর জীবন

নতুন জীবনের খোঁজে মাহি
নতুন জীবনের খোঁজে মাহি

শোবিজ

হচ্ছে বাম দলের বৃহত্তর জোট!
হচ্ছে বাম দলের বৃহত্তর জোট!

প্রথম পৃষ্ঠা

নিশোর মুখে শাকিববন্দনা
নিশোর মুখে শাকিববন্দনা

শোবিজ

চলে যাচ্ছেন ম্যানসিটির ডি ব্রুইন
চলে যাচ্ছেন ম্যানসিটির ডি ব্রুইন

মাঠে ময়দানে

বাছাইপর্ব টপকাতে প্রস্তুত নিগাররা
বাছাইপর্ব টপকাতে প্রস্তুত নিগাররা

মাঠে ময়দানে

অভিযোগে মোশাররফ করিমের জবাব
অভিযোগে মোশাররফ করিমের জবাব

শোবিজ

মেয়েদের ২০৩১ বিশ্বকাপ যুক্তরাষ্ট্রে
মেয়েদের ২০৩১ বিশ্বকাপ যুক্তরাষ্ট্রে

মাঠে ময়দানে

কলকাতার জার্সিতে ২০০ উইকেট
কলকাতার জার্সিতে ২০০ উইকেট

মাঠে ময়দানে

আমাদের সম্পর্কটা বড় ভাই-ছোট ভাইয়ের মতো
আমাদের সম্পর্কটা বড় ভাই-ছোট ভাইয়ের মতো

শোবিজ

চেলসির শীর্ষ চারের লড়াই
চেলসির শীর্ষ চারের লড়াই

মাঠে ময়দানে

১ লাখ ৮০ হাজার রোহিঙ্গা ফেরত নেবে মিয়ানমার
১ লাখ ৮০ হাজার রোহিঙ্গা ফেরত নেবে মিয়ানমার

প্রথম পৃষ্ঠা

জমজমাট বিনোদন কেন্দ্রগুলো
জমজমাট বিনোদন কেন্দ্রগুলো

পেছনের পৃষ্ঠা

প্রয়োজনীয় সংস্কার শেষে দ্রুত নির্বাচন
প্রয়োজনীয় সংস্কার শেষে দ্রুত নির্বাচন

প্রথম পৃষ্ঠা

নির্বাচনে অনিশ্চয়তা বাড়াবে জটিলতা
নির্বাচনে অনিশ্চয়তা বাড়াবে জটিলতা

প্রথম পৃষ্ঠা

এবার জনগণ ভোটাধিকার ফিরে পাবে
এবার জনগণ ভোটাধিকার ফিরে পাবে

প্রথম পৃষ্ঠা