শিরোনাম
প্রকাশ: ০০:০০, শুক্রবার, ২৮ ফেব্রুয়ারি, ২০২৫

আইনশৃঙ্খলার অবনতি : উদ্বিগ্ন জনগণ

আফরোজা পারভীন
প্রিন্ট ভার্সন
আইনশৃঙ্খলার অবনতি : উদ্বিগ্ন জনগণ

খুবই বেদনা-ভারাক্রান্ত মনে আজকের এই লেখা শুরু করছি। এটা আমাদের ভাষার মাস, মহান শহীদ দিবসের মাস। কিন্তু এই বিশেষ দিনটিকে ঘিরে অনেক দুঃখজনক ঘটনা ঘটেছে দেশজুড়ে। শহীদ মিনার সবার ভালোবাসার, শ্রদ্ধার জায়গা। দল-মত-ধর্ম-বর্ণ-নির্র্বিশেষে সবাই সেখানে শ্রদ্ধা জানাতে পারে, শ্রদ্ধা জানায়। কিন্তু শুনলাম, এবার কোনো কোনো ব্যক্তিকে শহীদ মিনারে শ্রদ্ধা জানাতে দেওয়া হয়নি। কেন, তা জানি না। ঘটনাটা সত্য হলে কেন এমনটা হলো তার কোনো ব্যাখ্যাও এখনো পাওয়া যায়নি।

এর মধ্যে সোশ্যাল মিডিয়াজুড়ে ঘুরছে শহীদ মিনার ভাঙার ভিডিও। কতগুলো ছোট ছোট ছেলে জওয়ানি জোশ নিয়ে ভাঙছে স্মৃতির এই মিনার। ফেসবুকে একজন লিখেছেন, ‘এই ভিডিওটা নাকি বানানো।’ তবে তিনি এটাও লিখেছেন, ‘এটা বানানো হলেও অনেকগুলো শহীদ মিনার ভাঙা হয়েছে দেশব্যাপী।’ এরপর আমার আর বলার কিছু থাকে না। আমি একজন ভাষাসৈনিকের কন্যা। ভাষার জন্য বায়ান্নর যে আত্মবলিদান সারা বিশ্বে যা স্বর্ণাক্ষরে লেখা, যা আমাদের ইতিহাসের উজ্জ্বলতম অংশ; কেন সেই বায়ান্নর প্রতীক শহীদ মিনার ভাঙা হচ্ছে, কারা ভাঙছে, কী প্রতিকার হচ্ছে, জানি না। দেশের আইনশৃঙ্খলা পরিস্থিতির চরম অবনতি ঘটেছে। যার যা ইচ্ছা সে তাই করছে। যেন বাধা দেওয়ার কেউ নেই। সবাই স্বাধীন। রাস্তায় চলতে ভয় করে। সেদিন আমার গাড়িতে একটা অটোরিকশা লাগিয়ে দিল। ড্রাইভার বেচারা শুধু পেছন ফিরে তাকিয়েছে, গাড়ি থেকে নামেওনি। অটোয় বসা দুজন হাত তুলে তাকে চড় মারার ভঙ্গিতে অশ্রাব্য গালিগালাজ করতে লাগল। যুবক ড্রাইভার উত্তেজিত হয়ে উঠল। ড্রাইভারকে বললাম, ‘নেম না বাবা। চুপ থাক।’ ওরা কিছুক্ষণ চেঁচিয়ে থেমে যাবে।

ছিনতাই, রাহাজানি, খুন-জখম, ধর্ষণের অভয়ারণ্য যেন দেশ। গত সরকারের আমলেই আইনশৃঙ্খলা পরিস্থিতির মারাত্মক অবনতি হয়েছিল। এখন সেটা চরমে পৌঁছেছে। সরকার পতনের আগে সিরাজগঞ্জের একটা থানায় ১৩ জন পুলিশকে আগুন দিয়ে পুড়িয়ে মারা হয়েছে, ১৩টি থানা পুড়িয়ে দেওয়া হয়েছে, ভাঙচুর করা হয়েছে অনেক থানায়। এ সময় পুড়ে গেছে শত শত মামলার নথি। গত সরকারের বিদায়ের পর গণহারে থানা আক্রমণ হয়েছে। বাংলাদেশ পুলিশ অ্যাসোসিয়েশনের পক্ষ থেকে ৪৫০টি থানা আক্রান্ত হওয়ার তথ্য দেওয়া হয়েছিল।

আমার এক পরিচিতের বাসায় একজন বুয়া কাজ করেন। চেহারা দেখলেই বোঝা যায়, তিনি কোনো ভালো পরিবার থেকে এসেছেন। চালচলন আদবকায়দা ভালো। এখানে একটা কথা বলা দরকার, উন্নয়নের বাণী আমরা যতই শোনাই না কেন, দেশের মধ্যবিত্ত-নিম্নমধ্যবিত্তরা আছে বড় বিপাকে। তারা নিঃস্ব হয়ে গেছে। অনেকে তাই এখন অটো চালায়। অনেকে মুখ ঢেকে ন্যায্যমূল্যের ট্রাকের পেছনে দাঁড়ায়, অনেকে বাসাবাড়িতে কাজ করে। তা সেই বুয়ার ছেলে একটা অটোরিকশা চালায়। রিকশাটা অন্যের। দিন কয়েক আগে রিকশায় দুজন প্যাসেঞ্জার নিয়ে সে যাচ্ছিল। প্যাসেঞ্জারদের একজন একসময় বলল, ‘ভাই আমার ব্যালান্স শেষ হয়ে গেছে। তোমার ফোনটা একটু দেবে। একটা কল করব। আমি তোমাকে টাকাটা দিয়ে দেব।’ এমন তো আমরা কত করি। নিজেরাও দিই, অন্যের কাছ থেকেও নিই। ছেলেটা দিল। লোকটা একটা কল করল। তারপর মোবাইল ফোনটা ওর হাতে ফেরত দিল। মোবাইল ফোন হাতে নেওয়ামাত্র অজ্ঞান হয়ে গেল ছেলেটা। এরপর সে নিজেকে আবিষ্কার করল সায়েদাবাদের কোনো এক নির্জন এলাকায়। তার অটোও নেই, মোবাইল ফোনও নেই। এখন অটোর এক লাখ টাকা ওই ছেলেটাকে দিতে হবে। সে কোথা থেকে দেবে! একটা নয়, এমন অনেক ঘটনা ঘটেছে। দেশজুড়ে অনেক ইজিবাইক, অটোরিকশা চুরির ঘটনা ঘটেছে। সব কটাই হয়েছে কোনো না কোনো পন্থায় অজ্ঞান করে।

প্রতারণার অজস্র ফাঁদ পাতা হচ্ছে নিত্যনতুন কৌশলে। প্রতিদিনই চেনাজানা কারও না কারও ফেসবুক হ্যাক হচ্ছে। টাকা চাচ্ছে। বিষয়টা এখন অনেকটাই কমন হয়ে গেছে বলে সবাই সতর্ক। কিন্তু একসময় আমি নিজেও হ্যাকারের দেওয়া বিকাশে বন্ধুর জন্য টাকা পাঠিয়েছি। একজন মানুষ কতক্ষণ সতর্ক থাকতে পারে! একটু অসতর্ক হলেই বিপদ। মাত্র কিছুদিন আগে আমি নিজেই মহাবিপদে পড়তে যাচ্ছিলাম। আমি ছিলাম ছোট বোনের বাসায়। সেখানে একটা ফোন এলো। জানতে চাইল, আমি কভিডের শেষ টিকাটা দিয়েছি কি না। বললাম, ‘দিইনি। বুস্টার ডোজটা আমেরিকায় দিয়েছিলাম। তারপর থেকে আর কোনো মেসেজ আসেনি বলে দেওয়া হয়নি।’ ওপাশ থেকে বলল, ‘কাল ঢাকা মেডিকেল কলেজে আপনার ডোজ দেওয়া হবে। এখন আপনার ফোনে একটা নম্বর যাবে। ওই নম্বরটা আমাকে বলবেন।’ আমি খানিকটা দ্বিধান্বিত কণ্ঠে বললাম, ‘কিন্তু আমি তো দিয়েছি পিজিতে।’ ‘ওখানেও দিতে পারবেন। তবে ওই নম্বরটা লাগবে।’ বলতে বলতেই আমার ফোনে একটা নম্বর এলো। আমি ভালো করে দেখার আগেই ওপাশ থেকে ফোন করে বলল, ‘নম্বরটা বলেন’। বললাম, ‘আপনি তো সঙ্গে সঙ্গেই ফোন করলেন। নম্বরটা তো দেখতেই পাইনি।’ ‘আপনি দেখেন। আমি আবার ফোন করছি।’ এ সময় দেখি ভগ্নিপতি হাত নেড়ে আমাকে নিষেধ করছে। আমি থমকে গেলাম। এর মধ্যে ফোন এসে গেল। ভগ্নিপতি বলল, ‘তোমার চেনা?’ না বলাতে বলল, ‘কিছু দেবার দরকার নেই। ফোন ছেড়ে দাও।’ আমি লোকটাকে বললাম, ‘দেখেন টিকা আমার। নম্বর যদি লাগে আমার লাগবে। তা ছাড়া আমার আগের ডকুমেন্টস আছে। আপনাকে দেব কেন?’ সঙ্গে সঙ্গে সে ফোন ছেড়ে দিল। পরে শুনলাম ওই নম্বরটা দিলে ওরা আমার ব্যাংকের সব টাকা তুলে নিতে পারত। চিন্তা করুন। কী মহাবিপদ! আর ওরা নাকি বেছে বেছে বয়স্ক লোকদেরই টার্গেট করে, যাঁরা প্রযুক্তি ভালো বোঝে না, যাঁদের শরীর খারাপ। ভালো করে চিন্তাভাবনা করতে পারেন না।

প্রত্যক্ষ-অপ্রত্যক্ষ কতভাবে যে আমরা ক্ষতিগ্রস্ত হচ্ছি। ঢাকার মোহাম্মদপুর এখন সন্ত্রাসী এলাকা হিসেবে বহুল আলোচিত। দিন কয়েক আগে সন্ত্রাসীরা একটা দোকানে ঢুকে অস্ত্রের মুখে ডাকাতি করে। অস্ত্রধারীদের প্রকাশ্যে রামদা ও চাপাতি হাতে দৌড়াদৌড়ির ভিডিও সামাজিক মাধ্যমে দেখে লোকজন রীতিমতো ভয়ার্ত। অস্ত্র হাতে একদল তরুণ এক তরুণীকে টানাহেঁচড়া করছে, তাঁর ওড়না টেনে ফেলছে, তরুণী দৌড়ে বাঁচার চেষ্টা করছেন, এ দৃশ্যও আমাদের দেখতে হচ্ছে।

এ দুুটি ঘটনা ঘটেছে মোহাম্মদপুরে। এরপর এলাকাবাসী বিক্ষোভ করলে যৌথ বাহিনীর অভিযানে ৪৫ জন আটক হয়েছে। কিন্তু এখনো জনমনে স্বস্তি ফেরেনি।

৫ আগস্ট এবং তার পূর্ববর্তী-পরবর্তী কয়েক দিন ওই এলাকায় ছিল ডাকাতির প্রচ- ভয়। নৌকায় করে বেড়িবাঁধে এসে নামত ডাকাতরা। তারপর পুরো এলাকায় ডাকাতি করত। কত দিন মধ্যরাতে মাইকিং হয়েছে মসজিদ থেকে। এলাকার ছেলেরা লাঠি হাতে নেমে গেছে ডাকাত তাড়াতে। এখন ডাকাত নয়, তরুণ কিশোর গ্যাংয়ের ভয়ে সবাই তটস্থ। এমনকি যৌথ বাহিনীর পরিচয় দিয়ে ঢুকে ব্যবসায়ীর বাসায় ডাকাতিও হয়েছে মোহাম্মদপুরে। ডাকাতরা নাকি সেনাবাহিনী ও র‌্যাবের পোশাক পরে গিয়েছিল। লুটে নিয়েছে ৭৫ লাখ টাকা ও ৭০ ভরি সোনা। এ ঘটনায় আটজন আটক হয়েছে। তবে এটাও প্রশ্ন, এ জমানায় ৭৫ লাখ টাকা আর ৭০ ভরি সোনা ঘরে রাখার দুঃসাহস উনি কেন দেখালেন!

শুধু ঢাকা নয়, দেশজুড়ে চলছে হামলা লুটপাট ডাকাতি ধর্ষণ। নোয়াখালীর কোম্পানীগঞ্জ উপজেলার চর এলাকায় ঘটেছে মর্মন্তুদ ঘটনা। ঘর থেকে মা-মেয়েকে একসঙ্গে তুলে নিয়ে দলবদ্ধভাবে ধর্ষণ করেছে দুর্বৃত্তরা।

নীলফামারীর সৈয়দপুরে ব্যাংক থেকে ২৫ হাজার টাকা ঋণ নিয়ে বের হচ্ছিলেন এক ব্যক্তি। ছিনতাইয়ের শিকার হন তিনি। ঘটনার আকস্মিকতা ও আঘাতে মারা যান ভদ্র্রলোক।

কনস্টেবলসহ দুজনকে ছিনতাইয়ের অভিযোগে গণপিটুনি দিয়েছে ফরিদপুরের ব্রাহ্মণকান্দার লোকজন। এদিকে ব্রাহ্মণবাড়িয়ার কসবায় সিএনজিচালিত একটি অটোরিকশা ছিনতাই করতে গিয়ে এর চালককে খুন করেছে সন্ত্রাসীরা।

ঢাকা থেকে রাজশাহীগামী চলন্ত বাসে ডাকাতি হয়েছে, হয়েছে ধর্ষণ। দুর্ভাগ্যের বিষয়, ভিকটিম তিন দিনের মধ্যে মামলা করতে পারেননি। অবশেষে দেশব্যাপী ব্যাপক আলোচনার পর মামলা নিয়েছে থানা।

সব মিলিয়ে দেশের আইনশৃঙ্খলা পরিস্থিতি এখন একেবারেই নাজুক। পুলিশ দীর্ঘদিন কাজ করেনি। এখন তারা কাজ করছে বটে, কিন্তু অনেকটাই গা বাঁচিয়ে। কোনো হাঙ্গামায় তারা যেতে চায় না। তাদের মধ্যে সব সময় একটা আতঙ্ক কাজ করে বলে মনে হয়। পুলিশ যদি আতঙ্কে থাকে আইনশৃঙ্খলা পরিস্থিতির উন্নতি হবে কী করে!

দেশের পুলিশ আগের মতো পূর্ণোদ্যমে কাজ করতে না পারায় অপরাধীরা মাথা চাড়া দিয়ে উঠেছে। তা ছাড়া জেল থেকে অনেক অপরাধী বেরিয়েও গেছে। তারা তাদের নেটওয়ার্ক সুসংগঠিত করে জোরেশোরে মাঠে নেমেছে। অন্যদিকে দেশের এ অরাজক পরিস্থিতির সুযোগ নিয়ে ব্যক্তিগত প্রতিহিংসা চরিতার্থ করার সুযোগ নিচ্ছে একদল মানুষ। যার ওপর যার রাগ আছে এখনই সেটা মেটাবার মোক্ষম সুযোগ। সেটাই তারা মেটাচ্ছে। এর সঙ্গে যুক্ত হয়েছে ক্রমবর্ধমান দারিদ্র্য। দ্রব্যমূল্য এতটাই বেড়েছে, অনেকেই সংসার চালাতে পারছেন না। বাধ্য হয়ে তারা অপরাধের পথ, প্রতারণার পথ বেছে নিচ্ছেন।

এ অবস্থা থেকে উত্তরণের জন্য সবার আগে পুলিশকে গতিশীল করতে হবে। মানুষ আগে যেমন পুলিশ শুনলেই ভয় পেত, গুটিয়ে যেত সেই অবস্থা ফিরিয়ে আনতে হবে। পাড়া-মহল্লায় স্বেচ্ছাসেবী বাহিনী গঠন করা দরকার। তারা কোনো অন্যায় হতে দেখলেই প্রতিকার করবে সংঘবদ্ধভাবে। অভিভাবকদের উচিত তাদের তরুণ-কিশোর সন্তানদের প্রতি খেয়াল রাখা। তারা কোনো খারাপ সঙ্গে মিশছে কি না, সেটা দেখা। আমাদের নিজেদেরও কাজকর্ম চলাফেরায় সাবধান, সচেতন থাকতে হবে যেন কোনো বিপদে না পড়ি, কোনো ফাঁদে পা না দিই। শুরু করেছিলাম শহীদ মিনার ভাঙা দিয়ে। সেটা দিয়েই শেষ করি। যা কিছু আমাদের ঐতিহ্য, আমাদের উত্তরাধিকার, আমাদের পরম্পরা, সেসব আমাদের সম্পদ। সেগুলো নষ্ট করা মানে নিজেদের ক্ষতিগ্রস্ত করা। সরকারের প্রতি এদিকে দৃষ্টি দেওয়ার অনুরোধ রইল।

♦ লেখক : কথাসাহিত্যিক, গবেষক

এই বিভাগের আরও খবর
সামাজিক ব্যবসা
সামাজিক ব্যবসা
রপ্তানি খাতে ধাক্কা
রপ্তানি খাতে ধাক্কা
ফিলিস্তিনের নাবলুস নগরী
ফিলিস্তিনের নাবলুস নগরী
জীবনজুড়ে রমজানের রেশ ধরে রাখুন
জীবনজুড়ে রমজানের রেশ ধরে রাখুন
ফুলচাষিদের স্বাস্থ্যঝুঁঁকি
ফুলচাষিদের স্বাস্থ্যঝুঁঁকি
রেমিট্যান্সে আশার আলো
রেমিট্যান্সে আশার আলো
ভোটের আলোচনা
ভোটের আলোচনা
বিমসটেক সম্মেলন
বিমসটেক সম্মেলন
ডিজিটাল সংস্কৃতি : ভার্চুয়াল উৎসব
ডিজিটাল সংস্কৃতি : ভার্চুয়াল উৎসব
শাওয়াল মাসের ছয় রোজার পুণ্য
শাওয়াল মাসের ছয় রোজার পুণ্য
ব্যাংককে বৈঠক, ঢাকা-দিল্লিতে গুঞ্জন
ব্যাংককে বৈঠক, ঢাকা-দিল্লিতে গুঞ্জন
এই সময়ের রাজনৈতিক চ্যালেঞ্জ
এই সময়ের রাজনৈতিক চ্যালেঞ্জ
সর্বশেষ খবর
হাঁটুর চোটে ১৪ সপ্তাহ মাঠের বাইরে স্টোন
হাঁটুর চোটে ১৪ সপ্তাহ মাঠের বাইরে স্টোন

১ সেকেন্ড আগে | মাঠে ময়দানে

চালের দানার চেয়েও ছোট পেসমেকার তৈরি করলেন বিজ্ঞানীরা
চালের দানার চেয়েও ছোট পেসমেকার তৈরি করলেন বিজ্ঞানীরা

১০ মিনিট আগে | বিজ্ঞান

পাপুয়া নিউ গিনিতে শক্তিশালী ভূমিকম্প, সুনামি সতর্কতা
পাপুয়া নিউ গিনিতে শক্তিশালী ভূমিকম্প, সুনামি সতর্কতা

১৫ মিনিট আগে | পূর্ব-পশ্চিম

২২ বছর পর বাংলা সিনেমায় ফিরছেন রাখী
২২ বছর পর বাংলা সিনেমায় ফিরছেন রাখী

২৫ মিনিট আগে | শোবিজ

ঢাকার বাতাস আজ ‘অস্বাস্থ্যকর’
ঢাকার বাতাস আজ ‘অস্বাস্থ্যকর’

২৯ মিনিট আগে | নগর জীবন

চাঁদপুরে অটোরিকশা-মোটরসাইকেল সংঘর্ষে নিহত ১
চাঁদপুরে অটোরিকশা-মোটরসাইকেল সংঘর্ষে নিহত ১

৪০ মিনিট আগে | দেশগ্রাম

জরিমানায় খেলার অনুমতি মিলল এমবাপে-রুডিগারদের, রিয়ালের স্বস্তি
জরিমানায় খেলার অনুমতি মিলল এমবাপে-রুডিগারদের, রিয়ালের স্বস্তি

৫২ মিনিট আগে | মাঠে ময়দানে

ছুরিকাঘাতে ব্যবসায়ী নিহত, অভিযুক্তকে পিটিয়ে হত্যা
ছুরিকাঘাতে ব্যবসায়ী নিহত, অভিযুক্তকে পিটিয়ে হত্যা

৫৫ মিনিট আগে | দেশগ্রাম

নেপালে ৫.২ মাত্রার ভূমিকম্প
নেপালে ৫.২ মাত্রার ভূমিকম্প

৫৯ মিনিট আগে | পূর্ব-পশ্চিম

ফতোয়া প্রদানে সতর্কতা ও আবশ্যিক শর্ত
ফতোয়া প্রদানে সতর্কতা ও আবশ্যিক শর্ত

১ ঘণ্টা আগে | ইসলামী জীবন

আইপিএলের প্রথমবার দেখা গেল এমন কিছু
আইপিএলের প্রথমবার দেখা গেল এমন কিছু

১ ঘণ্টা আগে | মাঠে ময়দানে

ট্রাম্পের শুল্ক একটি ‘জাতীয় সংকট’ : জাপানি প্রধানমন্ত্রী
ট্রাম্পের শুল্ক একটি ‘জাতীয় সংকট’ : জাপানি প্রধানমন্ত্রী

১ ঘণ্টা আগে | পূর্ব-পশ্চিম

সন্তানের দ্বিনি শিক্ষা নিশ্চিত করা আবশ্যক
সন্তানের দ্বিনি শিক্ষা নিশ্চিত করা আবশ্যক

১ ঘণ্টা আগে | ইসলামী জীবন

বলিভিয়ায় স্বর্ণ খনিতে ভয়াবহ বিস্ফোরণ, শিশুসহ নিহত ৫
বলিভিয়ায় স্বর্ণ খনিতে ভয়াবহ বিস্ফোরণ, শিশুসহ নিহত ৫

১ ঘণ্টা আগে | পূর্ব-পশ্চিম

যেসব আচরণ শিখিয়ে গেল মাহে রমজান
যেসব আচরণ শিখিয়ে গেল মাহে রমজান

১ ঘণ্টা আগে | ইসলামী জীবন

গাজায় অ্যাম্বুলেন্সে অগ্নিকাণ্ড ইসরায়েলি ‘যুদ্ধাপরাধ’ হতে পারে : জাতিসংঘ কর্মকর্তা
গাজায় অ্যাম্বুলেন্সে অগ্নিকাণ্ড ইসরায়েলি ‘যুদ্ধাপরাধ’ হতে পারে : জাতিসংঘ কর্মকর্তা

২ ঘণ্টা আগে | পূর্ব-পশ্চিম

একনজরে আজকের বাংলাদেশ প্রতিদিন (৫ এপ্রিল)
একনজরে আজকের বাংলাদেশ প্রতিদিন (৫ এপ্রিল)

২ ঘণ্টা আগে | জাতীয়

কুমিল্লায় মসজিদ কমিটির সেক্রেটারিকে হত্যার ঘটনায় গ্রেফতার ২
কুমিল্লায় মসজিদ কমিটির সেক্রেটারিকে হত্যার ঘটনায় গ্রেফতার ২

৩ ঘণ্টা আগে | দেশগ্রাম

বরগুনা সদর উপজেলা পরিষদের সাবেক চেয়ারম্যান মনির গ্রেফতার
বরগুনা সদর উপজেলা পরিষদের সাবেক চেয়ারম্যান মনির গ্রেফতার

৩ ঘণ্টা আগে | দেশগ্রাম

সেচ পাম্পে গোসল করতে যাওয়ায় কিশোরকে পিটিয়ে হত্যা
সেচ পাম্পে গোসল করতে যাওয়ায় কিশোরকে পিটিয়ে হত্যা

৪ ঘণ্টা আগে | দেশগ্রাম

আওয়ামী লীগের টাকার লোভে না পড়তে দলীয় নেতাদের হুঁশিয়ারি শামা ওবায়েদের
আওয়ামী লীগের টাকার লোভে না পড়তে দলীয় নেতাদের হুঁশিয়ারি শামা ওবায়েদের

৭ ঘণ্টা আগে | রাজনীতি

প্রতিকূল পরিবেশেও খেলাপি ঋণ কমেছে
প্রতিকূল পরিবেশেও খেলাপি ঋণ কমেছে

৭ ঘণ্টা আগে | বাণিজ্য

ফ্যাসিবাদ পুনর্বাসনের প্রচেষ্টা কোনোভাবেই মেনে নেওয়া হবে না : গোলাম পরওয়ার
ফ্যাসিবাদ পুনর্বাসনের প্রচেষ্টা কোনোভাবেই মেনে নেওয়া হবে না : গোলাম পরওয়ার

৮ ঘণ্টা আগে | রাজনীতি

কালশী ফ্লাইওভারে গাড়ির সঙ্গে মোটরসাইকেলের সংঘর্ষ, দুই যুবক নিহত
কালশী ফ্লাইওভারে গাড়ির সঙ্গে মোটরসাইকেলের সংঘর্ষ, দুই যুবক নিহত

৮ ঘণ্টা আগে | নগর জীবন

মিয়ানমারে বাংলাদেশ সশস্ত্র বাহিনীর নেতৃত্বে উদ্ধার ও চিকিৎসা কার্যক্রম অব্যাহত
মিয়ানমারে বাংলাদেশ সশস্ত্র বাহিনীর নেতৃত্বে উদ্ধার ও চিকিৎসা কার্যক্রম অব্যাহত

৯ ঘণ্টা আগে | জাতীয়

মাদক নিয়ে দ্বন্দ্বে যুবককে কুড়াল দিয়ে কুপিয়ে হত্যা
মাদক নিয়ে দ্বন্দ্বে যুবককে কুড়াল দিয়ে কুপিয়ে হত্যা

৯ ঘণ্টা আগে | দেশগ্রাম

দেশে ফিরেছেন প্রধান উপদেষ্টা
দেশে ফিরেছেন প্রধান উপদেষ্টা

৯ ঘণ্টা আগে | জাতীয়

ভালুকায় মোটরসাইকেলের ধাক্কায় বৃদ্ধ নিহত
ভালুকায় মোটরসাইকেলের ধাক্কায় বৃদ্ধ নিহত

১০ ঘণ্টা আগে | দেশগ্রাম

হাসিনার এক মন্তব্যে সংকটে মাদারগঞ্জের সমবায় সমিতি
হাসিনার এক মন্তব্যে সংকটে মাদারগঞ্জের সমবায় সমিতি

১০ ঘণ্টা আগে | দেশগ্রাম

এখনো ফাঁকা বন্দরনগরী
এখনো ফাঁকা বন্দরনগরী

১২ ঘণ্টা আগে | চট্টগ্রাম প্রতিদিন

সর্বাধিক পঠিত
ঈদুল আজহার সম্ভাব্য তারিখ প্রকাশ
ঈদুল আজহার সম্ভাব্য তারিখ প্রকাশ

১৩ ঘণ্টা আগে | পূর্ব-পশ্চিম

নরেন্দ্র মোদিকে যে উপহার দিলেন প্রধান উপদেষ্টা
নরেন্দ্র মোদিকে যে উপহার দিলেন প্রধান উপদেষ্টা

১৯ ঘণ্টা আগে | জাতীয়

শেখ হাসিনার প্রত্যর্পণ চাইলো বাংলাদেশ
শেখ হাসিনার প্রত্যর্পণ চাইলো বাংলাদেশ

২০ ঘণ্টা আগে | জাতীয়

প্রথম দফায় ১ লাখ ৮০ হাজার রোহিঙ্গা নিতে রাজি মিয়ানমার
প্রথম দফায় ১ লাখ ৮০ হাজার রোহিঙ্গা নিতে রাজি মিয়ানমার

১৫ ঘণ্টা আগে | জাতীয়

ড. ইউনূস-মোদির ৪০ মিনিটের বৈঠক, আলাপ হলো কী নিয়ে
ড. ইউনূস-মোদির ৪০ মিনিটের বৈঠক, আলাপ হলো কী নিয়ে

১৪ ঘণ্টা আগে | জাতীয়

পর্দায় নয়, এবার সত্যিই বিয়ে করলেন শামীম হাসান সরকার
পর্দায় নয়, এবার সত্যিই বিয়ে করলেন শামীম হাসান সরকার

১৩ ঘণ্টা আগে | শোবিজ

ব্যাংককে ড. ইউনূস-মোদির বৈঠক
ব্যাংককে ড. ইউনূস-মোদির বৈঠক

২১ ঘণ্টা আগে | জাতীয়

ড. ইউনূস ও মোদির বৈঠক নিয়ে যা জানালেন ভারতের পররাষ্ট্র সচিব
ড. ইউনূস ও মোদির বৈঠক নিয়ে যা জানালেন ভারতের পররাষ্ট্র সচিব

১৪ ঘণ্টা আগে | জাতীয়

খুলনায় গ্রেনেড বাবুর বাড়িতে অভিযানে অস্ত্র উদ্ধার, আটক ৩
খুলনায় গ্রেনেড বাবুর বাড়িতে অভিযানে অস্ত্র উদ্ধার, আটক ৩

২০ ঘণ্টা আগে | নগর জীবন

প্রতিশোধ নিল চীন, মার্কিন পণ্যের ওপর অতিরিক্ত ৩৪% শুল্ক আরোপ
প্রতিশোধ নিল চীন, মার্কিন পণ্যের ওপর অতিরিক্ত ৩৪% শুল্ক আরোপ

১৬ ঘণ্টা আগে | পূর্ব-পশ্চিম

৫ মিলিয়ন ডলারের ‘গোল্ড কার্ড’ ভিসা উন্মোচন করলেন ট্রাম্প
৫ মিলিয়ন ডলারের ‘গোল্ড কার্ড’ ভিসা উন্মোচন করলেন ট্রাম্প

১২ ঘণ্টা আগে | পূর্ব-পশ্চিম

বাংলাদেশ বিমসটেকের পরবর্তী চেয়ারম্যান
বাংলাদেশ বিমসটেকের পরবর্তী চেয়ারম্যান

১৮ ঘণ্টা আগে | জাতীয়

অভ্যুত্থানের সময় গ্রেফতার, সৌদিতে জেল খেটে দেশে ফিরলেন ১০ প্রবাসী
অভ্যুত্থানের সময় গ্রেফতার, সৌদিতে জেল খেটে দেশে ফিরলেন ১০ প্রবাসী

১৭ ঘণ্টা আগে | জাতীয়

আওয়ামী লীগের টাকার লোভে না পড়তে দলীয় নেতাদের হুঁশিয়ারি শামা ওবায়েদের
আওয়ামী লীগের টাকার লোভে না পড়তে দলীয় নেতাদের হুঁশিয়ারি শামা ওবায়েদের

৭ ঘণ্টা আগে | রাজনীতি

ইউনূস-মোদি বৈঠক ফলপ্রসূ হয়েছে: প্রেস সচিব
ইউনূস-মোদি বৈঠক ফলপ্রসূ হয়েছে: প্রেস সচিব

১৮ ঘণ্টা আগে | জাতীয়

ঐশ্বরিয়া আমার মেয়ে নয়, কেবল ছেলের বউ : জয়া বচ্চন
ঐশ্বরিয়া আমার মেয়ে নয়, কেবল ছেলের বউ : জয়া বচ্চন

১২ ঘণ্টা আগে | শোবিজ

ট্রাম্পের শুল্ক বাংলাদেশ-শ্রীলঙ্কার পোশাকশিল্পে বড় ধাক্কা: নিউইয়র্ক টাইমস
ট্রাম্পের শুল্ক বাংলাদেশ-শ্রীলঙ্কার পোশাকশিল্পে বড় ধাক্কা: নিউইয়র্ক টাইমস

২৩ ঘণ্টা আগে | বাণিজ্য

দীর্ঘ ১৫ বছর পর বঞ্চিত কমিউনিটি নেতারা দাওয়াত পেলেন রাষ্ট্রীয় অনুষ্ঠানে
দীর্ঘ ১৫ বছর পর বঞ্চিত কমিউনিটি নেতারা দাওয়াত পেলেন রাষ্ট্রীয় অনুষ্ঠানে

১৭ ঘণ্টা আগে | পরবাস

প্রধান উপদেষ্টার সঙ্গে শ্রীলঙ্কার প্রধানমন্ত্রীর সাক্ষাৎ
প্রধান উপদেষ্টার সঙ্গে শ্রীলঙ্কার প্রধানমন্ত্রীর সাক্ষাৎ

১৭ ঘণ্টা আগে | জাতীয়

৩০০ আসনে প্রার্থী দেওয়ার চ্যালেঞ্জ নিতে প্রস্তুত এনসিপি: সারজিস
৩০০ আসনে প্রার্থী দেওয়ার চ্যালেঞ্জ নিতে প্রস্তুত এনসিপি: সারজিস

১৬ ঘণ্টা আগে | নগর জীবন

ড. ইউনূস-মোদি বৈঠক আশার আলো তৈরি করেছে: মির্জা ফখরুল
ড. ইউনূস-মোদি বৈঠক আশার আলো তৈরি করেছে: মির্জা ফখরুল

১৩ ঘণ্টা আগে | রাজনীতি

দুই দিন ধরে তুর্কি বিমানবন্দরে আটকা ২৫০ যাত্রী
দুই দিন ধরে তুর্কি বিমানবন্দরে আটকা ২৫০ যাত্রী

১৬ ঘণ্টা আগে | পূর্ব-পশ্চিম

কালশী ফ্লাইওভারে গাড়ির সঙ্গে মোটরসাইকেলের সংঘর্ষ, দুই যুবক নিহত
কালশী ফ্লাইওভারে গাড়ির সঙ্গে মোটরসাইকেলের সংঘর্ষ, দুই যুবক নিহত

৮ ঘণ্টা আগে | নগর জীবন

আসিয়ান সদস্যপদের জন্য থাইল্যান্ডের সমর্থন চাইলেন প্রধান উপদেষ্টা
আসিয়ান সদস্যপদের জন্য থাইল্যান্ডের সমর্থন চাইলেন প্রধান উপদেষ্টা

২০ ঘণ্টা আগে | জাতীয়

হাসিনার এক মন্তব্যে সংকটে মাদারগঞ্জের সমবায় সমিতি
হাসিনার এক মন্তব্যে সংকটে মাদারগঞ্জের সমবায় সমিতি

১০ ঘণ্টা আগে | দেশগ্রাম

গ্রিনল্যান্ডকে এভাবে সংযুক্ত করা যায় না : যুক্তরাষ্ট্রকে ডেনমার্ক
গ্রিনল্যান্ডকে এভাবে সংযুক্ত করা যায় না : যুক্তরাষ্ট্রকে ডেনমার্ক

১৭ ঘণ্টা আগে | পূর্ব-পশ্চিম

শনিবার ঢাকায় আসছে আইএমএফের প্রতিনিধি দল
শনিবার ঢাকায় আসছে আইএমএফের প্রতিনিধি দল

২০ ঘণ্টা আগে | জাতীয়

ইউনূসের সঙ্গে মোদির বৈঠক প্রয়োজন ছিল: মির্জা আব্বাস
ইউনূসের সঙ্গে মোদির বৈঠক প্রয়োজন ছিল: মির্জা আব্বাস

১৫ ঘণ্টা আগে | রাজনীতি

‘যত দ্রুত সম্ভব নির্বাচন আয়োজন করা সরকারের সর্বোচ্চ অগ্রাধিকার’
‘যত দ্রুত সম্ভব নির্বাচন আয়োজন করা সরকারের সর্বোচ্চ অগ্রাধিকার’

২২ ঘণ্টা আগে | জাতীয়

মিঠামইনে কৃষকের মৃত্যুকে কেন্দ্র করে রহস্য
মিঠামইনে কৃষকের মৃত্যুকে কেন্দ্র করে রহস্য

২২ ঘণ্টা আগে | দেশগ্রাম

প্রিন্ট সর্বাধিক
সুবিধাবাদী হাইব্রিডে অতিষ্ঠ বিএনপি
সুবিধাবাদী হাইব্রিডে অতিষ্ঠ বিএনপি

প্রথম পৃষ্ঠা

মুজিব ছিলেন বেপরোয়া
মুজিব ছিলেন বেপরোয়া

প্রথম পৃষ্ঠা

চলতি বছর টাইগারদের ৬ টেস্ট
চলতি বছর টাইগারদের ৬ টেস্ট

মাঠে ময়দানে

দেশের প্রযুক্তি খাতে বিপ্লব ঘটাবে স্টারলিংক
দেশের প্রযুক্তি খাতে বিপ্লব ঘটাবে স্টারলিংক

প্রথম পৃষ্ঠা

ধুঁকছেন পেট্রাপোলের ব্যবসায়ীরাও
ধুঁকছেন পেট্রাপোলের ব্যবসায়ীরাও

পেছনের পৃষ্ঠা

হাসিনাকে চাইল বাংলাদেশ
হাসিনাকে চাইল বাংলাদেশ

প্রথম পৃষ্ঠা

আজকের ভাগ্যচক্র
আজকের ভাগ্যচক্র

আজকের রাশি

ইলিশের দামে আগুন
ইলিশের দামে আগুন

পেছনের পৃষ্ঠা

দীর্ঘদিন ক্ষমতা আঁকড়ে রাখার চিন্তা করলে জনগণ মেনে নেবে না
দীর্ঘদিন ক্ষমতা আঁকড়ে রাখার চিন্তা করলে জনগণ মেনে নেবে না

নগর জীবন

রাজশাহী বিএনপিতে ত্রিধারা
রাজশাহী বিএনপিতে ত্রিধারা

নগর জীবন

‘মিনি জাফলংয়ে’ স্বাস্থ্যঝুঁকি
‘মিনি জাফলংয়ে’ স্বাস্থ্যঝুঁকি

নগর জীবন

কবির-মুসার বিরুদ্ধে এবার জালিয়াতির অভিযোগ
কবির-মুসার বিরুদ্ধে এবার জালিয়াতির অভিযোগ

নগর জীবন

চট্টগ্রাম-কক্সবাজার সড়কে শঙ্কা
চট্টগ্রাম-কক্সবাজার সড়কে শঙ্কা

পেছনের পৃষ্ঠা

আত্রাই নদীর চরে কুমড়াবাড়ি!
আত্রাই নদীর চরে কুমড়াবাড়ি!

পেছনের পৃষ্ঠা

মুখোমুখি সরকার-আইএমএফ
মুখোমুখি সরকার-আইএমএফ

প্রথম পৃষ্ঠা

হচ্ছে বাম দলের বৃহত্তর জোট!
হচ্ছে বাম দলের বৃহত্তর জোট!

প্রথম পৃষ্ঠা

নতুন জীবনের খোঁজে মাহি
নতুন জীবনের খোঁজে মাহি

শোবিজ

নিশোর মুখে শাকিববন্দনা
নিশোর মুখে শাকিববন্দনা

শোবিজ

চলে যাচ্ছেন ম্যানসিটির ডি ব্রুইন
চলে যাচ্ছেন ম্যানসিটির ডি ব্রুইন

মাঠে ময়দানে

আমাদের সম্পর্কটা বড় ভাই-ছোট ভাইয়ের মতো
আমাদের সম্পর্কটা বড় ভাই-ছোট ভাইয়ের মতো

শোবিজ

১ লাখ ৮০ হাজার রোহিঙ্গা ফেরত নেবে মিয়ানমার
১ লাখ ৮০ হাজার রোহিঙ্গা ফেরত নেবে মিয়ানমার

প্রথম পৃষ্ঠা

অভিযোগে মোশাররফ করিমের জবাব
অভিযোগে মোশাররফ করিমের জবাব

শোবিজ

বাছাইপর্ব টপকাতে প্রস্তুত নিগাররা
বাছাইপর্ব টপকাতে প্রস্তুত নিগাররা

মাঠে ময়দানে

কলকাতার জার্সিতে ২০০ উইকেট
কলকাতার জার্সিতে ২০০ উইকেট

মাঠে ময়দানে

মেয়েদের ২০৩১ বিশ্বকাপ যুক্তরাষ্ট্রে
মেয়েদের ২০৩১ বিশ্বকাপ যুক্তরাষ্ট্রে

মাঠে ময়দানে

জমজমাট বিনোদন কেন্দ্রগুলো
জমজমাট বিনোদন কেন্দ্রগুলো

পেছনের পৃষ্ঠা

চেলসির শীর্ষ চারের লড়াই
চেলসির শীর্ষ চারের লড়াই

মাঠে ময়দানে

প্রয়োজনীয় সংস্কার করে দ্রুত নির্বাচন দিতে হবে
প্রয়োজনীয় সংস্কার করে দ্রুত নির্বাচন দিতে হবে

প্রথম পৃষ্ঠা

প্রয়োজনীয় সংস্কার শেষে দ্রুত নির্বাচন
প্রয়োজনীয় সংস্কার শেষে দ্রুত নির্বাচন

প্রথম পৃষ্ঠা

এবার জনগণ ভোটাধিকার ফিরে পাবে
এবার জনগণ ভোটাধিকার ফিরে পাবে

প্রথম পৃষ্ঠা