শিরোনাম
প্রকাশ: ১৬:৫১, বৃহস্পতিবার, ০৩ এপ্রিল, ২০২৫

বাংলাদেশি জাতীয়তাবাদের আলোকবর্তিকা

শহীদ রাষ্ট্রপতি জিয়াউর রহমানের আদর্শ, জাতীয় স্বার্থ ও গণঅভ্যুত্থানের পুনর্জাগরণ

ব্রিগেডিয়ার জেনারেল (অব.) ড. একেএম শামছুল ইসলাম
অনলাইন ভার্সন
শহীদ রাষ্ট্রপতি জিয়াউর রহমানের আদর্শ, জাতীয় স্বার্থ ও গণঅভ্যুত্থানের পুনর্জাগরণ

বাংলাদেশের রাজনৈতিক ইতিহাসে কিছু ব্যক্তিত্ব সময়ের সীমানা অতিক্রম করে চিরভাস্বর হয়ে উঠেছেন। শহীদ রাষ্ট্রপতি জিয়াউর রহমান তেমনই একজন নেতা, যিনি কেবল একটি রাজনৈতিক দলের প্রতিষ্ঠাতা নন, বরং একটি আদর্শিক আন্দোলনের পথিকৃৎ-যার নাম বাংলাদেশি জাতীয়তাবাদ। এ জাতীয়তাবাদ এমন এক চেতনার প্রতীক, যা আমাদের রাষ্ট্রীয় স্বাতন্ত্র্য, সাংস্কৃতিক বৈচিত্র্য ও সার্বভৌমত্বকে নতুন করে সংজ্ঞায়িত করেছে। মুক্তিযুদ্ধ-পরবর্তী বাংলাদেশের অস্থির রাজনৈতিক প্রেক্ষাপটে যখন জাতি বিভ্রান্তি ও দিকহীনতার মধ্য দিয়ে পথ খুঁজছিল, ঠিক তখনই জিয়াউর রহমানের জাতীয়তাবাদী দর্শন একটি শক্তিশালী দিক-নির্দেশনা দেয়। এটি একদিকে যেমন বাঙালি জাতির আত্মপরিচয়কে পরিপূর্ণতা দেয়, অন্যদিকে তেমনি বৈশ্বিক রাজনীতিতে বাংলাদেশকে একটি স্বাধীন, নিরপেক্ষ ও স্বমর্যাদাসম্পন্ন রাষ্ট্র হিসেবে প্রতিষ্ঠা করে।

বাংলাদেশি জাতীয়তাবাদের মূল ভিত্তি হলো আঞ্চলিক ঐতিহ্য, ভাষা, ধর্মীয় সহনশীলতা ও মুক্তিযুদ্ধের চেতনার উপর ভিত্তি করে স্বকীয় জাতীয় পরিচয় গড়ে তোলা। এই আদর্শ বলিষ্ঠভাবে বলে, আমরা কেবল বাঙালি নই, আমরা বাংলাদেশি-একটি ভূখণ্ডভিত্তিক, বহুমাত্রিক জাতিসত্তা। এই স্বাতন্ত্র্যবোধ জিয়াউর রহমানের নেতৃত্বে রাষ্ট্রীয় নীতিতে প্রতিফলিত হয়-যেখানে বিদেশনীতি হোক বা শিক্ষানীতি, অর্থনীতি হোক বা প্রতিরক্ষা কৌশল-সবক্ষেত্রেই ছিল স্বকীয়তা, নিরপেক্ষতা ও দেশের স্বার্থকে অগ্রাধিকার দেওয়ার প্রবণতা। উদাহরণস্বরূপ, তার সময়েই ‘লুক ইস্ট পলিসি’ অনুসরণ করে বাংলাদেশ দক্ষিণ-পূর্ব এশিয়ার সঙ্গে অর্থনৈতিক ও কৌশলগত সম্পর্ক গড়ে তোলে, যা পরবর্তীতে আঞ্চলিক সহযোগিতার ভিত্তি রচনা করে।

কিন্তু দুঃখজনকভাবে বাংলাদেশের ইতিহাসে বিভিন্ন সময়ে জাতীয়তাবাদবিরোধী শক্তি এ আদর্শকে নানাভাবে আঘাত করেছে। কখনো তা হয়েছে রাজনৈতিক বিভাজনের মাধ্যমে, আবার কখনো হয়েছে মতাদর্শগত বিকৃতির ছায়ায়। উদাহরণস্বরূপ, ২০০৭ সালের তত্ত্বাবধায়ক সরকারের সময় জাতির শিকড় থেকে বিচ্যুত এক ‘নিরপেক্ষতার’ নামে জিয়াউর রহমানের আদর্শিক ভিত্তিকে কলুষিত করার অপচেষ্টা চালানো হয়। এমনকি কিছু রাজনৈতিক শক্তি তাঁর অবদানকে অস্বীকার করে মুক্তিযুদ্ধের ইতিহাসকে বিকৃত করে উপস্থাপন করেছে, যা জাতির আত্মপরিচয়ে বিভ্রান্তি সৃষ্টি করেছে।

একইভাবে, ২০১৪, ২০১৮ ও ২০২৪ সালের বিতর্কিত জাতীয় নির্বাচন, যেখানে সাধারণ জনগণের ভোটাধিকার হরণ করা হয়, তা জাতীয়তাবাদী চেতনার পরিপন্থী ছিল। গণতন্ত্র, মানবাধিকার ও আইনের শাসন এই আদর্শের মূল ভিত্তি হলেও, সে সময় গণতন্ত্রকে হত্যা করে একদলীয় কর্তৃত্ববাদ প্রতিষ্ঠার চেষ্টা হয়। এসব ঘটনা প্রমাণ করে জাতীয়তাবাদবিরোধী অপশক্তির কারণে রাষ্ট্রীয় অগ্রগতি ও জনগণের অধিকার মারাত্মকভাবে বাধাগ্রস্ত হয়েছে।

এই প্রতিকূল পরিস্থিতির মধ্যেও বাংলাদেশ জাতীয়তাবাদী দল (বিএনপি) বিগত সতেরো বছর ধরে আপসহীনভাবে গণতন্ত্র ও জনগণের অধিকার পুনঃপ্রতিষ্ঠার লক্ষ্যে আন্দোলন চালিয়ে গেছে। নির্যাতন, মামলা, গুম, কারাবরণ-সবকিছুকে উপেক্ষা করে নেতাকর্মীরা শহীদ জিয়ার আদর্শে অবিচল থেকেছে। এ সংগ্রাম কেবল একটি দলের নয়, এটি একটি আদর্শিক যুদ্ধ-একটি রাষ্ট্রীয় দৃষ্টিভঙ্গিকে রক্ষা করার লড়াই।

২০২৪ সালের জুলাই-আগস্ট মাসে ছাত্র-জনতার নেতৃত্বে যে গণঅভ্যুত্থান সংঘটিত হয়েছে, তা ছিল এই দীর্ঘ সংগ্রামের ফসল। শত বাধা সত্ত্বেও দেশের বিভিন্ন প্রান্তে তরুণ-যুবকেরা ‘স্বাধীনতা মানে ভোটের অধিকার’ ও ‘বাংলাদেশি জাতীয়তাবাদ মানে গণমানুষের রাষ্ট্র’ এই স্লোগান নিয়ে রাজপথে নামে। রাষ্ট্রীয় নিপীড়নের বিরুদ্ধে এ প্রতিরোধ ইতিহাসের আরেকটি মাইলফলক হয়ে দাঁড়ায়।

বিশেষ করে ডিজিটাল নিরাপত্তা আইনের অপপ্রয়োগ, শিক্ষা ও চাকরির ক্ষেত্রে বৈষম্য, দ্রব্যমূল্যের ঊর্ধ্বগতি এবং বিচারহীনতার সংস্কৃতি-এসবের বিরুদ্ধে মানুষের ক্ষোভ বিস্ফোরিত হয়। বিএনপি এ সময়ে কেবল একটি রাজনৈতিক প্ল্যাটফর্ম নয়, বরং জনগণের আশা-আকাঙ্ক্ষার প্রতিনিধিতে পরিণত হয়। এ গণঅভ্যুত্থান শুধুমাত্র সরকারের নীতির বিরুদ্ধে ছিল না, বরং এটি ছিল জিয়াউর রহমানের বাংলাদেশি জাতীয়তাবাদকে নতুন প্রজন্মের মধ্যে আরও গভীরভাবে প্রোথিত করার এক ঐতিহাসিক মুহূর্ত।

শহীদ রাষ্ট্রপতি জিয়াউর রহমান যে বাংলাদেশি জাতীয়তাবাদের বীজ বপন করেছিলেন, তা আজ একটি মহিরুহে পরিণত হয়েছে। এই আদর্শ আমাদের জাতীয় জীবনে নৈতিকতা, আত্মমর্যাদা, সার্বভৌমত্ব ও গণতান্ত্রিক চেতনার প্রতীক। যদিও সময় সময় বিরুদ্ধ শক্তি এ আদর্শকে ক্ষুণ্ণ করতে চেয়েছে, তবুও জনগণ ও তরুণ প্রজন্মের প্রত্যয়ে তা বারবার পুনর্জাগরিত হয়েছে।

২০২৪ সালের গণঅভ্যুত্থান সেই পুনর্জাগরণের সর্বশেষ সাক্ষ্য-যেখানে ছাত্র-জনতা বুক চিতিয়ে বলেছে, ‘আমরা বাংলাদেশি এবং এ পরিচয়ে আমরা গর্বিত’। এখন সময় এসেছে, জাতীয় ঐক্য ও গণতন্ত্রের মন্ত্রে উজ্জীবিত হয়ে বাংলাদেশি জাতীয়তাবাদের আলোকে একটি ন্যায্য, মানবিক ও প্রগতিশীল রাষ্ট্র বিনির্মাণে সবাইকে এক কাতারে দাঁড়াতে হবে। কারণ, এই আদর্শ কেবল ইতিহাসের নয়, এটি আমাদের ভবিষ্যতেরও দিশারী। আর এই আদর্শের ধারক ও বাহক তারেক রহমানের ঘোষিত ৩১ দফা বাস্তবায়নের মাধ্যমে আমরা অর্জন করতে পারি আমাদের কাঙ্ক্ষিত বাংলাদেশ।

লেখক : সাবেক সেনা কর্মকর্তা ও নিরাপত্তা বিশ্লেষক।

বিডি প্রতিদিন/এমআই

এই বিভাগের আরও খবর
প্রত্যাশা সমষ্টিগত মানুষের স্বাধীনতা ও মুক্তি
প্রত্যাশা সমষ্টিগত মানুষের স্বাধীনতা ও মুক্তি
টিকফার মাধ্যমে অবস্থান তুলে ধরে শুল্ক কমানোর আলোচনা করতে হবে
টিকফার মাধ্যমে অবস্থান তুলে ধরে শুল্ক কমানোর আলোচনা করতে হবে
বাংলাদেশ-ভারত সম্পর্ক: জাতীয়তাবাদী দৃষ্টিভঙ্গি ও ভবিষ্যৎ প্রেক্ষিত
বাংলাদেশ-ভারত সম্পর্ক: জাতীয়তাবাদী দৃষ্টিভঙ্গি ও ভবিষ্যৎ প্রেক্ষিত
সেনাবাহিনী নিয়ে দেশি-বিদেশি ষড়যন্ত্র বিষয়ে সতর্ক থাকতে হবে
সেনাবাহিনী নিয়ে দেশি-বিদেশি ষড়যন্ত্র বিষয়ে সতর্ক থাকতে হবে
সেনাবাহিনী বা প্রধান নিয়ে অপরিণামদর্শী স্মার্টনেস কাম্য নয়
সেনাবাহিনী বা প্রধান নিয়ে অপরিণামদর্শী স্মার্টনেস কাম্য নয়
তবে কি সংস্কারের পুকুরে ডুবছে নতুন স্বাধীনতা ?
তবে কি সংস্কারের পুকুরে ডুবছে নতুন স্বাধীনতা ?
বুদ্ধিজীবীরা প্রত্যক্ষ ভূমিকা রেখেছেন স্বাধীনতা সংগ্রামে
বুদ্ধিজীবীরা প্রত্যক্ষ ভূমিকা রেখেছেন স্বাধীনতা সংগ্রামে
সেনাবাহিনীকে বিতর্কের ঊর্ধ্বে রাখতে হবে
সেনাবাহিনীকে বিতর্কের ঊর্ধ্বে রাখতে হবে
তামাক নীতিমালা : সংকটে ভোক্তা অধিকার
তামাক নীতিমালা : সংকটে ভোক্তা অধিকার
তুম উধার হাম ইধার
তুম উধার হাম ইধার
সবার উপর একাত্তর, আমাদের স্বাধীনতা
সবার উপর একাত্তর, আমাদের স্বাধীনতা
অপ্রয়োজনীয় বিতর্ক অনভিপ্রেত
অপ্রয়োজনীয় বিতর্ক অনভিপ্রেত
সর্বশেষ খবর
দেশে ফিরেছেন প্রধান উপদেষ্টা
দেশে ফিরেছেন প্রধান উপদেষ্টা

৬ মিনিট আগে | জাতীয়

ভালুকায় মোটরসাইকেলের ধাক্কায় বৃদ্ধ নিহত
ভালুকায় মোটরসাইকেলের ধাক্কায় বৃদ্ধ নিহত

১৫ মিনিট আগে | দেশগ্রাম

হাসিনার এক মন্তব্যে সংকটে মাদারগঞ্জের সমবায় সমিতি
হাসিনার এক মন্তব্যে সংকটে মাদারগঞ্জের সমবায় সমিতি

৩১ মিনিট আগে | দেশগ্রাম

এখনো ফাঁকা বন্দরনগরী
এখনো ফাঁকা বন্দরনগরী

২ ঘণ্টা আগে | চট্টগ্রাম প্রতিদিন

৫ মিলিয়ন ডলারের ‘গোল্ড কার্ড’ ভিসা উন্মোচন করলেন ট্রাম্প
৫ মিলিয়ন ডলারের ‘গোল্ড কার্ড’ ভিসা উন্মোচন করলেন ট্রাম্প

২ ঘণ্টা আগে | পূর্ব-পশ্চিম

মাছ ব্যবসায়ীকে হত্যার পর গণপিটুনিতে যুবকের মৃত্যু
মাছ ব্যবসায়ীকে হত্যার পর গণপিটুনিতে যুবকের মৃত্যু

২ ঘণ্টা আগে | দেশগ্রাম

ব্রাহ্মণবাড়িয়ায় মাদক বিরোধী মিছিল ও প্রতিবাদ সভা
ব্রাহ্মণবাড়িয়ায় মাদক বিরোধী মিছিল ও প্রতিবাদ সভা

২ ঘণ্টা আগে | দেশগ্রাম

ঐশ্বরিয়া আমার মেয়ে নয়, কেবল ছেলের বউ : জয়া বচ্চন
ঐশ্বরিয়া আমার মেয়ে নয়, কেবল ছেলের বউ : জয়া বচ্চন

২ ঘণ্টা আগে | শোবিজ

বড় ভাইয়ের হাতে প্রাণ গেল ছোট ভাইয়ের
বড় ভাইয়ের হাতে প্রাণ গেল ছোট ভাইয়ের

২ ঘণ্টা আগে | চট্টগ্রাম প্রতিদিন

মাদকসহ এয়ারপোর্টে আটক কানাডার অধিনায়ক
মাদকসহ এয়ারপোর্টে আটক কানাডার অধিনায়ক

২ ঘণ্টা আগে | মাঠে ময়দানে

রাজশাহীতে মাছ ব্যবসায়ীকে হত্যার পর গণপিটুনিতে যুবকের মৃত্যু
রাজশাহীতে মাছ ব্যবসায়ীকে হত্যার পর গণপিটুনিতে যুবকের মৃত্যু

২ ঘণ্টা আগে | দেশগ্রাম

ঈদের ছুটিতেও
ব্রাহ্মণবাড়িয়া মা ও শিশু কল্যাণ কেন্দ্রে সেবা প্রদান
ঈদের ছুটিতেও ব্রাহ্মণবাড়িয়া মা ও শিশু কল্যাণ কেন্দ্রে সেবা প্রদান

২ ঘণ্টা আগে | দেশগ্রাম

‘প্রয়োজনে জোটগতভাবে নির্বাচন করবে এনসিপি’
‘প্রয়োজনে জোটগতভাবে নির্বাচন করবে এনসিপি’

২ ঘণ্টা আগে | রাজনীতি

ট্রাম্পের শুল্ক বৃদ্ধিতে আইফোনের দাম হতে পারে ৩ লাখ টাকা
ট্রাম্পের শুল্ক বৃদ্ধিতে আইফোনের দাম হতে পারে ৩ লাখ টাকা

২ ঘণ্টা আগে | টেক ওয়ার্ল্ড

খোলপেটুয়া নদীর ভেঙে যাওয়া বাঁধ মেরামত, এলাকায় স্বস্তি
খোলপেটুয়া নদীর ভেঙে যাওয়া বাঁধ মেরামত, এলাকায় স্বস্তি

২ ঘণ্টা আগে | দেশগ্রাম

পর্দায় নয়, এবার সত্যিই বিয়ে করলেন শামীম হাসান সরকার
পর্দায় নয়, এবার সত্যিই বিয়ে করলেন শামীম হাসান সরকার

৩ ঘণ্টা আগে | শোবিজ

নিউইয়র্কে ‘বাংলাদেশের ঐতিহ্য উদযাপনী’ সমাবেশ
নিউইয়র্কে ‘বাংলাদেশের ঐতিহ্য উদযাপনী’ সমাবেশ

৩ ঘণ্টা আগে | পরবাস

ঈদুল আজহার সম্ভাব্য তারিখ প্রকাশ
ঈদুল আজহার সম্ভাব্য তারিখ প্রকাশ

৩ ঘণ্টা আগে | পূর্ব-পশ্চিম

বগুড়ার কথিত মিনি জাফলং: স্বাস্থ্য ঝুঁকিতে শিক্ষার্থীর প্রাণহানি
বগুড়ার কথিত মিনি জাফলং: স্বাস্থ্য ঝুঁকিতে শিক্ষার্থীর প্রাণহানি

৩ ঘণ্টা আগে | দেশগ্রাম

গোপালগঞ্জে বিএনপি নেতাসহ ৪ জনকে পিটিয়ে আহত
গোপালগঞ্জে বিএনপি নেতাসহ ৪ জনকে পিটিয়ে আহত

৩ ঘণ্টা আগে | দেশগ্রাম

ড. ইউনূস-মোদি বৈঠক আশার আলো তৈরি করেছে: মির্জা ফখরুল
ড. ইউনূস-মোদি বৈঠক আশার আলো তৈরি করেছে: মির্জা ফখরুল

৩ ঘণ্টা আগে | রাজনীতি

তিন বন্ধু মোটরসাইকেলে ঘুরতে গিয়ে দুর্ঘটনা, একজন নিহত
তিন বন্ধু মোটরসাইকেলে ঘুরতে গিয়ে দুর্ঘটনা, একজন নিহত

৩ ঘণ্টা আগে | দেশগ্রাম

'জুলাই বিপ্লবের শহীদদের স্বপ্ন বাস্তবায়নে জনগণ জামায়াতের প্রার্থীকে বিজয়ী করবে'
'জুলাই বিপ্লবের শহীদদের স্বপ্ন বাস্তবায়নে জনগণ জামায়াতের প্রার্থীকে বিজয়ী করবে'

৩ ঘণ্টা আগে | চট্টগ্রাম প্রতিদিন

ব্রাহ্মণবাড়িয়ায় প্রশাসনের হস্তক্ষেপে বাল্য বিয়ে বন্ধ
ব্রাহ্মণবাড়িয়ায় প্রশাসনের হস্তক্ষেপে বাল্য বিয়ে বন্ধ

৩ ঘণ্টা আগে | দেশগ্রাম

তুরস্ক–গ্রিস উপকূলে পৃথক নৌকাডুবিতে ১৬ জনের প্রাণহানি
তুরস্ক–গ্রিস উপকূলে পৃথক নৌকাডুবিতে ১৬ জনের প্রাণহানি

৩ ঘণ্টা আগে | পূর্ব-পশ্চিম

দুর্নীতি দমনে বাংলাদেশ-থাইল্যান্ড চুক্তি স্বাক্ষর
দুর্নীতি দমনে বাংলাদেশ-থাইল্যান্ড চুক্তি স্বাক্ষর

৪ ঘণ্টা আগে | জাতীয়

ড. ইউনূস-মোদির ৪০ মিনিটের বৈঠক, আলাপ হলো কী নিয়ে
ড. ইউনূস-মোদির ৪০ মিনিটের বৈঠক, আলাপ হলো কী নিয়ে

৪ ঘণ্টা আগে | জাতীয়

রড ও কাঠ দিয়ে স্ত্রীকে বেধড়ক মারধর, স্বামী গ্রেফতার
রড ও কাঠ দিয়ে স্ত্রীকে বেধড়ক মারধর, স্বামী গ্রেফতার

৪ ঘণ্টা আগে | দেশগ্রাম

ড. ইউনূস ও মোদির বৈঠক নিয়ে যা জানালেন ভারতের পররাষ্ট্র সচিব
ড. ইউনূস ও মোদির বৈঠক নিয়ে যা জানালেন ভারতের পররাষ্ট্র সচিব

৪ ঘণ্টা আগে | জাতীয়

গাইবান্ধায় ইয়াবাসহ একজন গ্রেফতার
গাইবান্ধায় ইয়াবাসহ একজন গ্রেফতার

৪ ঘণ্টা আগে | দেশগ্রাম

সর্বাধিক পঠিত
শেখ হাসিনার প্রত্যর্পণ চাইলো বাংলাদেশ
শেখ হাসিনার প্রত্যর্পণ চাইলো বাংলাদেশ

১০ ঘণ্টা আগে | জাতীয়

নরেন্দ্র মোদিকে যে উপহার দিলেন প্রধান উপদেষ্টা
নরেন্দ্র মোদিকে যে উপহার দিলেন প্রধান উপদেষ্টা

১০ ঘণ্টা আগে | জাতীয়

ইরানে মার্কিন হামলার হুমকি অগ্রহণযোগ্য: রাশিয়া
ইরানে মার্কিন হামলার হুমকি অগ্রহণযোগ্য: রাশিয়া

১৪ ঘণ্টা আগে | পূর্ব-পশ্চিম

প্রথম দফায় ১ লাখ ৮০ হাজার রোহিঙ্গা নিতে রাজি মিয়ানমার
প্রথম দফায় ১ লাখ ৮০ হাজার রোহিঙ্গা নিতে রাজি মিয়ানমার

৫ ঘণ্টা আগে | জাতীয়

ব্যাংককে ড. ইউনূস-মোদির বৈঠক
ব্যাংককে ড. ইউনূস-মোদির বৈঠক

১১ ঘণ্টা আগে | জাতীয়

ড. ইউনূস-মোদির ৪০ মিনিটের বৈঠক, আলাপ হলো কী নিয়ে
ড. ইউনূস-মোদির ৪০ মিনিটের বৈঠক, আলাপ হলো কী নিয়ে

৪ ঘণ্টা আগে | জাতীয়

ব্যাংককে খলিল-ডোভাল আলাপচারিতা
ব্যাংককে খলিল-ডোভাল আলাপচারিতা

২৩ ঘণ্টা আগে | জাতীয়

ড. ইউনূস ও মোদির বৈঠক নিয়ে যা জানালেন ভারতের পররাষ্ট্র সচিব
ড. ইউনূস ও মোদির বৈঠক নিয়ে যা জানালেন ভারতের পররাষ্ট্র সচিব

৪ ঘণ্টা আগে | জাতীয়

খুলনায় গ্রেনেড বাবুর বাড়িতে অভিযানে অস্ত্র উদ্ধার, আটক ৩
খুলনায় গ্রেনেড বাবুর বাড়িতে অভিযানে অস্ত্র উদ্ধার, আটক ৩

১০ ঘণ্টা আগে | নগর জীবন

সিঙ্গাপুর থেকে দেশে ফিরল গণঅভ্যুত্থানে গুলিবিদ্ধ শিশু মুসা
সিঙ্গাপুর থেকে দেশে ফিরল গণঅভ্যুত্থানে গুলিবিদ্ধ শিশু মুসা

২২ ঘণ্টা আগে | জাতীয়

‘ডাবল সেঞ্চুরিতে’ নারাইনের দারুণ কীর্তি
‘ডাবল সেঞ্চুরিতে’ নারাইনের দারুণ কীর্তি

২৩ ঘণ্টা আগে | মাঠে ময়দানে

ঈদুল আজহার সম্ভাব্য তারিখ প্রকাশ
ঈদুল আজহার সম্ভাব্য তারিখ প্রকাশ

৩ ঘণ্টা আগে | পূর্ব-পশ্চিম

প্রতিশোধ নিল চীন, মার্কিন পণ্যের ওপর অতিরিক্ত ৩৪% শুল্ক আরোপ
প্রতিশোধ নিল চীন, মার্কিন পণ্যের ওপর অতিরিক্ত ৩৪% শুল্ক আরোপ

৬ ঘণ্টা আগে | পূর্ব-পশ্চিম

বাংলাদেশ বিমসটেকের পরবর্তী চেয়ারম্যান
বাংলাদেশ বিমসটেকের পরবর্তী চেয়ারম্যান

৯ ঘণ্টা আগে | জাতীয়

অভ্যুত্থানের সময় গ্রেফতার, সৌদিতে জেল খেটে দেশে ফিরলেন ১০ প্রবাসী
অভ্যুত্থানের সময় গ্রেফতার, সৌদিতে জেল খেটে দেশে ফিরলেন ১০ প্রবাসী

৮ ঘণ্টা আগে | জাতীয়

ইউনূস-মোদি বৈঠক ফলপ্রসূ হয়েছে: প্রেস সচিব
ইউনূস-মোদি বৈঠক ফলপ্রসূ হয়েছে: প্রেস সচিব

৮ ঘণ্টা আগে | জাতীয়

পর্দায় নয়, এবার সত্যিই বিয়ে করলেন শামীম হাসান সরকার
পর্দায় নয়, এবার সত্যিই বিয়ে করলেন শামীম হাসান সরকার

৩ ঘণ্টা আগে | শোবিজ

ট্রাম্পের শুল্ক বাংলাদেশ-শ্রীলঙ্কার পোশাকশিল্পে বড় ধাক্কা: নিউইয়র্ক টাইমস
ট্রাম্পের শুল্ক বাংলাদেশ-শ্রীলঙ্কার পোশাকশিল্পে বড় ধাক্কা: নিউইয়র্ক টাইমস

১৩ ঘণ্টা আগে | বাণিজ্য

৩০০ আসনে প্রার্থী দেওয়ার চ্যালেঞ্জ নিতে প্রস্তুত এনসিপি: সারজিস
৩০০ আসনে প্রার্থী দেওয়ার চ্যালেঞ্জ নিতে প্রস্তুত এনসিপি: সারজিস

৬ ঘণ্টা আগে | নগর জীবন

একনজরে আজকের বাংলাদেশ প্রতিদিন (৪ এপ্রিল)
একনজরে আজকের বাংলাদেশ প্রতিদিন (৪ এপ্রিল)

১৫ ঘণ্টা আগে | জাতীয়

শনিবার পর্যন্ত গরমের দাপট চলতে পারে
শনিবার পর্যন্ত গরমের দাপট চলতে পারে

১৯ ঘণ্টা আগে | জাতীয়

প্রধান উপদেষ্টার সঙ্গে শ্রীলঙ্কার প্রধানমন্ত্রীর সাক্ষাৎ
প্রধান উপদেষ্টার সঙ্গে শ্রীলঙ্কার প্রধানমন্ত্রীর সাক্ষাৎ

৭ ঘণ্টা আগে | জাতীয়

আসিয়ান সদস্যপদের জন্য থাইল্যান্ডের সমর্থন চাইলেন প্রধান উপদেষ্টা
আসিয়ান সদস্যপদের জন্য থাইল্যান্ডের সমর্থন চাইলেন প্রধান উপদেষ্টা

১০ ঘণ্টা আগে | জাতীয়

‘যত দ্রুত সম্ভব নির্বাচন আয়োজন করা সরকারের সর্বোচ্চ অগ্রাধিকার’
‘যত দ্রুত সম্ভব নির্বাচন আয়োজন করা সরকারের সর্বোচ্চ অগ্রাধিকার’

১২ ঘণ্টা আগে | জাতীয়

দীর্ঘ ১৫ বছর পর বঞ্চিত কমিউনিটি নেতারা দাওয়াত পেলেন রাষ্ট্রীয় অনুষ্ঠানে
দীর্ঘ ১৫ বছর পর বঞ্চিত কমিউনিটি নেতারা দাওয়াত পেলেন রাষ্ট্রীয় অনুষ্ঠানে

৭ ঘণ্টা আগে | পরবাস

নিষেধাজ্ঞায় পড়লেন মেসির দেহরক্ষী
নিষেধাজ্ঞায় পড়লেন মেসির দেহরক্ষী

১৪ ঘণ্টা আগে | মাঠে ময়দানে

দুই দিন ধরে তুর্কি বিমানবন্দরে আটকা ২৫০ যাত্রী
দুই দিন ধরে তুর্কি বিমানবন্দরে আটকা ২৫০ যাত্রী

৬ ঘণ্টা আগে | পূর্ব-পশ্চিম

শনিবার ঢাকায় আসছে আইএমএফের প্রতিনিধি দল
শনিবার ঢাকায় আসছে আইএমএফের প্রতিনিধি দল

১০ ঘণ্টা আগে | জাতীয়

পছন্দ না হওয়ায় ভাড়াটিয়া খুনি দিয়ে হবু বরকে হত্যাচেষ্টা তরুণীর
পছন্দ না হওয়ায় ভাড়াটিয়া খুনি দিয়ে হবু বরকে হত্যাচেষ্টা তরুণীর

২১ ঘণ্টা আগে | পাঁচফোড়ন

মিঠামইনে কৃষকের মৃত্যুকে কেন্দ্র করে রহস্য
মিঠামইনে কৃষকের মৃত্যুকে কেন্দ্র করে রহস্য

১২ ঘণ্টা আগে | দেশগ্রাম

প্রিন্ট সর্বাধিক
আজকের ভাগ্যচক্র
আজকের ভাগ্যচক্র

আজকের রাশি

নির্বাচনে অনিশ্চয়তা বাড়াবে জটিলতা
নির্বাচনে অনিশ্চয়তা বাড়াবে জটিলতা

প্রথম পৃষ্ঠা

নতুন অধ্যায়ে নিদ্রা নেহা
নতুন অধ্যায়ে নিদ্রা নেহা

শোবিজ

হচ্ছে বাম দলের বৃহত্তর জোট!
হচ্ছে বাম দলের বৃহত্তর জোট!

প্রথম পৃষ্ঠা

চট্টগ্রাম-কক্সবাজার সড়কে শঙ্কা
চট্টগ্রাম-কক্সবাজার সড়কে শঙ্কা

পেছনের পৃষ্ঠা

রংপুরে পাঁচ মাস বৃষ্টি নেই
রংপুরে পাঁচ মাস বৃষ্টি নেই

নগর জীবন

হাসিনাকে চাইল বাংলাদেশ
হাসিনাকে চাইল বাংলাদেশ

প্রথম পৃষ্ঠা

মুজিব ছিলেন বেপরোয়া
মুজিব ছিলেন বেপরোয়া

প্রথম পৃষ্ঠা

এবার জনগণ ভোটাধিকার ফিরে পাবে
এবার জনগণ ভোটাধিকার ফিরে পাবে

প্রথম পৃষ্ঠা

প্রতিপক্ষের হামলায় আহত ৬
প্রতিপক্ষের হামলায় আহত ৬

দেশগ্রাম

চেলসির শীর্ষ চারের লড়াই
চেলসির শীর্ষ চারের লড়াই

মাঠে ময়দানে

মেয়েদের ২০৩১ বিশ্বকাপ যুক্তরাষ্ট্রে
মেয়েদের ২০৩১ বিশ্বকাপ যুক্তরাষ্ট্রে

মাঠে ময়দানে

বিমানবন্দরে মাদকসহ গ্রেপ্তার
বিমানবন্দরে মাদকসহ গ্রেপ্তার

মাঠে ময়দানে

৬৪ দলের বিশ্বকাপ চান না
৬৪ দলের বিশ্বকাপ চান না

মাঠে ময়দানে

কলকাতার জার্সিতে ২০০ উইকেট
কলকাতার জার্সিতে ২০০ উইকেট

মাঠে ময়দানে

কাল থেকে প্রিমিয়ার ক্রিকেটের নবম রাউন্ড
কাল থেকে প্রিমিয়ার ক্রিকেটের নবম রাউন্ড

মাঠে ময়দানে

এএফসি চ্যাম্পিয়নস লিগে প্রথম চ্যাম্পিয়ন আল আইন
এএফসি চ্যাম্পিয়নস লিগে প্রথম চ্যাম্পিয়ন আল আইন

মাঠে ময়দানে

আজকের প্রশ্ন
আজকের প্রশ্ন

মাঠে ময়দানে

টি স্পোর্টস
টি স্পোর্টস

মাঠে ময়দানে

টি ভি তে
টি ভি তে

মাঠে ময়দানে

কুষ্টিয়ায় রবীন্দ্রনাথ ঠাকুরের ম্যুরালে কালি লাগাল দুর্বৃত্তরা
কুষ্টিয়ায় রবীন্দ্রনাথ ঠাকুরের ম্যুরালে কালি লাগাল দুর্বৃত্তরা

নগর জীবন

ফাঁকা ঢাকায়ও বাতাস অস্বাস্থ্যকর
ফাঁকা ঢাকায়ও বাতাস অস্বাস্থ্যকর

পরিবেশ ও জীবন

দেশের প্রযুক্তি খাতে বিপ্লব ঘটাবে স্টারলিংক
দেশের প্রযুক্তি খাতে বিপ্লব ঘটাবে স্টারলিংক

প্রথম পৃষ্ঠা

প্রয়োজনীয় সংস্কার শেষে দ্রুত নির্বাচন
প্রয়োজনীয় সংস্কার শেষে দ্রুত নির্বাচন

প্রথম পৃষ্ঠা

ইউনূস-মোদির বৈঠক আশা জাগিয়েছে
ইউনূস-মোদির বৈঠক আশা জাগিয়েছে

প্রথম পৃষ্ঠা

বৈঠককে ইতিবাচক দেখছে বিএনপি
বৈঠককে ইতিবাচক দেখছে বিএনপি

প্রথম পৃষ্ঠা

দক্ষিণ কোরিয়ার প্রেসিডেন্ট অপসারিত
দক্ষিণ কোরিয়ার প্রেসিডেন্ট অপসারিত

প্রথম পৃষ্ঠা

একাধিক আঞ্চলিক সহযোগিতা চুক্তি ও সমঝোতায় স্বাক্ষর
একাধিক আঞ্চলিক সহযোগিতা চুক্তি ও সমঝোতায় স্বাক্ষর

প্রথম পৃষ্ঠা

১ লাখ ৮০ হাজার রোহিঙ্গা ফেরত নেবে মিয়ানমার
১ লাখ ৮০ হাজার রোহিঙ্গা ফেরত নেবে মিয়ানমার

প্রথম পৃষ্ঠা

ব্যবসায়ীকে কুপিয়ে হত্যা, পিটুনিতে যুবকের মৃত্যু
ব্যবসায়ীকে কুপিয়ে হত্যা, পিটুনিতে যুবকের মৃত্যু

প্রথম পৃষ্ঠা