শিরোনাম
প্রকাশ: ১০:১৭, শনিবার, ১১ জানুয়ারি, ২০২৫ আপডেট: ১০:১৯, শনিবার, ১১ জানুয়ারি, ২০২৫

কালের কণ্ঠের ১৫তম প্রতিষ্ঠাবার্ষিকী উপলক্ষ্যে প্রকাশিত

জুলাই বিপ্লবের ভবিষ্যৎ কি আমাদের ধোঁকা দিচ্ছে

সাবাহ কানেতা তারিক
অনলাইন ভার্সন
জুলাই বিপ্লবের ভবিষ্যৎ কি আমাদের ধোঁকা দিচ্ছে

বৈষম্যবিরোধী ছাত্র আন্দোলন বলি বা ২০২৪-এর গণ-অভ্যুত্থান বলি, এখানে সাধারণ শিক্ষার্থীদের অংশগ্রহণ ছিল সর্বোচ্চ। নিম্ন মাধ্যমিক থেকে শুরু করে উচ্চ পর্যায়ের শিক্ষার্থী—সবাই এই আন্দোলনে অংশ নিয়েছিল। কিন্তু যে স্বপ্ন নিয়ে তারা অদম্য সাহসের পরিচয় দিয়েছে, তা কি পূরণ হওয়ার পথে যাচ্ছে?

যে ফ্যাসিবাদ থেকে মুক্তি পাওয়ার জন্য এতগুলো জীবন বিসর্জন দেওয়া হলো, সেই ফ্যাসিবাদ থেকে কি আমরা আসলে রেহাই পেয়েছি? নাকি আমরা আবারও সনাতন রাজনীতির বেড়াজালে ধরা পড়তে চলেছি?

এমন অনেক প্রশ্ন বর্তমানে আমার মতো শিক্ষার্থীদের মনে জাগছে। ১৫ জুলাই রাতে যখন বিভিন্ন বিশ্ববিদ্যালয় থেকে হাজার হাজার শিক্ষার্থী রাস্তায় নেমে এসেছিল,  যখন জীবন হাতে নিয়ে মাঠে ও সোশ্যাল মিডিয়া প্ল্যাটফরমে আমরা যুদ্ধ করছিলাম, তখন আসলে আমরা কেমন বাংলাদেশের আশা করেছিলাম?

এখানে দুই ধরনের প্রতিক্রিয়া দেখা যাচ্ছে—একদিকে এক শ্রেণির মানুষ, যারা বিভিন্ন ধরনের রাজনীতিতে যুক্ত এবং অন্য পক্ষে নিতান্তই সাধারণ মানুষ, যারা রাজনীতি নিয়ে তেমন আগ্রহী নয়।

যারা রাজনীতিতে যুক্ত, তারা মূলত দীর্ঘ রাজনৈতিক নিপীড়ন থেকে মুক্তির একটা পথ খুঁজছিল। মুক্তির পর বর্তমানে তারা নিজ নিজ রাজনৈতিক কর্মকাণ্ড নিয়ে নিজেদের অবস্থান গড়ে তোলার চেষ্টায় রত। তাদের মধ্যে সবাই যে জুলাই বিপ্লবের আদর্শ ধরে রেখেছে, তা নয়; তবে অনেকেই জুলাই বিপ্লবের আদর্শ ধারণ করার আশ্বাস দিচ্ছে।

অন্য পক্ষে সাধারণ মানুষের কাছে এই আন্দোলন ছিল নিতান্তই চরম অন্যায়ের বিরুদ্ধে রুখে দাঁড়ানোর।

কিন্তু ৫ আগস্ট সাবেক প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা পদত্যাগের পর থেকেই তাদের মনে প্রশ্ন জাগতে শুরু করেছে, একেবারেই নিঃস্বার্থ দেশপ্রেম ও আত্মত্যাগের প্রেরণা নিয়ে তারা যেভাবে ঝাঁপিয়ে পড়েছিল, তাদের সেই চেতনা, সেই একতা, সেই বিশুদ্ধ বিপ্লবী মনমানসিকতা আজ কোন পথে এগোচ্ছে?

এটা কেউ যতই অস্বীকার করার চেষ্টা করুক না কেন, জুলাইয়ের আন্দোলনের মূল চালিকাশক্তি ছিল সাধারণ শিক্ষার্থীরা। তারা কিন্তু সব ধরনের রাজনৈতিক, ধর্মীয়, আদর্শগত বিভক্তির ঊর্ধ্বে উঠে ঝাঁপিয়ে পড়েছিল। পরেও যে অভিভাবকরা তাদের সঙ্গে রাস্তায় নেমে এসেছিলেন, তাঁরাও বিশেষ কোনো রাজনৈতিক মতাদর্শের অনুসারী ছিলেন না। বরং নিতান্তই শিক্ষার্থী নিগ্রহের প্রতিবাদে সাধারণ মানুষ হিসেবে বিবেকের তাগিদে তাঁরা পাশে দাঁড়িয়েছিলেন।


কিন্তু পরে আমরা দেখেছি, এই আন্দোলনকে একটি সুপরিকল্পিতভাবে পরিচালিত আন্দোলন হিসেবে দাবি করা হয়েছে, প্রতিটি প্রতিষ্ঠানে, শহরে-গ্রামে যাঁরা সমন্বয় করছিলেন, তাঁদের সবার না হলেও, অনেকের রাজনৈতিক পরিচয় সামনে এসেছে। তখন কখনো কখনো মনে প্রশ্ন জেগেছে, আমরা কি শুধুই রাজনৈতিক উদ্দেশ্যে পরিচালিত একটি আন্দোলনের পুতুল হিসেবে ব্যবহৃত হয়েছি? আমাদের সেই চেতনার স্থান ভবিষ্যতের বাংলাদেশে কতটুকু সংরক্ষিত হবে?

আন্দোলনের সময় আমরা সবাইকে একাকার হয়ে যেতে দেখেছি। নারী-পুরুষ, শিক্ষার্থী, বোরকা ও টি-শার্ট পরা ছাত্রী—সবাই একসঙ্গে ছিল। পরস্পরের ওপর অসাধারণ একটা বিশ্বাস ছিল! বারবার স্কুলের মেয়েরা বলেছে, আমরা ভয় পাই না। তারা অত্যন্ত নিষ্পাপ, ন্যায্য ও সত্যিকারের স্বাধীন বাংলাদেশের স্বপ্ন দেখে দাঁড়িয়েছিল রাস্তায়।


যেভাবে সেদিন সবাই একে অপরের বিপদের সাথি ছিল, আজ কি দেশবাসী তেমন আছে? ৫ আগস্টের পরও ‘দেশকে চালাতে হবে’—এই প্রেরণা নিয়ে ক্ষুধার্ত, ঘর্মাক্ত ছেলে-মেয়েদের রাস্তায় রাস্তায় কখনো ট্রাফিক নিয়ন্ত্রণে, কখনো পরিচ্ছন্নতা অভিযানে, কখনো গ্রাফিতি অঙ্কনে দেখা গেছে; সেই নিষ্পাপ শুদ্ধতাকে আমরা কতটুকু ধরে রাখতে পারছি? বা ভবিষ্যৎ সরকার কতটুকু ধরে রাখতে পারবে?
অন্যায়ের বিরুদ্ধে এত বড় লড়াইয়ের পর আজকে আমরা প্রতিনিয়ত নতুন নতুন অন্যায়ের শিকার হচ্ছি। যে অন্যায়টি সবচেয়ে বেশি মাথাচাড়া দিয়েছে তা হলো মব জাস্টিস।

সাম্প্রতিক সময়ে বাংলাদেশে ভয়াবহ হারে বেড়েছে গণপিটুনির ঘটনা, যা দেশের আইন-শৃঙ্খলা পরিস্থিতি ও নৈতিকতার অবনতির ইঙ্গিত দেয়। মাঠে প্রশাসন সক্রিয় না থাকায় জায়গায় জায়গায় উগ্র মানসিকতার জনগণ আইন তাদের নিজের হাতে তুলে নিয়েছে। বেশির ভাগ মানুষ বিভিন্ন ঘটনায় ফ্যাক্ট চেক না করেই সিদ্ধান্তে পৌঁছে যায় এবং গণপিটুনির মতো ঘটনা ঘটায়।

গত কয়েক সপ্তাহে প্রায় দুই ডজন মানুষ গণপিটুনিতে মারা গেছে বলে উল্লেখ পাওয়া যায়। ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয় ও জাহাঙ্গীরনগর বিশ্ববিদ্যালয়ের মতো উচ্চশিক্ষার পাদপীঠে ছাত্রদের দ্বারা এমন ঘটনা ঘটেছে, যা জনগণের মধ্যে ব্যাপক উদ্বেগ সৃষ্টি করেছে। সন্দেহভাজন অপরাধী বা চোর বলে গণ্য করে যে ঘটনা ঘটানো হয়েছে, সেখানে ভুক্তভোগী ন্যায়বিচার পাওয়ার কোনো সুযোগই পায়নি।

বর্তমান অস্থায়ী সরকারের ওপরও জবাবদিহির দায় অনেক বড়। অন্তর্বর্তী সরকারের উপদেষ্টাদের কারো কারো অতীত প্রশ্নবিদ্ধ। তাঁদের পূর্ববর্তী রাজনৈতিক পরিচয় সাধারণ মানুষকে নতুনভাবে ভাবাচ্ছে। অনেকেরই ভাবনা, এই পুরো আন্দোলনের অর্জন এখন ভিন্ন খাতে পরিচালিত হয়ে যাচ্ছে কি না।

এর ভবিষ্যৎ বোঝার জন্য খুবই গুরুত্বপূর্ণ বিষয় হলো অন্তর্বর্তী ও ভবিষ্যৎ সরকার ন্যায়বিচারকে কতটা প্রতিষ্ঠা ও ধারণ করতে পারে। বর্তমানে ঘটে যাওয়া এবং জুলাই বিপ্লবের সময় বিভিন্ন পক্ষের দ্বারা সংঘটিত অন্যায়ের বিচার কেমন করা হচ্ছে।

আমরা কিন্তু অপরাধীদের নির্বিচার মুক্তির জন্য আন্দোলন করিনি, জায়গায় জায়গায় মব জাস্টিসের নামে যাকে-তাকে আইন নিজ হাতে তুলে নেওয়ার সুযোগ করে দেওয়ার জন্য আন্দোলন করিনি!

আবার স্বাধীনতার মুক্তচর্চার মাধ্যমে অন্যান্য রাজনৈতিক দল সাধারণ মানুষের ওপর কেমন প্রভাব ফেলছে, তার ওপরও অনেকাংশে নির্ভর করে ভবিষ্যতের বাংলাদেশ। নির্বাচনে কোন রাজনৈতিক দল ক্ষমতায় আসছে এবং তাদের রাজনীতি চর্চায় জুলাই বিপ্লবের প্রভাবের ওপর আমাদের ভবিষ্যৎ নির্ভর করবে।

আমরা সুন্দর-সুখী-সমৃদ্ধ এমন এক বাংলাদেশের স্বপ্ন নিয়ে আন্দোলন করেছিলাম, যেখানে সবার নিজ স্থান অটুট ও নিরাপদ থাকবে। সবার মত প্রকাশের এবং ন্যায্য বিচার চাওয়ার অধিকার থাকবে। কাউকে তার রাজনৈতিক, ধর্মীয় বা অন্য কোনো মতাদর্শের কারণে নিগৃহীত হতে হবে না।

আজ যদি রাজনীতির কেবল ওপিঠ সামনে আসে, তাহলে আমাদের প্রয়াস, আমাদের বলিদান ব্যর্থ সাব্যস্ত হবে।

লেখক: শিক্ষার্থী, দ্বিতীয় বর্ষ, গণযোগাযোগ ও সাংবাদিকতা বিভাগ, রাজশাহী বিশ্ববিদ্যালয়

এই বিভাগের আরও খবর
প্রত্যাশা সমষ্টিগত মানুষের স্বাধীনতা ও মুক্তি
প্রত্যাশা সমষ্টিগত মানুষের স্বাধীনতা ও মুক্তি
টিকফার মাধ্যমে অবস্থান তুলে ধরে শুল্ক কমানোর আলোচনা করতে হবে
টিকফার মাধ্যমে অবস্থান তুলে ধরে শুল্ক কমানোর আলোচনা করতে হবে
শহীদ রাষ্ট্রপতি জিয়াউর রহমানের আদর্শ, জাতীয় স্বার্থ ও গণঅভ্যুত্থানের পুনর্জাগরণ
শহীদ রাষ্ট্রপতি জিয়াউর রহমানের আদর্শ, জাতীয় স্বার্থ ও গণঅভ্যুত্থানের পুনর্জাগরণ
বাংলাদেশ-ভারত সম্পর্ক: জাতীয়তাবাদী দৃষ্টিভঙ্গি ও ভবিষ্যৎ প্রেক্ষিত
বাংলাদেশ-ভারত সম্পর্ক: জাতীয়তাবাদী দৃষ্টিভঙ্গি ও ভবিষ্যৎ প্রেক্ষিত
সেনাবাহিনী নিয়ে দেশি-বিদেশি ষড়যন্ত্র বিষয়ে সতর্ক থাকতে হবে
সেনাবাহিনী নিয়ে দেশি-বিদেশি ষড়যন্ত্র বিষয়ে সতর্ক থাকতে হবে
সেনাবাহিনী বা প্রধান নিয়ে অপরিণামদর্শী স্মার্টনেস কাম্য নয়
সেনাবাহিনী বা প্রধান নিয়ে অপরিণামদর্শী স্মার্টনেস কাম্য নয়
তবে কি সংস্কারের পুকুরে ডুবছে নতুন স্বাধীনতা ?
তবে কি সংস্কারের পুকুরে ডুবছে নতুন স্বাধীনতা ?
বুদ্ধিজীবীরা প্রত্যক্ষ ভূমিকা রেখেছেন স্বাধীনতা সংগ্রামে
বুদ্ধিজীবীরা প্রত্যক্ষ ভূমিকা রেখেছেন স্বাধীনতা সংগ্রামে
সেনাবাহিনীকে বিতর্কের ঊর্ধ্বে রাখতে হবে
সেনাবাহিনীকে বিতর্কের ঊর্ধ্বে রাখতে হবে
তামাক নীতিমালা : সংকটে ভোক্তা অধিকার
তামাক নীতিমালা : সংকটে ভোক্তা অধিকার
তুম উধার হাম ইধার
তুম উধার হাম ইধার
সবার উপর একাত্তর, আমাদের স্বাধীনতা
সবার উপর একাত্তর, আমাদের স্বাধীনতা
সর্বশেষ খবর
ঢাকাসহ ৭ অঞ্চলে মধ্যরাতের মধ্যে ঝড়ের আভাস
ঢাকাসহ ৭ অঞ্চলে মধ্যরাতের মধ্যে ঝড়ের আভাস

১ মিনিট আগে | জাতীয়

মুক্তাগাছায় মোটরসাইকেল দুর্ঘটনায় নিহত ১
মুক্তাগাছায় মোটরসাইকেল দুর্ঘটনায় নিহত ১

৭ মিনিট আগে | দেশগ্রাম

বরিশালে ডোবা থেকে অজ্ঞাত লাশ উদ্ধার
বরিশালে ডোবা থেকে অজ্ঞাত লাশ উদ্ধার

১০ মিনিট আগে | নগর জীবন

কালীগঞ্জে রেল ব্রিজের নিচ থেকে অজ্ঞাত যুবকের লাশ উদ্ধার
কালীগঞ্জে রেল ব্রিজের নিচ থেকে অজ্ঞাত যুবকের লাশ উদ্ধার

১৬ মিনিট আগে | দেশগ্রাম

মেক্সিকোতে প্রথম এইচ৫এন১ বার্ড ফ্লু রোগী শনাক্ত
মেক্সিকোতে প্রথম এইচ৫এন১ বার্ড ফ্লু রোগী শনাক্ত

১৭ মিনিট আগে | পূর্ব-পশ্চিম

অষ্টমী স্নানে ব্রহ্মপুত্র নদে পুণ্যার্থীদের ঢল
অষ্টমী স্নানে ব্রহ্মপুত্র নদে পুণ্যার্থীদের ঢল

১৯ মিনিট আগে | দেশগ্রাম

ধর্ষণের শিকার জমজ দুই বোনকে আইনি সহায়তা প্রদানের দায়িত্ব নিলেন তারেক রহমান
ধর্ষণের শিকার জমজ দুই বোনকে আইনি সহায়তা প্রদানের দায়িত্ব নিলেন তারেক রহমান

২৫ মিনিট আগে | দেশগ্রাম

ব্যবসায়ীর ফেলে যাওয়া ১৮ ভরি স্বর্ণ ‍ফিরিয়ে দিলেন অটোরিকশাচালক
ব্যবসায়ীর ফেলে যাওয়া ১৮ ভরি স্বর্ণ ‍ফিরিয়ে দিলেন অটোরিকশাচালক

২৬ মিনিট আগে | দেশগ্রাম

৩২৯টি উপজেলায় হচ্ছে টেকনিক্যাল স্কুল অ্যান্ড কলেজ
৩২৯টি উপজেলায় হচ্ছে টেকনিক্যাল স্কুল অ্যান্ড কলেজ

২৯ মিনিট আগে | দেশগ্রাম

ডার্ক এনার্জি স্থির নয়! বিজ্ঞানীদের সামনে নতুন ধাঁধা
ডার্ক এনার্জি স্থির নয়! বিজ্ঞানীদের সামনে নতুন ধাঁধা

৩৫ মিনিট আগে | বিজ্ঞান

ঈদের ছুটিতে ঢাকা ছেড়েছেন ১ কোটি সিমধারী, ফিরেছেন ৪৪ লাখ
ঈদের ছুটিতে ঢাকা ছেড়েছেন ১ কোটি সিমধারী, ফিরেছেন ৪৪ লাখ

৪৫ মিনিট আগে | জাতীয়

ঈদের পঞ্চম দিনেও ‘দাগি’-‘জংলি’র দাপট অব্যাহত, আয় কত?
ঈদের পঞ্চম দিনেও ‘দাগি’-‘জংলি’র দাপট অব্যাহত, আয় কত?

৪৭ মিনিট আগে | শোবিজ

পতেঙ্গায় ১ কেজি স্বর্ণালংকারসহ আটক ৫
পতেঙ্গায় ১ কেজি স্বর্ণালংকারসহ আটক ৫

৫০ মিনিট আগে | চট্টগ্রাম প্রতিদিন

‌‌‘শিক্ষার্থীরা পাস করে চাকরির জন্য নেতাদের পেছনে ঘুরতে হবে না’
‌‌‘শিক্ষার্থীরা পাস করে চাকরির জন্য নেতাদের পেছনে ঘুরতে হবে না’

৫২ মিনিট আগে | দেশগ্রাম

আগৈলঝাড়ায় বসুন্ধরা শুভসংঘের মাসব্যাপী মাদকবিরোধী প্রচারণা শুরু
আগৈলঝাড়ায় বসুন্ধরা শুভসংঘের মাসব্যাপী মাদকবিরোধী প্রচারণা শুরু

৫৬ মিনিট আগে | বসুন্ধরা শুভসংঘ

বিএনপি নেতার বহিষ্কারের প্রতিবাদে বিক্ষোভ
বিএনপি নেতার বহিষ্কারের প্রতিবাদে বিক্ষোভ

৫৬ মিনিট আগে | দেশগ্রাম

মেঘনা-তিতাসে অষ্টমী গঙ্গাস্নানে উপচেপড়া ভিড়
মেঘনা-তিতাসে অষ্টমী গঙ্গাস্নানে উপচেপড়া ভিড়

১ ঘণ্টা আগে | দেশগ্রাম

কসবায় যুবককে ডেকে নিয়ে হত্যার অভিযোগ
কসবায় যুবককে ডেকে নিয়ে হত্যার অভিযোগ

১ ঘণ্টা আগে | দেশগ্রাম

সিলেটে টাকা ধার না দেওয়ায় যুবক খুন
সিলেটে টাকা ধার না দেওয়ায় যুবক খুন

১ ঘণ্টা আগে | চায়ের দেশ

চট্টগ্রামে জেলেদের জালে মিলল বৃদ্ধার লাশ
চট্টগ্রামে জেলেদের জালে মিলল বৃদ্ধার লাশ

১ ঘণ্টা আগে | চট্টগ্রাম প্রতিদিন

মুন্সিগঞ্জে ধলেশ্বরী নদীর তীরে অষ্টমী স্নান উৎসব পালিত
মুন্সিগঞ্জে ধলেশ্বরী নদীর তীরে অষ্টমী স্নান উৎসব পালিত

১ ঘণ্টা আগে | দেশগ্রাম

ছাত্র আন্দোলনে হত্যা মামলায় শ্রমিক লীগ নেতা গ্রেফতার
ছাত্র আন্দোলনে হত্যা মামলায় শ্রমিক লীগ নেতা গ্রেফতার

১ ঘণ্টা আগে | নগর জীবন

লাশের গন্ধে ভারী মিয়ানমারের সাগাইংয়ের বাতাস
লাশের গন্ধে ভারী মিয়ানমারের সাগাইংয়ের বাতাস

১ ঘণ্টা আগে | পূর্ব-পশ্চিম

পাংকর আইল্যান্ড, যেখানে পাহাড় ও সমুদ্রের অসাধারণ মিতালি!
পাংকর আইল্যান্ড, যেখানে পাহাড় ও সমুদ্রের অসাধারণ মিতালি!

১ ঘণ্টা আগে | পরবাস

এই মেয়েরাই সামনের দিনেও আমাদের পথ দেখাবে (ভিডিও)
এই মেয়েরাই সামনের দিনেও আমাদের পথ দেখাবে (ভিডিও)

১ ঘণ্টা আগে | জাতীয়

চট্টগ্রামে বাসায় ঢুকে ডাকাতি, বাধা দেওয়ায় আহত ৮
চট্টগ্রামে বাসায় ঢুকে ডাকাতি, বাধা দেওয়ায় আহত ৮

১ ঘণ্টা আগে | চট্টগ্রাম প্রতিদিন

ফিলিস্তিনি জনগণের প্রতি পাকিস্তান সেনা কমান্ডারদের অকুণ্ঠ সমর্থন
ফিলিস্তিনি জনগণের প্রতি পাকিস্তান সেনা কমান্ডারদের অকুণ্ঠ সমর্থন

১ ঘণ্টা আগে | পূর্ব-পশ্চিম

চট্টগ্রামে দেড় কোটি টাকা মূল্যের স্বর্ণসহ গ্রেফতার ৫
চট্টগ্রামে দেড় কোটি টাকা মূল্যের স্বর্ণসহ গ্রেফতার ৫

১ ঘণ্টা আগে | চট্টগ্রাম প্রতিদিন

জয়পুরহাটে নৈশপ্রহরীদের বেঁধে রেখে ৪ দোকানে ডাকাতি
জয়পুরহাটে নৈশপ্রহরীদের বেঁধে রেখে ৪ দোকানে ডাকাতি

১ ঘণ্টা আগে | দেশগ্রাম

থানা থেকে পালিয়েও শেষ রক্ষা হলো না তরুণের
থানা থেকে পালিয়েও শেষ রক্ষা হলো না তরুণের

১ ঘণ্টা আগে | চায়ের দেশ

সর্বাধিক পঠিত
ঈদুল আজহার সম্ভাব্য তারিখ প্রকাশ
ঈদুল আজহার সম্ভাব্য তারিখ প্রকাশ

২২ ঘণ্টা আগে | পূর্ব-পশ্চিম

আত্মরক্ষার জন্য ইরানের সর্বোচ্চ প্রস্তুতি রয়েছে : সৌদি যুবরাজকে পেজেশকিয়ান
আত্মরক্ষার জন্য ইরানের সর্বোচ্চ প্রস্তুতি রয়েছে : সৌদি যুবরাজকে পেজেশকিয়ান

৮ ঘণ্টা আগে | পূর্ব-পশ্চিম

পর্দায় নয়, এবার সত্যিই বিয়ে করলেন শামীম হাসান সরকার
পর্দায় নয়, এবার সত্যিই বিয়ে করলেন শামীম হাসান সরকার

২২ ঘণ্টা আগে | শোবিজ

ড. ইউনূস-মোদির ৪০ মিনিটের বৈঠক, আলাপ হলো কী নিয়ে
ড. ইউনূস-মোদির ৪০ মিনিটের বৈঠক, আলাপ হলো কী নিয়ে

২৩ ঘণ্টা আগে | জাতীয়

যুক্তরাষ্ট্রের শুল্ক ইস্যুতে জরুরি সভা ডেকেছেন প্রধান উপদেষ্টা
যুক্তরাষ্ট্রের শুল্ক ইস্যুতে জরুরি সভা ডেকেছেন প্রধান উপদেষ্টা

৪ ঘণ্টা আগে | জাতীয়

আপনার প্রতি শেখ হাসিনার অসম্মানজনক আচরণ দেখেছি : ড. ইউনূসকে বলেন মোদি
আপনার প্রতি শেখ হাসিনার অসম্মানজনক আচরণ দেখেছি : ড. ইউনূসকে বলেন মোদি

৩ ঘণ্টা আগে | জাতীয়

ড. ইউনূস ও মোদির বৈঠক নিয়ে যা জানালেন ভারতের পররাষ্ট্র সচিব
ড. ইউনূস ও মোদির বৈঠক নিয়ে যা জানালেন ভারতের পররাষ্ট্র সচিব

২৩ ঘণ্টা আগে | জাতীয়

ইরানে হামলার হুমকি থেকে পিছু হটলেন ট্রাম্প, সরাসরি আলোচনার প্রস্তাব
ইরানে হামলার হুমকি থেকে পিছু হটলেন ট্রাম্প, সরাসরি আলোচনার প্রস্তাব

৩ ঘণ্টা আগে | পূর্ব-পশ্চিম

আওয়ামী লীগের টাকার লোভে না পড়তে দলীয় নেতাদের হুঁশিয়ারি শামা ওবায়েদের
আওয়ামী লীগের টাকার লোভে না পড়তে দলীয় নেতাদের হুঁশিয়ারি শামা ওবায়েদের

১৬ ঘণ্টা আগে | রাজনীতি

৫ মিলিয়ন ডলারের ‘গোল্ড কার্ড’ ভিসা উন্মোচন করলেন ট্রাম্প
৫ মিলিয়ন ডলারের ‘গোল্ড কার্ড’ ভিসা উন্মোচন করলেন ট্রাম্প

২১ ঘণ্টা আগে | পূর্ব-পশ্চিম

ঐশ্বরিয়া আমার মেয়ে নয়, কেবল ছেলের বউ : জয়া বচ্চন
ঐশ্বরিয়া আমার মেয়ে নয়, কেবল ছেলের বউ : জয়া বচ্চন

২১ ঘণ্টা আগে | শোবিজ

শরীয়তপুরে দুই গ্রুপের সংঘর্ষ, শতাধিক হাতবোমা বিস্ফোরণ
শরীয়তপুরে দুই গ্রুপের সংঘর্ষ, শতাধিক হাতবোমা বিস্ফোরণ

৬ ঘণ্টা আগে | দেশগ্রাম

ড. ইউনূস-মোদি বৈঠক আশার আলো তৈরি করেছে: মির্জা ফখরুল
ড. ইউনূস-মোদি বৈঠক আশার আলো তৈরি করেছে: মির্জা ফখরুল

২২ ঘণ্টা আগে | রাজনীতি

বিশ্বের শক্তিশালী পাসপোর্টের তালিকায় এক ধাপ এগোল বাংলাদেশ
বিশ্বের শক্তিশালী পাসপোর্টের তালিকায় এক ধাপ এগোল বাংলাদেশ

৬ ঘণ্টা আগে | জাতীয়

হোয়াইট হাউস থেকে বরখাস্ত একাধিক শীর্ষ কর্মকর্তা, আলোচনায় লরা লুমার
হোয়াইট হাউস থেকে বরখাস্ত একাধিক শীর্ষ কর্মকর্তা, আলোচনায় লরা লুমার

৮ ঘণ্টা আগে | পূর্ব-পশ্চিম

কালশী ফ্লাইওভারে গাড়ির সঙ্গে মোটরসাইকেলের সংঘর্ষ, দুই যুবক নিহত
কালশী ফ্লাইওভারে গাড়ির সঙ্গে মোটরসাইকেলের সংঘর্ষ, দুই যুবক নিহত

১৭ ঘণ্টা আগে | নগর জীবন

পরকীয়া প্রেমে বাধা দেওয়ায় স্বামীর পুরুষাঙ্গ কাটলো স্ত্রী
পরকীয়া প্রেমে বাধা দেওয়ায় স্বামীর পুরুষাঙ্গ কাটলো স্ত্রী

৬ ঘণ্টা আগে | দেশগ্রাম

হাসিনার এক মন্তব্যে সংকটে মাদারগঞ্জের সমবায় সমিতি
হাসিনার এক মন্তব্যে সংকটে মাদারগঞ্জের সমবায় সমিতি

১৯ ঘণ্টা আগে | দেশগ্রাম

একনজরে আজকের বাংলাদেশ প্রতিদিন (৫ এপ্রিল)
একনজরে আজকের বাংলাদেশ প্রতিদিন (৫ এপ্রিল)

১১ ঘণ্টা আগে | জাতীয়

‘আতঙ্কে তারা ভুল করেছে’: চীনের পাল্টা শুল্ক নিয়ে ট্রাম্প
‘আতঙ্কে তারা ভুল করেছে’: চীনের পাল্টা শুল্ক নিয়ে ট্রাম্প

৫ ঘণ্টা আগে | পূর্ব-পশ্চিম

সাত দিনের মধ্যে যুক্তরাষ্ট্র ছাড়ার নির্দেশ, আতঙ্কে ইউক্রেনীয়রা
সাত দিনের মধ্যে যুক্তরাষ্ট্র ছাড়ার নির্দেশ, আতঙ্কে ইউক্রেনীয়রা

২ ঘণ্টা আগে | পূর্ব-পশ্চিম

চালের দানার চেয়েও ছোট পেসমেকার তৈরি করলেন বিজ্ঞানীরা
চালের দানার চেয়েও ছোট পেসমেকার তৈরি করলেন বিজ্ঞানীরা

৯ ঘণ্টা আগে | বিজ্ঞান

নির্বাচনের কথা বলে মুখে ফেনা তুলে ফেললেই গণতন্ত্র হয় না : নুসরাত তাবাসসুম
নির্বাচনের কথা বলে মুখে ফেনা তুলে ফেললেই গণতন্ত্র হয় না : নুসরাত তাবাসসুম

৪ ঘণ্টা আগে | রাজনীতি

৫.৬ মাত্রার ভূমিকম্পে আবার কেঁপে উঠলো মিয়ানমার
৫.৬ মাত্রার ভূমিকম্পে আবার কেঁপে উঠলো মিয়ানমার

৮ ঘণ্টা আগে | পূর্ব-পশ্চিম

মিয়ানমারে বাংলাদেশ সশস্ত্র বাহিনীর নেতৃত্বে উদ্ধার ও চিকিৎসা কার্যক্রম অব্যাহত
মিয়ানমারে বাংলাদেশ সশস্ত্র বাহিনীর নেতৃত্বে উদ্ধার ও চিকিৎসা কার্যক্রম অব্যাহত

১৮ ঘণ্টা আগে | জাতীয়

‘প্রয়োজনে জোটগতভাবে নির্বাচন করবে এনসিপি’
‘প্রয়োজনে জোটগতভাবে নির্বাচন করবে এনসিপি’

২১ ঘণ্টা আগে | রাজনীতি

আইপিএলের প্রথমবার দেখা গেল এমন কিছু
আইপিএলের প্রথমবার দেখা গেল এমন কিছু

১০ ঘণ্টা আগে | মাঠে ময়দানে

লৌহজংয়ে পাওয়া মরদেহের টুকরোগুলো সাভারের সবুজ মোল্যার
লৌহজংয়ে পাওয়া মরদেহের টুকরোগুলো সাভারের সবুজ মোল্যার

৫ ঘণ্টা আগে | দেশগ্রাম

প্রতিকূল পরিবেশেও খেলাপি ঋণ কমেছে
প্রতিকূল পরিবেশেও খেলাপি ঋণ কমেছে

১৬ ঘণ্টা আগে | বাণিজ্য

কুমিল্লায় মসজিদ কমিটির সেক্রেটারিকে হত্যার ঘটনায় গ্রেফতার ২
কুমিল্লায় মসজিদ কমিটির সেক্রেটারিকে হত্যার ঘটনায় গ্রেফতার ২

১২ ঘণ্টা আগে | দেশগ্রাম

প্রিন্ট সর্বাধিক
সুবিধাবাদী হাইব্রিডে অতিষ্ঠ বিএনপি
সুবিধাবাদী হাইব্রিডে অতিষ্ঠ বিএনপি

প্রথম পৃষ্ঠা

মুজিব ছিলেন বেপরোয়া
মুজিব ছিলেন বেপরোয়া

প্রথম পৃষ্ঠা

চলতি বছর টাইগারদের ৬ টেস্ট
চলতি বছর টাইগারদের ৬ টেস্ট

মাঠে ময়দানে

হাসিনাকে চাইল বাংলাদেশ
হাসিনাকে চাইল বাংলাদেশ

প্রথম পৃষ্ঠা

দেশের প্রযুক্তি খাতে বিপ্লব ঘটাবে স্টারলিংক
দেশের প্রযুক্তি খাতে বিপ্লব ঘটাবে স্টারলিংক

প্রথম পৃষ্ঠা

ধুঁকছেন পেট্রাপোলের ব্যবসায়ীরাও
ধুঁকছেন পেট্রাপোলের ব্যবসায়ীরাও

পেছনের পৃষ্ঠা

ইলিশের দামে আগুন
ইলিশের দামে আগুন

পেছনের পৃষ্ঠা

আজকের ভাগ্যচক্র
আজকের ভাগ্যচক্র

আজকের রাশি

মুখোমুখি সরকার-আইএমএফ
মুখোমুখি সরকার-আইএমএফ

প্রথম পৃষ্ঠা

দীর্ঘদিন ক্ষমতা আঁকড়ে রাখার চিন্তা করলে জনগণ মেনে নেবে না
দীর্ঘদিন ক্ষমতা আঁকড়ে রাখার চিন্তা করলে জনগণ মেনে নেবে না

নগর জীবন

‘মিনি জাফলংয়ে’ স্বাস্থ্যঝুঁকি
‘মিনি জাফলংয়ে’ স্বাস্থ্যঝুঁকি

নগর জীবন

দক্ষিণ এশিয়ার ইসরায়েল ভারত
দক্ষিণ এশিয়ার ইসরায়েল ভারত

পেছনের পৃষ্ঠা

রাজশাহী বিএনপিতে ত্রিধারা
রাজশাহী বিএনপিতে ত্রিধারা

নগর জীবন

হচ্ছে বাম দলের বৃহত্তর জোট!
হচ্ছে বাম দলের বৃহত্তর জোট!

প্রথম পৃষ্ঠা

চট্টগ্রাম-কক্সবাজার সড়কে শঙ্কা
চট্টগ্রাম-কক্সবাজার সড়কে শঙ্কা

পেছনের পৃষ্ঠা

আত্রাই নদীর চরে কুমড়াবাড়ি!
আত্রাই নদীর চরে কুমড়াবাড়ি!

পেছনের পৃষ্ঠা

কবির-মুসার বিরুদ্ধে এবার জালিয়াতির অভিযোগ
কবির-মুসার বিরুদ্ধে এবার জালিয়াতির অভিযোগ

নগর জীবন

নতুন জীবনের খোঁজে মাহি
নতুন জীবনের খোঁজে মাহি

শোবিজ

যৌথ পরিবারের গল্প
যৌথ পরিবারের গল্প

শনিবারের সকাল

এবার জনগণ ভোটাধিকার ফিরে পাবে
এবার জনগণ ভোটাধিকার ফিরে পাবে

প্রথম পৃষ্ঠা

আমাদের সম্পর্কটা বড় ভাই-ছোট ভাইয়ের মতো
আমাদের সম্পর্কটা বড় ভাই-ছোট ভাইয়ের মতো

শোবিজ

১ লাখ ৮০ হাজার রোহিঙ্গা ফেরত নেবে মিয়ানমার
১ লাখ ৮০ হাজার রোহিঙ্গা ফেরত নেবে মিয়ানমার

প্রথম পৃষ্ঠা

জমজমাট বিনোদন কেন্দ্রগুলো
জমজমাট বিনোদন কেন্দ্রগুলো

পেছনের পৃষ্ঠা

অভিযোগে মোশাররফ করিমের জবাব
অভিযোগে মোশাররফ করিমের জবাব

শোবিজ

বাছাইপর্ব টপকাতে প্রস্তুত নিগাররা
বাছাইপর্ব টপকাতে প্রস্তুত নিগাররা

মাঠে ময়দানে

প্রয়োজনীয় সংস্কার শেষে দ্রুত নির্বাচন
প্রয়োজনীয় সংস্কার শেষে দ্রুত নির্বাচন

প্রথম পৃষ্ঠা

নিশোর মুখে শাকিববন্দনা
নিশোর মুখে শাকিববন্দনা

শোবিজ

প্রয়োজনীয় সংস্কার করে দ্রুত নির্বাচন দিতে হবে
প্রয়োজনীয় সংস্কার করে দ্রুত নির্বাচন দিতে হবে

প্রথম পৃষ্ঠা

চলে যাচ্ছেন ম্যানসিটির ডি ব্রুইন
চলে যাচ্ছেন ম্যানসিটির ডি ব্রুইন

মাঠে ময়দানে

কলকাতার জার্সিতে ২০০ উইকেট
কলকাতার জার্সিতে ২০০ উইকেট

মাঠে ময়দানে