শিরোনাম
প্রকাশ: ০০:০০, রবিবার, ০৯ ফেব্রুয়ারি, ২০২৫

দেশসেরা বিদ্যাপীঠের কথা

শিক্ষা গবেষণায় এগিয়ে জগন্নাথ বিশ্ববিদ্যালয়

মাহির মিলন
প্রিন্ট ভার্সন
শিক্ষা গবেষণায় এগিয়ে জগন্নাথ বিশ্ববিদ্যালয়
উচ্চশিক্ষা, গবেষণা ও আগামীর পথচলায় দেশের পাবলিক বিশ্ববিদ্যালয়গুলো বরাবরই গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা রাখছে। ধারাবাহিকভাবে প্রকাশ হবে দেশসেরা বিশ্ববিদ্যালয়গুলোর সমৃদ্ধ ইতিহাস, গবেষণা, অর্জন ও নতুন বাংলাদেশ গড়ার কর্মযজ্ঞে অনন্য অবদানের কথা-

১৯ বছর বয়সি বিশ্ববিদ্যালয়টির সঙ্গে জড়িয়ে আছে ১৬৬ বছরের ইতিহাস। ১৮৫৮ সালে ঢাকা ব্রাহ্ম স্কুল নামে যাত্রা শুরু করেছিল যে প্রতিষ্ঠানটি, নানা পট পরিবর্তনের মধ্য দিয়ে সেটিই এখন জগন্নাথ বিশ্ববিদ্যালয়। ক্যাম্পাস পুরান ঢাকায়। আয়তন সাত একর।

রাজধানীর টানে : ঢাকা শহরে পাবলিক বিশ্ববিদ্যালয়ের সংখ্যা খুব বেশি নেই। এ কারণেও ভর্তির ক্ষেত্রে ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের পরপরই অনেকের দ্বিতীয় পছন্দের অবস্থানে থাকে জগন্নাথ বিশ্ববিদ্যালয়। প্রথম বর্ষের শিক্ষার্থী মারিয়া ইসলাম বলছিলেন, ঢাকায় পড়াশোনা করার ইচ্ছা থেকেই মূলত জগন্নাথ বিশ্ববিদ্যালয়ে শিক্ষাজীবন শুরু করেছি। পুরান ঢাকার নিজস্বতা, এখানকার মানুষের আতিথেয়তা আমাকে আকৃষ্ট করেছে। সবচেয়ে বড় কথা, রাজধানী শহরকেন্দ্রিক পড়াশোনার জন্যই এখানে আসা।

গ্রাম থেকে ছুটে আসেন শিক্ষার্থীরা : শহরের আনাচেকানাচে থেকেই নয়, দেশের বিভিন্ন প্রান্ত থেকে জগন্নাথে পড়তে আসেন শিক্ষার্থীরা। সুদূর রংপুরের তেঁতুলিয়া থেকে শুরু করে কক্সবাজারের টেকনাফ থেকেও ভর্তি হয়েছেন অনেক শিক্ষার্থী। যেমন বাংলা বিভাগের ছাত্রী সুমাইয়া তাবাসসুম কুমিল্লা থেকে এসেছেন। সুমাইয়া বলেন, আগে মেসে থাকলেও এখন হলে সিট পেয়েছি। ঢাকার এত সমস্যা থাকা সত্ত্বেও ক্যাম্পাস জীবন উপভোগই করি। গ্রাম থেকে শুধু ঢাকায় থাকব বলে এখানে ভর্তি হয়েছি। আমার মতো অধিকাংশ শিক্ষার্থীই রাজধানীতে এসেছেন পড়াশোনার ক্ষেত্রে আধুনিক সব সুবিধা পেতে।

পরিবহন সুবিধা : অনাবাসিক হওয়ায় এখানকার পরিবহন সুবিধা সবচেয়ে বেশি। শুধু গাজীপুর কিংবা মানিকগঞ্জ নয়, সুদূর কুমিল্লা, নরসিংদী, মুন্সীগঞ্জ থেকে শুরু করে রাজধানীর সব রুটে রয়েছে শিক্ষার্থীদের জন্য নিয়মিত বাস সেবা। রসায়ন বিভাগের শিক্ষার্থী রকি বলেন, প্রতিদিন বিশ্ববিদ্যালয়ের বাসে করে ক্যাম্পাসে যাতায়াত করার একটা আলাদা মজা আছে। সকালে যখন লাল বাসে করে আমরা বিশ্ববিদ্যালয়ে যাই, সবাই আলাদা চোখে দেখে। আর বিকেলে বাসের দরজায় দাঁড়িয়ে, সবাই মিলে গান গাইতে গাইতে বাড়ি ফেরার আনন্দ বিশ্ববিদ্যালয় জীবনের বড় প্রাপ্তি।

চ্যালেঞ্জ মোকাবিলায় : নতুন নতুন চ্যালেঞ্জ মোকাবিলা করে এগিয়ে যাচ্ছে আজকের জগন্নাথ বিশ্ববিদ্যালয়। কলেজ থেকে বিশ্ববিদ্যালয় হিসেবে প্রতিষ্ঠিত হওয়ার দুই দশকে পদার্পণ করেছে হলবিহীন অনাবাসিক ক্যাম্পাসটি। শত প্রতিবন্ধকতার মধ্যেও শিক্ষা-গবেষণার পাশাপাশি সবক্ষেত্রে নিজেকে ছাড়িয়ে যাচ্ছে জাগা-বাবুর পাঠশালা খ্যাত বিশ্ববিদ্যালয়টি।

কেন জগন্নাথ সেরা : ২০০৫ সালের ২০ অক্টোবর থেকে যাত্রা শুরু করে ২০২৪ সালে দুই দশক পূর্ণ করেছে বিশ্ববিদ্যালয়টি। পুরান ঢাকার ঘিঞ্জি পরিবেশে থেকেও এখানকার শিক্ষক-শিক্ষার্থীরা প্রতিনিয়ত নতুন নতুন চ্যালেঞ্জিং সব কাজ করে নিজেদের শক্ত অবস্থান জানান দিয়েছে দেশের অন্য সব বিশ্ববিদ্যালয়ের সঙ্গে। কখনো-বা পড়াশোনায়, কখনো চাকরির বাজারে; আবার কখনো খেলাধুলায় কিংবা রাজপথের আন্দোলন-সংগ্রামে। দেশ-বিদেশে আলো ছড়াচ্ছেন এখানকার শিক্ষক-শিক্ষার্থীরা। ইতোমধ্যে বিশ্ববিদ্যালয়টি জায়গা করে নিয়েছে আন্তর্জাতিক একাধিক মানদণ্ডে। পাশাপাশি সারা বাংলাদেশে স্পেনের সিমাগো ইনস্টিটিউশন র‌্যাংকিং-২০২২ এ রসায়নে প্রথম হয়েছে জগন্নাথ বিশ্ববিদ্যালয়।

এ ছাড়াও বিশ্ববিদ্যালয়টি ইউজিসির বার্ষিক কর্মসম্পাদন চুক্তি, টাইমড হায়ার এডুকেশনসহ দেশি-বিদেশি সব জার্নাল এবং গবেষণায় জায়গা করে নিয়েছে।

জগন্নাথের অবদান : বাংলাদেশের স্বাধীনতা ও স্বাধীনতা-পরবর্তী সব আন্দোলন-সংগ্রামে গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা রাখা এই প্রতিষ্ঠানটি কলেজ আমল থেকে বিশ্ববিদ্যালয় হওয়ার পর থেকে ক্যাম্পাস আঙিনায় ইতোমধ্যে সুনাম ছড়িয়েছে সারা দেশে। বিসিএস, ব্যাংক, বিমা, জুডিশিয়ারি, আইনজীবী, এসআই, সার্জেন্ট, কর্পোরেট, মাল্টি-ন্যাশনালসহ সর্বস্তরে ভালো করছে জগন্নাথ বিশ্ববিদ্যালয়ের শিক্ষার্থীরা। ২০২৪ সালের বৈষম্যবিরোধী আন্দোলন ও স্বৈরাচার পতনের আন্দোলনেও জগন্নাথ বিশ্ববিদ্যালয়ের ভূমিকা ছিল তাৎপর্যপূর্ণ। এ বিশ্ববিদ্যালয়ের শিক্ষক-শিক্ষার্থীর অনেকেরই বলিষ্ঠ উপস্থিতি এই আন্দোলনে গতি সঞ্চার করেছে।

বিশ্ববিদ্যালয়ের যা যা আছে : বিশ্ববিদ্যালয়টি ১১.১১ একর জমির ওপর প্রতিষ্ঠিত হলেও বর্তমানে সাড়ে সাত একর জায়গায় অবস্থিত। যার মধ্যে একটি প্রশাসনিক ভবন, কলা, বিজ্ঞান, ব্যবসায় শিক্ষা, সামাজিক বিজ্ঞান ভবনসহ মোট নয়টি ভবন রয়েছে। একটি শহীদ মিনার ও মুক্তিযুদ্ধের স্মারক গুচ্ছ ভাস্কর্য, একাত্তরের গণহত্যা ও মুক্তিযুদ্ধের প্রস্তুতি বিশ্ববিদ্যালয় প্রাঙ্গণে অবস্থিত। বর্তমানে বিশ্ববিদ্যালয়টিতে রয়েছে আটটি অনুষদ, ৩৮টি বিভাগ ও দুইটি ইনস্টিটিউট। এ ছাড়াও নতুন তিনটি বিভাগ এবং একটি অনুষদ চালু করার জন্য বিশ্ববিদ্যালয় মঞ্জুরি কমিশন (ইউজিসি) কর্তৃক অনুমোদন দেওয়া হয়েছে। বিশ্ববিদ্যালয়টিতে বর্তমানে ১৭ হাজার ৬২৩ জন ছাত্র-ছাত্রী অধ্যয়নরত আছেন। প্রায় ১৮ হাজার শিক্ষার্থীর জন্য ৬৮০ জন শিক্ষক রয়েছেন। এ ছাড়াও ২৩৮ জন কর্মকর্তা ও ৩৩৩ জন কর্মচারী, ১৭৫ জন তৃতীয়-চতুর্থ শ্রেণির কর্মচারী এবং ২০৪ জন বিভিন্ন পেশায় দৈনিক হাজিরাভিত্তিক কর্মী নিয়োজিত আছেন। প্রাচীন এই বিদ্যাপীঠটির প্রায় ১৮ হাজার শিক্ষার্থীর জন্য ক্যাম্পাসের অভ্যন্তরে নতুন সাততলা ভবনের ছয়তলায় অবস্থিত একটি কেন্দ্রীয় গ্রন্থাগার এবং ভিন্ন ভিন্ন দুটি উন্মুক্ত গ্রন্থাগার রয়েছে। এর মধ্যে কেন্দ্রীয় গ্রন্থাগারে বইয়ের সংখ্যা ৩১ হাজার ৩২৬টি। গ্রন্থাগারে ইন্টারনেট সুবিধাসহ বিভিন্ন দেশি-বিদেশি বইয়ের সমাহার বিস্তৃত। বর্তমানে ছাত্রীদের আবাসিক সমস্যা নিরসনে বেগম ফজিলাতুন্নেছা মুজিব নামের একটি ১৬তলা বিশিষ্ট এক হাজার ২০০ আসনের একটি হল রয়েছে।

আধুনিক সুবিধা ও সাংস্কৃতিক অঙ্গন : অনাবাসিক খ্যাত বিশ্ববিদ্যালয়টিতে শিক্ষক-শিক্ষার্থীর জন্য নিয়মিত যাতায়াতে নিজস্ব সিলভার রঙের একতলা ও দ্বিতলা বাস, মাইক্রোবাস, বিআরটিসির ভাড়ায় চালিত লাল রঙের দ্বিতল বাসসহ মোট ৫৭টি বাস রয়েছে। সেই সঙ্গে বিশ্ববিদ্যালয়ে কেন্দ্রীয় খেলার মাঠ ধূপখোলা, কেন্দ্রীয় মিলনায়তন, নিজস্ব একটি মেডিকেল সেন্টার, কাউন্সেলিং সেন্টার, শরীরচর্চা শিক্ষা কেন্দ্র, ডে-কেয়ার সেন্টার, শিক্ষার্থী ও শিক্ষকদের জন্য দুটি আলাদা আধুনিক ক্যাফেটেরিয়া, ছাত্র-ছাত্রীর জন্য পৃথকভাবে নামাজ পড়ার একটি দ্বিতল বিশিষ্ট মসজিদসহ মিডিয়া, সামাজিক, সাংস্কৃতিক ও সেবামূলক ২০টির অধিক সংগঠনের কার্যক্রম চলমান রয়েছে ছোট্ট এই ক্যাম্পাসটিতে।

দ্বিতীয় ক্যাম্পাস : শিক্ষার্থীদের হল আন্দোলনের পরিপ্রেক্ষিতে অনাবাসিক সমস্যা সমাধানে বিশ্ববিদ্যালয়ের জন্য কেরানীগঞ্জের তেঘরিয়ায় দ্বিতীয় ক্যাম্পাস স্থাপন প্রকল্পের কাজ চলছে। ২০০ একর জমির ওপর নির্মিত হচ্ছে আধুনিক মানসম্মত এই ক্যাম্পাসটি। প্রকল্পটির মেয়াদকাল শেষ হওয়ার কথা ৩১ ডিসেম্বর ২০২৬ সাল নাগাদ। যদিও ইতোমধ্যে দ্বিতীয় ক্যাম্পাসের প্রথম প্রকল্পের ৭৫ শতাংশ কাজ সম্পন্ন হয়েছে বলে জানিয়েছেন বিশ্ববিদ্যালয়ের প্রধান প্রকৌশলী হেলাল উদ্দিন পাটোয়ারী।

উপাচার্যের বক্তব্য : সার্বিক বিষয়ে জগন্নাথ বিশ্ববিদ্যালয়ের উপাচার্য অধ্যাপক ড. মো. রেজাউল করিম বলেন, আবাসন সমস্যা দূরীকরণে আমরা চেষ্টা করছি। স্বল্প পরিসরে হলেও আবাসন শুরু হয়েছে। শিক্ষার্থীদের পাশাপাশি চীন, সৌদি আরবসহ বিভিন্ন দ্রুতাবাস ও দেশি-বিদেশি সংগঠনের পজিটিভ সাড়া পাচ্ছি। উপাচার্য আরও বলেন, আমাদের প্রশাসন এখন অনেক গতিশীল। কোনো ধরনের স্থবিরতা নেই এখানে। শিক্ষার্থীদের জন্য একটি আধুনিক ফুডকোট ও শিক্ষা উপকরণ সেবা পেতে শিগগিরই নতুন প্রকল্প হাতে নিয়েছি। পাশাপাশি শিক্ষার্থীদের ক্লাস এবং শিক্ষকদের মূল্যায়নের জন্য একটি অ্যাপস চালু করছি। যা আগামী দুই মাসে হয়ে যাবে বলে আশা করি। গবেষণার ক্ষেত্রেও আন্তর্জাতিক মানদণ্ড মেনে শিক্ষক-শিক্ষার্থীরা সব সুবিধা পাবে। সর্বক্ষেত্রে এগিয়ে যাবে আমাদের জগন্নাথ বিশ্ববিদ্যালয়।

এই বিভাগের আরও খবর
মহাকাশ যাত্রার অবিস্মরণীয় গল্প
মহাকাশ যাত্রার অবিস্মরণীয় গল্প
দেশে দেশে রমজানে মূল্যছাড়ের প্রতিযোগিতা
দেশে দেশে রমজানে মূল্যছাড়ের প্রতিযোগিতা
দেশে দেশে রমজান
দেশে দেশে রমজান
দেশে দেশে বইমেলা
দেশে দেশে বইমেলা
বিশ্বসেরা বিজ্ঞানী আল বিরুনি
বিশ্বসেরা বিজ্ঞানী আল বিরুনি
হারিয়ে যাওয়া এয়ারলাইনস
হারিয়ে যাওয়া এয়ারলাইনস
পিকনিক
পিকনিক
একটি কাল্পনিক আলাপচারিতা
একটি কাল্পনিক আলাপচারিতা
ইচ্ছা হলে হাসুন
ইচ্ছা হলে হাসুন
খোঁজ দ্য সার্চ
খোঁজ দ্য সার্চ
কুমিল্লা বিশ্ববিদ্যালয়কে বিশ্বমানে উন্নীতের প্রত্যাশা
কুমিল্লা বিশ্ববিদ্যালয়কে বিশ্বমানে উন্নীতের প্রত্যাশা
ঈর্ষণীয় সাফল্যে যশোর বিজ্ঞান ও প্রযুক্তি বিশ্ববিদ্যালয়
ঈর্ষণীয় সাফল্যে যশোর বিজ্ঞান ও প্রযুক্তি বিশ্ববিদ্যালয়
সর্বশেষ খবর
হাঁটুর চোটে ১৪ সপ্তাহ মাঠের বাইরে স্টোন
হাঁটুর চোটে ১৪ সপ্তাহ মাঠের বাইরে স্টোন

১ সেকেন্ড আগে | মাঠে ময়দানে

চালের দানার চেয়েও ছোট পেসমেকার তৈরি করলেন বিজ্ঞানীরা
চালের দানার চেয়েও ছোট পেসমেকার তৈরি করলেন বিজ্ঞানীরা

১০ মিনিট আগে | বিজ্ঞান

পাপুয়া নিউ গিনিতে শক্তিশালী ভূমিকম্প, সুনামি সতর্কতা
পাপুয়া নিউ গিনিতে শক্তিশালী ভূমিকম্প, সুনামি সতর্কতা

১৫ মিনিট আগে | পূর্ব-পশ্চিম

২২ বছর পর বাংলা সিনেমায় ফিরছেন রাখী
২২ বছর পর বাংলা সিনেমায় ফিরছেন রাখী

২৫ মিনিট আগে | শোবিজ

ঢাকার বাতাস আজ ‘অস্বাস্থ্যকর’
ঢাকার বাতাস আজ ‘অস্বাস্থ্যকর’

২৯ মিনিট আগে | নগর জীবন

চাঁদপুরে অটোরিকশা-মোটরসাইকেল সংঘর্ষে নিহত ১
চাঁদপুরে অটোরিকশা-মোটরসাইকেল সংঘর্ষে নিহত ১

৪০ মিনিট আগে | দেশগ্রাম

জরিমানায় খেলার অনুমতি মিলল এমবাপে-রুডিগারদের, রিয়ালের স্বস্তি
জরিমানায় খেলার অনুমতি মিলল এমবাপে-রুডিগারদের, রিয়ালের স্বস্তি

৫২ মিনিট আগে | মাঠে ময়দানে

ছুরিকাঘাতে ব্যবসায়ী নিহত, অভিযুক্তকে পিটিয়ে হত্যা
ছুরিকাঘাতে ব্যবসায়ী নিহত, অভিযুক্তকে পিটিয়ে হত্যা

৫৫ মিনিট আগে | দেশগ্রাম

নেপালে ৫.২ মাত্রার ভূমিকম্প
নেপালে ৫.২ মাত্রার ভূমিকম্প

৫৯ মিনিট আগে | পূর্ব-পশ্চিম

ফতোয়া প্রদানে সতর্কতা ও আবশ্যিক শর্ত
ফতোয়া প্রদানে সতর্কতা ও আবশ্যিক শর্ত

১ ঘণ্টা আগে | ইসলামী জীবন

আইপিএলের প্রথমবার দেখা গেল এমন কিছু
আইপিএলের প্রথমবার দেখা গেল এমন কিছু

১ ঘণ্টা আগে | মাঠে ময়দানে

ট্রাম্পের শুল্ক একটি ‘জাতীয় সংকট’ : জাপানি প্রধানমন্ত্রী
ট্রাম্পের শুল্ক একটি ‘জাতীয় সংকট’ : জাপানি প্রধানমন্ত্রী

১ ঘণ্টা আগে | পূর্ব-পশ্চিম

সন্তানের দ্বিনি শিক্ষা নিশ্চিত করা আবশ্যক
সন্তানের দ্বিনি শিক্ষা নিশ্চিত করা আবশ্যক

১ ঘণ্টা আগে | ইসলামী জীবন

বলিভিয়ায় স্বর্ণ খনিতে ভয়াবহ বিস্ফোরণ, শিশুসহ নিহত ৫
বলিভিয়ায় স্বর্ণ খনিতে ভয়াবহ বিস্ফোরণ, শিশুসহ নিহত ৫

১ ঘণ্টা আগে | পূর্ব-পশ্চিম

যেসব আচরণ শিখিয়ে গেল মাহে রমজান
যেসব আচরণ শিখিয়ে গেল মাহে রমজান

১ ঘণ্টা আগে | ইসলামী জীবন

গাজায় অ্যাম্বুলেন্সে অগ্নিকাণ্ড ইসরায়েলি ‘যুদ্ধাপরাধ’ হতে পারে : জাতিসংঘ কর্মকর্তা
গাজায় অ্যাম্বুলেন্সে অগ্নিকাণ্ড ইসরায়েলি ‘যুদ্ধাপরাধ’ হতে পারে : জাতিসংঘ কর্মকর্তা

২ ঘণ্টা আগে | পূর্ব-পশ্চিম

একনজরে আজকের বাংলাদেশ প্রতিদিন (৫ এপ্রিল)
একনজরে আজকের বাংলাদেশ প্রতিদিন (৫ এপ্রিল)

২ ঘণ্টা আগে | জাতীয়

কুমিল্লায় মসজিদ কমিটির সেক্রেটারিকে হত্যার ঘটনায় গ্রেফতার ২
কুমিল্লায় মসজিদ কমিটির সেক্রেটারিকে হত্যার ঘটনায় গ্রেফতার ২

৩ ঘণ্টা আগে | দেশগ্রাম

বরগুনা সদর উপজেলা পরিষদের সাবেক চেয়ারম্যান মনির গ্রেফতার
বরগুনা সদর উপজেলা পরিষদের সাবেক চেয়ারম্যান মনির গ্রেফতার

৩ ঘণ্টা আগে | দেশগ্রাম

সেচ পাম্পে গোসল করতে যাওয়ায় কিশোরকে পিটিয়ে হত্যা
সেচ পাম্পে গোসল করতে যাওয়ায় কিশোরকে পিটিয়ে হত্যা

৪ ঘণ্টা আগে | দেশগ্রাম

আওয়ামী লীগের টাকার লোভে না পড়তে দলীয় নেতাদের হুঁশিয়ারি শামা ওবায়েদের
আওয়ামী লীগের টাকার লোভে না পড়তে দলীয় নেতাদের হুঁশিয়ারি শামা ওবায়েদের

৭ ঘণ্টা আগে | রাজনীতি

প্রতিকূল পরিবেশেও খেলাপি ঋণ কমেছে
প্রতিকূল পরিবেশেও খেলাপি ঋণ কমেছে

৭ ঘণ্টা আগে | বাণিজ্য

ফ্যাসিবাদ পুনর্বাসনের প্রচেষ্টা কোনোভাবেই মেনে নেওয়া হবে না : গোলাম পরওয়ার
ফ্যাসিবাদ পুনর্বাসনের প্রচেষ্টা কোনোভাবেই মেনে নেওয়া হবে না : গোলাম পরওয়ার

৮ ঘণ্টা আগে | রাজনীতি

কালশী ফ্লাইওভারে গাড়ির সঙ্গে মোটরসাইকেলের সংঘর্ষ, দুই যুবক নিহত
কালশী ফ্লাইওভারে গাড়ির সঙ্গে মোটরসাইকেলের সংঘর্ষ, দুই যুবক নিহত

৮ ঘণ্টা আগে | নগর জীবন

মিয়ানমারে বাংলাদেশ সশস্ত্র বাহিনীর নেতৃত্বে উদ্ধার ও চিকিৎসা কার্যক্রম অব্যাহত
মিয়ানমারে বাংলাদেশ সশস্ত্র বাহিনীর নেতৃত্বে উদ্ধার ও চিকিৎসা কার্যক্রম অব্যাহত

৯ ঘণ্টা আগে | জাতীয়

মাদক নিয়ে দ্বন্দ্বে যুবককে কুড়াল দিয়ে কুপিয়ে হত্যা
মাদক নিয়ে দ্বন্দ্বে যুবককে কুড়াল দিয়ে কুপিয়ে হত্যা

৯ ঘণ্টা আগে | দেশগ্রাম

দেশে ফিরেছেন প্রধান উপদেষ্টা
দেশে ফিরেছেন প্রধান উপদেষ্টা

৯ ঘণ্টা আগে | জাতীয়

ভালুকায় মোটরসাইকেলের ধাক্কায় বৃদ্ধ নিহত
ভালুকায় মোটরসাইকেলের ধাক্কায় বৃদ্ধ নিহত

১০ ঘণ্টা আগে | দেশগ্রাম

হাসিনার এক মন্তব্যে সংকটে মাদারগঞ্জের সমবায় সমিতি
হাসিনার এক মন্তব্যে সংকটে মাদারগঞ্জের সমবায় সমিতি

১০ ঘণ্টা আগে | দেশগ্রাম

এখনো ফাঁকা বন্দরনগরী
এখনো ফাঁকা বন্দরনগরী

১২ ঘণ্টা আগে | চট্টগ্রাম প্রতিদিন

সর্বাধিক পঠিত
ঈদুল আজহার সম্ভাব্য তারিখ প্রকাশ
ঈদুল আজহার সম্ভাব্য তারিখ প্রকাশ

১৩ ঘণ্টা আগে | পূর্ব-পশ্চিম

নরেন্দ্র মোদিকে যে উপহার দিলেন প্রধান উপদেষ্টা
নরেন্দ্র মোদিকে যে উপহার দিলেন প্রধান উপদেষ্টা

১৯ ঘণ্টা আগে | জাতীয়

শেখ হাসিনার প্রত্যর্পণ চাইলো বাংলাদেশ
শেখ হাসিনার প্রত্যর্পণ চাইলো বাংলাদেশ

২০ ঘণ্টা আগে | জাতীয়

প্রথম দফায় ১ লাখ ৮০ হাজার রোহিঙ্গা নিতে রাজি মিয়ানমার
প্রথম দফায় ১ লাখ ৮০ হাজার রোহিঙ্গা নিতে রাজি মিয়ানমার

১৫ ঘণ্টা আগে | জাতীয়

ড. ইউনূস-মোদির ৪০ মিনিটের বৈঠক, আলাপ হলো কী নিয়ে
ড. ইউনূস-মোদির ৪০ মিনিটের বৈঠক, আলাপ হলো কী নিয়ে

১৪ ঘণ্টা আগে | জাতীয়

পর্দায় নয়, এবার সত্যিই বিয়ে করলেন শামীম হাসান সরকার
পর্দায় নয়, এবার সত্যিই বিয়ে করলেন শামীম হাসান সরকার

১৩ ঘণ্টা আগে | শোবিজ

ব্যাংককে ড. ইউনূস-মোদির বৈঠক
ব্যাংককে ড. ইউনূস-মোদির বৈঠক

২১ ঘণ্টা আগে | জাতীয়

ড. ইউনূস ও মোদির বৈঠক নিয়ে যা জানালেন ভারতের পররাষ্ট্র সচিব
ড. ইউনূস ও মোদির বৈঠক নিয়ে যা জানালেন ভারতের পররাষ্ট্র সচিব

১৪ ঘণ্টা আগে | জাতীয়

খুলনায় গ্রেনেড বাবুর বাড়িতে অভিযানে অস্ত্র উদ্ধার, আটক ৩
খুলনায় গ্রেনেড বাবুর বাড়িতে অভিযানে অস্ত্র উদ্ধার, আটক ৩

২০ ঘণ্টা আগে | নগর জীবন

প্রতিশোধ নিল চীন, মার্কিন পণ্যের ওপর অতিরিক্ত ৩৪% শুল্ক আরোপ
প্রতিশোধ নিল চীন, মার্কিন পণ্যের ওপর অতিরিক্ত ৩৪% শুল্ক আরোপ

১৬ ঘণ্টা আগে | পূর্ব-পশ্চিম

৫ মিলিয়ন ডলারের ‘গোল্ড কার্ড’ ভিসা উন্মোচন করলেন ট্রাম্প
৫ মিলিয়ন ডলারের ‘গোল্ড কার্ড’ ভিসা উন্মোচন করলেন ট্রাম্প

১২ ঘণ্টা আগে | পূর্ব-পশ্চিম

বাংলাদেশ বিমসটেকের পরবর্তী চেয়ারম্যান
বাংলাদেশ বিমসটেকের পরবর্তী চেয়ারম্যান

১৮ ঘণ্টা আগে | জাতীয়

অভ্যুত্থানের সময় গ্রেফতার, সৌদিতে জেল খেটে দেশে ফিরলেন ১০ প্রবাসী
অভ্যুত্থানের সময় গ্রেফতার, সৌদিতে জেল খেটে দেশে ফিরলেন ১০ প্রবাসী

১৭ ঘণ্টা আগে | জাতীয়

আওয়ামী লীগের টাকার লোভে না পড়তে দলীয় নেতাদের হুঁশিয়ারি শামা ওবায়েদের
আওয়ামী লীগের টাকার লোভে না পড়তে দলীয় নেতাদের হুঁশিয়ারি শামা ওবায়েদের

৭ ঘণ্টা আগে | রাজনীতি

ইউনূস-মোদি বৈঠক ফলপ্রসূ হয়েছে: প্রেস সচিব
ইউনূস-মোদি বৈঠক ফলপ্রসূ হয়েছে: প্রেস সচিব

১৮ ঘণ্টা আগে | জাতীয়

ঐশ্বরিয়া আমার মেয়ে নয়, কেবল ছেলের বউ : জয়া বচ্চন
ঐশ্বরিয়া আমার মেয়ে নয়, কেবল ছেলের বউ : জয়া বচ্চন

১২ ঘণ্টা আগে | শোবিজ

ট্রাম্পের শুল্ক বাংলাদেশ-শ্রীলঙ্কার পোশাকশিল্পে বড় ধাক্কা: নিউইয়র্ক টাইমস
ট্রাম্পের শুল্ক বাংলাদেশ-শ্রীলঙ্কার পোশাকশিল্পে বড় ধাক্কা: নিউইয়র্ক টাইমস

২৩ ঘণ্টা আগে | বাণিজ্য

দীর্ঘ ১৫ বছর পর বঞ্চিত কমিউনিটি নেতারা দাওয়াত পেলেন রাষ্ট্রীয় অনুষ্ঠানে
দীর্ঘ ১৫ বছর পর বঞ্চিত কমিউনিটি নেতারা দাওয়াত পেলেন রাষ্ট্রীয় অনুষ্ঠানে

১৭ ঘণ্টা আগে | পরবাস

প্রধান উপদেষ্টার সঙ্গে শ্রীলঙ্কার প্রধানমন্ত্রীর সাক্ষাৎ
প্রধান উপদেষ্টার সঙ্গে শ্রীলঙ্কার প্রধানমন্ত্রীর সাক্ষাৎ

১৭ ঘণ্টা আগে | জাতীয়

৩০০ আসনে প্রার্থী দেওয়ার চ্যালেঞ্জ নিতে প্রস্তুত এনসিপি: সারজিস
৩০০ আসনে প্রার্থী দেওয়ার চ্যালেঞ্জ নিতে প্রস্তুত এনসিপি: সারজিস

১৬ ঘণ্টা আগে | নগর জীবন

ড. ইউনূস-মোদি বৈঠক আশার আলো তৈরি করেছে: মির্জা ফখরুল
ড. ইউনূস-মোদি বৈঠক আশার আলো তৈরি করেছে: মির্জা ফখরুল

১৩ ঘণ্টা আগে | রাজনীতি

দুই দিন ধরে তুর্কি বিমানবন্দরে আটকা ২৫০ যাত্রী
দুই দিন ধরে তুর্কি বিমানবন্দরে আটকা ২৫০ যাত্রী

১৬ ঘণ্টা আগে | পূর্ব-পশ্চিম

কালশী ফ্লাইওভারে গাড়ির সঙ্গে মোটরসাইকেলের সংঘর্ষ, দুই যুবক নিহত
কালশী ফ্লাইওভারে গাড়ির সঙ্গে মোটরসাইকেলের সংঘর্ষ, দুই যুবক নিহত

৮ ঘণ্টা আগে | নগর জীবন

আসিয়ান সদস্যপদের জন্য থাইল্যান্ডের সমর্থন চাইলেন প্রধান উপদেষ্টা
আসিয়ান সদস্যপদের জন্য থাইল্যান্ডের সমর্থন চাইলেন প্রধান উপদেষ্টা

২০ ঘণ্টা আগে | জাতীয়

হাসিনার এক মন্তব্যে সংকটে মাদারগঞ্জের সমবায় সমিতি
হাসিনার এক মন্তব্যে সংকটে মাদারগঞ্জের সমবায় সমিতি

১০ ঘণ্টা আগে | দেশগ্রাম

গ্রিনল্যান্ডকে এভাবে সংযুক্ত করা যায় না : যুক্তরাষ্ট্রকে ডেনমার্ক
গ্রিনল্যান্ডকে এভাবে সংযুক্ত করা যায় না : যুক্তরাষ্ট্রকে ডেনমার্ক

১৭ ঘণ্টা আগে | পূর্ব-পশ্চিম

শনিবার ঢাকায় আসছে আইএমএফের প্রতিনিধি দল
শনিবার ঢাকায় আসছে আইএমএফের প্রতিনিধি দল

২০ ঘণ্টা আগে | জাতীয়

ইউনূসের সঙ্গে মোদির বৈঠক প্রয়োজন ছিল: মির্জা আব্বাস
ইউনূসের সঙ্গে মোদির বৈঠক প্রয়োজন ছিল: মির্জা আব্বাস

১৫ ঘণ্টা আগে | রাজনীতি

‘যত দ্রুত সম্ভব নির্বাচন আয়োজন করা সরকারের সর্বোচ্চ অগ্রাধিকার’
‘যত দ্রুত সম্ভব নির্বাচন আয়োজন করা সরকারের সর্বোচ্চ অগ্রাধিকার’

২২ ঘণ্টা আগে | জাতীয়

মিঠামইনে কৃষকের মৃত্যুকে কেন্দ্র করে রহস্য
মিঠামইনে কৃষকের মৃত্যুকে কেন্দ্র করে রহস্য

২২ ঘণ্টা আগে | দেশগ্রাম

প্রিন্ট সর্বাধিক
সুবিধাবাদী হাইব্রিডে অতিষ্ঠ বিএনপি
সুবিধাবাদী হাইব্রিডে অতিষ্ঠ বিএনপি

প্রথম পৃষ্ঠা

মুজিব ছিলেন বেপরোয়া
মুজিব ছিলেন বেপরোয়া

প্রথম পৃষ্ঠা

চলতি বছর টাইগারদের ৬ টেস্ট
চলতি বছর টাইগারদের ৬ টেস্ট

মাঠে ময়দানে

দেশের প্রযুক্তি খাতে বিপ্লব ঘটাবে স্টারলিংক
দেশের প্রযুক্তি খাতে বিপ্লব ঘটাবে স্টারলিংক

প্রথম পৃষ্ঠা

ধুঁকছেন পেট্রাপোলের ব্যবসায়ীরাও
ধুঁকছেন পেট্রাপোলের ব্যবসায়ীরাও

পেছনের পৃষ্ঠা

হাসিনাকে চাইল বাংলাদেশ
হাসিনাকে চাইল বাংলাদেশ

প্রথম পৃষ্ঠা

আজকের ভাগ্যচক্র
আজকের ভাগ্যচক্র

আজকের রাশি

ইলিশের দামে আগুন
ইলিশের দামে আগুন

পেছনের পৃষ্ঠা

দীর্ঘদিন ক্ষমতা আঁকড়ে রাখার চিন্তা করলে জনগণ মেনে নেবে না
দীর্ঘদিন ক্ষমতা আঁকড়ে রাখার চিন্তা করলে জনগণ মেনে নেবে না

নগর জীবন

রাজশাহী বিএনপিতে ত্রিধারা
রাজশাহী বিএনপিতে ত্রিধারা

নগর জীবন

‘মিনি জাফলংয়ে’ স্বাস্থ্যঝুঁকি
‘মিনি জাফলংয়ে’ স্বাস্থ্যঝুঁকি

নগর জীবন

কবির-মুসার বিরুদ্ধে এবার জালিয়াতির অভিযোগ
কবির-মুসার বিরুদ্ধে এবার জালিয়াতির অভিযোগ

নগর জীবন

চট্টগ্রাম-কক্সবাজার সড়কে শঙ্কা
চট্টগ্রাম-কক্সবাজার সড়কে শঙ্কা

পেছনের পৃষ্ঠা

আত্রাই নদীর চরে কুমড়াবাড়ি!
আত্রাই নদীর চরে কুমড়াবাড়ি!

পেছনের পৃষ্ঠা

মুখোমুখি সরকার-আইএমএফ
মুখোমুখি সরকার-আইএমএফ

প্রথম পৃষ্ঠা

হচ্ছে বাম দলের বৃহত্তর জোট!
হচ্ছে বাম দলের বৃহত্তর জোট!

প্রথম পৃষ্ঠা

নতুন জীবনের খোঁজে মাহি
নতুন জীবনের খোঁজে মাহি

শোবিজ

নিশোর মুখে শাকিববন্দনা
নিশোর মুখে শাকিববন্দনা

শোবিজ

চলে যাচ্ছেন ম্যানসিটির ডি ব্রুইন
চলে যাচ্ছেন ম্যানসিটির ডি ব্রুইন

মাঠে ময়দানে

আমাদের সম্পর্কটা বড় ভাই-ছোট ভাইয়ের মতো
আমাদের সম্পর্কটা বড় ভাই-ছোট ভাইয়ের মতো

শোবিজ

১ লাখ ৮০ হাজার রোহিঙ্গা ফেরত নেবে মিয়ানমার
১ লাখ ৮০ হাজার রোহিঙ্গা ফেরত নেবে মিয়ানমার

প্রথম পৃষ্ঠা

অভিযোগে মোশাররফ করিমের জবাব
অভিযোগে মোশাররফ করিমের জবাব

শোবিজ

বাছাইপর্ব টপকাতে প্রস্তুত নিগাররা
বাছাইপর্ব টপকাতে প্রস্তুত নিগাররা

মাঠে ময়দানে

কলকাতার জার্সিতে ২০০ উইকেট
কলকাতার জার্সিতে ২০০ উইকেট

মাঠে ময়দানে

মেয়েদের ২০৩১ বিশ্বকাপ যুক্তরাষ্ট্রে
মেয়েদের ২০৩১ বিশ্বকাপ যুক্তরাষ্ট্রে

মাঠে ময়দানে

জমজমাট বিনোদন কেন্দ্রগুলো
জমজমাট বিনোদন কেন্দ্রগুলো

পেছনের পৃষ্ঠা

চেলসির শীর্ষ চারের লড়াই
চেলসির শীর্ষ চারের লড়াই

মাঠে ময়দানে

প্রয়োজনীয় সংস্কার করে দ্রুত নির্বাচন দিতে হবে
প্রয়োজনীয় সংস্কার করে দ্রুত নির্বাচন দিতে হবে

প্রথম পৃষ্ঠা

প্রয়োজনীয় সংস্কার শেষে দ্রুত নির্বাচন
প্রয়োজনীয় সংস্কার শেষে দ্রুত নির্বাচন

প্রথম পৃষ্ঠা

এবার জনগণ ভোটাধিকার ফিরে পাবে
এবার জনগণ ভোটাধিকার ফিরে পাবে

প্রথম পৃষ্ঠা