শিরোনাম
প্রকাশ: ০০:০০, মঙ্গলবার, ২১ জানুয়ারি, ২০২৫

বাংলাদেশের আরাকান নীতি কেমন হওয়া উচিত?

প্রফেসর এস কে তৌফিক এম হক, প্রফেসর এম এ রশীদ, ড. খান শরীফুজ্জামান
প্রিন্ট ভার্সন
বাংলাদেশের আরাকান নীতি কেমন হওয়া উচিত?

কথিত আছে প্রতিবেশী বদলানো যায় না। কিন্তু কথাটি সব সময় ঠিক নয়। কারণ প্রতিবেশীর বাড়ি যদি বিক্রি হয়ে যায় বা অন্য কেউ জোর করে দখল করে নেয়, তাহলে তো প্রতিবেশী পরিবর্তন হয়ে যায়। প্রতিবেশীর চরিত্র বা শক্তি বদলালে তার আচরণও বদলে যেতে পারে। এমন পরিবর্তিত পরিস্থিতি যদি দেশের ক্ষেত্রেও ঘটে, সে ক্ষেত্রে নতুন প্রতিবেশীর সঙ্গে সম্পর্ক কেমন হবে? সে আমার জন্য কতটা নিরাপত্তাঝুঁকির কারণ হতে পারে এবং তার সঙ্গে দ্বিপক্ষীয় আর্থিক ও রাজনৈতিক সম্পর্ক কেমন হওয়া উচিত সে বিষয়ে যদি কোনো রাষ্ট্র সুদূরপ্রসারী চিন্তাভাবনা না করে এগোয়, তাহলে সেই প্রতিবেশীর কাছ থেকে সুবিধা ও ভালো ব্যবহার পাওয়া কঠিন হয়ে যায়। যে অবস্থার মুখোমুখি আজ বাংলাদেশ। ভুলনীতির কারণে আরাকান আর্মি আমাদের বন্ধু না হয়ে আজ হুমকি হয়ে দাঁড়িয়েছে অথচ সাম্প্রতিক ইতিহাসেও মুসলিম-অধ্যুষিত রাখাইন বা আরাকান ছিল বাংলাদেশের অংশ। ভাষা ও সংস্কৃতির দিক থেকে তাদের সঙ্গে বাংলাদেশিদের কিছু মিল আছে। এখানকার ৪৫ লাখ জনসংখ্যার প্রায় অর্ধেক ছিল মুসলিম। আর এই মুসলিম-অধ্যুষিত রাজ্যটি স্বাধীনতা লাভ করলে বাংলাদেশের সঙ্গে তাদের সুসম্পর্ক থাকারই কথা ছিল; কিন্তু হয়েছে তার বিপরীত; বিগত সরকারের ভুল রাজনৈতিক ও কূটনৈতিক পদক্ষেপের কারণে। মুহাম্মদ আলী জিন্নাহর এক ভুলে আরাকান যুক্ত হয় মিয়ানমারের সঙ্গে আর দ্বিতীয় বড় ভুলটা হলো বিগত আওয়ামী লীগ সরকারের সময়ে। এই স্বাধীনতাকামী আরাকান আর্মি গত ৯ মাসে মিয়ানমার জান্তা সরকারের বিরুদ্ধে যুদ্ধে অসাধারণ কৃতিত্ব দেখিয়ে রাখাইন প্রদেশের সিংহ ভাগ এলাকার নিয়ন্ত্রণ নিজেদের হাতে নিয়েছে। তারা দ্রুত জনপ্রিয়তা অর্জনের পাশাপাশি Arakan People's Revolution Government গঠন করেছে। বাংলাদেশের সাম্প্রতিক কিছু কৌশলগত ও কূটনৈতিক ব্যর্থতার কারণে এখন আরাকান আর্মির সঙ্গে সুসম্পর্ক গড়ে তোলা চ্যালেঞ্জের বিষয় হয়ে পড়েছে।

চীন ও যুক্তরাষ্ট্রের গুরুত্বপূর্ণ জাতীয় স্বার্থ যুক্ত রয়েছে ভূরাজনৈতিকভাবে গুরুত্বপূর্ণ এই আরাকান বা রাখাইনে। ৮০ শতাংশ চীনের মালিকানায় একটি গভীর সমুদ্রবন্দর নির্মিত হয়েছে রাখাইনে। এ বন্দর থেকে চীনের কুনমিং পর্যন্ত দুটি পাইপলাইনের একটি দিয়ে পেট্রোলিয়াম এবং অন্যটি দিয়ে গ্যাস নিয়ে যাওয়া হয়। বর্তমানে চীনের জ্বালানি সরবরাহের প্রধান প্রণালি মালাক্কা কোনো কারণে বন্ধ হয়ে গেলে সেটিকে বাইপাস করে রাখাইনের এই গভীর সমুদ্রবন্দর দিয়ে পণ্যসামগ্রী দেশটি নিয়ে আসতে পারবে। এই সমুদ্রবন্দরের মাধ্যমে চীন বঙ্গোপসাগর ও ভারত মহাসাগরে প্রবেশের একটি দ্বারও তৈরি করেছে।

আমেরিকা ও তার মিত্ররাষ্ট্রগুলো যে ইন্দো-প্যাসিফিক কৌশলগত নীতি প্রকাশ করেছে, তাতে বঙ্গোপসাগর ও ভারত মহাসাগর খুবই গুরুত্বপূর্ণ। রাখাইনের বিভিন্ন জায়গায় কিছু অর্থনৈতিক অঞ্চল রয়েছে, যার মালিকানা মূলত চীন ও রাশিয়ার। আবার চীনের বেল্ট অ্যান্ড রোড ইনিশিয়েটিভের আওতায় যে ছয়টি অর্থনৈতিক করিডর স্থাপন করা হবে, তার মধ্যে দুটি নৌভিত্তিক। এর একটি চীন-মিয়ানমার করিডর নামে পরিচিত। আমেরিকা এ অঞ্চলে তাদের প্রভাববলয় সৃষ্টির চেষ্টা করছে। রাশিয়াও এই প্রতিযোগিতায় রয়েছে। মিয়ানমারের সঙ্গে অর্থনৈতিক সম্পর্ক রেখে নিজেদের জাতীয় স্বার্থ রক্ষা করছে দক্ষিণ কোরিয়া, জাপান ও সিঙ্গাপুর। আমেরিকা ইতোমধ্যে আরাকান অ্যাক্ট প্রবর্তন করেছে। এই আইনের মাধ্যমে মিয়ানমার, বাংলাদেশ ও থাইল্যান্ডের বিভিন্ন জাতি-গোষ্ঠীকে তারা সহায়তা করতে পারে। এই অঞ্চলে আমেরিকা বনাম চীনের কৌশলগত প্রতিযোগিতার প্রভাব দিন দিন বাড়ছে।

রাখাইনের সিতওয়েতে চীনের তৈরি করা গভীর সমুদ্রবন্দর এবং অর্থনৈতিক অঞ্চলও এখন কিছুটা নিরাপত্তাহীনতার মুখে পড়েছে। শিলিগুড়ি করিডরের বিকল্প হিসেবে ভারত যে কালাদান প্রকল্প গ্রহণ করেছিল, তা এখন চীন-সমর্থিত আরাকান আর্মির নিয়ন্ত্রণে। এতে করে রাখাইনে ভারত ও চীনের ভূরাজনৈতিক দ্বন্দ্বও নতুন রূপ ধারণ করতে যাচ্ছে। চীন মিয়ানমারের জান্তা সরকারের সঙ্গে সরাসরি সমর্থন দিয়ে আসছে, আবার একই সঙ্গে বিভিন্ন বিদ্রোহী গোষ্ঠীর সঙ্গেও যোগাযোগ রক্ষা করে চলছে।

যুক্তরাষ্ট্র ও তার মিত্রদেশগুলো সামনের দিনগুলোতে ইউক্রেন এবং মধ্যপ্রাচ্য থেকে তাদের দৃষ্টি ঘুরিয়ে এনে ইন্দো-প্যাসিফিক এরিয়াতে নিবদ্ধ করবে বলে মনে হয়। এ জন্য তারা চাইছে চীনকে চারদিক থেকে ঘিরে ধরতে। এ কারণে তারা আরাকান আর্মিকে রাখাইনে সহযোগিতা দিতে আগ্রহী হয়ে উঠেছে। অন্যদিকে মিয়ানমারের জান্তাকে দুর্বল করার জন্য বিভিন্ন ধরনের প্রজেক্ট এবং গণতন্ত্রপন্থিদের সহায়তা করা মার্কিন যুক্তরাষ্ট্রের গুরুত্বপূর্ণ নীতি বলে মনে হচ্ছে। আর যুক্তরাষ্ট্রের এসব কৌশল বাস্তবায়নের ক্ষেত্রে তারা ভবিষ্যতে বাংলাদেশ সরকার ও বাংলাদেশ সেনাবাহিনীর সহযোগিতা কামনা করতে পারে। আবার আরাকান আর্মির সঙ্গেও তারা যোগাযোগ রক্ষা করতে আগ্রহী বলে মনে হচ্ছে।

আরাকান আর্মি ২০২২ সালে বাংলাদেশ সরকারের সঙ্গে সম্পর্কের প্রস্তাব দিয়েছিল কিন্তু এ সুযোগ তৎকালীন বাংলাদেশ সরকার হাতছাড়া করে। আরাকান আর্মি বাংলাদেশের সঙ্গে যোগাযোগ করে এবং তারা রোহিঙ্গারা তাদের নিজভূমি রাখাইনে ফেরত যাওয়ার ব্যাপারেও ইতিবাচক দৃষ্টিভঙ্গি প্রকাশ করেছিল। ‘ধর্ম বিবেচ্য নয়, জন্মসূত্রেই রোহিঙ্গারা মিয়ানমারের নাগরিক’- ২০২২-এর জানুয়ারিতে এ মন্তব্য করেন রাখাইনের বৌদ্ধ সম্প্রদায় নিয়ন্ত্রিত সশস্ত্র সংগঠন আরাকান আর্মি প্রধান জেনারেল তোয়াই ম্রা নাইং (Major General Twan Mrat Naing)। অনলাইনে দেওয়া এক সাক্ষাৎকারে তিনি বলেন, ‘প্রদেশটির অধিকাংশ এলাকাই এখন তাদের নিয়ন্ত্রণে। মুসলিম-বৌদ্ধ সম্প্রদায়ের মধ্যে এখন দ্বন্দ্ব নেই। রোহিঙ্গা প্রত্যাবাসনে যেকোনো সহযোগিতায় আরাকান আর্মি প্রস্তুত।’ এমন সুযোগ হাতে পেয়েও হাত ছাড়া করেছে বিগত সরকার! এখন প্রশ্ন হলো, কার স্বার্থে এমন আত্মঘাতী সিদ্ধান্ত নেওয়া হলো, ভারত না চীন? পরবর্তী সময়ে ২০২৪ সালে মিয়ানমার জান্তার পরাজিত একটি অংশের কিছু সেনা বাংলাদেশে আশ্রয় নেয় কিন্তু বাংলাদেশ সরকার তাদেরও বিনা শর্তে মিয়ানমার সরকারের কাছে ফিরিয়ে দেয়, যার ফলে আরাকান আর্মি আবারও বাংলাদেশবিদ্বেষী হয়ে ওঠে।

মিয়ানমারের বর্তমান সংঘাতময় পরিস্থিতি বিশেষ করে রোহিঙ্গা প্রত্যাবাসন ইস্যুতে প্রচলিত দ্বিপক্ষীয় আলোচনা বা শুধু চীনের মধ্যস্থতা কোনো সুফল বয়ে আনবে বলে মনে হয় না। বাংলাদেশের ভবিষ্যৎ নিরাপত্তা ও রোহিঙ্গা সংকট সমাধানে শুধু দ্বিপক্ষীয় সমঝোতা প্রচেষ্টা ও চীনের ওপর নির্ভরতা এখন পর্যন্ত কোনো কাজে দেয়নি। ন্যাশনাল ইউনিটি গভর্নমেন্ট (এনইউজি) ও আরাকান আর্মি তথা তাদের রাজনৈতিক সংগঠনের সঙ্গে যোগাযোগ ও সম্পর্ক তৈরি করতে হবে বাংলাদেশকে। বাংলাদেশের সঙ্গে আরাকানের সীমান্তের পুরোটাই এখন আরাকান আর্মির নিয়ন্ত্রণে। তাদের সঙ্গে যোগাযোগ ছাড়া এই দুই অঞ্চলের মধ্যে চলমান কোনো বিষয়েই বাংলাদেশ কোনো অর্জন করতে পারবে না। ধরুন বাংলাদেশ যদি ইয়াবা বা অস্ত্র চোরাচালানের মতো গুরুত্বপূর্ণ বিষয়েও কোনো সিদ্ধান্ত বাস্তবায়ন করতে চায় তবে আরাকান আর্মির সহযোগিতা লাগবে। আর রোহিঙ্গা পুনর্বাসন বিষয়ে কোনো অগ্রগতিই এ মুহূর্তে তাদের সহযোগিতা ছাড়া সম্ভব হবে না। প্রশ্ন উঠতে পারে, এ ধরনের একটি নন-স্টেট অ্যাক্টর (অরাষ্ট্রীয় গোষ্ঠী)-এর সঙ্গে রাষ্ট্র হিসেবে বাংলাদেশ কীভাবে যোগাযোগ রাখবে? এ বিষয়ে নানা পথ ও পদ্ধতি বিভিন্ন রাষ্ট্র ব্যবহার করে থাকে। মার্কিন যুক্তরাষ্ট্র, কাতারের মাধ্যমে তালেবানদের সঙ্গে দীর্ঘদিন যোগাযোগ রক্ষা করেছে। ভারত ও চীন ইতোমধ্যে আরাকান আর্মির প্রতিনিধিদলকে নিয়ে দিল্লি ও কুনমিং (চায়নার ইউনান প্রদেশের রাজধানী) এ বৈঠক করেছে। বাংলাদেশ এখন পর্যন্ত এমন কোনো উদ্যোগ নিয়েছে বলে জানা যায়নি। এ মুহূর্তে আরাকান আর্মি বাংলাদেশের কাছ থেকে এ ধরনের যোগাযোগ ও বৈঠক আশা করে। এই ধরনের বৈঠকের পাশাপাশি মিয়ানমারের সামরিক জান্তার সঙ্গেও সম্পর্ক চালিয়ে যেতে হবে বাংলাদেশকে। এ ধরনের গৃহযুদ্ধে জড়িত রাষ্ট্রের প্রতিবেশী হিসেবে আমাদের সব পক্ষের সঙ্গে সম্পর্ক বজায় রাখাই এই মুহূর্তে দরকারি। অতীতের ভুল থেকে শিক্ষা নিয়ে বাংলাদেশ সরকারের করণীয় পদক্ষেপগুলো দ্রুততার সঙ্গে বাস্তবায়ন করা সবচেয়ে গুরুত্বপূর্ণ। প্রথমত বাংলাদেশ সরকার, সেনাবাহিনী, রাজনৈতিক দলকে বুঝতে হবে, বাংলাদেশের জনগণ কোনো পরাশক্তি বা আঞ্চলিক শক্তির দাবার চালের ঘুঁটি হতে চায় না, তাই সে হোক আমেরিকা, চীন বা ভারত। দ্বিতীয়ত অবশ্যই আমাদের নিরাপত্তা, জাতীয় স্বার্থ, ইতিহাস ও সংস্কৃতিকে মাথায় রেখে আমাদের পররাষ্ট্র সম্পর্ক ও কূটনীতিকে নির্ধারণ করতে হবে। সে ক্ষেত্রে মিয়ানমার সরকার ও আরাকান আর্মি এই দুপক্ষের সঙ্গে বোঝাপড়া করে আমাদের স্বার্থ ও নিরাপত্তা হাসিল করতে হবে। তৃতীয়ত নির্যাতিত রোহিঙ্গা জনগোষ্ঠীকে তাদের অধিকার ফিরিয়ে দেওয়াকে বাংলাদেশ সরকারের একটি আদর্শিক ও নৈতিক দায়িত্ব হিসেবে পালন করতে হবে। এ ক্ষেত্রে সরকার এ বিষয়ে যত সময়ক্ষেপণ করবে ততই রোহিঙ্গা প্রত্যাবাসন অনিশ্চিত হয়ে পড়বে।

একই সঙ্গে মিয়ানমার ও আরাকানের সঙ্গে বাণিজ্যিক বিষয়েও বাংলাদেশকে এখনই নতুন করে ভাবতে হবে। ভবিষ্যতে মিয়ানমার সরকার ও রাখাইন বাংলাদেশের এক বিকল্প সাপ্লাই চেইন (Supply Chain) হয়ে উঠতে পারে। আরাকান আর্মি যে কোনো সময় রাখাইন রাজ্য এবং নিজেদের অধিকৃত অঞ্চলে স্বায়ত্তশাসন অথবা স্বাধীন দেশের ঘোষণাও দিতে পারে। এমন কিছু হলে আরাকানের একমাত্র প্রতিবেশী রাষ্ট্র হবে বাংলাদেশ। তাই জটিল এক ভূরাজনৈতিক চ্যালেঞ্জের মুখোমুখি বাংলাদেশ। আরাকানকে নিয়ে বাংলাদেশের সিদ্ধান্তহীনতা ও দোদুল্যমানতা আমাদের জাতীয় স্বার্থের ক্ষতির কারণ হয়ে উঠেছে। আরাকানবিষয়ক একটি নতুন নীতিমালা প্রণয়ন এই মুহূর্তে অন্তর্বর্তী সরকারের জন্য অত্যন্ত জরুরি হিসেবে বিবেচিত হওয়া দরকার।

♦ লেখক : এস কে তৌফিক এম হক, পরিচালক এসআইপিজি, এনএসইউ

এম এ রশীদ, সিনিয়র ফেলো, এসআইপিজি, এনএসইউ খান শরীফুজ্জামান, শিক্ষক, সরকার ও রাজনীতি বিভাগ, শান্ত-মারিয়াম ইউনিভার্সিটি

 

এই বিভাগের আরও খবর
শরীয়তপুরে যুদ্ধক্ষেত্র
শরীয়তপুরে যুদ্ধক্ষেত্র
শুল্ক নিয়ে তোলপাড়
শুল্ক নিয়ে তোলপাড়
রমজান পরবর্তী আমল
রমজান পরবর্তী আমল
নিরাপদ সড়কের স্বপ্ন সত্যি হবে কবে?
নিরাপদ সড়কের স্বপ্ন সত্যি হবে কবে?
কূটনীতিতে সবকিছুই সমান জটিল ও সহজ
কূটনীতিতে সবকিছুই সমান জটিল ও সহজ
জিয়ার স্মৃতি মুছে ফেলার সহজসরল পদ্ধতি!
জিয়ার স্মৃতি মুছে ফেলার সহজসরল পদ্ধতি!
তরমুজ-শসা খান
তরমুজ-শসা খান
আহা! ডিজিটাল বাংলাদেশ
আহা! ডিজিটাল বাংলাদেশ
ইউনূস-মোদি বৈঠক
ইউনূস-মোদি বৈঠক
রমজানের শিক্ষা ধরে রাখতে হবে
রমজানের শিক্ষা ধরে রাখতে হবে
ট্রাম্পের শুল্কনীতির কী প্রভাব পড়বে বাংলাদেশে
ট্রাম্পের শুল্কনীতির কী প্রভাব পড়বে বাংলাদেশে
দেশই সবকিছু, ব্যক্তি বা পরিবার নয়
দেশই সবকিছু, ব্যক্তি বা পরিবার নয়
সর্বশেষ খবর
ঝালকাঠির কাঠালিয়ার ঘোড়দৌড়
ঝালকাঠির কাঠালিয়ার ঘোড়দৌড়

৮ মিনিট আগে | দেশগ্রাম

ঝালকাঠিতে গাছ থেকে মা-ছেলের মরদেহ উদ্ধার
ঝালকাঠিতে গাছ থেকে মা-ছেলের মরদেহ উদ্ধার

২৭ মিনিট আগে | দেশগ্রাম

জুয়া বন্ধ করতে গিয়ে জুয়াড়িদের হামলার শিকার পুলিশ, আহত ৫
জুয়া বন্ধ করতে গিয়ে জুয়াড়িদের হামলার শিকার পুলিশ, আহত ৫

৪৮ মিনিট আগে | দেশগ্রাম

১২ দিন পর খুলছে তামাবিল স্থলবন্দর
১২ দিন পর খুলছে তামাবিল স্থলবন্দর

১ ঘণ্টা আগে | দেশগ্রাম

গাইবান্ধায় নিচে নামছে ভূগর্ভস্থ পানির স্তর, পানি সংকট
গাইবান্ধায় নিচে নামছে ভূগর্ভস্থ পানির স্তর, পানি সংকট

১ ঘণ্টা আগে | দেশগ্রাম

ফিলিস্তিনে গণহত্যার প্রতিবাদে ঢাবির ক্লাস-পরীক্ষা স্থগিত
ফিলিস্তিনে গণহত্যার প্রতিবাদে ঢাবির ক্লাস-পরীক্ষা স্থগিত

২ ঘণ্টা আগে | ক্যাম্পাস

ডিএনডি লেকে গোসলে নেমে মাদ্রাসা শিক্ষার্থীর মৃত্যু
ডিএনডি লেকে গোসলে নেমে মাদ্রাসা শিক্ষার্থীর মৃত্যু

৩ ঘণ্টা আগে | দেশগ্রাম

রাজবাড়ীতে নিরব হত্যার প্রধান আসামি গ্রেফতার
রাজবাড়ীতে নিরব হত্যার প্রধান আসামি গ্রেফতার

৩ ঘণ্টা আগে | দেশগ্রাম

ছেলের দায়ের কোপে আহত মায়ের মৃত্যু
ছেলের দায়ের কোপে আহত মায়ের মৃত্যু

৩ ঘণ্টা আগে | চট্টগ্রাম প্রতিদিন

ডাসারে অবৈধ স্থাপনা গুঁড়িয়ে দিলো উপজেলা প্রশাসন
ডাসারে অবৈধ স্থাপনা গুঁড়িয়ে দিলো উপজেলা প্রশাসন

৩ ঘণ্টা আগে | দেশগ্রাম

ফ্যাসিষ্টের দোসর ও নব্য বিএনপি থেকে সাবধান : মজনু
ফ্যাসিষ্টের দোসর ও নব্য বিএনপি থেকে সাবধান : মজনু

৩ ঘণ্টা আগে | দেশগ্রাম

ইসরায়েলি গণহত্যার প্রতিবাদে মুখে কালো কাপড় বেঁধে অবস্থান করবে ছাত্রদল
ইসরায়েলি গণহত্যার প্রতিবাদে মুখে কালো কাপড় বেঁধে অবস্থান করবে ছাত্রদল

৩ ঘণ্টা আগে | রাজনীতি

ঘুষ বাণিজ্যের অভিযোগে কাশিয়ানী থানার ওসি ক্লোজড
ঘুষ বাণিজ্যের অভিযোগে কাশিয়ানী থানার ওসি ক্লোজড

৩ ঘণ্টা আগে | দেশগ্রাম

‘ভারতে বিতর্কিত ওয়াকফ বিল মুসলিমদের আরো নিরাপত্তাহীন করে তুলবে’
‘ভারতে বিতর্কিত ওয়াকফ বিল মুসলিমদের আরো নিরাপত্তাহীন করে তুলবে’

৩ ঘণ্টা আগে | রাজনীতি

চট্টগ্রামে মদসহ চারজন গ্রেফতার
চট্টগ্রামে মদসহ চারজন গ্রেফতার

৩ ঘণ্টা আগে | চট্টগ্রাম প্রতিদিন

কক্সবাজারে ট্রেনে কাটা পড়ে মোটরসাইকেল আরোহী নিহত
কক্সবাজারে ট্রেনে কাটা পড়ে মোটরসাইকেল আরোহী নিহত

৪ ঘণ্টা আগে | দেশগ্রাম

চট্টগ্রামে পোশাককর্মী খুনের ঘটনায় স্বামী গ্রেফতার
চট্টগ্রামে পোশাককর্মী খুনের ঘটনায় স্বামী গ্রেফতার

৪ ঘণ্টা আগে | চট্টগ্রাম প্রতিদিন

ঈদের লম্বা ছুটিতে চট্টগ্রাম বন্দরে কনটেইনারের স্তূপ
ঈদের লম্বা ছুটিতে চট্টগ্রাম বন্দরে কনটেইনারের স্তূপ

৪ ঘণ্টা আগে | চট্টগ্রাম প্রতিদিন

ব্রাহ্মণবাড়িয়ায় বিদেশি মদসহ গ্রেফতার ৬
ব্রাহ্মণবাড়িয়ায় বিদেশি মদসহ গ্রেফতার ৬

৪ ঘণ্টা আগে | দেশগ্রাম

‘আইএমএফ বলেছে বাংলাদেশের অর্থনীতি সঠিক দিকেই আছে’
‘আইএমএফ বলেছে বাংলাদেশের অর্থনীতি সঠিক দিকেই আছে’

৪ ঘণ্টা আগে | বাণিজ্য

পৃথিবীর ‘সবুজ ফুসফুস’ নজরদারি করবে মহাকাশযান
পৃথিবীর ‘সবুজ ফুসফুস’ নজরদারি করবে মহাকাশযান

৪ ঘণ্টা আগে | বিজ্ঞান

গাইবান্ধায় কৃষকদের নিয়ে বসুন্ধরা শুভসংঘের আনন্দময় দিন
গাইবান্ধায় কৃষকদের নিয়ে বসুন্ধরা শুভসংঘের আনন্দময় দিন

৪ ঘণ্টা আগে | বসুন্ধরা শুভসংঘ

হজ ব্যবস্থাপনায় কোনো ত্রুটি বরদাশত করা হবে না : ধর্ম উপদেষ্টা
হজ ব্যবস্থাপনায় কোনো ত্রুটি বরদাশত করা হবে না : ধর্ম উপদেষ্টা

৪ ঘণ্টা আগে | জাতীয়

অতিরিক্ত ভাড়া আদায়ের দায়ে ৭ বাসকে জরিমানা
অতিরিক্ত ভাড়া আদায়ের দায়ে ৭ বাসকে জরিমানা

৪ ঘণ্টা আগে | নগর জীবন

ঈদের ছুটি পর বেনাপোল বন্দরে ফিরেছে স্বাভাবিক গতি
ঈদের ছুটি পর বেনাপোল বন্দরে ফিরেছে স্বাভাবিক গতি

৪ ঘণ্টা আগে | দেশগ্রাম

শর্টস ভিডিও নির্মাতাদের জন্য সুখবর দিল ইউটিউব
শর্টস ভিডিও নির্মাতাদের জন্য সুখবর দিল ইউটিউব

৪ ঘণ্টা আগে | টেক ওয়ার্ল্ড

গলাচিপায় শুভসংঘের উদ্যোগে জমিতে অতিরিক্ত সার ও কীটনাশক প্রয়োগ বিষয়ক সচেতনামূলক সভা
গলাচিপায় শুভসংঘের উদ্যোগে জমিতে অতিরিক্ত সার ও কীটনাশক প্রয়োগ বিষয়ক সচেতনামূলক সভা

৪ ঘণ্টা আগে | বসুন্ধরা শুভসংঘ

ট্রাম্পের সরাসরি আলোচনার প্রস্তাব প্রত্যাখ্যান করল ইরান
ট্রাম্পের সরাসরি আলোচনার প্রস্তাব প্রত্যাখ্যান করল ইরান

৪ ঘণ্টা আগে | পূর্ব-পশ্চিম

নিখোঁজ সেই গৃহবধূ পরকীয়া প্রেমিকসহ উদ্ধার
নিখোঁজ সেই গৃহবধূ পরকীয়া প্রেমিকসহ উদ্ধার

৫ ঘণ্টা আগে | দেশগ্রাম

বাউবিতে ঈদ পুনর্মিলনী অনুষ্ঠিত
বাউবিতে ঈদ পুনর্মিলনী অনুষ্ঠিত

৫ ঘণ্টা আগে | নগর জীবন

সর্বাধিক পঠিত
বিয়েবাড়ির গেটে পার্টি স্প্রে দেওয়া নিয়ে মারামারি, ভাঙলো বিয়ে
বিয়েবাড়ির গেটে পার্টি স্প্রে দেওয়া নিয়ে মারামারি, ভাঙলো বিয়ে

১১ ঘণ্টা আগে | দেশগ্রাম

বাংলাদেশসহ ১৪ দেশের ওপর সৌদির সাময়িক ভিসা নিষেধাজ্ঞা
বাংলাদেশসহ ১৪ দেশের ওপর সৌদির সাময়িক ভিসা নিষেধাজ্ঞা

১৪ ঘণ্টা আগে | পূর্ব-পশ্চিম

সরকারি কর্মচারীদের পদোন্নতি নিয়ে জরুরি নির্দেশনা
সরকারি কর্মচারীদের পদোন্নতি নিয়ে জরুরি নির্দেশনা

৮ ঘণ্টা আগে | জাতীয়

গাজায় গণহত্যা বন্ধে সোমবার বিশ্বব্যাপী ‘নো ওয়ার্ক নো স্কুল’
গাজায় গণহত্যা বন্ধে সোমবার বিশ্বব্যাপী ‘নো ওয়ার্ক নো স্কুল’

৬ ঘণ্টা আগে | জাতীয়

ভারতের ওয়াকফ সংশোধনী বিল নিয়ে যা বললেন আসিফ নজরুল
ভারতের ওয়াকফ সংশোধনী বিল নিয়ে যা বললেন আসিফ নজরুল

১৪ ঘণ্টা আগে | জাতীয়

সনাতন ধর্মাবলম্বীদের ধর্মীয় উৎসব উপলক্ষ্যে সেনাবাহিনীর নিরাপত্তা ও সহযোগিতা কার্যক্রম
সনাতন ধর্মাবলম্বীদের ধর্মীয় উৎসব উপলক্ষ্যে সেনাবাহিনীর নিরাপত্তা ও সহযোগিতা কার্যক্রম

১৬ ঘণ্টা আগে | জাতীয়

ভারতে ওয়াকফ বিল পাস হওয়ায় যে প্রতিক্রিয়া জানাল বিএনপি
ভারতে ওয়াকফ বিল পাস হওয়ায় যে প্রতিক্রিয়া জানাল বিএনপি

৯ ঘণ্টা আগে | রাজনীতি

আরাফাত রহমান কোকোর শাশুড়ি মারা গেছেন
আরাফাত রহমান কোকোর শাশুড়ি মারা গেছেন

১৭ ঘণ্টা আগে | জাতীয়

সরকারি সফরে রাশিয়া ও ক্রোয়েশিয়া গেলেন সেনাপ্রধান
সরকারি সফরে রাশিয়া ও ক্রোয়েশিয়া গেলেন সেনাপ্রধান

১৫ ঘণ্টা আগে | জাতীয়

যুক্তরাজ্যের পার্লামেন্টে ফ্ল্যাট নিয়ে টিউলিপের মিথ্যাচার
যুক্তরাজ্যের পার্লামেন্টে ফ্ল্যাট নিয়ে টিউলিপের মিথ্যাচার

১৩ ঘণ্টা আগে | জাতীয়

ভাঙচুর ও হত্যাচেষ্টা মামলায় আওয়ামীপন্থী ৬১ আইনজীবীকে কারাগারে পাঠানোর নির্দেশ
ভাঙচুর ও হত্যাচেষ্টা মামলায় আওয়ামীপন্থী ৬১ আইনজীবীকে কারাগারে পাঠানোর নির্দেশ

৭ ঘণ্টা আগে | জাতীয়

আমিরাতের সহযোগিতায় ৮ বিভাগে হবে স্পোর্টস হাব : ক্রীড়া উপদেষ্টা
আমিরাতের সহযোগিতায় ৮ বিভাগে হবে স্পোর্টস হাব : ক্রীড়া উপদেষ্টা

৯ ঘণ্টা আগে | জাতীয়

যুক্তরাষ্ট্রের সঙ্গে খনিজ চুক্তি ফাঁস: তদন্তে নেমেছে ইউক্রেন
যুক্তরাষ্ট্রের সঙ্গে খনিজ চুক্তি ফাঁস: তদন্তে নেমেছে ইউক্রেন

৮ ঘণ্টা আগে | পূর্ব-পশ্চিম

স্মার্টফোনে ‘ডু নট ডিস্টার্ব’ মোডের কাজ কী?
স্মার্টফোনে ‘ডু নট ডিস্টার্ব’ মোডের কাজ কী?

১৬ ঘণ্টা আগে | টেক ওয়ার্ল্ড

‘গৃহকর্ত্রীও নির্যাতিতা হতে পারেন’ -পরীমনির সেই ইস্যুতে ফেসবুকে ন্যান্সি
‘গৃহকর্ত্রীও নির্যাতিতা হতে পারেন’ -পরীমনির সেই ইস্যুতে ফেসবুকে ন্যান্সি

১২ ঘণ্টা আগে | শোবিজ

আইনে পরিণত হলো বিতর্কিত ওয়াকফ সংশোধনী বিল
আইনে পরিণত হলো বিতর্কিত ওয়াকফ সংশোধনী বিল

১৪ ঘণ্টা আগে | পূর্ব-পশ্চিম

ইউক্রেনে একদিনে ৪৩০ সেনা হতাহত: মস্কো
ইউক্রেনে একদিনে ৪৩০ সেনা হতাহত: মস্কো

১৬ ঘণ্টা আগে | পূর্ব-পশ্চিম

তিন মন্ত্রণালয়ে সচিব পদে রদবদল
তিন মন্ত্রণালয়ে সচিব পদে রদবদল

৯ ঘণ্টা আগে | জাতীয়

সংবাদ সম্মেলন ডেকেছে বিএনপি
সংবাদ সম্মেলন ডেকেছে বিএনপি

১৩ ঘণ্টা আগে | রাজনীতি

দেশে প্রবাসী আয়ে রেকর্ড, মার্চে এল ৩ বিলিয়ন ডলারের বেশি
দেশে প্রবাসী আয়ে রেকর্ড, মার্চে এল ৩ বিলিয়ন ডলারের বেশি

৯ ঘণ্টা আগে | বাণিজ্য

ট্রাম্প প্রশাসনের শুল্কারোপের প্রভাব সামাল দেয়া কঠিন নয় : অর্থ উপদেষ্টা
ট্রাম্প প্রশাসনের শুল্কারোপের প্রভাব সামাল দেয়া কঠিন নয় : অর্থ উপদেষ্টা

১৪ ঘণ্টা আগে | জাতীয়

ট্রাম্প-মাস্কের নীতির বিরুদ্ধে যুক্তরাষ্ট্রজুড়ে গণবিক্ষোভ
ট্রাম্প-মাস্কের নীতির বিরুদ্ধে যুক্তরাষ্ট্রজুড়ে গণবিক্ষোভ

১৬ ঘণ্টা আগে | পূর্ব-পশ্চিম

ভারতে বাস দুর্ঘটনায় নিহত ১, ছিলেন ৭০ জনের বেশি বাংলাদেশি  তীর্থযাত্রী
ভারতে বাস দুর্ঘটনায় নিহত ১, ছিলেন ৭০ জনের বেশি বাংলাদেশি তীর্থযাত্রী

১৩ ঘণ্টা আগে | পূর্ব-পশ্চিম

এসএসএফের সাবেক ডিজির ফ্ল্যাট-জমি জব্দ, ৩৪ ব্যাংক হিসাব অবরুদ্ধ
এসএসএফের সাবেক ডিজির ফ্ল্যাট-জমি জব্দ, ৩৪ ব্যাংক হিসাব অবরুদ্ধ

৮ ঘণ্টা আগে | জাতীয়

ইভ্যালির রাসেল-শামীমার তিন বছরের কারাদণ্ড
ইভ্যালির রাসেল-শামীমার তিন বছরের কারাদণ্ড

১২ ঘণ্টা আগে | জাতীয়

ঘন ঘন দূতাবাসের স্থান পরিবর্তনে বিরক্ত মালয়েশিয়া প্রবাসীরা
ঘন ঘন দূতাবাসের স্থান পরিবর্তনে বিরক্ত মালয়েশিয়া প্রবাসীরা

৮ ঘণ্টা আগে | পরবাস

গাজাবাসীর সমর্থনে সোমবার রাজপথে নামার আহ্বান সারজিসের
গাজাবাসীর সমর্থনে সোমবার রাজপথে নামার আহ্বান সারজিসের

৭ ঘণ্টা আগে | জাতীয়

বিচার চেয়ে থানায় বৃদ্ধা, ‘ভিক্ষা করে কেনা মুরগি মেরে দিল কারা?’
বিচার চেয়ে থানায় বৃদ্ধা, ‘ভিক্ষা করে কেনা মুরগি মেরে দিল কারা?’

১৩ ঘণ্টা আগে | দেশগ্রাম

ঢাকাসহ সাত বিভাগে বজ্রসহ বৃষ্টির আভাস
ঢাকাসহ সাত বিভাগে বজ্রসহ বৃষ্টির আভাস

১০ ঘণ্টা আগে | জাতীয়

ইসরায়েল সফরে গিয়ে অপমানিত দুই ব্রিটিশ নারী এমপি
ইসরায়েল সফরে গিয়ে অপমানিত দুই ব্রিটিশ নারী এমপি

১০ ঘণ্টা আগে | পূর্ব-পশ্চিম

প্রিন্ট সর্বাধিক
অনিশ্চয়তায় ১০ হাজার কোটির শিপমেন্ট
অনিশ্চয়তায় ১০ হাজার কোটির শিপমেন্ট

প্রথম পৃষ্ঠা

বিক্ষোভে উত্তাল যুক্তরাষ্ট্র
বিক্ষোভে উত্তাল যুক্তরাষ্ট্র

প্রথম পৃষ্ঠা

জিয়ার স্মৃতি মুছে ফেলার সহজসরল পদ্ধতি!
জিয়ার স্মৃতি মুছে ফেলার সহজসরল পদ্ধতি!

সম্পাদকীয়

কাজ করছে না আঙুলের ছাপ
কাজ করছে না আঙুলের ছাপ

পেছনের পৃষ্ঠা

আজকের ভাগ্যচক্র
আজকের ভাগ্যচক্র

আজকের রাশি

৮ কোটি টাকার প্রকল্পের কাজ কোটেশনে!
৮ কোটি টাকার প্রকল্পের কাজ কোটেশনে!

নগর জীবন

বিএনপিকে আওয়ামী লীগের আচরণ থেকে বের হতে হবে
বিএনপিকে আওয়ামী লীগের আচরণ থেকে বের হতে হবে

প্রথম পৃষ্ঠা

চরের জমিতে হাজার কোটি টাকার ফসল
চরের জমিতে হাজার কোটি টাকার ফসল

পেছনের পৃষ্ঠা

রাশিয়া সফরে সেনাপ্রধান
রাশিয়া সফরে সেনাপ্রধান

প্রথম পৃষ্ঠা

সংকট নেই তবু বাড়তি দরে ডলার বিক্রি
সংকট নেই তবু বাড়তি দরে ডলার বিক্রি

পেছনের পৃষ্ঠা

ওসির অপসারণ দাবিতে বিক্ষোভ
ওসির অপসারণ দাবিতে বিক্ষোভ

পেছনের পৃষ্ঠা

মন্ত্রণালয়ে যোগ দিয়েছেন ড. শেখ মইনউদ্দিন
মন্ত্রণালয়ে যোগ দিয়েছেন ড. শেখ মইনউদ্দিন

নগর জীবন

প্রধান উপদেষ্টার কাছে শহীদ পরিবারের প্রত্যাশা
প্রধান উপদেষ্টার কাছে শহীদ পরিবারের প্রত্যাশা

প্রথম পৃষ্ঠা

প্রস্তুতি শুরু নিগারদের
প্রস্তুতি শুরু নিগারদের

মাঠে ময়দানে

ধর্ষণের মিথ্যা  মামলা, গৃহবধূ জেলে
ধর্ষণের মিথ্যা মামলা, গৃহবধূ জেলে

পেছনের পৃষ্ঠা

ক্ষমতায় যাওয়ার সিঁড়ি হবে না হেফাজতে ইসলাম
ক্ষমতায় যাওয়ার সিঁড়ি হবে না হেফাজতে ইসলাম

নগর জীবন

টিউলিপের দুর্নীতির দালিলিক প্রমাণ সাকিবের বিরুদ্ধে অনুসন্ধান
টিউলিপের দুর্নীতির দালিলিক প্রমাণ সাকিবের বিরুদ্ধে অনুসন্ধান

পেছনের পৃষ্ঠা

হাছান ও তার স্ত্রীর ব্যাংকে ৭২২ কোটি টাকা লেনদেন
হাছান ও তার স্ত্রীর ব্যাংকে ৭২২ কোটি টাকা লেনদেন

পেছনের পৃষ্ঠা

এক ছাতায় বিশ্বের হাজারো উদ্যোক্তা
এক ছাতায় বিশ্বের হাজারো উদ্যোক্তা

পেছনের পৃষ্ঠা

দেবরের হাতে ভাবি খুন
দেবরের হাতে ভাবি খুন

পেছনের পৃষ্ঠা

বিএনপি নেতার ওপর হামলার প্রতিবাদে বিক্ষোভ
বিএনপি নেতার ওপর হামলার প্রতিবাদে বিক্ষোভ

দেশগ্রাম

ক্ষেপণাস্ত্রের আঘাতে বিলীন জনবসতি
ক্ষেপণাস্ত্রের আঘাতে বিলীন জনবসতি

প্রথম পৃষ্ঠা

ফাঁদে ফেলে অপহরণ মুক্তিপণ আদায়
ফাঁদে ফেলে অপহরণ মুক্তিপণ আদায়

পেছনের পৃষ্ঠা

আইএমইডিতে নতুন সচিব
আইএমইডিতে নতুন সচিব

নগর জীবন

অপপ্রচার রোধে প্রেস উইংকে ভূমিকা রাখতে হবে
অপপ্রচার রোধে প্রেস উইংকে ভূমিকা রাখতে হবে

নগর জীবন

ছেলের রামদার কোপে মায়ের মৃত্যু
ছেলের রামদার কোপে মায়ের মৃত্যু

নগর জীবন

শরীয়তপুরে বোমাবাজিতে গ্রেপ্তার ৮
শরীয়তপুরে বোমাবাজিতে গ্রেপ্তার ৮

পেছনের পৃষ্ঠা

মোবাইল ব্যবহারে বাধা দেওয়ায় কিশোরীর আত্মহনন
মোবাইল ব্যবহারে বাধা দেওয়ায় কিশোরীর আত্মহনন

নগর জীবন

দলমতের ঊর্ধ্বে দক্ষিণাঞ্চলের উন্নয়নে কাজ করতে হবে
দলমতের ঊর্ধ্বে দক্ষিণাঞ্চলের উন্নয়নে কাজ করতে হবে

নগর জীবন

কারাগারে ৬১ আইনজীবী ১৯ জনের জামিন
কারাগারে ৬১ আইনজীবী ১৯ জনের জামিন

প্রথম পৃষ্ঠা