শিরোনাম
প্রকাশ: ০০:০০, বুধবার, ০৫ ফেব্রুয়ারি, ২০২৫

দেশে দেশে কুসংস্কারের শিকার নারী

সুমন পালিত
প্রিন্ট ভার্সন
দেশে দেশে কুসংস্কারের শিকার নারী

একবিংশ শতাব্দীকে বলা হয়- সভ্যতার উৎকর্ষের যুগ। তার পরও বিশ্বজুড়েই কুসংস্কার মানবসভ্যতাকে প্রশ্নবিদ্ধ করে রেখেছে। মানুষ শিক্ষাদীক্ষায় এগিয়ে গেলেও তার হৃদয়ের অন্ধকারাচ্ছন্ন কোঠায় সেই আলো আদৌ পৌঁছাচ্ছে কিনা, তা একটি প্রশ্নবিদ্ধ বিষয়। এ একাবিংশ শতাব্দীতেও কুসংস্কারের বিরুদ্ধে সভ্য মানুষকে লড়তে হচ্ছে। সুদানের বিতর্কিত লেখিকা কোলা বুফ যাঁকে আফ্রিকার তসলিমা নাসরিন হিসেবে ভাবা হয়, তিনি তাঁর আত্মজীবনীমূলক বই ডায়েরি অব এ লস্ট গার্ল-এ খতনাপ্রথার বীভৎসতার চিত্র তুলে ধরেছেন। নারীবাদী এ লেখিকার দৃষ্টিভঙ্গির সঙ্গে যে কারোর দ্বিমত থাকতেই পারে। কিন্তু খতনাপ্রথার বিরুদ্ধে তাঁর ক্ষোভের প্রতি মনুষ্যচেতনাসম্পন্ন যে কেউ সহানুভূতিশীল হতে বাধ্য। সুদানের এ লেখিকাকেও তাঁর কিশোরী বয়সে খতনাপ্রথার শিকার হতে হয়েছিল। কুসংস্কারের কাছে তিনি নিজেকে বলি দিতে বাধ্য হয়েছিলেন।

শিক্ষাদীক্ষায় পৃথিবী অনেক এগিয়ে গেলেও কুসংস্কারের বোঝা এখনো সভ্য দুনিয়ার ঘাড়ে চেপে রয়েছে। সর্বত্রই এর শিকার মূলত নারীরাই। এমনকি নারী-পুরুষে বৈষম্য স্বীকার করে না যে পশ্চিমা বিশ্ব সেখানেও নারীরা প্রতি পদে পদে উপেক্ষিত। আজও একজন মহিলাকে দেশের প্রেসিডেন্ট হিসেবে মেনে নেওয়ার মানসিকতা বিকশিত হয়নি দুনিয়ার সবচেয়ে অগ্রসর দেশ মার্কিন যুক্তরাষ্ট্রে। আফ্রিকা ও আরব দেশগুলোর নারীরা যেসব কুসংস্কারের শিকার তার অন্যতম হলো মেয়েদের খতনাপ্রথা। পুরুষদের খতনা কথাটি সবার জানা। পৃথিবীর তিনটি প্রধান ধর্মমত মুসলমান, খ্রিস্টান ও ইহুদি ধর্মের অনুসারীদের মধ্যে এটি ব্যাপকভাবে প্রচলিত। ধর্মীয় প্রথা শুধু নয়, আধুনিক বিজ্ঞানও পুরুষদের খতনার পক্ষে। কারণ এটি স্বাস্থ্যসম্মত। যে কারণে ধর্মীয় দিক থেকে যারা খতনাপ্রথায় অভ্যস্ত নন, তারাও অনেক সময় স্বাস্থ্যগত কারণে খতনা করান। খতনাপ্রথার প্রথম উদ্ভব ইহুদি সমাজে। ইহুদিরা এটিকে অবশ্যপালনীয় কর্তব্য হিসেবেই মনে করে। খ্রিস্টীয় বিধানে বাধ্যবাধকতা তেমন না থাকলেও এ ধর্মের সূতিকাগার ফিলিস্তিন ও ধারেকাছের আরব দেশগুলোতে খ্রিস্টানদের মধ্যে খতনাপ্রথার প্রচলন আছে।

আমাদের দেশের মুসলমান সম্প্রদায়ের মধ্যে খতনাকে অবশ্যপালনীয় কর্তব্য বলে ধরা হয়। সাধারণের ভাষায় যা মুসলমানি হিসেবে পরিচিত। অনেকেরই ধারণা খতনা না দিলে মুসলমানিত্ব থাকে না। যদিও খতনার সঙ্গে মুসলমানিত্বের কোনো সম্পর্ক নেই। ইসলামের দৃষ্টিতে অবশ্যপালনীয় কর্তব্যগুলোকে ফরজ বলে অভিহিত করা হয়। সে অর্থে খতনা ফরজ নয়। অর্থাৎ এটি পালন না করলে ধর্মচ্যুতি বা পাপের কোনো সম্ভাবনা নেই। তবে এটি মুসলমানদের জন্য একটি অনুসরণীয় স্বাস্থ্যবিধিবিশেষ। মহানবী হজরত মুহাম্মদ (সা.) নিজে খতনা করেছেন। অন্যদেরও উৎসাহিত করেছেন। মুসলিম সমাজে পুরুষদের ত্বকচ্ছেদকে সুন্নতে খতনা হিসেবে অভিহিত করা হয়। সুন্নত শব্দটির অর্থ ইসলাম ধর্মে বিশ্বাসী সবারই কমবেশি জানা। মহানবী যেসব অনুশাসন বা নিয়ম পালন করতেন সেগুলোকেই বলা হয় সুন্নত।

ইসলামের দৃষ্টিতে সুন্নত পালন করা উত্তম। এর মাধ্যমে মহানবীর জীবনাদর্শকে অনুসরণ করা হয়। সে হিসেবে এটি একটি পুণ্যের কাজ।

দেশে দেশে কুসংস্কারের শিকার নারীআধুনিক বিজ্ঞানের দৃষ্টিতে পুরুষদের খতনা স্বাস্থ্যসম্মত। কারণ খতনার মাধ্যমে বিভিন্ন ধরনের ছত্রাকজাতীয় রোগ থেকে রক্ষা পাওয়া যায়। যৌনবিজ্ঞান মতেও এটি একটি উপকারী প্রথা। পুরুষদের খতনা আমাদের দেশে ব্যাপকভাবে পরিচিত হলেও মেয়েদের খতনার বিষয়টি অজানা। জানামতে এ দেশে অথবা এ উপমহাদেশের কোথাও মেয়েদের খতনার প্রথা চালু নেই। আমাদের দেশে অপরিচিত হলেও দুনিয়ার বহু দেশে বিশেষত আফ্রিকা ও আরব দেশগুলোতে মেয়েদের খতনা ব্যাপকভাবে প্রচলিত। এ প্রথাটি ইতোমধ্যে বিশ্ব স্বাস্থ্য সংস্থা ও নারী অধিকারসংক্রান্ত আন্তর্জাতিক সংস্থাগুলোর জন্য একটি মাথাব্যথার কারণ হয়ে দাঁড়িয়েছে।

মেয়েদের খতনা এ দেশে অপ্রচলিত। স্বভাবতই অনেকের মধ্যে প্রশ্ন উঠতে পারে মেয়েদের খতনা আবার কী? পুরুষদের ক্ষেত্রে খতনা হলো, পুরুষাঙ্গের বাড়তি চামড়া কেটে ফেলে দেওয়া। আফ্রিকার বিস্তৃত অঞ্চল এবং কোনো কোনো আরব দেশে মেয়েদের যে খতনা চালু আছে তাতে ভগাঙ্কুরের বর্ধিত অংশটুকু কেটে ফেলা হয়। পুরুষ ও নারীর খতনার মধ্যে কিছু পার্থক্য রয়েছে। পুরুষদের যে অংশটি কেটে ফেলা হয় তা তেমন স্পর্শকাতর নয়। বরং এটি অনেক সময় স্বাস্থ্যের জন্য বিপজ্জনক হয়েও দেখা দেয়। মেয়েদের ভগাঙ্কুর শরীরের সবচেয়ে স্পর্শকাতর স্থান। এটি কেটে ফেললে রক্ত বন্ধ করা কঠিন হয়ে দাঁড়ায়। যন্ত্রণাদায়ক তো বটেই। বিশ্বে প্রতি বছর কোটি কোটি পুরুষের খতনা হলেও জীবনহানির ঘটনা নগণ্য। ভোগান্তির পরিমাণও একেবারে কম। পক্ষান্তরে মেয়েদের খতনার জন্য জীবনহানির ঘটনা অহরহ ঘটছে। ভগাঙ্কুরে সৃষ্ট ক্ষতের কারণে দীর্ঘস্থায়ী বিরূপ প্রতিক্রিয়ার শিকারও হয় হাজার হাজার মেয়ে।

স্পষ্টভাবে বলা যায়, মেয়েদের খতনা একটি বর্বর প্রথা। এটি আমাদের এ উপমহাদেশের সনাতন ধর্মাবলম্বীদের মধ্যে প্রচলিত সতীদাহের মতোই অমানবিক ও বীভৎস। আফ্রিকার কোনো কোনো দেশে গোত্রের বিশেষ বয়সের সব কিশোরীকে একসঙ্গে বীভৎস উৎসবের মাধ্যমে খতনা দেওয়া হয়। খতনার নামে ভগাঙ্কুর কাটতে যে অস্ত্র ব্যবহার করা হয় তা অনেক সময় দূষণমুক্ত থাকে না। কুসংস্কারের বশে খতনা দেওয়ার ক্ষেত্রে এমন সব পদ্ধতির আশ্রয় নেওয়া হয়, তা একদিকে যেমন যন্ত্রণাদায়ক অন্যদিকে স্বাস্থ্যের জন্য হুমকি। গত শতাব্দীর শেষ দিকে আফ্রিকার সিয়েরা লিওনে এমন ধরনের এক গণখতনার ঘটনা ঘটে। ঘটা করে একটি গোত্রের সব কুমারী মেয়ের ভগাঙ্কুরের অংশবিশেষ কেটে ফেলা হয়। যার সংখ্যা ছিল ৬০০। খতনায় যৌনাঙ্গে ক্ষত সৃষ্টি হওয়ায় তাদের অন্তত ১০ জনের জীবন হুমকির সম্মুখীন হয়। যাদের হাসপাতালের ইনটেনসিভ কেয়ার ইউনিটে ভর্তি করে জরুরি চিকিৎসা দিতে হয়। আরও অনেক মেয়েকে এ কারণে হাসপাতালে ভর্তি হতে হয়েছে। কুসংস্কারবশে যারা হাসপাতালে যায়নি তার সংখ্যাও অনেক।

সিয়েরা লিওনে মেয়েদের খতনা রাষ্ট্রীয়ভাবে বৈধ। গণখতনার বিষয়টি বাইরের দুনিয়ায় প্রকাশিত হলে সে দেশের সরকার বিব্রত অবস্থায় পড়ে। সিয়েরা লিওনের তৎকালীন ফার্স্টলেডি মরিয়ম কোব্বাহ সেই লজ্জা লুকাতে এক বিবৃতিতে শাক দিয়ে মাছ ঢাকার চেষ্টা করেন। তিনি বলেন, খতনার বিষয়টি তাঁর জানা ছিল না। তিনি এ প্রথার সঙ্গে একমত নন।

সিয়েরা লিওনের ফার্স্টলেডি গণখতনা সম্পর্কে অজ্ঞতা প্রকাশ করলেও এর নিন্দা জানাননি। এ অমানবিক প্রথা বন্ধে সরকার উদ্যোগ নেবে এমন কোনো প্রতিশ্রুতিও দেননি। মেয়েদের খতনা নামের কুসংস্কারটি সে দেশের জনমনে যেভাবে গেঁথে আছে, তার বিরুদ্ধাচরণ করার সৎ সাহস দেখাতে পারেননি তিনি। শুধু সিয়েরা লিওন নয়, আফ্রিকার অনেক দেশে মেয়েদের খতনা একটি অবশ্যপালনীয় প্রথা। এটিকে তারা পুণ্যের কাজ মনে করে। যে কুসংস্কারের শিকার আফ্রিকার লাখ লাখ মেয়ে। জাতিসংঘের বিভিন্ন সংস্থা এ প্রথার বিরুদ্ধে শত নিন্দাবাদ জানালেও অবস্থার খুব বেশি উন্নতি হয়নি। কৃষ্ণ আফ্রিকা অর্থাৎ এ মহাদেশের যে অংশটি মাত্র দু-এক শতাব্দী আগেও সভ্য বিশ্ব থেকে দূরে ছিল তাদের মধ্যে এ কুসংস্কার টিকে থাকার বিষয়টি হয়তো ক্ষমা করা যায়। কিন্তু যে দেশটি বিশ্ব সভ্যতার সূতিকাগার হিসেবে পরিচিত আফ্রিকার সেই মিসরেও মেয়েদের খতনা বর্বরতার যুগকে এখনো লালন করে আছে। মিসরে আইনগতভাবে এ প্রথা নিষিদ্ধ। এটিকে নিরুৎসাহিত করতে প্রচার-প্রচারণারও অভাব নেই। কিন্তু মিসরীয় সমাজেও প্রতি বছর হাজার হাজার মেয়েকে খতনা দেওয়া হয়। একইভাবে নীল নদের দেশ মিসরে চালু রয়েছে কনট্রাক্ট ম্যারেজ নামের জঘন্য প্রথা। যা কার্যত পতিতাবৃত্তি। নারীরা এক দিনের জন্য কিংবা এক সপ্তাহ বা এক মাসের জন্য বিবাহবন্ধনে আবদ্ধ হন দেশিবিদেশি পুরুষের সঙ্গে। এ জন্য পান নির্দিষ্ট অঙ্কের টাকা। বিয়ে পড়ান যে মোল্লারা, তারা দেশিবিদেশি পুরুষদের জন্য নারী খুঁজে দেওয়ার কাজও করেন।

মেয়েদের খতনার জন্য পুরুষশাসিত সমাজের কুৎসিত ধারণা সম্ভবত বেশি দায়ী। মনে করা হয়, খতনা দেওয়া হলে মেয়েদের স্পর্শকাতরতা হ্রাস পাবে। দৈহিক ক্ষেত্রে পুরুষদের আধিপত্য বজায় থাকবে। এ মানসিকতার জন্যই যুগ যুগ ধরে কুপ্রথাটি বৈধ হয়ে বিরাজ করছে। বিশ্ব স্বাস্থ্য সংস্থাসহ সভ্য সমাজের চাপে কোনো কোনো দেশে এ কুপ্রথা নিষিদ্ধ ঘোষিত হলেও কার্যক্ষেত্রে এটি টিকে আছে বহাল তবিয়তে। সংশ্লিষ্ট অনেক দেশে শিক্ষাদীক্ষার ব্যাপক বিস্তার ঘটলেও মেয়েদের খতনা নামের বর্বর প্রথার অবসান ঘটেনি। এসব দেশের অনেক পরিবার ইউরোপ-আমেরিকায় বসবাস করছে। পশ্চিমা দুনিয়ার অগ্রসর মানুষের সঙ্গে পাল্লা দিয়ে তারা জীবনধারণও করছে। কিন্তু তাদের মধ্যেও টিকে রয়েছে কুসংস্কার। ফ্রান্সে মেয়েদের খতনা মারাত্মক অপরাধ হিসেবে বিবেচিত। এ জন্য কঠোর শাস্তির ব্যবস্থাও রয়েছে। কিন্তু তারপরও সে দেশের সরকার আফ্রিকীয় প্রবাসীদের খতনাপ্রথা নিরুৎসাহিত করতে পারেনি।

আফ্রিকায় এইডস রোগ ভয়াবহভাবে বিস্তার লাভ করার পেছনেও দায়ী কুসংস্কার। উগান্ডা ও পার্শ্ববর্তী দেশগুলোতে বিশ্বাস করা হয় এইডস তেমন কোনো রোগই নয়। তাদের বিশ্বাস কুমারীদের সঙ্গে দৈহিক সম্পর্ক পাতালে এ রোগ থেকে রক্ষা পাওয়া যায়। এ কুসংস্কার বা অন্ধবিশ্বাস প্রতি বছর হাজার হাজার কুমারীকে এইডসের শিকার হতে বাধ্য করছে। মেয়েদের খতনার মতোই আরেকটি ঘৃণিত পদ্ধতি কুমারীত্ব পরীক্ষা। আফ্রিকার বহু দেশে বিভিন্ন উপজাতির মধ্যে ঘটা করে কুমারীত্ব পরীক্ষা করা হয়। সে পরীক্ষায় উত্তীর্ণদের সার্টিফিকেটও দেওয়া হয়।

দক্ষিণ আফ্রিকার ডারবান শহরে ১৯৯৮ সালে প্রতি বছরের মতো কুমারীত্ব পরীক্ষার নামে উৎসবের আয়োজন করা হয়। এতে কোরামান্ড উপজাতির ৩০০ মেয়ে অংশ নেয়। তাদের পরনে ছিল পুঁতির মালা দিয়ে তৈরি মিনি স্কার্ট। ৩০০ মেয়েকে মাটিতে শুয়ে পড়তে বলা হয়। শত শত লোকের সামনে পরীক্ষক প্রতিটি মেয়েকে পরীক্ষা করে জানান দেন সে কুমারী আছে কিনা। বুড়ো আঙুল উঁচিয়ে কুমারীত্বের খবর জানাতেই সমবেতরা হাততালি দিয়ে উল্লাসের প্রকাশ ঘটায়। কুমারীত্ব পরীক্ষায় উত্তীর্ণদের বিয়ের বাজারে নাকি যথেষ্ট দাম দেওয়া হয়। শ্বশুর-শাশুড়ির কাছ থেকে যৌতুক আদায়ে এটি একটি মূল্যবান উপাদান হিসেবে কাজ করে। নারীত্বের জন্য অবমাননাকর হলেও অনেক আফ্রিকান মেয়ের ধারণা, এটি একটি ভালো প্রথা। কুসংস্কার আর কাকে বলে।

লেখক : সিনিয়র সহকারী সম্পাদক, বাংলাদেশ প্রতিদিন

ইমেইল : [email protected]

এই বিভাগের আরও খবর
সামাজিক ব্যবসা
সামাজিক ব্যবসা
রপ্তানি খাতে ধাক্কা
রপ্তানি খাতে ধাক্কা
ফিলিস্তিনের নাবলুস নগরী
ফিলিস্তিনের নাবলুস নগরী
জীবনজুড়ে রমজানের রেশ ধরে রাখুন
জীবনজুড়ে রমজানের রেশ ধরে রাখুন
ফুলচাষিদের স্বাস্থ্যঝুঁঁকি
ফুলচাষিদের স্বাস্থ্যঝুঁঁকি
রেমিট্যান্সে আশার আলো
রেমিট্যান্সে আশার আলো
ভোটের আলোচনা
ভোটের আলোচনা
বিমসটেক সম্মেলন
বিমসটেক সম্মেলন
ডিজিটাল সংস্কৃতি : ভার্চুয়াল উৎসব
ডিজিটাল সংস্কৃতি : ভার্চুয়াল উৎসব
শাওয়াল মাসের ছয় রোজার পুণ্য
শাওয়াল মাসের ছয় রোজার পুণ্য
ব্যাংককে বৈঠক, ঢাকা-দিল্লিতে গুঞ্জন
ব্যাংককে বৈঠক, ঢাকা-দিল্লিতে গুঞ্জন
এই সময়ের রাজনৈতিক চ্যালেঞ্জ
এই সময়ের রাজনৈতিক চ্যালেঞ্জ
সর্বশেষ খবর
বাকৃবিতে উন্নত জাতের টমেটোর জাত উদ্ভাবন
বাকৃবিতে উন্নত জাতের টমেটোর জাত উদ্ভাবন

এই মাত্র | প্রকৃতি ও পরিবেশ

১২ এপ্রিল নিউইয়র্কে ‘মঙ্গল শোভাযাত্রা’
১২ এপ্রিল নিউইয়র্কে ‘মঙ্গল শোভাযাত্রা’

৫ মিনিট আগে | পরবাস

টাঙ্গাইলে জীবনের নিরাপত্তা চেয়ে সংবাদ সম্মেলন
টাঙ্গাইলে জীবনের নিরাপত্তা চেয়ে সংবাদ সম্মেলন

৭ মিনিট আগে | দেশগ্রাম

পাওনা টাকা চাওয়ায় হামলা, ঘটনার ৪ দিন পর যুবকের মৃত্যু
পাওনা টাকা চাওয়ায় হামলা, ঘটনার ৪ দিন পর যুবকের মৃত্যু

১৮ মিনিট আগে | দেশগ্রাম

সিলেটে ৯ দিনে ২৮৭ নরমাল ডেলিভারি
সিলেটে ৯ দিনে ২৮৭ নরমাল ডেলিভারি

৩০ মিনিট আগে | চায়ের দেশ

মহাকাশ থেকে পৃথিবীতে পড়েছে ১২০০ বস্তুর ধ্বংসাবশেষ
মহাকাশ থেকে পৃথিবীতে পড়েছে ১২০০ বস্তুর ধ্বংসাবশেষ

৩১ মিনিট আগে | পাঁচফোড়ন

ধূলিঝড়ের পর রাজধানীতে স্বস্তির বৃষ্টি
ধূলিঝড়ের পর রাজধানীতে স্বস্তির বৃষ্টি

৩৫ মিনিট আগে | নগর জীবন

শরীরে একাধিক কোপ, ডোবা থেকে অজ্ঞাত যুবকের লাশ উদ্ধার
শরীরে একাধিক কোপ, ডোবা থেকে অজ্ঞাত যুবকের লাশ উদ্ধার

৩৭ মিনিট আগে | দেশগ্রাম

অক্টোবরেই অচল ২৪ কোটি কম্পিউটার, বিকল্প কী?
অক্টোবরেই অচল ২৪ কোটি কম্পিউটার, বিকল্প কী?

৩৮ মিনিট আগে | টেক ওয়ার্ল্ড

যৌন হেনস্তার অভিযোগে ‘স্কুইড গেম’ তারকার সাজা
যৌন হেনস্তার অভিযোগে ‘স্কুইড গেম’ তারকার সাজা

৪৪ মিনিট আগে | শোবিজ

চাঁদপুরে ৬৪ যানবাহনে তল্লাশি ও জরিমানা
চাঁদপুরে ৬৪ যানবাহনে তল্লাশি ও জরিমানা

৪৯ মিনিট আগে | দেশগ্রাম

বিমসটেক শীর্ষ সম্মেলনে যেসব সিদ্ধান্ত গৃহীত
বিমসটেক শীর্ষ সম্মেলনে যেসব সিদ্ধান্ত গৃহীত

৫০ মিনিট আগে | জাতীয়

‘পার্বত্য অঞ্চলের শিক্ষাব্যবস্থাকে মানসম্মত করতে হবে’
‘পার্বত্য অঞ্চলের শিক্ষাব্যবস্থাকে মানসম্মত করতে হবে’

৫০ মিনিট আগে | দেশগ্রাম

যুক্তরাষ্ট্রে বাংলাদেশের রফতানি আরও বাড়বে, কমবে না: প্রেস সচিব
যুক্তরাষ্ট্রে বাংলাদেশের রফতানি আরও বাড়বে, কমবে না: প্রেস সচিব

৫৯ মিনিট আগে | জাতীয়

সিআরবিতে পরিচ্ছন্নতা অভিযান
সিআরবিতে পরিচ্ছন্নতা অভিযান

১ ঘণ্টা আগে | চট্টগ্রাম প্রতিদিন

ঢাকাসহ ৭ অঞ্চলে মধ্যরাতের মধ্যে ঝড়ের আভাস
ঢাকাসহ ৭ অঞ্চলে মধ্যরাতের মধ্যে ঝড়ের আভাস

১ ঘণ্টা আগে | জাতীয়

মুক্তাগাছায় মোটরসাইকেল দুর্ঘটনায় নিহত ১
মুক্তাগাছায় মোটরসাইকেল দুর্ঘটনায় নিহত ১

১ ঘণ্টা আগে | দেশগ্রাম

বরিশালে ডোবা থেকে অজ্ঞাত লাশ উদ্ধার
বরিশালে ডোবা থেকে অজ্ঞাত লাশ উদ্ধার

১ ঘণ্টা আগে | নগর জীবন

কালীগঞ্জে রেল ব্রিজের নিচ থেকে অজ্ঞাত যুবকের লাশ উদ্ধার
কালীগঞ্জে রেল ব্রিজের নিচ থেকে অজ্ঞাত যুবকের লাশ উদ্ধার

১ ঘণ্টা আগে | দেশগ্রাম

মেক্সিকোতে প্রথম এইচ৫এন১ বার্ড ফ্লু রোগী শনাক্ত
মেক্সিকোতে প্রথম এইচ৫এন১ বার্ড ফ্লু রোগী শনাক্ত

১ ঘণ্টা আগে | পূর্ব-পশ্চিম

অষ্টমী স্নানে ব্রহ্মপুত্র নদে পুণ্যার্থীদের ঢল
অষ্টমী স্নানে ব্রহ্মপুত্র নদে পুণ্যার্থীদের ঢল

১ ঘণ্টা আগে | দেশগ্রাম

ধর্ষণের শিকার জমজ দুই বোনকে আইনি সহায়তা প্রদানের দায়িত্ব নিলেন তারেক রহমান
ধর্ষণের শিকার জমজ দুই বোনকে আইনি সহায়তা প্রদানের দায়িত্ব নিলেন তারেক রহমান

১ ঘণ্টা আগে | দেশগ্রাম

ব্যবসায়ীর ফেলে যাওয়া ১৮ ভরি স্বর্ণ ‍ফিরিয়ে দিলেন অটোরিকশাচালক
ব্যবসায়ীর ফেলে যাওয়া ১৮ ভরি স্বর্ণ ‍ফিরিয়ে দিলেন অটোরিকশাচালক

১ ঘণ্টা আগে | দেশগ্রাম

৩২৯টি উপজেলায় হচ্ছে টেকনিক্যাল স্কুল অ্যান্ড কলেজ
৩২৯টি উপজেলায় হচ্ছে টেকনিক্যাল স্কুল অ্যান্ড কলেজ

১ ঘণ্টা আগে | দেশগ্রাম

ডার্ক এনার্জি স্থির নয়! বিজ্ঞানীদের সামনে নতুন ধাঁধা
ডার্ক এনার্জি স্থির নয়! বিজ্ঞানীদের সামনে নতুন ধাঁধা

১ ঘণ্টা আগে | বিজ্ঞান

ঈদের ছুটিতে ঢাকা ছেড়েছেন ১ কোটি সিমধারী, ফিরেছেন ৪৪ লাখ
ঈদের ছুটিতে ঢাকা ছেড়েছেন ১ কোটি সিমধারী, ফিরেছেন ৪৪ লাখ

২ ঘণ্টা আগে | জাতীয়

ঈদের পঞ্চম দিনেও ‘দাগি’-‘জংলি’র দাপট অব্যাহত, আয় কত?
ঈদের পঞ্চম দিনেও ‘দাগি’-‘জংলি’র দাপট অব্যাহত, আয় কত?

২ ঘণ্টা আগে | শোবিজ

পতেঙ্গায় ১ কেজি স্বর্ণালংকারসহ আটক ৫
পতেঙ্গায় ১ কেজি স্বর্ণালংকারসহ আটক ৫

২ ঘণ্টা আগে | চট্টগ্রাম প্রতিদিন

‌‌‘শিক্ষার্থীরা পাস করে চাকরির জন্য নেতাদের পেছনে ঘুরতে হবে না’
‌‌‘শিক্ষার্থীরা পাস করে চাকরির জন্য নেতাদের পেছনে ঘুরতে হবে না’

২ ঘণ্টা আগে | দেশগ্রাম

আগৈলঝাড়ায় বসুন্ধরা শুভসংঘের মাসব্যাপী মাদকবিরোধী প্রচারণা শুরু
আগৈলঝাড়ায় বসুন্ধরা শুভসংঘের মাসব্যাপী মাদকবিরোধী প্রচারণা শুরু

২ ঘণ্টা আগে | বসুন্ধরা শুভসংঘ

সর্বাধিক পঠিত
ঈদুল আজহার সম্ভাব্য তারিখ প্রকাশ
ঈদুল আজহার সম্ভাব্য তারিখ প্রকাশ

২৩ ঘণ্টা আগে | পূর্ব-পশ্চিম

আত্মরক্ষার জন্য ইরানের সর্বোচ্চ প্রস্তুতি রয়েছে : সৌদি যুবরাজকে পেজেশকিয়ান
আত্মরক্ষার জন্য ইরানের সর্বোচ্চ প্রস্তুতি রয়েছে : সৌদি যুবরাজকে পেজেশকিয়ান

৯ ঘণ্টা আগে | পূর্ব-পশ্চিম

পর্দায় নয়, এবার সত্যিই বিয়ে করলেন শামীম হাসান সরকার
পর্দায় নয়, এবার সত্যিই বিয়ে করলেন শামীম হাসান সরকার

২৩ ঘণ্টা আগে | শোবিজ

আপনার প্রতি শেখ হাসিনার অসম্মানজনক আচরণ দেখেছি : ড. ইউনূসকে বলেন মোদি
আপনার প্রতি শেখ হাসিনার অসম্মানজনক আচরণ দেখেছি : ড. ইউনূসকে বলেন মোদি

৪ ঘণ্টা আগে | জাতীয়

যুক্তরাষ্ট্রের শুল্ক ইস্যুতে জরুরি সভা ডেকেছেন প্রধান উপদেষ্টা
যুক্তরাষ্ট্রের শুল্ক ইস্যুতে জরুরি সভা ডেকেছেন প্রধান উপদেষ্টা

৫ ঘণ্টা আগে | জাতীয়

ইরানে হামলার হুমকি থেকে পিছু হটলেন ট্রাম্প, সরাসরি আলোচনার প্রস্তাব
ইরানে হামলার হুমকি থেকে পিছু হটলেন ট্রাম্প, সরাসরি আলোচনার প্রস্তাব

৪ ঘণ্টা আগে | পূর্ব-পশ্চিম

আওয়ামী লীগের টাকার লোভে না পড়তে দলীয় নেতাদের হুঁশিয়ারি শামা ওবায়েদের
আওয়ামী লীগের টাকার লোভে না পড়তে দলীয় নেতাদের হুঁশিয়ারি শামা ওবায়েদের

১৮ ঘণ্টা আগে | রাজনীতি

ঐশ্বরিয়া আমার মেয়ে নয়, কেবল ছেলের বউ : জয়া বচ্চন
ঐশ্বরিয়া আমার মেয়ে নয়, কেবল ছেলের বউ : জয়া বচ্চন

২৩ ঘণ্টা আগে | শোবিজ

৫ মিলিয়ন ডলারের ‘গোল্ড কার্ড’ ভিসা উন্মোচন করলেন ট্রাম্প
৫ মিলিয়ন ডলারের ‘গোল্ড কার্ড’ ভিসা উন্মোচন করলেন ট্রাম্প

২২ ঘণ্টা আগে | পূর্ব-পশ্চিম

শরীয়তপুরে দুই গ্রুপের সংঘর্ষ, শতাধিক হাতবোমা বিস্ফোরণ
শরীয়তপুরে দুই গ্রুপের সংঘর্ষ, শতাধিক হাতবোমা বিস্ফোরণ

৮ ঘণ্টা আগে | দেশগ্রাম

ড. ইউনূস-মোদি বৈঠক আশার আলো তৈরি করেছে: মির্জা ফখরুল
ড. ইউনূস-মোদি বৈঠক আশার আলো তৈরি করেছে: মির্জা ফখরুল

২৩ ঘণ্টা আগে | রাজনীতি

বিশ্বের শক্তিশালী পাসপোর্টের তালিকায় এক ধাপ এগোল বাংলাদেশ
বিশ্বের শক্তিশালী পাসপোর্টের তালিকায় এক ধাপ এগোল বাংলাদেশ

৭ ঘণ্টা আগে | জাতীয়

হোয়াইট হাউস থেকে বরখাস্ত একাধিক শীর্ষ কর্মকর্তা, আলোচনায় লরা লুমার
হোয়াইট হাউস থেকে বরখাস্ত একাধিক শীর্ষ কর্মকর্তা, আলোচনায় লরা লুমার

৯ ঘণ্টা আগে | পূর্ব-পশ্চিম

সাত দিনের মধ্যে যুক্তরাষ্ট্র ছাড়ার নির্দেশ, আতঙ্কে ইউক্রেনীয়রা
সাত দিনের মধ্যে যুক্তরাষ্ট্র ছাড়ার নির্দেশ, আতঙ্কে ইউক্রেনীয়রা

৩ ঘণ্টা আগে | পূর্ব-পশ্চিম

কালশী ফ্লাইওভারে গাড়ির সঙ্গে মোটরসাইকেলের সংঘর্ষ, দুই যুবক নিহত
কালশী ফ্লাইওভারে গাড়ির সঙ্গে মোটরসাইকেলের সংঘর্ষ, দুই যুবক নিহত

১৯ ঘণ্টা আগে | নগর জীবন

হাসিনার এক মন্তব্যে সংকটে মাদারগঞ্জের সমবায় সমিতি
হাসিনার এক মন্তব্যে সংকটে মাদারগঞ্জের সমবায় সমিতি

২০ ঘণ্টা আগে | দেশগ্রাম

পরকীয়া প্রেমে বাধা দেওয়ায় স্বামীর পুরুষাঙ্গ কাটলো স্ত্রী
পরকীয়া প্রেমে বাধা দেওয়ায় স্বামীর পুরুষাঙ্গ কাটলো স্ত্রী

৮ ঘণ্টা আগে | দেশগ্রাম

‘আতঙ্কে তারা ভুল করেছে’: চীনের পাল্টা শুল্ক নিয়ে ট্রাম্প
‘আতঙ্কে তারা ভুল করেছে’: চীনের পাল্টা শুল্ক নিয়ে ট্রাম্প

৬ ঘণ্টা আগে | পূর্ব-পশ্চিম

একনজরে আজকের বাংলাদেশ প্রতিদিন (৫ এপ্রিল)
একনজরে আজকের বাংলাদেশ প্রতিদিন (৫ এপ্রিল)

১২ ঘণ্টা আগে | জাতীয়

ফিলিস্তিনি জনগণের প্রতি পাকিস্তান সেনা কমান্ডারদের অকুণ্ঠ সমর্থন
ফিলিস্তিনি জনগণের প্রতি পাকিস্তান সেনা কমান্ডারদের অকুণ্ঠ সমর্থন

৩ ঘণ্টা আগে | পূর্ব-পশ্চিম

নির্বাচনের কথা বলে মুখে ফেনা তুলে ফেললেই গণতন্ত্র হয় না : নুসরাত তাবাসসুম
নির্বাচনের কথা বলে মুখে ফেনা তুলে ফেললেই গণতন্ত্র হয় না : নুসরাত তাবাসসুম

৫ ঘণ্টা আগে | রাজনীতি

চালের দানার চেয়েও ছোট পেসমেকার তৈরি করলেন বিজ্ঞানীরা
চালের দানার চেয়েও ছোট পেসমেকার তৈরি করলেন বিজ্ঞানীরা

১০ ঘণ্টা আগে | বিজ্ঞান

কালশী ফ্লাইওভারে দুর্ঘটনায় নিহত দুই যুবকের পরিচয় মিলেছে
কালশী ফ্লাইওভারে দুর্ঘটনায় নিহত দুই যুবকের পরিচয় মিলেছে

৩ ঘণ্টা আগে | নগর জীবন

৫.৬ মাত্রার ভূমিকম্পে আবার কেঁপে উঠলো মিয়ানমার
৫.৬ মাত্রার ভূমিকম্পে আবার কেঁপে উঠলো মিয়ানমার

১০ ঘণ্টা আগে | পূর্ব-পশ্চিম

মিয়ানমারে বাংলাদেশ সশস্ত্র বাহিনীর নেতৃত্বে উদ্ধার ও চিকিৎসা কার্যক্রম অব্যাহত
মিয়ানমারে বাংলাদেশ সশস্ত্র বাহিনীর নেতৃত্বে উদ্ধার ও চিকিৎসা কার্যক্রম অব্যাহত

১৯ ঘণ্টা আগে | জাতীয়

‘প্রয়োজনে জোটগতভাবে নির্বাচন করবে এনসিপি’
‘প্রয়োজনে জোটগতভাবে নির্বাচন করবে এনসিপি’

২৩ ঘণ্টা আগে | রাজনীতি

লৌহজংয়ে পাওয়া মরদেহের টুকরোগুলো সাভারের সবুজ মোল্যার
লৌহজংয়ে পাওয়া মরদেহের টুকরোগুলো সাভারের সবুজ মোল্যার

৬ ঘণ্টা আগে | দেশগ্রাম

আইপিএলের প্রথমবার দেখা গেল এমন কিছু
আইপিএলের প্রথমবার দেখা গেল এমন কিছু

১১ ঘণ্টা আগে | মাঠে ময়দানে

প্রতিকূল পরিবেশেও খেলাপি ঋণ কমেছে
প্রতিকূল পরিবেশেও খেলাপি ঋণ কমেছে

১৮ ঘণ্টা আগে | বাণিজ্য

হাতে সব প্রমাণ আছে, আইনিভাবে মোকাবিলা করবো : পরীমণি
হাতে সব প্রমাণ আছে, আইনিভাবে মোকাবিলা করবো : পরীমণি

৪ ঘণ্টা আগে | শোবিজ

প্রিন্ট সর্বাধিক
সুবিধাবাদী হাইব্রিডে অতিষ্ঠ বিএনপি
সুবিধাবাদী হাইব্রিডে অতিষ্ঠ বিএনপি

প্রথম পৃষ্ঠা

মুজিব ছিলেন বেপরোয়া
মুজিব ছিলেন বেপরোয়া

প্রথম পৃষ্ঠা

চলতি বছর টাইগারদের ৬ টেস্ট
চলতি বছর টাইগারদের ৬ টেস্ট

মাঠে ময়দানে

হাসিনাকে চাইল বাংলাদেশ
হাসিনাকে চাইল বাংলাদেশ

প্রথম পৃষ্ঠা

দেশের প্রযুক্তি খাতে বিপ্লব ঘটাবে স্টারলিংক
দেশের প্রযুক্তি খাতে বিপ্লব ঘটাবে স্টারলিংক

প্রথম পৃষ্ঠা

ধুঁকছেন পেট্রাপোলের ব্যবসায়ীরাও
ধুঁকছেন পেট্রাপোলের ব্যবসায়ীরাও

পেছনের পৃষ্ঠা

ইলিশের দামে আগুন
ইলিশের দামে আগুন

পেছনের পৃষ্ঠা

আজকের ভাগ্যচক্র
আজকের ভাগ্যচক্র

আজকের রাশি

মুখোমুখি সরকার-আইএমএফ
মুখোমুখি সরকার-আইএমএফ

প্রথম পৃষ্ঠা

দীর্ঘদিন ক্ষমতা আঁকড়ে রাখার চিন্তা করলে জনগণ মেনে নেবে না
দীর্ঘদিন ক্ষমতা আঁকড়ে রাখার চিন্তা করলে জনগণ মেনে নেবে না

নগর জীবন

‘মিনি জাফলংয়ে’ স্বাস্থ্যঝুঁকি
‘মিনি জাফলংয়ে’ স্বাস্থ্যঝুঁকি

নগর জীবন

দক্ষিণ এশিয়ার ইসরায়েল ভারত
দক্ষিণ এশিয়ার ইসরায়েল ভারত

পেছনের পৃষ্ঠা

রাজশাহী বিএনপিতে ত্রিধারা
রাজশাহী বিএনপিতে ত্রিধারা

নগর জীবন

হচ্ছে বাম দলের বৃহত্তর জোট!
হচ্ছে বাম দলের বৃহত্তর জোট!

প্রথম পৃষ্ঠা

চট্টগ্রাম-কক্সবাজার সড়কে শঙ্কা
চট্টগ্রাম-কক্সবাজার সড়কে শঙ্কা

পেছনের পৃষ্ঠা

আত্রাই নদীর চরে কুমড়াবাড়ি!
আত্রাই নদীর চরে কুমড়াবাড়ি!

পেছনের পৃষ্ঠা

কবির-মুসার বিরুদ্ধে এবার জালিয়াতির অভিযোগ
কবির-মুসার বিরুদ্ধে এবার জালিয়াতির অভিযোগ

নগর জীবন

নতুন জীবনের খোঁজে মাহি
নতুন জীবনের খোঁজে মাহি

শোবিজ

যৌথ পরিবারের গল্প
যৌথ পরিবারের গল্প

শনিবারের সকাল

এবার জনগণ ভোটাধিকার ফিরে পাবে
এবার জনগণ ভোটাধিকার ফিরে পাবে

প্রথম পৃষ্ঠা

আমাদের সম্পর্কটা বড় ভাই-ছোট ভাইয়ের মতো
আমাদের সম্পর্কটা বড় ভাই-ছোট ভাইয়ের মতো

শোবিজ

১ লাখ ৮০ হাজার রোহিঙ্গা ফেরত নেবে মিয়ানমার
১ লাখ ৮০ হাজার রোহিঙ্গা ফেরত নেবে মিয়ানমার

প্রথম পৃষ্ঠা

অভিযোগে মোশাররফ করিমের জবাব
অভিযোগে মোশাররফ করিমের জবাব

শোবিজ

জমজমাট বিনোদন কেন্দ্রগুলো
জমজমাট বিনোদন কেন্দ্রগুলো

পেছনের পৃষ্ঠা

প্রয়োজনীয় সংস্কার শেষে দ্রুত নির্বাচন
প্রয়োজনীয় সংস্কার শেষে দ্রুত নির্বাচন

প্রথম পৃষ্ঠা

নিশোর মুখে শাকিববন্দনা
নিশোর মুখে শাকিববন্দনা

শোবিজ

বাছাইপর্ব টপকাতে প্রস্তুত নিগাররা
বাছাইপর্ব টপকাতে প্রস্তুত নিগাররা

মাঠে ময়দানে

প্রয়োজনীয় সংস্কার করে দ্রুত নির্বাচন দিতে হবে
প্রয়োজনীয় সংস্কার করে দ্রুত নির্বাচন দিতে হবে

প্রথম পৃষ্ঠা

চলে যাচ্ছেন ম্যানসিটির ডি ব্রুইন
চলে যাচ্ছেন ম্যানসিটির ডি ব্রুইন

মাঠে ময়দানে

কলকাতার জার্সিতে ২০০ উইকেট
কলকাতার জার্সিতে ২০০ উইকেট

মাঠে ময়দানে