শিরোনাম
প্রকাশ: ০০:০০, সোমবার, ১০ মার্চ, ২০২৫ আপডেট: ০০:১১, সোমবার, ১০ মার্চ, ২০২৫

বেহাল দেশ, সহসা উন্নতি অসম্ভব!

গোলাম মাওলা রনি
প্রিন্ট ভার্সন
বেহাল দেশ, সহসা উন্নতি অসম্ভব!

দেশের হালহকিকত কোন দিকে যাচ্ছে। আমরা কি ভালো আছি নাকি মন্দ অবস্থার মধ্যে পড়েছি- সরকার কি ব্যর্থ নাকি তাদের সফলতা অতীতের যেকোনো আমলের চেয়ে ভালো; এসব নিয়ে কোনো আলোচনা হচ্ছে না। কেন হচ্ছে না, সে কথা বলব কিন্তু তার আগে আরও কিছু চলমান সমস্যা নিয়ে আলোচনা করা জরুরি। প্রথমেই বলি, নির্বাচনের কথা। বিএনপি জিদ ধরেছে যে চলতি বছরের ডিসেম্বর মাসের মধ্যেই জাতীয় নির্বাচন হতে হবে। আর জাতীয় নির্বাচনের আগে কোনো অবস্থাতেই স্থানীয় নির্বাচন বরদাশত করবে না দলটি। সরকার অবশ্য বিএনপির সঙ্গে কোনো রকম সংঘাত-সংঘর্ষ বা হানাহানিতে যাচ্ছে না। তারা বাইম মাছ থেরাপি অথবা ধরি মাছ না ছুঁই পানির মতবাদের আলোকে বিভিন্ন অ্যাঙ্গেল থেকে নানা রকম ধোঁয়াশা তৈরি করে চলছে, যা দেখে বোধসম্পন্ন মানুষ শতভাগ নিশ্চিত হয়ে গেছে যে বিএনপির জিদ এ যাত্রায় পূর্ণ হচ্ছে না।

আলোচনার শুরুতে বলেছিলাম, ইদানীংকালে মানুষ রাজনীতি নিয়ে মাথা ঘামাচ্ছে না। সবাই পেটনীতি নিয়ে ব্যস্ত। উদরপূর্তির জন্য ঘুষ-দুর্নীতি, চাঁদাবাজ, ডাকাতি, দখলবাজি, টাউট-বাটপারি ইত্যাদি কর্ম এখন জাতিধর্মবর্ণনির্বিশেষে একই মায়ের পেটের ভাইয়ের মতো- দুই দলে বিভক্ত হয়ে পড়েছে। ছাত্রদল-ছাত্রশিবির-লীগ-সমন্বয়ক এখন আর চেনা যাচ্ছে না। অপকর্মের ক্ষেত্রে সবাই কাঁধে কাঁধ মিলিয়ে যার যা কিছু আছে তা নিয়ে অপর পক্ষের ওপর ঝাঁপিয়ে পড়ছে। অন্যদিকে মজলুমরাও জাতপাত, বর্ণ-বৈষম্য হারিয়ে বর্তমান জমানায় সবাই একই কাতারে দাঁড়াতে নানা রকম ধোঁয়াশাবাধ্য হয়েছে। ধনী-দরিদ্র, নারী-পুরুষ, হিন্দু-মুসলমান, আওয়ামী লীগ-বিএনপি, ব্যবসায়ী-ভিক্ষুক থেকে শুরু করে থানা-পুলিশ, সরকারি আমলা-কামলা কেউই নিরাপদ নন। জালেমদের টার্গেটে পরিণত হলেই কেল্লাফতে। ওদের দাবি মেটাও নচেত মরো।

উল্লিখিত ঘটনা বিগত আওয়ামী লীগ বা বিএনপি জমানার চেয়ে যে সংখ্যায় বেশি হচ্ছে, তা নিশ্চিত করে বলা যাচ্ছে না। তবে অপরাধের ধরন ও প্রকৃতি অনেকটা চেঙ্গিস-হালাকুর মতো নির্মম ও নিষ্ঠুর, যা দেখলে সাধারণ মানুষের অন্তরাত্মা কেঁপে যাচ্ছে। বাড়ির সামনে বুলডোজার- দলবেঁধে অফিস-আদালতে হামলা, দোকানপাট, গাড়ির শোরুম অথবা গৃহস্থবাড়িতে দুর্বৃত্তরা পূর্বঘোষণা দিয়ে হাজির হচ্ছে। তারপর নাচনকুদন, হইহল্লা-ভাঙচুর এবং সবশেষে লুটপাট করে বীরদর্পে চলে যাচ্ছে। রাষ্ট্র, আইনশৃঙ্খলা রক্ষাকারী বাহিনী, সাধারণ জনগণ অনেকটা সাক্ষী গোপালের মতো দেখছে আর ভাবছে কী করা যায়, কী করা উচিত? কী অসভ্যরে বাবা ওসব কাজও কেউ করে এসব কথাও মুখে ভেংচি কেটে সুশীল বাবুরা বলে বেড়াচ্ছেন বটে কিন্তু তাতে কাজের কাজ কিছু হচ্ছে না।

চলমান সময়ের কবলে পড়ে মানুষের বুদ্ধি ভোঁতা হয়ে গেছে- উদ্ভাবনী ক্ষমতা, সিদ্ধান্ত গ্রহণ অথবা ভালো-মন্দের পার্থক্য নিরূপণ করার ক্ষমতাও হারিয়ে ফেলছে। ফলে আগামীকালের কথা না ভেবেই মানুষ কোনোমতে আজকের দিনটি পার করেই স্বস্তির নিঃশ্বাস ফেলছে। সমাজের স্বাভাবিক রীতিনীতি, আশা-আকাক্সক্ষা, প্রেম-ভালোবাসা, বিয়েশাদি থেকে শুরু করে তালাক দেওয়ার ক্ষেত্রেও ছন্দপতন ঘটেছে। ভয়ভীতি, বাঁচা-মরার প্রশ্ন ইত্যাদি সবকিছু এলোমেলো হয়ে গেছে। মাতাল যেভাবে মাদকের নেশায় বাস্তবতা ভুলে যায় তদ্রƒপ চলমান সময়ের চাপে পড়ে যেসব মানুষের রুটি রুজিতে টান পড়েছে তারা কেবল মাতলামো করছে না- অনেক ক্ষেত্রে তারা রুচিহীন অধৈর্য, বেহায়া-বেলেহাজ প্রকৃতির প্রাণীতে পরিণত হচ্ছে।

একটি রাষ্ট্রে যখন বিধিব্যবস্থা সঠিকভাবে কার্যকর থাকে তখন মানুষের আবেগ-অনুভূতি, চিন্তাচেতনা, আশা-আকাক্সক্ষার গতিপ্রকৃতি স্বাভাবিক থাকে এবং মানবজাতির হাজার বছরের ইতিহাসে ঘটে যাওয়া ঘটনা বা দুর্ঘটনার স্বাভাবিকতা থাকে। কিন্তু যে রাষ্ট্রীয় বিধিবিধান কার্যকর থাকে না, সেখানে ভিক্ষুক সাবমেরিন চালাতে চায়- তেলাপোকা রোলেক্স ঘড়ি হাতে দিয়ে রোলস রায়সে চড়ে ব্রিটেনের রাজা-রানিকে চ্যালেঞ্জ জানাতে লন্ডন পাড়ি দেওয়ার জন্য জিদ দেখাতে আরম্ভ করে। আইন যেখানে শক্তি হারিয়ে ফেলে সেখানে রাজাকে ঘাড় ধরে রাজপ্রাসাদ থেকে বের করে রাজকোষ এবং রাজরানির দখল নেওয়ার জন্য পথের ফকিরও সকাল-বিকাল মোচে তা দিতে থাকে।

আমাদের দেশকাল এখন কীভাবে চলছে তা অনুধাবনের জন্য কিছু প্রাকৃতিক বিষয়াদির দিকে নজর দিতে পারেন। সমাজে যখন অন্যায়-অবিচার প্রবল হয়ে পড়ে এবং বিচার চাওয়া কিংবা বিচার চাওয়ার পথগুলো বন্ধ হয়ে যায় তখন অলস-অকর্মণ্য লোকগুলো নির্মম ও নিষ্ঠুর হয়ে পড়ে। তারা তাদের লোভের বাতি জ্বালিয়ে সৎ, পরিশ্রমী ও যোগ্য মানুষের উপার্জিত ধনসম্পদ লুণ্ঠন করে রাতারাতি ধনী হওয়ার জন্য অস্ত্রধারী গ্যাং গড়ে তোলে। তারপর হালাকু-চেঙ্গিসদের দলে ঢুকে মানুষের মাথা দিয়ে পিরামিড তৈরির রেকর্ড বানিয়ে ফেলে। ইতিহাস সাক্ষ্য দেয়, আক্রমণকারী হালাকু বা চেঙ্গিস বাহিনী যে অপকর্ম করেছে তার চেয়ে শতগুণ অপকর্ম করেছে স্থানীয় ধড়িবাজ-অলস-লোভী ও অকর্মণ্য লোকেরা।

শেখ হাসিনার কঠোর শাসন এবং আওয়ামী জমানার অপকর্ম যেসব লোককে লোভাতুর করেছিল- তারা বর্তমানে কী করছে তা আমরা কমবেশি জানি। যারা আগের জমানায় ভিজা বিড়াল ছিল তারা সবাই রয়েল বেঙ্গল টাইগার হয়ে যেভাবে হালুম হুলুম বলে নিরীহ জনগণের ওপর ঝাঁপিয়ে পড়েছে, তা পুরো রাষ্ট্রীয় বিধিব্যবস্থাকে চ্যালেঞ্জের মুখে ঠেলে দিয়েছে। আর যারা বিগত দিনে নিজেদের মজলুম বলে আহাজারি করেছিল তারা এখন জালিম তৈরির কারখানা বানিয়ে সেই কারখানার ব্যবস্থাপনা পরিচালক রূপে দেশ কাল সমাজের ওপর ছড়ি ঘোরাচ্ছে। এ অবস্থায় জাতীয় নির্বাচন, স্থানীয় নির্বাচন কিংবা বর্তমান সরকারের মেয়াদকাল নিয়ে চিন্তা করার মতো মানুষ বাংলার জমিনে খুব কমই আছে। ফলে যারা ক্ষমতায় আছেন তারা যে ঐতিহাসিক মোক্ষম সুযোগটি পেয়ে গেছেন তা হেলায় হারানোর মতো নির্বুদ্ধিতা তারা নিশ্চয়ই প্রদর্শন করবেন না।

রাজনীতির একটি সাধারণ ধর্ম রয়েছে- রয়েছে কতগুলো বৈশিষ্ট্য। একইভাবে রাষ্ট্রক্ষমতারও কতগুলো গতি ও প্রকৃতি থাকে। সাধারণত যুদ্ধ ও দুর্ভিক্ষের সময় ক্ষমতার পালাবদল হয় না। এ জন্য অতীতকালের রাজারা যখন অভ্যন্তরীণভাবে মারাত্মক কোনো সমস্যায় পড়তেন তখন তারা ভিন দেশের সঙ্গে যুদ্ধ বাধিয়ে দিতেন। দ্বিতীয়ত দেশে যখন দুর্ভিক্ষ শুরু হয় তখন মানুষ কেবল পেটের চিন্তায় ব্যস্ত থাকে এবং সাধারণ এই সময়েই স্বৈরাচারী ও ফ্যাসিস্ট প্রকৃতির শাসকের উদ্ভব হয়। আপনারা যদি বিখ্যাত বাইসাইকেল থিপ নামক চলচ্চিত্রটি দেখেন তবে যুদ্ধ-পরবর্তী ইতালির আর্থসামাজিক প্রেক্ষাপট ও মুসোলিনির অভ্যুদয় সম্পর্কে একটি সমীকরণ দাঁড় করাতে পারবেন।

আমাদের দেশের সর্বস্তরে যে সীমাহীন অরাজকতা চলছে তা কোনো রাজনীতি দিয়ে দূর করা সম্ভব নয়। আর অরাজকতার ওষুধ বা প্রতিষেধক কোনো দিনই রাজনৈতিক সমাধান নয়। অন্যদিকে অর্থনীতি, সমাজ, পরিবার এবং ব্যক্তিগত চিন্তা চেতনায় গত এক বছরে যে ধস নেমেছে তা থেকে মুক্তির জন্য অন্তত পাঁচ-সাত বছর সময় প্রয়োজন। ফরাসি বিপ্লবের পর পুরো দেশের চেইন অব কমান্ড প্রতিষ্ঠিত হতে ১০ বছর সময় লেগেছিল। সুতরাং আমাদের দেশে ইতিবাচক কিছু ঘটার জন্য দেশ-কাল-সমাজের বিভিন্ন স্তরে যে গর্ত তৈরি হয়েছে, তা ভরাটের জন্যও সময় দরকার এবং এটাই প্রকৃতির নিয়ম। আমরা ধৈর্য হারিয়ে যত বেশি উন্মাদনা দেখাব ততই আমরা ইতিবাচক পথে ফিরে আসার সুযোগগুলো হারিয়ে ফেলব।

 

লেখক : সাবেক সংসদ সদস্য ও রাজনৈতিক বিশ্লেষক

এই বিভাগের আরও খবর
তরমুজ-শসা খান
তরমুজ-শসা খান
আহা! ডিজিটাল বাংলাদেশ
আহা! ডিজিটাল বাংলাদেশ
ইউনূস-মোদি বৈঠক
ইউনূস-মোদি বৈঠক
রমজানের শিক্ষা ধরে রাখতে হবে
রমজানের শিক্ষা ধরে রাখতে হবে
ট্রাম্পের শুল্কনীতির কী প্রভাব পড়বে বাংলাদেশে
ট্রাম্পের শুল্কনীতির কী প্রভাব পড়বে বাংলাদেশে
দেশই সবকিছু, ব্যক্তি বা পরিবার নয়
দেশই সবকিছু, ব্যক্তি বা পরিবার নয়
সামাজিক ব্যবসা
সামাজিক ব্যবসা
রপ্তানি খাতে ধাক্কা
রপ্তানি খাতে ধাক্কা
ফিলিস্তিনের নাবলুস নগরী
ফিলিস্তিনের নাবলুস নগরী
জীবনজুড়ে রমজানের রেশ ধরে রাখুন
জীবনজুড়ে রমজানের রেশ ধরে রাখুন
ফুলচাষিদের স্বাস্থ্যঝুঁঁকি
ফুলচাষিদের স্বাস্থ্যঝুঁঁকি
রেমিট্যান্সে আশার আলো
রেমিট্যান্সে আশার আলো
সর্বশেষ খবর
পরিবারকে আনন্দ দেওয়া সুন্নত
পরিবারকে আনন্দ দেওয়া সুন্নত

৪ মিনিট আগে | ইসলামী জীবন

মুসলমানের জীবনযাপনে শালীনতা
মুসলমানের জীবনযাপনে শালীনতা

১৯ মিনিট আগে | ইসলামী জীবন

জবি ছাত্রদলের আহ্বায়ক হিমেলকে নিকলীতে গণসংবর্ধনা
জবি ছাত্রদলের আহ্বায়ক হিমেলকে নিকলীতে গণসংবর্ধনা

৪৯ মিনিট আগে | দেশগ্রাম

জামায়াতের দাবি বছর শেষে জাতীয় নির্বাচন : রেজাউল করিম
জামায়াতের দাবি বছর শেষে জাতীয় নির্বাচন : রেজাউল করিম

৫৩ মিনিট আগে | রাজনীতি

সাবেক রেলমন্ত্রী মুজিবুল হকের বাড়িতে ভাঙচুর-অগ্নিসংযোগ
সাবেক রেলমন্ত্রী মুজিবুল হকের বাড়িতে ভাঙচুর-অগ্নিসংযোগ

৫৬ মিনিট আগে | দেশগ্রাম

সিরাজগঞ্জে ট্রাক-অটোভ্যান সংঘর্ষে শিশুসহ নিহত ২
সিরাজগঞ্জে ট্রাক-অটোভ্যান সংঘর্ষে শিশুসহ নিহত ২

১ ঘণ্টা আগে | দেশগ্রাম

ইউনূস-মোদি বৈঠক বাংলাদেশের জন্য ইতিবাচক : গোলাম পরওয়ার
ইউনূস-মোদি বৈঠক বাংলাদেশের জন্য ইতিবাচক : গোলাম পরওয়ার

১ ঘণ্টা আগে | রাজনীতি

গাজীপুরে ভ্রাম্যমাণ আদালতের অভিযান, জরিমানা
গাজীপুরে ভ্রাম্যমাণ আদালতের অভিযান, জরিমানা

২ ঘণ্টা আগে | দেশগ্রাম

গাইবান্ধায় হস্তশিল্প মেলার নামে চলছে জুয়া ও অশ্লীল নাচ
গাইবান্ধায় হস্তশিল্প মেলার নামে চলছে জুয়া ও অশ্লীল নাচ

২ ঘণ্টা আগে | দেশগ্রাম

নৌকাডুবিতে স্বামীসহ প্রাণ হারালেন ইবি শিক্ষার্থী
নৌকাডুবিতে স্বামীসহ প্রাণ হারালেন ইবি শিক্ষার্থী

২ ঘণ্টা আগে | দেশগ্রাম

নেতাকর্মীদের সতর্ক করলো সিলেট বিএনপি
নেতাকর্মীদের সতর্ক করলো সিলেট বিএনপি

২ ঘণ্টা আগে | চায়ের দেশ

গণহত্যার দায়ে আওয়ামী লীগকে বিচারের আওতায় আনা হোক : সালাউদ্দিন আহমেদ
গণহত্যার দায়ে আওয়ামী লীগকে বিচারের আওতায় আনা হোক : সালাউদ্দিন আহমেদ

৩ ঘণ্টা আগে | রাজনীতি

মার্কিন শুল্কারোপ নিয়ে আতঙ্কিত হওয়ার কিছু নেই : খলিলুর রহমান
মার্কিন শুল্কারোপ নিয়ে আতঙ্কিত হওয়ার কিছু নেই : খলিলুর রহমান

৩ ঘণ্টা আগে | জাতীয়

পাঞ্জাবকে বড় ব্যবধানে হারালো রাজস্থান
পাঞ্জাবকে বড় ব্যবধানে হারালো রাজস্থান

৩ ঘণ্টা আগে | মাঠে ময়দানে

চেন্নাইকে হারিয়ে পয়েন্ট টেবিলের শীর্ষে দিল্লি
চেন্নাইকে হারিয়ে পয়েন্ট টেবিলের শীর্ষে দিল্লি

৩ ঘণ্টা আগে | মাঠে ময়দানে

চট্টগ্রামে ছুরিকাঘাতে পোশাক শ্রমিকের মৃত্যু
চট্টগ্রামে ছুরিকাঘাতে পোশাক শ্রমিকের মৃত্যু

৪ ঘণ্টা আগে | চট্টগ্রাম প্রতিদিন

ব্রহ্মপুত্র নদে অষ্টমীর স্নান উৎসবে লাখো পুণ্যার্থীর ঢল
ব্রহ্মপুত্র নদে অষ্টমীর স্নান উৎসবে লাখো পুণ্যার্থীর ঢল

৪ ঘণ্টা আগে | দেশগ্রাম

মিডিয়া সংস্কারে কার স্বার্থে একচোখা সুপারিশ
মিডিয়া সংস্কারে কার স্বার্থে একচোখা সুপারিশ

৫ ঘণ্টা আগে | মুক্তমঞ্চ

গাজীপুরে ট্রাকের ধাক্কায় দুই মোটরসাইকেল আরোহী নিহত
গাজীপুরে ট্রাকের ধাক্কায় দুই মোটরসাইকেল আরোহী নিহত

৫ ঘণ্টা আগে | নগর জীবন

শাহবাগে ফুলের দোকানের আগুন নিয়ন্ত্রণে
শাহবাগে ফুলের দোকানের আগুন নিয়ন্ত্রণে

৫ ঘণ্টা আগে | নগর জীবন

শাহবাগে ফুলের দোকানে আগুন
শাহবাগে ফুলের দোকানে আগুন

৬ ঘণ্টা আগে | নগর জীবন

রাশিয়া-ইউক্রেন যুদ্ধে নিহত ইয়াসিনের পরিবারের পাশে তারেক রহমান
রাশিয়া-ইউক্রেন যুদ্ধে নিহত ইয়াসিনের পরিবারের পাশে তারেক রহমান

৭ ঘণ্টা আগে | রাজনীতি

কু-প্রস্তাবে অসম্মতি জানানোয় বিধবাকে পিটিয়ে আহত, বসতবাড়ি ভাঙচুর
কু-প্রস্তাবে অসম্মতি জানানোয় বিধবাকে পিটিয়ে আহত, বসতবাড়ি ভাঙচুর

৮ ঘণ্টা আগে | দেশগ্রাম

এবার ইউক্রেনের বন্দর চাইছে পোল্যান্ড
এবার ইউক্রেনের বন্দর চাইছে পোল্যান্ড

৮ ঘণ্টা আগে | পূর্ব-পশ্চিম

বিএনপি ক্ষমতার পাগল নয়, ক্ষমতা বিএনপির প্রাপ্য : ফজলুর রহমান
বিএনপি ক্ষমতার পাগল নয়, ক্ষমতা বিএনপির প্রাপ্য : ফজলুর রহমান

৮ ঘণ্টা আগে | রাজনীতি

শুধু মানুষের নয়, বানরও অর্থবহ ভাষা তৈরি করতে সক্ষম : গবেষণা
শুধু মানুষের নয়, বানরও অর্থবহ ভাষা তৈরি করতে সক্ষম : গবেষণা

৮ ঘণ্টা আগে | পাঁচফোড়ন

শুল্ক ইস্যুতে মার্কিন প্রশাসনের সঙ্গে আলোচনা করবেন প্রধান উপদেষ্টা
শুল্ক ইস্যুতে মার্কিন প্রশাসনের সঙ্গে আলোচনা করবেন প্রধান উপদেষ্টা

৮ ঘণ্টা আগে | বাণিজ্য

ইসরায়েলের বিরুদ্ধে মুসলিমদের জিহাদের আহ্বান জানিয়ে ফতোয়া জারি
ইসরায়েলের বিরুদ্ধে মুসলিমদের জিহাদের আহ্বান জানিয়ে ফতোয়া জারি

৮ ঘণ্টা আগে | পূর্ব-পশ্চিম

যথাসময়ে আমরা নির্বাচন আদায় করে নেব : ইশরাক
যথাসময়ে আমরা নির্বাচন আদায় করে নেব : ইশরাক

৮ ঘণ্টা আগে | রাজনীতি

ভারতে ওয়াকফ সংশোধনী বিল পাসে খেলাফত মজলিসের উদ্বেগ
ভারতে ওয়াকফ সংশোধনী বিল পাসে খেলাফত মজলিসের উদ্বেগ

৮ ঘণ্টা আগে | রাজনীতি

সর্বাধিক পঠিত
আত্মরক্ষার জন্য ইরানের সর্বোচ্চ প্রস্তুতি রয়েছে : সৌদি যুবরাজকে পেজেশকিয়ান
আত্মরক্ষার জন্য ইরানের সর্বোচ্চ প্রস্তুতি রয়েছে : সৌদি যুবরাজকে পেজেশকিয়ান

১৮ ঘণ্টা আগে | পূর্ব-পশ্চিম

আপনার প্রতি শেখ হাসিনার অসম্মানজনক আচরণ দেখেছি : ড. ইউনূসকে বলেন মোদি
আপনার প্রতি শেখ হাসিনার অসম্মানজনক আচরণ দেখেছি : ড. ইউনূসকে বলেন মোদি

১৩ ঘণ্টা আগে | জাতীয়

ইরানে হামলার হুমকি থেকে পিছু হটলেন ট্রাম্প, সরাসরি আলোচনার প্রস্তাব
ইরানে হামলার হুমকি থেকে পিছু হটলেন ট্রাম্প, সরাসরি আলোচনার প্রস্তাব

১৪ ঘণ্টা আগে | পূর্ব-পশ্চিম

যুক্তরাষ্ট্রের শুল্ক ইস্যুতে জরুরি সভা ডেকেছেন প্রধান উপদেষ্টা
যুক্তরাষ্ট্রের শুল্ক ইস্যুতে জরুরি সভা ডেকেছেন প্রধান উপদেষ্টা

১৫ ঘণ্টা আগে | জাতীয়

সাত দিনের মধ্যে যুক্তরাষ্ট্র ছাড়ার নির্দেশ, আতঙ্কে ইউক্রেনীয়রা
সাত দিনের মধ্যে যুক্তরাষ্ট্র ছাড়ার নির্দেশ, আতঙ্কে ইউক্রেনীয়রা

১২ ঘণ্টা আগে | পূর্ব-পশ্চিম

ইসরায়েলের বিরুদ্ধে মুসলিমদের জিহাদের আহ্বান জানিয়ে ফতোয়া জারি
ইসরায়েলের বিরুদ্ধে মুসলিমদের জিহাদের আহ্বান জানিয়ে ফতোয়া জারি

৮ ঘণ্টা আগে | পূর্ব-পশ্চিম

ফিলিস্তিনি জনগণের প্রতি পাকিস্তান সেনা কমান্ডারদের অকুণ্ঠ সমর্থন
ফিলিস্তিনি জনগণের প্রতি পাকিস্তান সেনা কমান্ডারদের অকুণ্ঠ সমর্থন

১২ ঘণ্টা আগে | পূর্ব-পশ্চিম

কালশী ফ্লাইওভারে দুর্ঘটনায় নিহত দুই যুবকের পরিচয় মিলেছে
কালশী ফ্লাইওভারে দুর্ঘটনায় নিহত দুই যুবকের পরিচয় মিলেছে

১২ ঘণ্টা আগে | নগর জীবন

এবার ইউক্রেনের বন্দর চাইছে পোল্যান্ড
এবার ইউক্রেনের বন্দর চাইছে পোল্যান্ড

৮ ঘণ্টা আগে | পূর্ব-পশ্চিম

বিশ্বের শক্তিশালী পাসপোর্টের তালিকায় এক ধাপ এগোল বাংলাদেশ
বিশ্বের শক্তিশালী পাসপোর্টের তালিকায় এক ধাপ এগোল বাংলাদেশ

১৭ ঘণ্টা আগে | জাতীয়

নির্বাচনের কথা বলে মুখে ফেনা তুলে ফেললেই গণতন্ত্র হয় না : নুসরাত তাবাসসুম
নির্বাচনের কথা বলে মুখে ফেনা তুলে ফেললেই গণতন্ত্র হয় না : নুসরাত তাবাসসুম

১৫ ঘণ্টা আগে | রাজনীতি

শরীয়তপুরে দুই গ্রুপের সংঘর্ষ, শতাধিক হাতবোমা বিস্ফোরণ
শরীয়তপুরে দুই গ্রুপের সংঘর্ষ, শতাধিক হাতবোমা বিস্ফোরণ

১৭ ঘণ্টা আগে | দেশগ্রাম

হোয়াইট হাউস থেকে বরখাস্ত একাধিক শীর্ষ কর্মকর্তা, আলোচনায় লরা লুমার
হোয়াইট হাউস থেকে বরখাস্ত একাধিক শীর্ষ কর্মকর্তা, আলোচনায় লরা লুমার

১৯ ঘণ্টা আগে | পূর্ব-পশ্চিম

‘আতঙ্কে তারা ভুল করেছে’: চীনের পাল্টা শুল্ক নিয়ে ট্রাম্প
‘আতঙ্কে তারা ভুল করেছে’: চীনের পাল্টা শুল্ক নিয়ে ট্রাম্প

১৫ ঘণ্টা আগে | পূর্ব-পশ্চিম

পরকীয়া প্রেমে বাধা দেওয়ায় স্বামীর পুরুষাঙ্গ কাটলো স্ত্রী
পরকীয়া প্রেমে বাধা দেওয়ায় স্বামীর পুরুষাঙ্গ কাটলো স্ত্রী

১৭ ঘণ্টা আগে | দেশগ্রাম

একনজরে আজকের বাংলাদেশ প্রতিদিন (৫ এপ্রিল)
একনজরে আজকের বাংলাদেশ প্রতিদিন (৫ এপ্রিল)

২২ ঘণ্টা আগে | জাতীয়

হাতে সব প্রমাণ আছে, আইনিভাবে মোকাবিলা করবো : পরীমণি
হাতে সব প্রমাণ আছে, আইনিভাবে মোকাবিলা করবো : পরীমণি

১৩ ঘণ্টা আগে | শোবিজ

লৌহজংয়ে পাওয়া মরদেহের টুকরোগুলো সাভারের সবুজ মোল্যার
লৌহজংয়ে পাওয়া মরদেহের টুকরোগুলো সাভারের সবুজ মোল্যার

১৫ ঘণ্টা আগে | দেশগ্রাম

চালের দানার চেয়েও ছোট পেসমেকার তৈরি করলেন বিজ্ঞানীরা
চালের দানার চেয়েও ছোট পেসমেকার তৈরি করলেন বিজ্ঞানীরা

২০ ঘণ্টা আগে | বিজ্ঞান

ধূলিঝড়ের পর রাজধানীতে স্বস্তির বৃষ্টি
ধূলিঝড়ের পর রাজধানীতে স্বস্তির বৃষ্টি

৯ ঘণ্টা আগে | নগর জীবন

পিঁয়াজ নিয়ে হতাশ মানিকগঞ্জের কৃষকরা
পিঁয়াজ নিয়ে হতাশ মানিকগঞ্জের কৃষকরা

১৭ ঘণ্টা আগে | দেশগ্রাম

৫.৬ মাত্রার ভূমিকম্পে আবার কেঁপে উঠলো মিয়ানমার
৫.৬ মাত্রার ভূমিকম্পে আবার কেঁপে উঠলো মিয়ানমার

১৯ ঘণ্টা আগে | পূর্ব-পশ্চিম

কোনো স্থানেই ময়লা পোড়ানো যাবে না : পরিবেশ উপদেষ্টা
কোনো স্থানেই ময়লা পোড়ানো যাবে না : পরিবেশ উপদেষ্টা

১৪ ঘণ্টা আগে | জাতীয়

আইপিএলের প্রথমবার দেখা গেল এমন কিছু
আইপিএলের প্রথমবার দেখা গেল এমন কিছু

২১ ঘণ্টা আগে | মাঠে ময়দানে

প্রেমা নেই, শেষ হয়ে গেল পুরো পরিবার
প্রেমা নেই, শেষ হয়ে গেল পুরো পরিবার

১৬ ঘণ্টা আগে | চট্টগ্রাম প্রতিদিন

আরো বাড়ল মিয়ানমারে ভূমিকম্পে মৃতের সংখ্যা
আরো বাড়ল মিয়ানমারে ভূমিকম্পে মৃতের সংখ্যা

১৮ ঘণ্টা আগে | পূর্ব-পশ্চিম

ঢাকাসহ চার বিভাগে বৃষ্টির সম্ভাবনা
ঢাকাসহ চার বিভাগে বৃষ্টির সম্ভাবনা

১৭ ঘণ্টা আগে | জাতীয়

কুমিল্লায় মসজিদ কমিটির সেক্রেটারিকে হত্যার ঘটনায় গ্রেফতার ২
কুমিল্লায় মসজিদ কমিটির সেক্রেটারিকে হত্যার ঘটনায় গ্রেফতার ২

২৩ ঘণ্টা আগে | দেশগ্রাম

শুল্ক ইস্যুতে মার্কিন প্রশাসনের সঙ্গে আলোচনা করবেন প্রধান উপদেষ্টা
শুল্ক ইস্যুতে মার্কিন প্রশাসনের সঙ্গে আলোচনা করবেন প্রধান উপদেষ্টা

৮ ঘণ্টা আগে | বাণিজ্য

যথাসময়ে আমরা নির্বাচন আদায় করে নেব : ইশরাক
যথাসময়ে আমরা নির্বাচন আদায় করে নেব : ইশরাক

৮ ঘণ্টা আগে | রাজনীতি

প্রিন্ট সর্বাধিক
জটিলতা ৫৫ আসনে
জটিলতা ৫৫ আসনে

পেছনের পৃষ্ঠা

সেন্টমার্টিন এখন অন্যরকম
সেন্টমার্টিন এখন অন্যরকম

পেছনের পৃষ্ঠা

মার্কিন পণ্যে কমছে শুল্ক
মার্কিন পণ্যে কমছে শুল্ক

প্রথম পৃষ্ঠা

দূরত্ব কাটাবে ঢাকা-দিল্লি
দূরত্ব কাটাবে ঢাকা-দিল্লি

প্রথম পৃষ্ঠা

ফের উত্তপ্ত হবে রাজপথ
ফের উত্তপ্ত হবে রাজপথ

প্রথম পৃষ্ঠা

ট্রাম্পকাণ্ড রুখে দেওয়ার আহ্বান ওবামার
ট্রাম্পকাণ্ড রুখে দেওয়ার আহ্বান ওবামার

প্রথম পৃষ্ঠা

আজকের ভাগ্যচক্র
আজকের ভাগ্যচক্র

আজকের রাশি

এখনো চ্যালেঞ্জিং রোহিঙ্গা ফেরত
এখনো চ্যালেঞ্জিং রোহিঙ্গা ফেরত

প্রথম পৃষ্ঠা

ধর্ষণের শিকার দুই বোনের দায়িত্ব নিলেন তারেক রহমান
ধর্ষণের শিকার দুই বোনের দায়িত্ব নিলেন তারেক রহমান

প্রথম পৃষ্ঠা

ক্ষমতার মজা পেয়ে গেছেন উপদেষ্টা পরিষদের সবাই
ক্ষমতার মজা পেয়ে গেছেন উপদেষ্টা পরিষদের সবাই

প্রথম পৃষ্ঠা

বুবলীতে মুগ্ধ দর্শক
বুবলীতে মুগ্ধ দর্শক

শোবিজ

সুপার লিগে খেলার লড়াই
সুপার লিগে খেলার লড়াই

মাঠে ময়দানে

রাজবাড়ীতে বিলুপ্তপ্রায় প্রজাতির শকুন উদ্ধার
রাজবাড়ীতে বিলুপ্তপ্রায় প্রজাতির শকুন উদ্ধার

পেছনের পৃষ্ঠা

মিডিয়া সংস্কারে কার স্বার্থে একচোখা সুপারিশ
মিডিয়া সংস্কারে কার স্বার্থে একচোখা সুপারিশ

প্রথম পৃষ্ঠা

যৌন সহিংসতার তথ্য পেয়েছে জাতিসংঘ
যৌন সহিংসতার তথ্য পেয়েছে জাতিসংঘ

প্রথম পৃষ্ঠা

বাণিজ্য ছাড়িয়েছিল হাজার কোটি ডলার
বাণিজ্য ছাড়িয়েছিল হাজার কোটি ডলার

পেছনের পৃষ্ঠা

লাহোরে নিগারদের অনুশীলন
লাহোরে নিগারদের অনুশীলন

মাঠে ময়দানে

আওয়ামী লীগ নিষিদ্ধ করতে হবে
আওয়ামী লীগ নিষিদ্ধ করতে হবে

প্রথম পৃষ্ঠা

জরাজীর্ণ ভবন, নষ্ট এক্স-রে মেশিন
জরাজীর্ণ ভবন, নষ্ট এক্স-রে মেশিন

দেশগ্রাম

ভারতে বিতর্কিত ওয়াক্ফ বিল পাসে জামায়াতের নিন্দা
ভারতে বিতর্কিত ওয়াক্ফ বিল পাসে জামায়াতের নিন্দা

প্রথম পৃষ্ঠা

বিএনপির দুই গ্রুপে সংঘর্ষে একজন নিহত, আহত ৪০
বিএনপির দুই গ্রুপে সংঘর্ষে একজন নিহত, আহত ৪০

প্রথম পৃষ্ঠা

লিচুর ফলন শঙ্কায় চাষি
লিচুর ফলন শঙ্কায় চাষি

দেশগ্রাম

শরীয়তপুরে খোলা মাঠ যেন যুদ্ধক্ষেত্র
শরীয়তপুরে খোলা মাঠ যেন যুদ্ধক্ষেত্র

প্রথম পৃষ্ঠা

সংস্কার শেষেই নির্বাচন দিতে হবে
সংস্কার শেষেই নির্বাচন দিতে হবে

প্রথম পৃষ্ঠা

একই দিনে দুই বিয়ে
একই দিনে দুই বিয়ে

শোবিজ

তেহরানে হামলার হুমকি থেকে পিছু হটলেন ট্রাম্প
তেহরানে হামলার হুমকি থেকে পিছু হটলেন ট্রাম্প

পূর্ব-পশ্চিম

জংলি নিয়ে দর্শকদের সাড়া দেখে আমি আনন্দিত
জংলি নিয়ে দর্শকদের সাড়া দেখে আমি আনন্দিত

শোবিজ

অভিযোগের জবাবে পরী
অভিযোগের জবাবে পরী

শোবিজ

বিশ্বজুড়ে মানবিক সহায়তার সিংহভাগ যুক্তরাষ্ট্র আর বহন করবে না
বিশ্বজুড়ে মানবিক সহায়তার সিংহভাগ যুক্তরাষ্ট্র আর বহন করবে না

পূর্ব-পশ্চিম

ট্রাম্পের শুল্কনীতির কী প্রভাব পড়বে বাংলাদেশে
ট্রাম্পের শুল্কনীতির কী প্রভাব পড়বে বাংলাদেশে

সম্পাদকীয়