শিরোনাম
প্রকাশ: ০০:০০, শুক্রবার, ০৭ ফেব্রুয়ারি, ২০২৫ আপডেট: ০৯:১১, শুক্রবার, ০৭ ফেব্রুয়ারি, ২০২৫

মাদারীপুরের মর্মবেদনা

মেজর নাসির উদ্দিন আহাম্মেদ (অব.) পিএইচডি
প্রিন্ট ভার্সন
মাদারীপুরের মর্মবেদনা

দেশপ্রেমিক নাগরিকেরা আবেগের বশে দেশকে মায়ের মর্যাদা দেয়। তখন দেশের নাম হয়ে যায় মাতৃভূমি, যার ইংরেজি রূপ মাদারল্যান্ড। বাংলাদেশ নামের আমাদের এ মাদারল্যান্ডে গত সপ্তাহে বারবার উচ্চারিত হয়েছে দক্ষিণের জেলা মাদারীপুরের নাম। তবে দুঃখের বিষয় এ নাম কোনো সুখবর বা কারও কোনো ইতিবাচক অর্জনের জন্য নয় বরং উচ্চারিত হয়েছে মর্মান্তিক, কলঙ্কজনক ও নেতিবাচক কিছু মর্মকথা নিয়ে।

৩০ জানুয়ারি ২০২৫ বাংলাদেশ পরিসংখ্যান ব্যুরো (বিবিএস) প্রকাশিত বাংলাদেশের দারিদ্র্য মানচিত্র-২০২২ প্রকাশিত হয়, যেখানে দেখা যায় দেশের ৬৪টি জেলার মধ্যে মাদারীপুরে দারিদ্র্যের হার সবচেয়ে বেশি। এ জেলার প্রতি ১০০ জনের মধ্যে ৫৪ দশমিক ৫ জন অর্থাৎ ৫৪ দশমিক ৪ শতাংশ মানুষ দারিদ্র্যসীমার নিচে বসবাস করে। এ জেলার ডাসা উপজেলার অবস্থা সবচেয়ে করুণ, যেখানে ৬৩ দশমিক ২১ শতাংশ মানুষ অর্থাৎ প্রতি তিনজনের মধ্যে প্রায় একজনই দারিদ্র্যসীমার নিচে বাস করে।

২ ফেব্রুয়ারি দেশের বিভিন্ন গণমাধ্যমের মূল খবরে দেখা যায়, সম্ভবত ২৫ জানুয়ারি লিবিয়া থেকে নৌযানে করে ভূমধ্যসাগর পাড়ি দিয়ে ইতালি যাওয়ার চেষ্টা করছিলেন ৫৬ জন আরোহী। এরপর ২৮ থেকে ৩১ জানুয়ারির মধ্যে ২৩টি মৃতদেহ লিবিয়ার সৈকতে ভেসে আসার পরিপ্রেক্ষিতে ওই নৌযানটি ডুবে যাওয়ার এবং অধিকাংশের করুণ মৃত্যুর আশঙ্কা করা হচ্ছে। লিবিয়ার দূতাবাসসূত্র মৃত ২৩ জনের দেহের সঙ্গে কোনো পাসপোর্ট বা পরিচয়পত্র বা অন্য কোনো ডকুমেন্ট না থাকায় অবয়ব (চেহারা) দেখে তাদের বাংলাদেশি হতে পারে বলে মন্তব্য করেছে।

বিভিন্ন টেলিভিশন চ্যানেল ও অনলাইন পোর্টালের অনুসন্ধানে দেখা যায়, এ নৌকাডুবির ঘটনার পর থেকে দেশের দরিদ্রতম জেলা মাদারীপুরের অনেক বাড়িতেই চলছে শোকের মাতম। যারা দুর্ঘটনার শিকার হয়েছেন তাদের অনেকেই নৌকায় ওঠার আগে শেষবারের মতো টেলিফোনে কথা বলেছিলেন আপনজনদের সঙ্গে। এরপর থেকেই সব যোগাযোগ বিচ্ছিন্ন।

এমন করুণ মৃত্যু আমাদের অনেক প্রশ্নের সম্মুখীন করেছে। উন্নয়নের জোয়ার, ঘরে ঘরে চাকরি, দারিদ্র্যবিষয়ক নিম্নমুখী সূচক, ১০০টি শিল্পাঞ্চলে ব্যাপক চাকরির সুযোগ, পদ্মা সেতুর ম্যাজিকে দক্ষিণাঞ্চলের ব্যবসাবাণিজ্য ও শিল্পকারখানার বাম্পার ইত্যাদিই ছিল বিগত বছরগুলোতে দিনে-রাতে হাজারবার শোনা শব্দ, বাক্য, সুর, এমনকি ওয়াজ মাহফিলের হেদায়েতের বাণী। এর বিপরীতে মাদারীপুর জেলার সিংহভাগ মানুষের গরিব থাকা ও জীবনের ঝুঁকি নিয়ে ২০ থেকে ৩০ বছরের যুবকদের স্বাচ্ছন্দ্যের আশায় নৌকায় সাগর পাড়ি দেওয়ার আপ্রাণ প্রচেষ্টা এ উন্নয়নগুলোকে অসার গণ্য করে। দেশে যদি উন্নয়নের এত জোয়ার সত্যি হতো তবে ইউরোপ থেকে ঝুঁকি নিয়ে মানুষ বাংলাদেশে আসত। বাস্তবে ঘটছে উল্টো ঘটনা।

বরিশাল, গোপালগঞ্জ, ফরিদপুর ও শরীয়তপুর জেলা চারদিক থেকে ঘিরে রেখেছে মাদারীপুর জেলাকে। তাই অন্য চারটি জেলার মতো মাদারীপুরেও ছিল আওয়ামী লীগের নিরঙ্কুশ দখলে। মাদারীপুরের মোট তিনটি নির্বাচনি এলাকার মধ্যে মাদারীপুর-১ আসনে ১৯৯১ থেকে ২০২৪ পর্যন্ত ৩৩ বছর সংসদ সদস্য ছিলেন আওয়ামী লীগের নূর-ই-আলম চৌধুরী লিটন। এর আগে এখানে সংসদ সদস্য ছিলেন তারই বাবা ইলিয়াস আহমেদ চৌধুরী।

মাদারীপুরের মর্মবেদনাএই ইলিয়াস আহমেদের মা চৌধুরী ফাতেমা বেগম ছিলেন শেখ মুজিবুর রহমানের বড় বোন। ফলে শেখ হাসিনার ফুফাতো ভাইয়ের ছেলে (ভাতিজা) হিসেবে লিটন ছিলেন শেখ হাসিনার কাছের মানুষ এবং মহান সংসদের দীর্ঘদিনের চিফ হুইপ। এত সুযোগ থাকার পরও ৩৩ বছরে তিনি এলাকার মানুষকে কেন সবচেয়ে দরিদ্র বানিয়ে ছাড়লেন তার জবাব খুঁজে পাওয়া যাবে না। তবে যা পাওয়া যাবে তা হলো, তার ৩৩ বছর এবং তার আগে তার বাবা ও দাদার আমলে হওয়া এলাকার উন্নতির ফিরিস্তি। তবে ক্ষমতার পট পরিবর্তনের পর জানা যায়, লিটনের সাজানো প্রকল্পের প্রস্তাব পরিবর্তন করে চর এলাকার খাসজমি ব্যক্তিমালিকানাধীন দেখিয়ে ৯০০ কোটি টাকায় ক্রয় করে তৎকালীন সরকার। (সূত্র : ডেইলি খবর ২৪ জানুয়ারি ২০২৫)। এখন সেই চর পদ্মায় বিলীন হয়েছে এবং চরের জমি বিক্রি করা সাজানো ভূমিমালিকরা লাপাত্তা। আর দুদক লিটনকে জিজ্ঞাসা করছে ৯০০ কোটি টাকা হিসাবের ব্যাপারে। শুধু এ ৯০০ কোটি টাকাই যদি মাদারীপুরের সাধারণ মানুষ পেত তবে দারিদ্র্যের হার ৫০ দশমিক ৪ শতাংশ থেকে একটু হলেও কমত।

১৯৯১ থেকে ২০১৪- এই ৩৩ বছর মাদারীপুর-২ আসনের সংসদ সদস্য ছিলেন শাজাহান খান। তার বড় পরিচয় তিনি ছিলেন পরিবহন খাতের সম্রাট শাজাহান। পরিবহন শ্রমিক নামে খানসেনারা সড়কে যা চাইতেন তাই হতো। এ খাতে চাঁদার বিশাল সংগ্রহ নিয়ন্ত্রণ করতেন শাজাহান খান। চাঁদার এ টাকা কোথায় যায়, এমন প্রশ্ন যাদের মনে ছিল তাদের প্রশ্নের উত্তর জানিয়ে দৈনিক কালবেলা ২ ফেব্রুয়ারি লিখেছে যে জ্ঞাত আয়বহির্ভূত সম্পদ অর্জনের অভিযোগে শাজাহান, তার স্ত্রী রোকেয়া ও ছেলে আসিবুরের বিরুদ্ধে মামলা করেছে দুদক। আর মেয়ে ঐশীকে দিয়েছে সম্পদ বিবরণী দাখিলের নোটিস। দুদকের দাবি, শাজাহান খান ১১ কোটি ৩৬ লাখ ৫১ হাজার ৫৫৫ টাকা, স্ত্রী রোকেয়া ৪ কোটি ৪৭ লাখ ১৯ হাজার ৮৪৬ টাকা, ছেলে আসিবুর ৯ কোটি ৮৯ লাখ ৬ হাজার ৬৫ টাকা ও মেয়ে ঐশী ১ কেটি ৭১ লাখ ১৮ হাজার ৯২ টাকা জ্ঞাত আয়বহির্ভূত থেকে অর্জন করেছেন। আর শাজাহানের ব্যবসাপ্রতিষ্ঠানে সন্দেহজনকভাবে লেনদেন হয়েছে ৮৬ কোটি ৬৯ লাখ ৩২ হাজার ৭৬৯ টাকা। সব মিলিয়ে দেখা যায়, দেশের সবচেয়ে গরিব জেলার একটি নির্বাচনি এলাকার সংসদ সদস্যের পরিবারের চারজনের প্রকাশিত বা সূত্র মূলে খুঁজে পাওয়া সন্দেহজনক সম্পদের মূল্য ১১৪ কোটি টাকার বেশি।

গরিব জেলা মাদারীপুরের সংসদীয় আসন-৩-এ সাবেক যোগাযোগমন্ত্রী ও প্রুভেন অনেস্ট ম্যান খ্যাত সৈয়দ আবুল হোসেন তিনবার, আওয়ামী লীগের যুগ্ম সাধারণ সম্পাদক বাহাউদ্দিন নাছিম একবার এবং শেখ হাসিনার বিশেষ সহকারী ও আওয়ামী লীগের দপ্তর সম্পাদক মো. আবদুস সোবহান গোলাপ একবার নির্বাচিত হন। এর মধ্যে সৈয়দ আবুল হোসেন পদ্মা সেতু নির্মাণের সময় দুর্নীতির প্রশ্ন ওঠায় দায়িত্ব থেকে আদেশক্রমে অব্যাহতি নেন। আজ তিনি আর আমাদের মাঝে নেই।

আ ফ ম বাহাউদ্দিন নাছিম ও তার স্ত্রীর কেবল নগদ টাকাই ১০ বছরে বেড়েছে ১৬ থেকে ১৭ গুণ। বাহাউদ্দিন নাছিমের টাকা ৪৪ লাখ ৪৫ হাজার থেকে বেড়ে হয় ৭ কোটি ৬৯ লাখ টাকা। অন্যদিকে তার স্ত্রীর টাকা ১৮ লাখ ৯৬ হাজার থেকে বেড়ে হয় ৩ কোটি ৪ লাখ। গরিব জেলার এ আসনের অপর সংসদ সদস্য আবদুস সোবহান মিয়ার অন্তত ৯টি বাড়ি রয়েছে যুক্তরাষ্ট্রের নিউইয়র্কে। দেশেও নানা নামে অঢেল সম্পত্তির মালিক হয়েছিল তার পরিবার, যা তদন্ত করছে দুদক।

দুর্নীতির কশাঘাতে একটি জনপদের মানুষের কী হাল হতে পারে, তার নজির হয়ে থাকবে মাদারীপুর। ৩৩ বছর এ এলাকা একটি দলের এবং প্রায় ক্ষেত্রে একই সংসদ সদস্যের ছায়াতলে থেকে একটা বড় সময় দেশশাসনের দায়িত্বে থাকা দলের আশীর্বাদপুষ্ট হয়েও দেশের সবচেয়ে দরিদ্র জেলা হওয়ার কোনো কারণ থাকতে পারে না। যদি এ এলাকাটি খরাপীড়িত, লবণাক্ত বা অনাবাদি জনপদ হতো বা যুদ্ধে জর্জরিত থাকত তাহলে হয়তো এমনটা মানা যেত। একটি সম্ভাবনাময় জেলার এমন করুণ দৃশ্য ক্ষমার অযোগ্য।

মাদারীপুরের ঘরে ঘরে যখন শোকের মাতম তখনো অজ্ঞাত স্থান থেকে আসা অপ্রত্যাশিত ভাষণ শুনতে হয় মাদারীপুরবাসীকে। এর আগে তাদের এলাকার সংসদ সদস্য বাহাউদ্দিন নাছিম একটি টেলিভিশন সাক্ষাৎকার ও ভেরিফায়েড ফেসবুকে জানিয়েছিলেন, প্রকৃতপক্ষেই আমরা যদি ভুল বা অন্যায় করে থাকি তবে সেই অন্যায়ের জন্য জাতির কাছে ক্ষমা চাইতে আমাদের কোনো আপত্তি অথবা আমরা ক্ষমা চাইব না- এ ধরনের গোঁড়ামি আমাদের ভিতরে কাজ করে না।

এখানে লক্ষণীয় সবচেয়ে দরিদ্র জেলার এই সংসদ সদস্য এখনো যদি ভুল করে থাকি-জাতীয় ভুলের বৃত্ত থেকে বের হতে পারছেন না। নিজ জেলাকে সবচেয়ে গরিব দেখে তিনি হয়তো ভাবছেন :

হে দারিদ্র্য, তুমি মোরে করেছ মহান।

তুমি মোরে দানিয়াছ খ্রিস্টের সম্মান

কণ্টক-মুকুট শোভা। -দিয়াছ, তাপস,

অসঙ্কোচ প্রকাশের দুরন্ত সাহস;

উদ্ধত উলঙ্গ দৃষ্টি, বাণী ক্ষুরধার,

বীণা মোর শাপে তব হল তরবার!

তবে এ কথাও সত্য, এ মাদারীপুরেরই কৃতী সন্তান ফরায়েজি আন্দোলনের অগ্নিপুরুষ মুহাম্মাদ মহসিন উদ্দিন দুদু মিয়া, প্রথম শহীদ মিনারের রূপকার ও ভাষাসৈনিক ডাক্তার গোলাম মাওলা, বাংলা ভাষার অহংকার কবি, সাহিত্যিক ও উপন্যাস রচয়িতা সুনীল গঙ্গোপাধ্যায় (ভারত), বিজ্ঞানলেখক ও বর্তমান বিশ্বের সুপরিচিত পদার্থবিজ্ঞানী স্বপন কুমার গায়েন (আমেরিকা) এবং জগৎখ্যাত প্রকৌশলী এফ আর খান (আমেরিকা) প্রমুখ। মাদারীপুরের ভবিষ্যৎ নেতারা জেলাটিকে মাদারল্যান্ড ভেবে শাজাহান খানের বদলে এফ আর খান, লিটনের বদলে স্বপন, বাহাউদ্দিনের বদলে মহসিন উদ্দিনের জন্ম ও বেড়ে ওঠার সুযোগ করে দেবেন- এটাই প্রত্যাশা। আবদুস সোবহান গোলাপ নয়, সত্যিকারের গোলাপ ফুটুক মাদারল্যান্ড মাদারীপুরের ঘরে ঘরে।

লেখক : গবেষক, বিশ্লেষক ও কলামিস্ট

ইমেইল : [email protected]

এই বিভাগের আরও খবর
সামাজিক ব্যবসা
সামাজিক ব্যবসা
রপ্তানি খাতে ধাক্কা
রপ্তানি খাতে ধাক্কা
ফিলিস্তিনের নাবলুস নগরী
ফিলিস্তিনের নাবলুস নগরী
জীবনজুড়ে রমজানের রেশ ধরে রাখুন
জীবনজুড়ে রমজানের রেশ ধরে রাখুন
ফুলচাষিদের স্বাস্থ্যঝুঁঁকি
ফুলচাষিদের স্বাস্থ্যঝুঁঁকি
রেমিট্যান্সে আশার আলো
রেমিট্যান্সে আশার আলো
ভোটের আলোচনা
ভোটের আলোচনা
বিমসটেক সম্মেলন
বিমসটেক সম্মেলন
ডিজিটাল সংস্কৃতি : ভার্চুয়াল উৎসব
ডিজিটাল সংস্কৃতি : ভার্চুয়াল উৎসব
শাওয়াল মাসের ছয় রোজার পুণ্য
শাওয়াল মাসের ছয় রোজার পুণ্য
ব্যাংককে বৈঠক, ঢাকা-দিল্লিতে গুঞ্জন
ব্যাংককে বৈঠক, ঢাকা-দিল্লিতে গুঞ্জন
এই সময়ের রাজনৈতিক চ্যালেঞ্জ
এই সময়ের রাজনৈতিক চ্যালেঞ্জ
সর্বশেষ খবর
জনবহুল রাজধানী এখনো ফাঁকা, নেই চিরচেনা যানজট
জনবহুল রাজধানী এখনো ফাঁকা, নেই চিরচেনা যানজট

এই মাত্র | নগর জীবন

হাতে সব প্রমাণ আছে, আইনিভাবে মোকাবিলা করবো : পরীমণি
হাতে সব প্রমাণ আছে, আইনিভাবে মোকাবিলা করবো : পরীমণি

১ মিনিট আগে | শোবিজ

ফরিদপুরে বিস্ফোরক মামলায় যুবলীগ নেতা গ্রেফতার
ফরিদপুরে বিস্ফোরক মামলায় যুবলীগ নেতা গ্রেফতার

১০ মিনিট আগে | দেশগ্রাম

খাদ্য নিরাপত্তা নি‌য়ে কো‌নো শঙ্কা নেই : খাদ্য উপদেষ্টা
খাদ্য নিরাপত্তা নি‌য়ে কো‌নো শঙ্কা নেই : খাদ্য উপদেষ্টা

১৩ মিনিট আগে | জাতীয়

ভারতে ওয়াকফ সংশোধনী বিল পাসে জামায়াতের নিন্দা
ভারতে ওয়াকফ সংশোধনী বিল পাসে জামায়াতের নিন্দা

১৭ মিনিট আগে | রাজনীতি

ফরিদপুরে চোরের হাতে প্রাণ গেল প্রবাসীর
ফরিদপুরে চোরের হাতে প্রাণ গেল প্রবাসীর

২১ মিনিট আগে | দেশগ্রাম

ইরানে হামলার হুমকি থেকে পিছু হটলেন ট্রাম্প, সরাসরি আলোচনার প্রস্তাব
ইরানে হামলার হুমকি থেকে পিছু হটলেন ট্রাম্প, সরাসরি আলোচনার প্রস্তাব

২৩ মিনিট আগে | পূর্ব-পশ্চিম

চার বিভাগে বৃষ্টি হলেও তাপপ্রবাহ থাকবে অব্যাহত
চার বিভাগে বৃষ্টি হলেও তাপপ্রবাহ থাকবে অব্যাহত

৩৩ মিনিট আগে | জাতীয়

কোনো স্থানেই ময়লা পোড়ানো যাবে না : পরিবেশ উপদেষ্টা
কোনো স্থানেই ময়লা পোড়ানো যাবে না : পরিবেশ উপদেষ্টা

৩৫ মিনিট আগে | জাতীয়

'দেশে আর কোন ফ্যাসিস্ট যেন জন্মাতে না পারে'
'দেশে আর কোন ফ্যাসিস্ট যেন জন্মাতে না পারে'

৩৯ মিনিট আগে | দেশগ্রাম

নির্বাচনের কথা বলে মুখে ফেনা তুলে ফেললেই গণতন্ত্র হয় না : নুসরাত তাবাসসুম
নির্বাচনের কথা বলে মুখে ফেনা তুলে ফেললেই গণতন্ত্র হয় না : নুসরাত তাবাসসুম

১ ঘণ্টা আগে | রাজনীতি

যুক্তরাষ্ট্রের শুল্ক ইস্যুতে জরুরি সভা ডেকেছেন প্রধান উপদেষ্টা
যুক্তরাষ্ট্রের শুল্ক ইস্যুতে জরুরি সভা ডেকেছেন প্রধান উপদেষ্টা

১ ঘণ্টা আগে | জাতীয়

মুখের গড়ন বুঝে হতে হবে হেয়ার কাট
মুখের গড়ন বুঝে হতে হবে হেয়ার কাট

১ ঘণ্টা আগে | জীবন ধারা

অভিনেতাসহ গ্রেপ্তার ১১, তুরস্কে বয়কট আন্দোলন
অভিনেতাসহ গ্রেপ্তার ১১, তুরস্কে বয়কট আন্দোলন

১ ঘণ্টা আগে | পূর্ব-পশ্চিম

ভাঙ্গায় কিশোর ও গৃহবধূর লাশ উদ্ধার
ভাঙ্গায় কিশোর ও গৃহবধূর লাশ উদ্ধার

১ ঘণ্টা আগে | দেশগ্রাম

গরমে মেকআপ যেন না গলে
গরমে মেকআপ যেন না গলে

১ ঘণ্টা আগে | জীবন ধারা

কিশোরগঞ্জে অষ্টমী স্নানে লাখো পুণ্যার্থীর ঢল
কিশোরগঞ্জে অষ্টমী স্নানে লাখো পুণ্যার্থীর ঢল

১ ঘণ্টা আগে | দেশগ্রাম

পাকিস্তানকে হোয়াইটওয়াশের লজ্জায় ডুবালো নিউজিল্যান্ড
পাকিস্তানকে হোয়াইটওয়াশের লজ্জায় ডুবালো নিউজিল্যান্ড

১ ঘণ্টা আগে | মাঠে ময়দানে

‘স্বতন্ত্র সচিবালয়’ প্রতিষ্ঠার দ্বারপ্রান্তে রয়েছে : প্রধান বিচারপতি
‘স্বতন্ত্র সচিবালয়’ প্রতিষ্ঠার দ্বারপ্রান্তে রয়েছে : প্রধান বিচারপতি

১ ঘণ্টা আগে | জাতীয়

বগুড়ায় শহীদ জিয়া ফুটবল টুর্নামেন্টের সেমি-ফাইনাল অনুষ্ঠিত
বগুড়ায় শহীদ জিয়া ফুটবল টুর্নামেন্টের সেমি-ফাইনাল অনুষ্ঠিত

১ ঘণ্টা আগে | দেশগ্রাম

বাস-অটোরিকাশয়ার সংঘর্ষে নারী নিহত, শিশুসহ আহত ৪
বাস-অটোরিকাশয়ার সংঘর্ষে নারী নিহত, শিশুসহ আহত ৪

১ ঘণ্টা আগে | দেশগ্রাম

কানাডায় ভারতীয় নাগরিক খুন
কানাডায় ভারতীয় নাগরিক খুন

১ ঘণ্টা আগে | পূর্ব-পশ্চিম

জয়পুরহাটে রামদেও বাজলা প্রিমিয়ার লীগের ফাইনাল অনুষ্ঠিত
জয়পুরহাটে রামদেও বাজলা প্রিমিয়ার লীগের ফাইনাল অনুষ্ঠিত

১ ঘণ্টা আগে | দেশগ্রাম

লৌহজংয়ে পাওয়া মরদেহের টুকরোগুলো সাভারের সবুজ মোল্যার
লৌহজংয়ে পাওয়া মরদেহের টুকরোগুলো সাভারের সবুজ মোল্যার

২ ঘণ্টা আগে | দেশগ্রাম

লাঙ্গলবন্দের স্নান ঘিরে ঢাকা-চট্টগ্রাম মহাসড়কে তীব্র যানজট
লাঙ্গলবন্দের স্নান ঘিরে ঢাকা-চট্টগ্রাম মহাসড়কে তীব্র যানজট

২ ঘণ্টা আগে | নগর জীবন

‘আতঙ্কে তারা ভুল করেছে’: চীনের পাল্টা শুল্ক নিয়ে ট্রাম্প
‘আতঙ্কে তারা ভুল করেছে’: চীনের পাল্টা শুল্ক নিয়ে ট্রাম্প

২ ঘণ্টা আগে | পূর্ব-পশ্চিম

চিরচেনা কার্তিককে দেখা গেল অন্যরূপে
চিরচেনা কার্তিককে দেখা গেল অন্যরূপে

২ ঘণ্টা আগে | শোবিজ

বাংলাদেশের মতো সাম্প্রদায়িক সম্প্রীতি কোথাও নেই: স্বরাষ্ট্র উপদেষ্টা
বাংলাদেশের মতো সাম্প্রদায়িক সম্প্রীতি কোথাও নেই: স্বরাষ্ট্র উপদেষ্টা

২ ঘণ্টা আগে | জাতীয়

অনুষ্ঠান থেকে ফেরার পথে দুই ভাইকে কুপিয়ে জখম
অনুষ্ঠান থেকে ফেরার পথে দুই ভাইকে কুপিয়ে জখম

২ ঘণ্টা আগে | দেশগ্রাম

প্রেমা নেই, শেষ হয়ে গেল পুরো পরিবার
প্রেমা নেই, শেষ হয়ে গেল পুরো পরিবার

২ ঘণ্টা আগে | চট্টগ্রাম প্রতিদিন

সর্বাধিক পঠিত
ঈদুল আজহার সম্ভাব্য তারিখ প্রকাশ
ঈদুল আজহার সম্ভাব্য তারিখ প্রকাশ

১৯ ঘণ্টা আগে | পূর্ব-পশ্চিম

প্রথম দফায় ১ লাখ ৮০ হাজার রোহিঙ্গা নিতে রাজি মিয়ানমার
প্রথম দফায় ১ লাখ ৮০ হাজার রোহিঙ্গা নিতে রাজি মিয়ানমার

২১ ঘণ্টা আগে | জাতীয়

আত্মরক্ষার জন্য ইরানের সর্বোচ্চ প্রস্তুতি রয়েছে : সৌদি যুবরাজকে পেজেশকিয়ান
আত্মরক্ষার জন্য ইরানের সর্বোচ্চ প্রস্তুতি রয়েছে : সৌদি যুবরাজকে পেজেশকিয়ান

৪ ঘণ্টা আগে | পূর্ব-পশ্চিম

পর্দায় নয়, এবার সত্যিই বিয়ে করলেন শামীম হাসান সরকার
পর্দায় নয়, এবার সত্যিই বিয়ে করলেন শামীম হাসান সরকার

১৯ ঘণ্টা আগে | শোবিজ

ড. ইউনূস-মোদির ৪০ মিনিটের বৈঠক, আলাপ হলো কী নিয়ে
ড. ইউনূস-মোদির ৪০ মিনিটের বৈঠক, আলাপ হলো কী নিয়ে

২০ ঘণ্টা আগে | জাতীয়

ড. ইউনূস ও মোদির বৈঠক নিয়ে যা জানালেন ভারতের পররাষ্ট্র সচিব
ড. ইউনূস ও মোদির বৈঠক নিয়ে যা জানালেন ভারতের পররাষ্ট্র সচিব

২০ ঘণ্টা আগে | জাতীয়

আওয়ামী লীগের টাকার লোভে না পড়তে দলীয় নেতাদের হুঁশিয়ারি শামা ওবায়েদের
আওয়ামী লীগের টাকার লোভে না পড়তে দলীয় নেতাদের হুঁশিয়ারি শামা ওবায়েদের

১৩ ঘণ্টা আগে | রাজনীতি

প্রতিশোধ নিল চীন, মার্কিন পণ্যের ওপর অতিরিক্ত ৩৪% শুল্ক আরোপ
প্রতিশোধ নিল চীন, মার্কিন পণ্যের ওপর অতিরিক্ত ৩৪% শুল্ক আরোপ

২২ ঘণ্টা আগে | পূর্ব-পশ্চিম

৫ মিলিয়ন ডলারের ‘গোল্ড কার্ড’ ভিসা উন্মোচন করলেন ট্রাম্প
৫ মিলিয়ন ডলারের ‘গোল্ড কার্ড’ ভিসা উন্মোচন করলেন ট্রাম্প

১৮ ঘণ্টা আগে | পূর্ব-পশ্চিম

ঐশ্বরিয়া আমার মেয়ে নয়, কেবল ছেলের বউ : জয়া বচ্চন
ঐশ্বরিয়া আমার মেয়ে নয়, কেবল ছেলের বউ : জয়া বচ্চন

১৮ ঘণ্টা আগে | শোবিজ

অভ্যুত্থানের সময় গ্রেফতার, সৌদিতে জেল খেটে দেশে ফিরলেন ১০ প্রবাসী
অভ্যুত্থানের সময় গ্রেফতার, সৌদিতে জেল খেটে দেশে ফিরলেন ১০ প্রবাসী

২৩ ঘণ্টা আগে | জাতীয়

ড. ইউনূস-মোদি বৈঠক আশার আলো তৈরি করেছে: মির্জা ফখরুল
ড. ইউনূস-মোদি বৈঠক আশার আলো তৈরি করেছে: মির্জা ফখরুল

১৯ ঘণ্টা আগে | রাজনীতি

যুক্তরাষ্ট্রের শুল্ক ইস্যুতে জরুরি সভা ডেকেছেন প্রধান উপদেষ্টা
যুক্তরাষ্ট্রের শুল্ক ইস্যুতে জরুরি সভা ডেকেছেন প্রধান উপদেষ্টা

১ ঘণ্টা আগে | জাতীয়

হোয়াইট হাউস থেকে বরখাস্ত একাধিক শীর্ষ কর্মকর্তা, আলোচনায় লরা লুমার
হোয়াইট হাউস থেকে বরখাস্ত একাধিক শীর্ষ কর্মকর্তা, আলোচনায় লরা লুমার

৫ ঘণ্টা আগে | পূর্ব-পশ্চিম

কালশী ফ্লাইওভারে গাড়ির সঙ্গে মোটরসাইকেলের সংঘর্ষ, দুই যুবক নিহত
কালশী ফ্লাইওভারে গাড়ির সঙ্গে মোটরসাইকেলের সংঘর্ষ, দুই যুবক নিহত

১৪ ঘণ্টা আগে | নগর জীবন

দীর্ঘ ১৫ বছর পর বঞ্চিত কমিউনিটি নেতারা দাওয়াত পেলেন রাষ্ট্রীয় অনুষ্ঠানে
দীর্ঘ ১৫ বছর পর বঞ্চিত কমিউনিটি নেতারা দাওয়াত পেলেন রাষ্ট্রীয় অনুষ্ঠানে

২৩ ঘণ্টা আগে | পরবাস

শরীয়তপুরে দুই গ্রুপের সংঘর্ষ, শতাধিক হাতবোমা বিস্ফোরণ
শরীয়তপুরে দুই গ্রুপের সংঘর্ষ, শতাধিক হাতবোমা বিস্ফোরণ

৩ ঘণ্টা আগে | দেশগ্রাম

প্রধান উপদেষ্টার সঙ্গে শ্রীলঙ্কার প্রধানমন্ত্রীর সাক্ষাৎ
প্রধান উপদেষ্টার সঙ্গে শ্রীলঙ্কার প্রধানমন্ত্রীর সাক্ষাৎ

২৩ ঘণ্টা আগে | জাতীয়

৩০০ আসনে প্রার্থী দেওয়ার চ্যালেঞ্জ নিতে প্রস্তুত এনসিপি: সারজিস
৩০০ আসনে প্রার্থী দেওয়ার চ্যালেঞ্জ নিতে প্রস্তুত এনসিপি: সারজিস

২২ ঘণ্টা আগে | নগর জীবন

বিশ্বের শক্তিশালী পাসপোর্টের তালিকায় এক ধাপ এগোল বাংলাদেশ
বিশ্বের শক্তিশালী পাসপোর্টের তালিকায় এক ধাপ এগোল বাংলাদেশ

৩ ঘণ্টা আগে | জাতীয়

হাসিনার এক মন্তব্যে সংকটে মাদারগঞ্জের সমবায় সমিতি
হাসিনার এক মন্তব্যে সংকটে মাদারগঞ্জের সমবায় সমিতি

১৬ ঘণ্টা আগে | দেশগ্রাম

দুই দিন ধরে তুর্কি বিমানবন্দরে আটকা ২৫০ যাত্রী
দুই দিন ধরে তুর্কি বিমানবন্দরে আটকা ২৫০ যাত্রী

২২ ঘণ্টা আগে | পূর্ব-পশ্চিম

পরকীয়া প্রেমে বাধা দেওয়ায় স্বামীর পুরুষাঙ্গ কাটলো স্ত্রী
পরকীয়া প্রেমে বাধা দেওয়ায় স্বামীর পুরুষাঙ্গ কাটলো স্ত্রী

৩ ঘণ্টা আগে | দেশগ্রাম

একনজরে আজকের বাংলাদেশ প্রতিদিন (৫ এপ্রিল)
একনজরে আজকের বাংলাদেশ প্রতিদিন (৫ এপ্রিল)

৮ ঘণ্টা আগে | জাতীয়

চালের দানার চেয়েও ছোট পেসমেকার তৈরি করলেন বিজ্ঞানীরা
চালের দানার চেয়েও ছোট পেসমেকার তৈরি করলেন বিজ্ঞানীরা

৬ ঘণ্টা আগে | বিজ্ঞান

ইউনূসের সঙ্গে মোদির বৈঠক প্রয়োজন ছিল: মির্জা আব্বাস
ইউনূসের সঙ্গে মোদির বৈঠক প্রয়োজন ছিল: মির্জা আব্বাস

২১ ঘণ্টা আগে | রাজনীতি

৫.৬ মাত্রার ভূমিকম্পে আবার কেঁপে উঠলো মিয়ানমার
৫.৬ মাত্রার ভূমিকম্পে আবার কেঁপে উঠলো মিয়ানমার

৫ ঘণ্টা আগে | পূর্ব-পশ্চিম

গ্রিনল্যান্ডকে এভাবে সংযুক্ত করা যায় না : যুক্তরাষ্ট্রকে ডেনমার্ক
গ্রিনল্যান্ডকে এভাবে সংযুক্ত করা যায় না : যুক্তরাষ্ট্রকে ডেনমার্ক

২৩ ঘণ্টা আগে | পূর্ব-পশ্চিম

মিয়ানমারে বাংলাদেশ সশস্ত্র বাহিনীর নেতৃত্বে উদ্ধার ও চিকিৎসা কার্যক্রম অব্যাহত
মিয়ানমারে বাংলাদেশ সশস্ত্র বাহিনীর নেতৃত্বে উদ্ধার ও চিকিৎসা কার্যক্রম অব্যাহত

১৫ ঘণ্টা আগে | জাতীয়

আইপিএলের প্রথমবার দেখা গেল এমন কিছু
আইপিএলের প্রথমবার দেখা গেল এমন কিছু

৭ ঘণ্টা আগে | মাঠে ময়দানে

প্রিন্ট সর্বাধিক
সুবিধাবাদী হাইব্রিডে অতিষ্ঠ বিএনপি
সুবিধাবাদী হাইব্রিডে অতিষ্ঠ বিএনপি

প্রথম পৃষ্ঠা

মুজিব ছিলেন বেপরোয়া
মুজিব ছিলেন বেপরোয়া

প্রথম পৃষ্ঠা

চলতি বছর টাইগারদের ৬ টেস্ট
চলতি বছর টাইগারদের ৬ টেস্ট

মাঠে ময়দানে

দেশের প্রযুক্তি খাতে বিপ্লব ঘটাবে স্টারলিংক
দেশের প্রযুক্তি খাতে বিপ্লব ঘটাবে স্টারলিংক

প্রথম পৃষ্ঠা

হাসিনাকে চাইল বাংলাদেশ
হাসিনাকে চাইল বাংলাদেশ

প্রথম পৃষ্ঠা

ধুঁকছেন পেট্রাপোলের ব্যবসায়ীরাও
ধুঁকছেন পেট্রাপোলের ব্যবসায়ীরাও

পেছনের পৃষ্ঠা

ইলিশের দামে আগুন
ইলিশের দামে আগুন

পেছনের পৃষ্ঠা

আজকের ভাগ্যচক্র
আজকের ভাগ্যচক্র

আজকের রাশি

দীর্ঘদিন ক্ষমতা আঁকড়ে রাখার চিন্তা করলে জনগণ মেনে নেবে না
দীর্ঘদিন ক্ষমতা আঁকড়ে রাখার চিন্তা করলে জনগণ মেনে নেবে না

নগর জীবন

মুখোমুখি সরকার-আইএমএফ
মুখোমুখি সরকার-আইএমএফ

প্রথম পৃষ্ঠা

‘মিনি জাফলংয়ে’ স্বাস্থ্যঝুঁকি
‘মিনি জাফলংয়ে’ স্বাস্থ্যঝুঁকি

নগর জীবন

রাজশাহী বিএনপিতে ত্রিধারা
রাজশাহী বিএনপিতে ত্রিধারা

নগর জীবন

দক্ষিণ এশিয়ার ইসরায়েল ভারত
দক্ষিণ এশিয়ার ইসরায়েল ভারত

পেছনের পৃষ্ঠা

চট্টগ্রাম-কক্সবাজার সড়কে শঙ্কা
চট্টগ্রাম-কক্সবাজার সড়কে শঙ্কা

পেছনের পৃষ্ঠা

কবির-মুসার বিরুদ্ধে এবার জালিয়াতির অভিযোগ
কবির-মুসার বিরুদ্ধে এবার জালিয়াতির অভিযোগ

নগর জীবন

আত্রাই নদীর চরে কুমড়াবাড়ি!
আত্রাই নদীর চরে কুমড়াবাড়ি!

পেছনের পৃষ্ঠা

হচ্ছে বাম দলের বৃহত্তর জোট!
হচ্ছে বাম দলের বৃহত্তর জোট!

প্রথম পৃষ্ঠা

নতুন জীবনের খোঁজে মাহি
নতুন জীবনের খোঁজে মাহি

শোবিজ

এবার জনগণ ভোটাধিকার ফিরে পাবে
এবার জনগণ ভোটাধিকার ফিরে পাবে

প্রথম পৃষ্ঠা

জমজমাট বিনোদন কেন্দ্রগুলো
জমজমাট বিনোদন কেন্দ্রগুলো

পেছনের পৃষ্ঠা

আমাদের সম্পর্কটা বড় ভাই-ছোট ভাইয়ের মতো
আমাদের সম্পর্কটা বড় ভাই-ছোট ভাইয়ের মতো

শোবিজ

বাছাইপর্ব টপকাতে প্রস্তুত নিগাররা
বাছাইপর্ব টপকাতে প্রস্তুত নিগাররা

মাঠে ময়দানে

১ লাখ ৮০ হাজার রোহিঙ্গা ফেরত নেবে মিয়ানমার
১ লাখ ৮০ হাজার রোহিঙ্গা ফেরত নেবে মিয়ানমার

প্রথম পৃষ্ঠা

নিশোর মুখে শাকিববন্দনা
নিশোর মুখে শাকিববন্দনা

শোবিজ

অভিযোগে মোশাররফ করিমের জবাব
অভিযোগে মোশাররফ করিমের জবাব

শোবিজ

প্রয়োজনীয় সংস্কার শেষে দ্রুত নির্বাচন
প্রয়োজনীয় সংস্কার শেষে দ্রুত নির্বাচন

প্রথম পৃষ্ঠা

প্রয়োজনীয় সংস্কার করে দ্রুত নির্বাচন দিতে হবে
প্রয়োজনীয় সংস্কার করে দ্রুত নির্বাচন দিতে হবে

প্রথম পৃষ্ঠা

চলে যাচ্ছেন ম্যানসিটির ডি ব্রুইন
চলে যাচ্ছেন ম্যানসিটির ডি ব্রুইন

মাঠে ময়দানে

কলকাতার জার্সিতে ২০০ উইকেট
কলকাতার জার্সিতে ২০০ উইকেট

মাঠে ময়দানে

মেয়েদের ২০৩১ বিশ্বকাপ যুক্তরাষ্ট্রে
মেয়েদের ২০৩১ বিশ্বকাপ যুক্তরাষ্ট্রে

মাঠে ময়দানে