শিরোনাম
প্রকাশ: ০০:০০, মঙ্গলবার, ১১ মার্চ, ২০২৫

তিস্তার পানির জন্য আর কত অপেক্ষা

রেজাবুদ্দৌলা চৌধুরী
প্রিন্ট ভার্সন
তিস্তার পানির জন্য আর কত অপেক্ষা

তিস্তা রক্ষার কর্মসূচিতে সম্প্রতি দেশের উত্তরাঞ্চলে ব্যাপক সমাবেশ করেছে দেশের বৃহত্তম রাজনৈতিক দল বিএনপি। প্রতিবেশী দেশ ভারতের উদ্দেশে তারা সাফ সাফ বলেছে, বন্ধুত্ব চাইলে তিস্তার পানির ন্যায্য হিস্সা দিতে হবে। শুধু তিস্তা নয় উজানে অভিন্ন সব নদীর পানি প্রত্যাহারের অপনীতি থেকে সরে আসতে হবে ভারতকে। দুই দেশের বন্ধুত্ব রক্ষায় এটি এখন পূর্বশর্ত হয়ে দাঁড়িয়েছে। সবারই জানা, পানির অভাবে ধুঁকছে একসময়ের প্রমত্তা নদী তিস্তা। এ নদীপাড়ের লাখ লাখ মানুষের জীবনজীবিকার ওপর বিরূপ প্রভাব পড়ছে। বাংলাদেশ ও ভারতের অভিন্ন নদীগুলোর একটি তিস্তা। দেড় দশক আগে এ নদীর পানিবণ্টনে দুই দেশের মধ্যে সমঝোতা হয়। কিন্তু তৎকালীন ভারতীয় প্রধানমন্ত্রী মনমোহন সিংয়ের বাংলাদেশ সফরকালে এ বিষয়ে চুক্তি হবে এমন প্রতিশ্রুতি দেওয়া হয় দিল্লির পক্ষ থেকে। কিন্তু তিস্তার পানিবণ্টনে পশ্চিমবঙ্গ রাজ্যের আপত্তিকে অজুহাত হিসেবে দেখিয়ে দিল্লি সে প্রতিশ্রুতি থেকে সরে যায়।

উজানে পানি প্রত্যাহারের কারণে মরতে বসেছে খরস্রোতা তিস্তা নদী। চারদিকে জেগে উঠেছে ধু-ধু বালুচর। নদীর আশপাশ এলাকায় পানির স্তর অনেক নিচে নেমে গেছে। তিস্তা সেচ প্রকল্প পানির অভাবে অকার্যকর হয়ে পড়ছে। উজানে ছোট ছোট জলবিদ্যুৎ কেন্দ্র স্থাপনের পরিকল্পনায় তিস্তাপাড়ের মানুষের কপালে চিন্তার ছাপ দেখা দিয়েছে। তিস্তার পানির ন্যায্য হিস্সা থেকে বাংলাদেশ বঞ্চিত হওয়ায় উত্তরাঞ্চলের প্রকৃতিতে পড়েছে নেতিবাচক প্রভাব। শুকনো মৌসুমে পানির জন্য চাতক পাখির মতো চেয়ে থাকে তিস্তার দুই পাড়ের মানুষ। অন্যদিকে তিস্তা মহাপরিকল্পনা বাস্তবায়ন নিয়ে নদীপাড়ের মানুষ আন্দোলন-সংগ্রাম করে এলেও এখনো কার্যকর পদক্ষেপ নেয়নি কোনো সরকার। অন্তর্বর্তী সরকারের কাছে তিস্তা মহাপরিকল্পনা বাস্তবায়নের দাবি উঠলেও এখনো কোনো উদ্যোগ দেখা যাচ্ছে না। বিএনপি গত ১৮ ও ১৯ ফেব্রুয়ারি তিস্তাপাড়ের বিশাল এলাকাজুড়ে করেছে জনসমাবেশ ও গণপদযাত্রা। সঙ্গে ছিল নানা সংস্কৃতিক কর্মসূচি। দলের ভারপ্রাপ্ত চেয়ারম্যান তারেক রহমান লন্ডন থেকে ভার্চুয়ালি সমাবেশে যুক্ত হয়ে তাঁর ভাষণে বলেছেন, ‘আমরা মনে করি, ভারতের সঙ্গে সব যৌথ নদীর পানির ন্যায্য হিস্সা আদায়ে বাংলাদেশকে সব ধরনের কূটনৈতিক তৎপরতা জোরদার করার পাশাপাশি, প্রয়োজনে জাতিসংঘসহ সব আন্তর্জাতিক ফোরামে যেতে হবে। দেশের গণমানুষের ন্যায়সংগত পাওনা পানির ন্যায়সংগত প্রাপ্য অংশ আদায়ে সোচ্চার হতে হবে।’ তার আগে উদ্বোধনী দিনে তিস্তাপাড়ের জনসমাবেশের ভাষণে সুস্পষ্টভাবে বিএনপি মহাসচিব ফখরুল ইসলাম আলমগীর ভারতের ক্ষমতাধর নেতাদের উদ্দেশে বলেছেন, ‘যদি বাংলাদেশের মানুষের বন্ধুত্ব পেতে চান, তাহলে অবিলম্বে তিস্তার পানির ন্যায্য হিস্সা দিন।’

স্মরণ করা যায়, ১৯৭৬ সালে মজলুম জননেতা আবদুল হামিদ খান ভাসানী ভারত-বাংলাদেশ যৌথ নদী গঙ্গার  পানি একতরফা প্রত্যাহারের  প্রতিবাদে লংমার্চ করেছিলেন। বিপুল সাড়া তোলে সেই আন্দোলন।  ‘গঙ্গার পানির হিস্সা চাই’ স্লোগান তুলে লংমার্চে নামে সর্বস্তরের সাধারণ মানুষ। সেই লংমার্চ কর্মসূচি ছিল দুনিয়াকাঁপানো একটা লড়াই। মূল নেতৃত্ব দিয়েছিলেন মজলুম জননেতা মওলানা ভাসানী। তাঁর পেছনে ঐক্যবদ্ধ হয়েছিল বাংলাদেশের কোটি কোটি মানুষ। বিশেষ করে পেছনে থেকে হুজুরকে সার্বিক সহযোগিতা   দিয়েছিলেন রাষ্ট্রনায়ক জিয়াউর রহমান।

সাম্প্রতিক তিস্তা নদীর জনসমাবেশ ও দেশের অধিকার আদায়ের সোচ্চার  কর্মসূচি জিয়াউর রহমানের রাজনৈতিক কর্মকাণ্ডের নতুন সংস্করণ হিসেবে বিবেচিত হয়েছে। প্রশ্ন হলো, সেই আওয়াজ কী ভারতের আধিপত্যবাদী  বিজেপি সরকার এবং পশ্চিম বাংলার নেতা মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়ের কানে পৌঁছেছে? পতিত ফ্যাসিবাদী সরকারপ্রধানকে আশ্রয়-প্রশ্রয় দিয়ে তারা হয়তো ভাবছে এখনো আধিপত্য প্রতিষ্ঠার মতলব হাসিলের জন্য তাঁবেদার গোষ্ঠীর ওপর ভরসা করা যায়। তবে এই আশা নিতান্তই দুরাশা। এই দেশে আর কোনো দিন ফ্যাসিবাদের জায়গা হবে না। তাই ভারত সরকারকে কালবিলম্ব না করে পানিসহ অন্য সব কূটনৈতিক সমস্যা সমাধানে অন্তর্বর্তী সরকারের সঙ্গে যথার্থ যোগাযোগ স্থাপন করতে হবে। এর কোনো বিকল্প নেই।

ভারত-বাংলাদেশের মধ্যকার ৫৪টি যৌথ নদীর পানিবণ্টনের ক্ষেত্রে এবং বন্যানিয়ন্ত্রণসহ সব সমস্যার সমাধানের প্রশ্নে প্রতিবেশী রাষ্ট্রটি গোঁয়ার্তুমির পরিচয় দিয়ে চলেছে। গঙ্গার পানি সমস্যার আংশিক সমাধান হয়েছে বটে, তবে পুরো হিস্সা বাংলাদেশ এখনো পায়নি। অন্য সব নদীর পানির সমস্যা ঝুলিয়ে রেখে ভারত দম্ভ প্রকাশ করে যাচ্ছে। এখন, সাম্প্রতিক দেড় দশকের বেশি সময় সবচেয়ে বড় সমস্যা সৃষ্টি করছে তিস্তার পানির ন্যায্য-বণ্টন সমস্যা। এ ক্ষেত্রে ভারত বাংলাদেশের সঙ্গে যে আচরণ করছে তা বন্ধুসুলভ নয়। মমতা বন্দ্যোপাধ্যায় বছরের পর বছর বলে এসেছেন, ‘পশ্চিম বাংলার মানুষের কৃষি-সেচের ও খাবার পানির প্রয়োজন মেটাতে ব্যর্থ হচ্ছে

তিস্তার জল, কীভাবে বাংলাদেশের জন্য তিস্তার পানি দেব?’ মমতা বন্দ্যোপাধ্যায় শুধু দক্ষ রাজনীতিকই নন, সংস্কৃতিবান ও মানবপ্রেমী হিসেবে তাঁর সুনাম রয়েছে। তিনি কীভাবে মধ্যযুগীয় ভূস্বামী বা জমিদারের কায়দায় এমন একটা কথা বলতে পারেন? তিস্তা আন্তর্জাতিক নদী আইন অনুযায়ী ভারত ও বাংলাদেশের মধ্যকার যৌথ নদী। এর পানির ওপর ভারতের মানুষের যেমন অধিকার রয়েছে তেমনি সমান অধিকার বাংলাদেশের মানুষের। ন্যায্য অধিকারের জন্য তারা ১৯৮৩ থেকে অপেক্ষমাণ। আর কত দিন বাংলাদেশের মানুষকে অপেক্ষা করতে হবে।

তিস্তা নদী সিকিম ও পশ্চিম বাংলার বিশাল এলাকাজুড়ে প্রবাহিত হয়ে বাংলাদেশের রংপুর বিভাগে প্রবেশ করেছে এবং যমুনা নদীর সঙ্গে একাকার হয়ে বঙ্গোপসাগরে পতিত হয়েছে। ৪১৪ কিলোমিটার  দীর্ঘ এই আন্তর্জাতিক নদীটি ভারতের ছয়টি জেলার মধ্যে ২৯৩ কিলোমিটারব্যাপী এলাকায় প্রবাহিত হয়ে বাংলাদেশের সীমান্ত দিয়ে লালমনিরহাট জেলার মধ্যে প্রবেশ করে ১২১ কিলোমিটার গতিপথ পেয়েছে এবং রংপুর বিভাগের পাঁচটি জেলার প্রায় ২ কোটি ১০ লাখ মানুষের জীবনজীবিকার অনুষঙ্গ হয়ে বিরাজ করছে। কৃষি সেচ, মাছ আহরণ, দৈনন্দিন খাবার ও গোসলের পানির  উৎসরূপে এবং নৌপথে চলাচলের সুযোগ সৃষ্টি করেছে। এ নদীকে কেন্দ্র করে গড়ে উঠেছে একটি বিশেষ সংস্কৃতি ও সভ্যতা।

তিস্তা মহাপরিকল্পনা নিয়ে ভারত বা চীন যার সঙ্গেই প্রকল্প বাস্তবায়ন করা হোক, তার দীর্ঘমেয়াদি পরিবেশসম্মত স্থায়ী সমাধান যেন বাংলাদেশ পায় এবং সেই সঙ্গে ভারতও।  তিস্তা আন্তর্জাতিক নদী। এ নদীতে কিছু করতে হলে আন্তর্জাতিক আইন মেনে চলার বাধ্যবাধকতা রয়েছে, তা মানা হচ্ছে না। ভারত তিস্তার পানিবণ্টন চুক্তিতে আবদ্ধ হওয়ার প্রতিশ্রুতি থেকে এখনো সরে আসেনি। এ ব্যাপারে দিল্লির সুমতি না হলে প্রয়োজনে তিস্তা মহাপরিকল্পনা বাস্তবায়নে উদ্যোগী হতে হবে। ব্যয়বহুল হলেও তিস্তা প্রকল্প বাস্তবায়নকে নিতে হবে চ্যালেঞ্জ হিসেবে। তিস্তা মহাপ্রকল্প বাস্তবায়নে চীনসহ বন্ধু দেশগুলোর সহযোগিতা নেওয়ার সম্ভাব্যতা নিয়েও ভাবতে হবে। আমরা বিশ্বাস করি, ভারত আমাদের প্রতিবেশী দেশ। বন্ধু দেশও বটে। বন্ধুত্বের স্বার্থেই ভারতকে তিস্তাসহ অভিন্ন নদীর পানিবণ্টনে যুক্তিগ্রাহ্য সমঝোতায় আসতে হবে।

লেখক : বিএনপির সাবেক তথ্য ও গবেষণা সম্পাদক

এই বিভাগের আরও খবর
তরমুজ-শসা খান
তরমুজ-শসা খান
আহা! ডিজিটাল বাংলাদেশ
আহা! ডিজিটাল বাংলাদেশ
ইউনূস-মোদি বৈঠক
ইউনূস-মোদি বৈঠক
রমজানের শিক্ষা ধরে রাখতে হবে
রমজানের শিক্ষা ধরে রাখতে হবে
ট্রাম্পের শুল্কনীতির কী প্রভাব পড়বে বাংলাদেশে
ট্রাম্পের শুল্কনীতির কী প্রভাব পড়বে বাংলাদেশে
দেশই সবকিছু, ব্যক্তি বা পরিবার নয়
দেশই সবকিছু, ব্যক্তি বা পরিবার নয়
সামাজিক ব্যবসা
সামাজিক ব্যবসা
রপ্তানি খাতে ধাক্কা
রপ্তানি খাতে ধাক্কা
ফিলিস্তিনের নাবলুস নগরী
ফিলিস্তিনের নাবলুস নগরী
জীবনজুড়ে রমজানের রেশ ধরে রাখুন
জীবনজুড়ে রমজানের রেশ ধরে রাখুন
ফুলচাষিদের স্বাস্থ্যঝুঁঁকি
ফুলচাষিদের স্বাস্থ্যঝুঁঁকি
রেমিট্যান্সে আশার আলো
রেমিট্যান্সে আশার আলো
সর্বশেষ খবর
পরিবারকে আনন্দ দেওয়া সুন্নত
পরিবারকে আনন্দ দেওয়া সুন্নত

৪ মিনিট আগে | ইসলামী জীবন

মুসলমানের জীবনযাপনে শালীনতা
মুসলমানের জীবনযাপনে শালীনতা

১৯ মিনিট আগে | ইসলামী জীবন

জবি ছাত্রদলের আহ্বায়ক হিমেলকে নিকলীতে গণসংবর্ধনা
জবি ছাত্রদলের আহ্বায়ক হিমেলকে নিকলীতে গণসংবর্ধনা

৪৯ মিনিট আগে | দেশগ্রাম

জামায়াতের দাবি বছর শেষে জাতীয় নির্বাচন : রেজাউল করিম
জামায়াতের দাবি বছর শেষে জাতীয় নির্বাচন : রেজাউল করিম

৫৩ মিনিট আগে | রাজনীতি

সাবেক রেলমন্ত্রী মুজিবুল হকের বাড়িতে ভাঙচুর-অগ্নিসংযোগ
সাবেক রেলমন্ত্রী মুজিবুল হকের বাড়িতে ভাঙচুর-অগ্নিসংযোগ

৫৬ মিনিট আগে | দেশগ্রাম

সিরাজগঞ্জে ট্রাক-অটোভ্যান সংঘর্ষে শিশুসহ নিহত ২
সিরাজগঞ্জে ট্রাক-অটোভ্যান সংঘর্ষে শিশুসহ নিহত ২

১ ঘণ্টা আগে | দেশগ্রাম

ইউনূস-মোদি বৈঠক বাংলাদেশের জন্য ইতিবাচক : গোলাম পরওয়ার
ইউনূস-মোদি বৈঠক বাংলাদেশের জন্য ইতিবাচক : গোলাম পরওয়ার

১ ঘণ্টা আগে | রাজনীতি

গাজীপুরে ভ্রাম্যমাণ আদালতের অভিযান, জরিমানা
গাজীপুরে ভ্রাম্যমাণ আদালতের অভিযান, জরিমানা

২ ঘণ্টা আগে | দেশগ্রাম

গাইবান্ধায় হস্তশিল্প মেলার নামে চলছে জুয়া ও অশ্লীল নাচ
গাইবান্ধায় হস্তশিল্প মেলার নামে চলছে জুয়া ও অশ্লীল নাচ

২ ঘণ্টা আগে | দেশগ্রাম

নৌকাডুবিতে স্বামীসহ প্রাণ হারালেন ইবি শিক্ষার্থী
নৌকাডুবিতে স্বামীসহ প্রাণ হারালেন ইবি শিক্ষার্থী

২ ঘণ্টা আগে | দেশগ্রাম

নেতাকর্মীদের সতর্ক করলো সিলেট বিএনপি
নেতাকর্মীদের সতর্ক করলো সিলেট বিএনপি

২ ঘণ্টা আগে | চায়ের দেশ

গণহত্যার দায়ে আওয়ামী লীগকে বিচারের আওতায় আনা হোক : সালাউদ্দিন আহমেদ
গণহত্যার দায়ে আওয়ামী লীগকে বিচারের আওতায় আনা হোক : সালাউদ্দিন আহমেদ

৩ ঘণ্টা আগে | রাজনীতি

মার্কিন শুল্কারোপ নিয়ে আতঙ্কিত হওয়ার কিছু নেই : খলিলুর রহমান
মার্কিন শুল্কারোপ নিয়ে আতঙ্কিত হওয়ার কিছু নেই : খলিলুর রহমান

৩ ঘণ্টা আগে | জাতীয়

পাঞ্জাবকে বড় ব্যবধানে হারালো রাজস্থান
পাঞ্জাবকে বড় ব্যবধানে হারালো রাজস্থান

৩ ঘণ্টা আগে | মাঠে ময়দানে

চেন্নাইকে হারিয়ে পয়েন্ট টেবিলের শীর্ষে দিল্লি
চেন্নাইকে হারিয়ে পয়েন্ট টেবিলের শীর্ষে দিল্লি

৩ ঘণ্টা আগে | মাঠে ময়দানে

চট্টগ্রামে ছুরিকাঘাতে পোশাক শ্রমিকের মৃত্যু
চট্টগ্রামে ছুরিকাঘাতে পোশাক শ্রমিকের মৃত্যু

৪ ঘণ্টা আগে | চট্টগ্রাম প্রতিদিন

ব্রহ্মপুত্র নদে অষ্টমীর স্নান উৎসবে লাখো পুণ্যার্থীর ঢল
ব্রহ্মপুত্র নদে অষ্টমীর স্নান উৎসবে লাখো পুণ্যার্থীর ঢল

৪ ঘণ্টা আগে | দেশগ্রাম

মিডিয়া সংস্কারে কার স্বার্থে একচোখা সুপারিশ
মিডিয়া সংস্কারে কার স্বার্থে একচোখা সুপারিশ

৫ ঘণ্টা আগে | মুক্তমঞ্চ

গাজীপুরে ট্রাকের ধাক্কায় দুই মোটরসাইকেল আরোহী নিহত
গাজীপুরে ট্রাকের ধাক্কায় দুই মোটরসাইকেল আরোহী নিহত

৫ ঘণ্টা আগে | নগর জীবন

শাহবাগে ফুলের দোকানের আগুন নিয়ন্ত্রণে
শাহবাগে ফুলের দোকানের আগুন নিয়ন্ত্রণে

৫ ঘণ্টা আগে | নগর জীবন

শাহবাগে ফুলের দোকানে আগুন
শাহবাগে ফুলের দোকানে আগুন

৬ ঘণ্টা আগে | নগর জীবন

রাশিয়া-ইউক্রেন যুদ্ধে নিহত ইয়াসিনের পরিবারের পাশে তারেক রহমান
রাশিয়া-ইউক্রেন যুদ্ধে নিহত ইয়াসিনের পরিবারের পাশে তারেক রহমান

৭ ঘণ্টা আগে | রাজনীতি

কু-প্রস্তাবে অসম্মতি জানানোয় বিধবাকে পিটিয়ে আহত, বসতবাড়ি ভাঙচুর
কু-প্রস্তাবে অসম্মতি জানানোয় বিধবাকে পিটিয়ে আহত, বসতবাড়ি ভাঙচুর

৮ ঘণ্টা আগে | দেশগ্রাম

এবার ইউক্রেনের বন্দর চাইছে পোল্যান্ড
এবার ইউক্রেনের বন্দর চাইছে পোল্যান্ড

৮ ঘণ্টা আগে | পূর্ব-পশ্চিম

বিএনপি ক্ষমতার পাগল নয়, ক্ষমতা বিএনপির প্রাপ্য : ফজলুর রহমান
বিএনপি ক্ষমতার পাগল নয়, ক্ষমতা বিএনপির প্রাপ্য : ফজলুর রহমান

৮ ঘণ্টা আগে | রাজনীতি

শুধু মানুষের নয়, বানরও অর্থবহ ভাষা তৈরি করতে সক্ষম : গবেষণা
শুধু মানুষের নয়, বানরও অর্থবহ ভাষা তৈরি করতে সক্ষম : গবেষণা

৮ ঘণ্টা আগে | পাঁচফোড়ন

শুল্ক ইস্যুতে মার্কিন প্রশাসনের সঙ্গে আলোচনা করবেন প্রধান উপদেষ্টা
শুল্ক ইস্যুতে মার্কিন প্রশাসনের সঙ্গে আলোচনা করবেন প্রধান উপদেষ্টা

৮ ঘণ্টা আগে | বাণিজ্য

ইসরায়েলের বিরুদ্ধে মুসলিমদের জিহাদের আহ্বান জানিয়ে ফতোয়া জারি
ইসরায়েলের বিরুদ্ধে মুসলিমদের জিহাদের আহ্বান জানিয়ে ফতোয়া জারি

৮ ঘণ্টা আগে | পূর্ব-পশ্চিম

যথাসময়ে আমরা নির্বাচন আদায় করে নেব : ইশরাক
যথাসময়ে আমরা নির্বাচন আদায় করে নেব : ইশরাক

৮ ঘণ্টা আগে | রাজনীতি

ভারতে ওয়াকফ সংশোধনী বিল পাসে খেলাফত মজলিসের উদ্বেগ
ভারতে ওয়াকফ সংশোধনী বিল পাসে খেলাফত মজলিসের উদ্বেগ

৮ ঘণ্টা আগে | রাজনীতি

সর্বাধিক পঠিত
আত্মরক্ষার জন্য ইরানের সর্বোচ্চ প্রস্তুতি রয়েছে : সৌদি যুবরাজকে পেজেশকিয়ান
আত্মরক্ষার জন্য ইরানের সর্বোচ্চ প্রস্তুতি রয়েছে : সৌদি যুবরাজকে পেজেশকিয়ান

১৮ ঘণ্টা আগে | পূর্ব-পশ্চিম

আপনার প্রতি শেখ হাসিনার অসম্মানজনক আচরণ দেখেছি : ড. ইউনূসকে বলেন মোদি
আপনার প্রতি শেখ হাসিনার অসম্মানজনক আচরণ দেখেছি : ড. ইউনূসকে বলেন মোদি

১৩ ঘণ্টা আগে | জাতীয়

ইরানে হামলার হুমকি থেকে পিছু হটলেন ট্রাম্প, সরাসরি আলোচনার প্রস্তাব
ইরানে হামলার হুমকি থেকে পিছু হটলেন ট্রাম্প, সরাসরি আলোচনার প্রস্তাব

১৪ ঘণ্টা আগে | পূর্ব-পশ্চিম

যুক্তরাষ্ট্রের শুল্ক ইস্যুতে জরুরি সভা ডেকেছেন প্রধান উপদেষ্টা
যুক্তরাষ্ট্রের শুল্ক ইস্যুতে জরুরি সভা ডেকেছেন প্রধান উপদেষ্টা

১৫ ঘণ্টা আগে | জাতীয়

সাত দিনের মধ্যে যুক্তরাষ্ট্র ছাড়ার নির্দেশ, আতঙ্কে ইউক্রেনীয়রা
সাত দিনের মধ্যে যুক্তরাষ্ট্র ছাড়ার নির্দেশ, আতঙ্কে ইউক্রেনীয়রা

১২ ঘণ্টা আগে | পূর্ব-পশ্চিম

ইসরায়েলের বিরুদ্ধে মুসলিমদের জিহাদের আহ্বান জানিয়ে ফতোয়া জারি
ইসরায়েলের বিরুদ্ধে মুসলিমদের জিহাদের আহ্বান জানিয়ে ফতোয়া জারি

৮ ঘণ্টা আগে | পূর্ব-পশ্চিম

ফিলিস্তিনি জনগণের প্রতি পাকিস্তান সেনা কমান্ডারদের অকুণ্ঠ সমর্থন
ফিলিস্তিনি জনগণের প্রতি পাকিস্তান সেনা কমান্ডারদের অকুণ্ঠ সমর্থন

১২ ঘণ্টা আগে | পূর্ব-পশ্চিম

কালশী ফ্লাইওভারে দুর্ঘটনায় নিহত দুই যুবকের পরিচয় মিলেছে
কালশী ফ্লাইওভারে দুর্ঘটনায় নিহত দুই যুবকের পরিচয় মিলেছে

১২ ঘণ্টা আগে | নগর জীবন

এবার ইউক্রেনের বন্দর চাইছে পোল্যান্ড
এবার ইউক্রেনের বন্দর চাইছে পোল্যান্ড

৮ ঘণ্টা আগে | পূর্ব-পশ্চিম

বিশ্বের শক্তিশালী পাসপোর্টের তালিকায় এক ধাপ এগোল বাংলাদেশ
বিশ্বের শক্তিশালী পাসপোর্টের তালিকায় এক ধাপ এগোল বাংলাদেশ

১৭ ঘণ্টা আগে | জাতীয়

নির্বাচনের কথা বলে মুখে ফেনা তুলে ফেললেই গণতন্ত্র হয় না : নুসরাত তাবাসসুম
নির্বাচনের কথা বলে মুখে ফেনা তুলে ফেললেই গণতন্ত্র হয় না : নুসরাত তাবাসসুম

১৫ ঘণ্টা আগে | রাজনীতি

শরীয়তপুরে দুই গ্রুপের সংঘর্ষ, শতাধিক হাতবোমা বিস্ফোরণ
শরীয়তপুরে দুই গ্রুপের সংঘর্ষ, শতাধিক হাতবোমা বিস্ফোরণ

১৭ ঘণ্টা আগে | দেশগ্রাম

হোয়াইট হাউস থেকে বরখাস্ত একাধিক শীর্ষ কর্মকর্তা, আলোচনায় লরা লুমার
হোয়াইট হাউস থেকে বরখাস্ত একাধিক শীর্ষ কর্মকর্তা, আলোচনায় লরা লুমার

১৯ ঘণ্টা আগে | পূর্ব-পশ্চিম

‘আতঙ্কে তারা ভুল করেছে’: চীনের পাল্টা শুল্ক নিয়ে ট্রাম্প
‘আতঙ্কে তারা ভুল করেছে’: চীনের পাল্টা শুল্ক নিয়ে ট্রাম্প

১৫ ঘণ্টা আগে | পূর্ব-পশ্চিম

পরকীয়া প্রেমে বাধা দেওয়ায় স্বামীর পুরুষাঙ্গ কাটলো স্ত্রী
পরকীয়া প্রেমে বাধা দেওয়ায় স্বামীর পুরুষাঙ্গ কাটলো স্ত্রী

১৭ ঘণ্টা আগে | দেশগ্রাম

একনজরে আজকের বাংলাদেশ প্রতিদিন (৫ এপ্রিল)
একনজরে আজকের বাংলাদেশ প্রতিদিন (৫ এপ্রিল)

২২ ঘণ্টা আগে | জাতীয়

হাতে সব প্রমাণ আছে, আইনিভাবে মোকাবিলা করবো : পরীমণি
হাতে সব প্রমাণ আছে, আইনিভাবে মোকাবিলা করবো : পরীমণি

১৩ ঘণ্টা আগে | শোবিজ

লৌহজংয়ে পাওয়া মরদেহের টুকরোগুলো সাভারের সবুজ মোল্যার
লৌহজংয়ে পাওয়া মরদেহের টুকরোগুলো সাভারের সবুজ মোল্যার

১৫ ঘণ্টা আগে | দেশগ্রাম

চালের দানার চেয়েও ছোট পেসমেকার তৈরি করলেন বিজ্ঞানীরা
চালের দানার চেয়েও ছোট পেসমেকার তৈরি করলেন বিজ্ঞানীরা

২০ ঘণ্টা আগে | বিজ্ঞান

ধূলিঝড়ের পর রাজধানীতে স্বস্তির বৃষ্টি
ধূলিঝড়ের পর রাজধানীতে স্বস্তির বৃষ্টি

৯ ঘণ্টা আগে | নগর জীবন

পিঁয়াজ নিয়ে হতাশ মানিকগঞ্জের কৃষকরা
পিঁয়াজ নিয়ে হতাশ মানিকগঞ্জের কৃষকরা

১৭ ঘণ্টা আগে | দেশগ্রাম

৫.৬ মাত্রার ভূমিকম্পে আবার কেঁপে উঠলো মিয়ানমার
৫.৬ মাত্রার ভূমিকম্পে আবার কেঁপে উঠলো মিয়ানমার

১৯ ঘণ্টা আগে | পূর্ব-পশ্চিম

কোনো স্থানেই ময়লা পোড়ানো যাবে না : পরিবেশ উপদেষ্টা
কোনো স্থানেই ময়লা পোড়ানো যাবে না : পরিবেশ উপদেষ্টা

১৪ ঘণ্টা আগে | জাতীয়

আইপিএলের প্রথমবার দেখা গেল এমন কিছু
আইপিএলের প্রথমবার দেখা গেল এমন কিছু

২১ ঘণ্টা আগে | মাঠে ময়দানে

প্রেমা নেই, শেষ হয়ে গেল পুরো পরিবার
প্রেমা নেই, শেষ হয়ে গেল পুরো পরিবার

১৬ ঘণ্টা আগে | চট্টগ্রাম প্রতিদিন

আরো বাড়ল মিয়ানমারে ভূমিকম্পে মৃতের সংখ্যা
আরো বাড়ল মিয়ানমারে ভূমিকম্পে মৃতের সংখ্যা

১৮ ঘণ্টা আগে | পূর্ব-পশ্চিম

ঢাকাসহ চার বিভাগে বৃষ্টির সম্ভাবনা
ঢাকাসহ চার বিভাগে বৃষ্টির সম্ভাবনা

১৭ ঘণ্টা আগে | জাতীয়

কুমিল্লায় মসজিদ কমিটির সেক্রেটারিকে হত্যার ঘটনায় গ্রেফতার ২
কুমিল্লায় মসজিদ কমিটির সেক্রেটারিকে হত্যার ঘটনায় গ্রেফতার ২

২৩ ঘণ্টা আগে | দেশগ্রাম

শুল্ক ইস্যুতে মার্কিন প্রশাসনের সঙ্গে আলোচনা করবেন প্রধান উপদেষ্টা
শুল্ক ইস্যুতে মার্কিন প্রশাসনের সঙ্গে আলোচনা করবেন প্রধান উপদেষ্টা

৮ ঘণ্টা আগে | বাণিজ্য

যথাসময়ে আমরা নির্বাচন আদায় করে নেব : ইশরাক
যথাসময়ে আমরা নির্বাচন আদায় করে নেব : ইশরাক

৮ ঘণ্টা আগে | রাজনীতি

প্রিন্ট সর্বাধিক
জটিলতা ৫৫ আসনে
জটিলতা ৫৫ আসনে

পেছনের পৃষ্ঠা

সেন্টমার্টিন এখন অন্যরকম
সেন্টমার্টিন এখন অন্যরকম

পেছনের পৃষ্ঠা

মার্কিন পণ্যে কমছে শুল্ক
মার্কিন পণ্যে কমছে শুল্ক

প্রথম পৃষ্ঠা

দূরত্ব কাটাবে ঢাকা-দিল্লি
দূরত্ব কাটাবে ঢাকা-দিল্লি

প্রথম পৃষ্ঠা

ফের উত্তপ্ত হবে রাজপথ
ফের উত্তপ্ত হবে রাজপথ

প্রথম পৃষ্ঠা

ট্রাম্পকাণ্ড রুখে দেওয়ার আহ্বান ওবামার
ট্রাম্পকাণ্ড রুখে দেওয়ার আহ্বান ওবামার

প্রথম পৃষ্ঠা

আজকের ভাগ্যচক্র
আজকের ভাগ্যচক্র

আজকের রাশি

এখনো চ্যালেঞ্জিং রোহিঙ্গা ফেরত
এখনো চ্যালেঞ্জিং রোহিঙ্গা ফেরত

প্রথম পৃষ্ঠা

ধর্ষণের শিকার দুই বোনের দায়িত্ব নিলেন তারেক রহমান
ধর্ষণের শিকার দুই বোনের দায়িত্ব নিলেন তারেক রহমান

প্রথম পৃষ্ঠা

ক্ষমতার মজা পেয়ে গেছেন উপদেষ্টা পরিষদের সবাই
ক্ষমতার মজা পেয়ে গেছেন উপদেষ্টা পরিষদের সবাই

প্রথম পৃষ্ঠা

বুবলীতে মুগ্ধ দর্শক
বুবলীতে মুগ্ধ দর্শক

শোবিজ

সুপার লিগে খেলার লড়াই
সুপার লিগে খেলার লড়াই

মাঠে ময়দানে

রাজবাড়ীতে বিলুপ্তপ্রায় প্রজাতির শকুন উদ্ধার
রাজবাড়ীতে বিলুপ্তপ্রায় প্রজাতির শকুন উদ্ধার

পেছনের পৃষ্ঠা

মিডিয়া সংস্কারে কার স্বার্থে একচোখা সুপারিশ
মিডিয়া সংস্কারে কার স্বার্থে একচোখা সুপারিশ

প্রথম পৃষ্ঠা

যৌন সহিংসতার তথ্য পেয়েছে জাতিসংঘ
যৌন সহিংসতার তথ্য পেয়েছে জাতিসংঘ

প্রথম পৃষ্ঠা

বাণিজ্য ছাড়িয়েছিল হাজার কোটি ডলার
বাণিজ্য ছাড়িয়েছিল হাজার কোটি ডলার

পেছনের পৃষ্ঠা

লাহোরে নিগারদের অনুশীলন
লাহোরে নিগারদের অনুশীলন

মাঠে ময়দানে

আওয়ামী লীগ নিষিদ্ধ করতে হবে
আওয়ামী লীগ নিষিদ্ধ করতে হবে

প্রথম পৃষ্ঠা

জরাজীর্ণ ভবন, নষ্ট এক্স-রে মেশিন
জরাজীর্ণ ভবন, নষ্ট এক্স-রে মেশিন

দেশগ্রাম

ভারতে বিতর্কিত ওয়াক্ফ বিল পাসে জামায়াতের নিন্দা
ভারতে বিতর্কিত ওয়াক্ফ বিল পাসে জামায়াতের নিন্দা

প্রথম পৃষ্ঠা

বিএনপির দুই গ্রুপে সংঘর্ষে একজন নিহত, আহত ৪০
বিএনপির দুই গ্রুপে সংঘর্ষে একজন নিহত, আহত ৪০

প্রথম পৃষ্ঠা

লিচুর ফলন শঙ্কায় চাষি
লিচুর ফলন শঙ্কায় চাষি

দেশগ্রাম

শরীয়তপুরে খোলা মাঠ যেন যুদ্ধক্ষেত্র
শরীয়তপুরে খোলা মাঠ যেন যুদ্ধক্ষেত্র

প্রথম পৃষ্ঠা

সংস্কার শেষেই নির্বাচন দিতে হবে
সংস্কার শেষেই নির্বাচন দিতে হবে

প্রথম পৃষ্ঠা

একই দিনে দুই বিয়ে
একই দিনে দুই বিয়ে

শোবিজ

তেহরানে হামলার হুমকি থেকে পিছু হটলেন ট্রাম্প
তেহরানে হামলার হুমকি থেকে পিছু হটলেন ট্রাম্প

পূর্ব-পশ্চিম

জংলি নিয়ে দর্শকদের সাড়া দেখে আমি আনন্দিত
জংলি নিয়ে দর্শকদের সাড়া দেখে আমি আনন্দিত

শোবিজ

অভিযোগের জবাবে পরী
অভিযোগের জবাবে পরী

শোবিজ

বিশ্বজুড়ে মানবিক সহায়তার সিংহভাগ যুক্তরাষ্ট্র আর বহন করবে না
বিশ্বজুড়ে মানবিক সহায়তার সিংহভাগ যুক্তরাষ্ট্র আর বহন করবে না

পূর্ব-পশ্চিম

ট্রাম্পের শুল্কনীতির কী প্রভাব পড়বে বাংলাদেশে
ট্রাম্পের শুল্কনীতির কী প্রভাব পড়বে বাংলাদেশে

সম্পাদকীয়