শিরোনাম
প্রকাশ: ০০:০০, রবিবার, ০৯ মার্চ, ২০২৫

গাদ্দাফির স্বৈরশাসন ভুলতে পারেনি লিবিয়ার মানুষ

শিমুল মাহমুদ
প্রিন্ট ভার্সন
গাদ্দাফির স্বৈরশাসন ভুলতে পারেনি লিবিয়ার মানুষ

বাংলাদেশি কর্মজীবীদের একসময়ের জনপ্রিয় গন্তব্য ছিল লিবিয়া। উত্তর আফ্রিকার দেশ লিবিয়া আফ্রিকার বৃহত্তম রাষ্ট্রগুলোর একটি। পেট্রোলিয়ামের বিরাট মজুত আবিষ্কারের পর থেকে লিবিয়া আফ্রিকার সবচেয়ে ধনী দেশগুলোরও একটি। সেই লিবিয়া এখনো বাংলাদেশি শ্রমজীবীদের কাছে জোর আলোচনায়। লিবিয়ায় বাংলাদেশিদের কাজের জায়গাটি আর আগের মতো নেই। কিন্তু শ্রমবাজারের আলোচনায়, অবৈধ আদম বেপারীদের প্রতারণায় লিবিয়ার নাম এখন সবার আগে। লিবিয়া এখন বাংলাদেশি জনশক্তি পাচারের বড় রুট হিসেবে পরিচিত। লিবিয়া হয়ে ইতালি কিংবা ইউরোপের বিভিন্ন দেশে যেতে দালালদের খপ্পরে পড়ে সর্বস্ব হারাচ্ছে মানুষ। পাচারকারীরা লিবিয়ায় নিয়ে সেখানে জিম্মি করে, নির্যাতন করে দেশে তাদের আত্মীয়স্বজনদের কাছ থেকে মুক্তিপণ আদায় করে। এই এক ঘৃণ্য নারকীয় তৎপরতা। বাংলাদেশি স্বপ্নচারী কিছু মানুষকে বিদেশে পাঠানোর নাম করে লিবিয়ায় জিম্মি করে, অমানবিক নির্যাতন করে দেশে মুক্তিপণ আদায় করছে বাংলাদেশেরই কিছু মানুষ। সরকার তাদের কিছুই করছে না। কেউ কেউ ধরা পড়লে স্থানীয়ভাবে সালিশ করে পার পেয়ে যায়। রাজনৈতিক প্রভাবশালীদের কেউ কেউ এ জঘন্য মানব পাচারের সঙ্গে জড়িত। রাজনৈতিক কারণেই অপরাধীরা পার পেয়ে যায়। গাদ্দাফির ক্ষমতাচ্যুতির পর গত দেড় দশকে লিবিয়া হয়ে উঠেছে আন্তর্জাতিক অপরাধীদের অভয়ারণ্য।   

দীর্ঘ ৪২ বছরের স্বৈরশাসক কর্নেল মুয়াম্মার গাদ্দাফির মৃত্যুর ১৪ বছর পরও লিবিয়ায় তার প্রাসঙ্গিকতা হারায়নি। আফ্রিকার জনপ্রিয় নেতা গাদ্দাফি ছিলেন নানা কারণেই পশ্চিমা বিশ্বের চক্ষুশূল। অভ্যন্তরীণ বিদ্রোহের জের ধরে জাতিসংঘের সহায়তায় পশ্চিমারা গাদ্দাফিকে হত্যা ও ক্ষমতাচ্যুত করে। ২০১১ সালে মৃত্যুর ১৪ বছর পরও লিবিয়ার তরুণ প্রজন্ম গাদ্দাফির ক্ষমতা দখলের দিনটিকে (১৯৬৯ সালের ১ সেপ্টেম্বর) প্রতি বছর গাদ্দাফিভক্তরা উদ্যাপন করে থাকেন।

প্রায় ৯৭ শতাংশ মুসলমানের দেশ লিবিয়ায় গাদ্দাফি প্রতিষ্ঠা করেন এক অদ্ভুত স্বৈরতন্ত্র। তাঁর ইচ্ছার বাইরে গিয়ে নাগরিকদের কিছুই করার ছিল না। আকারে বিশাল (১,৭৫৯,৫৪০ বর্গকিলোমিটার, আয়তনে বিশ্বের ১৬তম বৃহত্তম দেশ) হলেও লিবিয়াতে জনবসতি খুবই কম। দেশের বেশির ভাগ অংশজুড়ে রয়েছে সাহারা মরুভূমি। ১৯৫০-এর দশকে খনিজ তেল আবিষ্কারের আগে লিবিয়া ছিল একটি দরিদ্র রাষ্ট্র। পেট্রোলিয়ামের বিরাট মজুত আবিষ্কারের পর থেকে লিবিয়া আফ্রিকার সবচেয়ে ধনী দেশগুলোর একটি।

ইতালীয়রা ২০ শতকের প্রথম ভাগে লিবিয়াকে একটি উপনিবেশে পরিণত করে। ১৯৫১ সালে দেশটি একটি স্বাধীন রাজতন্ত্রে পরিণত হয় এবং ১৯৬৯ সালে তরুণ সামরিক অফিসার মুয়াম্মার আল-গাদ্দাফি ক্ষমতা দখল করেন। তিনি লিবিয়াকে একটি সমাজতান্ত্রিক আরব গণপ্রজাতন্ত্র আখ্যা দেন। তবে গাদ্দাফির শাসনকালে লিবিয়ার বাইরের লোকদের কাছে দেশটি একটি সামরিক একনায়কতন্ত্র হিসেবেই বেশি পরিচিত ছিল। ১৯৫১ সালে রাজা ইদ্রিসের শাসনামলে জাতিসংঘ দেশটিকে স্বাধীনতা প্রদান করে। ১৯৬৯ সালে, মুয়াম্মার গাদ্দাফির নেতৃত্বে একটি সামরিক অভ্যুত্থানে রাজা প্রথম ইদ্রিস উৎখাত হন। গাদ্দাফি তখন পশ্চিমাবিরোধী নেতৃত্ব প্রতিষ্ঠা করেন। ১৯৭০ সালে গাদ্দাফি সব ব্রিটিশ এবং আমেরিকান সামরিক ঘাঁটি বন্ধ করার নির্দেশ দেন।

১৯৬৯ সালের পর লিবিয়ার জনসংখ্যা দ্রুত বাড়তে থাকে। ১৯৬৮ সালে তাদের সংখ্যা ছিল মাত্র ২০ লাখ। বর্তমানে প্রায় ৭৩ লাখ (২০২৩)। ১৯৬৯ সাল থেকে অনেক অভিবাসী শ্রমিক লিবিয়ায় আসেন। শ্রমিকদের মধ্যে ছিলেন তিউনিসিয়ার নির্মাণশ্রমিক, মিসরের শিক্ষক ও শ্রমিক, ফিলিস্তিনের শিক্ষক এবং যুগোস্লাভিয়া ও বুলগেরিয়ার ডাক্তার ও নার্স। লিবিয়ার প্যান-আফ্রিকান নীতিতে পরিবর্তন আনার পর ১৯৯০-এর দশকে ১০ লাখ শ্রমিক মূলত সুদান, নাইজার, চাদ এবং মালির মতো অন্যান্য প্রতিবেশী আফ্রিকান দেশ থেকে লিবিয়ায় আসেন। গাদ্দাফি তেল বিক্রির অর্থ জনগণের জীবনযাত্রার মান উন্নত করতে এবং ইসরায়েলিদের বিরুদ্ধে ফিলিস্তিনি গেরিলাদের লড়াইয়ে সহায়তা করার জন্য ব্যবহার করেছিলেন। ১৯৭৯ সালে, লিবিয়া উগান্ডার গৃহযুদ্ধে ইদি আমিনের সরকারকে সহায়তা করার জন্য উগান্ডায় যুদ্ধ করে। ২০০৮ সালের সেপ্টেম্বরে, ইতালি এবং লিবিয়া একটি স্মারকলিপি স্বাক্ষর করে যার মাধ্যমে ইতালি পরবর্তী ২০ বছরে ৩০ বছরের উপনিবেশকালের রাজত্বের জন্য লিবিয়াকে ৫ বিলিয়ন ডলার ক্ষতিপূরণ দেবে বলে চুক্তি হয়।

লিবিয়ার স্বৈরশাসক এবং একসময়ের জনপ্রিয় নেতা গাদ্দাফিকে ভুলতে পারে না আফ্রিকার মানুষ। তারা মনে করেন, গাদ্দাফি ছিলেন আফ্রিকার হতদরিদ্র মানুষদের অন্যতম আশ্রয়স্থল। আরব বসন্তের নামে গাদ্দাফিকে হত্যার পর ফ্রান্সসহ পশ্চিমা শক্তিগুলো আবার আফ্রিকার দেশে দেশে তাদের পুরোনো কলোনিগুলোতে প্রভাববলয় বাড়াতে শুরু করে। আফ্রিকার বিভিন্ন দেশে বিপুল প্রাকৃতিক সম্পদের নিয়ন্ত্রণ নিতে তাদের তৎপরতা লক্ষণীয় হারে বেড়েছে। কর্নেল গাদ্দাফির মায়ের বাড়ি ছিল মালিতে। মালির কিদাল শহরে ছিল গাদ্দাফির মামার বাড়ি। এজন্য তিনি মালির প্রতি আলাদা টান অনুভব করতেন। তিনি মালির উন্নয়নে ভূমিকা রাখেন। মালির রাজধানী বামাকা শহরে গাদ্দাফির অনেক স্মৃতি রয়েছে। নাইজার নদীর দুই তীরে গড়ে উঠেছে বামাকা নগরী। বামাকার দুই অংশ দুটি সেতু দ্বারা সংযুক্ত। সেতুসংলগ্ন পাঁচতারকা হোটেলটির নামই লিবিয়া হোটেল। লিবিয়ার প্রেসিডেন্ট কর্নেল গাদ্দাফির পতন ও মৃত্যুর পর এটি বন্ধ হয়ে যায়। গাদ্দাফি বেঁচে থাকতে লিবিয়ার সঙ্গে মালির খুব সুন্দর সম্পর্ক ছিল। অনেক ব্রিজ, রাস্তাঘাট গাদ্দাফি করে দিয়েছিলেন। ২০১৮ সালের মে মাসে মালির জাতিসংঘ শান্তিরক্ষা মিশন পরিদর্শনে গিয়ে গাদ্দাফির অনেক কীর্তি চোখে পড়ে। মালির শত বছরের শান্ত জনপদের পুরো পরিস্থিতি পাল্টে দেয় আরব বসন্তের ঢেউ। ২০১১ সালে গাদ্দাফির পতনের পর তাঁর বিপুলসংখ্যক ভাড়াটে সৈনিক অস্ত্রের সম্ভার চুরি করে ফিরে আসেন উত্তর মালির পূর্বপুরুষের ভিটায়। এ কপর্দকশূন্য, অবহেলিত বেকার কিন্তু প্রশিক্ষিত সশস্ত্র লোকজনের ওপরই চোখ পড়ে উত্তর আফ্রিকার ধর্মীয় সন্ত্রাসবাদী সংগঠন আল-কায়েদা ইন দি ইসলামিক মাগরেব (একিউআইএম)-এর। সংগঠনটি মালির সীমান্তবর্তী দেশ আলজেরিয়া, মৌরিতানিয়া, নাইজার আর বুরকিনা ফাসো থেকে তাদের কর্মতৎপরতাকে প্রসারিত করে এ অঞ্চলে। অত্যন্ত দুর্বল রাষ্ট্রীয় ব্যবস্থা, দারিদ্র্য, পশ্চাৎপদতা ও অনিশ্চয়তায় জর্জরিত জনপদটি জেহাদিদের সর্বগ্রাসী থাবা ঠেকাতে ব্যর্থ হয়। শুরু হয় পরস্পরবিরোধী গ্রুপগুলোর মধ্যে সশস্ত্র সংঘাত ও নৈরাজ্য। স্বৈরশাসক গাদ্দাফি সরকারের পতনের পর লিবিয়ায় একটি বিশৃঙ্খল অবস্থা তৈরি হয়। পশ্চিমা দেশগুলো তাদের দূতাবাস গুছিয়ে নিয়েছে। দেশের দক্ষিণ অঞ্চল পরিণত হয়েছে সন্ত্রাসীদের স্বর্গরাজ্যে। উত্তরাঞ্চল হয়েছে মানব পাচারের সিল্করুট। গাদ্দাফি একটি শক্তিশালী আফ্রিকার স্বপ্ন দেখতেন। সেজন্যই হয়তো ২০১১ সালে লিবিয়ার কেন্দ্রীয় ব্যাংকের ৩০ বিলিয়ন ডলার অর্থ জব্দ করেছিলেন বারাক ওবামা।

ক্ষমতা মানুষকে দুর্বিনীত, দুর্নীতিগ্রস্ত, শেষ পর্যন্ত অন্ধ করে দেয়। গাদ্দাফি তারই একটা বড় উদাহরণ হতে পারেন। বেদুইন পরিবারের সন্তান গাদ্দাফি ৪২ বছর কঠোর হাতে লিবিয়া শাসন করেছেন। তিনি নিজেকে আব্রাহাম লিংকনের সঙ্গেও তুলনা করতেন। সব একনায়কতন্ত্রই চায় নাগরিকদের ব্যক্তিগত জীবনে প্রভাব বিস্তার করতে। গাদ্দাফির প্রশাসনের এ ব্যাপারে বিশেষ মনোযোগ এবং নৈপুণ্য ছিল। তাঁর শাসনোমলে স্বৈরতন্ত্র ঢুকে পড়েছিল একেবারে ঘরের ভিতর। সিনেমা বন্ধ, থিয়েটার বন্ধ, গানবাজনা বন্ধ, ফুটবল খেলাও বন্ধ ছিল দীর্ঘদিন। কোনো কিছুকে উপলক্ষ্য করে সাধারণ মানুষ একসঙ্গে হওয়া ছিল এক বিরাট সমস্যা। তারা যখন বাদ্যযন্ত্র নিষিদ্ধ করল, তখন ট্রাক ভর্তি করে সেনাবাহিনী পাঠিয়ে দেওয়া হলো। গাদ্দাফি ঘোষণা করলেন, বাদ্যযন্ত্র হচ্ছে লিবিয়ার বিশুদ্ধ সংস্কৃতির ওপর বিদেশি প্রভাব বিস্তারের একটা উপায়। বাদ্যযন্ত্র সব শহরের এক খোলা জায়গায় জড়ো করে আগুনে পুড়িয়ে দেওয়া হলো। একবার একইভাবে ট্রাক পাঠানো হলো সব বইয়ের দোকান থেকে বই তুলে নিয়ে যাওয়ার জন্য। গাদ্দাফিবিরোধী গুরুত্বপূর্ণ নেতাদের গ্রেপ্তারের পর জিজ্ঞাসাবাদ টেলিভিশনে প্রচার করা হতো। এমনকি মৃত্যুদণ্ড  কার্যকর করাও দেখানো হতো টিভিতে। সরকারের ভিন্নমতাবলম্বীদের বিদেশে পালিয়েও রক্ষা ছিল না। বিদেশ থেকেও ধরে এনে তার শাস্তি কার্যকর করা হতো। এমনকি বিদেশেও গুপ্তহত্যার শিকার হতেন বিরুদ্ধ মতের মানুষরা। গাদ্দাফি এটা স্পষ্ট করেছিলেন যে, দেশের বাইরে বসেও যদি কেউ তাঁর বিরোধিতা করে তাহলে তিনি তাকে খুঁজে বের করবেন। দেশে হোক কিংবা বিদেশে গাদ্দাফির বিরোধিতা করা মানে তাঁর জীবনের পরিসর সংক্ষিপ্ত করে ফেলা।

গাদ্দাফির চারপাশে সশস্ত্র নারী সৈন্যদের পাহারা দেখা যেত সব সময়। গাদ্দাফি তাঁর নিরাপত্তার জন্য লিবিয়ার লোক না নিয়ে আফ্রিকার অন্যান্য দেশ থেকে ভাড়া করে মহিলা সৈনিক নিয়ে এসেছিলেন। এ আমাজন বাহিনী তাঁর ত্রিপোলির প্রাসাদ রক্ষা করত। বেদুইনদের মতো একাধিক বিয়ে করেছিলেন। ৪২ বছরের শাসনামলে গাদ্দাফি তেল সম্পদকে ব্যবহার করে লিবিয়াকে একটি আধুনিক রাষ্ট্রে পরিণত করেছিলেন; কিন্তু দুঃশাসনের কারণে মানুষের অসন্তোষ, অসমতা দূর করতে পারেননি তিনি। একসময় পুরো মধ্যপ্রাচ্যে রাজনৈতিক বিপর্যয় নামে একসঙ্গে। ফিলিস্তিন ছাড়া রাজতন্ত্র প্রভাবিত এ অঞ্চলের রাজনৈতিক পরিস্থিতি কয়েক দশক যাবৎ মোটামুটি স্থিতিশীল ছিল। কিন্তু হঠাৎ করে ২০১১ সালের ১৪ জানুয়ারি তিউনিসিয়ার প্রেসিডেন্ট বেন আলীর পতনের মধ্য দিয়ে মধ্যপ্রাচ্যে জ্বলে ওঠে গণ আন্দোলনের বহ্নিশিখা। তিউনিসিয়া, মিসর, জর্ডান, লেবানন, মরক্কো, আলজেরিয়া ও সিরিয়া হয়ে এ গণবিক্ষোভের অগ্নিস্ফুলিঙ্গ ছড়িয়ে পড়ে আফ্রিকার ৯৭ ভাগ মুসলমানের দেশ লিবিয়ায়। প্রতিটি রাষ্ট্রের বিক্ষোভকারীদের একটাই দাবি- সরকার পতন। জনরোষে তিউনিসিয়ার প্রেসিডেন্ট বেন আলী ক্ষমতা ছেড়ে পালানোর কারণে অন্যান্য দেশের বিক্ষোভকরীরাও বিপুল উৎসাহে সরকারবিরোধী বিক্ষোভে নেমে পড়েন। মিসরে গণ আন্দোলনে দীর্ঘ ৩০ বছর ক্ষমতার মসনদ আঁকড়ে থাকা প্রেসিডেন্ট হোসনী মোবারকের পতনের পরপরই ৪২ বছরের স্বৈরশাসক লিবিয়ার কর্নেল মুয়াম্মার গাদ্দাফির বিরুদ্ধে শুরু হয় আন্দোলন। শেষ পর্যন্ত পশ্চিমা জোটের প্রত্যক্ষ অংশগ্রহণে পতন হয় গাদ্দাফির। 

লিবিয়ার বিশৃঙ্খল রাজনীতি, দুর্দশাগ্রস্ত অর্থনীতি এবং চরম অরাজক অবস্থার মধ্যে শান্তির অবতার হিসাবে ক্ষমতা দখল করে সেনাবাহিনীর কর্নেল মুয়াম্মার গাদ্দাফি অল্প সময়ে দেশে শান্তিশৃঙ্খলা ফিরিয়ে আনেন এবং দেশকে উন্নয়নের রোল মডেলে পরিণত করেন। এত উন্নয়নের পরও কেন গাদ্দাফির শোচনীয় পতন হলো তার নেপথ্য কারণ জানতে রাষ্ট্রবিজ্ঞানীরা গবেষণা শুরু করেছেন।

আর্থসামাজিক উন্নয়ন কখনো গণতন্ত্র ও বাকস্বাধীনতার পরিপূরক হতে পারে না। গাদ্দাফির শাসনামলে লিবিয়া ছিল রূপকথার দেশ। রাস্তার দুই পাশের সাধারণ বাড়িঘরের জৌলুশ ছিল প্রাসাদের মতো। ধূসর সাহারার মরু প্রান্তরের বেদুইনদের বাড়িঘরও ছিল আরব্য রজনীর কোনো স্বপ্নপুরীর মতো। অভাব-অভিযোগ, চুরি-ডাকাতি, সামাজিক অপরাধ ইত্যাদি উধাও হয়ে গিয়েছিল। সিনেমার মতো পরিপাটি এবং সাজানো গোছানো ছিল নাগরিক জীবন। তবে গাদ্দাফির পতনের পর লিবিয়া ধ্বংসস্তূপে পরিণত হয়েছে। বিভিন্ন গোত্র অস্ত্র হাতে গৃহযুদ্ধে জড়িয়ে পড়েছে। পুরো দেশের শাসনব্যবস্থা ভেঙে পড়েছে। কেন্দ্রীয় শাসন বলতে কিছু নেই। যুদ্ধবিধ্বস্ত লিবিয়ার ধ্বংসস্তূপের পাশ দিয়ে হাঁটতে গিয়ে একজন নাগরিকের মুখেও শোনা যাবে না যে আমরা গাদ্দাফির আমলে ভালো ছিলাম। বরং সবার মুখে প্রায় সমস্বরে এ অভিযোগ উঠবে, গাদ্দাফির কারণেই তাদের দুর্ভোগ পোহাতে হচ্ছে। তার একগুঁয়েমির কারণে পশ্চিমা দুনিয়াসহ আরব বিশ্বের সঙ্গে সম্পর্কের অবনতি, অতিমাত্রার গণতন্ত্রহীনতার কারণে সামাজিক সংহতি বিনষ্ট এবং একদলীয় স্বৈরাচারী শাসনের কারণে সামাজিক অসন্তোষ, পারস্পরিক ঘৃণা ও বিশৃঙ্খলা সৃষ্টি হয়েছে। পতনের সব ক্ষেত্র যেন প্রস্তুত করাই ছিল। দিনটি ছিল বৃহস্পতিবার। কর্নেল গাদ্দাফির মৃত্যু নিয়ে নানা আলোচনা প্রচলিত আছে। ২০১১ সালের ২০ অক্টোবর লিবিয়ার রাজধানী ত্রিপোলির পতনের পর পশ্চিমা বাহিনীর যৌথ আক্রমণের মুখে কর্নেল গাদ্দাফিসহ কয়েকজন দুটি বড় কংক্রিটের পাইপের ভিতরে আশ্রয় নেন। সেখানে তিনি ছিলেন আহত ও বিপর্যস্ত। দুপুর ১২টার দিকে কর্নেল গাদ্দাফিকে জীবিত কিন্তু গুরুতর আহত অবস্থায় আটক করা হয়। আলজাজিরা টিভিতে দেখা যায়, বিভ্রান্ত গাদ্দাফিকে বিদ্রোহী যোদ্ধারা টানাহেঁচড়া করছে। পরে প্রচার করা হয়, বিপ্লবী বাহিনী আর গাদ্দাফি বাহিনীর গোলাগুলির ক্রসফায়ারে তাঁর মাথায় গুলি লাগে এবং তিনি মারা যান।

লেখক : সাংবাদিক

ইমেইল:  [email protected]

এই বিভাগের আরও খবর
সামাজিক ব্যবসা
সামাজিক ব্যবসা
রপ্তানি খাতে ধাক্কা
রপ্তানি খাতে ধাক্কা
ফিলিস্তিনের নাবলুস নগরী
ফিলিস্তিনের নাবলুস নগরী
জীবনজুড়ে রমজানের রেশ ধরে রাখুন
জীবনজুড়ে রমজানের রেশ ধরে রাখুন
ফুলচাষিদের স্বাস্থ্যঝুঁঁকি
ফুলচাষিদের স্বাস্থ্যঝুঁঁকি
রেমিট্যান্সে আশার আলো
রেমিট্যান্সে আশার আলো
ভোটের আলোচনা
ভোটের আলোচনা
বিমসটেক সম্মেলন
বিমসটেক সম্মেলন
ডিজিটাল সংস্কৃতি : ভার্চুয়াল উৎসব
ডিজিটাল সংস্কৃতি : ভার্চুয়াল উৎসব
শাওয়াল মাসের ছয় রোজার পুণ্য
শাওয়াল মাসের ছয় রোজার পুণ্য
ব্যাংককে বৈঠক, ঢাকা-দিল্লিতে গুঞ্জন
ব্যাংককে বৈঠক, ঢাকা-দিল্লিতে গুঞ্জন
এই সময়ের রাজনৈতিক চ্যালেঞ্জ
এই সময়ের রাজনৈতিক চ্যালেঞ্জ
সর্বশেষ খবর
চাঁদপুরে ৬৪ যানবাহনে তল্লাশি ও জরিমানা
চাঁদপুরে ৬৪ যানবাহনে তল্লাশি ও জরিমানা

১ সেকেন্ড আগে | দেশগ্রাম

বিমসটেক শীর্ষ সম্মেলনে যেসব সিদ্ধান্ত গৃহীত
বিমসটেক শীর্ষ সম্মেলনে যেসব সিদ্ধান্ত গৃহীত

১ মিনিট আগে | জাতীয়

‘পার্বত্য অঞ্চলের শিক্ষাব্যবস্থাকে মানসম্মত করতে হবে’
‘পার্বত্য অঞ্চলের শিক্ষাব্যবস্থাকে মানসম্মত করতে হবে’

১ মিনিট আগে | দেশগ্রাম

যুক্তরাষ্ট্রে বাংলাদেশের রফতানি আরও বাড়বে, কমবে না: প্রেস সচিব
যুক্তরাষ্ট্রে বাংলাদেশের রফতানি আরও বাড়বে, কমবে না: প্রেস সচিব

১০ মিনিট আগে | জাতীয়

সিআরবিতে পরিচ্ছন্নতা অভিযান
সিআরবিতে পরিচ্ছন্নতা অভিযান

১৮ মিনিট আগে | চট্টগ্রাম প্রতিদিন

ঢাকাসহ ৭ অঞ্চলে মধ্যরাতের মধ্যে ঝড়ের আভাস
ঢাকাসহ ৭ অঞ্চলে মধ্যরাতের মধ্যে ঝড়ের আভাস

৩৬ মিনিট আগে | জাতীয়

মুক্তাগাছায় মোটরসাইকেল দুর্ঘটনায় নিহত ১
মুক্তাগাছায় মোটরসাইকেল দুর্ঘটনায় নিহত ১

৪২ মিনিট আগে | দেশগ্রাম

বরিশালে ডোবা থেকে অজ্ঞাত লাশ উদ্ধার
বরিশালে ডোবা থেকে অজ্ঞাত লাশ উদ্ধার

৪৪ মিনিট আগে | নগর জীবন

কালীগঞ্জে রেল ব্রিজের নিচ থেকে অজ্ঞাত যুবকের লাশ উদ্ধার
কালীগঞ্জে রেল ব্রিজের নিচ থেকে অজ্ঞাত যুবকের লাশ উদ্ধার

৫১ মিনিট আগে | দেশগ্রাম

মেক্সিকোতে প্রথম এইচ৫এন১ বার্ড ফ্লু রোগী শনাক্ত
মেক্সিকোতে প্রথম এইচ৫এন১ বার্ড ফ্লু রোগী শনাক্ত

৫১ মিনিট আগে | পূর্ব-পশ্চিম

অষ্টমী স্নানে ব্রহ্মপুত্র নদে পুণ্যার্থীদের ঢল
অষ্টমী স্নানে ব্রহ্মপুত্র নদে পুণ্যার্থীদের ঢল

৫৪ মিনিট আগে | দেশগ্রাম

ধর্ষণের শিকার জমজ দুই বোনকে আইনি সহায়তা প্রদানের দায়িত্ব নিলেন তারেক রহমান
ধর্ষণের শিকার জমজ দুই বোনকে আইনি সহায়তা প্রদানের দায়িত্ব নিলেন তারেক রহমান

১ ঘণ্টা আগে | দেশগ্রাম

ব্যবসায়ীর ফেলে যাওয়া ১৮ ভরি স্বর্ণ ‍ফিরিয়ে দিলেন অটোরিকশাচালক
ব্যবসায়ীর ফেলে যাওয়া ১৮ ভরি স্বর্ণ ‍ফিরিয়ে দিলেন অটোরিকশাচালক

১ ঘণ্টা আগে | দেশগ্রাম

৩২৯টি উপজেলায় হচ্ছে টেকনিক্যাল স্কুল অ্যান্ড কলেজ
৩২৯টি উপজেলায় হচ্ছে টেকনিক্যাল স্কুল অ্যান্ড কলেজ

১ ঘণ্টা আগে | দেশগ্রাম

ডার্ক এনার্জি স্থির নয়! বিজ্ঞানীদের সামনে নতুন ধাঁধা
ডার্ক এনার্জি স্থির নয়! বিজ্ঞানীদের সামনে নতুন ধাঁধা

১ ঘণ্টা আগে | বিজ্ঞান

ঈদের ছুটিতে ঢাকা ছেড়েছেন ১ কোটি সিমধারী, ফিরেছেন ৪৪ লাখ
ঈদের ছুটিতে ঢাকা ছেড়েছেন ১ কোটি সিমধারী, ফিরেছেন ৪৪ লাখ

১ ঘণ্টা আগে | জাতীয়

ঈদের পঞ্চম দিনেও ‘দাগি’-‘জংলি’র দাপট অব্যাহত, আয় কত?
ঈদের পঞ্চম দিনেও ‘দাগি’-‘জংলি’র দাপট অব্যাহত, আয় কত?

১ ঘণ্টা আগে | শোবিজ

পতেঙ্গায় ১ কেজি স্বর্ণালংকারসহ আটক ৫
পতেঙ্গায় ১ কেজি স্বর্ণালংকারসহ আটক ৫

১ ঘণ্টা আগে | চট্টগ্রাম প্রতিদিন

‌‌‘শিক্ষার্থীরা পাস করে চাকরির জন্য নেতাদের পেছনে ঘুরতে হবে না’
‌‌‘শিক্ষার্থীরা পাস করে চাকরির জন্য নেতাদের পেছনে ঘুরতে হবে না’

১ ঘণ্টা আগে | দেশগ্রাম

আগৈলঝাড়ায় বসুন্ধরা শুভসংঘের মাসব্যাপী মাদকবিরোধী প্রচারণা শুরু
আগৈলঝাড়ায় বসুন্ধরা শুভসংঘের মাসব্যাপী মাদকবিরোধী প্রচারণা শুরু

১ ঘণ্টা আগে | বসুন্ধরা শুভসংঘ

বিএনপি নেতার বহিষ্কারের প্রতিবাদে বিক্ষোভ
বিএনপি নেতার বহিষ্কারের প্রতিবাদে বিক্ষোভ

১ ঘণ্টা আগে | দেশগ্রাম

মেঘনা-তিতাসে অষ্টমী গঙ্গাস্নানে উপচেপড়া ভিড়
মেঘনা-তিতাসে অষ্টমী গঙ্গাস্নানে উপচেপড়া ভিড়

১ ঘণ্টা আগে | দেশগ্রাম

কসবায় যুবককে ডেকে নিয়ে হত্যার অভিযোগ
কসবায় যুবককে ডেকে নিয়ে হত্যার অভিযোগ

১ ঘণ্টা আগে | দেশগ্রাম

সিলেটে টাকা ধার না দেওয়ায় যুবক খুন
সিলেটে টাকা ধার না দেওয়ায় যুবক খুন

১ ঘণ্টা আগে | চায়ের দেশ

চট্টগ্রামে জেলেদের জালে মিলল বৃদ্ধার লাশ
চট্টগ্রামে জেলেদের জালে মিলল বৃদ্ধার লাশ

১ ঘণ্টা আগে | চট্টগ্রাম প্রতিদিন

মুন্সিগঞ্জে ধলেশ্বরী নদীর তীরে অষ্টমী স্নান উৎসব পালিত
মুন্সিগঞ্জে ধলেশ্বরী নদীর তীরে অষ্টমী স্নান উৎসব পালিত

১ ঘণ্টা আগে | দেশগ্রাম

ছাত্র আন্দোলনে হত্যা মামলায় শ্রমিক লীগ নেতা গ্রেফতার
ছাত্র আন্দোলনে হত্যা মামলায় শ্রমিক লীগ নেতা গ্রেফতার

১ ঘণ্টা আগে | নগর জীবন

লাশের গন্ধে ভারী মিয়ানমারের সাগাইংয়ের বাতাস
লাশের গন্ধে ভারী মিয়ানমারের সাগাইংয়ের বাতাস

১ ঘণ্টা আগে | পূর্ব-পশ্চিম

পাংকর আইল্যান্ড, যেখানে পাহাড় ও সমুদ্রের অসাধারণ মিতালি!
পাংকর আইল্যান্ড, যেখানে পাহাড় ও সমুদ্রের অসাধারণ মিতালি!

২ ঘণ্টা আগে | পরবাস

এই মেয়েরাই সামনের দিনেও আমাদের পথ দেখাবে (ভিডিও)
এই মেয়েরাই সামনের দিনেও আমাদের পথ দেখাবে (ভিডিও)

২ ঘণ্টা আগে | জাতীয়

সর্বাধিক পঠিত
ঈদুল আজহার সম্ভাব্য তারিখ প্রকাশ
ঈদুল আজহার সম্ভাব্য তারিখ প্রকাশ

২২ ঘণ্টা আগে | পূর্ব-পশ্চিম

আত্মরক্ষার জন্য ইরানের সর্বোচ্চ প্রস্তুতি রয়েছে : সৌদি যুবরাজকে পেজেশকিয়ান
আত্মরক্ষার জন্য ইরানের সর্বোচ্চ প্রস্তুতি রয়েছে : সৌদি যুবরাজকে পেজেশকিয়ান

৮ ঘণ্টা আগে | পূর্ব-পশ্চিম

পর্দায় নয়, এবার সত্যিই বিয়ে করলেন শামীম হাসান সরকার
পর্দায় নয়, এবার সত্যিই বিয়ে করলেন শামীম হাসান সরকার

২২ ঘণ্টা আগে | শোবিজ

আপনার প্রতি শেখ হাসিনার অসম্মানজনক আচরণ দেখেছি : ড. ইউনূসকে বলেন মোদি
আপনার প্রতি শেখ হাসিনার অসম্মানজনক আচরণ দেখেছি : ড. ইউনূসকে বলেন মোদি

৩ ঘণ্টা আগে | জাতীয়

যুক্তরাষ্ট্রের শুল্ক ইস্যুতে জরুরি সভা ডেকেছেন প্রধান উপদেষ্টা
যুক্তরাষ্ট্রের শুল্ক ইস্যুতে জরুরি সভা ডেকেছেন প্রধান উপদেষ্টা

৫ ঘণ্টা আগে | জাতীয়

ইরানে হামলার হুমকি থেকে পিছু হটলেন ট্রাম্প, সরাসরি আলোচনার প্রস্তাব
ইরানে হামলার হুমকি থেকে পিছু হটলেন ট্রাম্প, সরাসরি আলোচনার প্রস্তাব

৪ ঘণ্টা আগে | পূর্ব-পশ্চিম

আওয়ামী লীগের টাকার লোভে না পড়তে দলীয় নেতাদের হুঁশিয়ারি শামা ওবায়েদের
আওয়ামী লীগের টাকার লোভে না পড়তে দলীয় নেতাদের হুঁশিয়ারি শামা ওবায়েদের

১৭ ঘণ্টা আগে | রাজনীতি

৫ মিলিয়ন ডলারের ‘গোল্ড কার্ড’ ভিসা উন্মোচন করলেন ট্রাম্প
৫ মিলিয়ন ডলারের ‘গোল্ড কার্ড’ ভিসা উন্মোচন করলেন ট্রাম্প

২১ ঘণ্টা আগে | পূর্ব-পশ্চিম

ঐশ্বরিয়া আমার মেয়ে নয়, কেবল ছেলের বউ : জয়া বচ্চন
ঐশ্বরিয়া আমার মেয়ে নয়, কেবল ছেলের বউ : জয়া বচ্চন

২২ ঘণ্টা আগে | শোবিজ

শরীয়তপুরে দুই গ্রুপের সংঘর্ষ, শতাধিক হাতবোমা বিস্ফোরণ
শরীয়তপুরে দুই গ্রুপের সংঘর্ষ, শতাধিক হাতবোমা বিস্ফোরণ

৭ ঘণ্টা আগে | দেশগ্রাম

ড. ইউনূস-মোদি বৈঠক আশার আলো তৈরি করেছে: মির্জা ফখরুল
ড. ইউনূস-মোদি বৈঠক আশার আলো তৈরি করেছে: মির্জা ফখরুল

২৩ ঘণ্টা আগে | রাজনীতি

বিশ্বের শক্তিশালী পাসপোর্টের তালিকায় এক ধাপ এগোল বাংলাদেশ
বিশ্বের শক্তিশালী পাসপোর্টের তালিকায় এক ধাপ এগোল বাংলাদেশ

৬ ঘণ্টা আগে | জাতীয়

হোয়াইট হাউস থেকে বরখাস্ত একাধিক শীর্ষ কর্মকর্তা, আলোচনায় লরা লুমার
হোয়াইট হাউস থেকে বরখাস্ত একাধিক শীর্ষ কর্মকর্তা, আলোচনায় লরা লুমার

৮ ঘণ্টা আগে | পূর্ব-পশ্চিম

কালশী ফ্লাইওভারে গাড়ির সঙ্গে মোটরসাইকেলের সংঘর্ষ, দুই যুবক নিহত
কালশী ফ্লাইওভারে গাড়ির সঙ্গে মোটরসাইকেলের সংঘর্ষ, দুই যুবক নিহত

১৮ ঘণ্টা আগে | নগর জীবন

সাত দিনের মধ্যে যুক্তরাষ্ট্র ছাড়ার নির্দেশ, আতঙ্কে ইউক্রেনীয়রা
সাত দিনের মধ্যে যুক্তরাষ্ট্র ছাড়ার নির্দেশ, আতঙ্কে ইউক্রেনীয়রা

২ ঘণ্টা আগে | পূর্ব-পশ্চিম

হাসিনার এক মন্তব্যে সংকটে মাদারগঞ্জের সমবায় সমিতি
হাসিনার এক মন্তব্যে সংকটে মাদারগঞ্জের সমবায় সমিতি

২০ ঘণ্টা আগে | দেশগ্রাম

পরকীয়া প্রেমে বাধা দেওয়ায় স্বামীর পুরুষাঙ্গ কাটলো স্ত্রী
পরকীয়া প্রেমে বাধা দেওয়ায় স্বামীর পুরুষাঙ্গ কাটলো স্ত্রী

৭ ঘণ্টা আগে | দেশগ্রাম

‘আতঙ্কে তারা ভুল করেছে’: চীনের পাল্টা শুল্ক নিয়ে ট্রাম্প
‘আতঙ্কে তারা ভুল করেছে’: চীনের পাল্টা শুল্ক নিয়ে ট্রাম্প

৫ ঘণ্টা আগে | পূর্ব-পশ্চিম

একনজরে আজকের বাংলাদেশ প্রতিদিন (৫ এপ্রিল)
একনজরে আজকের বাংলাদেশ প্রতিদিন (৫ এপ্রিল)

১২ ঘণ্টা আগে | জাতীয়

নির্বাচনের কথা বলে মুখে ফেনা তুলে ফেললেই গণতন্ত্র হয় না : নুসরাত তাবাসসুম
নির্বাচনের কথা বলে মুখে ফেনা তুলে ফেললেই গণতন্ত্র হয় না : নুসরাত তাবাসসুম

৪ ঘণ্টা আগে | রাজনীতি

চালের দানার চেয়েও ছোট পেসমেকার তৈরি করলেন বিজ্ঞানীরা
চালের দানার চেয়েও ছোট পেসমেকার তৈরি করলেন বিজ্ঞানীরা

৯ ঘণ্টা আগে | বিজ্ঞান

ফিলিস্তিনি জনগণের প্রতি পাকিস্তান সেনা কমান্ডারদের অকুণ্ঠ সমর্থন
ফিলিস্তিনি জনগণের প্রতি পাকিস্তান সেনা কমান্ডারদের অকুণ্ঠ সমর্থন

২ ঘণ্টা আগে | পূর্ব-পশ্চিম

৫.৬ মাত্রার ভূমিকম্পে আবার কেঁপে উঠলো মিয়ানমার
৫.৬ মাত্রার ভূমিকম্পে আবার কেঁপে উঠলো মিয়ানমার

৯ ঘণ্টা আগে | পূর্ব-পশ্চিম

মিয়ানমারে বাংলাদেশ সশস্ত্র বাহিনীর নেতৃত্বে উদ্ধার ও চিকিৎসা কার্যক্রম অব্যাহত
মিয়ানমারে বাংলাদেশ সশস্ত্র বাহিনীর নেতৃত্বে উদ্ধার ও চিকিৎসা কার্যক্রম অব্যাহত

১৯ ঘণ্টা আগে | জাতীয়

‘প্রয়োজনে জোটগতভাবে নির্বাচন করবে এনসিপি’
‘প্রয়োজনে জোটগতভাবে নির্বাচন করবে এনসিপি’

২২ ঘণ্টা আগে | রাজনীতি

কালশী ফ্লাইওভারে দুর্ঘটনায় নিহত দুই যুবকের পরিচয় মিলেছে
কালশী ফ্লাইওভারে দুর্ঘটনায় নিহত দুই যুবকের পরিচয় মিলেছে

২ ঘণ্টা আগে | নগর জীবন

আইপিএলের প্রথমবার দেখা গেল এমন কিছু
আইপিএলের প্রথমবার দেখা গেল এমন কিছু

১০ ঘণ্টা আগে | মাঠে ময়দানে

লৌহজংয়ে পাওয়া মরদেহের টুকরোগুলো সাভারের সবুজ মোল্যার
লৌহজংয়ে পাওয়া মরদেহের টুকরোগুলো সাভারের সবুজ মোল্যার

৫ ঘণ্টা আগে | দেশগ্রাম

প্রতিকূল পরিবেশেও খেলাপি ঋণ কমেছে
প্রতিকূল পরিবেশেও খেলাপি ঋণ কমেছে

১৭ ঘণ্টা আগে | বাণিজ্য

আরো বাড়ল মিয়ানমারে ভূমিকম্পে মৃতের সংখ্যা
আরো বাড়ল মিয়ানমারে ভূমিকম্পে মৃতের সংখ্যা

৮ ঘণ্টা আগে | পূর্ব-পশ্চিম

প্রিন্ট সর্বাধিক
সুবিধাবাদী হাইব্রিডে অতিষ্ঠ বিএনপি
সুবিধাবাদী হাইব্রিডে অতিষ্ঠ বিএনপি

প্রথম পৃষ্ঠা

মুজিব ছিলেন বেপরোয়া
মুজিব ছিলেন বেপরোয়া

প্রথম পৃষ্ঠা

চলতি বছর টাইগারদের ৬ টেস্ট
চলতি বছর টাইগারদের ৬ টেস্ট

মাঠে ময়দানে

হাসিনাকে চাইল বাংলাদেশ
হাসিনাকে চাইল বাংলাদেশ

প্রথম পৃষ্ঠা

দেশের প্রযুক্তি খাতে বিপ্লব ঘটাবে স্টারলিংক
দেশের প্রযুক্তি খাতে বিপ্লব ঘটাবে স্টারলিংক

প্রথম পৃষ্ঠা

ধুঁকছেন পেট্রাপোলের ব্যবসায়ীরাও
ধুঁকছেন পেট্রাপোলের ব্যবসায়ীরাও

পেছনের পৃষ্ঠা

ইলিশের দামে আগুন
ইলিশের দামে আগুন

পেছনের পৃষ্ঠা

আজকের ভাগ্যচক্র
আজকের ভাগ্যচক্র

আজকের রাশি

মুখোমুখি সরকার-আইএমএফ
মুখোমুখি সরকার-আইএমএফ

প্রথম পৃষ্ঠা

দীর্ঘদিন ক্ষমতা আঁকড়ে রাখার চিন্তা করলে জনগণ মেনে নেবে না
দীর্ঘদিন ক্ষমতা আঁকড়ে রাখার চিন্তা করলে জনগণ মেনে নেবে না

নগর জীবন

‘মিনি জাফলংয়ে’ স্বাস্থ্যঝুঁকি
‘মিনি জাফলংয়ে’ স্বাস্থ্যঝুঁকি

নগর জীবন

দক্ষিণ এশিয়ার ইসরায়েল ভারত
দক্ষিণ এশিয়ার ইসরায়েল ভারত

পেছনের পৃষ্ঠা

রাজশাহী বিএনপিতে ত্রিধারা
রাজশাহী বিএনপিতে ত্রিধারা

নগর জীবন

হচ্ছে বাম দলের বৃহত্তর জোট!
হচ্ছে বাম দলের বৃহত্তর জোট!

প্রথম পৃষ্ঠা

চট্টগ্রাম-কক্সবাজার সড়কে শঙ্কা
চট্টগ্রাম-কক্সবাজার সড়কে শঙ্কা

পেছনের পৃষ্ঠা

আত্রাই নদীর চরে কুমড়াবাড়ি!
আত্রাই নদীর চরে কুমড়াবাড়ি!

পেছনের পৃষ্ঠা

কবির-মুসার বিরুদ্ধে এবার জালিয়াতির অভিযোগ
কবির-মুসার বিরুদ্ধে এবার জালিয়াতির অভিযোগ

নগর জীবন

নতুন জীবনের খোঁজে মাহি
নতুন জীবনের খোঁজে মাহি

শোবিজ

যৌথ পরিবারের গল্প
যৌথ পরিবারের গল্প

শনিবারের সকাল

এবার জনগণ ভোটাধিকার ফিরে পাবে
এবার জনগণ ভোটাধিকার ফিরে পাবে

প্রথম পৃষ্ঠা

১ লাখ ৮০ হাজার রোহিঙ্গা ফেরত নেবে মিয়ানমার
১ লাখ ৮০ হাজার রোহিঙ্গা ফেরত নেবে মিয়ানমার

প্রথম পৃষ্ঠা

আমাদের সম্পর্কটা বড় ভাই-ছোট ভাইয়ের মতো
আমাদের সম্পর্কটা বড় ভাই-ছোট ভাইয়ের মতো

শোবিজ

অভিযোগে মোশাররফ করিমের জবাব
অভিযোগে মোশাররফ করিমের জবাব

শোবিজ

জমজমাট বিনোদন কেন্দ্রগুলো
জমজমাট বিনোদন কেন্দ্রগুলো

পেছনের পৃষ্ঠা

প্রয়োজনীয় সংস্কার শেষে দ্রুত নির্বাচন
প্রয়োজনীয় সংস্কার শেষে দ্রুত নির্বাচন

প্রথম পৃষ্ঠা

নিশোর মুখে শাকিববন্দনা
নিশোর মুখে শাকিববন্দনা

শোবিজ

বাছাইপর্ব টপকাতে প্রস্তুত নিগাররা
বাছাইপর্ব টপকাতে প্রস্তুত নিগাররা

মাঠে ময়দানে

প্রয়োজনীয় সংস্কার করে দ্রুত নির্বাচন দিতে হবে
প্রয়োজনীয় সংস্কার করে দ্রুত নির্বাচন দিতে হবে

প্রথম পৃষ্ঠা

চলে যাচ্ছেন ম্যানসিটির ডি ব্রুইন
চলে যাচ্ছেন ম্যানসিটির ডি ব্রুইন

মাঠে ময়দানে

কলকাতার জার্সিতে ২০০ উইকেট
কলকাতার জার্সিতে ২০০ উইকেট

মাঠে ময়দানে