শিরোনাম
প্রকাশ: ০০:০০, মঙ্গলবার, ০৭ জানুয়ারি, ২০২৫

মানসিক সমস্যা সহানুভূতির চোখে দেখা দরকার

আফরোজা পারভীন
প্রিন্ট ভার্সন
মানসিক সমস্যা সহানুভূতির চোখে দেখা দরকার

দিনের পর দিন মানসিক রোগীর সংখ্যা বেড়েই চলেছে। বিভিন্ন ধরনের মানসিক সমস্যা তাদের। কেউ সারা দিনে একটি কথাও বলে না, কেউ অনর্গল কথা বলে, কেউ বাথরুমে ঘণ্টার পর ঘণ্টা বসে থাকে। কেউবা সারা দিন ঘর ঝাঁট দেয়, কেউ রাস্তায় ঘোরে, চিৎকার, মারামারি, ভাঙচুর করে। এমন হাজারো রকম সমস্যা। এসবই মানসিক বিকলন। এদের আমরা ‘পাগল’ আখ্যা দিয়েই নিশ্চিন্ত থাকি। কিন্তু কেন পাগল, কী ধরনের পাগল, এর প্রতিকার কী এসব নিয়ে খুব কমই ভাবি। বেশি বাড়াবাড়ি হলে পাগলাগারদে পাঠিয়ে ঘাড় থেকে বোঝা নামাই, বাড়িতে শান্তি ফিরিয়ে আনি। এরা কেউ আমাদের ভাই, কেউ চাচা, ফুফু, মামা বা অন্য কোনো আত্মীয় কিংবা নিকটজন।

আমরা জানি, স্বাস্থ্য শারীরিক আর মানসিক স্বাস্থ্যের সমন্বয়। শরীর সুস্থ কিন্তু মনে হাজারটা রোগ থাকলে তাকে আমরা কোনোক্রমেই স্বাস্থ্যবান বলতে পারি না। তেমনি যিনি মানসিকভাবে সুস্থ কিন্তু শরীরে অসংখ্য রোগ তিনিও স্বাস্থ্যবান নন। নিটোল স্বাস্থ্যের জন্য দরকার শরীর ও মন সমভাবে সুস্থ থাকা। বিশ্ব স্বাস্থ্য সংস্থা এই দুই স্বাস্থ্যের সঙ্গে সামাজিক অবস্থাও যোগ করেছেন। অর্থাৎ স্বাস্থ্য এই তিনটির সুস্থ সমন্বয়।

একজন মানুষ তখনই স্বাস্থ্যবান যখন তার রোগবালাই থাকে না, সেই সঙ্গে ভয়, হতাশা, বিষণ্নতা, মানসিক চাপও থাকে না। মানসিক স্বাস্থ্যের প্রধান অনুষঙ্গ চিন্তা, আবেগ ও আচরণ। যার মানসিক স্বাস্থ্য ভালো তিনি দৈনন্দিন কাজকর্ম ঠিকমতো করেন। দৃঢ়তার সঙ্গে চ্যালেঞ্জ গ্রহণ করেন। পরিবার ও সমাজের সঙ্গে সংগতিপূর্ণ যথোচিত আচরণ করেন। দ্রুত সঠিক সিদ্ধান্ত নিতে পারে। নিজের ও সমাজের উন্নয়নে কাজ করেন।

মানসিক সুস্থতার জন্য নিয়মিত নিজের যত্ন নেওয়া প্রয়োজন। কোনো কারণে মনে কোনো কষ্ট বা আবেগের জন্ম হলে তা প্রকাশ করে ফেলা দরকার। এতে মানসিক চাপ ও জটিলতা কমে যায়। নিজের জন্য কিছুটা সময় আলাদা রাখতে হয়, নিজের মন কী বলছে সেটা বুুঝতে চেষ্টা করা এবং সেই অনুযায়ী কাজ করা, বই পড়া, গান শোনা দরকার। দরকার অতীত ও ভবিষ্যৎ নিয়ে চিন্তা না করে বর্তমানকে গুরুত্ব দেওয়া। বিভিন্ন গবেষণায় দেখা গেছে, সুষম ও পুষ্টিকর খাবার শরীরকেই নয়, মনকেও ভালো রাখে। অন্যদিকে অস্বাস্থ্যকর ফ্যাটি খাবার বিষণ্নতা ও অবসাদের সৃষ্টি করে। ভিটামিন বি-১২, ওমেগা-৩ ফ্যাটি অ্যাসিডসমৃদ্ধ খাবার মস্তিষ্কের আবেগ নিয়ন্ত্রণকারী হরমোনগুলোকে চাঙা রাখতে সাহায্য করে। এ ছাড়া তাজা ফলমূল ও সবজির বড় ভূমিকা রয়েছে মানসিক স্বাস্থ্য রক্ষায়। পুষ্টিকর খাবার নিয়মিত খেলে রোগ প্রতিরোধ ক্ষমতা বাড়ে। শারীরিক ও মানসিক সুস্থতার জন্য পর্যাপ্ত ঘুম দরকার। ঘুম ঠিকমতো না হলে মেজাজ তিরিক্ষি হয়ে ওঠে। ফলে মানুষ সহজেই ক্লান্তি বোধ করে, কর্মস্পৃহা কমে যায়। ঘুম শরীরের ক্ষতিগ্রস্ত কোষগুলো সারিয়ে তোলে। তাতে আমাদের মনমেজাজ চাঙা হয়। মানসিক স্বাস্থ্যের জন্য ব্যায়াম খুবই জরুরি। ব্যায়াম স্ট্রেস, বিষণ্নতা, ক্লান্তি ও মানসিক চাপ কমায়। যোগব্যায়াম এবং মেডিটেশনও কার্যকর হতে পারে।

মানসিক স্বাস্থ্য ভালো রাখতে নিজের শখের কাজ করা উচিত।  যেমন বাগান করা, রান্না কিংবা সেলাই করা, নতুন কোনো কিছু শেখা ইত্যাদি। এতে মন ভালো থাকে, আত্মবিশ্বাস বাড়ে। দুশ্চিন্তা মাথায় আসে না। ফলে মস্তিষ্কের কর্মক্ষমতা ও দক্ষতা বৃদ্ধি পায়। নিজের দুর্বলতাগুলোর কথা দিনরাত না ভেবে কিসে তুমি ভালো, কোথায় তোমার ক্ষমতা তাতে বিশ্বাসী হলে জীবনে এগিয়ে চলার সাহস পাওয়া যায়। আমরা কেউই পূর্ণাঙ্গ নই। কেউ হয় না। তাই অন্যের সঙ্গে প্রতিযোগিতা করে নিজের দুর্বল দিকগুলো নিয়ে চিন্তা করা বোকামি। এতে হীনম্মন্যতা, হতাশা, বিষণ্নতা বাড়ে। সারা দিন কী কী পেয়েছেন তার একটা লিস্ট বানান আর কৃতজ্ঞ থাকুন। কী পাননি তা চিন্তা না করে কী পেয়েছেন সেটা নিয়ে খুশি থাকার চেষ্টা করলে ইতিবাচকতা মনোভাবের জন্ম হয়। নিজেকে বিচ্ছিন্ন না রেখে পরিবারের সঙ্গে, প্রিয়জনের সঙ্গে সময় কাটান। হতাশা ও দুশ্চিন্তা আপনার কাছে ঘেঁষবে না। প্রচুর হাসি আর আলিঙ্গন মনকে সুস্থ করে তুলতে দারুণ উপযোগী। সক্রিয় থাকা দরকার। অলস মানুষের মাথায় নানা দুশ্চিন্তা আসে। এ ছাড়াও কারও প্রতি রাগ থাকলে বা ক্ষোভ পুষে রাখলে মানসিক অসুস্থতার সূত্রপাত হতে পারে। তাই ক্ষমা করে দিন। ক্ষমা মানসিক প্রশান্তি দেয়।

এতক্ষণ ধরে যে কাজগুলোর কথা বললাম এগুলো আমরা চাইলেই করতে পারি। এর জন্য কারও কোনো সাহায্য বা সহযোগিতা লাগে না। কিন্তু এত কিছু করার পরও যদি মানসিক সমস্যার সৃষ্টি হয় তবে ডাক্তারের পরামর্শ নিতে হবে। জটিল সমস্যায় অতি দ্রুত এবং নিয়মিত ডাক্তারি পরামর্শ জরুরি। কারণ শারীরিক ক্ষতি ভালো হলেও মানসিক ক্ষতি সহজে কাটিয়ে ওঠা সম্ভব হয় না। আমাদের চারপাশে রোজ কিছু নৃশংস ঘটনা ঘটছে যা আমাদের হাতে নেই। যারা এসব নৃশংসতার ভুক্তভোগী তাদের মনে সাংঘাতিক চাপ, ভয়, বিষণ্নতা, হতাশাসহ নানা ধরনের মানসিক সমস্যার সৃষ্টি হতে পারে। আমাদের উচিত তাদের পাশে থাকা, সহায়তার হাত বাড়িয়ে দেওয়া। তাদের সুস্থ জীবনে ফিরিয়ে আনার চেষ্টা করা।

সমস্যা হচ্ছে, আমাদের দেশে শরীরের পরিচর্যা যতটা করা হয় মনের পরিচর্যা তার শত ভাগের এক ভাগও করা হয় না। অসুখ হলে আমরা ডাক্তারের কাছে যাই, কিন্তু মনের অসুখ হলে মানসিক ডাক্তারের কাছে যেতে আমাদের নিজের এবং পরিবারের যথেষ্ট আপত্তি আছে। সমাজে একটা ধারণা প্রচলিত আছে মানসিক ডাক্তারের কাছে গেলে সবাই ভাববে পাগল হয়ে গেছে। আর এ সমাজে পাগল হওয়াকে ব্যক্তি এবং পরিবারের দোষের চোখে দেখা হয়। বাংলাদেশে মানসিক সমস্যা দিন দিন বাড়ছে। বিশ্ব স্বাস্থ্য সংস্থার মতে, দেশের একটি উল্লেখযোগ্য অংশ বিভিন্ন মানসিক রোগে আক্রান্ত। ডিপ্রেশন, অ্যানজাইটি, স্কিজোফ্রেনিয়া এবং বাইপোলার ডিজঅর্ডারের মতো সমস্যাগুলো ঘরে ঘরে বেড়ে চলেছে।

আমাদের জীবন খুব মসৃণ নয়। নানান চড়াই-উতরাই পেরিয়ে চলতে হয়। প্রতিদিন নানা রকম ঘটনার মুখোমুখি হই আমরা। এর কোনো কোনোটি আমাদের জন্য আনন্দের, আবার কোনোটি বিষাদ বা হতাশার। কোনোটি আবার এমন প্রতিক্রিয়া সৃষ্টি করে যাতে আমরা প্রচণ্ডভাবে মুষড়ে পড়ি, দুঃখ-ক্ষোভে জর্জরিত হই। অনেকে উচ্চশিক্ষা নেওয়ার পরও বেকার আছেন। সামাজিকভাবে মর্যাদা পান না, পরিবার অবহেলা করে, কথা শোনায়। তিনি মুষড়ে পড়েন। অনেককে লেখাপড়ার জন্য পরিবার থেকে এতটাই চাপ দেওয়া হয়, তিনিও ভেঙে পড়েন। অনেকের টাকা নেই, সংসারের ব্যয় নির্বাহ করতে হিমশিম খান, বউয়ের কথা শুনতে হয়, ছেলেমেয়ের চাহিদা পূরণ করতে পারেন না, অনেকের বিয়ে হয় না, কারও সন্তান হয় না এমন অসংখ্য হতাশা আর বেদনা রয়েছে মানুষের। আছে পারিবারিক কলহ, বিচ্ছেদ এবং অসন্তোষ। এই চাপটাও আমাদের মনের ওপর পড়ে। কিন্তু জীবনে কোনো দুুঃখদুর্দশা হতাশা চিরস্থায়ী নয়। আঁধারের পর আলো আসে এটাই চিরন্তন সত্য। এই কথাটা মনে রেখে সমস্যার মোকাবিলা করলে কোনো পরিস্থিতিতেই কেউ ভেঙে পড়ে না। বরং আত্মবিশ্বাস বাড়িয়ে দেয়। মানসিক রোগীর জন্য মানসিক চিকিৎসা আছে। এই চিকিৎসাপদ্ধতিতে কেন মানসিক সমস্যা হচ্ছে সে কারণ নির্ধারণ করে নিরাময়ের চেষ্টা করা হয়। সাধারণত কাউন্সেলিং, থেরাপি, ওষুধ প্রদান এবং মনোরোগ বিশেষজ্ঞের পর্যবেক্ষণ এই চিকিৎসার পদ্ধতি।

দেশে পর্যাপ্ত মানসিক চিকিৎসার সুবিধা নেই। দেশের বিভিন্ন অঞ্চলে মানসিক স্বাস্থ্যসেবা সীমিত এবং মানসম্পন্ন বিশেষজ্ঞ চিকিৎসকের অভাব রয়েছে। রাজধানী ঢাকায় জাতীয় মানসিক স্বাস্থ্য ইনস্টিটিউট রয়েছে, যেখানে ৪০০ শয্যার ব্যবস্থা আছে। এ ছাড়া পাবনায় ৫০০ শয্যার মানসিক হাসপাতাল রয়েছে। কিছু মেডিকেল কলেজ হাসপাতালে মানসিক রোগের চিকিৎসা দেওয়া হয়। তবে জেলা ও উপজেলা পর্যায়ে মানসিক স্বাস্থ্যসেবার ব্যবস্থা প্রায় নেই বললেই চলে। দেশে মানসিক রোগ বিশেষজ্ঞের সংখ্যা প্রায় ২২০ জন বলে জানা যায়, যার মধ্যে অধিকাংশই রাজধানীতে অবস্থান করেন। জেলা ও উপজেলা পর্যায়ে বিশেষজ্ঞের অভাব রয়েছে।

দেশে প্রাপ্তবয়স্কদের মধ্যে ১৮.৭% এবং শিশুদের মধ্যে ১২.৬% মানসিক সমস্যায় ভুগছেন। তবে মানসিক রোগীর মধ্যে প্রায় ৯১% কোনো চিকিৎসা পান না। কিন্তু উন্নত দেশগুলোর অবস্থা একেবারে বিপরীত। তারা শারীরিক চিকিৎসায় যতটা গুরুত্ব দেন ঠিক ততটাই গুরুত্ব দেন মানসিক চিকিৎসায়। সেসব দেশে মানসিক চিকিৎসার ক্ষেত্রে বাজেট বেশি। সেবাও অনেক বেশি। মানসিক চিকিৎসায় আক্রান্ত না হলেও তারা নিয়মিত চিকিৎসকের কাছে যায়। উচ্চ আয়ের দেশগুলোতে প্রতি লাখ মানুষের জন্য মানসিক স্বাস্থ্যকর্মীর সংখ্যা উল্লেখযোগ্যভাবে বেশি। সেসব দেশে মানসিক স্বাস্থ্যসচেতনতা ও গ্রহণযোগ্যতা বেশি। সচেতনতার কারণে রোগীরা নিজেই চিকিৎসা গ্রহণ করে। এ দেশে একদিকে মানসিক চিকিৎসার পর্যাপ্ত ব্যবস্থা নেই, অন্যদিকে রয়েছে সচেতনতার অভাব। আছে নানান সামাজিক কুসংস্কারের স্টিগমা বা নেতিবাচক মনোভাব, যার কিছুটা আগে বলেছি। অনেকে মানসিক সমস্যাকে লজ্জার বিষয় বলে মনে করেন। দেশে মানসিক স্বাস্থ্যসেবার অবকাঠামো ও বিশেষজ্ঞের সংখ্যা বৃদ্ধি করা দরকার। বাজেট বরাদ্দ ও সেবার পরিধি বাড়ানো প্রয়োজন। প্রতিটি জেলা-উপজেলায় মানসিক স্বাস্থ্যসেবা কেন্দ্র স্থাপন করা প্রয়োজন। সেখানে প্রশিক্ষিত মনোরোগ বিশেষজ্ঞ এবং পরামর্শদাতার ব্যবস্থা রাখতে হবে। যাতে মানসিক রোগীরা প্রয়োজনীয় সেবা পেতে পারেন।

একই সঙ্গে মানসিক স্বাস্থ্য সম্পর্কে জনগণের সচেতনতা বাড়াতে গণমাধ্যম, সামাজিক মাধ্যম এবং স্থানীয় প্রচারণা চালানো জরুরি। মানসিক সমস্যাকে আর দশটা স্বাভাবিক রোগ হিসেবে গণ্য করার জন্য মানুষকে উৎসাহিত করতে হবে। চিকিৎসকদের পাশাপাশি শিক্ষাপ্রতিষ্ঠানগুলোতে মানসিক স্বাস্থ্যবিষয়ক কোর্স চালু করা উচিত। শিক্ষার্থীদের মানসিক চাপ মোকাবিলার কৌশল শেখানো দরকার। পাশাপাশি মানসিক রোগীদের পুনর্বাসনের দীর্ঘমেয়াদি পরিকল্পনা নেওয়া উচিত। সবশেষ কথা, মানসিক সমস্যা দূর করতে সবচেয়ে বড় ভূমিকা পরিবারের। মানসিক সমস্যাকে সহানুভূতির চোখে দেখা দরকার। পরিবারের সদস্যদের উচিত মানসিক সমস্যা নিয়ে খোলামেলা আলোচনা করা। খোলামেলা আলোচনা হলেই কেবল সহযোগিতা করা সম্ভব।

লেখক : কথাশিল্পী, গবেষক

এই বিভাগের আরও খবর
শরীয়তপুরে যুদ্ধক্ষেত্র
শরীয়তপুরে যুদ্ধক্ষেত্র
শুল্ক নিয়ে তোলপাড়
শুল্ক নিয়ে তোলপাড়
রমজান পরবর্তী আমল
রমজান পরবর্তী আমল
নিরাপদ সড়কের স্বপ্ন সত্যি হবে কবে?
নিরাপদ সড়কের স্বপ্ন সত্যি হবে কবে?
কূটনীতিতে সবকিছুই সমান জটিল ও সহজ
কূটনীতিতে সবকিছুই সমান জটিল ও সহজ
জিয়ার স্মৃতি মুছে ফেলার সহজসরল পদ্ধতি!
জিয়ার স্মৃতি মুছে ফেলার সহজসরল পদ্ধতি!
তরমুজ-শসা খান
তরমুজ-শসা খান
আহা! ডিজিটাল বাংলাদেশ
আহা! ডিজিটাল বাংলাদেশ
ইউনূস-মোদি বৈঠক
ইউনূস-মোদি বৈঠক
রমজানের শিক্ষা ধরে রাখতে হবে
রমজানের শিক্ষা ধরে রাখতে হবে
ট্রাম্পের শুল্কনীতির কী প্রভাব পড়বে বাংলাদেশে
ট্রাম্পের শুল্কনীতির কী প্রভাব পড়বে বাংলাদেশে
দেশই সবকিছু, ব্যক্তি বা পরিবার নয়
দেশই সবকিছু, ব্যক্তি বা পরিবার নয়
সর্বশেষ খবর
ঝালকাঠির কাঠালিয়ার ঘোড়দৌড়
ঝালকাঠির কাঠালিয়ার ঘোড়দৌড়

৮ মিনিট আগে | দেশগ্রাম

ঝালকাঠিতে গাছ থেকে মা-ছেলের মরদেহ উদ্ধার
ঝালকাঠিতে গাছ থেকে মা-ছেলের মরদেহ উদ্ধার

২৭ মিনিট আগে | দেশগ্রাম

জুয়া বন্ধ করতে গিয়ে জুয়াড়িদের হামলার শিকার পুলিশ, আহত ৫
জুয়া বন্ধ করতে গিয়ে জুয়াড়িদের হামলার শিকার পুলিশ, আহত ৫

৪৮ মিনিট আগে | দেশগ্রাম

১২ দিন পর খুলছে তামাবিল স্থলবন্দর
১২ দিন পর খুলছে তামাবিল স্থলবন্দর

১ ঘণ্টা আগে | দেশগ্রাম

গাইবান্ধায় নিচে নামছে ভূগর্ভস্থ পানির স্তর, পানি সংকট
গাইবান্ধায় নিচে নামছে ভূগর্ভস্থ পানির স্তর, পানি সংকট

১ ঘণ্টা আগে | দেশগ্রাম

ফিলিস্তিনে গণহত্যার প্রতিবাদে ঢাবির ক্লাস-পরীক্ষা স্থগিত
ফিলিস্তিনে গণহত্যার প্রতিবাদে ঢাবির ক্লাস-পরীক্ষা স্থগিত

২ ঘণ্টা আগে | ক্যাম্পাস

ডিএনডি লেকে গোসলে নেমে মাদ্রাসা শিক্ষার্থীর মৃত্যু
ডিএনডি লেকে গোসলে নেমে মাদ্রাসা শিক্ষার্থীর মৃত্যু

৩ ঘণ্টা আগে | দেশগ্রাম

রাজবাড়ীতে নিরব হত্যার প্রধান আসামি গ্রেফতার
রাজবাড়ীতে নিরব হত্যার প্রধান আসামি গ্রেফতার

৩ ঘণ্টা আগে | দেশগ্রাম

ছেলের দায়ের কোপে আহত মায়ের মৃত্যু
ছেলের দায়ের কোপে আহত মায়ের মৃত্যু

৩ ঘণ্টা আগে | চট্টগ্রাম প্রতিদিন

ডাসারে অবৈধ স্থাপনা গুঁড়িয়ে দিলো উপজেলা প্রশাসন
ডাসারে অবৈধ স্থাপনা গুঁড়িয়ে দিলো উপজেলা প্রশাসন

৩ ঘণ্টা আগে | দেশগ্রাম

ফ্যাসিষ্টের দোসর ও নব্য বিএনপি থেকে সাবধান : মজনু
ফ্যাসিষ্টের দোসর ও নব্য বিএনপি থেকে সাবধান : মজনু

৩ ঘণ্টা আগে | দেশগ্রাম

ইসরায়েলি গণহত্যার প্রতিবাদে মুখে কালো কাপড় বেঁধে অবস্থান করবে ছাত্রদল
ইসরায়েলি গণহত্যার প্রতিবাদে মুখে কালো কাপড় বেঁধে অবস্থান করবে ছাত্রদল

৩ ঘণ্টা আগে | রাজনীতি

ঘুষ বাণিজ্যের অভিযোগে কাশিয়ানী থানার ওসি ক্লোজড
ঘুষ বাণিজ্যের অভিযোগে কাশিয়ানী থানার ওসি ক্লোজড

৩ ঘণ্টা আগে | দেশগ্রাম

‘ভারতে বিতর্কিত ওয়াকফ বিল মুসলিমদের আরো নিরাপত্তাহীন করে তুলবে’
‘ভারতে বিতর্কিত ওয়াকফ বিল মুসলিমদের আরো নিরাপত্তাহীন করে তুলবে’

৩ ঘণ্টা আগে | রাজনীতি

চট্টগ্রামে মদসহ চারজন গ্রেফতার
চট্টগ্রামে মদসহ চারজন গ্রেফতার

৩ ঘণ্টা আগে | চট্টগ্রাম প্রতিদিন

কক্সবাজারে ট্রেনে কাটা পড়ে মোটরসাইকেল আরোহী নিহত
কক্সবাজারে ট্রেনে কাটা পড়ে মোটরসাইকেল আরোহী নিহত

৪ ঘণ্টা আগে | দেশগ্রাম

চট্টগ্রামে পোশাককর্মী খুনের ঘটনায় স্বামী গ্রেফতার
চট্টগ্রামে পোশাককর্মী খুনের ঘটনায় স্বামী গ্রেফতার

৪ ঘণ্টা আগে | চট্টগ্রাম প্রতিদিন

ঈদের লম্বা ছুটিতে চট্টগ্রাম বন্দরে কনটেইনারের স্তূপ
ঈদের লম্বা ছুটিতে চট্টগ্রাম বন্দরে কনটেইনারের স্তূপ

৪ ঘণ্টা আগে | চট্টগ্রাম প্রতিদিন

ব্রাহ্মণবাড়িয়ায় বিদেশি মদসহ গ্রেফতার ৬
ব্রাহ্মণবাড়িয়ায় বিদেশি মদসহ গ্রেফতার ৬

৪ ঘণ্টা আগে | দেশগ্রাম

‘আইএমএফ বলেছে বাংলাদেশের অর্থনীতি সঠিক দিকেই আছে’
‘আইএমএফ বলেছে বাংলাদেশের অর্থনীতি সঠিক দিকেই আছে’

৪ ঘণ্টা আগে | বাণিজ্য

পৃথিবীর ‘সবুজ ফুসফুস’ নজরদারি করবে মহাকাশযান
পৃথিবীর ‘সবুজ ফুসফুস’ নজরদারি করবে মহাকাশযান

৪ ঘণ্টা আগে | বিজ্ঞান

গাইবান্ধায় কৃষকদের নিয়ে বসুন্ধরা শুভসংঘের আনন্দময় দিন
গাইবান্ধায় কৃষকদের নিয়ে বসুন্ধরা শুভসংঘের আনন্দময় দিন

৪ ঘণ্টা আগে | বসুন্ধরা শুভসংঘ

হজ ব্যবস্থাপনায় কোনো ত্রুটি বরদাশত করা হবে না : ধর্ম উপদেষ্টা
হজ ব্যবস্থাপনায় কোনো ত্রুটি বরদাশত করা হবে না : ধর্ম উপদেষ্টা

৪ ঘণ্টা আগে | জাতীয়

অতিরিক্ত ভাড়া আদায়ের দায়ে ৭ বাসকে জরিমানা
অতিরিক্ত ভাড়া আদায়ের দায়ে ৭ বাসকে জরিমানা

৪ ঘণ্টা আগে | নগর জীবন

ঈদের ছুটি পর বেনাপোল বন্দরে ফিরেছে স্বাভাবিক গতি
ঈদের ছুটি পর বেনাপোল বন্দরে ফিরেছে স্বাভাবিক গতি

৪ ঘণ্টা আগে | দেশগ্রাম

শর্টস ভিডিও নির্মাতাদের জন্য সুখবর দিল ইউটিউব
শর্টস ভিডিও নির্মাতাদের জন্য সুখবর দিল ইউটিউব

৪ ঘণ্টা আগে | টেক ওয়ার্ল্ড

গলাচিপায় শুভসংঘের উদ্যোগে জমিতে অতিরিক্ত সার ও কীটনাশক প্রয়োগ বিষয়ক সচেতনামূলক সভা
গলাচিপায় শুভসংঘের উদ্যোগে জমিতে অতিরিক্ত সার ও কীটনাশক প্রয়োগ বিষয়ক সচেতনামূলক সভা

৪ ঘণ্টা আগে | বসুন্ধরা শুভসংঘ

ট্রাম্পের সরাসরি আলোচনার প্রস্তাব প্রত্যাখ্যান করল ইরান
ট্রাম্পের সরাসরি আলোচনার প্রস্তাব প্রত্যাখ্যান করল ইরান

৪ ঘণ্টা আগে | পূর্ব-পশ্চিম

নিখোঁজ সেই গৃহবধূ পরকীয়া প্রেমিকসহ উদ্ধার
নিখোঁজ সেই গৃহবধূ পরকীয়া প্রেমিকসহ উদ্ধার

৫ ঘণ্টা আগে | দেশগ্রাম

বাউবিতে ঈদ পুনর্মিলনী অনুষ্ঠিত
বাউবিতে ঈদ পুনর্মিলনী অনুষ্ঠিত

৫ ঘণ্টা আগে | নগর জীবন

সর্বাধিক পঠিত
বিয়েবাড়ির গেটে পার্টি স্প্রে দেওয়া নিয়ে মারামারি, ভাঙলো বিয়ে
বিয়েবাড়ির গেটে পার্টি স্প্রে দেওয়া নিয়ে মারামারি, ভাঙলো বিয়ে

১১ ঘণ্টা আগে | দেশগ্রাম

বাংলাদেশসহ ১৪ দেশের ওপর সৌদির সাময়িক ভিসা নিষেধাজ্ঞা
বাংলাদেশসহ ১৪ দেশের ওপর সৌদির সাময়িক ভিসা নিষেধাজ্ঞা

১৪ ঘণ্টা আগে | পূর্ব-পশ্চিম

সরকারি কর্মচারীদের পদোন্নতি নিয়ে জরুরি নির্দেশনা
সরকারি কর্মচারীদের পদোন্নতি নিয়ে জরুরি নির্দেশনা

৮ ঘণ্টা আগে | জাতীয়

গাজায় গণহত্যা বন্ধে সোমবার বিশ্বব্যাপী ‘নো ওয়ার্ক নো স্কুল’
গাজায় গণহত্যা বন্ধে সোমবার বিশ্বব্যাপী ‘নো ওয়ার্ক নো স্কুল’

৬ ঘণ্টা আগে | জাতীয়

ভারতের ওয়াকফ সংশোধনী বিল নিয়ে যা বললেন আসিফ নজরুল
ভারতের ওয়াকফ সংশোধনী বিল নিয়ে যা বললেন আসিফ নজরুল

১৪ ঘণ্টা আগে | জাতীয়

সনাতন ধর্মাবলম্বীদের ধর্মীয় উৎসব উপলক্ষ্যে সেনাবাহিনীর নিরাপত্তা ও সহযোগিতা কার্যক্রম
সনাতন ধর্মাবলম্বীদের ধর্মীয় উৎসব উপলক্ষ্যে সেনাবাহিনীর নিরাপত্তা ও সহযোগিতা কার্যক্রম

১৬ ঘণ্টা আগে | জাতীয়

ভারতে ওয়াকফ বিল পাস হওয়ায় যে প্রতিক্রিয়া জানাল বিএনপি
ভারতে ওয়াকফ বিল পাস হওয়ায় যে প্রতিক্রিয়া জানাল বিএনপি

৯ ঘণ্টা আগে | রাজনীতি

আরাফাত রহমান কোকোর শাশুড়ি মারা গেছেন
আরাফাত রহমান কোকোর শাশুড়ি মারা গেছেন

১৭ ঘণ্টা আগে | জাতীয়

সরকারি সফরে রাশিয়া ও ক্রোয়েশিয়া গেলেন সেনাপ্রধান
সরকারি সফরে রাশিয়া ও ক্রোয়েশিয়া গেলেন সেনাপ্রধান

১৬ ঘণ্টা আগে | জাতীয়

যুক্তরাজ্যের পার্লামেন্টে ফ্ল্যাট নিয়ে টিউলিপের মিথ্যাচার
যুক্তরাজ্যের পার্লামেন্টে ফ্ল্যাট নিয়ে টিউলিপের মিথ্যাচার

১৩ ঘণ্টা আগে | জাতীয়

ভাঙচুর ও হত্যাচেষ্টা মামলায় আওয়ামীপন্থী ৬১ আইনজীবীকে কারাগারে পাঠানোর নির্দেশ
ভাঙচুর ও হত্যাচেষ্টা মামলায় আওয়ামীপন্থী ৬১ আইনজীবীকে কারাগারে পাঠানোর নির্দেশ

৭ ঘণ্টা আগে | জাতীয়

আমিরাতের সহযোগিতায় ৮ বিভাগে হবে স্পোর্টস হাব : ক্রীড়া উপদেষ্টা
আমিরাতের সহযোগিতায় ৮ বিভাগে হবে স্পোর্টস হাব : ক্রীড়া উপদেষ্টা

৯ ঘণ্টা আগে | জাতীয়

যুক্তরাষ্ট্রের সঙ্গে খনিজ চুক্তি ফাঁস: তদন্তে নেমেছে ইউক্রেন
যুক্তরাষ্ট্রের সঙ্গে খনিজ চুক্তি ফাঁস: তদন্তে নেমেছে ইউক্রেন

৮ ঘণ্টা আগে | পূর্ব-পশ্চিম

স্মার্টফোনে ‘ডু নট ডিস্টার্ব’ মোডের কাজ কী?
স্মার্টফোনে ‘ডু নট ডিস্টার্ব’ মোডের কাজ কী?

১৬ ঘণ্টা আগে | টেক ওয়ার্ল্ড

‘গৃহকর্ত্রীও নির্যাতিতা হতে পারেন’ -পরীমনির সেই ইস্যুতে ফেসবুকে ন্যান্সি
‘গৃহকর্ত্রীও নির্যাতিতা হতে পারেন’ -পরীমনির সেই ইস্যুতে ফেসবুকে ন্যান্সি

১২ ঘণ্টা আগে | শোবিজ

আইনে পরিণত হলো বিতর্কিত ওয়াকফ সংশোধনী বিল
আইনে পরিণত হলো বিতর্কিত ওয়াকফ সংশোধনী বিল

১৪ ঘণ্টা আগে | পূর্ব-পশ্চিম

ইউক্রেনে একদিনে ৪৩০ সেনা হতাহত: মস্কো
ইউক্রেনে একদিনে ৪৩০ সেনা হতাহত: মস্কো

১৬ ঘণ্টা আগে | পূর্ব-পশ্চিম

তিন মন্ত্রণালয়ে সচিব পদে রদবদল
তিন মন্ত্রণালয়ে সচিব পদে রদবদল

৯ ঘণ্টা আগে | জাতীয়

সংবাদ সম্মেলন ডেকেছে বিএনপি
সংবাদ সম্মেলন ডেকেছে বিএনপি

১৩ ঘণ্টা আগে | রাজনীতি

দেশে প্রবাসী আয়ে রেকর্ড, মার্চে এল ৩ বিলিয়ন ডলারের বেশি
দেশে প্রবাসী আয়ে রেকর্ড, মার্চে এল ৩ বিলিয়ন ডলারের বেশি

৯ ঘণ্টা আগে | বাণিজ্য

ট্রাম্প প্রশাসনের শুল্কারোপের প্রভাব সামাল দেয়া কঠিন নয় : অর্থ উপদেষ্টা
ট্রাম্প প্রশাসনের শুল্কারোপের প্রভাব সামাল দেয়া কঠিন নয় : অর্থ উপদেষ্টা

১৪ ঘণ্টা আগে | জাতীয়

ট্রাম্প-মাস্কের নীতির বিরুদ্ধে যুক্তরাষ্ট্রজুড়ে গণবিক্ষোভ
ট্রাম্প-মাস্কের নীতির বিরুদ্ধে যুক্তরাষ্ট্রজুড়ে গণবিক্ষোভ

১৬ ঘণ্টা আগে | পূর্ব-পশ্চিম

ভারতে বাস দুর্ঘটনায় নিহত ১, ছিলেন ৭০ জনের বেশি বাংলাদেশি  তীর্থযাত্রী
ভারতে বাস দুর্ঘটনায় নিহত ১, ছিলেন ৭০ জনের বেশি বাংলাদেশি তীর্থযাত্রী

১৪ ঘণ্টা আগে | পূর্ব-পশ্চিম

এসএসএফের সাবেক ডিজির ফ্ল্যাট-জমি জব্দ, ৩৪ ব্যাংক হিসাব অবরুদ্ধ
এসএসএফের সাবেক ডিজির ফ্ল্যাট-জমি জব্দ, ৩৪ ব্যাংক হিসাব অবরুদ্ধ

৮ ঘণ্টা আগে | জাতীয়

ইভ্যালির রাসেল-শামীমার তিন বছরের কারাদণ্ড
ইভ্যালির রাসেল-শামীমার তিন বছরের কারাদণ্ড

১২ ঘণ্টা আগে | জাতীয়

ঘন ঘন দূতাবাসের স্থান পরিবর্তনে বিরক্ত মালয়েশিয়া প্রবাসীরা
ঘন ঘন দূতাবাসের স্থান পরিবর্তনে বিরক্ত মালয়েশিয়া প্রবাসীরা

৮ ঘণ্টা আগে | পরবাস

গাজাবাসীর সমর্থনে সোমবার রাজপথে নামার আহ্বান সারজিসের
গাজাবাসীর সমর্থনে সোমবার রাজপথে নামার আহ্বান সারজিসের

৭ ঘণ্টা আগে | জাতীয়

বিচার চেয়ে থানায় বৃদ্ধা, ‘ভিক্ষা করে কেনা মুরগি মেরে দিল কারা?’
বিচার চেয়ে থানায় বৃদ্ধা, ‘ভিক্ষা করে কেনা মুরগি মেরে দিল কারা?’

১৩ ঘণ্টা আগে | দেশগ্রাম

ঢাকাসহ সাত বিভাগে বজ্রসহ বৃষ্টির আভাস
ঢাকাসহ সাত বিভাগে বজ্রসহ বৃষ্টির আভাস

১০ ঘণ্টা আগে | জাতীয়

ইসরায়েল সফরে গিয়ে অপমানিত দুই ব্রিটিশ নারী এমপি
ইসরায়েল সফরে গিয়ে অপমানিত দুই ব্রিটিশ নারী এমপি

১০ ঘণ্টা আগে | পূর্ব-পশ্চিম

প্রিন্ট সর্বাধিক
অনিশ্চয়তায় ১০ হাজার কোটির শিপমেন্ট
অনিশ্চয়তায় ১০ হাজার কোটির শিপমেন্ট

প্রথম পৃষ্ঠা

বিক্ষোভে উত্তাল যুক্তরাষ্ট্র
বিক্ষোভে উত্তাল যুক্তরাষ্ট্র

প্রথম পৃষ্ঠা

জিয়ার স্মৃতি মুছে ফেলার সহজসরল পদ্ধতি!
জিয়ার স্মৃতি মুছে ফেলার সহজসরল পদ্ধতি!

সম্পাদকীয়

কাজ করছে না আঙুলের ছাপ
কাজ করছে না আঙুলের ছাপ

পেছনের পৃষ্ঠা

আজকের ভাগ্যচক্র
আজকের ভাগ্যচক্র

আজকের রাশি

বিএনপিকে আওয়ামী লীগের আচরণ থেকে বের হতে হবে
বিএনপিকে আওয়ামী লীগের আচরণ থেকে বের হতে হবে

প্রথম পৃষ্ঠা

৮ কোটি টাকার প্রকল্পের কাজ কোটেশনে!
৮ কোটি টাকার প্রকল্পের কাজ কোটেশনে!

নগর জীবন

চরের জমিতে হাজার কোটি টাকার ফসল
চরের জমিতে হাজার কোটি টাকার ফসল

পেছনের পৃষ্ঠা

রাশিয়া সফরে সেনাপ্রধান
রাশিয়া সফরে সেনাপ্রধান

প্রথম পৃষ্ঠা

সংকট নেই তবু বাড়তি দরে ডলার বিক্রি
সংকট নেই তবু বাড়তি দরে ডলার বিক্রি

পেছনের পৃষ্ঠা

মন্ত্রণালয়ে যোগ দিয়েছেন ড. শেখ মইনউদ্দিন
মন্ত্রণালয়ে যোগ দিয়েছেন ড. শেখ মইনউদ্দিন

নগর জীবন

অপপ্রচার রোধে প্রেস উইংকে ভূমিকা রাখতে হবে
অপপ্রচার রোধে প্রেস উইংকে ভূমিকা রাখতে হবে

নগর জীবন

প্রস্তুতি শুরু নিগারদের
প্রস্তুতি শুরু নিগারদের

মাঠে ময়দানে

ওসির অপসারণ দাবিতে বিক্ষোভ
ওসির অপসারণ দাবিতে বিক্ষোভ

পেছনের পৃষ্ঠা

ক্ষেপণাস্ত্রের আঘাতে বিলীন জনবসতি
ক্ষেপণাস্ত্রের আঘাতে বিলীন জনবসতি

প্রথম পৃষ্ঠা

কারাগারে ৬১ আইনজীবী ১৯ জনের জামিন
কারাগারে ৬১ আইনজীবী ১৯ জনের জামিন

প্রথম পৃষ্ঠা

ক্ষমতায় যাওয়ার সিঁড়ি হবে না হেফাজতে ইসলাম
ক্ষমতায় যাওয়ার সিঁড়ি হবে না হেফাজতে ইসলাম

নগর জীবন

প্রধান উপদেষ্টার কাছে শহীদ পরিবারের প্রত্যাশা
প্রধান উপদেষ্টার কাছে শহীদ পরিবারের প্রত্যাশা

প্রথম পৃষ্ঠা

হাছান ও তার স্ত্রীর ব্যাংকে ৭২২ কোটি টাকা লেনদেন
হাছান ও তার স্ত্রীর ব্যাংকে ৭২২ কোটি টাকা লেনদেন

পেছনের পৃষ্ঠা

বিএনপি নেতার ওপর হামলার প্রতিবাদে বিক্ষোভ
বিএনপি নেতার ওপর হামলার প্রতিবাদে বিক্ষোভ

দেশগ্রাম

এক ছাতায় বিশ্বের হাজারো উদ্যোক্তা
এক ছাতায় বিশ্বের হাজারো উদ্যোক্তা

পেছনের পৃষ্ঠা

ধর্ষণের মিথ্যা  মামলা, গৃহবধূ জেলে
ধর্ষণের মিথ্যা মামলা, গৃহবধূ জেলে

পেছনের পৃষ্ঠা

টিউলিপের দুর্নীতির দালিলিক প্রমাণ সাকিবের বিরুদ্ধে অনুসন্ধান
টিউলিপের দুর্নীতির দালিলিক প্রমাণ সাকিবের বিরুদ্ধে অনুসন্ধান

পেছনের পৃষ্ঠা

দেবরের হাতে ভাবি খুন
দেবরের হাতে ভাবি খুন

পেছনের পৃষ্ঠা

ফাঁদে ফেলে অপহরণ মুক্তিপণ আদায়
ফাঁদে ফেলে অপহরণ মুক্তিপণ আদায়

পেছনের পৃষ্ঠা

ছেলের রামদার কোপে মায়ের মৃত্যু
ছেলের রামদার কোপে মায়ের মৃত্যু

নগর জীবন

আইএমইডিতে নতুন সচিব
আইএমইডিতে নতুন সচিব

নগর জীবন

শরীয়তপুরে বোমাবাজিতে গ্রেপ্তার ৮
শরীয়তপুরে বোমাবাজিতে গ্রেপ্তার ৮

পেছনের পৃষ্ঠা

দলমতের ঊর্ধ্বে দক্ষিণাঞ্চলের উন্নয়নে কাজ করতে হবে
দলমতের ঊর্ধ্বে দক্ষিণাঞ্চলের উন্নয়নে কাজ করতে হবে

নগর জীবন

মোবাইল ব্যবহারে বাধা দেওয়ায় কিশোরীর আত্মহনন
মোবাইল ব্যবহারে বাধা দেওয়ায় কিশোরীর আত্মহনন

নগর জীবন