শিরোনাম
প্রকাশ: ০০:০০, বৃহস্পতিবার, ১৩ মার্চ, ২০২৫ আপডেট: ০৯:৫৪, বৃহস্পতিবার, ১৩ মার্চ, ২০২৫

সাক্ষাৎকার । ডিএমপি কমিশনার

শৃঙ্খলা রক্ষায় জিরো টলারেন্স

♦ অপরাধ করে কেউ পার পাবেন না ♦ ফ্যাসিবাদী সরকারের পুলিশ সদস্যরা ডিএমপিতে নয় ♦ সব কর্মকর্তাকে বিশেষ প্রশিক্ষণ দেওয়া হবে
মির্জা মেহেদী তমাল
প্রিন্ট ভার্সন
শৃঙ্খলা রক্ষায় জিরো টলারেন্স

ঢাকা মেট্রোপলিটন পুলিশ (ডিএমপি) কমিশনার শেখ সাজ্জাত আলী বলেছেন, পরিচয় যা-ই হোক, অপরাধ করে পার পাবেন না। এরই মধ্যে পুলিশি অ্যাকশন শুরু হয়েছে। রবিবার নিজ অফিসকক্ষে বাংলাদেশ প্রতিদিনকে দেওয়া সাক্ষাৎকারে তিনি বলেন, পুলিশও যদি অপরাধ করে, তাদের বিরুদ্ধেও আইনি ব্যবস্থা নেওয়া হচ্ছে। শৃঙ্খলা রক্ষায় জিরো টলারেন্স নীতি অনুসরণ করছে ডিএমপি। ফ্যাসিবাদী আমলের যেসব পুলিশ সদস্য ঢাকায় ছিলেন, তারা ডিএমপিতে থাকতে পারবেন না। ইতোমধ্যেই তাদের সরিয়ে দেওয়া হয়েছে। তাদের স্থলে আনা হচ্ছে চৌকশ কর্মকর্তাদের। থানায় সেবা, ছিনতাই, চাঁদাবাজি এবং ডাকাতিসহ রাজধানীর আইনশৃঙ্খলা পরিস্থিতিসহ সমসাময়িক ইস্যু নিয়ে নানা প্রশ্নের উত্তর দেন শেখ সাজ্জাত আলী। ৫ আগস্ট ফ্যাসিস্ট আওয়ামী লীগ সরকারের পতনের পর পুলিশ বিভাগে বড় ধরনের রদবদল হয়। ঢাকা মহানগর পুলিশের (ডিএমপি) নতুন কমিশনার হিসেবে নিয়োগ পান শেখ সাজ্জাদ আলী। আওয়ামী লীগ সরকারের আমলে চাকরি হারানো এই অভিজ্ঞ পুলিশ কর্মকর্তাকে অন্তর্র্বতী সরকার পুনর্বহাল করে। ১৯৮৪ সালে বিসিএস পুলিশ ক্যাডারে কর্মজীবন শুরু শেখ সাজ্জাত আলীর। ডিএমপির তেজগাঁও বিভাগের উপপুলিশ কমিশনার হিসেবে দায়িত্ব পালন করেন। তিনি লক্ষ্মীপুরে পুলিশ সুপার এবং চট্টগ্রাম ও ঢাকা রেঞ্জের ডিআইজি হিসেবে দায়িত্ব পালন করেছেন। হাইওয়ে পুলিশ গঠনকালেও ডিআইজির দায়িত্বে ছিলেন তিনি। অতিরিক্ত আইজিপি হিসেবে পুলিশ সদর দপ্তরে কাজ করেন। গত ১৮ নভেম্বর শেখ মো. সাজ্জাদ আলীর চাকরি পুনর্বহাল করা হয়। আদালতের রায়ের ভিত্তিতে ২০১৬ সালের ৩ সেপ্টেম্বর থেকে তাকে চাকরিতে পুনর্বহাল হিসেবে গণ্য করা হয়। তার প্রাপ্য বেতন-ভাতা এবং অবসরকালীন সুবিধাও মঞ্জুর করা হয়েছে। ২০ নভেম্বর তাকে ডিএমপি কমিশনার হিসেবে নিয়োগ দেওয়া হয়।

পুলিশ কমিশনার বলেন, পুলিশবিহীন সমাজ কেমন হতে পারে, তা ৫ আগস্টের পর আমরা দেখেছি। সারা দেশ চুরি, ছিনতাই ও ডাকাতিতে ছেয়ে গিয়েছিল। গত কয়েক মাসে এসব অপরাধ অনেকটা নিয়ন্ত্রণে আনতে সক্ষম হয়েছি আমরা। বিগত ১৫ বছর পুলিশ সদস্যরা যে আচরণ করেছে, তা থেকে আমরা বেরিয়ে আসতে চাই। সে জন্য কিছুটা সময়ের প্রয়োজন। সব কর্মকর্তার বিশেষ প্রশিক্ষণের প্রয়োজন। ৪০ হাজার পুলিশ সদস্যকে হঠাৎ পরিবর্তন সম্ভব নয়। তাই আমরা প্রশিক্ষণ শুরু করছি। কোথায় কী পরিমাণ বল প্রয়োগ করতে হবে, সে বিষয়ে দৃষ্টি রাখছি। ঢাকাবাসীর নিরাপত্তা নিশ্চিত করা আমাদের পবিত্র দায়িত্ব। সেই লক্ষ্যে আমরা কাজ করছি। শেখ সাজ্জাত আলী বলেন, ছিনতাইকারী ও চাঁদাবাজদের বিরুদ্ধে কাউন্টার টেরোরিজম অ্যান্ড ট্রান্স ন্যাশনাল ক্রাইম (সিটিটিসি) ইউনিটকে মাঠে নামানো হয়েছে। থানায় সেবার মান বাড়াতে এবং জটিল পরিস্থিতি মোকাবিলা করতে গঠন করা হবে সিটিজেন ফোরাম। সমস্যা সমাধানের জন্য রাজপথ বেছে না নিয়ে আলোচনার টেবিলে বসার আহ্বান জানান শেখ সাজ্জাত আলী। রাজনৈতিক পট পরিবর্তনের পর ভুয়া মামলা বিষয়ে জানতে চাইলে ডিএমপি কমিশনার বলেন, অপরাধের তথ্য-প্রমাণ পাওয়া না গেলে, ভয়ের কিছু নেই। এ ধরনের মামলাগুলো রিভাইজ করা হচ্ছে। এজাহারে প্রকৃত অপরাধীদের নামই শুধু থাকবে। গণহারে ১৫০-২০০ আসামির মামলা থাকবে না। ঘটনার সময় দেশেই ছিলেন না তাদেরও মামলায় আসামি করা হয়েছে।

কমিশনার বলেন, জুলাই-আগস্ট বিপ্লবের পর নানা কারণে পুলিশ প্রশাসন ক্ষতিগ্রস্ত হয়। পুলিশ সদস্যরা ট্রমার মধ্যে পড়ে যান। গত ৫-৬ মাস অক্লান্ত পরিশ্রম করে সেই অবস্থা থেকে বের করে আনতে সক্ষম হয়েছি। এখন তারা মনোবল ফিরে পেয়েছেন। চাঁদাবাজ ও ছিনতাইকারীদের বিরুদ্ধে কী ব্যবস্থা নেওয়া হচ্ছে- জানতে চাইলে ডিএমপি প্রধান বলেন, দেড় মাস ধরে চাঁদাবাজ ও ছিনতাইকারীদের বিরুদ্ধে অনেক অভিযান চালানো হয়েছে। অনেককে হাতেনাতে গ্রেপ্তার করা হয়েছে। ব্লক রেইড করেও ধরা হয়েছে। তিনি বলেন, রাজধানীর শপিংমলসহ আবাসিক এলাকার নিরাপত্তায় পুলিশ ও অন্যান্য আইনশৃঙ্খলা রক্ষাকারী বাহিনীর বাইরে বেসরকারি কর্মীদের অক্সিলারি ফোর্স হিসেবে নিয়োগ দেওয়ার সিদ্ধান্ত হয়েছে। মেট্রোপলিটন পুলিশের আইনবলে অক্সিলারি পুলিশ ফোর্স নিয়োগের ক্ষমতা আমার আছে। সেই মোতাবেক অক্সিলারি পুলিশ ফোর্স হিসেবে যারা প্রাইভেট নিরাপত্তার লোকেরা আছে তাদের নিয়োগ দিচ্ছি। তাদের হাতে চিহ্নিতকারী একটি ব্যান্ড থাকবে যা দেখে বোঝা যাবে যে, তারা অক্সিলারি ফোর্স। শেখ সাজ্জাত আলী বলেন, আমরা রাজধানীর প্রত্যেক থানায় সিটিজেন ফোরাম গঠন করছি। এখানে ছাত্র, শিক্ষক, ব্যবসায়ীসহ সব শ্রেণির লোক প্রতিনিধি হিসেবে থাকবেন। সাধারণত তারা থানাকে সহযোগিতা করবেন। ক্রাইসিস, সামাজিক জটিলতা বা অপরাধ প্রবণতা বেড়ে গেলে থানার ওসি তাদের সহযোগিতা নেবেন। সিটিজেন ফোরামের কমিটি হবে ১০ সদস্যবিশিষ্ট। তারা যে কোনো সময় থানায় গিয়ে ওসিকে তথ্য দেওয়াসহ নানা ধরনের সহযোগিতা করতে পারবেন।

ডিএমপি কমিশনার বলেন, টহল ব্যবস্থা জোরদার করা হয়েছে। থানা, ফাঁড়ি, ডিবি এমনকি সিটিটিসি ইউনিটকেও এ কার্যক্রমে সম্পৃক্ত করা হয়েছে। সিটিটিসির একাংশ ছিনতাইকারী-চাঁদাবাজ দমনে কাজ করছে।

রাজধানীর আইনশৃঙ্খলা পরিস্থিতি জানতে চাইলে সেখ সাজ্জাত আলী বলেন, বর্তমানে আইনশৃঙ্খলার বিঘ্ন ঘটছে রাস্তায়। বিভিন্ন শ্রেণি-পেশার মানুষ ছোটখাটো দাবি নিয়ে রাস্তায় নেমে পড়ছেন। রাস্তায় সমস্যা সমাধানের চেষ্টা করছেন। এতে ট্রাফিক ব্যবস্থাপনার বিঘ্ন ঘটছে। আমি সবার কাছে অনুরোধ করব, কারও দাবি-দাওয়া থাকলে যেন টেবিলে বসে সমাধান করেন। ডিএমপি কমিশনার বলেন, পুলিশের কোনো সদস্য খারাপ কিছুর সঙ্গে জড়িত হলে অবশ্যই শাস্তি পাবেন। মামলা নিতে কালক্ষেপণ করায় গুলশানের ওসির বিরুদ্ধে ব্যবস্থা নেওয়া হয়েছে। নানা অপরাধে কয়েকজনকে ক্লোজড করা হয়েছে। কোনো অফিসার যদি জুলুম-নিপীড়ন ও নির্যাতনে জড়ান, মামলা না নেন, অন্যায় করেন, তাহলে ডিএমপিতে থাকতে পারবেন না। ডিএমপিতে যোগদানের দিনই মাঠপর্যায়ে এ বার্তা পৌঁছে দিয়েছি। সব অফিসার বার্তা পেয়ে গেছেন।

পুলিশ কমিশনার বলেন, সম্প্রতি ছিনতাই মানুষের মনে ভয়ের কারণ হয়ে দাঁড়িয়েছে। এই ছিনতাইয়ের সঙ্গে জড়িত বেশির ভাগ অল্পবয়সী মাদকাসক্ত ছেলে। ২০ থেকে ২২ বছরের ছেলেরা মাদকের টাকা জোগাড় করতে অপরাধে জড়াচ্ছে। এ ছাড়া বেশির ভাগ ছিনতাইয়ের ঘটনা ঘটছে বাস ও প্রাইভেটকারে কথা বলার সময়। এ থেকে বাঁচতে মোবাইল ও ব্যাগ নিজের নিরাপত্তায় রাখুন। আপনি সতর্ক থাকলেই আমাদের সহযোগিতা করা হবে। ছিনতাইকারীদের বিরুদ্ধে কঠোর ব্যবস্থা নেওয়া হবে। দিনে রাতে টহল বাড়ানোর পাশাপাশি ডিবি পুলিশকে দায়িত্ব দেওয়া হয়েছে।

এই বিভাগের আরও খবর
প্রয়োজনীয় সংস্কার করে দ্রুত নির্বাচন দিতে হবে
প্রয়োজনীয় সংস্কার করে দ্রুত নির্বাচন দিতে হবে
আলোচনার মাধ্যমে সব সমাধান সম্ভব
আলোচনার মাধ্যমে সব সমাধান সম্ভব
ছুরি মেরে ব্যবসায়ীকে হত্যা পিটুনিতে যুবকের মৃত্যু
ছুরি মেরে ব্যবসায়ীকে হত্যা পিটুনিতে যুবকের মৃত্যু
হচ্ছে বাম দলের বৃহত্তর জোট!
হচ্ছে বাম দলের বৃহত্তর জোট!
১ লাখ ৮০ হাজার রোহিঙ্গা ফেরত নেবে মিয়ানমার
১ লাখ ৮০ হাজার রোহিঙ্গা ফেরত নেবে মিয়ানমার
নির্বাচনে অনিশ্চয়তা বাড়াবে জটিলতা
নির্বাচনে অনিশ্চয়তা বাড়াবে জটিলতা
একাধিক আঞ্চলিক সহযোগিতা চুক্তি ও সমঝোতায় স্বাক্ষর
একাধিক আঞ্চলিক সহযোগিতা চুক্তি ও সমঝোতায় স্বাক্ষর
দক্ষিণ কোরিয়ার প্রেসিডেন্ট অপসারিত
দক্ষিণ কোরিয়ার প্রেসিডেন্ট অপসারিত
এবার জনগণ ভোটাধিকার ফিরে পাবে
এবার জনগণ ভোটাধিকার ফিরে পাবে
বৈঠককে ইতিবাচক দেখছে বিএনপি
বৈঠককে ইতিবাচক দেখছে বিএনপি
ইউনূস-মোদির বৈঠক আশা জাগিয়েছে
ইউনূস-মোদির বৈঠক আশা জাগিয়েছে
প্রয়োজনীয় সংস্কার শেষে দ্রুত নির্বাচন
প্রয়োজনীয় সংস্কার শেষে দ্রুত নির্বাচন
সর্বশেষ খবর
রাশিয়া-ইউক্রেন যুদ্ধে নিহত ইয়াসিনের পরিবারের পাশে তারেক রহমান
রাশিয়া-ইউক্রেন যুদ্ধে নিহত ইয়াসিনের পরিবারের পাশে তারেক রহমান

এই মাত্র | রাজনীতি

কু-প্রস্তাবে অসম্মতি জানানোয় বিধবাকে পিটিয়ে আহত, বসতবাড়ি ভাঙচুর
কু-প্রস্তাবে অসম্মতি জানানোয় বিধবাকে পিটিয়ে আহত, বসতবাড়ি ভাঙচুর

৩৩ মিনিট আগে | দেশগ্রাম

এবার ইউক্রেনের বন্দর চাইছে পোল্যান্ড
এবার ইউক্রেনের বন্দর চাইছে পোল্যান্ড

৪৫ মিনিট আগে | পূর্ব-পশ্চিম

বিএনপি ক্ষমতার পাগল নয়, ক্ষমতা বিএনপির প্রাপ্য : ফজলুর রহমান
বিএনপি ক্ষমতার পাগল নয়, ক্ষমতা বিএনপির প্রাপ্য : ফজলুর রহমান

৪৬ মিনিট আগে | রাজনীতি

শুধু মানুষের নয়, বানরও অর্থবহ ভাষা তৈরি করতে সক্ষম : গবেষণা
শুধু মানুষের নয়, বানরও অর্থবহ ভাষা তৈরি করতে সক্ষম : গবেষণা

৫০ মিনিট আগে | পাঁচফোড়ন

শুল্ক ইস্যুতে মার্কিন প্রশাসনের সঙ্গে আলোচনা করবেন প্রধান উপদেষ্টা
শুল্ক ইস্যুতে মার্কিন প্রশাসনের সঙ্গে আলোচনা করবেন প্রধান উপদেষ্টা

৫০ মিনিট আগে | বাণিজ্য

ইসরায়েলের বিরুদ্ধে মুসলিমদের জিহাদের আহ্বান জানিয়ে ফতোয়া জারি
ইসরায়েলের বিরুদ্ধে মুসলিমদের জিহাদের আহ্বান জানিয়ে ফতোয়া জারি

৫৩ মিনিট আগে | পূর্ব-পশ্চিম

যথাসময়ে আমরা নির্বাচন আদায় করে নেব : ইশরাক
যথাসময়ে আমরা নির্বাচন আদায় করে নেব : ইশরাক

৫৭ মিনিট আগে | রাজনীতি

ভারতে ওয়াকফ সংশোধনী বিল পাসে খেলাফত মজলিসের উদ্বেগ
ভারতে ওয়াকফ সংশোধনী বিল পাসে খেলাফত মজলিসের উদ্বেগ

১ ঘণ্টা আগে | রাজনীতি

‌‘দেশে ভোটের অধিকার ফিরিয়ে আনার জন্য আন্দোলন সংগ্রাম করেছি’
‌‘দেশে ভোটের অধিকার ফিরিয়ে আনার জন্য আন্দোলন সংগ্রাম করেছি’

১ ঘণ্টা আগে | রাজনীতি

শান্তি আলোচনায় সময় ফুরিয়ে আসছে, রাশিয়াকে হুঁশিয়ারি যুক্তরাষ্ট্রের
শান্তি আলোচনায় সময় ফুরিয়ে আসছে, রাশিয়াকে হুঁশিয়ারি যুক্তরাষ্ট্রের

১ ঘণ্টা আগে | পূর্ব-পশ্চিম

যুক্তরাষ্ট্র-কানাডার শিক্ষার্থীদের জন্য চ্যাটজিপিটি প্লাস ফ্রি, চলবে মে মাস পর্যন্ত
যুক্তরাষ্ট্র-কানাডার শিক্ষার্থীদের জন্য চ্যাটজিপিটি প্লাস ফ্রি, চলবে মে মাস পর্যন্ত

১ ঘণ্টা আগে | টেক ওয়ার্ল্ড

বদরগঞ্জে বিএনপির দুই গ্রুপের সংঘর্ষে নিহত ১, আহত ৪০
বদরগঞ্জে বিএনপির দুই গ্রুপের সংঘর্ষে নিহত ১, আহত ৪০

১ ঘণ্টা আগে | নগর জীবন

মাঠজুড়ে সূর্যমুখী ফুলের সমারোহ
মাঠজুড়ে সূর্যমুখী ফুলের সমারোহ

১ ঘণ্টা আগে | প্রকৃতি ও পরিবেশ

ভুরুঙ্গামারীতে কেন্দ্রীয় ছাত্রলীগ নেতা গ্রেফতার
ভুরুঙ্গামারীতে কেন্দ্রীয় ছাত্রলীগ নেতা গ্রেফতার

১ ঘণ্টা আগে | দেশগ্রাম

বাকৃবিতে উন্নত জাতের টমেটোর জাত উদ্ভাবন
বাকৃবিতে উন্নত জাতের টমেটোর জাত উদ্ভাবন

১ ঘণ্টা আগে | প্রকৃতি ও পরিবেশ

১২ এপ্রিল নিউইয়র্কে ‘মঙ্গল শোভাযাত্রা’
১২ এপ্রিল নিউইয়র্কে ‘মঙ্গল শোভাযাত্রা’

১ ঘণ্টা আগে | পরবাস

টাঙ্গাইলে জীবনের নিরাপত্তা চেয়ে সংবাদ সম্মেলন
টাঙ্গাইলে জীবনের নিরাপত্তা চেয়ে সংবাদ সম্মেলন

১ ঘণ্টা আগে | দেশগ্রাম

পাওনা টাকা চাওয়ায় হামলা, ঘটনার ৪ দিন পর যুবকের মৃত্যু
পাওনা টাকা চাওয়ায় হামলা, ঘটনার ৪ দিন পর যুবকের মৃত্যু

২ ঘণ্টা আগে | দেশগ্রাম

সিলেটে ৯ দিনে ২৮৭ নরমাল ডেলিভারি
সিলেটে ৯ দিনে ২৮৭ নরমাল ডেলিভারি

২ ঘণ্টা আগে | চায়ের দেশ

মহাকাশ থেকে পৃথিবীতে পড়েছে ১২০০ বস্তুর ধ্বংসাবশেষ
মহাকাশ থেকে পৃথিবীতে পড়েছে ১২০০ বস্তুর ধ্বংসাবশেষ

২ ঘণ্টা আগে | পাঁচফোড়ন

ধূলিঝড়ের পর রাজধানীতে স্বস্তির বৃষ্টি
ধূলিঝড়ের পর রাজধানীতে স্বস্তির বৃষ্টি

২ ঘণ্টা আগে | নগর জীবন

শরীরে একাধিক কোপ, ডোবা থেকে অজ্ঞাত যুবকের লাশ উদ্ধার
শরীরে একাধিক কোপ, ডোবা থেকে অজ্ঞাত যুবকের লাশ উদ্ধার

২ ঘণ্টা আগে | দেশগ্রাম

অক্টোবরেই অচল ২৪ কোটি কম্পিউটার, বিকল্প কী?
অক্টোবরেই অচল ২৪ কোটি কম্পিউটার, বিকল্প কী?

২ ঘণ্টা আগে | টেক ওয়ার্ল্ড

যৌন হেনস্তার অভিযোগে ‘স্কুইড গেম’ তারকার সাজা
যৌন হেনস্তার অভিযোগে ‘স্কুইড গেম’ তারকার সাজা

২ ঘণ্টা আগে | শোবিজ

চাঁদপুরে ৬৪ যানবাহনে তল্লাশি ও জরিমানা
চাঁদপুরে ৬৪ যানবাহনে তল্লাশি ও জরিমানা

২ ঘণ্টা আগে | দেশগ্রাম

বিমসটেক শীর্ষ সম্মেলনে যেসব সিদ্ধান্ত গৃহীত
বিমসটেক শীর্ষ সম্মেলনে যেসব সিদ্ধান্ত গৃহীত

২ ঘণ্টা আগে | জাতীয়

‘পার্বত্য অঞ্চলের শিক্ষাব্যবস্থাকে মানসম্মত করতে হবে’
‘পার্বত্য অঞ্চলের শিক্ষাব্যবস্থাকে মানসম্মত করতে হবে’

২ ঘণ্টা আগে | দেশগ্রাম

যুক্তরাষ্ট্রে বাংলাদেশের রফতানি আরও বাড়বে, কমবে না: প্রেস সচিব
যুক্তরাষ্ট্রে বাংলাদেশের রফতানি আরও বাড়বে, কমবে না: প্রেস সচিব

২ ঘণ্টা আগে | জাতীয়

সিআরবিতে পরিচ্ছন্নতা অভিযান
সিআরবিতে পরিচ্ছন্নতা অভিযান

২ ঘণ্টা আগে | চট্টগ্রাম প্রতিদিন

সর্বাধিক পঠিত
আত্মরক্ষার জন্য ইরানের সর্বোচ্চ প্রস্তুতি রয়েছে : সৌদি যুবরাজকে পেজেশকিয়ান
আত্মরক্ষার জন্য ইরানের সর্বোচ্চ প্রস্তুতি রয়েছে : সৌদি যুবরাজকে পেজেশকিয়ান

১১ ঘণ্টা আগে | পূর্ব-পশ্চিম

আপনার প্রতি শেখ হাসিনার অসম্মানজনক আচরণ দেখেছি : ড. ইউনূসকে বলেন মোদি
আপনার প্রতি শেখ হাসিনার অসম্মানজনক আচরণ দেখেছি : ড. ইউনূসকে বলেন মোদি

৬ ঘণ্টা আগে | জাতীয়

ইরানে হামলার হুমকি থেকে পিছু হটলেন ট্রাম্প, সরাসরি আলোচনার প্রস্তাব
ইরানে হামলার হুমকি থেকে পিছু হটলেন ট্রাম্প, সরাসরি আলোচনার প্রস্তাব

৬ ঘণ্টা আগে | পূর্ব-পশ্চিম

যুক্তরাষ্ট্রের শুল্ক ইস্যুতে জরুরি সভা ডেকেছেন প্রধান উপদেষ্টা
যুক্তরাষ্ট্রের শুল্ক ইস্যুতে জরুরি সভা ডেকেছেন প্রধান উপদেষ্টা

৭ ঘণ্টা আগে | জাতীয়

আওয়ামী লীগের টাকার লোভে না পড়তে দলীয় নেতাদের হুঁশিয়ারি শামা ওবায়েদের
আওয়ামী লীগের টাকার লোভে না পড়তে দলীয় নেতাদের হুঁশিয়ারি শামা ওবায়েদের

১৯ ঘণ্টা আগে | রাজনীতি

সাত দিনের মধ্যে যুক্তরাষ্ট্র ছাড়ার নির্দেশ, আতঙ্কে ইউক্রেনীয়রা
সাত দিনের মধ্যে যুক্তরাষ্ট্র ছাড়ার নির্দেশ, আতঙ্কে ইউক্রেনীয়রা

৫ ঘণ্টা আগে | পূর্ব-পশ্চিম

শরীয়তপুরে দুই গ্রুপের সংঘর্ষ, শতাধিক হাতবোমা বিস্ফোরণ
শরীয়তপুরে দুই গ্রুপের সংঘর্ষ, শতাধিক হাতবোমা বিস্ফোরণ

৯ ঘণ্টা আগে | দেশগ্রাম

বিশ্বের শক্তিশালী পাসপোর্টের তালিকায় এক ধাপ এগোল বাংলাদেশ
বিশ্বের শক্তিশালী পাসপোর্টের তালিকায় এক ধাপ এগোল বাংলাদেশ

৯ ঘণ্টা আগে | জাতীয়

ফিলিস্তিনি জনগণের প্রতি পাকিস্তান সেনা কমান্ডারদের অকুণ্ঠ সমর্থন
ফিলিস্তিনি জনগণের প্রতি পাকিস্তান সেনা কমান্ডারদের অকুণ্ঠ সমর্থন

৪ ঘণ্টা আগে | পূর্ব-পশ্চিম

হোয়াইট হাউস থেকে বরখাস্ত একাধিক শীর্ষ কর্মকর্তা, আলোচনায় লরা লুমার
হোয়াইট হাউস থেকে বরখাস্ত একাধিক শীর্ষ কর্মকর্তা, আলোচনায় লরা লুমার

১১ ঘণ্টা আগে | পূর্ব-পশ্চিম

কালশী ফ্লাইওভারে দুর্ঘটনায় নিহত দুই যুবকের পরিচয় মিলেছে
কালশী ফ্লাইওভারে দুর্ঘটনায় নিহত দুই যুবকের পরিচয় মিলেছে

৫ ঘণ্টা আগে | নগর জীবন

কালশী ফ্লাইওভারে গাড়ির সঙ্গে মোটরসাইকেলের সংঘর্ষ, দুই যুবক নিহত
কালশী ফ্লাইওভারে গাড়ির সঙ্গে মোটরসাইকেলের সংঘর্ষ, দুই যুবক নিহত

২১ ঘণ্টা আগে | নগর জীবন

নির্বাচনের কথা বলে মুখে ফেনা তুলে ফেললেই গণতন্ত্র হয় না : নুসরাত তাবাসসুম
নির্বাচনের কথা বলে মুখে ফেনা তুলে ফেললেই গণতন্ত্র হয় না : নুসরাত তাবাসসুম

৭ ঘণ্টা আগে | রাজনীতি

‘আতঙ্কে তারা ভুল করেছে’: চীনের পাল্টা শুল্ক নিয়ে ট্রাম্প
‘আতঙ্কে তারা ভুল করেছে’: চীনের পাল্টা শুল্ক নিয়ে ট্রাম্প

৮ ঘণ্টা আগে | পূর্ব-পশ্চিম

পরকীয়া প্রেমে বাধা দেওয়ায় স্বামীর পুরুষাঙ্গ কাটলো স্ত্রী
পরকীয়া প্রেমে বাধা দেওয়ায় স্বামীর পুরুষাঙ্গ কাটলো স্ত্রী

১০ ঘণ্টা আগে | দেশগ্রাম

হাসিনার এক মন্তব্যে সংকটে মাদারগঞ্জের সমবায় সমিতি
হাসিনার এক মন্তব্যে সংকটে মাদারগঞ্জের সমবায় সমিতি

২২ ঘণ্টা আগে | দেশগ্রাম

একনজরে আজকের বাংলাদেশ প্রতিদিন (৫ এপ্রিল)
একনজরে আজকের বাংলাদেশ প্রতিদিন (৫ এপ্রিল)

১৪ ঘণ্টা আগে | জাতীয়

চালের দানার চেয়েও ছোট পেসমেকার তৈরি করলেন বিজ্ঞানীরা
চালের দানার চেয়েও ছোট পেসমেকার তৈরি করলেন বিজ্ঞানীরা

১২ ঘণ্টা আগে | বিজ্ঞান

লৌহজংয়ে পাওয়া মরদেহের টুকরোগুলো সাভারের সবুজ মোল্যার
লৌহজংয়ে পাওয়া মরদেহের টুকরোগুলো সাভারের সবুজ মোল্যার

৮ ঘণ্টা আগে | দেশগ্রাম

হাতে সব প্রমাণ আছে, আইনিভাবে মোকাবিলা করবো : পরীমণি
হাতে সব প্রমাণ আছে, আইনিভাবে মোকাবিলা করবো : পরীমণি

৬ ঘণ্টা আগে | শোবিজ

৫.৬ মাত্রার ভূমিকম্পে আবার কেঁপে উঠলো মিয়ানমার
৫.৬ মাত্রার ভূমিকম্পে আবার কেঁপে উঠলো মিয়ানমার

১২ ঘণ্টা আগে | পূর্ব-পশ্চিম

প্রতিকূল পরিবেশেও খেলাপি ঋণ কমেছে
প্রতিকূল পরিবেশেও খেলাপি ঋণ কমেছে

২০ ঘণ্টা আগে | বাণিজ্য

মিয়ানমারে বাংলাদেশ সশস্ত্র বাহিনীর নেতৃত্বে উদ্ধার ও চিকিৎসা কার্যক্রম অব্যাহত
মিয়ানমারে বাংলাদেশ সশস্ত্র বাহিনীর নেতৃত্বে উদ্ধার ও চিকিৎসা কার্যক্রম অব্যাহত

২১ ঘণ্টা আগে | জাতীয়

পিঁয়াজ নিয়ে হতাশ মানিকগঞ্জের কৃষকরা
পিঁয়াজ নিয়ে হতাশ মানিকগঞ্জের কৃষকরা

৯ ঘণ্টা আগে | দেশগ্রাম

আইপিএলের প্রথমবার দেখা গেল এমন কিছু
আইপিএলের প্রথমবার দেখা গেল এমন কিছু

১৩ ঘণ্টা আগে | মাঠে ময়দানে

প্রেমা নেই, শেষ হয়ে গেল পুরো পরিবার
প্রেমা নেই, শেষ হয়ে গেল পুরো পরিবার

৮ ঘণ্টা আগে | চট্টগ্রাম প্রতিদিন

আরো বাড়ল মিয়ানমারে ভূমিকম্পে মৃতের সংখ্যা
আরো বাড়ল মিয়ানমারে ভূমিকম্পে মৃতের সংখ্যা

১০ ঘণ্টা আগে | পূর্ব-পশ্চিম

ঢাকাসহ চার বিভাগে বৃষ্টির সম্ভাবনা
ঢাকাসহ চার বিভাগে বৃষ্টির সম্ভাবনা

১০ ঘণ্টা আগে | জাতীয়

কুমিল্লায় মসজিদ কমিটির সেক্রেটারিকে হত্যার ঘটনায় গ্রেফতার ২
কুমিল্লায় মসজিদ কমিটির সেক্রেটারিকে হত্যার ঘটনায় গ্রেফতার ২

১৫ ঘণ্টা আগে | দেশগ্রাম

কোনো স্থানেই ময়লা পোড়ানো যাবে না : পরিবেশ উপদেষ্টা
কোনো স্থানেই ময়লা পোড়ানো যাবে না : পরিবেশ উপদেষ্টা

৭ ঘণ্টা আগে | জাতীয়

প্রিন্ট সর্বাধিক
সুবিধাবাদী হাইব্রিডে অতিষ্ঠ বিএনপি
সুবিধাবাদী হাইব্রিডে অতিষ্ঠ বিএনপি

প্রথম পৃষ্ঠা

মুজিব ছিলেন বেপরোয়া
মুজিব ছিলেন বেপরোয়া

প্রথম পৃষ্ঠা

চলতি বছর টাইগারদের ৬ টেস্ট
চলতি বছর টাইগারদের ৬ টেস্ট

মাঠে ময়দানে

হাসিনাকে চাইল বাংলাদেশ
হাসিনাকে চাইল বাংলাদেশ

প্রথম পৃষ্ঠা

দেশের প্রযুক্তি খাতে বিপ্লব ঘটাবে স্টারলিংক
দেশের প্রযুক্তি খাতে বিপ্লব ঘটাবে স্টারলিংক

প্রথম পৃষ্ঠা

ধুঁকছেন পেট্রাপোলের ব্যবসায়ীরাও
ধুঁকছেন পেট্রাপোলের ব্যবসায়ীরাও

পেছনের পৃষ্ঠা

আজকের ভাগ্যচক্র
আজকের ভাগ্যচক্র

আজকের রাশি

ইলিশের দামে আগুন
ইলিশের দামে আগুন

পেছনের পৃষ্ঠা

মুখোমুখি সরকার-আইএমএফ
মুখোমুখি সরকার-আইএমএফ

প্রথম পৃষ্ঠা

দীর্ঘদিন ক্ষমতা আঁকড়ে রাখার চিন্তা করলে জনগণ মেনে নেবে না
দীর্ঘদিন ক্ষমতা আঁকড়ে রাখার চিন্তা করলে জনগণ মেনে নেবে না

নগর জীবন

‘মিনি জাফলংয়ে’ স্বাস্থ্যঝুঁকি
‘মিনি জাফলংয়ে’ স্বাস্থ্যঝুঁকি

নগর জীবন

দক্ষিণ এশিয়ার ইসরায়েল ভারত
দক্ষিণ এশিয়ার ইসরায়েল ভারত

পেছনের পৃষ্ঠা

রাজশাহী বিএনপিতে ত্রিধারা
রাজশাহী বিএনপিতে ত্রিধারা

নগর জীবন

হচ্ছে বাম দলের বৃহত্তর জোট!
হচ্ছে বাম দলের বৃহত্তর জোট!

প্রথম পৃষ্ঠা

আত্রাই নদীর চরে কুমড়াবাড়ি!
আত্রাই নদীর চরে কুমড়াবাড়ি!

পেছনের পৃষ্ঠা

চট্টগ্রাম-কক্সবাজার সড়কে শঙ্কা
চট্টগ্রাম-কক্সবাজার সড়কে শঙ্কা

পেছনের পৃষ্ঠা

কবির-মুসার বিরুদ্ধে এবার জালিয়াতির অভিযোগ
কবির-মুসার বিরুদ্ধে এবার জালিয়াতির অভিযোগ

নগর জীবন

যৌথ পরিবারের গল্প
যৌথ পরিবারের গল্প

শনিবারের সকাল

নতুন জীবনের খোঁজে মাহি
নতুন জীবনের খোঁজে মাহি

শোবিজ

এবার জনগণ ভোটাধিকার ফিরে পাবে
এবার জনগণ ভোটাধিকার ফিরে পাবে

প্রথম পৃষ্ঠা

১ লাখ ৮০ হাজার রোহিঙ্গা ফেরত নেবে মিয়ানমার
১ লাখ ৮০ হাজার রোহিঙ্গা ফেরত নেবে মিয়ানমার

প্রথম পৃষ্ঠা

আমাদের সম্পর্কটা বড় ভাই-ছোট ভাইয়ের মতো
আমাদের সম্পর্কটা বড় ভাই-ছোট ভাইয়ের মতো

শোবিজ

অভিযোগে মোশাররফ করিমের জবাব
অভিযোগে মোশাররফ করিমের জবাব

শোবিজ

প্রয়োজনীয় সংস্কার শেষে দ্রুত নির্বাচন
প্রয়োজনীয় সংস্কার শেষে দ্রুত নির্বাচন

প্রথম পৃষ্ঠা

জমজমাট বিনোদন কেন্দ্রগুলো
জমজমাট বিনোদন কেন্দ্রগুলো

পেছনের পৃষ্ঠা

নিশোর মুখে শাকিববন্দনা
নিশোর মুখে শাকিববন্দনা

শোবিজ

বাছাইপর্ব টপকাতে প্রস্তুত নিগাররা
বাছাইপর্ব টপকাতে প্রস্তুত নিগাররা

মাঠে ময়দানে

প্রয়োজনীয় সংস্কার করে দ্রুত নির্বাচন দিতে হবে
প্রয়োজনীয় সংস্কার করে দ্রুত নির্বাচন দিতে হবে

প্রথম পৃষ্ঠা

চলে যাচ্ছেন ম্যানসিটির ডি ব্রুইন
চলে যাচ্ছেন ম্যানসিটির ডি ব্রুইন

মাঠে ময়দানে

কলকাতার জার্সিতে ২০০ উইকেট
কলকাতার জার্সিতে ২০০ উইকেট

মাঠে ময়দানে