শিরোনাম
প্রকাশ: ০০:০০, শনিবার, ২২ ফেব্রুয়ারি, ২০২৫ আপডেট: ০০:৪৬, শনিবার, ২২ ফেব্রুয়ারি, ২০২৫

বড় বিপদে ঢাকার বানর

শামীম আহমেদ
প্রিন্ট ভার্সন
বড় বিপদে ঢাকার বানর

একসময় ঢাকার অলিগলি, বিশেষ করে পুরান ঢাকার সরু রাস্তা আর শতবর্ষী গাছগুলো ছিল বানরদের স্বাধীন বিচরণক্ষেত্র। বানরদের আধিক্যের কারণে, পুরান ঢাকার একটি ছোট্ট এলাকার নাম হয়ে যায় বানরটুলী। আগারগাঁওয়ে পরিকল্পনা কমিশনের ভিতরে রয়েছে বানরতলা। খাবার হাতে ডাক দিলেই চারদিক থেকে নেমে আসত বানর। ক্ষুধা লাগলে বাড়িঘরে ঢুকে খাবার চুরি করত। বিরক্ত করত। খাবার পেলেই খুশি হয়ে ফিরে যেত। দিনভর কিচিরমিচির শব্দে মাতিয়ে রাখত এলাকা। ক্রমেই হারাতে বসেছে সেই দৃশ্য। শহরজুড়ে উন্নয়ন, উঁচু উঁচু ভবন, গাছপালা কেটে ফেলা, তীব্র খাদ্য সংকট, মানুষের নির্যাতন, পাচার, বিদ্যুতের উন্মুক্ত তার শক খেয়ে মৃত্যুসহ নানা কারণে হারাতে বসেছে ঢাকার ঐতিহ্য বানর।

ঢাকায়, বিশেষ করে পুরান ঢাকায় বানরের ইতিহাস উঠে এসেছে কবি-সাহিত্যিক-গবেষকদের বিভিন্ন লেখায়। সত্যজিৎ রায় তার সত্যজিৎ স্মৃতি নামক বইয়ে লিখেছেন, আমার মামার বাড়ি ওয়ারীতে, র‌্যাঙ্কিন স্ট্রিটে। সে বাড়ি এখন আছে কি না জানি না। সে রাস্তা এখন আছে কি না জানি না। বাড়ির কথা কিছু মনে নেই। মনে আছে শুধু যে প্রচ- বাঁদরের উপদ্রব। টিকাটুলীর প্রাণীজীবন শীর্ষক বইয়ে গবেষক আফসান চৌধুরী লিখেছেন, একটা সময় ছিল, যখন ঢাকায় মানুষের অনুপাতে বাঁদরের সংখ্যা ছিল বেশি। সেই অনুপাত উল্টো হতে হতে আজ বাঁদর প্রায় নেই বললেই চলে। মীজানুর রহমানের ঢাকা পুরাণ ও নাজির হোসেনের কিংবদন্তীর ঢাকা বইয়েও উঠে এসেছে বানরের কথা। সেখানে বানরের সঙ্গে মজা করার পাশাপাশি বিরক্ত হয়ে বানর হত্যার কথাও উঠে এসেছে।

পুরান ঢাকার বাসিন্দাদের ধারণা, একসময় আশপাশের জঙ্গল থেকে বানরগুলো আসে। তখন মানুষ প্রচুর খাবার দিত। ফলে বানরগুলো থেকে যায়। পরে খাবারের উৎস কমে গেলেও বনজঙ্গল হারিয়ে যাওয়ায় বানরগুলো আর ফিরতে পারেনি। পুরান ঢাকার বিভিন্ন এলাকায় বেড়ে ওঠা কাজী রাকিব বলেন, ছোট বেলায় অনেক বানর দেখতাম। আমরা খাবার হাতে ডাক দিলে চলে আসত। অনেকে তখন খাবার দিত। রাস্তায় দলবেঁধে বসে থাকত বানরের দল। বিরক্ত করলে খামচি দিত। ভেঙচি কাটত। পেট ভরা থাকলে কাউকে বিরক্ত করত না। এখন মানুষ আগের মতো খাবার দেয় না। গেন্ডারিয়ায় সাধনা ঔষধালয়ের কারখানা এবং পার্শ্ববর্তী কবরস্থানে কিছু বানর থাকে। শুনেছি, ১৯১৪ সালে গেন্ডারিয়ায় সাধনা ঔষধালয় প্রতিষ্ঠার পর শত শত বানর সেখানে ভিড় করত কারখানা থেকে গুড় খেতে। এটা দেখে সাধনা ঔষধালয়ের মালিক কারখানার একটি ঘর বানর থাকার জন্য ছেড়ে দেন। সেই সঙ্গে বানরের খাবারের ব্যবস্থাও করে দেন। এখনো খাবার দেওয়া হয়। এ কারণে কিছু বানর ওই কারখানার আশপাশে থাকে। আগে সিটি করপোরেশন থেকে বানরের খাবার দেওয়া হতো, এখন তাও নেই।

...জানা গেছে, ঢাকায় বানরের উপস্থিতি কয়েক শতাব্দী পুরোনো। ধারণা করা হয়, মুঘল আমল থেকেই ঢাকার বিভিন্ন এলাকায় বানর ছিল। তখন শহরজুড়ে ছিল ঘন সবুজ বাগান, ছোট ছোট গ্রাম ও জলাশয়। বিশেষ করে লালবাগ কেল্লা, বুড়িগঙ্গার তীর, ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়, বোটানিক্যাল গার্ডেন, কার্জন হল, ক্যান্টনমেন্ট এলাকা, এয়ারপোর্টের আশপাশ এলাকা ও পুরান ঢাকার বিভিন্ন মন্দির ও আশ্রমের আশপাশে বানরের বড় দল দেখা যেত। উনবিংশ ও বিংশ শতাব্দীতে ব্রিটিশ শাসনামলে, বিশেষ করে ১৮০০-১৯০০ সালের মধ্যে বানরের সংখ্যা অনেক বেড়ে যায়। ব্রিটিশরা ঢাকায় বিভিন্ন পার্ক ও বাগান তৈরি করলে বানর সহজেই সেখানে টিকে যায়। পুরান ঢাকার ইসলামপুর, ফরাশগঞ্জ, চকবাজার, বংশাল ও শাঁখারী বাজার এলাকায় ছিল বানরদের অবাধ বিচরণ। এ ছাড়া বনানী ও গুলশান লেকের আশপাশের এলাকা, মিরপুর ও জাতীয় চিড়িয়াখানা এলাকা, সুন্দরবাগ ও কেরানীগঞ্জের কিছু এলাকা, শেখেরটেক ও মোহাম্মদপুরের কিছু জায়গায়, ঢাকা ক্যান্টনমেন্ট এলাকা, এয়ারপোর্টের আশপাশ, আগারগাঁও এলাকায় কিছু কিছু বানর দেখা যেত। তবে এখন আর সেভাবে বানর দেখা যায় না। গবেষণায় দেখা গেছে, ঢাকার বানর মূলত বাংলা বানর (Rhesus Macaque - Macaca mulatta)। এরা মূলত সাভার, গাজীপুর, নারায়ণগঞ্জ ও মুন্সিগঞ্জের বনাঞ্চল থেকে এসে ঢাকাতে আটকা পড়ে। বিশেষজ্ঞদের মতে, ১৯৮০ ও ১৯৯০-এর দশকে ঢাকায় কয়েক হাজার বানর ছিল, বর্তমানে সংখ্যাটি ৩০০-৫০০ এর মধ্যে নেমে এসেছে।

পরিবেশবিদরা বলছেন, এখনই কার্যকর ব্যবস্থা না নিলে আগামী দশকে ঢাকা শহর থেকে বানররা চিরতরে হারিয়ে যাবে। এটি শুধু প্রাণীর জন্য নয়, পরিবেশের ভারসাম্যের জন্যও একটি বড় বিপর্যয়। বানর সংরক্ষণের জন্য অভয়ারণ্য তৈরি করা, বানরের ওপর আক্রমণ বন্ধ করতে প্রচারণা চালানো, নতুন গাছ লাগানো ও পুরোনো গাছ সংরক্ষণ করা, ক্ষুধার্ত বানরের খাবার ও চিকিৎসার  ব্যবস্থা করতে হবে। বন বিভাগ, প্রাণিসম্পদ মন্ত্রণালয় ও পরিবেশবাদী সংগঠনগুলো একসঙ্গে কাজ করলে বানর বাঁচানো সম্ভব। প্রাকৃতিকভাবে বানরের খাদ্য নিরাপত্তা তৈরিতে ফল গাছ লাগানো যেতে পারে।

এই বিভাগের আরও খবর
ফাঁকা ঢাকায়ও বাতাস অস্বাস্থ্যকর
ফাঁকা ঢাকায়ও বাতাস অস্বাস্থ্যকর
শব্দদূষণ কমাবে দেবদারু!
শব্দদূষণ কমাবে দেবদারু!
ক্ষতবিক্ষত সুন্দরবন
ক্ষতবিক্ষত সুন্দরবন
প্লাস্টিক দূষণের শীর্ষে কোকাকোলা
প্লাস্টিক দূষণের শীর্ষে কোকাকোলা
নদনদী বাড়ল শতাধিক
নদনদী বাড়ল শতাধিক
বিলুপ্তির পথে প্রকৃতির ঝাড়ুদার
বিলুপ্তির পথে প্রকৃতির ঝাড়ুদার
আগাছা থেকে বৈদেশিক মুদ্রা
আগাছা থেকে বৈদেশিক মুদ্রা
কচুরিপানা থেকে পরিবেশবান্ধব প্লাস্টিক!
কচুরিপানা থেকে পরিবেশবান্ধব প্লাস্টিক!
নদনদীর গলা টিপছে ‘ব্লু ডেভিল’
নদনদীর গলা টিপছে ‘ব্লু ডেভিল’
প্রাণীদের স্বজনহারানো শোক
প্রাণীদের স্বজনহারানো শোক
বাড়ছে আলো দূষণ
বাড়ছে আলো দূষণ
দাবানলের হুমকিতে পৃথিবী
দাবানলের হুমকিতে পৃথিবী
সর্বশেষ খবর
১২ দিন পর খুলছে তামাবিল স্থলবন্দর
১২ দিন পর খুলছে তামাবিল স্থলবন্দর

৬ মিনিট আগে | দেশগ্রাম

গাইবান্ধায় নিচে নামছে ভূগর্ভস্থ পানির স্তর, পানি সংকট
গাইবান্ধায় নিচে নামছে ভূগর্ভস্থ পানির স্তর, পানি সংকট

২৪ মিনিট আগে | দেশগ্রাম

ফিলিস্তিনে গণহত্যার প্রতিবাদে ঢাবির ক্লাস-পরীক্ষা স্থগিত
ফিলিস্তিনে গণহত্যার প্রতিবাদে ঢাবির ক্লাস-পরীক্ষা স্থগিত

১ ঘণ্টা আগে | ক্যাম্পাস

ডিএনডি লেকে গোসলে নেমে মাদ্রাসা শিক্ষার্থীর মৃত্যু
ডিএনডি লেকে গোসলে নেমে মাদ্রাসা শিক্ষার্থীর মৃত্যু

২ ঘণ্টা আগে | দেশগ্রাম

রাজবাড়ীতে নিরব হত্যার প্রধান আসামি গ্রেফতার
রাজবাড়ীতে নিরব হত্যার প্রধান আসামি গ্রেফতার

২ ঘণ্টা আগে | দেশগ্রাম

ছেলের দায়ের কোপে আহত মায়ের মৃত্যু
ছেলের দায়ের কোপে আহত মায়ের মৃত্যু

২ ঘণ্টা আগে | চট্টগ্রাম প্রতিদিন

ডাসারে অবৈধ স্থাপনা গুঁড়িয়ে দিলো উপজেলা প্রশাসন
ডাসারে অবৈধ স্থাপনা গুঁড়িয়ে দিলো উপজেলা প্রশাসন

২ ঘণ্টা আগে | দেশগ্রাম

ফ্যাসিষ্টের দোসর ও নব্য বিএনপি থেকে সাবধান : মজনু
ফ্যাসিষ্টের দোসর ও নব্য বিএনপি থেকে সাবধান : মজনু

২ ঘণ্টা আগে | দেশগ্রাম

ইসরায়েলি গণহত্যার প্রতিবাদে মুখে কালো কাপড় বেঁধে অবস্থান করবে ছাত্রদল
ইসরায়েলি গণহত্যার প্রতিবাদে মুখে কালো কাপড় বেঁধে অবস্থান করবে ছাত্রদল

২ ঘণ্টা আগে | রাজনীতি

ঘুষ বাণিজ্যের অভিযোগে কাশিয়ানী থানার ওসি ক্লোজড
ঘুষ বাণিজ্যের অভিযোগে কাশিয়ানী থানার ওসি ক্লোজড

২ ঘণ্টা আগে | দেশগ্রাম

‘ভারতে বিতর্কিত ওয়াকফ বিল মুসলিমদের আরো নিরাপত্তাহীন করে তুলবে’
‘ভারতে বিতর্কিত ওয়াকফ বিল মুসলিমদের আরো নিরাপত্তাহীন করে তুলবে’

২ ঘণ্টা আগে | রাজনীতি

চট্টগ্রামে মদসহ চারজন গ্রেফতার
চট্টগ্রামে মদসহ চারজন গ্রেফতার

২ ঘণ্টা আগে | চট্টগ্রাম প্রতিদিন

কক্সবাজারে ট্রেনে কাটা পড়ে মোটরসাইকেল আরোহী নিহত
কক্সবাজারে ট্রেনে কাটা পড়ে মোটরসাইকেল আরোহী নিহত

২ ঘণ্টা আগে | দেশগ্রাম

চট্টগ্রামে পোশাককর্মী খুনের ঘটনায় স্বামী গ্রেফতার
চট্টগ্রামে পোশাককর্মী খুনের ঘটনায় স্বামী গ্রেফতার

৩ ঘণ্টা আগে | চট্টগ্রাম প্রতিদিন

ঈদের লম্বা ছুটিতে চট্টগ্রাম বন্দরে কনটেইনারের স্তূপ
ঈদের লম্বা ছুটিতে চট্টগ্রাম বন্দরে কনটেইনারের স্তূপ

৩ ঘণ্টা আগে | চট্টগ্রাম প্রতিদিন

ব্রাহ্মণবাড়িয়ায় বিদেশি মদসহ গ্রেফতার ৬
ব্রাহ্মণবাড়িয়ায় বিদেশি মদসহ গ্রেফতার ৬

৩ ঘণ্টা আগে | দেশগ্রাম

‘আইএমএফ বলেছে বাংলাদেশের অর্থনীতি সঠিক দিকেই আছে’
‘আইএমএফ বলেছে বাংলাদেশের অর্থনীতি সঠিক দিকেই আছে’

৩ ঘণ্টা আগে | বাণিজ্য

পৃথিবীর ‘সবুজ ফুসফুস’ নজরদারি করবে মহাকাশযান
পৃথিবীর ‘সবুজ ফুসফুস’ নজরদারি করবে মহাকাশযান

৩ ঘণ্টা আগে | বিজ্ঞান

গাইবান্ধায় কৃষকদের নিয়ে বসুন্ধরা শুভসংঘের আনন্দময় দিন
গাইবান্ধায় কৃষকদের নিয়ে বসুন্ধরা শুভসংঘের আনন্দময় দিন

৩ ঘণ্টা আগে | বসুন্ধরা শুভসংঘ

হজ ব্যবস্থাপনায় কোনো ত্রুটি বরদাশত করা হবে না : ধর্ম উপদেষ্টা
হজ ব্যবস্থাপনায় কোনো ত্রুটি বরদাশত করা হবে না : ধর্ম উপদেষ্টা

৩ ঘণ্টা আগে | জাতীয়

অতিরিক্ত ভাড়া আদায়ের দায়ে ৭ বাসকে জরিমানা
অতিরিক্ত ভাড়া আদায়ের দায়ে ৭ বাসকে জরিমানা

৩ ঘণ্টা আগে | নগর জীবন

ঈদের ছুটি পর বেনাপোল বন্দরে ফিরেছে স্বাভাবিক গতি
ঈদের ছুটি পর বেনাপোল বন্দরে ফিরেছে স্বাভাবিক গতি

৩ ঘণ্টা আগে | দেশগ্রাম

শর্টস ভিডিও নির্মাতাদের জন্য সুখবর দিল ইউটিউব
শর্টস ভিডিও নির্মাতাদের জন্য সুখবর দিল ইউটিউব

৩ ঘণ্টা আগে | টেক ওয়ার্ল্ড

গলাচিপায় শুভসংঘের উদ্যোগে জমিতে অতিরিক্ত সার ও কীটনাশক প্রয়োগ বিষয়ক সচেতনামূলক সভা
গলাচিপায় শুভসংঘের উদ্যোগে জমিতে অতিরিক্ত সার ও কীটনাশক প্রয়োগ বিষয়ক সচেতনামূলক সভা

৩ ঘণ্টা আগে | বসুন্ধরা শুভসংঘ

ট্রাম্পের সরাসরি আলোচনার প্রস্তাব প্রত্যাখ্যান করল ইরান
ট্রাম্পের সরাসরি আলোচনার প্রস্তাব প্রত্যাখ্যান করল ইরান

৩ ঘণ্টা আগে | পূর্ব-পশ্চিম

নিখোঁজ সেই গৃহবধূ পরকীয়া প্রেমিকসহ উদ্ধার
নিখোঁজ সেই গৃহবধূ পরকীয়া প্রেমিকসহ উদ্ধার

৪ ঘণ্টা আগে | দেশগ্রাম

বাউবিতে ঈদ পুনর্মিলনী অনুষ্ঠিত
বাউবিতে ঈদ পুনর্মিলনী অনুষ্ঠিত

৪ ঘণ্টা আগে | নগর জীবন

বগুড়ায় মোটরসাইকেলের ধাক্কায় নারী নিহত
বগুড়ায় মোটরসাইকেলের ধাক্কায় নারী নিহত

৪ ঘণ্টা আগে | দেশগ্রাম

বিনিয়োগ সম্মেলনে অংশ নেবেন যুক্তরাষ্ট্র-চীনসহ ৪০ দেশের বিনিয়োগকারী
বিনিয়োগ সম্মেলনে অংশ নেবেন যুক্তরাষ্ট্র-চীনসহ ৪০ দেশের বিনিয়োগকারী

৪ ঘণ্টা আগে | বাণিজ্য

কিশোরীকে ধর্ষণের অভিযোগে ইমাম গ্রেফতার
কিশোরীকে ধর্ষণের অভিযোগে ইমাম গ্রেফতার

৪ ঘণ্টা আগে | দেশগ্রাম

সর্বাধিক পঠিত
বিয়েবাড়ির গেটে পার্টি স্প্রে দেওয়া নিয়ে মারামারি, ভাঙলো বিয়ে
বিয়েবাড়ির গেটে পার্টি স্প্রে দেওয়া নিয়ে মারামারি, ভাঙলো বিয়ে

১০ ঘণ্টা আগে | দেশগ্রাম

বাংলাদেশসহ ১৪ দেশের ওপর সৌদির সাময়িক ভিসা নিষেধাজ্ঞা
বাংলাদেশসহ ১৪ দেশের ওপর সৌদির সাময়িক ভিসা নিষেধাজ্ঞা

১২ ঘণ্টা আগে | পূর্ব-পশ্চিম

গাজায় গণহত্যা বন্ধে সোমবার বিশ্বব্যাপী ‘নো ওয়ার্ক নো স্কুল’
গাজায় গণহত্যা বন্ধে সোমবার বিশ্বব্যাপী ‘নো ওয়ার্ক নো স্কুল’

৪ ঘণ্টা আগে | জাতীয়

সরকারি কর্মচারীদের পদোন্নতি নিয়ে জরুরি নির্দেশনা
সরকারি কর্মচারীদের পদোন্নতি নিয়ে জরুরি নির্দেশনা

৭ ঘণ্টা আগে | জাতীয়

ভারতের ওয়াকফ সংশোধনী বিল নিয়ে যা বললেন আসিফ নজরুল
ভারতের ওয়াকফ সংশোধনী বিল নিয়ে যা বললেন আসিফ নজরুল

১৩ ঘণ্টা আগে | জাতীয়

সনাতন ধর্মাবলম্বীদের ধর্মীয় উৎসব উপলক্ষ্যে সেনাবাহিনীর নিরাপত্তা ও সহযোগিতা কার্যক্রম
সনাতন ধর্মাবলম্বীদের ধর্মীয় উৎসব উপলক্ষ্যে সেনাবাহিনীর নিরাপত্তা ও সহযোগিতা কার্যক্রম

১৪ ঘণ্টা আগে | জাতীয়

ভারতে ওয়াকফ বিল পাস হওয়ায় যে প্রতিক্রিয়া জানাল বিএনপি
ভারতে ওয়াকফ বিল পাস হওয়ায় যে প্রতিক্রিয়া জানাল বিএনপি

৭ ঘণ্টা আগে | রাজনীতি

আরাফাত রহমান কোকোর শাশুড়ি মারা গেছেন
আরাফাত রহমান কোকোর শাশুড়ি মারা গেছেন

১৫ ঘণ্টা আগে | জাতীয়

সরকারি সফরে রাশিয়া ও ক্রোয়েশিয়া গেলেন সেনাপ্রধান
সরকারি সফরে রাশিয়া ও ক্রোয়েশিয়া গেলেন সেনাপ্রধান

১৪ ঘণ্টা আগে | জাতীয়

যুক্তরাজ্যের পার্লামেন্টে ফ্ল্যাট নিয়ে টিউলিপের মিথ্যাচার
যুক্তরাজ্যের পার্লামেন্টে ফ্ল্যাট নিয়ে টিউলিপের মিথ্যাচার

১২ ঘণ্টা আগে | জাতীয়

ভাঙচুর ও হত্যাচেষ্টা মামলায় আওয়ামীপন্থী ৬১ আইনজীবীকে কারাগারে পাঠানোর নির্দেশ
ভাঙচুর ও হত্যাচেষ্টা মামলায় আওয়ামীপন্থী ৬১ আইনজীবীকে কারাগারে পাঠানোর নির্দেশ

৬ ঘণ্টা আগে | জাতীয়

স্মার্টফোনে ‘ডু নট ডিস্টার্ব’ মোডের কাজ কী?
স্মার্টফোনে ‘ডু নট ডিস্টার্ব’ মোডের কাজ কী?

১৫ ঘণ্টা আগে | টেক ওয়ার্ল্ড

আমিরাতের সহযোগিতায় ৮ বিভাগে হবে স্পোর্টস হাব : ক্রীড়া উপদেষ্টা
আমিরাতের সহযোগিতায় ৮ বিভাগে হবে স্পোর্টস হাব : ক্রীড়া উপদেষ্টা

৮ ঘণ্টা আগে | জাতীয়

যুক্তরাষ্ট্রের সঙ্গে খনিজ চুক্তি ফাঁস: তদন্তে নেমেছে ইউক্রেন
যুক্তরাষ্ট্রের সঙ্গে খনিজ চুক্তি ফাঁস: তদন্তে নেমেছে ইউক্রেন

৭ ঘণ্টা আগে | পূর্ব-পশ্চিম

‘গৃহকর্ত্রীও নির্যাতিতা হতে পারেন’ -পরীমনির সেই ইস্যুতে ফেসবুকে ন্যান্সি
‘গৃহকর্ত্রীও নির্যাতিতা হতে পারেন’ -পরীমনির সেই ইস্যুতে ফেসবুকে ন্যান্সি

১১ ঘণ্টা আগে | শোবিজ

আইনে পরিণত হলো বিতর্কিত ওয়াকফ সংশোধনী বিল
আইনে পরিণত হলো বিতর্কিত ওয়াকফ সংশোধনী বিল

১৩ ঘণ্টা আগে | পূর্ব-পশ্চিম

ইউক্রেনে একদিনে ৪৩০ সেনা হতাহত: মস্কো
ইউক্রেনে একদিনে ৪৩০ সেনা হতাহত: মস্কো

১৫ ঘণ্টা আগে | পূর্ব-পশ্চিম

সংবাদ সম্মেলন ডেকেছে বিএনপি
সংবাদ সম্মেলন ডেকেছে বিএনপি

১২ ঘণ্টা আগে | রাজনীতি

তিন মন্ত্রণালয়ে সচিব পদে রদবদল
তিন মন্ত্রণালয়ে সচিব পদে রদবদল

৮ ঘণ্টা আগে | জাতীয়

দেশে প্রবাসী আয়ে রেকর্ড, মার্চে এল ৩ বিলিয়ন ডলারের বেশি
দেশে প্রবাসী আয়ে রেকর্ড, মার্চে এল ৩ বিলিয়ন ডলারের বেশি

৮ ঘণ্টা আগে | বাণিজ্য

ট্রাম্প প্রশাসনের শুল্কারোপের প্রভাব সামাল দেয়া কঠিন নয় : অর্থ উপদেষ্টা
ট্রাম্প প্রশাসনের শুল্কারোপের প্রভাব সামাল দেয়া কঠিন নয় : অর্থ উপদেষ্টা

১২ ঘণ্টা আগে | জাতীয়

ট্রাম্প-মাস্কের নীতির বিরুদ্ধে যুক্তরাষ্ট্রজুড়ে গণবিক্ষোভ
ট্রাম্প-মাস্কের নীতির বিরুদ্ধে যুক্তরাষ্ট্রজুড়ে গণবিক্ষোভ

১৪ ঘণ্টা আগে | পূর্ব-পশ্চিম

ভারতে বাস দুর্ঘটনায় নিহত ১, ছিলেন ৭০ জনের বেশি বাংলাদেশি  তীর্থযাত্রী
ভারতে বাস দুর্ঘটনায় নিহত ১, ছিলেন ৭০ জনের বেশি বাংলাদেশি তীর্থযাত্রী

১২ ঘণ্টা আগে | পূর্ব-পশ্চিম

ইভ্যালির রাসেল-শামীমার তিন বছরের কারাদণ্ড
ইভ্যালির রাসেল-শামীমার তিন বছরের কারাদণ্ড

১১ ঘণ্টা আগে | জাতীয়

এসএসএফের সাবেক ডিজির ফ্ল্যাট-জমি জব্দ, ৩৪ ব্যাংক হিসাব অবরুদ্ধ
এসএসএফের সাবেক ডিজির ফ্ল্যাট-জমি জব্দ, ৩৪ ব্যাংক হিসাব অবরুদ্ধ

৭ ঘণ্টা আগে | জাতীয়

গাজাবাসীর সমর্থনে সোমবার রাজপথে নামার আহ্বান সারজিসের
গাজাবাসীর সমর্থনে সোমবার রাজপথে নামার আহ্বান সারজিসের

৬ ঘণ্টা আগে | জাতীয়

বিচার চেয়ে থানায় বৃদ্ধা, ‘ভিক্ষা করে কেনা মুরগি মেরে দিল কারা?’
বিচার চেয়ে থানায় বৃদ্ধা, ‘ভিক্ষা করে কেনা মুরগি মেরে দিল কারা?’

১২ ঘণ্টা আগে | দেশগ্রাম

ঘন ঘন দূতাবাসের স্থান পরিবর্তনে বিরক্ত মালয়েশিয়া প্রবাসীরা
ঘন ঘন দূতাবাসের স্থান পরিবর্তনে বিরক্ত মালয়েশিয়া প্রবাসীরা

৬ ঘণ্টা আগে | পরবাস

ঢাকাসহ সাত বিভাগে বজ্রসহ বৃষ্টির আভাস
ঢাকাসহ সাত বিভাগে বজ্রসহ বৃষ্টির আভাস

৯ ঘণ্টা আগে | জাতীয়

দুই দফা দাবিতে শহীদ মিনারে চাকরিচ্যুত বিডিআর সদস্যদের অবস্থান
দুই দফা দাবিতে শহীদ মিনারে চাকরিচ্যুত বিডিআর সদস্যদের অবস্থান

১০ ঘণ্টা আগে | জাতীয়

প্রিন্ট সর্বাধিক
আজকের ভাগ্যচক্র
আজকের ভাগ্যচক্র

আজকের রাশি

থানায় মাতলামি দুই যুবদল নেতা আটক
থানায় মাতলামি দুই যুবদল নেতা আটক

দেশগ্রাম

বিএনপি নেতার ওপর হামলার প্রতিবাদে বিক্ষোভ
বিএনপি নেতার ওপর হামলার প্রতিবাদে বিক্ষোভ

দেশগ্রাম

এক ছাতায় বিশ্বের হাজারো উদ্যোক্তা
এক ছাতায় বিশ্বের হাজারো উদ্যোক্তা

পেছনের পৃষ্ঠা

প্রাথমিক শিক্ষা পদক বাছাইয়ে অনিয়ম
প্রাথমিক শিক্ষা পদক বাছাইয়ে অনিয়ম

নগর জীবন

টিউলিপের দুর্নীতির দালিলিক প্রমাণ সাকিবের বিরুদ্ধে অনুসন্ধান
টিউলিপের দুর্নীতির দালিলিক প্রমাণ সাকিবের বিরুদ্ধে অনুসন্ধান

পেছনের পৃষ্ঠা

দাওয়াত খেয়ে অসুস্থ ২ শতাধিক, হাসপাতালে ৫২
দাওয়াত খেয়ে অসুস্থ ২ শতাধিক, হাসপাতালে ৫২

নগর জীবন

চরের জমিতে হাজার কোটি টাকার ফসল
চরের জমিতে হাজার কোটি টাকার ফসল

পেছনের পৃষ্ঠা

পাঁচ দিনের রিমান্ডে সন্ত্রাসী ছোট সাজ্জাদ
পাঁচ দিনের রিমান্ডে সন্ত্রাসী ছোট সাজ্জাদ

নগর জীবন

নিউইয়র্কে বাংলাদেশ ডে প্যারেড ১৩ এপ্রিল
নিউইয়র্কে বাংলাদেশ ডে প্যারেড ১৩ এপ্রিল

নগর জীবন

ইভ্যালির রাসেল-শামীমার তিন বছরের কারাদণ্ড
ইভ্যালির রাসেল-শামীমার তিন বছরের কারাদণ্ড

পেছনের পৃষ্ঠা

১২ দিন পর খুলছে তামাবিল স্থলবন্দর
১২ দিন পর খুলছে তামাবিল স্থলবন্দর

নগর জীবন

জলমহাল নিয়ে দফায় দফায় সংঘর্ষে আহত অর্ধশতাধিক
জলমহাল নিয়ে দফায় দফায় সংঘর্ষে আহত অর্ধশতাধিক

পেছনের পৃষ্ঠা

মোবাইল ব্যবহারে বাধা দেওয়ায় কিশোরীর আত্মহনন
মোবাইল ব্যবহারে বাধা দেওয়ায় কিশোরীর আত্মহনন

নগর জীবন

টেকনাফে বাড়ি থেকে তুলে নেওয়া হলো দুজনকে
টেকনাফে বাড়ি থেকে তুলে নেওয়া হলো দুজনকে

পেছনের পৃষ্ঠা

মন্ত্রণালয়ে যোগ দিয়েছেন ড. শেখ মইনউদ্দিন
মন্ত্রণালয়ে যোগ দিয়েছেন ড. শেখ মইনউদ্দিন

নগর জীবন

আইএমইডিতে নতুন সচিব
আইএমইডিতে নতুন সচিব

নগর জীবন

ফাঁদে ফেলে অপহরণ মুক্তিপণ আদায়
ফাঁদে ফেলে অপহরণ মুক্তিপণ আদায়

পেছনের পৃষ্ঠা

ছেলের রামদার কোপে মায়ের মৃত্যু
ছেলের রামদার কোপে মায়ের মৃত্যু

নগর জীবন

ইতিহাসের সর্বোচ্চ রেমিট্যান্স ৩২৯ কোটি ডলার মার্চে
ইতিহাসের সর্বোচ্চ রেমিট্যান্স ৩২৯ কোটি ডলার মার্চে

পেছনের পৃষ্ঠা

ধর্ষণের মিথ্যা  মামলা, গৃহবধূ জেলে
ধর্ষণের মিথ্যা মামলা, গৃহবধূ জেলে

পেছনের পৃষ্ঠা

অপপ্রচার রোধে প্রেস উইংকে ভূমিকা রাখতে হবে
অপপ্রচার রোধে প্রেস উইংকে ভূমিকা রাখতে হবে

নগর জীবন

হাছান ও তার স্ত্রীর ব্যাংকে ৭২২ কোটি টাকা লেনদেন
হাছান ও তার স্ত্রীর ব্যাংকে ৭২২ কোটি টাকা লেনদেন

পেছনের পৃষ্ঠা

ফ্যাসিস্ট এবং নব্য বিএনপি থেকে সাবধান
ফ্যাসিস্ট এবং নব্য বিএনপি থেকে সাবধান

নগর জীবন

চাকরি পুনর্বহাল দাবি বিডিআর সদস্যদের
চাকরি পুনর্বহাল দাবি বিডিআর সদস্যদের

পেছনের পৃষ্ঠা

দেবরের হাতে ভাবি খুন
দেবরের হাতে ভাবি খুন

পেছনের পৃষ্ঠা

ক্ষমতায় যাওয়ার সিঁড়ি হবে না হেফাজতে ইসলাম
ক্ষমতায় যাওয়ার সিঁড়ি হবে না হেফাজতে ইসলাম

নগর জীবন

দলমতের ঊর্ধ্বে দক্ষিণাঞ্চলের উন্নয়নে কাজ করতে হবে
দলমতের ঊর্ধ্বে দক্ষিণাঞ্চলের উন্নয়নে কাজ করতে হবে

নগর জীবন

বরিশালে অ্যাম্বুলেন্স চালকদের বিক্ষোভ
বরিশালে অ্যাম্বুলেন্স চালকদের বিক্ষোভ

পেছনের পৃষ্ঠা

শরীয়তপুরে বোমাবাজিতে গ্রেপ্তার ৮
শরীয়তপুরে বোমাবাজিতে গ্রেপ্তার ৮

পেছনের পৃষ্ঠা