শিরোনাম
প্রকাশ: ০০:০০, রবিবার, ৩০ মার্চ, ২০২৫

মহাকাশ যাত্রার অবিস্মরণীয় গল্প

সুনীতারা গত জুন মাসে মহাকাশের উদ্দেশে পাড়ি দেন। তাদের মিশনের সময়কাল ছিল মাত্র আট দিন। কিন্তু আকস্মিক তাদের বাহন বোয়িং স্টারলাইনার ক্যাপসুলে ত্রুটি দেখা দেওয়ায় বিপাকে পড়েন তারা। তারপর থেকে তাদের ঠিকানা- আন্তর্জাতিক মহাকাশ স্টেশন (আইএসএস)। অবশেষে তারা পৃথিবীতে ফিরলেন
আবদুল কাদের
প্রিন্ট ভার্সন
মহাকাশ যাত্রার অবিস্মরণীয় গল্প

দুই নভোচারীকে কখন এবং কীভাবে পৃথিবীতে ফিরিয়ে আনা হয়?

সোমবার গভীর রাতে সুনীতা উইলিয়ামস এবং বুচ উইলমোরকে ফিরে আসার মিশনটি স্থানীয় সময় ১০:৪৫ মিনিটে (০২:৪৫ জিএমটি) শুরু হয়েছিল। তাদের বহনকারী স্পেসএক্স ক্রু ড্রাগন ক্যাপসুলটি মঙ্গলবার রাত ১:০৫ মিনিটে (০৫:০৫ জিএমটি) মহাকাশ স্টেশনে (আইএসএস) থেকে পৃথিবীর উদ্দেশে যাত্রা শুরু করে। অবশেষে মহাকাশযানটি স্থানীয় সময় সন্ধ্যা ৬টার ঠিক আগে (২২:০০ জিএমটি) আটলান্টিক মহাসাগরে  অবতরণ করে। নভোচারীদের প্রস্থান এবং প্রত্যাবর্তনের দৃশ্য- নাসা টিভি সরাসরি সম্প্রচার করে। এর আগে, অর্থাৎ ২০২৪ সালের সেপ্টেম্বর থেকে স্পেসএক্স ক্রু ড্রাগন ক্যাপসুলটি মহাকাশ স্টেশনে ডক করা ছিল। এই ক্যাপসুলে মূলত নাসা নভোচারী নিক হেগ এবং রুশ নভোচারী আলেকজান্ডার গোরবুনভকে মহাকাশ স্টেশনে (আইএসএস) নিয়ে আসেন, যেখানে উইলমোর-উইলিয়ামসের জন্য দুটি সিট রাখা হয়। কিন্তু চারজন নভোচারী একই ক্যাপসুলে ফিরতে পারেননি যতক্ষণ না পর্যন্ত এই চার নভোচারীকে বহনকারী একটি অতিরিক্ত ক্রু স্টেশনে আসে। অবশেষে ড্রাগন ক্রু-১০, রবিবার স্থানীয় সময় রাত ১২:০৪ মিনিটে (০৪:০৪ জিএমটি) মহাকাশ স্টেশনে ডক করে, যেখানে ছিলেন নাসা নভোচারী অ্যান ম্যাককলেইন এবং নিকোল আয়ার্স, জাপানি নভোচারী তাকুয়া ওনিশি এবং রাশিয়ান নভোচারী কিরিল পেসকভ। তারা শুক্রবার যুক্তরাষ্ট্রের ফ্লোরিডার কেনেডি স্পেস সেন্টার থেকে তাদের মহাকাশযানটি উৎক্ষেপণ করেন।

 

নাসার নভোচারীদের পৃথিবীতে ফেরা...

মহাকাশ যাত্রার অবিস্মরণীয় গল্প২৮৬ দিন পর নিরাপদে পৃথিবীতে ফিরলেন ভারতীয় বংশোদ্ভূত আমেরিকান মহাকাশচারী সুনীতা উইলিয়ামস এবং তার সঙ্গী বুচ উইলমোর। কেমন ছিল তাদের দীর্ঘ সময়ের মিশন?

জুন ৫ : সামান্য বিলম্ব শেষে, বোয়িং স্টারলাইনার যাত্রা করে। জুন ১৪, উইলিয়ামস এবং উইলমোরের তাদের ফেরার কথা ছিল।

কিন্তু পরের দিন জুন ৬, স্টারলাইনারের মহাকাশযানটি আন্তর্জাতিক মহাকাশ স্টেশনে (আইএসএস) সফলভাবে ডক করে।

জুন ১১ : নাসা জানায়, স্টারলাইনারে হিলিয়াম ‘লিক’ ধরা পড়ে। নভোচারীদের মিশন জুন ১৮ পর্যন্ত বাড়িয়ে নেওয়া হয়।

আগস্ট ২৪ : নাসা নিশ্চিত করে জানায়, নভোচারীরা ২০২৫ সালে আলাদা মহাকাশযানে করে বাড়ি ফিরতে পারে। তা ছাড়া কোনো ক্রু ছাড়াই স্টারলাইনারের যান পৃথিবীতে ফিরিয়ে আনা হবে।

সেপ্টেম্বর ৭ : ক্রুবিহীন স্টারলাইনার মহাকাশযানটি নিউ মেক্সিকোর হোয়াইট স্যান্ডস স্পেস হার্বরে সফল অবতরণ করে।

সেপ্টেম্বর ২৯ : ইলন মাস্কের স্পেসএক্স মহাকাশযানের সাহায্যে মহাকাশ স্টেশনে (আইএসএস) যাওয়ার জন্য দীর্ঘ ছয় মাসব্যাপী একটি পরিকল্পনা করে। মিশনের জন্য সেই মহাকাশ যানে উইলিয়ামস এবং উইলমোরের জন্য দুটি খালি সিট থাকবে।

মার্চ ১৪ : অবশেষে আন্তর্জাতিক মহাকাশ স্টেশনে (আইএসএস) যাওয়ার উদ্দেশে কেনেডি স্পেস সেন্টার থেকে ইলন মাস্কের স্পেসএক্সের ক্রু-১০ পৃথিবী থেকে উৎক্ষেপণ করা হয়।

মার্চ ১৬ : স্পেসএক্সের ক্রু-১০ মহাকাশযানটি পৃথিবী ছেড়ে আন্তর্জাতিক মহাকাশ স্টেশনে (আইএসএস) পৌঁছায়।

মার্চ ১৭ : উইলিয়ামস এবং উইলমোর পৃথিবীতে ফেরার প্রস্তুতি নেন।

মার্চ ১৮ : ০৫.০৫ জিএমটি: মহাকাশযানটি আন্তর্জাতিক মহাকাশ স্টেশনের (আইএসএস) ডক থেকে যাত্রা শুরু করে।

১২.১১ জিএমটি (সম্ভাব্য) : স্পেসএক্সের ক্রু-১০ মহাকাশযানটি পৃথিবীর বায়ুমন্ডলে প্রবেশ করে।

২১.৫৭ জিএমটি (স্থানীয় সময় বিকাল ৫.৫৭ মিনিটে) : স্পেসএক্সের ক্রু-১০ মহাকাশযানটি ফ্লোরিডার উপকূলে অবতরণ করে।

 

মহাকাশ যাত্রার অবিস্মরণীয় গল্প

নাসা নভোচারী সুনীতা উইলিয়ামস [বামে] এবং বুচ উইলমোর ২০২৪ সালের ৫ জুন বুধবার ফ্লোরিডার কেপ ক্যানাভেরালের স্পেস লঞ্চ কমপ্লেক্স ৪১-এ লঞ্চ প্যাডের পথে একটি ছবির জন্য একসঙ্গে দাঁড়িয়ে আছেন। ছবিটি বোয়িং স্টারলাইনার ক্যাপসুলে তাদের উড্ডয়নের আগে তোলা। তথ্যসূত্র : এপি

আটকে পড়া নভোচারীরা স্পেসএক্স ক্যাপসুলে করে পৃথিবীতে ফেরেন তাদের সম্পর্কে যা জানা গেল...

গত বছরের ৫ জুন সুনীতা উইলিয়ামস এবং বুচ উইলমোর আন্তর্জাতিক মহাকাশ স্টেশনের উদ্দেশে রওনা দিয়েছিল বোয়িং স্টারলাইনার। আট দিনের সফরে গিয়েছিলেন তাঁরা। কিন্তু মহাকাশযানে যান্ত্রিক ত্রুটি দেখা দেয়। ফলে সেখানেই আটকে পড়েন সুনীতারা। তারপর থেকে একাধিক বার তাদের পৃথিবীতে ফিরিয়ে আনার চেষ্টা হয়েছে। কিন্তু বার বার তা পিছিয়ে গিয়েছে। আট দিনের সফর দীর্ঘায়িত হয়েছে ৯ মাসে। অবশেষে- নাসার এই দুই নভোচারী মহাকাশে নয় মাস আটকে থাকার পর পৃথিবীতে ফিরে এসেছেন। বোয়িং মিশনে, উইলমোর কমান্ডার হিসেবে এবং উইলিয়ামস পাইলট হিসেবে কাজ করেছেন।

উইলমোর এবং উইলিয়ামস; যাদের মূলত মাত্র আট দিন মহাকাশ স্টেশনে থাকার কথা ছিল কিন্তু প্রযুক্তি ত্রুটির কারণে তারা নয় মাসেরও বেশি সেখানে অবস্থান করে অবশেষে নিরাপদে পৃথিবীর বুকে ফিরে এসেছেন

মহাকাশ স্টেশনে তাদের এই দীর্ঘ অবস্থান এবং একটি শ্বাসরুদ্ধকর প্রত্যাবর্তন মিশন সম্পর্কে এখন পর্যন্ত যেসব তথ্য জানা গেছে...

 

মহাকাশ যাত্রার অবিস্মরণীয় গল্পআটকে থাকা দুই নভোচারী কারা?

আন্তর্জাতিক মহাকাশ স্টেশনে (আইএসএস) আটকে থাকা দুই নভোচারী হলেন ৫৯ বছর বয়সি সুনীতা উইলিয়ামস (সুনী) এবং ৬২ বছর বয়সি ব্যারি বুচ উইলমোর, দুজনেই নাসার   প্রশিক্ষিত অভিজ্ঞ মহাকাশচারী।

♦ সুনীতা উইলিয়ামস : আইএসএসের কমান্ডার এবং মার্কিন নৌবাহিনীর অবসরপ্রাপ্ত কর্মকর্তা সুনীতা ১৯৯৮ সালে নাসায় যোগ দেন। কর্মজীবনে তিনি ৩২২ দিন মহাকাশে কাটিয়েছেন এবং নয়টি স্পেসওয়াক করেন। ২০১৭ সাল পর্যন্ত সুনীতা উইলিয়ামস মহিলা নভোচারীদের মধ্যে সর্বাধিক স্পেসওয়াকের রেকর্ডধারী ছিলেন। পরে অবশ্য পেগি হুইটসন ১০টি স্পেসওয়াক  করে সে খেতাব অর্জন করেন। 

♦ বুচ উইলমোর : ২০০৯ সালে বুচ উইলমোর স্পেস শাটল আটলান্টিসে চড়ে প্রথম মহাকাশে যান। বোয়িং স্টারলাইনার মিশনের আগে, তিনি ১৭৮ দিন মহাকাশে কাটিয়েছেন। তিনি পূর্ববর্তী আইএসএস মিশনে ফ্লাইট ইঞ্জিনিয়ার এবং কমান্ডার হিসেবে কাজ করেছেন, মহাকাশে উদ্ভিদের বৃদ্ধি, মানবদেহের ওপর মাইক্রোগ্রাভিটির প্রভাব এবং পৃথিবীর পরিবেশগত পরিবর্তন সম্পর্কে গবেষণা করেছেন।

 

সুনীতারা কেন আটকা পড়েন?

নভোচারীদের বাড়ি ফিরিয়ে আনার জন্য তৈরি মহাকাশযানের প্রযুক্তিগত সমস্যার কারণে উইলিয়ামস এবং উইলমোর আটকে যান। তারা বোয়িংয়ের সিএসটি-১০০ স্টারলাইনারে করে ক্রু-যুক্ত পরীক্ষামূলক ফ্লাইটে মহাকাশ স্টেশনে গিয়েছিলেন। এই মিশনের লক্ষ্য- নভোচারীদের স্টেশনে আনা-নেওয়ার জন্য ব্যক্তিগত মহাকাশযান তৈরি। নাসার ভাষ্য, ভবিষ্যতে চাঁদ এবং মঙ্গল গ্রহে মানব মিশনের জন্য (আর্টেমিস মিশনসহ) অজানা মহাকাশকে আরও জানার জন্য অনুসন্ধানে বেশি মনোনিবেশ করা। কিন্তু স্টেশনে ২৫ ঘণ্টা পার হওয়ার পরে, স্টারলাইনার ক্যাপসুলটি হিলিয়াম লিক এবং ত্রুটিপূর্ণ থ্রাস্টারের সম্মুখীন হয়, যা পুনঃপ্রবেশে স্টিয়ার এবং নিয়ন্ত্রণ করতে সাহায্য করে। যখন এটি (৬ জুন) আইএসএস-এ পৌঁছেছিল, তখন যানটির ২৮টি থ্রাস্টারের মধ্যে চারটিতে ত্রুটি দেখা দেয়, ফলে স্টেশনের সঙ্গে ডক দীর্ঘায়িত হয়। যদিও প্রকৌশলীরা থ্রাস্টারগুলোকে পুনরুদ্ধার করেছিলেন, তবে নাসা মহাকাশযানটিকে মানব ভ্রমণের জন্য ঝুঁকিপূর্ণ বলে মনে করে এবং বোয়িং ক্যাপসুলটিকে খালি ফেরত পাঠায়, উইলিয়ামস এবং উইলমোর স্টেশনে থেকে যান। ২০২৪ সালের আগস্টে, নাসা স্পেসএক্সের একটি যানে করে তাদের ফিরিয়ে আনার সিদ্ধান্ত নেয়। সেটি হলো- ক্রু ড্রাগন-৯, যা ২০২৪ সালের ২৯ সেপ্টেম্বর উৎক্ষেপণ করা হয়েছিল, তখন থেকে এটি আইএসএস-এ ডক করা আছে, তবে তাদের আগে ফিরিয়ে আনলে মহাকাশ স্টেশনে শুধু একজন নভোচারী থাকতেন, যা গবেষণা এবং জরুরি ব্যবস্থাপনায় বাধাগ্রস্ত হবে। অবশেষে স্পেসএক্সের ক্রু ড্রাগন-১০ মহাকাশ স্টেশনে নভোচারী পাঠানোর সঙ্গে সঙ্গে উইলিয়ামস-উইলমোরকে বাড়ি ফিরিয়ে আনতে সক্ষম হয়।

 

দুই নভোচারী কত দিন আটকে ছিলেন?

উইলিয়ামস এবং উইলমোর ২০২৪ সালের ৫ জুন থেকে মহাকাশে ছিলেন, অর্থাৎ তারা ফিরে আসার সময় ‘নয় মাসেরও বেশি সময়’ কক্ষপথে ছিলেন। যদিও নভোচারীদের জন্য আইএসএসে অবস্থানের স্ট্যান্ডার্ড সময় ছয় মাস।

 

দীর্ঘ সময় তারা কীভাবে বেঁচে ছিলেন?

অপ্রত্যাশিত অবস্থান সত্ত্বেও, দুই নভোচারীর স্বাস্থ্য বেশ ভালো ছিল। এমনকি জানুয়ারি মাসে তারা একসঙ্গে একটি স্পেসওয়াকও পরিচালনা করেন। স্টেশনে তারা ব্যায়াম, গবেষণা এবং অবসর সময়ের রুটিন মেনে চলেন। তাদের বেঁচে থাকার জন্য, কয়েকটি মহাকাশ সংস্থা ও বেসরকারি কোম্পানি বছরজুড়ে খাবার, পানি এবং অক্সিজেন সরবরাহ করত। লন্ডন টাইমসের মতে, ক্রিসমাসে সুনীতারা স্মোকড ওয়েস্টার, কাঁকড়া, হাঁসের ফ্লোয়ে গ্রাস, ক্র্যানবেরি সস, লবস্টার এবং স্মোকড স্যামনসহ উৎসবের মুখোরোচক খাবারও উপভোগ করেন। তারা ইমেল ও ফোনের মাধ্যমে পরিবারের সঙ্গে যোগাযোগ রাখতেন।

 

‘চাঁদ থেকে মঙ্গল’- এটাই আমাদের দৃষ্টিভঙ্গি

-সুনীতা উইলিয়ামস

নাসার সুনীতাদের জন্য, গত গ্রীষ্মে মহাকাশ স্টেশনে নির্ধারিত আট দিনের সংক্ষিপ্ত মিশন নয় মাসের বিশাল কর্মযজ্ঞে পরিণত হয়। তাদের এই অপ্রত্যাশিত মিশন, মহাকাশ ভ্রমণ ইতিহাসে দীর্ঘতম মিশনগুলোর একটি। তবে, পৃথিবীতে ফিরে আসার পর, সুনীতা সম্ভবত আবার মহাকাশের কথা ভাববেন। তিনি সে বিষয়ে মার্কিন যুক্তরাষ্ট্রের পরবর্তী পদক্ষেপ সম্পর্কে নিশ্চিত বলে মনে হচ্ছে: যা হবে ভবিষ্যতের দিকে একটি যাত্রা। 

 

ফরচুন : মহাকাশ কেন, এখনই কেন?

সুনীতা উইলিয়ামস : মানবদেহ স্বাভাবিক -ভাবেই অনুসন্ধানে আগ্রহী। কৌতূহলী প্রবণতা নিয়ে আমরা জন্মগ্রহণ করি। যা আমাকে এখানে নিয়ে এসেছে।

 

ফরচুন : এমন কী আছে যা আমরা এখনো জানতে চাই?

সুনীতা উইলিয়ামস : আমরা জানতে চাই মহাবিশ্বে আসলে আমাদের স্থান কোথায়। আপনি যখন মহাকাশে যান, এবং দেখেন, কেবল একটি ছোট দ্বীপে আমাদের সবার বসবাস, তখন এটি আরও দার্শনিক হয়ে ওঠে। এখানে আমাদের উদ্দেশ্য কী? আমাদের গ্রহের কী হয়েছিল এবং এখন কী হচ্ছে?

 

ফরচুন : মঙ্গল গ্রহ কী ভূমিকা রাখে?

সুনীতা উইলিয়ামস : আমরা যদি সেখানে যেতাম, তবে শেষ পর্যন্ত সেখানে কী ঘটতে চলেছে সে সম্পর্কে অন্তর্দৃষ্টি পেতে পারি। কীভাবে আমরা আমাদের গ্রহকে কার্যকর রাখব এবং অন্যান্য প্রশ্নের উত্তর পাওয়া যেতে পারে। আর সেটি তখন হয় যখন- আমরা মহাকাশে গিয়ে আমাদের দিগন্তকে আরও প্রসারিত করে আরও বৃহৎ পরিসরে চিন্তা করতে শুরু করি।

 

ফরচুন : তা ছাড়া এটি কি চাঁদে ফিরে যাওয়ার মাধ্যমে শুরু হয়?

সুনীতা উইলিয়ামস : আমি জানি না আমরা কীভাবে মঙ্গলে যাব। আমি মনে করি না কেউ সঠিকভাবে এটি জানে। তবে চাঁদে ফিরে যাওয়া এবং (তারপর) মঙ্গলে যাওয়ার চেষ্টা করার প্রক্রিয়ায়, আমি বলব আমরা কিছু শিখতে যাচ্ছি।

 

ফরচুন : তাহলে এটি দেখতে কেমন?

সুনীতা উইলিয়ামস : চাঁদ থেকে মঙ্গল- এটাই আমাদের দৃষ্টিভঙ্গি। আমরা চাঁদে সফলভাবে ফিরে যেতে চাই, তার মানে সেখানে আমাদের একটি ল্যান্ডার থাকা দরকার। সম্ভবত একটি মহাকাশ স্টেশনও থাকা দরকার- যা মূলত চাঁদ থেকে মঙ্গলে যাওয়ার গেটওয়ে হিসেবে ব্যবহার করা যেতে পারে। যেখানে আমরা বৈজ্ঞানিক পরীক্ষা, এমনকি চাঁদে আমরা টেকসই কিছু করতে পারি। যখন আমরা ল্যান্ডার এবং মহাকাশযান সম্পর্কে চিন্তা করি তখন এটি কিছুটা সায়েন্স ফিকশনের মতো মনে হয়। তবে যখন আমি প্রথম নাসা ভবনে আসি, তখন মহাকাশ স্টেশনকেও পাগলামি ধারণা মনে হয়েছিল।

 

ফরচুন : কখন আমরা চাঁদে এবং মঙ্গলে একটি স্টেশন স্থাপন করব?

সুনীতা উইলিয়ামস : এটি কোনো স্বল্প সময়ের ব্যাপার নয়। আমি মনে করি, এই দশকেই চাঁদে মানুষ থাকবে। ধারণা করছি- আমরা তাড়াতাড়ি এটি শুরু করতে পারব। আমরা সেখানে মানুষ পাঠানোর সঙ্গে সঙ্গেই বুঝতে পারব এটি করা কতটা কঠিন। মনে রাখবেন, আমরা অ্যাপোলো প্রোগ্রামের জন্য যেখানে গিয়েছিলাম সেখানে যাচ্ছি না। এটি কিছুটা জটিল। আমরা মেরুতে আছি, তাই এটি একটি ভিন্ন কক্ষপথ। এটি একটি ভিন্ন পরিবেশ।

 

ফরচুন : এখনো অনেক কিছু জানি না।

সুনীতা উইলিয়ামস : আমরা (মহাকাশ থেকে) ফিরে আসতে ও শারীরিকভাবে ঠিক থাকতে সক্ষম হয়েছি। তবে যদি দেখতে চান যে লোকেরা দীর্ঘ সময় মহাকাশে বসবাস করলে তারা কেমন করবে। চাঁদ খুব দূরে নয়, তবে সেই মিশনটি কয়েক সপ্তাহ দীর্ঘ হবে। এতে তারা মাইক্রোগ্রাভিটিতে থাকবে। এর চেয়ে আরও দূরে- মঙ্গলে যাওয়া দীর্ঘ যাত্রা হবে। সময় নেবে! এতে পৃথিবীর মাধ্যাকর্ষণ থাকবে না। তাই আমাদের শিখতে হবে। বের হতে হবে।

 

এর আগেও কি কেউ মহাকাশে আটকে ছিলেন?

বোয়িংয়ের নতুন স্টারলাইনার ক্রু ক্যাপসুলের একটি পরীক্ষামূলক ফ্লাইটে সুনীতা উইলিয়ামস এবং বুচ উইলমোর যাত্রা শুরু করেন, যদিও পৃথিবীর বুকে মাত্র আট দিনের জন্য তাদের অনুপস্থিত থাকার কথা ছিল। কিন্তু তারা যখন স্পেসএক্সের মাধ্যমে পৃথিবীতে ফেরত আসেন, তখন তারা আমাদের গ্রহ অর্থাৎ পৃথিবী থেকে ২৮৬ দিন দূরে কাটিয়েছেন- যা প্রত্যাশিত সময়ের চেয়ে ৩৬ গুণ বেশি।

অপ্রত্যাশিত হলেও- সুনীতা উইলিয়ামস এবং বুচ উইলমোরই প্রথম নভোচারী নন যারা মহাকাশে নির্দিষ্ট সময়ের বেশি অবস্থানের সম্মুখীন হয়েছেন। প্রযুক্তিগত সমস্যা কিংবা ভূ-রাজনৈতিক ঘটনা- নভোচারীদের পরিকল্পিত সময়ের চেয়ে বেশি সময় কক্ষপথে থাকতে হয়েছে এমন পূর্ববর্তী ঘটনাও রয়েছে।

মার্কিন নভোচারী ফ্র্যাঙ্ক রুবিওর মহাকাশ স্টেশনে ৩৭২ দিনের মিশনটি ছিল এই মার্কিন নভোচারীর দীর্ঘতম একক মহাকাশ যাত্রা, যা ২০২২ থেকে ২০২৩ সাল পর্যন্ত চলেছিল, যা সয়ুজ মহাকাশযানের সমস্যার কারণে বাড়ানো হয়েছিল। তিনি অন্য একটি সয়ুজ ক্যাপসুলে করে ফিরে আসেন। নাসার প্রথম বছরব্যাপী মহাকাশচারী ছিলেন স্কট কেলি; তিনি ২০১৫ এবং ২০১৬ সালে স্পেস স্টেশনে ৩৪০ দিন ছিলেন।

১৯৯১ সালে সোভিয়েত নভোচারী সের্গেই ক্রিকালেভ সোভিয়েত ইউনিয়নের বিলুপ্তির কারণে এখনকার বাতিল হওয়া মির মহাকাশ স্টেশনে ৩১১ দিন আটকে ছিলেন। রাজনৈতিক অস্থিরতা এবং তহবিল সংকটের কারণে তার প্রত্যাবর্তন বিলম্বিত হয়েছিল, যার কারণে তাকে পরিকল্পিত সময়ের চেয়ে অনেক বেশি সময় কক্ষপথে থাকতে হয়েছিল। যখন তিনি ১৯৯২ সালের মার্চ মাসে অবতরণ করেন, তখন তিনি সোভিয়েত ইউনিয়নে নয়, স্বাধীন রাশিয়ায় ফিরে আসেন।

রাশিয়ান মহাকাশচারী ভ্যালেরি পোলিয়াকভ ১৯৯০ দশকের মাঝামাঝি সময় মহাকাশ স্টেশনে ১৪ মাস কাটিয়েছিলেন। যদিও তিনি স্বেচ্ছায় এটি করেছিলেন। একজন চিকিৎসক হিসেবে, তিনি ওজনহীনতার দীর্ঘ সময় পরে মানব শরীর ও মনের পরিবর্তন পর্যবেক্ষণ করতে চেয়েছিলেন। তার ৪৩৭ দিনের মহাকাশ ফ্লাইটটি আজোও বিশ্ব রেকর্ড হয়ে আছে।

নাসার ক্রিস্টিনা কোচ ২০১৯ এবং ২০২০ সালে তার ৩২৮ দিনের মহাকাশ স্টেশন মিশনের মাধ্যমে এই খেতাব অর্জন করেছেন। সেই একই ফ্লাইটের সময়, তিনি জেসিকা মেইরের সঙ্গে প্রথম সর্ব-মহিলা স্পেসওয়াক করেছিলেন। কোচ বর্তমানে নাসার প্রথম আর্টেমিস ক্রুতে নিযুক্ত আছেন, যা আগামী বছরের প্রথম দিকে চাঁদের চারপাশে উড়ে ফিরে আসবে।

রাশিয়ান ওলেগ কোনোনেনকো তার কর্মজীবনে মহাকাশে ১,০০০ দিন অতিক্রমকারী প্রথম ব্যক্তি। গত শরতে মহাকাশ স্টেশন থেকে ফিরে আসার সময়, তিনি পাঁচটি মহাকাশ ফ্লাইটে ১,১১১ দিন মহাকাশযানে ছিলেন- যা সম্মিলিতভাবে তিন বছরেরও বেশি। সাবেক নাসা নভোচারী পেগি হুইটসন তিনটি দীর্ঘ স্টেশন স্টিন্ট এবং অ্যাক্সিওম স্পেসের জন্য একটি সংক্ষিপ্ত ব্যক্তিগত ভ্রমণে ৬৭৫ দিনসহ আমেরিকার সবচেয়ে অভিজ্ঞ মহাকাশ যাত্রী।

 

ফটো গ্যালারি...

মহাকাশ যাত্রার অবিস্মরণীয় গল্প

স্পেসএক্সের উদ্ধারকৃত জাহাজ সুনীতা উইলিয়ামসকে স্পেসএক্স ড্রাগন মহাকাশযান থেকে বের হতে সাহায্য করা হচ্ছে।

 

মহাকাশ যাত্রার অবিস্মরণীয় গল্প

ফ্লোরিডার টালহাসি উপকূলের কাছে অবতরণের পর, নাসার মেডিকেল ক্রু তাদের দুজনকে স্ট্রেচারে তুলতে সাহায্য করছে।

 

মহাকাশ যাত্রার অবিস্মরণীয় গল্প

স্পেসএক্সের উত্তপ্ত ক্রু ড্রাগন ক্যাপসুলটি চারটি বড় প্যারাসুটের সাহায্যে গতি কমিয়ে সাগরের বুকে নিরাপদে অবতরণ করে।

 

মহাকাশ যাত্রার অবিস্মরণীয় গল্প

নাসার সাপোর্ট টিম ড্রাগন ক্যাপসুলটিকে পানি থেকে তুলে নৌকায় রাখে যাতে মহাকাশচারীরা মুক্ত বাতাসে নিঃশ্বাস নিতে পারেন।

 

মহাকাশ যাত্রার অবিস্মরণীয় গল্প

স্পেসএক্সের ক্রু ড্রাগন ক্যাপসুলটি নিরাপদে অবতরণের পর যানটিকে উদ্ধারকারী দলের জাহাজে তোলা হচ্ছে।

 

মহাকাশ যাত্রার অবিস্মরণীয় গল্প

রাশিয়ার আলেকজান্ডার গোরবুনভ ১৭১ দিনের ‘আইএসএস’-এর মিশন শেষে ড্রাগন ক্যাপসুল থেকে বের হওয়ার পর হাত নাড়েন।

 

 

 

এই বিভাগের আরও খবর
দেশে দেশে রমজানে মূল্যছাড়ের প্রতিযোগিতা
দেশে দেশে রমজানে মূল্যছাড়ের প্রতিযোগিতা
দেশে দেশে রমজান
দেশে দেশে রমজান
দেশে দেশে বইমেলা
দেশে দেশে বইমেলা
বিশ্বসেরা বিজ্ঞানী আল বিরুনি
বিশ্বসেরা বিজ্ঞানী আল বিরুনি
হারিয়ে যাওয়া এয়ারলাইনস
হারিয়ে যাওয়া এয়ারলাইনস
পিকনিক
পিকনিক
একটি কাল্পনিক আলাপচারিতা
একটি কাল্পনিক আলাপচারিতা
ইচ্ছা হলে হাসুন
ইচ্ছা হলে হাসুন
খোঁজ দ্য সার্চ
খোঁজ দ্য সার্চ
কুমিল্লা বিশ্ববিদ্যালয়কে বিশ্বমানে উন্নীতের প্রত্যাশা
কুমিল্লা বিশ্ববিদ্যালয়কে বিশ্বমানে উন্নীতের প্রত্যাশা
ঈর্ষণীয় সাফল্যে যশোর বিজ্ঞান ও প্রযুক্তি বিশ্ববিদ্যালয়
ঈর্ষণীয় সাফল্যে যশোর বিজ্ঞান ও প্রযুক্তি বিশ্ববিদ্যালয়
শিক্ষা গবেষণায় এগিয়ে জগন্নাথ বিশ্ববিদ্যালয়
শিক্ষা গবেষণায় এগিয়ে জগন্নাথ বিশ্ববিদ্যালয়
সর্বশেষ খবর
কুমিল্লায় মসজিদ কমিটির সেক্রেটারিকে হত্যার ঘটনায় গ্রেফতার ২
কুমিল্লায় মসজিদ কমিটির সেক্রেটারিকে হত্যার ঘটনায় গ্রেফতার ২

১৬ মিনিট আগে | দেশগ্রাম

বরগুনা সদর উপজেলা পরিষদের সাবেক চেয়ারম্যান মনির গ্রেফতার
বরগুনা সদর উপজেলা পরিষদের সাবেক চেয়ারম্যান মনির গ্রেফতার

৫৬ মিনিট আগে | দেশগ্রাম

সেচ পাম্পে গোসল করতে যাওয়ায় কিশোরকে পিটিয়ে হত্যা
সেচ পাম্পে গোসল করতে যাওয়ায় কিশোরকে পিটিয়ে হত্যা

১ ঘণ্টা আগে | দেশগ্রাম

আওয়ামী লীগের টাকার লোভে না পড়তে দলীয় নেতাদের হুঁশিয়ারি শামা ওবায়েদের
আওয়ামী লীগের টাকার লোভে না পড়তে দলীয় নেতাদের হুঁশিয়ারি শামা ওবায়েদের

৪ ঘণ্টা আগে | রাজনীতি

প্রতিকূল পরিবেশেও খেলাপি ঋণ কমেছে
প্রতিকূল পরিবেশেও খেলাপি ঋণ কমেছে

৪ ঘণ্টা আগে | বাণিজ্য

ফ্যাসিবাদ পুনর্বাসনের প্রচেষ্টা কোনোভাবেই মেনে নেওয়া হবে না : গোলাম পরওয়ার
ফ্যাসিবাদ পুনর্বাসনের প্রচেষ্টা কোনোভাবেই মেনে নেওয়া হবে না : গোলাম পরওয়ার

৫ ঘণ্টা আগে | রাজনীতি

কালশী ফ্লাইওভারে গাড়ির সঙ্গে মোটরসাইকেলের সংঘর্ষ, দুই যুবক নিহত
কালশী ফ্লাইওভারে গাড়ির সঙ্গে মোটরসাইকেলের সংঘর্ষ, দুই যুবক নিহত

৫ ঘণ্টা আগে | নগর জীবন

মিয়ানমারে বাংলাদেশ সশস্ত্র বাহিনীর নেতৃত্বে উদ্ধার ও চিকিৎসা কার্যক্রম অব্যাহত
মিয়ানমারে বাংলাদেশ সশস্ত্র বাহিনীর নেতৃত্বে উদ্ধার ও চিকিৎসা কার্যক্রম অব্যাহত

৬ ঘণ্টা আগে | জাতীয়

মাদক নিয়ে দ্বন্দ্বে যুবককে কুড়াল দিয়ে কুপিয়ে হত্যা
মাদক নিয়ে দ্বন্দ্বে যুবককে কুড়াল দিয়ে কুপিয়ে হত্যা

৬ ঘণ্টা আগে | দেশগ্রাম

দেশে ফিরেছেন প্রধান উপদেষ্টা
দেশে ফিরেছেন প্রধান উপদেষ্টা

৬ ঘণ্টা আগে | জাতীয়

ভালুকায় মোটরসাইকেলের ধাক্কায় বৃদ্ধ নিহত
ভালুকায় মোটরসাইকেলের ধাক্কায় বৃদ্ধ নিহত

৬ ঘণ্টা আগে | দেশগ্রাম

হাসিনার এক মন্তব্যে সংকটে মাদারগঞ্জের সমবায় সমিতি
হাসিনার এক মন্তব্যে সংকটে মাদারগঞ্জের সমবায় সমিতি

৭ ঘণ্টা আগে | দেশগ্রাম

এখনো ফাঁকা বন্দরনগরী
এখনো ফাঁকা বন্দরনগরী

৯ ঘণ্টা আগে | চট্টগ্রাম প্রতিদিন

৫ মিলিয়ন ডলারের ‘গোল্ড কার্ড’ ভিসা উন্মোচন করলেন ট্রাম্প
৫ মিলিয়ন ডলারের ‘গোল্ড কার্ড’ ভিসা উন্মোচন করলেন ট্রাম্প

৯ ঘণ্টা আগে | পূর্ব-পশ্চিম

মাছ ব্যবসায়ীকে হত্যার পর গণপিটুনিতে যুবকের মৃত্যু
মাছ ব্যবসায়ীকে হত্যার পর গণপিটুনিতে যুবকের মৃত্যু

৯ ঘণ্টা আগে | দেশগ্রাম

ব্রাহ্মণবাড়িয়ায় মাদক বিরোধী মিছিল ও প্রতিবাদ সভা
ব্রাহ্মণবাড়িয়ায় মাদক বিরোধী মিছিল ও প্রতিবাদ সভা

৯ ঘণ্টা আগে | দেশগ্রাম

ঐশ্বরিয়া আমার মেয়ে নয়, কেবল ছেলের বউ : জয়া বচ্চন
ঐশ্বরিয়া আমার মেয়ে নয়, কেবল ছেলের বউ : জয়া বচ্চন

৯ ঘণ্টা আগে | শোবিজ

বড় ভাইয়ের হাতে প্রাণ গেল ছোট ভাইয়ের
বড় ভাইয়ের হাতে প্রাণ গেল ছোট ভাইয়ের

৯ ঘণ্টা আগে | চট্টগ্রাম প্রতিদিন

মাদকসহ এয়ারপোর্টে আটক কানাডার অধিনায়ক
মাদকসহ এয়ারপোর্টে আটক কানাডার অধিনায়ক

৯ ঘণ্টা আগে | মাঠে ময়দানে

রাজশাহীতে মাছ ব্যবসায়ীকে হত্যার পর গণপিটুনিতে যুবকের মৃত্যু
রাজশাহীতে মাছ ব্যবসায়ীকে হত্যার পর গণপিটুনিতে যুবকের মৃত্যু

৯ ঘণ্টা আগে | দেশগ্রাম

ঈদের ছুটিতেও
ব্রাহ্মণবাড়িয়া মা ও শিশু কল্যাণ কেন্দ্রে সেবা প্রদান
ঈদের ছুটিতেও ব্রাহ্মণবাড়িয়া মা ও শিশু কল্যাণ কেন্দ্রে সেবা প্রদান

৯ ঘণ্টা আগে | দেশগ্রাম

‘প্রয়োজনে জোটগতভাবে নির্বাচন করবে এনসিপি’
‘প্রয়োজনে জোটগতভাবে নির্বাচন করবে এনসিপি’

৯ ঘণ্টা আগে | রাজনীতি

ট্রাম্পের শুল্ক বৃদ্ধিতে আইফোনের দাম হতে পারে ৩ লাখ টাকা
ট্রাম্পের শুল্ক বৃদ্ধিতে আইফোনের দাম হতে পারে ৩ লাখ টাকা

৯ ঘণ্টা আগে | টেক ওয়ার্ল্ড

খোলপেটুয়া নদীর ভেঙে যাওয়া বাঁধ মেরামত, এলাকায় স্বস্তি
খোলপেটুয়া নদীর ভেঙে যাওয়া বাঁধ মেরামত, এলাকায় স্বস্তি

৯ ঘণ্টা আগে | দেশগ্রাম

পর্দায় নয়, এবার সত্যিই বিয়ে করলেন শামীম হাসান সরকার
পর্দায় নয়, এবার সত্যিই বিয়ে করলেন শামীম হাসান সরকার

৯ ঘণ্টা আগে | শোবিজ

নিউইয়র্কে ‘বাংলাদেশের ঐতিহ্য উদযাপনী’ সমাবেশ
নিউইয়র্কে ‘বাংলাদেশের ঐতিহ্য উদযাপনী’ সমাবেশ

১০ ঘণ্টা আগে | পরবাস

ঈদুল আজহার সম্ভাব্য তারিখ প্রকাশ
ঈদুল আজহার সম্ভাব্য তারিখ প্রকাশ

১০ ঘণ্টা আগে | পূর্ব-পশ্চিম

বগুড়ার কথিত মিনি জাফলং: স্বাস্থ্য ঝুঁকিতে শিক্ষার্থীর প্রাণহানি
বগুড়ার কথিত মিনি জাফলং: স্বাস্থ্য ঝুঁকিতে শিক্ষার্থীর প্রাণহানি

১০ ঘণ্টা আগে | দেশগ্রাম

গোপালগঞ্জে বিএনপি নেতাসহ ৪ জনকে পিটিয়ে আহত
গোপালগঞ্জে বিএনপি নেতাসহ ৪ জনকে পিটিয়ে আহত

১০ ঘণ্টা আগে | দেশগ্রাম

ড. ইউনূস-মোদি বৈঠক আশার আলো তৈরি করেছে: মির্জা ফখরুল
ড. ইউনূস-মোদি বৈঠক আশার আলো তৈরি করেছে: মির্জা ফখরুল

১০ ঘণ্টা আগে | রাজনীতি

সর্বাধিক পঠিত
শেখ হাসিনার প্রত্যর্পণ চাইলো বাংলাদেশ
শেখ হাসিনার প্রত্যর্পণ চাইলো বাংলাদেশ

১৭ ঘণ্টা আগে | জাতীয়

নরেন্দ্র মোদিকে যে উপহার দিলেন প্রধান উপদেষ্টা
নরেন্দ্র মোদিকে যে উপহার দিলেন প্রধান উপদেষ্টা

১৬ ঘণ্টা আগে | জাতীয়

ঈদুল আজহার সম্ভাব্য তারিখ প্রকাশ
ঈদুল আজহার সম্ভাব্য তারিখ প্রকাশ

১০ ঘণ্টা আগে | পূর্ব-পশ্চিম

ইরানে মার্কিন হামলার হুমকি অগ্রহণযোগ্য: রাশিয়া
ইরানে মার্কিন হামলার হুমকি অগ্রহণযোগ্য: রাশিয়া

২১ ঘণ্টা আগে | পূর্ব-পশ্চিম

প্রথম দফায় ১ লাখ ৮০ হাজার রোহিঙ্গা নিতে রাজি মিয়ানমার
প্রথম দফায় ১ লাখ ৮০ হাজার রোহিঙ্গা নিতে রাজি মিয়ানমার

১২ ঘণ্টা আগে | জাতীয়

ড. ইউনূস-মোদির ৪০ মিনিটের বৈঠক, আলাপ হলো কী নিয়ে
ড. ইউনূস-মোদির ৪০ মিনিটের বৈঠক, আলাপ হলো কী নিয়ে

১১ ঘণ্টা আগে | জাতীয়

ব্যাংককে ড. ইউনূস-মোদির বৈঠক
ব্যাংককে ড. ইউনূস-মোদির বৈঠক

১৮ ঘণ্টা আগে | জাতীয়

ড. ইউনূস ও মোদির বৈঠক নিয়ে যা জানালেন ভারতের পররাষ্ট্র সচিব
ড. ইউনূস ও মোদির বৈঠক নিয়ে যা জানালেন ভারতের পররাষ্ট্র সচিব

১১ ঘণ্টা আগে | জাতীয়

খুলনায় গ্রেনেড বাবুর বাড়িতে অভিযানে অস্ত্র উদ্ধার, আটক ৩
খুলনায় গ্রেনেড বাবুর বাড়িতে অভিযানে অস্ত্র উদ্ধার, আটক ৩

১৭ ঘণ্টা আগে | নগর জীবন

পর্দায় নয়, এবার সত্যিই বিয়ে করলেন শামীম হাসান সরকার
পর্দায় নয়, এবার সত্যিই বিয়ে করলেন শামীম হাসান সরকার

৯ ঘণ্টা আগে | শোবিজ

প্রতিশোধ নিল চীন, মার্কিন পণ্যের ওপর অতিরিক্ত ৩৪% শুল্ক আরোপ
প্রতিশোধ নিল চীন, মার্কিন পণ্যের ওপর অতিরিক্ত ৩৪% শুল্ক আরোপ

১২ ঘণ্টা আগে | পূর্ব-পশ্চিম

বাংলাদেশ বিমসটেকের পরবর্তী চেয়ারম্যান
বাংলাদেশ বিমসটেকের পরবর্তী চেয়ারম্যান

১৫ ঘণ্টা আগে | জাতীয়

৫ মিলিয়ন ডলারের ‘গোল্ড কার্ড’ ভিসা উন্মোচন করলেন ট্রাম্প
৫ মিলিয়ন ডলারের ‘গোল্ড কার্ড’ ভিসা উন্মোচন করলেন ট্রাম্প

৮ ঘণ্টা আগে | পূর্ব-পশ্চিম

অভ্যুত্থানের সময় গ্রেফতার, সৌদিতে জেল খেটে দেশে ফিরলেন ১০ প্রবাসী
অভ্যুত্থানের সময় গ্রেফতার, সৌদিতে জেল খেটে দেশে ফিরলেন ১০ প্রবাসী

১৪ ঘণ্টা আগে | জাতীয়

ইউনূস-মোদি বৈঠক ফলপ্রসূ হয়েছে: প্রেস সচিব
ইউনূস-মোদি বৈঠক ফলপ্রসূ হয়েছে: প্রেস সচিব

১৫ ঘণ্টা আগে | জাতীয়

ট্রাম্পের শুল্ক বাংলাদেশ-শ্রীলঙ্কার পোশাকশিল্পে বড় ধাক্কা: নিউইয়র্ক টাইমস
ট্রাম্পের শুল্ক বাংলাদেশ-শ্রীলঙ্কার পোশাকশিল্পে বড় ধাক্কা: নিউইয়র্ক টাইমস

২০ ঘণ্টা আগে | বাণিজ্য

৩০০ আসনে প্রার্থী দেওয়ার চ্যালেঞ্জ নিতে প্রস্তুত এনসিপি: সারজিস
৩০০ আসনে প্রার্থী দেওয়ার চ্যালেঞ্জ নিতে প্রস্তুত এনসিপি: সারজিস

১৩ ঘণ্টা আগে | নগর জীবন

দীর্ঘ ১৫ বছর পর বঞ্চিত কমিউনিটি নেতারা দাওয়াত পেলেন রাষ্ট্রীয় অনুষ্ঠানে
দীর্ঘ ১৫ বছর পর বঞ্চিত কমিউনিটি নেতারা দাওয়াত পেলেন রাষ্ট্রীয় অনুষ্ঠানে

১৪ ঘণ্টা আগে | পরবাস

প্রধান উপদেষ্টার সঙ্গে শ্রীলঙ্কার প্রধানমন্ত্রীর সাক্ষাৎ
প্রধান উপদেষ্টার সঙ্গে শ্রীলঙ্কার প্রধানমন্ত্রীর সাক্ষাৎ

১৩ ঘণ্টা আগে | জাতীয়

দুই দিন ধরে তুর্কি বিমানবন্দরে আটকা ২৫০ যাত্রী
দুই দিন ধরে তুর্কি বিমানবন্দরে আটকা ২৫০ যাত্রী

১৩ ঘণ্টা আগে | পূর্ব-পশ্চিম

ঐশ্বরিয়া আমার মেয়ে নয়, কেবল ছেলের বউ : জয়া বচ্চন
ঐশ্বরিয়া আমার মেয়ে নয়, কেবল ছেলের বউ : জয়া বচ্চন

৯ ঘণ্টা আগে | শোবিজ

আসিয়ান সদস্যপদের জন্য থাইল্যান্ডের সমর্থন চাইলেন প্রধান উপদেষ্টা
আসিয়ান সদস্যপদের জন্য থাইল্যান্ডের সমর্থন চাইলেন প্রধান উপদেষ্টা

১৭ ঘণ্টা আগে | জাতীয়

একনজরে আজকের বাংলাদেশ প্রতিদিন (৪ এপ্রিল)
একনজরে আজকের বাংলাদেশ প্রতিদিন (৪ এপ্রিল)

২২ ঘণ্টা আগে | জাতীয়

শনিবার ঢাকায় আসছে আইএমএফের প্রতিনিধি দল
শনিবার ঢাকায় আসছে আইএমএফের প্রতিনিধি দল

১৭ ঘণ্টা আগে | জাতীয়

‘যত দ্রুত সম্ভব নির্বাচন আয়োজন করা সরকারের সর্বোচ্চ অগ্রাধিকার’
‘যত দ্রুত সম্ভব নির্বাচন আয়োজন করা সরকারের সর্বোচ্চ অগ্রাধিকার’

১৯ ঘণ্টা আগে | জাতীয়

নিষেধাজ্ঞায় পড়লেন মেসির দেহরক্ষী
নিষেধাজ্ঞায় পড়লেন মেসির দেহরক্ষী

২১ ঘণ্টা আগে | মাঠে ময়দানে

ইউনূসের সঙ্গে মোদির বৈঠক প্রয়োজন ছিল: মির্জা আব্বাস
ইউনূসের সঙ্গে মোদির বৈঠক প্রয়োজন ছিল: মির্জা আব্বাস

১১ ঘণ্টা আগে | রাজনীতি

মিঠামইনে কৃষকের মৃত্যুকে কেন্দ্র করে রহস্য
মিঠামইনে কৃষকের মৃত্যুকে কেন্দ্র করে রহস্য

১৯ ঘণ্টা আগে | দেশগ্রাম

গ্রিনল্যান্ডকে এভাবে সংযুক্ত করা যায় না : যুক্তরাষ্ট্রকে ডেনমার্ক
গ্রিনল্যান্ডকে এভাবে সংযুক্ত করা যায় না : যুক্তরাষ্ট্রকে ডেনমার্ক

১৪ ঘণ্টা আগে | পূর্ব-পশ্চিম

ড. ইউনূস-মোদি বৈঠক আশার আলো তৈরি করেছে: মির্জা ফখরুল
ড. ইউনূস-মোদি বৈঠক আশার আলো তৈরি করেছে: মির্জা ফখরুল

১০ ঘণ্টা আগে | রাজনীতি

প্রিন্ট সর্বাধিক
সুবিধাবাদী হাইব্রিডে অতিষ্ঠ বিএনপি
সুবিধাবাদী হাইব্রিডে অতিষ্ঠ বিএনপি

প্রথম পৃষ্ঠা

মুজিব ছিলেন বেপরোয়া
মুজিব ছিলেন বেপরোয়া

প্রথম পৃষ্ঠা

চলতি বছর টাইগারদের ৬ টেস্ট
চলতি বছর টাইগারদের ৬ টেস্ট

মাঠে ময়দানে

দেশের প্রযুক্তি খাতে বিপ্লব ঘটাবে স্টারলিংক
দেশের প্রযুক্তি খাতে বিপ্লব ঘটাবে স্টারলিংক

প্রথম পৃষ্ঠা

ধুঁকছেন পেট্রাপোলের ব্যবসায়ীরাও
ধুঁকছেন পেট্রাপোলের ব্যবসায়ীরাও

পেছনের পৃষ্ঠা

আজকের ভাগ্যচক্র
আজকের ভাগ্যচক্র

আজকের রাশি

দীর্ঘদিন ক্ষমতা আঁকড়ে রাখার চিন্তা করলে জনগণ মেনে নেবে না
দীর্ঘদিন ক্ষমতা আঁকড়ে রাখার চিন্তা করলে জনগণ মেনে নেবে না

নগর জীবন

রাজশাহী বিএনপিতে ত্রিধারা
রাজশাহী বিএনপিতে ত্রিধারা

নগর জীবন

ইলিশের দামে আগুন
ইলিশের দামে আগুন

পেছনের পৃষ্ঠা

হাসিনাকে চাইল বাংলাদেশ
হাসিনাকে চাইল বাংলাদেশ

প্রথম পৃষ্ঠা

কবির-মুসার বিরুদ্ধে এবার জালিয়াতির অভিযোগ
কবির-মুসার বিরুদ্ধে এবার জালিয়াতির অভিযোগ

নগর জীবন

চট্টগ্রাম-কক্সবাজার সড়কে শঙ্কা
চট্টগ্রাম-কক্সবাজার সড়কে শঙ্কা

পেছনের পৃষ্ঠা

আত্রাই নদীর চরে কুমড়াবাড়ি!
আত্রাই নদীর চরে কুমড়াবাড়ি!

পেছনের পৃষ্ঠা

‘মিনি জাফলংয়ে’ স্বাস্থ্যঝুঁকি
‘মিনি জাফলংয়ে’ স্বাস্থ্যঝুঁকি

নগর জীবন

মুখোমুখি সরকার-আইএমএফ
মুখোমুখি সরকার-আইএমএফ

প্রথম পৃষ্ঠা

হচ্ছে বাম দলের বৃহত্তর জোট!
হচ্ছে বাম দলের বৃহত্তর জোট!

প্রথম পৃষ্ঠা

নতুন জীবনের খোঁজে মাহি
নতুন জীবনের খোঁজে মাহি

শোবিজ

নিশোর মুখে শাকিববন্দনা
নিশোর মুখে শাকিববন্দনা

শোবিজ

চলে যাচ্ছেন ম্যানসিটির ডি ব্রুইন
চলে যাচ্ছেন ম্যানসিটির ডি ব্রুইন

মাঠে ময়দানে

কলকাতার জার্সিতে ২০০ উইকেট
কলকাতার জার্সিতে ২০০ উইকেট

মাঠে ময়দানে

বাছাইপর্ব টপকাতে প্রস্তুত নিগাররা
বাছাইপর্ব টপকাতে প্রস্তুত নিগাররা

মাঠে ময়দানে

মেয়েদের ২০৩১ বিশ্বকাপ যুক্তরাষ্ট্রে
মেয়েদের ২০৩১ বিশ্বকাপ যুক্তরাষ্ট্রে

মাঠে ময়দানে

চেলসির শীর্ষ চারের লড়াই
চেলসির শীর্ষ চারের লড়াই

মাঠে ময়দানে

অভিযোগে মোশাররফ করিমের জবাব
অভিযোগে মোশাররফ করিমের জবাব

শোবিজ

আমাদের সম্পর্কটা বড় ভাই-ছোট ভাইয়ের মতো
আমাদের সম্পর্কটা বড় ভাই-ছোট ভাইয়ের মতো

শোবিজ

১ লাখ ৮০ হাজার রোহিঙ্গা ফেরত নেবে মিয়ানমার
১ লাখ ৮০ হাজার রোহিঙ্গা ফেরত নেবে মিয়ানমার

প্রথম পৃষ্ঠা

জমজমাট বিনোদন কেন্দ্রগুলো
জমজমাট বিনোদন কেন্দ্রগুলো

পেছনের পৃষ্ঠা

প্রয়োজনীয় সংস্কার শেষে দ্রুত নির্বাচন
প্রয়োজনীয় সংস্কার শেষে দ্রুত নির্বাচন

প্রথম পৃষ্ঠা

নির্বাচনে অনিশ্চয়তা বাড়াবে জটিলতা
নির্বাচনে অনিশ্চয়তা বাড়াবে জটিলতা

প্রথম পৃষ্ঠা

এবার জনগণ ভোটাধিকার ফিরে পাবে
এবার জনগণ ভোটাধিকার ফিরে পাবে

প্রথম পৃষ্ঠা