শিরোনাম
প্রকাশ: ০০:০০, শনিবার, ১১ জানুয়ারি, ২০২৫ আপডেট: ০০:৩১, শনিবার, ১১ জানুয়ারি, ২০২৫

এখনো বেঁচে আছেন দ্বিতীয় বিশ্বযুদ্ধের সৈনিক

♦ যুদ্ধ করেছেন সমুদ্রপথে ♦ তাঁর চিঠির জবাব দিয়েছেন সাবেক ব্রিটিশ রানি ♦ ভাতা পাচ্ছেন ব্রিটিশ সরকার থেকে
সাইফউদ্দীন আহমেদ লেনিন, কিশোরগঞ্জ
প্রিন্ট ভার্সন
এখনো বেঁচে আছেন দ্বিতীয় বিশ্বযুদ্ধের সৈনিক
আবদুল মান্নানের বাবা স্থানীয় বাজারে গিয়ে শোনেন, ব্রিটিশ সরকার সেনাবাহিনীতে লোক নেওয়ার জন্য ঢোল পিটিয়েছে। যারা আগ্রহী, তাঁরা যেন কিশোরগঞ্জ সদরের ডাকবাংলোতে গিয়ে অংশগ্রহণ করেন। এ ঘোষণা শুনে মান্নানের বাবা তাঁকে সেখানে পাঠান। ওজন, স্বাস্থ্য এবং উচ্চতার মাপে প্রাথমিক বাছাইয়ে টিকে যান মান্নান। এরপর লাইন থেকে সৈনিক বাছাই করতে আসেন এক ব্রিটিশ কর্মকর্তা। তিনি এসেই সবার বুকে জোরে থাপ্পড় মারতে থাকেন। থাপ্পড় খেয়ে অনেকেই মাটিতে পড়ে গেলেও মান্নান বুক টান করে দাঁড়িয়ে থাকেন। পরে উত্তীর্ণদের প্রশিক্ষণের জন্য পাঠানো হয় পাকিস্তান ও চীনের সীমান্ত এলাকা হাসনাবাদে...

জাতীয় পরিচয়পত্র অনুযায়ী জন্ম ১৯১৫ সালের ৫ জুন। সে হিসাবে বর্তমান বয়স ১০৯ বছর। তবে তাঁর দাবি বয়সটা ১১৬ বছর হবে। দ্বিতীয় বিশ্বযুদ্ধের সৈনিক তিনি। নাম তাঁর আবদুল মান্নান। দ্বিতীয় বিশ্বযুদ্ধের সৈনিক হিসেবে ব্রিটিশ সরকার থেকে এখনো নিয়মিত ভাতা পাচ্ছেন। কিশোরগঞ্জের পাকুন্দিয়া উপজেলার সুখিয়া ইউনিয়নের বড় আজলদী গ্রামের আবদুল রহমান ও আতর বানু দম্পতির ছেলে আবদুল মান্নান। বয়স শত বছর পেরোলেও চোখে দেখেন স্পষ্ট, কথাও বলেন কোনো রকম জড়তা ছাড়াই। শত বছর পার করা এ মানুষটি কিছুদিন আগেও কারও সাহায্য ছাড়াই চলাফেরা করতেন। কয়েক মাস আগে পায়ে সমস্যা হওয়ায় হুইল চেয়ার ব্যবহার করতে হচ্ছে। বাড়িতে গিয়ে কথা হয় আবদুল মান্নানের সঙ্গে। শত বছর পার করা এ সৈনিক এখনো ভোলেননি তখনকার স্মৃতি। বাংলার পাশাপাশি কিছুটা ইংরেজিতে কথা বলতে পারেন। ইংলিশ ভাষাটা তিনি শিখেছেন ইংরেজদের কাছ থেকেই। ঘরে থাকা পুরনো ট্রাংক থেকে বের করে দেখান সে সময়কার কাগজপত্র, যুদ্ধ শেষে তৎকালীন ব্রিটিশ প্রধানমন্ত্রীর চিঠির জবাব। দেখান যুদ্ধকালীন পোশাকও। পোশাকে এখনো ব্রিটিশ সেনাবাহিনীর বিভিন্ন র‌্যাংক মেডেল ঝোলানো আছে। সেই যুদ্ধের এমন তিনটি পোশাক ও বিভিন্ন কাগজপত্র এখনো যত্ন করে রেখে দিয়েছেন। ট্রাংকে থাকা এসব কাগজপত্র ও পোশাকে কাউকে হাত দিতে দেন না। মান্নান বলেন, ১৯৪২ সালে দ্বিতীয় বিশ্বযুদ্ধ চলাকালীন তাঁর বাবা আবদুর রহমান স্থানীয় বাজারে গিয়ে শোনেন ব্রিটিশ সরকার সেনাবাহিনীতে লোক নেওয়ার জন্য ঢোল পিটিয়েছে। যারা আগ্রহী, তাঁরা যেন কিশোরগঞ্জ সদরের ডাকবাংলোতে গিয়ে অংশগ্রহণ করেন। এ ঘোষণা শুনে মান্নানের বাবা তাঁকে সেখানে পাঠান। ওজন, স্বাস্থ্য এবং উচ্চতার মাপে প্রাথমিক বাছাইয়ে টিকে যান মান্নান। এরপর লাইন থেকে সৈনিক বাছাই করতে আসেন এক ব্রিটিশ কর্মকর্তা। তিনি এসেই সবার বুকে জোরে থাপ্পড় মারতে থাকেন। থাপ্পড় খেয়ে অনেকেই মাটিতে পড়ে গেলেও মান্নান বুক টান করে দাঁড়িয়ে থাকেন। পরে উত্তীর্ণদের প্রশিক্ষণের জন্য পাঠানো হয় পাকিস্তান ও চীনের সীমান্ত এলাকা হাসনাবাদে। প্রশিক্ষণ শেষে সেখান থেকে ৪ হাজার সৈনিক সমুদ্রপথে যুদ্ধের প্রস্তুতি নেন। বড় একটি জাহাজে ছয় মাসের খাবার নিয়ে কলম্বোর দিকে রওনা দেন তাঁরা। সেই জাহাজে অস্ত্র, গোলাবারুদসহ চারটি কামান বিভিন্ন দিকে তাক করা ছিল। জাহাজে শুধু ভারত উপমহাদেশীয় সৈনিকরা ছিল। জাহাজটি টানা এক মাস আটলান্টিক মহাসাগরে তাঁদের নিয়ে মহড়া দেয়। সেখানে সৈনিকদের বলা হলো, পানিপথে অনেকেই আক্রমণ করতে আসবে। এক মাস পর আটলান্টিক মহাসাগর থেকে আবার কলম্বোয় ফিরলেন তারা। তখন কলম্বোর কাছাকাছি জার্মানির একটি জাহাজকে তাঁরা ডুবিয়ে দিয়েছিলেন। সেখান থেকে আবার হায়দরাবাদ নিয়ে আসা হয় তাঁদের। ছুটি শেষে করাচি হয়ে মিয়ানমারের দিকে রওনা দেন মান্নান। প্রতিকূল পরিস্থিতি মোকাবিলা করে হিমালয়ের নিচ দিয়ে মিয়ানমার পৌঁছায় তাদের সৈনিক দলটি। সেখানে কিছু কিছু স্থানে শত্রুপক্ষের সংবাদ পেয়ে গুলিও করেন। মিয়ানমার গিয়ে ক্যাম্প করার পরই তাঁরা সংবাদ পান হিরোশিমা ও নাগাসাকিতে বোমা ফেলা হয়েছে। তখনই যুদ্ধ শেষ হয়। মান্নান জানান, হিরোশিমায় যখন বোমা হামলা হলো, তখন ব্রিটিশ সৈনিকরা আমাদের ভারতীয়দের কাছে বুঝিয়ে দিয়ে তারা চলে যেতে থাকে। পাঁচ-সাতজন করে একেকটি দল ক্যাম্প ছেড়ে যাচ্ছিল। তখন আমরা জানতে চাইলাম আপনারা কোথায় যান? তখন ভারতীয় সৈনিকরা আমাদের কাছে সত্যটা গোপন করে জানায়, তারা কোয়ার্টারে যাচ্ছে। তবে সত্যিটা হলো, সব ব্রিটিশ সৈনিক তখন আমাদের ক্যাম্পে রেখেই ফ্লাইটে লন্ডন চলে যাচ্ছিল। তিনি বলেন, সেখান থেকে আমাদের আবার হায়দরাবাদে নিয়ে আসা হয়। এরপর ৫০০ টাকা হাতে ধরিয়ে দিয়ে কলকাতায় পাঠানো হয়। সেখান থেকে পাঠিয়ে দেওয়া হয় বাড়িতে। ব্রিটিশ প্রধানমন্ত্রীর কাছে চিঠি লেখার গল্পটা শুনতে চাইলে তিনি বলেন, সেই যুদ্ধে গিয়ে আমি তেমন কিছুই পাইনি। এমনকি প্রাপ্য সম্মানটুকুও পাইনি। এরপর মন চাইল ব্রিটিশ সরকারের কাছে চিঠি লেখার। কিন্তু আমি তো পড়াশোনা জানি না। ইংলিশ বলতে পারি, তবে লিখতে পারি না। তাই শরণাপন্ন হলাম আমাদের এলাকার আলতাফ মৌলভীর। তিনি ইংরেজিতে খুব পারদর্শী ছিলেন। তখন ছিল এরশাদ সরকারের আমল। ওই সময় লিখেছিলাম, দ্বিতীয় বিশ্বযুদ্ধ শেষ হয়ে গেলে আপনার ব্রিটিশ সেনাবাহিনী আমাদের ফেলে কমান্ড ছেড়ে চলে গেল। অথচ আমাকে কিছুই বলে যায়নি। আমার অধিকার আমি পাইনি। যুদ্ধ জয় করে আপনার দেশের সৈন্যরা আমাদের কাছে কিছু না বলে চুপিচুপি সেখান থেকে চলে গেল। এখন লন্ডন শহরে তারা মাথা উঁচু করে হাঁটে। আর আমি যে আপনাদের হয়ে যুদ্ধে অংশ নিলাম, আমাকেও তো প্রাপ্য সম্মানটুকু দেননি আপনারা। কোনো খোঁজখবরও রাখেননি। চিঠির একটি কপি তিনি সে সময়ে রাষ্ট্রপতি হুসেইন মুহম্মদ এরশাদ ও আরেকটি কপি ব্রিটিশ হাইকমিশনে দেন। কিছুদিন পর ব্রিটিশ রানির চিঠির জবাব আসে তাঁর কাছে। রানি লেখেন, আপনার বিষয়টি দেখার জন্য আমাদের পক্ষ থেকে আপনাদের রাষ্ট্রপতি হুসেইন মুহম্মদ এরশাদকে বলা হয়েছে। ব্রিটিশ অ্যাম্বাসি থেকে আমাকে চিঠি দেওয়া হলো এই বলে যে, আপনার বিষয়টি ব্রিটিশ সোলজার বোর্ড থেকে অচিরেই সমাধান করা হবে।

এরপর সে সময়ে ময়মনসিংহের কাচারিঘাট সোলজার বোর্ডে তাঁকে ডেকে নিয়ে ৩ হাজার ৫৩৮ টাকা ৭৭ পয়সা দেওয়া হয়। এরশাদের পতনের পর কিছুদিনের জন্য বন্ধ হয়ে যায় মান্নানের ভাতা। পরে আবারও ময়মনসিংহের কাচারিঘাট সোলজার বোর্ড থেকে তিনজন লোক এসে তাঁর খোঁজখবর নেন। এখন নিয়মিত ভাতা পাচ্ছেন তিনি। ভাতাটা বছরে দুবার দেওয়া হয়। একবার দেওয়া হয় ১৫ হাজারের মতো এবং আরেকবার দেওয়া হয় ৩২ হাজারের মতো। এই ব্রিটিশ যোদ্ধা জানান, মুক্তিযুদ্ধের সময় তিনি এলাকার লোকজনকে যুদ্ধের প্রাথমিক প্রশিক্ষণ দিয়ে ভারতে পাঠিয়েছেন। তাঁদের অনেকেই মুক্তিযোদ্ধার সনদ পেলেও তিনি সনদ পাননি। জীবন সায়াহ্ণে এসে শেষ ইচ্ছার বিষয়ে তিনি বলেন, মুক্তিযোদ্ধা হিসেবে স্বীকৃতি আর ভাঙাচোরা ঘরটি যেন পাকা করে দেওয়া হয়। মান্নানের ছোট ছেলে রোমান বলেন, আমার বাবা দ্বিতীয় বিশ্বযুদ্ধের সৈনিক এ পরিচয়টা আমাদের জন্য গর্বের।

এই বিভাগের আরও খবর
৪২০ বছরের পুরোনো এক গম্বুজ মসজিদ
৪২০ বছরের পুরোনো এক গম্বুজ মসজিদ
আদা চাষ করে চমক
আদা চাষ করে চমক
যৌথ পরিবারের গল্প
যৌথ পরিবারের গল্প
মার্কিন পুলিশে গর্ব বাংলাদেশের শামসুল হক
মার্কিন পুলিশে গর্ব বাংলাদেশের শামসুল হক
চাঁদপুরের গোল্ডেন বয়
চাঁদপুরের গোল্ডেন বয়
ফুলবাড়ীর নারীদের টুপি দেশ ছাড়িয়ে রোমানিয়ায়
ফুলবাড়ীর নারীদের টুপি দেশ ছাড়িয়ে রোমানিয়ায়
এখনো কাঁসার থালাবাসন
এখনো কাঁসার থালাবাসন
শতবর্ষের লাইব্রেরি
শতবর্ষের লাইব্রেরি
নিবেদিতপ্রাণ এক শিক্ষক
নিবেদিতপ্রাণ এক শিক্ষক
ব্যাপক সাফল্য জাহিদের
ব্যাপক সাফল্য জাহিদের
মোগল স্থাপত্যশৈলীর শতবর্ষী মাটির স্কুল
মোগল স্থাপত্যশৈলীর শতবর্ষী মাটির স্কুল
হাসপাতাল চত্বরে ফুল-ফসলের মুগ্ধতা
হাসপাতাল চত্বরে ফুল-ফসলের মুগ্ধতা
সর্বশেষ খবর
ঝালকাঠির কাঠালিয়ার ঘোড়দৌড়
ঝালকাঠির কাঠালিয়ার ঘোড়দৌড়

১৬ মিনিট আগে | দেশগ্রাম

ঝালকাঠিতে গাছ থেকে মা-ছেলের মরদেহ উদ্ধার
ঝালকাঠিতে গাছ থেকে মা-ছেলের মরদেহ উদ্ধার

৩৬ মিনিট আগে | দেশগ্রাম

জুয়া বন্ধ করতে গিয়ে জুয়াড়িদের হামলার শিকার পুলিশ, আহত ৫
জুয়া বন্ধ করতে গিয়ে জুয়াড়িদের হামলার শিকার পুলিশ, আহত ৫

৫৬ মিনিট আগে | দেশগ্রাম

১২ দিন পর খুলছে তামাবিল স্থলবন্দর
১২ দিন পর খুলছে তামাবিল স্থলবন্দর

১ ঘণ্টা আগে | দেশগ্রাম

গাইবান্ধায় নিচে নামছে ভূগর্ভস্থ পানির স্তর, পানি সংকট
গাইবান্ধায় নিচে নামছে ভূগর্ভস্থ পানির স্তর, পানি সংকট

১ ঘণ্টা আগে | দেশগ্রাম

ফিলিস্তিনে গণহত্যার প্রতিবাদে ঢাবির ক্লাস-পরীক্ষা স্থগিত
ফিলিস্তিনে গণহত্যার প্রতিবাদে ঢাবির ক্লাস-পরীক্ষা স্থগিত

২ ঘণ্টা আগে | ক্যাম্পাস

ডিএনডি লেকে গোসলে নেমে মাদ্রাসা শিক্ষার্থীর মৃত্যু
ডিএনডি লেকে গোসলে নেমে মাদ্রাসা শিক্ষার্থীর মৃত্যু

৩ ঘণ্টা আগে | দেশগ্রাম

রাজবাড়ীতে নিরব হত্যার প্রধান আসামি গ্রেফতার
রাজবাড়ীতে নিরব হত্যার প্রধান আসামি গ্রেফতার

৩ ঘণ্টা আগে | দেশগ্রাম

ছেলের দায়ের কোপে আহত মায়ের মৃত্যু
ছেলের দায়ের কোপে আহত মায়ের মৃত্যু

৩ ঘণ্টা আগে | চট্টগ্রাম প্রতিদিন

ডাসারে অবৈধ স্থাপনা গুঁড়িয়ে দিলো উপজেলা প্রশাসন
ডাসারে অবৈধ স্থাপনা গুঁড়িয়ে দিলো উপজেলা প্রশাসন

৩ ঘণ্টা আগে | দেশগ্রাম

ফ্যাসিষ্টের দোসর ও নব্য বিএনপি থেকে সাবধান : মজনু
ফ্যাসিষ্টের দোসর ও নব্য বিএনপি থেকে সাবধান : মজনু

৩ ঘণ্টা আগে | দেশগ্রাম

ইসরায়েলি গণহত্যার প্রতিবাদে মুখে কালো কাপড় বেঁধে অবস্থান করবে ছাত্রদল
ইসরায়েলি গণহত্যার প্রতিবাদে মুখে কালো কাপড় বেঁধে অবস্থান করবে ছাত্রদল

৪ ঘণ্টা আগে | রাজনীতি

ঘুষ বাণিজ্যের অভিযোগে কাশিয়ানী থানার ওসি ক্লোজড
ঘুষ বাণিজ্যের অভিযোগে কাশিয়ানী থানার ওসি ক্লোজড

৪ ঘণ্টা আগে | দেশগ্রাম

‘ভারতে বিতর্কিত ওয়াকফ বিল মুসলিমদের আরো নিরাপত্তাহীন করে তুলবে’
‘ভারতে বিতর্কিত ওয়াকফ বিল মুসলিমদের আরো নিরাপত্তাহীন করে তুলবে’

৪ ঘণ্টা আগে | রাজনীতি

চট্টগ্রামে মদসহ চারজন গ্রেফতার
চট্টগ্রামে মদসহ চারজন গ্রেফতার

৪ ঘণ্টা আগে | চট্টগ্রাম প্রতিদিন

কক্সবাজারে ট্রেনে কাটা পড়ে মোটরসাইকেল আরোহী নিহত
কক্সবাজারে ট্রেনে কাটা পড়ে মোটরসাইকেল আরোহী নিহত

৪ ঘণ্টা আগে | দেশগ্রাম

চট্টগ্রামে পোশাককর্মী খুনের ঘটনায় স্বামী গ্রেফতার
চট্টগ্রামে পোশাককর্মী খুনের ঘটনায় স্বামী গ্রেফতার

৪ ঘণ্টা আগে | চট্টগ্রাম প্রতিদিন

ঈদের লম্বা ছুটিতে চট্টগ্রাম বন্দরে কনটেইনারের স্তূপ
ঈদের লম্বা ছুটিতে চট্টগ্রাম বন্দরে কনটেইনারের স্তূপ

৪ ঘণ্টা আগে | চট্টগ্রাম প্রতিদিন

ব্রাহ্মণবাড়িয়ায় বিদেশি মদসহ গ্রেফতার ৬
ব্রাহ্মণবাড়িয়ায় বিদেশি মদসহ গ্রেফতার ৬

৪ ঘণ্টা আগে | দেশগ্রাম

‘আইএমএফ বলেছে বাংলাদেশের অর্থনীতি সঠিক দিকেই আছে’
‘আইএমএফ বলেছে বাংলাদেশের অর্থনীতি সঠিক দিকেই আছে’

৪ ঘণ্টা আগে | বাণিজ্য

পৃথিবীর ‘সবুজ ফুসফুস’ নজরদারি করবে মহাকাশযান
পৃথিবীর ‘সবুজ ফুসফুস’ নজরদারি করবে মহাকাশযান

৪ ঘণ্টা আগে | বিজ্ঞান

গাইবান্ধায় কৃষকদের নিয়ে বসুন্ধরা শুভসংঘের আনন্দময় দিন
গাইবান্ধায় কৃষকদের নিয়ে বসুন্ধরা শুভসংঘের আনন্দময় দিন

৪ ঘণ্টা আগে | বসুন্ধরা শুভসংঘ

হজ ব্যবস্থাপনায় কোনো ত্রুটি বরদাশত করা হবে না : ধর্ম উপদেষ্টা
হজ ব্যবস্থাপনায় কোনো ত্রুটি বরদাশত করা হবে না : ধর্ম উপদেষ্টা

৪ ঘণ্টা আগে | জাতীয়

অতিরিক্ত ভাড়া আদায়ের দায়ে ৭ বাসকে জরিমানা
অতিরিক্ত ভাড়া আদায়ের দায়ে ৭ বাসকে জরিমানা

৪ ঘণ্টা আগে | নগর জীবন

ঈদের ছুটি পর বেনাপোল বন্দরে ফিরেছে স্বাভাবিক গতি
ঈদের ছুটি পর বেনাপোল বন্দরে ফিরেছে স্বাভাবিক গতি

৪ ঘণ্টা আগে | দেশগ্রাম

শর্টস ভিডিও নির্মাতাদের জন্য সুখবর দিল ইউটিউব
শর্টস ভিডিও নির্মাতাদের জন্য সুখবর দিল ইউটিউব

৪ ঘণ্টা আগে | টেক ওয়ার্ল্ড

গলাচিপায় শুভসংঘের উদ্যোগে জমিতে অতিরিক্ত সার ও কীটনাশক প্রয়োগ বিষয়ক সচেতনামূলক সভা
গলাচিপায় শুভসংঘের উদ্যোগে জমিতে অতিরিক্ত সার ও কীটনাশক প্রয়োগ বিষয়ক সচেতনামূলক সভা

৪ ঘণ্টা আগে | বসুন্ধরা শুভসংঘ

ট্রাম্পের সরাসরি আলোচনার প্রস্তাব প্রত্যাখ্যান করল ইরান
ট্রাম্পের সরাসরি আলোচনার প্রস্তাব প্রত্যাখ্যান করল ইরান

৫ ঘণ্টা আগে | পূর্ব-পশ্চিম

নিখোঁজ সেই গৃহবধূ পরকীয়া প্রেমিকসহ উদ্ধার
নিখোঁজ সেই গৃহবধূ পরকীয়া প্রেমিকসহ উদ্ধার

৫ ঘণ্টা আগে | দেশগ্রাম

বাউবিতে ঈদ পুনর্মিলনী অনুষ্ঠিত
বাউবিতে ঈদ পুনর্মিলনী অনুষ্ঠিত

৫ ঘণ্টা আগে | নগর জীবন

সর্বাধিক পঠিত
বিয়েবাড়ির গেটে পার্টি স্প্রে দেওয়া নিয়ে মারামারি, ভাঙলো বিয়ে
বিয়েবাড়ির গেটে পার্টি স্প্রে দেওয়া নিয়ে মারামারি, ভাঙলো বিয়ে

১১ ঘণ্টা আগে | দেশগ্রাম

বাংলাদেশসহ ১৪ দেশের ওপর সৌদির সাময়িক ভিসা নিষেধাজ্ঞা
বাংলাদেশসহ ১৪ দেশের ওপর সৌদির সাময়িক ভিসা নিষেধাজ্ঞা

১৪ ঘণ্টা আগে | পূর্ব-পশ্চিম

সরকারি কর্মচারীদের পদোন্নতি নিয়ে জরুরি নির্দেশনা
সরকারি কর্মচারীদের পদোন্নতি নিয়ে জরুরি নির্দেশনা

৮ ঘণ্টা আগে | জাতীয়

গাজায় গণহত্যা বন্ধে সোমবার বিশ্বব্যাপী ‘নো ওয়ার্ক নো স্কুল’
গাজায় গণহত্যা বন্ধে সোমবার বিশ্বব্যাপী ‘নো ওয়ার্ক নো স্কুল’

৬ ঘণ্টা আগে | জাতীয়

ভারতের ওয়াকফ সংশোধনী বিল নিয়ে যা বললেন আসিফ নজরুল
ভারতের ওয়াকফ সংশোধনী বিল নিয়ে যা বললেন আসিফ নজরুল

১৪ ঘণ্টা আগে | জাতীয়

সনাতন ধর্মাবলম্বীদের ধর্মীয় উৎসব উপলক্ষ্যে সেনাবাহিনীর নিরাপত্তা ও সহযোগিতা কার্যক্রম
সনাতন ধর্মাবলম্বীদের ধর্মীয় উৎসব উপলক্ষ্যে সেনাবাহিনীর নিরাপত্তা ও সহযোগিতা কার্যক্রম

১৬ ঘণ্টা আগে | জাতীয়

ভারতে ওয়াকফ বিল পাস হওয়ায় যে প্রতিক্রিয়া জানাল বিএনপি
ভারতে ওয়াকফ বিল পাস হওয়ায় যে প্রতিক্রিয়া জানাল বিএনপি

৯ ঘণ্টা আগে | রাজনীতি

আরাফাত রহমান কোকোর শাশুড়ি মারা গেছেন
আরাফাত রহমান কোকোর শাশুড়ি মারা গেছেন

১৭ ঘণ্টা আগে | জাতীয়

সরকারি সফরে রাশিয়া ও ক্রোয়েশিয়া গেলেন সেনাপ্রধান
সরকারি সফরে রাশিয়া ও ক্রোয়েশিয়া গেলেন সেনাপ্রধান

১৬ ঘণ্টা আগে | জাতীয়

যুক্তরাজ্যের পার্লামেন্টে ফ্ল্যাট নিয়ে টিউলিপের মিথ্যাচার
যুক্তরাজ্যের পার্লামেন্টে ফ্ল্যাট নিয়ে টিউলিপের মিথ্যাচার

১৩ ঘণ্টা আগে | জাতীয়

ভাঙচুর ও হত্যাচেষ্টা মামলায় আওয়ামীপন্থী ৬১ আইনজীবীকে কারাগারে পাঠানোর নির্দেশ
ভাঙচুর ও হত্যাচেষ্টা মামলায় আওয়ামীপন্থী ৬১ আইনজীবীকে কারাগারে পাঠানোর নির্দেশ

৭ ঘণ্টা আগে | জাতীয়

আমিরাতের সহযোগিতায় ৮ বিভাগে হবে স্পোর্টস হাব : ক্রীড়া উপদেষ্টা
আমিরাতের সহযোগিতায় ৮ বিভাগে হবে স্পোর্টস হাব : ক্রীড়া উপদেষ্টা

৯ ঘণ্টা আগে | জাতীয়

যুক্তরাষ্ট্রের সঙ্গে খনিজ চুক্তি ফাঁস: তদন্তে নেমেছে ইউক্রেন
যুক্তরাষ্ট্রের সঙ্গে খনিজ চুক্তি ফাঁস: তদন্তে নেমেছে ইউক্রেন

৮ ঘণ্টা আগে | পূর্ব-পশ্চিম

স্মার্টফোনে ‘ডু নট ডিস্টার্ব’ মোডের কাজ কী?
স্মার্টফোনে ‘ডু নট ডিস্টার্ব’ মোডের কাজ কী?

১৬ ঘণ্টা আগে | টেক ওয়ার্ল্ড

‘গৃহকর্ত্রীও নির্যাতিতা হতে পারেন’ -পরীমনির সেই ইস্যুতে ফেসবুকে ন্যান্সি
‘গৃহকর্ত্রীও নির্যাতিতা হতে পারেন’ -পরীমনির সেই ইস্যুতে ফেসবুকে ন্যান্সি

১২ ঘণ্টা আগে | শোবিজ

আইনে পরিণত হলো বিতর্কিত ওয়াকফ সংশোধনী বিল
আইনে পরিণত হলো বিতর্কিত ওয়াকফ সংশোধনী বিল

১৪ ঘণ্টা আগে | পূর্ব-পশ্চিম

ইউক্রেনে একদিনে ৪৩০ সেনা হতাহত: মস্কো
ইউক্রেনে একদিনে ৪৩০ সেনা হতাহত: মস্কো

১৬ ঘণ্টা আগে | পূর্ব-পশ্চিম

তিন মন্ত্রণালয়ে সচিব পদে রদবদল
তিন মন্ত্রণালয়ে সচিব পদে রদবদল

৯ ঘণ্টা আগে | জাতীয়

সংবাদ সম্মেলন ডেকেছে বিএনপি
সংবাদ সম্মেলন ডেকেছে বিএনপি

১৩ ঘণ্টা আগে | রাজনীতি

দেশে প্রবাসী আয়ে রেকর্ড, মার্চে এল ৩ বিলিয়ন ডলারের বেশি
দেশে প্রবাসী আয়ে রেকর্ড, মার্চে এল ৩ বিলিয়ন ডলারের বেশি

৯ ঘণ্টা আগে | বাণিজ্য

ট্রাম্প প্রশাসনের শুল্কারোপের প্রভাব সামাল দেয়া কঠিন নয় : অর্থ উপদেষ্টা
ট্রাম্প প্রশাসনের শুল্কারোপের প্রভাব সামাল দেয়া কঠিন নয় : অর্থ উপদেষ্টা

১৪ ঘণ্টা আগে | জাতীয়

ট্রাম্প-মাস্কের নীতির বিরুদ্ধে যুক্তরাষ্ট্রজুড়ে গণবিক্ষোভ
ট্রাম্প-মাস্কের নীতির বিরুদ্ধে যুক্তরাষ্ট্রজুড়ে গণবিক্ষোভ

১৬ ঘণ্টা আগে | পূর্ব-পশ্চিম

ভারতে বাস দুর্ঘটনায় নিহত ১, ছিলেন ৭০ জনের বেশি বাংলাদেশি  তীর্থযাত্রী
ভারতে বাস দুর্ঘটনায় নিহত ১, ছিলেন ৭০ জনের বেশি বাংলাদেশি তীর্থযাত্রী

১৪ ঘণ্টা আগে | পূর্ব-পশ্চিম

এসএসএফের সাবেক ডিজির ফ্ল্যাট-জমি জব্দ, ৩৪ ব্যাংক হিসাব অবরুদ্ধ
এসএসএফের সাবেক ডিজির ফ্ল্যাট-জমি জব্দ, ৩৪ ব্যাংক হিসাব অবরুদ্ধ

৮ ঘণ্টা আগে | জাতীয়

ইভ্যালির রাসেল-শামীমার তিন বছরের কারাদণ্ড
ইভ্যালির রাসেল-শামীমার তিন বছরের কারাদণ্ড

১২ ঘণ্টা আগে | জাতীয়

ঘন ঘন দূতাবাসের স্থান পরিবর্তনে বিরক্ত মালয়েশিয়া প্রবাসীরা
ঘন ঘন দূতাবাসের স্থান পরিবর্তনে বিরক্ত মালয়েশিয়া প্রবাসীরা

৮ ঘণ্টা আগে | পরবাস

গাজাবাসীর সমর্থনে সোমবার রাজপথে নামার আহ্বান সারজিসের
গাজাবাসীর সমর্থনে সোমবার রাজপথে নামার আহ্বান সারজিসের

৭ ঘণ্টা আগে | জাতীয়

বিচার চেয়ে থানায় বৃদ্ধা, ‘ভিক্ষা করে কেনা মুরগি মেরে দিল কারা?’
বিচার চেয়ে থানায় বৃদ্ধা, ‘ভিক্ষা করে কেনা মুরগি মেরে দিল কারা?’

১৩ ঘণ্টা আগে | দেশগ্রাম

ঢাকাসহ সাত বিভাগে বজ্রসহ বৃষ্টির আভাস
ঢাকাসহ সাত বিভাগে বজ্রসহ বৃষ্টির আভাস

১০ ঘণ্টা আগে | জাতীয়

ইসরায়েল সফরে গিয়ে অপমানিত দুই ব্রিটিশ নারী এমপি
ইসরায়েল সফরে গিয়ে অপমানিত দুই ব্রিটিশ নারী এমপি

১০ ঘণ্টা আগে | পূর্ব-পশ্চিম

প্রিন্ট সর্বাধিক
অনিশ্চয়তায় ১০ হাজার কোটির শিপমেন্ট
অনিশ্চয়তায় ১০ হাজার কোটির শিপমেন্ট

প্রথম পৃষ্ঠা

বিক্ষোভে উত্তাল যুক্তরাষ্ট্র
বিক্ষোভে উত্তাল যুক্তরাষ্ট্র

প্রথম পৃষ্ঠা

জিয়ার স্মৃতি মুছে ফেলার সহজসরল পদ্ধতি!
জিয়ার স্মৃতি মুছে ফেলার সহজসরল পদ্ধতি!

সম্পাদকীয়

কাজ করছে না আঙুলের ছাপ
কাজ করছে না আঙুলের ছাপ

পেছনের পৃষ্ঠা

আজকের ভাগ্যচক্র
আজকের ভাগ্যচক্র

আজকের রাশি

বিএনপিকে আওয়ামী লীগের আচরণ থেকে বের হতে হবে
বিএনপিকে আওয়ামী লীগের আচরণ থেকে বের হতে হবে

প্রথম পৃষ্ঠা

৮ কোটি টাকার প্রকল্পের কাজ কোটেশনে!
৮ কোটি টাকার প্রকল্পের কাজ কোটেশনে!

নগর জীবন

চরের জমিতে হাজার কোটি টাকার ফসল
চরের জমিতে হাজার কোটি টাকার ফসল

পেছনের পৃষ্ঠা

রাশিয়া সফরে সেনাপ্রধান
রাশিয়া সফরে সেনাপ্রধান

প্রথম পৃষ্ঠা

সংকট নেই তবু বাড়তি দরে ডলার বিক্রি
সংকট নেই তবু বাড়তি দরে ডলার বিক্রি

পেছনের পৃষ্ঠা

মন্ত্রণালয়ে যোগ দিয়েছেন ড. শেখ মইনউদ্দিন
মন্ত্রণালয়ে যোগ দিয়েছেন ড. শেখ মইনউদ্দিন

নগর জীবন

অপপ্রচার রোধে প্রেস উইংকে ভূমিকা রাখতে হবে
অপপ্রচার রোধে প্রেস উইংকে ভূমিকা রাখতে হবে

নগর জীবন

প্রস্তুতি শুরু নিগারদের
প্রস্তুতি শুরু নিগারদের

মাঠে ময়দানে

ওসির অপসারণ দাবিতে বিক্ষোভ
ওসির অপসারণ দাবিতে বিক্ষোভ

পেছনের পৃষ্ঠা

ক্ষেপণাস্ত্রের আঘাতে বিলীন জনবসতি
ক্ষেপণাস্ত্রের আঘাতে বিলীন জনবসতি

প্রথম পৃষ্ঠা

কারাগারে ৬১ আইনজীবী ১৯ জনের জামিন
কারাগারে ৬১ আইনজীবী ১৯ জনের জামিন

প্রথম পৃষ্ঠা

ক্ষমতায় যাওয়ার সিঁড়ি হবে না হেফাজতে ইসলাম
ক্ষমতায় যাওয়ার সিঁড়ি হবে না হেফাজতে ইসলাম

নগর জীবন

প্রধান উপদেষ্টার কাছে শহীদ পরিবারের প্রত্যাশা
প্রধান উপদেষ্টার কাছে শহীদ পরিবারের প্রত্যাশা

প্রথম পৃষ্ঠা

হাছান ও তার স্ত্রীর ব্যাংকে ৭২২ কোটি টাকা লেনদেন
হাছান ও তার স্ত্রীর ব্যাংকে ৭২২ কোটি টাকা লেনদেন

পেছনের পৃষ্ঠা

বিএনপি নেতার ওপর হামলার প্রতিবাদে বিক্ষোভ
বিএনপি নেতার ওপর হামলার প্রতিবাদে বিক্ষোভ

দেশগ্রাম

এক ছাতায় বিশ্বের হাজারো উদ্যোক্তা
এক ছাতায় বিশ্বের হাজারো উদ্যোক্তা

পেছনের পৃষ্ঠা

ধর্ষণের মিথ্যা  মামলা, গৃহবধূ জেলে
ধর্ষণের মিথ্যা মামলা, গৃহবধূ জেলে

পেছনের পৃষ্ঠা

টিউলিপের দুর্নীতির দালিলিক প্রমাণ সাকিবের বিরুদ্ধে অনুসন্ধান
টিউলিপের দুর্নীতির দালিলিক প্রমাণ সাকিবের বিরুদ্ধে অনুসন্ধান

পেছনের পৃষ্ঠা

দেবরের হাতে ভাবি খুন
দেবরের হাতে ভাবি খুন

পেছনের পৃষ্ঠা

ফাঁদে ফেলে অপহরণ মুক্তিপণ আদায়
ফাঁদে ফেলে অপহরণ মুক্তিপণ আদায়

পেছনের পৃষ্ঠা

ছেলের রামদার কোপে মায়ের মৃত্যু
ছেলের রামদার কোপে মায়ের মৃত্যু

নগর জীবন

আইএমইডিতে নতুন সচিব
আইএমইডিতে নতুন সচিব

নগর জীবন

শরীয়তপুরে বোমাবাজিতে গ্রেপ্তার ৮
শরীয়তপুরে বোমাবাজিতে গ্রেপ্তার ৮

পেছনের পৃষ্ঠা

দলমতের ঊর্ধ্বে দক্ষিণাঞ্চলের উন্নয়নে কাজ করতে হবে
দলমতের ঊর্ধ্বে দক্ষিণাঞ্চলের উন্নয়নে কাজ করতে হবে

নগর জীবন

মোবাইল ব্যবহারে বাধা দেওয়ায় কিশোরীর আত্মহনন
মোবাইল ব্যবহারে বাধা দেওয়ায় কিশোরীর আত্মহনন

নগর জীবন