শিরোনাম
প্রকাশ: ০০:০০, মঙ্গলবার, ১৮ ফেব্রুয়ারি, ২০২৫ আপডেট: ০০:৪৪, মঙ্গলবার, ১৮ ফেব্রুয়ারি, ২০২৫

বিশ্বাসের এদিক-ওদিক

আবু তাহের
প্রিন্ট ভার্সন
বিশ্বাসের এদিক-ওদিক

আজকাল বিশ্বাসীর সংখ্যা নাকি দ্রুত বাড়ছে। আস্তিক আর বিশ্বাসী, শব্দ দুটি সমার্থক। নাস্তিক আর অবিশ্বাসী একই কথা। বিশ্বাসী বাড়ছে মানে নাস্তিক কমছে? মনে তো হয় না। আমাদের দেশে বিশ্বাসী বা আস্তিক কে, যাচাই করার সময় ধর্মীয় দৃষ্টিকোণ ব্যবহৃত হয়। সৃষ্টিকর্তার অস্তিত্ব স্বীকার যিনি করেন তিনি আস্তিক। তিনি স্রষ্টায় বিশ্বাসী। যার ধারণা, সৃষ্টিকর্তা বলে কিছু বা কেউ নেই, তিনি নাস্তিক। তিনি অবিশ্বাসী। সব ধর্মেই সৃষ্টিকর্তার ওপর ভরসা করার উপদেশ রয়েছে। ব্যতিক্রম বৌদ্ধধর্ম। ধর্ম বলে, ভালো কাজ কর আল্লাহ তোমার ওপর খুশি হবেন। অন্যায় কাজ করবে না; করলে আল্লাহ নারাজ হবেন। পুণ্যবান হওয়ার তাগিদ দিয়ে ধর্মগুরুরা বলেন, পুণ্য অর্জন কর, অনেক পুণ্য। তাহলে স্রষ্টা তোমাকে স্বর্গে ঠাঁই দেবেন। পাপাচারী হইও না। স্রষ্টা পাপীদের পছন্দ করেন না। পাপ করলে নিক্ষিপ্ত হবে নরকে।

পণ্ডিত অধ্যাপক আবুল ফজল বৌদ্ধ ধর্মের সৌন্দর্য বর্ণনাকালে বলেছেন, এ ধর্মে নরকের ভয় দেখানো হয় না। স্বর্গের লোভ দেখানোর ব্যাপারও এতে নেই। মানুষ মন্দ কাজ করবে না, কারণ সে মানুষ- পশু নয়। মানুষ ভালো কাজ করবে কারণ সে মানুষ। সুকৃতি মানুষের পক্ষে শোভনীয়;  দুষ্কৃতি তার জন্য বর্জনীয়। আফ্রিকার দেশে দেশে ইউরোপীয় ধর্ম ব্যবসায়ীরা ‘মিশন’-এর ছুতোয় সুচ হয়ে ঢুকে ফাল হয়ে বের হওয়ার প্রক্রিয়ায় যেসব জঘন্য ঘটনার জন্ম দেয়, তার বিশদ আমরা পেয়েছি আবুল ফজল রচিত এক নিবন্ধে।

বর্জনীয়ওই নিবন্ধে উদ্ধৃত হয়েছেন আফ্রিকান জাতীয়তাবাদী কয়েকজন নেতা যাঁরা বেলজিয়াম-ফ্রান্স-ব্রিটেনের ঔপনিবেশিক শক্তির বিরুদ্ধে স্বাধীনতা সংগ্রামের জন্য জগদ্বিখ্যাত। এই নেতারা জানান মিশনারিরা প্রচার করে, খ্রিস্টান ধর্ম গ্রহণ করলে ঈশ্বর তোমার খাদ্য-বস্ত্র-বাসস্থানের ব্যবস্থা করবেন। তোমার ‘সন্তানের জন্য উন্মুক্ত হবে বিনামূল্যে শিক্ষা। ইহকালই শুধু নয়, তোমার পরকালও হবে আনন্দময়। তুমি হবে স্বর্গবাসী।’ সহজসরল আফ্রিকান নরনারী ফাঁদে পড়ে স্বধর্ম ত্যাগ করে খ্রিস্টান হতে থাকে। এ প্রসঙ্গে কেনিয়ার রাষ্ট্রপিতা জোমো কেনিয়াত্তা বলেন, ওরা যখন আমাদের দেশে এলো, ওদের হাতে ছিল বাইবেল আর আমাদের হাতে দেশ। দিনে দিনে অবস্থা খারাপ হয়। একদিন দেখা যায়, আমাদের হাতে ওদের বাইবেল আর ওদের হাতে আমাদের দেশ।

জুমার নামাজ আদায় করতে গিয়ে মুসল্লিদের প্রচণ্ড ভিড় দেখতে পাই। ভিড় প্রতি শুক্রবারই বাড়ছে। যে মসজিদে নামাজ পড়ি সেখানে ঠাঁই না পেয়ে রাস্তায় জায়নামাজ পেতে বসতে হয়।  উত্তর থেকে দক্ষিণে প্রায় ৮০০ ফুট দৈর্ঘ্যরে রাস্তায় নামাজিদের তিনটি সারি। পাঁচ সারি করা যায়; যান চলাচলের সুবিধার্থে দুই সারি সমান ফাঁকা রাখা হয়। মুসল্লির ভিড় দৃষ্টে ধরে নিই, বিশ্বাসী বাড়ছে। পড়শি সাজ্জাদ মতিন বললেন, ‘ঘুমিয়ে রয় অবিশ্বাস/বিশ্বাসীদের নরম অন্তরে।’ স্টাইলিশ সুরে উচ্চারণ, যেন বলছেন- ঘুমিয়ে আছে শিশুর পিতা সব শিশুর অন্তরে।

পড়শি চোখ-কান খোলা রাখার পরামর্শ দিয়ে বলেন, আল্লাহর ওপর আমার যে রকম দৃঢ় বিশ্বাস, সেরকমই নিজের ওপর নিজের প্রচুর অবিশ্বাস। তিনি জানান, এই কেস শুধু তার মতো মধ্যবিত্তের একার না। যারা আমাদের ডানে-বাঁয়ে সামনে পেছনে, তাদের সবারই এ অবস্থা। ফর্মালি স্বীকার করে না তারা। কান সজাগ রেখে ওদের সংলাপ শুনুন, আপনার চোখ খুলে যাবে। নিজের ওপর যার বিশ্বাস নেই, তাকে কোন যুক্তিতে আস্তিক বলা যায়?

সাজ্জাদ মতিনের সঙ্গে সহমত প্রকাশ করার মধ্যে ঝুঁকি (বক্তৃতা শুরু করে দিতে পারেন, তাতে কমপক্ষে ত্রিশ-চল্লিশ মিনিট খরচ হওয়ার আশঙ্কা। ওদিকে শ্রোতার পেটে জুমা-উত্তর ক্ষুৎযন্ত্রণা) থাকায় দ্রুত মর্দন করতে হাত বাড়াই। আমার হাত মর্দন করে তিনি চলছেন তো চলছেনই, ছাড়বার আলামত নেই। বললেন, ‘রাবিশ মিড্ল ক্লাস! এরা সব সময় হতাশা ব্যক্ত করবেই। নামাজ শেষে মুনাজাতে বলবে, ‘দয়াময়। হারাম খাওয়া থেকে আমায় রক্ষা কর।’ তারপর? অফিসে দেরিতে হাজিরা দেবে আর ছুটির সময়ের ঘণ্টাখানেক আগে বেরিয়ে আসবে। অ্যারাবিয়ান হর্সের স্পিডে মেট্রো স্টেশনে ছুটবে। মেট্রোয় ঢুকেই লিপ্ত হবে পরনিন্দায়। বলবে কেউই নিয়ম মানে না। সবাই দুর্নীতিবাজ। সমাজটা পচে যাচ্ছে। এমন সমাজে আমার চাকরি! আমাকে দিয়ে এখানে কিসসু হবে না।

‘ঠিক আছে তোরে দিয়া কিসসু হবে না। ছেলেমেয়ের দ্বারাও হবে না, এটা বুঝলি ক্যামতে? তুই কী আলেমুল গায়েব?’ বলেন আমার পড়শি। তিনি হাত ছাড়তেই ‘তাড়া আছে, পরে আলাপ হবে’ বলে কেটে পড়লাম। রাতে টিভি পর্দায় আবির্ভূত এক চিন্তকও দেখি সাজ্জাদ মতিনের মতোই মধ্যবিত্তের ওপর কুপিত। চিন্তক বলছেন, তাঁর এক আত্মীয় নাম হিরন চৌধুরী, পেশায় কলেজশিক্ষক, বড়লোকদের সর্বনাশ আর নিজের পৌষমাস কামনা করতে করতে ক্লান্ত হয়ে তাঁর বিশ্বাস জন্মায় যে কিছু না ছুঁয়ে দিনাতিপাতেই মুক্তি। তাই একদিন ঘোষণা  করেন, ‘নিরুদ্দেশ হয়ে যাওয়া ছাড়া আমার আর গতি নাই।’

সংসার হিরণকে দাগা দিয়েছে। তাই, তিনিও সংসারকে দাগা দেবেন। স্ত্রী, দুই ছেলে, দুই মেয়ের পরোয়া না করে নামবেন নিরুদ্দেশযাত্রায়। নামতেই হবে কেননা কলেজে পড়াচ্ছেন ২২ বছর। কবে যে ষড়যন্ত্রী সহকর্মীদের বাধা ডিঙিয়ে ভাইস প্রিন্সিপাল হবেন বলতে পারছেন না। নাহ্ তিনি বুঝে গেছেন, তাকে দিয়ে কিসসু হওয়ার নয়। হিরণের বাবার বড় ভাই মিরণ চৌধুরী বললেন, তোর পুত্র-কন্যা-স্ত্রীর কী হবে। ওদের খাওয়াবে কে? হিরণের উত্তর ওদের দেখবে আমার রাব্বুল আলামিন।

রাব্বুল আলামিনের ওপর তার অগাধ বিশ্বাস? না, তা নয়। চিন্তক জানান, মহল্লার অধিবাসীরা এককাট্টা হয়ে ‘পরিবারের খোরপোষের নিশ্চিত ব্যবস্থা করার পর যথা ইচ্ছা তথা যাও’ বলে চেপে ধরবে ভয়ে সিনিয়র প্রভাষক হিরণ চৌধুরী তার ব্যক্তিগত সংকট আল্লাহকে ফরোয়ার্ড করে দিয়েছিলেন। কায়দাটা কী তিনি ভারতীয় রাজনীতিক মোরারজিভাই দেশাইর কাছ থেকে শিখেছিলেন? ১৯৭৭ সালে অতি পাকা (৮১ বছর) বয়সে দেশাই তাঁর দেশের প্রধানমন্ত্রী নির্বাচিত হন। শত কর্মব্যস্ততা সত্ত্বেও তাঁর ক্লান্তি নেই। নিরুদ্বিগ্ন চেহারা তাঁর। দারুণ ফিটনেস। সাংবাদিকরা প্রশ্ন করেন, আপনাকে সব সময় নিরুদ্বিগ্ন দেখায়। রাষ্ট্রীয় কোনো সংকট-সমস্যা কি কখনো আপনার ঘুম কেড়ে নেয় না?

দেশাইর উত্তর, ‘নিতে তো চায়। আমি নিতে দিই না।’ প্রশ্ন, সেটা কীভাবে? দেশাই বলেন, সংকট মোচনের উপায় বের করার চেষ্টা করি। এটা করতে চাই, সেটা করতে চাই, আবার ভাবি, থাক। আরেকটা করলে কী হয়। এ রকম উচিত-অনুচিত ভাবতে ভাবতে মধ্যরাত পেরিয়ে যায়। এবার ঘুমানো দরকার। তখন নিজেকে নিজে বলি, সংকট তৈরি করেছেন ঈশ্বর, সমাধানও করবেন ঈশ্বর। তুমি নাক গলাও কেন! বিষয়টি ঈশ্বরকে সঁপে দিয়ে ঘুমিয়ে পড়ি।

হিরণ উপরে আস্তিক আর ভিতরে নাস্তিক কি না, জানতে আগ্রহ হয়। টিভি পর্দার চিন্তকের কাছে প্রশ্ন করার উপায় ছিল না। আমাদের এলাকার মুদি দোকানি নজিবুর রহমান ছিলেন লোকদেখানো বিশ্বাসী। তার প্রিয় অভ্যাস ছিল ধারকর্জ করা। কর্জ করে কথামতো শোধ করলে আপত্তির কী! নজিবুর কথা দেন, টাকা দেন না। ক্লাস এইটের ছাত্র আমি। তার শ্যালক কানুর সঙ্গে এক স্কুলে পড়ি; এক মাঠে ফুটবল খেলি। কানু বলে, দেনা শোধ যেদিন করেন সেদিন দুলাভাইয়ের পেটে ভুডুর ভুডুর আওয়াজ হয়। দুই-তিন দিন ধইরা সেই আওয়াজ চলে। আপায় কয়, পাওনা টাকা দিছ। তাও তো জবানমতো দাও নাই। যেদিন দিবা কইলা তার সাত মাস পর দিছ। সেজন্য চেহারাখান এমন কইরছ যেন ঠাটা পইড়া তোমার বউ মরছে।

কানু জানায়, আপার মন্তব্য শুনে রুষ্ট নজিবুর স্ত্রীর চোয়ালে জোরে একটা ঘুষি মারেন। ঘুষি মারা বা ঘুষি খাওয়া তো কোনো হাসাহাসির ব্যাপার না। কিন্তু ‘আপারে ঘুষি মারল দুলাভাই’ বলেই কানুর হাসি শুরু। হাসি থামে না। মনে হচ্ছিল রোজ কেয়ামত তক হাসবে। বাধ্য হয়ে কানুর চোয়ালে ঘুষি মারতে চাইলাম। হাসি থামিয়ে কানু বলে, ‘দুলাভাই আপারে কয়, তুই মরলে আমি আরেক বিয়া কইত্তে পারুম? জিনিসপত্রের যে-ই দাম! আরেক বিয়ার বন্দোবস্ত করতে গেলে জান বারাইয়া যাইব না?’

এক বিকালে নজিবুরের বাড়িতে গিয়ে দেখি তিনি বাড়ির ঘরের সামনের কামরায় আসরের নামাজ পড়ছেন। পড়া শেষ করে আমাকে আপ্যায়নে ব্যস্ত হলেন। এমন সময় কানু জানায়, আপনার কাছে তিন হাজার টাকা পায়, সেই হাবু ভুঁইয়া এসেছেন। তাকে ঘরে আনতে বলেন নজিবুর। কানু ডাকতে গেল। আর অমনি জায়নামাজে দাঁড়িয়ে গেলেন নজিবুর। ঘরে ঢুকে হাবু দেখেন দেনাদার সেজদারত। চার রাকাত নামাজ পড়েও ফেললেন নজিবুর। মোনাজাত শেষে হাবুকে বললেন, আহ্হারে দেরি কইরা ফেললেন! তিন মিনিট আগে আইলেও দিতে পাইত্তাম। তিনি আমাকে দেখিয়ে বলেন য়্যাতার (মানে আমি) সামনেই তো একজনরে দেড় হাজার টাকা দিয়া ফালাইছি। তিনি আমার উদ্দেশে বলেন, ওই যে হাওয়াই শার্ট পরনে, পায়ে চপপল ভদ্রলোক, উনারে টাকা দিতে তো তুমি দেখছ। কী ভাই, দেখ নাই? আমি নিরুত্তর।

হাবু ভুঁইয়া দেনাদারের বয়ান বিশ্বাস করলেন। নামাজি মানুষ মিথ্যা বলে না। হাবু চলে গেলে আমি বলি, এরকম করলেন কেন? তিনি বলেন, পাবলিকরে খুশিকরণের জন্য যত ব্যবস্থা আছে তার মধ্যে সেরাটা হইল আল্লাহ ভরসা দেখানো। দেখলা না, বিশ্বাস কইরা চুপচাপ বিদায় হইছে। বললাম, আপনি আল্লায় বিশ্বাসী না? প্রশ্ন শুনে নজিবুর সশব্দে হেসে ওঠেন। এরপর বলেন, অবশ্যই বিশ্বাসী। বিশ্বাসে মিলায় বস্তু তর্কে বহুদূর। তোমারে একটা বুদ্ধি দিই। কখনো কোনো নাস্তিকের লগে তর্কাতর্কিতে যাবা না। বেহুদা তোমার সময় বরবাদ হবে।

নাস্তিকদের কাজকারবার খুবই অপছন্দ করতেন যুক্তরাষ্ট্রের ৪০তম প্রেসিডেন্ট রোনাল্ড রিগান। তবু কখনো নাস্তিকদের সঙ্গে তর্কে লিপ্ত হননি। তিনি বলতেন, ঈশ্বর আমাদের জন্য কত সুন্দর করে পৃথিবী সৃষ্টি করেছেন। তবু কিছু লোক বলে বেড়ায়, কেউ সৃষ্টি করেনি। আপনা আপনিই পৃথিবী হয়ে গেছে। ‘স্রষ্টা’ আছেন এটা মগজে ঢোকানোর লক্ষ্যে রিগান একদিন ১২ জন নাস্তিককে নৈশভোজে ডাকলেন। ভরপেট সুস্বাদু খাবার খেয়ে তৃপ্ত নাস্তিকরা বলে, এমন মজাদার খাবার এর আগে আমরা কেউই খাইনি। আপনাকে অনেক অনেক ধন্যবাদ মিস্টার রিগান। (ক্যালিফোর্নিয়ার গভর্নর থাকাকালে রিগান এই ভোজ দিয়েছিলেন)। রিগান সহাস্যে বলেন, জেন্টেলমেন! এখন কি আপনাদের বিশ্বাস হয়, এই খাবারগুলো তৈরির পেছনে বাবুর্চি নামের এক স্রষ্টার হাত ছিল।

লেখক : সাংবাদিক

এই বিভাগের আরও খবর
সামাজিক ব্যবসা
সামাজিক ব্যবসা
রপ্তানি খাতে ধাক্কা
রপ্তানি খাতে ধাক্কা
ফিলিস্তিনের নাবলুস নগরী
ফিলিস্তিনের নাবলুস নগরী
জীবনজুড়ে রমজানের রেশ ধরে রাখুন
জীবনজুড়ে রমজানের রেশ ধরে রাখুন
ফুলচাষিদের স্বাস্থ্যঝুঁঁকি
ফুলচাষিদের স্বাস্থ্যঝুঁঁকি
রেমিট্যান্সে আশার আলো
রেমিট্যান্সে আশার আলো
ভোটের আলোচনা
ভোটের আলোচনা
বিমসটেক সম্মেলন
বিমসটেক সম্মেলন
ডিজিটাল সংস্কৃতি : ভার্চুয়াল উৎসব
ডিজিটাল সংস্কৃতি : ভার্চুয়াল উৎসব
শাওয়াল মাসের ছয় রোজার পুণ্য
শাওয়াল মাসের ছয় রোজার পুণ্য
ব্যাংককে বৈঠক, ঢাকা-দিল্লিতে গুঞ্জন
ব্যাংককে বৈঠক, ঢাকা-দিল্লিতে গুঞ্জন
এই সময়ের রাজনৈতিক চ্যালেঞ্জ
এই সময়ের রাজনৈতিক চ্যালেঞ্জ
সর্বশেষ খবর
বাকৃবিতে উন্নত জাতের টমেটোর জাত উদ্ভাবন
বাকৃবিতে উন্নত জাতের টমেটোর জাত উদ্ভাবন

এই মাত্র | প্রকৃতি ও পরিবেশ

১২ এপ্রিল নিউইয়র্কে ‘মঙ্গল শোভাযাত্রা’
১২ এপ্রিল নিউইয়র্কে ‘মঙ্গল শোভাযাত্রা’

৫ মিনিট আগে | পরবাস

টাঙ্গাইলে জীবনের নিরাপত্তা চেয়ে সংবাদ সম্মেলন
টাঙ্গাইলে জীবনের নিরাপত্তা চেয়ে সংবাদ সম্মেলন

৭ মিনিট আগে | দেশগ্রাম

পাওনা টাকা চাওয়ায় হামলা, ঘটনার ৪ দিন পর যুবকের মৃত্যু
পাওনা টাকা চাওয়ায় হামলা, ঘটনার ৪ দিন পর যুবকের মৃত্যু

১৮ মিনিট আগে | দেশগ্রাম

সিলেটে ৯ দিনে ২৮৭ নরমাল ডেলিভারি
সিলেটে ৯ দিনে ২৮৭ নরমাল ডেলিভারি

৩০ মিনিট আগে | চায়ের দেশ

মহাকাশ থেকে পৃথিবীতে পড়েছে ১২০০ বস্তুর ধ্বংসাবশেষ
মহাকাশ থেকে পৃথিবীতে পড়েছে ১২০০ বস্তুর ধ্বংসাবশেষ

৩১ মিনিট আগে | পাঁচফোড়ন

ধূলিঝড়ের পর রাজধানীতে স্বস্তির বৃষ্টি
ধূলিঝড়ের পর রাজধানীতে স্বস্তির বৃষ্টি

৩৫ মিনিট আগে | নগর জীবন

শরীরে একাধিক কোপ, ডোবা থেকে অজ্ঞাত যুবকের লাশ উদ্ধার
শরীরে একাধিক কোপ, ডোবা থেকে অজ্ঞাত যুবকের লাশ উদ্ধার

৩৭ মিনিট আগে | দেশগ্রাম

অক্টোবরেই অচল ২৪ কোটি কম্পিউটার, বিকল্প কী?
অক্টোবরেই অচল ২৪ কোটি কম্পিউটার, বিকল্প কী?

৩৮ মিনিট আগে | টেক ওয়ার্ল্ড

যৌন হেনস্তার অভিযোগে ‘স্কুইড গেম’ তারকার সাজা
যৌন হেনস্তার অভিযোগে ‘স্কুইড গেম’ তারকার সাজা

৪৪ মিনিট আগে | শোবিজ

চাঁদপুরে ৬৪ যানবাহনে তল্লাশি ও জরিমানা
চাঁদপুরে ৬৪ যানবাহনে তল্লাশি ও জরিমানা

৪৯ মিনিট আগে | দেশগ্রাম

বিমসটেক শীর্ষ সম্মেলনে যেসব সিদ্ধান্ত গৃহীত
বিমসটেক শীর্ষ সম্মেলনে যেসব সিদ্ধান্ত গৃহীত

৫০ মিনিট আগে | জাতীয়

‘পার্বত্য অঞ্চলের শিক্ষাব্যবস্থাকে মানসম্মত করতে হবে’
‘পার্বত্য অঞ্চলের শিক্ষাব্যবস্থাকে মানসম্মত করতে হবে’

৫০ মিনিট আগে | দেশগ্রাম

যুক্তরাষ্ট্রে বাংলাদেশের রফতানি আরও বাড়বে, কমবে না: প্রেস সচিব
যুক্তরাষ্ট্রে বাংলাদেশের রফতানি আরও বাড়বে, কমবে না: প্রেস সচিব

৫৯ মিনিট আগে | জাতীয়

সিআরবিতে পরিচ্ছন্নতা অভিযান
সিআরবিতে পরিচ্ছন্নতা অভিযান

১ ঘণ্টা আগে | চট্টগ্রাম প্রতিদিন

ঢাকাসহ ৭ অঞ্চলে মধ্যরাতের মধ্যে ঝড়ের আভাস
ঢাকাসহ ৭ অঞ্চলে মধ্যরাতের মধ্যে ঝড়ের আভাস

১ ঘণ্টা আগে | জাতীয়

মুক্তাগাছায় মোটরসাইকেল দুর্ঘটনায় নিহত ১
মুক্তাগাছায় মোটরসাইকেল দুর্ঘটনায় নিহত ১

১ ঘণ্টা আগে | দেশগ্রাম

বরিশালে ডোবা থেকে অজ্ঞাত লাশ উদ্ধার
বরিশালে ডোবা থেকে অজ্ঞাত লাশ উদ্ধার

১ ঘণ্টা আগে | নগর জীবন

কালীগঞ্জে রেল ব্রিজের নিচ থেকে অজ্ঞাত যুবকের লাশ উদ্ধার
কালীগঞ্জে রেল ব্রিজের নিচ থেকে অজ্ঞাত যুবকের লাশ উদ্ধার

১ ঘণ্টা আগে | দেশগ্রাম

মেক্সিকোতে প্রথম এইচ৫এন১ বার্ড ফ্লু রোগী শনাক্ত
মেক্সিকোতে প্রথম এইচ৫এন১ বার্ড ফ্লু রোগী শনাক্ত

১ ঘণ্টা আগে | পূর্ব-পশ্চিম

অষ্টমী স্নানে ব্রহ্মপুত্র নদে পুণ্যার্থীদের ঢল
অষ্টমী স্নানে ব্রহ্মপুত্র নদে পুণ্যার্থীদের ঢল

১ ঘণ্টা আগে | দেশগ্রাম

ধর্ষণের শিকার জমজ দুই বোনকে আইনি সহায়তা প্রদানের দায়িত্ব নিলেন তারেক রহমান
ধর্ষণের শিকার জমজ দুই বোনকে আইনি সহায়তা প্রদানের দায়িত্ব নিলেন তারেক রহমান

১ ঘণ্টা আগে | দেশগ্রাম

ব্যবসায়ীর ফেলে যাওয়া ১৮ ভরি স্বর্ণ ‍ফিরিয়ে দিলেন অটোরিকশাচালক
ব্যবসায়ীর ফেলে যাওয়া ১৮ ভরি স্বর্ণ ‍ফিরিয়ে দিলেন অটোরিকশাচালক

১ ঘণ্টা আগে | দেশগ্রাম

৩২৯টি উপজেলায় হচ্ছে টেকনিক্যাল স্কুল অ্যান্ড কলেজ
৩২৯টি উপজেলায় হচ্ছে টেকনিক্যাল স্কুল অ্যান্ড কলেজ

১ ঘণ্টা আগে | দেশগ্রাম

ডার্ক এনার্জি স্থির নয়! বিজ্ঞানীদের সামনে নতুন ধাঁধা
ডার্ক এনার্জি স্থির নয়! বিজ্ঞানীদের সামনে নতুন ধাঁধা

১ ঘণ্টা আগে | বিজ্ঞান

ঈদের ছুটিতে ঢাকা ছেড়েছেন ১ কোটি সিমধারী, ফিরেছেন ৪৪ লাখ
ঈদের ছুটিতে ঢাকা ছেড়েছেন ১ কোটি সিমধারী, ফিরেছেন ৪৪ লাখ

২ ঘণ্টা আগে | জাতীয়

ঈদের পঞ্চম দিনেও ‘দাগি’-‘জংলি’র দাপট অব্যাহত, আয় কত?
ঈদের পঞ্চম দিনেও ‘দাগি’-‘জংলি’র দাপট অব্যাহত, আয় কত?

২ ঘণ্টা আগে | শোবিজ

পতেঙ্গায় ১ কেজি স্বর্ণালংকারসহ আটক ৫
পতেঙ্গায় ১ কেজি স্বর্ণালংকারসহ আটক ৫

২ ঘণ্টা আগে | চট্টগ্রাম প্রতিদিন

‌‌‘শিক্ষার্থীরা পাস করে চাকরির জন্য নেতাদের পেছনে ঘুরতে হবে না’
‌‌‘শিক্ষার্থীরা পাস করে চাকরির জন্য নেতাদের পেছনে ঘুরতে হবে না’

২ ঘণ্টা আগে | দেশগ্রাম

আগৈলঝাড়ায় বসুন্ধরা শুভসংঘের মাসব্যাপী মাদকবিরোধী প্রচারণা শুরু
আগৈলঝাড়ায় বসুন্ধরা শুভসংঘের মাসব্যাপী মাদকবিরোধী প্রচারণা শুরু

২ ঘণ্টা আগে | বসুন্ধরা শুভসংঘ

সর্বাধিক পঠিত
ঈদুল আজহার সম্ভাব্য তারিখ প্রকাশ
ঈদুল আজহার সম্ভাব্য তারিখ প্রকাশ

২৩ ঘণ্টা আগে | পূর্ব-পশ্চিম

আত্মরক্ষার জন্য ইরানের সর্বোচ্চ প্রস্তুতি রয়েছে : সৌদি যুবরাজকে পেজেশকিয়ান
আত্মরক্ষার জন্য ইরানের সর্বোচ্চ প্রস্তুতি রয়েছে : সৌদি যুবরাজকে পেজেশকিয়ান

৯ ঘণ্টা আগে | পূর্ব-পশ্চিম

পর্দায় নয়, এবার সত্যিই বিয়ে করলেন শামীম হাসান সরকার
পর্দায় নয়, এবার সত্যিই বিয়ে করলেন শামীম হাসান সরকার

২৩ ঘণ্টা আগে | শোবিজ

আপনার প্রতি শেখ হাসিনার অসম্মানজনক আচরণ দেখেছি : ড. ইউনূসকে বলেন মোদি
আপনার প্রতি শেখ হাসিনার অসম্মানজনক আচরণ দেখেছি : ড. ইউনূসকে বলেন মোদি

৪ ঘণ্টা আগে | জাতীয়

যুক্তরাষ্ট্রের শুল্ক ইস্যুতে জরুরি সভা ডেকেছেন প্রধান উপদেষ্টা
যুক্তরাষ্ট্রের শুল্ক ইস্যুতে জরুরি সভা ডেকেছেন প্রধান উপদেষ্টা

৫ ঘণ্টা আগে | জাতীয়

ইরানে হামলার হুমকি থেকে পিছু হটলেন ট্রাম্প, সরাসরি আলোচনার প্রস্তাব
ইরানে হামলার হুমকি থেকে পিছু হটলেন ট্রাম্প, সরাসরি আলোচনার প্রস্তাব

৪ ঘণ্টা আগে | পূর্ব-পশ্চিম

আওয়ামী লীগের টাকার লোভে না পড়তে দলীয় নেতাদের হুঁশিয়ারি শামা ওবায়েদের
আওয়ামী লীগের টাকার লোভে না পড়তে দলীয় নেতাদের হুঁশিয়ারি শামা ওবায়েদের

১৮ ঘণ্টা আগে | রাজনীতি

ঐশ্বরিয়া আমার মেয়ে নয়, কেবল ছেলের বউ : জয়া বচ্চন
ঐশ্বরিয়া আমার মেয়ে নয়, কেবল ছেলের বউ : জয়া বচ্চন

২৩ ঘণ্টা আগে | শোবিজ

৫ মিলিয়ন ডলারের ‘গোল্ড কার্ড’ ভিসা উন্মোচন করলেন ট্রাম্প
৫ মিলিয়ন ডলারের ‘গোল্ড কার্ড’ ভিসা উন্মোচন করলেন ট্রাম্প

২২ ঘণ্টা আগে | পূর্ব-পশ্চিম

শরীয়তপুরে দুই গ্রুপের সংঘর্ষ, শতাধিক হাতবোমা বিস্ফোরণ
শরীয়তপুরে দুই গ্রুপের সংঘর্ষ, শতাধিক হাতবোমা বিস্ফোরণ

৮ ঘণ্টা আগে | দেশগ্রাম

ড. ইউনূস-মোদি বৈঠক আশার আলো তৈরি করেছে: মির্জা ফখরুল
ড. ইউনূস-মোদি বৈঠক আশার আলো তৈরি করেছে: মির্জা ফখরুল

২৩ ঘণ্টা আগে | রাজনীতি

বিশ্বের শক্তিশালী পাসপোর্টের তালিকায় এক ধাপ এগোল বাংলাদেশ
বিশ্বের শক্তিশালী পাসপোর্টের তালিকায় এক ধাপ এগোল বাংলাদেশ

৭ ঘণ্টা আগে | জাতীয়

হোয়াইট হাউস থেকে বরখাস্ত একাধিক শীর্ষ কর্মকর্তা, আলোচনায় লরা লুমার
হোয়াইট হাউস থেকে বরখাস্ত একাধিক শীর্ষ কর্মকর্তা, আলোচনায় লরা লুমার

৯ ঘণ্টা আগে | পূর্ব-পশ্চিম

সাত দিনের মধ্যে যুক্তরাষ্ট্র ছাড়ার নির্দেশ, আতঙ্কে ইউক্রেনীয়রা
সাত দিনের মধ্যে যুক্তরাষ্ট্র ছাড়ার নির্দেশ, আতঙ্কে ইউক্রেনীয়রা

৩ ঘণ্টা আগে | পূর্ব-পশ্চিম

কালশী ফ্লাইওভারে গাড়ির সঙ্গে মোটরসাইকেলের সংঘর্ষ, দুই যুবক নিহত
কালশী ফ্লাইওভারে গাড়ির সঙ্গে মোটরসাইকেলের সংঘর্ষ, দুই যুবক নিহত

১৯ ঘণ্টা আগে | নগর জীবন

হাসিনার এক মন্তব্যে সংকটে মাদারগঞ্জের সমবায় সমিতি
হাসিনার এক মন্তব্যে সংকটে মাদারগঞ্জের সমবায় সমিতি

২০ ঘণ্টা আগে | দেশগ্রাম

পরকীয়া প্রেমে বাধা দেওয়ায় স্বামীর পুরুষাঙ্গ কাটলো স্ত্রী
পরকীয়া প্রেমে বাধা দেওয়ায় স্বামীর পুরুষাঙ্গ কাটলো স্ত্রী

৮ ঘণ্টা আগে | দেশগ্রাম

‘আতঙ্কে তারা ভুল করেছে’: চীনের পাল্টা শুল্ক নিয়ে ট্রাম্প
‘আতঙ্কে তারা ভুল করেছে’: চীনের পাল্টা শুল্ক নিয়ে ট্রাম্প

৬ ঘণ্টা আগে | পূর্ব-পশ্চিম

একনজরে আজকের বাংলাদেশ প্রতিদিন (৫ এপ্রিল)
একনজরে আজকের বাংলাদেশ প্রতিদিন (৫ এপ্রিল)

১২ ঘণ্টা আগে | জাতীয়

ফিলিস্তিনি জনগণের প্রতি পাকিস্তান সেনা কমান্ডারদের অকুণ্ঠ সমর্থন
ফিলিস্তিনি জনগণের প্রতি পাকিস্তান সেনা কমান্ডারদের অকুণ্ঠ সমর্থন

৩ ঘণ্টা আগে | পূর্ব-পশ্চিম

নির্বাচনের কথা বলে মুখে ফেনা তুলে ফেললেই গণতন্ত্র হয় না : নুসরাত তাবাসসুম
নির্বাচনের কথা বলে মুখে ফেনা তুলে ফেললেই গণতন্ত্র হয় না : নুসরাত তাবাসসুম

৫ ঘণ্টা আগে | রাজনীতি

চালের দানার চেয়েও ছোট পেসমেকার তৈরি করলেন বিজ্ঞানীরা
চালের দানার চেয়েও ছোট পেসমেকার তৈরি করলেন বিজ্ঞানীরা

১০ ঘণ্টা আগে | বিজ্ঞান

কালশী ফ্লাইওভারে দুর্ঘটনায় নিহত দুই যুবকের পরিচয় মিলেছে
কালশী ফ্লাইওভারে দুর্ঘটনায় নিহত দুই যুবকের পরিচয় মিলেছে

৩ ঘণ্টা আগে | নগর জীবন

৫.৬ মাত্রার ভূমিকম্পে আবার কেঁপে উঠলো মিয়ানমার
৫.৬ মাত্রার ভূমিকম্পে আবার কেঁপে উঠলো মিয়ানমার

১০ ঘণ্টা আগে | পূর্ব-পশ্চিম

মিয়ানমারে বাংলাদেশ সশস্ত্র বাহিনীর নেতৃত্বে উদ্ধার ও চিকিৎসা কার্যক্রম অব্যাহত
মিয়ানমারে বাংলাদেশ সশস্ত্র বাহিনীর নেতৃত্বে উদ্ধার ও চিকিৎসা কার্যক্রম অব্যাহত

১৯ ঘণ্টা আগে | জাতীয়

‘প্রয়োজনে জোটগতভাবে নির্বাচন করবে এনসিপি’
‘প্রয়োজনে জোটগতভাবে নির্বাচন করবে এনসিপি’

২৩ ঘণ্টা আগে | রাজনীতি

লৌহজংয়ে পাওয়া মরদেহের টুকরোগুলো সাভারের সবুজ মোল্যার
লৌহজংয়ে পাওয়া মরদেহের টুকরোগুলো সাভারের সবুজ মোল্যার

৬ ঘণ্টা আগে | দেশগ্রাম

আইপিএলের প্রথমবার দেখা গেল এমন কিছু
আইপিএলের প্রথমবার দেখা গেল এমন কিছু

১১ ঘণ্টা আগে | মাঠে ময়দানে

প্রতিকূল পরিবেশেও খেলাপি ঋণ কমেছে
প্রতিকূল পরিবেশেও খেলাপি ঋণ কমেছে

১৮ ঘণ্টা আগে | বাণিজ্য

হাতে সব প্রমাণ আছে, আইনিভাবে মোকাবিলা করবো : পরীমণি
হাতে সব প্রমাণ আছে, আইনিভাবে মোকাবিলা করবো : পরীমণি

৪ ঘণ্টা আগে | শোবিজ

প্রিন্ট সর্বাধিক
সুবিধাবাদী হাইব্রিডে অতিষ্ঠ বিএনপি
সুবিধাবাদী হাইব্রিডে অতিষ্ঠ বিএনপি

প্রথম পৃষ্ঠা

মুজিব ছিলেন বেপরোয়া
মুজিব ছিলেন বেপরোয়া

প্রথম পৃষ্ঠা

চলতি বছর টাইগারদের ৬ টেস্ট
চলতি বছর টাইগারদের ৬ টেস্ট

মাঠে ময়দানে

হাসিনাকে চাইল বাংলাদেশ
হাসিনাকে চাইল বাংলাদেশ

প্রথম পৃষ্ঠা

দেশের প্রযুক্তি খাতে বিপ্লব ঘটাবে স্টারলিংক
দেশের প্রযুক্তি খাতে বিপ্লব ঘটাবে স্টারলিংক

প্রথম পৃষ্ঠা

ধুঁকছেন পেট্রাপোলের ব্যবসায়ীরাও
ধুঁকছেন পেট্রাপোলের ব্যবসায়ীরাও

পেছনের পৃষ্ঠা

ইলিশের দামে আগুন
ইলিশের দামে আগুন

পেছনের পৃষ্ঠা

আজকের ভাগ্যচক্র
আজকের ভাগ্যচক্র

আজকের রাশি

মুখোমুখি সরকার-আইএমএফ
মুখোমুখি সরকার-আইএমএফ

প্রথম পৃষ্ঠা

দীর্ঘদিন ক্ষমতা আঁকড়ে রাখার চিন্তা করলে জনগণ মেনে নেবে না
দীর্ঘদিন ক্ষমতা আঁকড়ে রাখার চিন্তা করলে জনগণ মেনে নেবে না

নগর জীবন

‘মিনি জাফলংয়ে’ স্বাস্থ্যঝুঁকি
‘মিনি জাফলংয়ে’ স্বাস্থ্যঝুঁকি

নগর জীবন

দক্ষিণ এশিয়ার ইসরায়েল ভারত
দক্ষিণ এশিয়ার ইসরায়েল ভারত

পেছনের পৃষ্ঠা

রাজশাহী বিএনপিতে ত্রিধারা
রাজশাহী বিএনপিতে ত্রিধারা

নগর জীবন

হচ্ছে বাম দলের বৃহত্তর জোট!
হচ্ছে বাম দলের বৃহত্তর জোট!

প্রথম পৃষ্ঠা

চট্টগ্রাম-কক্সবাজার সড়কে শঙ্কা
চট্টগ্রাম-কক্সবাজার সড়কে শঙ্কা

পেছনের পৃষ্ঠা

আত্রাই নদীর চরে কুমড়াবাড়ি!
আত্রাই নদীর চরে কুমড়াবাড়ি!

পেছনের পৃষ্ঠা

কবির-মুসার বিরুদ্ধে এবার জালিয়াতির অভিযোগ
কবির-মুসার বিরুদ্ধে এবার জালিয়াতির অভিযোগ

নগর জীবন

নতুন জীবনের খোঁজে মাহি
নতুন জীবনের খোঁজে মাহি

শোবিজ

যৌথ পরিবারের গল্প
যৌথ পরিবারের গল্প

শনিবারের সকাল

এবার জনগণ ভোটাধিকার ফিরে পাবে
এবার জনগণ ভোটাধিকার ফিরে পাবে

প্রথম পৃষ্ঠা

আমাদের সম্পর্কটা বড় ভাই-ছোট ভাইয়ের মতো
আমাদের সম্পর্কটা বড় ভাই-ছোট ভাইয়ের মতো

শোবিজ

১ লাখ ৮০ হাজার রোহিঙ্গা ফেরত নেবে মিয়ানমার
১ লাখ ৮০ হাজার রোহিঙ্গা ফেরত নেবে মিয়ানমার

প্রথম পৃষ্ঠা

অভিযোগে মোশাররফ করিমের জবাব
অভিযোগে মোশাররফ করিমের জবাব

শোবিজ

জমজমাট বিনোদন কেন্দ্রগুলো
জমজমাট বিনোদন কেন্দ্রগুলো

পেছনের পৃষ্ঠা

প্রয়োজনীয় সংস্কার শেষে দ্রুত নির্বাচন
প্রয়োজনীয় সংস্কার শেষে দ্রুত নির্বাচন

প্রথম পৃষ্ঠা

নিশোর মুখে শাকিববন্দনা
নিশোর মুখে শাকিববন্দনা

শোবিজ

বাছাইপর্ব টপকাতে প্রস্তুত নিগাররা
বাছাইপর্ব টপকাতে প্রস্তুত নিগাররা

মাঠে ময়দানে

প্রয়োজনীয় সংস্কার করে দ্রুত নির্বাচন দিতে হবে
প্রয়োজনীয় সংস্কার করে দ্রুত নির্বাচন দিতে হবে

প্রথম পৃষ্ঠা

চলে যাচ্ছেন ম্যানসিটির ডি ব্রুইন
চলে যাচ্ছেন ম্যানসিটির ডি ব্রুইন

মাঠে ময়দানে

কলকাতার জার্সিতে ২০০ উইকেট
কলকাতার জার্সিতে ২০০ উইকেট

মাঠে ময়দানে