শিরোনাম
প্রকাশ: ০০:০০, বৃহস্পতিবার, ৩০ জানুয়ারি, ২০২৫ আপডেট: ১০:৩৯, বৃহস্পতিবার, ৩০ জানুয়ারি, ২০২৫

ব্যবসার বারোটা, বাণিজ্য বেশুমার

মন্‌জুরুল ইসলাম
প্রিন্ট ভার্সন
ব্যবসার বারোটা, বাণিজ্য বেশুমার

দুই দিন আগে একটি সামাজিক অনুষ্ঠানে এক ব্যবসায়ী বন্ধুর সঙ্গে দেখা। তাঁর সঙ্গে ছিলেন আরও কয়েকজন ব্যবসায়ী। বন্ধু একাধিক গার্মেন্ট ও টেক্সটাইল কারখানার মালিক। অন্যরাও সমপর্যায়ের। আলাপে আলাপে জানতে চাইলাম কেমন আছেন ব্যবসায়ীরা? কেমন চলছে ব্যবসা? উত্তরে একজন বললেন, ব্যবসায়ীরা কেমন আছি, তা মহান আল্লাহ ভালোই জানেন। তবে ব্যবসার বারোটা বেজে গেছে। এখন শুধু হাতে হারিকেন নেওয়া বাকি। ব্যবসার বারোটা বাজলেও দেশে-বিদেশে বাণিজ্য নাকি ভালোই চলছে। ভদ্রলোকের কথা শুনে আরও কিছু শোনার আগ্রহ জাগল। এরই মধ্যে আরেকজন নিচু স্বরে কিছু কথা বললেন। কথা বলার আগে তিনি তাঁর পেছনে ও আশপাশে চোখ বুলিয়ে নিলেন। বিষয়টি আমার দৃষ্টিগোচর হওয়ায় বললাম, কথা বলার আগে কি দেখলেন? উত্তরে তিনি বললেন, এখন সাবধানে কথা বলতে হয়। কখন কে কী শুনবে আর পতিত সরকারের দোসর হিসেবে একটা সিল মেরে দেবে। সে জন্যই একটু দেখেশুনে কথা বললাম। তারপর অন্য কথায় সবাই। তবে ব্যবসার বারোটা, হাতে হারিকেন, দেশে-বিদেশে বাণিজ্যসিলমারার মতো শব্দগুলো আমার ভাবনায় কাঠ ঠোকরার মতো ঠক ঠক করতে থাকল। আমিও আমার মতো করে হিসাবনিকাশ করছিলাম। সেই সঙ্গে নিজেকে নিজে প্রশ্ন করলাম, হানিমুন পিরিয়ড কী শেষের পথে? দেয়ালে কান পাতার সময় কি এসে গেছে?

ব্যবসা ও বাণিজ্য দুটি শব্দ। শব্দ দুটির ব্যবহার একই রকম হলেও আভিধানিক অর্থ ভিন্ন। তাত্ত্বিক আলোচনাও ভিন্ন। ব্যবসা শব্দটির অর্থ ও পরিধি খুব বিস্তৃত। ব্যবসার ইংরেজি Business। সহজভাবে ব্যাখ্যা করলে মূলত ব্যবসা হলো কোনো পণ্য বা সেবা উৎপাদনের পর তা বিক্রি করে লাভ অর্জনের একটি প্রক্রিয়া। ব্যবসার কার্যক্রম শুধু পণ্য উৎপাদন ও বিক্রির মধ্যেই সীমাবদ্ধ নয়, প্রচলিত সব ধরনের অর্থনৈতিক কার্যকলাপের চালিকাশক্তি। এর লক্ষ্য শুধু লাভ করা নয়, সমাজ উন্নয়নে দায়িত্ব পালন, কর্মসংস্থান সৃষ্টি করাও অন্যতম উদ্দেশ্য। ব্যবসা একটি দেশের অর্থনীতির মেরুদণ্ড। ব্যবসার মাধ্যমে দেশের অর্থনীতি গতিশীল হয়, রাজস্ব আয় হয় এবং জীবনমানের উন্নয়ন হয়। অর্থাৎ একজন উদ্যোক্তা নিজের পুঁজি খাটিয়ে একটি শিল্প স্থাপন করেন। শিল্পে কর্মসংস্থান সৃষ্টি করেন। উৎপাদিত পণ্য বিক্রি করে মুনাফা করেন। অধীনস্থ কর্মকর্তা-কর্মচারীদের বেতন-ভাতা দেন। সরকারকে আয়কর দেন। সরকারের উন্নয়ন কর্মকাণ্ডে অংশগ্রহণ এবং সামাজিক দায়িত্বও পালন করেন।

বাংলাদেশ স্বাধীন হয়েছে ৫৩ বছর হয়ে গেছে। পাকিস্তান আমলে ২২ পরিবারের মধ্যে ব্যবসাবাণিজ্য সীমাবদ্ধ ছিল। দেশ স্বাধীন হওয়ার পর বিগত ৫৩ বছরে অনেক স্বনামধন্য শিল্পপতি ও ব্যবসায়ী ব্যক্তিত্ব দেশে সফল উদ্যোক্তা হিসেবে নিজেদের প্রতিষ্ঠা করেছেন, যাঁরা দেশের উন্নয়ন এবং জাতীয় অর্থনীতির সমৃদ্ধি সাধনে অবদান রাখছেন। বিগত সরকারগুলো সরকারি শিল্পপ্রতিষ্ঠান পরিচালনায় ব্যর্থ হলেও বেসরকারি উদ্যোক্তাদের হাতে দেশে হাজার হাজার শিল্পকারখানা প্রতিষ্ঠিত হয়েছে। এসব প্রতিষ্ঠানে তাঁরা লাখ লাখ মানুষের কর্মসংস্থান সৃষ্টি করেছেন। দক্ষ জনশক্তি তৈরি করেছেন। দেশের জন্য বৈদেশিক মুদ্রা অর্জন করছেন। নারীর ক্ষমতায়ন করেছেন। গাজীপুর, আশুলিয়াসহ গার্মেন্ট শিল্পাঞ্চলে সকাল অথবা সন্ধ্যায় কর্মজীবী নারীর দীর্ঘ সারি দেখলে বিস্মিত হতে হয়। বেসরকারি উদ্যোক্তাদের প্রতিষ্ঠিত শিল্পপ্রতিষ্ঠানে কাজ করে এই নারীরা দেশের অর্থনীতির চাকা শক্ত হাতে ঘোরাচ্ছেন। গর্বের বিষয় হলো, আমাদের জিডিপির ৮৬ শতাংশ বেসরকারি খাতের অর্থাৎ শিল্পপতি, ব্যবসায়ী বা উদ্যোক্তাদের অবদান। জিডিপির মাত্র ১৪ শতাংশ অবদান সরকারের। অথচ অনেক সুযোগ থাকা সত্ত্বেও আমলা বা কেরানি ছাড়া সরকারের কারখানা থেকে অন্য কোনো পণ্য আপাতত তৈরি হচ্ছে না। সরকার একটি চিনিকলও ঠিকমতো চালাতে পারে না। বিশাল বিশাল জুট মিল বন্ধ হয়ে গেল। সরকারি টেক্সটাইল মিলগুলোরও একই অবস্থা। অত্যন্ত প্রয়োজনীয় কর্ণফুলী কাগজের কারখানার অবস্থাও খুব শোচনীয়।

ব্যবসার বারোটা, বাণিজ্য বেশুমারতবে এটা সত্য, সরকারের সহযোগিতা বা পৃষ্ঠপোষকতা ছাড়া দেশের বেসরকারি উদ্যোক্তাদের ব্যবসা করা, শিল্প স্থাপন করা কোনোভাবেই সম্ভব নয়। সরকারি পৃষ্ঠপোষকতা প্রদান করা মানে নীতি সহায়তা প্রদান করা, ব্যবসার পরিবেশ তৈরি করে দেওয়া, শিল্পকারখানা প্রতিষ্ঠা করার জন্য জমি, বিদ্যুৎ, গ্যাস, পানিসহ উপযুক্ত অবকাঠামোগত সুবিধা প্রদান করলেই একজন ব্যবসায়ী দেশের উন্নয়নে অবদান রাখতে পারেন। বিগত সময়গুলোতে সরকার দেশের বেসরকারি শিল্প উদ্যোক্তাদের কখনো কখনো সামান্য সহযোগিতা করেছে। তবে বেশির ভাগ সময়ই গালভরা আশ্বাস এবং নানাভাবে চাপ দিয়ে ক্ষমতায় থাকার জন্য সমর্থন আদায় করে দলভারী করার অপচেষ্টা চালিয়েছে। সুবিধা দেওয়ার চেয়ে প্রচারণাই বেশি করা হয়। অতীতের সব সময়ের চেয়ে গত ১৫ বছর ব্যবসায়ীরা নানাভাবে বেশি চাপে ছিলেন। কোনো চাপ ছিল প্রকাশ্য, কোনোটি অপ্রকাশ্য। বিগত সরকার অনেক ব্যবসায়ীকে নানা চাপে রেখে অনেক সুবিধা আদায় করেছে। বিনিময়ে মুখে মুখে সব দেব- বলেও প্রকৃতপক্ষে ব্যবসায়ীরা তেমন কিছুই পায়নি। বরং বঞ্চনার শিকার হয়েছেন। ভয়ে আতঙ্কে ব্যবসায়ীরা তা প্রকাশ করতেন না। ৫ আগস্টের পর ব্যবসায়ীরা বুঝতে পেরেছেন, বিগত আওয়ামী লীগ সরকার ব্যবসায়ীদের কী ভয়াবহ ক্ষতি করেছে। সেই ক্ষতি এখন ব্যবসায়ীরা সামাল দিতে পারছেন না। ইতোমধ্যে অনেক শিল্পকারখানা বন্ধ হয়ে গেছে। লক্ষাধিক মানুষ বেকার হয়ে গেছেন। ব্যাংকের সুদহার বাড়িয়ে দেওয়া হয়েছে। ব্যাংকগুলো নতুন কোনো বেসরকারি বিনিয়োগে আগ্রহী নয়। সরকারি-বেসরকারি সব ব্যাংক এখন বন্ড ব্যবসায় অর্থ লগ্নি করছে। ডলারের দাম হু হু করে বাড়ছে। ব্যবসা ও ব্যবসায়ীদের বর্তমান অবস্থা মূল্যায়ন করে দেশের বিশিষ্ট ব্যবসায়ীব্যক্তিত্ব, এফবিসিসিআইর সাবেক সভাপতি ও বিএনপির ভাইস চেয়ারম্যান আবদুল আউয়াল মিন্টু বলেছেন, আওয়ামী লীগ সরকার দেশের অর্থনীতিকে বহুমুখী সংকটে ফেলে রেখে গেছে। বাংলাদেশ চেম্বারের সভাপতি আনোয়ার-উল আলম চৌধুরী পারভেজ বলেছেন, ব্যবসায়ীদের পিঠ দেয়ালে ঠেকে গেছে। হামীম গ্রুপের ব্যবস্থাপনা পরিচালক এ কে আজাদ বলতে বাধ্য হয়েছেন, আমি ব্যবসায়ী, এটা কি আমার অপরাধ? ব্যবসায়ীদের এসব কথায় দেশের অর্থনীতি ও ব্যবসার প্রকৃত চিত্র ফুটে উঠেছে। দেশের বেসরকারি খাত নানামুখী চাপের মধ্যে রয়েছে। বর্তমানে সবচেয়ে বড় সংকট হলো আস্থা, নিরাপত্তা ও তারল্য সংকট। তারল্য সংকটের অন্যতম কারণ হলো, শিল্পে উৎপাদন বিঘ্নিত হওয়া, ঋণের প্রবৃদ্ধি অনেক কম এবং ঋণের উচ্চ সুদহার। সেই সঙ্গে অর্থনৈতিক মন্দাবস্থা উত্তরণে ব্যবসায়ীরা সরকারের নীতি সহায়তা পাচ্ছেন না। মোট কথা, দেশের অর্থনৈতিক অবস্থা এবং ব্যবসায়ীদের বাস্তব পরিস্থিতি ভয়াবহ খারাপ। এই খারাপ পরিস্থিতি বর্তমান অন্তর্বর্তী সরকার যত তাড়াতাড়ি বুঝতে পারবে, ততই মঙ্গল। তা না হলে, কী হবে বলা মুশকিল। তবে এটুকু অন্তত অনুমান করা যায়, পেটে ভাত না থাকলে যেমন কারও হিতাহিত জ্ঞান থাকে না, তেমনি জাতীয় অর্থনীতি খারাপ হলে দেশের যারা প্রকৃত মালিক সেই জনগণেরও ধৈর্য ও সংযমের বাঁধ ভেঙে যেতে পারে।

তবে ওই সামাজিক অনুষ্ঠানে বাণিজ্য কথাটিও উঠেছিল। বাণিজ্যের আভিধানিক অর্থ একটু ভিন্ন। এর ইংরেজি Trade। অর্থাৎ এক স্থান থেকে পণ্য কিনে অন্য স্থানে বিক্রি করাই মূলত বাণিজ্য। যিনি বাণিজ্য করেন, তাকে বণিক বলা হয়। কিন্তু ওই ব্যবসায়ী ভদ্রলোক বাণিজ্যের বণিকদের কথা বলেননি। তিনি অন্য কিছু বলতে চেয়েছেন। কিছুটা বলেছেন, কিছুটা ঈঙ্গিত করেছেন। বাণিজ্য করার জন্য বণিকের নিজস্ব পুঁজি থাকতে হয়। সেই পুঁজি দিয়ে একজন বণিক এক স্থান থেকে পণ্য কিনে অন্য স্থানে বিক্রি করে মুনাফা করেন। কিন্তু ওই ব্যবসায়ী ভদ্রলোক যে বাণিজ্যের কথা বোঝাতে চেয়েছেন, তা করতে বণিকের পুঁজি একটু ভিন্ন। পুঁজি হলো, হয় নিজের ক্ষমতা অথবা মামা, চাচা, খালার ক্ষমতা। অর্থনৈতিক পুঁজি ছাড়া বাণিজ্য করে বিগত সরকারের সময়ে বহু লাল্লু পাঞ্জু শত শত কোটি টাকার মালিক হয়েছিল। তাদের টাকার গরম কমবেশি সবাই দেখেছে। সম্পদের তালিকা দেখে চোখ ছানাবড়া হয়েছে। জুলাই বিপ্লবের পর সেই টাকাওয়ালারা অনেকে এখন দেশছাড়া, অনেকে আত্মগোপনে। চোখের সামনে এসব ঘটনা দেখার পরও নতুন বণিকরা নাকি বাণিজ্য চালিয়ে যাচ্ছেন। শোনা যাচ্ছে, এখন নাকি পুত্রের ক্ষমতায় কিছু পিতা-মাতা ক্ষমতাবান হয়ে গেছেন। পুঁজি ছাড়া বাণিজ্য করার জন্য চেয়ার-টেবিল পেতে অফিসও নাকি খুলে বসেছেন। কেউ কেউ নাকি বিদেশে বসে বেশুমার বাণিজ্য চালিয়ে যাচ্ছেন। যদি তা-ই হয়, তাহলে এতগুলো তাজা প্রাণ কেন ঝরল? কয়েক হাজার মানুষ কেন আজও হাসপাতালের শয্যায় কাতরাচ্ছেন।

মুরুব্বিরা সব সময়ই বলেন, সাবধান, দেয়ালেরও কান আছে। দেয়ালের কান কেউ দেখতে না পেলেও সতর্কতার জন্য এ প্রবচন প্রচলিত। তবে দেয়ালের ভাষা আছে। ওই ভাষা প্রকাশ্য। জুলাই বিপ্লবে বিপ্লবীদের ভরসার জায়গা ছিল ওই দেয়াল। বিপ্লবীরা তাঁদের ইচ্ছার কথা, তাঁদের ত্যাগের কথা, তাঁদের আকাঙ্ক্ষার কথা, দেয়ালের কাছেই সবার আগে বলতেন। দেয়াল বিপ্লবীদের পক্ষ নিয়ে বুক উঁচিতে দাঁড়িয়ে থাকত বিপ্লবীদের  স্লোগান প্রচার করার জন্য। দেয়ালে দেয়ালে বিপ্লবীদের ভাষা স্ফুলিঙ্গের মতো ছড়িয়ে পড়ে। বুঝদার, দায়িত্বশীল মানুষ দেয়ালের ভাষা পড়ার চেষ্টা করেন এবং সৃষ্টি হয় এক নতুন অধ্যায়ের। বিপ্লবীদের ভাষায় যাকে বলা হয়, নতুন বাংলাদেশ। বিপ্লবীরা নতুন বাংলাদেশকে সঠিক নিয়মে চালানোর জন্য কিছু মানুষের ওপর আস্থা রেখেছেন। কিছু মানুষের কাছে বিপ্লবীরা তাঁদের আমানত রেখেছেন। বিপ্লবীরা চেয়েছেন, দেশের মানুষ যেন ভালো থাকে। নিত্যপণ্যের দাম যেন সহনীয় পর্যায়ে থাকে। দেশের মানুষ যেন নিরাপদে থাকে। ব্যবসাবাণিজ্য, অর্থনীতি যেন সচল ও গতিশীল থাকে। যেন আইনের শাসন প্রতিষ্ঠিত হয়। শিক্ষাঙ্গন যেন হয় শিক্ষক ও শিক্ষার্থীদের। জনগণের মৌলিক অধিকার যেন সমুন্নত থাকে। জনগণের দাবিগুলোই বিপ্লবীরা দেয়ালে দেয়ালে লিখেছিলেন।

ছয় মাস হতে চলল। একটু শক্ত করে বললে বলতে হয়, কেটে গেছে হানিমুন পিরিয়ড। এখন দেশের মানুষ এবং স্বয়ং বিপ্লবীরা দেয়ালের লেখাগুলো পড়তে শুরু করেছেন। দেয়ালে কান পেতে ভাষা বোঝার চেষ্টা করছেন। সুতরাং বিপ্লবীদের বিশ্বাসকে পুঁজি করে যাঁরা সরকারে আছেন, দয়া করে তাঁরা দেয়ালের লেখাগুলো পড়ুন। হিসাবের খাতা মিলিয়ে নিন। জনগণকে কী দেওয়ার কথা ছিল, কী দিলেন। দেয়ালে কান পাতুন। দেয়ালের ওপার থেকে চাপা স্বরের নানান শব্দ শুনতে পাবেন। মনে রাখবেন, সময়মতো জনগণ হিসাব মিলিয়ে নেবে। দুইয়ে দুইয়ে চার হয়, জনগণ তা জানে নিশ্চয়।

লেখক : নির্বাহী সম্পাদক, বাংলাদেশ প্রতিদিন

[email protected]

এই বিভাগের আরও খবর
শরীয়তপুরে যুদ্ধক্ষেত্র
শরীয়তপুরে যুদ্ধক্ষেত্র
শুল্ক নিয়ে তোলপাড়
শুল্ক নিয়ে তোলপাড়
রমজান পরবর্তী আমল
রমজান পরবর্তী আমল
নিরাপদ সড়কের স্বপ্ন সত্যি হবে কবে?
নিরাপদ সড়কের স্বপ্ন সত্যি হবে কবে?
কূটনীতিতে সবকিছুই সমান জটিল ও সহজ
কূটনীতিতে সবকিছুই সমান জটিল ও সহজ
জিয়ার স্মৃতি মুছে ফেলার সহজসরল পদ্ধতি!
জিয়ার স্মৃতি মুছে ফেলার সহজসরল পদ্ধতি!
তরমুজ-শসা খান
তরমুজ-শসা খান
আহা! ডিজিটাল বাংলাদেশ
আহা! ডিজিটাল বাংলাদেশ
ইউনূস-মোদি বৈঠক
ইউনূস-মোদি বৈঠক
রমজানের শিক্ষা ধরে রাখতে হবে
রমজানের শিক্ষা ধরে রাখতে হবে
ট্রাম্পের শুল্কনীতির কী প্রভাব পড়বে বাংলাদেশে
ট্রাম্পের শুল্কনীতির কী প্রভাব পড়বে বাংলাদেশে
দেশই সবকিছু, ব্যক্তি বা পরিবার নয়
দেশই সবকিছু, ব্যক্তি বা পরিবার নয়
সর্বশেষ খবর
ঝালকাঠির কাঠালিয়ার ঘোড়দৌড়
ঝালকাঠির কাঠালিয়ার ঘোড়দৌড়

৮ মিনিট আগে | দেশগ্রাম

ঝালকাঠিতে গাছ থেকে মা-ছেলের মরদেহ উদ্ধার
ঝালকাঠিতে গাছ থেকে মা-ছেলের মরদেহ উদ্ধার

২৭ মিনিট আগে | দেশগ্রাম

জুয়া বন্ধ করতে গিয়ে জুয়াড়িদের হামলার শিকার পুলিশ, আহত ৫
জুয়া বন্ধ করতে গিয়ে জুয়াড়িদের হামলার শিকার পুলিশ, আহত ৫

৪৮ মিনিট আগে | দেশগ্রাম

১২ দিন পর খুলছে তামাবিল স্থলবন্দর
১২ দিন পর খুলছে তামাবিল স্থলবন্দর

১ ঘণ্টা আগে | দেশগ্রাম

গাইবান্ধায় নিচে নামছে ভূগর্ভস্থ পানির স্তর, পানি সংকট
গাইবান্ধায় নিচে নামছে ভূগর্ভস্থ পানির স্তর, পানি সংকট

১ ঘণ্টা আগে | দেশগ্রাম

ফিলিস্তিনে গণহত্যার প্রতিবাদে ঢাবির ক্লাস-পরীক্ষা স্থগিত
ফিলিস্তিনে গণহত্যার প্রতিবাদে ঢাবির ক্লাস-পরীক্ষা স্থগিত

২ ঘণ্টা আগে | ক্যাম্পাস

ডিএনডি লেকে গোসলে নেমে মাদ্রাসা শিক্ষার্থীর মৃত্যু
ডিএনডি লেকে গোসলে নেমে মাদ্রাসা শিক্ষার্থীর মৃত্যু

৩ ঘণ্টা আগে | দেশগ্রাম

রাজবাড়ীতে নিরব হত্যার প্রধান আসামি গ্রেফতার
রাজবাড়ীতে নিরব হত্যার প্রধান আসামি গ্রেফতার

৩ ঘণ্টা আগে | দেশগ্রাম

ছেলের দায়ের কোপে আহত মায়ের মৃত্যু
ছেলের দায়ের কোপে আহত মায়ের মৃত্যু

৩ ঘণ্টা আগে | চট্টগ্রাম প্রতিদিন

ডাসারে অবৈধ স্থাপনা গুঁড়িয়ে দিলো উপজেলা প্রশাসন
ডাসারে অবৈধ স্থাপনা গুঁড়িয়ে দিলো উপজেলা প্রশাসন

৩ ঘণ্টা আগে | দেশগ্রাম

ফ্যাসিষ্টের দোসর ও নব্য বিএনপি থেকে সাবধান : মজনু
ফ্যাসিষ্টের দোসর ও নব্য বিএনপি থেকে সাবধান : মজনু

৩ ঘণ্টা আগে | দেশগ্রাম

ইসরায়েলি গণহত্যার প্রতিবাদে মুখে কালো কাপড় বেঁধে অবস্থান করবে ছাত্রদল
ইসরায়েলি গণহত্যার প্রতিবাদে মুখে কালো কাপড় বেঁধে অবস্থান করবে ছাত্রদল

৩ ঘণ্টা আগে | রাজনীতি

ঘুষ বাণিজ্যের অভিযোগে কাশিয়ানী থানার ওসি ক্লোজড
ঘুষ বাণিজ্যের অভিযোগে কাশিয়ানী থানার ওসি ক্লোজড

৩ ঘণ্টা আগে | দেশগ্রাম

‘ভারতে বিতর্কিত ওয়াকফ বিল মুসলিমদের আরো নিরাপত্তাহীন করে তুলবে’
‘ভারতে বিতর্কিত ওয়াকফ বিল মুসলিমদের আরো নিরাপত্তাহীন করে তুলবে’

৩ ঘণ্টা আগে | রাজনীতি

চট্টগ্রামে মদসহ চারজন গ্রেফতার
চট্টগ্রামে মদসহ চারজন গ্রেফতার

৩ ঘণ্টা আগে | চট্টগ্রাম প্রতিদিন

কক্সবাজারে ট্রেনে কাটা পড়ে মোটরসাইকেল আরোহী নিহত
কক্সবাজারে ট্রেনে কাটা পড়ে মোটরসাইকেল আরোহী নিহত

৪ ঘণ্টা আগে | দেশগ্রাম

চট্টগ্রামে পোশাককর্মী খুনের ঘটনায় স্বামী গ্রেফতার
চট্টগ্রামে পোশাককর্মী খুনের ঘটনায় স্বামী গ্রেফতার

৪ ঘণ্টা আগে | চট্টগ্রাম প্রতিদিন

ঈদের লম্বা ছুটিতে চট্টগ্রাম বন্দরে কনটেইনারের স্তূপ
ঈদের লম্বা ছুটিতে চট্টগ্রাম বন্দরে কনটেইনারের স্তূপ

৪ ঘণ্টা আগে | চট্টগ্রাম প্রতিদিন

ব্রাহ্মণবাড়িয়ায় বিদেশি মদসহ গ্রেফতার ৬
ব্রাহ্মণবাড়িয়ায় বিদেশি মদসহ গ্রেফতার ৬

৪ ঘণ্টা আগে | দেশগ্রাম

‘আইএমএফ বলেছে বাংলাদেশের অর্থনীতি সঠিক দিকেই আছে’
‘আইএমএফ বলেছে বাংলাদেশের অর্থনীতি সঠিক দিকেই আছে’

৪ ঘণ্টা আগে | বাণিজ্য

পৃথিবীর ‘সবুজ ফুসফুস’ নজরদারি করবে মহাকাশযান
পৃথিবীর ‘সবুজ ফুসফুস’ নজরদারি করবে মহাকাশযান

৪ ঘণ্টা আগে | বিজ্ঞান

গাইবান্ধায় কৃষকদের নিয়ে বসুন্ধরা শুভসংঘের আনন্দময় দিন
গাইবান্ধায় কৃষকদের নিয়ে বসুন্ধরা শুভসংঘের আনন্দময় দিন

৪ ঘণ্টা আগে | বসুন্ধরা শুভসংঘ

হজ ব্যবস্থাপনায় কোনো ত্রুটি বরদাশত করা হবে না : ধর্ম উপদেষ্টা
হজ ব্যবস্থাপনায় কোনো ত্রুটি বরদাশত করা হবে না : ধর্ম উপদেষ্টা

৪ ঘণ্টা আগে | জাতীয়

অতিরিক্ত ভাড়া আদায়ের দায়ে ৭ বাসকে জরিমানা
অতিরিক্ত ভাড়া আদায়ের দায়ে ৭ বাসকে জরিমানা

৪ ঘণ্টা আগে | নগর জীবন

ঈদের ছুটি পর বেনাপোল বন্দরে ফিরেছে স্বাভাবিক গতি
ঈদের ছুটি পর বেনাপোল বন্দরে ফিরেছে স্বাভাবিক গতি

৪ ঘণ্টা আগে | দেশগ্রাম

শর্টস ভিডিও নির্মাতাদের জন্য সুখবর দিল ইউটিউব
শর্টস ভিডিও নির্মাতাদের জন্য সুখবর দিল ইউটিউব

৪ ঘণ্টা আগে | টেক ওয়ার্ল্ড

গলাচিপায় শুভসংঘের উদ্যোগে জমিতে অতিরিক্ত সার ও কীটনাশক প্রয়োগ বিষয়ক সচেতনামূলক সভা
গলাচিপায় শুভসংঘের উদ্যোগে জমিতে অতিরিক্ত সার ও কীটনাশক প্রয়োগ বিষয়ক সচেতনামূলক সভা

৪ ঘণ্টা আগে | বসুন্ধরা শুভসংঘ

ট্রাম্পের সরাসরি আলোচনার প্রস্তাব প্রত্যাখ্যান করল ইরান
ট্রাম্পের সরাসরি আলোচনার প্রস্তাব প্রত্যাখ্যান করল ইরান

৪ ঘণ্টা আগে | পূর্ব-পশ্চিম

নিখোঁজ সেই গৃহবধূ পরকীয়া প্রেমিকসহ উদ্ধার
নিখোঁজ সেই গৃহবধূ পরকীয়া প্রেমিকসহ উদ্ধার

৫ ঘণ্টা আগে | দেশগ্রাম

বাউবিতে ঈদ পুনর্মিলনী অনুষ্ঠিত
বাউবিতে ঈদ পুনর্মিলনী অনুষ্ঠিত

৫ ঘণ্টা আগে | নগর জীবন

সর্বাধিক পঠিত
বিয়েবাড়ির গেটে পার্টি স্প্রে দেওয়া নিয়ে মারামারি, ভাঙলো বিয়ে
বিয়েবাড়ির গেটে পার্টি স্প্রে দেওয়া নিয়ে মারামারি, ভাঙলো বিয়ে

১১ ঘণ্টা আগে | দেশগ্রাম

বাংলাদেশসহ ১৪ দেশের ওপর সৌদির সাময়িক ভিসা নিষেধাজ্ঞা
বাংলাদেশসহ ১৪ দেশের ওপর সৌদির সাময়িক ভিসা নিষেধাজ্ঞা

১৪ ঘণ্টা আগে | পূর্ব-পশ্চিম

সরকারি কর্মচারীদের পদোন্নতি নিয়ে জরুরি নির্দেশনা
সরকারি কর্মচারীদের পদোন্নতি নিয়ে জরুরি নির্দেশনা

৮ ঘণ্টা আগে | জাতীয়

গাজায় গণহত্যা বন্ধে সোমবার বিশ্বব্যাপী ‘নো ওয়ার্ক নো স্কুল’
গাজায় গণহত্যা বন্ধে সোমবার বিশ্বব্যাপী ‘নো ওয়ার্ক নো স্কুল’

৬ ঘণ্টা আগে | জাতীয়

ভারতের ওয়াকফ সংশোধনী বিল নিয়ে যা বললেন আসিফ নজরুল
ভারতের ওয়াকফ সংশোধনী বিল নিয়ে যা বললেন আসিফ নজরুল

১৪ ঘণ্টা আগে | জাতীয়

সনাতন ধর্মাবলম্বীদের ধর্মীয় উৎসব উপলক্ষ্যে সেনাবাহিনীর নিরাপত্তা ও সহযোগিতা কার্যক্রম
সনাতন ধর্মাবলম্বীদের ধর্মীয় উৎসব উপলক্ষ্যে সেনাবাহিনীর নিরাপত্তা ও সহযোগিতা কার্যক্রম

১৬ ঘণ্টা আগে | জাতীয়

ভারতে ওয়াকফ বিল পাস হওয়ায় যে প্রতিক্রিয়া জানাল বিএনপি
ভারতে ওয়াকফ বিল পাস হওয়ায় যে প্রতিক্রিয়া জানাল বিএনপি

৯ ঘণ্টা আগে | রাজনীতি

আরাফাত রহমান কোকোর শাশুড়ি মারা গেছেন
আরাফাত রহমান কোকোর শাশুড়ি মারা গেছেন

১৭ ঘণ্টা আগে | জাতীয়

সরকারি সফরে রাশিয়া ও ক্রোয়েশিয়া গেলেন সেনাপ্রধান
সরকারি সফরে রাশিয়া ও ক্রোয়েশিয়া গেলেন সেনাপ্রধান

১৬ ঘণ্টা আগে | জাতীয়

যুক্তরাজ্যের পার্লামেন্টে ফ্ল্যাট নিয়ে টিউলিপের মিথ্যাচার
যুক্তরাজ্যের পার্লামেন্টে ফ্ল্যাট নিয়ে টিউলিপের মিথ্যাচার

১৩ ঘণ্টা আগে | জাতীয়

ভাঙচুর ও হত্যাচেষ্টা মামলায় আওয়ামীপন্থী ৬১ আইনজীবীকে কারাগারে পাঠানোর নির্দেশ
ভাঙচুর ও হত্যাচেষ্টা মামলায় আওয়ামীপন্থী ৬১ আইনজীবীকে কারাগারে পাঠানোর নির্দেশ

৭ ঘণ্টা আগে | জাতীয়

আমিরাতের সহযোগিতায় ৮ বিভাগে হবে স্পোর্টস হাব : ক্রীড়া উপদেষ্টা
আমিরাতের সহযোগিতায় ৮ বিভাগে হবে স্পোর্টস হাব : ক্রীড়া উপদেষ্টা

৯ ঘণ্টা আগে | জাতীয়

যুক্তরাষ্ট্রের সঙ্গে খনিজ চুক্তি ফাঁস: তদন্তে নেমেছে ইউক্রেন
যুক্তরাষ্ট্রের সঙ্গে খনিজ চুক্তি ফাঁস: তদন্তে নেমেছে ইউক্রেন

৮ ঘণ্টা আগে | পূর্ব-পশ্চিম

স্মার্টফোনে ‘ডু নট ডিস্টার্ব’ মোডের কাজ কী?
স্মার্টফোনে ‘ডু নট ডিস্টার্ব’ মোডের কাজ কী?

১৬ ঘণ্টা আগে | টেক ওয়ার্ল্ড

‘গৃহকর্ত্রীও নির্যাতিতা হতে পারেন’ -পরীমনির সেই ইস্যুতে ফেসবুকে ন্যান্সি
‘গৃহকর্ত্রীও নির্যাতিতা হতে পারেন’ -পরীমনির সেই ইস্যুতে ফেসবুকে ন্যান্সি

১২ ঘণ্টা আগে | শোবিজ

আইনে পরিণত হলো বিতর্কিত ওয়াকফ সংশোধনী বিল
আইনে পরিণত হলো বিতর্কিত ওয়াকফ সংশোধনী বিল

১৪ ঘণ্টা আগে | পূর্ব-পশ্চিম

ইউক্রেনে একদিনে ৪৩০ সেনা হতাহত: মস্কো
ইউক্রেনে একদিনে ৪৩০ সেনা হতাহত: মস্কো

১৬ ঘণ্টা আগে | পূর্ব-পশ্চিম

তিন মন্ত্রণালয়ে সচিব পদে রদবদল
তিন মন্ত্রণালয়ে সচিব পদে রদবদল

৯ ঘণ্টা আগে | জাতীয়

সংবাদ সম্মেলন ডেকেছে বিএনপি
সংবাদ সম্মেলন ডেকেছে বিএনপি

১৩ ঘণ্টা আগে | রাজনীতি

দেশে প্রবাসী আয়ে রেকর্ড, মার্চে এল ৩ বিলিয়ন ডলারের বেশি
দেশে প্রবাসী আয়ে রেকর্ড, মার্চে এল ৩ বিলিয়ন ডলারের বেশি

৯ ঘণ্টা আগে | বাণিজ্য

ট্রাম্প প্রশাসনের শুল্কারোপের প্রভাব সামাল দেয়া কঠিন নয় : অর্থ উপদেষ্টা
ট্রাম্প প্রশাসনের শুল্কারোপের প্রভাব সামাল দেয়া কঠিন নয় : অর্থ উপদেষ্টা

১৪ ঘণ্টা আগে | জাতীয়

ট্রাম্প-মাস্কের নীতির বিরুদ্ধে যুক্তরাষ্ট্রজুড়ে গণবিক্ষোভ
ট্রাম্প-মাস্কের নীতির বিরুদ্ধে যুক্তরাষ্ট্রজুড়ে গণবিক্ষোভ

১৬ ঘণ্টা আগে | পূর্ব-পশ্চিম

ভারতে বাস দুর্ঘটনায় নিহত ১, ছিলেন ৭০ জনের বেশি বাংলাদেশি  তীর্থযাত্রী
ভারতে বাস দুর্ঘটনায় নিহত ১, ছিলেন ৭০ জনের বেশি বাংলাদেশি তীর্থযাত্রী

১৪ ঘণ্টা আগে | পূর্ব-পশ্চিম

এসএসএফের সাবেক ডিজির ফ্ল্যাট-জমি জব্দ, ৩৪ ব্যাংক হিসাব অবরুদ্ধ
এসএসএফের সাবেক ডিজির ফ্ল্যাট-জমি জব্দ, ৩৪ ব্যাংক হিসাব অবরুদ্ধ

৮ ঘণ্টা আগে | জাতীয়

ইভ্যালির রাসেল-শামীমার তিন বছরের কারাদণ্ড
ইভ্যালির রাসেল-শামীমার তিন বছরের কারাদণ্ড

১২ ঘণ্টা আগে | জাতীয়

ঘন ঘন দূতাবাসের স্থান পরিবর্তনে বিরক্ত মালয়েশিয়া প্রবাসীরা
ঘন ঘন দূতাবাসের স্থান পরিবর্তনে বিরক্ত মালয়েশিয়া প্রবাসীরা

৮ ঘণ্টা আগে | পরবাস

গাজাবাসীর সমর্থনে সোমবার রাজপথে নামার আহ্বান সারজিসের
গাজাবাসীর সমর্থনে সোমবার রাজপথে নামার আহ্বান সারজিসের

৭ ঘণ্টা আগে | জাতীয়

বিচার চেয়ে থানায় বৃদ্ধা, ‘ভিক্ষা করে কেনা মুরগি মেরে দিল কারা?’
বিচার চেয়ে থানায় বৃদ্ধা, ‘ভিক্ষা করে কেনা মুরগি মেরে দিল কারা?’

১৩ ঘণ্টা আগে | দেশগ্রাম

ঢাকাসহ সাত বিভাগে বজ্রসহ বৃষ্টির আভাস
ঢাকাসহ সাত বিভাগে বজ্রসহ বৃষ্টির আভাস

১০ ঘণ্টা আগে | জাতীয়

ইসরায়েল সফরে গিয়ে অপমানিত দুই ব্রিটিশ নারী এমপি
ইসরায়েল সফরে গিয়ে অপমানিত দুই ব্রিটিশ নারী এমপি

১০ ঘণ্টা আগে | পূর্ব-পশ্চিম

প্রিন্ট সর্বাধিক
অনিশ্চয়তায় ১০ হাজার কোটির শিপমেন্ট
অনিশ্চয়তায় ১০ হাজার কোটির শিপমেন্ট

প্রথম পৃষ্ঠা

বিক্ষোভে উত্তাল যুক্তরাষ্ট্র
বিক্ষোভে উত্তাল যুক্তরাষ্ট্র

প্রথম পৃষ্ঠা

জিয়ার স্মৃতি মুছে ফেলার সহজসরল পদ্ধতি!
জিয়ার স্মৃতি মুছে ফেলার সহজসরল পদ্ধতি!

সম্পাদকীয়

কাজ করছে না আঙুলের ছাপ
কাজ করছে না আঙুলের ছাপ

পেছনের পৃষ্ঠা

আজকের ভাগ্যচক্র
আজকের ভাগ্যচক্র

আজকের রাশি

বিএনপিকে আওয়ামী লীগের আচরণ থেকে বের হতে হবে
বিএনপিকে আওয়ামী লীগের আচরণ থেকে বের হতে হবে

প্রথম পৃষ্ঠা

৮ কোটি টাকার প্রকল্পের কাজ কোটেশনে!
৮ কোটি টাকার প্রকল্পের কাজ কোটেশনে!

নগর জীবন

চরের জমিতে হাজার কোটি টাকার ফসল
চরের জমিতে হাজার কোটি টাকার ফসল

পেছনের পৃষ্ঠা

রাশিয়া সফরে সেনাপ্রধান
রাশিয়া সফরে সেনাপ্রধান

প্রথম পৃষ্ঠা

সংকট নেই তবু বাড়তি দরে ডলার বিক্রি
সংকট নেই তবু বাড়তি দরে ডলার বিক্রি

পেছনের পৃষ্ঠা

মন্ত্রণালয়ে যোগ দিয়েছেন ড. শেখ মইনউদ্দিন
মন্ত্রণালয়ে যোগ দিয়েছেন ড. শেখ মইনউদ্দিন

নগর জীবন

অপপ্রচার রোধে প্রেস উইংকে ভূমিকা রাখতে হবে
অপপ্রচার রোধে প্রেস উইংকে ভূমিকা রাখতে হবে

নগর জীবন

প্রস্তুতি শুরু নিগারদের
প্রস্তুতি শুরু নিগারদের

মাঠে ময়দানে

ওসির অপসারণ দাবিতে বিক্ষোভ
ওসির অপসারণ দাবিতে বিক্ষোভ

পেছনের পৃষ্ঠা

ক্ষেপণাস্ত্রের আঘাতে বিলীন জনবসতি
ক্ষেপণাস্ত্রের আঘাতে বিলীন জনবসতি

প্রথম পৃষ্ঠা

কারাগারে ৬১ আইনজীবী ১৯ জনের জামিন
কারাগারে ৬১ আইনজীবী ১৯ জনের জামিন

প্রথম পৃষ্ঠা

ক্ষমতায় যাওয়ার সিঁড়ি হবে না হেফাজতে ইসলাম
ক্ষমতায় যাওয়ার সিঁড়ি হবে না হেফাজতে ইসলাম

নগর জীবন

প্রধান উপদেষ্টার কাছে শহীদ পরিবারের প্রত্যাশা
প্রধান উপদেষ্টার কাছে শহীদ পরিবারের প্রত্যাশা

প্রথম পৃষ্ঠা

হাছান ও তার স্ত্রীর ব্যাংকে ৭২২ কোটি টাকা লেনদেন
হাছান ও তার স্ত্রীর ব্যাংকে ৭২২ কোটি টাকা লেনদেন

পেছনের পৃষ্ঠা

বিএনপি নেতার ওপর হামলার প্রতিবাদে বিক্ষোভ
বিএনপি নেতার ওপর হামলার প্রতিবাদে বিক্ষোভ

দেশগ্রাম

এক ছাতায় বিশ্বের হাজারো উদ্যোক্তা
এক ছাতায় বিশ্বের হাজারো উদ্যোক্তা

পেছনের পৃষ্ঠা

ধর্ষণের মিথ্যা  মামলা, গৃহবধূ জেলে
ধর্ষণের মিথ্যা মামলা, গৃহবধূ জেলে

পেছনের পৃষ্ঠা

টিউলিপের দুর্নীতির দালিলিক প্রমাণ সাকিবের বিরুদ্ধে অনুসন্ধান
টিউলিপের দুর্নীতির দালিলিক প্রমাণ সাকিবের বিরুদ্ধে অনুসন্ধান

পেছনের পৃষ্ঠা

দেবরের হাতে ভাবি খুন
দেবরের হাতে ভাবি খুন

পেছনের পৃষ্ঠা

ফাঁদে ফেলে অপহরণ মুক্তিপণ আদায়
ফাঁদে ফেলে অপহরণ মুক্তিপণ আদায়

পেছনের পৃষ্ঠা

ছেলের রামদার কোপে মায়ের মৃত্যু
ছেলের রামদার কোপে মায়ের মৃত্যু

নগর জীবন

আইএমইডিতে নতুন সচিব
আইএমইডিতে নতুন সচিব

নগর জীবন

শরীয়তপুরে বোমাবাজিতে গ্রেপ্তার ৮
শরীয়তপুরে বোমাবাজিতে গ্রেপ্তার ৮

পেছনের পৃষ্ঠা

দলমতের ঊর্ধ্বে দক্ষিণাঞ্চলের উন্নয়নে কাজ করতে হবে
দলমতের ঊর্ধ্বে দক্ষিণাঞ্চলের উন্নয়নে কাজ করতে হবে

নগর জীবন

মোবাইল ব্যবহারে বাধা দেওয়ায় কিশোরীর আত্মহনন
মোবাইল ব্যবহারে বাধা দেওয়ায় কিশোরীর আত্মহনন

নগর জীবন