এক সময়ে ছিলেন খড় ব্যবসায়ী, পরে বাগমারা উপজেলার তাহেরপুর পৌরসভার সাবেক মেয়র খন্দকার শায়লা পারভিন ও বাগমারা আসনের সাবেক এমপি আবুল কালাম আজাদের ছত্রছায়ায় গড়ে তোলেন অপরাধ জগৎ। যুবলীগ সভাপতি পদ পেয়ে বাগমারা ও পুঠিয়া উপজেলায় নিজের আধিপত্য বিস্তার শুরু করেন তাহেরপুর পৌর যুবলীগ সভাপতি আসাদুল ইসলাম। শুধু পুকুর খনন নয়, রাজশাহীর বাণিজ্যিক এলাকা তাহেরপুরে আধিপত্য বিস্তার করে নানা অনিয়মে জড়িয়ে হাতিয়ে নেন কোটি কোটি টাকা। নামে-বেনামে গড়ে তোলেন সম্পদের পাহাড়। গত ৫ আগস্ট বাগমারা উপজেলা সদরে প্রকাশ্যে অস্ত্র হাতে ছাত্র জনতার ওপর হামলা করেন এ যুবলীগ নেতা। তার বিরুদ্ধে থানায় মামলাও হয়েছে।
ক্ষমতাধর আলোচিত এই যুবলীগ নেতা ৫ আগস্ট ক্ষমতার পট পরিবর্তনের পর লাপাত্তা হলেও কয়েক দিন ধরে তাকে প্রকাশ্যে এলাকায় ঘুরতে দেখা যাচ্ছে। এমনকি প্রতিদিন নিজ ফেসবুক আইডিতে লাইভ করে নীতিকথার পাশাপাশি দলীয় নেতা-কর্মীদের নিয়ে দল গোছানোর বিভিন্ন কর্মসূচি ঘোষণা করছেন। মামলা থাকলেও পুলিশ তাকে গ্রেপ্তার করছে না। অভিযোগ উঠেছে, তাহেরপুরের এক প্রভাবশালী বিএনপি নেতার ছত্রছায়ায় আছেন তিনি। বিশাল অর্থের বিনিময়ে তিনি সন্ধি করেছেন ওই নেতার সঙ্গে। এদিকে অভিযোগ প্রসঙ্গে আসাদুল ইসলাম বলেন, ‘আমার বিরুদ্ধে ওঠা অভিযোগ সত্য নয়। আমি দুই বছর আগেই রাজনীতি ছেড়ে দিয়েছি। আমি কোটিপতি না। রাজনীতি ছাড়ার পরও আমার বিরুদ্ধে তিনটি মামলা হয়েছে। আমার দুটি দোকান দখল করা হয়েছে। চার মাস জেল খেটে এখন জামিনে আছি।’ এ বিষয়ে বাগমারা উপজেলা বিএনপির সদস্য সচিব কামাল হোসেন জানান, আওয়ামী লীগ বা এর অঙ্গ সংগঠনের কোনো নেতাকে বিএনপির কোনো নেতা আশ্রয়-প্রশ্রয় দিলে, তার বিরুদ্ধে সাংগঠনিক ব্যবস্থা নেওয়া হবে।