শিরোনাম
প্রকাশ: ০০:০০, রবিবার, ৩০ মার্চ, ২০২৫

বিএনপি-জামায়াত কি ভুল পথে হাঁটছে

আনোয়ার হোসেইন মঞ্জু
প্রিন্ট ভার্সন
বিএনপি-জামায়াত কি ভুল পথে হাঁটছে

শেখ হাসিনা পালানোর পর বাংলাদেশে যে রাজনৈতিক শূন্যতা সৃষ্টি হয়েছে, তা রাতারাতি পূরণের সুযোগ নেই। এ রাজনৈতিক শূন্যতা যে কেবল শেখ হাসিনার ফ্যাসিস্ট সরকারের আকস্মিক পতনে সৃষ্টি হয়েছে তা নয়। দেশকে রাজনীতিশূন্য করার প্রক্রিয়া শুরু হয়েছিল ২০০৯ সালের জানুয়ারি মাসে শেখ হাসিনার নেতৃত্বে আওয়ামী লীগের ক্ষমতায় অধিষ্ঠিত হওয়ার পর থেকেই, যা বিনা প্রতিদ্বন্দ্বিতায় ২০১৪, ২০১৮ ও ২০২৪ সালের নির্বাচনের মধ্য দিয়ে পরিপূর্ণতা লাভ করেছিল। শেখ হাসিনা তার পিতা শেখ মুজিবুর রহমানের মতোই বিরোধী রাজনৈতিক মত ও পথ সহ্য করতে পারতেন না বলেই, দেশকে রাজনীতিশূন্য করার পরিণতি উপলব্ধি করতে পারেননি। তাসের ঘরের মতো তার ক্ষমতার দেউল ধসে পড়ার পরও সাড়ে পনেরো বছর ধরে রাজনৈতিক কর্মকান্ড করতে না পারা বিরোধী দলগুলো কার্যত রাজনীতিবিমুখ অথবা রাজনৈতিক ধারা বিস্মৃত হয়ে গিয়েছিল। তারা হঠাৎ রাজনৈতিক ময়দান ফাঁকা পেয়ে এমনই দিশাহারা হয়ে পড়েছে যে তাদের কী করণীয় অথবা কী বর্জনীয় যেন বুঝতে পারছে না। ক্ষমতায় যাওয়ার জন্য তারা উন্মাতাল হয়ে পড়েছে। এতে তাদের দোষ দেওয়া যায় না। রাজনীতিচর্চার মধ্যে ধারাবাহিকতা না থাকলে এমন পরিস্থিতির উদ্ভব হতেই পারে।

বিএনপি-জামায়াত কি ভুল পথে হাঁটছে রাজনৈতিক দলগুলোর সাড়ে পনেরো বছরের নীরবতা এখন বাঁধভাঙা জোয়ারের তোড়ের মতো শ্রাব্য ও অশ্রাব্য কথনের মধ্য দিয়ে প্রকাশ পাচ্ছে। ছাত্র-জনতার যে বিপ্লবের মধ্য দিয়ে তারা বাধাহীনভাবে কথা বলছে। ভিন্ন ভিন্ন দলের নেতাদের মধ্যে কথার কোনো সামঞ্জস্য নেই। মাত্র আট মাস আগে তাদের অভিন্ন শত্রু ছিল শেখ হাসিনা ও তার দলের সরকার। সেই সরকারের দমননীতির কবলে তাদের মুখ খোলার সুযোগ না থাকলেও মনে মনে হাসিনার অকল্যাণ কামনা করেছেন, তার বিনাশের জন্য বড়জোর সৃষ্টিকর্তার কাছে প্রার্থনা করেছেন। রাজপথে ফ্যাসিস্ট সরকারের কর্মকান্ডের প্রতিবাদ করতে সাহসী হননি। ছাত্ররা তাদের মুখ খোলার ও রাজপথে নেমে আসার সুযোগ করে দিয়েছে। কিন্তু এখন এটুকুতে তারা সন্তুষ্ট নন। তড়িঘড়ি ক্ষমতায় যাওয়ার জন্য তারা অবিলম্বে নির্বাচন চান। তারা এরই মধ্যে তাদের অভিন্ন শত্রুকে ভুলে গেছেন, যে শত্রু তাদের হয় কারাগারে রেখেছিল অথবা অসংখ্য ভুয়া মামলা দিয়ে তাদের আত্মগোপনে থাকতে বাধ্য করেছিল। এমন আকস্মিক বিস্মরণ দেশ ও জাতির জন্য কল্যাণকর নয়।

পতিত সাবেক প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা যে দেশটিতে আশ্রয় গ্রহণ করেছেন। সেই ভারত বাংলাদেশকে প্রায় পুরোটাই বেষ্টন করে আছে। ১৯৪৭ সালে বাংলাদেশ পাকিস্তানের অংশে পরিণত হওয়ার পর থেকে ভারতের লক্ষ্যই ছিল বাংলাদেশকে তাদের অধীনতার বলয়ে রাখা। ১৯৭১ সালে মুক্তিযুদ্ধে সক্রিয় সহযোগিতা করার মধ্য দিয়ে বাংলাদেশ স্বাধীনতা লাভ করলে ভারতের সেই পরিকল্পনার বাস্তবায়ন শুরু হয় ২৫ বছর মেয়াদি দাসত্ব চুক্তি সম্পাদনের মাধ্যমে। ১৯৭৫ সালের আগস্টে শেখ মুজিবুর রহমানের দুঃখজনক হত্যাকান্ডের ফলে বাংলাদেশকে অনুগত রাখার পরিকল্পনা বাস্তবায়নের প্রক্রিয়া বন্ধ হয়ে গিয়েছিল। তা পুনরায় সূচিত হয়েছিল ২০০৯ সালে শেখ হাসিনা ক্ষমতায় আসার পর। ক্ষমতা নিরঙ্কুশ করার জন্য শেখ হাসিনার টার্গেট ছিল দুটি প্রধান রাজনৈতিক দল বিএনপি ও জামায়াতে ইসলামী। বিএনপি যেহেতু একাধিক মেয়াদে বাংলাদেশের শাসনক্ষমতায় ছিল, ভারত তাদেরও অনেক সময় আস্থার সঙ্গে গ্রহণ করেছে, যা এখনো বিএনপি নেতাদের কথাবার্তায় ফুটে ওঠে। জামায়াতে ইসলামী কখনো ক্ষমতায় না গেলেও তারা তাদের ভারতবিরোধী ভূমিকায় সব সময় অটল এবং তাদের প্রতি জনগণের একটি অংশের সমর্থন থাকায় ২০০৯ সালে আওয়ামী লীগ ক্ষমতায় আসার পর বিএনপির পরিবর্তে ভারতের প্রত্যক্ষ ইশারায় তারা জামায়াতে ইসলামীকে বাংলাদেশের রাজনীতি থেকে চিরতরে বিদায় করার পরিকল্পনা করে। কিন্তু ইন্টারন্যাশনাল ক্রাইমস টাইব্যুনাল বা আইসিটির বিচার প্রক্রিয়ায় স্বচ্ছতা না থাকা সত্ত্বেও জামায়াতের শীর্ষ নেতাদের ফাঁসিতে ঝুলিয়ে মৃত্যুদন্ড কার্যকর করার ঘটনায় জনমনে প্রশ্ন ওঠে। ভারতপন্থি শেখ হাসিনার ফ্যাসিস্ট সরকারের দানবীয় শাসনে কেউ মুখ না খুললেও তারা ভিতরে ভিতরে ক্ষোভে ফুঁসতে থাকে, যা শেখ হাসিনা বা ভারত আঁচ করতে পারেনি।

জনগণের ক্ষোভের বহিঃপ্রকাশ কীভাবে ঘটবে তা ক্ষমতার মদিরাসেবী শেখ হাসিনা, আওয়ামী লীগ এবং তাদের পৃষ্ঠপোষকতা দানকারী ভারত সরকারের পক্ষেও আন্দাজ করা সম্ভব হয়নি। দেশবাসী প্রত্যক্ষ করেছে যে ২০২৪-এর তথাকথিত সংসদ নির্বাচনের ছয় মাস পরই ছাত্র-জনতা কোনো দমনপীড়নের তোয়াক্কা না করে কীভাবে রাস্তায় নেমে এসেছিল এবং জীবন দিয়ে, পঙ্গুত্ববরণ করে দেশকে তাদের মতে দ্বিতীয়বারের মতো স্বাধীন করেছে। এ স্বাধীনতা অর্জন অথবা বিপ্লবের সাফল্যের পর বিপ্লবীদের করণীয় কী, সে সম্পর্কে বিপ্লবীদের কোনো ধারণা ছিল না। তারা কোনো ছায়া সরকার গঠন করে বিপ্লবের সূচনা করেনি। এত দ্রুত বিপ্লব সফল হবে তা-ও তারা কল্পনা করেনি। অতএব বিপ্লবের সাফল্যে দেশ রাতারাতি প্রশাসনশূন্য অরাজক অবস্থার মধ্যে পড়ে। যারা দীর্ঘদিন রাজনীতির বাইরে ছিল, তারা বিপ্লবের সাফল্যের পেছনে তাদের অবদান দাবি করে এগিয়ে আসে। তারা নীতিনির্ধারণী বক্তব্য দিতে শুরু করে। এ দাবিদারদের অন্যতম বিএনপি ও জামায়াতে ইসলামী। দল দুটির নেতাদের বক্তব্যের মধ্যে কোনো সামঞ্জস্য ছিল না, এখনো নেই। তাদের পরস্পরবিরোধী বক্তব্য নতুন করে বিশৃঙ্খলা সৃষ্টির ইঙ্গিত দিচ্ছে। দেশ কি আরেকবার অস্থিতিশীল অবস্থার মধ্যে নিক্ষিপ্ত হতে যাচ্ছে? যে অস্থিতিশীল অবস্থা দেখার জন্য বাংলাদেশের প্রতিবেশী শেখ হাসিনার আশ্রয় দানকারী ভারত অধীর আগ্রহে অপেক্ষা করছে। 

ড. মুহাম্মদ ইউনূসের নেতৃত্বে তত্ত্বাবধায়ক সরকার প্রয়োজনীয় সংস্কারের পর নির্বাচন অনুষ্ঠানের প্রতিশ্রুতি দেওয়া সত্ত্বেও বিএনপি অবিলম্বে নির্বাচন অনুষ্ঠানের মাধ্যমে জনগণের নির্বাচিত প্রতিনিধিদের ক্ষমতা হস্তান্তরের দাবি জানাচ্ছে। অন্যদিকে জামায়াত নেতাদের বক্তব্য ও আচরণে মনে হচ্ছে, তারা ইতোমধ্যে সরকার গঠন করে ফেলেছে। বিদেশি রাষ্ট্রদূত ও আন্তর্জাতিক সংস্থাগুলোর প্রতিনিধিরা নিয়মিত জামায়াত নেতাদের সঙ্গে সাক্ষাৎ করছেন। তাতে ছাত্র-জনতার বিপ্লবের সফলতায় লাভবান রাজনৈতিক দলগুলোর মধ্যে দৃশ্যত জামায়াতের গুরুত্ব যথেষ্ট বৃদ্ধি পাওয়ার প্রমাণ পাওয়া যায়। কিন্তু বাংলাদেশের ৫৪ বছরের রাজনীতি বিশ্লেষণ করলে রাজনীতিসচেতন যে কারও বোঝার কথা যে জামায়াত এখন পর্যন্ত এককভাবে তো নয়ই, এমনকি কোনো কোয়ালিশন সরকারের বড় অংশ হয়েও দেশ পরিচালনার মতো পরিপক্বতা অর্জন বা প্রদর্শনের সুযোগ পায়নি।

শুধু আওয়ামী লীগ বা বিএনপি নয়, অন্য প্রায় সব ইসলামি দল জামায়াতে ইসলামীর প্রবল প্রতিপক্ষ। বাংলাদেশের জনগণ ধর্মনিরপেক্ষ না হলেও মধ্যপন্থি মুসলিম। তারা রোজা রাখা, তারাবিহ ও শুক্রবার জুমার নামাজ আদায় এবং হজ-উমরাহ পালনে যতটা ব্যগ্র, দৈনিক পাঁচ ওয়াক্ত নামাজ আদায়ে তারা তত মনোযোগী নয়। বহু নামাজি মুসলমান ঘুষ নেওয়া, সুদ খাওয়া, তহবিল তছরুপ করা, জুয়াখেলা, ভোগ্যপণ্যে ভেজাল দেওয়ার মধ্যে কোনো অন্যায় দেখে না। এ চিত্রের মধ্যে জামায়াতের পক্ষে ‘কোরআনের আইন ও সৎ লোকের শাসন’ কায়েম করা সহজসাধ্য নয়। অতএব জামায়াতের পক্ষে ধীরে চলার নীতি অবলম্বন করাই শ্রেয়। এখন সব দলের মুখ্য কাজ ভারতকে উপলব্ধি করতে দেওয়া যে আওয়ামী লীগ বা শেখ মুজিবের পরিবারের সদস্য হলেই তাদের ভারতের একমাত্র বন্ধু বিবেচনা করে আশ্রয়প্রশ্রয় দেওয়া কূটনৈতিক দূরদর্শিতা নয়। সৎ প্রতিবেশী হিসেবে ভারতের কর্তব্য বাংলাদেশে যখন যে সরকার ক্ষমতায় আসে তাদের বন্ধু বিবেচনা করা। আওয়ামী লীগের প্রতি ভারতের বিশেষ অনুরাগ বাংলাদেশের জনগণকে সন্দ্বিগ্ধ করে। ভারত একটি গণতান্ত্রিক দেশ হওয়া সত্ত্বেও আওয়ামী লীগের ২০১৪, ২০১৮ ও ২০২৪ সালের ভোটার ও প্রার্থীবিহীন সাজানো ও প্রহসনের নির্বাচনের মধ্যে কোনো ত্রুটি দেখেনি। তিনটি নির্বাচনের কোনো একটির সমালোচনা করেনি। বরং সরকার গঠন করলে শেখ হাসিনার সরকারকে অভিনন্দন জানিয়েছে। হাসিনার সরকারের মানবাধিকার লঙ্ঘনের কোনো ঘটনার নিন্দা করেনি। এর ফলে শেখ হাসিনার ফ্যাসিস্ট হয়ে ওঠার পথে কোনো প্রতিবন্ধকতা ছিল না। ভারত যেহেতু শেখ হাসিনাকে এখনো মদত দিয়ে যাচ্ছে, সেজন্য ঝুঁকি ও অনিশ্চয়তা কেটে গেছে এমন আত্মতুষ্টি লাভ করার সুযোগ নেই। কোনো প্রতিবেশী দেশের সঙ্গে ভারতের সুসম্পর্ক নেই, সে বিষয়টিও সবার মনে রাখা উচিত।

পাশাপাশি শেখ হাসিনা এবং আওয়ামী লীগের উপলব্ধি করা উচিত যে বাংলাদেশ জনগণের, কারও পিতার বা কোনো দলের একক সম্পত্তি নয়। দেশের মালিকানার দাবি এবং জনগণকে প্রজা হিসেবে বিবেচনা করার বদভ্যাস ভুলতে না পারলে ভবিষ্যতেও যে আওয়ামী লীগকে ১৯৭৫ ও ২০২৪-এর মতো পরিণতির শিকার হতে হবে, তাতে কোনো সন্দেহ নেই। কিন্তু ভারতের প্রশ্রয়ে শেখ হাসিনা নিয়মিত যে উসকানিমূলক আস্ফালন করছেন, তা তার নিজের এবং দলের জন্য কোনো শুভ ফল বয়ে আনবে না। বাংলাদেশ ১৯৭১ সালে একবার স্বাধীনতা অর্জন করেছে, কিন্তু স্বাধীন দেশের জনগণ আওয়ামী লীগকে বারবার প্রত্যাখ্যান করেছে। এ থেকেও শেখ পরিবারের দাম্ভিক সদস্যবৃন্দ এবং আওয়ামী লীগের নেতা-কর্মীরা যদি শিক্ষালাভ না করেন, দেশকে জনগণের দেশ ভাবতে কুণ্ঠিত বোধ করেন, তাহলে জনগণই প্রতিবার ন্যক্কারজনক উপায়ে তাদের নতুন করে শিক্ষা দেবে।

এজন্য রাজনীতির আড়াল থেকে বের হয়ে আসা দলগুলোকে বিচক্ষণতার সঙ্গে কাজ করতে হবে। বিএনপি এখন কার্যত নেতৃত্বহীন। যারা নেতৃত্ব দিচ্ছেন, তারা দীর্ঘদিন রাজনীতির বাইরে থাকায় তারা রাজনৈতিক আচরণ ভুলে গেছেন। আগামীতে রাজনীতির মাঠে অথবা সরকারে তারাও যে অন্য কাউকে দেখতে চান না, তা তাদের ভাষা, আচরণ ও দেহভঙ্গিতে ফুটে উঠছে। তারা যখন সরকারে ছিল তখন যথেষ্ট ভুলভ্রান্তি করেছে, সেই ভুলগুলোর যাতে পুনরাবৃত্তি না ঘটে সেজন্য এখন থেকেই তাদের দায়িত্বশীল আচরণ করা উচিত। পদে পদে তাদের মনে রাখা উচিত যে জনগণ যেভাবে ক্ষমতার আসনে বসায়, দেশের স্বার্থ পরিহার করে ব্যক্তিগত ও দলীয় স্বার্থ চরিতার্থ করতে ব্যস্ত হয়ে পড়লে জনগণই তাদের ক্ষমতার আসন থেকে অপমানজনকভাবে টেনে নামায়, ইতিহাসের আস্তাকুঁড়ে ছুড়ে ফেলে।

জামায়াতে ইসলামীর রাজনীতি প্রসঙ্গে গত সেপ্টেম্বর মাসে এক লেখায় উল্লেখ করেছিলাম যে জামায়াত বাংলাদেশে ক্ষমতার রাজনীতির মুখ্য খেলোয়াড় না হওয়া সত্ত্বেও সবচেয়ে যাতনা ভোগকারী দল। তাদের ভুলের কারণেই তারা বারবার নিপীড়নের শিকার হয়েছে, এমনকি ক্ষমতাসীন ও ক্ষমতার বাইরের দলগুলোর হাতে নির্যাতিত হতে হয়েছে। বাংলাদেশে একক দল হিসেবে জামায়াত ও ইসলামী ছাত্রশিবিরের যত নেতা-কর্মী নিহত হয়েছেন, অন্য কোনো দলকে তত ক্ষয়ক্ষতির শিকার হতে হয়নি। যদিও জামায়াত উঠতে বসতে জান কোরবানির কথা বলে, কিন্তু ভুল পদক্ষেপ গ্রহণ করে বেঘোরে প্রাণ দেওয়ার মধ্যে কোনো কৃতিত্ব নেই। সেজন্য জামায়াতের সমঝে চলা উচিত। ‘আল্লাহর পথে জিহাদ’ করে শহীদ হলে জান্নাত লাভ অবশ্যম্ভাবী হতে পারে, কিন্তু তা তো নির্ধারিত হবে আসমানে, দুনিয়ায় নয়। অতএব প্রত্যেকের উচিত তাদের নিজ নিজ আত্মার পরিচালকে পরিণত হওয়া। ভুল সিদ্ধান্ত বা সিদ্ধান্ত গ্রহণে যাতে বালখিল্যতা না ঘটে, সেজন্য রাজনৈতিক ময়দানে তাদের আরও সতর্ক থাকা উচিত। জামায়াত নেতারা যেভাবে আগ বাড়িয়ে কথা বলছেন, তা অনেকের কাছে দৃষ্টিকটু লাগছে এবং অনেকে আশঙ্কা করছেন যে তারা আবারও কোনো ফাঁদে পড়তে যাচ্ছে কিনা! গত বছরের (২০২৪) আগস্টে ড. মুহাম্মদ ইউনূসের নেতৃত্বে অন্তর্বর্তী সরকার দায়িত্ব গ্রহণের পর থেকে প্রশাসনকে একের পর এক বেকায়দায় ফেলার চেষ্টা চালানো হয়েছে। বিপ্লবী ছাত্ররাই অধিকাংশ অপচেষ্টা নস্যাৎ করেছে। তারা এখন নিজেরাই রাজনৈতিক দল গঠন করায় বিপ্লবের স্থান থেকে অনেকটা সরে এসেছে। অন্যান্য দলের মতো এখন তারাও একটি দলের অনুসারী এবং প্রতিষ্ঠিত রাজনৈতিক দলগুলোর প্রতিদ্বন্দ্বী। সব মিলিয়ে দেশে যে অবস্থা বিরাজ করছে, আগামী নির্বাচনই তা কাটিয়ে ওঠার পথ সৃষ্টি করবে বলে দেশবাসী প্রতীক্ষা করছে। অতএব সব দলকে বিবেচক হয়ে নির্বাচনের পরিবেশ সৃষ্টি করার জন্য ভূমিকা পালন করতে হবে। অস্থিরতা প্রদর্শনের কোনো সুযোগ নেই। রাজনৈতিক দলগুলোকে বঙ্কিমের ভাষায় বলতে হয় ‘ওহে ধীরে, রজনী ধীরে। এ পুরী আলো কর, কিন্তু দাহ কর কেন।’

♦ লেখক : নিউইয়র্কপ্রবাসী, সিনিয়র সাংবাদিক

 

এই বিভাগের আরও খবর
সামাজিক ব্যবসা
সামাজিক ব্যবসা
রপ্তানি খাতে ধাক্কা
রপ্তানি খাতে ধাক্কা
ফিলিস্তিনের নাবলুস নগরী
ফিলিস্তিনের নাবলুস নগরী
জীবনজুড়ে রমজানের রেশ ধরে রাখুন
জীবনজুড়ে রমজানের রেশ ধরে রাখুন
ফুলচাষিদের স্বাস্থ্যঝুঁঁকি
ফুলচাষিদের স্বাস্থ্যঝুঁঁকি
রেমিট্যান্সে আশার আলো
রেমিট্যান্সে আশার আলো
ভোটের আলোচনা
ভোটের আলোচনা
বিমসটেক সম্মেলন
বিমসটেক সম্মেলন
ডিজিটাল সংস্কৃতি : ভার্চুয়াল উৎসব
ডিজিটাল সংস্কৃতি : ভার্চুয়াল উৎসব
শাওয়াল মাসের ছয় রোজার পুণ্য
শাওয়াল মাসের ছয় রোজার পুণ্য
ব্যাংককে বৈঠক, ঢাকা-দিল্লিতে গুঞ্জন
ব্যাংককে বৈঠক, ঢাকা-দিল্লিতে গুঞ্জন
এই সময়ের রাজনৈতিক চ্যালেঞ্জ
এই সময়ের রাজনৈতিক চ্যালেঞ্জ
সর্বশেষ খবর
যৌন হেনস্তার অভিযোগে ‘স্কুইড গেম’ তারকার সাজা
যৌন হেনস্তার অভিযোগে ‘স্কুইড গেম’ তারকার সাজা

১ সেকেন্ড আগে | শোবিজ

চাঁদপুরে ৬৪ যানবাহনে তল্লাশি ও জরিমানা
চাঁদপুরে ৬৪ যানবাহনে তল্লাশি ও জরিমানা

৫ মিনিট আগে | দেশগ্রাম

বিমসটেক শীর্ষ সম্মেলনে যেসব সিদ্ধান্ত গৃহীত
বিমসটেক শীর্ষ সম্মেলনে যেসব সিদ্ধান্ত গৃহীত

৬ মিনিট আগে | জাতীয়

‘পার্বত্য অঞ্চলের শিক্ষাব্যবস্থাকে মানসম্মত করতে হবে’
‘পার্বত্য অঞ্চলের শিক্ষাব্যবস্থাকে মানসম্মত করতে হবে’

৬ মিনিট আগে | দেশগ্রাম

যুক্তরাষ্ট্রে বাংলাদেশের রফতানি আরও বাড়বে, কমবে না: প্রেস সচিব
যুক্তরাষ্ট্রে বাংলাদেশের রফতানি আরও বাড়বে, কমবে না: প্রেস সচিব

১৫ মিনিট আগে | জাতীয়

সিআরবিতে পরিচ্ছন্নতা অভিযান
সিআরবিতে পরিচ্ছন্নতা অভিযান

২৩ মিনিট আগে | চট্টগ্রাম প্রতিদিন

ঢাকাসহ ৭ অঞ্চলে মধ্যরাতের মধ্যে ঝড়ের আভাস
ঢাকাসহ ৭ অঞ্চলে মধ্যরাতের মধ্যে ঝড়ের আভাস

৪১ মিনিট আগে | জাতীয়

মুক্তাগাছায় মোটরসাইকেল দুর্ঘটনায় নিহত ১
মুক্তাগাছায় মোটরসাইকেল দুর্ঘটনায় নিহত ১

৪৭ মিনিট আগে | দেশগ্রাম

বরিশালে ডোবা থেকে অজ্ঞাত লাশ উদ্ধার
বরিশালে ডোবা থেকে অজ্ঞাত লাশ উদ্ধার

৫০ মিনিট আগে | নগর জীবন

কালীগঞ্জে রেল ব্রিজের নিচ থেকে অজ্ঞাত যুবকের লাশ উদ্ধার
কালীগঞ্জে রেল ব্রিজের নিচ থেকে অজ্ঞাত যুবকের লাশ উদ্ধার

৫৬ মিনিট আগে | দেশগ্রাম

মেক্সিকোতে প্রথম এইচ৫এন১ বার্ড ফ্লু রোগী শনাক্ত
মেক্সিকোতে প্রথম এইচ৫এন১ বার্ড ফ্লু রোগী শনাক্ত

৫৭ মিনিট আগে | পূর্ব-পশ্চিম

অষ্টমী স্নানে ব্রহ্মপুত্র নদে পুণ্যার্থীদের ঢল
অষ্টমী স্নানে ব্রহ্মপুত্র নদে পুণ্যার্থীদের ঢল

১ ঘণ্টা আগে | দেশগ্রাম

ধর্ষণের শিকার জমজ দুই বোনকে আইনি সহায়তা প্রদানের দায়িত্ব নিলেন তারেক রহমান
ধর্ষণের শিকার জমজ দুই বোনকে আইনি সহায়তা প্রদানের দায়িত্ব নিলেন তারেক রহমান

১ ঘণ্টা আগে | দেশগ্রাম

ব্যবসায়ীর ফেলে যাওয়া ১৮ ভরি স্বর্ণ ‍ফিরিয়ে দিলেন অটোরিকশাচালক
ব্যবসায়ীর ফেলে যাওয়া ১৮ ভরি স্বর্ণ ‍ফিরিয়ে দিলেন অটোরিকশাচালক

১ ঘণ্টা আগে | দেশগ্রাম

৩২৯টি উপজেলায় হচ্ছে টেকনিক্যাল স্কুল অ্যান্ড কলেজ
৩২৯টি উপজেলায় হচ্ছে টেকনিক্যাল স্কুল অ্যান্ড কলেজ

১ ঘণ্টা আগে | দেশগ্রাম

ডার্ক এনার্জি স্থির নয়! বিজ্ঞানীদের সামনে নতুন ধাঁধা
ডার্ক এনার্জি স্থির নয়! বিজ্ঞানীদের সামনে নতুন ধাঁধা

১ ঘণ্টা আগে | বিজ্ঞান

ঈদের ছুটিতে ঢাকা ছেড়েছেন ১ কোটি সিমধারী, ফিরেছেন ৪৪ লাখ
ঈদের ছুটিতে ঢাকা ছেড়েছেন ১ কোটি সিমধারী, ফিরেছেন ৪৪ লাখ

১ ঘণ্টা আগে | জাতীয়

ঈদের পঞ্চম দিনেও ‘দাগি’-‘জংলি’র দাপট অব্যাহত, আয় কত?
ঈদের পঞ্চম দিনেও ‘দাগি’-‘জংলি’র দাপট অব্যাহত, আয় কত?

১ ঘণ্টা আগে | শোবিজ

পতেঙ্গায় ১ কেজি স্বর্ণালংকারসহ আটক ৫
পতেঙ্গায় ১ কেজি স্বর্ণালংকারসহ আটক ৫

১ ঘণ্টা আগে | চট্টগ্রাম প্রতিদিন

‌‌‘শিক্ষার্থীরা পাস করে চাকরির জন্য নেতাদের পেছনে ঘুরতে হবে না’
‌‌‘শিক্ষার্থীরা পাস করে চাকরির জন্য নেতাদের পেছনে ঘুরতে হবে না’

১ ঘণ্টা আগে | দেশগ্রাম

আগৈলঝাড়ায় বসুন্ধরা শুভসংঘের মাসব্যাপী মাদকবিরোধী প্রচারণা শুরু
আগৈলঝাড়ায় বসুন্ধরা শুভসংঘের মাসব্যাপী মাদকবিরোধী প্রচারণা শুরু

১ ঘণ্টা আগে | বসুন্ধরা শুভসংঘ

বিএনপি নেতার বহিষ্কারের প্রতিবাদে বিক্ষোভ
বিএনপি নেতার বহিষ্কারের প্রতিবাদে বিক্ষোভ

১ ঘণ্টা আগে | দেশগ্রাম

মেঘনা-তিতাসে অষ্টমী গঙ্গাস্নানে উপচেপড়া ভিড়
মেঘনা-তিতাসে অষ্টমী গঙ্গাস্নানে উপচেপড়া ভিড়

১ ঘণ্টা আগে | দেশগ্রাম

কসবায় যুবককে ডেকে নিয়ে হত্যার অভিযোগ
কসবায় যুবককে ডেকে নিয়ে হত্যার অভিযোগ

১ ঘণ্টা আগে | দেশগ্রাম

সিলেটে টাকা ধার না দেওয়ায় যুবক খুন
সিলেটে টাকা ধার না দেওয়ায় যুবক খুন

১ ঘণ্টা আগে | চায়ের দেশ

চট্টগ্রামে জেলেদের জালে মিলল বৃদ্ধার লাশ
চট্টগ্রামে জেলেদের জালে মিলল বৃদ্ধার লাশ

১ ঘণ্টা আগে | চট্টগ্রাম প্রতিদিন

মুন্সিগঞ্জে ধলেশ্বরী নদীর তীরে অষ্টমী স্নান উৎসব পালিত
মুন্সিগঞ্জে ধলেশ্বরী নদীর তীরে অষ্টমী স্নান উৎসব পালিত

২ ঘণ্টা আগে | দেশগ্রাম

ছাত্র আন্দোলনে হত্যা মামলায় শ্রমিক লীগ নেতা গ্রেফতার
ছাত্র আন্দোলনে হত্যা মামলায় শ্রমিক লীগ নেতা গ্রেফতার

২ ঘণ্টা আগে | নগর জীবন

লাশের গন্ধে ভারী মিয়ানমারের সাগাইংয়ের বাতাস
লাশের গন্ধে ভারী মিয়ানমারের সাগাইংয়ের বাতাস

২ ঘণ্টা আগে | পূর্ব-পশ্চিম

পাংকর আইল্যান্ড, যেখানে পাহাড় ও সমুদ্রের অসাধারণ মিতালি!
পাংকর আইল্যান্ড, যেখানে পাহাড় ও সমুদ্রের অসাধারণ মিতালি!

২ ঘণ্টা আগে | পরবাস

সর্বাধিক পঠিত
ঈদুল আজহার সম্ভাব্য তারিখ প্রকাশ
ঈদুল আজহার সম্ভাব্য তারিখ প্রকাশ

২২ ঘণ্টা আগে | পূর্ব-পশ্চিম

আত্মরক্ষার জন্য ইরানের সর্বোচ্চ প্রস্তুতি রয়েছে : সৌদি যুবরাজকে পেজেশকিয়ান
আত্মরক্ষার জন্য ইরানের সর্বোচ্চ প্রস্তুতি রয়েছে : সৌদি যুবরাজকে পেজেশকিয়ান

৮ ঘণ্টা আগে | পূর্ব-পশ্চিম

পর্দায় নয়, এবার সত্যিই বিয়ে করলেন শামীম হাসান সরকার
পর্দায় নয়, এবার সত্যিই বিয়ে করলেন শামীম হাসান সরকার

২২ ঘণ্টা আগে | শোবিজ

আপনার প্রতি শেখ হাসিনার অসম্মানজনক আচরণ দেখেছি : ড. ইউনূসকে বলেন মোদি
আপনার প্রতি শেখ হাসিনার অসম্মানজনক আচরণ দেখেছি : ড. ইউনূসকে বলেন মোদি

৩ ঘণ্টা আগে | জাতীয়

যুক্তরাষ্ট্রের শুল্ক ইস্যুতে জরুরি সভা ডেকেছেন প্রধান উপদেষ্টা
যুক্তরাষ্ট্রের শুল্ক ইস্যুতে জরুরি সভা ডেকেছেন প্রধান উপদেষ্টা

৫ ঘণ্টা আগে | জাতীয়

ইরানে হামলার হুমকি থেকে পিছু হটলেন ট্রাম্প, সরাসরি আলোচনার প্রস্তাব
ইরানে হামলার হুমকি থেকে পিছু হটলেন ট্রাম্প, সরাসরি আলোচনার প্রস্তাব

৪ ঘণ্টা আগে | পূর্ব-পশ্চিম

আওয়ামী লীগের টাকার লোভে না পড়তে দলীয় নেতাদের হুঁশিয়ারি শামা ওবায়েদের
আওয়ামী লীগের টাকার লোভে না পড়তে দলীয় নেতাদের হুঁশিয়ারি শামা ওবায়েদের

১৭ ঘণ্টা আগে | রাজনীতি

৫ মিলিয়ন ডলারের ‘গোল্ড কার্ড’ ভিসা উন্মোচন করলেন ট্রাম্প
৫ মিলিয়ন ডলারের ‘গোল্ড কার্ড’ ভিসা উন্মোচন করলেন ট্রাম্প

২১ ঘণ্টা আগে | পূর্ব-পশ্চিম

ঐশ্বরিয়া আমার মেয়ে নয়, কেবল ছেলের বউ : জয়া বচ্চন
ঐশ্বরিয়া আমার মেয়ে নয়, কেবল ছেলের বউ : জয়া বচ্চন

২২ ঘণ্টা আগে | শোবিজ

শরীয়তপুরে দুই গ্রুপের সংঘর্ষ, শতাধিক হাতবোমা বিস্ফোরণ
শরীয়তপুরে দুই গ্রুপের সংঘর্ষ, শতাধিক হাতবোমা বিস্ফোরণ

৭ ঘণ্টা আগে | দেশগ্রাম

ড. ইউনূস-মোদি বৈঠক আশার আলো তৈরি করেছে: মির্জা ফখরুল
ড. ইউনূস-মোদি বৈঠক আশার আলো তৈরি করেছে: মির্জা ফখরুল

২৩ ঘণ্টা আগে | রাজনীতি

বিশ্বের শক্তিশালী পাসপোর্টের তালিকায় এক ধাপ এগোল বাংলাদেশ
বিশ্বের শক্তিশালী পাসপোর্টের তালিকায় এক ধাপ এগোল বাংলাদেশ

৬ ঘণ্টা আগে | জাতীয়

হোয়াইট হাউস থেকে বরখাস্ত একাধিক শীর্ষ কর্মকর্তা, আলোচনায় লরা লুমার
হোয়াইট হাউস থেকে বরখাস্ত একাধিক শীর্ষ কর্মকর্তা, আলোচনায় লরা লুমার

৮ ঘণ্টা আগে | পূর্ব-পশ্চিম

কালশী ফ্লাইওভারে গাড়ির সঙ্গে মোটরসাইকেলের সংঘর্ষ, দুই যুবক নিহত
কালশী ফ্লাইওভারে গাড়ির সঙ্গে মোটরসাইকেলের সংঘর্ষ, দুই যুবক নিহত

১৮ ঘণ্টা আগে | নগর জীবন

সাত দিনের মধ্যে যুক্তরাষ্ট্র ছাড়ার নির্দেশ, আতঙ্কে ইউক্রেনীয়রা
সাত দিনের মধ্যে যুক্তরাষ্ট্র ছাড়ার নির্দেশ, আতঙ্কে ইউক্রেনীয়রা

২ ঘণ্টা আগে | পূর্ব-পশ্চিম

হাসিনার এক মন্তব্যে সংকটে মাদারগঞ্জের সমবায় সমিতি
হাসিনার এক মন্তব্যে সংকটে মাদারগঞ্জের সমবায় সমিতি

২০ ঘণ্টা আগে | দেশগ্রাম

পরকীয়া প্রেমে বাধা দেওয়ায় স্বামীর পুরুষাঙ্গ কাটলো স্ত্রী
পরকীয়া প্রেমে বাধা দেওয়ায় স্বামীর পুরুষাঙ্গ কাটলো স্ত্রী

৭ ঘণ্টা আগে | দেশগ্রাম

‘আতঙ্কে তারা ভুল করেছে’: চীনের পাল্টা শুল্ক নিয়ে ট্রাম্প
‘আতঙ্কে তারা ভুল করেছে’: চীনের পাল্টা শুল্ক নিয়ে ট্রাম্প

৫ ঘণ্টা আগে | পূর্ব-পশ্চিম

একনজরে আজকের বাংলাদেশ প্রতিদিন (৫ এপ্রিল)
একনজরে আজকের বাংলাদেশ প্রতিদিন (৫ এপ্রিল)

১২ ঘণ্টা আগে | জাতীয়

নির্বাচনের কথা বলে মুখে ফেনা তুলে ফেললেই গণতন্ত্র হয় না : নুসরাত তাবাসসুম
নির্বাচনের কথা বলে মুখে ফেনা তুলে ফেললেই গণতন্ত্র হয় না : নুসরাত তাবাসসুম

৪ ঘণ্টা আগে | রাজনীতি

চালের দানার চেয়েও ছোট পেসমেকার তৈরি করলেন বিজ্ঞানীরা
চালের দানার চেয়েও ছোট পেসমেকার তৈরি করলেন বিজ্ঞানীরা

৯ ঘণ্টা আগে | বিজ্ঞান

ফিলিস্তিনি জনগণের প্রতি পাকিস্তান সেনা কমান্ডারদের অকুণ্ঠ সমর্থন
ফিলিস্তিনি জনগণের প্রতি পাকিস্তান সেনা কমান্ডারদের অকুণ্ঠ সমর্থন

২ ঘণ্টা আগে | পূর্ব-পশ্চিম

৫.৬ মাত্রার ভূমিকম্পে আবার কেঁপে উঠলো মিয়ানমার
৫.৬ মাত্রার ভূমিকম্পে আবার কেঁপে উঠলো মিয়ানমার

৯ ঘণ্টা আগে | পূর্ব-পশ্চিম

মিয়ানমারে বাংলাদেশ সশস্ত্র বাহিনীর নেতৃত্বে উদ্ধার ও চিকিৎসা কার্যক্রম অব্যাহত
মিয়ানমারে বাংলাদেশ সশস্ত্র বাহিনীর নেতৃত্বে উদ্ধার ও চিকিৎসা কার্যক্রম অব্যাহত

১৯ ঘণ্টা আগে | জাতীয়

‘প্রয়োজনে জোটগতভাবে নির্বাচন করবে এনসিপি’
‘প্রয়োজনে জোটগতভাবে নির্বাচন করবে এনসিপি’

২২ ঘণ্টা আগে | রাজনীতি

কালশী ফ্লাইওভারে দুর্ঘটনায় নিহত দুই যুবকের পরিচয় মিলেছে
কালশী ফ্লাইওভারে দুর্ঘটনায় নিহত দুই যুবকের পরিচয় মিলেছে

২ ঘণ্টা আগে | নগর জীবন

আইপিএলের প্রথমবার দেখা গেল এমন কিছু
আইপিএলের প্রথমবার দেখা গেল এমন কিছু

১০ ঘণ্টা আগে | মাঠে ময়দানে

লৌহজংয়ে পাওয়া মরদেহের টুকরোগুলো সাভারের সবুজ মোল্যার
লৌহজংয়ে পাওয়া মরদেহের টুকরোগুলো সাভারের সবুজ মোল্যার

৫ ঘণ্টা আগে | দেশগ্রাম

প্রতিকূল পরিবেশেও খেলাপি ঋণ কমেছে
প্রতিকূল পরিবেশেও খেলাপি ঋণ কমেছে

১৭ ঘণ্টা আগে | বাণিজ্য

আরো বাড়ল মিয়ানমারে ভূমিকম্পে মৃতের সংখ্যা
আরো বাড়ল মিয়ানমারে ভূমিকম্পে মৃতের সংখ্যা

৮ ঘণ্টা আগে | পূর্ব-পশ্চিম

প্রিন্ট সর্বাধিক
সুবিধাবাদী হাইব্রিডে অতিষ্ঠ বিএনপি
সুবিধাবাদী হাইব্রিডে অতিষ্ঠ বিএনপি

প্রথম পৃষ্ঠা

মুজিব ছিলেন বেপরোয়া
মুজিব ছিলেন বেপরোয়া

প্রথম পৃষ্ঠা

চলতি বছর টাইগারদের ৬ টেস্ট
চলতি বছর টাইগারদের ৬ টেস্ট

মাঠে ময়দানে

হাসিনাকে চাইল বাংলাদেশ
হাসিনাকে চাইল বাংলাদেশ

প্রথম পৃষ্ঠা

দেশের প্রযুক্তি খাতে বিপ্লব ঘটাবে স্টারলিংক
দেশের প্রযুক্তি খাতে বিপ্লব ঘটাবে স্টারলিংক

প্রথম পৃষ্ঠা

ধুঁকছেন পেট্রাপোলের ব্যবসায়ীরাও
ধুঁকছেন পেট্রাপোলের ব্যবসায়ীরাও

পেছনের পৃষ্ঠা

ইলিশের দামে আগুন
ইলিশের দামে আগুন

পেছনের পৃষ্ঠা

আজকের ভাগ্যচক্র
আজকের ভাগ্যচক্র

আজকের রাশি

মুখোমুখি সরকার-আইএমএফ
মুখোমুখি সরকার-আইএমএফ

প্রথম পৃষ্ঠা

দীর্ঘদিন ক্ষমতা আঁকড়ে রাখার চিন্তা করলে জনগণ মেনে নেবে না
দীর্ঘদিন ক্ষমতা আঁকড়ে রাখার চিন্তা করলে জনগণ মেনে নেবে না

নগর জীবন

‘মিনি জাফলংয়ে’ স্বাস্থ্যঝুঁকি
‘মিনি জাফলংয়ে’ স্বাস্থ্যঝুঁকি

নগর জীবন

দক্ষিণ এশিয়ার ইসরায়েল ভারত
দক্ষিণ এশিয়ার ইসরায়েল ভারত

পেছনের পৃষ্ঠা

রাজশাহী বিএনপিতে ত্রিধারা
রাজশাহী বিএনপিতে ত্রিধারা

নগর জীবন

হচ্ছে বাম দলের বৃহত্তর জোট!
হচ্ছে বাম দলের বৃহত্তর জোট!

প্রথম পৃষ্ঠা

চট্টগ্রাম-কক্সবাজার সড়কে শঙ্কা
চট্টগ্রাম-কক্সবাজার সড়কে শঙ্কা

পেছনের পৃষ্ঠা

আত্রাই নদীর চরে কুমড়াবাড়ি!
আত্রাই নদীর চরে কুমড়াবাড়ি!

পেছনের পৃষ্ঠা

কবির-মুসার বিরুদ্ধে এবার জালিয়াতির অভিযোগ
কবির-মুসার বিরুদ্ধে এবার জালিয়াতির অভিযোগ

নগর জীবন

নতুন জীবনের খোঁজে মাহি
নতুন জীবনের খোঁজে মাহি

শোবিজ

যৌথ পরিবারের গল্প
যৌথ পরিবারের গল্প

শনিবারের সকাল

এবার জনগণ ভোটাধিকার ফিরে পাবে
এবার জনগণ ভোটাধিকার ফিরে পাবে

প্রথম পৃষ্ঠা

১ লাখ ৮০ হাজার রোহিঙ্গা ফেরত নেবে মিয়ানমার
১ লাখ ৮০ হাজার রোহিঙ্গা ফেরত নেবে মিয়ানমার

প্রথম পৃষ্ঠা

আমাদের সম্পর্কটা বড় ভাই-ছোট ভাইয়ের মতো
আমাদের সম্পর্কটা বড় ভাই-ছোট ভাইয়ের মতো

শোবিজ

অভিযোগে মোশাররফ করিমের জবাব
অভিযোগে মোশাররফ করিমের জবাব

শোবিজ

জমজমাট বিনোদন কেন্দ্রগুলো
জমজমাট বিনোদন কেন্দ্রগুলো

পেছনের পৃষ্ঠা

প্রয়োজনীয় সংস্কার শেষে দ্রুত নির্বাচন
প্রয়োজনীয় সংস্কার শেষে দ্রুত নির্বাচন

প্রথম পৃষ্ঠা

নিশোর মুখে শাকিববন্দনা
নিশোর মুখে শাকিববন্দনা

শোবিজ

বাছাইপর্ব টপকাতে প্রস্তুত নিগাররা
বাছাইপর্ব টপকাতে প্রস্তুত নিগাররা

মাঠে ময়দানে

প্রয়োজনীয় সংস্কার করে দ্রুত নির্বাচন দিতে হবে
প্রয়োজনীয় সংস্কার করে দ্রুত নির্বাচন দিতে হবে

প্রথম পৃষ্ঠা

চলে যাচ্ছেন ম্যানসিটির ডি ব্রুইন
চলে যাচ্ছেন ম্যানসিটির ডি ব্রুইন

মাঠে ময়দানে

কলকাতার জার্সিতে ২০০ উইকেট
কলকাতার জার্সিতে ২০০ উইকেট

মাঠে ময়দানে