শিরোনাম
প্রকাশ: ০০:০০, বুধবার, ১৯ মার্চ, ২০২৫

একাত্তরের আগেই মুক্তিযুদ্ধ শুরু করেন যাঁরা

সুমন পালিত
প্রিন্ট ভার্সন
একাত্তরের আগেই মুক্তিযুদ্ধ শুরু করেন যাঁরা

বাংলাদেশের মুক্তিসংগ্রামের এক অনন্য নাম লে. কমান্ডার মোয়াজ্জেম হোসেন। জীবনের ঝুঁকি নিয়েও এ মহান দেশপ্রেমিক দেশের মুক্তির জন্য পাকিস্তানি সামরিক বাহিনীর বাঙালি সদস্যদের নিয়ে একটি গ্রুপ গড়ে তুলেছিলেন। পরবর্তী সময়ে অবশ্য এ গ্রুপের বেশির ভাগ সদস্য পাকিস্তানি গোয়েন্দা সংস্থার হাতে ধরা পড়েন। নির্মম নির্যাতনের শিকার হন তাঁরা। তাঁদের বিরুদ্ধে আগরতলা ষড়যন্ত্র মামলা দায়ের করা হয়।

১৯৬৯ সালের ডিসেম্বর। আমি তখন খুলনা মহানগরীর শেখপাড়ার অধিবাসী। ছাত্রলীগের একজন কর্মী। রাত ১১টার দিকে কয়েকজন বন্ধু মিলে দেয়ালে চিকা মারছিলাম। এমন সময় রিকশায় করে হঠাৎ হাজির একাত্তরের আগেই মুক্তিযুদ্ধ শুরু করেন যাঁরাহলেন এক লোক। হ্যান্ডসআপ বলে হাঁক ছাড়তেই দুই বন্ধু নিমেষে উধাও। বিপদে পড়লাম আমি। অচেনা আগন্তুক আমাকে লক্ষ্য করে বলে উঠলেন, তোমরা রাষ্ট্রদ্রোহী। পাকিস্তানকে ধ্বংস করতে চাও। কী সাংঘাতিক ব্যাপার। গম্ভীর সুরে নির্দেশ দিলেন রিকশায় ওঠ। তাঁর নির্দেশ অমান্য করার সুযোগ ছিল না। রিকশায় উঠে বসলাম অচেনা আগন্তুকের পাশে। ভাব দেখালাম ভীষণ ভয় পেয়েছি। মস্তিষ্কে অবশ্য তখন ঘুরপাক খাচ্ছিল অন্য ভাবনা। আগন্তুককে অপ্রস্তুত করে ফাঁকা জায়গা পেলেই দেব ভোঁ-দৌড়।

আগন্তুককে ভেবেছিলাম পুলিশের লোক। অথবা গোয়েন্দা বাহিনীর সদস্য। তাঁকে বিভ্রান্ত করতেই একান্ত অনুগতের মতো উঠেছিলাম রিকশায়। কিন্তু পাশে বসতেই তিনি পিঠ চাপড়ে দিলেন। বললেন সাব্বাশ। মুহূর্তেই কেটে গেল সব আতঙ্ক। মন্তব্য করলেন স্বাধিকার চাও? দেয়ালে তো লিখেছে স্বাধিকারের সংগ্রাম চলছে চলবে। স্বাধিকার মানে কি জানো? বললেন, স্বায়ত্তশাসনে বাঙালির মুক্তি আসবে না। এমনকি পাকিস্তানিরা তোমাদের ৬ বা ১১ দফা কায়েম হতে দেবে না। ভনিতা না করেই নিজের পরিচয় দিলেন। বললেন, আমার নাম লে. কমান্ডার মোয়াজ্জেম হোসেন। আগরতলা ষড়যন্ত্র মামলার দ্বিতীয় আসামি। এবার অভিভূত হওয়ার পালা। বললেন, আমি তোমার সঙ্গে কথা বলতে চাই। আমন্ত্রণ জানালেন পরদিন সোনাডাঙ্গার একটি বাসায় যাওয়ার জন্য। বললেন, খুলনায় এসেছি এক আত্মীয়ের বাসায়। সেখানে গেলে দেখা হবে। রিকশায় করেই আমাকে পৌঁছে দিলেন বাসায়। যাওয়ার সময় বললেন, তুমি এলে খুশি হব।

সারা রাত সেদিন ঘুম হলো না। মাত্র কদিন আগেও আমরা স্লোগান দিয়েছি আগরতলা ষড়যন্ত্র মামলা মানি না মানব না। এ মামলার ১নং আসামি ছিলেন শেখ মুজিব। আওয়ামী লীগের সভাপতি। সেøাগান দিয়েছি ‘জেলের তালা ভাঙব শেখ মুজিবকে আনব।’ জেলের তালা ভাঙতে হয়নি। তার আগেই উনসত্তরের গণ অভ্যুত্থানের মুখে আইয়ুব সরকার শেখ মুজিবসহ আগরতলা ষড়যন্ত্র মামলার সব আসামিকে নিঃশর্ত মুক্তি দিতে বাধ্য হয়। তার আগে প্রত্যাহার করা হয় ওই বিতর্কিত মামলা।

পাকিস্তান বাহিনীর যেসব বাঙালি অফিসারের বিরুদ্ধে পূর্ব বাংলাকে স্বাধীন করার ষড়যন্ত্রে জড়িত থাকার অভিযোগ আনা হয়েছিল লে. কমান্ডার মোয়াজ্জেম হোসেন ছিলেন তাঁদেরই নেতা। তাঁর সঙ্গে এভাবে নাটকীয় পরিচয় আমার কাছে স্বপ্নের মতোই মনে হচ্ছিল। রাতে শুয়ে শুয়ে ভাবছিলাম কখন সকাল হবে। কখন দেখা হবে। আরও অনেক কিছু। সকাল হতেই কোনো রকম নাশতা করে রিকশা নিয়ে সোজা সোনাডাঙ্গায়। আমাদের শেখপাড়ার বাড়িটি একোয়ার হয়ে যাওয়ায় পুরো পরিবার সোনাডাঙ্গায় বসবাস করত। রাজনৈতিক কারণে আমি থাকতাম শেখপাড়ায়। ছাত্রলীপের ইউনিয়ন কমিটির অন্যতম কর্মী ছিলাম আমি। সকাল ৮টা নাগাদ হাজির হলাম লে. কমান্ডার মোয়াজ্জেম হোসেনের সেই আত্মীয়র বাসায়। তাঁর আত্মীয়টি ছিলেন আগে থেকে পরিচিত। তাঁকে আমরা মামা বলে ডাকতাম। একই সঙ্গে বিরূপও ছিলাম তাঁর প্রতি। অবশ্যই রাজনৈতিক কারণে। কট্টর মুসলিম লীগার বলে ভাবতাম তাঁকে। লে. কমান্ডার মোয়াজ্জেম হোসেন অবশ্য ভুল ভাঙিয়ে দিলেন। বললেন, নিরাপত্তার স্বার্থেই ওই পরিচিতিটির দরকার ছিল। আগরতলা ষড়যন্ত্র মামলার শীর্ষ আসামির নিকটাত্মীয় এ পরিচয় প্রকাশ পেলে তাঁর চাকরি সহজেই কেড়ে নিত পাকিস্তানিরা। অন্য সব হয়রানি তো ছিলই। অষ্টম শ্রেণি থেকেই আমি ছিলাম স্বাধীনতার পক্ষে। যে কারণে এ ইস্যুতে ছাত্রলীগের পাশাপাশি পূর্ব পাকিস্তান কমিউনিস্ট পার্টির (মার্কসবাদী, লেনিনবাদী) সঙ্গে একটা সম্পর্কও গড়ে উঠেছিল। এ দলটির স্বাধীন জনগণ তান্ত্রিক পূর্ব বাংলা প্রতিষ্ঠার দাবির প্রতিও ছিল সমর্থন। কমান্ডার মোয়াজ্জেম বললেন, সেনাবাহিনীর বাঙালি অফিসারদের বিপ্লবী কর্মকান্ডের সঙ্গে শেখ সাহেব কোনোভাবেই জড়িত ছিলেন না। স্বাধীনতাকামী গ্রুপটির পক্ষ থেকে ভারতে প্রতিনিধিদল পাঠানো হয়েছিল ঠিকই। কিন্তু ভারত সরকার তাদের সঙ্গে কথা বলতে রাজি হয়নি। পরে বার্মার বিদ্রোহীদের কাছে থেকে অস্ত্র সংগ্রহের সিদ্ধান্ত নেওয়া হয়। যোগাযোগ হয় তাদের সঙ্গে। কিন্তু পরিকল্পনামতো এগিয়ে যেতে পারেননি তাঁরা। পাকিস্তানি গোয়েন্দারা ধরে ফেলে বিপ্লবী কর্মকান্ড। রাজনৈতিক উদ্দেশ্যপ্রণোদিত হয়ে শেখ সাহেবকেও জড়ানো হয় তাতে। তাঁর সঙ্গে সেনাবাহিনীর বাঙালি সদস্যদের একটি প্রতিনিধিদল দেখা করলেও তিনি কোনো কথা দেননি। তবে শুভকামনা জানিয়েছেন।

কমান্ডার মোয়াজ্জেম বললেন, স্বায়ত্তশাসন নয়, নির্বাচন নয়- স্বাধীনতাই এ দেশের মানুষের মুক্তি দিতে পারে। এ জন্য তাঁরা সংগঠিত হচ্ছেন। গোপন গেরিলা সংগঠন গড়ে তুলছেন। বললেন, কিউবার নেতা ফিদেল কাস্ত্রোর সঙ্গে যোগাযোগের চেষ্টা চলছে। বার্মার বিদ্রোহীদের সঙ্গে যোগাযোগ গড়ে ওঠার কথাও বললেন তিনি। আমন্ত্রণ দিলেন তাঁদের সংগঠনে সম্পৃক্ত হওয়ার জন্য। বললেন, লাহোর প্রস্তাব বাস্তবায়ন কমিটি নামে তাঁরা একটি প্রকাশ্য সংগঠন গড়ে তুলেছেন। এ সংগঠনের আড়ালে কাজ করবে গেরিলা সংগঠন। আমাকে লাহোর প্রস্তাব বাস্তবায়ন কমিটিতে যোগদানের পরামর্শ দিলেন। বললেন, বিমান বাহিনীর একজন সাবেক কর্মকর্তা এ কমিটির খুলনা শাখার দায়িত্বে রয়েছেন। নাম আসিফুর রহমান।

লে. কমান্ডার মোয়াজ্জেম হোসেন বললেন, কাস্ত্রো ও চে গুয়েভারা যেভাবে গেরিলাযুদ্ধের মাধ্যমে কিউবাকে মুক্ত করেছেন সেভাবে এগোব আমরা। ভিয়েতনামি মুক্তিযোদ্ধাদের কৌশলগুলো আমরা রপ্ত করার চেষ্টা করব। এ জন্য নিজেদের সংগঠিত হতে হবে। সংগঠিত হওয়ার পর চলবে অস্ত্র সংগ্রহের পালা। গেরিলাযুদ্ধের মাধ্যমে ছিনিয়ে নেওয়া শত্রুর অস্ত্রই হবে আমাদের হাতিয়ার। দেশে তখন ’৭০-এর নির্বাচনের প্রস্তুতি চলছে। আওয়ামী লীগের পক্ষে গণজোয়ার। কমান্ডার মোয়াজ্জেম বললেন, এ নির্বাচনে আওয়ামী লীগ হয়তো জয়ী হবে। হয়তো তারা ক্ষমতায়ও যাবে। কিন্তু বাঙালির অধিকার প্রতিষ্ঠায় কিছু করতে চাইলেই তাদের হটিয়ে দেওয়া হবে। আবার আসবে সামরিক আইন। নির্বাচন নিয়ে আমাদের মেতে থাকলে প্রতারিত হতে হবে। বললেন, নির্বাচনের বিরুদ্ধে কথা বলা উচিত হবে না। তবে স্বায়ত্তশাসন নয় স্বাধীনতার পথেই যে বাঙালির মুক্তি এ কথাটিও স্পষ্টভাবে বলতে হবে। যাঁরা স্বায়ত্তশাসনের বটিকা গিলে ফেলেছে তাঁদের স্বাধীনতার স্বপ্ন দেখানোর চেষ্টা করতে হবে।

দুই ঘণ্টার কথাবার্তায় তিনিই ছিলেন মূলত বক্তা। আমি মুগ্ধ স্রোতা। অতিসহজেই রাজি হয়ে গেলাম স্বাধীনতার অকুতোভয় এই যোদ্ধার কথায়। সেদিন রাতেই যোগাযোগ হলো ডা. আসিফুর রহমানের সঙ্গে। পরবর্তী সময়ে যিনি মুক্তিযুদ্ধের নবম সেক্টরের সাব-সেক্টর কমান্ডার হিসেবে দায়িত্ব পালন করেছেন। লাহোর প্রস্তাব বাস্তবায়ন কমিটির খুলনা শাখায় আমাকে অন্তর্ভুক্ত করা হলো প্রচার সম্পাদক হিসেবে। বয়সে কিশোর, দশম শ্রেণির একজন ছাত্রকে এত বড় দায়িত্ব দেওয়া আমার কাছেও গ্রহণযোগ্য ছিল না। কিন্তু ডা. আসিফ বললেন এটা মোয়াজ্জেম ভাইয়ের পছন্দ। এ পদে তুমি ভালো করবে এমনটিই তাঁর ধারণা। একাত্তরের মুক্তিযুদ্ধের অনেক আগে থেকেই বাংলাদেশকে যে স্বাধীন করার বিপ্লবী তৎপরতা চলছিল আগরতলা ষড়যন্ত্র মামলা হলো তারই প্রমাণ। লাহোর প্রস্তাব বাস্তবায়ন কমিটিও ছিল স্বাধীনতার পক্ষে জনগণকে সংগঠিত করার প্রয়াস। এর কেন্দ্রীয় কমিটির প্রায় সব সদস্যই ছিলেন আগরতলা ষড়যন্ত্র মামলার আসামি। সেহেতু সাধারণ মানুষের কাছে তাঁরা ছিলেন বাঙালির সত্যিকারের নায়ক।

১৯৭০ সালে লাহোর প্রস্তাব বাস্তবায়ন কমিটির উদ্যোগে শহীদ হাদিস পার্কে এক জনসভা হয়। স্বল্প সময়ের নোটিসে অনুষ্ঠিত এ জনসভা ছিল লোকে লোকারণ্য। আগরতলা ষড়যন্ত্র মামলার সঙ্গে সংশ্লিষ্ট বাঙালি সাবেক সেনাসদস্যরা দেশের মুক্তি সম্পর্কে কী ভাবছেন তা জানার জন্যই হাজির হয়েছিল ৩০ হাজারেরও বেশি লোক। জীবনে প্রথমবারের মতো কোনো জনসভায় বক্তৃতা দিতে হয়েছিল সেদিন। মাইকের সামনে দাঁড়ানোর অভিজ্ঞতা না থাকায় আমাকে বক্তব্য রাখতে হবে এ প্রস্তাবে বেশ ভড়কে গিয়েছিলাম। কিন্তু সে সংকোচ ঝেড়ে ফেলি আত্মসম্মানের ভয়ে। বক্তা হিসেবে আমি এখনো ভালো নই। তারপরও সেদিনের জনসভায় একজন কিশোরের বক্তব্য পত্রপত্রিকায় বেশ গুরুত্বের সঙ্গে ছাপা হয়েছিল। আমি বলেছিলাম, স্বায়ত্তশাসন নয় স্বাধীনতার জন্য আমরা লড়ছি। স্বাধীনতার জন্য আমরা জীবন দিতেও প্রস্তুত। সারা জাতিকে এখন থেকেই প্রস্তুতি নিতে হবে। নির্বাচনে বাঙালিরা জিতলে ক্ষমতা পাবে এ মোহে আচ্ছন্ন থাকলে ঠকতে হবে।

এ জনসভার পর থেকে শুরু হয় সংগঠন গড়ে তোলার কাজ। অ্যাডভোকেট মহসীন যোগ দেন আমাদের সঙ্গে। পরে তিনি খুলনা জাসদের সভাপতি হন। জিল্লুর রহমান, এলেমান হোসেনসহ বেশ কিছু বিশ্ববিদ্যালয়পড়ুয়া ছাত্র জড়িত হন আমাদের সাংগঠনিক প্রক্রিয়ায়। গেরিলাযুদ্ধ সম্পর্কে তাত্ত্বিক প্রশিক্ষণও শুরু হয়। মাও সে তুংয়ের ১০টি সামরিক প্রবন্ধ ছিল আমাদের অবশ্য পাঠ্য। তাত্ত্বিক দিক থেকে মাওবাদীদের সঙ্গে কোনো সম্পর্ক না থাকলেও গেরিলাযুদ্ধের ব্যাপারে তাদের শ্রেষ্ঠত্ব আমাদের কাছেও ছিল সমীহর বিষয়। ’৭০-এর নির্বাচন। দুটি বাদে বাংলাদেশের সব কটি আসনে আওয়ামী লীগের জয়। পাকিস্তান জাতীয় পরিষদের ৫৬ ভাগ আসনে আওয়ামী লীগের সংখ্যাগরিষ্ঠতা লাভের ঘটনা সবারই জানা। একাত্তরের ৩ মার্চ জাতীয় পরিষদের বৈঠক ডেকেও তা স্থগিত করা হয়। শুরু হয় শেখ মুজিবের নেতৃত্বে অসহযোগ আন্দোলন। ২৫ মার্চ কালরাতে শুরু হয় গণহত্যা। আমাদের গ্রুপটি মুক্তিযুদ্ধে যোগ দেয় সেদিন থেকেই। একাত্তরের ২৬ মার্চ পাকিস্তানি বাহিনীর হাতে নিহত হন লে. কমান্ডার মোয়াজ্জেম হোসেন।

আগরতলা ষড়যন্ত্র মামলায় তাঁকে ফাঁসিতে ঝোলাতে না পারার ব্যর্থতা পাকিস্তানিরা সুদে আসলে পূরণ করে ২৬ মার্চ। কমান্ডার মোয়াজ্জেম হোসেনকে বলা হয় তোমাকে পাকিস্তান জিন্দাবাদ স্লোগান দিতে হবে। অকুতোভয় এই মুক্তিযোদ্ধা অস্বীকার করেন। বলেন, জীবনের বিনিময়েও তিনি পাকিস্তানের জয়ধ্বনি দেবেন না। শুরু হয় নির্যাতন। একপর্যায়ে গুলিতে ঝাঁজরা করে দেওয়া হয় তাঁকে। মুক্তিযুদ্ধের অনেক আগে দেশমুক্তির লড়াই শুরু করেছিলেন যিনি তাঁকে প্রাণ দিতে হয় একাত্তরের ২৬ মার্চ। যেদিনটি অবশ্যই একই সঙ্গে স্বাধীনতা ঘোষণার দিনও বটে। আমাদের মুক্তিযুদ্ধ শুরু হয়েছিল আনুষ্ঠানিকভাবে ১৯৭১ সালের ২৬ মার্চ। এর নেপথ্যে ভূমিকা রেখেছে সিরাজুল আলম খান, কাজী আরেফ ও আবদুর রাজ্জাকের নেতৃত্বাধীন ছাত্রলীগের নিউক্লিয়াস। প্রায় একই সময়ে সংগঠিত হওয়ার চেষ্টা করেছে পাকিস্তান সেনাবাহিনীর বাঙালি সেনা কর্মকর্তা ও সৈনিকদের একাংশ। দুর্ভাগ্যজনক হলেও সত্যি, যাদের নিয়ে খুব কমই লেখালেখি হয়েছে।

♦ লেখক : সিনিয়র সহকারী সম্পাদক, বাংলাদেশ প্রতিদিন

এই বিভাগের আরও খবর
সামাজিক ব্যবসা
সামাজিক ব্যবসা
রপ্তানি খাতে ধাক্কা
রপ্তানি খাতে ধাক্কা
ফিলিস্তিনের নাবলুস নগরী
ফিলিস্তিনের নাবলুস নগরী
জীবনজুড়ে রমজানের রেশ ধরে রাখুন
জীবনজুড়ে রমজানের রেশ ধরে রাখুন
ফুলচাষিদের স্বাস্থ্যঝুঁঁকি
ফুলচাষিদের স্বাস্থ্যঝুঁঁকি
রেমিট্যান্সে আশার আলো
রেমিট্যান্সে আশার আলো
ভোটের আলোচনা
ভোটের আলোচনা
বিমসটেক সম্মেলন
বিমসটেক সম্মেলন
ডিজিটাল সংস্কৃতি : ভার্চুয়াল উৎসব
ডিজিটাল সংস্কৃতি : ভার্চুয়াল উৎসব
শাওয়াল মাসের ছয় রোজার পুণ্য
শাওয়াল মাসের ছয় রোজার পুণ্য
ব্যাংককে বৈঠক, ঢাকা-দিল্লিতে গুঞ্জন
ব্যাংককে বৈঠক, ঢাকা-দিল্লিতে গুঞ্জন
এই সময়ের রাজনৈতিক চ্যালেঞ্জ
এই সময়ের রাজনৈতিক চ্যালেঞ্জ
সর্বশেষ খবর
জনবহুল রাজধানী এখনো ফাঁকা, নেই চিরচেনা যানজট
জনবহুল রাজধানী এখনো ফাঁকা, নেই চিরচেনা যানজট

এই মাত্র | নগর জীবন

হাতে সব প্রমাণ আছে, আইনিভাবে মোকাবিলা করবো : পরীমণি
হাতে সব প্রমাণ আছে, আইনিভাবে মোকাবিলা করবো : পরীমণি

১ মিনিট আগে | শোবিজ

ফরিদপুরে বিস্ফোরক মামলায় যুবলীগ নেতা গ্রেফতার
ফরিদপুরে বিস্ফোরক মামলায় যুবলীগ নেতা গ্রেফতার

১০ মিনিট আগে | দেশগ্রাম

খাদ্য নিরাপত্তা নি‌য়ে কো‌নো শঙ্কা নেই : খাদ্য উপদেষ্টা
খাদ্য নিরাপত্তা নি‌য়ে কো‌নো শঙ্কা নেই : খাদ্য উপদেষ্টা

১৩ মিনিট আগে | জাতীয়

ভারতে ওয়াকফ সংশোধনী বিল পাসে জামায়াতের নিন্দা
ভারতে ওয়াকফ সংশোধনী বিল পাসে জামায়াতের নিন্দা

১৭ মিনিট আগে | রাজনীতি

ফরিদপুরে চোরের হাতে প্রাণ গেল প্রবাসীর
ফরিদপুরে চোরের হাতে প্রাণ গেল প্রবাসীর

২১ মিনিট আগে | দেশগ্রাম

ইরানে হামলার হুমকি থেকে পিছু হটলেন ট্রাম্প, সরাসরি আলোচনার প্রস্তাব
ইরানে হামলার হুমকি থেকে পিছু হটলেন ট্রাম্প, সরাসরি আলোচনার প্রস্তাব

২৩ মিনিট আগে | পূর্ব-পশ্চিম

চার বিভাগে বৃষ্টি হলেও তাপপ্রবাহ থাকবে অব্যাহত
চার বিভাগে বৃষ্টি হলেও তাপপ্রবাহ থাকবে অব্যাহত

৩৩ মিনিট আগে | জাতীয়

কোনো স্থানেই ময়লা পোড়ানো যাবে না : পরিবেশ উপদেষ্টা
কোনো স্থানেই ময়লা পোড়ানো যাবে না : পরিবেশ উপদেষ্টা

৩৫ মিনিট আগে | জাতীয়

'দেশে আর কোন ফ্যাসিস্ট যেন জন্মাতে না পারে'
'দেশে আর কোন ফ্যাসিস্ট যেন জন্মাতে না পারে'

৩৯ মিনিট আগে | দেশগ্রাম

নির্বাচনের কথা বলে মুখে ফেনা তুলে ফেললেই গণতন্ত্র হয় না : নুসরাত তাবাসসুম
নির্বাচনের কথা বলে মুখে ফেনা তুলে ফেললেই গণতন্ত্র হয় না : নুসরাত তাবাসসুম

১ ঘণ্টা আগে | রাজনীতি

যুক্তরাষ্ট্রের শুল্ক ইস্যুতে জরুরি সভা ডেকেছেন প্রধান উপদেষ্টা
যুক্তরাষ্ট্রের শুল্ক ইস্যুতে জরুরি সভা ডেকেছেন প্রধান উপদেষ্টা

১ ঘণ্টা আগে | জাতীয়

মুখের গড়ন বুঝে হতে হবে হেয়ার কাট
মুখের গড়ন বুঝে হতে হবে হেয়ার কাট

১ ঘণ্টা আগে | জীবন ধারা

অভিনেতাসহ গ্রেপ্তার ১১, তুরস্কে বয়কট আন্দোলন
অভিনেতাসহ গ্রেপ্তার ১১, তুরস্কে বয়কট আন্দোলন

১ ঘণ্টা আগে | পূর্ব-পশ্চিম

ভাঙ্গায় কিশোর ও গৃহবধূর লাশ উদ্ধার
ভাঙ্গায় কিশোর ও গৃহবধূর লাশ উদ্ধার

১ ঘণ্টা আগে | দেশগ্রাম

গরমে মেকআপ যেন না গলে
গরমে মেকআপ যেন না গলে

১ ঘণ্টা আগে | জীবন ধারা

কিশোরগঞ্জে অষ্টমী স্নানে লাখো পুণ্যার্থীর ঢল
কিশোরগঞ্জে অষ্টমী স্নানে লাখো পুণ্যার্থীর ঢল

১ ঘণ্টা আগে | দেশগ্রাম

পাকিস্তানকে হোয়াইটওয়াশের লজ্জায় ডুবালো নিউজিল্যান্ড
পাকিস্তানকে হোয়াইটওয়াশের লজ্জায় ডুবালো নিউজিল্যান্ড

১ ঘণ্টা আগে | মাঠে ময়দানে

‘স্বতন্ত্র সচিবালয়’ প্রতিষ্ঠার দ্বারপ্রান্তে রয়েছে : প্রধান বিচারপতি
‘স্বতন্ত্র সচিবালয়’ প্রতিষ্ঠার দ্বারপ্রান্তে রয়েছে : প্রধান বিচারপতি

১ ঘণ্টা আগে | জাতীয়

বগুড়ায় শহীদ জিয়া ফুটবল টুর্নামেন্টের সেমি-ফাইনাল অনুষ্ঠিত
বগুড়ায় শহীদ জিয়া ফুটবল টুর্নামেন্টের সেমি-ফাইনাল অনুষ্ঠিত

১ ঘণ্টা আগে | দেশগ্রাম

বাস-অটোরিকাশয়ার সংঘর্ষে নারী নিহত, শিশুসহ আহত ৪
বাস-অটোরিকাশয়ার সংঘর্ষে নারী নিহত, শিশুসহ আহত ৪

১ ঘণ্টা আগে | দেশগ্রাম

কানাডায় ভারতীয় নাগরিক খুন
কানাডায় ভারতীয় নাগরিক খুন

১ ঘণ্টা আগে | পূর্ব-পশ্চিম

জয়পুরহাটে রামদেও বাজলা প্রিমিয়ার লীগের ফাইনাল অনুষ্ঠিত
জয়পুরহাটে রামদেও বাজলা প্রিমিয়ার লীগের ফাইনাল অনুষ্ঠিত

১ ঘণ্টা আগে | দেশগ্রাম

লৌহজংয়ে পাওয়া মরদেহের টুকরোগুলো সাভারের সবুজ মোল্যার
লৌহজংয়ে পাওয়া মরদেহের টুকরোগুলো সাভারের সবুজ মোল্যার

২ ঘণ্টা আগে | দেশগ্রাম

লাঙ্গলবন্দের স্নান ঘিরে ঢাকা-চট্টগ্রাম মহাসড়কে তীব্র যানজট
লাঙ্গলবন্দের স্নান ঘিরে ঢাকা-চট্টগ্রাম মহাসড়কে তীব্র যানজট

২ ঘণ্টা আগে | নগর জীবন

‘আতঙ্কে তারা ভুল করেছে’: চীনের পাল্টা শুল্ক নিয়ে ট্রাম্প
‘আতঙ্কে তারা ভুল করেছে’: চীনের পাল্টা শুল্ক নিয়ে ট্রাম্প

২ ঘণ্টা আগে | পূর্ব-পশ্চিম

চিরচেনা কার্তিককে দেখা গেল অন্যরূপে
চিরচেনা কার্তিককে দেখা গেল অন্যরূপে

২ ঘণ্টা আগে | শোবিজ

বাংলাদেশের মতো সাম্প্রদায়িক সম্প্রীতি কোথাও নেই: স্বরাষ্ট্র উপদেষ্টা
বাংলাদেশের মতো সাম্প্রদায়িক সম্প্রীতি কোথাও নেই: স্বরাষ্ট্র উপদেষ্টা

২ ঘণ্টা আগে | জাতীয়

অনুষ্ঠান থেকে ফেরার পথে দুই ভাইকে কুপিয়ে জখম
অনুষ্ঠান থেকে ফেরার পথে দুই ভাইকে কুপিয়ে জখম

২ ঘণ্টা আগে | দেশগ্রাম

প্রেমা নেই, শেষ হয়ে গেল পুরো পরিবার
প্রেমা নেই, শেষ হয়ে গেল পুরো পরিবার

২ ঘণ্টা আগে | চট্টগ্রাম প্রতিদিন

সর্বাধিক পঠিত
ঈদুল আজহার সম্ভাব্য তারিখ প্রকাশ
ঈদুল আজহার সম্ভাব্য তারিখ প্রকাশ

১৯ ঘণ্টা আগে | পূর্ব-পশ্চিম

প্রথম দফায় ১ লাখ ৮০ হাজার রোহিঙ্গা নিতে রাজি মিয়ানমার
প্রথম দফায় ১ লাখ ৮০ হাজার রোহিঙ্গা নিতে রাজি মিয়ানমার

২১ ঘণ্টা আগে | জাতীয়

আত্মরক্ষার জন্য ইরানের সর্বোচ্চ প্রস্তুতি রয়েছে : সৌদি যুবরাজকে পেজেশকিয়ান
আত্মরক্ষার জন্য ইরানের সর্বোচ্চ প্রস্তুতি রয়েছে : সৌদি যুবরাজকে পেজেশকিয়ান

৪ ঘণ্টা আগে | পূর্ব-পশ্চিম

পর্দায় নয়, এবার সত্যিই বিয়ে করলেন শামীম হাসান সরকার
পর্দায় নয়, এবার সত্যিই বিয়ে করলেন শামীম হাসান সরকার

১৯ ঘণ্টা আগে | শোবিজ

ড. ইউনূস-মোদির ৪০ মিনিটের বৈঠক, আলাপ হলো কী নিয়ে
ড. ইউনূস-মোদির ৪০ মিনিটের বৈঠক, আলাপ হলো কী নিয়ে

২০ ঘণ্টা আগে | জাতীয়

ড. ইউনূস ও মোদির বৈঠক নিয়ে যা জানালেন ভারতের পররাষ্ট্র সচিব
ড. ইউনূস ও মোদির বৈঠক নিয়ে যা জানালেন ভারতের পররাষ্ট্র সচিব

২০ ঘণ্টা আগে | জাতীয়

আওয়ামী লীগের টাকার লোভে না পড়তে দলীয় নেতাদের হুঁশিয়ারি শামা ওবায়েদের
আওয়ামী লীগের টাকার লোভে না পড়তে দলীয় নেতাদের হুঁশিয়ারি শামা ওবায়েদের

১৩ ঘণ্টা আগে | রাজনীতি

প্রতিশোধ নিল চীন, মার্কিন পণ্যের ওপর অতিরিক্ত ৩৪% শুল্ক আরোপ
প্রতিশোধ নিল চীন, মার্কিন পণ্যের ওপর অতিরিক্ত ৩৪% শুল্ক আরোপ

২২ ঘণ্টা আগে | পূর্ব-পশ্চিম

৫ মিলিয়ন ডলারের ‘গোল্ড কার্ড’ ভিসা উন্মোচন করলেন ট্রাম্প
৫ মিলিয়ন ডলারের ‘গোল্ড কার্ড’ ভিসা উন্মোচন করলেন ট্রাম্প

১৮ ঘণ্টা আগে | পূর্ব-পশ্চিম

ঐশ্বরিয়া আমার মেয়ে নয়, কেবল ছেলের বউ : জয়া বচ্চন
ঐশ্বরিয়া আমার মেয়ে নয়, কেবল ছেলের বউ : জয়া বচ্চন

১৮ ঘণ্টা আগে | শোবিজ

অভ্যুত্থানের সময় গ্রেফতার, সৌদিতে জেল খেটে দেশে ফিরলেন ১০ প্রবাসী
অভ্যুত্থানের সময় গ্রেফতার, সৌদিতে জেল খেটে দেশে ফিরলেন ১০ প্রবাসী

২৩ ঘণ্টা আগে | জাতীয়

ড. ইউনূস-মোদি বৈঠক আশার আলো তৈরি করেছে: মির্জা ফখরুল
ড. ইউনূস-মোদি বৈঠক আশার আলো তৈরি করেছে: মির্জা ফখরুল

১৯ ঘণ্টা আগে | রাজনীতি

যুক্তরাষ্ট্রের শুল্ক ইস্যুতে জরুরি সভা ডেকেছেন প্রধান উপদেষ্টা
যুক্তরাষ্ট্রের শুল্ক ইস্যুতে জরুরি সভা ডেকেছেন প্রধান উপদেষ্টা

১ ঘণ্টা আগে | জাতীয়

হোয়াইট হাউস থেকে বরখাস্ত একাধিক শীর্ষ কর্মকর্তা, আলোচনায় লরা লুমার
হোয়াইট হাউস থেকে বরখাস্ত একাধিক শীর্ষ কর্মকর্তা, আলোচনায় লরা লুমার

৫ ঘণ্টা আগে | পূর্ব-পশ্চিম

কালশী ফ্লাইওভারে গাড়ির সঙ্গে মোটরসাইকেলের সংঘর্ষ, দুই যুবক নিহত
কালশী ফ্লাইওভারে গাড়ির সঙ্গে মোটরসাইকেলের সংঘর্ষ, দুই যুবক নিহত

১৪ ঘণ্টা আগে | নগর জীবন

দীর্ঘ ১৫ বছর পর বঞ্চিত কমিউনিটি নেতারা দাওয়াত পেলেন রাষ্ট্রীয় অনুষ্ঠানে
দীর্ঘ ১৫ বছর পর বঞ্চিত কমিউনিটি নেতারা দাওয়াত পেলেন রাষ্ট্রীয় অনুষ্ঠানে

২৩ ঘণ্টা আগে | পরবাস

শরীয়তপুরে দুই গ্রুপের সংঘর্ষ, শতাধিক হাতবোমা বিস্ফোরণ
শরীয়তপুরে দুই গ্রুপের সংঘর্ষ, শতাধিক হাতবোমা বিস্ফোরণ

৩ ঘণ্টা আগে | দেশগ্রাম

প্রধান উপদেষ্টার সঙ্গে শ্রীলঙ্কার প্রধানমন্ত্রীর সাক্ষাৎ
প্রধান উপদেষ্টার সঙ্গে শ্রীলঙ্কার প্রধানমন্ত্রীর সাক্ষাৎ

২৩ ঘণ্টা আগে | জাতীয়

৩০০ আসনে প্রার্থী দেওয়ার চ্যালেঞ্জ নিতে প্রস্তুত এনসিপি: সারজিস
৩০০ আসনে প্রার্থী দেওয়ার চ্যালেঞ্জ নিতে প্রস্তুত এনসিপি: সারজিস

২২ ঘণ্টা আগে | নগর জীবন

বিশ্বের শক্তিশালী পাসপোর্টের তালিকায় এক ধাপ এগোল বাংলাদেশ
বিশ্বের শক্তিশালী পাসপোর্টের তালিকায় এক ধাপ এগোল বাংলাদেশ

৩ ঘণ্টা আগে | জাতীয়

হাসিনার এক মন্তব্যে সংকটে মাদারগঞ্জের সমবায় সমিতি
হাসিনার এক মন্তব্যে সংকটে মাদারগঞ্জের সমবায় সমিতি

১৬ ঘণ্টা আগে | দেশগ্রাম

দুই দিন ধরে তুর্কি বিমানবন্দরে আটকা ২৫০ যাত্রী
দুই দিন ধরে তুর্কি বিমানবন্দরে আটকা ২৫০ যাত্রী

২২ ঘণ্টা আগে | পূর্ব-পশ্চিম

পরকীয়া প্রেমে বাধা দেওয়ায় স্বামীর পুরুষাঙ্গ কাটলো স্ত্রী
পরকীয়া প্রেমে বাধা দেওয়ায় স্বামীর পুরুষাঙ্গ কাটলো স্ত্রী

৩ ঘণ্টা আগে | দেশগ্রাম

একনজরে আজকের বাংলাদেশ প্রতিদিন (৫ এপ্রিল)
একনজরে আজকের বাংলাদেশ প্রতিদিন (৫ এপ্রিল)

৮ ঘণ্টা আগে | জাতীয়

চালের দানার চেয়েও ছোট পেসমেকার তৈরি করলেন বিজ্ঞানীরা
চালের দানার চেয়েও ছোট পেসমেকার তৈরি করলেন বিজ্ঞানীরা

৬ ঘণ্টা আগে | বিজ্ঞান

ইউনূসের সঙ্গে মোদির বৈঠক প্রয়োজন ছিল: মির্জা আব্বাস
ইউনূসের সঙ্গে মোদির বৈঠক প্রয়োজন ছিল: মির্জা আব্বাস

২১ ঘণ্টা আগে | রাজনীতি

৫.৬ মাত্রার ভূমিকম্পে আবার কেঁপে উঠলো মিয়ানমার
৫.৬ মাত্রার ভূমিকম্পে আবার কেঁপে উঠলো মিয়ানমার

৫ ঘণ্টা আগে | পূর্ব-পশ্চিম

গ্রিনল্যান্ডকে এভাবে সংযুক্ত করা যায় না : যুক্তরাষ্ট্রকে ডেনমার্ক
গ্রিনল্যান্ডকে এভাবে সংযুক্ত করা যায় না : যুক্তরাষ্ট্রকে ডেনমার্ক

২৩ ঘণ্টা আগে | পূর্ব-পশ্চিম

মিয়ানমারে বাংলাদেশ সশস্ত্র বাহিনীর নেতৃত্বে উদ্ধার ও চিকিৎসা কার্যক্রম অব্যাহত
মিয়ানমারে বাংলাদেশ সশস্ত্র বাহিনীর নেতৃত্বে উদ্ধার ও চিকিৎসা কার্যক্রম অব্যাহত

১৫ ঘণ্টা আগে | জাতীয়

আইপিএলের প্রথমবার দেখা গেল এমন কিছু
আইপিএলের প্রথমবার দেখা গেল এমন কিছু

৭ ঘণ্টা আগে | মাঠে ময়দানে

প্রিন্ট সর্বাধিক
সুবিধাবাদী হাইব্রিডে অতিষ্ঠ বিএনপি
সুবিধাবাদী হাইব্রিডে অতিষ্ঠ বিএনপি

প্রথম পৃষ্ঠা

মুজিব ছিলেন বেপরোয়া
মুজিব ছিলেন বেপরোয়া

প্রথম পৃষ্ঠা

চলতি বছর টাইগারদের ৬ টেস্ট
চলতি বছর টাইগারদের ৬ টেস্ট

মাঠে ময়দানে

দেশের প্রযুক্তি খাতে বিপ্লব ঘটাবে স্টারলিংক
দেশের প্রযুক্তি খাতে বিপ্লব ঘটাবে স্টারলিংক

প্রথম পৃষ্ঠা

হাসিনাকে চাইল বাংলাদেশ
হাসিনাকে চাইল বাংলাদেশ

প্রথম পৃষ্ঠা

ধুঁকছেন পেট্রাপোলের ব্যবসায়ীরাও
ধুঁকছেন পেট্রাপোলের ব্যবসায়ীরাও

পেছনের পৃষ্ঠা

ইলিশের দামে আগুন
ইলিশের দামে আগুন

পেছনের পৃষ্ঠা

আজকের ভাগ্যচক্র
আজকের ভাগ্যচক্র

আজকের রাশি

দীর্ঘদিন ক্ষমতা আঁকড়ে রাখার চিন্তা করলে জনগণ মেনে নেবে না
দীর্ঘদিন ক্ষমতা আঁকড়ে রাখার চিন্তা করলে জনগণ মেনে নেবে না

নগর জীবন

মুখোমুখি সরকার-আইএমএফ
মুখোমুখি সরকার-আইএমএফ

প্রথম পৃষ্ঠা

‘মিনি জাফলংয়ে’ স্বাস্থ্যঝুঁকি
‘মিনি জাফলংয়ে’ স্বাস্থ্যঝুঁকি

নগর জীবন

রাজশাহী বিএনপিতে ত্রিধারা
রাজশাহী বিএনপিতে ত্রিধারা

নগর জীবন

দক্ষিণ এশিয়ার ইসরায়েল ভারত
দক্ষিণ এশিয়ার ইসরায়েল ভারত

পেছনের পৃষ্ঠা

চট্টগ্রাম-কক্সবাজার সড়কে শঙ্কা
চট্টগ্রাম-কক্সবাজার সড়কে শঙ্কা

পেছনের পৃষ্ঠা

কবির-মুসার বিরুদ্ধে এবার জালিয়াতির অভিযোগ
কবির-মুসার বিরুদ্ধে এবার জালিয়াতির অভিযোগ

নগর জীবন

আত্রাই নদীর চরে কুমড়াবাড়ি!
আত্রাই নদীর চরে কুমড়াবাড়ি!

পেছনের পৃষ্ঠা

হচ্ছে বাম দলের বৃহত্তর জোট!
হচ্ছে বাম দলের বৃহত্তর জোট!

প্রথম পৃষ্ঠা

নতুন জীবনের খোঁজে মাহি
নতুন জীবনের খোঁজে মাহি

শোবিজ

এবার জনগণ ভোটাধিকার ফিরে পাবে
এবার জনগণ ভোটাধিকার ফিরে পাবে

প্রথম পৃষ্ঠা

জমজমাট বিনোদন কেন্দ্রগুলো
জমজমাট বিনোদন কেন্দ্রগুলো

পেছনের পৃষ্ঠা

আমাদের সম্পর্কটা বড় ভাই-ছোট ভাইয়ের মতো
আমাদের সম্পর্কটা বড় ভাই-ছোট ভাইয়ের মতো

শোবিজ

বাছাইপর্ব টপকাতে প্রস্তুত নিগাররা
বাছাইপর্ব টপকাতে প্রস্তুত নিগাররা

মাঠে ময়দানে

১ লাখ ৮০ হাজার রোহিঙ্গা ফেরত নেবে মিয়ানমার
১ লাখ ৮০ হাজার রোহিঙ্গা ফেরত নেবে মিয়ানমার

প্রথম পৃষ্ঠা

নিশোর মুখে শাকিববন্দনা
নিশোর মুখে শাকিববন্দনা

শোবিজ

অভিযোগে মোশাররফ করিমের জবাব
অভিযোগে মোশাররফ করিমের জবাব

শোবিজ

প্রয়োজনীয় সংস্কার শেষে দ্রুত নির্বাচন
প্রয়োজনীয় সংস্কার শেষে দ্রুত নির্বাচন

প্রথম পৃষ্ঠা

প্রয়োজনীয় সংস্কার করে দ্রুত নির্বাচন দিতে হবে
প্রয়োজনীয় সংস্কার করে দ্রুত নির্বাচন দিতে হবে

প্রথম পৃষ্ঠা

চলে যাচ্ছেন ম্যানসিটির ডি ব্রুইন
চলে যাচ্ছেন ম্যানসিটির ডি ব্রুইন

মাঠে ময়দানে

কলকাতার জার্সিতে ২০০ উইকেট
কলকাতার জার্সিতে ২০০ উইকেট

মাঠে ময়দানে

মেয়েদের ২০৩১ বিশ্বকাপ যুক্তরাষ্ট্রে
মেয়েদের ২০৩১ বিশ্বকাপ যুক্তরাষ্ট্রে

মাঠে ময়দানে