শিরোনাম
প্রকাশ: ০০:০০, রবিবার, ২৩ ফেব্রুয়ারি, ২০২৫

চাই জাতীয় ভাষানীতি

ড. মাহরুফ চৌধুরী
প্রিন্ট ভার্সন
চাই জাতীয় ভাষানীতি

প্রতি বছর ফেব্রুয়ারি মাস এলেই বাংলাদেশের সংখ্যাগরিষ্ঠ মানুষের মাতৃভাষা বাংলাকে ঘিরে রাষ্ট্রীয় পরিমন্ডলে জাতির আবেগ এবং উৎসবের যে পরিবেশ তৈরি হয়, তা নিঃসন্দেহে আমাদের ভাষাপ্রেমের এক বিশেষ বহিঃপ্রকাশ। এই মাস আমাদের ইতিহাসে একটি গভীর সাংস্কৃতিক ও রাজনৈতিক অধ্যায়ের কথা স্মরণ করিয়ে দেয়, আর সেটা হলো ১৯৫২ সালের ভাষা আন্দোলন। মাতৃভাষা বাংলাকে রাষ্ট্রভাষার মর্যাদা দেওয়ার দাবিতে অকুতোভয় তরুণরা অকাতরে প্রাণ দিয়েছিলেন। এই রক্তস্নাত সংগ্রাম শুধু ভাষার অধিকারের প্রশ্নই নয়, বরং আমাদের স্বাধিকার আন্দোলনের প্রাথমিক সোপান হিসেবেও কাজ করেছিল। এই ভাষা আন্দোলন আমাদের মনে করিয়ে দেয়, ভাষার জন্য পূর্বসূরিদের আত্মত্যাগ কেবল একটি ঐতিহাসিক ঘটনা নয়; এটি বাংলাদেশি হিসেবে জাতীয় পরিচয়ের ভিত্তি রচনার সংগ্রামের মূল চালিকাশক্তিও। কিন্তু সময়ের আবর্তে একটি গভীর প্রশ্নও উঁকি মারে মনে, আমরা কি সত্যিই ভাষা আন্দোলনের চেতনার প্রকৃত অর্থ উপলব্ধি করতে পেরেছি? এই প্রশ্নটি শুধু ভাষাশহীদদের স্মরণে সীমাবদ্ধ নয়; বরং এটি আমাদের সামাজিক, সাংস্কৃতিক এবং রাষ্ট্রীয় অবস্থানে ভাষা আন্দোলনের অন্তর্নিহিত তাৎপর্য প্রতিফলনের আহ্বান জানায়।

চাই জাতীয় ভাষানীতিফেব্রুয়ারি এলে আমরা বাংলা ভাষার প্রতি ভালোবাসার যে প্রকাশ ঘটাই, তা কি কেবল আনুষ্ঠানিকতা ও স্মারক অনুষ্ঠানের মধ্যেই সীমাবদ্ধ? না কি এ ভালোবাসার প্রতিফলন আমাদের দৈনন্দিন জীবন ও জাতীয় পর্যায়ে নীতিনির্ধারণে দৃশ্যমান? দুঃখজনক হলেও সত্য, স্বাধীনতার অর্ধশতাব্দী পেরিয়ে যাওয়ার পরও আমরা একটি সুসংগঠিত ও কার্যকর ভাষানীতি প্রণয়নে ব্যর্থ হয়েছি। এর ফলে বাংলা ভাষা আজও শিক্ষাব্যবস্থা, প্রশাসন, বিচারিক কার্যক্রম এবং প্রযুক্তির মতো গুরুত্বপূর্ণ ক্ষেত্রগুলোতে প্রাপ্য মর্যাদা লাভে সক্ষম হয়নি। জাতীয় শিক্ষানীতিতে মাতৃভাষার অবস্থানকে যথাযথভাবে প্রতিষ্ঠা করা যায়নি, যা শিক্ষার্থীদের মধ্যে তাদের ভাষা এবং সংস্কৃতির প্রতি গভীর সংযোগ গড়ে তুলতে ব্যর্থ হয়েছে। ভাষানীতির অনুপস্থিতি শুধু ভাষার ব্যবহারকে সামাজিক-সাংস্কৃতিক পরিমন্ডলে সীমাবদ্ধ করে রাখেনি, এটি আমাদের জাতীয় পরিচয় এবং স্বকীয়তার শিকড়েও আঘাত হেনেছে। উদাহরণ হিসেবে বলা যায়, উচ্চশিক্ষা ও গবেষণায় বাংলার প্রয়োগ অত্যন্ত সীমিত, যা জ্ঞানের প্রসারে একটি বড় প্রতিবন্ধকতা তৈরি করেছে। প্রশাসনিক ও বিচারিক কর্মকান্ডে বাংলা এখনো প্রান্তিক যা ভাষা আন্দোলন ও স্বাধীনতার মূল চেতনার সঙ্গে সাংঘর্ষিক। রাষ্ট্রীয় পর্যায়ে বাংলা ভাষার এই উপেক্ষা শুধু একটি নীতিগত ব্যর্থতা নয়, বরং এটি আমাদের জাতীয় সত্তার ওপর গভীর ও দীর্ঘমেয়াদি প্রভাব ফেলছে।

রাষ্ট্রভাষা হিসেবে বাংলা ভাষার যথাযথ মর্যাদা না দেওয়ার কারণ কী? স্বাধীনতা-পরবর্তী প্রথম দশকে সর্বস্তরে বাংলা ভাষার প্রচলন তুলনামূলকভাবে শক্তিশালী থাকলেও, সময়ের সঙ্গে সঙ্গে এই অগ্রগতি থমকে গেছে। একদিকে ঔপনিবেশিক উত্তরাধিকার ও অপরদিকে বৈশ্বিক অর্থনৈতিক, রাজনৈতিক এবং সাংস্কৃতিক প্রভাবের ফলে ইংরেজি ভাষার প্রতি প্রবল ঝোঁক দেখা দিয়েছে, যা বাংলা ভাষার অবস্থানকে ক্রমশ পেছনে ঠেলে দিচ্ছে। এর সঙ্গে যুক্ত হয়েছে নতুন এক মিশ্র ভাষার প্রবণতা; যাকে অনেকেই ‘ডিজুস ভাষা’ এবং ‘বাংলিশ’ বলে থাকে। এই সংমিশ্রণ একদিকে ভাষার সহজাত সৌন্দর্য এবং বিশুদ্ধতা ক্ষুণœ করছে, অন্যদিকে সাংস্কৃতিক বিকৃতি তৈরি করছে। বাংলাদেশের সংবিধানে বাংলা ভাষার প্রাধান্য সুনিশ্চিত করার কথা বলা হলেও, এর বাস্তবায়ন আজও অপূর্ণ। প্রাতিষ্ঠানিক পর্যায়ে ইংরেজির অগ্রাধিকার এবং বাংলার প্রতি উদাসীনতা আমাদের সাংস্কৃতিক পরিচয়ের দুর্বলতার দিকে ইঙ্গিত করে। ব্যবসাবাণিজ্য, উচ্চশিক্ষা এবং প্রযুক্তিগত গবেষণায় বাংলা ভাষার অনুপস্থিতি প্রমাণ করে যে আমরা এখনো ভাষার মর্যাদা প্রতিষ্ঠায় আত্মবিশ্বাসী হতে পারিনি।

এই সমস্যার একটি গুরুত্বপূর্ণ দিক হলো সাংস্কৃতিক ও মনস্তাত্ত্বিক উপনিবেশবাদ। ২০০ বছরের মতো ব্রিটিশ শাসনের অধীনে আমাদের ভাষা, সংস্কৃতি ও চিন্তাভাবনায় এবং জীবনদর্শনে যে প্রভাব পড়েছিল, স্বাধীনতার পরও আমরা সেই প্রবণতা থেকে পুরোপুরি মুক্ত হতে পারিনি। ইংরেজির প্রতি এই পক্ষপাতিত্ব ও নির্ভরশীলতা একটি মানসিক শৃঙ্খল হিসেবে কাজ করছে, যা বাংলা ভাষার প্রচার ও প্রসারের পথে প্রধান অন্তরায়।

জাতীয় ভাষানীতির ক্ষেত্রে বিশ্বের অনেক দেশ অনুকরণীয় দৃষ্টান্ত স্থাপন করেছে। নিজেদের ভাষার মর্যাদা রক্ষায় তারা শুধু আইন প্রণয়নই করেনি, বরং সেগুলোর কঠোর বাস্তবায়ন নিশ্চিত করেছে। উদাহরণ হিসেবে বলা যায়, ফ্রান্স তাদের মাতৃভাষার বিশুদ্ধতা রক্ষার জন্য ১৯৯৪ সালে ‘টোবন আইন’ (টোবন ল) প্রণয়ন করে, যা সরকারি নথি, বিজ্ঞাপন এবং শিক্ষাব্যবস্থায় ফরাসি ভাষার বাধ্যতামূলক ব্যবহার নিশ্চিত করেছে। এ ধরনের পদক্ষেপ কেবল তাদের ভাষার সুরক্ষা নয়, বরং জাতীয় পরিচয়, ঐক্য এবং সাংস্কৃতিক ঐতিহ্য সংরক্ষণে কার্যকর ভূমিকা রেখেছে। আরও বিস্ময়কর উদাহরণ হলো হিব্রু ভাষার পুনর্জাগরণ। একসময়ের প্রায় মৃত ভাষা হিসেবে চিহ্নিত হিব্রু, ইহুদিদের জাতীয় ঐক্যের প্রতীক হয়ে উঠেছে। এটি সম্ভব হয়েছে তাদের দীর্ঘমেয়াদি পরিকল্পনা এবং হিব্রু ভাষাকে জাতীয় জীবনের একটি অবিচ্ছেদ্য অংশ হিসেবে প্রতিষ্ঠার মাধ্যমে। মৃতপ্রায় হিব্রুর পুনর্জীবন প্রমাণ করে, সুনির্দিষ্ট পরিকল্পনা ও ভাষার প্রতি গভীর শ্রদ্ধা একটি ভাষার ভাগ্যকে বদলে দিতে পারে। কিন্তু আমরা, যারা মাতৃভাষায় কথা বলার অধিকার আদায়ের জন্য রক্ত দিয়েছি, সেই গৌরবময় ইতিহাসের উত্তরাধিকারী হয়ে স্বাধীনতার ৫৩ বছর পরেও আমাদের মাতৃভাষা বাংলাকে সঠিকভাবে জাতীয় জীবনের কেন্দ্রে স্থাপন করতে পারিনি।

ভাষা একটি জাতির শিক্ষা, সংস্কৃতি এবং স্বকীয়তার ধারক ও বাহক। তাই যে কোনো স্বাধীন রাষ্ট্রের উন্নয়ন ও অগ্রগতির জন্য সুস্পষ্ট ভাষানীতি অপরিহার্য। ভাষা কেবল যোগাযোগের মাধ্যম নয়; এটি একটি জাতির চিন্তাচেতনা, সৃজনশীলতা এবং ভবিষ্যৎ পরিকল্পনার ভিত্তি। রবীন্দ্রনাথ ঠাকুর তাঁর লেখায় মাতৃভাষার ব্যবহারের ওপর বারবার জোর দিয়েছেন। তাঁর বক্তব্য, ‘স্বভাষায় শিক্ষার মূলভিত্তি স্থাপন করিয়াই দেশের স্থায়ী উন্নতি’, এই সত্যকে প্রতিফলিত করে যে শিক্ষার মাধ্যমে একটি জাতি কেবল জ্ঞান অর্জন করে না, বরং আত্মপরিচয়ের শিকড়কেও দৃঢ় করে। আন্তর্জাতিক গবেষণাগুলোও দেখায় যে শিক্ষার মাধ্যম হিসেবে মাতৃভাষা ব্যবহৃত হলে শিক্ষার্থীরা জ্ঞানার্জনে অধিক সক্ষম হয়। তাই ইউনেস্কো বহুবার উল্লেখ করেছে, প্রাথমিক শিক্ষা মাতৃভাষায় দেওয়া হলে শিশুরা নিজেদের ভাষায় চিন্তা করতে শিখে, যা তাদের সৃজনশীলতা ও সমস্যা সমাধানের দক্ষতাকে বাড়িয়ে তোলে। অথচ আমাদের ভাষার মর্যাদা এখনো জাতীয় পর্যায়ে নীতিনির্ধারণী স্তরে অবহেলিত। এমনকি উচ্চশিক্ষা, প্রশাসন, বিচারিক কার্যক্রম এবং আন্তর্জাতিক পর্যায়ে বাংলার স্থান নিশ্চিত করার ব্যাপারে কার্যকর কোনো উদ্যোগ দেখা যায়নি। এই তুলনাগুলো আমাদের জন্য এক গভীর আত্মসমীক্ষার আহ্বান। ফরাসি ও ইহুদিদের মতো জাতিগুলো তাদের ভাষাকে কেবল একটি যোগাযোগের মাধ্যম নয়, বরং জাতীয় চেতনার কেন্দ্রবিন্দুতে পরিণত করেছে। অথচ আমরা, যারা ভাষার জন্য জীবন উৎসর্গ করেছি, কেন এখনো এ লক্ষ্য অর্জনে পিছিয়ে আছি? বাংলাদেশের প্রেক্ষাপটে মাতৃভাষার উন্নয়ন ও সংরক্ষণ নিশ্চিত করার জন্য একটি সুস্পষ্ট ভাষানীতি অপরিহার্য। কিন্তু আমাদের শিক্ষাব্যবস্থায় এখনো বাংলা ভাষার প্রাধান্য সঠিকভাবে প্রতিষ্ঠিত হয়নি। উচ্চশিক্ষার ক্ষেত্রে বাংলার সীমিত প্রয়োগ আমাদের জ্ঞানভান্ডারকে শুধু সংকুচিতই করছে না, বরং এটি ভবিষ্যৎ প্রজন্মের জন্য এক ধরনের সাংস্কৃতিক বিচ্ছিন্নতাও সৃষ্টি করছে। রবীন্দ্রনাথের তত্ত্ব আমাদের একটি গুরুত্বপূর্ণ শিক্ষা দেয়- যে জাতি মাতৃভাষার ওপর ভিত্তি করে শিক্ষার নীতি গড়ে তুলতে পারে, সেই জাতিই কেবল টেকসই উন্নয়নের পথ ধরে এগিয়ে যেতে পারে। তাই বাংলাকে শিক্ষার মাধ্যমে এবং প্রশাসনিক স্তরে আরও জোরালোভাবে প্রতিষ্ঠা করা আজ সময়ের দাবি। বর্তমান প্রেক্ষাপটে রাষ্ট্রের পক্ষ থেকে বাংলা ভাষার সর্বোচ্চ ব্যবহার, উন্নয়ন ও সংরক্ষণে যে পদক্ষেপগুলো নেওয়া উচিত, তা নিয়ে কিছু সুস্পষ্ট প্রস্তাবনা এখানে তুলে ধরা হলো :

১. শিক্ষা ও প্রশাসনের সর্বস্তরে বাংলার ব্যবহার নিশ্চিত করতে হবে। সেই লক্ষ্যে পৌঁছাতে রাষ্ট্রীয় পর্যায়ে শিক্ষার প্রতিটি স্তরে এবং প্রশাসনিক কার্যক্রমে বাংলার বাধ্যতামূলক ব্যবহার নিশ্চিত করা আবশ্যক। এই পদক্ষেপটি হবে ভাষার মর্যাদা প্রতিষ্ঠার প্রথম ধাপ। বিচার বিভাগে বাংলা ভাষার কার্যকর প্রয়োগ আরও জোরদার করতে হবে, যেন আইন ও বিচারব্যবস্থার সব দিক সাধারণ মানুষের কাছে আরও গ্রহণযোগ্য ও সহজবোধ্য হয়।

২. রাষ্ট্রের সর্বস্তরে বাংলা ভাষার প্রয়োগে আইন প্রণয়ন ও তা বাস্তবায়ন করতে হবে। বাংলা ভাষার ব্যবহার নিশ্চিত করতে কঠোর আইনি পদক্ষেপ গ্রহণ অপরিহার্য। এ লক্ষ্যে একটি বিশেষ আইন প্রণয়ন করা যেতে পারে, যা শিক্ষা, প্রশাসন, ব্যবসাবাণিজ্য, বিচারিক কার্যক্রম এবং অন্যান্য ক্ষেত্রে বাংলার প্রয়োগ বাধ্যতামূলক করবে। এই আইন শুধু নির্দেশনার মধ্যেই সীমাবদ্ধ থাকবে না; বরং তার কার্যকরী বাস্তবায়ন পর্যবেক্ষণের জন্য একটি পৃথক সংস্থাও গঠন করা যেতে পারে।

৩. জাতীয় ও আন্তর্জাতিক পর্যায়ে ভাষাকেন্দ্রিক সাংস্কৃতিক পরিচয়ের পুনরুজ্জীবন করতে হবে। বাংলাদেশি জাতীয়তার ভৌগোলিক ও রাজনৈতিক আত্মপরিচয়ের পাশাপাশি বাঙালির সাংস্কৃতিক পরিচয়ের স্বকীয়তাকে পুনরুজ্জীবিত করা অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ। গণমাধ্যম, সাহিত্য, সংগীত এবং চলচ্চিত্রে বাংলা ভাষার ব্যবহার বাড়ানোর জন্য পরিকল্পিত উদ্যোগ গ্রহণ করতে হবে। বিশেষ করে সামাজিক যোগাযোগমাধ্যম ও ডিজিটাল পাটাতনে বাংলা ভাষার সৃজনশীল ব্যবহারে উৎসাহ দিতে নীতিগত সহায়তা বাড়ানো প্রয়োজন।

৪. গবেষণা ও প্রযুক্তিতে বাংলার ব্যবহার ব্যাপকভাবে উৎসাহিত করতে হবে যাতে জ্ঞানবিজ্ঞানের অগ্রগতির সঙ্গে ভাষার সমৃদ্ধি নিশ্চিত করা যায়। বাংলা ভাষার ব্যাপক ব্যবহার ও উন্নয়নে গবেষণা এবং প্রযুক্তির ব্যবহার বাড়াতে বিশেষ উদ্যোগ গ্রহণ করতে হবে। উচ্চশিক্ষায় বাংলায় গবেষণার সুযোগ বৃদ্ধি করা জরুরি, যা শুধু জ্ঞানার্জন নয়, ভাষার গভীরতর প্রসারেও সহায়ক হবে। বাংলা ভাষার প্রযুক্তিগত সমৃদ্ধি নিশ্চিত করতে কৃত্রিম বুদ্ধিমত্তা (এআই) এবং যান্ত্রিক শিখন (মেশিন লার্নিং) প্রযুক্তিকে কাজে লাগানো যেতে পারে। আর সেই লক্ষ্যে আন্তর্জাতিক মাতৃভাষা ইনস্টিটিউটসহ দেশের বিশ্ববিদ্যালয়গুলোর ভাষা ইনস্টিটিউটগুলোকে সমন্বিতভাবে কাজ করার একটি জাতীয় পরিকল্পনা প্রণয়ন ও বাস্তবায়ন করা প্রয়োজন।

বায়ান্নের একুশের ভাষা আন্দোলনের চেতনা শুধু ফেব্রুয়ারি মাসের আবেগ এবং আনুষ্ঠানিকতার মধ্যে সীমাবদ্ধ থাকলে চলবে না। এটি আমাদের জাতীয় উন্নয়ন ও সাংস্কৃতিক সমৃদ্ধির একটি সর্বজনীন এবং টেকসই ভিত্তি হিসেবে কাজ করতে হবে। ভাষা আন্দোলনের মূল চেতনা কেবল ভাষার অধিকারে সীমিত নয়; এটি আমাদের স্বাধীনতা, স্বকীয়তা, সংস্কৃতি এবং জাতীয় আত্মপরিচয়ের প্রতীক। তাই আমাদের রক্তঝরা ভাষা আন্দোলনের ইতিহাস শুধু জাতীয় গৌরবগাথা নয়; এটি একটি বিশেষ দায়িত্বেরও ইঙ্গিতবহ। সেই দায়িত্ব হলো বাংলাকে শিক্ষা, প্রশাসন, প্রযুক্তি এবং প্রাত্যহিক সাংস্কৃতিক পরিসরে তার প্রকৃত মর্যাদায় প্রতিষ্ঠিত করা। ভবিষ্যৎ প্রজন্ম যেন এই গৌরবময় ইতিহাসকে শুধু স্মরণই না করে, বরং তা থেকে অনুপ্রাণিত হয়ে জাতীয় জীবনের প্রতিটি স্তরে বাংলা ভাষার ব্যবহারকে আরও সমৃদ্ধ ও প্রসারিত করে। আমাদের মনে রাখতে হবে, বাংলা ভাষার মর্যাদা রক্ষা এবং এর যথাযথ সংরক্ষণ কেবল রাষ্ট্রের একার দায়িত্ব নয়; আমাদের সবার সম্মিলিত প্রচেষ্টার মাধ্যমেই তা সম্ভব হবে। তাই আসুন, আমরা সবাই মিলে ভাষা আন্দোলনের চেতনাকে প্রজন্ম থেকে প্রজন্মে ছড়িয়ে দিই, যেন বাংলা ভাষা কেবল আমাদের অতীতের অহংকার বা স্মৃতিকাতরতা না হয়ে রাষ্ট্রীয় পরিমন্ডলে ভবিষ্যতের উন্নয়ন, সমৃদ্ধি ও ঐক্যের ভিত্তি হয়ে ওঠে।

♦ লেখক : ভিজিটিং ফ্যাকাল্টি, ইউনিভার্সিটি অব রোহ্যাম্পটন, যুক্তরাজ্য 

Email: [email protected]

এই বিভাগের আরও খবর
সামাজিক ব্যবসা
সামাজিক ব্যবসা
রপ্তানি খাতে ধাক্কা
রপ্তানি খাতে ধাক্কা
ফিলিস্তিনের নাবলুস নগরী
ফিলিস্তিনের নাবলুস নগরী
জীবনজুড়ে রমজানের রেশ ধরে রাখুন
জীবনজুড়ে রমজানের রেশ ধরে রাখুন
ফুলচাষিদের স্বাস্থ্যঝুঁঁকি
ফুলচাষিদের স্বাস্থ্যঝুঁঁকি
রেমিট্যান্সে আশার আলো
রেমিট্যান্সে আশার আলো
ভোটের আলোচনা
ভোটের আলোচনা
বিমসটেক সম্মেলন
বিমসটেক সম্মেলন
ডিজিটাল সংস্কৃতি : ভার্চুয়াল উৎসব
ডিজিটাল সংস্কৃতি : ভার্চুয়াল উৎসব
শাওয়াল মাসের ছয় রোজার পুণ্য
শাওয়াল মাসের ছয় রোজার পুণ্য
ব্যাংককে বৈঠক, ঢাকা-দিল্লিতে গুঞ্জন
ব্যাংককে বৈঠক, ঢাকা-দিল্লিতে গুঞ্জন
এই সময়ের রাজনৈতিক চ্যালেঞ্জ
এই সময়ের রাজনৈতিক চ্যালেঞ্জ
সর্বশেষ খবর
চাঁদপুরে ৬৪ যানবাহনে তল্লাশি ও জরিমানা
চাঁদপুরে ৬৪ যানবাহনে তল্লাশি ও জরিমানা

১ সেকেন্ড আগে | দেশগ্রাম

বিমসটেক শীর্ষ সম্মেলনে যেসব সিদ্ধান্ত গৃহীত
বিমসটেক শীর্ষ সম্মেলনে যেসব সিদ্ধান্ত গৃহীত

১ মিনিট আগে | জাতীয়

‘পার্বত্য অঞ্চলের শিক্ষাব্যবস্থাকে মানসম্মত করতে হবে’
‘পার্বত্য অঞ্চলের শিক্ষাব্যবস্থাকে মানসম্মত করতে হবে’

১ মিনিট আগে | দেশগ্রাম

যুক্তরাষ্ট্রে বাংলাদেশের রফতানি আরও বাড়বে, কমবে না: প্রেস সচিব
যুক্তরাষ্ট্রে বাংলাদেশের রফতানি আরও বাড়বে, কমবে না: প্রেস সচিব

১০ মিনিট আগে | জাতীয়

সিআরবিতে পরিচ্ছন্নতা অভিযান
সিআরবিতে পরিচ্ছন্নতা অভিযান

১৮ মিনিট আগে | চট্টগ্রাম প্রতিদিন

ঢাকাসহ ৭ অঞ্চলে মধ্যরাতের মধ্যে ঝড়ের আভাস
ঢাকাসহ ৭ অঞ্চলে মধ্যরাতের মধ্যে ঝড়ের আভাস

৩৬ মিনিট আগে | জাতীয়

মুক্তাগাছায় মোটরসাইকেল দুর্ঘটনায় নিহত ১
মুক্তাগাছায় মোটরসাইকেল দুর্ঘটনায় নিহত ১

৪২ মিনিট আগে | দেশগ্রাম

বরিশালে ডোবা থেকে অজ্ঞাত লাশ উদ্ধার
বরিশালে ডোবা থেকে অজ্ঞাত লাশ উদ্ধার

৪৪ মিনিট আগে | নগর জীবন

কালীগঞ্জে রেল ব্রিজের নিচ থেকে অজ্ঞাত যুবকের লাশ উদ্ধার
কালীগঞ্জে রেল ব্রিজের নিচ থেকে অজ্ঞাত যুবকের লাশ উদ্ধার

৫১ মিনিট আগে | দেশগ্রাম

মেক্সিকোতে প্রথম এইচ৫এন১ বার্ড ফ্লু রোগী শনাক্ত
মেক্সিকোতে প্রথম এইচ৫এন১ বার্ড ফ্লু রোগী শনাক্ত

৫১ মিনিট আগে | পূর্ব-পশ্চিম

অষ্টমী স্নানে ব্রহ্মপুত্র নদে পুণ্যার্থীদের ঢল
অষ্টমী স্নানে ব্রহ্মপুত্র নদে পুণ্যার্থীদের ঢল

৫৪ মিনিট আগে | দেশগ্রাম

ধর্ষণের শিকার জমজ দুই বোনকে আইনি সহায়তা প্রদানের দায়িত্ব নিলেন তারেক রহমান
ধর্ষণের শিকার জমজ দুই বোনকে আইনি সহায়তা প্রদানের দায়িত্ব নিলেন তারেক রহমান

১ ঘণ্টা আগে | দেশগ্রাম

ব্যবসায়ীর ফেলে যাওয়া ১৮ ভরি স্বর্ণ ‍ফিরিয়ে দিলেন অটোরিকশাচালক
ব্যবসায়ীর ফেলে যাওয়া ১৮ ভরি স্বর্ণ ‍ফিরিয়ে দিলেন অটোরিকশাচালক

১ ঘণ্টা আগে | দেশগ্রাম

৩২৯টি উপজেলায় হচ্ছে টেকনিক্যাল স্কুল অ্যান্ড কলেজ
৩২৯টি উপজেলায় হচ্ছে টেকনিক্যাল স্কুল অ্যান্ড কলেজ

১ ঘণ্টা আগে | দেশগ্রাম

ডার্ক এনার্জি স্থির নয়! বিজ্ঞানীদের সামনে নতুন ধাঁধা
ডার্ক এনার্জি স্থির নয়! বিজ্ঞানীদের সামনে নতুন ধাঁধা

১ ঘণ্টা আগে | বিজ্ঞান

ঈদের ছুটিতে ঢাকা ছেড়েছেন ১ কোটি সিমধারী, ফিরেছেন ৪৪ লাখ
ঈদের ছুটিতে ঢাকা ছেড়েছেন ১ কোটি সিমধারী, ফিরেছেন ৪৪ লাখ

১ ঘণ্টা আগে | জাতীয়

ঈদের পঞ্চম দিনেও ‘দাগি’-‘জংলি’র দাপট অব্যাহত, আয় কত?
ঈদের পঞ্চম দিনেও ‘দাগি’-‘জংলি’র দাপট অব্যাহত, আয় কত?

১ ঘণ্টা আগে | শোবিজ

পতেঙ্গায় ১ কেজি স্বর্ণালংকারসহ আটক ৫
পতেঙ্গায় ১ কেজি স্বর্ণালংকারসহ আটক ৫

১ ঘণ্টা আগে | চট্টগ্রাম প্রতিদিন

‌‌‘শিক্ষার্থীরা পাস করে চাকরির জন্য নেতাদের পেছনে ঘুরতে হবে না’
‌‌‘শিক্ষার্থীরা পাস করে চাকরির জন্য নেতাদের পেছনে ঘুরতে হবে না’

১ ঘণ্টা আগে | দেশগ্রাম

আগৈলঝাড়ায় বসুন্ধরা শুভসংঘের মাসব্যাপী মাদকবিরোধী প্রচারণা শুরু
আগৈলঝাড়ায় বসুন্ধরা শুভসংঘের মাসব্যাপী মাদকবিরোধী প্রচারণা শুরু

১ ঘণ্টা আগে | বসুন্ধরা শুভসংঘ

বিএনপি নেতার বহিষ্কারের প্রতিবাদে বিক্ষোভ
বিএনপি নেতার বহিষ্কারের প্রতিবাদে বিক্ষোভ

১ ঘণ্টা আগে | দেশগ্রাম

মেঘনা-তিতাসে অষ্টমী গঙ্গাস্নানে উপচেপড়া ভিড়
মেঘনা-তিতাসে অষ্টমী গঙ্গাস্নানে উপচেপড়া ভিড়

১ ঘণ্টা আগে | দেশগ্রাম

কসবায় যুবককে ডেকে নিয়ে হত্যার অভিযোগ
কসবায় যুবককে ডেকে নিয়ে হত্যার অভিযোগ

১ ঘণ্টা আগে | দেশগ্রাম

সিলেটে টাকা ধার না দেওয়ায় যুবক খুন
সিলেটে টাকা ধার না দেওয়ায় যুবক খুন

১ ঘণ্টা আগে | চায়ের দেশ

চট্টগ্রামে জেলেদের জালে মিলল বৃদ্ধার লাশ
চট্টগ্রামে জেলেদের জালে মিলল বৃদ্ধার লাশ

১ ঘণ্টা আগে | চট্টগ্রাম প্রতিদিন

মুন্সিগঞ্জে ধলেশ্বরী নদীর তীরে অষ্টমী স্নান উৎসব পালিত
মুন্সিগঞ্জে ধলেশ্বরী নদীর তীরে অষ্টমী স্নান উৎসব পালিত

১ ঘণ্টা আগে | দেশগ্রাম

ছাত্র আন্দোলনে হত্যা মামলায় শ্রমিক লীগ নেতা গ্রেফতার
ছাত্র আন্দোলনে হত্যা মামলায় শ্রমিক লীগ নেতা গ্রেফতার

১ ঘণ্টা আগে | নগর জীবন

লাশের গন্ধে ভারী মিয়ানমারের সাগাইংয়ের বাতাস
লাশের গন্ধে ভারী মিয়ানমারের সাগাইংয়ের বাতাস

১ ঘণ্টা আগে | পূর্ব-পশ্চিম

পাংকর আইল্যান্ড, যেখানে পাহাড় ও সমুদ্রের অসাধারণ মিতালি!
পাংকর আইল্যান্ড, যেখানে পাহাড় ও সমুদ্রের অসাধারণ মিতালি!

২ ঘণ্টা আগে | পরবাস

এই মেয়েরাই সামনের দিনেও আমাদের পথ দেখাবে (ভিডিও)
এই মেয়েরাই সামনের দিনেও আমাদের পথ দেখাবে (ভিডিও)

২ ঘণ্টা আগে | জাতীয়

সর্বাধিক পঠিত
ঈদুল আজহার সম্ভাব্য তারিখ প্রকাশ
ঈদুল আজহার সম্ভাব্য তারিখ প্রকাশ

২২ ঘণ্টা আগে | পূর্ব-পশ্চিম

আত্মরক্ষার জন্য ইরানের সর্বোচ্চ প্রস্তুতি রয়েছে : সৌদি যুবরাজকে পেজেশকিয়ান
আত্মরক্ষার জন্য ইরানের সর্বোচ্চ প্রস্তুতি রয়েছে : সৌদি যুবরাজকে পেজেশকিয়ান

৮ ঘণ্টা আগে | পূর্ব-পশ্চিম

পর্দায় নয়, এবার সত্যিই বিয়ে করলেন শামীম হাসান সরকার
পর্দায় নয়, এবার সত্যিই বিয়ে করলেন শামীম হাসান সরকার

২২ ঘণ্টা আগে | শোবিজ

আপনার প্রতি শেখ হাসিনার অসম্মানজনক আচরণ দেখেছি : ড. ইউনূসকে বলেন মোদি
আপনার প্রতি শেখ হাসিনার অসম্মানজনক আচরণ দেখেছি : ড. ইউনূসকে বলেন মোদি

৩ ঘণ্টা আগে | জাতীয়

যুক্তরাষ্ট্রের শুল্ক ইস্যুতে জরুরি সভা ডেকেছেন প্রধান উপদেষ্টা
যুক্তরাষ্ট্রের শুল্ক ইস্যুতে জরুরি সভা ডেকেছেন প্রধান উপদেষ্টা

৫ ঘণ্টা আগে | জাতীয়

ইরানে হামলার হুমকি থেকে পিছু হটলেন ট্রাম্প, সরাসরি আলোচনার প্রস্তাব
ইরানে হামলার হুমকি থেকে পিছু হটলেন ট্রাম্প, সরাসরি আলোচনার প্রস্তাব

৪ ঘণ্টা আগে | পূর্ব-পশ্চিম

আওয়ামী লীগের টাকার লোভে না পড়তে দলীয় নেতাদের হুঁশিয়ারি শামা ওবায়েদের
আওয়ামী লীগের টাকার লোভে না পড়তে দলীয় নেতাদের হুঁশিয়ারি শামা ওবায়েদের

১৭ ঘণ্টা আগে | রাজনীতি

৫ মিলিয়ন ডলারের ‘গোল্ড কার্ড’ ভিসা উন্মোচন করলেন ট্রাম্প
৫ মিলিয়ন ডলারের ‘গোল্ড কার্ড’ ভিসা উন্মোচন করলেন ট্রাম্প

২১ ঘণ্টা আগে | পূর্ব-পশ্চিম

ঐশ্বরিয়া আমার মেয়ে নয়, কেবল ছেলের বউ : জয়া বচ্চন
ঐশ্বরিয়া আমার মেয়ে নয়, কেবল ছেলের বউ : জয়া বচ্চন

২২ ঘণ্টা আগে | শোবিজ

শরীয়তপুরে দুই গ্রুপের সংঘর্ষ, শতাধিক হাতবোমা বিস্ফোরণ
শরীয়তপুরে দুই গ্রুপের সংঘর্ষ, শতাধিক হাতবোমা বিস্ফোরণ

৭ ঘণ্টা আগে | দেশগ্রাম

ড. ইউনূস-মোদি বৈঠক আশার আলো তৈরি করেছে: মির্জা ফখরুল
ড. ইউনূস-মোদি বৈঠক আশার আলো তৈরি করেছে: মির্জা ফখরুল

২৩ ঘণ্টা আগে | রাজনীতি

বিশ্বের শক্তিশালী পাসপোর্টের তালিকায় এক ধাপ এগোল বাংলাদেশ
বিশ্বের শক্তিশালী পাসপোর্টের তালিকায় এক ধাপ এগোল বাংলাদেশ

৬ ঘণ্টা আগে | জাতীয়

হোয়াইট হাউস থেকে বরখাস্ত একাধিক শীর্ষ কর্মকর্তা, আলোচনায় লরা লুমার
হোয়াইট হাউস থেকে বরখাস্ত একাধিক শীর্ষ কর্মকর্তা, আলোচনায় লরা লুমার

৮ ঘণ্টা আগে | পূর্ব-পশ্চিম

কালশী ফ্লাইওভারে গাড়ির সঙ্গে মোটরসাইকেলের সংঘর্ষ, দুই যুবক নিহত
কালশী ফ্লাইওভারে গাড়ির সঙ্গে মোটরসাইকেলের সংঘর্ষ, দুই যুবক নিহত

১৮ ঘণ্টা আগে | নগর জীবন

সাত দিনের মধ্যে যুক্তরাষ্ট্র ছাড়ার নির্দেশ, আতঙ্কে ইউক্রেনীয়রা
সাত দিনের মধ্যে যুক্তরাষ্ট্র ছাড়ার নির্দেশ, আতঙ্কে ইউক্রেনীয়রা

২ ঘণ্টা আগে | পূর্ব-পশ্চিম

হাসিনার এক মন্তব্যে সংকটে মাদারগঞ্জের সমবায় সমিতি
হাসিনার এক মন্তব্যে সংকটে মাদারগঞ্জের সমবায় সমিতি

২০ ঘণ্টা আগে | দেশগ্রাম

পরকীয়া প্রেমে বাধা দেওয়ায় স্বামীর পুরুষাঙ্গ কাটলো স্ত্রী
পরকীয়া প্রেমে বাধা দেওয়ায় স্বামীর পুরুষাঙ্গ কাটলো স্ত্রী

৭ ঘণ্টা আগে | দেশগ্রাম

‘আতঙ্কে তারা ভুল করেছে’: চীনের পাল্টা শুল্ক নিয়ে ট্রাম্প
‘আতঙ্কে তারা ভুল করেছে’: চীনের পাল্টা শুল্ক নিয়ে ট্রাম্প

৫ ঘণ্টা আগে | পূর্ব-পশ্চিম

একনজরে আজকের বাংলাদেশ প্রতিদিন (৫ এপ্রিল)
একনজরে আজকের বাংলাদেশ প্রতিদিন (৫ এপ্রিল)

১২ ঘণ্টা আগে | জাতীয়

নির্বাচনের কথা বলে মুখে ফেনা তুলে ফেললেই গণতন্ত্র হয় না : নুসরাত তাবাসসুম
নির্বাচনের কথা বলে মুখে ফেনা তুলে ফেললেই গণতন্ত্র হয় না : নুসরাত তাবাসসুম

৪ ঘণ্টা আগে | রাজনীতি

চালের দানার চেয়েও ছোট পেসমেকার তৈরি করলেন বিজ্ঞানীরা
চালের দানার চেয়েও ছোট পেসমেকার তৈরি করলেন বিজ্ঞানীরা

৯ ঘণ্টা আগে | বিজ্ঞান

ফিলিস্তিনি জনগণের প্রতি পাকিস্তান সেনা কমান্ডারদের অকুণ্ঠ সমর্থন
ফিলিস্তিনি জনগণের প্রতি পাকিস্তান সেনা কমান্ডারদের অকুণ্ঠ সমর্থন

২ ঘণ্টা আগে | পূর্ব-পশ্চিম

৫.৬ মাত্রার ভূমিকম্পে আবার কেঁপে উঠলো মিয়ানমার
৫.৬ মাত্রার ভূমিকম্পে আবার কেঁপে উঠলো মিয়ানমার

৯ ঘণ্টা আগে | পূর্ব-পশ্চিম

মিয়ানমারে বাংলাদেশ সশস্ত্র বাহিনীর নেতৃত্বে উদ্ধার ও চিকিৎসা কার্যক্রম অব্যাহত
মিয়ানমারে বাংলাদেশ সশস্ত্র বাহিনীর নেতৃত্বে উদ্ধার ও চিকিৎসা কার্যক্রম অব্যাহত

১৯ ঘণ্টা আগে | জাতীয়

‘প্রয়োজনে জোটগতভাবে নির্বাচন করবে এনসিপি’
‘প্রয়োজনে জোটগতভাবে নির্বাচন করবে এনসিপি’

২২ ঘণ্টা আগে | রাজনীতি

কালশী ফ্লাইওভারে দুর্ঘটনায় নিহত দুই যুবকের পরিচয় মিলেছে
কালশী ফ্লাইওভারে দুর্ঘটনায় নিহত দুই যুবকের পরিচয় মিলেছে

২ ঘণ্টা আগে | নগর জীবন

আইপিএলের প্রথমবার দেখা গেল এমন কিছু
আইপিএলের প্রথমবার দেখা গেল এমন কিছু

১০ ঘণ্টা আগে | মাঠে ময়দানে

লৌহজংয়ে পাওয়া মরদেহের টুকরোগুলো সাভারের সবুজ মোল্যার
লৌহজংয়ে পাওয়া মরদেহের টুকরোগুলো সাভারের সবুজ মোল্যার

৫ ঘণ্টা আগে | দেশগ্রাম

প্রতিকূল পরিবেশেও খেলাপি ঋণ কমেছে
প্রতিকূল পরিবেশেও খেলাপি ঋণ কমেছে

১৭ ঘণ্টা আগে | বাণিজ্য

আরো বাড়ল মিয়ানমারে ভূমিকম্পে মৃতের সংখ্যা
আরো বাড়ল মিয়ানমারে ভূমিকম্পে মৃতের সংখ্যা

৮ ঘণ্টা আগে | পূর্ব-পশ্চিম

প্রিন্ট সর্বাধিক
সুবিধাবাদী হাইব্রিডে অতিষ্ঠ বিএনপি
সুবিধাবাদী হাইব্রিডে অতিষ্ঠ বিএনপি

প্রথম পৃষ্ঠা

মুজিব ছিলেন বেপরোয়া
মুজিব ছিলেন বেপরোয়া

প্রথম পৃষ্ঠা

চলতি বছর টাইগারদের ৬ টেস্ট
চলতি বছর টাইগারদের ৬ টেস্ট

মাঠে ময়দানে

হাসিনাকে চাইল বাংলাদেশ
হাসিনাকে চাইল বাংলাদেশ

প্রথম পৃষ্ঠা

দেশের প্রযুক্তি খাতে বিপ্লব ঘটাবে স্টারলিংক
দেশের প্রযুক্তি খাতে বিপ্লব ঘটাবে স্টারলিংক

প্রথম পৃষ্ঠা

ধুঁকছেন পেট্রাপোলের ব্যবসায়ীরাও
ধুঁকছেন পেট্রাপোলের ব্যবসায়ীরাও

পেছনের পৃষ্ঠা

ইলিশের দামে আগুন
ইলিশের দামে আগুন

পেছনের পৃষ্ঠা

আজকের ভাগ্যচক্র
আজকের ভাগ্যচক্র

আজকের রাশি

মুখোমুখি সরকার-আইএমএফ
মুখোমুখি সরকার-আইএমএফ

প্রথম পৃষ্ঠা

দীর্ঘদিন ক্ষমতা আঁকড়ে রাখার চিন্তা করলে জনগণ মেনে নেবে না
দীর্ঘদিন ক্ষমতা আঁকড়ে রাখার চিন্তা করলে জনগণ মেনে নেবে না

নগর জীবন

‘মিনি জাফলংয়ে’ স্বাস্থ্যঝুঁকি
‘মিনি জাফলংয়ে’ স্বাস্থ্যঝুঁকি

নগর জীবন

দক্ষিণ এশিয়ার ইসরায়েল ভারত
দক্ষিণ এশিয়ার ইসরায়েল ভারত

পেছনের পৃষ্ঠা

রাজশাহী বিএনপিতে ত্রিধারা
রাজশাহী বিএনপিতে ত্রিধারা

নগর জীবন

হচ্ছে বাম দলের বৃহত্তর জোট!
হচ্ছে বাম দলের বৃহত্তর জোট!

প্রথম পৃষ্ঠা

চট্টগ্রাম-কক্সবাজার সড়কে শঙ্কা
চট্টগ্রাম-কক্সবাজার সড়কে শঙ্কা

পেছনের পৃষ্ঠা

আত্রাই নদীর চরে কুমড়াবাড়ি!
আত্রাই নদীর চরে কুমড়াবাড়ি!

পেছনের পৃষ্ঠা

কবির-মুসার বিরুদ্ধে এবার জালিয়াতির অভিযোগ
কবির-মুসার বিরুদ্ধে এবার জালিয়াতির অভিযোগ

নগর জীবন

নতুন জীবনের খোঁজে মাহি
নতুন জীবনের খোঁজে মাহি

শোবিজ

যৌথ পরিবারের গল্প
যৌথ পরিবারের গল্প

শনিবারের সকাল

এবার জনগণ ভোটাধিকার ফিরে পাবে
এবার জনগণ ভোটাধিকার ফিরে পাবে

প্রথম পৃষ্ঠা

১ লাখ ৮০ হাজার রোহিঙ্গা ফেরত নেবে মিয়ানমার
১ লাখ ৮০ হাজার রোহিঙ্গা ফেরত নেবে মিয়ানমার

প্রথম পৃষ্ঠা

আমাদের সম্পর্কটা বড় ভাই-ছোট ভাইয়ের মতো
আমাদের সম্পর্কটা বড় ভাই-ছোট ভাইয়ের মতো

শোবিজ

অভিযোগে মোশাররফ করিমের জবাব
অভিযোগে মোশাররফ করিমের জবাব

শোবিজ

জমজমাট বিনোদন কেন্দ্রগুলো
জমজমাট বিনোদন কেন্দ্রগুলো

পেছনের পৃষ্ঠা

প্রয়োজনীয় সংস্কার শেষে দ্রুত নির্বাচন
প্রয়োজনীয় সংস্কার শেষে দ্রুত নির্বাচন

প্রথম পৃষ্ঠা

নিশোর মুখে শাকিববন্দনা
নিশোর মুখে শাকিববন্দনা

শোবিজ

বাছাইপর্ব টপকাতে প্রস্তুত নিগাররা
বাছাইপর্ব টপকাতে প্রস্তুত নিগাররা

মাঠে ময়দানে

প্রয়োজনীয় সংস্কার করে দ্রুত নির্বাচন দিতে হবে
প্রয়োজনীয় সংস্কার করে দ্রুত নির্বাচন দিতে হবে

প্রথম পৃষ্ঠা

চলে যাচ্ছেন ম্যানসিটির ডি ব্রুইন
চলে যাচ্ছেন ম্যানসিটির ডি ব্রুইন

মাঠে ময়দানে

কলকাতার জার্সিতে ২০০ উইকেট
কলকাতার জার্সিতে ২০০ উইকেট

মাঠে ময়দানে