শিরোনাম
প্রকাশ: ০০:০০, শনিবার, ০৮ মার্চ, ২০২৫

কৃষিতে নারীর গুরুত্বপূর্ণ অবদান

শাইখ সিরাজ
প্রিন্ট ভার্সন
কৃষিতে নারীর গুরুত্বপূর্ণ অবদান

বাংলাদেশের আজকের কৃষি শুধু মাঠ, ফসল আর শ্রমের গল্প নয়; এটি হলো এক অনন্য সংগ্রামের কাহিনি। এ সংগ্রামে পুরুষের পাশাপাশি সমানভাবে অবদান রাখছেন এ দেশের নারীরা। গ্রামবাংলার শস্যখেতে, মাছের ঘেরে, গবাদিপশুর খামারে, নারীর পরিশ্রম ছাড়া কৃষির অগ্রগতি ছিল অসম্ভব।

সূর্যের দেখা প্রতিদিন না-ও পাওয়া যেতে পারে, ঘন কুয়াশা বা মেঘের আড়ালে সূর্য লোকালেও খাদ্য উৎপাদনের তাগিদ থেকে প্রতিদিনই মাঠে নামে একদল কর্মঠ হাত। এঁরা কৃষকের স্ত্রী, কন্যা বা কৃষকের মা অথবা নিজেরাই কৃষানি। পরিবারের সচ্ছলতা আর দেশের খাদ্যনিরাপত্তার জন্য প্রতিনিয়ত কাজ করছেন তাঁরা। বলা হয় নারীর হাতেই পৃথিবীতে কৃষির সূচনা। সত্যি বলতে হাজার বছর ধরে প্রত্যক্ষভাবেই নারীরা কৃষির সঙ্গে যুক্ত। ফসল ফলানো ও পরিচর্যার কাজটুকু পুরুষের হাতে হলেও ফসল প্রক্রিয়াজাত করার কাজটুকু নারীরাই করে আসছেন। কিন্তু তাঁর সে কাজটুকু ধর্তব্য হয়নি যুগের পর যুগ। সেই আশির দশকে যখন মাটি ও মানুষ তৈরি করতে ঘুরে বেড়াচ্ছি দেশের আনাচকানাচে। তখন থেকে দেখেছি আমাদের দেশেও কৃষির গুরুত্বপূর্ণ একটা অংশে রয়েছে নারীর অবদান। সে সময় একবার ভেবেছিলাম নারী ঠিক কতটুকু কৃষিতে জড়িত তা বোঝা যেত একটা পরিসংখ্যান বের করা গেলে। জাতিসংঘের খাদ্য ও কৃষি সংস্থার একটা পরিসংখ্যান তখন পেয়েছিলাম। বিশ্বজুড়ে কৃষিতে নারীর ভূমিকা গুরুত্বপূর্ণ। কৃষিশ্রমিকের ৭০%, খাদ্য উৎপাদনকারীদের ৮০%, খাদ্যসামগ্রীর প্রাথমিক প্রক্রিয়াকরণে ১০% নারী। গ্রামীণ কৃষি বিপণনের ৬০-৯০ শতাংশ নারীর দখলে। এভাবে কৃষি উৎপাদনে যুক্ত কর্মী সংখ্যার দুই-তৃতীয়াংশই নারী। (খাদ্য ও কৃষি সংস্থা, ১৯৮৫)।

বলছিলাম আমাদের দেশে নারীদের কৃষিতে অংশগ্রহণের বিষয়ে। নারীর অংশগ্রহণ ছাড়া আমাদের কৃষি কখনোই পূর্ণাঙ্গ নয়। কিন্তু এক আজব কারণে নারীরা অবহেলিত হয়ে আসছে। গত শতাব্দীর সেই আশির দশক থেকে দেখে এসেছি কৃষিশ্রমিক হিসেবে নারীরা মূল্যায়িত হয়েছে পুরুষের অর্ধেক হিসেবে। অর্থাৎ একজন পুরুষ শ্রমিক যদি মজুরি ১০০ টাকা পান, তবে নারী পায় ৫০ টাকা। অথচ নারী কাজটুকু করেন অনেক মমতা নিয়ে। তবে এ বৈষম্যের বিষয়গুলো পাল্টাচ্ছে। পুরুষের পাশাপাশি নারীরা নিজেদের মতো কৃষিতে অবদান রাখছেন। অনেকে যুক্ত হচ্ছেন কৃষি উৎপাদনে, অনেকেই গড়ে তুলছেন কৃষিবাণিজ্যের ক্ষেত্র। পাঠক, আজ আমার এ লেখায় আমাদের দেশে কয়েকজন নারীর গল্পই তুলে ধরতে চাই।

...ঈশ্বরদীর নুরুন্নাহারের গল্পটাই বলি। বছর পনেরো আগে ঈশ্বরদীতে গিয়েছিলাম স্থানীয় এক কৃষকের কৃষি সাফল্য নিয়ে প্রতিবেদন তৈরি করতে। কাজের এক ফাঁকে এক নারী এসে বলল- স্যার, আপনার অনুষ্ঠান দেখে আমিও কৃষিকাজ করছি। আমার বাগানটা একটু দেখবেন। বললাম, নিশ্চয়ই দেখব। কাজটা শেষ করি। কাজ শেষে গিয়ে দেখি একটা পেঁপের বাগান, কয়েকটা গাছ। উৎসাহিত করলাম। ধীরে ধীরে বাগান আরও বড় করতে বললাম। আমার কথা শুনে কেঁদে ফেলল। আগ্রহী হলাম তাঁর জীবনের গল্পটা শুনতে। ভেজা কণ্ঠে বলতে শুরু করল। বিয়ে হয়ে আসার পর শাশুড়ি তাঁর হাতে একটা ইট আর একটা পাটের বস্তা তুলে দিয়েছিলেন। ইটটি ছিল তাঁর মাথার বালিশ আর পাটের বস্তাটি ছিল কাঁথা। চরম দারিদ্র্যের সঙ্গে লড়াই করতে করতে খুঁজছিলেন মুক্তির পথ। পাশের বাড়ির টেলিভিশনে কৃষিবিষয়ক অনুষ্ঠান দেখে ভাবলেন বাগান করবেন। কিন্তু প্রথম বাধাই আসে পরিবার থেকে। নারী হয়ে এসব তিনি পারবেন এ বিশ্বাসটাই তাদের ছিল না। অহেতুক সময় নষ্ট হচ্ছে ভেবে লাগানো গাছ কেটে দিয়েছে। সব শুনে আমি তাকে উৎসাহ দিয়ে এলাম। বললাম, আপনি আপনার কাজ চালিয়ে যান। আমি আগামী বছর আপনার ওপর প্রতিবেদন তৈরি করব। নুরুন্নাহার থামেননি। তাঁর দুর্দম ইচ্ছার কাছে সবকিছু পরাজিত হয়। তিনি শ্রমে-ঘামে ঠিকই ছিনিয়ে আনেন আপন সাফল্য। ক্রমেই বেড়েছে তাঁর আবাদের পরিধি। গরুর খামার, মাছের পুকুর, ফল-ফসলের চাষ। কৃষিকে ঘিরেই তাঁর যত কাজকর্ম। এ ২০ বছরে একাধিকবার তাঁর ওপর প্রতিবেদন তৈরি করেছি। সব বাধা পেরিয়ে এখন তিনি একজন সমাজ উন্নয়নকর্মী ও নারী উদ্যোক্তা। নিজের দরিদ্রতা দূর করে সবজি, ফলমূল, পোল্ট্রি ও গাভির খামার করে এলাকার নারীদের কৃষিকাজে উদ্বুদ্ধ করেছেন। আরেক নারী রাজিয়া সুলতানা ছিলেন গৃহিণী। শৈশব থেকে হৃদয়ে লালন করেছেন কৃষির প্রতি টান। বিয়ের পর স্বামীর চাকরির জন্য ঘুরতে হয়েছে জেলায় জেলায়। কখনো সিলেট, কখনো রাজশাহী, ময়মনসিংহ, চট্টগ্রাম বিভিন্ন জেলা ঘুরে থিতু হয়েছিলেন সাভারে। সাভারে এসে অল্প অল্প জমি লিজ নিয়ে তৈরি করেছেন কৃষির ক্ষেত্র। শুরু ২০১৪ সালে। প্রথমে দুই বিঘা, এরপর পাঁচ বিঘা। এভাবে অল্প অল্প করে আঠারো বিঘা জমি লিজ নিয়ে তৈরি করেন তাঁর স্বপ্নের কৃষিখামার। ব্রুকলি, ক্যাপসিকাম, চেরি টম্যাটো, ক্যাবেজ, রেডবিট, সেলেরি, চাইনিজ ক্যাবেজসহ নানা রকমের বিদেশি সবজি ফসল। তিনি বছরে ছয় মাস সবজি চাষ করেন। আর বাকি সময় গরু-ছাগল পালন করেন। প্রতি মৌসুমে প্রায় সাত থেকে আট লাখ টাকার সবজি উৎপাদন হয় তাঁর খামারে। তাঁর খামারেই এখন প্রায় শতজনের কর্মসংস্থান।

মিরপুরে পারভীন নামের এক নারী নিয়েছেন কৃষিকে নিয়ে অন্যরকম এক পদক্ষেপ। চার হাজার বর্গফুটের একটি ফ্লোরে তিনটি রুমে শুরু করেন ঘরোয়া কৃষির কাজকারবার। ৪০টি র‌্যাকে প্রতি মাসে গড়ে ৮০০ সবজি উৎপাদন নিশ্চিত করছেন তিনি। হাইড্রোপনিক পদ্ধতিতে শতভাগ গুড অ্যাগ্রিকালচারাল প্র্যাকটিস অনুসরণ করে উৎপাদন করছেন লেটুস, বকচয়, চেরি টম্যাটো আর ক্যাপসিকাম।  উদ্যোক্তা পারভীন বলছিলেন, নতুন প্রজন্মকে নতুন কৃষির সঙ্গে পরিচয় ঘটিয়ে দেওয়াও একটি লক্ষ্য তাদের। সেখানে পারভীনের বিশ্ববিদ্যালয়পড়ুয়া মেয়ে রাদিয়া, রিয়ানাসহ বেশ কয়েকজন তরুণ কাজ করেন। আধুনিক এ প্রযুক্তির কৃষিতে দারুণ আগ্রহ তাঁদের। শার্ট, প্যান্ট, জুতা পরেই দিব্যি কাজ করা যাচ্ছে সেখানে। বিদেশি সংস্থার করপোরেট চাকরি ছেড়ে পারভীন নিজের স্বপ্ন রচনা করছেন প্রযুক্তির কৃষিতে।

আমি আরও এক নারীর কথা বলতে চাই। মদিনা আলী। আমেরিকার বিশ্ববিদ্যালয়ে পড়াশোনা করেছেন সফটওয়্যার ইঞ্জিনিয়ারিং বিষয়ে। দেশের বাইরে বর্ণাঢ্য জীবনের হাতছানি ছেড়ে দেশে ফিরে কাজ করছেন কৃষকদের জন্য। ডা. চাষি নামের কৃত্রিম বুদ্ধিমত্তা ব্যবহার করে একটি অ্যাপ তৈরি করেছেন। অ্যাপটির মাধ্যমে ছবি তুলে কৃষক নির্ণয় করতে পারছে ফল-ফসলের নানান সমস্যা। মিলছে তার সমাধানও।

মদিনা আলীর সংগঠন চাষিদের স্মার্ট প্রযুক্তি ব্যবহারে দক্ষ করে তোলার চেষ্টা চালিয়ে যাচ্ছে। তাঁর এ অসাধারণ প্রচেষ্টার জন্য তিনি ভূষিত হয়েছেন স্ট্যান্ডার্ড চার্টার্ড চ্যানেল আই অ্যাগ্রো অ্যাওয়ার্ডে। শুধু মদিনা আলী নয়, সেরা কৃষক নারী হয়েছেন হোসনে আরা রহমান, সেরা সংগ্রামী কৃষক হয়েছেন রেশমা ও শাপলা। তাঁদের একেকজনের জীবনের গল্পও অদ্ভুত সংগ্রামমুখর। তাঁদের কথাও একদিন আপনাদের সামনে তুলে ধরব।

আমাদের দেশে অসংখ্য নারীর হাতে সমৃদ্ধ হচ্ছে আজকের কৃষি। তাঁদের সবার কথায় রচিত হতে পারে বিশাল গ্রন্থ। আজ থেকে শত বছর আগে নারীমুক্তির বার্তা নিয়ে সুলতানার স্বপ্ন লিখেছিলেন নারী জাগরণের অগ্রদূত বেগম রোকেয়া সাখাওয়াৎ হোসেন। আজ যেন আমরা এ সংগ্রামী নারীদের ভিতর সেই মুক্তিসন্ধানী স্বনির্ভর নারী সুলতানার প্রতিকৃতিই দেখতে পাই। আজকের দিনে কৃষিতে বহুমুখী পরিবর্তন ঘটছে। কিন্তু এ পরিবর্তনের পেছনে রয়েছে অসংখ্য নারীর নিরন্তর শ্রম ও নিষ্ঠা।  আমার প্রত্যাশা বাণিজ্যিক হিসাব ও বোঝাপড়া নিয়ে কৃষিতে এগিয়ে আসবেন আরও অনেক নারী।

লেখক : মিডিয়াব্যক্তিত্ব

[email protected]

এই বিভাগের আরও খবর
সামাজিক ব্যবসা
সামাজিক ব্যবসা
রপ্তানি খাতে ধাক্কা
রপ্তানি খাতে ধাক্কা
ফিলিস্তিনের নাবলুস নগরী
ফিলিস্তিনের নাবলুস নগরী
জীবনজুড়ে রমজানের রেশ ধরে রাখুন
জীবনজুড়ে রমজানের রেশ ধরে রাখুন
ফুলচাষিদের স্বাস্থ্যঝুঁঁকি
ফুলচাষিদের স্বাস্থ্যঝুঁঁকি
রেমিট্যান্সে আশার আলো
রেমিট্যান্সে আশার আলো
ভোটের আলোচনা
ভোটের আলোচনা
বিমসটেক সম্মেলন
বিমসটেক সম্মেলন
ডিজিটাল সংস্কৃতি : ভার্চুয়াল উৎসব
ডিজিটাল সংস্কৃতি : ভার্চুয়াল উৎসব
শাওয়াল মাসের ছয় রোজার পুণ্য
শাওয়াল মাসের ছয় রোজার পুণ্য
ব্যাংককে বৈঠক, ঢাকা-দিল্লিতে গুঞ্জন
ব্যাংককে বৈঠক, ঢাকা-দিল্লিতে গুঞ্জন
এই সময়ের রাজনৈতিক চ্যালেঞ্জ
এই সময়ের রাজনৈতিক চ্যালেঞ্জ
সর্বশেষ খবর
মুক্তাগাছায় মোটরসাইকেল দুর্ঘটনায় নিহত ১
মুক্তাগাছায় মোটরসাইকেল দুর্ঘটনায় নিহত ১

১ সেকেন্ড আগে | দেশগ্রাম

বরিশালে ডোবা থেকে অজ্ঞাত লাশ উদ্ধার
বরিশালে ডোবা থেকে অজ্ঞাত লাশ উদ্ধার

২ মিনিট আগে | নগর জীবন

কালীগঞ্জে রেল ব্রিজের নিচ থেকে অজ্ঞাত যুবকের লাশ উদ্ধার
কালীগঞ্জে রেল ব্রিজের নিচ থেকে অজ্ঞাত যুবকের লাশ উদ্ধার

৮ মিনিট আগে | দেশগ্রাম

মেক্সিকোতে প্রথম এইচ৫এন১ বার্ড ফ্লু রোগী শনাক্ত
মেক্সিকোতে প্রথম এইচ৫এন১ বার্ড ফ্লু রোগী শনাক্ত

৯ মিনিট আগে | পূর্ব-পশ্চিম

অষ্টমী স্নানে ব্রহ্মপুত্র নদে পুণ্যার্থীদের ঢল
অষ্টমী স্নানে ব্রহ্মপুত্র নদে পুণ্যার্থীদের ঢল

১২ মিনিট আগে | দেশগ্রাম

ধর্ষণের শিকার জমজ দুই বোনকে আইনি সহায়তা প্রদানের দায়িত্ব নিলেন তারেক রহমান
ধর্ষণের শিকার জমজ দুই বোনকে আইনি সহায়তা প্রদানের দায়িত্ব নিলেন তারেক রহমান

১৮ মিনিট আগে | দেশগ্রাম

ব্যবসায়ীর ফেলে যাওয়া ১৮ ভরি স্বর্ণ ‍ফিরিয়ে দিলেন অটোরিকশাচালক
ব্যবসায়ীর ফেলে যাওয়া ১৮ ভরি স্বর্ণ ‍ফিরিয়ে দিলেন অটোরিকশাচালক

১৯ মিনিট আগে | দেশগ্রাম

৩২৯টি উপজেলায় হচ্ছে টেকনিক্যাল স্কুল অ্যান্ড কলেজ
৩২৯টি উপজেলায় হচ্ছে টেকনিক্যাল স্কুল অ্যান্ড কলেজ

২১ মিনিট আগে | দেশগ্রাম

ডার্ক এনার্জি স্থির নয়! বিজ্ঞানীদের সামনে নতুন ধাঁধা
ডার্ক এনার্জি স্থির নয়! বিজ্ঞানীদের সামনে নতুন ধাঁধা

২৮ মিনিট আগে | বিজ্ঞান

ঈদের ছুটিতে ঢাকা ছেড়েছেন ১ কোটি সিমধারী, ফিরেছেন ৪৪ লাখ
ঈদের ছুটিতে ঢাকা ছেড়েছেন ১ কোটি সিমধারী, ফিরেছেন ৪৪ লাখ

৩৮ মিনিট আগে | জাতীয়

ঈদের পঞ্চম দিনেও ‘দাগি’-‘জংলি’র দাপট অব্যাহত, আয় কত?
ঈদের পঞ্চম দিনেও ‘দাগি’-‘জংলি’র দাপট অব্যাহত, আয় কত?

৪০ মিনিট আগে | শোবিজ

পতেঙ্গায় ১ কেজি স্বর্ণালংকারসহ আটক ৫
পতেঙ্গায় ১ কেজি স্বর্ণালংকারসহ আটক ৫

৪৩ মিনিট আগে | চট্টগ্রাম প্রতিদিন

‌‌‘শিক্ষার্থীরা পাস করে চাকরির জন্য নেতাদের পেছনে ঘুরতে হবে না’
‌‌‘শিক্ষার্থীরা পাস করে চাকরির জন্য নেতাদের পেছনে ঘুরতে হবে না’

৪৫ মিনিট আগে | দেশগ্রাম

আগৈলঝাড়ায় বসুন্ধরা শুভসংঘের মাসব্যাপী মাদকবিরোধী প্রচারণা শুরু
আগৈলঝাড়ায় বসুন্ধরা শুভসংঘের মাসব্যাপী মাদকবিরোধী প্রচারণা শুরু

৪৮ মিনিট আগে | বসুন্ধরা শুভসংঘ

বিএনপি নেতার বহিষ্কারের প্রতিবাদে বিক্ষোভ
বিএনপি নেতার বহিষ্কারের প্রতিবাদে বিক্ষোভ

৪৯ মিনিট আগে | দেশগ্রাম

মেঘনা-তিতাসে অষ্টমী গঙ্গাস্নানে উপচেপড়া ভিড়
মেঘনা-তিতাসে অষ্টমী গঙ্গাস্নানে উপচেপড়া ভিড়

৫৬ মিনিট আগে | দেশগ্রাম

কসবায় যুবককে ডেকে নিয়ে হত্যার অভিযোগ
কসবায় যুবককে ডেকে নিয়ে হত্যার অভিযোগ

১ ঘণ্টা আগে | দেশগ্রাম

সিলেটে টাকা ধার না দেওয়ায় যুবক খুন
সিলেটে টাকা ধার না দেওয়ায় যুবক খুন

১ ঘণ্টা আগে | চায়ের দেশ

চট্টগ্রামে জেলেদের জালে মিলল বৃদ্ধার লাশ
চট্টগ্রামে জেলেদের জালে মিলল বৃদ্ধার লাশ

১ ঘণ্টা আগে | চট্টগ্রাম প্রতিদিন

মুন্সিগঞ্জে ধলেশ্বরী নদীর তীরে অষ্টমী স্নান উৎসব পালিত
মুন্সিগঞ্জে ধলেশ্বরী নদীর তীরে অষ্টমী স্নান উৎসব পালিত

১ ঘণ্টা আগে | দেশগ্রাম

ছাত্র আন্দোলনে হত্যা মামলায় শ্রমিক লীগ নেতা গ্রেফতার
ছাত্র আন্দোলনে হত্যা মামলায় শ্রমিক লীগ নেতা গ্রেফতার

১ ঘণ্টা আগে | নগর জীবন

লাশের গন্ধে ভারী মিয়ানমারের সাগাইংয়ের বাতাস
লাশের গন্ধে ভারী মিয়ানমারের সাগাইংয়ের বাতাস

১ ঘণ্টা আগে | পূর্ব-পশ্চিম

পাংকর আইল্যান্ড, যেখানে পাহাড় ও সমুদ্রের অসাধারণ মিতালি!
পাংকর আইল্যান্ড, যেখানে পাহাড় ও সমুদ্রের অসাধারণ মিতালি!

১ ঘণ্টা আগে | পরবাস

এই মেয়েরাই সামনের দিনেও আমাদের পথ দেখাবে (ভিডিও)
এই মেয়েরাই সামনের দিনেও আমাদের পথ দেখাবে (ভিডিও)

১ ঘণ্টা আগে | জাতীয়

চট্টগ্রামে বাসায় ঢুকে ডাকাতি, বাধা দেওয়ায় আহত ৮
চট্টগ্রামে বাসায় ঢুকে ডাকাতি, বাধা দেওয়ায় আহত ৮

১ ঘণ্টা আগে | চট্টগ্রাম প্রতিদিন

ফিলিস্তিনি জনগণের প্রতি পাকিস্তান সেনা কমান্ডারদের অকুণ্ঠ সমর্থন
ফিলিস্তিনি জনগণের প্রতি পাকিস্তান সেনা কমান্ডারদের অকুণ্ঠ সমর্থন

১ ঘণ্টা আগে | পূর্ব-পশ্চিম

চট্টগ্রামে দেড় কোটি টাকা মূল্যের স্বর্ণসহ গ্রেফতার ৫
চট্টগ্রামে দেড় কোটি টাকা মূল্যের স্বর্ণসহ গ্রেফতার ৫

১ ঘণ্টা আগে | চট্টগ্রাম প্রতিদিন

জয়পুরহাটে নৈশপ্রহরীদের বেঁধে রেখে ৪ দোকানে ডাকাতি
জয়পুরহাটে নৈশপ্রহরীদের বেঁধে রেখে ৪ দোকানে ডাকাতি

১ ঘণ্টা আগে | দেশগ্রাম

থানা থেকে পালিয়েও শেষ রক্ষা হলো না তরুণের
থানা থেকে পালিয়েও শেষ রক্ষা হলো না তরুণের

১ ঘণ্টা আগে | চায়ের দেশ

রংপুরে মুগ্ধতা ছড়াচ্ছে বলিভিয়ার জাতীয় ফুল হেলিকোনিয়া
রংপুরে মুগ্ধতা ছড়াচ্ছে বলিভিয়ার জাতীয় ফুল হেলিকোনিয়া

১ ঘণ্টা আগে | প্রকৃতি ও পরিবেশ

সর্বাধিক পঠিত
ঈদুল আজহার সম্ভাব্য তারিখ প্রকাশ
ঈদুল আজহার সম্ভাব্য তারিখ প্রকাশ

২২ ঘণ্টা আগে | পূর্ব-পশ্চিম

আত্মরক্ষার জন্য ইরানের সর্বোচ্চ প্রস্তুতি রয়েছে : সৌদি যুবরাজকে পেজেশকিয়ান
আত্মরক্ষার জন্য ইরানের সর্বোচ্চ প্রস্তুতি রয়েছে : সৌদি যুবরাজকে পেজেশকিয়ান

৭ ঘণ্টা আগে | পূর্ব-পশ্চিম

পর্দায় নয়, এবার সত্যিই বিয়ে করলেন শামীম হাসান সরকার
পর্দায় নয়, এবার সত্যিই বিয়ে করলেন শামীম হাসান সরকার

২২ ঘণ্টা আগে | শোবিজ

ড. ইউনূস-মোদির ৪০ মিনিটের বৈঠক, আলাপ হলো কী নিয়ে
ড. ইউনূস-মোদির ৪০ মিনিটের বৈঠক, আলাপ হলো কী নিয়ে

২৩ ঘণ্টা আগে | জাতীয়

যুক্তরাষ্ট্রের শুল্ক ইস্যুতে জরুরি সভা ডেকেছেন প্রধান উপদেষ্টা
যুক্তরাষ্ট্রের শুল্ক ইস্যুতে জরুরি সভা ডেকেছেন প্রধান উপদেষ্টা

৪ ঘণ্টা আগে | জাতীয়

ড. ইউনূস ও মোদির বৈঠক নিয়ে যা জানালেন ভারতের পররাষ্ট্র সচিব
ড. ইউনূস ও মোদির বৈঠক নিয়ে যা জানালেন ভারতের পররাষ্ট্র সচিব

২৩ ঘণ্টা আগে | জাতীয়

আপনার প্রতি শেখ হাসিনার অসম্মানজনক আচরণ দেখেছি : ড. ইউনূসকে বলেন মোদি
আপনার প্রতি শেখ হাসিনার অসম্মানজনক আচরণ দেখেছি : ড. ইউনূসকে বলেন মোদি

২ ঘণ্টা আগে | জাতীয়

ইরানে হামলার হুমকি থেকে পিছু হটলেন ট্রাম্প, সরাসরি আলোচনার প্রস্তাব
ইরানে হামলার হুমকি থেকে পিছু হটলেন ট্রাম্প, সরাসরি আলোচনার প্রস্তাব

৩ ঘণ্টা আগে | পূর্ব-পশ্চিম

আওয়ামী লীগের টাকার লোভে না পড়তে দলীয় নেতাদের হুঁশিয়ারি শামা ওবায়েদের
আওয়ামী লীগের টাকার লোভে না পড়তে দলীয় নেতাদের হুঁশিয়ারি শামা ওবায়েদের

১৬ ঘণ্টা আগে | রাজনীতি

৫ মিলিয়ন ডলারের ‘গোল্ড কার্ড’ ভিসা উন্মোচন করলেন ট্রাম্প
৫ মিলিয়ন ডলারের ‘গোল্ড কার্ড’ ভিসা উন্মোচন করলেন ট্রাম্প

২১ ঘণ্টা আগে | পূর্ব-পশ্চিম

ঐশ্বরিয়া আমার মেয়ে নয়, কেবল ছেলের বউ : জয়া বচ্চন
ঐশ্বরিয়া আমার মেয়ে নয়, কেবল ছেলের বউ : জয়া বচ্চন

২১ ঘণ্টা আগে | শোবিজ

শরীয়তপুরে দুই গ্রুপের সংঘর্ষ, শতাধিক হাতবোমা বিস্ফোরণ
শরীয়তপুরে দুই গ্রুপের সংঘর্ষ, শতাধিক হাতবোমা বিস্ফোরণ

৬ ঘণ্টা আগে | দেশগ্রাম

ড. ইউনূস-মোদি বৈঠক আশার আলো তৈরি করেছে: মির্জা ফখরুল
ড. ইউনূস-মোদি বৈঠক আশার আলো তৈরি করেছে: মির্জা ফখরুল

২২ ঘণ্টা আগে | রাজনীতি

বিশ্বের শক্তিশালী পাসপোর্টের তালিকায় এক ধাপ এগোল বাংলাদেশ
বিশ্বের শক্তিশালী পাসপোর্টের তালিকায় এক ধাপ এগোল বাংলাদেশ

৬ ঘণ্টা আগে | জাতীয়

হোয়াইট হাউস থেকে বরখাস্ত একাধিক শীর্ষ কর্মকর্তা, আলোচনায় লরা লুমার
হোয়াইট হাউস থেকে বরখাস্ত একাধিক শীর্ষ কর্মকর্তা, আলোচনায় লরা লুমার

৮ ঘণ্টা আগে | পূর্ব-পশ্চিম

কালশী ফ্লাইওভারে গাড়ির সঙ্গে মোটরসাইকেলের সংঘর্ষ, দুই যুবক নিহত
কালশী ফ্লাইওভারে গাড়ির সঙ্গে মোটরসাইকেলের সংঘর্ষ, দুই যুবক নিহত

১৭ ঘণ্টা আগে | নগর জীবন

পরকীয়া প্রেমে বাধা দেওয়ায় স্বামীর পুরুষাঙ্গ কাটলো স্ত্রী
পরকীয়া প্রেমে বাধা দেওয়ায় স্বামীর পুরুষাঙ্গ কাটলো স্ত্রী

৬ ঘণ্টা আগে | দেশগ্রাম

হাসিনার এক মন্তব্যে সংকটে মাদারগঞ্জের সমবায় সমিতি
হাসিনার এক মন্তব্যে সংকটে মাদারগঞ্জের সমবায় সমিতি

১৯ ঘণ্টা আগে | দেশগ্রাম

একনজরে আজকের বাংলাদেশ প্রতিদিন (৫ এপ্রিল)
একনজরে আজকের বাংলাদেশ প্রতিদিন (৫ এপ্রিল)

১১ ঘণ্টা আগে | জাতীয়

‘আতঙ্কে তারা ভুল করেছে’: চীনের পাল্টা শুল্ক নিয়ে ট্রাম্প
‘আতঙ্কে তারা ভুল করেছে’: চীনের পাল্টা শুল্ক নিয়ে ট্রাম্প

৫ ঘণ্টা আগে | পূর্ব-পশ্চিম

চালের দানার চেয়েও ছোট পেসমেকার তৈরি করলেন বিজ্ঞানীরা
চালের দানার চেয়েও ছোট পেসমেকার তৈরি করলেন বিজ্ঞানীরা

৯ ঘণ্টা আগে | বিজ্ঞান

সাত দিনের মধ্যে যুক্তরাষ্ট্র ছাড়ার নির্দেশ, আতঙ্কে ইউক্রেনীয়রা
সাত দিনের মধ্যে যুক্তরাষ্ট্র ছাড়ার নির্দেশ, আতঙ্কে ইউক্রেনীয়রা

২ ঘণ্টা আগে | পূর্ব-পশ্চিম

নির্বাচনের কথা বলে মুখে ফেনা তুলে ফেললেই গণতন্ত্র হয় না : নুসরাত তাবাসসুম
নির্বাচনের কথা বলে মুখে ফেনা তুলে ফেললেই গণতন্ত্র হয় না : নুসরাত তাবাসসুম

৪ ঘণ্টা আগে | রাজনীতি

৫.৬ মাত্রার ভূমিকম্পে আবার কেঁপে উঠলো মিয়ানমার
৫.৬ মাত্রার ভূমিকম্পে আবার কেঁপে উঠলো মিয়ানমার

৮ ঘণ্টা আগে | পূর্ব-পশ্চিম

মিয়ানমারে বাংলাদেশ সশস্ত্র বাহিনীর নেতৃত্বে উদ্ধার ও চিকিৎসা কার্যক্রম অব্যাহত
মিয়ানমারে বাংলাদেশ সশস্ত্র বাহিনীর নেতৃত্বে উদ্ধার ও চিকিৎসা কার্যক্রম অব্যাহত

১৮ ঘণ্টা আগে | জাতীয়

‘প্রয়োজনে জোটগতভাবে নির্বাচন করবে এনসিপি’
‘প্রয়োজনে জোটগতভাবে নির্বাচন করবে এনসিপি’

২১ ঘণ্টা আগে | রাজনীতি

আইপিএলের প্রথমবার দেখা গেল এমন কিছু
আইপিএলের প্রথমবার দেখা গেল এমন কিছু

১০ ঘণ্টা আগে | মাঠে ময়দানে

প্রতিকূল পরিবেশেও খেলাপি ঋণ কমেছে
প্রতিকূল পরিবেশেও খেলাপি ঋণ কমেছে

১৬ ঘণ্টা আগে | বাণিজ্য

লৌহজংয়ে পাওয়া মরদেহের টুকরোগুলো সাভারের সবুজ মোল্যার
লৌহজংয়ে পাওয়া মরদেহের টুকরোগুলো সাভারের সবুজ মোল্যার

৫ ঘণ্টা আগে | দেশগ্রাম

কুমিল্লায় মসজিদ কমিটির সেক্রেটারিকে হত্যার ঘটনায় গ্রেফতার ২
কুমিল্লায় মসজিদ কমিটির সেক্রেটারিকে হত্যার ঘটনায় গ্রেফতার ২

১২ ঘণ্টা আগে | দেশগ্রাম

প্রিন্ট সর্বাধিক
সুবিধাবাদী হাইব্রিডে অতিষ্ঠ বিএনপি
সুবিধাবাদী হাইব্রিডে অতিষ্ঠ বিএনপি

প্রথম পৃষ্ঠা

মুজিব ছিলেন বেপরোয়া
মুজিব ছিলেন বেপরোয়া

প্রথম পৃষ্ঠা

চলতি বছর টাইগারদের ৬ টেস্ট
চলতি বছর টাইগারদের ৬ টেস্ট

মাঠে ময়দানে

হাসিনাকে চাইল বাংলাদেশ
হাসিনাকে চাইল বাংলাদেশ

প্রথম পৃষ্ঠা

দেশের প্রযুক্তি খাতে বিপ্লব ঘটাবে স্টারলিংক
দেশের প্রযুক্তি খাতে বিপ্লব ঘটাবে স্টারলিংক

প্রথম পৃষ্ঠা

ধুঁকছেন পেট্রাপোলের ব্যবসায়ীরাও
ধুঁকছেন পেট্রাপোলের ব্যবসায়ীরাও

পেছনের পৃষ্ঠা

ইলিশের দামে আগুন
ইলিশের দামে আগুন

পেছনের পৃষ্ঠা

আজকের ভাগ্যচক্র
আজকের ভাগ্যচক্র

আজকের রাশি

মুখোমুখি সরকার-আইএমএফ
মুখোমুখি সরকার-আইএমএফ

প্রথম পৃষ্ঠা

দীর্ঘদিন ক্ষমতা আঁকড়ে রাখার চিন্তা করলে জনগণ মেনে নেবে না
দীর্ঘদিন ক্ষমতা আঁকড়ে রাখার চিন্তা করলে জনগণ মেনে নেবে না

নগর জীবন

‘মিনি জাফলংয়ে’ স্বাস্থ্যঝুঁকি
‘মিনি জাফলংয়ে’ স্বাস্থ্যঝুঁকি

নগর জীবন

দক্ষিণ এশিয়ার ইসরায়েল ভারত
দক্ষিণ এশিয়ার ইসরায়েল ভারত

পেছনের পৃষ্ঠা

রাজশাহী বিএনপিতে ত্রিধারা
রাজশাহী বিএনপিতে ত্রিধারা

নগর জীবন

হচ্ছে বাম দলের বৃহত্তর জোট!
হচ্ছে বাম দলের বৃহত্তর জোট!

প্রথম পৃষ্ঠা

চট্টগ্রাম-কক্সবাজার সড়কে শঙ্কা
চট্টগ্রাম-কক্সবাজার সড়কে শঙ্কা

পেছনের পৃষ্ঠা

আত্রাই নদীর চরে কুমড়াবাড়ি!
আত্রাই নদীর চরে কুমড়াবাড়ি!

পেছনের পৃষ্ঠা

কবির-মুসার বিরুদ্ধে এবার জালিয়াতির অভিযোগ
কবির-মুসার বিরুদ্ধে এবার জালিয়াতির অভিযোগ

নগর জীবন

নতুন জীবনের খোঁজে মাহি
নতুন জীবনের খোঁজে মাহি

শোবিজ

যৌথ পরিবারের গল্প
যৌথ পরিবারের গল্প

শনিবারের সকাল

এবার জনগণ ভোটাধিকার ফিরে পাবে
এবার জনগণ ভোটাধিকার ফিরে পাবে

প্রথম পৃষ্ঠা

আমাদের সম্পর্কটা বড় ভাই-ছোট ভাইয়ের মতো
আমাদের সম্পর্কটা বড় ভাই-ছোট ভাইয়ের মতো

শোবিজ

১ লাখ ৮০ হাজার রোহিঙ্গা ফেরত নেবে মিয়ানমার
১ লাখ ৮০ হাজার রোহিঙ্গা ফেরত নেবে মিয়ানমার

প্রথম পৃষ্ঠা

জমজমাট বিনোদন কেন্দ্রগুলো
জমজমাট বিনোদন কেন্দ্রগুলো

পেছনের পৃষ্ঠা

অভিযোগে মোশাররফ করিমের জবাব
অভিযোগে মোশাররফ করিমের জবাব

শোবিজ

বাছাইপর্ব টপকাতে প্রস্তুত নিগাররা
বাছাইপর্ব টপকাতে প্রস্তুত নিগাররা

মাঠে ময়দানে

প্রয়োজনীয় সংস্কার শেষে দ্রুত নির্বাচন
প্রয়োজনীয় সংস্কার শেষে দ্রুত নির্বাচন

প্রথম পৃষ্ঠা

নিশোর মুখে শাকিববন্দনা
নিশোর মুখে শাকিববন্দনা

শোবিজ

প্রয়োজনীয় সংস্কার করে দ্রুত নির্বাচন দিতে হবে
প্রয়োজনীয় সংস্কার করে দ্রুত নির্বাচন দিতে হবে

প্রথম পৃষ্ঠা

চলে যাচ্ছেন ম্যানসিটির ডি ব্রুইন
চলে যাচ্ছেন ম্যানসিটির ডি ব্রুইন

মাঠে ময়দানে

কলকাতার জার্সিতে ২০০ উইকেট
কলকাতার জার্সিতে ২০০ উইকেট

মাঠে ময়দানে