শিরোনাম
প্রকাশ: ০০:০০, রবিবার, ১২ জানুয়ারি, ২০২৫

ভারতীয় ভিসা এবং ধান খেত দিয়ে সীমান্ত পার

শিমুল মাহমুদ
প্রিন্ট ভার্সন
ভারতীয় ভিসা এবং ধান খেত দিয়ে সীমান্ত পার

কেন এই পাসপোর্ট পাসপোর্ট, কাঁটাতার কাঁটাতার খেলা/পৃথিবী আমার আমি হেঁটে যাব। কবি জাহাঙ্গীর ফিরোজ কোন বর্ডারে আটকে গিয়ে এই কবিতা লিখেছিলেন জানা নেই। তবে বিদেশ ভ্রমণে গিয়ে একবারই আমাকে সীমান্তে আটকে যেতে হয়েছিল। একমাত্র সন্তান পঞ্চম শ্রেণির শিশুপুত্র মুশফিক মাহমুদকে দার্জিলিংয়ে পড়তে পাঠিয়ে বুকের ভিতর হাহাকার চলছিল। তখন ভারতের ভিসা পাওয়া ছিল বেশ কঠিন। বর্ডারের লোকজন বলেছিল, ভিসা না পাইলে শুধু পাসপোর্ট নিয়ে চইলা আসবেন। পার করে দেব। খরচ একটু বেশি হবে। এক ঈদে তো ভিসা ছাড়াই দার্জিলিং রওনা দিয়েছিলাম। শেষ পর্যন্ত অবশ্য যাওয়া হয়নি।

২০১৮ সালের আগস্টে ভুটান যাওয়ার পথে ভারতের চ্যাংড়াবান্ধা বর্ডারে গিয়ে পাওয়া গেল মনোজ কুমার কানুকে। তিনি শ্যামলী পরিবহনের যাত্রীদের পাসপোর্ট পরিষেবার কাজ করেন অনেক বছর ধরে। ইদানীং একটি মানি এক্সচেঞ্জের এজেন্সিও দিয়েছেন। ২০১৩ সালের নভেম্বরে এক শীতের রাতে বর্ডার পার করে দিয়েছিলেন ধান খেত দিয়ে। সেই দিনের ঘটনা মনে করিয়ে দিয়ে জড়িয়ে ধরলাম। একসঙ্গে ছবিও তুললাম। সন্তানকে দার্জিলিংয়ের স্কুলে পড়তে পাঠানোর কারণে বছরে কয়েকবার সেখানে যেতে হতো। সেদিন বর্ডার ক্লোজ করার এক ঘণ্টা পর মনোজের সহায়তায় দেশে ফিরতে পেরেছিলাম। মনোজ বললেন, ভুলেই গেছিলাম, আসলেই সেটি ছিল বড় ঘটনা।

২০১৩ সালের ৬ নভেম্বর। ছেলেকে স্কুলে রেখে ফিরে আসব। ফেরার সময় মনে হলো, হাতে অনেক সময়। ভাবলাম, একটু রয়েসয়ে যাই। দুপুরের বেশ আগেই দার্জিলিং থেকে জিপে উঠলাম। শিলিগুড়ি পৌঁছার সাত-আট কিলোমিটার আগে জিপের চাকা পাংচার হয়ে গেল। সেটি ঠিক করে আবার জিপ চালু হতে এক ঘণ্টা লেগে যায়। শিলিগুড়িতে জিপ থেকে নেমে ভাবলাম, এই পথে কখনো বাসে চড়া হয়নি। বাসে করে ফিরব চ্যাংড়াবান্ধা। চারপাশ দেখতে দেখতে যাওয়া যাবে। সে রকম ভাবনা থেকেই বাসে উঠলাম।

চলছি তো চলছি। সময় যেন আর ফুরায় না। বর্ডার ক্লোজ হয়ে যায় সন্ধ্যা ৬টায়। শীতের বিকাল। সাড়ে ৫টার দিকেই অন্ধকার ঘনিয়ে আসে। এ সময় যাত্রীও কমে আসে। ৪টার পর থেকে আমার টেনশন বাড়তে থাকে। বাসের সহযাত্রীদের জিজ্ঞেস করি, ভাই, ময়নাগুড়ি কত দূর? এদিকে মনোজকেও ফোন দিচ্ছি বারবার। তাকে আশ্বস্ত করছি, আমি আসছি। বর্ডার পেরোতেই হবে। যখন বাস থেকে নামি তখন সন্ধ্যা সোয়া ৬টা। তীরে এসে তরি ডুবল মনে ভারতীয় ভিসা এবং ধান খেত দিয়ে সীমান্ত পারহলো। সেদিনের জন্য বাংলাদেশে ঢোকার আশা প্রায় ছেড়েই দিয়েছি। কিন্তু থাকব কোথায়? মনোজ ফোনে বললেন, দাদা, আমি ইমিগ্রেশনের স্যারদের বসিয়ে রেখেছি। আসেন, দেখি কিছু করা যায় কিনা। মন আমার বুড়িমারীর ওপারে বাংলাদেশ ভূখণ্ডে পড়ে আছে। আমি ভারতের চ্যাংড়াবান্ধায়। ঠিক সাড়ে ৬টায় চেকপোস্টে পৌঁছলাম। মনোজ বললেন, দ্রুত পাসপোর্ট দেন। তিনি পাসপোর্টসহ আমাকে নিয়ে ইমিগ্রেশনের রুমে গেলেন। ইমিগ্রেশন অফিসার পাসপোর্টে সিল মারবেন। হঠাৎ আমার দিকে তাকালেন। সিল হাতে নিয়েই বললেন, আমি সিল দিয়ে দিলে কিন্তু আপনাকে ওপাড়ে চলে যেতেই হবে। এপাড়ে আপনি অবৈধ হয়ে যাবেন। আমার মনে তখন ভয় ধরে গেল। পাসপোর্টে ডিপারচার সিল মারলে আমি এপাড়ে কোথাও থাকতে পারব না। শুনেছি, বর্ডারে সরকারের অনেক এজেন্সি কাজ করে। এক গ্রুপের সঙ্গে অন্য গ্রুপের সাধারণত সদ্ভাব থাকে না। সুযোগ পেলেই একে অন্যকে ফাঁসাতে চায়। সিল দিয়ে অবৈধ হয়ে গেলে ধরা পড়ে জেলেও যেতে হতে পারে। ইমিগ্রেশন অফিসার বললেন, আমরা ছেড়ে দেব। বিএসএফ (বর্ডার সিকিউরিটি ফোর্স) ছাড়বে কি না, জেনে আসুন। ততক্ষণে পৌনে ৭টা বেজে গেছে। বিএসএফ তাদের ডিউটি ক্লোজ করে পথে ব্যারিকেড দিয়ে চলে গেছে। মনোজ আমাকে অদূরে বিএসএফ কমান্ডারের কাছে নিয়ে গেলেন। তিনি দেরি হওয়ার কারণ জানতে চাইলেন। পেশা জানতে চাইলেন। বললাম, সাংবাদিক। পুত্রকে দার্জিলিং রেখে আসতে গিয়েছিলাম। তিনি স্কুলের নাম জানতে চাইলেন। সব শুনে তার যেন দয়া হলো। হিন্দিতে মনোজকে বললেন, ইমিগ্রেশনের লোকজন আছে? হ্যাঁ-সূচক জবাব পেয়ে বললেন, রাস্তায় তো ব্যারিকেড। ইমিগ্রেশন ছাড়লে ধান খেত দিয়ে পার করে দাও। বিএসএফ কমান্ডারের সম্মতি পেয়ে দৌড়ে ইমিগ্রেশনে গেলাম। তারা সিল মেরে দিল। অবশ্য কাস্টমসের লোকজন সন্ধ্যা ৬টার পরপরই চলে গেছেন। মনোজ বললেন, দাদা, ধান খেত দিয়ে পার হয়ে চলে যান। রাস্তা দেখিয়ে দিলেন। উত্তেজনায় আমার কথা বেরোচ্ছে না। মনোজকে টাকা দিতে চাইলাম। মনে হলো, তিনি যা চাইবেন তাই দেব। মনোজ বললেন, টাকা লাগবে না দাদা। আপনাকে পাঠাতে পারছি, এতেই খুশি।

কুয়াশা ভেজা ধান খেত পেরিয়ে যখন এপাড়ে আসব, হঠাৎ মনে পড়ল, ধান খেত দিয়ে রাতের বেলা সীমান্ত পার হচ্ছি, যদি বিএসএফ গুলি করে দেয়। এ ভাবনাতেই যেন শিরদাঁড়া বেয়ে ঘাম ঝরে গেল। শীতের রাতেও অজানা ভয়ে আমি ঘামতে শুরু করলাম। দ্রুত পায়ে ধান খেত পেরিয়ে এপাড়ে এলাম। তখন ৭টা পেরিয়ে গেছে। সূর্য ডোবার পর প্রায় পৌনে দুই ঘণ্টা। বুকভরে নিঃশ্বাস নিলাম, বাংলাদেশের মুক্ত বাতাসে। এপাড়ে বুড়িমারীতে ঢাকায় ফেরার শেষ বাসটিও যেন শুধু আমার জন্য অপেক্ষা করছিল। এই অভিজ্ঞতা গত এক দশকেও স্মৃতিতে অমøান। বাকি জীবনেও ভোলার নয়। যে ছেলেকে দার্জিলিংয়ের স্কুলে রেখে আসতে গিয়ে এত বিপত্তি, সে এখন জার্মানির এক বিশ্ববিদ্যালয়ে মাস্টার্সের শিক্ষার্থী।

২. বলা হয়ে থাকে, ভারত ঘুরে দেখলে সারা বিশ্ব দেখা হয়ে যায়। ভারত ছিল আমাদের বাড়ির কাছের বিদেশ। আমাদের বিদেশযাত্রার প্রথম পছন্দ। ছিল বলছি এই কারণে যে সেই ভারতের সঙ্গে সম্পর্কের তিক্ততা চলছে এখন। আস্থার সংকটে দুই দেশের সম্পর্ক এখন তলানিতে। ঢাকা থেকে ভারতীয় ভিসা দেওয়া প্রায় বন্ধ। এতে ভারতেরই বেশি ক্ষতি মনে করা হচ্ছে। তাদের পর্যটন ও চিকিৎসা খাত ক্ষতিগ্রস্ত হচ্ছে। কলকাতার শত শত ব্যবসাপ্রতিষ্ঠান বাংলাদেশি ক্রেতার অভাবে ধুঁকছে। দিল্লি, কলকাতা, মুম্বাই, চেন্নাই, ভেলরের হাসপাতালগুলো বাংলাদেশের রোগী পাচ্ছে না। তবে বাংলাদেশের লোকজন তো বসে নেই। তারা ব্যাংকক, সিঙ্গাপুর যাচ্ছে বেড়াতে, ডাক্তার দেখাতে। চিকিৎসা নিতে। খরচ একটু বেড়ে গেলেও ভারতমুখিতা বন্ধ হয়েছে। পর্যটন ভিসা বন্ধ হলেও দুই দেশের আমদানি-রপ্তানি বাণিজ্য তো বন্ধ নেই। ভারত থেকে নিত্যপণ্য আসছে বিভিন্ন স্থলবন্দর দিয়ে। বাংলাদেশ থেকেও যাচ্ছে নির্দিষ্ট কিছু পণ্য। বাংলাদেশের জন্য ভারত এবং ভারতের জন্য বাংলাদেশ অনেক বড় বাজার। কিন্তু বাংলাদেশ সারা বিশ্বে অসংখ্য পণ্য রপ্তানি করলেও ভারতের বাজারে সুবিধা পায়নি অশুল্ক বাধার কারণে। ফলে বাংলাদেশ থেকে ভারত যে সুবিধা পাচ্ছে সে তুলনায় বাংলাদেশের প্রাপ্ত সুবিধা অনুল্লেখ্য। শেখ হাসিনার সরকারের শেষ ১০ বছরে ভারত-বাংলাদেশ সম্পর্ক ছিল সবচেয়ে ঘনিষ্ঠ। এই সময়ে ভারত তাদের স্বার্থের অনুকূলে অনেক সুবিধা নিয়ে গেছে।

ছোট প্রতিবেশী হিসেবে বাংলাদেশের প্রতি ভারতের আচরণ কখনোই ইতিবাচক ছিল না। মুক্তিযুদ্ধের সহায়তাকারী হিসেবে ভারত বাংলাদেশের আনুগত্য প্রত্যাশা করে। কিন্তু একতরফা সীমান্ত হত্যা বাংলাদেশের প্রতি তাদের সীমাহীন বৈরিতার প্রকাশ। বারবার সিদ্ধান্ত হয়েছে, সীমান্তে কখনো প্রাণঘাতী অস্ত্র ব্যবহার করবে না ভারত। কিন্তু তারা সেই প্রতিশ্রুতি রক্ষা করে না। সীমান্তের বিভিন্ন অংশে প্রতি বছর অসংখ্য বাংলাদেশি খুন হন ভারতীয় রাষ্ট্রীয় বাহিনীর গুলিতে। বাংলাদেশে ভারতবিদ্বেষী মানুষের সংখ্যা বেড়ে যাওয়ার কারণ তাদের আচরণ। সর্বশেষ নিজেদের ৯৫ জেলেকে মুক্ত করতে তারা বাংলাদেশের ভূখণ্ডের অনেক ভিতরে ঢুকে আমাদের ৭৮ জেলেকে ধরে নিয়ে যায়। সেখানে আগে থেকে বন্দি ছিলেন আরও ১২ জেলে। সম্প্রতি ভারতের ৯৫ জেলের বিনিময়ে বাংলাদেশের ৯০ জেলেকে মুক্তি দেয় ভারত।

একটা সময় ছিল ভারতের গরু ছাড়া কোরবানি হতো না বাংলাদেশে। সেই নির্ভরতা কাটিয়ে উঠেছে বাংলাদেশ। ১৮ কোটি মানুষের এই দেশ চাইলে অনেক কিছুই করতে পারে। সামাজিক ও অর্থনৈতিক অনেক সূচকে বাংলাদেশ ভারতের চেয়ে এগিয়ে আছে। ভারতকে তার কট্টর হিন্দুত্ববাদ, চরম সাম্প্রদায়িকতা, সামাজিক বৈষম্য ও জাতপাত ভেদাভেদ নিয়ে এগোতে হয়। বাংলাদেশের সে রকম কোনো সমস্যা নেই। এ দেশে সব ধর্ম, বর্ণ, সম্প্রদায়ের মানুষ মর্যাদাপূর্ণ জীবনযাপন করে। আমাদের নেতৃত্ব যদি ঠিক হয়, তাহলে পরবর্তী ২০ বছরে ভারতকে অনেক পেছনে ফেলে এগিয়ে যাবে বাংলাদেশ। তখন হয়তো সীমান্তের চিত্রটা আরও ভিন্নতর হবে। সীমান্তে হয়তো আমাদেরই কাঁটাতারের বেষ্টনী দিয়ে অনুপ্রবেশ ঠেকাতে হবে। বাংলাদেশ তো আর ভুটান, মালদ্বীপ নয়। নেপালও নয়। রক্ত দিয়ে মাতৃভাষা অর্জনের দেশ বাংলাদেশ। যুদ্ধ করে হানাদার হটিয়ে স্বাধীনতা অর্জনের দেশ বাংলাদেশ। বাংলাদেশকে দাবিয়ে রাখার চিন্তা করাই বোকামি। প্রিয় প্রতিবেশী ভারতকে সেই বাস্তবতা বুঝতে হবে।

লেখক : সাংবাদিক

ইমেইল : [email protected]

এই বিভাগের আরও খবর
শরীয়তপুরে যুদ্ধক্ষেত্র
শরীয়তপুরে যুদ্ধক্ষেত্র
শুল্ক নিয়ে তোলপাড়
শুল্ক নিয়ে তোলপাড়
রমজান পরবর্তী আমল
রমজান পরবর্তী আমল
নিরাপদ সড়কের স্বপ্ন সত্যি হবে কবে?
নিরাপদ সড়কের স্বপ্ন সত্যি হবে কবে?
কূটনীতিতে সবকিছুই সমান জটিল ও সহজ
কূটনীতিতে সবকিছুই সমান জটিল ও সহজ
জিয়ার স্মৃতি মুছে ফেলার সহজসরল পদ্ধতি!
জিয়ার স্মৃতি মুছে ফেলার সহজসরল পদ্ধতি!
তরমুজ-শসা খান
তরমুজ-শসা খান
আহা! ডিজিটাল বাংলাদেশ
আহা! ডিজিটাল বাংলাদেশ
ইউনূস-মোদি বৈঠক
ইউনূস-মোদি বৈঠক
রমজানের শিক্ষা ধরে রাখতে হবে
রমজানের শিক্ষা ধরে রাখতে হবে
ট্রাম্পের শুল্কনীতির কী প্রভাব পড়বে বাংলাদেশে
ট্রাম্পের শুল্কনীতির কী প্রভাব পড়বে বাংলাদেশে
দেশই সবকিছু, ব্যক্তি বা পরিবার নয়
দেশই সবকিছু, ব্যক্তি বা পরিবার নয়
সর্বশেষ খবর
ব্যাংক ও আর্থিক খাত ধ্বংসের হোতা লোটাস কামাল
ব্যাংক ও আর্থিক খাত ধ্বংসের হোতা লোটাস কামাল

১ সেকেন্ড আগে | জাতীয়

গাজা থেকে ইসরায়েলে রকেট হামলা
গাজা থেকে ইসরায়েলে রকেট হামলা

২২ মিনিট আগে | পূর্ব-পশ্চিম

পরশুরাম সীমান্তে তানজানিয়ান নাগরিক আটক
পরশুরাম সীমান্তে তানজানিয়ান নাগরিক আটক

২৭ মিনিট আগে | দেশগ্রাম

হঠাৎ অসুস্থ হয়ে কুমিল্লায় সিসিইউতে ভর্তি বরকত উল্লাহ বুলু
হঠাৎ অসুস্থ হয়ে কুমিল্লায় সিসিইউতে ভর্তি বরকত উল্লাহ বুলু

১ ঘণ্টা আগে | জাতীয়

ঝালকাঠির কাঠালিয়ার ঘোড়দৌড়
ঝালকাঠির কাঠালিয়ার ঘোড়দৌড়

১ ঘণ্টা আগে | দেশগ্রাম

ঝালকাঠিতে গাছ থেকে মা-ছেলের মরদেহ উদ্ধার
ঝালকাঠিতে গাছ থেকে মা-ছেলের মরদেহ উদ্ধার

১ ঘণ্টা আগে | দেশগ্রাম

জুয়া বন্ধ করতে গিয়ে জুয়াড়িদের হামলার শিকার পুলিশ, আহত ৫
জুয়া বন্ধ করতে গিয়ে জুয়াড়িদের হামলার শিকার পুলিশ, আহত ৫

২ ঘণ্টা আগে | দেশগ্রাম

১২ দিন পর খুলছে তামাবিল স্থলবন্দর
১২ দিন পর খুলছে তামাবিল স্থলবন্দর

২ ঘণ্টা আগে | দেশগ্রাম

গাইবান্ধায় নিচে নামছে ভূগর্ভস্থ পানির স্তর, পানি সংকট
গাইবান্ধায় নিচে নামছে ভূগর্ভস্থ পানির স্তর, পানি সংকট

২ ঘণ্টা আগে | দেশগ্রাম

ফিলিস্তিনে গণহত্যার প্রতিবাদে ঢাবির ক্লাস-পরীক্ষা স্থগিত
ফিলিস্তিনে গণহত্যার প্রতিবাদে ঢাবির ক্লাস-পরীক্ষা স্থগিত

৪ ঘণ্টা আগে | ক্যাম্পাস

ডিএনডি লেকে গোসলে নেমে মাদ্রাসা শিক্ষার্থীর মৃত্যু
ডিএনডি লেকে গোসলে নেমে মাদ্রাসা শিক্ষার্থীর মৃত্যু

৪ ঘণ্টা আগে | দেশগ্রাম

রাজবাড়ীতে নিরব হত্যার প্রধান আসামি গ্রেফতার
রাজবাড়ীতে নিরব হত্যার প্রধান আসামি গ্রেফতার

৪ ঘণ্টা আগে | দেশগ্রাম

ছেলের দায়ের কোপে আহত মায়ের মৃত্যু
ছেলের দায়ের কোপে আহত মায়ের মৃত্যু

৪ ঘণ্টা আগে | চট্টগ্রাম প্রতিদিন

ডাসারে অবৈধ স্থাপনা গুঁড়িয়ে দিলো উপজেলা প্রশাসন
ডাসারে অবৈধ স্থাপনা গুঁড়িয়ে দিলো উপজেলা প্রশাসন

৪ ঘণ্টা আগে | দেশগ্রাম

ফ্যাসিষ্টের দোসর ও নব্য বিএনপি থেকে সাবধান : মজনু
ফ্যাসিষ্টের দোসর ও নব্য বিএনপি থেকে সাবধান : মজনু

৫ ঘণ্টা আগে | দেশগ্রাম

ইসরায়েলি গণহত্যার প্রতিবাদে মুখে কালো কাপড় বেঁধে অবস্থান করবে ছাত্রদল
ইসরায়েলি গণহত্যার প্রতিবাদে মুখে কালো কাপড় বেঁধে অবস্থান করবে ছাত্রদল

৫ ঘণ্টা আগে | রাজনীতি

ঘুষ বাণিজ্যের অভিযোগে কাশিয়ানী থানার ওসি ক্লোজড
ঘুষ বাণিজ্যের অভিযোগে কাশিয়ানী থানার ওসি ক্লোজড

৫ ঘণ্টা আগে | দেশগ্রাম

‘ভারতে বিতর্কিত ওয়াকফ বিল মুসলিমদের আরো নিরাপত্তাহীন করে তুলবে’
‘ভারতে বিতর্কিত ওয়াকফ বিল মুসলিমদের আরো নিরাপত্তাহীন করে তুলবে’

৫ ঘণ্টা আগে | রাজনীতি

চট্টগ্রামে মদসহ চারজন গ্রেফতার
চট্টগ্রামে মদসহ চারজন গ্রেফতার

৫ ঘণ্টা আগে | চট্টগ্রাম প্রতিদিন

কক্সবাজারে ট্রেনে কাটা পড়ে মোটরসাইকেল আরোহী নিহত
কক্সবাজারে ট্রেনে কাটা পড়ে মোটরসাইকেল আরোহী নিহত

৫ ঘণ্টা আগে | দেশগ্রাম

চট্টগ্রামে পোশাককর্মী খুনের ঘটনায় স্বামী গ্রেফতার
চট্টগ্রামে পোশাককর্মী খুনের ঘটনায় স্বামী গ্রেফতার

৫ ঘণ্টা আগে | চট্টগ্রাম প্রতিদিন

ঈদের লম্বা ছুটিতে চট্টগ্রাম বন্দরে কনটেইনারের স্তূপ
ঈদের লম্বা ছুটিতে চট্টগ্রাম বন্দরে কনটেইনারের স্তূপ

৫ ঘণ্টা আগে | চট্টগ্রাম প্রতিদিন

ব্রাহ্মণবাড়িয়ায় বিদেশি মদসহ গ্রেফতার ৬
ব্রাহ্মণবাড়িয়ায় বিদেশি মদসহ গ্রেফতার ৬

৫ ঘণ্টা আগে | দেশগ্রাম

‘আইএমএফ বলেছে বাংলাদেশের অর্থনীতি সঠিক দিকেই আছে’
‘আইএমএফ বলেছে বাংলাদেশের অর্থনীতি সঠিক দিকেই আছে’

৫ ঘণ্টা আগে | বাণিজ্য

পৃথিবীর ‘সবুজ ফুসফুস’ নজরদারি করবে মহাকাশযান
পৃথিবীর ‘সবুজ ফুসফুস’ নজরদারি করবে মহাকাশযান

৫ ঘণ্টা আগে | বিজ্ঞান

গাইবান্ধায় কৃষকদের নিয়ে বসুন্ধরা শুভসংঘের আনন্দময় দিন
গাইবান্ধায় কৃষকদের নিয়ে বসুন্ধরা শুভসংঘের আনন্দময় দিন

৫ ঘণ্টা আগে | বসুন্ধরা শুভসংঘ

হজ ব্যবস্থাপনায় কোনো ত্রুটি বরদাশত করা হবে না : ধর্ম উপদেষ্টা
হজ ব্যবস্থাপনায় কোনো ত্রুটি বরদাশত করা হবে না : ধর্ম উপদেষ্টা

৫ ঘণ্টা আগে | জাতীয়

অতিরিক্ত ভাড়া আদায়ের দায়ে ৭ বাসকে জরিমানা
অতিরিক্ত ভাড়া আদায়ের দায়ে ৭ বাসকে জরিমানা

৬ ঘণ্টা আগে | নগর জীবন

ঈদের ছুটি পর বেনাপোল বন্দরে ফিরেছে স্বাভাবিক গতি
ঈদের ছুটি পর বেনাপোল বন্দরে ফিরেছে স্বাভাবিক গতি

৬ ঘণ্টা আগে | দেশগ্রাম

শর্টস ভিডিও নির্মাতাদের জন্য সুখবর দিল ইউটিউব
শর্টস ভিডিও নির্মাতাদের জন্য সুখবর দিল ইউটিউব

৬ ঘণ্টা আগে | টেক ওয়ার্ল্ড

সর্বাধিক পঠিত
বিয়েবাড়ির গেটে পার্টি স্প্রে দেওয়া নিয়ে মারামারি, ভাঙলো বিয়ে
বিয়েবাড়ির গেটে পার্টি স্প্রে দেওয়া নিয়ে মারামারি, ভাঙলো বিয়ে

১৩ ঘণ্টা আগে | দেশগ্রাম

বাংলাদেশসহ ১৪ দেশের ওপর সৌদির সাময়িক ভিসা নিষেধাজ্ঞা
বাংলাদেশসহ ১৪ দেশের ওপর সৌদির সাময়িক ভিসা নিষেধাজ্ঞা

১৫ ঘণ্টা আগে | পূর্ব-পশ্চিম

সরকারি কর্মচারীদের পদোন্নতি নিয়ে জরুরি নির্দেশনা
সরকারি কর্মচারীদের পদোন্নতি নিয়ে জরুরি নির্দেশনা

৯ ঘণ্টা আগে | জাতীয়

গাজায় গণহত্যা বন্ধে সোমবার বিশ্বব্যাপী ‘নো ওয়ার্ক নো স্কুল’
গাজায় গণহত্যা বন্ধে সোমবার বিশ্বব্যাপী ‘নো ওয়ার্ক নো স্কুল’

৭ ঘণ্টা আগে | জাতীয়

ভারতের ওয়াকফ সংশোধনী বিল নিয়ে যা বললেন আসিফ নজরুল
ভারতের ওয়াকফ সংশোধনী বিল নিয়ে যা বললেন আসিফ নজরুল

১৫ ঘণ্টা আগে | জাতীয়

সনাতন ধর্মাবলম্বীদের ধর্মীয় উৎসব উপলক্ষ্যে সেনাবাহিনীর নিরাপত্তা ও সহযোগিতা কার্যক্রম
সনাতন ধর্মাবলম্বীদের ধর্মীয় উৎসব উপলক্ষ্যে সেনাবাহিনীর নিরাপত্তা ও সহযোগিতা কার্যক্রম

১৭ ঘণ্টা আগে | জাতীয়

ভারতে ওয়াকফ বিল পাস হওয়ায় যে প্রতিক্রিয়া জানাল বিএনপি
ভারতে ওয়াকফ বিল পাস হওয়ায় যে প্রতিক্রিয়া জানাল বিএনপি

১০ ঘণ্টা আগে | রাজনীতি

আরাফাত রহমান কোকোর শাশুড়ি মারা গেছেন
আরাফাত রহমান কোকোর শাশুড়ি মারা গেছেন

১৮ ঘণ্টা আগে | জাতীয়

সরকারি সফরে রাশিয়া ও ক্রোয়েশিয়া গেলেন সেনাপ্রধান
সরকারি সফরে রাশিয়া ও ক্রোয়েশিয়া গেলেন সেনাপ্রধান

১৭ ঘণ্টা আগে | জাতীয়

ভাঙচুর ও হত্যাচেষ্টা মামলায় আওয়ামীপন্থী ৬১ আইনজীবীকে কারাগারে পাঠানোর নির্দেশ
ভাঙচুর ও হত্যাচেষ্টা মামলায় আওয়ামীপন্থী ৬১ আইনজীবীকে কারাগারে পাঠানোর নির্দেশ

৮ ঘণ্টা আগে | জাতীয়

যুক্তরাজ্যের পার্লামেন্টে ফ্ল্যাট নিয়ে টিউলিপের মিথ্যাচার
যুক্তরাজ্যের পার্লামেন্টে ফ্ল্যাট নিয়ে টিউলিপের মিথ্যাচার

১৪ ঘণ্টা আগে | জাতীয়

আমিরাতের সহযোগিতায় ৮ বিভাগে হবে স্পোর্টস হাব : ক্রীড়া উপদেষ্টা
আমিরাতের সহযোগিতায় ৮ বিভাগে হবে স্পোর্টস হাব : ক্রীড়া উপদেষ্টা

১০ ঘণ্টা আগে | জাতীয়

যুক্তরাষ্ট্রের সঙ্গে খনিজ চুক্তি ফাঁস: তদন্তে নেমেছে ইউক্রেন
যুক্তরাষ্ট্রের সঙ্গে খনিজ চুক্তি ফাঁস: তদন্তে নেমেছে ইউক্রেন

১০ ঘণ্টা আগে | পূর্ব-পশ্চিম

স্মার্টফোনে ‘ডু নট ডিস্টার্ব’ মোডের কাজ কী?
স্মার্টফোনে ‘ডু নট ডিস্টার্ব’ মোডের কাজ কী?

১৭ ঘণ্টা আগে | টেক ওয়ার্ল্ড

‘গৃহকর্ত্রীও নির্যাতিতা হতে পারেন’ -পরীমনির সেই ইস্যুতে ফেসবুকে ন্যান্সি
‘গৃহকর্ত্রীও নির্যাতিতা হতে পারেন’ -পরীমনির সেই ইস্যুতে ফেসবুকে ন্যান্সি

১৩ ঘণ্টা আগে | শোবিজ

আইনে পরিণত হলো বিতর্কিত ওয়াকফ সংশোধনী বিল
আইনে পরিণত হলো বিতর্কিত ওয়াকফ সংশোধনী বিল

১৫ ঘণ্টা আগে | পূর্ব-পশ্চিম

ইউক্রেনে একদিনে ৪৩০ সেনা হতাহত: মস্কো
ইউক্রেনে একদিনে ৪৩০ সেনা হতাহত: মস্কো

১৮ ঘণ্টা আগে | পূর্ব-পশ্চিম

তিন মন্ত্রণালয়ে সচিব পদে রদবদল
তিন মন্ত্রণালয়ে সচিব পদে রদবদল

১১ ঘণ্টা আগে | জাতীয়

দেশে প্রবাসী আয়ে রেকর্ড, মার্চে এল ৩ বিলিয়ন ডলারের বেশি
দেশে প্রবাসী আয়ে রেকর্ড, মার্চে এল ৩ বিলিয়ন ডলারের বেশি

১১ ঘণ্টা আগে | বাণিজ্য

সংবাদ সম্মেলন ডেকেছে বিএনপি
সংবাদ সম্মেলন ডেকেছে বিএনপি

১৪ ঘণ্টা আগে | রাজনীতি

ট্রাম্প প্রশাসনের শুল্কারোপের প্রভাব সামাল দেয়া কঠিন নয় : অর্থ উপদেষ্টা
ট্রাম্প প্রশাসনের শুল্কারোপের প্রভাব সামাল দেয়া কঠিন নয় : অর্থ উপদেষ্টা

১৫ ঘণ্টা আগে | জাতীয়

ট্রাম্প-মাস্কের নীতির বিরুদ্ধে যুক্তরাষ্ট্রজুড়ে গণবিক্ষোভ
ট্রাম্প-মাস্কের নীতির বিরুদ্ধে যুক্তরাষ্ট্রজুড়ে গণবিক্ষোভ

১৭ ঘণ্টা আগে | পূর্ব-পশ্চিম

এসএসএফের সাবেক ডিজির ফ্ল্যাট-জমি জব্দ, ৩৪ ব্যাংক হিসাব অবরুদ্ধ
এসএসএফের সাবেক ডিজির ফ্ল্যাট-জমি জব্দ, ৩৪ ব্যাংক হিসাব অবরুদ্ধ

১০ ঘণ্টা আগে | জাতীয়

ভারতে বাস দুর্ঘটনায় নিহত ১, ছিলেন ৭০ জনের বেশি বাংলাদেশি  তীর্থযাত্রী
ভারতে বাস দুর্ঘটনায় নিহত ১, ছিলেন ৭০ জনের বেশি বাংলাদেশি তীর্থযাত্রী

১৫ ঘণ্টা আগে | পূর্ব-পশ্চিম

ঘন ঘন দূতাবাসের স্থান পরিবর্তনে বিরক্ত মালয়েশিয়া প্রবাসীরা
ঘন ঘন দূতাবাসের স্থান পরিবর্তনে বিরক্ত মালয়েশিয়া প্রবাসীরা

৯ ঘণ্টা আগে | পরবাস

ইভ্যালির রাসেল-শামীমার তিন বছরের কারাদণ্ড
ইভ্যালির রাসেল-শামীমার তিন বছরের কারাদণ্ড

১৪ ঘণ্টা আগে | জাতীয়

গাজাবাসীর সমর্থনে সোমবার রাজপথে নামার আহ্বান সারজিসের
গাজাবাসীর সমর্থনে সোমবার রাজপথে নামার আহ্বান সারজিসের

৯ ঘণ্টা আগে | জাতীয়

বিচার চেয়ে থানায় বৃদ্ধা, ‘ভিক্ষা করে কেনা মুরগি মেরে দিল কারা?’
বিচার চেয়ে থানায় বৃদ্ধা, ‘ভিক্ষা করে কেনা মুরগি মেরে দিল কারা?’

১৪ ঘণ্টা আগে | দেশগ্রাম

ইসরায়েল সফরে গিয়ে অপমানিত দুই ব্রিটিশ নারী এমপি
ইসরায়েল সফরে গিয়ে অপমানিত দুই ব্রিটিশ নারী এমপি

১২ ঘণ্টা আগে | পূর্ব-পশ্চিম

ঢাকাসহ সাত বিভাগে বজ্রসহ বৃষ্টির আভাস
ঢাকাসহ সাত বিভাগে বজ্রসহ বৃষ্টির আভাস

১১ ঘণ্টা আগে | জাতীয়

প্রিন্ট সর্বাধিক
অনিশ্চয়তায় ১০ হাজার কোটির শিপমেন্ট
অনিশ্চয়তায় ১০ হাজার কোটির শিপমেন্ট

প্রথম পৃষ্ঠা

বিক্ষোভে উত্তাল যুক্তরাষ্ট্র
বিক্ষোভে উত্তাল যুক্তরাষ্ট্র

প্রথম পৃষ্ঠা

জিয়ার স্মৃতি মুছে ফেলার সহজসরল পদ্ধতি!
জিয়ার স্মৃতি মুছে ফেলার সহজসরল পদ্ধতি!

সম্পাদকীয়

কাজ করছে না আঙুলের ছাপ
কাজ করছে না আঙুলের ছাপ

পেছনের পৃষ্ঠা

আজকের ভাগ্যচক্র
আজকের ভাগ্যচক্র

আজকের রাশি

বিএনপিকে আওয়ামী লীগের আচরণ থেকে বের হতে হবে
বিএনপিকে আওয়ামী লীগের আচরণ থেকে বের হতে হবে

প্রথম পৃষ্ঠা

৮ কোটি টাকার প্রকল্পের কাজ কোটেশনে!
৮ কোটি টাকার প্রকল্পের কাজ কোটেশনে!

নগর জীবন

চরের জমিতে হাজার কোটি টাকার ফসল
চরের জমিতে হাজার কোটি টাকার ফসল

পেছনের পৃষ্ঠা

অপপ্রচার রোধে প্রেস উইংকে ভূমিকা রাখতে হবে
অপপ্রচার রোধে প্রেস উইংকে ভূমিকা রাখতে হবে

নগর জীবন

সংকট নেই তবু বাড়তি দরে ডলার বিক্রি
সংকট নেই তবু বাড়তি দরে ডলার বিক্রি

পেছনের পৃষ্ঠা

রাশিয়া সফরে সেনাপ্রধান
রাশিয়া সফরে সেনাপ্রধান

প্রথম পৃষ্ঠা

স্কটল্যান্ডকে হারালেন নিগাররা
স্কটল্যান্ডকে হারালেন নিগাররা

মাঠে ময়দানে

ক্ষেপণাস্ত্রের আঘাতে বিলীন জনবসতি
ক্ষেপণাস্ত্রের আঘাতে বিলীন জনবসতি

প্রথম পৃষ্ঠা

কারাগারে ৬১ আইনজীবী জামিন ১৯, পালালেন ৩ জন
কারাগারে ৬১ আইনজীবী জামিন ১৯, পালালেন ৩ জন

প্রথম পৃষ্ঠা

প্রধান উপদেষ্টার কাছে শহীদ পরিবারের প্রত্যাশা
প্রধান উপদেষ্টার কাছে শহীদ পরিবারের প্রত্যাশা

প্রথম পৃষ্ঠা

মন্ত্রণালয়ে যোগ দিয়েছেন ড. শেখ মইনউদ্দিন
মন্ত্রণালয়ে যোগ দিয়েছেন ড. শেখ মইনউদ্দিন

নগর জীবন

ওসির অপসারণ দাবিতে বিক্ষোভ
ওসির অপসারণ দাবিতে বিক্ষোভ

পেছনের পৃষ্ঠা

ধর্ষণের মিথ্যা মামলা গৃহবধূ জেলে
ধর্ষণের মিথ্যা মামলা গৃহবধূ জেলে

পেছনের পৃষ্ঠা

হাছান ও তার স্ত্রীর ব্যাংকে ৭২২ কোটি টাকা লেনদেন
হাছান ও তার স্ত্রীর ব্যাংকে ৭২২ কোটি টাকা লেনদেন

পেছনের পৃষ্ঠা

ক্ষমতায় যাওয়ার সিঁড়ি হবে না হেফাজতে ইসলাম
ক্ষমতায় যাওয়ার সিঁড়ি হবে না হেফাজতে ইসলাম

নগর জীবন

বিএনপি নেতার ওপর হামলার প্রতিবাদে বিক্ষোভ
বিএনপি নেতার ওপর হামলার প্রতিবাদে বিক্ষোভ

দেশগ্রাম

এক ছাতায় বিশ্বের হাজারো উদ্যোক্তা
এক ছাতায় বিশ্বের হাজারো উদ্যোক্তা

পেছনের পৃষ্ঠা

দেবরের হাতে ভাবি খুন
দেবরের হাতে ভাবি খুন

পেছনের পৃষ্ঠা

ছেলের রামদার কোপে মায়ের মৃত্যু
ছেলের রামদার কোপে মায়ের মৃত্যু

নগর জীবন

টিউলিপের দুর্নীতির দালিলিক প্রমাণ সাকিবের বিরুদ্ধে অনুসন্ধান
টিউলিপের দুর্নীতির দালিলিক প্রমাণ সাকিবের বিরুদ্ধে অনুসন্ধান

পেছনের পৃষ্ঠা

শরীয়তপুরে বোমাবাজিতে গ্রেপ্তার ৮
শরীয়তপুরে বোমাবাজিতে গ্রেপ্তার ৮

পেছনের পৃষ্ঠা

আইএমইডিতে নতুন সচিব
আইএমইডিতে নতুন সচিব

নগর জীবন

ফাঁদে ফেলে অপহরণ মুক্তিপণ আদায়
ফাঁদে ফেলে অপহরণ মুক্তিপণ আদায়

পেছনের পৃষ্ঠা

দলমতের ঊর্ধ্বে দক্ষিণাঞ্চলের উন্নয়নে কাজ করতে হবে
দলমতের ঊর্ধ্বে দক্ষিণাঞ্চলের উন্নয়নে কাজ করতে হবে

নগর জীবন

মোবাইল ব্যবহারে বাধা দেওয়ায় কিশোরীর আত্মহনন
মোবাইল ব্যবহারে বাধা দেওয়ায় কিশোরীর আত্মহনন

নগর জীবন