শিরোনাম
প্রকাশ: ০০:০০, রবিবার, ১৯ জানুয়ারি, ২০২৫

জিয়া যেভাবে রাষ্ট্রনায়ক

রেজাবুদ্দৌলা চৌধুরী
প্রিন্ট ভার্সন
জিয়া যেভাবে রাষ্ট্রনায়ক

জিয়াউর রহমান তাঁর পিতা-মাতা এবং অন্য সব পূর্বপুরুষের সঙ্গে সম্পর্কিত জেনেটিক কারণেই দৃঢ় আত্মবিশ্বাস, খাঁটি দেশপ্রেম ও আত্মমর্যাদাবোধ আর তাঁর নিজ দেশবাসীর জন্য সর্বদা ন্যায়বিচার কায়েমের এবং আপন মাতৃভূমির হিমালয়সম সমৃদ্ধ প্রত্যাশী এক ব্যক্তিত্ব হয়ে গড়ে উঠছিলেন। তাঁর বড় পুঁজি ছিল অপরিসীম শ্রমদানের ক্ষমতা আর দেশ ও দেশবাসীকে ভালোবাসার অপরিমেয় ইচ্ছাশক্তি।

তাঁর ঘরোয়া নাম কমল, মানে পদ্ম ফুল, তাঁর জীবনটাও ছিল ফুলের মতো পবিত্র। সৎ সাহসের প্রতীক আর জীবনভর নির্লোভ এক কর্মবীর থাকার অঙ্গীকারের বিরল ব্যক্তিত্ব বলা যায় জিয়াকে। নিপীড়িত খেটে খাওয়া মানুষের তথা মধ্যবিত্ত ও নিম্ন-মধ্যবিত্তের জীবনসংগ্রামের এবং সার্বিক শোষণমুক্তির পথপ্রদর্শক ছিলেন তিনি।

আজ (১৯ জানুয়ারি) মহান নেতা জিয়াউর রহমানের ৯০তম জন্মদিন বাংলাদেশি জাতীয়তাবাদের রাজনীতির স্থপতি জিয়াউর রহমান দুনিয়ার বুকে বাংলাদেশকে অনন্য উচ্চতায় নিয়ে যাওয়ার প্রথম কারিগর ছিলেন, তাই তিনি জাতীয় নেতা ও সফল রাষ্ট্রনায়ক। সাধারণ এক দেশপ্রেমিক নাগরিকের অবস্থান থেকে অনন্য মেধা ও পরিশ্রম বিনিয়োগে তিনি মুসলিম বিশ্বের নিপীড়িত মানুষের লড়াইয়ে নিজেকে ক্রমশ সবচেয়ে শক্তিশালী অবস্থানে নিয়ে গেছেন।

বগুড়ায় পূর্বপুরুষদের বাড়ি হলেও জিয়াউর রহমান, যাঁর জন্ম ১৯৩৬ সালে, রসায়নবিদ পিতার কর্মস্থলের সূত্রেই প্রথমে কলকাতা ও পরে করাচি নগরীতে উন্নতমানের স্কুলে শিক্ষা লাভের সুযোগ পেয়েছিলেন চল্লিশ ও পঞ্চাশের দশকে। করাচির মাধ্যমিক স্কুলে মেধার বিবেচনায় ও বিদ্যাচর্চায় সুনাম অর্জন করেন তাঁর শিক্ষকদের প্রিয় ছাত্র হিসেবে। ১৯৫৩ সালে তিনি করাচির বিখ্যাত ডি জে সায়েন্স কলেজে বিজ্ঞান শাখায় উচ্চমাধ্যমিক ক্লাসে অধ্যয়নের সময়েই পাকিস্তান সামরিক বাহিনীর কাকুল মিলিটারি একাডেমিতে অফিসার-ক্যাডেট (কমিশন্ড অফিসারের প্রশিক্ষণকালীন প্রাথমিক ধাপ) হিসেবে যোগ দেন।

এই সময়টাতে তিনি পাকিস্তান জাতীয় পরিষদের অধিবেশন দেখতে নিয়মিত সেখানে যেতেন। এসব কিছু জিয়াউর রহমানের পরবর্তী-জীবনে অসামান্য দেশপ্রেমিক নাগরিক রূপে বেড়ে ওঠার ক্ষেত্রে ভূমিকা রাখে। খুবই যৌক্তিক সেই সময়টাতেই তাঁর ভিতরে পূর্ব বাংলার বাঙালিদের প্রতি পশ্চিম পাকিস্তানি নয়া-উপনিবেশবাদী শাসক-শোষক গোষ্ঠীর নিপীড়নের প্রতি সামরিক অফিসার জিয়ার প্রতিবাদী-চেতনা গড়ে উঠতে থাকে।

১৯৫৪ সালের নির্বাচনে পূর্ব বাংলায় হক-ভাসানী-সোহরাওয়ার্দীর নেতৃত্বাধীন যুক্তফ্রন্ট বিপুলভাবে বিজয়ী হলে পশ্চিম পাকিস্তানের (তৎকালীন) অ্যাবোটাবাদের সেনা-ছাউনির একাডেমি ক্যাফেটেরিয়ায় জিয়া অন্য সব বাঙালি ক্যাডেটদের নিয়ে নির্বাচনি বিজয় উৎসব করেছিলেন। তাঁর নিজের লেখার ভাষায়- এ ছিল আমাদের বাংলা ভাষার জয়, এ ছিল আমাদের অধিকারের জয়, এ ছিল আমাদের আশা-আকাঙ্ক্ষার জয়, এ ছিল আমাদের জনগণের, আমাদের দেশের এক বিরাট সাফল্য।

জিয়া যেভাবে রাষ্ট্রনায়কজিয়া পাকিস্তান সামরিক বাহিনীতে যখন তরুণ-যুবা অফিসার (লেফটেন্যান্ট, ক্যাপ্টেন বা মেজর), যখন তিনি প্রশিক্ষক ছিলেন তিনি পূর্ব বাংলার বাঙালি ক্যাডেট-অফিসারদের, প্রায়ই বলতেন- আমরা কোনো অংশেই পশ্চিম পাকিস্তানি ক্যাডেটদের চেয়ে অনগ্রসর নই, প্রকৃতপক্ষে আমরা তাদের চেয়েও ভালো করতে পারি, আমাদের প্রতিরক্ষার দায়িত্ব আমাদেরকেই নিতে হবে, পাকিস্তানিরা (তৎকালীন পশ্চিম পাকিস্তানিরা) কখনো আমাদের প্রতিরক্ষার জন্য এগিয়ে আসবে না। বাঙালি ক্যাডেটদের জন্য জিয়ার সেসব কথা ছিল অনেক বড় প্রেরণার উৎস।

ইতিহাসে অল্প কয়েকজন সামরিক অফিসার দেশের জন্য দু-দুটো যুদ্ধে অংশগ্রহণের ও পরে জেনারেল পদে উন্নীত হওয়ার সুযোগ পেয়েছেন- তাঁদের একজন জিয়াউর রহমান। ১৯৬৫ সালে জিয়াউর রহমান পাকিস্তান-ভারত যুদ্ধে এবং ১৯৭১ সালে মাতৃভূমি বাংলাদেশের স্বাধীনতাযুদ্ধে (মুক্তিযুদ্ধে) অংশগ্রহণের মাধ্যমে বিশাল ভূমিকা পালন করেন- যা বাঙালি সামরিক বাহিনীর ইতিহাসে স্বর্ণাক্ষরে লেখার মতো বিষয়।

একাত্তরের ২৫ মার্চ মধ্যরাতে পাক-দখলদার সেনারা যখন মুক্তিকামী নিরীহ বাঙালির ওপর ঝাঁপিয়ে পড়ে গণহত্যা ও ধ্বংসযজ্ঞ শুরু করে চরম নৃশংসতা ও বর্বরতার শক্তি দিয়ে, চট্টগ্রামে অষ্টম ইস্ট বেঙ্গল রেজিমেন্টের সেকেন্ড-ইন-কমান্ড মেজর জিয়াউর রহমান তখন একমুহূর্ত দেরি না করে তাঁর সঙ্গী বাঙালি অফিসার ও সেনা-জওয়ানদের নিয়ে বিদ্রোহ করেন এবং হানাদার পাকিস্তানি সামরিক বাহিনীর বিরুদ্ধে প্রতিরোধযুদ্ধ শুরু করে দেন। সারা দেশের সংগ্রামী মানুষের দিশাহারা দশার মধ্যে প্রায় ৩০০ বাঙালি সেনা ও অফিসার নিয়ে প্রতিরোধযুদ্ধে প্রবল সক্রিয়তার মধ্যে মেজর জিয়া ২৭ মার্চ চট্টগ্রামের কালুরঘাট স্বাধীন বাংলা বিপ্লবী বেতার কেন্দ্র থেকে সেখানকার বেলাল মোহাম্মদসহ অন্যান্য লড়াকু বেতার কর্মকর্তাদের সহযোগিতায় স্বাধীনতার প্রথম ঘোষণাটি দেন।

সৈয়দ নজরুল-তাজউদ্দীনের অস্থায়ী বাংলাদেশ সরকারের অধীনে মেজর জিয়া প্রথমে মুক্তিযুদ্ধের সেক্টর কমান্ডার ও পরে লে. কর্নেল জিয়া ব্রিগেড কমান্ডার (জেড ফোর্স) হয়ে স্বাধীনতাযুদ্ধের অন্যতম সেরা বীর কমান্ডাররূপে পরিগণিত হন। পরবর্তীকালে স্বাধীন বাংলাদেশে সেনাবাহিনীর পর্যায়ক্রমিক বিভিন্ন দায়িত্ব পালনের পরে সেনাপ্রধান হন। এবং তারও পরে ১৯৭৫ সালের ৭ নভেম্বর সিপাহি-জনতার অভ্যুত্থানে রাষ্ট্রক্ষমতায় অভিষেক ঘটে। এবং একপর্যায়ে ১৯৭৭ সালে প্রেসিডেন্ট হন, আরও পরে সরাসরি জনভোটে নির্বাচিত প্রেসিডেন্ট পদে দায়িত্ব লাভ করেন। জিয়া ১৯ দফা কর্মসূচি দিয়ে বাংলাদেশি জাতীয়তাবাদের রাজনীতির উদ্বোধন ঘটান এবং তার মাধ্যমে বাংলাদেশ জাতীয়তাবাদী দল (বিএনপি) প্রতিষ্ঠা করেন। ১৯৭৯ সালে জাতীয় নির্বাচনের মাধ্যমে একটি জাতীয় সংসদ প্রতিষ্ঠার সঙ্গে সঙ্গে সামরিক শাসন প্রত্যাহার করে পরিপূর্ণ গণতন্ত্র কায়েম করেন।

জিয়াউর রহমান স্বেচ্ছাশ্রমে খালকাটা কর্মসূচি চালু করে সেচব্যবস্থা ও নৌপথের উন্নয়নে অসামান্য উদ্যোগ নেন, আলস্যপ্রিয় মানুষকে কর্ম-উদ্দীপনায় উদ্বুদ্ধ করেন। প্রেসিডেন্ট জিয়া চীন ও মধ্যপ্রাচ্যের মুসলিম রাষ্ট্রগুলোর সঙ্গে কূটনৈতিক সম্পর্ক দৃঢ়তর অবস্থানে নিয়ে গিয়েছিলেন- তাঁর মেধা ও বুদ্ধিমত্তা প্রয়োগ করে। তিনি ওআইসি শক্তিশালী করতে ভূমিকা রাখেন, সারা দুনিয়ায় কূটনৈতিক অবস্থান শক্তিময় করেন। জিয়ার বিশেষ উদ্যোগেই দেশের কৃষি উৎপাদন বৃদ্ধি পায়, রপ্তানিমুখী তৈরি পোশাক শিল্পসহ সব ধরনের শিল্প-কারখানা গড়ার ক্ষেত্রে দ্রুত অগ্রগতি হয় এবং মধ্যপ্রাচ্যসহ বিভিন্ন সম্পদশালী রাষ্ট্রে বাংলাদেশের মানবসম্পদ রপ্তানির ব্যাপক সুযোগ সৃষ্টি হয়। জিয়া রাষ্ট্রনায়ক হতে পেরেছিলেন, তাই তিনি দক্ষিণ এশিয়ায় সার্ক প্রতিষ্ঠার স্বপ্নদ্রষ্টা ছিলেন এবং ইরান-ইরাক যুদ্ধ বন্ধে বিশাল কূটনৈতিক উদ্যোগে এগিয়ে গিয়েছিলেন। তাই তো প্রেসিডেন্ট জিয়া বাংলাদেশের ইতিহাসে হাজার হাজার বছর ধরে অমর নায়ক হয়ে থাকবেন।

লেখক : বিএনপির সাবেক তথ্য ও গবেষণা সম্পাদক

এই বিভাগের আরও খবর
শরীয়তপুরে যুদ্ধক্ষেত্র
শরীয়তপুরে যুদ্ধক্ষেত্র
শুল্ক নিয়ে তোলপাড়
শুল্ক নিয়ে তোলপাড়
রমজান পরবর্তী আমল
রমজান পরবর্তী আমল
নিরাপদ সড়কের স্বপ্ন সত্যি হবে কবে?
নিরাপদ সড়কের স্বপ্ন সত্যি হবে কবে?
কূটনীতিতে সবকিছুই সমান জটিল ও সহজ
কূটনীতিতে সবকিছুই সমান জটিল ও সহজ
জিয়ার স্মৃতি মুছে ফেলার সহজসরল পদ্ধতি!
জিয়ার স্মৃতি মুছে ফেলার সহজসরল পদ্ধতি!
তরমুজ-শসা খান
তরমুজ-শসা খান
আহা! ডিজিটাল বাংলাদেশ
আহা! ডিজিটাল বাংলাদেশ
ইউনূস-মোদি বৈঠক
ইউনূস-মোদি বৈঠক
রমজানের শিক্ষা ধরে রাখতে হবে
রমজানের শিক্ষা ধরে রাখতে হবে
ট্রাম্পের শুল্কনীতির কী প্রভাব পড়বে বাংলাদেশে
ট্রাম্পের শুল্কনীতির কী প্রভাব পড়বে বাংলাদেশে
দেশই সবকিছু, ব্যক্তি বা পরিবার নয়
দেশই সবকিছু, ব্যক্তি বা পরিবার নয়
সর্বশেষ খবর
ব্যাংক ও আর্থিক খাত ধ্বংসের হোতা লোটাস কামাল
ব্যাংক ও আর্থিক খাত ধ্বংসের হোতা লোটাস কামাল

১ সেকেন্ড আগে | জাতীয়

গাজা থেকে ইসরায়েলে রকেট হামলা
গাজা থেকে ইসরায়েলে রকেট হামলা

২২ মিনিট আগে | পূর্ব-পশ্চিম

পরশুরাম সীমান্তে তানজানিয়ান নাগরিক আটক
পরশুরাম সীমান্তে তানজানিয়ান নাগরিক আটক

২৭ মিনিট আগে | দেশগ্রাম

হঠাৎ অসুস্থ হয়ে কুমিল্লায় সিসিইউতে ভর্তি বরকত উল্লাহ বুলু
হঠাৎ অসুস্থ হয়ে কুমিল্লায় সিসিইউতে ভর্তি বরকত উল্লাহ বুলু

১ ঘণ্টা আগে | জাতীয়

ঝালকাঠির কাঠালিয়ার ঘোড়দৌড়
ঝালকাঠির কাঠালিয়ার ঘোড়দৌড়

১ ঘণ্টা আগে | দেশগ্রাম

ঝালকাঠিতে গাছ থেকে মা-ছেলের মরদেহ উদ্ধার
ঝালকাঠিতে গাছ থেকে মা-ছেলের মরদেহ উদ্ধার

১ ঘণ্টা আগে | দেশগ্রাম

জুয়া বন্ধ করতে গিয়ে জুয়াড়িদের হামলার শিকার পুলিশ, আহত ৫
জুয়া বন্ধ করতে গিয়ে জুয়াড়িদের হামলার শিকার পুলিশ, আহত ৫

২ ঘণ্টা আগে | দেশগ্রাম

১২ দিন পর খুলছে তামাবিল স্থলবন্দর
১২ দিন পর খুলছে তামাবিল স্থলবন্দর

২ ঘণ্টা আগে | দেশগ্রাম

গাইবান্ধায় নিচে নামছে ভূগর্ভস্থ পানির স্তর, পানি সংকট
গাইবান্ধায় নিচে নামছে ভূগর্ভস্থ পানির স্তর, পানি সংকট

২ ঘণ্টা আগে | দেশগ্রাম

ফিলিস্তিনে গণহত্যার প্রতিবাদে ঢাবির ক্লাস-পরীক্ষা স্থগিত
ফিলিস্তিনে গণহত্যার প্রতিবাদে ঢাবির ক্লাস-পরীক্ষা স্থগিত

৪ ঘণ্টা আগে | ক্যাম্পাস

ডিএনডি লেকে গোসলে নেমে মাদ্রাসা শিক্ষার্থীর মৃত্যু
ডিএনডি লেকে গোসলে নেমে মাদ্রাসা শিক্ষার্থীর মৃত্যু

৪ ঘণ্টা আগে | দেশগ্রাম

রাজবাড়ীতে নিরব হত্যার প্রধান আসামি গ্রেফতার
রাজবাড়ীতে নিরব হত্যার প্রধান আসামি গ্রেফতার

৪ ঘণ্টা আগে | দেশগ্রাম

ছেলের দায়ের কোপে আহত মায়ের মৃত্যু
ছেলের দায়ের কোপে আহত মায়ের মৃত্যু

৪ ঘণ্টা আগে | চট্টগ্রাম প্রতিদিন

ডাসারে অবৈধ স্থাপনা গুঁড়িয়ে দিলো উপজেলা প্রশাসন
ডাসারে অবৈধ স্থাপনা গুঁড়িয়ে দিলো উপজেলা প্রশাসন

৪ ঘণ্টা আগে | দেশগ্রাম

ফ্যাসিষ্টের দোসর ও নব্য বিএনপি থেকে সাবধান : মজনু
ফ্যাসিষ্টের দোসর ও নব্য বিএনপি থেকে সাবধান : মজনু

৫ ঘণ্টা আগে | দেশগ্রাম

ইসরায়েলি গণহত্যার প্রতিবাদে মুখে কালো কাপড় বেঁধে অবস্থান করবে ছাত্রদল
ইসরায়েলি গণহত্যার প্রতিবাদে মুখে কালো কাপড় বেঁধে অবস্থান করবে ছাত্রদল

৫ ঘণ্টা আগে | রাজনীতি

ঘুষ বাণিজ্যের অভিযোগে কাশিয়ানী থানার ওসি ক্লোজড
ঘুষ বাণিজ্যের অভিযোগে কাশিয়ানী থানার ওসি ক্লোজড

৫ ঘণ্টা আগে | দেশগ্রাম

‘ভারতে বিতর্কিত ওয়াকফ বিল মুসলিমদের আরো নিরাপত্তাহীন করে তুলবে’
‘ভারতে বিতর্কিত ওয়াকফ বিল মুসলিমদের আরো নিরাপত্তাহীন করে তুলবে’

৫ ঘণ্টা আগে | রাজনীতি

চট্টগ্রামে মদসহ চারজন গ্রেফতার
চট্টগ্রামে মদসহ চারজন গ্রেফতার

৫ ঘণ্টা আগে | চট্টগ্রাম প্রতিদিন

কক্সবাজারে ট্রেনে কাটা পড়ে মোটরসাইকেল আরোহী নিহত
কক্সবাজারে ট্রেনে কাটা পড়ে মোটরসাইকেল আরোহী নিহত

৫ ঘণ্টা আগে | দেশগ্রাম

চট্টগ্রামে পোশাককর্মী খুনের ঘটনায় স্বামী গ্রেফতার
চট্টগ্রামে পোশাককর্মী খুনের ঘটনায় স্বামী গ্রেফতার

৫ ঘণ্টা আগে | চট্টগ্রাম প্রতিদিন

ঈদের লম্বা ছুটিতে চট্টগ্রাম বন্দরে কনটেইনারের স্তূপ
ঈদের লম্বা ছুটিতে চট্টগ্রাম বন্দরে কনটেইনারের স্তূপ

৫ ঘণ্টা আগে | চট্টগ্রাম প্রতিদিন

ব্রাহ্মণবাড়িয়ায় বিদেশি মদসহ গ্রেফতার ৬
ব্রাহ্মণবাড়িয়ায় বিদেশি মদসহ গ্রেফতার ৬

৫ ঘণ্টা আগে | দেশগ্রাম

‘আইএমএফ বলেছে বাংলাদেশের অর্থনীতি সঠিক দিকেই আছে’
‘আইএমএফ বলেছে বাংলাদেশের অর্থনীতি সঠিক দিকেই আছে’

৫ ঘণ্টা আগে | বাণিজ্য

পৃথিবীর ‘সবুজ ফুসফুস’ নজরদারি করবে মহাকাশযান
পৃথিবীর ‘সবুজ ফুসফুস’ নজরদারি করবে মহাকাশযান

৫ ঘণ্টা আগে | বিজ্ঞান

গাইবান্ধায় কৃষকদের নিয়ে বসুন্ধরা শুভসংঘের আনন্দময় দিন
গাইবান্ধায় কৃষকদের নিয়ে বসুন্ধরা শুভসংঘের আনন্দময় দিন

৫ ঘণ্টা আগে | বসুন্ধরা শুভসংঘ

হজ ব্যবস্থাপনায় কোনো ত্রুটি বরদাশত করা হবে না : ধর্ম উপদেষ্টা
হজ ব্যবস্থাপনায় কোনো ত্রুটি বরদাশত করা হবে না : ধর্ম উপদেষ্টা

৫ ঘণ্টা আগে | জাতীয়

অতিরিক্ত ভাড়া আদায়ের দায়ে ৭ বাসকে জরিমানা
অতিরিক্ত ভাড়া আদায়ের দায়ে ৭ বাসকে জরিমানা

৬ ঘণ্টা আগে | নগর জীবন

ঈদের ছুটি পর বেনাপোল বন্দরে ফিরেছে স্বাভাবিক গতি
ঈদের ছুটি পর বেনাপোল বন্দরে ফিরেছে স্বাভাবিক গতি

৬ ঘণ্টা আগে | দেশগ্রাম

শর্টস ভিডিও নির্মাতাদের জন্য সুখবর দিল ইউটিউব
শর্টস ভিডিও নির্মাতাদের জন্য সুখবর দিল ইউটিউব

৬ ঘণ্টা আগে | টেক ওয়ার্ল্ড

সর্বাধিক পঠিত
বিয়েবাড়ির গেটে পার্টি স্প্রে দেওয়া নিয়ে মারামারি, ভাঙলো বিয়ে
বিয়েবাড়ির গেটে পার্টি স্প্রে দেওয়া নিয়ে মারামারি, ভাঙলো বিয়ে

১৩ ঘণ্টা আগে | দেশগ্রাম

বাংলাদেশসহ ১৪ দেশের ওপর সৌদির সাময়িক ভিসা নিষেধাজ্ঞা
বাংলাদেশসহ ১৪ দেশের ওপর সৌদির সাময়িক ভিসা নিষেধাজ্ঞা

১৫ ঘণ্টা আগে | পূর্ব-পশ্চিম

সরকারি কর্মচারীদের পদোন্নতি নিয়ে জরুরি নির্দেশনা
সরকারি কর্মচারীদের পদোন্নতি নিয়ে জরুরি নির্দেশনা

৯ ঘণ্টা আগে | জাতীয়

গাজায় গণহত্যা বন্ধে সোমবার বিশ্বব্যাপী ‘নো ওয়ার্ক নো স্কুল’
গাজায় গণহত্যা বন্ধে সোমবার বিশ্বব্যাপী ‘নো ওয়ার্ক নো স্কুল’

৭ ঘণ্টা আগে | জাতীয়

ভারতের ওয়াকফ সংশোধনী বিল নিয়ে যা বললেন আসিফ নজরুল
ভারতের ওয়াকফ সংশোধনী বিল নিয়ে যা বললেন আসিফ নজরুল

১৫ ঘণ্টা আগে | জাতীয়

সনাতন ধর্মাবলম্বীদের ধর্মীয় উৎসব উপলক্ষ্যে সেনাবাহিনীর নিরাপত্তা ও সহযোগিতা কার্যক্রম
সনাতন ধর্মাবলম্বীদের ধর্মীয় উৎসব উপলক্ষ্যে সেনাবাহিনীর নিরাপত্তা ও সহযোগিতা কার্যক্রম

১৭ ঘণ্টা আগে | জাতীয়

ভারতে ওয়াকফ বিল পাস হওয়ায় যে প্রতিক্রিয়া জানাল বিএনপি
ভারতে ওয়াকফ বিল পাস হওয়ায় যে প্রতিক্রিয়া জানাল বিএনপি

১০ ঘণ্টা আগে | রাজনীতি

আরাফাত রহমান কোকোর শাশুড়ি মারা গেছেন
আরাফাত রহমান কোকোর শাশুড়ি মারা গেছেন

১৮ ঘণ্টা আগে | জাতীয়

সরকারি সফরে রাশিয়া ও ক্রোয়েশিয়া গেলেন সেনাপ্রধান
সরকারি সফরে রাশিয়া ও ক্রোয়েশিয়া গেলেন সেনাপ্রধান

১৭ ঘণ্টা আগে | জাতীয়

ভাঙচুর ও হত্যাচেষ্টা মামলায় আওয়ামীপন্থী ৬১ আইনজীবীকে কারাগারে পাঠানোর নির্দেশ
ভাঙচুর ও হত্যাচেষ্টা মামলায় আওয়ামীপন্থী ৬১ আইনজীবীকে কারাগারে পাঠানোর নির্দেশ

৮ ঘণ্টা আগে | জাতীয়

যুক্তরাজ্যের পার্লামেন্টে ফ্ল্যাট নিয়ে টিউলিপের মিথ্যাচার
যুক্তরাজ্যের পার্লামেন্টে ফ্ল্যাট নিয়ে টিউলিপের মিথ্যাচার

১৪ ঘণ্টা আগে | জাতীয়

আমিরাতের সহযোগিতায় ৮ বিভাগে হবে স্পোর্টস হাব : ক্রীড়া উপদেষ্টা
আমিরাতের সহযোগিতায় ৮ বিভাগে হবে স্পোর্টস হাব : ক্রীড়া উপদেষ্টা

১০ ঘণ্টা আগে | জাতীয়

যুক্তরাষ্ট্রের সঙ্গে খনিজ চুক্তি ফাঁস: তদন্তে নেমেছে ইউক্রেন
যুক্তরাষ্ট্রের সঙ্গে খনিজ চুক্তি ফাঁস: তদন্তে নেমেছে ইউক্রেন

১০ ঘণ্টা আগে | পূর্ব-পশ্চিম

স্মার্টফোনে ‘ডু নট ডিস্টার্ব’ মোডের কাজ কী?
স্মার্টফোনে ‘ডু নট ডিস্টার্ব’ মোডের কাজ কী?

১৭ ঘণ্টা আগে | টেক ওয়ার্ল্ড

‘গৃহকর্ত্রীও নির্যাতিতা হতে পারেন’ -পরীমনির সেই ইস্যুতে ফেসবুকে ন্যান্সি
‘গৃহকর্ত্রীও নির্যাতিতা হতে পারেন’ -পরীমনির সেই ইস্যুতে ফেসবুকে ন্যান্সি

১৩ ঘণ্টা আগে | শোবিজ

আইনে পরিণত হলো বিতর্কিত ওয়াকফ সংশোধনী বিল
আইনে পরিণত হলো বিতর্কিত ওয়াকফ সংশোধনী বিল

১৫ ঘণ্টা আগে | পূর্ব-পশ্চিম

ইউক্রেনে একদিনে ৪৩০ সেনা হতাহত: মস্কো
ইউক্রেনে একদিনে ৪৩০ সেনা হতাহত: মস্কো

১৮ ঘণ্টা আগে | পূর্ব-পশ্চিম

তিন মন্ত্রণালয়ে সচিব পদে রদবদল
তিন মন্ত্রণালয়ে সচিব পদে রদবদল

১১ ঘণ্টা আগে | জাতীয়

দেশে প্রবাসী আয়ে রেকর্ড, মার্চে এল ৩ বিলিয়ন ডলারের বেশি
দেশে প্রবাসী আয়ে রেকর্ড, মার্চে এল ৩ বিলিয়ন ডলারের বেশি

১১ ঘণ্টা আগে | বাণিজ্য

সংবাদ সম্মেলন ডেকেছে বিএনপি
সংবাদ সম্মেলন ডেকেছে বিএনপি

১৪ ঘণ্টা আগে | রাজনীতি

ট্রাম্প প্রশাসনের শুল্কারোপের প্রভাব সামাল দেয়া কঠিন নয় : অর্থ উপদেষ্টা
ট্রাম্প প্রশাসনের শুল্কারোপের প্রভাব সামাল দেয়া কঠিন নয় : অর্থ উপদেষ্টা

১৫ ঘণ্টা আগে | জাতীয়

ট্রাম্প-মাস্কের নীতির বিরুদ্ধে যুক্তরাষ্ট্রজুড়ে গণবিক্ষোভ
ট্রাম্প-মাস্কের নীতির বিরুদ্ধে যুক্তরাষ্ট্রজুড়ে গণবিক্ষোভ

১৭ ঘণ্টা আগে | পূর্ব-পশ্চিম

এসএসএফের সাবেক ডিজির ফ্ল্যাট-জমি জব্দ, ৩৪ ব্যাংক হিসাব অবরুদ্ধ
এসএসএফের সাবেক ডিজির ফ্ল্যাট-জমি জব্দ, ৩৪ ব্যাংক হিসাব অবরুদ্ধ

১০ ঘণ্টা আগে | জাতীয়

ভারতে বাস দুর্ঘটনায় নিহত ১, ছিলেন ৭০ জনের বেশি বাংলাদেশি  তীর্থযাত্রী
ভারতে বাস দুর্ঘটনায় নিহত ১, ছিলেন ৭০ জনের বেশি বাংলাদেশি তীর্থযাত্রী

১৫ ঘণ্টা আগে | পূর্ব-পশ্চিম

ঘন ঘন দূতাবাসের স্থান পরিবর্তনে বিরক্ত মালয়েশিয়া প্রবাসীরা
ঘন ঘন দূতাবাসের স্থান পরিবর্তনে বিরক্ত মালয়েশিয়া প্রবাসীরা

৯ ঘণ্টা আগে | পরবাস

ইভ্যালির রাসেল-শামীমার তিন বছরের কারাদণ্ড
ইভ্যালির রাসেল-শামীমার তিন বছরের কারাদণ্ড

১৪ ঘণ্টা আগে | জাতীয়

গাজাবাসীর সমর্থনে সোমবার রাজপথে নামার আহ্বান সারজিসের
গাজাবাসীর সমর্থনে সোমবার রাজপথে নামার আহ্বান সারজিসের

৯ ঘণ্টা আগে | জাতীয়

বিচার চেয়ে থানায় বৃদ্ধা, ‘ভিক্ষা করে কেনা মুরগি মেরে দিল কারা?’
বিচার চেয়ে থানায় বৃদ্ধা, ‘ভিক্ষা করে কেনা মুরগি মেরে দিল কারা?’

১৪ ঘণ্টা আগে | দেশগ্রাম

ইসরায়েল সফরে গিয়ে অপমানিত দুই ব্রিটিশ নারী এমপি
ইসরায়েল সফরে গিয়ে অপমানিত দুই ব্রিটিশ নারী এমপি

১২ ঘণ্টা আগে | পূর্ব-পশ্চিম

ঢাকাসহ সাত বিভাগে বজ্রসহ বৃষ্টির আভাস
ঢাকাসহ সাত বিভাগে বজ্রসহ বৃষ্টির আভাস

১১ ঘণ্টা আগে | জাতীয়

প্রিন্ট সর্বাধিক
অনিশ্চয়তায় ১০ হাজার কোটির শিপমেন্ট
অনিশ্চয়তায় ১০ হাজার কোটির শিপমেন্ট

প্রথম পৃষ্ঠা

বিক্ষোভে উত্তাল যুক্তরাষ্ট্র
বিক্ষোভে উত্তাল যুক্তরাষ্ট্র

প্রথম পৃষ্ঠা

জিয়ার স্মৃতি মুছে ফেলার সহজসরল পদ্ধতি!
জিয়ার স্মৃতি মুছে ফেলার সহজসরল পদ্ধতি!

সম্পাদকীয়

কাজ করছে না আঙুলের ছাপ
কাজ করছে না আঙুলের ছাপ

পেছনের পৃষ্ঠা

আজকের ভাগ্যচক্র
আজকের ভাগ্যচক্র

আজকের রাশি

বিএনপিকে আওয়ামী লীগের আচরণ থেকে বের হতে হবে
বিএনপিকে আওয়ামী লীগের আচরণ থেকে বের হতে হবে

প্রথম পৃষ্ঠা

৮ কোটি টাকার প্রকল্পের কাজ কোটেশনে!
৮ কোটি টাকার প্রকল্পের কাজ কোটেশনে!

নগর জীবন

চরের জমিতে হাজার কোটি টাকার ফসল
চরের জমিতে হাজার কোটি টাকার ফসল

পেছনের পৃষ্ঠা

অপপ্রচার রোধে প্রেস উইংকে ভূমিকা রাখতে হবে
অপপ্রচার রোধে প্রেস উইংকে ভূমিকা রাখতে হবে

নগর জীবন

সংকট নেই তবু বাড়তি দরে ডলার বিক্রি
সংকট নেই তবু বাড়তি দরে ডলার বিক্রি

পেছনের পৃষ্ঠা

রাশিয়া সফরে সেনাপ্রধান
রাশিয়া সফরে সেনাপ্রধান

প্রথম পৃষ্ঠা

স্কটল্যান্ডকে হারালেন নিগাররা
স্কটল্যান্ডকে হারালেন নিগাররা

মাঠে ময়দানে

ক্ষেপণাস্ত্রের আঘাতে বিলীন জনবসতি
ক্ষেপণাস্ত্রের আঘাতে বিলীন জনবসতি

প্রথম পৃষ্ঠা

কারাগারে ৬১ আইনজীবী জামিন ১৯, পালালেন ৩ জন
কারাগারে ৬১ আইনজীবী জামিন ১৯, পালালেন ৩ জন

প্রথম পৃষ্ঠা

প্রধান উপদেষ্টার কাছে শহীদ পরিবারের প্রত্যাশা
প্রধান উপদেষ্টার কাছে শহীদ পরিবারের প্রত্যাশা

প্রথম পৃষ্ঠা

মন্ত্রণালয়ে যোগ দিয়েছেন ড. শেখ মইনউদ্দিন
মন্ত্রণালয়ে যোগ দিয়েছেন ড. শেখ মইনউদ্দিন

নগর জীবন

ওসির অপসারণ দাবিতে বিক্ষোভ
ওসির অপসারণ দাবিতে বিক্ষোভ

পেছনের পৃষ্ঠা

ধর্ষণের মিথ্যা মামলা গৃহবধূ জেলে
ধর্ষণের মিথ্যা মামলা গৃহবধূ জেলে

পেছনের পৃষ্ঠা

হাছান ও তার স্ত্রীর ব্যাংকে ৭২২ কোটি টাকা লেনদেন
হাছান ও তার স্ত্রীর ব্যাংকে ৭২২ কোটি টাকা লেনদেন

পেছনের পৃষ্ঠা

ক্ষমতায় যাওয়ার সিঁড়ি হবে না হেফাজতে ইসলাম
ক্ষমতায় যাওয়ার সিঁড়ি হবে না হেফাজতে ইসলাম

নগর জীবন

বিএনপি নেতার ওপর হামলার প্রতিবাদে বিক্ষোভ
বিএনপি নেতার ওপর হামলার প্রতিবাদে বিক্ষোভ

দেশগ্রাম

এক ছাতায় বিশ্বের হাজারো উদ্যোক্তা
এক ছাতায় বিশ্বের হাজারো উদ্যোক্তা

পেছনের পৃষ্ঠা

দেবরের হাতে ভাবি খুন
দেবরের হাতে ভাবি খুন

পেছনের পৃষ্ঠা

ছেলের রামদার কোপে মায়ের মৃত্যু
ছেলের রামদার কোপে মায়ের মৃত্যু

নগর জীবন

টিউলিপের দুর্নীতির দালিলিক প্রমাণ সাকিবের বিরুদ্ধে অনুসন্ধান
টিউলিপের দুর্নীতির দালিলিক প্রমাণ সাকিবের বিরুদ্ধে অনুসন্ধান

পেছনের পৃষ্ঠা

শরীয়তপুরে বোমাবাজিতে গ্রেপ্তার ৮
শরীয়তপুরে বোমাবাজিতে গ্রেপ্তার ৮

পেছনের পৃষ্ঠা

আইএমইডিতে নতুন সচিব
আইএমইডিতে নতুন সচিব

নগর জীবন

ফাঁদে ফেলে অপহরণ মুক্তিপণ আদায়
ফাঁদে ফেলে অপহরণ মুক্তিপণ আদায়

পেছনের পৃষ্ঠা

দলমতের ঊর্ধ্বে দক্ষিণাঞ্চলের উন্নয়নে কাজ করতে হবে
দলমতের ঊর্ধ্বে দক্ষিণাঞ্চলের উন্নয়নে কাজ করতে হবে

নগর জীবন

মোবাইল ব্যবহারে বাধা দেওয়ায় কিশোরীর আত্মহনন
মোবাইল ব্যবহারে বাধা দেওয়ায় কিশোরীর আত্মহনন

নগর জীবন