শিরোনাম
প্রকাশ: ০০:০০, শনিবার, ০৫ এপ্রিল, ২০২৫ আপডেট: ০১:৫৬, শনিবার, ০৫ এপ্রিল, ২০২৫

নির্বাচনে অনিশ্চয়তা বাড়াবে জটিলতা

বিশেষ প্রতিনিধি
প্রিন্ট ভার্সন
নির্বাচনে অনিশ্চয়তা বাড়াবে জটিলতা

মহান স্বাধীনতা দিবস উপলক্ষে ২৫ মার্চ জাতির উদ্দেশে ভাষণ দেন প্রধান উপদেষ্টা ড. মুহাম্মদ ইউনূস। সেই ভাষণে তিনি আবারও বলেন, ডিসেম্বর থেকে জুনের মধ্যে জাতীয় সংসদ নির্বাচন হবে। এটি কোনো নতুন কথা নয়। এর আগেও প্রধান উপদেষ্টা বিভিন্ন ফোরামে ও সাক্ষাৎকারে বারবার বলেছিলেন, তিনি ডিসেম্বরের মধ্যে নির্বাচন অনুষ্ঠান করতে চান। এই নির্বাচন পেছাবে না। অনেকে আশা করেছিলেন যে, ২৬ মার্চ মহান স্বাধীনতা দিবস উপলক্ষে জাতির উদ্দেশে ভাষণে তিনি নির্বাচনের একটি সুনির্দিষ্ট রোডম্যাপ ঘোষণা করবেন। কিন্তু সেটি করা হয়নি। বিএনপি মহাসচিব মির্জা ফখরুল ইসলাম আলমগীর এ নিয়ে হতাশা প্রকাশ করেছেন। বাস্তবতা হলো এখন বাংলাদেশে যে রাজনৈতিক এবং সামাজিক পরিস্থিতি তাতে দ্রুত একটি নির্বাচনের কোনো বিকল্প নেই। নির্বাচন যত পেছাবে, তত সংঘাত, সহিংসতা, জটিলতা বাড়বে। দেশে অস্থিরতা দেখা দেবে এবং জনমনে এক ধরনের নেতিবাচক মনোভাব প্রতিষ্ঠিত হবে। নির্বাচন পেছানো মানেই ষড়যন্ত্রের ডালপালা বিস্তার। এরকম পরিস্থিতি থেকে উত্তরণের জন্য দ্রুত জাতীয় সংসদ নির্বাচনের কোনো বিকল্প নেই। আট মাস ধরে অন্তর্বর্তী সরকার নানা রকম জটিল এবং কঠিন পরিস্থিতি মোকাবিলা করতে রীতিমতো হিমশিম খাচ্ছে। সময় যত যাচ্ছে পরিস্থিতি তত জটিল থেকে জটিলতর হচ্ছে। এই যেমন, আইনশৃঙ্খলা পরিস্থিতির কথাই ধরা যাক। গত সাত মাসে আইনশৃঙ্খলা পরিস্থিতির উন্নতির জন্য যতবার উদ্যোগ নেওয়া হয়েছে কিছুটা উন্নতি হওয়ার পর আবার একটি আচমকা ঘটনা ঘটে পরিস্থিতি আগের অবস্থায় ফিরে গেছে। আইনশৃঙ্খলা নিয়ে কোনো সুখবর নেই। কোনো অবস্থাতেই আইনশৃঙ্খলা পরিস্থিতির লাগাম টানা সম্ভব হয়নি। এর একটি বড় কারণ পুলিশ বাহিনী এখন পর্যন্ত কার্যকর হয়নি। তারা পূর্ণ আস্থা এবং মনোবল নিয়ে মাঠে কাজ করতে পারেনি। অন্তর্বর্তী সরকারের পক্ষে তাদের আস্থায় নিয়ে মাঠে নামানো এখন প্রায় অসম্ভব। কারণ একটি অন্তর্বর্তী সরকার সবসময় ক্ষণস্থায়ী। এটির নির্দিষ্ট কোনো সময়সীমা নেই। কিন্তু যদি একটি নির্বাচিত সরকার দায়িত্ব গ্রহণ করে তাহলে তাদের একটি সুনির্দিষ্ট রাজনৈতিক দায়িত্ব পালনের সময়সীমা থাকবে। সবাই জানবে তাদের নীতি এবং পদ্ধতি কী হবে। সে অনুযায়ী পুলিশ বাহিনী বা অন্য সবাই কাজ করবে। এ কারণেই আইনশৃঙ্খলা পরিস্থিতির উন্নতির জন্য প্রয়োজন একটি নির্বাচিত জনপ্রতিনিধি।

আমরা দেখেছি, ৫ আগস্টের পর দেশের প্রচুর থানা লুট হয়েছে। অস্ত্রশস্ত্র ছিনিয়ে নিয়ে গেছে কিছু দুর্বৃত্ত। এসব অস্ত্র উদ্ধারের ক্ষেত্রে তেমন কোনো কার্যকর ব্যবস্থা এখন পর্যন্ত নেওয়া হয়নি। এ ক্ষেত্রে অন্তর্বর্তী সরকার কতটুকু সফল হবে, তা নিয়ে প্রশ্ন উঠেছে। কারণ, গত সাড়ে সাত মাসে অস্ত্র উদ্ধারে কোনো তৎপরতা দেখা যায়নি, বরং স্বরাষ্ট্র উপদেষ্টা বারবার এনিয়ে কথা বলেছেন। আবার কদিন পরেই অস্ত্র উদ্ধারের আয়োজন ঝিমিয়ে গেছে। বিপুল অবৈধ অস্ত্র দেশে। এই অবৈধ অস্ত্র উদ্ধারের ক্ষেত্রে অন্তর্বর্তী সরকারের সফলতা প্রশ্নবিদ্ধ। অনেক চিহ্নিত সন্ত্রাসী জেল থেকে ছাড়া পেয়ে এখন সন্ত্রাসী তৎপরতায় লিপ্ত। আমরা দেখছি যে, গত সাড়ে সাত মাসে রাজনৈতিক দলগুলোর মধ্যে বিভক্তি এবং বিভাজন বেড়েই চলেছে। বিএনপির সঙ্গে জামায়াতের রাজনৈতিক দূরত্ব বেড়েছে। সদ্য প্রতিষ্ঠিত জাতীয় নাগরিক পার্টির সঙ্গে বিএনপির আদর্শিক দ্বন্দ্ব প্রকাশ্য। তারা কেউ কাউকে ছেড়ে কথা বলছে না। এর চেয়েও আতঙ্কের বিষয় হলো বিভিন্ন স্থানে বিএনপির সঙ্গে জাতীয় নাগরিক পার্টির সহিংসতার ঘটনা ঘটছে। সামনের দিনগুলোতে এই সহিংসতা বাড়বে। সে ধরনের সহিংসতা যদি হয়, তাহলে বাংলাদেশের রাজনীতি দীর্ঘমেয়াদি একটি সংকটের দিকে যাবে। তাই সংকট মোকাবিলার জন্য দ্রুত নির্বাচন প্রয়োজন। সবচেয়ে বড় কথা হচ্ছে, অন্তর্বর্তী সরকার যে সংস্কার প্রস্তাবগুলো দিয়েছে সেই সংস্কার প্রস্তাব রাজনৈতিক দলগুলোকে দেওয়া হয়েছে। রাজনৈতিক দলগুলো এটা নিয়ে আলোচনা করছে। ড. মুহাম্মদ ইউনূস বলেছেন, যেসব বিষয়ে রাজনৈতিক দলগুলো একমত হবে সেটুকু নিয়েই তারা এগোতে চান। তাই যদি হয়, তাহলে এসব সংস্কার প্রস্তাবে রাজনৈতিক দলগুলোর পক্ষ থেকে যে মতামত এসেছে, সেই মতামতের ভিত্তিতে এখন নির্বাচনের রোডম্যাপ চূড়ান্ত করা উচিত। কারণ সব জায়গায় একটা অনিশ্চয়তা এবং আতঙ্ক বিরাজ করছে। ব্যবসা-বাণিজ্যে নতুন বিনিয়োগ নেই। বাংলাদেশের অর্থনীতি এখন পুরোপুরি রেমিট্যান্সনির্ভর। বিদেশি বিনিয়োগ উদ্বেগজনকভাবে কম। আমরা যতই তথ্য-উপাত্ত দিই না কেন, বেসরকারি খাতের উদ্যোক্তারা বিনিয়োগে আগ্রহ হারিয়ে ফেলেছেন। এরকম একটি অবস্থার কারণে সারা দেশের কর্মকাণ্ড যেন স্থবির হয়ে গেছে। এ কথা ঠিক যে, রমজান মাসে অন্তর্বর্তী সরকার পণ্যমূল্য স্থিতিশীল রাখতে সক্ষম হয়েছে। অনেক পণ্যমূল্য গতবারের তুলনায় কম ছিল। কিন্তু এটি হলো একটি আপৎকালীন ব্যবস্থা। বিভিন্ন পণ্যের ওপর শুল্ক কর কমিয়ে কৃত্রিমভাবে দাম কমানোর চেষ্টা করা হয়েছে। এটি ভালো উদ্যোগ, কোনো সন্দেহ নেই। কিন্তু যেভাবে দ্রব্যমূল্য নিয়ন্ত্রণ করা হয়েছে তা কোনো স্থায়ী সমাধান হতে পারে না। আর এ কারণেই এ সরকারের যে কর্মপরিধি এবং কার্যক্রম সেটি নিয়ে মানুষের মধ্যে আশা-নিরাশার দোলাচল তৈরি হয়েছে। তাছাড়া জুলাই বিপ্লবের বেশ কয়েকটি নেতিবাচক দিক প্রকাশ হয়েছে। প্রথমত, জুলাই বিপ্লবে যারা নেতৃত্ব দিয়েছিলেন, সেই ছাত্রদের ব্যাপারে অনেক রকম কথা হচ্ছে। বিশেষ করে নতুন আত্মপ্রকাশ করা জাতীয় নাগরিক পার্টির অর্থের উৎস এবং তাদের নেতা-কর্মীদের কার্যক্রম নিয়ে জনমনে নানা রকম প্রশ্ন উঠেছে। নির্বাচনের সময় যত পেছাবে, তত এসব বিষয় প্রকাশ হবে। জাতীয় নাগরিক পার্টি মূলত বিপ্লবে নেতৃত্ব দেওয়া ছাত্রদের উদ্যোগে গঠিত। আর এ কারণেই হঠাৎ করে তাদের আর্থিক স্ফীতি, তাদের জীবনযাত্রার পরিবর্তন ইত্যাদি মানুষের চোখে দৃষ্টিকটুভাবে লাগছে। জাতীয় নাগরিক পার্টির একজন নেতা পঞ্চগড় গেছেন শতাধিক গাড়ির বহর নিয়ে। খোদ বিএনপি মহাসচিব মির্জা ফখরুল ইসলাম আলমগীরের চোখ এতে কপালে উঠেছে। হঠাৎ করে দৃষ্টিকুটুভাবে এ ধরনের শোডাউন রাজনীতির মাঠে বিতর্ক সৃষ্টি করেছে। শুধু একজনের ভুলের কারণে পুরো বৈষম্যবিরোধী ছাত্র আন্দোলনের আদর্শ এবং সততা নিয়ে প্রশ্ন উত্থাপিত হচ্ছে। নায়ক থেকে তারা ভিলেনে রূপান্তরিত হচ্ছেন। কাজেই দ্রুত নির্বাচন দিয়ে এই বিপ্লবকে সুরক্ষা করা সবার দায়িত্ব।

দ্বিতীয়ত, এই আন্দোলনের মাধ্যমে একটি স্বৈরাচারী সরকারের পতন ঘটানো হয়েছিল। কিন্তু যতই দিন যাচ্ছে ততই সাবেক স্বৈরাচার আবার নিজেদের সংগঠিত করতে সক্ষম হচ্ছে। তারা জনগণের মধ্যে নানা রকম বিভ্রান্তি ছড়াচ্ছে। তৈরি হচ্ছে নানা রকম অপপ্রচার এবং বিভ্রান্তি। দিন যত বাড়বে ততই তারা পুনর্বাসিত হওয়ার সুযোগ পাবে। আমরা লক্ষ্য করেছি যে, সাম্প্রতিক সময়ে জাতীয় নাগরিক পার্টি যে আওয়ামী লীগ নিষিদ্ধকরণের দাবিতে আন্দোলন শুরু করেছিল, শুরুতেই সেই আন্দোলন মুখথুবড়ে পড়েছে। অধিকাংশ মানুষ এখন এসবের মধ্যে যেতে চায় না। তারা একটা স্বাভাবিক জীবনে ফিরতে চায়। স্বাভাবিক জীবনে ফেরার একমাত্র পথ একটি নির্বাচিত সরকার।

তৃতীয়ত, এই সাড়ে সাত মাসে বাংলাদেশ সশস্ত্র বাহিনীকে নিয়ে শুরু হয়েছে নোংরা খেলা। একটি মহল আমাদের জাতীয় ঐক্য ও সার্বভৌমত্বের প্রতীক সেনাবাহিনীকে প্রশ্নবিদ্ধ করার চেষ্টায় লিপ্ত। এই ষড়যন্ত্র দেশে বড় সংকট সৃষ্টি করবে। সেনাবাহিনী দীর্ঘদিন ধরে ক্যান্টনমেন্টের বাইরে ডিউটি করছে। এটা ভালো লক্ষণ নয়। সশস্ত্র বাহিনীকে বিতর্কমুক্ত করতে প্রয়োজন দ্রুত নির্বাচন। নির্বাচন করে সশস্ত্র বাহিনীক ক্যান্টনমেন্টে ফিরিয়ে নিলেই এই বিতর্কের অবসান হবে।

আমাদের একটি বিষয় মনে রাখতে হবে। অন্তর্বর্তী সরকার একটি আপৎকালীন ব্যবস্থা। একটি সাময়িক ব্যবস্থাপত্র। এটি কোনো স্থায়ী সমাধান নয়। স্থায়ী সমাধান হলো একটি অবাধ, সুষ্ঠু, নিরপেক্ষ নির্বাচন। সেই নির্বাচনের মাধ্যমে একটি নির্বাচিত সরকারের কাছে ক্ষমতা হস্তান্তর করা। একটি অস্থায়ী ব্যবস্থা দিয়ে দীর্ঘদিন একটি পরিবার, একটি সমাজ বা রাষ্ট্র চলতে পারে না। নানারকম ষড়যন্ত্র করার সুযোগ সৃষ্টি হয়। যার ইঙ্গিত আমরা দেখতে পাচ্ছি। একদিকে যেমন দেশে মানুষ অন্তর্বর্তী সরকারের ওপর পূর্ণাঙ্গ আস্থা রাখতে পারে না, অন্যদিকে বিদেশিরাও একটা স্থায়ী কূটনৈতিক সম্পর্ক স্থাপন করতে পারে না। দীর্ঘমেয়াদি কোনো চুক্তি হয় না। এ কারণেই এখন আমাদের সামনে একটাই পথ খোলা। তা হলো দ্রুত নির্বাচন। একটি অবাধ, সুষ্ঠু, নিরপেক্ষ নির্বাচনের মাধ্যমে জনগণের নির্বাচিত প্রতিনিধিদের ক্ষমতা হস্তান্তর করতে হবে। নির্বাচনে যারাই জিতুক না কেন তারা জুলাই বিপ্লবের আদর্শ সামনে রাখবেন। সেই অনুযায়ী তারা কাজ করবেন। রাষ্ট্র সংস্কারের যে অঙ্গীকার হয়েছিল, সেই অঙ্গীকারগুলো তারা যথাযথভাবে বাস্তবায়নে কাজ করবে। সবচেয়ে বড় কথা হলো- যারা জুলাই-আগস্টে গণহত্যার সঙ্গে জড়িত ছিল, বিভিন্ন সময়ে লুণ্ঠন, অপরাধ করেছেন, তাদের দ্রুত বিচার করার ক্ষেত্রে ঐকমত্য প্রতিষ্ঠিত করতে হবে। কিন্তু আমরা যদি নির্বাচনকে বিলম্বিত করি তাহলে রাজনৈতিক অঙ্গনে যেমন বিভক্তি দেখা দেবে, তেমনি জনগণের মধ্যে দেখা দেবে হতাশা। আইনশৃঙ্খলা পরিস্থিতির অবনতি ঘটবে। ব্যবসা-বাণিজ্য বন্ধ হয়ে যাবে। সবকিছু মিলিয়ে বাংলাদেশ মুখথুবড়ে পড়বে।

এই বিভাগের আরও খবর
প্রয়োজনীয় সংস্কার করে দ্রুত নির্বাচন দিতে হবে
প্রয়োজনীয় সংস্কার করে দ্রুত নির্বাচন দিতে হবে
আলোচনার মাধ্যমে সব সমাধান সম্ভব
আলোচনার মাধ্যমে সব সমাধান সম্ভব
ছুরি মেরে ব্যবসায়ীকে হত্যা পিটুনিতে যুবকের মৃত্যু
ছুরি মেরে ব্যবসায়ীকে হত্যা পিটুনিতে যুবকের মৃত্যু
হচ্ছে বাম দলের বৃহত্তর জোট!
হচ্ছে বাম দলের বৃহত্তর জোট!
১ লাখ ৮০ হাজার রোহিঙ্গা ফেরত নেবে মিয়ানমার
১ লাখ ৮০ হাজার রোহিঙ্গা ফেরত নেবে মিয়ানমার
একাধিক আঞ্চলিক সহযোগিতা চুক্তি ও সমঝোতায় স্বাক্ষর
একাধিক আঞ্চলিক সহযোগিতা চুক্তি ও সমঝোতায় স্বাক্ষর
দক্ষিণ কোরিয়ার প্রেসিডেন্ট অপসারিত
দক্ষিণ কোরিয়ার প্রেসিডেন্ট অপসারিত
এবার জনগণ ভোটাধিকার ফিরে পাবে
এবার জনগণ ভোটাধিকার ফিরে পাবে
বৈঠককে ইতিবাচক দেখছে বিএনপি
বৈঠককে ইতিবাচক দেখছে বিএনপি
ইউনূস-মোদির বৈঠক আশা জাগিয়েছে
ইউনূস-মোদির বৈঠক আশা জাগিয়েছে
প্রয়োজনীয় সংস্কার শেষে দ্রুত নির্বাচন
প্রয়োজনীয় সংস্কার শেষে দ্রুত নির্বাচন
মুজিব ছিলেন বেপরোয়া
মুজিব ছিলেন বেপরোয়া
সর্বশেষ খবর
সেচ পাম্পে গোসল করতে যাওয়ায় কিশোরকে পিটিয়ে হত্যা
সেচ পাম্পে গোসল করতে যাওয়ায় কিশোরকে পিটিয়ে হত্যা

১ সেকেন্ড আগে | দেশগ্রাম

আওয়ামী লীগের টাকার লোভে না পড়তে দলীয় নেতাদের হুঁশিয়ারি শামা ওবায়েদের
আওয়ামী লীগের টাকার লোভে না পড়তে দলীয় নেতাদের হুঁশিয়ারি শামা ওবায়েদের

৩ ঘণ্টা আগে | রাজনীতি

প্রতিকূল পরিবেশেও খেলাপি ঋণ কমেছে
প্রতিকূল পরিবেশেও খেলাপি ঋণ কমেছে

৩ ঘণ্টা আগে | বাণিজ্য

ফ্যাসিবাদ পুনর্বাসনের প্রচেষ্টা কোনোভাবেই মেনে নেওয়া হবে না : গোলাম পরওয়ার
ফ্যাসিবাদ পুনর্বাসনের প্রচেষ্টা কোনোভাবেই মেনে নেওয়া হবে না : গোলাম পরওয়ার

৩ ঘণ্টা আগে | রাজনীতি

কালশী ফ্লাইওভারে গাড়ির সঙ্গে মোটরসাইকেলের সংঘর্ষ, দুই যুবক নিহত
কালশী ফ্লাইওভারে গাড়ির সঙ্গে মোটরসাইকেলের সংঘর্ষ, দুই যুবক নিহত

৪ ঘণ্টা আগে | নগর জীবন

মিয়ানমারে বাংলাদেশ সশস্ত্র বাহিনীর নেতৃত্বে উদ্ধার ও চিকিৎসা কার্যক্রম অব্যাহত
মিয়ানমারে বাংলাদেশ সশস্ত্র বাহিনীর নেতৃত্বে উদ্ধার ও চিকিৎসা কার্যক্রম অব্যাহত

৪ ঘণ্টা আগে | জাতীয়

মাদক নিয়ে দ্বন্দ্বে যুবককে কুড়াল দিয়ে কুপিয়ে হত্যা
মাদক নিয়ে দ্বন্দ্বে যুবককে কুড়াল দিয়ে কুপিয়ে হত্যা

৫ ঘণ্টা আগে | দেশগ্রাম

দেশে ফিরেছেন প্রধান উপদেষ্টা
দেশে ফিরেছেন প্রধান উপদেষ্টা

৫ ঘণ্টা আগে | জাতীয়

ভালুকায় মোটরসাইকেলের ধাক্কায় বৃদ্ধ নিহত
ভালুকায় মোটরসাইকেলের ধাক্কায় বৃদ্ধ নিহত

৫ ঘণ্টা আগে | দেশগ্রাম

হাসিনার এক মন্তব্যে সংকটে মাদারগঞ্জের সমবায় সমিতি
হাসিনার এক মন্তব্যে সংকটে মাদারগঞ্জের সমবায় সমিতি

৫ ঘণ্টা আগে | দেশগ্রাম

এখনো ফাঁকা বন্দরনগরী
এখনো ফাঁকা বন্দরনগরী

৭ ঘণ্টা আগে | চট্টগ্রাম প্রতিদিন

৫ মিলিয়ন ডলারের ‘গোল্ড কার্ড’ ভিসা উন্মোচন করলেন ট্রাম্প
৫ মিলিয়ন ডলারের ‘গোল্ড কার্ড’ ভিসা উন্মোচন করলেন ট্রাম্প

৭ ঘণ্টা আগে | পূর্ব-পশ্চিম

মাছ ব্যবসায়ীকে হত্যার পর গণপিটুনিতে যুবকের মৃত্যু
মাছ ব্যবসায়ীকে হত্যার পর গণপিটুনিতে যুবকের মৃত্যু

৭ ঘণ্টা আগে | দেশগ্রাম

ব্রাহ্মণবাড়িয়ায় মাদক বিরোধী মিছিল ও প্রতিবাদ সভা
ব্রাহ্মণবাড়িয়ায় মাদক বিরোধী মিছিল ও প্রতিবাদ সভা

৭ ঘণ্টা আগে | দেশগ্রাম

ঐশ্বরিয়া আমার মেয়ে নয়, কেবল ছেলের বউ : জয়া বচ্চন
ঐশ্বরিয়া আমার মেয়ে নয়, কেবল ছেলের বউ : জয়া বচ্চন

৭ ঘণ্টা আগে | শোবিজ

বড় ভাইয়ের হাতে প্রাণ গেল ছোট ভাইয়ের
বড় ভাইয়ের হাতে প্রাণ গেল ছোট ভাইয়ের

৮ ঘণ্টা আগে | চট্টগ্রাম প্রতিদিন

মাদকসহ এয়ারপোর্টে আটক কানাডার অধিনায়ক
মাদকসহ এয়ারপোর্টে আটক কানাডার অধিনায়ক

৮ ঘণ্টা আগে | মাঠে ময়দানে

রাজশাহীতে মাছ ব্যবসায়ীকে হত্যার পর গণপিটুনিতে যুবকের মৃত্যু
রাজশাহীতে মাছ ব্যবসায়ীকে হত্যার পর গণপিটুনিতে যুবকের মৃত্যু

৮ ঘণ্টা আগে | দেশগ্রাম

ঈদের ছুটিতেও
ব্রাহ্মণবাড়িয়া মা ও শিশু কল্যাণ কেন্দ্রে সেবা প্রদান
ঈদের ছুটিতেও ব্রাহ্মণবাড়িয়া মা ও শিশু কল্যাণ কেন্দ্রে সেবা প্রদান

৮ ঘণ্টা আগে | দেশগ্রাম

‘প্রয়োজনে জোটগতভাবে নির্বাচন করবে এনসিপি’
‘প্রয়োজনে জোটগতভাবে নির্বাচন করবে এনসিপি’

৮ ঘণ্টা আগে | রাজনীতি

ট্রাম্পের শুল্ক বৃদ্ধিতে আইফোনের দাম হতে পারে ৩ লাখ টাকা
ট্রাম্পের শুল্ক বৃদ্ধিতে আইফোনের দাম হতে পারে ৩ লাখ টাকা

৮ ঘণ্টা আগে | টেক ওয়ার্ল্ড

খোলপেটুয়া নদীর ভেঙে যাওয়া বাঁধ মেরামত, এলাকায় স্বস্তি
খোলপেটুয়া নদীর ভেঙে যাওয়া বাঁধ মেরামত, এলাকায় স্বস্তি

৮ ঘণ্টা আগে | দেশগ্রাম

পর্দায় নয়, এবার সত্যিই বিয়ে করলেন শামীম হাসান সরকার
পর্দায় নয়, এবার সত্যিই বিয়ে করলেন শামীম হাসান সরকার

৮ ঘণ্টা আগে | শোবিজ

নিউইয়র্কে ‘বাংলাদেশের ঐতিহ্য উদযাপনী’ সমাবেশ
নিউইয়র্কে ‘বাংলাদেশের ঐতিহ্য উদযাপনী’ সমাবেশ

৮ ঘণ্টা আগে | পরবাস

ঈদুল আজহার সম্ভাব্য তারিখ প্রকাশ
ঈদুল আজহার সম্ভাব্য তারিখ প্রকাশ

৮ ঘণ্টা আগে | পূর্ব-পশ্চিম

বগুড়ার কথিত মিনি জাফলং: স্বাস্থ্য ঝুঁকিতে শিক্ষার্থীর প্রাণহানি
বগুড়ার কথিত মিনি জাফলং: স্বাস্থ্য ঝুঁকিতে শিক্ষার্থীর প্রাণহানি

৮ ঘণ্টা আগে | দেশগ্রাম

গোপালগঞ্জে বিএনপি নেতাসহ ৪ জনকে পিটিয়ে আহত
গোপালগঞ্জে বিএনপি নেতাসহ ৪ জনকে পিটিয়ে আহত

৮ ঘণ্টা আগে | দেশগ্রাম

ড. ইউনূস-মোদি বৈঠক আশার আলো তৈরি করেছে: মির্জা ফখরুল
ড. ইউনূস-মোদি বৈঠক আশার আলো তৈরি করেছে: মির্জা ফখরুল

৮ ঘণ্টা আগে | রাজনীতি

তিন বন্ধু মোটরসাইকেলে ঘুরতে গিয়ে দুর্ঘটনা, একজন নিহত
তিন বন্ধু মোটরসাইকেলে ঘুরতে গিয়ে দুর্ঘটনা, একজন নিহত

৯ ঘণ্টা আগে | দেশগ্রাম

'জুলাই বিপ্লবের শহীদদের স্বপ্ন বাস্তবায়নে জনগণ জামায়াতের প্রার্থীকে বিজয়ী করবে'
'জুলাই বিপ্লবের শহীদদের স্বপ্ন বাস্তবায়নে জনগণ জামায়াতের প্রার্থীকে বিজয়ী করবে'

৯ ঘণ্টা আগে | চট্টগ্রাম প্রতিদিন

সর্বাধিক পঠিত
শেখ হাসিনার প্রত্যর্পণ চাইলো বাংলাদেশ
শেখ হাসিনার প্রত্যর্পণ চাইলো বাংলাদেশ

১৬ ঘণ্টা আগে | জাতীয়

নরেন্দ্র মোদিকে যে উপহার দিলেন প্রধান উপদেষ্টা
নরেন্দ্র মোদিকে যে উপহার দিলেন প্রধান উপদেষ্টা

১৫ ঘণ্টা আগে | জাতীয়

ইরানে মার্কিন হামলার হুমকি অগ্রহণযোগ্য: রাশিয়া
ইরানে মার্কিন হামলার হুমকি অগ্রহণযোগ্য: রাশিয়া

১৯ ঘণ্টা আগে | পূর্ব-পশ্চিম

প্রথম দফায় ১ লাখ ৮০ হাজার রোহিঙ্গা নিতে রাজি মিয়ানমার
প্রথম দফায় ১ লাখ ৮০ হাজার রোহিঙ্গা নিতে রাজি মিয়ানমার

১১ ঘণ্টা আগে | জাতীয়

ঈদুল আজহার সম্ভাব্য তারিখ প্রকাশ
ঈদুল আজহার সম্ভাব্য তারিখ প্রকাশ

৮ ঘণ্টা আগে | পূর্ব-পশ্চিম

ড. ইউনূস-মোদির ৪০ মিনিটের বৈঠক, আলাপ হলো কী নিয়ে
ড. ইউনূস-মোদির ৪০ মিনিটের বৈঠক, আলাপ হলো কী নিয়ে

১০ ঘণ্টা আগে | জাতীয়

ব্যাংককে ড. ইউনূস-মোদির বৈঠক
ব্যাংককে ড. ইউনূস-মোদির বৈঠক

১৭ ঘণ্টা আগে | জাতীয়

ড. ইউনূস ও মোদির বৈঠক নিয়ে যা জানালেন ভারতের পররাষ্ট্র সচিব
ড. ইউনূস ও মোদির বৈঠক নিয়ে যা জানালেন ভারতের পররাষ্ট্র সচিব

১০ ঘণ্টা আগে | জাতীয়

খুলনায় গ্রেনেড বাবুর বাড়িতে অভিযানে অস্ত্র উদ্ধার, আটক ৩
খুলনায় গ্রেনেড বাবুর বাড়িতে অভিযানে অস্ত্র উদ্ধার, আটক ৩

১৫ ঘণ্টা আগে | নগর জীবন

পর্দায় নয়, এবার সত্যিই বিয়ে করলেন শামীম হাসান সরকার
পর্দায় নয়, এবার সত্যিই বিয়ে করলেন শামীম হাসান সরকার

৮ ঘণ্টা আগে | শোবিজ

প্রতিশোধ নিল চীন, মার্কিন পণ্যের ওপর অতিরিক্ত ৩৪% শুল্ক আরোপ
প্রতিশোধ নিল চীন, মার্কিন পণ্যের ওপর অতিরিক্ত ৩৪% শুল্ক আরোপ

১১ ঘণ্টা আগে | পূর্ব-পশ্চিম

বাংলাদেশ বিমসটেকের পরবর্তী চেয়ারম্যান
বাংলাদেশ বিমসটেকের পরবর্তী চেয়ারম্যান

১৪ ঘণ্টা আগে | জাতীয়

অভ্যুত্থানের সময় গ্রেফতার, সৌদিতে জেল খেটে দেশে ফিরলেন ১০ প্রবাসী
অভ্যুত্থানের সময় গ্রেফতার, সৌদিতে জেল খেটে দেশে ফিরলেন ১০ প্রবাসী

১৩ ঘণ্টা আগে | জাতীয়

৫ মিলিয়ন ডলারের ‘গোল্ড কার্ড’ ভিসা উন্মোচন করলেন ট্রাম্প
৫ মিলিয়ন ডলারের ‘গোল্ড কার্ড’ ভিসা উন্মোচন করলেন ট্রাম্প

৭ ঘণ্টা আগে | পূর্ব-পশ্চিম

ইউনূস-মোদি বৈঠক ফলপ্রসূ হয়েছে: প্রেস সচিব
ইউনূস-মোদি বৈঠক ফলপ্রসূ হয়েছে: প্রেস সচিব

১৩ ঘণ্টা আগে | জাতীয়

ট্রাম্পের শুল্ক বাংলাদেশ-শ্রীলঙ্কার পোশাকশিল্পে বড় ধাক্কা: নিউইয়র্ক টাইমস
ট্রাম্পের শুল্ক বাংলাদেশ-শ্রীলঙ্কার পোশাকশিল্পে বড় ধাক্কা: নিউইয়র্ক টাইমস

১৮ ঘণ্টা আগে | বাণিজ্য

৩০০ আসনে প্রার্থী দেওয়ার চ্যালেঞ্জ নিতে প্রস্তুত এনসিপি: সারজিস
৩০০ আসনে প্রার্থী দেওয়ার চ্যালেঞ্জ নিতে প্রস্তুত এনসিপি: সারজিস

১২ ঘণ্টা আগে | নগর জীবন

দীর্ঘ ১৫ বছর পর বঞ্চিত কমিউনিটি নেতারা দাওয়াত পেলেন রাষ্ট্রীয় অনুষ্ঠানে
দীর্ঘ ১৫ বছর পর বঞ্চিত কমিউনিটি নেতারা দাওয়াত পেলেন রাষ্ট্রীয় অনুষ্ঠানে

১২ ঘণ্টা আগে | পরবাস

প্রধান উপদেষ্টার সঙ্গে শ্রীলঙ্কার প্রধানমন্ত্রীর সাক্ষাৎ
প্রধান উপদেষ্টার সঙ্গে শ্রীলঙ্কার প্রধানমন্ত্রীর সাক্ষাৎ

১২ ঘণ্টা আগে | জাতীয়

দুই দিন ধরে তুর্কি বিমানবন্দরে আটকা ২৫০ যাত্রী
দুই দিন ধরে তুর্কি বিমানবন্দরে আটকা ২৫০ যাত্রী

১২ ঘণ্টা আগে | পূর্ব-পশ্চিম

আসিয়ান সদস্যপদের জন্য থাইল্যান্ডের সমর্থন চাইলেন প্রধান উপদেষ্টা
আসিয়ান সদস্যপদের জন্য থাইল্যান্ডের সমর্থন চাইলেন প্রধান উপদেষ্টা

১৬ ঘণ্টা আগে | জাতীয়

একনজরে আজকের বাংলাদেশ প্রতিদিন (৪ এপ্রিল)
একনজরে আজকের বাংলাদেশ প্রতিদিন (৪ এপ্রিল)

২১ ঘণ্টা আগে | জাতীয়

‘যত দ্রুত সম্ভব নির্বাচন আয়োজন করা সরকারের সর্বোচ্চ অগ্রাধিকার’
‘যত দ্রুত সম্ভব নির্বাচন আয়োজন করা সরকারের সর্বোচ্চ অগ্রাধিকার’

১৮ ঘণ্টা আগে | জাতীয়

নিষেধাজ্ঞায় পড়লেন মেসির দেহরক্ষী
নিষেধাজ্ঞায় পড়লেন মেসির দেহরক্ষী

২০ ঘণ্টা আগে | মাঠে ময়দানে

শনিবার ঢাকায় আসছে আইএমএফের প্রতিনিধি দল
শনিবার ঢাকায় আসছে আইএমএফের প্রতিনিধি দল

১৫ ঘণ্টা আগে | জাতীয়

ঐশ্বরিয়া আমার মেয়ে নয়, কেবল ছেলের বউ : জয়া বচ্চন
ঐশ্বরিয়া আমার মেয়ে নয়, কেবল ছেলের বউ : জয়া বচ্চন

৮ ঘণ্টা আগে | শোবিজ

ইউনূসের সঙ্গে মোদির বৈঠক প্রয়োজন ছিল: মির্জা আব্বাস
ইউনূসের সঙ্গে মোদির বৈঠক প্রয়োজন ছিল: মির্জা আব্বাস

১০ ঘণ্টা আগে | রাজনীতি

মিঠামইনে কৃষকের মৃত্যুকে কেন্দ্র করে রহস্য
মিঠামইনে কৃষকের মৃত্যুকে কেন্দ্র করে রহস্য

১৭ ঘণ্টা আগে | দেশগ্রাম

গ্রিনল্যান্ডকে এভাবে সংযুক্ত করা যায় না : যুক্তরাষ্ট্রকে ডেনমার্ক
গ্রিনল্যান্ডকে এভাবে সংযুক্ত করা যায় না : যুক্তরাষ্ট্রকে ডেনমার্ক

১৩ ঘণ্টা আগে | পূর্ব-পশ্চিম

ড. ইউনূস-মোদি বৈঠক আশার আলো তৈরি করেছে: মির্জা ফখরুল
ড. ইউনূস-মোদি বৈঠক আশার আলো তৈরি করেছে: মির্জা ফখরুল

৮ ঘণ্টা আগে | রাজনীতি

প্রিন্ট সর্বাধিক
সুবিধাবাদী হাইব্রিডে অতিষ্ঠ বিএনপি
সুবিধাবাদী হাইব্রিডে অতিষ্ঠ বিএনপি

প্রথম পৃষ্ঠা

মুজিব ছিলেন বেপরোয়া
মুজিব ছিলেন বেপরোয়া

প্রথম পৃষ্ঠা

চলতি বছর টাইগারদের ৬ টেস্ট
চলতি বছর টাইগারদের ৬ টেস্ট

মাঠে ময়দানে

দেশের প্রযুক্তি খাতে বিপ্লব ঘটাবে স্টারলিংক
দেশের প্রযুক্তি খাতে বিপ্লব ঘটাবে স্টারলিংক

প্রথম পৃষ্ঠা

ধুঁকছেন পেট্রাপোলের ব্যবসায়ীরাও
ধুঁকছেন পেট্রাপোলের ব্যবসায়ীরাও

পেছনের পৃষ্ঠা

আজকের ভাগ্যচক্র
আজকের ভাগ্যচক্র

আজকের রাশি

দীর্ঘদিন ক্ষমতা আঁকড়ে রাখার চিন্তা করলে জনগণ মেনে নেবে না
দীর্ঘদিন ক্ষমতা আঁকড়ে রাখার চিন্তা করলে জনগণ মেনে নেবে না

নগর জীবন

রাজশাহী বিএনপিতে ত্রিধারা
রাজশাহী বিএনপিতে ত্রিধারা

নগর জীবন

হাসিনাকে চাইল বাংলাদেশ
হাসিনাকে চাইল বাংলাদেশ

প্রথম পৃষ্ঠা

কবির-মুসার বিরুদ্ধে এবার জালিয়াতির অভিযোগ
কবির-মুসার বিরুদ্ধে এবার জালিয়াতির অভিযোগ

নগর জীবন

চট্টগ্রাম-কক্সবাজার সড়কে শঙ্কা
চট্টগ্রাম-কক্সবাজার সড়কে শঙ্কা

পেছনের পৃষ্ঠা

ইলিশের দামে আগুন
ইলিশের দামে আগুন

পেছনের পৃষ্ঠা

আত্রাই নদীর চরে কুমড়াবাড়ি!
আত্রাই নদীর চরে কুমড়াবাড়ি!

পেছনের পৃষ্ঠা

মুখোমুখি সরকার-আইএমএফ
মুখোমুখি সরকার-আইএমএফ

প্রথম পৃষ্ঠা

‘মিনি জাফলংয়ে’ স্বাস্থ্যঝুঁকি
‘মিনি জাফলংয়ে’ স্বাস্থ্যঝুঁকি

নগর জীবন

নতুন জীবনের খোঁজে মাহি
নতুন জীবনের খোঁজে মাহি

শোবিজ

হচ্ছে বাম দলের বৃহত্তর জোট!
হচ্ছে বাম দলের বৃহত্তর জোট!

প্রথম পৃষ্ঠা

নিশোর মুখে শাকিববন্দনা
নিশোর মুখে শাকিববন্দনা

শোবিজ

চলে যাচ্ছেন ম্যানসিটির ডি ব্রুইন
চলে যাচ্ছেন ম্যানসিটির ডি ব্রুইন

মাঠে ময়দানে

বাছাইপর্ব টপকাতে প্রস্তুত নিগাররা
বাছাইপর্ব টপকাতে প্রস্তুত নিগাররা

মাঠে ময়দানে

অভিযোগে মোশাররফ করিমের জবাব
অভিযোগে মোশাররফ করিমের জবাব

শোবিজ

মেয়েদের ২০৩১ বিশ্বকাপ যুক্তরাষ্ট্রে
মেয়েদের ২০৩১ বিশ্বকাপ যুক্তরাষ্ট্রে

মাঠে ময়দানে

কলকাতার জার্সিতে ২০০ উইকেট
কলকাতার জার্সিতে ২০০ উইকেট

মাঠে ময়দানে

আমাদের সম্পর্কটা বড় ভাই-ছোট ভাইয়ের মতো
আমাদের সম্পর্কটা বড় ভাই-ছোট ভাইয়ের মতো

শোবিজ

চেলসির শীর্ষ চারের লড়াই
চেলসির শীর্ষ চারের লড়াই

মাঠে ময়দানে

১ লাখ ৮০ হাজার রোহিঙ্গা ফেরত নেবে মিয়ানমার
১ লাখ ৮০ হাজার রোহিঙ্গা ফেরত নেবে মিয়ানমার

প্রথম পৃষ্ঠা

জমজমাট বিনোদন কেন্দ্রগুলো
জমজমাট বিনোদন কেন্দ্রগুলো

পেছনের পৃষ্ঠা

প্রয়োজনীয় সংস্কার শেষে দ্রুত নির্বাচন
প্রয়োজনীয় সংস্কার শেষে দ্রুত নির্বাচন

প্রথম পৃষ্ঠা

নির্বাচনে অনিশ্চয়তা বাড়াবে জটিলতা
নির্বাচনে অনিশ্চয়তা বাড়াবে জটিলতা

প্রথম পৃষ্ঠা

এবার জনগণ ভোটাধিকার ফিরে পাবে
এবার জনগণ ভোটাধিকার ফিরে পাবে

প্রথম পৃষ্ঠা