শিরোনাম
প্রকাশ: ০০:০০, শনিবার, ০৮ মার্চ, ২০২৫

সাধারণ নির্বাচনের পথে যত বাধা

ফাইজুস সালেহীন
প্রিন্ট ভার্সন
সাধারণ নির্বাচনের পথে যত বাধা

প্রধান উপদেষ্টা ড. মুহাম্মদ ইউনূস জাতীয় নির্বাচন প্রসঙ্গে দুটো সম্ভাব্য সময়ের কথা বলেছেন। কম সংস্কার চাইলে নির্বাচন হতে পারে ডিসেম্বরে। বেশি সংস্কার চাইলে ২০২৬ সালের জুনে। প্রধান নির্বাচন কমিশনার কিছুদিন আগে বলেছিলেন, ডিসেম্বরে নির্বাচন হতে পারে, এটা মাথায় রেখেই কমিশন প্রস্তুতি নিচ্ছে। সেনাপ্রধান জেনারেল ওয়াকার-উজ-জামান ডিসেম্বরে নির্বাচন হবে বলে আশাবাদ ব্যক্ত করেছেন। বিএনপি জাতীয় নির্বাচনের প্রস্তুতি নেওয়ার জন্য নেতা-কর্মীদের নির্দেশনা দিয়েছে। জামায়াতে ইসলামী প্রার্থী মনোনয়নপ্রক্রিয়া শুরু করেছে, যদিও দলটি নির্বাচনের চেয়ে সংস্কারে বেশি উৎসাহী। সব মিলিয়ে পরিবেশ-পরিস্থিতি যা দেখা যাচ্ছে, তাতে মনে করা যেতে পারে যে জাতীয় নির্বাচন এ বছরের মধ্যেই হয়ে যাবে। 

জেনারেল ইলেকশনের আগে স্থানীয় সরকার ভোট করার যে পরিকল্পনা ছিল বা আছে তার বাস্তবায়নও কঠিন হতে পারে। অন্তর্বর্তী সরকারের সঙ্গে ঘনিষ্ঠভাবে কাজ করছে, এমন কেউ কেউ জাতীয় নির্বাচনের আগেই স্থানীয় সরকারের ইলেকশন করার কথা বলেছেন বিভিন্ন সময়ে। প্রধান উপদেষ্টা নিজেও বলেছিলেন যে জাতীয় নির্বাচনের সঙ্গে সঙ্গে স্থানীয় সরকার নির্বাচনের কথাও ভাবা হচ্ছে। স্থানীয় সরকার সংস্কার কমিশনের প্রধান বলেছিলেন, বেশির ভাগ মানুষ আগে স্থানীয় সরকার নির্বাচন চায়। তিনি একটি জরিপের কথা উল্লেখ করে জানিয়েছিলেন যে ৬৪ শতাংশেরও বেশি মানুষ এই নির্বাচন আগে দেখতে চান। সমবায় ও স্থানীয় সরকার উপদেষ্টা আসিফ মাহমুদও এক বক্তৃতায় জানিয়েছিলেন যে সরকার জাতীয় নির্বাচনের আগে স্থানীয় সরকার নির্বাচন করার ব্যাপারে নীতিগত সিদ্ধান্ত নিয়েছে। জামায়াতে ইসলামী ও নুরুল হক নুরের গণঅধিকার পরিষদেরও এ ব্যাপারে সায় রয়েছে।

বর্তমান সংবিধানে না থাকলেও স্থানীয় সরকারব্যবস্থায় মৌলিক গণতন্ত্র ফিরিয়ে আনার কথাও বলা হয়েছিল। মৌলিক গণতন্ত্র- এই টার্মটি ব্যবহার করা না হলেও মেম্বার-কাউন্সিলরদের ভোটে চেয়ারম্যান ও মেয়র নির্বাচনের কথা বলা হয়েছিল, যা মৌলিক গণতন্ত্রেরই নামান্তর। মৌলিক গণতন্ত্র সম্পর্কে নতুন প্রজন্মের অনেকের পরিষ্কার ধারণা থাকার কথা না। পাকিস্তানের সামরিক প্রেসিডেন্ট আইয়ুব খান ডিক্রির মাধ্যমে মৌলিক গণতন্ত্রের বিধানসংবলিত শাসনতন্ত্র জারি করেছিলেন সম্ভবত ১৯৬২ সালে। সেই ব্যবস্থায় চেয়ারম্যান থেকে শুরু করে প্রেসিডেন্ট পর্যন্ত ইউনিয়নের ওয়ার্ড মেম্বারদের ভোটে নির্বাচিত করার বিধান করা হয়েছিল।

প্রধান উপদেষ্টা ড. মুহাম্মদ ইউনূস জাতীয় নির্বাচন প্রসঙ্গে দুটো সম্ভাব্য সময়ের কথা বলেছেন১৯৬৫ সালের জানুয়ারি মাসে অনুষ্ঠিত প্রেসিডেন্ট ইলেকশন সামনে রেখে তৎকালীন দুই পাকিস্তানের সবগুলো দল মিলে আইয়ুব খানের বিপক্ষে গঠন করে কম্বাইন্ড অপজিশন পার্টি (কপ)। কপের মনোনীত প্রেসিডেন্ট পদপ্রার্থী হয়েছিলেন পাকিস্তান রাষ্ট্রের জনক মোহাম্মদ আলী জিন্নাহর বোন মিস ফাতিমা জিন্নাহ। মিস জিন্নাহ ও কপের বেসিক ডেমোক্র্যাসির ইলেকশনে যাওয়ার উদ্দেশ্য ছিল, জিততে পারলে এক বছরের মধ্যে জনগণের গণতন্ত্র ফিরিয়ে আনা হবে। অর্থাৎ পুনরায় ইলেকশন হবে জনগণের প্রত্যক্ষ ভোটে। কিন্তু তৎকালীন দুই পাকিস্তানের সবগুলো দল মিলেও মৌলিক গণতন্ত্রের মেম্বারের মেজরিটির সমর্থন আদায় করতে পারেনি। সেই সময়ে পূর্ব পাকিস্তানের অর্থাৎ বর্তমান বাংলাদেশের ৫৩ দশমিক ১২ শতাংশ তথাকথিত মৌলিক ভোটার আইয়ুব খানের মার্কায় ভোট দিয়েছিলেন। আর পশ্চিম পাকিস্তানে ৭০ শতাংশের বেশি বিডি মেম্বার আইয়ুব খানকে ভোট দিয়েছিলেন। এই হলো মৌলিক গণতন্ত্রের মাহাত্ম্য।

গ্রাম বা ওয়ার্ডের মতো ছোট ছোট ইউনিটে সাধারণত সেই ব্যক্তিরাই মেম্বার নির্বাচিত হয়ে থাকেন, স্থানীয়ভাবে যারা অর্থবিত্তে প্রভাবশালী। অধিকাংশ ক্ষেত্রেই এই শ্রেণির লোকদের সমাজ ও রাষ্ট্রের প্রতি কোনো কমিটমেন্ট থাকে না। গ্রামে আধিপত্য ধরে রাখাই তাদের মূল লক্ষ্য। আধিপত্যই যখন মুখ্য, তখন ক্ষমতার ছায়ায় থাকতেই তারা পছন্দ করেছিলেন। কড়কড়ে নোটের প্রলোভন তো ছিলই। সেই মৌলিক গণতন্ত্র বা বেসিক ডেমোক্র্যাসি ফিরিয়ে আনার একটা চিন্তাভাবনা যে আছে, তার আভাস রয়েছে। গণতন্ত্রের বিচারে নিঃসন্দেহে এটি একটি খারাপ চিন্তা।

পক্ষান্তরে বিএনপি ও সমমনা দলগুলো জাতীয় সংসদের আগে স্থানীয় সরকার নির্বাচনের বিপক্ষে কঠোর অবস্থান গ্রহণ করেছে। বিএনপির ভারপ্রাপ্ত চেয়ারম্যান তারেক রহমান গত ২৭ ফেব্রুয়ারি দলের বর্ধিত সভায় ভার্চুয়ালি যুক্ত হয়ে পরিষ্কার বলেছেন, সংস্কার ও স্থানীয় নির্বাচন- এসব ইস্যু নিয়ে জনগণের সামনে একধরনের ধূম্রজাল সৃষ্টি করা হচ্ছে। তিনি আরও বলেন, রক্তপিচ্ছিল পথে রাজপথে গড়ে ওঠা জাতীয় ঐক্য ও জাতীয় নির্বাচনের পরিবেশ বিনষ্টের অপচেষ্টা চলছে। তিনি যে অপচেষ্টার কথা বলছেন, হালফিল বাস্তবতায় তাকে অমূলক বলা যায় না।

কোনো কোনো উপদেষ্টাকে আমরা ইতোপূর্বেও বলতে শুনেছি যে এই সরকার কেবল একটা নির্বাচন করার জন্য আসেনি। এই সরকারকে বিপ্লবী সরকার ঘোষণা, সেকেন্ড রিপাবলিক ঘোষণা, গণপরিষদ গঠন করে নতুন শাসনতন্ত্র প্রণয়নের মতো উচ্চমার্গীয় কথাবার্তাও হয়েছে। গণ অভ্যুত্থানের নেতৃত্ব দেওয়া ছাত্রদের দ্বারা গঠিত জাতীয় নাগরিক পার্টি সেই চিন্তাগুলোকেই সামনে নিয়ে এসেছে ঘোষিত নীতি হিসেবে। তারা সেকেন্ড রিপাবলিক ঘোষণা করতে চান। জাতীয় সংসদের আগে তারা গণপরিষদের ইলেকশন চান।

গণপরিষদ নতুন সংবিধান প্রণয়ন করবে। নতুন সংবিধানের পর জাতীয় নির্বাচন ও নির্বাচিত সরকার। এরূপ দাবির তাৎপর্য অনুধাবন করা কঠিন নয়। জাতীয় সংসদ নির্বাচন প্রশ্নে বিএনপির অবস্থান আর জাতীয় নাগরিক পার্টির অবস্থানের মধ্যে যে বৈপরীত্য রয়েছে, তাতে কোনো সন্দেহ নেই।

ডিসেম্বরে জেনারেল ইলেকশন হবে কি না, হলেও ভোট কতখানি অবাধ ও স্বচ্ছ হবে, তা-ও নিশ্চিত করে বলা যায় না। যে দেশে বহুদিন, বহু বছর ধরে অবাধ ও স্বচ্ছ ইলেকশনের দেখা পাওয়া যায়নি, মানুষ ভোটাধিকার প্রয়োগের সুযোগ পায়নি, সেই দেশের মানুষ সহজে মন থেকে সন্দেহের কাঁটা উপড়ে ফেলতে পারে না। ঘর পোড়া গরু সিঁদুরে মেঘ দেখলে ভয় পায়। সব দিক দিয়ে অবাধ ও স্বচ্ছ একটি ইলেকশনের জন্য যে উপাদানগুলো বর্তমান থাকা অপরিহার্য, সেগুলো আছে কি না, তা নজর করে দেখা দরকার। সরকার এবং প্রশাসনের নিরপেক্ষতা ও সক্ষমতা, ইলেকশন কমিশনের নিরপেক্ষতা, ক্ষমতা ও ক্ষমতা প্রয়োগের সক্ষমতা, গণতন্ত্রের প্রতি রাজনৈতিক দল এবং নেতা-কর্মীদের কমিটমেন্ট- এগুলো স্বচ্ছ ইলেকশনের জন্য জরুরি। আর দরকার ভোটার সাধারণের সচেতনতা। সরকার, ইলেকশন কমিশন, রাজনৈতিক দল কিংবা ভোটার সাধারণ- কারও পক্ষেই বিচ্ছিন্নভাবে অবাধ ও স্বচ্ছ নির্বাচন নিশ্চিত করা সম্ভব নয়।

শুনতে ভালো না শোনালেও অনেক ক্ষেত্রেই সরকারের সক্ষমতা প্রমাণিত হয়নি।

দেশে সন্ত্রাসবিরোধী অভিযান চলছে। প্রতিদিনই গ্রেপ্তার হচ্ছে কমবেশি। এই অভিযানের মধ্যেও শহর ও গ্রামে ছিনতাই, ধর্ষণ, গণপিটুনির ঘটনা ঘটে চলেছে আকসার। যখন এরকম একটি অভিযান চলছে, তখন ছোটবড় সব শয়তানের ছেড়ে দে মা পালিয়ে বাঁচি- অবস্থা হওয়ার কথা ছিল। কিন্তু হচ্ছে বিপরীত। কেন এমন হচ্ছে?

অনেক ক্ষেত্রে অন্তর্বর্তী অরাজনৈতিক সরকার কেন প্রত্যাশিত সাফল্য দেখাতে পারছে না,  সন্ত্রাসবিরোধী অভিযানেও কেন অপরাধীরা ভয় পাচ্ছে না, তার কারণ সরকারকেই খুঁজে বের করতে হবে। রাজপথের বিপ্লবীরা নতুন দল করেছেন- জাতীয় নাগরিক পার্টি। পার্টির নেতা সরকারের উপদেষ্টা ছিলেন। পদত্যাগ করে দলের হাল ধরেছেন। খুব ভালো কথা। এই তরুণদের নিয়ে সাধারণ মানুষের আশা-ভরসা ছিল অনেক। গত সাত মাসে সেটা কতখানি অবশিষ্ট আছে, বলা মুশকিল। এটা ওপেন সিক্রেট যে বৈষম্যবিরোধীরা সরকারের সঙ্গে ঘনিষ্ঠভাবে কাজ করে চলেছে শুরু থেকেই। সরকারে তাদের প্রতিনিধিও রয়েছে। বর্তমান তথ্য উপদেষ্টাকে জুলাই আন্দোলনের মাস্টারমাইন্ড বলে ড. ইউনূসই পরিচয় করিয়ে দিয়েছিলেন। এমতাবস্থায় অন্তর্বর্তী সরকারের সঙ্গে নতুন দলের নেতাদের একটা নিবিড় সম্পর্ক থাকা বিচিত্র নয়। দলটি কিংস পার্টি নয়, তা প্রমাণ করা কঠিন। হালফিল বাস্তবতায় ড. ইউনূস সরকারের নিরপেক্ষতা প্রশ্নবিদ্ধ হতে পারে বৈকি। আর সরকারের নিরপেক্ষতা নিয়ে প্রশ্ন উঠলে অবাধ নির্বাচন বাধাগ্রস্ত হতে পারে। বিএনপির ভারপ্রাপ্ত চেয়ারম্যান তারেক রহমান দলীয় নেতা-কর্মীদের জনগণের বিপক্ষে যায়, এমন কাজ করা থেকে বিরত থাকার জন্য পূর্বাপর হুঁশিয়ারি দিয়ে আসছেন। উচ্ছৃঙ্খল অনেক নেতা-কর্মীকে দল থেকে বহিষ্কার করা হয়েছে। দলীয় হাইকমান্ডের এ অবস্থান প্রশংসনীয়। তারপরও মাঠপর্যায়ের একশ্রেণির বেপরোয়া নেতা-কর্মীদের দলটি বাগে আনতে পারেনি। গণতন্ত্রের জন্য অবস্থাটি ইতিবাচক নয়। সুশৃঙ্খল দল হিসেবে জামায়াতে ইসলামীর সুনাম শুনেছি। তাহলেও কোনো কোনো জায়গায় তাদের বিরুদ্ধেও সংঘশক্তি প্রদর্শনের অভিযোগ রয়েছে। নাগরিক ঐক্যের নেতা মাহমুদুর রহমান মান্নাকে তাঁর নির্বাচনি এলাকায় ঢুকতে না দেওয়ার ঘোষণা দেওয়া হয়েছে। অনেক জায়গায় স্থানীয় প্রশাসন রাজনৈতিক দলের চাপে ঠিকমতো কাজ করতে পারছে না বলে অভিযোগ রয়েছে। এই আচরণগুলো গণতান্ত্রিক রীতিনীতির সঙ্গে যায় না। এগুলোর পরিবর্তন দরকার।

দেশের মানুষ এমন একটি নির্বাচন চায়, যা হবে সর্ববিচারে অবাধ, নিরপেক্ষ ও অন্তর্ভুক্তিমূলক। কোনো ছোট দল বা স্বতন্ত্র সম্ভাব্য প্রার্থীকে যদি তার নির্বাচনি এলাকায় ঢুকতেই দেওয়া না হয়, তা হলে অবাধ নির্বাচন হবে কোন জাদুবলে?

    লেখক : সিনিয়র সাংবাদিক ও কথাসাহিত্যিক

এই বিভাগের আরও খবর
সামাজিক ব্যবসা
সামাজিক ব্যবসা
রপ্তানি খাতে ধাক্কা
রপ্তানি খাতে ধাক্কা
ফিলিস্তিনের নাবলুস নগরী
ফিলিস্তিনের নাবলুস নগরী
জীবনজুড়ে রমজানের রেশ ধরে রাখুন
জীবনজুড়ে রমজানের রেশ ধরে রাখুন
ফুলচাষিদের স্বাস্থ্যঝুঁঁকি
ফুলচাষিদের স্বাস্থ্যঝুঁঁকি
রেমিট্যান্সে আশার আলো
রেমিট্যান্সে আশার আলো
ভোটের আলোচনা
ভোটের আলোচনা
বিমসটেক সম্মেলন
বিমসটেক সম্মেলন
ডিজিটাল সংস্কৃতি : ভার্চুয়াল উৎসব
ডিজিটাল সংস্কৃতি : ভার্চুয়াল উৎসব
শাওয়াল মাসের ছয় রোজার পুণ্য
শাওয়াল মাসের ছয় রোজার পুণ্য
ব্যাংককে বৈঠক, ঢাকা-দিল্লিতে গুঞ্জন
ব্যাংককে বৈঠক, ঢাকা-দিল্লিতে গুঞ্জন
এই সময়ের রাজনৈতিক চ্যালেঞ্জ
এই সময়ের রাজনৈতিক চ্যালেঞ্জ
সর্বশেষ খবর
যৌন হেনস্তার অভিযোগে ‘স্কুইড গেম’ তারকার সাজা
যৌন হেনস্তার অভিযোগে ‘স্কুইড গেম’ তারকার সাজা

১ সেকেন্ড আগে | শোবিজ

চাঁদপুরে ৬৪ যানবাহনে তল্লাশি ও জরিমানা
চাঁদপুরে ৬৪ যানবাহনে তল্লাশি ও জরিমানা

৫ মিনিট আগে | দেশগ্রাম

বিমসটেক শীর্ষ সম্মেলনে যেসব সিদ্ধান্ত গৃহীত
বিমসটেক শীর্ষ সম্মেলনে যেসব সিদ্ধান্ত গৃহীত

৬ মিনিট আগে | জাতীয়

‘পার্বত্য অঞ্চলের শিক্ষাব্যবস্থাকে মানসম্মত করতে হবে’
‘পার্বত্য অঞ্চলের শিক্ষাব্যবস্থাকে মানসম্মত করতে হবে’

৬ মিনিট আগে | দেশগ্রাম

যুক্তরাষ্ট্রে বাংলাদেশের রফতানি আরও বাড়বে, কমবে না: প্রেস সচিব
যুক্তরাষ্ট্রে বাংলাদেশের রফতানি আরও বাড়বে, কমবে না: প্রেস সচিব

১৫ মিনিট আগে | জাতীয়

সিআরবিতে পরিচ্ছন্নতা অভিযান
সিআরবিতে পরিচ্ছন্নতা অভিযান

২৩ মিনিট আগে | চট্টগ্রাম প্রতিদিন

ঢাকাসহ ৭ অঞ্চলে মধ্যরাতের মধ্যে ঝড়ের আভাস
ঢাকাসহ ৭ অঞ্চলে মধ্যরাতের মধ্যে ঝড়ের আভাস

৪১ মিনিট আগে | জাতীয়

মুক্তাগাছায় মোটরসাইকেল দুর্ঘটনায় নিহত ১
মুক্তাগাছায় মোটরসাইকেল দুর্ঘটনায় নিহত ১

৪৭ মিনিট আগে | দেশগ্রাম

বরিশালে ডোবা থেকে অজ্ঞাত লাশ উদ্ধার
বরিশালে ডোবা থেকে অজ্ঞাত লাশ উদ্ধার

৫০ মিনিট আগে | নগর জীবন

কালীগঞ্জে রেল ব্রিজের নিচ থেকে অজ্ঞাত যুবকের লাশ উদ্ধার
কালীগঞ্জে রেল ব্রিজের নিচ থেকে অজ্ঞাত যুবকের লাশ উদ্ধার

৫৬ মিনিট আগে | দেশগ্রাম

মেক্সিকোতে প্রথম এইচ৫এন১ বার্ড ফ্লু রোগী শনাক্ত
মেক্সিকোতে প্রথম এইচ৫এন১ বার্ড ফ্লু রোগী শনাক্ত

৫৭ মিনিট আগে | পূর্ব-পশ্চিম

অষ্টমী স্নানে ব্রহ্মপুত্র নদে পুণ্যার্থীদের ঢল
অষ্টমী স্নানে ব্রহ্মপুত্র নদে পুণ্যার্থীদের ঢল

১ ঘণ্টা আগে | দেশগ্রাম

ধর্ষণের শিকার জমজ দুই বোনকে আইনি সহায়তা প্রদানের দায়িত্ব নিলেন তারেক রহমান
ধর্ষণের শিকার জমজ দুই বোনকে আইনি সহায়তা প্রদানের দায়িত্ব নিলেন তারেক রহমান

১ ঘণ্টা আগে | দেশগ্রাম

ব্যবসায়ীর ফেলে যাওয়া ১৮ ভরি স্বর্ণ ‍ফিরিয়ে দিলেন অটোরিকশাচালক
ব্যবসায়ীর ফেলে যাওয়া ১৮ ভরি স্বর্ণ ‍ফিরিয়ে দিলেন অটোরিকশাচালক

১ ঘণ্টা আগে | দেশগ্রাম

৩২৯টি উপজেলায় হচ্ছে টেকনিক্যাল স্কুল অ্যান্ড কলেজ
৩২৯টি উপজেলায় হচ্ছে টেকনিক্যাল স্কুল অ্যান্ড কলেজ

১ ঘণ্টা আগে | দেশগ্রাম

ডার্ক এনার্জি স্থির নয়! বিজ্ঞানীদের সামনে নতুন ধাঁধা
ডার্ক এনার্জি স্থির নয়! বিজ্ঞানীদের সামনে নতুন ধাঁধা

১ ঘণ্টা আগে | বিজ্ঞান

ঈদের ছুটিতে ঢাকা ছেড়েছেন ১ কোটি সিমধারী, ফিরেছেন ৪৪ লাখ
ঈদের ছুটিতে ঢাকা ছেড়েছেন ১ কোটি সিমধারী, ফিরেছেন ৪৪ লাখ

১ ঘণ্টা আগে | জাতীয়

ঈদের পঞ্চম দিনেও ‘দাগি’-‘জংলি’র দাপট অব্যাহত, আয় কত?
ঈদের পঞ্চম দিনেও ‘দাগি’-‘জংলি’র দাপট অব্যাহত, আয় কত?

১ ঘণ্টা আগে | শোবিজ

পতেঙ্গায় ১ কেজি স্বর্ণালংকারসহ আটক ৫
পতেঙ্গায় ১ কেজি স্বর্ণালংকারসহ আটক ৫

১ ঘণ্টা আগে | চট্টগ্রাম প্রতিদিন

‌‌‘শিক্ষার্থীরা পাস করে চাকরির জন্য নেতাদের পেছনে ঘুরতে হবে না’
‌‌‘শিক্ষার্থীরা পাস করে চাকরির জন্য নেতাদের পেছনে ঘুরতে হবে না’

১ ঘণ্টা আগে | দেশগ্রাম

আগৈলঝাড়ায় বসুন্ধরা শুভসংঘের মাসব্যাপী মাদকবিরোধী প্রচারণা শুরু
আগৈলঝাড়ায় বসুন্ধরা শুভসংঘের মাসব্যাপী মাদকবিরোধী প্রচারণা শুরু

১ ঘণ্টা আগে | বসুন্ধরা শুভসংঘ

বিএনপি নেতার বহিষ্কারের প্রতিবাদে বিক্ষোভ
বিএনপি নেতার বহিষ্কারের প্রতিবাদে বিক্ষোভ

১ ঘণ্টা আগে | দেশগ্রাম

মেঘনা-তিতাসে অষ্টমী গঙ্গাস্নানে উপচেপড়া ভিড়
মেঘনা-তিতাসে অষ্টমী গঙ্গাস্নানে উপচেপড়া ভিড়

১ ঘণ্টা আগে | দেশগ্রাম

কসবায় যুবককে ডেকে নিয়ে হত্যার অভিযোগ
কসবায় যুবককে ডেকে নিয়ে হত্যার অভিযোগ

১ ঘণ্টা আগে | দেশগ্রাম

সিলেটে টাকা ধার না দেওয়ায় যুবক খুন
সিলেটে টাকা ধার না দেওয়ায় যুবক খুন

১ ঘণ্টা আগে | চায়ের দেশ

চট্টগ্রামে জেলেদের জালে মিলল বৃদ্ধার লাশ
চট্টগ্রামে জেলেদের জালে মিলল বৃদ্ধার লাশ

১ ঘণ্টা আগে | চট্টগ্রাম প্রতিদিন

মুন্সিগঞ্জে ধলেশ্বরী নদীর তীরে অষ্টমী স্নান উৎসব পালিত
মুন্সিগঞ্জে ধলেশ্বরী নদীর তীরে অষ্টমী স্নান উৎসব পালিত

২ ঘণ্টা আগে | দেশগ্রাম

ছাত্র আন্দোলনে হত্যা মামলায় শ্রমিক লীগ নেতা গ্রেফতার
ছাত্র আন্দোলনে হত্যা মামলায় শ্রমিক লীগ নেতা গ্রেফতার

২ ঘণ্টা আগে | নগর জীবন

লাশের গন্ধে ভারী মিয়ানমারের সাগাইংয়ের বাতাস
লাশের গন্ধে ভারী মিয়ানমারের সাগাইংয়ের বাতাস

২ ঘণ্টা আগে | পূর্ব-পশ্চিম

পাংকর আইল্যান্ড, যেখানে পাহাড় ও সমুদ্রের অসাধারণ মিতালি!
পাংকর আইল্যান্ড, যেখানে পাহাড় ও সমুদ্রের অসাধারণ মিতালি!

২ ঘণ্টা আগে | পরবাস

সর্বাধিক পঠিত
ঈদুল আজহার সম্ভাব্য তারিখ প্রকাশ
ঈদুল আজহার সম্ভাব্য তারিখ প্রকাশ

২২ ঘণ্টা আগে | পূর্ব-পশ্চিম

আত্মরক্ষার জন্য ইরানের সর্বোচ্চ প্রস্তুতি রয়েছে : সৌদি যুবরাজকে পেজেশকিয়ান
আত্মরক্ষার জন্য ইরানের সর্বোচ্চ প্রস্তুতি রয়েছে : সৌদি যুবরাজকে পেজেশকিয়ান

৮ ঘণ্টা আগে | পূর্ব-পশ্চিম

পর্দায় নয়, এবার সত্যিই বিয়ে করলেন শামীম হাসান সরকার
পর্দায় নয়, এবার সত্যিই বিয়ে করলেন শামীম হাসান সরকার

২২ ঘণ্টা আগে | শোবিজ

আপনার প্রতি শেখ হাসিনার অসম্মানজনক আচরণ দেখেছি : ড. ইউনূসকে বলেন মোদি
আপনার প্রতি শেখ হাসিনার অসম্মানজনক আচরণ দেখেছি : ড. ইউনূসকে বলেন মোদি

৩ ঘণ্টা আগে | জাতীয়

যুক্তরাষ্ট্রের শুল্ক ইস্যুতে জরুরি সভা ডেকেছেন প্রধান উপদেষ্টা
যুক্তরাষ্ট্রের শুল্ক ইস্যুতে জরুরি সভা ডেকেছেন প্রধান উপদেষ্টা

৫ ঘণ্টা আগে | জাতীয়

ইরানে হামলার হুমকি থেকে পিছু হটলেন ট্রাম্প, সরাসরি আলোচনার প্রস্তাব
ইরানে হামলার হুমকি থেকে পিছু হটলেন ট্রাম্প, সরাসরি আলোচনার প্রস্তাব

৪ ঘণ্টা আগে | পূর্ব-পশ্চিম

আওয়ামী লীগের টাকার লোভে না পড়তে দলীয় নেতাদের হুঁশিয়ারি শামা ওবায়েদের
আওয়ামী লীগের টাকার লোভে না পড়তে দলীয় নেতাদের হুঁশিয়ারি শামা ওবায়েদের

১৭ ঘণ্টা আগে | রাজনীতি

৫ মিলিয়ন ডলারের ‘গোল্ড কার্ড’ ভিসা উন্মোচন করলেন ট্রাম্প
৫ মিলিয়ন ডলারের ‘গোল্ড কার্ড’ ভিসা উন্মোচন করলেন ট্রাম্প

২১ ঘণ্টা আগে | পূর্ব-পশ্চিম

ঐশ্বরিয়া আমার মেয়ে নয়, কেবল ছেলের বউ : জয়া বচ্চন
ঐশ্বরিয়া আমার মেয়ে নয়, কেবল ছেলের বউ : জয়া বচ্চন

২২ ঘণ্টা আগে | শোবিজ

শরীয়তপুরে দুই গ্রুপের সংঘর্ষ, শতাধিক হাতবোমা বিস্ফোরণ
শরীয়তপুরে দুই গ্রুপের সংঘর্ষ, শতাধিক হাতবোমা বিস্ফোরণ

৭ ঘণ্টা আগে | দেশগ্রাম

ড. ইউনূস-মোদি বৈঠক আশার আলো তৈরি করেছে: মির্জা ফখরুল
ড. ইউনূস-মোদি বৈঠক আশার আলো তৈরি করেছে: মির্জা ফখরুল

২৩ ঘণ্টা আগে | রাজনীতি

বিশ্বের শক্তিশালী পাসপোর্টের তালিকায় এক ধাপ এগোল বাংলাদেশ
বিশ্বের শক্তিশালী পাসপোর্টের তালিকায় এক ধাপ এগোল বাংলাদেশ

৬ ঘণ্টা আগে | জাতীয়

হোয়াইট হাউস থেকে বরখাস্ত একাধিক শীর্ষ কর্মকর্তা, আলোচনায় লরা লুমার
হোয়াইট হাউস থেকে বরখাস্ত একাধিক শীর্ষ কর্মকর্তা, আলোচনায় লরা লুমার

৮ ঘণ্টা আগে | পূর্ব-পশ্চিম

কালশী ফ্লাইওভারে গাড়ির সঙ্গে মোটরসাইকেলের সংঘর্ষ, দুই যুবক নিহত
কালশী ফ্লাইওভারে গাড়ির সঙ্গে মোটরসাইকেলের সংঘর্ষ, দুই যুবক নিহত

১৮ ঘণ্টা আগে | নগর জীবন

সাত দিনের মধ্যে যুক্তরাষ্ট্র ছাড়ার নির্দেশ, আতঙ্কে ইউক্রেনীয়রা
সাত দিনের মধ্যে যুক্তরাষ্ট্র ছাড়ার নির্দেশ, আতঙ্কে ইউক্রেনীয়রা

২ ঘণ্টা আগে | পূর্ব-পশ্চিম

হাসিনার এক মন্তব্যে সংকটে মাদারগঞ্জের সমবায় সমিতি
হাসিনার এক মন্তব্যে সংকটে মাদারগঞ্জের সমবায় সমিতি

২০ ঘণ্টা আগে | দেশগ্রাম

পরকীয়া প্রেমে বাধা দেওয়ায় স্বামীর পুরুষাঙ্গ কাটলো স্ত্রী
পরকীয়া প্রেমে বাধা দেওয়ায় স্বামীর পুরুষাঙ্গ কাটলো স্ত্রী

৭ ঘণ্টা আগে | দেশগ্রাম

‘আতঙ্কে তারা ভুল করেছে’: চীনের পাল্টা শুল্ক নিয়ে ট্রাম্প
‘আতঙ্কে তারা ভুল করেছে’: চীনের পাল্টা শুল্ক নিয়ে ট্রাম্প

৫ ঘণ্টা আগে | পূর্ব-পশ্চিম

একনজরে আজকের বাংলাদেশ প্রতিদিন (৫ এপ্রিল)
একনজরে আজকের বাংলাদেশ প্রতিদিন (৫ এপ্রিল)

১২ ঘণ্টা আগে | জাতীয়

নির্বাচনের কথা বলে মুখে ফেনা তুলে ফেললেই গণতন্ত্র হয় না : নুসরাত তাবাসসুম
নির্বাচনের কথা বলে মুখে ফেনা তুলে ফেললেই গণতন্ত্র হয় না : নুসরাত তাবাসসুম

৪ ঘণ্টা আগে | রাজনীতি

চালের দানার চেয়েও ছোট পেসমেকার তৈরি করলেন বিজ্ঞানীরা
চালের দানার চেয়েও ছোট পেসমেকার তৈরি করলেন বিজ্ঞানীরা

৯ ঘণ্টা আগে | বিজ্ঞান

ফিলিস্তিনি জনগণের প্রতি পাকিস্তান সেনা কমান্ডারদের অকুণ্ঠ সমর্থন
ফিলিস্তিনি জনগণের প্রতি পাকিস্তান সেনা কমান্ডারদের অকুণ্ঠ সমর্থন

২ ঘণ্টা আগে | পূর্ব-পশ্চিম

৫.৬ মাত্রার ভূমিকম্পে আবার কেঁপে উঠলো মিয়ানমার
৫.৬ মাত্রার ভূমিকম্পে আবার কেঁপে উঠলো মিয়ানমার

৯ ঘণ্টা আগে | পূর্ব-পশ্চিম

মিয়ানমারে বাংলাদেশ সশস্ত্র বাহিনীর নেতৃত্বে উদ্ধার ও চিকিৎসা কার্যক্রম অব্যাহত
মিয়ানমারে বাংলাদেশ সশস্ত্র বাহিনীর নেতৃত্বে উদ্ধার ও চিকিৎসা কার্যক্রম অব্যাহত

১৯ ঘণ্টা আগে | জাতীয়

‘প্রয়োজনে জোটগতভাবে নির্বাচন করবে এনসিপি’
‘প্রয়োজনে জোটগতভাবে নির্বাচন করবে এনসিপি’

২২ ঘণ্টা আগে | রাজনীতি

কালশী ফ্লাইওভারে দুর্ঘটনায় নিহত দুই যুবকের পরিচয় মিলেছে
কালশী ফ্লাইওভারে দুর্ঘটনায় নিহত দুই যুবকের পরিচয় মিলেছে

২ ঘণ্টা আগে | নগর জীবন

আইপিএলের প্রথমবার দেখা গেল এমন কিছু
আইপিএলের প্রথমবার দেখা গেল এমন কিছু

১০ ঘণ্টা আগে | মাঠে ময়দানে

লৌহজংয়ে পাওয়া মরদেহের টুকরোগুলো সাভারের সবুজ মোল্যার
লৌহজংয়ে পাওয়া মরদেহের টুকরোগুলো সাভারের সবুজ মোল্যার

৫ ঘণ্টা আগে | দেশগ্রাম

প্রতিকূল পরিবেশেও খেলাপি ঋণ কমেছে
প্রতিকূল পরিবেশেও খেলাপি ঋণ কমেছে

১৭ ঘণ্টা আগে | বাণিজ্য

আরো বাড়ল মিয়ানমারে ভূমিকম্পে মৃতের সংখ্যা
আরো বাড়ল মিয়ানমারে ভূমিকম্পে মৃতের সংখ্যা

৮ ঘণ্টা আগে | পূর্ব-পশ্চিম

প্রিন্ট সর্বাধিক
সুবিধাবাদী হাইব্রিডে অতিষ্ঠ বিএনপি
সুবিধাবাদী হাইব্রিডে অতিষ্ঠ বিএনপি

প্রথম পৃষ্ঠা

মুজিব ছিলেন বেপরোয়া
মুজিব ছিলেন বেপরোয়া

প্রথম পৃষ্ঠা

চলতি বছর টাইগারদের ৬ টেস্ট
চলতি বছর টাইগারদের ৬ টেস্ট

মাঠে ময়দানে

হাসিনাকে চাইল বাংলাদেশ
হাসিনাকে চাইল বাংলাদেশ

প্রথম পৃষ্ঠা

দেশের প্রযুক্তি খাতে বিপ্লব ঘটাবে স্টারলিংক
দেশের প্রযুক্তি খাতে বিপ্লব ঘটাবে স্টারলিংক

প্রথম পৃষ্ঠা

ধুঁকছেন পেট্রাপোলের ব্যবসায়ীরাও
ধুঁকছেন পেট্রাপোলের ব্যবসায়ীরাও

পেছনের পৃষ্ঠা

ইলিশের দামে আগুন
ইলিশের দামে আগুন

পেছনের পৃষ্ঠা

আজকের ভাগ্যচক্র
আজকের ভাগ্যচক্র

আজকের রাশি

মুখোমুখি সরকার-আইএমএফ
মুখোমুখি সরকার-আইএমএফ

প্রথম পৃষ্ঠা

দীর্ঘদিন ক্ষমতা আঁকড়ে রাখার চিন্তা করলে জনগণ মেনে নেবে না
দীর্ঘদিন ক্ষমতা আঁকড়ে রাখার চিন্তা করলে জনগণ মেনে নেবে না

নগর জীবন

‘মিনি জাফলংয়ে’ স্বাস্থ্যঝুঁকি
‘মিনি জাফলংয়ে’ স্বাস্থ্যঝুঁকি

নগর জীবন

দক্ষিণ এশিয়ার ইসরায়েল ভারত
দক্ষিণ এশিয়ার ইসরায়েল ভারত

পেছনের পৃষ্ঠা

রাজশাহী বিএনপিতে ত্রিধারা
রাজশাহী বিএনপিতে ত্রিধারা

নগর জীবন

হচ্ছে বাম দলের বৃহত্তর জোট!
হচ্ছে বাম দলের বৃহত্তর জোট!

প্রথম পৃষ্ঠা

চট্টগ্রাম-কক্সবাজার সড়কে শঙ্কা
চট্টগ্রাম-কক্সবাজার সড়কে শঙ্কা

পেছনের পৃষ্ঠা

আত্রাই নদীর চরে কুমড়াবাড়ি!
আত্রাই নদীর চরে কুমড়াবাড়ি!

পেছনের পৃষ্ঠা

কবির-মুসার বিরুদ্ধে এবার জালিয়াতির অভিযোগ
কবির-মুসার বিরুদ্ধে এবার জালিয়াতির অভিযোগ

নগর জীবন

নতুন জীবনের খোঁজে মাহি
নতুন জীবনের খোঁজে মাহি

শোবিজ

যৌথ পরিবারের গল্প
যৌথ পরিবারের গল্প

শনিবারের সকাল

এবার জনগণ ভোটাধিকার ফিরে পাবে
এবার জনগণ ভোটাধিকার ফিরে পাবে

প্রথম পৃষ্ঠা

১ লাখ ৮০ হাজার রোহিঙ্গা ফেরত নেবে মিয়ানমার
১ লাখ ৮০ হাজার রোহিঙ্গা ফেরত নেবে মিয়ানমার

প্রথম পৃষ্ঠা

আমাদের সম্পর্কটা বড় ভাই-ছোট ভাইয়ের মতো
আমাদের সম্পর্কটা বড় ভাই-ছোট ভাইয়ের মতো

শোবিজ

অভিযোগে মোশাররফ করিমের জবাব
অভিযোগে মোশাররফ করিমের জবাব

শোবিজ

জমজমাট বিনোদন কেন্দ্রগুলো
জমজমাট বিনোদন কেন্দ্রগুলো

পেছনের পৃষ্ঠা

প্রয়োজনীয় সংস্কার শেষে দ্রুত নির্বাচন
প্রয়োজনীয় সংস্কার শেষে দ্রুত নির্বাচন

প্রথম পৃষ্ঠা

নিশোর মুখে শাকিববন্দনা
নিশোর মুখে শাকিববন্দনা

শোবিজ

বাছাইপর্ব টপকাতে প্রস্তুত নিগাররা
বাছাইপর্ব টপকাতে প্রস্তুত নিগাররা

মাঠে ময়দানে

প্রয়োজনীয় সংস্কার করে দ্রুত নির্বাচন দিতে হবে
প্রয়োজনীয় সংস্কার করে দ্রুত নির্বাচন দিতে হবে

প্রথম পৃষ্ঠা

চলে যাচ্ছেন ম্যানসিটির ডি ব্রুইন
চলে যাচ্ছেন ম্যানসিটির ডি ব্রুইন

মাঠে ময়দানে

কলকাতার জার্সিতে ২০০ উইকেট
কলকাতার জার্সিতে ২০০ উইকেট

মাঠে ময়দানে