শিরোনাম
প্রকাশ: ০০:০০, রবিবার, ২৩ ফেব্রুয়ারি, ২০২৫

বখতিয়ার খলজির পথে বারবার হেঁটেছে বাংলাদেশ

মো. আবুসালেহ সেকেন্দার
প্রিন্ট ভার্সন
বখতিয়ার খলজির পথে বারবার হেঁটেছে বাংলাদেশ

ইতিহাসের সবচেয়ে বড় শিক্ষা হচ্ছে মানুষ ইতিহাস থেকে শিক্ষা নেয় না। ইতিহাসের পুনরাবৃত্তি একইভাবে না ঘটলেও তার অন্তর্নিহিত কারণ ও শিক্ষা একই থাকে। তাই ইতিহাস বারবার ফিরে ফিরে আসে। ক্ষমতাচ্যুত আওয়ামী লীগের ইতিহাস পর্যালোচনা করলে ইতিহাসের পুনরাবৃত্তির কথা সবার আগে সামনে আসবে। শেখ মুজিব থেকে শেখ হাসিনা- ইতিহাস যেন একই পথে হেঁটেছে। শেখ মুজিবুর রহমানের স্বাধীনতাপূর্ব জনপ্রিয়তার পারদ স্বাধীন বাংলাদেশে নড়বড়ে হয়ে যায়।  তিনি তাঁর শাসনামলের শেষ দিকে অনেকটা জনবিচ্ছিন্ন হয়ে পড়েন। কেন, কার বা কাদের কারণে তিনি জনবিচ্ছিন্ন হয়ে পড়েছিলেন, সেই ইতিহাস থেকে শিক্ষা আওয়ামী লীগের নেতা-কর্মীরা নিয়েছেন বলে মনে হয়নি। তাদের অনেকের কার্যক্রম দেখে বখতিয়ার খলজির পথে বারবার হেঁটেছে বাংলাদেশ মনে হয় ১৯৭৫ সালের ১৫ আগস্টের পর থেকে ১৯৯৬ সাল পর্যন্ত পুনরায় সরকার গঠনের পূর্ব পর্যন্ত দিনগুলোর চিত্রও তারা ১৯৯৬ সালে এবং ২০০৮ সালে ক্ষমতা গ্রহণ করার পর বেমালুম ভুলে যায়। ১৯৯৬ থেকে ২০০০ সাল পর্যন্ত সময়ে তাদের শাসনকালের ইতিহাস ঘাঁটলে সেই কথার সত্যতা পাওয়া যাবে। যার পরিণতিতে ২০০১ সালে তাদের আবারও ক্ষমতা হারাতে হয়।

সৃষ্টিকর্তা আবারও আওয়ামী লীগের প্রতি মুখ তুলে চেয়েছিলেন ২০০৮ সালে। সেনা-সমর্থিত তত্ত্বাবধায়ক সরকারের অধীনে অনুষ্ঠিত নির্বাচনে আওয়ামী লীগ বিপুল সংখ্যাগরিষ্ঠতা নিয়ে ক্ষমতায় বসে। কিন্তু সেই ক্ষমতা গ্রহণের পর তারা গণতন্ত্রকে সুসংহত করতে চরমভাবে ব্যর্থ হয়। সীমিত পরিসরের গণতান্ত্রিক ধারায় আওয়ামী লীগের গাড়ি আটকে যায়। সেই আটকানোর পরিণতি কতটা ভয়াবহ পতন ডেকে আনতে পারে, তা সারা বিশে^র মানুষ দেখেছে গত বছরের জুলাই-আগস্টে। ছাত্র-জনতার তীব্র আন্দোলনে আওয়ামী লীগের সাজানো বাগান তছনছ হয়ে গেছে। তারা  ছিটকে পড়ে ক্ষমতার বাইরে। ১৯৭১ সালে বাংলাদেশের স্বাধীনতাসংগ্রামে নেতৃত্বদানকারী রাজনৈতিক দল আওয়ামী লীগের নেতা-কর্মীরা আজ গণহত্যায় বিচারের মুখোমুখি। অতি আত্মবিশ^াস ও আত্মন্ডঅহংকার আওয়ামী লীগের এই পরিণতির জন্য দায়ী।

শুধু আওয়ামী লীগের ক্ষেত্রে এই কথা প্রযোজ্য নয়। বাংলাদেশের অপরাপর রাজনৈতিক দলের খানা তল্লাশি করলেও একই পরিণতির শিক্ষা পাওয়া যায়। ক্ষমতার বাইরে থাকলে তাদের অনেকের এক রূপ, আর ক্ষমতায় গেলে তাদের অনেকের ভিন্ন রূপ চোখে পড়ে। ক্ষমতা যেন তাদের অন্ধ করে দেয়। তখন অনেকেই ধরাকে সরা জ্ঞান করেন না। ফলে তার পরিণতিতে পতন ঘটে। কিন্তু দুর্ভাগ্যজনক হলেও সত্য বাংলাদেশের রাজনৈতিক দলের কর্মী-সমর্থকদের অনেকেই ক্ষমতার পট পরিবর্তনের সঙ্গে সঙ্গে তাদের অতীতকে ভুলে যান। তাদের বয়ান তারা পাল্টে ফেলেন।

যদিও তারা মুহাম্মদ বখতিয়ার আল খলজি থেকে শিক্ষা নিতে পারতেন। ১২০৪ সালে বখতিয়ার খলজি বাংলার তৎকালীন শাসক রাজা লক্ষ্মণ সেনের শাসিত নদীয়ায় বিজয়ী বেশে প্রবেশ করেন। এর মাত্র দুই বছর পর অর্থাৎ ১২০৬ সালে তাঁকে ইতিহাস সেরা পরাজয়ের মুখোমুখি হতে হয়। ১২০৪ সালে নদীয়া বিজয়ের কারণে বখতিয়ার খলজির সঙ্গে থাকা সৈন্যরা ও তাঁর পরিবারের চোখে তিনি নায়ক ছিলেন। কিন্তু মাত্র দুই বছরের মধ্যে তাঁর তিব্বত অভিযান ব্যর্থ হলে তিনি তাঁদের কাছে খলনায়কে পরিণত হন। ঐতিহাসিক মিনহাজ উদ্দিন সিরাজ তাঁর ‘তবকাত নাসিরি’ গ্রন্থে লিখেছেন : তিব্বত অভিযান থেকে পরাজিত হয়ে দেওকোটে ফেরত আসার পর বখতিয়ার খলজি অত্যধিক মানসিক যন্ত্রণায় রোগাক্রান্ত হয়ে পড়েন। তিব্বত অভিযানে নিহত সৈন্যদের স্ত্রী ও সন্তানদের সঙ্গে দেখা হলে তিনি লজ্জায় ঘোড়ায় চড়া থেকে বিরত থাকতেন।

মিনহাজের উপর্যুক্ত দাবি থেকে মনে হতে পারে যে বখতিয়ার খলজি তিব্বত অভিযানে নিহত সৈন্যদের স্ত্রী ও সন্তানদের প্রতি সম্মানার্থে ঘোড়ায় চড়তেন না। কিন্তু প্রকৃত কারণ ছিল ভিন্ন। তাঁর পক্ষে প্রকৃতপক্ষে ঘোড়ায় চড়া সম্ভব হতো না। মিনহাজের লেখা থেকেই তা স্পষ্ট হয়। মিনহাজের মতে, যখনই বখতিয়ার খলজি ঘোড়ায় চড়তেন তখনই তিব্বত অভিযানে নিহত সৈন্যদের স্ত্রী-সন্তানরা ঘর ও রাস্তায় থাকা সব লোক যাদের অধিকাংশ নারী ও শিশু তাঁর বিরুদ্ধে অভিযোগ করতেন। বখতিয়ার খলজিকে অভিশাপ দিতেন এবং গালিগালাজ করতেন। বাধ্য হয়ে তিনি ঘোড়ায় চড়তে পারতেন না। পরিস্থিতি এমন পর্যায়ে চলে যায় যে একসময় তিনি ঘর থেকেই আর বের হতেন না।

১২০৪ সালে যে বখতিয়ার খলজি নায়ক বেশে নদীয়া প্রবেশ করেন সেই বখতিয়ার খলজির অমন পরিণতির কারণ ছিল নদীয়া বিজয় তাঁকে উচ্চাভিলাষী করে তুলেছিল। পরাক্রমশীল লক্ষ্মণ সেনের বিরুদ্ধে মাত্র ১৭-১৮ জন সৈন্য নিয়ে বিশাল জয় পাওয়ায় তিনি আত্ম-অহংকার আত্মগরিমায় ভুগছিলেন। অতি আত্মবিশ^াসে তিনি তিব্বত অভিযানে যান এবং ওই অভিযানে তাঁর পুরো সেনাবাহিনী ধ্বংস হয়ে যায়। শতাধিক সৈন্য নিয়ে তিনি দেওকোটে ফিরে আসেন।

তিব্বতে অভিযানের আগে যে ধরনের গোয়েন্দা তথ্য দরকার ছিল তা বখতিয়ার খলজির কাছে ছিল না। তাঁর তিব্বত অভিযানের পুরো সামরিক রণনীতি ও রণকৌশল বিশ্লেষণ করলে দেখা যাবে যে তিনি তিব্বত সম্পর্কে খুব বেশি জানতেন না। ফলে প্রকৃতি ও জনপ্রতিরোধে পড়ে তাঁর পরাজয় ঘটে। আর তাঁর চূড়ান্ত পরাজয় কামরূপে নিশ্চিত হয়। তাঁর দুইজন আমিরের অন্তঃকলহের কারণে তিব্বতের পর কামরূপেও তাঁর পরাজয় ঘটে।

মিনহাজের বিবরণ থেকে জানা যায়, বখতিয়ার খলজি তিব্বত অভিযান থেকে ফেরত আসার পথ শত্রুমুক্ত রাখতে কৌশলগত সামরিক দিক দিয়ে গুরুত্বপূর্ণ সিল হাকো সেতু পাহারায় দুজন আমিরকে প্রচুর সৈন্যসহ নিযুক্ত করেন। ওই আমিরের মধ্যে একজন ছিলেন তুর্কি দাস। অন্যজন ছিলেন খলজি আমির। বখতিয়ার খলজি তিব্বতের দিকে অগ্রসর হওয়ার পর ওই তুর্কি ও খলজি আমির নিজেদের মধ্যে বিবাদে জড়িয়ে পড়েন। ওই বিবাদ এমন পর্যায়ে পৌঁছে যায়, শেষ পর্যন্ত তা সামরিক সংঘাতে গড়ায়। ওই সংঘাতের ফলে তাঁরা গুরুত্বপূর্ণ সিল হাকো সেতু ও সেতুসংলগ্ন রাস্তার পাহারা ছেড়ে চলে যান। ওই সুযোগে কামরূপের রাজা পৃথু সেতুটি ধ্বংস করে দেন। ফলে তিব্বত অভিযান থেকে ব্যর্থ হয়ে ফিরে আসার পথে খলজির পক্ষে নির্বিঘ্নে দেওকোটে ফেরত আসা সম্ভব হয়নি। তিনি কামরূপের রাজা কর্তৃক আক্রান্ত হন। ওই আক্রমণের ফলে তাঁর পুরো সেনাবাহিনী ধ্বংস হয়ে যায়। কামরূপের রাজা পৃথুর হঠাৎ আক্রমণে শতাধিক সৈন্যসহ বখতিয়ার খলজি প্রাণরক্ষা করতে সক্ষম হন। ১০ হাজার সৈন্য নিয়ে তিনি তিব্বত অভিযানে যান। কিন্তু দেওকোটে ফিরে আসেন শতাধিক সৈন্যসহ। বাকিরা তিব্বত ও কামরূপে প্রাণ হারান।

১২০৪ সালের নদীয় বিজয়ের নায়ক বখতিয়ার খলজি মাত্র দুই বছরের মধ্যে ১২০৬ সালে খলনায়কে পরিণত হন। তাঁর ওই নায়ক থেকে খলনায়কে পরিণত হওয়ার ঘটনার মধ্যে রাজনীতিবিদদের জন্য ঐতিহাসিক শিক্ষা রয়েছে। কিন্তু ইতিহাসের ঘটনার পরম্পরা বলে বাংলাদেশের রাজনীতিবিদরা কখনো বখতিয়ার খলজির খলনায়কে পরিণত হওয়ার ঘটনা থেকে শিক্ষা নেননি। তাই বাংলাদেশের রাজনীতিতে ইতিহাসের শিক্ষার বারবার পুনরাবৃত্তি ঘটেছে।  একদা যিনি নায়ক হিসেবে জনতা কর্তৃক নন্দিত হয়েছেন, পরবর্তীকালে তিনিই আবার জনতার কাছে খলনায়কে পরিণত হয়ে নিন্দিত হয়েছেন। অপ্রিয় হলেও বাংলাদেশের ইতিহাস ঘাঁটলে উপর্যুক্ত কথার সত্যতা যেন বারবার যুগে যুগে ফিরে ফিরে এসেছে।

♦ লেখক : সহকারী অধ্যাপক, ইসলামের ইতিহাস ও সংস্কৃতি বিভাগ, জগন্নাথ বিশ্ববিদ্যালয়

[email protected]

এই বিভাগের আরও খবর
সামাজিক ব্যবসা
সামাজিক ব্যবসা
রপ্তানি খাতে ধাক্কা
রপ্তানি খাতে ধাক্কা
ফিলিস্তিনের নাবলুস নগরী
ফিলিস্তিনের নাবলুস নগরী
জীবনজুড়ে রমজানের রেশ ধরে রাখুন
জীবনজুড়ে রমজানের রেশ ধরে রাখুন
ফুলচাষিদের স্বাস্থ্যঝুঁঁকি
ফুলচাষিদের স্বাস্থ্যঝুঁঁকি
রেমিট্যান্সে আশার আলো
রেমিট্যান্সে আশার আলো
ভোটের আলোচনা
ভোটের আলোচনা
বিমসটেক সম্মেলন
বিমসটেক সম্মেলন
ডিজিটাল সংস্কৃতি : ভার্চুয়াল উৎসব
ডিজিটাল সংস্কৃতি : ভার্চুয়াল উৎসব
শাওয়াল মাসের ছয় রোজার পুণ্য
শাওয়াল মাসের ছয় রোজার পুণ্য
ব্যাংককে বৈঠক, ঢাকা-দিল্লিতে গুঞ্জন
ব্যাংককে বৈঠক, ঢাকা-দিল্লিতে গুঞ্জন
এই সময়ের রাজনৈতিক চ্যালেঞ্জ
এই সময়ের রাজনৈতিক চ্যালেঞ্জ
সর্বশেষ খবর
চাঁদপুরে ৬৪ যানবাহনে তল্লাশি ও জরিমানা
চাঁদপুরে ৬৪ যানবাহনে তল্লাশি ও জরিমানা

১ সেকেন্ড আগে | দেশগ্রাম

বিমসটেক শীর্ষ সম্মেলনে যেসব সিদ্ধান্ত গৃহীত
বিমসটেক শীর্ষ সম্মেলনে যেসব সিদ্ধান্ত গৃহীত

১ মিনিট আগে | জাতীয়

‘পার্বত্য অঞ্চলের শিক্ষাব্যবস্থাকে মানসম্মত করতে হবে’
‘পার্বত্য অঞ্চলের শিক্ষাব্যবস্থাকে মানসম্মত করতে হবে’

১ মিনিট আগে | দেশগ্রাম

যুক্তরাষ্ট্রে বাংলাদেশের রফতানি আরও বাড়বে, কমবে না: প্রেস সচিব
যুক্তরাষ্ট্রে বাংলাদেশের রফতানি আরও বাড়বে, কমবে না: প্রেস সচিব

১০ মিনিট আগে | জাতীয়

সিআরবিতে পরিচ্ছন্নতা অভিযান
সিআরবিতে পরিচ্ছন্নতা অভিযান

১৮ মিনিট আগে | চট্টগ্রাম প্রতিদিন

ঢাকাসহ ৭ অঞ্চলে মধ্যরাতের মধ্যে ঝড়ের আভাস
ঢাকাসহ ৭ অঞ্চলে মধ্যরাতের মধ্যে ঝড়ের আভাস

৩৬ মিনিট আগে | জাতীয়

মুক্তাগাছায় মোটরসাইকেল দুর্ঘটনায় নিহত ১
মুক্তাগাছায় মোটরসাইকেল দুর্ঘটনায় নিহত ১

৪২ মিনিট আগে | দেশগ্রাম

বরিশালে ডোবা থেকে অজ্ঞাত লাশ উদ্ধার
বরিশালে ডোবা থেকে অজ্ঞাত লাশ উদ্ধার

৪৪ মিনিট আগে | নগর জীবন

কালীগঞ্জে রেল ব্রিজের নিচ থেকে অজ্ঞাত যুবকের লাশ উদ্ধার
কালীগঞ্জে রেল ব্রিজের নিচ থেকে অজ্ঞাত যুবকের লাশ উদ্ধার

৫১ মিনিট আগে | দেশগ্রাম

মেক্সিকোতে প্রথম এইচ৫এন১ বার্ড ফ্লু রোগী শনাক্ত
মেক্সিকোতে প্রথম এইচ৫এন১ বার্ড ফ্লু রোগী শনাক্ত

৫১ মিনিট আগে | পূর্ব-পশ্চিম

অষ্টমী স্নানে ব্রহ্মপুত্র নদে পুণ্যার্থীদের ঢল
অষ্টমী স্নানে ব্রহ্মপুত্র নদে পুণ্যার্থীদের ঢল

৫৪ মিনিট আগে | দেশগ্রাম

ধর্ষণের শিকার জমজ দুই বোনকে আইনি সহায়তা প্রদানের দায়িত্ব নিলেন তারেক রহমান
ধর্ষণের শিকার জমজ দুই বোনকে আইনি সহায়তা প্রদানের দায়িত্ব নিলেন তারেক রহমান

১ ঘণ্টা আগে | দেশগ্রাম

ব্যবসায়ীর ফেলে যাওয়া ১৮ ভরি স্বর্ণ ‍ফিরিয়ে দিলেন অটোরিকশাচালক
ব্যবসায়ীর ফেলে যাওয়া ১৮ ভরি স্বর্ণ ‍ফিরিয়ে দিলেন অটোরিকশাচালক

১ ঘণ্টা আগে | দেশগ্রাম

৩২৯টি উপজেলায় হচ্ছে টেকনিক্যাল স্কুল অ্যান্ড কলেজ
৩২৯টি উপজেলায় হচ্ছে টেকনিক্যাল স্কুল অ্যান্ড কলেজ

১ ঘণ্টা আগে | দেশগ্রাম

ডার্ক এনার্জি স্থির নয়! বিজ্ঞানীদের সামনে নতুন ধাঁধা
ডার্ক এনার্জি স্থির নয়! বিজ্ঞানীদের সামনে নতুন ধাঁধা

১ ঘণ্টা আগে | বিজ্ঞান

ঈদের ছুটিতে ঢাকা ছেড়েছেন ১ কোটি সিমধারী, ফিরেছেন ৪৪ লাখ
ঈদের ছুটিতে ঢাকা ছেড়েছেন ১ কোটি সিমধারী, ফিরেছেন ৪৪ লাখ

১ ঘণ্টা আগে | জাতীয়

ঈদের পঞ্চম দিনেও ‘দাগি’-‘জংলি’র দাপট অব্যাহত, আয় কত?
ঈদের পঞ্চম দিনেও ‘দাগি’-‘জংলি’র দাপট অব্যাহত, আয় কত?

১ ঘণ্টা আগে | শোবিজ

পতেঙ্গায় ১ কেজি স্বর্ণালংকারসহ আটক ৫
পতেঙ্গায় ১ কেজি স্বর্ণালংকারসহ আটক ৫

১ ঘণ্টা আগে | চট্টগ্রাম প্রতিদিন

‌‌‘শিক্ষার্থীরা পাস করে চাকরির জন্য নেতাদের পেছনে ঘুরতে হবে না’
‌‌‘শিক্ষার্থীরা পাস করে চাকরির জন্য নেতাদের পেছনে ঘুরতে হবে না’

১ ঘণ্টা আগে | দেশগ্রাম

আগৈলঝাড়ায় বসুন্ধরা শুভসংঘের মাসব্যাপী মাদকবিরোধী প্রচারণা শুরু
আগৈলঝাড়ায় বসুন্ধরা শুভসংঘের মাসব্যাপী মাদকবিরোধী প্রচারণা শুরু

১ ঘণ্টা আগে | বসুন্ধরা শুভসংঘ

বিএনপি নেতার বহিষ্কারের প্রতিবাদে বিক্ষোভ
বিএনপি নেতার বহিষ্কারের প্রতিবাদে বিক্ষোভ

১ ঘণ্টা আগে | দেশগ্রাম

মেঘনা-তিতাসে অষ্টমী গঙ্গাস্নানে উপচেপড়া ভিড়
মেঘনা-তিতাসে অষ্টমী গঙ্গাস্নানে উপচেপড়া ভিড়

১ ঘণ্টা আগে | দেশগ্রাম

কসবায় যুবককে ডেকে নিয়ে হত্যার অভিযোগ
কসবায় যুবককে ডেকে নিয়ে হত্যার অভিযোগ

১ ঘণ্টা আগে | দেশগ্রাম

সিলেটে টাকা ধার না দেওয়ায় যুবক খুন
সিলেটে টাকা ধার না দেওয়ায় যুবক খুন

১ ঘণ্টা আগে | চায়ের দেশ

চট্টগ্রামে জেলেদের জালে মিলল বৃদ্ধার লাশ
চট্টগ্রামে জেলেদের জালে মিলল বৃদ্ধার লাশ

১ ঘণ্টা আগে | চট্টগ্রাম প্রতিদিন

মুন্সিগঞ্জে ধলেশ্বরী নদীর তীরে অষ্টমী স্নান উৎসব পালিত
মুন্সিগঞ্জে ধলেশ্বরী নদীর তীরে অষ্টমী স্নান উৎসব পালিত

১ ঘণ্টা আগে | দেশগ্রাম

ছাত্র আন্দোলনে হত্যা মামলায় শ্রমিক লীগ নেতা গ্রেফতার
ছাত্র আন্দোলনে হত্যা মামলায় শ্রমিক লীগ নেতা গ্রেফতার

১ ঘণ্টা আগে | নগর জীবন

লাশের গন্ধে ভারী মিয়ানমারের সাগাইংয়ের বাতাস
লাশের গন্ধে ভারী মিয়ানমারের সাগাইংয়ের বাতাস

১ ঘণ্টা আগে | পূর্ব-পশ্চিম

পাংকর আইল্যান্ড, যেখানে পাহাড় ও সমুদ্রের অসাধারণ মিতালি!
পাংকর আইল্যান্ড, যেখানে পাহাড় ও সমুদ্রের অসাধারণ মিতালি!

২ ঘণ্টা আগে | পরবাস

এই মেয়েরাই সামনের দিনেও আমাদের পথ দেখাবে (ভিডিও)
এই মেয়েরাই সামনের দিনেও আমাদের পথ দেখাবে (ভিডিও)

২ ঘণ্টা আগে | জাতীয়

সর্বাধিক পঠিত
ঈদুল আজহার সম্ভাব্য তারিখ প্রকাশ
ঈদুল আজহার সম্ভাব্য তারিখ প্রকাশ

২২ ঘণ্টা আগে | পূর্ব-পশ্চিম

আত্মরক্ষার জন্য ইরানের সর্বোচ্চ প্রস্তুতি রয়েছে : সৌদি যুবরাজকে পেজেশকিয়ান
আত্মরক্ষার জন্য ইরানের সর্বোচ্চ প্রস্তুতি রয়েছে : সৌদি যুবরাজকে পেজেশকিয়ান

৮ ঘণ্টা আগে | পূর্ব-পশ্চিম

পর্দায় নয়, এবার সত্যিই বিয়ে করলেন শামীম হাসান সরকার
পর্দায় নয়, এবার সত্যিই বিয়ে করলেন শামীম হাসান সরকার

২২ ঘণ্টা আগে | শোবিজ

আপনার প্রতি শেখ হাসিনার অসম্মানজনক আচরণ দেখেছি : ড. ইউনূসকে বলেন মোদি
আপনার প্রতি শেখ হাসিনার অসম্মানজনক আচরণ দেখেছি : ড. ইউনূসকে বলেন মোদি

৩ ঘণ্টা আগে | জাতীয়

যুক্তরাষ্ট্রের শুল্ক ইস্যুতে জরুরি সভা ডেকেছেন প্রধান উপদেষ্টা
যুক্তরাষ্ট্রের শুল্ক ইস্যুতে জরুরি সভা ডেকেছেন প্রধান উপদেষ্টা

৫ ঘণ্টা আগে | জাতীয়

ইরানে হামলার হুমকি থেকে পিছু হটলেন ট্রাম্প, সরাসরি আলোচনার প্রস্তাব
ইরানে হামলার হুমকি থেকে পিছু হটলেন ট্রাম্প, সরাসরি আলোচনার প্রস্তাব

৪ ঘণ্টা আগে | পূর্ব-পশ্চিম

আওয়ামী লীগের টাকার লোভে না পড়তে দলীয় নেতাদের হুঁশিয়ারি শামা ওবায়েদের
আওয়ামী লীগের টাকার লোভে না পড়তে দলীয় নেতাদের হুঁশিয়ারি শামা ওবায়েদের

১৭ ঘণ্টা আগে | রাজনীতি

৫ মিলিয়ন ডলারের ‘গোল্ড কার্ড’ ভিসা উন্মোচন করলেন ট্রাম্প
৫ মিলিয়ন ডলারের ‘গোল্ড কার্ড’ ভিসা উন্মোচন করলেন ট্রাম্প

২১ ঘণ্টা আগে | পূর্ব-পশ্চিম

ঐশ্বরিয়া আমার মেয়ে নয়, কেবল ছেলের বউ : জয়া বচ্চন
ঐশ্বরিয়া আমার মেয়ে নয়, কেবল ছেলের বউ : জয়া বচ্চন

২২ ঘণ্টা আগে | শোবিজ

শরীয়তপুরে দুই গ্রুপের সংঘর্ষ, শতাধিক হাতবোমা বিস্ফোরণ
শরীয়তপুরে দুই গ্রুপের সংঘর্ষ, শতাধিক হাতবোমা বিস্ফোরণ

৭ ঘণ্টা আগে | দেশগ্রাম

ড. ইউনূস-মোদি বৈঠক আশার আলো তৈরি করেছে: মির্জা ফখরুল
ড. ইউনূস-মোদি বৈঠক আশার আলো তৈরি করেছে: মির্জা ফখরুল

২৩ ঘণ্টা আগে | রাজনীতি

বিশ্বের শক্তিশালী পাসপোর্টের তালিকায় এক ধাপ এগোল বাংলাদেশ
বিশ্বের শক্তিশালী পাসপোর্টের তালিকায় এক ধাপ এগোল বাংলাদেশ

৬ ঘণ্টা আগে | জাতীয়

হোয়াইট হাউস থেকে বরখাস্ত একাধিক শীর্ষ কর্মকর্তা, আলোচনায় লরা লুমার
হোয়াইট হাউস থেকে বরখাস্ত একাধিক শীর্ষ কর্মকর্তা, আলোচনায় লরা লুমার

৮ ঘণ্টা আগে | পূর্ব-পশ্চিম

কালশী ফ্লাইওভারে গাড়ির সঙ্গে মোটরসাইকেলের সংঘর্ষ, দুই যুবক নিহত
কালশী ফ্লাইওভারে গাড়ির সঙ্গে মোটরসাইকেলের সংঘর্ষ, দুই যুবক নিহত

১৮ ঘণ্টা আগে | নগর জীবন

সাত দিনের মধ্যে যুক্তরাষ্ট্র ছাড়ার নির্দেশ, আতঙ্কে ইউক্রেনীয়রা
সাত দিনের মধ্যে যুক্তরাষ্ট্র ছাড়ার নির্দেশ, আতঙ্কে ইউক্রেনীয়রা

২ ঘণ্টা আগে | পূর্ব-পশ্চিম

হাসিনার এক মন্তব্যে সংকটে মাদারগঞ্জের সমবায় সমিতি
হাসিনার এক মন্তব্যে সংকটে মাদারগঞ্জের সমবায় সমিতি

২০ ঘণ্টা আগে | দেশগ্রাম

পরকীয়া প্রেমে বাধা দেওয়ায় স্বামীর পুরুষাঙ্গ কাটলো স্ত্রী
পরকীয়া প্রেমে বাধা দেওয়ায় স্বামীর পুরুষাঙ্গ কাটলো স্ত্রী

৭ ঘণ্টা আগে | দেশগ্রাম

‘আতঙ্কে তারা ভুল করেছে’: চীনের পাল্টা শুল্ক নিয়ে ট্রাম্প
‘আতঙ্কে তারা ভুল করেছে’: চীনের পাল্টা শুল্ক নিয়ে ট্রাম্প

৫ ঘণ্টা আগে | পূর্ব-পশ্চিম

একনজরে আজকের বাংলাদেশ প্রতিদিন (৫ এপ্রিল)
একনজরে আজকের বাংলাদেশ প্রতিদিন (৫ এপ্রিল)

১২ ঘণ্টা আগে | জাতীয়

নির্বাচনের কথা বলে মুখে ফেনা তুলে ফেললেই গণতন্ত্র হয় না : নুসরাত তাবাসসুম
নির্বাচনের কথা বলে মুখে ফেনা তুলে ফেললেই গণতন্ত্র হয় না : নুসরাত তাবাসসুম

৪ ঘণ্টা আগে | রাজনীতি

চালের দানার চেয়েও ছোট পেসমেকার তৈরি করলেন বিজ্ঞানীরা
চালের দানার চেয়েও ছোট পেসমেকার তৈরি করলেন বিজ্ঞানীরা

৯ ঘণ্টা আগে | বিজ্ঞান

ফিলিস্তিনি জনগণের প্রতি পাকিস্তান সেনা কমান্ডারদের অকুণ্ঠ সমর্থন
ফিলিস্তিনি জনগণের প্রতি পাকিস্তান সেনা কমান্ডারদের অকুণ্ঠ সমর্থন

২ ঘণ্টা আগে | পূর্ব-পশ্চিম

৫.৬ মাত্রার ভূমিকম্পে আবার কেঁপে উঠলো মিয়ানমার
৫.৬ মাত্রার ভূমিকম্পে আবার কেঁপে উঠলো মিয়ানমার

৯ ঘণ্টা আগে | পূর্ব-পশ্চিম

মিয়ানমারে বাংলাদেশ সশস্ত্র বাহিনীর নেতৃত্বে উদ্ধার ও চিকিৎসা কার্যক্রম অব্যাহত
মিয়ানমারে বাংলাদেশ সশস্ত্র বাহিনীর নেতৃত্বে উদ্ধার ও চিকিৎসা কার্যক্রম অব্যাহত

১৯ ঘণ্টা আগে | জাতীয়

‘প্রয়োজনে জোটগতভাবে নির্বাচন করবে এনসিপি’
‘প্রয়োজনে জোটগতভাবে নির্বাচন করবে এনসিপি’

২২ ঘণ্টা আগে | রাজনীতি

কালশী ফ্লাইওভারে দুর্ঘটনায় নিহত দুই যুবকের পরিচয় মিলেছে
কালশী ফ্লাইওভারে দুর্ঘটনায় নিহত দুই যুবকের পরিচয় মিলেছে

২ ঘণ্টা আগে | নগর জীবন

আইপিএলের প্রথমবার দেখা গেল এমন কিছু
আইপিএলের প্রথমবার দেখা গেল এমন কিছু

১০ ঘণ্টা আগে | মাঠে ময়দানে

লৌহজংয়ে পাওয়া মরদেহের টুকরোগুলো সাভারের সবুজ মোল্যার
লৌহজংয়ে পাওয়া মরদেহের টুকরোগুলো সাভারের সবুজ মোল্যার

৫ ঘণ্টা আগে | দেশগ্রাম

প্রতিকূল পরিবেশেও খেলাপি ঋণ কমেছে
প্রতিকূল পরিবেশেও খেলাপি ঋণ কমেছে

১৭ ঘণ্টা আগে | বাণিজ্য

আরো বাড়ল মিয়ানমারে ভূমিকম্পে মৃতের সংখ্যা
আরো বাড়ল মিয়ানমারে ভূমিকম্পে মৃতের সংখ্যা

৮ ঘণ্টা আগে | পূর্ব-পশ্চিম

প্রিন্ট সর্বাধিক
সুবিধাবাদী হাইব্রিডে অতিষ্ঠ বিএনপি
সুবিধাবাদী হাইব্রিডে অতিষ্ঠ বিএনপি

প্রথম পৃষ্ঠা

মুজিব ছিলেন বেপরোয়া
মুজিব ছিলেন বেপরোয়া

প্রথম পৃষ্ঠা

চলতি বছর টাইগারদের ৬ টেস্ট
চলতি বছর টাইগারদের ৬ টেস্ট

মাঠে ময়দানে

হাসিনাকে চাইল বাংলাদেশ
হাসিনাকে চাইল বাংলাদেশ

প্রথম পৃষ্ঠা

দেশের প্রযুক্তি খাতে বিপ্লব ঘটাবে স্টারলিংক
দেশের প্রযুক্তি খাতে বিপ্লব ঘটাবে স্টারলিংক

প্রথম পৃষ্ঠা

ধুঁকছেন পেট্রাপোলের ব্যবসায়ীরাও
ধুঁকছেন পেট্রাপোলের ব্যবসায়ীরাও

পেছনের পৃষ্ঠা

ইলিশের দামে আগুন
ইলিশের দামে আগুন

পেছনের পৃষ্ঠা

আজকের ভাগ্যচক্র
আজকের ভাগ্যচক্র

আজকের রাশি

মুখোমুখি সরকার-আইএমএফ
মুখোমুখি সরকার-আইএমএফ

প্রথম পৃষ্ঠা

দীর্ঘদিন ক্ষমতা আঁকড়ে রাখার চিন্তা করলে জনগণ মেনে নেবে না
দীর্ঘদিন ক্ষমতা আঁকড়ে রাখার চিন্তা করলে জনগণ মেনে নেবে না

নগর জীবন

‘মিনি জাফলংয়ে’ স্বাস্থ্যঝুঁকি
‘মিনি জাফলংয়ে’ স্বাস্থ্যঝুঁকি

নগর জীবন

দক্ষিণ এশিয়ার ইসরায়েল ভারত
দক্ষিণ এশিয়ার ইসরায়েল ভারত

পেছনের পৃষ্ঠা

রাজশাহী বিএনপিতে ত্রিধারা
রাজশাহী বিএনপিতে ত্রিধারা

নগর জীবন

হচ্ছে বাম দলের বৃহত্তর জোট!
হচ্ছে বাম দলের বৃহত্তর জোট!

প্রথম পৃষ্ঠা

চট্টগ্রাম-কক্সবাজার সড়কে শঙ্কা
চট্টগ্রাম-কক্সবাজার সড়কে শঙ্কা

পেছনের পৃষ্ঠা

আত্রাই নদীর চরে কুমড়াবাড়ি!
আত্রাই নদীর চরে কুমড়াবাড়ি!

পেছনের পৃষ্ঠা

কবির-মুসার বিরুদ্ধে এবার জালিয়াতির অভিযোগ
কবির-মুসার বিরুদ্ধে এবার জালিয়াতির অভিযোগ

নগর জীবন

নতুন জীবনের খোঁজে মাহি
নতুন জীবনের খোঁজে মাহি

শোবিজ

যৌথ পরিবারের গল্প
যৌথ পরিবারের গল্প

শনিবারের সকাল

এবার জনগণ ভোটাধিকার ফিরে পাবে
এবার জনগণ ভোটাধিকার ফিরে পাবে

প্রথম পৃষ্ঠা

১ লাখ ৮০ হাজার রোহিঙ্গা ফেরত নেবে মিয়ানমার
১ লাখ ৮০ হাজার রোহিঙ্গা ফেরত নেবে মিয়ানমার

প্রথম পৃষ্ঠা

আমাদের সম্পর্কটা বড় ভাই-ছোট ভাইয়ের মতো
আমাদের সম্পর্কটা বড় ভাই-ছোট ভাইয়ের মতো

শোবিজ

অভিযোগে মোশাররফ করিমের জবাব
অভিযোগে মোশাররফ করিমের জবাব

শোবিজ

জমজমাট বিনোদন কেন্দ্রগুলো
জমজমাট বিনোদন কেন্দ্রগুলো

পেছনের পৃষ্ঠা

প্রয়োজনীয় সংস্কার শেষে দ্রুত নির্বাচন
প্রয়োজনীয় সংস্কার শেষে দ্রুত নির্বাচন

প্রথম পৃষ্ঠা

নিশোর মুখে শাকিববন্দনা
নিশোর মুখে শাকিববন্দনা

শোবিজ

বাছাইপর্ব টপকাতে প্রস্তুত নিগাররা
বাছাইপর্ব টপকাতে প্রস্তুত নিগাররা

মাঠে ময়দানে

প্রয়োজনীয় সংস্কার করে দ্রুত নির্বাচন দিতে হবে
প্রয়োজনীয় সংস্কার করে দ্রুত নির্বাচন দিতে হবে

প্রথম পৃষ্ঠা

চলে যাচ্ছেন ম্যানসিটির ডি ব্রুইন
চলে যাচ্ছেন ম্যানসিটির ডি ব্রুইন

মাঠে ময়দানে

কলকাতার জার্সিতে ২০০ উইকেট
কলকাতার জার্সিতে ২০০ উইকেট

মাঠে ময়দানে