শিরোনাম
প্রকাশ: ০০:০০, বৃহস্পতিবার, ২০ ফেব্রুয়ারি, ২০২৫

নির্বাচন সংস্কার ও ঐকমত্য

মিজানুর রহমান
প্রিন্ট ভার্সন
নির্বাচন সংস্কার ও ঐকমত্য

নির্বাচন ও সংস্কার নিয়ে শুরু থেকেই রাজনৈতিক দলগুলোর মাঝে বিতর্ক চলছিল। কেউ চান সংস্কার কাজ শেষ করে নির্বাচন; আবার অন্যদের দাবি একটি সুষ্ঠু নির্বাচনের জন্য যেটুকু প্রয়োজন সংস্কার করে সরকার দ্রুত নির্বাচনের আয়োজন করুক। কিন্তু নির্বাচনব্যবস্থায় যেন ২০১৪, ২০১৮ ও ২০২৪ সালের মতো কলঙ্কজনক নির্বাচনের পুনরাবৃত্তি না ঘটে সেটা মনে রেখে আমাদের অবশ্যই নির্বাচন সংস্কার করতে হবে। নতুবা আবার ফ্যাসিবাদের রাজত্ব কায়েম হবে। যা কারও কাম্য হতে পারে না। এরই মধ্যে নির্বাচন সংস্কার কমিশনের প্রধান বদিউল আলম মজুমদার তাঁর প্রতিবেদন প্রধান উপদেষ্টার কাছে পেশ করেছেন। নির্বাচন সুষ্ঠু করার লক্ষ্যে যেসব বিষয় সুপারিশ আকারে উপস্থাপিত হয়েছে, তা থেকে কী পরিবর্তন পেতে যাচ্ছি তার কিছু অংশ বিশ্লেষণ করা যেতে পারে।

সংস্কার কমিশনের সুপারিশ অনুসারে নির্বাচন কমিশন গঠনের ব্যাপারে সব সময় দলীয় দৃষ্টিকোণ থেকে চিন্তা করা হয়। কমিশনের সুপারিশে বলা হয়েছে, রাজনৈতিক ঐকমত্যের ভিত্তিতে এবং নাগরিক সমাজের অর্থবহ অংশগ্রহণের মাধ্যমে স্বচ্ছতার ভিত্তিতে যোগ্য ও সুনামসম্পন্ন ব্যক্তিদের প্রধান নির্বাচন কমিশনার ও অন্যান্য কমিশনার-এ নিয়োগ দিতে হবে। যাতে কমিশনারের দায়বদ্ধতা প্রতিষ্ঠা হবে। কমিশন মতামত দিয়েছে, এ ক্ষেত্রে সাংবিধানিক ক্ষমতা আরও বৃদ্ধির লক্ষ্যে সংবিধান সংশোধন করা লাগতে পারে। সংস্কারে প্রার্থীর যোগ্যতা নিয়ে বলা হয়েছে, ঋণ/বিল খেলাপিদের প্রার্থী করা থেকে বিরত রাখতে হবে। ফেরারি আসামি প্রার্থী হতে পারবে না, বেসরকারি সংস্থার কার্যনির্বাহী পদে আসীন ব্যক্তিদের প্রার্থী হওয়ার ক্ষেত্রে এ পদ থেকে তিন বছর আগে অবসর গ্রহণসংক্রান্ত আরপিওর ধারা বাতিল করা। তরুণ, ধর্মীয় ও জাতিগত সংখ্যালঘু, শারীরিক প্রতিবন্ধীর জন্য শতকরা ১০ ভাগ মনোনয়নের সুযোগ তৈরির বিধান রাখার কথা বলা হয়েছে। স্থানীয় সরকার প্রতিষ্ঠানের নির্বাচিত প্রতিনিধিদের পদত্যাগ না করে সংসদ সদস্য পদে প্রার্থী হওয়ার অযোগ্য করা, স্বতন্ত্র প্রার্থীদের ক্ষেত্রে ১ শতাংশ ভোটারের স্বাক্ষর জমা দেওয়ার বিধানের পরিবর্তে ৫০০ ভোটারের সম্মতি বিধান করা, একাধিক আসনে প্রার্থী হওয়ার বিধান রহিত করা। প্রার্থী যতই জনপ্রিয় হোক না কেন একাধিক আসনে প্রার্থী হতে পারবেন না গুম বিচারবহির্ভূত হত্যা, অমানবিক নির্যাতন, সাংবাদিক/মানবাধিকার কর্মীর ওপর হামলা এবং গুরুতর দুর্নীতি, অর্থ পাচারের অভিযোগে গুম কমিশন, দুর্নীতি দমন কমিশন বা আন্তর্জাতিক অপরাধ আদালত কর্তৃক অভিযুক্ত হলে প্রার্থী হওয়ার ক্ষেত্রে অযোগ্য হবেন। প্রার্থী হওয়ার যোগ্যতা সম্পন্ন না হলে তখন আবার পুরোনো ধারা ফিরে আসতে বাধ্য।

প্রার্থীকে মনোনয়নপত্র দাখিলের সময় তার সম্পদের ধারাবাহিক হিসাব জানার লক্ষ্যে বিগত পাঁচ বছরের আয়কর রিটার্ন মনোনয়নপত্রের সঙ্গে জমা করার বিধান করা হয়েছে। যাতে মনোনয়নবাণিজ্য না হয় সে লক্ষ্যে প্রার্থী কর্তৃক মনোনয়নপত্রের সঙ্গে প্রত্যেক দল তার প্রার্থীদের জন্য প্রত্যয়নপত্রের পরিবর্তে দলের সভাপতি, সাধারণ সম্পাদক বা অনুরূপ পদধারী ব্যক্তি কর্তৃক হলফনামা জমা দেওয়ার বিধান চালু করার প্রস্তাব রাখা হয়েছে। যাতে মনোনীত প্রার্থীর নামের পাশাপাশি মনোনয়নবাণিজ্য না হওয়ার বিষয়টি উন্মোচিত হয়। অবশ্যই দলীয় প্যানেল থেকে প্রার্থী মনোনয়ন প্রদানের নিশ্চিত হওয়ার বিষয়টি উল্লেখ থাকবে। পরবর্তী নির্বাচনের আগে যে কোনো সময় নির্বাচন কমিশন ব্যক্তির হলফনামা যাচাইবাছাই করতে গিয়ে মিথ্যা তথ্য বা গোপন তথ্য পেলে তার নির্বাচন বাতিল করার এখতিয়ার থাকবে। ভোট গ্রহণের ক্ষেত্রে ইভিএম প্রথা বাতিল করার সুপারিশ করা হয়েছে, শুধু পুলিশ বা আনসার দিয়ে নিরাপত্তা হচ্ছে না। সেজন্য চর দখলের মতো যাতে কেন্দ্র দখল না হয়, নির্বাচনব্যবস্থায় নিরাপত্তা জোরদার করার লক্ষ্যে নিরাপত্তার দায়িত্বে প্রতিরক্ষা বিভাগকে সংযুক্ত করা যেতে পারে। কোনো আসনে ৪০%-এর কম ভোট পড়লে বিজয়ী ঘোষণা না করে সেখানে পুনরায় নির্বাচনের ব্যবস্থা নেওয়া।

বিনা প্রতিদ্বন্দ্বিতায় নির্বাচন- এটা নির্বাচনি তামাশা ছাড়া কিছুই নয়; তাই বিনা প্রতিদ্বন্দ্বিতায় নির্বাচন সম্পূর্ণ বন্ধ করার সুপারিশ এসেছে। ব্যয়ের ক্ষেত্রে প্রার্থী সংসদীয় আসনের ভোটার প্রতি ১০ টাকা হিসাবে নির্বাচনি ব্যয় করতে পারবেন। যাতে কালো টাকার ছড়াছড়ি না করতে পারে সেজন্য প্রার্থীর সব নির্বাচনি ব্যয় ব্যাংকিং বা আর্থিক প্রযুক্তি (যেমন বিকাশ, রকেট) মাধ্যমে পরিচালনা করতে হবে। ব্যয়ের অসংগতির প্রমাণ পেলে ত্বরিত ব্যবস্থা নেওয়া যাবে। প্রচারের ক্ষেত্রে ব্যয় সংকোচনের জন্য প্রচারণার সময় কম দেওয়া, ব্যানার তোরণ ও পোস্টারের পরিবর্তে লিফলেট, ভোটার-প্রার্থীর মুখোমুখি অনুষ্ঠান, পত্র-পত্রিকায় বিজ্ঞাপন ও সরকারি গণমাধ্যমে প্রচারের সম-সুযোগ প্রদানের বিধান করা, সাইবার সুরক্ষা অধ্যাদেশ, ২০২৪ মেনে সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে প্রচারণার প্রস্তাবনা করা হয়েছে এবং ১৯৯০ সালের তিন জোটের রূপরেখার মতো রাজনৈতিক দলের জন্য আচরণবিধি প্রণয়নের বিষয়টি উল্লেখ করা হয়েছে। নির্বাচনের ফলাফলের স্বচ্ছতার প্রশ্নে সিদ্ধান্ত হয়েছে- জাতীয় নির্বাচন হয়ে যাওয়ার পর নির্বাচন কমিশন গণবিজ্ঞপ্তির মাধ্যমে ৪৮ ঘণ্টার মধ্যে, ফলাফল ঘোষণা-পূর্বে, নির্বাচনের সুষ্ঠুতা, বিশ্বাসযোগ্যতা এবং গ্রহণযোগ্যতা সম্পর্কে দায়িত্বপ্রাপ্তদের স্বচ্ছতার নিশ্চয়তা লিখিত ঘোষণা প্রদানের বিধান করতে চাচ্ছে। নির্বাচনের গ্রহণযোগ্যতা নিয়ে প্রশ্ন এলে অংশগ্রহণকারী বা রাজনৈতিক দল সংক্ষুব্ধ হলে ৪৮ ঘণ্টার মধ্যে জাতীয় সংবিধান কাউন্সিল বা সুপ্রিম কোর্টের আপিল বিভাগে অভিযোগ করার সুযোগ সৃষ্টির বিধান রাখা হয়েছে। কমিশন/আদালত কর্তৃক সর্বোচ্চ সাত কর্মদিবসের মধ্যে ওই অভিযোগ নিষ্পত্তি করার বিষয়টি উল্লেখ করা হয়েছে। স্থানীয় সরকারের নির্বাচন অনুষ্ঠানের দায়িত্ব নির্বাচন কমিশন পালন করবে। আউয়াল কমিশনের সময় কিছু অখ্যাত দলের নিবন্ধন হয়েছে। এ ক্ষেত্রে সিদ্ধান্ত হয়েছে যেসব রাজনৈতিক দলকে নিবন্ধন দেওয়া হয়েছে বর্তমানে এগুলোর কার্যক্রম দৃশ্যমান নয়। যথাযথ তদন্ত সাপেক্ষে সেগুলোর নিবন্ধন বাতিল করা হবে। নির্বাচন স্বচ্ছভাবে হয়েছে কি না তা দেখার জন্য প্রত্যেক দেশেই পর্যবেক্ষক থাকে। তাদের ব্যাপারে সুপারিশ আছে- নিশ্চল পর্যবেক্ষণের অনুমতি থাকবে, যাতে পর্যবেক্ষকরা সারা দিন কেন্দ্রে থাকতে পারেন, কিন্তু ভোটকক্ষে সার্বক্ষণিকভাবে নয়। পর্যবেক্ষকরা দায়িত্ব পালনের আগে নির্বাচন কমিশন থেকে অফিশিয়াল অনুমতি নিতে হবে। পক্ষপাতদুষ্ট ভুয়া পর্যবেক্ষক যাতে নিয়োগ না পান, সেদিকে লক্ষ্য রাখা হবে। সুষ্ঠু তদারকির ফলে পর্যবেক্ষকের প্রতিবেদন ভবিষ্যতে নির্বাচনি কাজে সহায়ক ভূমিকা রাখবে। আন্তর্জাতিক পর্যবেক্ষক নিয়োগ দেওয়ার ক্ষেত্রে সরকারের পরিবর্তে কমিশনের সিদ্ধান্ত অনুযায়ী নিয়োগ পাবে। তা ছাড়া নির্বাচন চলাকালীন কমিশন কর্তৃক প্রদত্ত বৈধ কার্ডধারী সাংবাদিকদের সরাসরি ভোট কেন্দ্রে প্রবেশ, অনিয়ম চিত্রধারণ নির্বাচনের দিনে মোটরসাইকেল ব্যবহার করার অনুমতি প্রদান করা যাবে।

প্রধানমন্ত্রী নির্বাচনের ব্যাপারে সুপারিশ হলো একই ব্যক্তি একই সঙ্গে যাতে দলীয়প্রধান, প্রধানমন্ত্রী এবং সংসদ নেতা হতে না পারেন তা উল্লেখ আছে। সুপারিশে তাও বলা আছে, সংবিধান সংশোধনের মাধ্যমে প্রধানমন্ত্রীর মেয়াদ সর্বোচ্চ দুই মেয়াদের মধ্যে সীমিত রাখা ও সংবিধান সংশোধন করে দুবার নির্বাচিত প্রধানমন্ত্রীকে রাষ্ট্রপতি পদে অযোগ্য করা। অর্থাৎ দুবারের দায়িত্ব পালন করা প্রধানমন্ত্রী রাষ্ট্রপতি নির্বাচনে প্রার্থী হতে পারবেন না।

কমিশনের সুপারিশে এসেছে, সংসদের দুটি কক্ষ থাকবে একটি নিম্নকক্ষ অন্যটি উচ্চকক্ষ। নিম্নকক্ষে আসন সংখ্যা ১০০টি বাড়িয়ে ৪০০ করা যেতে পারে। ৪০০ আসনের মধ্যে নারীদের জন্য নির্ধারিত ১০০ আসন ঘূর্ণায়মান পদ্ধতিতে নির্বাচনের বিধান থাকবে। উচ্চকক্ষের নির্বাচন : প্রত্যেক দলের প্রাপ্ত আসনের ৫০% দলের সদস্যদের মধ্য থেকে এবং অবশিষ্ট ৫০% আসন নির্দলীয় ভিত্তিতে নাগরিক সমাজ, শিক্ষাবিদ, বিজ্ঞানী, মানবসেবা প্রদানকারী, শ্রমজীবীদের প্রতিনিধি, নারী উন্নয়নকর্মী, সাংস্কৃতিক ব্যক্তিত্ব এবং পিছিয়ে পড়া জনগোষ্ঠী ইত্যাদির মধ্য থেকে সংখ্যানুপাতিক হারে নির্বাচন করার বিধান রাখা হয়েছে। তবে শর্ত থাকে যে, দলীয় ও নির্দলীয় সদস্যদের মধ্যে কমপক্ষে ৩০% নারী অন্তর্ভুক্তির প্রস্তাব করা হয়েছে।

সংসদের উচ্চকক্ষের সদস্যদের বয়স কমপক্ষে ৩৫ বছর এবং শিক্ষাগত যোগ্যতা কমপক্ষে স্নাতক হতে হবে। অন্যান্য যোগ্যতা-অযোগ্যতা নিম্নকক্ষের অনুরূপ হবে। ডেপুটি স্পিকারের পদ বিরোধী দল থেকে দিতে হবে। তাহলে সংসদে ব্যালান্স রক্ষা হবে।

নির্বাচন সুষ্ঠুভাবে করার লক্ষ্যে তত্ত্বাবধায়ক সরকার চালুর কথা বলা হয়েছে। তবে তত্ত্বাবধায়ক সরকারব্যবস্থার মেয়াদটা চার মাস নির্ধারণ করতে হবে এবং মেয়াদকালে শুধু সংসদ নির্বাচন নয়, স্থানীয় সরকার নির্বাচনও তত্ত্বাবধায়ক সরকার সম্পন্ন করবে। এত দিন যাবৎ সংসদ সদস্য নির্বাচিত হওয়ার পর সুযোগ-সুবিধার ক্ষেত্রে কোনো নিয়ন্ত্রণ ছিল না, তা নিয়ে বেশ সমালোচনাও হয়েছে, নির্বাচন সংস্কার প্রস্তাবনায় বলা হয়েছে, সংসদ সদস্যদের শুল্কমুক্ত গাড়ি, আবাসিক প্লট, সব ধরনের প্রটোকল ও ভাতা পর্যালোচনা ও সংশোধন করার সুপারিশ করা হয়েছে। একটি ‘সংসদ সদস্য আচরণ আইন’ প্রণয়নের মাধ্যমে সংসদ সদস্যদের বার্ষিক সম্পদের হিসাব দাখিল করতে হবে। সংসদ সদস্যদের জন্য বিশাল প্রটোকলের অবসান ঘটবে।

এখন প্রশ্ন হলো রাজনৈতিক দলগুলো সংস্কার চায় কি না সেটা বুঝতে হবে। যেসব সুপারিশ এসেছে, তা সব দলের আলোচনার ভিত্তিতে সিদ্ধান্ত নিতে হবে। আলোচনা করতে গিয়ে নির্বাচন সংক্রান্ত অনেক ধারা, উপ-ধারা সংযোজন ও বিয়োজন হতে পারে।

লেখক : সাবেক সভাপতি, মিডিয়া সেল গ্রামীণ ব্যাংক ও কলামিস্ট

এই বিভাগের আরও খবর
সামাজিক ব্যবসা
সামাজিক ব্যবসা
রপ্তানি খাতে ধাক্কা
রপ্তানি খাতে ধাক্কা
ফিলিস্তিনের নাবলুস নগরী
ফিলিস্তিনের নাবলুস নগরী
জীবনজুড়ে রমজানের রেশ ধরে রাখুন
জীবনজুড়ে রমজানের রেশ ধরে রাখুন
ফুলচাষিদের স্বাস্থ্যঝুঁঁকি
ফুলচাষিদের স্বাস্থ্যঝুঁঁকি
রেমিট্যান্সে আশার আলো
রেমিট্যান্সে আশার আলো
ভোটের আলোচনা
ভোটের আলোচনা
বিমসটেক সম্মেলন
বিমসটেক সম্মেলন
ডিজিটাল সংস্কৃতি : ভার্চুয়াল উৎসব
ডিজিটাল সংস্কৃতি : ভার্চুয়াল উৎসব
শাওয়াল মাসের ছয় রোজার পুণ্য
শাওয়াল মাসের ছয় রোজার পুণ্য
ব্যাংককে বৈঠক, ঢাকা-দিল্লিতে গুঞ্জন
ব্যাংককে বৈঠক, ঢাকা-দিল্লিতে গুঞ্জন
এই সময়ের রাজনৈতিক চ্যালেঞ্জ
এই সময়ের রাজনৈতিক চ্যালেঞ্জ
সর্বশেষ খবর
আগৈলঝাড়ায় বসুন্ধরা শুভসংঘের মাসব্যাপী মাদকবিরোধী প্রচারণা শুরু
আগৈলঝাড়ায় বসুন্ধরা শুভসংঘের মাসব্যাপী মাদকবিরোধী প্রচারণা শুরু

এই মাত্র | বসুন্ধরা শুভসংঘ

বিএনপি নেতার বহিষ্কারের প্রতিবাদে বিক্ষোভ
বিএনপি নেতার বহিষ্কারের প্রতিবাদে বিক্ষোভ

১৪ সেকেন্ড আগে | দেশগ্রাম

মেঘনা-তিতাসে অষ্টমী গঙ্গাস্নানে উপচেপড়া ভিড়
মেঘনা-তিতাসে অষ্টমী গঙ্গাস্নানে উপচেপড়া ভিড়

৭ মিনিট আগে | দেশগ্রাম

কসবায় যুবককে ডেকে নিয়ে হত্যার অভিযোগ
কসবায় যুবককে ডেকে নিয়ে হত্যার অভিযোগ

১৩ মিনিট আগে | দেশগ্রাম

সিলেটে টাকা ধার না দেওয়ায় যুবক খুন
সিলেটে টাকা ধার না দেওয়ায় যুবক খুন

১৯ মিনিট আগে | চায়ের দেশ

চট্টগ্রামে জেলেদের জালে মিলল বৃদ্ধার লাশ
চট্টগ্রামে জেলেদের জালে মিলল বৃদ্ধার লাশ

২১ মিনিট আগে | চট্টগ্রাম প্রতিদিন

মুন্সিগঞ্জে ধলেশ্বরী নদীর তীরে অষ্টমী স্নান উৎসব পালিত
মুন্সিগঞ্জে ধলেশ্বরী নদীর তীরে অষ্টমী স্নান উৎসব পালিত

২৪ মিনিট আগে | দেশগ্রাম

ছাত্র আন্দোলনে হত্যা মামলায় শ্রমিক লীগ নেতা গ্রেফতার
ছাত্র আন্দোলনে হত্যা মামলায় শ্রমিক লীগ নেতা গ্রেফতার

২৬ মিনিট আগে | নগর জীবন

লাশের গন্ধে ভারী মিয়ানমারের সাগাইংয়ের বাতাস
লাশের গন্ধে ভারী মিয়ানমারের সাগাইংয়ের বাতাস

২৬ মিনিট আগে | পূর্ব-পশ্চিম

পাংকর আইল্যান্ড, যেখানে পাহাড় ও সমুদ্রের অসাধারণ মিতালি!
পাংকর আইল্যান্ড, যেখানে পাহাড় ও সমুদ্রের অসাধারণ মিতালি!

৩০ মিনিট আগে | পরবাস

এই মেয়েরাই সামনের দিনেও আমাদের পথ দেখাবে (ভিডিও)
এই মেয়েরাই সামনের দিনেও আমাদের পথ দেখাবে (ভিডিও)

৩২ মিনিট আগে | জাতীয়

চট্টগ্রামে বাসায় ঢুকে ডাকাতি, বাধা দেওয়ায় আহত ৮
চট্টগ্রামে বাসায় ঢুকে ডাকাতি, বাধা দেওয়ায় আহত ৮

৩৬ মিনিট আগে | চট্টগ্রাম প্রতিদিন

ফিলিস্তিনি জনগণের প্রতি পাকিস্তান সেনা কমান্ডারদের অকুণ্ঠ সমর্থন
ফিলিস্তিনি জনগণের প্রতি পাকিস্তান সেনা কমান্ডারদের অকুণ্ঠ সমর্থন

৪৬ মিনিট আগে | পূর্ব-পশ্চিম

চট্টগ্রামে দেড় কোটি টাকা মূল্যের স্বর্ণসহ গ্রেফতার ৫
চট্টগ্রামে দেড় কোটি টাকা মূল্যের স্বর্ণসহ গ্রেফতার ৫

৫১ মিনিট আগে | চট্টগ্রাম প্রতিদিন

জয়পুরহাটে নৈশপ্রহরীদের বেঁধে রেখে ৪ দোকানে ডাকাতি
জয়পুরহাটে নৈশপ্রহরীদের বেঁধে রেখে ৪ দোকানে ডাকাতি

৫২ মিনিট আগে | দেশগ্রাম

থানা থেকে পালিয়েও শেষ রক্ষা হলো না তরুণের
থানা থেকে পালিয়েও শেষ রক্ষা হলো না তরুণের

৫২ মিনিট আগে | চায়ের দেশ

রংপুরে মুগ্ধতা ছড়াচ্ছে বলিভিয়ার জাতীয় ফুল হেলিকোনিয়া
রংপুরে মুগ্ধতা ছড়াচ্ছে বলিভিয়ার জাতীয় ফুল হেলিকোনিয়া

৫৫ মিনিট আগে | প্রকৃতি ও পরিবেশ

চুলা জ্বালানো নিয়ে সতর্ক করল তিতাস গ্যাস
চুলা জ্বালানো নিয়ে সতর্ক করল তিতাস গ্যাস

১ ঘণ্টা আগে | নগর জীবন

পদ্মা নদীতে বেড়াতে গিয়ে স্বামী-স্ত্রীর মৃত্যু
পদ্মা নদীতে বেড়াতে গিয়ে স্বামী-স্ত্রীর মৃত্যু

১ ঘণ্টা আগে | দেশগ্রাম

কালশী ফ্লাইওভারে দুর্ঘটনায় নিহত দুই যুবকের পরিচয় মিলেছে
কালশী ফ্লাইওভারে দুর্ঘটনায় নিহত দুই যুবকের পরিচয় মিলেছে

১ ঘণ্টা আগে | নগর জীবন

অতিরিক্ত গরম ও হিটস্ট্রোক
অতিরিক্ত গরম ও হিটস্ট্রোক

১ ঘণ্টা আগে | হেলথ কর্নার

সাত দিনের মধ্যে যুক্তরাষ্ট্র ছাড়ার নির্দেশ, আতঙ্কে ইউক্রেনীয়রা
সাত দিনের মধ্যে যুক্তরাষ্ট্র ছাড়ার নির্দেশ, আতঙ্কে ইউক্রেনীয়রা

১ ঘণ্টা আগে | পূর্ব-পশ্চিম

বায়ার্নের সঙ্গে মুলারের ২৫ বছরের সম্পর্ক ভাঙছে
বায়ার্নের সঙ্গে মুলারের ২৫ বছরের সম্পর্ক ভাঙছে

১ ঘণ্টা আগে | মাঠে ময়দানে

বাংলাদেশকে বন্ধু রাষ্ট্র ভেবে ভারতকে সামনে এগোতে হবে : এ্যানি
বাংলাদেশকে বন্ধু রাষ্ট্র ভেবে ভারতকে সামনে এগোতে হবে : এ্যানি

১ ঘণ্টা আগে | দেশগ্রাম

সাতক্ষীরায় ছোট ভাইয়ের হাতে বড় ভাই খুন
সাতক্ষীরায় ছোট ভাইয়ের হাতে বড় ভাই খুন

১ ঘণ্টা আগে | দেশগ্রাম

গ্রাস ম্যাট রফতানি শুরু করল আরএফএল
গ্রাস ম্যাট রফতানি শুরু করল আরএফএল

১ ঘণ্টা আগে | কর্পোরেট কর্নার

শরীয়তপুরে দুই গ্রুপের সংঘর্ষে আহত ৪ জন ঢামেকে
শরীয়তপুরে দুই গ্রুপের সংঘর্ষে আহত ৪ জন ঢামেকে

১ ঘণ্টা আগে | নগর জীবন

আপনার প্রতি শেখ হাসিনার অসম্মানজনক আচরণ দেখেছি : ড. ইউনূসকে বলেন মোদি
আপনার প্রতি শেখ হাসিনার অসম্মানজনক আচরণ দেখেছি : ড. ইউনূসকে বলেন মোদি

২ ঘণ্টা আগে | জাতীয়

জনবহুল রাজধানী এখনো ফাঁকা, নেই চিরচেনা যানজট
জনবহুল রাজধানী এখনো ফাঁকা, নেই চিরচেনা যানজট

২ ঘণ্টা আগে | নগর জীবন

হাতে সব প্রমাণ আছে, আইনিভাবে মোকাবিলা করবো : পরীমণি
হাতে সব প্রমাণ আছে, আইনিভাবে মোকাবিলা করবো : পরীমণি

২ ঘণ্টা আগে | শোবিজ

সর্বাধিক পঠিত
ঈদুল আজহার সম্ভাব্য তারিখ প্রকাশ
ঈদুল আজহার সম্ভাব্য তারিখ প্রকাশ

২১ ঘণ্টা আগে | পূর্ব-পশ্চিম

আত্মরক্ষার জন্য ইরানের সর্বোচ্চ প্রস্তুতি রয়েছে : সৌদি যুবরাজকে পেজেশকিয়ান
আত্মরক্ষার জন্য ইরানের সর্বোচ্চ প্রস্তুতি রয়েছে : সৌদি যুবরাজকে পেজেশকিয়ান

৭ ঘণ্টা আগে | পূর্ব-পশ্চিম

প্রথম দফায় ১ লাখ ৮০ হাজার রোহিঙ্গা নিতে রাজি মিয়ানমার
প্রথম দফায় ১ লাখ ৮০ হাজার রোহিঙ্গা নিতে রাজি মিয়ানমার

২৩ ঘণ্টা আগে | জাতীয়

পর্দায় নয়, এবার সত্যিই বিয়ে করলেন শামীম হাসান সরকার
পর্দায় নয়, এবার সত্যিই বিয়ে করলেন শামীম হাসান সরকার

২১ ঘণ্টা আগে | শোবিজ

ড. ইউনূস-মোদির ৪০ মিনিটের বৈঠক, আলাপ হলো কী নিয়ে
ড. ইউনূস-মোদির ৪০ মিনিটের বৈঠক, আলাপ হলো কী নিয়ে

২২ ঘণ্টা আগে | জাতীয়

ড. ইউনূস ও মোদির বৈঠক নিয়ে যা জানালেন ভারতের পররাষ্ট্র সচিব
ড. ইউনূস ও মোদির বৈঠক নিয়ে যা জানালেন ভারতের পররাষ্ট্র সচিব

২২ ঘণ্টা আগে | জাতীয়

যুক্তরাষ্ট্রের শুল্ক ইস্যুতে জরুরি সভা ডেকেছেন প্রধান উপদেষ্টা
যুক্তরাষ্ট্রের শুল্ক ইস্যুতে জরুরি সভা ডেকেছেন প্রধান উপদেষ্টা

৩ ঘণ্টা আগে | জাতীয়

আওয়ামী লীগের টাকার লোভে না পড়তে দলীয় নেতাদের হুঁশিয়ারি শামা ওবায়েদের
আওয়ামী লীগের টাকার লোভে না পড়তে দলীয় নেতাদের হুঁশিয়ারি শামা ওবায়েদের

১৫ ঘণ্টা আগে | রাজনীতি

আপনার প্রতি শেখ হাসিনার অসম্মানজনক আচরণ দেখেছি : ড. ইউনূসকে বলেন মোদি
আপনার প্রতি শেখ হাসিনার অসম্মানজনক আচরণ দেখেছি : ড. ইউনূসকে বলেন মোদি

২ ঘণ্টা আগে | জাতীয়

৫ মিলিয়ন ডলারের ‘গোল্ড কার্ড’ ভিসা উন্মোচন করলেন ট্রাম্প
৫ মিলিয়ন ডলারের ‘গোল্ড কার্ড’ ভিসা উন্মোচন করলেন ট্রাম্প

২০ ঘণ্টা আগে | পূর্ব-পশ্চিম

ঐশ্বরিয়া আমার মেয়ে নয়, কেবল ছেলের বউ : জয়া বচ্চন
ঐশ্বরিয়া আমার মেয়ে নয়, কেবল ছেলের বউ : জয়া বচ্চন

২০ ঘণ্টা আগে | শোবিজ

ইরানে হামলার হুমকি থেকে পিছু হটলেন ট্রাম্প, সরাসরি আলোচনার প্রস্তাব
ইরানে হামলার হুমকি থেকে পিছু হটলেন ট্রাম্প, সরাসরি আলোচনার প্রস্তাব

২ ঘণ্টা আগে | পূর্ব-পশ্চিম

শরীয়তপুরে দুই গ্রুপের সংঘর্ষ, শতাধিক হাতবোমা বিস্ফোরণ
শরীয়তপুরে দুই গ্রুপের সংঘর্ষ, শতাধিক হাতবোমা বিস্ফোরণ

৫ ঘণ্টা আগে | দেশগ্রাম

ড. ইউনূস-মোদি বৈঠক আশার আলো তৈরি করেছে: মির্জা ফখরুল
ড. ইউনূস-মোদি বৈঠক আশার আলো তৈরি করেছে: মির্জা ফখরুল

২১ ঘণ্টা আগে | রাজনীতি

হোয়াইট হাউস থেকে বরখাস্ত একাধিক শীর্ষ কর্মকর্তা, আলোচনায় লরা লুমার
হোয়াইট হাউস থেকে বরখাস্ত একাধিক শীর্ষ কর্মকর্তা, আলোচনায় লরা লুমার

৭ ঘণ্টা আগে | পূর্ব-পশ্চিম

বিশ্বের শক্তিশালী পাসপোর্টের তালিকায় এক ধাপ এগোল বাংলাদেশ
বিশ্বের শক্তিশালী পাসপোর্টের তালিকায় এক ধাপ এগোল বাংলাদেশ

৫ ঘণ্টা আগে | জাতীয়

কালশী ফ্লাইওভারে গাড়ির সঙ্গে মোটরসাইকেলের সংঘর্ষ, দুই যুবক নিহত
কালশী ফ্লাইওভারে গাড়ির সঙ্গে মোটরসাইকেলের সংঘর্ষ, দুই যুবক নিহত

১৬ ঘণ্টা আগে | নগর জীবন

হাসিনার এক মন্তব্যে সংকটে মাদারগঞ্জের সমবায় সমিতি
হাসিনার এক মন্তব্যে সংকটে মাদারগঞ্জের সমবায় সমিতি

১৮ ঘণ্টা আগে | দেশগ্রাম

পরকীয়া প্রেমে বাধা দেওয়ায় স্বামীর পুরুষাঙ্গ কাটলো স্ত্রী
পরকীয়া প্রেমে বাধা দেওয়ায় স্বামীর পুরুষাঙ্গ কাটলো স্ত্রী

৫ ঘণ্টা আগে | দেশগ্রাম

একনজরে আজকের বাংলাদেশ প্রতিদিন (৫ এপ্রিল)
একনজরে আজকের বাংলাদেশ প্রতিদিন (৫ এপ্রিল)

১০ ঘণ্টা আগে | জাতীয়

চালের দানার চেয়েও ছোট পেসমেকার তৈরি করলেন বিজ্ঞানীরা
চালের দানার চেয়েও ছোট পেসমেকার তৈরি করলেন বিজ্ঞানীরা

৮ ঘণ্টা আগে | বিজ্ঞান

‘আতঙ্কে তারা ভুল করেছে’: চীনের পাল্টা শুল্ক নিয়ে ট্রাম্প
‘আতঙ্কে তারা ভুল করেছে’: চীনের পাল্টা শুল্ক নিয়ে ট্রাম্প

৪ ঘণ্টা আগে | পূর্ব-পশ্চিম

৫.৬ মাত্রার ভূমিকম্পে আবার কেঁপে উঠলো মিয়ানমার
৫.৬ মাত্রার ভূমিকম্পে আবার কেঁপে উঠলো মিয়ানমার

৭ ঘণ্টা আগে | পূর্ব-পশ্চিম

ইউনূসের সঙ্গে মোদির বৈঠক প্রয়োজন ছিল: মির্জা আব্বাস
ইউনূসের সঙ্গে মোদির বৈঠক প্রয়োজন ছিল: মির্জা আব্বাস

২৩ ঘণ্টা আগে | রাজনীতি

মিয়ানমারে বাংলাদেশ সশস্ত্র বাহিনীর নেতৃত্বে উদ্ধার ও চিকিৎসা কার্যক্রম অব্যাহত
মিয়ানমারে বাংলাদেশ সশস্ত্র বাহিনীর নেতৃত্বে উদ্ধার ও চিকিৎসা কার্যক্রম অব্যাহত

১৭ ঘণ্টা আগে | জাতীয়

নির্বাচনের কথা বলে মুখে ফেনা তুলে ফেললেই গণতন্ত্র হয় না : নুসরাত তাবাসসুম
নির্বাচনের কথা বলে মুখে ফেনা তুলে ফেললেই গণতন্ত্র হয় না : নুসরাত তাবাসসুম

৩ ঘণ্টা আগে | রাজনীতি

‘প্রয়োজনে জোটগতভাবে নির্বাচন করবে এনসিপি’
‘প্রয়োজনে জোটগতভাবে নির্বাচন করবে এনসিপি’

২০ ঘণ্টা আগে | রাজনীতি

আইপিএলের প্রথমবার দেখা গেল এমন কিছু
আইপিএলের প্রথমবার দেখা গেল এমন কিছু

৯ ঘণ্টা আগে | মাঠে ময়দানে

কুমিল্লায় মসজিদ কমিটির সেক্রেটারিকে হত্যার ঘটনায় গ্রেফতার ২
কুমিল্লায় মসজিদ কমিটির সেক্রেটারিকে হত্যার ঘটনায় গ্রেফতার ২

১১ ঘণ্টা আগে | দেশগ্রাম

প্রতিকূল পরিবেশেও খেলাপি ঋণ কমেছে
প্রতিকূল পরিবেশেও খেলাপি ঋণ কমেছে

১৬ ঘণ্টা আগে | বাণিজ্য

প্রিন্ট সর্বাধিক
সুবিধাবাদী হাইব্রিডে অতিষ্ঠ বিএনপি
সুবিধাবাদী হাইব্রিডে অতিষ্ঠ বিএনপি

প্রথম পৃষ্ঠা

মুজিব ছিলেন বেপরোয়া
মুজিব ছিলেন বেপরোয়া

প্রথম পৃষ্ঠা

চলতি বছর টাইগারদের ৬ টেস্ট
চলতি বছর টাইগারদের ৬ টেস্ট

মাঠে ময়দানে

হাসিনাকে চাইল বাংলাদেশ
হাসিনাকে চাইল বাংলাদেশ

প্রথম পৃষ্ঠা

দেশের প্রযুক্তি খাতে বিপ্লব ঘটাবে স্টারলিংক
দেশের প্রযুক্তি খাতে বিপ্লব ঘটাবে স্টারলিংক

প্রথম পৃষ্ঠা

ধুঁকছেন পেট্রাপোলের ব্যবসায়ীরাও
ধুঁকছেন পেট্রাপোলের ব্যবসায়ীরাও

পেছনের পৃষ্ঠা

ইলিশের দামে আগুন
ইলিশের দামে আগুন

পেছনের পৃষ্ঠা

আজকের ভাগ্যচক্র
আজকের ভাগ্যচক্র

আজকের রাশি

মুখোমুখি সরকার-আইএমএফ
মুখোমুখি সরকার-আইএমএফ

প্রথম পৃষ্ঠা

দীর্ঘদিন ক্ষমতা আঁকড়ে রাখার চিন্তা করলে জনগণ মেনে নেবে না
দীর্ঘদিন ক্ষমতা আঁকড়ে রাখার চিন্তা করলে জনগণ মেনে নেবে না

নগর জীবন

‘মিনি জাফলংয়ে’ স্বাস্থ্যঝুঁকি
‘মিনি জাফলংয়ে’ স্বাস্থ্যঝুঁকি

নগর জীবন

দক্ষিণ এশিয়ার ইসরায়েল ভারত
দক্ষিণ এশিয়ার ইসরায়েল ভারত

পেছনের পৃষ্ঠা

রাজশাহী বিএনপিতে ত্রিধারা
রাজশাহী বিএনপিতে ত্রিধারা

নগর জীবন

চট্টগ্রাম-কক্সবাজার সড়কে শঙ্কা
চট্টগ্রাম-কক্সবাজার সড়কে শঙ্কা

পেছনের পৃষ্ঠা

হচ্ছে বাম দলের বৃহত্তর জোট!
হচ্ছে বাম দলের বৃহত্তর জোট!

প্রথম পৃষ্ঠা

আত্রাই নদীর চরে কুমড়াবাড়ি!
আত্রাই নদীর চরে কুমড়াবাড়ি!

পেছনের পৃষ্ঠা

কবির-মুসার বিরুদ্ধে এবার জালিয়াতির অভিযোগ
কবির-মুসার বিরুদ্ধে এবার জালিয়াতির অভিযোগ

নগর জীবন

নতুন জীবনের খোঁজে মাহি
নতুন জীবনের খোঁজে মাহি

শোবিজ

এবার জনগণ ভোটাধিকার ফিরে পাবে
এবার জনগণ ভোটাধিকার ফিরে পাবে

প্রথম পৃষ্ঠা

যৌথ পরিবারের গল্প
যৌথ পরিবারের গল্প

শনিবারের সকাল

আমাদের সম্পর্কটা বড় ভাই-ছোট ভাইয়ের মতো
আমাদের সম্পর্কটা বড় ভাই-ছোট ভাইয়ের মতো

শোবিজ

জমজমাট বিনোদন কেন্দ্রগুলো
জমজমাট বিনোদন কেন্দ্রগুলো

পেছনের পৃষ্ঠা

১ লাখ ৮০ হাজার রোহিঙ্গা ফেরত নেবে মিয়ানমার
১ লাখ ৮০ হাজার রোহিঙ্গা ফেরত নেবে মিয়ানমার

প্রথম পৃষ্ঠা

অভিযোগে মোশাররফ করিমের জবাব
অভিযোগে মোশাররফ করিমের জবাব

শোবিজ

বাছাইপর্ব টপকাতে প্রস্তুত নিগাররা
বাছাইপর্ব টপকাতে প্রস্তুত নিগাররা

মাঠে ময়দানে

নিশোর মুখে শাকিববন্দনা
নিশোর মুখে শাকিববন্দনা

শোবিজ

প্রয়োজনীয় সংস্কার শেষে দ্রুত নির্বাচন
প্রয়োজনীয় সংস্কার শেষে দ্রুত নির্বাচন

প্রথম পৃষ্ঠা

প্রয়োজনীয় সংস্কার করে দ্রুত নির্বাচন দিতে হবে
প্রয়োজনীয় সংস্কার করে দ্রুত নির্বাচন দিতে হবে

প্রথম পৃষ্ঠা

কলকাতার জার্সিতে ২০০ উইকেট
কলকাতার জার্সিতে ২০০ উইকেট

মাঠে ময়দানে

চলে যাচ্ছেন ম্যানসিটির ডি ব্রুইন
চলে যাচ্ছেন ম্যানসিটির ডি ব্রুইন

মাঠে ময়দানে