শিরোনাম
প্রকাশ: ০০:০০, সোমবার, ১০ মার্চ, ২০২৫

সীমান্তে বিজিবি ও জনতার ঐক্যবদ্ধ প্রতিরোধের ধারা

ব্রিগেডিয়ার জেনারেল মো. বায়েজিদ সরোয়ার, এনডিসি (অব.)
প্রিন্ট ভার্সন
সীমান্তে বিজিবি ও জনতার ঐক্যবদ্ধ প্রতিরোধের ধারা

জানুয়ারি ২০২৫ মাসজুড়ে উত্তরাঞ্চলের কয়েকটি জেলায় ভারতীয় সীমান্তরক্ষী বাহিনীর (বিএসএফ) সীমান্তে শূন্যরেখার কাছে বেড়া নির্মাণ, হত্যাসহ বিভিন্ন আগ্রাসী কর্মকাণ্ডের বিরুদ্ধে বাংলাদেশ বর্ডার গার্ডের (বিজিবি) সঙ্গে প্রতিবাদে নেমেছে হাজারো স্থানীয় জনগণ। গত ৫ আগস্ট  রাজনৈতিক পট পরিবর্তনের পর হঠাৎ পাল্টে গেছে সীমান্তের দৃশ্যপট। বিজিবির প্রহরার সঙ্গে দেশপ্রেমে উদ্বুদ্ধ সীমান্তের সাধারণ মানুষও একাট্টা হয়ে উঠেছে। শুরু হয়েছে আগ্রাসী তৎপরতার বিরুদ্ধে ঐক্যবদ্ধ প্রতিরোধের নতুন ধারা।

সীমান্তে কাস্তে হাতে কৃষকের বার্তা : একটি ছবি সোশ্যাল মিডিয়ায় গত ৭ জানুয়ারি থেকে ভাসছিল। এটি চাঁপাইনবাবগঞ্জের শিবগঞ্জ উপজেলার চৌকা সীমান্তের একটি ঘটনা। একদল বাংলাদেশি সীমান্তরক্ষীর পাশে হাতে কাস্তে, মাথায় গামছা পেঁচানো, লুঙ্গি গেঞ্জিতে আবৃত চিরায়ত বাংলার কৃষকের আহ্বান। এই কৃষক, এই সাধারণ মানুষ, যারা সত্যিকারের দেশপ্রেমিক, তারা আবার জেগেছে। সীমান্তে ভারতকে নতুন বার্তা দিচ্ছে। মাথা উঁচু করে চলার এ বার্তা। জনগণ সঙ্গে থাকলে সৈনিকরা চিরকাল অকুতোভয়। সীমান্তে অপরূপ হলুদ সর্ষে বনে দৃশ্যমান হলো দেশপ্রেমের ঝিলিক। প্রতিরোধে দৃপ্ত এ এক নতুন সীমান্ত জনপদ। সীমান্ত অঞ্চলের এ কৃষকরাই যেন ব্রিটিশ আমলে রংপুরের প্রতিবাদী নূরলদীনের সিলসিলা। আগ্রাসনের বিরুদ্ধে তারা সীমান্তে ডাক দিয়ে যায়- ‘জাগো বাহে কোনঠে সবায়’?

ইতিহাস সাক্ষ্য দেয়, কাস্তে হাতে এ সর্বহারা কৃষকই ব্রিটিশ শাসনের বিরুদ্ধে লড়েছে। তারাই ছিল অত্যাচারী জমিদারদের বিরুদ্ধে হাজী শরিয়তউল্লাহর তেজি লাঠিয়াল। এরা ছিল নূরলদীনের লড়াকু সৈনিক। নাচোলের কৃষক বিদ্রোহ ও তেভাগা আন্দোলনের সাহসী সংগ্রামী কৃষক। ১৯৭১-এর রণাঙ্গনে এ অবহেলিত কৃষক আর অস্ত্র হাতে নেওয়া নিম্নবর্গের খেটে খাওয়া মানুষই ছিল মুক্তিযুদ্ধের সম্মুখসমরের মূল গণযোদ্ধা।

সীমান্তে বিএসএফের নির্মম হত্যাকাণ্ড : বাংলাদেশ ও ভারতের মধ্যে রয়েছে বিশ্বের পঞ্চম দীর্ঘতম ৪ হাজার ১৫৬ কিলোমিটার সীমান্ত। সমসাময়িককালে এ সীমান্তই বিশ্বের সবচেয়ে রক্তঝরা সীমান্ত। শুধু গত ১৬ বছরেই বিএসএফ বাংলাদেশের ৫৮৮ জন মানুষকে হত্যা করছে। অথচ বিগত আওয়ামী লীগ সরকার নতজানু পররাষ্ট্রনীতির কারণে বাংলাদেশের নাগরিকদের হত্যার বিরুদ্ধে কখনো প্রকৃত প্রতিবাদ করেনি। ‘রক্তের সম্পর্ক’ ও ‘বন্ধুরাষ্ট্র’ হিসেবে ব্যাপকভাবে আলোচিত ও উদযাপিত ভারতীয় বাহিনীর হাতেই নির্মমভাবে হত্যার শিকার বাংলাদেশের সীমান্তের মানুষ। এ হত্যা থামছেই না। শেখ হাসিনা ভারতে পালানোর পর সীমান্ত হয়েছে আরও উত্তেজনাপূর্ণ। তবে বাংলাদেশ সরকার ও সীমান্তরক্ষীদের মনোভাবে অনেক পরিবর্তন এসেছে। বিজিবি এখন আত্মবিশ্বাস ফিরে পেয়েছে। দেশের ‘ফার্স্ট লাইন অব ডিফেন্স’ বা ‘প্রথম প্রতিরক্ষাব্যুহ’ হিসেবে পরিচিত বিজিবি ঠান্ডা মাথায় সীমান্তে উসকানিমূলক আগ্রাসী কর্মকাণ্ড মোকাবিলা করেছে।

সীমান্তযুদ্ধে বিজিবি ও জনতার অসাধারণ ঐক্য : সেনাবাহিনী থেকে প্রেষণে নিয়োজিত মূলত সেনা অফিসারদের গতিশীল নেতৃত্বে ‘সীমান্তের অতন্দ্র প্রহরী’ বিজিবি একটি পেশাদার ও কর্তব্যনিষ্ঠ সীমান্ত জনপদসংগঠন হিসেবে মর্যাদা লাভ করে। বিভিন্ন সময় এ বাহিনী আসালং মৌজা, লক্ষ্মীপুর, জকিগঞ্জ, মোগলহাট, উখিয়া, রেজুপাড়া, পাদুয়া, বড়াইবাড়ী, হিলি, আখাউড়া, তোতাদিয়া, টেকনাফ, জকিগঞ্জ, বেরুবাড়িসহ অসংখ্য সীমান্ত সংঘর্ষ/যুদ্ধে ভারতীয় ও মিয়ানমারের সীমান্তরক্ষী বাহিনীর বিরুদ্ধে বীরত্ব প্রদর্শন করেছে। এসব ক্ষেত্রে স্থানীয় জনগণ সর্বাত্মক সহযোগিতা দিয়ে সীমান্তরক্ষীদের পাশে দাঁড়িয়েছে।

১৯৫৮ সালের আগস্ট-সেপ্টেম্বর মাসে ব্রাহ্মণবাড়িয়া জেলার লক্ষ্মীপুর বিওপি এলাকায় বিএসএফ ও ইপিআর (বর্তমানে বিজিবি) এর মধ্যে প্রচণ্ড ‘সীমান্তযুদ্ধ’ সংঘটিত হয়। পরবর্তী সময়ে ১ ইস্ট বেঙ্গল রেজিমেন্টও এ অভিযানে (অপারেশন শাড়ি ড্যান্স) অংশগ্রহণ করেছিল। এ সীমান্তযুদ্ধে স্থানীয় জনগণ অসাধারণ ভূমিকা পালন করে। এ যুদ্ধে ইপিআর ব্যাটালিয়ন কমান্ডার মেজর তোফায়েল মোহাম্মদ ও জমাদার আজম খানের বীরত্বগাথা সেই অঞ্চলে রূপকথার গল্পের মতো ছড়িয়ে পড়েছিল। তাঁদের বীরত্বগাথা পঞ্চম শ্রেণির পাঠ্যসূচিতে (মরণ যাহার চরণ সেবক) অন্তর্ভুক্ত হয়েছিল।

২০০৮ সালে ব্রাহ্মণবাড়িয়া জেলার সরাইলে (বিখ্যাত বিপ্লবী উল্লাসকর দত্তের স্মৃতিবিজড়িত কালিকচ্ছ গ্রামে) অবস্থিত ঐতিহ্যবাহী ১ রাইফেল ব্যাটালিয়নে স্বল্পকালীন দায়িত্ব পালনকালে লক্ষ্মীপুর-মুকুন্দপুরের সীমান্ত এলাকার সেই যুদ্ধকালীন ঘটনাগুলো এলাকাবাসী ও জ্যেষ্ঠ বিজিবি সদস্যদের থেকে জানার সুযোগ হয়েছিল।

আসালং মৌজাযুদ্ধ : ১৯৬২ সালের সেপ্টেম্বর-অক্টোবরে খাগড়াছড়ির (মাটিরাঙ্গা উপজেলা) তাইন্দং বিওপি (১১ উইং) নিকটবর্তী আসালং মৌজায় বড় রকমের একটি ‘সীমান্তযুদ্ধ’ সংঘটিত হয়। সেই সময় ভারতীয় বাহিনী ফেনী নদী/আসালং খাল অতিক্রম করে আসালং মৌজার কিছু অংশ দখল করলে তৎকালীন ইপিআর ও পাকিস্তান সেনাবাহিনীর (৬ এফএফ রেজিমেন্ট) একটি শক্তিশালী দল সেখান থেকে তাদের উৎখাতের জন্য আক্রমণ পরিচালনা করে (অপারেশন কিক অফ)। এ সেনাদলের কোম্পানি কমান্ডার ছিলেন তৎকালীন ক্যাপ্টেন সি আর দত্ত (পরে মেজর জেনারেল বীর উত্তম)। এ যুদ্ধের অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ বিষয় ছিল- দুর্গম অঞ্চলে সৈন্যদের রসদসামগ্রী, অস্ত্র, গোলাবারুদ বহন ও ট্রেঞ্ঝ খননে সাধারণ মানুষের (পাহাড়ি-বাঙালি) অসাধারণ অবদান। এ যুদ্ধের কথা মেজর জেনারেল সি আর দত্ত বীর উত্তম থেকে শোনার সুযোগ হয়েছিল। আসালং মৌজা থেকে কুমিল্লা সেনানিবাসে ফেরার পথে তাঁদের পথে পথে স্থানীয় জনগণ ফুলের মালা দিয়ে সম্মানিত করেছিল। চট্টগ্রাম সেনানিবাসে দায়িত্ব পালনকালে ২০০৬ সালে এ আসালং যুদ্ধক্ষেত্রে আমার যাওয়ার সুযোগ হয়। পাদুয়া ঘটনা এপ্রিল ২০০১- সিলেটে মোতায়েন বিডিআরের একটি সাহসী দল ২০০১ সালের ১৫ এপ্রিল সিলেট জেলার (গোয়াইনঘাট উপজেলা) পাদুয়ায় অবস্থিত দীর্ঘদিন বিএসএফের দখলে থাকা ‘পাদুয়া’ ক্যাম্পটি বিনা রক্তপাতে পুনরুদ্ধার করে।

এ ঘটনায় একদল গ্রামবাসী পরিখা খনন করে সীমান্তরক্ষীদের সহায়তা করেছিল। ১৬ এপ্রিল সূর্য ওঠার পর আশপাশের হাজার হাজার গ্রামবাসী হাজির হয়েছিল পাদুয়া গ্রামে। এটি ছিল অসাধারণ এক দৃশ্য। গ্রামের মানুষ আর বিডিআর সৈনিক সম্পূর্ণ একাত্ম। ১৬ এপ্রিল সকাল থেকে ১৯ এপ্রিল সূর্যাস্ত পর্যন্ত চার দিন গ্রামটিতে উড়েছিল বাংলাদেশের পতাকা। দুঃখজনকভাবে পরে বিডিআরকে ক্যাম্পটি ছেড়ে আসতে হয়।

রৌমারী-বড়াইবাড়ী যুদ্ধ : এপ্রিল ২০০১ পাদুয়া ঘটনার জের ধরে প্রতিশোধমূলক প্রতিক্রিয়ায়, ২০০১ সালের ১৮ এপ্রিল ভারতের বিএসএফের একটি বিশাল বাহিনী রাতের আঁধারে কুড়িগ্রাম জেলার (রৌমারী উপজেলা) ‘বড়াইবাড়ী বিওপি’ আক্রমণ করে। বিওপি কমান্ডার হাবিলদার নজরুল ইসলামের নেতৃত্বে বীরত্বমূলক প্রতিরোধে আক্রমণকারী বিএসএফের ব্যাপক ক্ষয়ক্ষতি হয়। বিএসএফ ১৬ জন মৃত সীমান্ত সেনাকে মাঠে ফেলে পালিয়ে যায়। এ আক্রমণে মোট ৩ জন বিডিআর সদস্য শাহাদাতবরণ করেন। এ ঘটনাটির জন্য সম্পূর্ণরূপে দায়ী ছিল বিএসএফ।

এ যুদ্ধে স্থানীয় জনগণের সম্পৃক্ততা ছিল অবিস্মরণীয়। যুদ্ধের সময় এলাকাবাসী বিডিআরের রসদ, গুলির বাক্স, অস্ত্র ইত্যাদি দলবেঁধে মাথায় করে পৌঁছে দিয়েছিল ক্যাম্পে। খাদ্য সরবরাহ ছাড়াও অন্য অঞ্চল থেকে অতিরিক্ত বিডিআর আসার আগপর্যন্ত এভাবেই জনগণ বিডিআরকে সর্বতোভাবে সহায়তা দান করে। ক্ষুদ্রাকারে হলেও রৌমারী প্রতিরোধযুদ্ধকে একটি জনযুদ্ধে রূপান্তরিত করেছিল।

রেজুপাড়া ঘটনা : ১৯৯১ সালের ২১ ডিসেম্বর সকালে মিয়ানমারের লুন্টিন বাহিনী বান্দরবান জেলার নাইক্ষ্যংছড়ি উপজেলাধীন বিডিআর (বর্তমানে বিজিবি) ব্যাটালিয়নের ‘রেজুপাড়া বিওপি’ অতর্কিত আক্রমণ করে। এর পরিপ্রেক্ষিতে প্রথমবারের মতো বাংলাদেশ সেনাবাহিনী একটি প্রচলিত যুদ্ধের সামরিক অভিযানে (অপারেশন নাফ রক্ষা) নিয়োজিত হয়েছিল। ব্রিগেডিয়ার জেনারেল এম সাখাওয়াত হোসেনের নেতৃত্বে জরুরি ভিত্তিতে একটি পদাতিক ব্যাটালিয়ন ও একটি আর্টিলারি ব্যাটারি ওই এলাকায় মোতায়েন করা হয়। পরে আরও সৈন্য দল আসে, যা ব্রিগেড পর্যায়ে উন্নীত হয়।

এ সময় উখিয়া সীমান্তে নিয়োজিত ছিল লে. কর্নেল কাজী বায়েজীদুল ইসলামের নেতৃত্বাধীন ২৯ ইস্ট বেঙ্গল রেজিমেন্ট (সাপোর্ট ব্যাটালিয়ন)। অতি অল্প সময়ে এ ব্যাটালিয়নের প্রতিরক্ষা অবস্থান তৈরিসহ বিভিন্ন কাজে উখিয়া-নাইক্ষ্যংছড়ি অঞ্চলের জনসাধারণ সেনাবাহিনী ও বিডিআরকে অসাধারণ সহায়তা প্রদান করেছিলেন ।

বাংলাদেশ কাউকে কুর্নিশ করে না : বাংলাদেশের মানুষ প্রতিবেশী রাষ্ট্রগুলোর সঙ্গে শান্তিপূর্ণ সহাবস্থান চায়, তবে তা হতে হবে সমতার ভিত্তিতে। লাখো প্রাণের বিনিময়ে বাংলাদেশ স্বাধীন হয়েছে। বাংলাদেশ কাউকে কুর্নিশ করে না। কোনো আধিপত্য মানে না। ভারতের মিডিয়া, রাজনীতিবিদদের একাংশ, এমনকি সরকার প্রত্যক্ষ বা পরোক্ষভাবে বাংলাদেশবিরোধী প্রচারণা চালাচ্ছে। এ ছাড়াও মোদি সরকার বাংলাদেশবিরোধী নানা পদক্ষেপ গ্রহণ করছে। এ বিষয়ে ব্যাপক সতর্কতা প্রয়োজন।

জাগো বাহে কোনঠে সবায় : বর্তমানে ভারত ও মিয়ানমার দুই সীমান্তেই অস্থিরতা ও জটিল পরিস্থিতি বিদ্যমান। এ সময় সীমান্তরক্ষীদের ঠান্ডা মাথায় ধৈর্য ধরে কিন্তু সাহসিকতা ও দৃঢ়তার সঙ্গে দায়িত্ব পালন করতে হবে। আগামী দিনেও এ ধরনের উসকানিমূলক ও আগ্রাসী আচরণের জবাব দেওয়ার জন্য বিজিবিকে সদা প্রস্তুত থাকতে হবে। তবে এসব ক্ষেত্রে কোনো হঠকারী চিন্তা, অন্ধবিদ্বেষ ও উগ্র পন্থার স্থান নেই।

জনগণ ঐক্যবদ্ধ থাকলে সীমান্তে যেকোনো আগ্রাসনের প্রতিরোধ সম্ভব। বর্তমান বাস্তবতায়, বাংলাদেশের সামরিক বাহিনীকে অবশ্যই ‘ডেটারেন্স’ অর্জন করতে হবে। জনগণের সহযোগিতা বিজিবির বড় শক্তি। জাতীয় ঐক্য সবচেয়ে গুরুত্বপূর্ণ। সবচেয়ে আশাবাদী বিষয় হলো, সীমান্তের মানুষ আবার জেগেছে। যদি কখনো আমাদের মাতৃভূমির ওপর শকুনের দৃষ্টি পড়ে, যদি কোনো বিপদ আসে এ বাংলায়, তখন সীমান্তে নুরলদীনরা আবার ডাক দিয়ে যাবে- ‘জাগো বাহে কোনঠে সবায়’?

লেখক : অবসরপ্রাপ্ত ব্রিগেডিয়ার জেনারেল, গবেষক

[email protected]

এই বিভাগের আরও খবর
তরমুজ-শসা খান
তরমুজ-শসা খান
আহা! ডিজিটাল বাংলাদেশ
আহা! ডিজিটাল বাংলাদেশ
ইউনূস-মোদি বৈঠক
ইউনূস-মোদি বৈঠক
রমজানের শিক্ষা ধরে রাখতে হবে
রমজানের শিক্ষা ধরে রাখতে হবে
ট্রাম্পের শুল্কনীতির কী প্রভাব পড়বে বাংলাদেশে
ট্রাম্পের শুল্কনীতির কী প্রভাব পড়বে বাংলাদেশে
দেশই সবকিছু, ব্যক্তি বা পরিবার নয়
দেশই সবকিছু, ব্যক্তি বা পরিবার নয়
সামাজিক ব্যবসা
সামাজিক ব্যবসা
রপ্তানি খাতে ধাক্কা
রপ্তানি খাতে ধাক্কা
ফিলিস্তিনের নাবলুস নগরী
ফিলিস্তিনের নাবলুস নগরী
জীবনজুড়ে রমজানের রেশ ধরে রাখুন
জীবনজুড়ে রমজানের রেশ ধরে রাখুন
ফুলচাষিদের স্বাস্থ্যঝুঁঁকি
ফুলচাষিদের স্বাস্থ্যঝুঁঁকি
রেমিট্যান্সে আশার আলো
রেমিট্যান্সে আশার আলো
সর্বশেষ খবর
সিরাজগঞ্জে ট্রাক-অটোভ্যান সংঘর্ষে শিশুসহ নিহত ২
সিরাজগঞ্জে ট্রাক-অটোভ্যান সংঘর্ষে শিশুসহ নিহত ২

১৬ মিনিট আগে | দেশগ্রাম

ইউনূস-মোদি বৈঠক বাংলাদেশের জন্য ইতিবাচক : গোলাম পরওয়ার
ইউনূস-মোদি বৈঠক বাংলাদেশের জন্য ইতিবাচক : গোলাম পরওয়ার

২১ মিনিট আগে | রাজনীতি

গাজীপুরে ভ্রাম্যমাণ আদালতের অভিযান, জরিমানা
গাজীপুরে ভ্রাম্যমাণ আদালতের অভিযান, জরিমানা

৩১ মিনিট আগে | দেশগ্রাম

গাইবান্ধায় হস্তশিল্প মেলার নামে চলছে জুয়া ও অশ্লীল নাচ
গাইবান্ধায় হস্তশিল্প মেলার নামে চলছে জুয়া ও অশ্লীল নাচ

৩৬ মিনিট আগে | দেশগ্রাম

নৌকাডুবিতে স্বামীসহ প্রাণ হারালেন ইবি শিক্ষার্থী
নৌকাডুবিতে স্বামীসহ প্রাণ হারালেন ইবি শিক্ষার্থী

৪৫ মিনিট আগে | দেশগ্রাম

নেতাকর্মীদের সতর্ক করলো সিলেট বিএনপি
নেতাকর্মীদের সতর্ক করলো সিলেট বিএনপি

৪৯ মিনিট আগে | চায়ের দেশ

গণহত্যার দায়ে আওয়ামী লীগকে বিচারের আওতায় আনা হোক : সালাউদ্দিন আহমেদ
গণহত্যার দায়ে আওয়ামী লীগকে বিচারের আওতায় আনা হোক : সালাউদ্দিন আহমেদ

১ ঘণ্টা আগে | রাজনীতি

মার্কিন শুল্কারোপ নিয়ে আতঙ্কিত হওয়ার কিছু নেই : খলিলুর রহমান
মার্কিন শুল্কারোপ নিয়ে আতঙ্কিত হওয়ার কিছু নেই : খলিলুর রহমান

১ ঘণ্টা আগে | জাতীয়

পাঞ্জাবকে বড় ব্যবধানে হারালো রাজস্থান
পাঞ্জাবকে বড় ব্যবধানে হারালো রাজস্থান

১ ঘণ্টা আগে | মাঠে ময়দানে

চেন্নাইকে হারিয়ে পয়েন্ট টেবিলের শীর্ষে দিল্লি
চেন্নাইকে হারিয়ে পয়েন্ট টেবিলের শীর্ষে দিল্লি

২ ঘণ্টা আগে | মাঠে ময়দানে

চট্টগ্রামে ছুরিকাঘাতে পোশাক শ্রমিকের মৃত্যু
চট্টগ্রামে ছুরিকাঘাতে পোশাক শ্রমিকের মৃত্যু

২ ঘণ্টা আগে | চট্টগ্রাম প্রতিদিন

ব্রহ্মপুত্র নদে অষ্টমীর স্নান উৎসবে লাখো পুণ্যার্থীর ঢল
ব্রহ্মপুত্র নদে অষ্টমীর স্নান উৎসবে লাখো পুণ্যার্থীর ঢল

৩ ঘণ্টা আগে | দেশগ্রাম

মিডিয়া সংস্কারে কার স্বার্থে একচোখা সুপারিশ
মিডিয়া সংস্কারে কার স্বার্থে একচোখা সুপারিশ

৩ ঘণ্টা আগে | মুক্তমঞ্চ

গাজীপুরে ট্রাকের ধাক্কায় দুই মোটরসাইকেল আরোহী নিহত
গাজীপুরে ট্রাকের ধাক্কায় দুই মোটরসাইকেল আরোহী নিহত

৪ ঘণ্টা আগে | নগর জীবন

শাহবাগে ফুলের দোকানের আগুন নিয়ন্ত্রণে
শাহবাগে ফুলের দোকানের আগুন নিয়ন্ত্রণে

৪ ঘণ্টা আগে | নগর জীবন

শাহবাগে ফুলের দোকানে আগুন
শাহবাগে ফুলের দোকানে আগুন

৪ ঘণ্টা আগে | নগর জীবন

রাশিয়া-ইউক্রেন যুদ্ধে নিহত ইয়াসিনের পরিবারের পাশে তারেক রহমান
রাশিয়া-ইউক্রেন যুদ্ধে নিহত ইয়াসিনের পরিবারের পাশে তারেক রহমান

৫ ঘণ্টা আগে | রাজনীতি

কু-প্রস্তাবে অসম্মতি জানানোয় বিধবাকে পিটিয়ে আহত, বসতবাড়ি ভাঙচুর
কু-প্রস্তাবে অসম্মতি জানানোয় বিধবাকে পিটিয়ে আহত, বসতবাড়ি ভাঙচুর

৬ ঘণ্টা আগে | দেশগ্রাম

এবার ইউক্রেনের বন্দর চাইছে পোল্যান্ড
এবার ইউক্রেনের বন্দর চাইছে পোল্যান্ড

৬ ঘণ্টা আগে | পূর্ব-পশ্চিম

বিএনপি ক্ষমতার পাগল নয়, ক্ষমতা বিএনপির প্রাপ্য : ফজলুর রহমান
বিএনপি ক্ষমতার পাগল নয়, ক্ষমতা বিএনপির প্রাপ্য : ফজলুর রহমান

৬ ঘণ্টা আগে | রাজনীতি

শুধু মানুষের নয়, বানরও অর্থবহ ভাষা তৈরি করতে সক্ষম : গবেষণা
শুধু মানুষের নয়, বানরও অর্থবহ ভাষা তৈরি করতে সক্ষম : গবেষণা

৬ ঘণ্টা আগে | পাঁচফোড়ন

শুল্ক ইস্যুতে মার্কিন প্রশাসনের সঙ্গে আলোচনা করবেন প্রধান উপদেষ্টা
শুল্ক ইস্যুতে মার্কিন প্রশাসনের সঙ্গে আলোচনা করবেন প্রধান উপদেষ্টা

৬ ঘণ্টা আগে | বাণিজ্য

ইসরায়েলের বিরুদ্ধে মুসলিমদের জিহাদের আহ্বান জানিয়ে ফতোয়া জারি
ইসরায়েলের বিরুদ্ধে মুসলিমদের জিহাদের আহ্বান জানিয়ে ফতোয়া জারি

৬ ঘণ্টা আগে | পূর্ব-পশ্চিম

যথাসময়ে আমরা নির্বাচন আদায় করে নেব : ইশরাক
যথাসময়ে আমরা নির্বাচন আদায় করে নেব : ইশরাক

৬ ঘণ্টা আগে | রাজনীতি

ভারতে ওয়াকফ সংশোধনী বিল পাসে খেলাফত মজলিসের উদ্বেগ
ভারতে ওয়াকফ সংশোধনী বিল পাসে খেলাফত মজলিসের উদ্বেগ

৬ ঘণ্টা আগে | রাজনীতি

‌‘দেশে ভোটের অধিকার ফিরিয়ে আনার জন্য আন্দোলন সংগ্রাম করেছি’
‌‘দেশে ভোটের অধিকার ফিরিয়ে আনার জন্য আন্দোলন সংগ্রাম করেছি’

৬ ঘণ্টা আগে | রাজনীতি

শান্তি আলোচনায় সময় ফুরিয়ে আসছে, রাশিয়াকে হুঁশিয়ারি যুক্তরাষ্ট্রের
শান্তি আলোচনায় সময় ফুরিয়ে আসছে, রাশিয়াকে হুঁশিয়ারি যুক্তরাষ্ট্রের

৬ ঘণ্টা আগে | পূর্ব-পশ্চিম

যুক্তরাষ্ট্র-কানাডার শিক্ষার্থীদের জন্য চ্যাটজিপিটি প্লাস ফ্রি, চলবে মে মাস পর্যন্ত
যুক্তরাষ্ট্র-কানাডার শিক্ষার্থীদের জন্য চ্যাটজিপিটি প্লাস ফ্রি, চলবে মে মাস পর্যন্ত

৭ ঘণ্টা আগে | টেক ওয়ার্ল্ড

বদরগঞ্জে বিএনপির দুই গ্রুপের সংঘর্ষে নিহত ১, আহত ৪০
বদরগঞ্জে বিএনপির দুই গ্রুপের সংঘর্ষে নিহত ১, আহত ৪০

৭ ঘণ্টা আগে | নগর জীবন

মাঠজুড়ে সূর্যমুখী ফুলের সমারোহ
মাঠজুড়ে সূর্যমুখী ফুলের সমারোহ

৭ ঘণ্টা আগে | প্রকৃতি ও পরিবেশ

সর্বাধিক পঠিত
আত্মরক্ষার জন্য ইরানের সর্বোচ্চ প্রস্তুতি রয়েছে : সৌদি যুবরাজকে পেজেশকিয়ান
আত্মরক্ষার জন্য ইরানের সর্বোচ্চ প্রস্তুতি রয়েছে : সৌদি যুবরাজকে পেজেশকিয়ান

১৭ ঘণ্টা আগে | পূর্ব-পশ্চিম

আপনার প্রতি শেখ হাসিনার অসম্মানজনক আচরণ দেখেছি : ড. ইউনূসকে বলেন মোদি
আপনার প্রতি শেখ হাসিনার অসম্মানজনক আচরণ দেখেছি : ড. ইউনূসকে বলেন মোদি

১২ ঘণ্টা আগে | জাতীয়

ইরানে হামলার হুমকি থেকে পিছু হটলেন ট্রাম্প, সরাসরি আলোচনার প্রস্তাব
ইরানে হামলার হুমকি থেকে পিছু হটলেন ট্রাম্প, সরাসরি আলোচনার প্রস্তাব

১২ ঘণ্টা আগে | পূর্ব-পশ্চিম

যুক্তরাষ্ট্রের শুল্ক ইস্যুতে জরুরি সভা ডেকেছেন প্রধান উপদেষ্টা
যুক্তরাষ্ট্রের শুল্ক ইস্যুতে জরুরি সভা ডেকেছেন প্রধান উপদেষ্টা

১৩ ঘণ্টা আগে | জাতীয়

সাত দিনের মধ্যে যুক্তরাষ্ট্র ছাড়ার নির্দেশ, আতঙ্কে ইউক্রেনীয়রা
সাত দিনের মধ্যে যুক্তরাষ্ট্র ছাড়ার নির্দেশ, আতঙ্কে ইউক্রেনীয়রা

১১ ঘণ্টা আগে | পূর্ব-পশ্চিম

ফিলিস্তিনি জনগণের প্রতি পাকিস্তান সেনা কমান্ডারদের অকুণ্ঠ সমর্থন
ফিলিস্তিনি জনগণের প্রতি পাকিস্তান সেনা কমান্ডারদের অকুণ্ঠ সমর্থন

১০ ঘণ্টা আগে | পূর্ব-পশ্চিম

কালশী ফ্লাইওভারে দুর্ঘটনায় নিহত দুই যুবকের পরিচয় মিলেছে
কালশী ফ্লাইওভারে দুর্ঘটনায় নিহত দুই যুবকের পরিচয় মিলেছে

১১ ঘণ্টা আগে | নগর জীবন

ইসরায়েলের বিরুদ্ধে মুসলিমদের জিহাদের আহ্বান জানিয়ে ফতোয়া জারি
ইসরায়েলের বিরুদ্ধে মুসলিমদের জিহাদের আহ্বান জানিয়ে ফতোয়া জারি

৬ ঘণ্টা আগে | পূর্ব-পশ্চিম

বিশ্বের শক্তিশালী পাসপোর্টের তালিকায় এক ধাপ এগোল বাংলাদেশ
বিশ্বের শক্তিশালী পাসপোর্টের তালিকায় এক ধাপ এগোল বাংলাদেশ

১৫ ঘণ্টা আগে | জাতীয়

নির্বাচনের কথা বলে মুখে ফেনা তুলে ফেললেই গণতন্ত্র হয় না : নুসরাত তাবাসসুম
নির্বাচনের কথা বলে মুখে ফেনা তুলে ফেললেই গণতন্ত্র হয় না : নুসরাত তাবাসসুম

১৩ ঘণ্টা আগে | রাজনীতি

শরীয়তপুরে দুই গ্রুপের সংঘর্ষ, শতাধিক হাতবোমা বিস্ফোরণ
শরীয়তপুরে দুই গ্রুপের সংঘর্ষ, শতাধিক হাতবোমা বিস্ফোরণ

১৫ ঘণ্টা আগে | দেশগ্রাম

এবার ইউক্রেনের বন্দর চাইছে পোল্যান্ড
এবার ইউক্রেনের বন্দর চাইছে পোল্যান্ড

৬ ঘণ্টা আগে | পূর্ব-পশ্চিম

হোয়াইট হাউস থেকে বরখাস্ত একাধিক শীর্ষ কর্মকর্তা, আলোচনায় লরা লুমার
হোয়াইট হাউস থেকে বরখাস্ত একাধিক শীর্ষ কর্মকর্তা, আলোচনায় লরা লুমার

১৭ ঘণ্টা আগে | পূর্ব-পশ্চিম

‘আতঙ্কে তারা ভুল করেছে’: চীনের পাল্টা শুল্ক নিয়ে ট্রাম্প
‘আতঙ্কে তারা ভুল করেছে’: চীনের পাল্টা শুল্ক নিয়ে ট্রাম্প

১৪ ঘণ্টা আগে | পূর্ব-পশ্চিম

পরকীয়া প্রেমে বাধা দেওয়ায় স্বামীর পুরুষাঙ্গ কাটলো স্ত্রী
পরকীয়া প্রেমে বাধা দেওয়ায় স্বামীর পুরুষাঙ্গ কাটলো স্ত্রী

১৫ ঘণ্টা আগে | দেশগ্রাম

একনজরে আজকের বাংলাদেশ প্রতিদিন (৫ এপ্রিল)
একনজরে আজকের বাংলাদেশ প্রতিদিন (৫ এপ্রিল)

২০ ঘণ্টা আগে | জাতীয়

হাতে সব প্রমাণ আছে, আইনিভাবে মোকাবিলা করবো : পরীমণি
হাতে সব প্রমাণ আছে, আইনিভাবে মোকাবিলা করবো : পরীমণি

১২ ঘণ্টা আগে | শোবিজ

লৌহজংয়ে পাওয়া মরদেহের টুকরোগুলো সাভারের সবুজ মোল্যার
লৌহজংয়ে পাওয়া মরদেহের টুকরোগুলো সাভারের সবুজ মোল্যার

১৪ ঘণ্টা আগে | দেশগ্রাম

চালের দানার চেয়েও ছোট পেসমেকার তৈরি করলেন বিজ্ঞানীরা
চালের দানার চেয়েও ছোট পেসমেকার তৈরি করলেন বিজ্ঞানীরা

১৮ ঘণ্টা আগে | বিজ্ঞান

ধূলিঝড়ের পর রাজধানীতে স্বস্তির বৃষ্টি
ধূলিঝড়ের পর রাজধানীতে স্বস্তির বৃষ্টি

৮ ঘণ্টা আগে | নগর জীবন

পিঁয়াজ নিয়ে হতাশ মানিকগঞ্জের কৃষকরা
পিঁয়াজ নিয়ে হতাশ মানিকগঞ্জের কৃষকরা

১৫ ঘণ্টা আগে | দেশগ্রাম

৫.৬ মাত্রার ভূমিকম্পে আবার কেঁপে উঠলো মিয়ানমার
৫.৬ মাত্রার ভূমিকম্পে আবার কেঁপে উঠলো মিয়ানমার

১৮ ঘণ্টা আগে | পূর্ব-পশ্চিম

কোনো স্থানেই ময়লা পোড়ানো যাবে না : পরিবেশ উপদেষ্টা
কোনো স্থানেই ময়লা পোড়ানো যাবে না : পরিবেশ উপদেষ্টা

১২ ঘণ্টা আগে | জাতীয়

আইপিএলের প্রথমবার দেখা গেল এমন কিছু
আইপিএলের প্রথমবার দেখা গেল এমন কিছু

১৯ ঘণ্টা আগে | মাঠে ময়দানে

আরো বাড়ল মিয়ানমারে ভূমিকম্পে মৃতের সংখ্যা
আরো বাড়ল মিয়ানমারে ভূমিকম্পে মৃতের সংখ্যা

১৬ ঘণ্টা আগে | পূর্ব-পশ্চিম

প্রেমা নেই, শেষ হয়ে গেল পুরো পরিবার
প্রেমা নেই, শেষ হয়ে গেল পুরো পরিবার

১৪ ঘণ্টা আগে | চট্টগ্রাম প্রতিদিন

ঢাকাসহ চার বিভাগে বৃষ্টির সম্ভাবনা
ঢাকাসহ চার বিভাগে বৃষ্টির সম্ভাবনা

১৬ ঘণ্টা আগে | জাতীয়

কুমিল্লায় মসজিদ কমিটির সেক্রেটারিকে হত্যার ঘটনায় গ্রেফতার ২
কুমিল্লায় মসজিদ কমিটির সেক্রেটারিকে হত্যার ঘটনায় গ্রেফতার ২

২১ ঘণ্টা আগে | দেশগ্রাম

জেলেনস্কির নিজ শহরে রুশ ক্ষেপণাস্ত্র হামলায় ১৮ জন নিহত
জেলেনস্কির নিজ শহরে রুশ ক্ষেপণাস্ত্র হামলায় ১৮ জন নিহত

১৬ ঘণ্টা আগে | পূর্ব-পশ্চিম

শুল্ক ইস্যুতে মার্কিন প্রশাসনের সঙ্গে আলোচনা করবেন প্রধান উপদেষ্টা
শুল্ক ইস্যুতে মার্কিন প্রশাসনের সঙ্গে আলোচনা করবেন প্রধান উপদেষ্টা

৬ ঘণ্টা আগে | বাণিজ্য

প্রিন্ট সর্বাধিক
জটিলতা ৫৫ আসনে
জটিলতা ৫৫ আসনে

পেছনের পৃষ্ঠা

দূরত্ব কাটাবে ঢাকা-দিল্লি
দূরত্ব কাটাবে ঢাকা-দিল্লি

প্রথম পৃষ্ঠা

সেন্টমার্টিন এখন অন্যরকম
সেন্টমার্টিন এখন অন্যরকম

পেছনের পৃষ্ঠা

ফের উত্তপ্ত হবে রাজপথ
ফের উত্তপ্ত হবে রাজপথ

প্রথম পৃষ্ঠা

ট্রাম্পকাণ্ড রুখে দেওয়ার আহ্বান ওবামার
ট্রাম্পকাণ্ড রুখে দেওয়ার আহ্বান ওবামার

প্রথম পৃষ্ঠা

মার্কিন পণ্যে কমছে শুল্ক
মার্কিন পণ্যে কমছে শুল্ক

প্রথম পৃষ্ঠা

আজকের ভাগ্যচক্র
আজকের ভাগ্যচক্র

আজকের রাশি

এখনো চ্যালেঞ্জিং রোহিঙ্গা ফেরত
এখনো চ্যালেঞ্জিং রোহিঙ্গা ফেরত

প্রথম পৃষ্ঠা

ধর্ষণের শিকার দুই বোনের দায়িত্ব নিলেন তারেক রহমান
ধর্ষণের শিকার দুই বোনের দায়িত্ব নিলেন তারেক রহমান

প্রথম পৃষ্ঠা

বুবলীতে মুগ্ধ দর্শক
বুবলীতে মুগ্ধ দর্শক

শোবিজ

সুপার লিগে খেলার লড়াই
সুপার লিগে খেলার লড়াই

মাঠে ময়দানে

ক্ষমতার মজা পেয়ে গেছেন উপদেষ্টা পরিষদের সবাই
ক্ষমতার মজা পেয়ে গেছেন উপদেষ্টা পরিষদের সবাই

প্রথম পৃষ্ঠা

মিডিয়া সংস্কারে কার স্বার্থে একচোখা সুপারিশ
মিডিয়া সংস্কারে কার স্বার্থে একচোখা সুপারিশ

প্রথম পৃষ্ঠা

রাজবাড়ীতে বিলুপ্তপ্রায় প্রজাতির শকুন উদ্ধার
রাজবাড়ীতে বিলুপ্তপ্রায় প্রজাতির শকুন উদ্ধার

পেছনের পৃষ্ঠা

লাহোরে নিগারদের অনুশীলন
লাহোরে নিগারদের অনুশীলন

মাঠে ময়দানে

যৌন সহিংসতার তথ্য পেয়েছে জাতিসংঘ
যৌন সহিংসতার তথ্য পেয়েছে জাতিসংঘ

প্রথম পৃষ্ঠা

বাণিজ্য ছাড়িয়েছিল হাজার কোটি ডলার
বাণিজ্য ছাড়িয়েছিল হাজার কোটি ডলার

পেছনের পৃষ্ঠা

আওয়ামী লীগ নিষিদ্ধ করতে হবে
আওয়ামী লীগ নিষিদ্ধ করতে হবে

প্রথম পৃষ্ঠা

জরাজীর্ণ ভবন, নষ্ট এক্স-রে মেশিন
জরাজীর্ণ ভবন, নষ্ট এক্স-রে মেশিন

দেশগ্রাম

লিচুর ফলন শঙ্কায় চাষি
লিচুর ফলন শঙ্কায় চাষি

দেশগ্রাম

ভারতে বিতর্কিত ওয়াক্ফ বিল পাসে জামায়াতের নিন্দা
ভারতে বিতর্কিত ওয়াক্ফ বিল পাসে জামায়াতের নিন্দা

প্রথম পৃষ্ঠা

বিএনপির দুই গ্রুপে সংঘর্ষে একজন নিহত, আহত ৪০
বিএনপির দুই গ্রুপে সংঘর্ষে একজন নিহত, আহত ৪০

প্রথম পৃষ্ঠা

সংস্কার শেষেই নির্বাচন দিতে হবে
সংস্কার শেষেই নির্বাচন দিতে হবে

প্রথম পৃষ্ঠা

শরীয়তপুরে খোলা মাঠ যেন যুদ্ধক্ষেত্র
শরীয়তপুরে খোলা মাঠ যেন যুদ্ধক্ষেত্র

প্রথম পৃষ্ঠা

একই দিনে দুই বিয়ে
একই দিনে দুই বিয়ে

শোবিজ

তেহরানে হামলার হুমকি থেকে পিছু হটলেন ট্রাম্প
তেহরানে হামলার হুমকি থেকে পিছু হটলেন ট্রাম্প

পূর্ব-পশ্চিম

জংলি নিয়ে দর্শকদের সাড়া দেখে আমি আনন্দিত
জংলি নিয়ে দর্শকদের সাড়া দেখে আমি আনন্দিত

শোবিজ

অভিযোগের জবাবে পরী
অভিযোগের জবাবে পরী

শোবিজ

বিশ্বজুড়ে মানবিক সহায়তার সিংহভাগ যুক্তরাষ্ট্র আর বহন করবে না
বিশ্বজুড়ে মানবিক সহায়তার সিংহভাগ যুক্তরাষ্ট্র আর বহন করবে না

পূর্ব-পশ্চিম

ট্রাম্পের শুল্কনীতির কী প্রভাব পড়বে বাংলাদেশে
ট্রাম্পের শুল্কনীতির কী প্রভাব পড়বে বাংলাদেশে

সম্পাদকীয়