শিরোনাম
প্রকাশ: ০০:০০, বৃহস্পতিবার, ১৬ জানুয়ারি, ২০২৫ আপডেট: ০০:১৫, বৃহস্পতিবার, ১৬ জানুয়ারি, ২০২৫

সম্রাটের খানসামা ও শেখ হাসিনার জাহাঙ্গীর

মন্‌জুরুল ইসলাম
প্রিন্ট ভার্সন
সম্রাটের খানসামা ও শেখ হাসিনার জাহাঙ্গীর

মুঘল সম্রাটদের মধ্যে আওরঙ্গজেব ছিলেন ষষ্ঠ। শাহজাহানপুত্র আবুল মুজাফফর মুহি উদ-দিন মুহাম্মাদ আওরঙ্গজেব একটানা ৪৯ বছর রাজত্ব করেছেন। যুদ্ধবিদ্যায় পারদর্শী আওরঙ্গজেব প্রায় গোটা ভারতীয় উপমহাদেশের শাসক ছিলেন। পরম পরাক্রমশালী সম্রাট ইঙ্গ-মুঘল যুদ্ধে ইংরেজদের পরাজিত করেছিলেন। তিনি কোরআনে হাফেজ ছিলেন এবং সম্রাট হওয়া সত্ত্বেও অত্যন্ত সাধারণভাবে জীবনযাপন করতেন। তিনি টুপি এবং নিজের হাতে লেখা কোরআন বিক্রি করতেন। রাজ্যের সম্পদ ব্যক্তিগত কাজে ব্যবহার করতেন না। তাঁর মৃত্যুর পর ভারতে মধ্যযুগীয় শাসন শেষ হয় এবং ইউরোপীয় আক্রমণ শুরু হয়।

সম্রাট আওরঙ্গজেব ছিলেন অত্যন্ত নিয়মনিষ্ঠ মানুষ। সব কাজেই তিনি নিজস্ব নিয়ম অনুসরণ করতেন। তিনি বরাবরই পশ্চিমমুখী হয়ে অজু করতেন। একদিন কী কারণে যেন একটু আনমনা হয়ে দক্ষিণমুখী হয়ে অজু করতে বসেন। বিষয়টি মনোযোগ দিয়ে লক্ষ করল তাঁর বিশ্বস্ত খানসামা। সে সব সময়ই সম্রাটের আশপাশে থাকত এবং অজু করার পানি এগিয়ে দিত। সে কারণেই সম্রাটের সব নিয়মকানুন তার জানা। কখন সম্রাটের কী প্রয়োজন, সেটাও তার জানা ছিল। অজু করার জন্য সম্রাট মাত্র হাতে পানি নিয়েছেন, এমন সময় খানসামা বলল, গোস্তাকি মার্জনা করবেন জাহাঁপনা। অনুমতি দিলে একটা কথা বলতে চাই। বিশ্বস্ত ও দীর্ঘদিনের পুরনো রাজদরবারের খানসামা একটা কথা বলবে এবং তার জন্য সে অনুমতি চাইছে- বিষয়টি সম্রাট খুব গুরুত্বসহকারে নিলেন। তিনি অজু বন্ধ করে অতি আগ্রহ নিয়ে চাকরের দিকে তাকালেন এবং জিজ্ঞেস করলেন, খুব গুরুত্বপূর্ণ কথা? উত্তরে মাথা ঝুঁকে খানসামা বলল, আজ্ঞে হ্যাঁ। সম্রাট অনুমতি দিলেন। তখন খানসামা বলল, সম্রাটের কি দাক্ষিণাত্য জয় করার অভিলাষ হয়েছে? বিশ্বস্ত খানসামার প্রশ্ন শুনে সম্রাট একটু বিস্মিত হলেন। তিনি অনেকটা বিচলিতও হলেন। নিজেকে সংযত করে খুব মোলায়েম কণ্ঠে জিজ্ঞেস করলেন, আমার দাক্ষিণাত্য জয় করার অভিলাষ হয়েছে, সেটা তুমি কীভাবে বুঝলে? খানসামা কাঁচুমাচু হয়ে বলল, হুজুর আমি তো অনেক দিন আপনার কৃপায় আপনার সঙ্গে আছি। সুতরাং আমি বুঝতে পারি জাহাঁপনা কখন কী ভাবেন। অন্যদিন আপনি পশ্চিম দিকে মুখ করে অজু করেন। আজ আপনি দক্ষিণ দিকে মুখ করে অজু করতে বসেছেন। সে কারণেই আমার মনে হলো, জাহাঁপনার হয়তো দাক্ষিণাত্য বিজয়ের মনস্কামনা হয়েছে।

খানসামার কথা শুনে কতক্ষণ নির্বাক তাকিয়ে থাকলেন সম্রাট। কিছুক্ষণ পর বললেন, সম্রাট কী ভাবছেন সেটা যখন খানসামা বুঝতে পারে, তখন এটা বুঝতে আমার বাকি নেই, মুঘল সাম্রাজ্যের পতন অবশ্যম্ভাবী। তারপর তিনি আবার অজুতে মনোযোগী হলেন। এরপর তো সবই ইতিহাস। সত্যি সত্যি তাঁর মৃত্যুর পরই ভারতের মধ্যযুগীয় শাসন শেষ হয় এবং ইউরোপীয় আক্রমণ শুরু হয়। সম্রাট আওরঙ্গজেব দূরদর্শী ছিলেন বলেই সেদিন এটা বুঝতে পেরেছিলেন।

সম্রাটের খানসামা ও শেখ হাসিনার জাহাঙ্গীরগত বছরের ১৪ জুলাই এক সংবাদ সম্মেলনে তদানীন্তন প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা বলেছিলেন, আমার বাসায় কাজ করেছে, পিয়ন ছিল সে, এখন ৪০০ কোটি টাকার মালিক। হেলিকপ্টার ছাড়া চলে না। সেদিন তিনি তাঁর পিয়নের সেই (কীর্তি!) নামটি বলেননি। তবে যারা বোঝার বুঝেছিলেন। সেই পিয়নটির নাম জাহাঙ্গীর। শেখ হাসিনা যখন বিরোধীদলীয় নেতা ছিলেন, তখন থেকেই এই জাহাঙ্গীর তাঁর বিশ্বস্ত চাকরদের একজন ছিল। এই জাহাঙ্গীর সব সময় তাঁর নেত্রীর পানির পাত্রটি বহন করত। নেত্রী যেন নিরাপদ পানি পান করেন, সে জন্য জাহাঙ্গীর সব সময় পানির পাত্রটি একটি ব্যাগে নিয়ে সঙ্গে সঙ্গে থাকত। সেই থেকে তার নাম হয়ে গিয়েছিল পানি জাহাঙ্গীর। পানি জাহাঙ্গীরকে নিয়ে সেদিন প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনার এই স্বগতোক্তিতে সারা দেশের মানুষের মধ্যে বিস্ময়ের জন্ম নেয়। দেশবাসী তখন দুইয়ে দুইয়ে চার মিলিয়ে নেন। তাহলে এত দিন দেশবাসী যে লুটপাটের কথা নানাভাবে শুনেছে, সেটাই সত্য। সেই সঙ্গে দেশবাসীর মনে একটি প্রশ্নই জাগে, চাকর যদি ৪০০ কোটি টাকার মালিক হয়, তাহলে মনিব কত টাকার মালিক? দেশবাসীর অনেকেই মনিবের টাকার হিসাব মেলাতে মাথা আউলে ফেলেন। অনেকে আন্দাজ করার ক্ষমতাও হারিয়ে ফেলেন। যা হোক, দেশবাসী যা বোঝার বুঝেছিল। সেদিন দেশবাসী অনেক কিছুই বুঝেছিল; কিন্তু শেখ হাসিনা বুঝতে পারেননি। চাকরের অনুমান দেখে সম্রাট আওরঙ্গজেব বুঝতে পেরেছিলেন, তাঁর সাম্রাজ্যের পতন হবে। কিন্তু চাকরের অধঃপতন, নৈতিক স্খলন হাতেনাতে ধরা পড়ার পরও শেখ হাসিনা বুঝতে পারলেন না, তাঁর দ্রুত পতন কেউ ঠেকাতে পারবে না। মূলত তাঁর পতনের কফিনে শেষ পেরেকটি তিনি নিজেই মেরেছিলেন। তাঁর পতনের আগাম বার্তা দেশবাসীর বুঝতে অসুবিধা হয়নি। কিন্তু তিনি বুঝতে পারেননি। সেদিন তিনি বরং দম্ভোক্তি করেছিলেন। বলেছিলেন, শেখ হাসিনা পালায় না। শেষ পর্যন্ত যা হলো তা দেখল বিশ্ববাসী।

বর্তমানে আমরা আছি অন্তর্বর্তী সরকারের অর্থাৎ মাঝামাঝি সরকারের অধীনে। মাঝামাঝি মানে হলো, দুটি রাজনৈতিক সরকারের মাঝে একটি অরাজনৈতিক সরকার। একটি রাজনৈতিক সরকার ভোটের নাটক করে দেশবাসীকে সাময়িক বোকা বানিয়ে টানা ১৫ বছরের বেশি ক্ষমতায় ছিল। কৃতকর্মের কারণেই পালিয়ে যেতে বাধ্য হয়েছে তারা। এরপর দেশবাসী ও ছাত্র-জনতার নিরঙ্কুশ সমর্থনে গঠিত হয় বর্তমান মাঝামাঝি বা অন্তর্বর্তী সরকার। এই সরকার এখন পরবর্তী রাজনৈতিক সরকারের হাতে ক্ষমতা তুলে দেবে। ক্লিন ইমেজের এই সরকার দায়িত্ব নিয়ে অতীত সরকারের দুর্নীতিগ্রস্ত ব্যক্তিদের দুর্নীতির হিসাবের খাতা খুলেছে। ওই খাতায় এখন এক এক করে সব দুর্নীতিবাজ, লুটেরা, দখলদার, অত্যাচারী, আয়নাঘরের কারিগর, দলদাসদের নাম লেখা হচ্ছে। গঠিত হয়েছে নতুন দুর্নীতি দমন কমিশন। শুরু হয়েছে ডাইরেক্ট অ্যাকশন। এটা দেশের জন্য একটি অতীব শুভবার্তা। যদি নিরপেক্ষ তদন্তের মাধ্যমে দুর্নীতিবাজ লুটেরা দলদাসদের বিচার হয়, তাহলে তা দেশের জন্য মঙ্গল।

এখন পর্যন্ত গত সাড়ে পাঁচ মাসে এই সরকার অনেক দাবিদাওয়া মোকাবিলা করেছে। এত দিন যারা নিজেদের সমস্যা নিয়ে কথা বলতে পারেনি, তারা সবাই একযোগে দাবি নিয়ে মাঠে নেমে গেল। সরকার এক এক করে অনেকের দাবিই মেনে নিয়েছে এবং অনেককে আশ্বাস দিয়েছে। যারা নানা দাবি নিয়ে মাঠে, তাদের দাবিগুলো কোনো কোনোটি সমষ্টিগত, কোনো কোনোটি ব্যক্তিগত। সফলতা যে এই সরকারের নেই, তা বলা যাবে না। কিন্তু বারবার কেন জানি শঙ্কা জাগছে। নানা প্রশ্ন উঠছে। নানা মহল থেকেও কথাবার্তা শুরু হয়ে গেছে। যে আস্থা ও বিশ্বাসে ভরপুর ছিল এই সরকার, সেই আস্থা ও বিশ্বাসের পাত্র পূর্ণ করে কি তারা তাদের কঠিন যাত্রার শুভ সমাপ্তি টানতে পারবে? দেশের অনেক সেক্টরের মধ্যে ব্যবসায়ী সেক্টর অন্যতম। দেশের অর্থনীতি গতিশীল করতে সরকারের প্রতি ব্যবসায়ীদের পূর্ণ আস্থার বিকল্প নেই। কারণ সরকারের সহযোগিতা ছাড়া দেশের কোনো ব্যবসাপ্রতিষ্ঠান টিকে থাকতে পারে না। তেমনি ব্যবসায়ীদের পূর্ণ সহযোগিতা ছাড়া সরকারের পক্ষেও দেশ পরিচালনা দুরূহ। সম্প্রতি ব্যবসায়ীদের একটি প্রতিনিধিদল বাংলাদেশ ব্যাংকের গভর্নরের সঙ্গে সাক্ষাৎ করে বলেছে, তাদের পিঠ দেয়ালে ঠেকে গেছে। তারা আর ব্যবসা করতে চায় না। তারা তাদের ব্যবসাপ্রতিষ্ঠান বন্ধ করে নিরাপদে চলে যেতে চায়। এটা দেশের জন্য শুভসংকেত নয়। এই অশুভসংকেত যত তাড়াতাড়ি সরকার বুঝতে পারবে, ততই দেশ ও সরকারের জন্য মঙ্গল।

সরকারের বয়স এখন সাড়ে পাঁচ মাস হলেও যেসব কাজে ইতোমধ্যে হাত দিয়েছে তা রীতিমতো মহা কর্মযজ্ঞ। এই কর্মযজ্ঞের সঙ্গে জুলাই বিপ্লবের সাহসী বিপ্লবীদের অংশগ্রহণ অত্যন্ত সক্রিয়। রাজনৈতিক দলগুলোও অনেক দিন পর শ্বাসপ্রশ্বাস নেওয়ার মুক্ত পরিবেশ পেয়েছে। সবাই যার যার সুবিধামতো মাঠ গোছাচ্ছে। উদ্দেশ্য হলো মাঝামাঝি সরকার যেন পরবর্তী রাজনৈতিক সরকারের কাছে রিলে রেসের জিয়নকাঠিটি তুলে দিয়ে সগৌরবে বিদায় নিতে পারে।

এখন সময়টা এলোমেলো বাতাসের মতো। দেশ যখন একটি বৈষম্যমুক্ত পরিবেশে উত্তীর্ণ হওয়ার জন্য কসরত করছে, ঠিক সে সময়ে কিছু সুবিধাবাদী চাকরের দৌরাত্ম্য টের পাওয়া যাচ্ছে। এই চাকররা সম্রাট আওরঙ্গজেবের সময়ও ছিল। পতিত শেখ হাসিনার আমলেও ছিল। এসব চাকরের ব্যাপারে সরকারকে ও বিপ্লবীদের সতর্ক থাকতে হবে। তা না হলে সামনের দিনগুলোতে বিপদ বাড়বে।

ছাত্র-জনতার এই সরকার দুর্নীতিবাজ, লুটেরা, দখলবাজ ও দেশবিরোধী অপশক্তিকে কঠোরহস্তে দমন করতে যে খাতা খুলেছে, সেই খাতায় কোনো একদিন যদি এসব চাকরের কারণে মনিবদের নাম ওঠে, তা হলে খুবই বিপদ হবে। সে কারণে শেখ হাসিনার মতো বোকা-দলকানা, গোঁয়ার গোবিন্দ হয়ে থাকলে হবে না। চাকরদের কারণে যেন ভবিষ্যতে জবাবদিহির কাঠগড়ায় দাঁড়াতে না হয়, সে জন্য আওরঙ্গজেবের মতো দূরদর্শী হতে হবে। মনে রাখতে হবে, যে খাতা এবার খোলা হয়েছে, সেই খাতা ইচ্ছে করলেই কেউ আর বন্ধ করতে পারবে না। সুতরাং সাধু সাবধান।

লেখক : নির্বাহী সম্পাদক, বাংলাদেশ প্রতিদিন

এই বিভাগের আরও খবর
সামাজিক ব্যবসা
সামাজিক ব্যবসা
রপ্তানি খাতে ধাক্কা
রপ্তানি খাতে ধাক্কা
ফিলিস্তিনের নাবলুস নগরী
ফিলিস্তিনের নাবলুস নগরী
জীবনজুড়ে রমজানের রেশ ধরে রাখুন
জীবনজুড়ে রমজানের রেশ ধরে রাখুন
ফুলচাষিদের স্বাস্থ্যঝুঁঁকি
ফুলচাষিদের স্বাস্থ্যঝুঁঁকি
রেমিট্যান্সে আশার আলো
রেমিট্যান্সে আশার আলো
ভোটের আলোচনা
ভোটের আলোচনা
বিমসটেক সম্মেলন
বিমসটেক সম্মেলন
ডিজিটাল সংস্কৃতি : ভার্চুয়াল উৎসব
ডিজিটাল সংস্কৃতি : ভার্চুয়াল উৎসব
শাওয়াল মাসের ছয় রোজার পুণ্য
শাওয়াল মাসের ছয় রোজার পুণ্য
ব্যাংককে বৈঠক, ঢাকা-দিল্লিতে গুঞ্জন
ব্যাংককে বৈঠক, ঢাকা-দিল্লিতে গুঞ্জন
এই সময়ের রাজনৈতিক চ্যালেঞ্জ
এই সময়ের রাজনৈতিক চ্যালেঞ্জ
সর্বশেষ খবর
মুক্তাগাছায় মোটরসাইকেল দুর্ঘটনায় নিহত ১
মুক্তাগাছায় মোটরসাইকেল দুর্ঘটনায় নিহত ১

১ সেকেন্ড আগে | দেশগ্রাম

বরিশালে ডোবা থেকে অজ্ঞাত লাশ উদ্ধার
বরিশালে ডোবা থেকে অজ্ঞাত লাশ উদ্ধার

২ মিনিট আগে | নগর জীবন

কালীগঞ্জে রেল ব্রিজের নিচ থেকে অজ্ঞাত যুবকের লাশ উদ্ধার
কালীগঞ্জে রেল ব্রিজের নিচ থেকে অজ্ঞাত যুবকের লাশ উদ্ধার

৮ মিনিট আগে | দেশগ্রাম

মেক্সিকোতে প্রথম এইচ৫এন১ বার্ড ফ্লু রোগী শনাক্ত
মেক্সিকোতে প্রথম এইচ৫এন১ বার্ড ফ্লু রোগী শনাক্ত

৯ মিনিট আগে | পূর্ব-পশ্চিম

অষ্টমী স্নানে ব্রহ্মপুত্র নদে পুণ্যার্থীদের ঢল
অষ্টমী স্নানে ব্রহ্মপুত্র নদে পুণ্যার্থীদের ঢল

১২ মিনিট আগে | দেশগ্রাম

ধর্ষণের শিকার জমজ দুই বোনকে আইনি সহায়তা প্রদানের দায়িত্ব নিলেন তারেক রহমান
ধর্ষণের শিকার জমজ দুই বোনকে আইনি সহায়তা প্রদানের দায়িত্ব নিলেন তারেক রহমান

১৮ মিনিট আগে | দেশগ্রাম

ব্যবসায়ীর ফেলে যাওয়া ১৮ ভরি স্বর্ণ ‍ফিরিয়ে দিলেন অটোরিকশাচালক
ব্যবসায়ীর ফেলে যাওয়া ১৮ ভরি স্বর্ণ ‍ফিরিয়ে দিলেন অটোরিকশাচালক

১৯ মিনিট আগে | দেশগ্রাম

৩২৯টি উপজেলায় হচ্ছে টেকনিক্যাল স্কুল অ্যান্ড কলেজ
৩২৯টি উপজেলায় হচ্ছে টেকনিক্যাল স্কুল অ্যান্ড কলেজ

২১ মিনিট আগে | দেশগ্রাম

ডার্ক এনার্জি স্থির নয়! বিজ্ঞানীদের সামনে নতুন ধাঁধা
ডার্ক এনার্জি স্থির নয়! বিজ্ঞানীদের সামনে নতুন ধাঁধা

২৮ মিনিট আগে | বিজ্ঞান

ঈদের ছুটিতে ঢাকা ছেড়েছেন ১ কোটি সিমধারী, ফিরেছেন ৪৪ লাখ
ঈদের ছুটিতে ঢাকা ছেড়েছেন ১ কোটি সিমধারী, ফিরেছেন ৪৪ লাখ

৩৮ মিনিট আগে | জাতীয়

ঈদের পঞ্চম দিনেও ‘দাগি’-‘জংলি’র দাপট অব্যাহত, আয় কত?
ঈদের পঞ্চম দিনেও ‘দাগি’-‘জংলি’র দাপট অব্যাহত, আয় কত?

৪০ মিনিট আগে | শোবিজ

পতেঙ্গায় ১ কেজি স্বর্ণালংকারসহ আটক ৫
পতেঙ্গায় ১ কেজি স্বর্ণালংকারসহ আটক ৫

৪৩ মিনিট আগে | চট্টগ্রাম প্রতিদিন

‌‌‘শিক্ষার্থীরা পাস করে চাকরির জন্য নেতাদের পেছনে ঘুরতে হবে না’
‌‌‘শিক্ষার্থীরা পাস করে চাকরির জন্য নেতাদের পেছনে ঘুরতে হবে না’

৪৫ মিনিট আগে | দেশগ্রাম

আগৈলঝাড়ায় বসুন্ধরা শুভসংঘের মাসব্যাপী মাদকবিরোধী প্রচারণা শুরু
আগৈলঝাড়ায় বসুন্ধরা শুভসংঘের মাসব্যাপী মাদকবিরোধী প্রচারণা শুরু

৪৮ মিনিট আগে | বসুন্ধরা শুভসংঘ

বিএনপি নেতার বহিষ্কারের প্রতিবাদে বিক্ষোভ
বিএনপি নেতার বহিষ্কারের প্রতিবাদে বিক্ষোভ

৪৯ মিনিট আগে | দেশগ্রাম

মেঘনা-তিতাসে অষ্টমী গঙ্গাস্নানে উপচেপড়া ভিড়
মেঘনা-তিতাসে অষ্টমী গঙ্গাস্নানে উপচেপড়া ভিড়

৫৬ মিনিট আগে | দেশগ্রাম

কসবায় যুবককে ডেকে নিয়ে হত্যার অভিযোগ
কসবায় যুবককে ডেকে নিয়ে হত্যার অভিযোগ

১ ঘণ্টা আগে | দেশগ্রাম

সিলেটে টাকা ধার না দেওয়ায় যুবক খুন
সিলেটে টাকা ধার না দেওয়ায় যুবক খুন

১ ঘণ্টা আগে | চায়ের দেশ

চট্টগ্রামে জেলেদের জালে মিলল বৃদ্ধার লাশ
চট্টগ্রামে জেলেদের জালে মিলল বৃদ্ধার লাশ

১ ঘণ্টা আগে | চট্টগ্রাম প্রতিদিন

মুন্সিগঞ্জে ধলেশ্বরী নদীর তীরে অষ্টমী স্নান উৎসব পালিত
মুন্সিগঞ্জে ধলেশ্বরী নদীর তীরে অষ্টমী স্নান উৎসব পালিত

১ ঘণ্টা আগে | দেশগ্রাম

ছাত্র আন্দোলনে হত্যা মামলায় শ্রমিক লীগ নেতা গ্রেফতার
ছাত্র আন্দোলনে হত্যা মামলায় শ্রমিক লীগ নেতা গ্রেফতার

১ ঘণ্টা আগে | নগর জীবন

লাশের গন্ধে ভারী মিয়ানমারের সাগাইংয়ের বাতাস
লাশের গন্ধে ভারী মিয়ানমারের সাগাইংয়ের বাতাস

১ ঘণ্টা আগে | পূর্ব-পশ্চিম

পাংকর আইল্যান্ড, যেখানে পাহাড় ও সমুদ্রের অসাধারণ মিতালি!
পাংকর আইল্যান্ড, যেখানে পাহাড় ও সমুদ্রের অসাধারণ মিতালি!

১ ঘণ্টা আগে | পরবাস

এই মেয়েরাই সামনের দিনেও আমাদের পথ দেখাবে (ভিডিও)
এই মেয়েরাই সামনের দিনেও আমাদের পথ দেখাবে (ভিডিও)

১ ঘণ্টা আগে | জাতীয়

চট্টগ্রামে বাসায় ঢুকে ডাকাতি, বাধা দেওয়ায় আহত ৮
চট্টগ্রামে বাসায় ঢুকে ডাকাতি, বাধা দেওয়ায় আহত ৮

১ ঘণ্টা আগে | চট্টগ্রাম প্রতিদিন

ফিলিস্তিনি জনগণের প্রতি পাকিস্তান সেনা কমান্ডারদের অকুণ্ঠ সমর্থন
ফিলিস্তিনি জনগণের প্রতি পাকিস্তান সেনা কমান্ডারদের অকুণ্ঠ সমর্থন

১ ঘণ্টা আগে | পূর্ব-পশ্চিম

চট্টগ্রামে দেড় কোটি টাকা মূল্যের স্বর্ণসহ গ্রেফতার ৫
চট্টগ্রামে দেড় কোটি টাকা মূল্যের স্বর্ণসহ গ্রেফতার ৫

১ ঘণ্টা আগে | চট্টগ্রাম প্রতিদিন

জয়পুরহাটে নৈশপ্রহরীদের বেঁধে রেখে ৪ দোকানে ডাকাতি
জয়পুরহাটে নৈশপ্রহরীদের বেঁধে রেখে ৪ দোকানে ডাকাতি

১ ঘণ্টা আগে | দেশগ্রাম

থানা থেকে পালিয়েও শেষ রক্ষা হলো না তরুণের
থানা থেকে পালিয়েও শেষ রক্ষা হলো না তরুণের

১ ঘণ্টা আগে | চায়ের দেশ

রংপুরে মুগ্ধতা ছড়াচ্ছে বলিভিয়ার জাতীয় ফুল হেলিকোনিয়া
রংপুরে মুগ্ধতা ছড়াচ্ছে বলিভিয়ার জাতীয় ফুল হেলিকোনিয়া

১ ঘণ্টা আগে | প্রকৃতি ও পরিবেশ

সর্বাধিক পঠিত
ঈদুল আজহার সম্ভাব্য তারিখ প্রকাশ
ঈদুল আজহার সম্ভাব্য তারিখ প্রকাশ

২২ ঘণ্টা আগে | পূর্ব-পশ্চিম

আত্মরক্ষার জন্য ইরানের সর্বোচ্চ প্রস্তুতি রয়েছে : সৌদি যুবরাজকে পেজেশকিয়ান
আত্মরক্ষার জন্য ইরানের সর্বোচ্চ প্রস্তুতি রয়েছে : সৌদি যুবরাজকে পেজেশকিয়ান

৭ ঘণ্টা আগে | পূর্ব-পশ্চিম

পর্দায় নয়, এবার সত্যিই বিয়ে করলেন শামীম হাসান সরকার
পর্দায় নয়, এবার সত্যিই বিয়ে করলেন শামীম হাসান সরকার

২২ ঘণ্টা আগে | শোবিজ

ড. ইউনূস-মোদির ৪০ মিনিটের বৈঠক, আলাপ হলো কী নিয়ে
ড. ইউনূস-মোদির ৪০ মিনিটের বৈঠক, আলাপ হলো কী নিয়ে

২৩ ঘণ্টা আগে | জাতীয়

যুক্তরাষ্ট্রের শুল্ক ইস্যুতে জরুরি সভা ডেকেছেন প্রধান উপদেষ্টা
যুক্তরাষ্ট্রের শুল্ক ইস্যুতে জরুরি সভা ডেকেছেন প্রধান উপদেষ্টা

৪ ঘণ্টা আগে | জাতীয়

ড. ইউনূস ও মোদির বৈঠক নিয়ে যা জানালেন ভারতের পররাষ্ট্র সচিব
ড. ইউনূস ও মোদির বৈঠক নিয়ে যা জানালেন ভারতের পররাষ্ট্র সচিব

২৩ ঘণ্টা আগে | জাতীয়

আপনার প্রতি শেখ হাসিনার অসম্মানজনক আচরণ দেখেছি : ড. ইউনূসকে বলেন মোদি
আপনার প্রতি শেখ হাসিনার অসম্মানজনক আচরণ দেখেছি : ড. ইউনূসকে বলেন মোদি

২ ঘণ্টা আগে | জাতীয়

ইরানে হামলার হুমকি থেকে পিছু হটলেন ট্রাম্প, সরাসরি আলোচনার প্রস্তাব
ইরানে হামলার হুমকি থেকে পিছু হটলেন ট্রাম্প, সরাসরি আলোচনার প্রস্তাব

৩ ঘণ্টা আগে | পূর্ব-পশ্চিম

আওয়ামী লীগের টাকার লোভে না পড়তে দলীয় নেতাদের হুঁশিয়ারি শামা ওবায়েদের
আওয়ামী লীগের টাকার লোভে না পড়তে দলীয় নেতাদের হুঁশিয়ারি শামা ওবায়েদের

১৬ ঘণ্টা আগে | রাজনীতি

৫ মিলিয়ন ডলারের ‘গোল্ড কার্ড’ ভিসা উন্মোচন করলেন ট্রাম্প
৫ মিলিয়ন ডলারের ‘গোল্ড কার্ড’ ভিসা উন্মোচন করলেন ট্রাম্প

২১ ঘণ্টা আগে | পূর্ব-পশ্চিম

ঐশ্বরিয়া আমার মেয়ে নয়, কেবল ছেলের বউ : জয়া বচ্চন
ঐশ্বরিয়া আমার মেয়ে নয়, কেবল ছেলের বউ : জয়া বচ্চন

২১ ঘণ্টা আগে | শোবিজ

শরীয়তপুরে দুই গ্রুপের সংঘর্ষ, শতাধিক হাতবোমা বিস্ফোরণ
শরীয়তপুরে দুই গ্রুপের সংঘর্ষ, শতাধিক হাতবোমা বিস্ফোরণ

৬ ঘণ্টা আগে | দেশগ্রাম

ড. ইউনূস-মোদি বৈঠক আশার আলো তৈরি করেছে: মির্জা ফখরুল
ড. ইউনূস-মোদি বৈঠক আশার আলো তৈরি করেছে: মির্জা ফখরুল

২২ ঘণ্টা আগে | রাজনীতি

বিশ্বের শক্তিশালী পাসপোর্টের তালিকায় এক ধাপ এগোল বাংলাদেশ
বিশ্বের শক্তিশালী পাসপোর্টের তালিকায় এক ধাপ এগোল বাংলাদেশ

৬ ঘণ্টা আগে | জাতীয়

হোয়াইট হাউস থেকে বরখাস্ত একাধিক শীর্ষ কর্মকর্তা, আলোচনায় লরা লুমার
হোয়াইট হাউস থেকে বরখাস্ত একাধিক শীর্ষ কর্মকর্তা, আলোচনায় লরা লুমার

৮ ঘণ্টা আগে | পূর্ব-পশ্চিম

কালশী ফ্লাইওভারে গাড়ির সঙ্গে মোটরসাইকেলের সংঘর্ষ, দুই যুবক নিহত
কালশী ফ্লাইওভারে গাড়ির সঙ্গে মোটরসাইকেলের সংঘর্ষ, দুই যুবক নিহত

১৭ ঘণ্টা আগে | নগর জীবন

পরকীয়া প্রেমে বাধা দেওয়ায় স্বামীর পুরুষাঙ্গ কাটলো স্ত্রী
পরকীয়া প্রেমে বাধা দেওয়ায় স্বামীর পুরুষাঙ্গ কাটলো স্ত্রী

৬ ঘণ্টা আগে | দেশগ্রাম

হাসিনার এক মন্তব্যে সংকটে মাদারগঞ্জের সমবায় সমিতি
হাসিনার এক মন্তব্যে সংকটে মাদারগঞ্জের সমবায় সমিতি

১৯ ঘণ্টা আগে | দেশগ্রাম

একনজরে আজকের বাংলাদেশ প্রতিদিন (৫ এপ্রিল)
একনজরে আজকের বাংলাদেশ প্রতিদিন (৫ এপ্রিল)

১১ ঘণ্টা আগে | জাতীয়

‘আতঙ্কে তারা ভুল করেছে’: চীনের পাল্টা শুল্ক নিয়ে ট্রাম্প
‘আতঙ্কে তারা ভুল করেছে’: চীনের পাল্টা শুল্ক নিয়ে ট্রাম্প

৫ ঘণ্টা আগে | পূর্ব-পশ্চিম

চালের দানার চেয়েও ছোট পেসমেকার তৈরি করলেন বিজ্ঞানীরা
চালের দানার চেয়েও ছোট পেসমেকার তৈরি করলেন বিজ্ঞানীরা

৯ ঘণ্টা আগে | বিজ্ঞান

সাত দিনের মধ্যে যুক্তরাষ্ট্র ছাড়ার নির্দেশ, আতঙ্কে ইউক্রেনীয়রা
সাত দিনের মধ্যে যুক্তরাষ্ট্র ছাড়ার নির্দেশ, আতঙ্কে ইউক্রেনীয়রা

২ ঘণ্টা আগে | পূর্ব-পশ্চিম

নির্বাচনের কথা বলে মুখে ফেনা তুলে ফেললেই গণতন্ত্র হয় না : নুসরাত তাবাসসুম
নির্বাচনের কথা বলে মুখে ফেনা তুলে ফেললেই গণতন্ত্র হয় না : নুসরাত তাবাসসুম

৪ ঘণ্টা আগে | রাজনীতি

৫.৬ মাত্রার ভূমিকম্পে আবার কেঁপে উঠলো মিয়ানমার
৫.৬ মাত্রার ভূমিকম্পে আবার কেঁপে উঠলো মিয়ানমার

৮ ঘণ্টা আগে | পূর্ব-পশ্চিম

মিয়ানমারে বাংলাদেশ সশস্ত্র বাহিনীর নেতৃত্বে উদ্ধার ও চিকিৎসা কার্যক্রম অব্যাহত
মিয়ানমারে বাংলাদেশ সশস্ত্র বাহিনীর নেতৃত্বে উদ্ধার ও চিকিৎসা কার্যক্রম অব্যাহত

১৮ ঘণ্টা আগে | জাতীয়

‘প্রয়োজনে জোটগতভাবে নির্বাচন করবে এনসিপি’
‘প্রয়োজনে জোটগতভাবে নির্বাচন করবে এনসিপি’

২১ ঘণ্টা আগে | রাজনীতি

আইপিএলের প্রথমবার দেখা গেল এমন কিছু
আইপিএলের প্রথমবার দেখা গেল এমন কিছু

১০ ঘণ্টা আগে | মাঠে ময়দানে

প্রতিকূল পরিবেশেও খেলাপি ঋণ কমেছে
প্রতিকূল পরিবেশেও খেলাপি ঋণ কমেছে

১৬ ঘণ্টা আগে | বাণিজ্য

লৌহজংয়ে পাওয়া মরদেহের টুকরোগুলো সাভারের সবুজ মোল্যার
লৌহজংয়ে পাওয়া মরদেহের টুকরোগুলো সাভারের সবুজ মোল্যার

৫ ঘণ্টা আগে | দেশগ্রাম

কুমিল্লায় মসজিদ কমিটির সেক্রেটারিকে হত্যার ঘটনায় গ্রেফতার ২
কুমিল্লায় মসজিদ কমিটির সেক্রেটারিকে হত্যার ঘটনায় গ্রেফতার ২

১২ ঘণ্টা আগে | দেশগ্রাম

প্রিন্ট সর্বাধিক
সুবিধাবাদী হাইব্রিডে অতিষ্ঠ বিএনপি
সুবিধাবাদী হাইব্রিডে অতিষ্ঠ বিএনপি

প্রথম পৃষ্ঠা

মুজিব ছিলেন বেপরোয়া
মুজিব ছিলেন বেপরোয়া

প্রথম পৃষ্ঠা

চলতি বছর টাইগারদের ৬ টেস্ট
চলতি বছর টাইগারদের ৬ টেস্ট

মাঠে ময়দানে

হাসিনাকে চাইল বাংলাদেশ
হাসিনাকে চাইল বাংলাদেশ

প্রথম পৃষ্ঠা

দেশের প্রযুক্তি খাতে বিপ্লব ঘটাবে স্টারলিংক
দেশের প্রযুক্তি খাতে বিপ্লব ঘটাবে স্টারলিংক

প্রথম পৃষ্ঠা

ধুঁকছেন পেট্রাপোলের ব্যবসায়ীরাও
ধুঁকছেন পেট্রাপোলের ব্যবসায়ীরাও

পেছনের পৃষ্ঠা

ইলিশের দামে আগুন
ইলিশের দামে আগুন

পেছনের পৃষ্ঠা

আজকের ভাগ্যচক্র
আজকের ভাগ্যচক্র

আজকের রাশি

মুখোমুখি সরকার-আইএমএফ
মুখোমুখি সরকার-আইএমএফ

প্রথম পৃষ্ঠা

দীর্ঘদিন ক্ষমতা আঁকড়ে রাখার চিন্তা করলে জনগণ মেনে নেবে না
দীর্ঘদিন ক্ষমতা আঁকড়ে রাখার চিন্তা করলে জনগণ মেনে নেবে না

নগর জীবন

‘মিনি জাফলংয়ে’ স্বাস্থ্যঝুঁকি
‘মিনি জাফলংয়ে’ স্বাস্থ্যঝুঁকি

নগর জীবন

দক্ষিণ এশিয়ার ইসরায়েল ভারত
দক্ষিণ এশিয়ার ইসরায়েল ভারত

পেছনের পৃষ্ঠা

রাজশাহী বিএনপিতে ত্রিধারা
রাজশাহী বিএনপিতে ত্রিধারা

নগর জীবন

হচ্ছে বাম দলের বৃহত্তর জোট!
হচ্ছে বাম দলের বৃহত্তর জোট!

প্রথম পৃষ্ঠা

চট্টগ্রাম-কক্সবাজার সড়কে শঙ্কা
চট্টগ্রাম-কক্সবাজার সড়কে শঙ্কা

পেছনের পৃষ্ঠা

আত্রাই নদীর চরে কুমড়াবাড়ি!
আত্রাই নদীর চরে কুমড়াবাড়ি!

পেছনের পৃষ্ঠা

কবির-মুসার বিরুদ্ধে এবার জালিয়াতির অভিযোগ
কবির-মুসার বিরুদ্ধে এবার জালিয়াতির অভিযোগ

নগর জীবন

নতুন জীবনের খোঁজে মাহি
নতুন জীবনের খোঁজে মাহি

শোবিজ

যৌথ পরিবারের গল্প
যৌথ পরিবারের গল্প

শনিবারের সকাল

এবার জনগণ ভোটাধিকার ফিরে পাবে
এবার জনগণ ভোটাধিকার ফিরে পাবে

প্রথম পৃষ্ঠা

আমাদের সম্পর্কটা বড় ভাই-ছোট ভাইয়ের মতো
আমাদের সম্পর্কটা বড় ভাই-ছোট ভাইয়ের মতো

শোবিজ

১ লাখ ৮০ হাজার রোহিঙ্গা ফেরত নেবে মিয়ানমার
১ লাখ ৮০ হাজার রোহিঙ্গা ফেরত নেবে মিয়ানমার

প্রথম পৃষ্ঠা

জমজমাট বিনোদন কেন্দ্রগুলো
জমজমাট বিনোদন কেন্দ্রগুলো

পেছনের পৃষ্ঠা

অভিযোগে মোশাররফ করিমের জবাব
অভিযোগে মোশাররফ করিমের জবাব

শোবিজ

বাছাইপর্ব টপকাতে প্রস্তুত নিগাররা
বাছাইপর্ব টপকাতে প্রস্তুত নিগাররা

মাঠে ময়দানে

প্রয়োজনীয় সংস্কার শেষে দ্রুত নির্বাচন
প্রয়োজনীয় সংস্কার শেষে দ্রুত নির্বাচন

প্রথম পৃষ্ঠা

নিশোর মুখে শাকিববন্দনা
নিশোর মুখে শাকিববন্দনা

শোবিজ

প্রয়োজনীয় সংস্কার করে দ্রুত নির্বাচন দিতে হবে
প্রয়োজনীয় সংস্কার করে দ্রুত নির্বাচন দিতে হবে

প্রথম পৃষ্ঠা

চলে যাচ্ছেন ম্যানসিটির ডি ব্রুইন
চলে যাচ্ছেন ম্যানসিটির ডি ব্রুইন

মাঠে ময়দানে

কলকাতার জার্সিতে ২০০ উইকেট
কলকাতার জার্সিতে ২০০ উইকেট

মাঠে ময়দানে