শিরোনাম
প্রকাশ: ০০:০০, রবিবার, ২৬ জানুয়ারি, ২০২৫ আপডেট: ০০:২২, রবিবার, ২৬ জানুয়ারি, ২০২৫

ফ্যাসিবাদের প্রত্যাবর্তন ঠেকাতে দরকার দ্রুত নির্বাচন

অদিতি করিম
প্রিন্ট ভার্সন
ফ্যাসিবাদের প্রত্যাবর্তন ঠেকাতে দরকার দ্রুত নির্বাচন

নির্বাচন নিয়ে দেশে এক অপ্রয়োজনীয় তর্ক সৃষ্টি হয়েছে। নির্বাচন দ্রুত হোক কেউ কেউ চায় না। নির্বাচন নিয়ে কারও কারও মধ্যে গায়ে পড়ে ঝগড়া করার প্রবণতাও দেখা যাচ্ছে। দেশে এখন একটি অন্তর্বর্তী সরকার। এই সরকারের প্রধান দায়িত্ব হলো পতিত আওয়ামী লীগ সরকারের সৃষ্ট জঞ্জাল মোটামুটি পরিষ্কার করে একটি নির্বাচিত প্রতিনিধির কাছে ক্ষমতা হস্তান্তর করা। জনগণের নির্বাচিত প্রতিনিধিরা জনগণের আশা-আকাঙ্ক্ষার ভিত্তিতে নতুন বাংলাদেশ গড়ে তুলবে। এটাই জনগণের প্রত্যাশা। কিন্তু অন্তর্বর্তী সরকারের দায়িত্ব গ্রহণের সাড়ে পাঁচ মাস পেরিয়ে গেলেও এখন পর্যন্ত নির্বাচনের কোনো সুনির্দিষ্ট রূপরেখা পাওয়া যায়নি। যদিও প্রধান উপদেষ্টা আশ্বস্ত করেছেন, চলতি বছরের শেষ দিকে অথবা আগামী বছরের প্রথমার্ধে নির্বাচন হবে। কিন্তু নির্বাচন নিয়ে নানা রকম অনিশ্চয়তা এবং বিভিন্নমুখী কথাবার্তা রাজনৈতিক অঙ্গনকে ক্রমশ ঘোলাটে করছে। এই ঘোলাটে পরিবেশে পতিত স্বৈরাচারের পুনর্বাসনের সুযোগ সৃষ্টি হতে পারে বলেই অনেকের আশঙ্কা।

সংস্কার আগে নাকি নির্বাচন আগে? শেখ হাসিনাসহ আওয়ামী লীগ সরকারের দুর্নীতিবাজ, গণহত্যাকারীদের বিচার আগে না নির্বাচন আগে এ ধরনের প্রশ্নে রাজনৈতিক অঙ্গন এখন বিভক্ত। আমার মনে হয় এই প্রশ্নগুলো অবান্তর প্রশ্ন। যারা এসব বিতর্ক উসকে দিচ্ছে তাদের অন্য মতলব আছে।

প্রথমেই বলে রাখা দরকার, সংস্কার একটি চলমান প্রক্রিয়া। সংস্কার কোনো সোনার পাথরবাটি বা বটিকা নয়, এটি সেবন করলেই সবকিছু ঠিকঠাক হয়ে যাবে। বিভিন্ন সময়ে বিভিন্ন প্রেক্ষাপটে সংস্কারের প্রয়োজন হয়। আজকে যেটি সঠিক, কালকে সেটি হয়তো পরিবর্তনের প্রয়োজন হতে পারে। এভাবেই বিশ্ব প্রকৃতি চলে। সংস্কারের কোনো নির্দিষ্ট ফর্মুলা নেই। তাই সংস্কারের সঙ্গে নির্বাচনের কোনো বৈরিতা আছে বলে অন্তত আমি মনে করি না। আবার অবাধ, সুষ্ঠু ও নিরপেক্ষ নির্বাচনের নির্বাচন সংস্কার অত্যন্ত জরুরি। গত ১৫ বছরে বাংলাদেশে যে নির্বাচনগুলো হয়েছে সেই নির্বাচনগুলো শুধু প্রশ্নবিদ্ধই নয়, হাস্যকর এবং দুর্ভাগ্যজনক বটে। বিশেষ করে ২০১৪ সালের ৫ জানুয়ারি বিনা ভোটে নির্বাচন কিংবা ২০১৮-এর রাতের ভোট বাংলাদেশের পুরো নির্বাচনব্যবস্থাকেই কলঙ্কিত করেছে। ক্ষমতায় টিকে থাকার জন্য আওয়ামী লীগ সরকার নির্বাচন আইনের বিভিন্ন সংশোধন করেছিল। নির্বাচন কমিশনের ক্ষমতাকে কুক্ষিগত করা হয়েছিল। এমনকি নির্বাচনে জবাবদিহির পথও রুদ্ধ করে দেওয়া হয়েছিল। এ কারণে নির্বাচন সংস্কার অত্যন্ত জরুরি। তা ছাড়া বিগত সরকারের আমলে ভোটার তালিকায় বিএনপি, জামায়াতসহ বিভিন্ন রাজনৈতিক দলের অনেককেই অন্তর্ভুক্ত করা হয়নি। তারা নানাভাবে পালিয়ে ছিলেন। কেউ কেউ জেল, জেলজুলুম-অত্যাচার সহ্য করেছেন। অনেকে দেশত্যাগে বাধ্য হয়েছেন। কাজেই জনগণের একটি অংশ এত দিনের নির্বাচনে ভোটার তালিকাতে অন্তর্ভুক্ত পর্যন্ত হতে পারেননি। তাদের ভোটার তালিকায় অন্তর্ভুক্ত করাটা অত্যন্ত জরুরি কাজ। ভোটার নিবন্ধন, নির্বাচনের আইন সংস্কার, নির্বাচনে ভোট গ্রহণ প্রক্রিয়ার জবাবদিহি নিশ্চিত করা ইত্যাদি সংস্কার অত্যন্ত জরুরি। এই সংস্কার কাজগুলো শেষ করেই দেশকে নির্বাচনমুখী করা উচিত।

ফ্যাসিবাদের প্রত্যাবর্তন ঠেকাতে দরকার দ্রুত নির্বাচনদ্বিতীয় প্রশ্ন হলো, জুলাই গণহত্যার বিচার প্রক্রিয়া আগে শেষ হবে নাকি নির্বাচন আগে হবে? এটিও একটি অন্যটির সঙ্গে সাংঘর্ষিক নয়। বিচার এবং নির্বাচন দুটি ভিন্ন প্রসঙ্গ। বিচারের সঙ্গে নির্বাচনের কোনো বিরোধ নেই। বাংলাদেশের যে বিচারব্যবস্থা তা ঐতিহাসিকভাবে দীর্ঘসূত্রতায় আবদ্ধ এবং ঔপনিবেশিক আমলের আইনের বাধা। যে কারণে এই বিচারপ্রক্রিয়া সময়সাপেক্ষ। তা ছাড়া আইনের শাসনের প্রধান শর্তই হলো অপরাধ সন্দেহাতীতভাবে প্রমাণিত হতে হয়। আন্তর্জাতিক অপরাধ ট্রাইব্যুনালে শেখ হাসিনাসহ গণহত্যার সঙ্গে সংশ্লিষ্ট ব্যক্তিদের বিচার হচ্ছে। এই বিচারপ্রক্রিয়ায় যেমন স্বচ্ছতা, নিরপেক্ষতা জরুরি, তেমনি এই বিচারপ্রক্রিয়া দ্রুত হওয়াটা বাঞ্ছনীয়। কিন্তু দ্রুত বিচার করতে গিয়ে যেন আইনের শাসন এবং বিচারপ্রক্রিয়া প্রশ্নবিদ্ধ না হয় সেটিও লক্ষ রাখতে হবে। এখানে অযাচিত, তাড়াহুড়া করার কোনো সুযোগ নেই। আর এ কারণেই বিচারের জন্য যদি নির্বাচন উপেক্ষা করে তাহলে সেটি হবে এক ধরনের কালক্ষেপণ এবং জনগণের অধিকার হরণের নামান্তর। যে রাজনৈতিক দলগুলো ফ্যাসিবাদবিরোধী গণ আন্দোলনে সক্রিয় তারা সবাই একটি বিষয়ে একমত তা হলো ২০২৪-এর জুলাই-আগস্টে গণহত্যার বিচার হতেই হবে। বাংলাদেশে যেন আর কখনোই ফ্যাসিবাদ, স্বৈরাচারের উত্থান না ঘটে সেটি নিশ্চিত করতে চায় সবাই। তাই যদি হবে তাহলে যে রাজনৈতিক দলই আসুক না কেন, তারা বিচারপ্রক্রিয়া এগিয়ে নিয়ে যাবে নিজস্ব গতিতে। আর সে কারণে বিচারের জন্য কখনোই নির্বাচন থেমে থাকা উচিত নয়।

অন্য যে সংস্কারগুলোর কথা বলা হয়েছে, সে সংস্কারগুলো কোনোভাবেই অন্তর্বর্তী সরকারের এখতিয়ারভুক্ত নয়। তাদের এটা করাও উচিত না। যেমন সংবিধান সংস্কার। সংবিধান সংস্কারের একমাত্র প্ল্যাটফরম হলো জাতীয় সংসদ অর্থাৎ যারা জনগণের নির্বাচিত প্রতিনিধি। জাতীয় সংসদ ছাড়া সংবিধান সংস্কারের কোনো এখতিয়ার আর কারও থাকতে পারে না। সংবিধান সংস্কার কমিশন একটি রিপোর্ট জমা দিয়েছে। এই রিপোর্টের ভালোমন্দ ইত্যাদি বিচারবিবেচনা করবে জনগণ। জনগণের নির্বাচিত প্রতিনিধিদের সংসদে আলোচনা হবে। জনগণের মতামতের ভিত্তিতে কতটুকু গ্রহণ করা হবে, কতটুকু বর্জন করা হবে সে ব্যাপারে সিদ্ধান্ত নেওয়া হবে। কিন্তু জনগণকে অন্ধকারে রেখে একটি অনির্বাচিত সরকারের সংবিধান সংস্কার করাটা উচিত হবে না। এটি একটি খারাপ দৃষ্টান্ত হবে।

সাম্প্রতিক সময়ে আমরা দেখলাম, পুলিশ, র‌্যাবসহ আইনশৃঙ্খলা রক্ষাকারী বাহিনীর পোশাক পরিবর্তন করা হয়েছে। এটি নিয়ে সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে তীব্র সমালোচনা হচ্ছে। এই কাজগুলো অপ্রয়োজনীয়। একটি অনির্বাচিত সরকার গণ অভ্যুত্থানের প্রেক্ষাপটে যারা দেশের দায়িত্ব গ্রহণ করেছে তাদের এসব কাজ করার দরকার কী? দেশকে পলিথিনমুক্ত করার দায়িত্ব এই সরকারের নয়। দেশে হাজারটা সমস্যা, যে সমস্যাগুলো অন্তর্বর্তী সরকারের পক্ষে সমাধান সম্ভব নয়। সাধারণ মানুষের জীবন গত সাড়ে পাঁচ মাসে এমনিতেই দুর্বিষহ হয়ে উঠেছে। দেশের আইনশৃঙ্খলা পরিস্থিতির ভয়াবহ অবনতি ঘটেছে। যেখানে সেখানে ছিনতাই হচ্ছে, রাহাজানি হচ্ছে। অর্থনীতির অবস্থা এখন শোচনীয়। ব্যবসায়ীরা রীতিমতো হাহাকার করছেন। বহু বড় বড় শিল্পোদ্যোক্তা এখন ব্যবসা বন্ধ করে মানসম্মান নিয়ে বাঁচতে চাইছেন। এ রকম পরিস্থিতি যদি চলতে থাকে তাহলে অর্থনীতি ধ্বংস হতে বেশি সময় লাগবে না। আর তাই আমাদের অর্থনীতির দিকে নজর রাখা উচিত। ঢালাওভাবে ব্যবসায়ীদের হয়রানি করা হচ্ছে। বিভিন্ন ব্যবসায়ীর ব্যাংক অ্যাকাউন্ট জব্দ করা হচ্ছে। ব্যাংকঋণে সুদের হার বেড়েছে। ডলার সংকট তীব্র। গ্যাসের মূল্যবৃদ্ধির কথা শোনা যাচ্ছে। অর্থাৎ বিনিয়োগের সব দরজা বন্ধ করে দেওয়া হচ্ছে। এই পরিস্থিতি যদি চলতে থাকে তাহলে বাংলাদেশের সামনে এক কঠিন সময় অপেক্ষা করছে। আর এ জন্যই অন্তর্বর্তী সরকারের উচিত দ্রুত নির্বাচন দেওয়া। কারণ অর্থনৈতিক পুনরুদ্ধারের জন্য জনগণের সম্মিলিত অংশগ্রহণ দরকার। সে জন্য দরকার একটি রাজনৈতিক সরকার। ব্যবসায়ীরা উন্নয়নের সহায়ক। কিন্তু এই অন্তর্বর্তী সরকারের কিছু জনবিচ্ছিন্ন ব্যক্তি ব্যবসায়ীদের যেন অপরাধীর কাঠগড়ায় দাঁড় করাতে চাইছেন। এটি একটি ভয়ংকর প্রবণতা। এই প্রবণতা বন্ধ হওয়া দরকার। অন্তর্বর্তী সরকারের সাড়ে পাঁচ মাসের শাসনে কোথাও কোনো শৃঙ্খলা নেই। এই সরকারের প্রধান উপদেষ্টা নিজেই স্বীকার করছেন, এই কাজে তিনি অভিজ্ঞ নন। তিনি এসেছেন, দায়িত্ব নিয়েছেন এবং চেষ্টা করছেন। ভুলত্রুটি হচ্ছে, তাঁরা ঠিকমতো কাজ করতে পারছেন না। নিউ এজ সম্পাদক নূরুল কবীরের সঙ্গে সাক্ষাৎকারে প্রধান উপদেষ্টার স্বীকারোক্তি বলে দেয়, যার কাজ তাকেই করতে হবে। রাজনীতিবিদদেরই দেশ পরিচালনার চালকের আসনে বসতে হবে, সঠিক গন্তব্যের জন্য।

এ কথা অস্বীকার করার কোনো উপায় নেই, দীর্ঘ ১৫ বছরের অপশাসনের ফলে দেশ একটি গভীর সংকটে। দেশের অর্থ পাচার, লুণ্ঠনের কারণে অর্থনীতি ধ্বংসের দ্বারপ্রান্তে। মুষ্টিমেয় কিছু গোষ্ঠীর লুটপাটের কারণে দেশের অর্থনৈতিক পরিস্থিতি হয়েছিল সংকটময়। তা ছাড়া দীর্ঘ ১৫ বছর ক্ষমতায় টিকে থাকার জন্য গুম, খুন, হত্যাসহ নানা রকম অপকর্ম সংঘটিত হয়েছিল। এসব কিছুর প্রেক্ষাপটে ৫ আগস্ট বিপ্লবে দেশের জনগণ স্বতঃস্ফূর্তভাবে অংশগ্রহণ করে। কিন্তু গত পাঁচ মাসে এই সরকার বিপ্লবী চেতনাকে ধারণ করে একটি নতুন বাংলাদেশ পরিকল্পনায় এগোতে পারেনি। বরং মুষ্টিমেয় কিছু ব্যক্তির ক্ষমতালিপ্সা এবং নানা রকম বিভ্রান্তিকর চিন্তাভাবনা দেশকে নতুন সংকটের মধ্যে দাঁড় করিয়েছে। এ সংকট থেকে উত্তরণের একটি উপায় হলো জনগণের ক্ষমতায়ন। জনগণের নির্বাচিত প্রতিনিধির কাছে ক্ষমতা হস্তান্তর করা।

প্রশ্ন হলো, নির্বাচন বিলম্বিত হলে কার লাভ? এই নির্বাচন বিলম্বিত হলে কি বৈষম্যবিরোধী ছাত্র আন্দোলন বা নাগরিক কমিটির লাভ হবে? আমি তা মনে করি না। ৫ আগস্ট সময় পর্যন্ত বৈষম্যবিরোধী ছাত্র আন্দোলনের যে জনপ্রিয়তা ছিল, তাতে এখন ভাটার টান। তাদের মধ্যে এখন নানা রকম অনৈক্যের খবরও পাওয়া যাচ্ছে। সামনের দিনগুলোতে সাধারণ মানুষের সঙ্গে তাদের দূরত্ব আরও বাড়তে পারে বলে আশঙ্কা অনেকের। ছাত্রসমাজ বাংলাদেশের জন্য একটি ঐতিহাসিক দায়িত্ব পালন করেছে- এ নিয়ে কোনো সন্দেহ নেই। কিন্তু এখন তাদের থামতে হবে। রাজনৈতিক নেতৃত্বের ওপর নির্ভর করতে হবে। আমাদের ছাত্রসমাজ হবে জনগণের বিবেকের কণ্ঠস্বর। যেখানে অন্যায় হবে, যেখানে অনিয়ম হবে সেখানে তারা কথা বলবে। তাহলে শিক্ষার্থীদের প্রতি মানুষের ভালোবাসা, সম্মান, শ্রদ্ধা অটুট থাকবে। কিন্তু তারাই যদি রাজনৈতিক আকাঙ্ক্ষায় আগ্রহী হয়; ক্ষমতাকেন্দ্রিক রাজনীতির মধ্যে নিজেদের জড়িয়ে ফেলে, তাহলে জনগণ হতাশ হবে। নির্বাচন যত পেছাবে ততই আগস্ট বিপ্লবের সূর্যসন্তানদের বিতর্কিত করা হবে। তাই নির্বাচন বিলম্বিত হলে বৈষম্যবিরোধী ছাত্র আন্দোলন বা নাগরিক কমিটির কোনো লাভ হবে না। এই নির্বাচন পিছিয়ে গেলে কি সাধারণ মানুষের লাভ হবে? কারণ ভ্যাট বৃদ্ধি, দ্রব্যমূল্যের ঊর্ধ্বগতি ইত্যাদি নানা কারণে মানুষের এখন নাভিশ্বাস উঠেছে। রাজনৈতিক চিন্তাচেতনায় অনভিজ্ঞদের দ্বারা এই সংকট সমাধান হবে না। নির্বাচন পেছালে জনগণের চেয়েও ক্ষতিগ্রস্ত হবে এই সরকার। তাদের নিরপেক্ষতা ও গ্রহণযোগ্যতা প্রশ্নবিদ্ধ হবে। রাজনৈতিক দলগুলোর নির্বাচন পিছিয়ে গেলে কি লাভ হবে? নির্বাচন যতই পেছাবে ততই বাংলাদেশের পুরনো ফ্যাসিবাদ আবার নতুন করে আত্মপ্রকাশ চেষ্টা করবে। নানা ফাঁকফোকর দিয়ে তারা পুনর্বাসিত হবে। আর সাধারণ মানুষকে তারা বিভ্রান্ত করবে। নতুন করে সংগঠিত হবে। অর্থাৎ আমরা যদি একটু গভীরভাবে বিশ্লেষণ করি, তাহলে দেখব যে নির্বাচন পেছালে ক্ষতি সবার, লাভ শুধু পতিত স্বৈরাচারের। আর সে কারণেই এখন প্রয়োজন দ্রুত নির্বাচন করা। ইতোমধ্যে বিএনপির পক্ষ থেকে জুলাই-আগস্টের মধ্যে নির্বাচন করার জন্য আওয়াজ তোলা হয়েছে। এই দাবিটি যুক্তিযুক্ত বলেই বেশির ভাগ মানুষ মনে করে। দ্রুত একটি অবাধ, সুষ্ঠু নির্বাচন যদি না করা যায় তাহলে নানা রকম ষড়যন্ত্র দানা বেঁধে উঠবে। ইতোমধ্যে নতুন করে ষড়যন্ত্রের গন্ধ পাওয়া যাচ্ছে। কান পাতলেই নানা রকম কথা শোনা যায়। এই পরিস্থিতি থেকে মুক্তির একটাই উপায় তা হলো নির্বাচন। তা না হলে ফ্যাসিবাদ এবং পতিতদের ফিরে আসার সুযোগ সৃষ্টি হবে। ফ্যাসিবাদের প্রত্যাবর্তন ঠেকাতেই প্রয়োজন দ্রুত নির্বাচন।

লেখক : নাট্যকার ও কলাম লেখক

ইমেইল : [email protected]

এই বিভাগের আরও খবর
সামাজিক ব্যবসা
সামাজিক ব্যবসা
রপ্তানি খাতে ধাক্কা
রপ্তানি খাতে ধাক্কা
ফিলিস্তিনের নাবলুস নগরী
ফিলিস্তিনের নাবলুস নগরী
জীবনজুড়ে রমজানের রেশ ধরে রাখুন
জীবনজুড়ে রমজানের রেশ ধরে রাখুন
ফুলচাষিদের স্বাস্থ্যঝুঁঁকি
ফুলচাষিদের স্বাস্থ্যঝুঁঁকি
রেমিট্যান্সে আশার আলো
রেমিট্যান্সে আশার আলো
ভোটের আলোচনা
ভোটের আলোচনা
বিমসটেক সম্মেলন
বিমসটেক সম্মেলন
ডিজিটাল সংস্কৃতি : ভার্চুয়াল উৎসব
ডিজিটাল সংস্কৃতি : ভার্চুয়াল উৎসব
শাওয়াল মাসের ছয় রোজার পুণ্য
শাওয়াল মাসের ছয় রোজার পুণ্য
ব্যাংককে বৈঠক, ঢাকা-দিল্লিতে গুঞ্জন
ব্যাংককে বৈঠক, ঢাকা-দিল্লিতে গুঞ্জন
এই সময়ের রাজনৈতিক চ্যালেঞ্জ
এই সময়ের রাজনৈতিক চ্যালেঞ্জ
সর্বশেষ খবর
জনবহুল রাজধানী এখনো ফাঁকা, নেই চিরচেনা যানজট
জনবহুল রাজধানী এখনো ফাঁকা, নেই চিরচেনা যানজট

এই মাত্র | নগর জীবন

হাতে সব প্রমাণ আছে, আইনিভাবে মোকাবিলা করবো : পরীমণি
হাতে সব প্রমাণ আছে, আইনিভাবে মোকাবিলা করবো : পরীমণি

১ মিনিট আগে | শোবিজ

ফরিদপুরে বিস্ফোরক মামলায় যুবলীগ নেতা গ্রেফতার
ফরিদপুরে বিস্ফোরক মামলায় যুবলীগ নেতা গ্রেফতার

১০ মিনিট আগে | দেশগ্রাম

খাদ্য নিরাপত্তা নি‌য়ে কো‌নো শঙ্কা নেই : খাদ্য উপদেষ্টা
খাদ্য নিরাপত্তা নি‌য়ে কো‌নো শঙ্কা নেই : খাদ্য উপদেষ্টা

১৩ মিনিট আগে | জাতীয়

ভারতে ওয়াকফ সংশোধনী বিল পাসে জামায়াতের নিন্দা
ভারতে ওয়াকফ সংশোধনী বিল পাসে জামায়াতের নিন্দা

১৭ মিনিট আগে | রাজনীতি

ফরিদপুরে চোরের হাতে প্রাণ গেল প্রবাসীর
ফরিদপুরে চোরের হাতে প্রাণ গেল প্রবাসীর

২১ মিনিট আগে | দেশগ্রাম

ইরানে হামলার হুমকি থেকে পিছু হটলেন ট্রাম্প, সরাসরি আলোচনার প্রস্তাব
ইরানে হামলার হুমকি থেকে পিছু হটলেন ট্রাম্প, সরাসরি আলোচনার প্রস্তাব

২৩ মিনিট আগে | পূর্ব-পশ্চিম

চার বিভাগে বৃষ্টি হলেও তাপপ্রবাহ থাকবে অব্যাহত
চার বিভাগে বৃষ্টি হলেও তাপপ্রবাহ থাকবে অব্যাহত

৩৩ মিনিট আগে | জাতীয়

কোনো স্থানেই ময়লা পোড়ানো যাবে না : পরিবেশ উপদেষ্টা
কোনো স্থানেই ময়লা পোড়ানো যাবে না : পরিবেশ উপদেষ্টা

৩৫ মিনিট আগে | জাতীয়

'দেশে আর কোন ফ্যাসিস্ট যেন জন্মাতে না পারে'
'দেশে আর কোন ফ্যাসিস্ট যেন জন্মাতে না পারে'

৩৯ মিনিট আগে | দেশগ্রাম

নির্বাচনের কথা বলে মুখে ফেনা তুলে ফেললেই গণতন্ত্র হয় না : নুসরাত তাবাসসুম
নির্বাচনের কথা বলে মুখে ফেনা তুলে ফেললেই গণতন্ত্র হয় না : নুসরাত তাবাসসুম

১ ঘণ্টা আগে | রাজনীতি

যুক্তরাষ্ট্রের শুল্ক ইস্যুতে জরুরি সভা ডেকেছেন প্রধান উপদেষ্টা
যুক্তরাষ্ট্রের শুল্ক ইস্যুতে জরুরি সভা ডেকেছেন প্রধান উপদেষ্টা

১ ঘণ্টা আগে | জাতীয়

মুখের গড়ন বুঝে হতে হবে হেয়ার কাট
মুখের গড়ন বুঝে হতে হবে হেয়ার কাট

১ ঘণ্টা আগে | জীবন ধারা

অভিনেতাসহ গ্রেপ্তার ১১, তুরস্কে বয়কট আন্দোলন
অভিনেতাসহ গ্রেপ্তার ১১, তুরস্কে বয়কট আন্দোলন

১ ঘণ্টা আগে | পূর্ব-পশ্চিম

ভাঙ্গায় কিশোর ও গৃহবধূর লাশ উদ্ধার
ভাঙ্গায় কিশোর ও গৃহবধূর লাশ উদ্ধার

১ ঘণ্টা আগে | দেশগ্রাম

গরমে মেকআপ যেন না গলে
গরমে মেকআপ যেন না গলে

১ ঘণ্টা আগে | জীবন ধারা

কিশোরগঞ্জে অষ্টমী স্নানে লাখো পুণ্যার্থীর ঢল
কিশোরগঞ্জে অষ্টমী স্নানে লাখো পুণ্যার্থীর ঢল

১ ঘণ্টা আগে | দেশগ্রাম

পাকিস্তানকে হোয়াইটওয়াশের লজ্জায় ডুবালো নিউজিল্যান্ড
পাকিস্তানকে হোয়াইটওয়াশের লজ্জায় ডুবালো নিউজিল্যান্ড

১ ঘণ্টা আগে | মাঠে ময়দানে

‘স্বতন্ত্র সচিবালয়’ প্রতিষ্ঠার দ্বারপ্রান্তে রয়েছে : প্রধান বিচারপতি
‘স্বতন্ত্র সচিবালয়’ প্রতিষ্ঠার দ্বারপ্রান্তে রয়েছে : প্রধান বিচারপতি

১ ঘণ্টা আগে | জাতীয়

বগুড়ায় শহীদ জিয়া ফুটবল টুর্নামেন্টের সেমি-ফাইনাল অনুষ্ঠিত
বগুড়ায় শহীদ জিয়া ফুটবল টুর্নামেন্টের সেমি-ফাইনাল অনুষ্ঠিত

১ ঘণ্টা আগে | দেশগ্রাম

বাস-অটোরিকাশয়ার সংঘর্ষে নারী নিহত, শিশুসহ আহত ৪
বাস-অটোরিকাশয়ার সংঘর্ষে নারী নিহত, শিশুসহ আহত ৪

১ ঘণ্টা আগে | দেশগ্রাম

কানাডায় ভারতীয় নাগরিক খুন
কানাডায় ভারতীয় নাগরিক খুন

১ ঘণ্টা আগে | পূর্ব-পশ্চিম

জয়পুরহাটে রামদেও বাজলা প্রিমিয়ার লীগের ফাইনাল অনুষ্ঠিত
জয়পুরহাটে রামদেও বাজলা প্রিমিয়ার লীগের ফাইনাল অনুষ্ঠিত

১ ঘণ্টা আগে | দেশগ্রাম

লৌহজংয়ে পাওয়া মরদেহের টুকরোগুলো সাভারের সবুজ মোল্যার
লৌহজংয়ে পাওয়া মরদেহের টুকরোগুলো সাভারের সবুজ মোল্যার

২ ঘণ্টা আগে | দেশগ্রাম

লাঙ্গলবন্দের স্নান ঘিরে ঢাকা-চট্টগ্রাম মহাসড়কে তীব্র যানজট
লাঙ্গলবন্দের স্নান ঘিরে ঢাকা-চট্টগ্রাম মহাসড়কে তীব্র যানজট

২ ঘণ্টা আগে | নগর জীবন

‘আতঙ্কে তারা ভুল করেছে’: চীনের পাল্টা শুল্ক নিয়ে ট্রাম্প
‘আতঙ্কে তারা ভুল করেছে’: চীনের পাল্টা শুল্ক নিয়ে ট্রাম্প

২ ঘণ্টা আগে | পূর্ব-পশ্চিম

চিরচেনা কার্তিককে দেখা গেল অন্যরূপে
চিরচেনা কার্তিককে দেখা গেল অন্যরূপে

২ ঘণ্টা আগে | শোবিজ

বাংলাদেশের মতো সাম্প্রদায়িক সম্প্রীতি কোথাও নেই: স্বরাষ্ট্র উপদেষ্টা
বাংলাদেশের মতো সাম্প্রদায়িক সম্প্রীতি কোথাও নেই: স্বরাষ্ট্র উপদেষ্টা

২ ঘণ্টা আগে | জাতীয়

অনুষ্ঠান থেকে ফেরার পথে দুই ভাইকে কুপিয়ে জখম
অনুষ্ঠান থেকে ফেরার পথে দুই ভাইকে কুপিয়ে জখম

২ ঘণ্টা আগে | দেশগ্রাম

প্রেমা নেই, শেষ হয়ে গেল পুরো পরিবার
প্রেমা নেই, শেষ হয়ে গেল পুরো পরিবার

২ ঘণ্টা আগে | চট্টগ্রাম প্রতিদিন

সর্বাধিক পঠিত
ঈদুল আজহার সম্ভাব্য তারিখ প্রকাশ
ঈদুল আজহার সম্ভাব্য তারিখ প্রকাশ

১৯ ঘণ্টা আগে | পূর্ব-পশ্চিম

প্রথম দফায় ১ লাখ ৮০ হাজার রোহিঙ্গা নিতে রাজি মিয়ানমার
প্রথম দফায় ১ লাখ ৮০ হাজার রোহিঙ্গা নিতে রাজি মিয়ানমার

২১ ঘণ্টা আগে | জাতীয়

আত্মরক্ষার জন্য ইরানের সর্বোচ্চ প্রস্তুতি রয়েছে : সৌদি যুবরাজকে পেজেশকিয়ান
আত্মরক্ষার জন্য ইরানের সর্বোচ্চ প্রস্তুতি রয়েছে : সৌদি যুবরাজকে পেজেশকিয়ান

৪ ঘণ্টা আগে | পূর্ব-পশ্চিম

পর্দায় নয়, এবার সত্যিই বিয়ে করলেন শামীম হাসান সরকার
পর্দায় নয়, এবার সত্যিই বিয়ে করলেন শামীম হাসান সরকার

১৯ ঘণ্টা আগে | শোবিজ

ড. ইউনূস-মোদির ৪০ মিনিটের বৈঠক, আলাপ হলো কী নিয়ে
ড. ইউনূস-মোদির ৪০ মিনিটের বৈঠক, আলাপ হলো কী নিয়ে

২০ ঘণ্টা আগে | জাতীয়

ড. ইউনূস ও মোদির বৈঠক নিয়ে যা জানালেন ভারতের পররাষ্ট্র সচিব
ড. ইউনূস ও মোদির বৈঠক নিয়ে যা জানালেন ভারতের পররাষ্ট্র সচিব

২০ ঘণ্টা আগে | জাতীয়

আওয়ামী লীগের টাকার লোভে না পড়তে দলীয় নেতাদের হুঁশিয়ারি শামা ওবায়েদের
আওয়ামী লীগের টাকার লোভে না পড়তে দলীয় নেতাদের হুঁশিয়ারি শামা ওবায়েদের

১৩ ঘণ্টা আগে | রাজনীতি

প্রতিশোধ নিল চীন, মার্কিন পণ্যের ওপর অতিরিক্ত ৩৪% শুল্ক আরোপ
প্রতিশোধ নিল চীন, মার্কিন পণ্যের ওপর অতিরিক্ত ৩৪% শুল্ক আরোপ

২২ ঘণ্টা আগে | পূর্ব-পশ্চিম

৫ মিলিয়ন ডলারের ‘গোল্ড কার্ড’ ভিসা উন্মোচন করলেন ট্রাম্প
৫ মিলিয়ন ডলারের ‘গোল্ড কার্ড’ ভিসা উন্মোচন করলেন ট্রাম্প

১৮ ঘণ্টা আগে | পূর্ব-পশ্চিম

ঐশ্বরিয়া আমার মেয়ে নয়, কেবল ছেলের বউ : জয়া বচ্চন
ঐশ্বরিয়া আমার মেয়ে নয়, কেবল ছেলের বউ : জয়া বচ্চন

১৮ ঘণ্টা আগে | শোবিজ

অভ্যুত্থানের সময় গ্রেফতার, সৌদিতে জেল খেটে দেশে ফিরলেন ১০ প্রবাসী
অভ্যুত্থানের সময় গ্রেফতার, সৌদিতে জেল খেটে দেশে ফিরলেন ১০ প্রবাসী

২৩ ঘণ্টা আগে | জাতীয়

ড. ইউনূস-মোদি বৈঠক আশার আলো তৈরি করেছে: মির্জা ফখরুল
ড. ইউনূস-মোদি বৈঠক আশার আলো তৈরি করেছে: মির্জা ফখরুল

১৯ ঘণ্টা আগে | রাজনীতি

যুক্তরাষ্ট্রের শুল্ক ইস্যুতে জরুরি সভা ডেকেছেন প্রধান উপদেষ্টা
যুক্তরাষ্ট্রের শুল্ক ইস্যুতে জরুরি সভা ডেকেছেন প্রধান উপদেষ্টা

১ ঘণ্টা আগে | জাতীয়

হোয়াইট হাউস থেকে বরখাস্ত একাধিক শীর্ষ কর্মকর্তা, আলোচনায় লরা লুমার
হোয়াইট হাউস থেকে বরখাস্ত একাধিক শীর্ষ কর্মকর্তা, আলোচনায় লরা লুমার

৫ ঘণ্টা আগে | পূর্ব-পশ্চিম

কালশী ফ্লাইওভারে গাড়ির সঙ্গে মোটরসাইকেলের সংঘর্ষ, দুই যুবক নিহত
কালশী ফ্লাইওভারে গাড়ির সঙ্গে মোটরসাইকেলের সংঘর্ষ, দুই যুবক নিহত

১৪ ঘণ্টা আগে | নগর জীবন

দীর্ঘ ১৫ বছর পর বঞ্চিত কমিউনিটি নেতারা দাওয়াত পেলেন রাষ্ট্রীয় অনুষ্ঠানে
দীর্ঘ ১৫ বছর পর বঞ্চিত কমিউনিটি নেতারা দাওয়াত পেলেন রাষ্ট্রীয় অনুষ্ঠানে

২৩ ঘণ্টা আগে | পরবাস

শরীয়তপুরে দুই গ্রুপের সংঘর্ষ, শতাধিক হাতবোমা বিস্ফোরণ
শরীয়তপুরে দুই গ্রুপের সংঘর্ষ, শতাধিক হাতবোমা বিস্ফোরণ

৩ ঘণ্টা আগে | দেশগ্রাম

প্রধান উপদেষ্টার সঙ্গে শ্রীলঙ্কার প্রধানমন্ত্রীর সাক্ষাৎ
প্রধান উপদেষ্টার সঙ্গে শ্রীলঙ্কার প্রধানমন্ত্রীর সাক্ষাৎ

২৩ ঘণ্টা আগে | জাতীয়

৩০০ আসনে প্রার্থী দেওয়ার চ্যালেঞ্জ নিতে প্রস্তুত এনসিপি: সারজিস
৩০০ আসনে প্রার্থী দেওয়ার চ্যালেঞ্জ নিতে প্রস্তুত এনসিপি: সারজিস

২২ ঘণ্টা আগে | নগর জীবন

বিশ্বের শক্তিশালী পাসপোর্টের তালিকায় এক ধাপ এগোল বাংলাদেশ
বিশ্বের শক্তিশালী পাসপোর্টের তালিকায় এক ধাপ এগোল বাংলাদেশ

৩ ঘণ্টা আগে | জাতীয়

হাসিনার এক মন্তব্যে সংকটে মাদারগঞ্জের সমবায় সমিতি
হাসিনার এক মন্তব্যে সংকটে মাদারগঞ্জের সমবায় সমিতি

১৬ ঘণ্টা আগে | দেশগ্রাম

দুই দিন ধরে তুর্কি বিমানবন্দরে আটকা ২৫০ যাত্রী
দুই দিন ধরে তুর্কি বিমানবন্দরে আটকা ২৫০ যাত্রী

২২ ঘণ্টা আগে | পূর্ব-পশ্চিম

পরকীয়া প্রেমে বাধা দেওয়ায় স্বামীর পুরুষাঙ্গ কাটলো স্ত্রী
পরকীয়া প্রেমে বাধা দেওয়ায় স্বামীর পুরুষাঙ্গ কাটলো স্ত্রী

৩ ঘণ্টা আগে | দেশগ্রাম

একনজরে আজকের বাংলাদেশ প্রতিদিন (৫ এপ্রিল)
একনজরে আজকের বাংলাদেশ প্রতিদিন (৫ এপ্রিল)

৮ ঘণ্টা আগে | জাতীয়

চালের দানার চেয়েও ছোট পেসমেকার তৈরি করলেন বিজ্ঞানীরা
চালের দানার চেয়েও ছোট পেসমেকার তৈরি করলেন বিজ্ঞানীরা

৬ ঘণ্টা আগে | বিজ্ঞান

ইউনূসের সঙ্গে মোদির বৈঠক প্রয়োজন ছিল: মির্জা আব্বাস
ইউনূসের সঙ্গে মোদির বৈঠক প্রয়োজন ছিল: মির্জা আব্বাস

২১ ঘণ্টা আগে | রাজনীতি

৫.৬ মাত্রার ভূমিকম্পে আবার কেঁপে উঠলো মিয়ানমার
৫.৬ মাত্রার ভূমিকম্পে আবার কেঁপে উঠলো মিয়ানমার

৫ ঘণ্টা আগে | পূর্ব-পশ্চিম

গ্রিনল্যান্ডকে এভাবে সংযুক্ত করা যায় না : যুক্তরাষ্ট্রকে ডেনমার্ক
গ্রিনল্যান্ডকে এভাবে সংযুক্ত করা যায় না : যুক্তরাষ্ট্রকে ডেনমার্ক

২৩ ঘণ্টা আগে | পূর্ব-পশ্চিম

মিয়ানমারে বাংলাদেশ সশস্ত্র বাহিনীর নেতৃত্বে উদ্ধার ও চিকিৎসা কার্যক্রম অব্যাহত
মিয়ানমারে বাংলাদেশ সশস্ত্র বাহিনীর নেতৃত্বে উদ্ধার ও চিকিৎসা কার্যক্রম অব্যাহত

১৫ ঘণ্টা আগে | জাতীয়

আইপিএলের প্রথমবার দেখা গেল এমন কিছু
আইপিএলের প্রথমবার দেখা গেল এমন কিছু

৭ ঘণ্টা আগে | মাঠে ময়দানে

প্রিন্ট সর্বাধিক
সুবিধাবাদী হাইব্রিডে অতিষ্ঠ বিএনপি
সুবিধাবাদী হাইব্রিডে অতিষ্ঠ বিএনপি

প্রথম পৃষ্ঠা

মুজিব ছিলেন বেপরোয়া
মুজিব ছিলেন বেপরোয়া

প্রথম পৃষ্ঠা

চলতি বছর টাইগারদের ৬ টেস্ট
চলতি বছর টাইগারদের ৬ টেস্ট

মাঠে ময়দানে

দেশের প্রযুক্তি খাতে বিপ্লব ঘটাবে স্টারলিংক
দেশের প্রযুক্তি খাতে বিপ্লব ঘটাবে স্টারলিংক

প্রথম পৃষ্ঠা

হাসিনাকে চাইল বাংলাদেশ
হাসিনাকে চাইল বাংলাদেশ

প্রথম পৃষ্ঠা

ধুঁকছেন পেট্রাপোলের ব্যবসায়ীরাও
ধুঁকছেন পেট্রাপোলের ব্যবসায়ীরাও

পেছনের পৃষ্ঠা

ইলিশের দামে আগুন
ইলিশের দামে আগুন

পেছনের পৃষ্ঠা

আজকের ভাগ্যচক্র
আজকের ভাগ্যচক্র

আজকের রাশি

দীর্ঘদিন ক্ষমতা আঁকড়ে রাখার চিন্তা করলে জনগণ মেনে নেবে না
দীর্ঘদিন ক্ষমতা আঁকড়ে রাখার চিন্তা করলে জনগণ মেনে নেবে না

নগর জীবন

মুখোমুখি সরকার-আইএমএফ
মুখোমুখি সরকার-আইএমএফ

প্রথম পৃষ্ঠা

‘মিনি জাফলংয়ে’ স্বাস্থ্যঝুঁকি
‘মিনি জাফলংয়ে’ স্বাস্থ্যঝুঁকি

নগর জীবন

রাজশাহী বিএনপিতে ত্রিধারা
রাজশাহী বিএনপিতে ত্রিধারা

নগর জীবন

দক্ষিণ এশিয়ার ইসরায়েল ভারত
দক্ষিণ এশিয়ার ইসরায়েল ভারত

পেছনের পৃষ্ঠা

চট্টগ্রাম-কক্সবাজার সড়কে শঙ্কা
চট্টগ্রাম-কক্সবাজার সড়কে শঙ্কা

পেছনের পৃষ্ঠা

কবির-মুসার বিরুদ্ধে এবার জালিয়াতির অভিযোগ
কবির-মুসার বিরুদ্ধে এবার জালিয়াতির অভিযোগ

নগর জীবন

আত্রাই নদীর চরে কুমড়াবাড়ি!
আত্রাই নদীর চরে কুমড়াবাড়ি!

পেছনের পৃষ্ঠা

হচ্ছে বাম দলের বৃহত্তর জোট!
হচ্ছে বাম দলের বৃহত্তর জোট!

প্রথম পৃষ্ঠা

নতুন জীবনের খোঁজে মাহি
নতুন জীবনের খোঁজে মাহি

শোবিজ

এবার জনগণ ভোটাধিকার ফিরে পাবে
এবার জনগণ ভোটাধিকার ফিরে পাবে

প্রথম পৃষ্ঠা

জমজমাট বিনোদন কেন্দ্রগুলো
জমজমাট বিনোদন কেন্দ্রগুলো

পেছনের পৃষ্ঠা

আমাদের সম্পর্কটা বড় ভাই-ছোট ভাইয়ের মতো
আমাদের সম্পর্কটা বড় ভাই-ছোট ভাইয়ের মতো

শোবিজ

বাছাইপর্ব টপকাতে প্রস্তুত নিগাররা
বাছাইপর্ব টপকাতে প্রস্তুত নিগাররা

মাঠে ময়দানে

১ লাখ ৮০ হাজার রোহিঙ্গা ফেরত নেবে মিয়ানমার
১ লাখ ৮০ হাজার রোহিঙ্গা ফেরত নেবে মিয়ানমার

প্রথম পৃষ্ঠা

নিশোর মুখে শাকিববন্দনা
নিশোর মুখে শাকিববন্দনা

শোবিজ

অভিযোগে মোশাররফ করিমের জবাব
অভিযোগে মোশাররফ করিমের জবাব

শোবিজ

প্রয়োজনীয় সংস্কার শেষে দ্রুত নির্বাচন
প্রয়োজনীয় সংস্কার শেষে দ্রুত নির্বাচন

প্রথম পৃষ্ঠা

প্রয়োজনীয় সংস্কার করে দ্রুত নির্বাচন দিতে হবে
প্রয়োজনীয় সংস্কার করে দ্রুত নির্বাচন দিতে হবে

প্রথম পৃষ্ঠা

চলে যাচ্ছেন ম্যানসিটির ডি ব্রুইন
চলে যাচ্ছেন ম্যানসিটির ডি ব্রুইন

মাঠে ময়দানে

কলকাতার জার্সিতে ২০০ উইকেট
কলকাতার জার্সিতে ২০০ উইকেট

মাঠে ময়দানে

মেয়েদের ২০৩১ বিশ্বকাপ যুক্তরাষ্ট্রে
মেয়েদের ২০৩১ বিশ্বকাপ যুক্তরাষ্ট্রে

মাঠে ময়দানে