শিরোনাম
প্রকাশ: ০০:০০, মঙ্গলবার, ২৮ জানুয়ারি, ২০২৫ আপডেট: ০০:৩৬, মঙ্গলবার, ২৮ জানুয়ারি, ২০২৫

দৃশ্যত উপকার, কার্যত অন্ধকার

আবু তাহের
প্রিন্ট ভার্সন
দৃশ্যত উপকার, কার্যত অন্ধকার

জন্ম ও বেড়ে ওঠা আমার যে শহরে, সেখানে রাস্তার পাশে উত্তর-দক্ষিণে প্রায় আট শ ফুট দৈর্ঘ্য ও দেড় শ ফুট প্রস্থ এক জলাশয়ে ‘মিয়া মৎস্য খামার’। গণপূর্ত বিভাগের মালিকানাধীন জলাশয়। ইজারা নিয়ে মাছ চাষ করা হচ্ছে মনে করেছিলাম। ভুল। সবই ভুল। রাজনীতিক মনশাদ উল্লাহ মিয়ার নেতৃত্বে এই খামারে মাছের চাষ চলছে। ইজারা নিতে হবে কেন? প্রাদেশিক গভর্নর আবদুল মোনায়েম খান, যাকে সম্বোধন করেন ‘ছোটভাই’ তার অভিধানে ইজারা নামে কোনো শব্দ নাই।

প্রচারবিদরা বলেছেন, চার মাস অন্তর খামারের মাছ বিক্রি করা হবে। খামারে বিনিয়োগকারীরা বছরে তিনবার লভ্যাংশ পাবেন। বিশেষজ্ঞদের দিয়ে হিসাব কষা হয়েছে; ‘পাঁচ শ টাকা বিনিয়োগ করলে প্রতি চার মাসে মাছ বিক্রি থেকে আসবে তিন শ টাকা অর্থাৎ বছরে বারো শ টাকা।’ প্রচারেই প্রসার। দেড় হাজার মানুষ পাঁচ শ টাকা করে জমা দিয়ে মনশাদ উল্লাহ মিয়ার ভাষায় ‘খামারের মালিক’ হয়ে গেলেন। বিনিয়োগ করা টাকার পরিমাণ সাড়ে সাত লাখ।

450ইতোমধ্যে একটা কাণ্ড ঘটে যায়। কড়া মেজাজের এক ব্যক্তি গণপূর্তের নির্বাহী প্রকৌশলী পদে বদলি হয়ে এলেন। অনুমতি না নিয়ে সরকারি পুকুরে মাছ চাষ করছে এমন হিম্মত কী করে হলো? গর্জে ওঠেন তিনি। হুকুম দিলেন, ‘অনধিকার চর্চার বিরুদ্ধে অ্যাকশন নাও। ডাকো পুলিশ, ধরিয়ে দাও হার্মাদগুলোকে।’ হুকুম বাস্তবায়ন প্রক্রিয়ার অংশ হিসেবে সেই ফলকটি চুরমার করে দেওয়া হলো, যেই ফলকে লেখা ‘মিয়া মৎস্য খামার’।

শাসকদলীয় রাজনীতিক মনশাদের অনুরাগীদের অন্যতম হেনজু মিয়া ছুটে গিয়েছিলেন খামারে। ফলক বিচূর্ণকরণে লিপ্ত গণপূর্ত কর্মীদের সঙ্গে হেনজু মিয়ার সংলাপ বিনিময়ভিত্তিক কেচ্ছাগুলোর মধ্যে কোনটা সহি আর কোনটা কল্পনাপ্রসূত তা নির্ণয়ের উপায় ছিল না। আমাদের মহল্লার সমাজসেবক রেজাউল করিমের মুখে ঘটনাটির একটি ভাষ্য পেয়েছি। হেনজুর বৈশিষ্ট্য বিষয়ে তিনি যেসব রসালো কথ বলেছিলেন তার সারসংক্ষেপ হচ্ছে ‘হাস্যমুখে দাস্যসুখে বিনিত জোড় কর/প্রভূপদে সোহাগ মদে দোদুল কলেবর।’

‘আস্পর্ধার একটা লিমিট থাকন দরকার।’ বলেন, হেনজু মিয়া, আমনে গো নতুন সাবরে ভূতে কামড়াইছে মনে অয়। মনশাদ মিয়া সাবের হাত কত লম্বা উনি যদি জানতেন তাইলে সাইনবোর্ড ভাঙন দূর কথা। সাইনবোর্ডের ছায়ার কাছেও আমনেগোরে আসতে কইতেন না। এখন যান, ফিররা যান। খামারের অফিসঘরে শাবল চালাইয়া নিজেগো জিন্দেগি বরবাদ কইরেন না।’ গণপূর্ত কর্মীরা বলে, ‘একজিকিউটিভ ইঞ্জিনিয়ার সাব পাঁচ মিনিটের মধ্যে আইসা পড়তেছেন। উনার সামনে পড়লে আমনের জিন্দেগি ফর্দাফাই হয়ে যাবে।’ হেনজু রুষ্টকণ্ঠে বলেন, ‘মনশাদ মিয়ার হাত কত লম্বা ...।’ গণপূর্ত কর্মীদের সর্দার বলেন : এইটা তো দেখি পাগলের ওস্তাদ পাটনাই ছাগল! নিজেদের গর্দান যাওয়ার জোগাড়, তারপরও মিয়ার হাত মিয়ার হাত করতাছে।

মিয়াদের হাত লম্বা হওয়াই নিয়ম। সাহেবদের হাতও লম্বা। অনেক লম্বা সেই হাত লগির উচ্চতা ধারণ করে। ডগায় থাকে আঁকশি, যা দিয়ে টান মেরে বশীভূত করতে হয়। সেই আঁকশিতে নিজেকে সমর্পিত করেছিলেন সদ্য-প্রাক্তন নির্বাহী প্রকৌশলী (একজিকিউটিভ ইঞ্জিনিয়ার)। গভর্নরের ছোট ভাইতুল্য রাজনীতিকের আনুগত্য স্বীকার করেছিলেন তিনি। তাই বলতেন, মানুষের উপকারের জন্য মাছ খামার গড়েছেন মনশাদ। সবার উচিত এই লিডারের সঙ্গে সহযোগিতা করা। রেজাউল করিমের মতো দুষ্টজনরা এই প্রস্তাবের জবাবে বলেছে, এই উপকারের ভিতরে ঘাপটি মেরে আছে অন্ধকার।

সাড়ে সাত লাখ টাকা যারা বিনিয়োগ করেছে, তারা কতটুকু উপকার পেয়েছে, তা কয়েক দিনের মধ্যে সবাই জেনে গেল। কবি নির্মলেন্দু গুণের লেখা এক গল্পে আছে- অনটনগ্রস্ত পরিবারের কর্তা সারা দিন বাইরে কাটিয়ে ঘরে ফিরলে রোগে কাতর শয্যাশায়ী উদ্বিগ্ন স্ত্রী বলে, টাকা এনেছ টাকা? কর্তা বলল, না। আমি তোমার জন্য একবুক হতাশা এনেছি। মিয়া মৎস্য খামারের বিনিয়োগকারীরা পেয়েছে একবুক হতাশা।

বিনিয়োগকারীদের কয়েকজন প্রতারণার মামলা ঠুকেছিলেন মনশাদ উল্লাহ মিয়ার বিরুদ্ধে। গ্রেপ্তারও হয়েছেন। হাত লম্বা হওয়ায় জামিনে মুক্তি পেয়ে যান তিনি। সরকারি সম্পত্তি জবরদখল করে মাছের খামার করার অভিযোগে মামলার আসামি হওয়ার পর তিনি নির্বাহী প্রকৌশলী বাসেতকে কত ধানে কত চাল তা বুঝিয়ে দেওয়ার হুমকি দেন। হুমকিটা যে কথার কথা না, তা প্রমাণের জন্য রাজধানীতে গিয়ে অনেক খরচও করেন। ফলোদয় হলো না। কিন্তু কেন?

প্রশ্নের উত্তর সন্ধানে অনেক মেহনত করেন হেনজু মিয়া। সমাজসেবক রেজাউল জানান, লম্বা হাতবিশিষ্ট মনিবের সামনে মৌখিক প্রতিবেদন পেশকালে ইঞ্জিনিয়ার সাবেতকে স্ত্রীর জ্যেষ্ঠ ভ্রাতার পুত্র জ্যেষ্ঠ ভ্রাতা (সুমুন্দির পুত সুমুন্দি) বলে উল্লেখ করেন হেনজু। বলেন, এই জাউরার হাত আমনের হাতের তুনো লম্বা। হ্যাতার খালতো বইনের জামাই মিনিস্টার। যে সেই মিনিস্টার না। ইম্পটেন মিনিস্টার। গভর্নর পেসিডেনরেও নাকি পাত্তা দেয় না।

‘কাজেই নিরাপত্তার স্বার্থে কত ধানে কত চাল বুঝিয়ে দেওয়ার প্রোগ্রাম বাতিল করা উত্তম’ বুদ্ধি দেন হেনজু, ‘নইলে ওরকম প্রোগ্রাম আঙ্গো বিরুদ্ধে শুরু কইরা দিতে পারে।’ খাঁটি কথা বলেছেন হেনজু। শক্তের ভক্ত নরমের যম- এই প্রবচন শুধু হেনজু মিয়া নন, আমরা যারা নিজেদের মধ্যবিত্ত পংক্তির ভদ্র সন্তান বলে জাহির করি, তাদেরও মান্য নীতি। দুর্বলের বিরুদ্ধে সিংহের মতো গর্জে ওঠা আর শক্তিমানের সমর্থনে নতজানু হওয়ার ঐতিহ্য বহন করছে আমাদের সমাজ। চণ্ডশক্তির অবর্তমানে তাকে শূলে চড়ানোর অঙ্গীকার করি আমরা। আবার চণ্ডশক্তির মুখোমুখি হলে তাকে করি কুর্নিশ।

উনিশ শ একাত্তরে গণবিরোধী ভূমিকা নিয়েছিলেন মনশাদ। মুক্তিবাহিনীকে ‘মুরগি বাহিনী’ বলে গালি দিতেন। বলতেন, পাকিস্তানের সোলজার হইল গিয়া ওয়ার্ল্ডের বেস্ট সোলজার। এই সোলজারের সঙ্গে ফাইট দেওয়া মুরগি বাহিনীর কাম না। ফাইট দিতে আইলে মুরগি মুসাল্লাম হইয়া যাবে য়্যা! নভেম্বরের শুরুতে মুক্তিবাহিনী শহরের পূর্ব প্রান্তের কাছাকাছি এসে অবস্থান নেয়। প্রতিটি রাতে ওরা ফাঁকা গুলির আওয়াজ করে। ভয়ে ক্যাম্প ফেলে চম্পট দেয় রাজাকাররা। রটনা আছে, তখন পাড়াতুতো ভাতিজা মবজলের পরামর্শে গা-ঢাকা দেন মনশাদ ও তার পারিষদরা।

জানা গেছে, মবজল যার প্রকৃত নাম মোফাজ্জল হোসেন ‘পরামর্শ’ দেয়নি, ভয় দেখিয়েছে। বলেছে, চাচা এলাহি কারবার দেখলাম। রেললাইনের পূর্ব দিকে হাই স্কুল দখল কইরা ক্যাম্প বানাইছে মুক্তিবাহিনী। কয়েক হাজার মুক্তি কিলবিল করতেছিল। আমারে দেইখা পাকিস্তানি স্পাই সন্দেহ করল। কাছে ডাইকা নিয়া জিগায়, বাড়ি কই? এলাকার নাম কইলে কয়, শুয়োরের বাচ্চা মনশাইদ্দারে চিন? কইলাম, চিনুম না কেন! আমগো বাড়ির তিন বাড়ি পরই হ্যাগো বাড়ি। মনশাদ বলেন, ‘খাইছস আমারে!’

মনশাদ দ্রুত এলাকা ছাড়েন। আমরা মবজলের কাছে জানতে চেয়েছি, উনি কোথায় গেলেন? সে বলে, শুনছি ওয়ার্ল্ডের বেস্ট সোলজাররা কুমিল্লায় পলানোর সময় হ্যাগো জিপে উঠবার চেষ্টা করতেছিলেন। একটা সোলজার লাত্থি মাইরা ফালাই দিছে। পাকা রাস্তায় চিৎ হইয়া পড়ছে। মাথায় চোট খাইছে। ব্যস্ ওফাত হইয়া গেল। ভালোই হইছে। মুক্তিরা পাইলে তো গুলিতে উনারে ফালাফালা কইরা দিত। কী কন্ দিত না?

পরের ধন আপন করে নেওয়ার সফল সাধক তো শুধু মনশাদ একা নন। তস্করবৃত্তির এই লোকরা নিপুণ হাতে ফাঁদ পাতে আর শিকার করে। তারা আলো দেখায়। আশার আলো। দ্রুত লাভবান হওয়ার জন্য উতলা মানুষ ভাবে, উপকৃত হওয়ার সুযোগ হাতছাড়া করব কেন? কিন্তু অচিরেই তারা উপলব্ধি করে, উপকারের ছদ্মবেশে জীবনটাকে অন্ধকারাচ্ছন্ন করার আয়োজন ছিল ওটা।

এ বিষয়ে সুফি সাধক ইমাম গাজ্জালি বর্ণিত গল্পটি স্মরণীয়। ফজরের আজান শোনার পর নামাজ পড়তে মসজিদে রওনা দেন ধর্মভীরু এক ব্যক্তি।  অন্ধকার থাকায় তিনি দেখতে পাননি যে বৃষ্টিতে ভিজে গেছে পথ। পিছলিয়ে কাদায় পড়ে যান তিনি। পরনের কাপড় ময়লা হয়ে গেল। নতুন পোশাক পরতে বাড়ি ফিরে গেলেন। পরিষ্কার জামাকাপড় পরে ফের তিনি রওনা দেন মসজিদে। পথিমধ্যে আবার আছাড় খেয়ে পোশাক নষ্ট হয়ে যায়। নতুন কাপড় পরে আবার মসজিদমুখো হলেন সেই মুসল্লি। মসজিদের অদূরে পৌঁছতেই আছাড় খাওয়ার উপক্রম। তিনি চিৎপাত হওয়ার আগেই একটা লোক তাকে ধরে ফেলে। সেই লোকের হাতে লন্ঠন। লোকটা বলে, চলুন। আলোর পথ দেখে দেখে হাঁটুন।

‘উপকার করলে বাবা। তোমায় ধন্যবাদ।’ বলেন মুসল্লি। লোকটি বলে, ‘আমি আপনার কোনো উপকার করিনি। করেছি নিজের উপকার।’ মুসল্লি বলেন, ‘তুমি কে গো বাবা।’ লোকটা বলে, আমি ইবলিস। আপনি প্রথমবার পড়ে যেতেই আল্লাহ আপনার জীবনের সব গুনাহ মাফ করে দেন। দ্বিতীয়বার পড়ে গেলে আপনার পড়শিদের সব গুনাহ মাফ হয়ে যায়। তৃতীয়বার যদি পড়ে যেতেন তাহলে আল্লাহ আপনার মহল্লার সবার গুনাহ মাফ করে দিতেন। আমার চোখের সামনে এত লোকের উপকার! তা কি আমি হতে দিতে পারি?

লেখক : সাংবাদিক

এই বিভাগের আরও খবর
শরীয়তপুরে যুদ্ধক্ষেত্র
শরীয়তপুরে যুদ্ধক্ষেত্র
শুল্ক নিয়ে তোলপাড়
শুল্ক নিয়ে তোলপাড়
রমজান পরবর্তী আমল
রমজান পরবর্তী আমল
নিরাপদ সড়কের স্বপ্ন সত্যি হবে কবে?
নিরাপদ সড়কের স্বপ্ন সত্যি হবে কবে?
কূটনীতিতে সবকিছুই সমান জটিল ও সহজ
কূটনীতিতে সবকিছুই সমান জটিল ও সহজ
জিয়ার স্মৃতি মুছে ফেলার সহজসরল পদ্ধতি!
জিয়ার স্মৃতি মুছে ফেলার সহজসরল পদ্ধতি!
তরমুজ-শসা খান
তরমুজ-শসা খান
আহা! ডিজিটাল বাংলাদেশ
আহা! ডিজিটাল বাংলাদেশ
ইউনূস-মোদি বৈঠক
ইউনূস-মোদি বৈঠক
রমজানের শিক্ষা ধরে রাখতে হবে
রমজানের শিক্ষা ধরে রাখতে হবে
ট্রাম্পের শুল্কনীতির কী প্রভাব পড়বে বাংলাদেশে
ট্রাম্পের শুল্কনীতির কী প্রভাব পড়বে বাংলাদেশে
দেশই সবকিছু, ব্যক্তি বা পরিবার নয়
দেশই সবকিছু, ব্যক্তি বা পরিবার নয়
সর্বশেষ খবর
হঠাৎ অসুস্থ হয়ে কুমিল্লায় সিসিইউতে ভর্তি বরকত উল্লাহ বুলু
হঠাৎ অসুস্থ হয়ে কুমিল্লায় সিসিইউতে ভর্তি বরকত উল্লাহ বুলু

৩৫ মিনিট আগে | জাতীয়

ঝালকাঠির কাঠালিয়ার ঘোড়দৌড়
ঝালকাঠির কাঠালিয়ার ঘোড়দৌড়

১ ঘণ্টা আগে | দেশগ্রাম

ঝালকাঠিতে গাছ থেকে মা-ছেলের মরদেহ উদ্ধার
ঝালকাঠিতে গাছ থেকে মা-ছেলের মরদেহ উদ্ধার

১ ঘণ্টা আগে | দেশগ্রাম

জুয়া বন্ধ করতে গিয়ে জুয়াড়িদের হামলার শিকার পুলিশ, আহত ৫
জুয়া বন্ধ করতে গিয়ে জুয়াড়িদের হামলার শিকার পুলিশ, আহত ৫

১ ঘণ্টা আগে | দেশগ্রাম

১২ দিন পর খুলছে তামাবিল স্থলবন্দর
১২ দিন পর খুলছে তামাবিল স্থলবন্দর

২ ঘণ্টা আগে | দেশগ্রাম

গাইবান্ধায় নিচে নামছে ভূগর্ভস্থ পানির স্তর, পানি সংকট
গাইবান্ধায় নিচে নামছে ভূগর্ভস্থ পানির স্তর, পানি সংকট

২ ঘণ্টা আগে | দেশগ্রাম

ফিলিস্তিনে গণহত্যার প্রতিবাদে ঢাবির ক্লাস-পরীক্ষা স্থগিত
ফিলিস্তিনে গণহত্যার প্রতিবাদে ঢাবির ক্লাস-পরীক্ষা স্থগিত

৩ ঘণ্টা আগে | ক্যাম্পাস

ডিএনডি লেকে গোসলে নেমে মাদ্রাসা শিক্ষার্থীর মৃত্যু
ডিএনডি লেকে গোসলে নেমে মাদ্রাসা শিক্ষার্থীর মৃত্যু

৪ ঘণ্টা আগে | দেশগ্রাম

রাজবাড়ীতে নিরব হত্যার প্রধান আসামি গ্রেফতার
রাজবাড়ীতে নিরব হত্যার প্রধান আসামি গ্রেফতার

৪ ঘণ্টা আগে | দেশগ্রাম

ছেলের দায়ের কোপে আহত মায়ের মৃত্যু
ছেলের দায়ের কোপে আহত মায়ের মৃত্যু

৪ ঘণ্টা আগে | চট্টগ্রাম প্রতিদিন

ডাসারে অবৈধ স্থাপনা গুঁড়িয়ে দিলো উপজেলা প্রশাসন
ডাসারে অবৈধ স্থাপনা গুঁড়িয়ে দিলো উপজেলা প্রশাসন

৪ ঘণ্টা আগে | দেশগ্রাম

ফ্যাসিষ্টের দোসর ও নব্য বিএনপি থেকে সাবধান : মজনু
ফ্যাসিষ্টের দোসর ও নব্য বিএনপি থেকে সাবধান : মজনু

৪ ঘণ্টা আগে | দেশগ্রাম

ইসরায়েলি গণহত্যার প্রতিবাদে মুখে কালো কাপড় বেঁধে অবস্থান করবে ছাত্রদল
ইসরায়েলি গণহত্যার প্রতিবাদে মুখে কালো কাপড় বেঁধে অবস্থান করবে ছাত্রদল

৪ ঘণ্টা আগে | রাজনীতি

ঘুষ বাণিজ্যের অভিযোগে কাশিয়ানী থানার ওসি ক্লোজড
ঘুষ বাণিজ্যের অভিযোগে কাশিয়ানী থানার ওসি ক্লোজড

৪ ঘণ্টা আগে | দেশগ্রাম

‘ভারতে বিতর্কিত ওয়াকফ বিল মুসলিমদের আরো নিরাপত্তাহীন করে তুলবে’
‘ভারতে বিতর্কিত ওয়াকফ বিল মুসলিমদের আরো নিরাপত্তাহীন করে তুলবে’

৪ ঘণ্টা আগে | রাজনীতি

চট্টগ্রামে মদসহ চারজন গ্রেফতার
চট্টগ্রামে মদসহ চারজন গ্রেফতার

৪ ঘণ্টা আগে | চট্টগ্রাম প্রতিদিন

কক্সবাজারে ট্রেনে কাটা পড়ে মোটরসাইকেল আরোহী নিহত
কক্সবাজারে ট্রেনে কাটা পড়ে মোটরসাইকেল আরোহী নিহত

৪ ঘণ্টা আগে | দেশগ্রাম

চট্টগ্রামে পোশাককর্মী খুনের ঘটনায় স্বামী গ্রেফতার
চট্টগ্রামে পোশাককর্মী খুনের ঘটনায় স্বামী গ্রেফতার

৫ ঘণ্টা আগে | চট্টগ্রাম প্রতিদিন

ঈদের লম্বা ছুটিতে চট্টগ্রাম বন্দরে কনটেইনারের স্তূপ
ঈদের লম্বা ছুটিতে চট্টগ্রাম বন্দরে কনটেইনারের স্তূপ

৫ ঘণ্টা আগে | চট্টগ্রাম প্রতিদিন

ব্রাহ্মণবাড়িয়ায় বিদেশি মদসহ গ্রেফতার ৬
ব্রাহ্মণবাড়িয়ায় বিদেশি মদসহ গ্রেফতার ৬

৫ ঘণ্টা আগে | দেশগ্রাম

‘আইএমএফ বলেছে বাংলাদেশের অর্থনীতি সঠিক দিকেই আছে’
‘আইএমএফ বলেছে বাংলাদেশের অর্থনীতি সঠিক দিকেই আছে’

৫ ঘণ্টা আগে | বাণিজ্য

পৃথিবীর ‘সবুজ ফুসফুস’ নজরদারি করবে মহাকাশযান
পৃথিবীর ‘সবুজ ফুসফুস’ নজরদারি করবে মহাকাশযান

৫ ঘণ্টা আগে | বিজ্ঞান

গাইবান্ধায় কৃষকদের নিয়ে বসুন্ধরা শুভসংঘের আনন্দময় দিন
গাইবান্ধায় কৃষকদের নিয়ে বসুন্ধরা শুভসংঘের আনন্দময় দিন

৫ ঘণ্টা আগে | বসুন্ধরা শুভসংঘ

হজ ব্যবস্থাপনায় কোনো ত্রুটি বরদাশত করা হবে না : ধর্ম উপদেষ্টা
হজ ব্যবস্থাপনায় কোনো ত্রুটি বরদাশত করা হবে না : ধর্ম উপদেষ্টা

৫ ঘণ্টা আগে | জাতীয়

অতিরিক্ত ভাড়া আদায়ের দায়ে ৭ বাসকে জরিমানা
অতিরিক্ত ভাড়া আদায়ের দায়ে ৭ বাসকে জরিমানা

৫ ঘণ্টা আগে | নগর জীবন

ঈদের ছুটি পর বেনাপোল বন্দরে ফিরেছে স্বাভাবিক গতি
ঈদের ছুটি পর বেনাপোল বন্দরে ফিরেছে স্বাভাবিক গতি

৫ ঘণ্টা আগে | দেশগ্রাম

শর্টস ভিডিও নির্মাতাদের জন্য সুখবর দিল ইউটিউব
শর্টস ভিডিও নির্মাতাদের জন্য সুখবর দিল ইউটিউব

৫ ঘণ্টা আগে | টেক ওয়ার্ল্ড

গলাচিপায় শুভসংঘের উদ্যোগে জমিতে অতিরিক্ত সার ও কীটনাশক প্রয়োগ বিষয়ক সচেতনামূলক সভা
গলাচিপায় শুভসংঘের উদ্যোগে জমিতে অতিরিক্ত সার ও কীটনাশক প্রয়োগ বিষয়ক সচেতনামূলক সভা

৫ ঘণ্টা আগে | বসুন্ধরা শুভসংঘ

ট্রাম্পের সরাসরি আলোচনার প্রস্তাব প্রত্যাখ্যান করল ইরান
ট্রাম্পের সরাসরি আলোচনার প্রস্তাব প্রত্যাখ্যান করল ইরান

৫ ঘণ্টা আগে | পূর্ব-পশ্চিম

নিখোঁজ সেই গৃহবধূ পরকীয়া প্রেমিকসহ উদ্ধার
নিখোঁজ সেই গৃহবধূ পরকীয়া প্রেমিকসহ উদ্ধার

৫ ঘণ্টা আগে | দেশগ্রাম

সর্বাধিক পঠিত
বিয়েবাড়ির গেটে পার্টি স্প্রে দেওয়া নিয়ে মারামারি, ভাঙলো বিয়ে
বিয়েবাড়ির গেটে পার্টি স্প্রে দেওয়া নিয়ে মারামারি, ভাঙলো বিয়ে

১২ ঘণ্টা আগে | দেশগ্রাম

বাংলাদেশসহ ১৪ দেশের ওপর সৌদির সাময়িক ভিসা নিষেধাজ্ঞা
বাংলাদেশসহ ১৪ দেশের ওপর সৌদির সাময়িক ভিসা নিষেধাজ্ঞা

১৪ ঘণ্টা আগে | পূর্ব-পশ্চিম

সরকারি কর্মচারীদের পদোন্নতি নিয়ে জরুরি নির্দেশনা
সরকারি কর্মচারীদের পদোন্নতি নিয়ে জরুরি নির্দেশনা

৯ ঘণ্টা আগে | জাতীয়

গাজায় গণহত্যা বন্ধে সোমবার বিশ্বব্যাপী ‘নো ওয়ার্ক নো স্কুল’
গাজায় গণহত্যা বন্ধে সোমবার বিশ্বব্যাপী ‘নো ওয়ার্ক নো স্কুল’

৬ ঘণ্টা আগে | জাতীয়

ভারতের ওয়াকফ সংশোধনী বিল নিয়ে যা বললেন আসিফ নজরুল
ভারতের ওয়াকফ সংশোধনী বিল নিয়ে যা বললেন আসিফ নজরুল

১৫ ঘণ্টা আগে | জাতীয়

সনাতন ধর্মাবলম্বীদের ধর্মীয় উৎসব উপলক্ষ্যে সেনাবাহিনীর নিরাপত্তা ও সহযোগিতা কার্যক্রম
সনাতন ধর্মাবলম্বীদের ধর্মীয় উৎসব উপলক্ষ্যে সেনাবাহিনীর নিরাপত্তা ও সহযোগিতা কার্যক্রম

১৬ ঘণ্টা আগে | জাতীয়

ভারতে ওয়াকফ বিল পাস হওয়ায় যে প্রতিক্রিয়া জানাল বিএনপি
ভারতে ওয়াকফ বিল পাস হওয়ায় যে প্রতিক্রিয়া জানাল বিএনপি

৯ ঘণ্টা আগে | রাজনীতি

আরাফাত রহমান কোকোর শাশুড়ি মারা গেছেন
আরাফাত রহমান কোকোর শাশুড়ি মারা গেছেন

১৭ ঘণ্টা আগে | জাতীয়

সরকারি সফরে রাশিয়া ও ক্রোয়েশিয়া গেলেন সেনাপ্রধান
সরকারি সফরে রাশিয়া ও ক্রোয়েশিয়া গেলেন সেনাপ্রধান

১৬ ঘণ্টা আগে | জাতীয়

ভাঙচুর ও হত্যাচেষ্টা মামলায় আওয়ামীপন্থী ৬১ আইনজীবীকে কারাগারে পাঠানোর নির্দেশ
ভাঙচুর ও হত্যাচেষ্টা মামলায় আওয়ামীপন্থী ৬১ আইনজীবীকে কারাগারে পাঠানোর নির্দেশ

৮ ঘণ্টা আগে | জাতীয়

যুক্তরাজ্যের পার্লামেন্টে ফ্ল্যাট নিয়ে টিউলিপের মিথ্যাচার
যুক্তরাজ্যের পার্লামেন্টে ফ্ল্যাট নিয়ে টিউলিপের মিথ্যাচার

১৩ ঘণ্টা আগে | জাতীয়

আমিরাতের সহযোগিতায় ৮ বিভাগে হবে স্পোর্টস হাব : ক্রীড়া উপদেষ্টা
আমিরাতের সহযোগিতায় ৮ বিভাগে হবে স্পোর্টস হাব : ক্রীড়া উপদেষ্টা

১০ ঘণ্টা আগে | জাতীয়

যুক্তরাষ্ট্রের সঙ্গে খনিজ চুক্তি ফাঁস: তদন্তে নেমেছে ইউক্রেন
যুক্তরাষ্ট্রের সঙ্গে খনিজ চুক্তি ফাঁস: তদন্তে নেমেছে ইউক্রেন

৯ ঘণ্টা আগে | পূর্ব-পশ্চিম

স্মার্টফোনে ‘ডু নট ডিস্টার্ব’ মোডের কাজ কী?
স্মার্টফোনে ‘ডু নট ডিস্টার্ব’ মোডের কাজ কী?

১৭ ঘণ্টা আগে | টেক ওয়ার্ল্ড

‘গৃহকর্ত্রীও নির্যাতিতা হতে পারেন’ -পরীমনির সেই ইস্যুতে ফেসবুকে ন্যান্সি
‘গৃহকর্ত্রীও নির্যাতিতা হতে পারেন’ -পরীমনির সেই ইস্যুতে ফেসবুকে ন্যান্সি

১৩ ঘণ্টা আগে | শোবিজ

আইনে পরিণত হলো বিতর্কিত ওয়াকফ সংশোধনী বিল
আইনে পরিণত হলো বিতর্কিত ওয়াকফ সংশোধনী বিল

১৫ ঘণ্টা আগে | পূর্ব-পশ্চিম

ইউক্রেনে একদিনে ৪৩০ সেনা হতাহত: মস্কো
ইউক্রেনে একদিনে ৪৩০ সেনা হতাহত: মস্কো

১৭ ঘণ্টা আগে | পূর্ব-পশ্চিম

তিন মন্ত্রণালয়ে সচিব পদে রদবদল
তিন মন্ত্রণালয়ে সচিব পদে রদবদল

১০ ঘণ্টা আগে | জাতীয়

সংবাদ সম্মেলন ডেকেছে বিএনপি
সংবাদ সম্মেলন ডেকেছে বিএনপি

১৪ ঘণ্টা আগে | রাজনীতি

দেশে প্রবাসী আয়ে রেকর্ড, মার্চে এল ৩ বিলিয়ন ডলারের বেশি
দেশে প্রবাসী আয়ে রেকর্ড, মার্চে এল ৩ বিলিয়ন ডলারের বেশি

১০ ঘণ্টা আগে | বাণিজ্য

ট্রাম্প প্রশাসনের শুল্কারোপের প্রভাব সামাল দেয়া কঠিন নয় : অর্থ উপদেষ্টা
ট্রাম্প প্রশাসনের শুল্কারোপের প্রভাব সামাল দেয়া কঠিন নয় : অর্থ উপদেষ্টা

১৪ ঘণ্টা আগে | জাতীয়

ট্রাম্প-মাস্কের নীতির বিরুদ্ধে যুক্তরাষ্ট্রজুড়ে গণবিক্ষোভ
ট্রাম্প-মাস্কের নীতির বিরুদ্ধে যুক্তরাষ্ট্রজুড়ে গণবিক্ষোভ

১৬ ঘণ্টা আগে | পূর্ব-পশ্চিম

এসএসএফের সাবেক ডিজির ফ্ল্যাট-জমি জব্দ, ৩৪ ব্যাংক হিসাব অবরুদ্ধ
এসএসএফের সাবেক ডিজির ফ্ল্যাট-জমি জব্দ, ৩৪ ব্যাংক হিসাব অবরুদ্ধ

৯ ঘণ্টা আগে | জাতীয়

ভারতে বাস দুর্ঘটনায় নিহত ১, ছিলেন ৭০ জনের বেশি বাংলাদেশি  তীর্থযাত্রী
ভারতে বাস দুর্ঘটনায় নিহত ১, ছিলেন ৭০ জনের বেশি বাংলাদেশি তীর্থযাত্রী

১৪ ঘণ্টা আগে | পূর্ব-পশ্চিম

ইভ্যালির রাসেল-শামীমার তিন বছরের কারাদণ্ড
ইভ্যালির রাসেল-শামীমার তিন বছরের কারাদণ্ড

১৩ ঘণ্টা আগে | জাতীয়

ঘন ঘন দূতাবাসের স্থান পরিবর্তনে বিরক্ত মালয়েশিয়া প্রবাসীরা
ঘন ঘন দূতাবাসের স্থান পরিবর্তনে বিরক্ত মালয়েশিয়া প্রবাসীরা

৮ ঘণ্টা আগে | পরবাস

গাজাবাসীর সমর্থনে সোমবার রাজপথে নামার আহ্বান সারজিসের
গাজাবাসীর সমর্থনে সোমবার রাজপথে নামার আহ্বান সারজিসের

৮ ঘণ্টা আগে | জাতীয়

বিচার চেয়ে থানায় বৃদ্ধা, ‘ভিক্ষা করে কেনা মুরগি মেরে দিল কারা?’
বিচার চেয়ে থানায় বৃদ্ধা, ‘ভিক্ষা করে কেনা মুরগি মেরে দিল কারা?’

১৪ ঘণ্টা আগে | দেশগ্রাম

ঢাকাসহ সাত বিভাগে বজ্রসহ বৃষ্টির আভাস
ঢাকাসহ সাত বিভাগে বজ্রসহ বৃষ্টির আভাস

১১ ঘণ্টা আগে | জাতীয়

ইসরায়েল সফরে গিয়ে অপমানিত দুই ব্রিটিশ নারী এমপি
ইসরায়েল সফরে গিয়ে অপমানিত দুই ব্রিটিশ নারী এমপি

১১ ঘণ্টা আগে | পূর্ব-পশ্চিম

প্রিন্ট সর্বাধিক
অনিশ্চয়তায় ১০ হাজার কোটির শিপমেন্ট
অনিশ্চয়তায় ১০ হাজার কোটির শিপমেন্ট

প্রথম পৃষ্ঠা

বিক্ষোভে উত্তাল যুক্তরাষ্ট্র
বিক্ষোভে উত্তাল যুক্তরাষ্ট্র

প্রথম পৃষ্ঠা

জিয়ার স্মৃতি মুছে ফেলার সহজসরল পদ্ধতি!
জিয়ার স্মৃতি মুছে ফেলার সহজসরল পদ্ধতি!

সম্পাদকীয়

কাজ করছে না আঙুলের ছাপ
কাজ করছে না আঙুলের ছাপ

পেছনের পৃষ্ঠা

আজকের ভাগ্যচক্র
আজকের ভাগ্যচক্র

আজকের রাশি

বিএনপিকে আওয়ামী লীগের আচরণ থেকে বের হতে হবে
বিএনপিকে আওয়ামী লীগের আচরণ থেকে বের হতে হবে

প্রথম পৃষ্ঠা

৮ কোটি টাকার প্রকল্পের কাজ কোটেশনে!
৮ কোটি টাকার প্রকল্পের কাজ কোটেশনে!

নগর জীবন

চরের জমিতে হাজার কোটি টাকার ফসল
চরের জমিতে হাজার কোটি টাকার ফসল

পেছনের পৃষ্ঠা

অপপ্রচার রোধে প্রেস উইংকে ভূমিকা রাখতে হবে
অপপ্রচার রোধে প্রেস উইংকে ভূমিকা রাখতে হবে

নগর জীবন

সংকট নেই তবু বাড়তি দরে ডলার বিক্রি
সংকট নেই তবু বাড়তি দরে ডলার বিক্রি

পেছনের পৃষ্ঠা

রাশিয়া সফরে সেনাপ্রধান
রাশিয়া সফরে সেনাপ্রধান

প্রথম পৃষ্ঠা

স্কটল্যান্ডকে হারালেন নিগাররা
স্কটল্যান্ডকে হারালেন নিগাররা

মাঠে ময়দানে

প্রধান উপদেষ্টার কাছে শহীদ পরিবারের প্রত্যাশা
প্রধান উপদেষ্টার কাছে শহীদ পরিবারের প্রত্যাশা

প্রথম পৃষ্ঠা

ক্ষেপণাস্ত্রের আঘাতে বিলীন জনবসতি
ক্ষেপণাস্ত্রের আঘাতে বিলীন জনবসতি

প্রথম পৃষ্ঠা

মন্ত্রণালয়ে যোগ দিয়েছেন ড. শেখ মইনউদ্দিন
মন্ত্রণালয়ে যোগ দিয়েছেন ড. শেখ মইনউদ্দিন

নগর জীবন

কারাগারে ৬১ আইনজীবী জামিন ১৯, পালালেন ৩ জন
কারাগারে ৬১ আইনজীবী জামিন ১৯, পালালেন ৩ জন

প্রথম পৃষ্ঠা

ওসির অপসারণ দাবিতে বিক্ষোভ
ওসির অপসারণ দাবিতে বিক্ষোভ

পেছনের পৃষ্ঠা

ধর্ষণের মিথ্যা মামলা গৃহবধূ জেলে
ধর্ষণের মিথ্যা মামলা গৃহবধূ জেলে

পেছনের পৃষ্ঠা

হাছান ও তার স্ত্রীর ব্যাংকে ৭২২ কোটি টাকা লেনদেন
হাছান ও তার স্ত্রীর ব্যাংকে ৭২২ কোটি টাকা লেনদেন

পেছনের পৃষ্ঠা

ক্ষমতায় যাওয়ার সিঁড়ি হবে না হেফাজতে ইসলাম
ক্ষমতায় যাওয়ার সিঁড়ি হবে না হেফাজতে ইসলাম

নগর জীবন

এক ছাতায় বিশ্বের হাজারো উদ্যোক্তা
এক ছাতায় বিশ্বের হাজারো উদ্যোক্তা

পেছনের পৃষ্ঠা

বিএনপি নেতার ওপর হামলার প্রতিবাদে বিক্ষোভ
বিএনপি নেতার ওপর হামলার প্রতিবাদে বিক্ষোভ

দেশগ্রাম

দেবরের হাতে ভাবি খুন
দেবরের হাতে ভাবি খুন

পেছনের পৃষ্ঠা

টিউলিপের দুর্নীতির দালিলিক প্রমাণ সাকিবের বিরুদ্ধে অনুসন্ধান
টিউলিপের দুর্নীতির দালিলিক প্রমাণ সাকিবের বিরুদ্ধে অনুসন্ধান

পেছনের পৃষ্ঠা

ছেলের রামদার কোপে মায়ের মৃত্যু
ছেলের রামদার কোপে মায়ের মৃত্যু

নগর জীবন

শরীয়তপুরে বোমাবাজিতে গ্রেপ্তার ৮
শরীয়তপুরে বোমাবাজিতে গ্রেপ্তার ৮

পেছনের পৃষ্ঠা

আইএমইডিতে নতুন সচিব
আইএমইডিতে নতুন সচিব

নগর জীবন

ফাঁদে ফেলে অপহরণ মুক্তিপণ আদায়
ফাঁদে ফেলে অপহরণ মুক্তিপণ আদায়

পেছনের পৃষ্ঠা

দলমতের ঊর্ধ্বে দক্ষিণাঞ্চলের উন্নয়নে কাজ করতে হবে
দলমতের ঊর্ধ্বে দক্ষিণাঞ্চলের উন্নয়নে কাজ করতে হবে

নগর জীবন

মোবাইল ব্যবহারে বাধা দেওয়ায় কিশোরীর আত্মহনন
মোবাইল ব্যবহারে বাধা দেওয়ায় কিশোরীর আত্মহনন

নগর জীবন