শিরোনাম
প্রকাশ: ০০:০০, বৃহস্পতিবার, ২০ ফেব্রুয়ারি, ২০২৫ আপডেট: ০৯:৩৭, বৃহস্পতিবার, ২০ ফেব্রুয়ারি, ২০২৫

ড. ইউনূসের নতুন স্বপ্ন, নতুন দল, জামায়াতের রাজনীতি

মন্‌জুরুল ইসলাম
প্রিন্ট ভার্সন
ড. ইউনূসের নতুন স্বপ্ন, নতুন দল, জামায়াতের রাজনীতি

নোবেলজয়ী ড. মুহাম্মদ ইউনূসকে বলা হয় স্বাপ্নিক মানুষ। তিনি স্বপ্ন দেখেন, বাস্তবায়ন করেন এবং স্বপ্ন দেখান। স্বাপ্নিক  হিসেবে তিনি দৃঢ়চেতা, আত্মবিশ্বাসী এবং লড়াকু। তিনি এখন নেপাল, ভুটান ও ভারতের সেভেন সিস্টার্স নিয়ে একটি শক্তিশালী অর্থনৈতিক অঞ্চল গড়ে তোলার স্বপ্ন দেখছেন। অন্যদিকে তেজোদীপ্ত একদল স্বপ্নবাজ তরুণ রাষ্ট্র সংস্কারের লক্ষ্যপূরণে নিজেরাই প্রতিষ্ঠা করতে যাচ্ছেন একটি রাজনৈতিক দল। নতুন দলের উদ্যোক্তাদের প্রত্যাশা, তারা আগামী নির্বাচনে অংশ নেবেন। বিপুলসংখ্যক আসনে নির্বাচিত হয়ে সরকার গঠন করবেন। পাল্টে দেবেন দেশ।

এদিকে বাংলাদেশ জামায়াতে ইসলামী একটি পোড়-খাওয়া রাজনৈতিক দল। দলটির অতীত কর্মকাণ্ডের কারণে তাদের কিছু নেতাকে ঝুলতে হয়েছে ফাঁসিতে। অনেকে কারারুদ্ধ ও পরবাসী জীবন কাটিয়েছেন। এ দলকে জঙ্গি হিসেবে প্রতিষ্ঠিত করতে ইসলাম ও দাড়ি-টুপিবিদ্বেষী একটি বিশেষ মহল বরাবরই তৎপর ছিল। সেই তাদের সঙ্গেই দলটির নতুন সখ্যকে দেশের আকাশে দুর্যোগের কালো মেঘ বলছে রাজনীতিসচেতন মহল।

রাজনীতি১৬ ফেব্রুয়ারি রাতে রাজধানীর চীন মৈত্রী সম্মেলন কেন্দ্রে বাংলাদেশ অ্যাডমিনিস্ট্রেটিভ সার্ভিস অ্যাসোসিয়েশনের বার্ষিক সম্মিলনে একটি স্বপ্ন দেখানো বক্তব্য দিয়েছেন প্রধান উপদেষ্টা অধ্যাপক ড. মুহাম্মদ ইউনূস। তিনি বলেছেন, ভৌগোলিক অবস্থানের জন্য বাংলাদেশের ভবিষ্যৎ উজ্জ্বল। এটার ব্যবহার শুরু করলে তখন শিকল দিয়েও আমাদের অর্থনীতি কেউ বেঁধে রাখতে পারবে না। এ সম্ভাবনার যৌক্তিক কারণ ব্যাখ্যা করে প্রধান উপদেষ্টা বলেন, নেপাল, ভুটান ও ভারতের সেভেন সিস্টার্সের সঙ্গে রয়েছে বাণিজ্যের অমিত সম্ভাবনা। আমাদের উত্তরে নেপালে হিমালয় পর্বতে জমা আছে বিপুল হাইড্রোপাওয়ার। আমরা ইচ্ছা করলেই ওই শক্তি গ্রহণ করতে পারি। নেপাল দিতে প্রস্তুত। নেপালের হাইড্রোপাওয়ার আছে, আমাদের আছে সমুদ্র। আমাদের হাইড্রোপাওয়ার দরকার। নেপালের দরকার সমুদ্র। ভুটান ও ভারতের সেভেন সিস্টার্সেরও দরকার সমুদ্র। আমরা সৌভাগ্যবান যে, আমাদের আছে বিস্তীর্ণ সাগর ও উপকূল। শুধু এর সঠিক ব্যবহার প্রয়োজন। প্রতিবেশীদের সঙ্গে সুসম্পর্ক রেখে এটাকে একটি বিশাল অর্থনৈতিক অঞ্চল হিসেবে গড়ে তোলা যায়। আমাদের সমুদ্র ব্যবহার করে তারা তাদের মালামাল বাংলাদেশের মধ্য দিয়ে নিয়ে যাবে। এর প্রক্রিয়া শুরু হয়েছে। ভৌগোলিক অবস্থানের সুবিধা কাজে লাগিয়ে আমরা লাভবান হতে পারব।

তাঁর এমন স্বপ্নোজ্জ্বল বক্তব্য সভাস্থলে বসে শোনার সুযোগ হয়েছে। তিনি কতটা আত্মবিশ্বাসী ও দেশপ্রেমিক হলে এমন স্বপ্ন দেখতে পারেন। তাঁর সেই স্বপ্ন রাষ্ট্রের সকল পর্যায়ের শীর্ষ ব্যক্তিকে আপ্লুত করেছে। সে কারণেই সভায় উপস্থিত সবাই মুহুর্মুহু করতালি দিয়ে স্বাপ্নিক এ আন্তর্জাতিক ব্যক্তিকে অভিবাদন জানিয়েছেন। একটি স্বপ্ন, একজন দৃঢ়চেতা মানুষ ও সঠিক সময়ে সঠিক সিদ্ধান্তই বদলে দিতে পারে সবকিছু। আমরা বদলে যেতে চাই, বদলাতে চাই নিজেদের ও দেশের ভাগ্য। এখন শুধু জয়ের অপেক্ষা।

দেশের পুরোনো রাজনৈতিক দলগুলোর ওপর আস্থা না থাকায় বিপ্লবীরা নতুন একটি রাজনৈতিক দল করছেন। এ সময়ে একটি নতুন দলের জন্ম নিয়ে নানা কথা থাকলেও নতুনকে স্বাগত জানাই। তবে কিছু অপ্রিয় সত্য কথা বলে রাখা দরকার। এখন অনেকেই বিপ্লবীদের সমীহ করেন। তাদের জন্য দোয়া করেন। কিন্তু মনে রাখতে হবে, বিদ্যমান রাজনৈতিক দলগুলো নতুন সৃষ্টিকে সহজভাবে নেবে না। দলের ঘোষণা ও নেতাদের নাম প্রকাশের পরই তা টের পাওয়া যাবে। নতুন দলকে কেউ বা একটু পরখ করবে। কেউ আবার হাতি দেখার মতো করে দেখবে। দলের নেপথ্যশক্তির মেইন সুইচ খুঁজবে। ২০২৪-এর ৭ জানুয়ারির নির্বাচনের আগে যে কায়দায় কিছু দলের জন্ম হয়েছিল, কাজে কর্মে সেগুলোর মতো কি না তা বোঝার চেষ্টা করবে। আগামী নির্বাচনি দৌড়ে শিশু দলটির প্রতি অতিরিক্ত ভালোবাসা দেখিয়ে ক্ষমতাবান কেউ হাত ধরে মাঠ পার করে দেওয়ার চেষ্টা করবেন কি না, তা পর্যবেক্ষণ করবে অণুবীক্ষণ যন্ত্র দিয়ে। রাজনীতির মাঠে তাদের মোকাবিলা করতে হবে শক্ত এবং অভিজ্ঞ রাজনৈতিক দল ও রাজনীতিবিদদের। বিপ্লবের চেয়ে রাজনীতি একটু ভিন্ন।

নতুন দলে যারা নেতৃত্ব দিতে যাচ্ছেন তাদেরও ব্যক্তিগতভাবে অনেক কঠিন পরীক্ষার মুখোমুখি হতে হবে। জুলাই বিপ্লবের রণাঙ্গনের সব সাথি ক্ষমতার হিস্সার দাবিদার হয়ে সামনে দাঁড়াবেন। কেউ নেতা হতে চাইবেন, কেউ বা চাইবেন এমপি, মন্ত্রী হতে। কেউ আবার নেতৃত্বকেও চ্যালেঞ্জ করতে পারেন। সবকিছুর জন্যই প্রস্তুত থাকতে হবে।

জামায়াতে ইসলামী গতানুগতিক রাজনৈতিক দল নয়, এটি একটি ধর্মীয় আদর্শভিত্তিক দল। এর নীতি, আদর্শ ও লক্ষ্য-উদ্দেশ্য সব পবিত্র কোরআন ও সুন্নাহভিত্তিক। দলটির ৭৪ পৃষ্ঠার গঠনতন্ত্রে বিষয়টি স্পষ্ট। দলের সকল পর্যায়ের নেতা-কর্মী গঠনতন্ত্র এবং সংগঠনের নীতিমালা যতটা সম্ভব মেনে চলার চেষ্টা করেন। সে কারণে দলের পদপদবি নিয়ে কোথাও প্রকাশ্যে মারামারির কোনো ঘটনা এ যাবৎ ঘটেনি। কিন্তু অতীতে এ দলটির কোনো কোনো সিদ্ধান্তের খেসারত হিসেবে দলের নেতাদের ফাঁসির দড়িতে ঝুলতে হয়েছে। দেশকেও দিতে হয়েছে চরম মূল্য। এখন আবার আরও একটি ভুল সিদ্ধান্তের দিকে দলটি পা বাড়াচ্ছে কি না দেখার বিষয়।

শেখ মুজিবুর রহমান ক্ষমতায় থাকতে বাকশাল গঠন করে তার নিজের দল আওয়ামী লীগসহ সব দলের রাজনীতি নিষিদ্ধ করেছিলেন। পরবর্তীকালে প্রেসিডেন্ট জিয়াউর রহমান বহুদলীয় গণতন্ত্র প্রবর্তনের কারণে জামায়াতে ইসলামী ও আওয়ামী লীগ আবার নতুন করে রাজনীতি করার সুযোগ পায়। জামায়াতে ইসলামী শুধু রাজনীতি করারই সুযোগ পায়নি, দলটির নেতা অধ্যাপক গোলাম আযম পাকিস্তান থেকে বাংলাদেশে ফেরার সুযোগও পান। সে কারণেই বিএনপির সঙ্গে জামায়াতে ইসলামীর সম্পর্ক ছিল মধুর। জিয়াউর রহমান শহীদ হওয়ার পর বিভিন্ন রাজনৈতিক ইস্যু, বিশেষ করে এরশাদবিরোধী আন্দোলনে বিএনপি-জামায়াতের সম্পর্ক ছিল সুদৃঢ়। সে সম্পর্কের ভিত্তিতেই ১৯৯১ সালের ২৭ ফেব্রুয়ারির নির্বাচনে বিএনপি সরকার গঠন করে। ওই বছরের ২৯ ডিসেম্বর অধ্যাপক গোলাম আযম জামায়াতে ইসলামীর আমির পুনর্নির্বাচিত হন। যখন দলটির আমির নির্বাচিত হন তখন তিনি ছিলেন পাকিস্তানের নাগরিক। তার বিরুদ্ধে যুদ্ধাপরাধ ও পাকিস্তানের নাগরিকত্বের অভিযোগে আন্দোলন শুরু হয়। একপর্যায়ে ১৯৯২ সালের ১৯ জানুয়ারি জাহানারা ইমামের নেতৃত্বে গঠন করা হয় ১০১ সদস্যবিশিষ্ট ঘাতক দালাল নির্মূল কমিটি (ঘাদানিক)। ঘাদানিকের আন্দোলন ও চাপে তদানীন্তন বিএনপি সরকার বাধ্য হয়ে ১৯৯২ সালের ২৪ মার্চ রাতে ‘ফরেনার্স অ্যাক্টে’ অধ্যাপক গোলাম আযমকে গ্রেপ্তার করে। বিএনপি সরকারের উদ্দেশ্য ছিল আইনি প্রক্রিয়ায় গোলাম আযম নাগরিকত্ব ফিরে পান। কিন্তু আমিরকে গ্রেপ্তারের পর বিএনপির সঙ্গে সম্পর্কে ফাটল ধরে জামায়াতের। ফাটলের বিস্তৃতি এমন হয় যে, নিজের নাক কেটে অন্যের যাত্রাভঙ্গের কঠোর অবস্থানে চলে যায় জামায়াত। তত্ত্বাবধায়ক সরকার ইস্যুতে একাট্টা হয় আওয়ামী লীগ ও তার মিত্রদের সঙ্গে। সে সুযোগে ক্ষমতাপাগল শেখ হাসিনা নির্বাচনে কৌশলী মিত্র হিসেবে জামায়াতের সঙ্গে সুসম্পর্ক গড়ে তোলেন। অবশেষে জামায়াতের কৌশলগত সমর্থন নিয়ে ১৯৯৬ সালের ১২ জুনের নির্বাচনে জয়লাভ করে আওয়ামী লীগ। শেখ হাসিনার ক্ষমতা গ্রহণের কৃতিত্ব শুধু আওয়ামী লীগের ছিল না। জামায়াতে ইসলামীও তখন সেই কৃতিত্বের দাবিদার ছিল। ২১ বছর পর ক্ষমতায় ফিরে এসে আওয়ামী লীগ তার ভিত শক্ত করে। রাজনীতি বিশ্লেষকরা মনে করেন, এ নির্বাচনে আওয়ামী লীগ যদি বিজয়ী না হতো, তাহলে নির্বাচন-পরবর্তী নানা অন্তর্দ্বন্দ্বে দলটির পরিণতি মুসলিম লীগের মতো হতো।

তারপর মান-অভিমান ভুলে বিএনপি নেত্রী বেগম খালেদা জিয়া নতুন করে জামায়াতকে নিয়ে পথচলা শুরু করেন অষ্টম জাতীয় সংসদ নির্বাচন সামনে রেখে। ২০০১ সালের ১ অক্টোবর অনুষ্ঠিত নির্বাচনে বিএনপি জয়লাভ করে। বিএনপি সরকার গঠন করে জামায়াতকে ক্ষমতার হিস্সা হিসেবে দুটি মন্ত্রিপদ দেয়। একজন ছিলেন দলের তদানীন্তন আমির মতিউর রহমান নিজামী এবং অন্যজন সেক্রেটারি জেনারেল আলী আহসান  মোহাম্মাদ মুজাহিদ।

তারপর আবার শুরু হয় তত্ত্বাবধায়ক সরকারের আন্দোলন। সে আন্দোলনের পরিণতি হলো একটি মহলের ‘মাইনাস টু’ ষড়যন্ত্রের ফসল ‘ওয়ান-ইলেভেন’। সেনানিয়ন্ত্রিত তত্ত্বাবধায়ক সরকার ক্ষমতা গ্রহণের পর নানা টালবাহানা করে দুই বছর পর নির্বাচন দিতে বাধ্য হয়। সে নির্বাচনে বিএনপি নেত্রী বেগম খালেদা জিয়া অংশ না নেওয়ার ব্যাপারে শক্ত অবস্থান নেন। কিন্তু ওয়ান-ইলেভেনের কুশীলবরা অনুধাবন করতে পেরেছিল, বিএনপিকে নির্বাচনে আনতে না পারলে নির্বাচন অর্থবহ হবে না। সে কারণেই সরকারের বিশেষ অ্যাসাইনমেন্ট নিয়ে তৎপর হন আলোচিত দুই সেনা কর্মকর্তা। বিএনপির ওপর চাপ সৃষ্টি করতে তারা একটি ভুয়া জরিপ রিপোর্ট তৈরি করেন। একটি জাতীয় দৈনিক পত্রিকায় ওই ভুয়া জরিপের ভিত্তিতে বিএনপি বিপুল ভোটে জয়লাভ করবে বলে লিড নিউজ ছাপা হয়। কিন্তু বেগম খালেদা জিয়া এসব খবর আগেই জানতেন। সে কারণে তিনি ষড়যন্ত্রের নির্বাচনে অংশগ্রহণে সম্মত হননি। একপর্যায়ে তারা ভর করে জামায়াতের ওপর। ভুয়া জরিপের খবর যেদিন প্রকাশিত হয়, সেদিনই দলটির তদানীন্তন সেক্রেটারি জেনারেল আলী আহসান মোহাম্মাদ মুজাহিদ ওই পত্রিকার একটি কপি নিয়ে সাক্ষাৎ করেন বেগম খালেদা জিয়ার সঙ্গে। কুশল বিনিময়ের পর প্রসঙ্গ তোলেন নির্বাচনের। বেগম জিয়া তখন সরাসরি বলেন, ষড়যন্ত্রের নির্বাচনে অংশ নেবেন না। তখন মুজাহিদ পত্রিকাটি বেগম জিয়ার সামনে দিয়ে বলেছিলেন, ‘দেখেন পত্রিকার খবর। নির্বাচনে অংশ নিলে বিএনপি বিপুল ভোটে জয়লাভ করবে।’ বেগম জিয়া স্বভাবসুলভ মৃদু হেসে বলেছিলেন, ‘ওই জরিপ কারা করেছে, সব খবরই আমি জানি। এ জরিপের একটি কপি আমার কাছেও আছে। এসব খবর ছাপিয়ে আমার ওপর চাপ সৃষ্টি করে লাভ নেই। আমি ষড়যন্ত্রের নির্বাচনে যাব না।’ উত্তরে কিছুটা ক্ষুব্ধ হয়ে মুজাহিদ বলেছিলেন, ‘আপনি নির্বাচনে না গেলেও আমরা নির্বাচনে যাব।’ উত্তরে বেগম জিয়া উষ্মা প্রকাশ করে বলেছিলেন, ‘যেতে পারেন। এ নির্বাচনে গেলে আমি পাব ৩০টা আর আপনারা পাবেন ৩টা আসন। সব খবর আমার কাছে আছে।’ তারপর নানা চাপে বেগম জিয়া নির্বাচনে অংশ নিতে বাধ্য হন এবং আলী আহসান মুজাহিদকে তিনি যা বলেছিলেন নির্বাচনের ফল তার চেয়েও খারাপ হয়েছিল।

ষড়যন্ত্রের নির্বাচনে আওয়ামী লীগ আবার ক্ষমতায় এসে টানা ২০২৪ সালের ৫ আগস্ট পর্যন্ত সারা দেশে ফ্যাসিবাদ কায়েম করে। এ সময়ের মধ্যে শেখ মুজিব হত্যা ও যুদ্ধাপরাধের অভিযোগে জামায়াত ও বিএনপির কিছু নেতাকে ফাঁসিতে ঝোলায়। রাজনীতি বিশ্লেষকরা মনে করেন, ১৯৯৬ সালের নির্বাচনে জামায়াত যদি আওয়ামী লীগের মিত্র না হতো, তাহলে শেখ হাসিনা ক্ষমতায় আসতে পারতেন না। ওয়ান-ইলেভেনের সময় জামায়াত যদি খালেদা জিয়ার ওপর চাপপ্রয়োগ না করত তাহলে তিনি হয়তো নির্বাচনে যেতেন না। আর নির্বাচনে না গেলে শেখ হাসিনা আবার ক্ষমতায় আসতে পারতেন না। শেখ হাসিনা ক্ষমতায় না এলে জামায়াত নেতাদের হয়তো ফাঁসিতে ঝুলতে হতো না।

গত ৫৩ বছরে বাংলাদেশের রাজনীতিতে জামায়াতকে দুবার নিষিদ্ধ করা হয়। একবার করেন শেখ মুজিব। ২০২৪ সালের ১ আগস্ট নিষিদ্ধ করেন মুজিবকন্যা শেখ হাসিনা। ২০০৯ সালের নির্বাচনে শেখ হাসিনা ক্ষমতায় এসে জামায়াতকে গত ১৫ বছরে জঙ্গি হিসেবে প্রতিষ্ঠিত করার নানা অপচেষ্টা চালিয়েছেন। স্বৈরাচার শেখ হাসিনার এ অপচেষ্টার আগুনে অব্যাহতভাবে ঘি ঢেলেছে ওয়ান-ইলেভেনে মাইনাস টু ফর্মুলার উদ্ভাবক একটি মিডিয়া গোষ্ঠী। হঠাৎ করে সেই গোষ্ঠীর প্রতি জামায়াতের সখ্য সচেতন মহলে দুশ্চিন্তা সৃষ্টি করছে। নানা প্রশ্নের জন্ম দিচ্ছে। নানা কথা এদিক-ওদিক ঘুরপাক খাচ্ছে। সোজাসাপ্টাভাবে বলতে গেলে বলতে হয়, যারা ওয়ান-ইলেভেনে মাইনাস টু বাস্তবায়ন করতে চেয়েছিল, তাদের নতুন এজেন্ডা এখন ‘মাইনাস বিএনপি’। দেশবিরোধী ওই মহল নতুন এজেন্ডা বাস্তবায়নের লক্ষ্যে কি জামায়াতের দিকে বন্ধুত্বের হাত বাড়িয়ে দিয়েছে? একই এজেন্ডায় জামায়াতও কি তাদের চিরশত্রু, ইসলাম ধর্ম ও দাড়ি-টুপিবিদ্বেষী বিশেষ মহলের সঙ্গে হাত মেলাচ্ছে? দুটি প্রশ্নের উত্তর যদি ‘হ্যাঁ’ হয় তাহলে তা হবে সবার জন্য দুঃসংবাদ।

লেখক : নির্বাহী সম্পাদক, বাংলাদেশ প্রতিদিন

[email protected]

এই বিভাগের আরও খবর
শরীয়তপুরে যুদ্ধক্ষেত্র
শরীয়তপুরে যুদ্ধক্ষেত্র
শুল্ক নিয়ে তোলপাড়
শুল্ক নিয়ে তোলপাড়
রমজান পরবর্তী আমল
রমজান পরবর্তী আমল
নিরাপদ সড়কের স্বপ্ন সত্যি হবে কবে?
নিরাপদ সড়কের স্বপ্ন সত্যি হবে কবে?
কূটনীতিতে সবকিছুই সমান জটিল ও সহজ
কূটনীতিতে সবকিছুই সমান জটিল ও সহজ
জিয়ার স্মৃতি মুছে ফেলার সহজসরল পদ্ধতি!
জিয়ার স্মৃতি মুছে ফেলার সহজসরল পদ্ধতি!
তরমুজ-শসা খান
তরমুজ-শসা খান
আহা! ডিজিটাল বাংলাদেশ
আহা! ডিজিটাল বাংলাদেশ
ইউনূস-মোদি বৈঠক
ইউনূস-মোদি বৈঠক
রমজানের শিক্ষা ধরে রাখতে হবে
রমজানের শিক্ষা ধরে রাখতে হবে
ট্রাম্পের শুল্কনীতির কী প্রভাব পড়বে বাংলাদেশে
ট্রাম্পের শুল্কনীতির কী প্রভাব পড়বে বাংলাদেশে
দেশই সবকিছু, ব্যক্তি বা পরিবার নয়
দেশই সবকিছু, ব্যক্তি বা পরিবার নয়
সর্বশেষ খবর
ঝালকাঠির কাঠালিয়ার ঘোড়দৌড়
ঝালকাঠির কাঠালিয়ার ঘোড়দৌড়

৮ মিনিট আগে | দেশগ্রাম

ঝালকাঠিতে গাছ থেকে মা-ছেলের মরদেহ উদ্ধার
ঝালকাঠিতে গাছ থেকে মা-ছেলের মরদেহ উদ্ধার

২৭ মিনিট আগে | দেশগ্রাম

জুয়া বন্ধ করতে গিয়ে জুয়াড়িদের হামলার শিকার পুলিশ, আহত ৫
জুয়া বন্ধ করতে গিয়ে জুয়াড়িদের হামলার শিকার পুলিশ, আহত ৫

৪৮ মিনিট আগে | দেশগ্রাম

১২ দিন পর খুলছে তামাবিল স্থলবন্দর
১২ দিন পর খুলছে তামাবিল স্থলবন্দর

১ ঘণ্টা আগে | দেশগ্রাম

গাইবান্ধায় নিচে নামছে ভূগর্ভস্থ পানির স্তর, পানি সংকট
গাইবান্ধায় নিচে নামছে ভূগর্ভস্থ পানির স্তর, পানি সংকট

১ ঘণ্টা আগে | দেশগ্রাম

ফিলিস্তিনে গণহত্যার প্রতিবাদে ঢাবির ক্লাস-পরীক্ষা স্থগিত
ফিলিস্তিনে গণহত্যার প্রতিবাদে ঢাবির ক্লাস-পরীক্ষা স্থগিত

২ ঘণ্টা আগে | ক্যাম্পাস

ডিএনডি লেকে গোসলে নেমে মাদ্রাসা শিক্ষার্থীর মৃত্যু
ডিএনডি লেকে গোসলে নেমে মাদ্রাসা শিক্ষার্থীর মৃত্যু

৩ ঘণ্টা আগে | দেশগ্রাম

রাজবাড়ীতে নিরব হত্যার প্রধান আসামি গ্রেফতার
রাজবাড়ীতে নিরব হত্যার প্রধান আসামি গ্রেফতার

৩ ঘণ্টা আগে | দেশগ্রাম

ছেলের দায়ের কোপে আহত মায়ের মৃত্যু
ছেলের দায়ের কোপে আহত মায়ের মৃত্যু

৩ ঘণ্টা আগে | চট্টগ্রাম প্রতিদিন

ডাসারে অবৈধ স্থাপনা গুঁড়িয়ে দিলো উপজেলা প্রশাসন
ডাসারে অবৈধ স্থাপনা গুঁড়িয়ে দিলো উপজেলা প্রশাসন

৩ ঘণ্টা আগে | দেশগ্রাম

ফ্যাসিষ্টের দোসর ও নব্য বিএনপি থেকে সাবধান : মজনু
ফ্যাসিষ্টের দোসর ও নব্য বিএনপি থেকে সাবধান : মজনু

৩ ঘণ্টা আগে | দেশগ্রাম

ইসরায়েলি গণহত্যার প্রতিবাদে মুখে কালো কাপড় বেঁধে অবস্থান করবে ছাত্রদল
ইসরায়েলি গণহত্যার প্রতিবাদে মুখে কালো কাপড় বেঁধে অবস্থান করবে ছাত্রদল

৩ ঘণ্টা আগে | রাজনীতি

ঘুষ বাণিজ্যের অভিযোগে কাশিয়ানী থানার ওসি ক্লোজড
ঘুষ বাণিজ্যের অভিযোগে কাশিয়ানী থানার ওসি ক্লোজড

৩ ঘণ্টা আগে | দেশগ্রাম

‘ভারতে বিতর্কিত ওয়াকফ বিল মুসলিমদের আরো নিরাপত্তাহীন করে তুলবে’
‘ভারতে বিতর্কিত ওয়াকফ বিল মুসলিমদের আরো নিরাপত্তাহীন করে তুলবে’

৩ ঘণ্টা আগে | রাজনীতি

চট্টগ্রামে মদসহ চারজন গ্রেফতার
চট্টগ্রামে মদসহ চারজন গ্রেফতার

৩ ঘণ্টা আগে | চট্টগ্রাম প্রতিদিন

কক্সবাজারে ট্রেনে কাটা পড়ে মোটরসাইকেল আরোহী নিহত
কক্সবাজারে ট্রেনে কাটা পড়ে মোটরসাইকেল আরোহী নিহত

৪ ঘণ্টা আগে | দেশগ্রাম

চট্টগ্রামে পোশাককর্মী খুনের ঘটনায় স্বামী গ্রেফতার
চট্টগ্রামে পোশাককর্মী খুনের ঘটনায় স্বামী গ্রেফতার

৪ ঘণ্টা আগে | চট্টগ্রাম প্রতিদিন

ঈদের লম্বা ছুটিতে চট্টগ্রাম বন্দরে কনটেইনারের স্তূপ
ঈদের লম্বা ছুটিতে চট্টগ্রাম বন্দরে কনটেইনারের স্তূপ

৪ ঘণ্টা আগে | চট্টগ্রাম প্রতিদিন

ব্রাহ্মণবাড়িয়ায় বিদেশি মদসহ গ্রেফতার ৬
ব্রাহ্মণবাড়িয়ায় বিদেশি মদসহ গ্রেফতার ৬

৪ ঘণ্টা আগে | দেশগ্রাম

‘আইএমএফ বলেছে বাংলাদেশের অর্থনীতি সঠিক দিকেই আছে’
‘আইএমএফ বলেছে বাংলাদেশের অর্থনীতি সঠিক দিকেই আছে’

৪ ঘণ্টা আগে | বাণিজ্য

পৃথিবীর ‘সবুজ ফুসফুস’ নজরদারি করবে মহাকাশযান
পৃথিবীর ‘সবুজ ফুসফুস’ নজরদারি করবে মহাকাশযান

৪ ঘণ্টা আগে | বিজ্ঞান

গাইবান্ধায় কৃষকদের নিয়ে বসুন্ধরা শুভসংঘের আনন্দময় দিন
গাইবান্ধায় কৃষকদের নিয়ে বসুন্ধরা শুভসংঘের আনন্দময় দিন

৪ ঘণ্টা আগে | বসুন্ধরা শুভসংঘ

হজ ব্যবস্থাপনায় কোনো ত্রুটি বরদাশত করা হবে না : ধর্ম উপদেষ্টা
হজ ব্যবস্থাপনায় কোনো ত্রুটি বরদাশত করা হবে না : ধর্ম উপদেষ্টা

৪ ঘণ্টা আগে | জাতীয়

অতিরিক্ত ভাড়া আদায়ের দায়ে ৭ বাসকে জরিমানা
অতিরিক্ত ভাড়া আদায়ের দায়ে ৭ বাসকে জরিমানা

৪ ঘণ্টা আগে | নগর জীবন

ঈদের ছুটি পর বেনাপোল বন্দরে ফিরেছে স্বাভাবিক গতি
ঈদের ছুটি পর বেনাপোল বন্দরে ফিরেছে স্বাভাবিক গতি

৪ ঘণ্টা আগে | দেশগ্রাম

শর্টস ভিডিও নির্মাতাদের জন্য সুখবর দিল ইউটিউব
শর্টস ভিডিও নির্মাতাদের জন্য সুখবর দিল ইউটিউব

৪ ঘণ্টা আগে | টেক ওয়ার্ল্ড

গলাচিপায় শুভসংঘের উদ্যোগে জমিতে অতিরিক্ত সার ও কীটনাশক প্রয়োগ বিষয়ক সচেতনামূলক সভা
গলাচিপায় শুভসংঘের উদ্যোগে জমিতে অতিরিক্ত সার ও কীটনাশক প্রয়োগ বিষয়ক সচেতনামূলক সভা

৪ ঘণ্টা আগে | বসুন্ধরা শুভসংঘ

ট্রাম্পের সরাসরি আলোচনার প্রস্তাব প্রত্যাখ্যান করল ইরান
ট্রাম্পের সরাসরি আলোচনার প্রস্তাব প্রত্যাখ্যান করল ইরান

৪ ঘণ্টা আগে | পূর্ব-পশ্চিম

নিখোঁজ সেই গৃহবধূ পরকীয়া প্রেমিকসহ উদ্ধার
নিখোঁজ সেই গৃহবধূ পরকীয়া প্রেমিকসহ উদ্ধার

৫ ঘণ্টা আগে | দেশগ্রাম

বাউবিতে ঈদ পুনর্মিলনী অনুষ্ঠিত
বাউবিতে ঈদ পুনর্মিলনী অনুষ্ঠিত

৫ ঘণ্টা আগে | নগর জীবন

সর্বাধিক পঠিত
বিয়েবাড়ির গেটে পার্টি স্প্রে দেওয়া নিয়ে মারামারি, ভাঙলো বিয়ে
বিয়েবাড়ির গেটে পার্টি স্প্রে দেওয়া নিয়ে মারামারি, ভাঙলো বিয়ে

১১ ঘণ্টা আগে | দেশগ্রাম

বাংলাদেশসহ ১৪ দেশের ওপর সৌদির সাময়িক ভিসা নিষেধাজ্ঞা
বাংলাদেশসহ ১৪ দেশের ওপর সৌদির সাময়িক ভিসা নিষেধাজ্ঞা

১৪ ঘণ্টা আগে | পূর্ব-পশ্চিম

সরকারি কর্মচারীদের পদোন্নতি নিয়ে জরুরি নির্দেশনা
সরকারি কর্মচারীদের পদোন্নতি নিয়ে জরুরি নির্দেশনা

৮ ঘণ্টা আগে | জাতীয়

গাজায় গণহত্যা বন্ধে সোমবার বিশ্বব্যাপী ‘নো ওয়ার্ক নো স্কুল’
গাজায় গণহত্যা বন্ধে সোমবার বিশ্বব্যাপী ‘নো ওয়ার্ক নো স্কুল’

৬ ঘণ্টা আগে | জাতীয়

ভারতের ওয়াকফ সংশোধনী বিল নিয়ে যা বললেন আসিফ নজরুল
ভারতের ওয়াকফ সংশোধনী বিল নিয়ে যা বললেন আসিফ নজরুল

১৪ ঘণ্টা আগে | জাতীয়

সনাতন ধর্মাবলম্বীদের ধর্মীয় উৎসব উপলক্ষ্যে সেনাবাহিনীর নিরাপত্তা ও সহযোগিতা কার্যক্রম
সনাতন ধর্মাবলম্বীদের ধর্মীয় উৎসব উপলক্ষ্যে সেনাবাহিনীর নিরাপত্তা ও সহযোগিতা কার্যক্রম

১৬ ঘণ্টা আগে | জাতীয়

ভারতে ওয়াকফ বিল পাস হওয়ায় যে প্রতিক্রিয়া জানাল বিএনপি
ভারতে ওয়াকফ বিল পাস হওয়ায় যে প্রতিক্রিয়া জানাল বিএনপি

৯ ঘণ্টা আগে | রাজনীতি

আরাফাত রহমান কোকোর শাশুড়ি মারা গেছেন
আরাফাত রহমান কোকোর শাশুড়ি মারা গেছেন

১৭ ঘণ্টা আগে | জাতীয়

সরকারি সফরে রাশিয়া ও ক্রোয়েশিয়া গেলেন সেনাপ্রধান
সরকারি সফরে রাশিয়া ও ক্রোয়েশিয়া গেলেন সেনাপ্রধান

১৫ ঘণ্টা আগে | জাতীয়

যুক্তরাজ্যের পার্লামেন্টে ফ্ল্যাট নিয়ে টিউলিপের মিথ্যাচার
যুক্তরাজ্যের পার্লামেন্টে ফ্ল্যাট নিয়ে টিউলিপের মিথ্যাচার

১৩ ঘণ্টা আগে | জাতীয়

ভাঙচুর ও হত্যাচেষ্টা মামলায় আওয়ামীপন্থী ৬১ আইনজীবীকে কারাগারে পাঠানোর নির্দেশ
ভাঙচুর ও হত্যাচেষ্টা মামলায় আওয়ামীপন্থী ৬১ আইনজীবীকে কারাগারে পাঠানোর নির্দেশ

৭ ঘণ্টা আগে | জাতীয়

আমিরাতের সহযোগিতায় ৮ বিভাগে হবে স্পোর্টস হাব : ক্রীড়া উপদেষ্টা
আমিরাতের সহযোগিতায় ৮ বিভাগে হবে স্পোর্টস হাব : ক্রীড়া উপদেষ্টা

৯ ঘণ্টা আগে | জাতীয়

যুক্তরাষ্ট্রের সঙ্গে খনিজ চুক্তি ফাঁস: তদন্তে নেমেছে ইউক্রেন
যুক্তরাষ্ট্রের সঙ্গে খনিজ চুক্তি ফাঁস: তদন্তে নেমেছে ইউক্রেন

৮ ঘণ্টা আগে | পূর্ব-পশ্চিম

স্মার্টফোনে ‘ডু নট ডিস্টার্ব’ মোডের কাজ কী?
স্মার্টফোনে ‘ডু নট ডিস্টার্ব’ মোডের কাজ কী?

১৬ ঘণ্টা আগে | টেক ওয়ার্ল্ড

‘গৃহকর্ত্রীও নির্যাতিতা হতে পারেন’ -পরীমনির সেই ইস্যুতে ফেসবুকে ন্যান্সি
‘গৃহকর্ত্রীও নির্যাতিতা হতে পারেন’ -পরীমনির সেই ইস্যুতে ফেসবুকে ন্যান্সি

১২ ঘণ্টা আগে | শোবিজ

আইনে পরিণত হলো বিতর্কিত ওয়াকফ সংশোধনী বিল
আইনে পরিণত হলো বিতর্কিত ওয়াকফ সংশোধনী বিল

১৪ ঘণ্টা আগে | পূর্ব-পশ্চিম

ইউক্রেনে একদিনে ৪৩০ সেনা হতাহত: মস্কো
ইউক্রেনে একদিনে ৪৩০ সেনা হতাহত: মস্কো

১৬ ঘণ্টা আগে | পূর্ব-পশ্চিম

তিন মন্ত্রণালয়ে সচিব পদে রদবদল
তিন মন্ত্রণালয়ে সচিব পদে রদবদল

৯ ঘণ্টা আগে | জাতীয়

সংবাদ সম্মেলন ডেকেছে বিএনপি
সংবাদ সম্মেলন ডেকেছে বিএনপি

১৩ ঘণ্টা আগে | রাজনীতি

দেশে প্রবাসী আয়ে রেকর্ড, মার্চে এল ৩ বিলিয়ন ডলারের বেশি
দেশে প্রবাসী আয়ে রেকর্ড, মার্চে এল ৩ বিলিয়ন ডলারের বেশি

৯ ঘণ্টা আগে | বাণিজ্য

ট্রাম্প প্রশাসনের শুল্কারোপের প্রভাব সামাল দেয়া কঠিন নয় : অর্থ উপদেষ্টা
ট্রাম্প প্রশাসনের শুল্কারোপের প্রভাব সামাল দেয়া কঠিন নয় : অর্থ উপদেষ্টা

১৪ ঘণ্টা আগে | জাতীয়

ট্রাম্প-মাস্কের নীতির বিরুদ্ধে যুক্তরাষ্ট্রজুড়ে গণবিক্ষোভ
ট্রাম্প-মাস্কের নীতির বিরুদ্ধে যুক্তরাষ্ট্রজুড়ে গণবিক্ষোভ

১৬ ঘণ্টা আগে | পূর্ব-পশ্চিম

ভারতে বাস দুর্ঘটনায় নিহত ১, ছিলেন ৭০ জনের বেশি বাংলাদেশি  তীর্থযাত্রী
ভারতে বাস দুর্ঘটনায় নিহত ১, ছিলেন ৭০ জনের বেশি বাংলাদেশি তীর্থযাত্রী

১৩ ঘণ্টা আগে | পূর্ব-পশ্চিম

এসএসএফের সাবেক ডিজির ফ্ল্যাট-জমি জব্দ, ৩৪ ব্যাংক হিসাব অবরুদ্ধ
এসএসএফের সাবেক ডিজির ফ্ল্যাট-জমি জব্দ, ৩৪ ব্যাংক হিসাব অবরুদ্ধ

৮ ঘণ্টা আগে | জাতীয়

ইভ্যালির রাসেল-শামীমার তিন বছরের কারাদণ্ড
ইভ্যালির রাসেল-শামীমার তিন বছরের কারাদণ্ড

১২ ঘণ্টা আগে | জাতীয়

ঘন ঘন দূতাবাসের স্থান পরিবর্তনে বিরক্ত মালয়েশিয়া প্রবাসীরা
ঘন ঘন দূতাবাসের স্থান পরিবর্তনে বিরক্ত মালয়েশিয়া প্রবাসীরা

৮ ঘণ্টা আগে | পরবাস

গাজাবাসীর সমর্থনে সোমবার রাজপথে নামার আহ্বান সারজিসের
গাজাবাসীর সমর্থনে সোমবার রাজপথে নামার আহ্বান সারজিসের

৭ ঘণ্টা আগে | জাতীয়

বিচার চেয়ে থানায় বৃদ্ধা, ‘ভিক্ষা করে কেনা মুরগি মেরে দিল কারা?’
বিচার চেয়ে থানায় বৃদ্ধা, ‘ভিক্ষা করে কেনা মুরগি মেরে দিল কারা?’

১৩ ঘণ্টা আগে | দেশগ্রাম

ঢাকাসহ সাত বিভাগে বজ্রসহ বৃষ্টির আভাস
ঢাকাসহ সাত বিভাগে বজ্রসহ বৃষ্টির আভাস

১০ ঘণ্টা আগে | জাতীয়

ইসরায়েল সফরে গিয়ে অপমানিত দুই ব্রিটিশ নারী এমপি
ইসরায়েল সফরে গিয়ে অপমানিত দুই ব্রিটিশ নারী এমপি

১০ ঘণ্টা আগে | পূর্ব-পশ্চিম

প্রিন্ট সর্বাধিক
অনিশ্চয়তায় ১০ হাজার কোটির শিপমেন্ট
অনিশ্চয়তায় ১০ হাজার কোটির শিপমেন্ট

প্রথম পৃষ্ঠা

বিক্ষোভে উত্তাল যুক্তরাষ্ট্র
বিক্ষোভে উত্তাল যুক্তরাষ্ট্র

প্রথম পৃষ্ঠা

জিয়ার স্মৃতি মুছে ফেলার সহজসরল পদ্ধতি!
জিয়ার স্মৃতি মুছে ফেলার সহজসরল পদ্ধতি!

সম্পাদকীয়

কাজ করছে না আঙুলের ছাপ
কাজ করছে না আঙুলের ছাপ

পেছনের পৃষ্ঠা

আজকের ভাগ্যচক্র
আজকের ভাগ্যচক্র

আজকের রাশি

৮ কোটি টাকার প্রকল্পের কাজ কোটেশনে!
৮ কোটি টাকার প্রকল্পের কাজ কোটেশনে!

নগর জীবন

বিএনপিকে আওয়ামী লীগের আচরণ থেকে বের হতে হবে
বিএনপিকে আওয়ামী লীগের আচরণ থেকে বের হতে হবে

প্রথম পৃষ্ঠা

চরের জমিতে হাজার কোটি টাকার ফসল
চরের জমিতে হাজার কোটি টাকার ফসল

পেছনের পৃষ্ঠা

রাশিয়া সফরে সেনাপ্রধান
রাশিয়া সফরে সেনাপ্রধান

প্রথম পৃষ্ঠা

সংকট নেই তবু বাড়তি দরে ডলার বিক্রি
সংকট নেই তবু বাড়তি দরে ডলার বিক্রি

পেছনের পৃষ্ঠা

ওসির অপসারণ দাবিতে বিক্ষোভ
ওসির অপসারণ দাবিতে বিক্ষোভ

পেছনের পৃষ্ঠা

মন্ত্রণালয়ে যোগ দিয়েছেন ড. শেখ মইনউদ্দিন
মন্ত্রণালয়ে যোগ দিয়েছেন ড. শেখ মইনউদ্দিন

নগর জীবন

প্রধান উপদেষ্টার কাছে শহীদ পরিবারের প্রত্যাশা
প্রধান উপদেষ্টার কাছে শহীদ পরিবারের প্রত্যাশা

প্রথম পৃষ্ঠা

প্রস্তুতি শুরু নিগারদের
প্রস্তুতি শুরু নিগারদের

মাঠে ময়দানে

ধর্ষণের মিথ্যা  মামলা, গৃহবধূ জেলে
ধর্ষণের মিথ্যা মামলা, গৃহবধূ জেলে

পেছনের পৃষ্ঠা

ক্ষমতায় যাওয়ার সিঁড়ি হবে না হেফাজতে ইসলাম
ক্ষমতায় যাওয়ার সিঁড়ি হবে না হেফাজতে ইসলাম

নগর জীবন

টিউলিপের দুর্নীতির দালিলিক প্রমাণ সাকিবের বিরুদ্ধে অনুসন্ধান
টিউলিপের দুর্নীতির দালিলিক প্রমাণ সাকিবের বিরুদ্ধে অনুসন্ধান

পেছনের পৃষ্ঠা

হাছান ও তার স্ত্রীর ব্যাংকে ৭২২ কোটি টাকা লেনদেন
হাছান ও তার স্ত্রীর ব্যাংকে ৭২২ কোটি টাকা লেনদেন

পেছনের পৃষ্ঠা

এক ছাতায় বিশ্বের হাজারো উদ্যোক্তা
এক ছাতায় বিশ্বের হাজারো উদ্যোক্তা

পেছনের পৃষ্ঠা

দেবরের হাতে ভাবি খুন
দেবরের হাতে ভাবি খুন

পেছনের পৃষ্ঠা

বিএনপি নেতার ওপর হামলার প্রতিবাদে বিক্ষোভ
বিএনপি নেতার ওপর হামলার প্রতিবাদে বিক্ষোভ

দেশগ্রাম

ক্ষেপণাস্ত্রের আঘাতে বিলীন জনবসতি
ক্ষেপণাস্ত্রের আঘাতে বিলীন জনবসতি

প্রথম পৃষ্ঠা

ফাঁদে ফেলে অপহরণ মুক্তিপণ আদায়
ফাঁদে ফেলে অপহরণ মুক্তিপণ আদায়

পেছনের পৃষ্ঠা

আইএমইডিতে নতুন সচিব
আইএমইডিতে নতুন সচিব

নগর জীবন

অপপ্রচার রোধে প্রেস উইংকে ভূমিকা রাখতে হবে
অপপ্রচার রোধে প্রেস উইংকে ভূমিকা রাখতে হবে

নগর জীবন

ছেলের রামদার কোপে মায়ের মৃত্যু
ছেলের রামদার কোপে মায়ের মৃত্যু

নগর জীবন

শরীয়তপুরে বোমাবাজিতে গ্রেপ্তার ৮
শরীয়তপুরে বোমাবাজিতে গ্রেপ্তার ৮

পেছনের পৃষ্ঠা

মোবাইল ব্যবহারে বাধা দেওয়ায় কিশোরীর আত্মহনন
মোবাইল ব্যবহারে বাধা দেওয়ায় কিশোরীর আত্মহনন

নগর জীবন

দলমতের ঊর্ধ্বে দক্ষিণাঞ্চলের উন্নয়নে কাজ করতে হবে
দলমতের ঊর্ধ্বে দক্ষিণাঞ্চলের উন্নয়নে কাজ করতে হবে

নগর জীবন

কারাগারে ৬১ আইনজীবী ১৯ জনের জামিন
কারাগারে ৬১ আইনজীবী ১৯ জনের জামিন

প্রথম পৃষ্ঠা