শিরোনাম
প্রকাশ: ০০:০০, বুধবার, ১২ মার্চ, ২০২৫ আপডেট: ০০:১৪, বুধবার, ১২ মার্চ, ২০২৫

ধর্ষণ ও নারী নির্যাতন : দেশে দেশে

সুমন পালিত
প্রিন্ট ভার্সন
ধর্ষণ ও নারী নির্যাতন : দেশে দেশে

মাগুরায় বড় বোনের বাড়িতে বেড়াতে গিয়ে ধর্ষণের শিকার হয়েছে আট বছরের এক মেয়েশিশু। ধর্ষক বড় বোনের শ্বশুর। হিটু শেখ নামের ওই লম্পট আট বছরের শিশুর ওপর ঝাঁপিয়ে পড়েছিল কল্পকথার দৈত্যদানোর মতো। নিষ্পাপ শিশুটি এখন মৃত্যুর সঙ্গে লড়ছে রাজধানীর সম্মিলিত সামরিক হাসপাতালে। বাংলাদেশে এ ধরনের ধর্ষণ প্রতিনিয়তই ঘটছে। ধর্ষণ ও নারী নির্যাতনের শিকার নারীদের শতকরা এক ভাগও আইনের আশ্রয় নেয় না আরও বেশি লাঞ্ছিত হওয়ার ভয়ে। অদ্ভুত এই দেশে ধর্ষকরা অনুতপ্ত হওয়ার বদলে ধর্ষণের সেঞ্চুরি করার কৃতিত্বও প্রচার করে।

স্বীকার করতেই হবে দুনিয়ার কোনো দেশ কোনো সমাজ নারীদের জন্য শতভাগ নিরাপদ নয়। আমেরিকানদের বিশ্বাস, তারা বিশ্বের সবচেয়ে উদার ও সুশীল সমাজের অধিকারী। উদার মনোভাবের জন্যই তারা চায় বাদবাকি বিশ্বও তাদের মতো সভ্য হোক। সারা দুনিয়ায় সুশীল সমাজ গড়ে উঠুক। নারীর মর্যাদা যেহেতু সভ্যতার মাপকাঠি, সেহেতু সারা দুনিয়াকে সভ্য বানাতে মানবাধিকার নিয়ে আমেরিকানদের উৎকণ্ঠার শেষ নেই। গাঁটের টাকা খরচ করে হলেও তারা বাংলাদেশের মতো দেশগুলোতে নারী অধিকার প্রতিষ্ঠার চেষ্টা করছে। নারীর মর্যাদা সমুন্নত করা ও তাদের ক্ষমতায়নের বিষয়টিকে মার্কিন প্রশাসন এজেন্ডা হিসেবে নিয়েছে। রংবেরঙের এনজিওগুলোকে দিয়ে তা বাস্তবায়নেরও চেষ্টা চলছে।

মজার ব্যাপার হলো, সভ্য সমাজের নিশান বরদারের ভূমিকা পালনকারী আমেরিকায় নারীর ক্ষমতায়ন কিংবা মর্যাদা কোনোটাই প্রশ্নাতীত নয়। আমেরিকানরা সারা দুনিয়ায় নারীবাদী ভূমিকা পালন করলেও তাদের দেশেই গর্ভপাতকে সরকারিভাবে নিরুৎসাহিত করা হচ্ছে। প্রেসিডেন্ট জুনিয়র বুশ ক্ষমতা গ্রহণের প্রথম দিনে গর্ভপাতে সহায়তাদানকারী জন্মনিয়ন্ত্রণ সংস্থাগুলোর জন্য সাহায্য বন্ধ করে দেন। প্রেসিডেন্ট ট্রাম্প তো এ বিষয়ে আরও বেশি রক্ষণশীল। আমেরিকান সমাজের উচ্চপর্যায়েও নারী নির্যাতনের যেসব ঘটনা ঘটে তা পিছিয়ে পড়া দেশগুলোর জন্যও লজ্জাদায়ক।

সাবেক প্রেসিডেন্ট রিগ্যানের কন্যাও ছিলেন নির্মম নির্যাতনের শিকার। রিগ্যানকন্যা মোরিনার বিয়ে হয়েছিল ওয়াশিংটনের এক পুলিশ কর্মকর্তার সঙ্গে। একসময়ের গায়িকা ও অভিনেত্রী মোরিনা নিজেই বলেছেন, তাঁর দুর্ভোগের কথা। তাঁর ভাষায়, ১৯৬১ সাল। আমার বয়স তখন ২০। আমি আমার চেয়ে ১০ বছরের বেশি বয়স্ক এক ব্যক্তিকে বিয়ে করি। আমার প্রথম স্বামী আমাকে নিষ্ঠুরভাবে প্রায় প্রতিদিনই প্রহার করত। তার শারীরিক অত্যাচারের জন্য আমি প্রায় স্থবির হয়ে পড়েছিলাম। কোনো কোনো রাতে আমার প্রতি শারীরিক অত্যাচার শুরু না হলেও আমি জেগে অপেক্ষা করতাম কখন শুরু হবে। অত্যাচারের মধ্যে কিল, ঘুসি, লাথি, চপেটাঘাত ছিল নিয়মিত ব্যাপার। আমি তার ভয়ে সর্বদা ভীত অবস্থায় বাস করতাম।

মোরিনা তাঁর জবানিতে বলেছেন, সে দিনটার কথা আমার আজো মনে পড়ে। বরফ পড়ছে। খারাপ আবহাওয়ার জন্য রাস্তায় গাড়ি ও বাস চলাচল বন্ধ হয়ে গেছে। আমার কর্মস্থল থেকে বাড়িতে পৌঁছাতে এক ঘণ্টা দেরি হলো। আমার স্বামী অত্যন্ত রেগে গেলেন। সন্দেহ করলেন, আমি অন্য কোনো পুরুষের সঙ্গে সময় কাটিয়েছি। আমি তাকে যতই বোঝাই সে আরও বেশি রেগে যেতে থাকে। একপর্যায়ে আমাকে সে কিল, ঘুসি মারতে লাগল। আমি অবাক হয়ে গেলাম ও প্রতিবাদ করার শক্তি হারিয়ে ফেললাম। চোখমুখে প্রচণ্ড ব্যথা অনুভব করলাম। আমি সে রাতে ঘুমাতে ব্যর্থ হই। তবু পরদিন সকালে খাবার টেবিলে তাকে সাহায্য করতে এগিয়ে গেলাম। কিন্তু ফল হলো উল্টো। গ্লাস দিয়ে সে আমার মাথায় প্রচণ্ড আঘাত করল।

মাগুরায় বড় বোনের বাড়িতে বেড়াতে গিয়ে ধর্ষণের শিকার হয়েছে আট বছরের এক মেয়েশিশুমোরিনা বলেছেন তাঁর স্বামী এক রাতে তাঁকে গলা টিপে হত্যার চেষ্টা করে। একপর্যায়ে মেঝেতে ফেলে পেটাতে থাকে এবং বলে, কোনো পুরুষই আর তোর দিকে ফিরে তাকাবে না। বিস্ময়কর হলেও সত্যি, মোরিনা স্বামীর অত্যাচার সম্পর্কে তাঁর পিতা প্রেসিডেন্ট রোনাল্ড রিগ্যানকে জানানো সত্ত্বেও তিনি মেয়ের ব্যাপারে হস্তক্ষেপ করতে চাননি।

যুক্তরাষ্ট্রে নারী অধিকার সুপ্রতিষ্ঠার দাবি করা হলেও নারী সেখানে পণ্য হিসেবেই বিবেচিত। এ দেশটিতে বিভিন্ন পণ্যের বিজ্ঞাপনে নারীকে যেভাবে ব্যবহার করা হয়, তা কোনোভাবেই মায়ের জাতির মর্যাদার প্রতি সম্মান প্রদর্শনের পরিচায়ক নয়। লাম্পট্যের জন্য আমেরিকার প্রেসিডেন্ট জনএফ কেনেডির খ্যাতির বিষয়টি অনেকের জানা। ক্লিনটন-মনিকার কেচ্ছাও জানে দুনিয়ার কয়েক শ কোটি মানুষ। ট্রাম্প নামের যে মহাপুরুষ এখন আমেরিকার শাসনক্ষমতায় তিনি তো বহু কোটি ডলার জরিমানা দিয়েছেন লাম্পট্যের কারণে।

মিসরে নিযুক্ত ব্রিটিশ কূটনীতিক লর্ড ক্রোমার মনে করতেন, মুসলমান সমাজে নারীরা বঞ্চনার শিক্ষার। মহিলাদের নেকাব ব্যবহারের তীব্র সমালোচক ছিলেন তিনি। ১৮৮৩ থেকে ১৯০৭ সাল পর্যন্ত লর্ড ক্রোমার ছিলেন মিসরে কূটনীতিকের দায়িত্বে। তিনি মনে করতেন, হিজাব সভ্যতা বিকাশের অন্যতম অন্তরায়। লর্ড ক্রোমার মিসরকে সুসভ্য দেশ বানাতে হিজাব উচ্ছেদের পরামর্শ দেন। অথচ দেশে ফিরে এই কূটনীতিক মহিলাদের ভোটাধিকার ঠেকাতে মেন্স লিগ বা পুরুষদের দল নামে সংগঠন গড়ে তোলেন। মুসলিম দেশগুলোর নারী অধিকার নিয়ে হইচই করলেও মার্কিনিদের পিতৃভূমি ইংল্যান্ডে ১৯ শতক পর্যন্ত নারীরা পৈতৃক সম্পত্তির উত্তরাধিকার থেকে বঞ্চিত ছিল। নারী নির্যাতনকে পুরুষের অধিকার হিসেবে ভাবা হতো। ইউরোপে সে সময় নারী নির্যাতনের যেসব পদ্ধতি ছিল তাকে বর্বরতা বলে অভিহিত করলেও কম বলা হবে। আমরা প্রাচীন আরবের আইয়ামে জাহেলিয়া বা অন্ধকার যুগের কথা জানি। কিন্তু সেখানেও নারী নির্যাতনের এমন বীভৎস পদ্ধতি চালু ছিল না, যা ১৯ শতক পর্যন্ত ইউরোপে অনুসৃত হয়েছে। সেখানে অবিশ্বস্ত স্ত্রীর ওপর নির্যাতন চালানোর জন্য ব্যবহৃত হতো ব্রেস্ট কিপার নামের একটি লোহার নখওয়ালা হাত। যা দিয়ে নারীর স্তন ছিন্নবিচ্ছিন্ন করে জিঘাংসা পূরণ করা হতো। ইউরোপের ধর্মযাজকরা একসময় কোনো নারীকে সন্দেহ করলেই তাকে ডাইনি ঘোষণা করতেন। সন্দেহভাজন সে নারীকে আগুনে পুড়িয়ে হত্যা করা হতো।

মুসলিম দেশগুলোতে নারীর ক্ষমতায়ন নিয়ে পশ্চিমাদের উদ্বেগের শেষ নেই। আমেরিকান দূতরা এ বিষয়ে খোলাখুলিভাবেই উৎকণ্ঠা প্রকাশ করেন। কিন্তু সার্বিক বিচারে যুক্তরাষ্ট্র বা পশ্চিমা দেশগুলো কি এদিক থেকে খুব এগিয়ে? পরিসংখ্যান বলে তৃতীয় বিশ্বের কোনো কোনো দেশে নারীর ক্ষমতায়নে বিচ্ছিন্নভাবে হলেও যেসব নজির স্থাপিত হয়েছে, পশ্চিমা বিশ্বে তা সম্ভব হয়নি। যদি প্রশ্ন করা হয়, বিশ্বের প্রথম প্রধানমন্ত্রী কে? এ প্রশ্নের জবাবে নিশ্চিতভাবে উচ্চারিত হবে শ্রীলঙ্কার শ্রী মাভো বন্দরনায়েকের নাম। তাঁর কন্যা চন্দ্রিকা বন্দরনায়েকে কুমারাতুঙ্গা দেশটির প্রধানমন্ত্রী ও প্রেসিডেন্ট পদে নির্বাচিত হয়েছেন। প্রতিবেশী দেশ ভারতে শ্রীমতী ইন্দিরা গান্ধী দীর্ঘদিন যাবৎ প্রধানমন্ত্রী পদ অলংকৃত করেছেন। তাঁকে সর্বকালের সেরা মহিলা রাজনীতিক হিসেবেও অভিহিত করেছে পশ্চিমা গণমাধ্যম। পাকিস্তানকে রক্ষণশীল মুসলিম দেশ হিসেবে অভিহিত করা হলেও সে দেশেও বেনজীর ভুট্টো প্রধানমন্ত্রী পদ অলংকৃত করেছেন একাধিকবার। আর বাংলাদেশ তো এদিক থেকে অনন্য রেকর্ডের অধিকারী। দুই দশক ধরে আমাদের দেশে প্রধানমন্ত্রী ও বিরোধীদলীয় নেতার পদটি অলংকৃত করেছেন ঘুরেফিরে দুজন নারী নেত্রী। প্রায় সাড়ে তিন দশক ধরে আর কোনো দেশে প্রধানমন্ত্রী পদ নারীর দখলে থাকেনি। অথচ যুক্তরাষ্ট্রে এ পর্যন্ত কোনো নারী দেশের প্রেসিডেন্ট পদে অধিষ্ঠিত হবার সুযোগ পাননি।

বহির্বিশ্বে নারীর ক্ষমতায়নের সোল এজেন্ট বলে নিজেদের জাহির করলেও আমেরিকানরা স্বদেশে পুরোমাত্রায় পুরুষতান্ত্রিক। শিক্ষাদীক্ষায় মার্কিন নারীরা পিছিয়ে না থাকলেও পুরুষরা সে দেশের শীর্ষ পদগুলোতে কোনো রকম ছাড় দিতে নারাজ। অথচ যুক্তরাষ্ট্রের সাম্প্রতিক ইতিহাসে অন্তত দুজন প্রেসিডেন্টের নির্বাচনে জয়ের পেছনে তাঁদের স্ত্রীর ভাবমূর্তি গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা পালন করেছে। এঁদের একজন জন এফ কেনেডি। যাঁর স্ত্রী জ্যাকুলিনের ভাবমূর্তি ছিল যুক্তরাষ্ট্র জোড়া। বলা হয় কেনেডির জয়লাভের পেছনে জ্যাকুলিনের ভূমিকা ধন্বন্তরির ভূমিকা রেখেছে। সাবেক প্রেসিডেন্ট ক্লিনটনের ক্ষেত্রেও একই কথা প্রযোজ্য। কম গুরুত্বপূর্ণ একটি রাজ্যের গভর্নর ক্লিনটনকে যখন ডেমোক্র্যাটরা প্রেসিডেন্ট পদে মনোনয়ন দেয়, তখন তাঁর চেয়ে স্ত্রী হিলারি ক্লিনটন ছিলেন অনেক বেশি পরিচিত। ক্লিনটনের জয়লাভের পেছনে হিলারির পরিচিতি প্লাস পয়েন্ট হিসেবে কাজ করেছে। যুক্তরাষ্ট্রে নেতৃত্ব দেওয়ার মতো যোগ্য নারীর অভাব না থাকলেও পুরুষতান্ত্রিক মনোভাবের জন্যই হিলারি ও কমলা হ্যারিসের মতো নারীরা প্রেসিডেন্ট পদে মনোনয়ন  পেয়েও হেরেছেন দুর্ভাগ্যজনকভাবে।

আমাদের পশ্চিমা বন্ধুরা মুসলিম নারীদের অধিকার নিয়ে বেশ সোচ্চার। মায়ের চেয়ে মাসির দরদ বেশি হলে তার  পেছনে নাকি কিন্তু থাকে। ইসলাম ১৪০০ বছর আগে নারী অধিকার প্রতিষ্ঠায় যে উদ্যোগ নিয়েছে তা মাত্র ১০০ বছর আগেও পশ্চিমা সমাজে ছিল অকল্পনীয়। ইসলামের মহানবী হজরত মুহাম্মদ (সা.)-এর সহধর্মিণী হজরত আয়েশা (রা.) উটের পিঠে চড়ে যুদ্ধ পরিচালনা করে প্রমাণ করেছেন ইসলামে নারীরাও নেতৃত্ব দেওয়ার অধিকার রাখেন। ইসলামি আইনে পিতার সম্পত্তির ওপর কন্যাসন্তানদের অধিকার প্রথম থেকেই সুপ্রতিষ্ঠিত। নারীর প্রতি যৌন নির্যাতনের বিরুদ্ধে ইসলাম যতটা কঠোর তার নজির অন্য কোনো ধর্মে নেই। তবে বাস্তবায়নের ক্ষেত্রে যে সংকট রয়েছে, তা এক প্রতিষ্ঠিত সত্য।

পশ্চিমা সমাজ নারীর মর্যাদাকে কোন পর্যায়ে নিয়ে গেছে, তা আমেরিকার লাসভেগাস শহরের দিকে তাকালেই উপলব্ধি করা যায়। এ শহরটি কেবল প্রাপ্তবয়স্কদের জন্য সংরক্ষিত। লাসভেগাস পর্যটকদের আকর্ষণের কেন্দ্রবিন্দুতে পরিণত হয়েছে নগ্ন রমণী শিকার অভিযানের জন্য। যারা জীবনেও কোনো দিন বন্দুক হাতে পশুপাখি শিকার করে দেখেননি, তারাও অতি সহজে অংশ নিতে পারেন এই রমণী শিকারের খেলায়। এজন্য অবশ্য পকেটে থাকতে হবে হাজার হাজার ডলারের নোট। এয়ারগান দিয়ে বেলুন শুট করার মতোই যুক্তরাষ্ট্রের পুরুষরা রমণী শিকারের পদ্ধতি বের করেছে। এ মজার খেলায় শিকারি পুরুষের হাতে থাকে বন্দুক বা এয়ারগানের বদলে পেইন্ট গান। নগ্ন নারীদের গুপ্ত অঙ্গকে ধরা হয় টার্গেট আর সর্বোচ্চ পরিধি থাকে বুক পর্যন্ত, কাক্সিক্ষত জায়গায় ঘণ্টায় দুই কিলোমিটার বেগে পেইন্ট গান দিয়ে বল ছোড়া হয়। লম্পট পুরুষদের জন্য মজার এই খেলায় টার্গেট মতো বলের আঘাত করার জন্য দিতে হয় ২ হাজার ৫০০ ডলার। ব্যর্থ হলেও এ অর্থদণ্ড থেকে রেহাই নেই। শিকার রমণীরা পেইন্ট গান দিয়ে ছোড়া গুলি বা বলের আঘাতে কিছুটা ব্যথা পেলেও টাকার জন্য তা নীরবেই হজম করে। রমণী শিকারের এ খেলা নিয়ে সারা বিশ্বে ঝড় উঠেছে। সমালোচনার মুখে চ্যানেল-এইট ইতোপূর্বে এক ভাষ্যে মন্তব্য করেছে এই খেলা কয়েকজন রমণীকে অন্তত যৌন নির্যাতন থেকে বাঁচিয়ে দিয়েছে। এর বদৌলতে তারা বেশ কিছু ডলার আয়ের সুযোগ পাচ্ছে। নতুবা তাদের হয়তো দেহ বিক্রি করেই জীবিকা অর্জন করতে হতো।

-নারী অধিকার প্রতিষ্ঠার মার্কিন স্টাইল বটে।

লেখক : সিনিয়র সহকারী সম্পাদক, বাংলাদেশ প্রতিদিন

    ইমেইল :[email protected]

এই বিভাগের আরও খবর
সামাজিক ব্যবসা
সামাজিক ব্যবসা
রপ্তানি খাতে ধাক্কা
রপ্তানি খাতে ধাক্কা
ফিলিস্তিনের নাবলুস নগরী
ফিলিস্তিনের নাবলুস নগরী
জীবনজুড়ে রমজানের রেশ ধরে রাখুন
জীবনজুড়ে রমজানের রেশ ধরে রাখুন
ফুলচাষিদের স্বাস্থ্যঝুঁঁকি
ফুলচাষিদের স্বাস্থ্যঝুঁঁকি
রেমিট্যান্সে আশার আলো
রেমিট্যান্সে আশার আলো
ভোটের আলোচনা
ভোটের আলোচনা
বিমসটেক সম্মেলন
বিমসটেক সম্মেলন
ডিজিটাল সংস্কৃতি : ভার্চুয়াল উৎসব
ডিজিটাল সংস্কৃতি : ভার্চুয়াল উৎসব
শাওয়াল মাসের ছয় রোজার পুণ্য
শাওয়াল মাসের ছয় রোজার পুণ্য
ব্যাংককে বৈঠক, ঢাকা-দিল্লিতে গুঞ্জন
ব্যাংককে বৈঠক, ঢাকা-দিল্লিতে গুঞ্জন
এই সময়ের রাজনৈতিক চ্যালেঞ্জ
এই সময়ের রাজনৈতিক চ্যালেঞ্জ
সর্বশেষ খবর
মেঘনা-তিতাসে অষ্টমী গঙ্গাস্নানে উপচেপড়া ভিড়
মেঘনা-তিতাসে অষ্টমী গঙ্গাস্নানে উপচেপড়া ভিড়

১ মিনিট আগে | দেশগ্রাম

কসবায় যুবককে ডেকে নিয়ে হত্যার অভিযোগ
কসবায় যুবককে ডেকে নিয়ে হত্যার অভিযোগ

৭ মিনিট আগে | দেশগ্রাম

সিলেটে টাকা ধার না দেওয়ায় যুবক খুন
সিলেটে টাকা ধার না দেওয়ায় যুবক খুন

১২ মিনিট আগে | চায়ের দেশ

চট্টগ্রামে জেলেদের জালে মিলল বৃদ্ধার লাশ
চট্টগ্রামে জেলেদের জালে মিলল বৃদ্ধার লাশ

১৫ মিনিট আগে | চট্টগ্রাম প্রতিদিন

মুন্সিগঞ্জে ধলেশ্বরী নদীর তীরে অষ্টমী স্নান উৎসব পালিত
মুন্সিগঞ্জে ধলেশ্বরী নদীর তীরে অষ্টমী স্নান উৎসব পালিত

১৮ মিনিট আগে | দেশগ্রাম

ছাত্র আন্দোলনে হত্যা মামলায় শ্রমিক লীগ নেতা গ্রেফতার
ছাত্র আন্দোলনে হত্যা মামলায় শ্রমিক লীগ নেতা গ্রেফতার

২০ মিনিট আগে | নগর জীবন

লাশের গন্ধে ভারী মিয়ানমারের সাগাইংয়ের বাতাস
লাশের গন্ধে ভারী মিয়ানমারের সাগাইংয়ের বাতাস

২০ মিনিট আগে | পূর্ব-পশ্চিম

পাংকর আইল্যান্ড, যেখানে পাহাড় ও সমুদ্রের অসাধারণ মিতালি!
পাংকর আইল্যান্ড, যেখানে পাহাড় ও সমুদ্রের অসাধারণ মিতালি!

২৪ মিনিট আগে | পরবাস

এই মেয়েরাই সামনের দিনেও আমাদের পথ দেখাবে (ভিডিও)
এই মেয়েরাই সামনের দিনেও আমাদের পথ দেখাবে (ভিডিও)

২৬ মিনিট আগে | জাতীয়

চট্টগ্রামে বাসায় ঢুকে ডাকাতি, বাধা দেওয়ায় আহত ৮
চট্টগ্রামে বাসায় ঢুকে ডাকাতি, বাধা দেওয়ায় আহত ৮

৩০ মিনিট আগে | চট্টগ্রাম প্রতিদিন

ফিলিস্তিনি জনগণের প্রতি পাকিস্তান সেনা কমান্ডারদের অকুণ্ঠ সমর্থন
ফিলিস্তিনি জনগণের প্রতি পাকিস্তান সেনা কমান্ডারদের অকুণ্ঠ সমর্থন

৩৯ মিনিট আগে | পূর্ব-পশ্চিম

চট্টগ্রামে দেড় কোটি টাকা মূল্যের স্বর্ণসহ গ্রেফতার ৫
চট্টগ্রামে দেড় কোটি টাকা মূল্যের স্বর্ণসহ গ্রেফতার ৫

৪৪ মিনিট আগে | চট্টগ্রাম প্রতিদিন

জয়পুরহাটে নৈশপ্রহরীদের বেঁধে রেখে ৪ দোকানে ডাকাতি
জয়পুরহাটে নৈশপ্রহরীদের বেঁধে রেখে ৪ দোকানে ডাকাতি

৪৬ মিনিট আগে | দেশগ্রাম

থানা থেকে পালিয়েও শেষ রক্ষা হলো না তরুণের
থানা থেকে পালিয়েও শেষ রক্ষা হলো না তরুণের

৪৬ মিনিট আগে | চায়ের দেশ

রংপুরে মুগ্ধতা ছড়াচ্ছে বলিভিয়ার জাতীয় ফুল হেলিকোনিয়া
রংপুরে মুগ্ধতা ছড়াচ্ছে বলিভিয়ার জাতীয় ফুল হেলিকোনিয়া

৪৮ মিনিট আগে | প্রকৃতি ও পরিবেশ

চুলা জ্বালানো নিয়ে সতর্ক করল তিতাস গ্যাস
চুলা জ্বালানো নিয়ে সতর্ক করল তিতাস গ্যাস

৫৬ মিনিট আগে | নগর জীবন

পদ্মা নদীতে বেড়াতে গিয়ে স্বামী-স্ত্রীর মৃত্যু
পদ্মা নদীতে বেড়াতে গিয়ে স্বামী-স্ত্রীর মৃত্যু

১ ঘণ্টা আগে | দেশগ্রাম

কালশী ফ্লাইওভারে দুর্ঘটনায় নিহত দুই যুবকের পরিচয় মিলেছে
কালশী ফ্লাইওভারে দুর্ঘটনায় নিহত দুই যুবকের পরিচয় মিলেছে

১ ঘণ্টা আগে | নগর জীবন

অতিরিক্ত গরম ও হিটস্ট্রোক
অতিরিক্ত গরম ও হিটস্ট্রোক

১ ঘণ্টা আগে | হেলথ কর্নার

সাত দিনের মধ্যে যুক্তরাষ্ট্র ছাড়ার নির্দেশ, আতঙ্কে ইউক্রেনীয়রা
সাত দিনের মধ্যে যুক্তরাষ্ট্র ছাড়ার নির্দেশ, আতঙ্কে ইউক্রেনীয়রা

১ ঘণ্টা আগে | পূর্ব-পশ্চিম

বায়ার্নের সঙ্গে মুলারের ২৫ বছরের সম্পর্ক ভাঙছে
বায়ার্নের সঙ্গে মুলারের ২৫ বছরের সম্পর্ক ভাঙছে

১ ঘণ্টা আগে | মাঠে ময়দানে

বাংলাদেশকে বন্ধু রাষ্ট্র ভেবে ভারতকে সামনে এগোতে হবে : এ্যানি
বাংলাদেশকে বন্ধু রাষ্ট্র ভেবে ভারতকে সামনে এগোতে হবে : এ্যানি

১ ঘণ্টা আগে | দেশগ্রাম

সাতক্ষীরায় ছোট ভাইয়ের হাতে বড় ভাই খুন
সাতক্ষীরায় ছোট ভাইয়ের হাতে বড় ভাই খুন

১ ঘণ্টা আগে | দেশগ্রাম

গ্রাস ম্যাট রফতানি শুরু করল আরএফএল
গ্রাস ম্যাট রফতানি শুরু করল আরএফএল

১ ঘণ্টা আগে | কর্পোরেট কর্নার

শরীয়তপুরে দুই গ্রুপের সংঘর্ষে আহত ৪ জন ঢামেকে
শরীয়তপুরে দুই গ্রুপের সংঘর্ষে আহত ৪ জন ঢামেকে

১ ঘণ্টা আগে | নগর জীবন

আপনার প্রতি শেখ হাসিনার অসম্মানজনক আচরণ দেখেছি : ড. ইউনূসকে বলেন মোদি
আপনার প্রতি শেখ হাসিনার অসম্মানজনক আচরণ দেখেছি : ড. ইউনূসকে বলেন মোদি

১ ঘণ্টা আগে | জাতীয়

জনবহুল রাজধানী এখনো ফাঁকা, নেই চিরচেনা যানজট
জনবহুল রাজধানী এখনো ফাঁকা, নেই চিরচেনা যানজট

২ ঘণ্টা আগে | নগর জীবন

হাতে সব প্রমাণ আছে, আইনিভাবে মোকাবিলা করবো : পরীমণি
হাতে সব প্রমাণ আছে, আইনিভাবে মোকাবিলা করবো : পরীমণি

২ ঘণ্টা আগে | শোবিজ

ফরিদপুরে বিস্ফোরক মামলায় যুবলীগ নেতা গ্রেফতার
ফরিদপুরে বিস্ফোরক মামলায় যুবলীগ নেতা গ্রেফতার

২ ঘণ্টা আগে | দেশগ্রাম

খাদ্য নিরাপত্তা নি‌য়ে কো‌নো শঙ্কা নেই : খাদ্য উপদেষ্টা
খাদ্য নিরাপত্তা নি‌য়ে কো‌নো শঙ্কা নেই : খাদ্য উপদেষ্টা

২ ঘণ্টা আগে | জাতীয়

সর্বাধিক পঠিত
ঈদুল আজহার সম্ভাব্য তারিখ প্রকাশ
ঈদুল আজহার সম্ভাব্য তারিখ প্রকাশ

২১ ঘণ্টা আগে | পূর্ব-পশ্চিম

আত্মরক্ষার জন্য ইরানের সর্বোচ্চ প্রস্তুতি রয়েছে : সৌদি যুবরাজকে পেজেশকিয়ান
আত্মরক্ষার জন্য ইরানের সর্বোচ্চ প্রস্তুতি রয়েছে : সৌদি যুবরাজকে পেজেশকিয়ান

৭ ঘণ্টা আগে | পূর্ব-পশ্চিম

প্রথম দফায় ১ লাখ ৮০ হাজার রোহিঙ্গা নিতে রাজি মিয়ানমার
প্রথম দফায় ১ লাখ ৮০ হাজার রোহিঙ্গা নিতে রাজি মিয়ানমার

২৩ ঘণ্টা আগে | জাতীয়

পর্দায় নয়, এবার সত্যিই বিয়ে করলেন শামীম হাসান সরকার
পর্দায় নয়, এবার সত্যিই বিয়ে করলেন শামীম হাসান সরকার

২১ ঘণ্টা আগে | শোবিজ

ড. ইউনূস-মোদির ৪০ মিনিটের বৈঠক, আলাপ হলো কী নিয়ে
ড. ইউনূস-মোদির ৪০ মিনিটের বৈঠক, আলাপ হলো কী নিয়ে

২২ ঘণ্টা আগে | জাতীয়

ড. ইউনূস ও মোদির বৈঠক নিয়ে যা জানালেন ভারতের পররাষ্ট্র সচিব
ড. ইউনূস ও মোদির বৈঠক নিয়ে যা জানালেন ভারতের পররাষ্ট্র সচিব

২২ ঘণ্টা আগে | জাতীয়

যুক্তরাষ্ট্রের শুল্ক ইস্যুতে জরুরি সভা ডেকেছেন প্রধান উপদেষ্টা
যুক্তরাষ্ট্রের শুল্ক ইস্যুতে জরুরি সভা ডেকেছেন প্রধান উপদেষ্টা

৩ ঘণ্টা আগে | জাতীয়

আওয়ামী লীগের টাকার লোভে না পড়তে দলীয় নেতাদের হুঁশিয়ারি শামা ওবায়েদের
আওয়ামী লীগের টাকার লোভে না পড়তে দলীয় নেতাদের হুঁশিয়ারি শামা ওবায়েদের

১৫ ঘণ্টা আগে | রাজনীতি

আপনার প্রতি শেখ হাসিনার অসম্মানজনক আচরণ দেখেছি : ড. ইউনূসকে বলেন মোদি
আপনার প্রতি শেখ হাসিনার অসম্মানজনক আচরণ দেখেছি : ড. ইউনূসকে বলেন মোদি

২ ঘণ্টা আগে | জাতীয়

৫ মিলিয়ন ডলারের ‘গোল্ড কার্ড’ ভিসা উন্মোচন করলেন ট্রাম্প
৫ মিলিয়ন ডলারের ‘গোল্ড কার্ড’ ভিসা উন্মোচন করলেন ট্রাম্প

২০ ঘণ্টা আগে | পূর্ব-পশ্চিম

ঐশ্বরিয়া আমার মেয়ে নয়, কেবল ছেলের বউ : জয়া বচ্চন
ঐশ্বরিয়া আমার মেয়ে নয়, কেবল ছেলের বউ : জয়া বচ্চন

২০ ঘণ্টা আগে | শোবিজ

ইরানে হামলার হুমকি থেকে পিছু হটলেন ট্রাম্প, সরাসরি আলোচনার প্রস্তাব
ইরানে হামলার হুমকি থেকে পিছু হটলেন ট্রাম্প, সরাসরি আলোচনার প্রস্তাব

২ ঘণ্টা আগে | পূর্ব-পশ্চিম

শরীয়তপুরে দুই গ্রুপের সংঘর্ষ, শতাধিক হাতবোমা বিস্ফোরণ
শরীয়তপুরে দুই গ্রুপের সংঘর্ষ, শতাধিক হাতবোমা বিস্ফোরণ

৫ ঘণ্টা আগে | দেশগ্রাম

ড. ইউনূস-মোদি বৈঠক আশার আলো তৈরি করেছে: মির্জা ফখরুল
ড. ইউনূস-মোদি বৈঠক আশার আলো তৈরি করেছে: মির্জা ফখরুল

২১ ঘণ্টা আগে | রাজনীতি

হোয়াইট হাউস থেকে বরখাস্ত একাধিক শীর্ষ কর্মকর্তা, আলোচনায় লরা লুমার
হোয়াইট হাউস থেকে বরখাস্ত একাধিক শীর্ষ কর্মকর্তা, আলোচনায় লরা লুমার

৭ ঘণ্টা আগে | পূর্ব-পশ্চিম

বিশ্বের শক্তিশালী পাসপোর্টের তালিকায় এক ধাপ এগোল বাংলাদেশ
বিশ্বের শক্তিশালী পাসপোর্টের তালিকায় এক ধাপ এগোল বাংলাদেশ

৫ ঘণ্টা আগে | জাতীয়

কালশী ফ্লাইওভারে গাড়ির সঙ্গে মোটরসাইকেলের সংঘর্ষ, দুই যুবক নিহত
কালশী ফ্লাইওভারে গাড়ির সঙ্গে মোটরসাইকেলের সংঘর্ষ, দুই যুবক নিহত

১৬ ঘণ্টা আগে | নগর জীবন

হাসিনার এক মন্তব্যে সংকটে মাদারগঞ্জের সমবায় সমিতি
হাসিনার এক মন্তব্যে সংকটে মাদারগঞ্জের সমবায় সমিতি

১৮ ঘণ্টা আগে | দেশগ্রাম

পরকীয়া প্রেমে বাধা দেওয়ায় স্বামীর পুরুষাঙ্গ কাটলো স্ত্রী
পরকীয়া প্রেমে বাধা দেওয়ায় স্বামীর পুরুষাঙ্গ কাটলো স্ত্রী

৫ ঘণ্টা আগে | দেশগ্রাম

একনজরে আজকের বাংলাদেশ প্রতিদিন (৫ এপ্রিল)
একনজরে আজকের বাংলাদেশ প্রতিদিন (৫ এপ্রিল)

১০ ঘণ্টা আগে | জাতীয়

চালের দানার চেয়েও ছোট পেসমেকার তৈরি করলেন বিজ্ঞানীরা
চালের দানার চেয়েও ছোট পেসমেকার তৈরি করলেন বিজ্ঞানীরা

৮ ঘণ্টা আগে | বিজ্ঞান

‘আতঙ্কে তারা ভুল করেছে’: চীনের পাল্টা শুল্ক নিয়ে ট্রাম্প
‘আতঙ্কে তারা ভুল করেছে’: চীনের পাল্টা শুল্ক নিয়ে ট্রাম্প

৪ ঘণ্টা আগে | পূর্ব-পশ্চিম

৫.৬ মাত্রার ভূমিকম্পে আবার কেঁপে উঠলো মিয়ানমার
৫.৬ মাত্রার ভূমিকম্পে আবার কেঁপে উঠলো মিয়ানমার

৭ ঘণ্টা আগে | পূর্ব-পশ্চিম

ইউনূসের সঙ্গে মোদির বৈঠক প্রয়োজন ছিল: মির্জা আব্বাস
ইউনূসের সঙ্গে মোদির বৈঠক প্রয়োজন ছিল: মির্জা আব্বাস

২৩ ঘণ্টা আগে | রাজনীতি

মিয়ানমারে বাংলাদেশ সশস্ত্র বাহিনীর নেতৃত্বে উদ্ধার ও চিকিৎসা কার্যক্রম অব্যাহত
মিয়ানমারে বাংলাদেশ সশস্ত্র বাহিনীর নেতৃত্বে উদ্ধার ও চিকিৎসা কার্যক্রম অব্যাহত

১৭ ঘণ্টা আগে | জাতীয়

নির্বাচনের কথা বলে মুখে ফেনা তুলে ফেললেই গণতন্ত্র হয় না : নুসরাত তাবাসসুম
নির্বাচনের কথা বলে মুখে ফেনা তুলে ফেললেই গণতন্ত্র হয় না : নুসরাত তাবাসসুম

৩ ঘণ্টা আগে | রাজনীতি

‘প্রয়োজনে জোটগতভাবে নির্বাচন করবে এনসিপি’
‘প্রয়োজনে জোটগতভাবে নির্বাচন করবে এনসিপি’

২০ ঘণ্টা আগে | রাজনীতি

আইপিএলের প্রথমবার দেখা গেল এমন কিছু
আইপিএলের প্রথমবার দেখা গেল এমন কিছু

৯ ঘণ্টা আগে | মাঠে ময়দানে

কুমিল্লায় মসজিদ কমিটির সেক্রেটারিকে হত্যার ঘটনায় গ্রেফতার ২
কুমিল্লায় মসজিদ কমিটির সেক্রেটারিকে হত্যার ঘটনায় গ্রেফতার ২

১১ ঘণ্টা আগে | দেশগ্রাম

প্রতিকূল পরিবেশেও খেলাপি ঋণ কমেছে
প্রতিকূল পরিবেশেও খেলাপি ঋণ কমেছে

১৬ ঘণ্টা আগে | বাণিজ্য

প্রিন্ট সর্বাধিক
সুবিধাবাদী হাইব্রিডে অতিষ্ঠ বিএনপি
সুবিধাবাদী হাইব্রিডে অতিষ্ঠ বিএনপি

প্রথম পৃষ্ঠা

মুজিব ছিলেন বেপরোয়া
মুজিব ছিলেন বেপরোয়া

প্রথম পৃষ্ঠা

চলতি বছর টাইগারদের ৬ টেস্ট
চলতি বছর টাইগারদের ৬ টেস্ট

মাঠে ময়দানে

হাসিনাকে চাইল বাংলাদেশ
হাসিনাকে চাইল বাংলাদেশ

প্রথম পৃষ্ঠা

দেশের প্রযুক্তি খাতে বিপ্লব ঘটাবে স্টারলিংক
দেশের প্রযুক্তি খাতে বিপ্লব ঘটাবে স্টারলিংক

প্রথম পৃষ্ঠা

ধুঁকছেন পেট্রাপোলের ব্যবসায়ীরাও
ধুঁকছেন পেট্রাপোলের ব্যবসায়ীরাও

পেছনের পৃষ্ঠা

ইলিশের দামে আগুন
ইলিশের দামে আগুন

পেছনের পৃষ্ঠা

আজকের ভাগ্যচক্র
আজকের ভাগ্যচক্র

আজকের রাশি

মুখোমুখি সরকার-আইএমএফ
মুখোমুখি সরকার-আইএমএফ

প্রথম পৃষ্ঠা

দীর্ঘদিন ক্ষমতা আঁকড়ে রাখার চিন্তা করলে জনগণ মেনে নেবে না
দীর্ঘদিন ক্ষমতা আঁকড়ে রাখার চিন্তা করলে জনগণ মেনে নেবে না

নগর জীবন

‘মিনি জাফলংয়ে’ স্বাস্থ্যঝুঁকি
‘মিনি জাফলংয়ে’ স্বাস্থ্যঝুঁকি

নগর জীবন

দক্ষিণ এশিয়ার ইসরায়েল ভারত
দক্ষিণ এশিয়ার ইসরায়েল ভারত

পেছনের পৃষ্ঠা

রাজশাহী বিএনপিতে ত্রিধারা
রাজশাহী বিএনপিতে ত্রিধারা

নগর জীবন

চট্টগ্রাম-কক্সবাজার সড়কে শঙ্কা
চট্টগ্রাম-কক্সবাজার সড়কে শঙ্কা

পেছনের পৃষ্ঠা

হচ্ছে বাম দলের বৃহত্তর জোট!
হচ্ছে বাম দলের বৃহত্তর জোট!

প্রথম পৃষ্ঠা

আত্রাই নদীর চরে কুমড়াবাড়ি!
আত্রাই নদীর চরে কুমড়াবাড়ি!

পেছনের পৃষ্ঠা

কবির-মুসার বিরুদ্ধে এবার জালিয়াতির অভিযোগ
কবির-মুসার বিরুদ্ধে এবার জালিয়াতির অভিযোগ

নগর জীবন

নতুন জীবনের খোঁজে মাহি
নতুন জীবনের খোঁজে মাহি

শোবিজ

এবার জনগণ ভোটাধিকার ফিরে পাবে
এবার জনগণ ভোটাধিকার ফিরে পাবে

প্রথম পৃষ্ঠা

যৌথ পরিবারের গল্প
যৌথ পরিবারের গল্প

শনিবারের সকাল

আমাদের সম্পর্কটা বড় ভাই-ছোট ভাইয়ের মতো
আমাদের সম্পর্কটা বড় ভাই-ছোট ভাইয়ের মতো

শোবিজ

জমজমাট বিনোদন কেন্দ্রগুলো
জমজমাট বিনোদন কেন্দ্রগুলো

পেছনের পৃষ্ঠা

১ লাখ ৮০ হাজার রোহিঙ্গা ফেরত নেবে মিয়ানমার
১ লাখ ৮০ হাজার রোহিঙ্গা ফেরত নেবে মিয়ানমার

প্রথম পৃষ্ঠা

অভিযোগে মোশাররফ করিমের জবাব
অভিযোগে মোশাররফ করিমের জবাব

শোবিজ

বাছাইপর্ব টপকাতে প্রস্তুত নিগাররা
বাছাইপর্ব টপকাতে প্রস্তুত নিগাররা

মাঠে ময়দানে

নিশোর মুখে শাকিববন্দনা
নিশোর মুখে শাকিববন্দনা

শোবিজ

প্রয়োজনীয় সংস্কার শেষে দ্রুত নির্বাচন
প্রয়োজনীয় সংস্কার শেষে দ্রুত নির্বাচন

প্রথম পৃষ্ঠা

প্রয়োজনীয় সংস্কার করে দ্রুত নির্বাচন দিতে হবে
প্রয়োজনীয় সংস্কার করে দ্রুত নির্বাচন দিতে হবে

প্রথম পৃষ্ঠা

কলকাতার জার্সিতে ২০০ উইকেট
কলকাতার জার্সিতে ২০০ উইকেট

মাঠে ময়দানে

চলে যাচ্ছেন ম্যানসিটির ডি ব্রুইন
চলে যাচ্ছেন ম্যানসিটির ডি ব্রুইন

মাঠে ময়দানে