যুক্তরাষ্ট্রে বাংলাদেশি পণ্য রপ্তানিতে নতুন করে ৩৭ শতাংশ পাল্টা শুল্ক আরোপের নেতিবাচক প্রভাব মোকাবিলায় পোশাক রপ্তানির বাজার বহুমুখী করার পরামর্শ দিয়েছেন এ খাতের উদ্যোক্তারা। বলেছেন, ট্রাম্পের নতুন শুল্ক আরোপের ফলে বাংলাদেশের ক্রয়াদেশ কমার পাশাপাশি সংকোচিত হবে রপ্তানি আয়। রপ্তানির চলমান ধারা অব্যাহত রাখতে সরকারকে কার্যকর উদ্যোগ নেওয়ারও দাবি জানিয়েছেন তারা। রপ্তানি উন্নয়ন ব্যুরোর তথ্য মতে, বাংলাদেশের মোট পোশাক রপ্তানি আয়ের ৮৫ শতাংশই আসে যুক্তরাষ্ট্র ও ইউরোপ থেকে। ২০২৩-২৪ অর্থবছর যুক্তরাষ্ট্রে রপ্তানি হয়েছে ৭৪৩ কোটি ডলার। ডোনাল্ড ট্রাম্প বাংলাদেশের রপ্তানির ওপর নতুন করে ৩৭ শতাংশ শুল্ক আরোপের ঘোষণায় মোট শুল্কের পরিমাণ দাঁড়াবে ৫২ শতাংশ। ফলে পোশাক শিল্পে নেতিবাচক প্রভাবের আশঙ্কা করছেন ব্যবসায়ীরা। বলেছেন, যুক্তরাষ্ট্রের বাজারে দাম বাড়বে বাংলাদেশি পণ্যের। পোশাকের ক্রয়াদেশও কমবে।
পাশাপাশি দক্ষিণ আমেরিকা, ব্রাজিল, ভেনেজুয়েলা, কম্বোডিয়াসহ অন্যান্য দেশে বাজার সৃষ্টির পরামর্শ দিয়েছেন। এ বিষয়ে বিজিএমইএর সাবেক সভাপতি এসএম ফজলুল হক বলেন, তৈরি পোশাক রপ্তানিকারকদের বিকল্প বাজার তৈরিতে নজর দিতে হবে। অপ্রচলিত বাজার সম্প্রসারণের উদ্যোগ নিতে হবে। নির্দিষ্ট কোনো দেশের ওপর নির্ভর না করে বাজার বহুমুখী করতে হবে।