শিরোনাম
প্রকাশ: ১৬:১০, শুক্রবার, ১০ জানুয়ারি, ২০২৫

কালের কণ্ঠের ১৫তম প্রতিষ্ঠাবার্ষিকী উপলক্ষ্যে প্রকাশিত

জনপ্রত্যাশা পূরণে সঠিক দায়িত্ব পালন করতে হবে

একান্ত সাক্ষাৎকারে অধ্যাপক ড. তোফায়েল আহমেদ
অনলাইন ভার্সন
জনপ্রত্যাশা পূরণে সঠিক দায়িত্ব পালন করতে হবে

স্থানীয় সরকার বিশেষজ্ঞ হিসেবে প্রথম যে নামটি উচ্চারিত হয়, তিনি অধ্যাপক ড. তোফায়েল আহমেদ। বর্তমানে তিনি স্থানীয় সরকার সংস্কার কমিশনের প্রধান হিসেবে দায়িত্ব পালন করছেন। একই সঙ্গে নির্বাচন কমিশন সংস্কার কমিশন, বাংলাদেশ পল্লী উন্নয়ন একাডেমির পরিচালনা পর্ষদ ও চট্টগ্রাম বিশ্ববিদ্যালয়ের সিন্ডিকেট সদস্য তিনি। কালের কণ্ঠকে দেওয়া একান্ত সাক্ষাৎকারে জুলাই-আগস্টের অভ্যুত্থান-পরবর্তী জন-আকাঙ্ক্ষা, স্থানীয় সরকার ব্যবস্থার বর্তমান অবস্থা, এর নির্বাচন কেমন হওয়া প্রয়োজন, গ্রাম আদালত- এসব নিয়ে কথা বলেছেন তিনি। সাক্ষাৎকার নিয়েছেন কালের কণ্ঠের নগর সম্পাদক কাজী হাফিজ।

জুলাই-আগস্টের অভ্যুত্থান-পরবর্তী জন-আকাঙ্ক্ষাকে কিভাবে দেখছেন? আগের পরিস্থিতির কতটা পরিবর্তন হয়েছে?

ছাত্র-জনতার অভ্যুত্থানে ফ্যাসিস্ট আওয়ামী লীগ সরকারের পতনের পর দেশ নিয়ে এখন দেশের মানুষের আকাশচুম্বী প্রত্যাশা। এত দিন যা পায়নি—গণতান্ত্রিক অধিকারহীনতা, বৈষম্য ও বঞ্চনার সমাজ, জোরজুলুম—এসবের অবসান চায়। আপাতত জোরজুলুমের কিছুটা অবসান হয়েছে। ঢাকার উত্তরা এলাকায় রাস্তায় হকার বসেছে শীতের কাপড় নিয়ে।

কয়েক দিন আগে তাদের জিজ্ঞেস করলাম, চাঁদাবাজি হচ্ছে কি না। জবাব পেলাম—না, এখন এটা বন্ধ হয়েছে। এই সরকার (অন্তর্বর্তী সরকার) আসার পর আর চাঁদা দিতে হচ্ছে না। তার মানে, চাঁদাবাজি থেকে তাদের সাময়িক নিষ্কৃতি মিলেছে।
তবে প্রশাসনের কাছ থেকে মানুষ সঠিক সেবা পাচ্ছে না। প্রশাসনের সবখানেই গড়িমসি। থানায় সহজে জিডি নেওয়া হচ্ছে না। নানা অজুহাত দেখানো হচ্ছে।

কোনো সংস্থায় হয়তো বড় কোনো প্রজেক্ট পাস হয়ে আছে। মন্ত্রণালয় থেকে সেই প্রজেক্টের ছাড়পত্র দেওয়া হচ্ছে না। এর একটি চেইন ইফেক্ট আছে। এটি যদি একটি বিদেশি সাহায্যপুষ্ট প্রজেক্ট হয়, তাহলে বর্তমান বৈদেশিক মুদ্রা সংকটের মধ্যেও ওই প্রজেক্টের জন্য বরাদ্দ বৈদেশিক মুদ্রা আমরা ব্যবহার করতে পারছি না। কর্মসংস্থান হচ্ছে না।

এ ছাড়া প্রজেক্ট বাস্তবায়নে বিলম্বের কারণে এই কাজের ব্যয়ও বেড়ে যাচ্ছে। সময় নষ্ট হচ্ছে। এ ধরনের অনেক প্রজেক্ট দু-তিন বছরও আটকে আছে। বর্তমান সরকারের সময়েও এর পরিবর্তন নেই।

গণতন্ত্র একটা আকাঙ্ক্ষা। এর কোনো পরিমাপ নেই। এটি একটি ধারণাগত বিষয়, দৃষ্টিভঙ্গির বিষয়। এ ক্ষেত্রে সত্যিকার অর্থে নানা ধরনের চাপে আগের চর্চা এখনো অব্যাহত। প্রাতিষ্ঠানিকভাবে যদি দেখি, পার্লামেন্ট নেই। পার্লামেন্ট থাকলেও গণতন্ত্র থাকবে, এটা কেউ বলতে পারে না। এখন স্থানীয় সরকারে জনপ্রতিনিধি নেই। কিন্তু একটি সরকারি বিভাগের কাজ করার কতগুলো নিয়ম-নীতি তো আছে। সেইসব নিয়ম-নীতি প্রতিপালিত হচ্ছে না। যেমন ধরেন, একটা রাস্তা করা হবে, তার জন্য ঠিকাদার নিয়োগ দেওয়া হয়েছে। ঠিকাদার সাইনবোর্ড স্থাপন করে জানিয়ে দেবে, কাজটা কত টাকার, কাজের ধরন, রাস্তাটির প্রস্থ ও দৈর্ঘ্য এবং কাজের সময়সীমা—এসব বিস্তারিত তথ্য। কাজ শুরুর আগে এলাকার লোকজনকে নিয়ে মিটিং করতে হবে। স্টেকহোল্ডার মিটিং। এগুলো প্রজেক্টের শর্ত। কিন্তু তা মানা হচ্ছে না। আমার বাড়ির সামনে দিয়ে রাস্তা হবে। আমি রাস্তার জায়গার একটি অংশ দখল করে রেখে দিয়েছি। সেটি ছেড়ে দিচ্ছি না। আমি প্রভাবশালী হওয়ায় ঠিকাদার, প্রকৌশলী ভয়ে আমাকে কিছু বলছে না। ফলে যে রাস্তা দশ ফুট চওড়া হওয়ার কথা, সেটি সাত ফুট চওড়া হয়ে যাচ্ছে। সমস্যা ওপরের দিকে যেমন আছে, নিচের দিকেও আছে। কেউ কোনো দায়িত্ব নিচ্ছে না। এই সমস্যা সমাধানে কারো দিকে আঙুল তুলে লাভ হবে না। সবার দায়িত্ব রয়েছে। সমাজ এখনো সেভাবে প্রস্তুত নয়।

সমাজকে প্রস্তুত করার জন্য আপনার পরামর্শ কী?

 জনগণের প্রত্যাশা পূরণে প্রতিটি প্রতিষ্ঠানকে সঠিকভাবে দায়িত্ব পালন করতে হবে। জনসচেতনতার দায়িত্বও ওই প্রতিষ্ঠানগুলোর। রাস্তা করার দায়িত্ব যে ডিপার্টমেন্টের, তাকে জনগণকে স্পষ্ট করে জানাতে হবে, এখানে এই কাজ হবে। প্রতিষ্ঠানগুলোর কাজের জবাবদিহি ও উপযুক্ত পর্যবেক্ষণ থাকতে হবে।

বিদ্যমান স্থানীয় সরকার ব্যবস্থার প্রধান ত্রুটিগুলো কী?

জনপ্রত্যাশা পূরণে সঠিক দায়িত্ব পালন করতে হবেদেশে প্রকৃত অর্থে স্থানীয় সরকার ব্যবস্থা নেই; আছে কতগুলো প্রতিষ্ঠানের সমষ্টি। একক কোনো কাঠামো ও পদ্ধতির মধ্যে নেই। এখানেই সমস্যা। ধরেন, সরকার ইউনিয়ন পরিষদ, উপজেলা বা জেলা পরিষদকে কিছু টাকা থোক বরাদ্দ দিল। সামান্য টাকা, কিন্তু সেই টাকাও শৃঙ্খলার মধ্য দিয়ে সঠিক কোনো পরিকল্পনা নিয়ে ব্যয় হচ্ছে না। নিয়ম হচ্ছে, থোক বরাদ্দের ওই টাকা পরিষদে আলোচনার মাধ্যমে সিদ্ধান্ত নিয়ে পরিকল্পনামাফিক ব্যয় করতে হবে। কিন্তু তা করা হয় না। ওই বরাদ্দের টাকা চেয়ারম্যান-মেম্বারদের মধ্যে ভাগ করে দেওয়া হয়। হয়তো ওই টাকা খরচের জন্য একটা পরিকল্পনা লিখে দেওয়া হয়, কিন্তু সেই পরিকল্পনা নিয়ে ফিজিবিলিটি স্টাডি হয় না। কারিগরি মূল্যায়ন হয় না। বরাদ্দের টাকা যদি নির্দিষ্ট সিলিংয়ের ওপরে হয়, সে ক্ষেত্রে যথাযথ প্রক্রিয়ায় পরিকল্পনা বাস্তবায়নে ঠিকাদার নিয়োগ দিতে হবে। এগুলো করা হয় না। সিস্টেমের বাইরের এসব কাজ স্থানীয় সরকারগুলোর বড় সমস্যা। কিন্তু এসব সমস্যা নিয়ে আলোচনা হচ্ছে না। আলোচনা হচ্ছে শুধু নির্বাচন নিয়ে। নির্বাচনে প্রার্থীরা টাকা খরচ করছে সিস্টেমের বাইরে গিয়ে টাকা আয়ের সুযোগ পাওয়া যায় বলে। আর স্থানীয় সরকার নিয়ে সাধারণ মানুষের আগ্রহ কম এই কারণে যে তারা দেখছে, এই প্রতিষ্ঠান থেকে তেমন উল্লেখযোগ্য কোনো কাজ হচ্ছে না। দৃশ্যমান কোনো কাজ নেই।

বলা হচ্ছে, স্থানীয় সরকারে এখন জনপ্রতিনিধি নেই বলে সার্টিফিকেট (জন্ম-মৃত্যু এবং মৃত ব্যক্তির পোষ্যসংক্রান্ত উত্তরাধিকার, জাতীয়তা ও চারিত্রিক সনদ) পাওয়া যাচ্ছে না। এটা কি বড় কোনো সমস্যা? না। সার্টিফিকেট দেওয়ার কাজটি গুরুত্বপূর্ণ। এটি অনেক যাচাই-বাছাই করে দেওয়া উচিত। আমরা দেখেছি, রোহিঙ্গাদেরও এ দেশের নাগরিক সার্টিফিকেট দেওয়া হচ্ছে। এ ধরনের সার্টিফিকেট দেওয়ার ক্ষেত্রে আর্থিক লেনদেন হয় বলেই বিষয়টি গুরুত্ব দেওয়া হচ্ছে। এই সার্টিফিকেট দেওয়ার কাজটি ইউনিয়ন পরিষদের সচিবও করতে পারেন। তবে এই পদ্ধতিতেও পরিবর্তন আনতে হবে। আরেকটি সমস্যা হচ্ছে, স্থানীয় সরকারের সঙ্গে আলোচনা ছাড়াই সরকার ওপর থেকে প্রজেক্ট চাপিয়ে দেয়। ওইসব প্রজেক্টের সুফল কী স্থানীয়রা তা জানে না। এলজিইডি (স্থানীয় সরকার প্রকৌশল অধিদপ্তর) ও ডিপিএইচই (জনস্বাস্থ্য প্রকৌশল অধিদপ্তর)—এ দুই ডিপার্টমেন্ট কেন রাখা হয়েছে, কাজ কী, তার মূল্যায়ন দরকার। এই দুটি ডিপার্টমেন্ট হচ্ছে একই মন্ত্রণালয়ের অধীনে দুটি আলাদা সাম্রাজ্য। ডিপিএইচই হচ্ছে ব্রিটিশ আমলের, আর এলজিইডি হচ্ছে নতুন এবং এই ডিপার্টমেন্টটির কাজ উপজেলা পর্যন্ত পৌঁছে গেছে। এখন এলজিইডি আর ডিপিএইচই কি আলাদা করেই রাখব, না একীভূত করে ফেলব, এটা চিন্তা করতে হবে। ডিপিএইচই হচ্ছে ক্যাডার সার্ভিস। এলজিইডি ক্যাডার সার্ভিস না। এ অবস্থায় দুই ডিপার্টমেন্টকে এক করে সবাইকে ক্যাডার সার্ভিসের আওতায় শৃঙ্খলার মধ্যে আনতে হবে। এর নাম হতে পারে ‘লোকাল গভর্নমেন্ট ইঞ্জিনিয়ারিং ক্যাডার’। এলজিইডিতে অনেক লোক। রাজনৈতিক বিবেচনায় কেউ প্রমোশন পাচ্ছে, কাউকে বসিয়ে রাখা হচ্ছে। উপজেলা ইঞ্জিনিয়ারকে বদলি করে মন্ত্রণালয়, এটা কেন করা হবে? এটা তো এলজিইডির করার কথা। পদোন্নতি, পদায়ন নিয়ে সমস্যা প্রকট। এ কারণে ফরেন কারেন্সির প্রকল্পের ফাইল আটকে আছে। এই ফাইল কত দিন এলজিইডির চিফ ইঞ্জিনিয়ারের কাছে আটকে থাকবে, কত দিন মন্ত্রণালয়ে পড়ে থাকবে, তার কোনো সময়সীমা নেই। এ নিয়ে বিশ্বব্যাংক, এডিবি বিরক্ত। স্থানীয় সরকারগুলোর আন্ত প্রতিষ্ঠান যোগাযোগ, সহযোগিতা তেমন নেই। ইউনিয়ন পরিষদ, উপজেলা পরিষদ, পৌরসভা, সিটি করপোরেশন, জেলা পরিষদ—এই প্রতিষ্ঠানগুলোর মধ্যে যোগাযোগ, সমন্বয় নেই বললেই চলে। অন্য যে প্রতিষ্ঠানগুলো আছে—কৃষি, মৎস্য, প্রাণিসম্পদ, হেলথ কমপ্লেক্স—এ ধরনের প্রতিষ্ঠানের সেবা উপজেলার মাধ্যমে আসেনি। এসব প্রতিষ্ঠানে জনপ্রতিনিধিদের অংশগ্রহণের চিন্তা করা হয়নি। স্থানীয় সরকারের কাজ সম্পর্কে সাধারণ মানুষের ধারণায়ও সমস্যা আছে। আমাদের সংস্কার কমিশন থেকে এ বিষয়গুলো চিন্তা করা হচ্ছে। এ ধরনের নানা সমস্যা রয়েছে এবং এই সমস্যা রাষ্ট্রের। এসব সমস্যা জাতিকে আড়ষ্ট করে ফেলছে। স্থানীয় সরকারকে কার্যকর করতে স্থায়ীভাবে স্থানীয় সরকার কমিশন গঠন করা প্রয়োজন। নির্বাচিত জনপ্রতিনিধিদের কারো বিরুদ্ধে অভিযোগ এলে, তার বিরুদ্ধে শাস্তিমূলক ব্যবস্থা নিতে হলে, সেই সিদ্ধান্ত আসতে হবে ওই কমিশন থেকে। এ ক্ষেত্রে কমিশনকে বিচারিক ক্ষমতা দিতে হবে। অর্থ বরাদ্দের বিষয়েও কমিশনের মতামত দিতে হবে।

স্থানীয় সরকার নির্বাচন ব্যবস্থায় কী ধরনের পরিবর্তন চান?

এ নিয়ে আমি আগে অনেকবার বলেছি। বর্তমানে জাতীয় সরকার পার্লামেন্টারি বা সংসদীয়। কিন্তু স্থানীয় সরকার প্রেসিডেনশিয়াল বা রাষ্ট্রপতিশাসিত সরকারের মতো। স্থানীয় সরকার হচ্ছে এক ব্যক্তি সর্বস্ব, মেয়র বা চেয়ারম্যান নির্ভর। কাউন্সিলর বা সদস্যদের তেমন কোনো ভূমিকা নেই। এ ক্ষেত্রে স্থানীয় সরকার নির্বাচনও সংসদীয় পদ্ধতিতে হওয়া দরকার। মেয়র বা চেয়ারম্যান পদে সরাসরি ভোট হবে না; ভোট হবে কাউন্সিলর বা সদস্য পদে। নির্বাচিত কাউন্সিলর বা সদস্যরা তাদের মধ্য থেকে একজনকে মেয়র বা চেয়ারম্যান নির্বাচিত করবে। তবে যেহেতু আমি স্থানীয় সরকার সংস্কার কমিশনের প্রধান হিসেবে দায়িত্ব পালন করছি, সেহেতু এখন এ বিষয়ে আমার নিজস্ব প্রস্তাবের বাইরে অংশীজনদের সঙ্গে আলোচনা এবং তাঁদের সুপারিশের ভিত্তিতেই সুপারিশ রাখা হবে। তবে এরই মধ্যে যে প্রস্তুাব পেয়েছি, তাতে স্থানীয় সরকারের সংরক্ষিত নারী আসনে সরাসরি ভোটের ব্যবস্থা হতে পারে। এ ক্ষেত্রে ওয়ার্ডগুলোর সীমানা পুনর্নির্ধারণ করে ঘূর্ণায়মান পদ্ধতিতে নারীদের জন্য ওয়ার্ড নির্ধারণ করা দরকার। ইউনিয়ন পরিষদের ওয়ার্ডের সংখ্যাও জনসংখ্যার ভিত্তিতে নির্ধারণ হওয়া প্রয়োজন। বর্তমানে ইউনিয়ন পরিষদগুলোর ওয়ার্ডসংখ্যা ৯। ভোটারসংখ্যার ভিত্তিতে বড় ইউনিয়ন পরিষদগুলোর ওয়ার্ডসংখ্যা বাড়ানো যেতে পারে। বর্তমান আইন অনুসারে সরকারি-বেসরকারি প্রতিষ্ঠানে ফুল টাইম চাকরি করেন এমন কেউ স্থানীয় সরকার নির্বাচনে অংশ নিতে পারেন না। আমি মনে করি, এই আইন বাতিল করা দরকার। ইউরোপের দেশগুলোর মতো নির্বাচনে সরকারি-বেসরকারি প্রতিষ্ঠানে চাকরিরতদেরও অংশ নেওয়ার সুযোগ থাকা দরকার। স্থানীয় সরকারের সদস্য বা কাউন্সিলরদের কাজ ফুল টাইম না। ফুল টাইম কাজ হচ্ছে মেয়র বা চেয়ারম্যানদের। মেয়র বা চেয়ারম্যানরা তাদের কাজে সহায়তার জন্য দু-তিনজন কাউন্সিলর বা সদস্য নিয়ে নির্বাহী কাউন্সিল গঠন করতে পারে। এই নির্বাহী কাউন্সিলের সদস্যদের কাজ হবে সার্বক্ষণিক এবং তারা মাসিক ভাতা পাবে। অন্যরা পাবে মিটিংয়ে যোগ দেওয়ার জন্য বিশেষ ভাতা। আর নির্বাচন ছাড়াও স্থানীয় কাঠামোগত সমস্যাও রয়েছে। ইউনিয়ন, উপজেলা ও জেলা পরিষদ নির্বাচন এক রকম না। ইউনিয়ন পরিষদে চেয়ারম্যান ও সদস্যদের নির্বাচন এক রকম না। উপজেলায় তিনটি পদে একই ধরনের নির্বাচন হয়। জেলা পরিষদে সে অর্থে নির্বাচনই হয় না। এই তিন প্রতিষ্ঠানের কাঠামো ও নির্বাচন একই রকম হওয়া দরকার।

গ্রাম আদালত সম্পর্কে আপনার মূল্যায়ন কী? স্থানীয় সরকার প্রতিষ্ঠানের সঙ্গে এর সম্পর্কটি কিভাবে দেখেন?

পৃথিবীর কোথাও স্থানীয় সরকার প্রতিষ্ঠানের সঙ্গে আদালতকে যুক্ত করা হয় না। আদালত একটি স্বতন্ত্র ব্যবস্থা। ভারতে পঞ্চায়েত ব্যবস্থার সঙ্গে কোনো আনুষ্ঠানিক বিচারব্যবস্থা সংযুক্ত নয়। তবে কমিউনিটি পর্যায়ে সালিস প্রথা থাকতে পারে। ব্রিটিশ আমল থেকেই সালিস প্রথা চলে আসছিল। ১৯৭৬ সালে ইউনিয়ন পরিষদের সঙ্গে আগের সেই সালিসি ব্যবস্থাকে আদালতে রূপান্তর করা হয়। রাজনৈতিকভাবে নির্বাচিত ইউপি চেয়ারম্যান পদাধিকারবলে এই আদালতের প্রধান বিচারক। সর্বশেষ সংশোধিত আইন অনুসারে, গ্রাম আদালতের অন্য চারজন সদস্যের মধ্যে দুজনকে ইউনিয়ন পরিষদ সদস্য হতে হবে। তারাও নির্বাচিত ব্যক্তি। নির্বাচিত ব্যক্তিরা যে কাজের জন্য নির্বাচিত, তারা সেই কাজটি ভালোভাবে করুক। তারা আদালত বসিয়ে বিচারও করবে, দেশের সংবিধান সেই দায়দায়িত্ব কোনো নির্বাচিত সংস্থাকে দেয়নি। আদালতের নিয়ন্ত্রণবহির্ভূত কোনো সংস্থার কোনো কাজের নামের সঙ্গে ‘আদালত’ শব্দটি লেখা যায় কি না, সেটাও ভেবে দেখতে হবে।

পরিস্থিতি এমনটাই দাঁড়িয়েছে যে ইউপি চেয়ারম্যানরা ওই আদালত পরিচালনার জন্য ম্যাজিস্ট্রেটের ক্ষমতা চাচ্ছে। ম্যাজিস্ট্রেট হতে গেলে এ বিষয়ে শিক্ষা, প্রশিক্ষণ ও জবাবদিহি প্রয়োজন। জনপ্রতিনিধিদের কাজ হচ্ছে এলাকার উন্নয়ন। তাদের সেটিই করা দরকার। আমার মনে হয়, সালিস প্রথা থাকা উচিত আগের নিয়মে গ্রাম-ওয়ার্ড পর্যায়ে। সালিসকার হবে এলাকার মুরুব্বিরা, যারা এগুলো বোঝে। ইউনিয়ন পরিষদে কোনো সালিস আবেদন জমা হলে সংশ্লিষ্ট ওয়ার্ড বা গ্রামের সালিসকারদের কাছে পাঠিয়ে দেওয়া হবে। চেয়ারম্যানকে সেই সালিস বৈঠকে ডাকলে যেতে পারে। বর্তমানে ‘গ্রাম আদালত’ নামে যে ব্যবস্থা কার্যকর ও শক্তিশালী করার জন্য বিদেশি সাহায্যপুষ্ট প্রকল্প প্রণয়ন করা হয়, এই প্রকল্প শেষ হয় না। প্রকল্পের মেয়াদ ফুরিয়ে এলে সরকারের কাছে আবার নতুন কিছু সুপারিশ করে মেয়াদ বাড়ানোর চেষ্টা করা হয়। প্রচার করা হয় গ্রাম আদালতের সুফলের কথা। কিন্তু এর অপব্যবহারের বিষয়টি উল্লেখ করা হয় না। প্রশ্ন জাগে, গ্রাম আদালতের স্বার্থে প্রকল্প, না প্রকল্পের স্বার্থে আদালত? পুলিশ, ইউএনও—এরাও সালিসের দায়িত্ব নিয়ে ফেলেছে।

আমি মনে করি, গ্রামাঞ্চলে প্রথাগত সালিস ব্যবস্থাকে নতুন আঙ্গিকে পুনর্গঠিত করতে হবে। বিদ‌্যমান আইনে গ্রাম আদালতের যে এখতিয়ার, তাতে আনুষ্ঠানিকভাবে এই আদালতে বেশির ভাগ মামলার নিষ্পত্তি সম্ভব হয় না। এগুলো তথাকথিত আদালতের বাইরে মীমাংসা হয়। অনেক সময় এসব মীমাংসায় প্রভাবশালী পক্ষ দুর্বল পক্ষের ওপর তাদের মতামত জোর করে চাপিয়ে দেয়। এই অবিচারের অবসান হওয়া দরকার। প্রচলিত গ্রাম আদালত থেকে সুবিচার প্রত্যাশা করা সুদূরপরাহত। আইনের শাসন প্রতিষ্ঠা করতে হলে উপজেলা পর্যায়ে নিম্ন আদালতের সম্প্রসারণ করতে হবে।

এই বিভাগের আরও খবর
প্রত্যাশা সমষ্টিগত মানুষের স্বাধীনতা ও মুক্তি
প্রত্যাশা সমষ্টিগত মানুষের স্বাধীনতা ও মুক্তি
টিকফার মাধ্যমে অবস্থান তুলে ধরে শুল্ক কমানোর আলোচনা করতে হবে
টিকফার মাধ্যমে অবস্থান তুলে ধরে শুল্ক কমানোর আলোচনা করতে হবে
শহীদ রাষ্ট্রপতি জিয়াউর রহমানের আদর্শ, জাতীয় স্বার্থ ও গণঅভ্যুত্থানের পুনর্জাগরণ
শহীদ রাষ্ট্রপতি জিয়াউর রহমানের আদর্শ, জাতীয় স্বার্থ ও গণঅভ্যুত্থানের পুনর্জাগরণ
বাংলাদেশ-ভারত সম্পর্ক: জাতীয়তাবাদী দৃষ্টিভঙ্গি ও ভবিষ্যৎ প্রেক্ষিত
বাংলাদেশ-ভারত সম্পর্ক: জাতীয়তাবাদী দৃষ্টিভঙ্গি ও ভবিষ্যৎ প্রেক্ষিত
সেনাবাহিনী নিয়ে দেশি-বিদেশি ষড়যন্ত্র বিষয়ে সতর্ক থাকতে হবে
সেনাবাহিনী নিয়ে দেশি-বিদেশি ষড়যন্ত্র বিষয়ে সতর্ক থাকতে হবে
সেনাবাহিনী বা প্রধান নিয়ে অপরিণামদর্শী স্মার্টনেস কাম্য নয়
সেনাবাহিনী বা প্রধান নিয়ে অপরিণামদর্শী স্মার্টনেস কাম্য নয়
তবে কি সংস্কারের পুকুরে ডুবছে নতুন স্বাধীনতা ?
তবে কি সংস্কারের পুকুরে ডুবছে নতুন স্বাধীনতা ?
বুদ্ধিজীবীরা প্রত্যক্ষ ভূমিকা রেখেছেন স্বাধীনতা সংগ্রামে
বুদ্ধিজীবীরা প্রত্যক্ষ ভূমিকা রেখেছেন স্বাধীনতা সংগ্রামে
সেনাবাহিনীকে বিতর্কের ঊর্ধ্বে রাখতে হবে
সেনাবাহিনীকে বিতর্কের ঊর্ধ্বে রাখতে হবে
তামাক নীতিমালা : সংকটে ভোক্তা অধিকার
তামাক নীতিমালা : সংকটে ভোক্তা অধিকার
তুম উধার হাম ইধার
তুম উধার হাম ইধার
সবার উপর একাত্তর, আমাদের স্বাধীনতা
সবার উপর একাত্তর, আমাদের স্বাধীনতা
সর্বশেষ খবর
ইসরায়েলের বিরুদ্ধে মুসলিমদের জিহাদের আহ্বান জানিয়ে ফতোয়া জারি
ইসরায়েলের বিরুদ্ধে মুসলিমদের জিহাদের আহ্বান জানিয়ে ফতোয়া জারি

এই মাত্র | পূর্ব-পশ্চিম

এ বছরের মধ্যে আমরা নির্বাচন আদায় করে নেব : ইশরাক
এ বছরের মধ্যে আমরা নির্বাচন আদায় করে নেব : ইশরাক

৪ মিনিট আগে | রাজনীতি

ভারতে ওয়াকফ সংশোধনী বিল পাসে খেলাফত মজলিসের উদ্বেগ
ভারতে ওয়াকফ সংশোধনী বিল পাসে খেলাফত মজলিসের উদ্বেগ

৯ মিনিট আগে | রাজনীতি

‌‘দেশে ভোটের অধিকার ফিরিয়ে আনার জন্য আন্দোলন সংগ্রাম করেছি’
‌‘দেশে ভোটের অধিকার ফিরিয়ে আনার জন্য আন্দোলন সংগ্রাম করেছি’

১০ মিনিট আগে | রাজনীতি

শান্তি আলোচনায় সময় ফুরিয়ে আসছে, রাশিয়াকে হুঁশিয়ারি যুক্তরাষ্ট্রের
শান্তি আলোচনায় সময় ফুরিয়ে আসছে, রাশিয়াকে হুঁশিয়ারি যুক্তরাষ্ট্রের

১২ মিনিট আগে | পূর্ব-পশ্চিম

যুক্তরাষ্ট্র-কানাডার শিক্ষার্থীদের জন্য চ্যাটজিপিটি প্লাস ফ্রি, চলবে মে মাস পর্যন্ত
যুক্তরাষ্ট্র-কানাডার শিক্ষার্থীদের জন্য চ্যাটজিপিটি প্লাস ফ্রি, চলবে মে মাস পর্যন্ত

২৪ মিনিট আগে | টেক ওয়ার্ল্ড

বদরগঞ্জে বিএনপির দুই গ্রুপের সংঘর্ষে নিহত ১, আহত ৪০
বদরগঞ্জে বিএনপির দুই গ্রুপের সংঘর্ষে নিহত ১, আহত ৪০

২৮ মিনিট আগে | নগর জীবন

মাঠজুড়ে সূর্যমুখী ফুলের সমারোহ
মাঠজুড়ে সূর্যমুখী ফুলের সমারোহ

৪১ মিনিট আগে | প্রকৃতি ও পরিবেশ

ভুরুঙ্গামারীতে কেন্দ্রীয় ছাত্রলীগ নেতা গ্রেফতার
ভুরুঙ্গামারীতে কেন্দ্রীয় ছাত্রলীগ নেতা গ্রেফতার

৫১ মিনিট আগে | দেশগ্রাম

বাকৃবিতে উন্নত জাতের টমেটোর জাত উদ্ভাবন
বাকৃবিতে উন্নত জাতের টমেটোর জাত উদ্ভাবন

৫৭ মিনিট আগে | প্রকৃতি ও পরিবেশ

১২ এপ্রিল নিউইয়র্কে ‘মঙ্গল শোভাযাত্রা’
১২ এপ্রিল নিউইয়র্কে ‘মঙ্গল শোভাযাত্রা’

১ ঘণ্টা আগে | পরবাস

টাঙ্গাইলে জীবনের নিরাপত্তা চেয়ে সংবাদ সম্মেলন
টাঙ্গাইলে জীবনের নিরাপত্তা চেয়ে সংবাদ সম্মেলন

১ ঘণ্টা আগে | দেশগ্রাম

পাওনা টাকা চাওয়ায় হামলা, ঘটনার ৪ দিন পর যুবকের মৃত্যু
পাওনা টাকা চাওয়ায় হামলা, ঘটনার ৪ দিন পর যুবকের মৃত্যু

১ ঘণ্টা আগে | দেশগ্রাম

সিলেটে ৯ দিনে ২৮৭ নরমাল ডেলিভারি
সিলেটে ৯ দিনে ২৮৭ নরমাল ডেলিভারি

১ ঘণ্টা আগে | চায়ের দেশ

মহাকাশ থেকে পৃথিবীতে পড়েছে ১২০০ বস্তুর ধ্বংসাবশেষ
মহাকাশ থেকে পৃথিবীতে পড়েছে ১২০০ বস্তুর ধ্বংসাবশেষ

১ ঘণ্টা আগে | পাঁচফোড়ন

ধূলিঝড়ের পর রাজধানীতে স্বস্তির বৃষ্টি
ধূলিঝড়ের পর রাজধানীতে স্বস্তির বৃষ্টি

১ ঘণ্টা আগে | নগর জীবন

শরীরে একাধিক কোপ, ডোবা থেকে অজ্ঞাত যুবকের লাশ উদ্ধার
শরীরে একাধিক কোপ, ডোবা থেকে অজ্ঞাত যুবকের লাশ উদ্ধার

১ ঘণ্টা আগে | দেশগ্রাম

অক্টোবরেই অচল ২৪ কোটি কম্পিউটার, বিকল্প কী?
অক্টোবরেই অচল ২৪ কোটি কম্পিউটার, বিকল্প কী?

১ ঘণ্টা আগে | টেক ওয়ার্ল্ড

যৌন হেনস্তার অভিযোগে ‘স্কুইড গেম’ তারকার সাজা
যৌন হেনস্তার অভিযোগে ‘স্কুইড গেম’ তারকার সাজা

১ ঘণ্টা আগে | শোবিজ

চাঁদপুরে ৬৪ যানবাহনে তল্লাশি ও জরিমানা
চাঁদপুরে ৬৪ যানবাহনে তল্লাশি ও জরিমানা

১ ঘণ্টা আগে | দেশগ্রাম

বিমসটেক শীর্ষ সম্মেলনে যেসব সিদ্ধান্ত গৃহীত
বিমসটেক শীর্ষ সম্মেলনে যেসব সিদ্ধান্ত গৃহীত

১ ঘণ্টা আগে | জাতীয়

‘পার্বত্য অঞ্চলের শিক্ষাব্যবস্থাকে মানসম্মত করতে হবে’
‘পার্বত্য অঞ্চলের শিক্ষাব্যবস্থাকে মানসম্মত করতে হবে’

১ ঘণ্টা আগে | দেশগ্রাম

যুক্তরাষ্ট্রে বাংলাদেশের রফতানি আরও বাড়বে, কমবে না: প্রেস সচিব
যুক্তরাষ্ট্রে বাংলাদেশের রফতানি আরও বাড়বে, কমবে না: প্রেস সচিব

১ ঘণ্টা আগে | জাতীয়

সিআরবিতে পরিচ্ছন্নতা অভিযান
সিআরবিতে পরিচ্ছন্নতা অভিযান

২ ঘণ্টা আগে | চট্টগ্রাম প্রতিদিন

ঢাকাসহ ৭ অঞ্চলে মধ্যরাতের মধ্যে ঝড়ের আভাস
ঢাকাসহ ৭ অঞ্চলে মধ্যরাতের মধ্যে ঝড়ের আভাস

২ ঘণ্টা আগে | জাতীয়

মুক্তাগাছায় মোটরসাইকেল দুর্ঘটনায় নিহত ১
মুক্তাগাছায় মোটরসাইকেল দুর্ঘটনায় নিহত ১

২ ঘণ্টা আগে | দেশগ্রাম

বরিশালে ডোবা থেকে অজ্ঞাত লাশ উদ্ধার
বরিশালে ডোবা থেকে অজ্ঞাত লাশ উদ্ধার

২ ঘণ্টা আগে | নগর জীবন

কালীগঞ্জে রেল ব্রিজের নিচ থেকে অজ্ঞাত যুবকের লাশ উদ্ধার
কালীগঞ্জে রেল ব্রিজের নিচ থেকে অজ্ঞাত যুবকের লাশ উদ্ধার

২ ঘণ্টা আগে | দেশগ্রাম

মেক্সিকোতে প্রথম এইচ৫এন১ বার্ড ফ্লু রোগী শনাক্ত
মেক্সিকোতে প্রথম এইচ৫এন১ বার্ড ফ্লু রোগী শনাক্ত

২ ঘণ্টা আগে | পূর্ব-পশ্চিম

অষ্টমী স্নানে ব্রহ্মপুত্র নদে পুণ্যার্থীদের ঢল
অষ্টমী স্নানে ব্রহ্মপুত্র নদে পুণ্যার্থীদের ঢল

২ ঘণ্টা আগে | দেশগ্রাম

সর্বাধিক পঠিত
আত্মরক্ষার জন্য ইরানের সর্বোচ্চ প্রস্তুতি রয়েছে : সৌদি যুবরাজকে পেজেশকিয়ান
আত্মরক্ষার জন্য ইরানের সর্বোচ্চ প্রস্তুতি রয়েছে : সৌদি যুবরাজকে পেজেশকিয়ান

১০ ঘণ্টা আগে | পূর্ব-পশ্চিম

আপনার প্রতি শেখ হাসিনার অসম্মানজনক আচরণ দেখেছি : ড. ইউনূসকে বলেন মোদি
আপনার প্রতি শেখ হাসিনার অসম্মানজনক আচরণ দেখেছি : ড. ইউনূসকে বলেন মোদি

৫ ঘণ্টা আগে | জাতীয়

যুক্তরাষ্ট্রের শুল্ক ইস্যুতে জরুরি সভা ডেকেছেন প্রধান উপদেষ্টা
যুক্তরাষ্ট্রের শুল্ক ইস্যুতে জরুরি সভা ডেকেছেন প্রধান উপদেষ্টা

৬ ঘণ্টা আগে | জাতীয়

ইরানে হামলার হুমকি থেকে পিছু হটলেন ট্রাম্প, সরাসরি আলোচনার প্রস্তাব
ইরানে হামলার হুমকি থেকে পিছু হটলেন ট্রাম্প, সরাসরি আলোচনার প্রস্তাব

৫ ঘণ্টা আগে | পূর্ব-পশ্চিম

আওয়ামী লীগের টাকার লোভে না পড়তে দলীয় নেতাদের হুঁশিয়ারি শামা ওবায়েদের
আওয়ামী লীগের টাকার লোভে না পড়তে দলীয় নেতাদের হুঁশিয়ারি শামা ওবায়েদের

১৯ ঘণ্টা আগে | রাজনীতি

ঐশ্বরিয়া আমার মেয়ে নয়, কেবল ছেলের বউ : জয়া বচ্চন
ঐশ্বরিয়া আমার মেয়ে নয়, কেবল ছেলের বউ : জয়া বচ্চন

২৩ ঘণ্টা আগে | শোবিজ

৫ মিলিয়ন ডলারের ‘গোল্ড কার্ড’ ভিসা উন্মোচন করলেন ট্রাম্প
৫ মিলিয়ন ডলারের ‘গোল্ড কার্ড’ ভিসা উন্মোচন করলেন ট্রাম্প

২৩ ঘণ্টা আগে | পূর্ব-পশ্চিম

শরীয়তপুরে দুই গ্রুপের সংঘর্ষ, শতাধিক হাতবোমা বিস্ফোরণ
শরীয়তপুরে দুই গ্রুপের সংঘর্ষ, শতাধিক হাতবোমা বিস্ফোরণ

৯ ঘণ্টা আগে | দেশগ্রাম

সাত দিনের মধ্যে যুক্তরাষ্ট্র ছাড়ার নির্দেশ, আতঙ্কে ইউক্রেনীয়রা
সাত দিনের মধ্যে যুক্তরাষ্ট্র ছাড়ার নির্দেশ, আতঙ্কে ইউক্রেনীয়রা

৪ ঘণ্টা আগে | পূর্ব-পশ্চিম

বিশ্বের শক্তিশালী পাসপোর্টের তালিকায় এক ধাপ এগোল বাংলাদেশ
বিশ্বের শক্তিশালী পাসপোর্টের তালিকায় এক ধাপ এগোল বাংলাদেশ

৮ ঘণ্টা আগে | জাতীয়

হোয়াইট হাউস থেকে বরখাস্ত একাধিক শীর্ষ কর্মকর্তা, আলোচনায় লরা লুমার
হোয়াইট হাউস থেকে বরখাস্ত একাধিক শীর্ষ কর্মকর্তা, আলোচনায় লরা লুমার

১০ ঘণ্টা আগে | পূর্ব-পশ্চিম

ফিলিস্তিনি জনগণের প্রতি পাকিস্তান সেনা কমান্ডারদের অকুণ্ঠ সমর্থন
ফিলিস্তিনি জনগণের প্রতি পাকিস্তান সেনা কমান্ডারদের অকুণ্ঠ সমর্থন

৪ ঘণ্টা আগে | পূর্ব-পশ্চিম

কালশী ফ্লাইওভারে গাড়ির সঙ্গে মোটরসাইকেলের সংঘর্ষ, দুই যুবক নিহত
কালশী ফ্লাইওভারে গাড়ির সঙ্গে মোটরসাইকেলের সংঘর্ষ, দুই যুবক নিহত

২০ ঘণ্টা আগে | নগর জীবন

‘আতঙ্কে তারা ভুল করেছে’: চীনের পাল্টা শুল্ক নিয়ে ট্রাম্প
‘আতঙ্কে তারা ভুল করেছে’: চীনের পাল্টা শুল্ক নিয়ে ট্রাম্প

৭ ঘণ্টা আগে | পূর্ব-পশ্চিম

হাসিনার এক মন্তব্যে সংকটে মাদারগঞ্জের সমবায় সমিতি
হাসিনার এক মন্তব্যে সংকটে মাদারগঞ্জের সমবায় সমিতি

২১ ঘণ্টা আগে | দেশগ্রাম

পরকীয়া প্রেমে বাধা দেওয়ায় স্বামীর পুরুষাঙ্গ কাটলো স্ত্রী
পরকীয়া প্রেমে বাধা দেওয়ায় স্বামীর পুরুষাঙ্গ কাটলো স্ত্রী

৯ ঘণ্টা আগে | দেশগ্রাম

একনজরে আজকের বাংলাদেশ প্রতিদিন (৫ এপ্রিল)
একনজরে আজকের বাংলাদেশ প্রতিদিন (৫ এপ্রিল)

১৩ ঘণ্টা আগে | জাতীয়

নির্বাচনের কথা বলে মুখে ফেনা তুলে ফেললেই গণতন্ত্র হয় না : নুসরাত তাবাসসুম
নির্বাচনের কথা বলে মুখে ফেনা তুলে ফেললেই গণতন্ত্র হয় না : নুসরাত তাবাসসুম

৬ ঘণ্টা আগে | রাজনীতি

কালশী ফ্লাইওভারে দুর্ঘটনায় নিহত দুই যুবকের পরিচয় মিলেছে
কালশী ফ্লাইওভারে দুর্ঘটনায় নিহত দুই যুবকের পরিচয় মিলেছে

৪ ঘণ্টা আগে | নগর জীবন

চালের দানার চেয়েও ছোট পেসমেকার তৈরি করলেন বিজ্ঞানীরা
চালের দানার চেয়েও ছোট পেসমেকার তৈরি করলেন বিজ্ঞানীরা

১১ ঘণ্টা আগে | বিজ্ঞান

লৌহজংয়ে পাওয়া মরদেহের টুকরোগুলো সাভারের সবুজ মোল্যার
লৌহজংয়ে পাওয়া মরদেহের টুকরোগুলো সাভারের সবুজ মোল্যার

৭ ঘণ্টা আগে | দেশগ্রাম

৫.৬ মাত্রার ভূমিকম্পে আবার কেঁপে উঠলো মিয়ানমার
৫.৬ মাত্রার ভূমিকম্পে আবার কেঁপে উঠলো মিয়ানমার

১১ ঘণ্টা আগে | পূর্ব-পশ্চিম

হাতে সব প্রমাণ আছে, আইনিভাবে মোকাবিলা করবো : পরীমণি
হাতে সব প্রমাণ আছে, আইনিভাবে মোকাবিলা করবো : পরীমণি

৫ ঘণ্টা আগে | শোবিজ

মিয়ানমারে বাংলাদেশ সশস্ত্র বাহিনীর নেতৃত্বে উদ্ধার ও চিকিৎসা কার্যক্রম অব্যাহত
মিয়ানমারে বাংলাদেশ সশস্ত্র বাহিনীর নেতৃত্বে উদ্ধার ও চিকিৎসা কার্যক্রম অব্যাহত

২০ ঘণ্টা আগে | জাতীয়

প্রতিকূল পরিবেশেও খেলাপি ঋণ কমেছে
প্রতিকূল পরিবেশেও খেলাপি ঋণ কমেছে

১৯ ঘণ্টা আগে | বাণিজ্য

আইপিএলের প্রথমবার দেখা গেল এমন কিছু
আইপিএলের প্রথমবার দেখা গেল এমন কিছু

১২ ঘণ্টা আগে | মাঠে ময়দানে

প্রেমা নেই, শেষ হয়ে গেল পুরো পরিবার
প্রেমা নেই, শেষ হয়ে গেল পুরো পরিবার

৭ ঘণ্টা আগে | চট্টগ্রাম প্রতিদিন

আরো বাড়ল মিয়ানমারে ভূমিকম্পে মৃতের সংখ্যা
আরো বাড়ল মিয়ানমারে ভূমিকম্পে মৃতের সংখ্যা

১০ ঘণ্টা আগে | পূর্ব-পশ্চিম

পিঁয়াজ নিয়ে হতাশ মানিকগঞ্জের কৃষকরা
পিঁয়াজ নিয়ে হতাশ মানিকগঞ্জের কৃষকরা

৮ ঘণ্টা আগে | দেশগ্রাম

ঢাকাসহ চার বিভাগে বৃষ্টির সম্ভাবনা
ঢাকাসহ চার বিভাগে বৃষ্টির সম্ভাবনা

৯ ঘণ্টা আগে | জাতীয়

প্রিন্ট সর্বাধিক
সুবিধাবাদী হাইব্রিডে অতিষ্ঠ বিএনপি
সুবিধাবাদী হাইব্রিডে অতিষ্ঠ বিএনপি

প্রথম পৃষ্ঠা

মুজিব ছিলেন বেপরোয়া
মুজিব ছিলেন বেপরোয়া

প্রথম পৃষ্ঠা

চলতি বছর টাইগারদের ৬ টেস্ট
চলতি বছর টাইগারদের ৬ টেস্ট

মাঠে ময়দানে

হাসিনাকে চাইল বাংলাদেশ
হাসিনাকে চাইল বাংলাদেশ

প্রথম পৃষ্ঠা

দেশের প্রযুক্তি খাতে বিপ্লব ঘটাবে স্টারলিংক
দেশের প্রযুক্তি খাতে বিপ্লব ঘটাবে স্টারলিংক

প্রথম পৃষ্ঠা

ধুঁকছেন পেট্রাপোলের ব্যবসায়ীরাও
ধুঁকছেন পেট্রাপোলের ব্যবসায়ীরাও

পেছনের পৃষ্ঠা

আজকের ভাগ্যচক্র
আজকের ভাগ্যচক্র

আজকের রাশি

ইলিশের দামে আগুন
ইলিশের দামে আগুন

পেছনের পৃষ্ঠা

মুখোমুখি সরকার-আইএমএফ
মুখোমুখি সরকার-আইএমএফ

প্রথম পৃষ্ঠা

দীর্ঘদিন ক্ষমতা আঁকড়ে রাখার চিন্তা করলে জনগণ মেনে নেবে না
দীর্ঘদিন ক্ষমতা আঁকড়ে রাখার চিন্তা করলে জনগণ মেনে নেবে না

নগর জীবন

‘মিনি জাফলংয়ে’ স্বাস্থ্যঝুঁকি
‘মিনি জাফলংয়ে’ স্বাস্থ্যঝুঁকি

নগর জীবন

দক্ষিণ এশিয়ার ইসরায়েল ভারত
দক্ষিণ এশিয়ার ইসরায়েল ভারত

পেছনের পৃষ্ঠা

রাজশাহী বিএনপিতে ত্রিধারা
রাজশাহী বিএনপিতে ত্রিধারা

নগর জীবন

হচ্ছে বাম দলের বৃহত্তর জোট!
হচ্ছে বাম দলের বৃহত্তর জোট!

প্রথম পৃষ্ঠা

আত্রাই নদীর চরে কুমড়াবাড়ি!
আত্রাই নদীর চরে কুমড়াবাড়ি!

পেছনের পৃষ্ঠা

চট্টগ্রাম-কক্সবাজার সড়কে শঙ্কা
চট্টগ্রাম-কক্সবাজার সড়কে শঙ্কা

পেছনের পৃষ্ঠা

কবির-মুসার বিরুদ্ধে এবার জালিয়াতির অভিযোগ
কবির-মুসার বিরুদ্ধে এবার জালিয়াতির অভিযোগ

নগর জীবন

যৌথ পরিবারের গল্প
যৌথ পরিবারের গল্প

শনিবারের সকাল

নতুন জীবনের খোঁজে মাহি
নতুন জীবনের খোঁজে মাহি

শোবিজ

এবার জনগণ ভোটাধিকার ফিরে পাবে
এবার জনগণ ভোটাধিকার ফিরে পাবে

প্রথম পৃষ্ঠা

১ লাখ ৮০ হাজার রোহিঙ্গা ফেরত নেবে মিয়ানমার
১ লাখ ৮০ হাজার রোহিঙ্গা ফেরত নেবে মিয়ানমার

প্রথম পৃষ্ঠা

আমাদের সম্পর্কটা বড় ভাই-ছোট ভাইয়ের মতো
আমাদের সম্পর্কটা বড় ভাই-ছোট ভাইয়ের মতো

শোবিজ

অভিযোগে মোশাররফ করিমের জবাব
অভিযোগে মোশাররফ করিমের জবাব

শোবিজ

জমজমাট বিনোদন কেন্দ্রগুলো
জমজমাট বিনোদন কেন্দ্রগুলো

পেছনের পৃষ্ঠা

প্রয়োজনীয় সংস্কার শেষে দ্রুত নির্বাচন
প্রয়োজনীয় সংস্কার শেষে দ্রুত নির্বাচন

প্রথম পৃষ্ঠা

নিশোর মুখে শাকিববন্দনা
নিশোর মুখে শাকিববন্দনা

শোবিজ

বাছাইপর্ব টপকাতে প্রস্তুত নিগাররা
বাছাইপর্ব টপকাতে প্রস্তুত নিগাররা

মাঠে ময়দানে

প্রয়োজনীয় সংস্কার করে দ্রুত নির্বাচন দিতে হবে
প্রয়োজনীয় সংস্কার করে দ্রুত নির্বাচন দিতে হবে

প্রথম পৃষ্ঠা

চলে যাচ্ছেন ম্যানসিটির ডি ব্রুইন
চলে যাচ্ছেন ম্যানসিটির ডি ব্রুইন

মাঠে ময়দানে

কলকাতার জার্সিতে ২০০ উইকেট
কলকাতার জার্সিতে ২০০ উইকেট

মাঠে ময়দানে