শিরোনাম
প্রকাশ: ০০:০০, শুক্রবার, ২১ মার্চ, ২০২৫

এক সাহসী প্রবীণ যুবকের কথা

মহিউদ্দিন খান মোহন
প্রিন্ট ভার্সন
এক সাহসী প্রবীণ যুবকের কথা

একেকজন তাঁকে একেক অভিধায় অভিহিত করেছেন। কেউ বলেছেন, ‘অকুতোভয় রাজনীতিবিদ’, কেউ বলেছেন ‘বিচক্ষণ ও প্রজ্ঞাবান’। আমি আমার লেখা ‘জরুরি অবস্থা বিএনপি ও কিছু না বলা কথা’ বইটি তাঁর নামে উৎসর্গপত্রে তাঁকে আখ্যায়িত করেছিলাম ‘বিএনপির দুর্দিনের কান্ডারি’। বর্ষীয়ান সাংবাদিক-সম্পাদক শফিক রেহমান বলেছিলেন ‘সাহসী প্রবীণ যুবক’। সব অভিধাই তাঁর জন্য প্রযোজ্য। তবে শফিক রেহমানের আখ্যাটি অভিনব সন্দেহ নেই। কেননা একজন প্রবীণ আবার কীভাবে যুবক হন? অনেকের কাছেই তা অবাস্তব মনে হতে পারে। আমরা সাধারণত বয়স এবং স্বাস্থ্যগত অবস্থা দেখেই কে যুবক, কে প্রবীণ কিংবা বৃদ্ধ তা নির্ধারণ করে থাকি। তবে কাজের মধ্য দিয়েও যে মানুষের নবীনত্ব ও প্রৌঢ়ত্বের বহিঃপ্রকাশ ঘটতে পারে, তা কিন্তু অস্বীকার করা যাবে না। অনেকে যুব বয়সেই চিন্তা ও কাজে প্রৌঢ় বা বৃদ্ধের মতো আচরণ করেন। আবার অনেকে প্রৌঢ়ত্বে পৌঁছেও নবযুবার মতো সাহস নিয়ে এগিয়ে যান। প্রচলিত কথা হলো, ‘সাহসী মানুষ কখনো বুড়িয়ে যায় না।’ হয়তো শারীরিকভাবে দুর্বল হতে পারেন, তবে মানসিকভাবে তিনি থাকেন সতেজ-সবুজ।

এক সাহসী প্রবীণ যুবকের কথাযাঁকে কেন্দ্র করে আমার এই গৌড়চন্দ্রিকা, তিনি বিএনপির সাবেক মহাসচিব মরহুম খোন্দকার দেলোয়ার হোসেন; যিনি দলের অত্যন্ত ঘোরতর বিপদের সময় দায়িত্ব পেয়ে তা সঠিকভাবে পালনের এক উজ্জ্বল দৃষ্টান্ত স্থাপন করে গেছেন। শাসকের রক্তচক্ষুকে উপেক্ষা করে, নিজের এবং পরিবারের সদস্যদের জীবন ও নিরাপত্তাকে তুচ্ছজ্ঞান করে অবিচল থেকেছেন নীতি ও আদর্শের প্রতি। চরম পরাকাষ্ঠা দেখিয়েছেন দল ও নেতৃত্বের প্রতি আনুগত্যের।

এক কঠিন দুর্দিনে তাঁর সঙ্গে আমার ঘনিষ্ঠতা হয়েছিল। যদিও অনেক আগে থেকেই তাঁর নামের সঙ্গে পরিচিত ছিলাম। ১৯৭৭ সালে এইচএসসি পরীক্ষার পর ঢাকায় চলে আসি। সে সময় একদিন বড় ভাই ভাসানী ন্যাপের তৎকালীন কেন্দ্রীয় নেতা গিয়াসউদ্দিন খান বাদলের সঙ্গে আরমানিটোলা এলাকা দিয়ে আসার সময় একটি বাড়ির সামনে ঝোলানো নেমপ্লেটের প্রতি আমার দৃষ্টি আকর্ষণ করে বললেন, ‘ইনি একজন বড়মাপের রাজনীতিবিদ। আগে আমরা একই দল করতাম। তিনি এখন মোজাফফর ন্যাপের নেতা।’ দেখলাম বোর্ডে লেখা ‘এডভোকেট খোন্দকার দেলোয়ার হোসেন’। সেই ব্যক্তিটির সঙ্গে যে ঘনিষ্ঠ কর্মী হিসেবে দায়িত্ব পালনের সুযোগ হবে, তখন তা ঘুণাক্ষরেও মনে আসেনি। মোজাফফর ন্যাপ থেকে জাগদল, তারপর বিএনপিতে থিতু হয়েছিলেন খোন্দকার দেলোয়ার হোসেন। রাজনৈতিক অভিজ্ঞতায় তিনি অনেকের চেয়ে বড় হলেও সব সময় লো-প্রোফাইলে থেকেছেন। এই থাকাটা কিছুটা তাঁর অন্তর্মুখী চরিত্রের কারণে, কিছুটা রাজনীতির নানা কূটচালের শিকার হয়ে। ১৯৭৯ থেকে ২০০১ পর্যন্ত পাঁচবার সংসদ সদস্য নির্বাচিত হলেও তাঁকে পূর্ণ মন্ত্রীর মর্যাদায় সংসদের চিফ হুইপ পদ নিয়েই সন্তুষ্ট থাকতে হয়েছে, মন্ত্রণালয়ের দায়িত্ব তাঁকে দেওয়া হয়নি। এ বিষয়ে জানতে চেয়েছিলাম একজন প্রবীণ বিএনপি নেতার কাছে। তিনি বলেছেন, ‘খোন্দকার দেলোয়ার হোসেন নিঃসন্দেহে একজন অভিজ্ঞ রাজনীতিবিদ। মন্ত্রিত্ব তাঁর প্রাপ্য। তবে জাতীয় সংসদে তাঁর মতো অভিজ্ঞ পার্লামেন্টারিয়ান অত্যন্ত প্রয়োজন বিধায় তাঁকে সেখানেই দেওয়া হয়ে থাকবে।’ খোন্দকার দেলোয়ার হোসেনকে মন্ত্রণালয়ের দায়িত্ব না দেওয়ার এটা কোনো গ্রহণযোগ্য কারণ কি না, সে বিতর্কে যাব না। দেখা গেছে, তাঁর চেয়ে কয়েক ধাপ নিচের নেতারা মন্ত্রিত্ব পেয়েছেন, কিন্তু তিনি পাননি। অবশ্য এ নিয়ে তাঁর কোনো ক্ষোভ বা আক্ষেপ ছিল না। একান্ত আলাপে একদিন জিজ্ঞেস করেছিলাম। বলেছিলেন, ‘কেবল তো রাজনীতির মেঠোপথে হাঁটছো, রাজপথে আসো, তারপর দেখবা কত জায়গায় কত গর্ত, খানাখন্দ আর কাঁটা ছড়ানো। ওইসব অতিক্রম করে এগোতে হয়। মন্ত্রী হইতে পারি নাই দুঃখ নাই। দল আমাকে যে কাজের জন্য উপযুক্ত মনে করেছে, সেখানেই রেখেছে। আমার কী-ই বা বলার থাকতে পারে।’ না, মুখ ফুটে তিনি বলেননি কোনো দিন। দলের দেওয়া দায়িত্ব নিবিষ্টচিত্তে পালন করে গেছেন বিশ্বস্ততার সঙ্গে। তাই দেখা গেল যখন তিনি দলের মহাসচিবের দায়িত্ব পেলেন, জীবনবাজি রেখে সে দায়িত্ব পালন করেছেন।

প্রধানমন্ত্রী (সাবেক) বেগম খালেদা জিয়ার সহকারী প্রেস সচিবের দায়িত্ব পালনকালে প্রায়ই জাতীয় সংসদ অধিবেশনে যেতে হতো। সেখানেই খোন্দকার দেলোয়ার হোসেনের সঙ্গে আমার সাক্ষাৎ ও পরিচয়। পরে ওয়ান-ইলেভেনের সময় ২০০৭ সালের ৩ সেপ্টেম্বর ম্যাডাম যখন তাঁকে মহাসচিব নিযুক্ত করলেন, তাঁর ন্যাম ভবনের বাসায় গিয়ে বললাম, ‘ভাই, আমি ম্যাডামের সহকারী প্রেস সচিব ছিলাম। এখনো সেই দায়িত্ব পালন করে চলেছি। ম্যাডামের নির্দেশ আছে তিনি যাঁকে দায়িত্ব দেবেন, তাঁর সঙ্গে কাজ করার।’ আমার দিকে তাকিয়ে তিনি বললেন, ‘হ, তোমারে তো দেখছি পার্লামেন্টের অফিসে। ঠিক আছে শুরু করো। মনে রাইখ, চরম বিপদের সময় দায়িত্ব পালন করছ। ঝুঁকি আছে কিন্তু।’ বলেছিলাম, ‘আপনি এই বয়সে যদি ঝুঁকি নিতে পারেন, আমি কেন পিছিয়ে যাব?’ সেই থেকে শুরু। তারপর থেকে তাঁর ন্যাম ভবনের বাসায় প্রায় প্রতিদিন যেতাম কাজের জন্য। দলের জন্য প্রেস বিজ্ঞপ্তি লেখা, প্রেস ব্রিফিংয়ের আয়োজন করা ইত্যাদি কাজ করতাম তাঁর নির্দেশনা মতো। কখনো কোনো ভুল হলে মৃদু তিরস্কারের সুরে বলতেন, ‘তোমার মতো অভিজ্ঞ মানুষ কেন ভুল করবে? হেসে মাথা নেড়ে বলতাম, ‘ভাই ভুল তো মানুষেরই হয়। আর ভুল না হলে শুদ্ধটা শিখব কী করে?’ মৃদু হেসে সায় দিতেন।

খোন্দকার দেলোয়ার হোসেনের রাজনৈতিক জীবনের সবচেয়ে গুরুত্বপূর্ণ সময় ২০০৭ সালের জরুরি অবস্থার সময় থেকে তাঁর তিরোধান পর্যন্ত। এর আগে তিনি তাঁর এলাকার জনপ্রিয় নেতা ছিলেন, জাতীয় সংসদে ভূমিকা রেখেছেন একজন দক্ষ পার্লামেন্টারিয়ান হিসেবে। কিন্তু জাতীয় রাজনীতিতে উল্লেখযোগ্য ভূমিকা ছিল না। অবশ্য বিএনপির জাতীয় স্থায়ী কমিটির সদস্য হিসেবে দলীয় নীতিনির্ধারণে গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা রাখতেন। বিএনপি মহাসচিবের দায়িত্ব পাওয়ার পর গোটা দেশে তিনি পরিচিত হন জাতীয় নেতা হিসেবে। তদুপরি নীতির প্রশ্নে তাঁর আপসহীনতা ও দলের প্রতি বিশ্বস্ততা তাঁকে মানুষের কাছে নতুন পরিচয়ে পরিচিত করে।

তৎকালীন সেনাসমর্থিত কথিত তত্ত্বাবধায়ক সরকারের প্রচ- চাপের মুখেও তিনি মাথা নত করেননি। অনেকেরই মনে থাকার কথা, ওই বছর ২৯ অক্টোবর রাতে বিএনপিকে ছিনতাইয়ের একটি অপচেষ্টা হয়েছিল। ওইদিন মধ্যরাতে বিএনপির স্থায়ী কমিটির সদস্য ও সাবেক অর্থমন্ত্রী এম সাইফুর রহমানের গুলশানের বাসায় ‘স্থায়ী কমিটির সভা’ নামে একটি একাঙ্কিকা মঞ্চস্থ হয়েছিল। এর নাটের গুরু ছিলেন বহিষ্কৃত সাবেক মহাসচিব আবদুল মান্নান ভূঁইয়া। আর নাটকের পরিচালক ছিল সরকারের একটি ক্ষমতাধর গোয়েন্দা সংস্থা, তথা খোদ সরকার। ওইদিন সকালে যথারীতি মহাসচিব খোন্দকার দেলোয়ার হোসেনের বাসায় গিয়ে শুনলাম তিনি বাসায় নেই। পরে জানলাম তিনি বারডেম হাসপাতালে ভর্তি হয়েছেন। সিনিয়র এক সাংবাদিক আমাকে জানালেন, বিএনপিকে হাইজ্যাক করার চেষ্টা হচ্ছে। বিকালে ফোন করলাম রুহুল কবির রিজভীকে। মহাসচিবের কথা জিজ্ঞেস করায় তিনি জানালেন, ‘উনি নিরাপদ স্থানে আছেন, আমিও সরে গেছি। আপনিও সরে যান। মহাসচিবকে না পেলে ওরা আমাকে বা আপনাকে খুঁজতে পারে।’ মন খারাপ করে দৈনিক দিনকাল অফিসে বসে থাকলাম। কী করা যায় ভাবছি। অবশেষে পরিচিত একজনের বাসায় রাত কাটানোর সিদ্ধান্ত নিলাম। বাসার সবাই ঘুমিয়ে পড়লেও তাদের টেলিভিশন সেটটি সামনে নিয়ে বসে থাকলাম। রাত ১২টার দিকে চ্যানেল আইয়ের পর্দায় লেখা ভেসে উঠল সাইফুর রহমানের বাসায় স্ট্যান্ডিং কমিটির মিটিং হচ্ছে। সাড়ে ১২টার দিকে সাইফুর রহমান সাংবাদিকদের ব্রিফ করলেন। খবরে বলা হলো, ‘বিএনপির স্থায়ী কমিটির বিশেষ সভায় সাইফুর রহমানকে দলের ভারপ্রাপ্ত চেয়ারম্যান করা হয়েছে। অসুস্থতার জন্য খোন্দকার দেলোয়ার হোসেনকে অব্যাহতি দিয়ে মেজর (অব.) হাফিজ উদ্দিন আহমদকে অস্থায়ী মহাসচিব নিযুক্ত করা হয়েছে। খবরে বলা হলো, ওই সভায় এম সাইফুর রহমান, এম শামসুল ইসলাম, অ্যাডভোকেট খন্দকার মাহবুব উদ্দিন আহমাদ, লে. জে. (অব.) মাহবুবুর রহমান, চৌধুরী তানভীর আহমদ সিদ্দিকী এবং বহিষ্কৃত নেতা আবদুল মান্নান ভূঁইয়া উপস্থিত ছিলেন। (সূত্র : জরুরি অবস্থা বিএনপি ও কিছু না বলা কথা)। আমি রুহুল কবির রিজভীকে ফোন করে আমাদের করণীয় জানতে চাইলাম। তিনি বললেন, ‘মহাসচিবের উদ্ধৃতি দিয়ে যে কটা সম্ভব পত্রিকা ও টিভিতে জানিয়ে দিন, এটা বিএনপির গঠনতন্ত্রবিরোধী তৎপরতা। বিএনপির নেতা-কর্মীরা এ অবৈধ সিদ্ধান্ত প্রত্যাখ্যান করছে।’ আমি প্রথমেই ফোন করলাম চ্যানেল আইয়ের সালেহ শিবলীকে। তিনি বললেন, ‘আমি এটা রিজভীর স্বকণ্ঠে প্রচার করতে চাই।’ আমি রিজভীর সঙ্গে কথা বলে তার ব্যবস্থা করলাম। এর আধা ঘণ্টা পরেই চ্যানেল আইয়ে রিজভীর স্বকণ্ঠ বিবৃতি প্রচারিত হলো।

পরদিন সকালে গেলাম বারডেম হাসপাতালে। সাংবাদিকদের চলে আসতে বললাম। বেলা ১টার মধ্যে সবাই বারডেম হাসপাতালের ১৫০৩ নম্বর কেবিনে উপস্থিত হলো। নাকে-মুখে নল লাগানো অসুস্থ খোন্দকার দেলোয়ার হোসেন সেদিন সাহসিকতার সঙ্গে যে বক্তব্য রেখেছিলেন, তাতে ষড়যন্ত্রকারীদের সব ষড়যন্ত্র ভেস্তে গিয়েছিল। তিনি বলেছিলেন, কীভাবে গোয়েন্দা সংস্থার লোকেরা সাইফুর রহমানের বাসার ওই মিটিংয়ে না গেলে তাঁকে হত্যা ও তাঁর পরিবারকে ডেস্ট্রয় (ধ্বংস) করার হুমকি দিয়েছিল। কিন্তু তিনি কৌশলে বাসা থেকে বেরিয়ে আত্মগোপন করেছিলেন খিলগাঁওয়ে সাবেক ছাত্রনেতা জাহাঙ্গীর আলম মিন্টুর শ্বশুরের বাসায়। পরবর্তী সময়ে অনেকেই বলেছেন, ওই রাতে মহাসচিব যদি বুদ্ধিমত্তার সঙ্গে পরিস্থিতি মোকাবিলা না করতেন, তাহলে বিএনপির ইতিহাস আজ অন্যভাবে লিখতে হতো। বিএনপিকে ছিনতাই করে তা থেকে জিয়া পরিবারকে উৎখাতের জঘন্য এক পরিকল্পনা করা হয়েছিল সেদিন। খোন্দকার দেলোয়ার হোসেনের দৃঢ়তা ও কুশলতার কারণে ওদের সে চক্রান্ত বিফলে গেছে। সেই দুঃসময়ে বিএনপিকে রক্ষা করতে দেলোয়ার ভাই যে ভূমিকা পালন করেছেন, পরবর্তী সময়ে অনেকেই তাকে দুঃসাহসী কাজ বলে অভিহিত করেছেন, প্রশংসা করেছেন। তবে সবচেয়ে তাৎপর্যপূর্ণ কথা বলেছিলেন শ্রমিক দলনেতা আনোয়ার হোসেন। ২০০৮ সালের ১১ সেপ্টেম্বর ম্যাডাম মুক্তি পান। কয়েক দিন পর গুলশানের কার্যালয়ে শ্রমিক দলের একটি সভা হয়েছিল। তাতে তিনি বলেছিলেন, ‘ম্যাডাম, আপনি জেলে যাওয়ার পর ঢাকায় একটি ব্যাংকের লকার ভেঙে ডাকাতি হয়েছে। কিন্তু আপনি বিএনপিকে এমন এক লকারে রেখে গিয়েছিলেন, যে লকার ভাঙা তো দূরের কথা, কেউ সেটাকে স্পর্শও করতে পারেনি। সে লকার মহাসচিব খোন্দকার দেলোয়ার হোসেন।’

এর চেয়ে বড় স্বীকৃতি আর কী হতে পারে? ওয়ান-ইলেভেনের দুর্যোগের সময়ে বিএনপির জন্য খোন্দকার দেলোয়ার দুর্ভেদ্য লকার হিসেবেই কাজ করেছেন। এ বছর তাঁর ১৪তম মৃত্যুবাষিকীতে তাঁকে স্মরণ করছি গভীর শ্রদ্ধায়। কামনা করি তাঁর বিদেহী রুহের মাগফিরাত।

♦ লেখক : সাংবাদিক ও রাজনীতি বিশ্লেষক

 

এই বিভাগের আরও খবর
সামাজিক ব্যবসা
সামাজিক ব্যবসা
রপ্তানি খাতে ধাক্কা
রপ্তানি খাতে ধাক্কা
ফিলিস্তিনের নাবলুস নগরী
ফিলিস্তিনের নাবলুস নগরী
জীবনজুড়ে রমজানের রেশ ধরে রাখুন
জীবনজুড়ে রমজানের রেশ ধরে রাখুন
ফুলচাষিদের স্বাস্থ্যঝুঁঁকি
ফুলচাষিদের স্বাস্থ্যঝুঁঁকি
রেমিট্যান্সে আশার আলো
রেমিট্যান্সে আশার আলো
ভোটের আলোচনা
ভোটের আলোচনা
বিমসটেক সম্মেলন
বিমসটেক সম্মেলন
ডিজিটাল সংস্কৃতি : ভার্চুয়াল উৎসব
ডিজিটাল সংস্কৃতি : ভার্চুয়াল উৎসব
শাওয়াল মাসের ছয় রোজার পুণ্য
শাওয়াল মাসের ছয় রোজার পুণ্য
ব্যাংককে বৈঠক, ঢাকা-দিল্লিতে গুঞ্জন
ব্যাংককে বৈঠক, ঢাকা-দিল্লিতে গুঞ্জন
এই সময়ের রাজনৈতিক চ্যালেঞ্জ
এই সময়ের রাজনৈতিক চ্যালেঞ্জ
সর্বশেষ খবর
হাঁটুর চোটে ১৪ সপ্তাহ মাঠের বাইরে স্টোন
হাঁটুর চোটে ১৪ সপ্তাহ মাঠের বাইরে স্টোন

১ সেকেন্ড আগে | মাঠে ময়দানে

চালের দানার চেয়েও ছোট পেসমেকার তৈরি করলেন বিজ্ঞানীরা
চালের দানার চেয়েও ছোট পেসমেকার তৈরি করলেন বিজ্ঞানীরা

১০ মিনিট আগে | বিজ্ঞান

পাপুয়া নিউ গিনিতে শক্তিশালী ভূমিকম্প, সুনামি সতর্কতা
পাপুয়া নিউ গিনিতে শক্তিশালী ভূমিকম্প, সুনামি সতর্কতা

১৫ মিনিট আগে | পূর্ব-পশ্চিম

২২ বছর পর বাংলা সিনেমায় ফিরছেন রাখী
২২ বছর পর বাংলা সিনেমায় ফিরছেন রাখী

২৫ মিনিট আগে | শোবিজ

ঢাকার বাতাস আজ ‘অস্বাস্থ্যকর’
ঢাকার বাতাস আজ ‘অস্বাস্থ্যকর’

২৯ মিনিট আগে | নগর জীবন

চাঁদপুরে অটোরিকশা-মোটরসাইকেল সংঘর্ষে নিহত ১
চাঁদপুরে অটোরিকশা-মোটরসাইকেল সংঘর্ষে নিহত ১

৪০ মিনিট আগে | দেশগ্রাম

জরিমানায় খেলার অনুমতি মিলল এমবাপে-রুডিগারদের, রিয়ালের স্বস্তি
জরিমানায় খেলার অনুমতি মিলল এমবাপে-রুডিগারদের, রিয়ালের স্বস্তি

৫২ মিনিট আগে | মাঠে ময়দানে

ছুরিকাঘাতে ব্যবসায়ী নিহত, অভিযুক্তকে পিটিয়ে হত্যা
ছুরিকাঘাতে ব্যবসায়ী নিহত, অভিযুক্তকে পিটিয়ে হত্যা

৫৫ মিনিট আগে | দেশগ্রাম

নেপালে ৫.২ মাত্রার ভূমিকম্প
নেপালে ৫.২ মাত্রার ভূমিকম্প

৫৯ মিনিট আগে | পূর্ব-পশ্চিম

ফতোয়া প্রদানে সতর্কতা ও আবশ্যিক শর্ত
ফতোয়া প্রদানে সতর্কতা ও আবশ্যিক শর্ত

১ ঘণ্টা আগে | ইসলামী জীবন

আইপিএলের প্রথমবার দেখা গেল এমন কিছু
আইপিএলের প্রথমবার দেখা গেল এমন কিছু

১ ঘণ্টা আগে | মাঠে ময়দানে

ট্রাম্পের শুল্ক একটি ‘জাতীয় সংকট’ : জাপানি প্রধানমন্ত্রী
ট্রাম্পের শুল্ক একটি ‘জাতীয় সংকট’ : জাপানি প্রধানমন্ত্রী

১ ঘণ্টা আগে | পূর্ব-পশ্চিম

সন্তানের দ্বিনি শিক্ষা নিশ্চিত করা আবশ্যক
সন্তানের দ্বিনি শিক্ষা নিশ্চিত করা আবশ্যক

১ ঘণ্টা আগে | ইসলামী জীবন

বলিভিয়ায় স্বর্ণ খনিতে ভয়াবহ বিস্ফোরণ, শিশুসহ নিহত ৫
বলিভিয়ায় স্বর্ণ খনিতে ভয়াবহ বিস্ফোরণ, শিশুসহ নিহত ৫

১ ঘণ্টা আগে | পূর্ব-পশ্চিম

যেসব আচরণ শিখিয়ে গেল মাহে রমজান
যেসব আচরণ শিখিয়ে গেল মাহে রমজান

১ ঘণ্টা আগে | ইসলামী জীবন

গাজায় অ্যাম্বুলেন্সে অগ্নিকাণ্ড ইসরায়েলি ‘যুদ্ধাপরাধ’ হতে পারে : জাতিসংঘ কর্মকর্তা
গাজায় অ্যাম্বুলেন্সে অগ্নিকাণ্ড ইসরায়েলি ‘যুদ্ধাপরাধ’ হতে পারে : জাতিসংঘ কর্মকর্তা

২ ঘণ্টা আগে | পূর্ব-পশ্চিম

একনজরে আজকের বাংলাদেশ প্রতিদিন (৫ এপ্রিল)
একনজরে আজকের বাংলাদেশ প্রতিদিন (৫ এপ্রিল)

২ ঘণ্টা আগে | জাতীয়

কুমিল্লায় মসজিদ কমিটির সেক্রেটারিকে হত্যার ঘটনায় গ্রেফতার ২
কুমিল্লায় মসজিদ কমিটির সেক্রেটারিকে হত্যার ঘটনায় গ্রেফতার ২

৩ ঘণ্টা আগে | দেশগ্রাম

বরগুনা সদর উপজেলা পরিষদের সাবেক চেয়ারম্যান মনির গ্রেফতার
বরগুনা সদর উপজেলা পরিষদের সাবেক চেয়ারম্যান মনির গ্রেফতার

৩ ঘণ্টা আগে | দেশগ্রাম

সেচ পাম্পে গোসল করতে যাওয়ায় কিশোরকে পিটিয়ে হত্যা
সেচ পাম্পে গোসল করতে যাওয়ায় কিশোরকে পিটিয়ে হত্যা

৪ ঘণ্টা আগে | দেশগ্রাম

আওয়ামী লীগের টাকার লোভে না পড়তে দলীয় নেতাদের হুঁশিয়ারি শামা ওবায়েদের
আওয়ামী লীগের টাকার লোভে না পড়তে দলীয় নেতাদের হুঁশিয়ারি শামা ওবায়েদের

৭ ঘণ্টা আগে | রাজনীতি

প্রতিকূল পরিবেশেও খেলাপি ঋণ কমেছে
প্রতিকূল পরিবেশেও খেলাপি ঋণ কমেছে

৭ ঘণ্টা আগে | বাণিজ্য

ফ্যাসিবাদ পুনর্বাসনের প্রচেষ্টা কোনোভাবেই মেনে নেওয়া হবে না : গোলাম পরওয়ার
ফ্যাসিবাদ পুনর্বাসনের প্রচেষ্টা কোনোভাবেই মেনে নেওয়া হবে না : গোলাম পরওয়ার

৮ ঘণ্টা আগে | রাজনীতি

কালশী ফ্লাইওভারে গাড়ির সঙ্গে মোটরসাইকেলের সংঘর্ষ, দুই যুবক নিহত
কালশী ফ্লাইওভারে গাড়ির সঙ্গে মোটরসাইকেলের সংঘর্ষ, দুই যুবক নিহত

৮ ঘণ্টা আগে | নগর জীবন

মিয়ানমারে বাংলাদেশ সশস্ত্র বাহিনীর নেতৃত্বে উদ্ধার ও চিকিৎসা কার্যক্রম অব্যাহত
মিয়ানমারে বাংলাদেশ সশস্ত্র বাহিনীর নেতৃত্বে উদ্ধার ও চিকিৎসা কার্যক্রম অব্যাহত

৯ ঘণ্টা আগে | জাতীয়

মাদক নিয়ে দ্বন্দ্বে যুবককে কুড়াল দিয়ে কুপিয়ে হত্যা
মাদক নিয়ে দ্বন্দ্বে যুবককে কুড়াল দিয়ে কুপিয়ে হত্যা

৯ ঘণ্টা আগে | দেশগ্রাম

দেশে ফিরেছেন প্রধান উপদেষ্টা
দেশে ফিরেছেন প্রধান উপদেষ্টা

৯ ঘণ্টা আগে | জাতীয়

ভালুকায় মোটরসাইকেলের ধাক্কায় বৃদ্ধ নিহত
ভালুকায় মোটরসাইকেলের ধাক্কায় বৃদ্ধ নিহত

১০ ঘণ্টা আগে | দেশগ্রাম

হাসিনার এক মন্তব্যে সংকটে মাদারগঞ্জের সমবায় সমিতি
হাসিনার এক মন্তব্যে সংকটে মাদারগঞ্জের সমবায় সমিতি

১০ ঘণ্টা আগে | দেশগ্রাম

এখনো ফাঁকা বন্দরনগরী
এখনো ফাঁকা বন্দরনগরী

১২ ঘণ্টা আগে | চট্টগ্রাম প্রতিদিন

সর্বাধিক পঠিত
ঈদুল আজহার সম্ভাব্য তারিখ প্রকাশ
ঈদুল আজহার সম্ভাব্য তারিখ প্রকাশ

১৩ ঘণ্টা আগে | পূর্ব-পশ্চিম

নরেন্দ্র মোদিকে যে উপহার দিলেন প্রধান উপদেষ্টা
নরেন্দ্র মোদিকে যে উপহার দিলেন প্রধান উপদেষ্টা

১৯ ঘণ্টা আগে | জাতীয়

শেখ হাসিনার প্রত্যর্পণ চাইলো বাংলাদেশ
শেখ হাসিনার প্রত্যর্পণ চাইলো বাংলাদেশ

২০ ঘণ্টা আগে | জাতীয়

প্রথম দফায় ১ লাখ ৮০ হাজার রোহিঙ্গা নিতে রাজি মিয়ানমার
প্রথম দফায় ১ লাখ ৮০ হাজার রোহিঙ্গা নিতে রাজি মিয়ানমার

১৫ ঘণ্টা আগে | জাতীয়

ড. ইউনূস-মোদির ৪০ মিনিটের বৈঠক, আলাপ হলো কী নিয়ে
ড. ইউনূস-মোদির ৪০ মিনিটের বৈঠক, আলাপ হলো কী নিয়ে

১৪ ঘণ্টা আগে | জাতীয়

পর্দায় নয়, এবার সত্যিই বিয়ে করলেন শামীম হাসান সরকার
পর্দায় নয়, এবার সত্যিই বিয়ে করলেন শামীম হাসান সরকার

১৩ ঘণ্টা আগে | শোবিজ

ব্যাংককে ড. ইউনূস-মোদির বৈঠক
ব্যাংককে ড. ইউনূস-মোদির বৈঠক

২১ ঘণ্টা আগে | জাতীয়

ড. ইউনূস ও মোদির বৈঠক নিয়ে যা জানালেন ভারতের পররাষ্ট্র সচিব
ড. ইউনূস ও মোদির বৈঠক নিয়ে যা জানালেন ভারতের পররাষ্ট্র সচিব

১৪ ঘণ্টা আগে | জাতীয়

খুলনায় গ্রেনেড বাবুর বাড়িতে অভিযানে অস্ত্র উদ্ধার, আটক ৩
খুলনায় গ্রেনেড বাবুর বাড়িতে অভিযানে অস্ত্র উদ্ধার, আটক ৩

২০ ঘণ্টা আগে | নগর জীবন

প্রতিশোধ নিল চীন, মার্কিন পণ্যের ওপর অতিরিক্ত ৩৪% শুল্ক আরোপ
প্রতিশোধ নিল চীন, মার্কিন পণ্যের ওপর অতিরিক্ত ৩৪% শুল্ক আরোপ

১৬ ঘণ্টা আগে | পূর্ব-পশ্চিম

৫ মিলিয়ন ডলারের ‘গোল্ড কার্ড’ ভিসা উন্মোচন করলেন ট্রাম্প
৫ মিলিয়ন ডলারের ‘গোল্ড কার্ড’ ভিসা উন্মোচন করলেন ট্রাম্প

১২ ঘণ্টা আগে | পূর্ব-পশ্চিম

বাংলাদেশ বিমসটেকের পরবর্তী চেয়ারম্যান
বাংলাদেশ বিমসটেকের পরবর্তী চেয়ারম্যান

১৮ ঘণ্টা আগে | জাতীয়

অভ্যুত্থানের সময় গ্রেফতার, সৌদিতে জেল খেটে দেশে ফিরলেন ১০ প্রবাসী
অভ্যুত্থানের সময় গ্রেফতার, সৌদিতে জেল খেটে দেশে ফিরলেন ১০ প্রবাসী

১৭ ঘণ্টা আগে | জাতীয়

আওয়ামী লীগের টাকার লোভে না পড়তে দলীয় নেতাদের হুঁশিয়ারি শামা ওবায়েদের
আওয়ামী লীগের টাকার লোভে না পড়তে দলীয় নেতাদের হুঁশিয়ারি শামা ওবায়েদের

৭ ঘণ্টা আগে | রাজনীতি

ইউনূস-মোদি বৈঠক ফলপ্রসূ হয়েছে: প্রেস সচিব
ইউনূস-মোদি বৈঠক ফলপ্রসূ হয়েছে: প্রেস সচিব

১৮ ঘণ্টা আগে | জাতীয়

ঐশ্বরিয়া আমার মেয়ে নয়, কেবল ছেলের বউ : জয়া বচ্চন
ঐশ্বরিয়া আমার মেয়ে নয়, কেবল ছেলের বউ : জয়া বচ্চন

১২ ঘণ্টা আগে | শোবিজ

ট্রাম্পের শুল্ক বাংলাদেশ-শ্রীলঙ্কার পোশাকশিল্পে বড় ধাক্কা: নিউইয়র্ক টাইমস
ট্রাম্পের শুল্ক বাংলাদেশ-শ্রীলঙ্কার পোশাকশিল্পে বড় ধাক্কা: নিউইয়র্ক টাইমস

২৩ ঘণ্টা আগে | বাণিজ্য

দীর্ঘ ১৫ বছর পর বঞ্চিত কমিউনিটি নেতারা দাওয়াত পেলেন রাষ্ট্রীয় অনুষ্ঠানে
দীর্ঘ ১৫ বছর পর বঞ্চিত কমিউনিটি নেতারা দাওয়াত পেলেন রাষ্ট্রীয় অনুষ্ঠানে

১৭ ঘণ্টা আগে | পরবাস

প্রধান উপদেষ্টার সঙ্গে শ্রীলঙ্কার প্রধানমন্ত্রীর সাক্ষাৎ
প্রধান উপদেষ্টার সঙ্গে শ্রীলঙ্কার প্রধানমন্ত্রীর সাক্ষাৎ

১৭ ঘণ্টা আগে | জাতীয়

৩০০ আসনে প্রার্থী দেওয়ার চ্যালেঞ্জ নিতে প্রস্তুত এনসিপি: সারজিস
৩০০ আসনে প্রার্থী দেওয়ার চ্যালেঞ্জ নিতে প্রস্তুত এনসিপি: সারজিস

১৬ ঘণ্টা আগে | নগর জীবন

ড. ইউনূস-মোদি বৈঠক আশার আলো তৈরি করেছে: মির্জা ফখরুল
ড. ইউনূস-মোদি বৈঠক আশার আলো তৈরি করেছে: মির্জা ফখরুল

১৩ ঘণ্টা আগে | রাজনীতি

দুই দিন ধরে তুর্কি বিমানবন্দরে আটকা ২৫০ যাত্রী
দুই দিন ধরে তুর্কি বিমানবন্দরে আটকা ২৫০ যাত্রী

১৬ ঘণ্টা আগে | পূর্ব-পশ্চিম

কালশী ফ্লাইওভারে গাড়ির সঙ্গে মোটরসাইকেলের সংঘর্ষ, দুই যুবক নিহত
কালশী ফ্লাইওভারে গাড়ির সঙ্গে মোটরসাইকেলের সংঘর্ষ, দুই যুবক নিহত

৮ ঘণ্টা আগে | নগর জীবন

আসিয়ান সদস্যপদের জন্য থাইল্যান্ডের সমর্থন চাইলেন প্রধান উপদেষ্টা
আসিয়ান সদস্যপদের জন্য থাইল্যান্ডের সমর্থন চাইলেন প্রধান উপদেষ্টা

২০ ঘণ্টা আগে | জাতীয়

হাসিনার এক মন্তব্যে সংকটে মাদারগঞ্জের সমবায় সমিতি
হাসিনার এক মন্তব্যে সংকটে মাদারগঞ্জের সমবায় সমিতি

১০ ঘণ্টা আগে | দেশগ্রাম

গ্রিনল্যান্ডকে এভাবে সংযুক্ত করা যায় না : যুক্তরাষ্ট্রকে ডেনমার্ক
গ্রিনল্যান্ডকে এভাবে সংযুক্ত করা যায় না : যুক্তরাষ্ট্রকে ডেনমার্ক

১৭ ঘণ্টা আগে | পূর্ব-পশ্চিম

শনিবার ঢাকায় আসছে আইএমএফের প্রতিনিধি দল
শনিবার ঢাকায় আসছে আইএমএফের প্রতিনিধি দল

২০ ঘণ্টা আগে | জাতীয়

ইউনূসের সঙ্গে মোদির বৈঠক প্রয়োজন ছিল: মির্জা আব্বাস
ইউনূসের সঙ্গে মোদির বৈঠক প্রয়োজন ছিল: মির্জা আব্বাস

১৫ ঘণ্টা আগে | রাজনীতি

‘যত দ্রুত সম্ভব নির্বাচন আয়োজন করা সরকারের সর্বোচ্চ অগ্রাধিকার’
‘যত দ্রুত সম্ভব নির্বাচন আয়োজন করা সরকারের সর্বোচ্চ অগ্রাধিকার’

২২ ঘণ্টা আগে | জাতীয়

মিঠামইনে কৃষকের মৃত্যুকে কেন্দ্র করে রহস্য
মিঠামইনে কৃষকের মৃত্যুকে কেন্দ্র করে রহস্য

২২ ঘণ্টা আগে | দেশগ্রাম

প্রিন্ট সর্বাধিক
সুবিধাবাদী হাইব্রিডে অতিষ্ঠ বিএনপি
সুবিধাবাদী হাইব্রিডে অতিষ্ঠ বিএনপি

প্রথম পৃষ্ঠা

মুজিব ছিলেন বেপরোয়া
মুজিব ছিলেন বেপরোয়া

প্রথম পৃষ্ঠা

চলতি বছর টাইগারদের ৬ টেস্ট
চলতি বছর টাইগারদের ৬ টেস্ট

মাঠে ময়দানে

দেশের প্রযুক্তি খাতে বিপ্লব ঘটাবে স্টারলিংক
দেশের প্রযুক্তি খাতে বিপ্লব ঘটাবে স্টারলিংক

প্রথম পৃষ্ঠা

ধুঁকছেন পেট্রাপোলের ব্যবসায়ীরাও
ধুঁকছেন পেট্রাপোলের ব্যবসায়ীরাও

পেছনের পৃষ্ঠা

হাসিনাকে চাইল বাংলাদেশ
হাসিনাকে চাইল বাংলাদেশ

প্রথম পৃষ্ঠা

আজকের ভাগ্যচক্র
আজকের ভাগ্যচক্র

আজকের রাশি

ইলিশের দামে আগুন
ইলিশের দামে আগুন

পেছনের পৃষ্ঠা

দীর্ঘদিন ক্ষমতা আঁকড়ে রাখার চিন্তা করলে জনগণ মেনে নেবে না
দীর্ঘদিন ক্ষমতা আঁকড়ে রাখার চিন্তা করলে জনগণ মেনে নেবে না

নগর জীবন

রাজশাহী বিএনপিতে ত্রিধারা
রাজশাহী বিএনপিতে ত্রিধারা

নগর জীবন

‘মিনি জাফলংয়ে’ স্বাস্থ্যঝুঁকি
‘মিনি জাফলংয়ে’ স্বাস্থ্যঝুঁকি

নগর জীবন

কবির-মুসার বিরুদ্ধে এবার জালিয়াতির অভিযোগ
কবির-মুসার বিরুদ্ধে এবার জালিয়াতির অভিযোগ

নগর জীবন

চট্টগ্রাম-কক্সবাজার সড়কে শঙ্কা
চট্টগ্রাম-কক্সবাজার সড়কে শঙ্কা

পেছনের পৃষ্ঠা

আত্রাই নদীর চরে কুমড়াবাড়ি!
আত্রাই নদীর চরে কুমড়াবাড়ি!

পেছনের পৃষ্ঠা

মুখোমুখি সরকার-আইএমএফ
মুখোমুখি সরকার-আইএমএফ

প্রথম পৃষ্ঠা

হচ্ছে বাম দলের বৃহত্তর জোট!
হচ্ছে বাম দলের বৃহত্তর জোট!

প্রথম পৃষ্ঠা

নতুন জীবনের খোঁজে মাহি
নতুন জীবনের খোঁজে মাহি

শোবিজ

নিশোর মুখে শাকিববন্দনা
নিশোর মুখে শাকিববন্দনা

শোবিজ

চলে যাচ্ছেন ম্যানসিটির ডি ব্রুইন
চলে যাচ্ছেন ম্যানসিটির ডি ব্রুইন

মাঠে ময়দানে

আমাদের সম্পর্কটা বড় ভাই-ছোট ভাইয়ের মতো
আমাদের সম্পর্কটা বড় ভাই-ছোট ভাইয়ের মতো

শোবিজ

১ লাখ ৮০ হাজার রোহিঙ্গা ফেরত নেবে মিয়ানমার
১ লাখ ৮০ হাজার রোহিঙ্গা ফেরত নেবে মিয়ানমার

প্রথম পৃষ্ঠা

অভিযোগে মোশাররফ করিমের জবাব
অভিযোগে মোশাররফ করিমের জবাব

শোবিজ

বাছাইপর্ব টপকাতে প্রস্তুত নিগাররা
বাছাইপর্ব টপকাতে প্রস্তুত নিগাররা

মাঠে ময়দানে

কলকাতার জার্সিতে ২০০ উইকেট
কলকাতার জার্সিতে ২০০ উইকেট

মাঠে ময়দানে

মেয়েদের ২০৩১ বিশ্বকাপ যুক্তরাষ্ট্রে
মেয়েদের ২০৩১ বিশ্বকাপ যুক্তরাষ্ট্রে

মাঠে ময়দানে

জমজমাট বিনোদন কেন্দ্রগুলো
জমজমাট বিনোদন কেন্দ্রগুলো

পেছনের পৃষ্ঠা

চেলসির শীর্ষ চারের লড়াই
চেলসির শীর্ষ চারের লড়াই

মাঠে ময়দানে

প্রয়োজনীয় সংস্কার করে দ্রুত নির্বাচন দিতে হবে
প্রয়োজনীয় সংস্কার করে দ্রুত নির্বাচন দিতে হবে

প্রথম পৃষ্ঠা

প্রয়োজনীয় সংস্কার শেষে দ্রুত নির্বাচন
প্রয়োজনীয় সংস্কার শেষে দ্রুত নির্বাচন

প্রথম পৃষ্ঠা

এবার জনগণ ভোটাধিকার ফিরে পাবে
এবার জনগণ ভোটাধিকার ফিরে পাবে

প্রথম পৃষ্ঠা