শিরোনাম
প্রকাশ: ১৫:০৭, শুক্রবার, ১০ জানুয়ারি, ২০২৫

কালের কণ্ঠের ১৫তম প্রতিষ্ঠাবার্ষিকী উপলক্ষ্যে প্রকাশিত

রাষ্ট্রীয় ক্ষমতা ও রাষ্ট্রকাঠামোর পরিবর্তন

মহিবুর রহমান ফুয়াদ
অনলাইন ভার্সন
রাষ্ট্রীয় ক্ষমতা ও রাষ্ট্রকাঠামোর পরিবর্তন

পৃথিবীর যেসব দেশ স্বাধীনতার পরও লড়াই-সংগ্রাম চালিয়ে গেছে, হানাহানি ও রক্তক্ষয় দেখেছে শুধু রাষ্ট্রব্যবস্থায় অসংগতি ও আর্থিক দুর্নীতির কারণে, তাদের তালিকা করলে বাংলাদেশ খুব একটা পিছিয়ে থাকবে বলে মনে হয় না।

এত ভালো ভালো ন্যাচারাল রিসোর্স, ফ্রেশ ওয়াটার রিসার্ভ, নদীনালা, উন্নত মাটি, সাগর-পাহাড় থাকার পরও আমরা কেন জানি দারিদ্র্যের কুয়াশায় আচ্ছন্ন। এই সংকট কোনো একক গোষ্ঠীর দায় নয়, বরং একটি জাতিগত মানসিকতার ফল। রাষ্ট্রযন্ত্র নিয়ে দেশের সুধীসমাজ ও পণ্ডিত ব্যক্তিরা যত বড় বড় লেকচারই দিন না কেন, সব কিছুর মূলে বরাবরই থাকবে আইনের শাসন, আইনের সুষ্ঠু প্রয়োগ, জবাবদিহি ও স্বচ্ছতার সংস্কৃতি।

রাষ্ট্রযন্ত্রের পরিবর্তন আজ সময়ের দাবি। রাষ্ট্রীয় শাসনব্যবস্থায় আইন ও ন্যায়বিচারের শাসন প্রতিষ্ঠা করতে না পারলে কাঙ্ক্ষিত পরিবর্তন সম্ভব নয়। গণতান্ত্রিক ব্যবস্থায় জনপ্রতিনিধিদের অতিরিক্ত হস্তক্ষেপ যেমন ক্ষতিকর, তেমনি আমলাতন্ত্রের জবাবদিহিহীনতাও বড় চ্যালেঞ্জ। দুর্নীতি দমন কমিশন থেকে শুরু করে স্বাধীন তদন্ত সংস্থা—সবই আজ প্রশ্নবিদ্ধ।

আমাদের রাষ্ট্রের সার্বিক মেরুদণ্ড ভেঙে পড়ার মূল কারণ হচ্ছে জবাবদিহি ও স্বচ্ছতার ঘাটতি।

একটা জাতীয় ঐক্যের মুহূর্ত দরকার, যা এরই মধ্যে দেশের মানুষ প্রত্যক্ষ করেছে। কিন্তু খুব বেশি দেরি হলে এই চেতনা, এই ঐক্য, এই দেশকে নিয়ে ভাবার স্পৃহা নষ্ট হয়ে যাবে।

আমরা যে বাংলাদেশ চাই

আমরা এমন একটি বাংলাদেশ চাই, যেখানে কোনো নেতা দরিদ্রদের ব্যবহারের মাধ্যমে নিজের উচ্চবিত্ত জীবনের আয়োজন করবেন না। এমন একটি দেশ চাই, যেখানে জনপ্রতিনিধিরা দেশের মাটিতে চিকিৎসা নেবেন এবং নিজেদের সন্তানের ভবিষ্যৎও এই দেশেই বিনির্মাণ করবেন। এমন একটি দেশ চাই, যেখানে মেধাপাচার বন্ধ হবে এবং দেশের উন্নয়নে সবার ভূমিকা থাকবে।

সংবিধান সংস্কার

রাষ্ট্রীয় প্রতিষ্ঠানের দুর্বলতার মূলে রয়েছে রাজনৈতিক দলের অগণতান্ত্রিক চরিত্র। গত ৫৩ বছরে কোনো শীর্ষ নেতা স্বেচ্ছায় পদত্যাগ করেননি। এই বাস্তবতায় গণতন্ত্রের আশা করা অবাস্তব। রাজনৈতিক দলগুলোর অভ্যন্তরীণ গণতন্ত্র প্রতিষ্ঠাই মূল চ্যালেঞ্জ।

নির্বাচন সংস্কার

১. তত্ত্বাবধায়ক সরকার ব্যবস্থা পুনরায় ফিরিয়ে আনতে হবে।

২. নির্বাচন কমিশনারের পদসংখ্যা বাড়িয়ে ন্যূনতম ১৫-তে উন্নীত করতে হবে। নির্বাচন কমিশনারদের মধ্যে অন্তত ৪০ শতাংশ বিরোধী দলগুলো কর্তৃক মনোনীত ব্যক্তি থেকে দিতে হবে। এ ক্ষেত্রে ন্যূনতম যোগ্যতার ক্রাইটেরিয়া সেট করা যেতে পারে। কোন দল কাদের মনোনীত করেছে সেটা জনস্বার্থে উন্মুক্ত করে দিতে হবে। প্রধান নির্বাচন কমিশনার সুপ্রিম জুডিশিয়াল কাউন্সিল কর্তৃক মনোনীত হবেন।

৩. নির্বাচনকালে সশস্ত্র বাহিনী মোতায়েন বাধ্যতামূলক করতে হবে। পোলিং অফিসার, সহকারী প্রিজাইডিং অফিসার, প্রিজাইডিং অফিসার ও দায়িত্বপ্রাপ্তদের নিরপেক্ষতা নিশ্চিতের লক্ষ্যে সার্বক্ষণিক তদারকির জন্য সেনাবাহিনীর বিশেষ মনিটরিং সেল রাখতে হবে।

৪. প্রার্থীদের আয়ের উৎস ও আয়ের পরিমাণ জনস্বার্থে উন্মুক্ত করে দিতে হবে।

৫. নির্বাচনের ন্যূনতম দুই মাস আগে তত্ত্বাবধায়ক সরকার ক্ষমতা নেবে এবং নির্বাচনের এক মাস পর নির্বাচিত প্রতিনিধিদের কাছে ক্ষমতা হস্তান্তর করা হবে।

আরো কিছু সংস্কার, যা কাম্য

১. যেকোনো সরকার চার বছরের বেশি নয়।

২. প্রধানমন্ত্রী ও দলীয় প্রধান একই ব্যক্তি নয়।

৩. পৃথক স্বাধীন পুলিশ কমিশন।

৪. সম্পূর্ণ স্বাধীন বিচার বিভাগ, আইন মন্ত্রণালয়ের পরিপূর্ণ হস্তক্ষেপবিহীন।

৫. সম্পূর্ণ স্বাধীন নির্বাচন কমিশন।

৬ . সম্পূর্ণ স্বাধীন দুদক (অথবা নতুন কিছু), যা সশস্ত্র বাহিনীর কর্মকর্তা, পুলিশ ও অন্যান্য গোয়েন্দা সংস্থার কর্মকর্তা, জুডিশিয়াল ম্যাজিস্ট্রেট ও প্রশাসনের কর্মকর্তার সমন্বয়ে হবে। এই কমিশন একাধারে তদন্ত, জিজ্ঞাসাবাদ এবং প্রয়োজন মোতাবেক আদালত থেকে অনুমতি নিয়ে তাৎক্ষণিক গ্রেপ্তার করতে পারবে। এই কমিশন রিপোর্ট করবে জুডিশিয়াল কাউন্সিলে। সরকারি, বেসরকারি, জনপ্রতিনিধি কিংবা যেকোনো ব্যক্তির বিরুদ্ধে অজ্ঞাত থেকে অভিযোগ করার জন্য হেল্পলাইন সুবিধা থাকতে হবে এবং তার প্রতিক্রিয়া গতিশীল করার জন্য আলাদা সেল থাকবে।

৭. সরকারি কর্মকর্তাদের পদায়ন, ট্রান্সফার, ওএসডি সুপারিশ করার জন্য পৃথক স্বাধীন কমিশন গঠন। মন্ত্রণালয় কোনো মাঠ পর্যায়ের কর্মকর্তাকে এই কমিশনের সুপারিশ ছাড়া ট্রান্সফার করতে পারবে না। এই কমিশন পৃথক জুডিশিয়াল কাউন্সিলের তদারকিতে থাকবে।

৮. মাঠ প্রশাসনের পৃথক স্বাধীন কমিশন। প্রশাসনে রাজনৈতিক হস্তক্ষেপ যতটা সম্ভব মিনিমাইজ করা।

নতুন দেশ গড়ার দৃঢ় প্রত্যয় নিয়ে ধৈর্য ও সহনশীলতা প্রদর্শন নতুন এক দিগন্তের সূচনা করতে পারে। এমন বাংলাদেশ চাই, যেখানে জনগণের স্বপ্ন আর রাষ্ট্রের অঙ্গীকারের মধ্যে কোনো দূরত্ব থাকবে না। একটি উন্নত, নৈতিক এবং মানবিক বাংলাদেশই হতে পারে আমাদের চূড়ান্ত লক্ষ্য।


লেখক: তৃতীয় বর্ষ, যন্ত্রকৌশল বিভাগ, বাংলাদেশ প্রকৌশল বিশ্ববিদ্যালয় (বুয়েট)

এই বিভাগের আরও খবর
ড. ইউনূসের আরো স্থায়িত্বের প্রশ্নে কিছু কথা
ড. ইউনূসের আরো স্থায়িত্বের প্রশ্নে কিছু কথা
মিডিয়া সংস্কারে কার স্বার্থে একচোখা সুপারিশ
মিডিয়া সংস্কারে কার স্বার্থে একচোখা সুপারিশ
প্রত্যাশা সমষ্টিগত মানুষের স্বাধীনতা ও মুক্তি
প্রত্যাশা সমষ্টিগত মানুষের স্বাধীনতা ও মুক্তি
টিকফার মাধ্যমে অবস্থান তুলে ধরে শুল্ক কমানোর আলোচনা করতে হবে
টিকফার মাধ্যমে অবস্থান তুলে ধরে শুল্ক কমানোর আলোচনা করতে হবে
শহীদ রাষ্ট্রপতি জিয়াউর রহমানের আদর্শ, জাতীয় স্বার্থ ও গণঅভ্যুত্থানের পুনর্জাগরণ
শহীদ রাষ্ট্রপতি জিয়াউর রহমানের আদর্শ, জাতীয় স্বার্থ ও গণঅভ্যুত্থানের পুনর্জাগরণ
বাংলাদেশ-ভারত সম্পর্ক: জাতীয়তাবাদী দৃষ্টিভঙ্গি ও ভবিষ্যৎ প্রেক্ষিত
বাংলাদেশ-ভারত সম্পর্ক: জাতীয়তাবাদী দৃষ্টিভঙ্গি ও ভবিষ্যৎ প্রেক্ষিত
সেনাবাহিনী নিয়ে দেশি-বিদেশি ষড়যন্ত্র বিষয়ে সতর্ক থাকতে হবে
সেনাবাহিনী নিয়ে দেশি-বিদেশি ষড়যন্ত্র বিষয়ে সতর্ক থাকতে হবে
সেনাবাহিনী বা প্রধান নিয়ে অপরিণামদর্শী স্মার্টনেস কাম্য নয়
সেনাবাহিনী বা প্রধান নিয়ে অপরিণামদর্শী স্মার্টনেস কাম্য নয়
তবে কি সংস্কারের পুকুরে ডুবছে নতুন স্বাধীনতা ?
তবে কি সংস্কারের পুকুরে ডুবছে নতুন স্বাধীনতা ?
বুদ্ধিজীবীরা প্রত্যক্ষ ভূমিকা রেখেছেন স্বাধীনতা সংগ্রামে
বুদ্ধিজীবীরা প্রত্যক্ষ ভূমিকা রেখেছেন স্বাধীনতা সংগ্রামে
সেনাবাহিনীকে বিতর্কের ঊর্ধ্বে রাখতে হবে
সেনাবাহিনীকে বিতর্কের ঊর্ধ্বে রাখতে হবে
তামাক নীতিমালা : সংকটে ভোক্তা অধিকার
তামাক নীতিমালা : সংকটে ভোক্তা অধিকার
সর্বশেষ খবর
ভারতের বিতর্কিত ওয়াকফ সংশোধনী বিল নিয়ে যা বললেন আসিফ নজরুল
ভারতের বিতর্কিত ওয়াকফ সংশোধনী বিল নিয়ে যা বললেন আসিফ নজরুল

এই মাত্র | জাতীয়

সিঙ্গাপুর গেলেন মির্জা ফখরুল
সিঙ্গাপুর গেলেন মির্জা ফখরুল

৩ মিনিট আগে | জাতীয়

লেবানন ও সিরিয়াকে অস্থিতিশীল করতে চাইছে ইসরায়েল: আরব লীগ মহাসচিব
লেবানন ও সিরিয়াকে অস্থিতিশীল করতে চাইছে ইসরায়েল: আরব লীগ মহাসচিব

৭ মিনিট আগে | পূর্ব-পশ্চিম

আইনে পরিণত হলো বিতর্কিত ওয়াকফ সংশোধনী বিল
আইনে পরিণত হলো বিতর্কিত ওয়াকফ সংশোধনী বিল

৮ মিনিট আগে | পূর্ব-পশ্চিম

ইউটিউবে রেনেসাঁ ব্যান্ডের নতুন গান
ইউটিউবে রেনেসাঁ ব্যান্ডের নতুন গান

১৫ মিনিট আগে | শোবিজ

দক্ষিণ সুদানের সব অভিবাসীর ভিসা বাতিল যুক্তরাষ্ট্রের
দক্ষিণ সুদানের সব অভিবাসীর ভিসা বাতিল যুক্তরাষ্ট্রের

১৭ মিনিট আগে | পূর্ব-পশ্চিম

মিয়ানমারে ত্রাণ দিতে গিয়ে চাকরি হারালেন মার্কিন কর্মীরা
মিয়ানমারে ত্রাণ দিতে গিয়ে চাকরি হারালেন মার্কিন কর্মীরা

২৭ মিনিট আগে | পূর্ব-পশ্চিম

‘সংবেদনশীল গোষ্ঠীর’ জন্য ঢাকার বাতাস অস্বাস্থ্যকর
‘সংবেদনশীল গোষ্ঠীর’ জন্য ঢাকার বাতাস অস্বাস্থ্যকর

৩২ মিনিট আগে | নগর জীবন

আশুলিয়ায় চলন্ত বাসে আগুন
আশুলিয়ায় চলন্ত বাসে আগুন

৪০ মিনিট আগে | দেশগ্রাম

বাণিজ্য বর্জন কর্মসূচিতে অংশ নেওয়ায় তুরস্কে অভিনেতাসহ গ্রেফতার ১১
বাণিজ্য বর্জন কর্মসূচিতে অংশ নেওয়ায় তুরস্কে অভিনেতাসহ গ্রেফতার ১১

৫২ মিনিট আগে | পূর্ব-পশ্চিম

ভিনিসিয়ুসের পেনাল্টি মিসের রাত, রিয়ালের হার
ভিনিসিয়ুসের পেনাল্টি মিসের রাত, রিয়ালের হার

১ ঘণ্টা আগে | মাঠে ময়দানে

গুরুত্বপূর্ণ সংস্কার ছাড়া নির্বাচন নয়
গুরুত্বপূর্ণ সংস্কার ছাড়া নির্বাচন নয়

১ ঘণ্টা আগে | জাতীয়

ড. ইউনূসের আরো স্থায়িত্বের প্রশ্নে কিছু কথা
ড. ইউনূসের আরো স্থায়িত্বের প্রশ্নে কিছু কথা

১ ঘণ্টা আগে | মুক্তমঞ্চ

ইউরোপজুড়ে ট্রাম্প-ইলন মাস্কের বিরুদ্ধে বিক্ষোভ, যোগ দেন প্রবাসী মার্কিন নাগরিকরাও
ইউরোপজুড়ে ট্রাম্প-ইলন মাস্কের বিরুদ্ধে বিক্ষোভ, যোগ দেন প্রবাসী মার্কিন নাগরিকরাও

১ ঘণ্টা আগে | পূর্ব-পশ্চিম

মিয়ানমারে ভূমিকম্পে বাংলাদেশ সশস্ত্র বাহিনীর নেতৃত্বে উদ্ধার ও চিকিৎসা তৎপরতা অব্যাহত
মিয়ানমারে ভূমিকম্পে বাংলাদেশ সশস্ত্র বাহিনীর নেতৃত্বে উদ্ধার ও চিকিৎসা তৎপরতা অব্যাহত

১ ঘণ্টা আগে | জাতীয়

আজ থেকে ব্যাংক লেনদেন ১০-৪টা
আজ থেকে ব্যাংক লেনদেন ১০-৪টা

১ ঘণ্টা আগে | বাণিজ্য

আরও ১১ খুনের কথা স্বীকারে প্রস্তুত সেই ‘চেসবোর্ড কিলার’
আরও ১১ খুনের কথা স্বীকারে প্রস্তুত সেই ‘চেসবোর্ড কিলার’

১ ঘণ্টা আগে | পাঁচফোড়ন

সরকারি সফরে রাশিয়া ও ক্রোয়েশিয়া গেলেন সেনাপ্রধান
সরকারি সফরে রাশিয়া ও ক্রোয়েশিয়া গেলেন সেনাপ্রধান

১ ঘণ্টা আগে | জাতীয়

ট্রাম্প-মাস্কের নীতির বিরুদ্ধে যুক্তরাষ্ট্রজুড়ে গণবিক্ষোভ
ট্রাম্প-মাস্কের নীতির বিরুদ্ধে যুক্তরাষ্ট্রজুড়ে গণবিক্ষোভ

১ ঘণ্টা আগে | পূর্ব-পশ্চিম

সনাতন ধর্মাবলম্বীদের ধর্মীয় উৎসব উপলক্ষ্যে সেনাবাহিনীর নিরাপত্তা ও সহযোগিতা কার্যক্রম
সনাতন ধর্মাবলম্বীদের ধর্মীয় উৎসব উপলক্ষ্যে সেনাবাহিনীর নিরাপত্তা ও সহযোগিতা কার্যক্রম

১ ঘণ্টা আগে | জাতীয়

লাহোরকে শিরোপা জেতাতে চান রিশাদ
লাহোরকে শিরোপা জেতাতে চান রিশাদ

১ ঘণ্টা আগে | মাঠে ময়দানে

স্মার্টফোনে ‘ডু নট ডিস্টার্ব’ মোডের কাজ কী?
স্মার্টফোনে ‘ডু নট ডিস্টার্ব’ মোডের কাজ কী?

২ ঘণ্টা আগে | টেক ওয়ার্ল্ড

রিয়ালের সঙ্গে ব্যবধান বাড়ানোর সুযোগ হারাল বার্সা
রিয়ালের সঙ্গে ব্যবধান বাড়ানোর সুযোগ হারাল বার্সা

২ ঘণ্টা আগে | মাঠে ময়দানে

অঁজিকে হারিয়ে অপরাজিত চ‍্যাম্পিয়ন পিএসজি, জয়ের নায়ক দুয়ে
অঁজিকে হারিয়ে অপরাজিত চ‍্যাম্পিয়ন পিএসজি, জয়ের নায়ক দুয়ে

২ ঘণ্টা আগে | মাঠে ময়দানে

মেহেরপুরে নিষিদ্ধ সংগঠন ছাত্রলীগের সহ-সভাপতিসহ গ্রেফতার ৩
মেহেরপুরে নিষিদ্ধ সংগঠন ছাত্রলীগের সহ-সভাপতিসহ গ্রেফতার ৩

২ ঘণ্টা আগে | দেশগ্রাম

ইউক্রেনে একদিনে ৪৩০ সেনা হতাহত: মস্কো
ইউক্রেনে একদিনে ৪৩০ সেনা হতাহত: মস্কো

২ ঘণ্টা আগে | পূর্ব-পশ্চিম

আরাফাত রহমান কোকোর শাশুড়ি মারা গেছেন
আরাফাত রহমান কোকোর শাশুড়ি মারা গেছেন

২ ঘণ্টা আগে | জাতীয়

মেক্সিকো-আর্জেন্টিনা-ব্রাজিলের শেয়ারবাজারে বড় পতন
মেক্সিকো-আর্জেন্টিনা-ব্রাজিলের শেয়ারবাজারে বড় পতন

২ ঘণ্টা আগে | পূর্ব-পশ্চিম

একনজরে আজকের বাংলাদেশ প্রতিদিন (৬ এপ্রিল)
একনজরে আজকের বাংলাদেশ প্রতিদিন (৬ এপ্রিল)

৩ ঘণ্টা আগে | জাতীয়

রমজানের শিক্ষা ধরে রাখতে হবে
রমজানের শিক্ষা ধরে রাখতে হবে

৩ ঘণ্টা আগে | ইসলামী জীবন

সর্বাধিক পঠিত
আত্মরক্ষার জন্য ইরানের সর্বোচ্চ প্রস্তুতি রয়েছে : সৌদি যুবরাজকে পেজেশকিয়ান
আত্মরক্ষার জন্য ইরানের সর্বোচ্চ প্রস্তুতি রয়েছে : সৌদি যুবরাজকে পেজেশকিয়ান

২৩ ঘণ্টা আগে | পূর্ব-পশ্চিম

আপনার প্রতি শেখ হাসিনার অসম্মানজনক আচরণ দেখেছি : ড. ইউনূসকে বলেন মোদি
আপনার প্রতি শেখ হাসিনার অসম্মানজনক আচরণ দেখেছি : ড. ইউনূসকে বলেন মোদি

১৮ ঘণ্টা আগে | জাতীয়

ইরানে হামলার হুমকি থেকে পিছু হটলেন ট্রাম্প, সরাসরি আলোচনার প্রস্তাব
ইরানে হামলার হুমকি থেকে পিছু হটলেন ট্রাম্প, সরাসরি আলোচনার প্রস্তাব

১৯ ঘণ্টা আগে | পূর্ব-পশ্চিম

ইসরায়েলের বিরুদ্ধে মুসলিমদের জিহাদের আহ্বান জানিয়ে ফতোয়া জারি
ইসরায়েলের বিরুদ্ধে মুসলিমদের জিহাদের আহ্বান জানিয়ে ফতোয়া জারি

১৩ ঘণ্টা আগে | পূর্ব-পশ্চিম

যুক্তরাষ্ট্রের শুল্ক ইস্যুতে জরুরি সভা ডেকেছেন প্রধান উপদেষ্টা
যুক্তরাষ্ট্রের শুল্ক ইস্যুতে জরুরি সভা ডেকেছেন প্রধান উপদেষ্টা

২০ ঘণ্টা আগে | জাতীয়

এবার ইউক্রেনের বন্দর চাইছে পোল্যান্ড
এবার ইউক্রেনের বন্দর চাইছে পোল্যান্ড

১৩ ঘণ্টা আগে | পূর্ব-পশ্চিম

সাত দিনের মধ্যে যুক্তরাষ্ট্র ছাড়ার নির্দেশ, আতঙ্কে ইউক্রেনীয়রা
সাত দিনের মধ্যে যুক্তরাষ্ট্র ছাড়ার নির্দেশ, আতঙ্কে ইউক্রেনীয়রা

১৭ ঘণ্টা আগে | পূর্ব-পশ্চিম

ফিলিস্তিনি জনগণের প্রতি পাকিস্তান সেনা কমান্ডারদের অকুণ্ঠ সমর্থন
ফিলিস্তিনি জনগণের প্রতি পাকিস্তান সেনা কমান্ডারদের অকুণ্ঠ সমর্থন

১৭ ঘণ্টা আগে | পূর্ব-পশ্চিম

কালশী ফ্লাইওভারে দুর্ঘটনায় নিহত দুই যুবকের পরিচয় মিলেছে
কালশী ফ্লাইওভারে দুর্ঘটনায় নিহত দুই যুবকের পরিচয় মিলেছে

১৭ ঘণ্টা আগে | নগর জীবন

বিশ্বের শক্তিশালী পাসপোর্টের তালিকায় এক ধাপ এগোল বাংলাদেশ
বিশ্বের শক্তিশালী পাসপোর্টের তালিকায় এক ধাপ এগোল বাংলাদেশ

২২ ঘণ্টা আগে | জাতীয়

নির্বাচনের কথা বলে মুখে ফেনা তুলে ফেললেই গণতন্ত্র হয় না : নুসরাত তাবাসসুম
নির্বাচনের কথা বলে মুখে ফেনা তুলে ফেললেই গণতন্ত্র হয় না : নুসরাত তাবাসসুম

২০ ঘণ্টা আগে | রাজনীতি

শরীয়তপুরে দুই গ্রুপের সংঘর্ষ, শতাধিক হাতবোমা বিস্ফোরণ
শরীয়তপুরে দুই গ্রুপের সংঘর্ষ, শতাধিক হাতবোমা বিস্ফোরণ

২২ ঘণ্টা আগে | দেশগ্রাম

‘আতঙ্কে তারা ভুল করেছে’: চীনের পাল্টা শুল্ক নিয়ে ট্রাম্প
‘আতঙ্কে তারা ভুল করেছে’: চীনের পাল্টা শুল্ক নিয়ে ট্রাম্প

২০ ঘণ্টা আগে | পূর্ব-পশ্চিম

পরকীয়া প্রেমে বাধা দেওয়ায় স্বামীর পুরুষাঙ্গ কাটলো স্ত্রী
পরকীয়া প্রেমে বাধা দেওয়ায় স্বামীর পুরুষাঙ্গ কাটলো স্ত্রী

২২ ঘণ্টা আগে | দেশগ্রাম

হাতে সব প্রমাণ আছে, আইনিভাবে মোকাবিলা করবো : পরীমণি
হাতে সব প্রমাণ আছে, আইনিভাবে মোকাবিলা করবো : পরীমণি

১৮ ঘণ্টা আগে | শোবিজ

আরাফাত রহমান কোকোর শাশুড়ি মারা গেছেন
আরাফাত রহমান কোকোর শাশুড়ি মারা গেছেন

২ ঘণ্টা আগে | জাতীয়

ধূলিঝড়ের পর রাজধানীতে স্বস্তির বৃষ্টি
ধূলিঝড়ের পর রাজধানীতে স্বস্তির বৃষ্টি

১৪ ঘণ্টা আগে | নগর জীবন

লৌহজংয়ে পাওয়া মরদেহের টুকরোগুলো সাভারের সবুজ মোল্যার
লৌহজংয়ে পাওয়া মরদেহের টুকরোগুলো সাভারের সবুজ মোল্যার

২০ ঘণ্টা আগে | দেশগ্রাম

শান্তি আলোচনায় সময় ফুরিয়ে আসছে, রাশিয়াকে হুঁশিয়ারি যুক্তরাষ্ট্রের
শান্তি আলোচনায় সময় ফুরিয়ে আসছে, রাশিয়াকে হুঁশিয়ারি যুক্তরাষ্ট্রের

১৩ ঘণ্টা আগে | পূর্ব-পশ্চিম

পিঁয়াজ নিয়ে হতাশ মানিকগঞ্জের কৃষকরা
পিঁয়াজ নিয়ে হতাশ মানিকগঞ্জের কৃষকরা

২২ ঘণ্টা আগে | দেশগ্রাম

যথাসময়ে আমরা নির্বাচন আদায় করে নেব : ইশরাক
যথাসময়ে আমরা নির্বাচন আদায় করে নেব : ইশরাক

১৩ ঘণ্টা আগে | রাজনীতি

কোনো স্থানেই ময়লা পোড়ানো যাবে না : পরিবেশ উপদেষ্টা
কোনো স্থানেই ময়লা পোড়ানো যাবে না : পরিবেশ উপদেষ্টা

১৯ ঘণ্টা আগে | জাতীয়

ঈদের পঞ্চম দিনেও ‘দাগি’-‘জংলি’র দাপট অব্যাহত, আয় কত?
ঈদের পঞ্চম দিনেও ‘দাগি’-‘জংলি’র দাপট অব্যাহত, আয় কত?

১৬ ঘণ্টা আগে | শোবিজ

ইউক্রেনে একদিনে ৪৩০ সেনা হতাহত: মস্কো
ইউক্রেনে একদিনে ৪৩০ সেনা হতাহত: মস্কো

২ ঘণ্টা আগে | পূর্ব-পশ্চিম

প্রেমা নেই, শেষ হয়ে গেল পুরো পরিবার
প্রেমা নেই, শেষ হয়ে গেল পুরো পরিবার

২১ ঘণ্টা আগে | চট্টগ্রাম প্রতিদিন

আরো বাড়ল মিয়ানমারে ভূমিকম্পে মৃতের সংখ্যা
আরো বাড়ল মিয়ানমারে ভূমিকম্পে মৃতের সংখ্যা

২৩ ঘণ্টা আগে | পূর্ব-পশ্চিম

যুক্তরাষ্ট্রে বাংলাদেশের রফতানি আরও বাড়বে, কমবে না: প্রেস সচিব
যুক্তরাষ্ট্রে বাংলাদেশের রফতানি আরও বাড়বে, কমবে না: প্রেস সচিব

১৫ ঘণ্টা আগে | জাতীয়

বিমসটেক শীর্ষ সম্মেলনে যেসব সিদ্ধান্ত গৃহীত
বিমসটেক শীর্ষ সম্মেলনে যেসব সিদ্ধান্ত গৃহীত

১৫ ঘণ্টা আগে | জাতীয়

ঢাকাসহ চার বিভাগে বৃষ্টির সম্ভাবনা
ঢাকাসহ চার বিভাগে বৃষ্টির সম্ভাবনা

২২ ঘণ্টা আগে | জাতীয়

শুল্ক ইস্যুতে মার্কিন প্রশাসনের সঙ্গে আলোচনা করবেন প্রধান উপদেষ্টা
শুল্ক ইস্যুতে মার্কিন প্রশাসনের সঙ্গে আলোচনা করবেন প্রধান উপদেষ্টা

১৩ ঘণ্টা আগে | বাণিজ্য

প্রিন্ট সর্বাধিক
সেন্টমার্টিন এখন অন্যরকম
সেন্টমার্টিন এখন অন্যরকম

পেছনের পৃষ্ঠা

মার্কিন পণ্যে কমছে শুল্ক
মার্কিন পণ্যে কমছে শুল্ক

প্রথম পৃষ্ঠা

জটিলতা ৫৫ আসনে
জটিলতা ৫৫ আসনে

পেছনের পৃষ্ঠা

ফের উত্তপ্ত হবে রাজপথ
ফের উত্তপ্ত হবে রাজপথ

প্রথম পৃষ্ঠা

ট্রাম্পকাণ্ড রুখে দেওয়ার আহ্বান ওবামার
ট্রাম্পকাণ্ড রুখে দেওয়ার আহ্বান ওবামার

প্রথম পৃষ্ঠা

দূরত্ব কাটাবে ঢাকা-দিল্লি
দূরত্ব কাটাবে ঢাকা-দিল্লি

প্রথম পৃষ্ঠা

এখনো চ্যালেঞ্জিং রোহিঙ্গা ফেরত
এখনো চ্যালেঞ্জিং রোহিঙ্গা ফেরত

প্রথম পৃষ্ঠা

আজকের ভাগ্যচক্র
আজকের ভাগ্যচক্র

আজকের রাশি

ধর্ষণের শিকার দুই বোনের দায়িত্ব নিলেন তারেক রহমান
ধর্ষণের শিকার দুই বোনের দায়িত্ব নিলেন তারেক রহমান

প্রথম পৃষ্ঠা

ক্ষমতার মজা পেয়ে গেছেন উপদেষ্টা পরিষদের সবাই
ক্ষমতার মজা পেয়ে গেছেন উপদেষ্টা পরিষদের সবাই

প্রথম পৃষ্ঠা

রাজবাড়ীতে বিলুপ্তপ্রায় প্রজাতির শকুন উদ্ধার
রাজবাড়ীতে বিলুপ্তপ্রায় প্রজাতির শকুন উদ্ধার

পেছনের পৃষ্ঠা

সুপার লিগে খেলার লড়াই
সুপার লিগে খেলার লড়াই

মাঠে ময়দানে

যৌন সহিংসতার তথ্য পেয়েছে জাতিসংঘ
যৌন সহিংসতার তথ্য পেয়েছে জাতিসংঘ

প্রথম পৃষ্ঠা

মিডিয়া সংস্কারে কার স্বার্থে একচোখা সুপারিশ
মিডিয়া সংস্কারে কার স্বার্থে একচোখা সুপারিশ

প্রথম পৃষ্ঠা

বুবলীতে মুগ্ধ দর্শক
বুবলীতে মুগ্ধ দর্শক

শোবিজ

বাংলাদেশসহ কয়েকটি দেশের ওপর সৌদির ভিসা নিষেধাজ্ঞা
বাংলাদেশসহ কয়েকটি দেশের ওপর সৌদির ভিসা নিষেধাজ্ঞা

পেছনের পৃষ্ঠা

বাণিজ্য ছাড়িয়েছিল হাজার কোটি ডলার
বাণিজ্য ছাড়িয়েছিল হাজার কোটি ডলার

পেছনের পৃষ্ঠা

সাবেক রেলমন্ত্রীর বাড়ি ভাঙচুর ও অগ্নিসংযোগ
সাবেক রেলমন্ত্রীর বাড়ি ভাঙচুর ও অগ্নিসংযোগ

পেছনের পৃষ্ঠা

লাহোরে নিগারদের অনুশীলন
লাহোরে নিগারদের অনুশীলন

মাঠে ময়দানে

ভারতে বিতর্কিত ওয়াক্ফ বিল পাসে জামায়াতের নিন্দা
ভারতে বিতর্কিত ওয়াক্ফ বিল পাসে জামায়াতের নিন্দা

প্রথম পৃষ্ঠা

আওয়ামী লীগ নিষিদ্ধ করতে হবে
আওয়ামী লীগ নিষিদ্ধ করতে হবে

প্রথম পৃষ্ঠা

একই দিনে দুই বিয়ে
একই দিনে দুই বিয়ে

শোবিজ

বিএনপির দুই গ্রুপে সংঘর্ষে একজন নিহত, আহত ৪০
বিএনপির দুই গ্রুপে সংঘর্ষে একজন নিহত, আহত ৪০

প্রথম পৃষ্ঠা

অভিযোগের জবাবে পরী
অভিযোগের জবাবে পরী

শোবিজ

লিচুর ফলন শঙ্কায় চাষি
লিচুর ফলন শঙ্কায় চাষি

দেশগ্রাম

শরীয়তপুরে খোলা মাঠ যেন যুদ্ধক্ষেত্র
শরীয়তপুরে খোলা মাঠ যেন যুদ্ধক্ষেত্র

প্রথম পৃষ্ঠা

সংস্কার শেষেই নির্বাচন দিতে হবে
সংস্কার শেষেই নির্বাচন দিতে হবে

প্রথম পৃষ্ঠা

আওয়ামী লীগের বিচার চায় বিএনপি
আওয়ামী লীগের বিচার চায় বিএনপি

প্রথম পৃষ্ঠা

জরাজীর্ণ ভবন, নষ্ট এক্স-রে মেশিন
জরাজীর্ণ ভবন, নষ্ট এক্স-রে মেশিন

দেশগ্রাম

ফুটবলেই থাকছেন সালাউদ্দিন
ফুটবলেই থাকছেন সালাউদ্দিন

মাঠে ময়দানে