শিরোনাম
প্রকাশ: ১৫:৩৯, শুক্রবার, ১০ জানুয়ারি, ২০২৫ আপডেট: ১৬:০৫, শুক্রবার, ১০ জানুয়ারি, ২০২৫

কালের কণ্ঠের ১৫তম প্রতিষ্ঠাবার্ষিকী উপলক্ষ্যে প্রকাশিত

আমাদের স্বপ্নটা খুব বেশি না

অধ্যাপক ড. তাসনিম আরেফা সিদ্দিকী
অনলাইন ভার্সন
আমাদের স্বপ্নটা খুব বেশি না

একজন রাষ্ট্রবিজ্ঞানী হিসেবে একটি রাজনৈতিক ব্যবস্থার কাছ থেকে মূল চাওয়াটা হচ্ছে, আইনের শাসন, নিয়মতান্ত্রিক উপায়ে ক্ষমতার পরিবর্তন, ক্ষমতার বিভাজন এবং গণতন্ত্রকে প্রাতিষ্ঠানিক রূপ দিতে গেলে যেসব প্রতিষ্ঠান একটি রাজনৈতিক ব্যবস্থার ভেতর দায়বদ্ধতা আনে, সেই প্রতিষ্ঠানগুলোর স্বাধীন পদচারণ। বাংলাদেশের দিকে তাকালে দেখি, নব্বইয়ে গণ-অভ্যুত্থানের মাধ্যমে আমরা একবার গণতন্ত্রে ফেরত এলাম। তারপর মোটামুটি দুটি ভালো সরকার—একটা আওয়ামী লীগ, একটা বিএনপি পেলাম। তার পর একেকটি দলের যখন দ্বিতীয় মেয়াদ শুরু হলো, তখন থেকেই গণতান্ত্রিক আদর্শগুলো ধারাবাহিকভাবে ক্ষয় হতে থাকল।

এটারই শেষ রূপ আমরা দেখেছি গত প্রায় ১৬ বছরের আওয়ামী লীগের শাসনে। আইনের শাসন, নিয়মতান্ত্রিক উপায়ে আওয়ামী লীগ ও বিএনপির মধ্যে রাজনৈতিক দল হিসেবে একটা পর্যায়ের পর খুব বড় পার্থক্য যে ছিল তা কিন্তু নয়। দুটিই মূলত পুঁজিবাদী অর্থনৈতিক কাঠামোর মধ্যে রাজনৈতিক ব্যবস্থাটা এগিয়ে নিয়ে যাওয়ার ব্যাপারে একটা সংসদীয় গণতন্ত্রের মধ্য দিয়ে হেঁটেছে। আসলে দুটি দলের মধ্যে একটা তৈরি করা তফাত ছিল—কে স্বাধীনতার পক্ষে আর কে স্বাধীনতার বিপক্ষে।

এই তফাত তৈরি করে সমাজকে বিভক্ত করা হয়েছে। দীর্ঘ সময় ধরে এটা করা হয়েছে। পঁচাত্তরের পটপরিবর্তনের পর ছিয়ানব্বইয়ে আওয়ামী লীগ যখন ক্ষমতায় এলো, সেই পাঁচ বছরে কিছুটা হলেও গণতন্ত্রের একটা রূপ ছিল। সেই সরকারের মন্ত্রিপরিষদে অনেকেই ছাত্র ইউনিয়ন বা এই ধরনের সংগঠন করে আসা লোকজন ছিল।

এর পরের মেয়াদগুলোর দিকে তাকালে দেখি, অধিকসংখ্যক ব্যবসায়ী শ্রেণি ক্ষমতায় চলে এসেছে। নির্বাচনের মাধ্যমে ক্ষমতা হস্তান্তরের জায়গায় আর যেতে চাইল না দলটি। নির্বাচনকে এক ধরনের পাশ কাটিয়ে ক্ষমতায় থাকার পরিণতিটা আমরা ১৬ বছর ধরে দেখলাম। গণতান্ত্রিক প্রতিটি প্রতিষ্ঠান একেবারেই ধ্বংসের মুখে চলে গেছে। এই ধ্বংসটা হয়েছে কয়েকভাবে।
প্রথমত, ক্ষমতার কোনো বিভাজন নেই, যিনি প্রধানমন্ত্রী তিনিই দলের প্রধান, তিনিই আবার সংসদেরও প্রধান। এর মধ্য দিয়ে আমরা ক্রমাগত এক ব্যক্তির শাসনের দিকে চলে গেলাম। পরিবারতন্ত্র কায়েম হলো। নির্বাচন না থাকায় এই পরিবারতন্ত্রকে জবাবদিহির মধ্য দিয়ে যেতে হয়নি। ধারাবাহিকভাবে সরকার কর্তৃত্ববাদী হয়েছে। অনেক সময় কর্তৃত্ববাদী সরকারের অনেক কিছু নিয়মের মধ্যে হতে দেয়। কিন্তু আমরা কর্তৃত্ববাদী সরকারের হাতে প্রতিটি ক্ষেত্রেই নিয়মবহির্ভূত কার্যক্রম হতে দেখলাম। সংসদ একেবারে অকেজো একটা প্রতিষ্ঠানে পরিণত হলো। মানবাধিকার কমিশনের কোনো ভূমিকা আমরা দেখিনি। প্রধানমন্ত্রী যা বলেন, সে অনুযায়ীই চলল কমিশন। দুর্নীতি দূর করা এবং নিয়মতান্ত্রিকতা বহাল রাখার প্রতিষ্ঠান দুদকে যে লোকবল দেওয়া হলো তারা সেই পরিবারতন্ত্রের আজ্ঞাবহ। যাকে ধরা দরকার তাকে আর ধরা হলো না।

ভালো অর্থনীতির পূর্বশর্ত ভালো রাজনীতি। তার বদলে প্রতিটি ক্ষেত্রে আমরা এক ধরনের দুর্নীতিগ্রস্ত সিদ্ধান্ত পেলাম। সম্প্রতি শ্বেতপত্রে উল্লেখ করা হয়েছে, এটা আর ক্রনি ক্যাপিটালিজমও [স্বজনতোষী পুঁজিবাদ] থাকল না, চোরতন্ত্রে পরিণত হলো। একনাগাড়ে দীর্ঘ সময় ক্ষমতায় থেকে ব্যাংকগুলোকে ভেঙে ফেলা হলো। বিশ্বব্যাংকের সাবেক প্রধান অর্থনীতিবিদ জাহিদ হোসেন দেখালেন, ১৬ বছরের প্রতিবছর ১৬ বিলিয়ন ডলার আমাদের ব্যাংকগুলো থেকে পাচার হয়ে গেছে। এই দেশের অর্থনীতি তাহলে চলবে কী করে?

অন্যদিকে একটা মিথ্যাতন্ত্র কায়েম করা হলো। ধারণা দেওয়া হলো, আমরা দারিদ্র্যসীমা থেকে উত্তরিত হয়ে গেছি। শ্বেতপত্রে উল্লেখ করা হয়েছে, যদি অল্প কিছুদিন কাজ না থাকে তাহলে এখন যে পরিমাণ মানুষ দারিদ্র্যসীমার নিচে আছে, এর দ্বিগুণ হয়ে যাবে। অর্থাৎ টোকা দিলেই পড়ে যাবে, এমন একটা দারিদ্র্যসীমা থেকে উত্তরণ ঘটেছে। এনার্জি সেক্টরে কাউকে কাউকে টাকা তৈরির জন্য সুযোগ করে দেওযা হয়েছে। যা হওয়ার কথা ছিল সাময়িক ব্যবস্থা, তাকে চিরস্থায়ী করে নেওয়া হয়েছে। এতে রাতারাতি বহু লোক বিরাট টাকাওয়ালা ও বিরাট ব্যবসায়ী বনে গেল। এরা কারা? সবাই এই রাজনৈতিক পরিবারতন্ত্রের সঙ্গে সম্পর্কিত ব্যক্তি। এই সেক্টরকে এমনভাবে সাজানো হয়েছে, যেন ‘বৈধভাবে’ই দুর্নীতি করা যায়। এসবের মধ্য দিয়ে অর্থনীতিকে একটা ভঙ্গুর অবস্থায় নিয়ে গেছে পরিবারতন্ত্র। ব্যাংকগুলোকে একেবারে খারাপ একটা জায়গায় নিয়ে গেছে। আরেকটা বড় কাজ নৈতিকতার অবক্ষয় সৃষ্টি। এটি মানুষের মধ্যে এমনভাবে ঢুকিয়ে দেওয়া হয়েছে যে এখন মানুষ বলতে পারে—রাজনীতিবিদরা পারলে আমরাও পারি।

এইসবের মধ্য দিয়ে এমন একটা ব্যবস্থার দিকে আমরা চলে গেছি যে মানুষের মানসিকতা বদলে আবার গণতন্ত্রমনা করা বা গণতন্ত্রের মৌলিক নীতির দিকে নিয়ে আসা কঠিন হবে। মানুষ গণতন্ত্র চায়, কিন্তু গণতন্ত্রের মৌলিক নীতিগুলো চর্চা করানোর যে সংস্কৃতি, সেটাই ধ্বংস করে দেওয়া হয়েছে। যা হয়েছে তা আমাদের জন্য দুঃখজনক। কিন্তু কোনো অবস্থায়ই সেনাশাসন চাই না। আমরা চাই, দলগুলোর মধ্যে ক্ষমতার বদল হোক। রাজনৈতিক ব্যবস্থাটা চলতে চলতে পরিণত হোক। অর্থনীতি, রাজনীতি, সমাজ—সব ক্ষেত্রে যে অবক্ষয় আমরা পেলাম, এর জন্য শুধু নির্বাচন না করে ১৬ বছর ক্ষমতায় থেকে যাওয়া দায়ী। পাঁচ বছর পর ক্ষমতার বদল হলে আওয়ামী লীগের জন্যই হয়তো ভালো হতো। অপরাজনীতি করে আওয়ামী লীগ নিজেই তার অস্তিত্ব ধ্বংস করেছে।

আইনের শাসন, নিয়মতান্ত্রিক উপায়ে আওয়ামী লীগের পতনের এই আন্দোলন শুধু ছাত্রদের নয়। ছাত্ররা বেরিয়ে এসেছে, সবাই তাদের সঙ্গে যোগ দিয়েছে। এই আন্দোলন এক ব্যক্তির শাসন চায় না। স্বৈরতন্ত্র চায় না। মানুষ গুম-খুন, বিচারবহির্ভূত হত্যা চায় না। এ কারণেই মানুষ জীবনের ঝুঁকি নিয়ে পথে বেরিয়ে এসেছে। এতগুলো প্রাণ আমরা বলি দিয়েছি গণতন্ত্রকে ফেরত আনার জন্য। বুঝতে হবে, এই অন্তর্বর্তী সরকার আগে থেকে পরিকল্পিত কিছু নয়। যার ফলে এরা জানে না কতটুকু কী করতে হবে। এরা কেউ আগে থেকে গুছিয়ে আসেনি। আমাদের চাহিদা গণতন্ত্র, আর কেউ যেন এ রকম স্বৈরতান্ত্রিক হতে না পারে, নির্বাচন যেন সময়মতো হয়। এই চাহিদাগুলো মেটানোর জন্য কাজ অনেক।

আমরা মনে করি, অন্তর্বর্তী সরকারকে মৌলিক সংস্কারের কাজ করে যেতে হবে। এর পরে নির্বাচনের মাধ্যমে যে রাজনৈতিক দল ক্ষমতায় আসবে, অনেক রকম সংস্কার তার স্বার্থের অনুকূলে যাবে না। তবু রাষ্ট্রীয় ব্যবস্থাকে সম্পূর্ণ গণতান্ত্রিক মূল্যবোধে স্থায়ী করতে চাইলে কিছু সংস্কারে যেতেই হবে। সংস্কার বাতাস থেকে হবে না। গভীর পাঠের মধ্য দিয়ে সমস্যা বের করে আনতে হবে। সরকার সংস্কারের জন্য কয়েকটি কমিশন করেছে। এর মধ্যে সবচেয়ে গুরুত্বপূর্ণ হলো সংবিধান সংস্কার কমিশন। শুরুতেই আমরা দুটি বিতর্ক এমনভাবে সামনে এনেছি যে এটা থেকে ফলাফল বের করে আনা কঠিন হবে। একদিকে আমরা বলছি, যে অন্যায়গুলো ঢোকানো হয়েছে, একেবারে নিয়মতান্ত্রিকতার মধ্য দিয়ে গিয়ে আমরা সেগুলোর পরিবর্তন করব এবং সংবিধানের ধারাবাহিকতা রক্ষা করব। অন্যদিকে আমরা বলছি, সংবিধানকে কেটেছিঁড়ে এমন করেছে যে এটা বাদ দিয়ে নতুন সংবিধান তৈরি করব। এই যে দ্বন্দ্বটা তৈরি করে দেওয়া হয়েছে, এটা একদিক থেকে বিপজ্জনক। এতগুলো প্রাণ গেছে, সংস্কারে আমাদের যেতেই হবে। নয়তো কোনো লাভ হবে না। কিন্তু দুটির কোন দিকে যেতে হবে, এ ব্যাপারে কোনো মতৈক্য নেই। আমাদের একাডেমিকরাও অনেক ক্ষেত্রে এই মতানৈক্য তৈরিতে সহায়তা করেছেন। অন্তর্বর্তী সরকারের পক্ষে কত দিন থাকা সম্ভব এবং কতটুকু করা সম্ভব, এটুকু চিন্তা করেই বিতর্কটা করা দরকার ছিল। বিতর্কটা এখন একটু ঘোলাটে অবস্থায় আছে। তবে যা-ই হোক, কিছু সংস্কার তো করতেই হবে। যেমন—কোনো দলের কারো নেতৃত্বে পর পর দুইবারের বেশি নির্বাচন হবে না। দুইবারের পর সরে দাঁড়িয়ে দলের অন্য কাউকে নেতৃত্ব দিতে হবে। দ্বিতীয়ত, সাংবিধানিকভাবে এই নিয়ম করে দিতে হবে যে দলের প্রধান, সংসদের প্রধান এবং সরকারের প্রধান একজন হতে পারবেন না। আমরা দেখেছি, এই আন্দোলনে মেয়েরা কিভাবে অংশ নিয়েছে। নারীরা এখন এগিয়েছে। সংসদে নারীর জন্য ৫০ আসন সংরক্ষিত থাকুক, এটা আর চাই না। নারীর এখন সরাসরি নির্বাচনে অংশগ্রহণ দরকার। এ জন্য জাতিসংঘের নিয়ম অনুযায়ী ৩৩ শতাংশ আসনে প্রতিটি দলকে নারী প্রতিনিধি মনোনয়ন দিতে বাধ্য থাকতে হবে। ৫০টি সোনার হারের মতো সংরক্ষিত আসনের নারী সংসদ সদস্যদের আমরা দেখেছি, যে দলের হয়ে তাঁরা আসেন সেই দলের হয়ে কথা বলেন, তাঁদের স্বাধীন-স্বতন্ত্র মতামত থাকে না। স্বাধীনতার ৫০ বছর পার হয়ে গেছে, এখন নারী অবলা নয়; নারী শক্তিশালী। নারীকে যে দল থেকে মনোনয়ন দেওয়া হয় না সেই মনোনয়ন চাইবার সময় এখন। এটাই হবে দারুণ সংস্কার।

বিচারিক ক্ষমতা যেভাবে ধ্বংস করা হয়েছে সেটিকে আবার আগের জায়গায় ফেরত নিতে হবে। সংবিধানের ৭০ অনুচ্ছেদে পরিবর্তন দরকার। নির্বাচন কমিশনের সংস্কার দিয়ে অনেক কিছু অর্জন করা সম্ভব। আমার ধারণা, যাঁদের হাতে নির্বাচন কমিশনের সংস্কারের দায়িত্ব দেওয়া হয়েছে তাঁরা এ বিষয়ে অত্যন্ত বিজ্ঞ। আরো যে কমিশনগুলো হয়েছে, সেগুলোও খুব গুরুত্বপূর্ণ। আমাদের দেশ যে এক ব্যক্তির শাসনে চলে গিয়েছিল, তার জন্য শুধু ব্যবসায়ীদের না, মিডিয়াকেও দায়ভার নিতে হবে। কোনো মুক্ত-স্বাধীন মিডিয়া আমরা পাইনি।

আমাদের স্বপ্নটা খুব বেশি না। আমাদের স্বপ্ন হচ্ছে নিয়মতান্ত্রিক উপায়ে সরকার বদল হবে, প্রতিষ্ঠান স্বাধীনভাবে চলবে, একজনের কাজের ওপর আরেকজন এসে হস্তক্ষেপ করবে না। আমি আশা করি, অন্তর্বর্তী সরকার এটুকু আমাদের দিতে পারবে। তবে এগুলো দিতে হলে শক্ত মানুষ প্রয়োজন। আমার মনে হয়, এই সরকারের মধ্যে মধ্যবয়সী লোকজনের একটা অভাব রয়েছে। সরকারে এই ধরনের মানুষকে নিয়ে আসার এখনো সময় আছে। গণতন্ত্রের পথে উত্তরণ আমাদের ঘটাতেই হবে। আমি আশাবাদী, এই উত্তরণ ঘটবে।

আমার আগামীর প্রত্যাশা হলো, নারীরা সরাসরি নির্বাচনে অংশ নেবে, লড়বে, নির্বাচিত হয়ে সগৌরবে সংসদে বসবে। আমরা যে গুম-খুন, বিচারবহির্ভূত হত্যার অভিজ্ঞতার ভেতর দিয়ে গেলাম, সেগুলো আমরা জাদুঘর করে করে সংরক্ষণ করব, যেন আগামীতে আর কোনো দিন বিচারবহির্ভূত হত্যা ঘটতে না পারে। প্রত্যেকে স্বাধীনভাবে স্বাধীন মত নিয়ে এগিয়ে যাবে। সেখানে কারো হস্তক্ষেপ থাকবে না।

লেখক : অধ্যাপক, রাষ্ট্রবিজ্ঞান বিভাগ, ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়।

এই বিভাগের আরও খবর
প্রত্যাশা সমষ্টিগত মানুষের স্বাধীনতা ও মুক্তি
প্রত্যাশা সমষ্টিগত মানুষের স্বাধীনতা ও মুক্তি
টিকফার মাধ্যমে অবস্থান তুলে ধরে শুল্ক কমানোর আলোচনা করতে হবে
টিকফার মাধ্যমে অবস্থান তুলে ধরে শুল্ক কমানোর আলোচনা করতে হবে
শহীদ রাষ্ট্রপতি জিয়াউর রহমানের আদর্শ, জাতীয় স্বার্থ ও গণঅভ্যুত্থানের পুনর্জাগরণ
শহীদ রাষ্ট্রপতি জিয়াউর রহমানের আদর্শ, জাতীয় স্বার্থ ও গণঅভ্যুত্থানের পুনর্জাগরণ
বাংলাদেশ-ভারত সম্পর্ক: জাতীয়তাবাদী দৃষ্টিভঙ্গি ও ভবিষ্যৎ প্রেক্ষিত
বাংলাদেশ-ভারত সম্পর্ক: জাতীয়তাবাদী দৃষ্টিভঙ্গি ও ভবিষ্যৎ প্রেক্ষিত
সেনাবাহিনী নিয়ে দেশি-বিদেশি ষড়যন্ত্র বিষয়ে সতর্ক থাকতে হবে
সেনাবাহিনী নিয়ে দেশি-বিদেশি ষড়যন্ত্র বিষয়ে সতর্ক থাকতে হবে
সেনাবাহিনী বা প্রধান নিয়ে অপরিণামদর্শী স্মার্টনেস কাম্য নয়
সেনাবাহিনী বা প্রধান নিয়ে অপরিণামদর্শী স্মার্টনেস কাম্য নয়
তবে কি সংস্কারের পুকুরে ডুবছে নতুন স্বাধীনতা ?
তবে কি সংস্কারের পুকুরে ডুবছে নতুন স্বাধীনতা ?
বুদ্ধিজীবীরা প্রত্যক্ষ ভূমিকা রেখেছেন স্বাধীনতা সংগ্রামে
বুদ্ধিজীবীরা প্রত্যক্ষ ভূমিকা রেখেছেন স্বাধীনতা সংগ্রামে
সেনাবাহিনীকে বিতর্কের ঊর্ধ্বে রাখতে হবে
সেনাবাহিনীকে বিতর্কের ঊর্ধ্বে রাখতে হবে
তামাক নীতিমালা : সংকটে ভোক্তা অধিকার
তামাক নীতিমালা : সংকটে ভোক্তা অধিকার
তুম উধার হাম ইধার
তুম উধার হাম ইধার
সবার উপর একাত্তর, আমাদের স্বাধীনতা
সবার উপর একাত্তর, আমাদের স্বাধীনতা
সর্বশেষ খবর
ইসরায়েলের বিরুদ্ধে মুসলিমদের জিহাদের আহ্বান জানিয়ে ফতোয়া জারি
ইসরায়েলের বিরুদ্ধে মুসলিমদের জিহাদের আহ্বান জানিয়ে ফতোয়া জারি

এই মাত্র | পূর্ব-পশ্চিম

এ বছরের মধ্যে আমরা নির্বাচন আদায় করে নেব : ইশরাক
এ বছরের মধ্যে আমরা নির্বাচন আদায় করে নেব : ইশরাক

৪ মিনিট আগে | রাজনীতি

ভারতে ওয়াকফ সংশোধনী বিল পাসে খেলাফত মজলিসের উদ্বেগ
ভারতে ওয়াকফ সংশোধনী বিল পাসে খেলাফত মজলিসের উদ্বেগ

৯ মিনিট আগে | রাজনীতি

‌‘দেশে ভোটের অধিকার ফিরিয়ে আনার জন্য আন্দোলন সংগ্রাম করেছি’
‌‘দেশে ভোটের অধিকার ফিরিয়ে আনার জন্য আন্দোলন সংগ্রাম করেছি’

১০ মিনিট আগে | রাজনীতি

শান্তি আলোচনায় সময় ফুরিয়ে আসছে, রাশিয়াকে হুঁশিয়ারি যুক্তরাষ্ট্রের
শান্তি আলোচনায় সময় ফুরিয়ে আসছে, রাশিয়াকে হুঁশিয়ারি যুক্তরাষ্ট্রের

১২ মিনিট আগে | পূর্ব-পশ্চিম

যুক্তরাষ্ট্র-কানাডার শিক্ষার্থীদের জন্য চ্যাটজিপিটি প্লাস ফ্রি, চলবে মে মাস পর্যন্ত
যুক্তরাষ্ট্র-কানাডার শিক্ষার্থীদের জন্য চ্যাটজিপিটি প্লাস ফ্রি, চলবে মে মাস পর্যন্ত

২৪ মিনিট আগে | টেক ওয়ার্ল্ড

বদরগঞ্জে বিএনপির দুই গ্রুপের সংঘর্ষে নিহত ১, আহত ৪০
বদরগঞ্জে বিএনপির দুই গ্রুপের সংঘর্ষে নিহত ১, আহত ৪০

২৮ মিনিট আগে | নগর জীবন

মাঠজুড়ে সূর্যমুখী ফুলের সমারোহ
মাঠজুড়ে সূর্যমুখী ফুলের সমারোহ

৪১ মিনিট আগে | প্রকৃতি ও পরিবেশ

ভুরুঙ্গামারীতে কেন্দ্রীয় ছাত্রলীগ নেতা গ্রেফতার
ভুরুঙ্গামারীতে কেন্দ্রীয় ছাত্রলীগ নেতা গ্রেফতার

৫১ মিনিট আগে | দেশগ্রাম

বাকৃবিতে উন্নত জাতের টমেটোর জাত উদ্ভাবন
বাকৃবিতে উন্নত জাতের টমেটোর জাত উদ্ভাবন

৫৭ মিনিট আগে | প্রকৃতি ও পরিবেশ

১২ এপ্রিল নিউইয়র্কে ‘মঙ্গল শোভাযাত্রা’
১২ এপ্রিল নিউইয়র্কে ‘মঙ্গল শোভাযাত্রা’

১ ঘণ্টা আগে | পরবাস

টাঙ্গাইলে জীবনের নিরাপত্তা চেয়ে সংবাদ সম্মেলন
টাঙ্গাইলে জীবনের নিরাপত্তা চেয়ে সংবাদ সম্মেলন

১ ঘণ্টা আগে | দেশগ্রাম

পাওনা টাকা চাওয়ায় হামলা, ঘটনার ৪ দিন পর যুবকের মৃত্যু
পাওনা টাকা চাওয়ায় হামলা, ঘটনার ৪ দিন পর যুবকের মৃত্যু

১ ঘণ্টা আগে | দেশগ্রাম

সিলেটে ৯ দিনে ২৮৭ নরমাল ডেলিভারি
সিলেটে ৯ দিনে ২৮৭ নরমাল ডেলিভারি

১ ঘণ্টা আগে | চায়ের দেশ

মহাকাশ থেকে পৃথিবীতে পড়েছে ১২০০ বস্তুর ধ্বংসাবশেষ
মহাকাশ থেকে পৃথিবীতে পড়েছে ১২০০ বস্তুর ধ্বংসাবশেষ

১ ঘণ্টা আগে | পাঁচফোড়ন

ধূলিঝড়ের পর রাজধানীতে স্বস্তির বৃষ্টি
ধূলিঝড়ের পর রাজধানীতে স্বস্তির বৃষ্টি

১ ঘণ্টা আগে | নগর জীবন

শরীরে একাধিক কোপ, ডোবা থেকে অজ্ঞাত যুবকের লাশ উদ্ধার
শরীরে একাধিক কোপ, ডোবা থেকে অজ্ঞাত যুবকের লাশ উদ্ধার

১ ঘণ্টা আগে | দেশগ্রাম

অক্টোবরেই অচল ২৪ কোটি কম্পিউটার, বিকল্প কী?
অক্টোবরেই অচল ২৪ কোটি কম্পিউটার, বিকল্প কী?

১ ঘণ্টা আগে | টেক ওয়ার্ল্ড

যৌন হেনস্তার অভিযোগে ‘স্কুইড গেম’ তারকার সাজা
যৌন হেনস্তার অভিযোগে ‘স্কুইড গেম’ তারকার সাজা

১ ঘণ্টা আগে | শোবিজ

চাঁদপুরে ৬৪ যানবাহনে তল্লাশি ও জরিমানা
চাঁদপুরে ৬৪ যানবাহনে তল্লাশি ও জরিমানা

১ ঘণ্টা আগে | দেশগ্রাম

বিমসটেক শীর্ষ সম্মেলনে যেসব সিদ্ধান্ত গৃহীত
বিমসটেক শীর্ষ সম্মেলনে যেসব সিদ্ধান্ত গৃহীত

১ ঘণ্টা আগে | জাতীয়

‘পার্বত্য অঞ্চলের শিক্ষাব্যবস্থাকে মানসম্মত করতে হবে’
‘পার্বত্য অঞ্চলের শিক্ষাব্যবস্থাকে মানসম্মত করতে হবে’

১ ঘণ্টা আগে | দেশগ্রাম

যুক্তরাষ্ট্রে বাংলাদেশের রফতানি আরও বাড়বে, কমবে না: প্রেস সচিব
যুক্তরাষ্ট্রে বাংলাদেশের রফতানি আরও বাড়বে, কমবে না: প্রেস সচিব

১ ঘণ্টা আগে | জাতীয়

সিআরবিতে পরিচ্ছন্নতা অভিযান
সিআরবিতে পরিচ্ছন্নতা অভিযান

২ ঘণ্টা আগে | চট্টগ্রাম প্রতিদিন

ঢাকাসহ ৭ অঞ্চলে মধ্যরাতের মধ্যে ঝড়ের আভাস
ঢাকাসহ ৭ অঞ্চলে মধ্যরাতের মধ্যে ঝড়ের আভাস

২ ঘণ্টা আগে | জাতীয়

মুক্তাগাছায় মোটরসাইকেল দুর্ঘটনায় নিহত ১
মুক্তাগাছায় মোটরসাইকেল দুর্ঘটনায় নিহত ১

২ ঘণ্টা আগে | দেশগ্রাম

বরিশালে ডোবা থেকে অজ্ঞাত লাশ উদ্ধার
বরিশালে ডোবা থেকে অজ্ঞাত লাশ উদ্ধার

২ ঘণ্টা আগে | নগর জীবন

কালীগঞ্জে রেল ব্রিজের নিচ থেকে অজ্ঞাত যুবকের লাশ উদ্ধার
কালীগঞ্জে রেল ব্রিজের নিচ থেকে অজ্ঞাত যুবকের লাশ উদ্ধার

২ ঘণ্টা আগে | দেশগ্রাম

মেক্সিকোতে প্রথম এইচ৫এন১ বার্ড ফ্লু রোগী শনাক্ত
মেক্সিকোতে প্রথম এইচ৫এন১ বার্ড ফ্লু রোগী শনাক্ত

২ ঘণ্টা আগে | পূর্ব-পশ্চিম

অষ্টমী স্নানে ব্রহ্মপুত্র নদে পুণ্যার্থীদের ঢল
অষ্টমী স্নানে ব্রহ্মপুত্র নদে পুণ্যার্থীদের ঢল

২ ঘণ্টা আগে | দেশগ্রাম

সর্বাধিক পঠিত
আত্মরক্ষার জন্য ইরানের সর্বোচ্চ প্রস্তুতি রয়েছে : সৌদি যুবরাজকে পেজেশকিয়ান
আত্মরক্ষার জন্য ইরানের সর্বোচ্চ প্রস্তুতি রয়েছে : সৌদি যুবরাজকে পেজেশকিয়ান

১০ ঘণ্টা আগে | পূর্ব-পশ্চিম

আপনার প্রতি শেখ হাসিনার অসম্মানজনক আচরণ দেখেছি : ড. ইউনূসকে বলেন মোদি
আপনার প্রতি শেখ হাসিনার অসম্মানজনক আচরণ দেখেছি : ড. ইউনূসকে বলেন মোদি

৫ ঘণ্টা আগে | জাতীয়

যুক্তরাষ্ট্রের শুল্ক ইস্যুতে জরুরি সভা ডেকেছেন প্রধান উপদেষ্টা
যুক্তরাষ্ট্রের শুল্ক ইস্যুতে জরুরি সভা ডেকেছেন প্রধান উপদেষ্টা

৬ ঘণ্টা আগে | জাতীয়

ইরানে হামলার হুমকি থেকে পিছু হটলেন ট্রাম্প, সরাসরি আলোচনার প্রস্তাব
ইরানে হামলার হুমকি থেকে পিছু হটলেন ট্রাম্প, সরাসরি আলোচনার প্রস্তাব

৫ ঘণ্টা আগে | পূর্ব-পশ্চিম

আওয়ামী লীগের টাকার লোভে না পড়তে দলীয় নেতাদের হুঁশিয়ারি শামা ওবায়েদের
আওয়ামী লীগের টাকার লোভে না পড়তে দলীয় নেতাদের হুঁশিয়ারি শামা ওবায়েদের

১৯ ঘণ্টা আগে | রাজনীতি

ঐশ্বরিয়া আমার মেয়ে নয়, কেবল ছেলের বউ : জয়া বচ্চন
ঐশ্বরিয়া আমার মেয়ে নয়, কেবল ছেলের বউ : জয়া বচ্চন

২৩ ঘণ্টা আগে | শোবিজ

৫ মিলিয়ন ডলারের ‘গোল্ড কার্ড’ ভিসা উন্মোচন করলেন ট্রাম্প
৫ মিলিয়ন ডলারের ‘গোল্ড কার্ড’ ভিসা উন্মোচন করলেন ট্রাম্প

২৩ ঘণ্টা আগে | পূর্ব-পশ্চিম

শরীয়তপুরে দুই গ্রুপের সংঘর্ষ, শতাধিক হাতবোমা বিস্ফোরণ
শরীয়তপুরে দুই গ্রুপের সংঘর্ষ, শতাধিক হাতবোমা বিস্ফোরণ

৯ ঘণ্টা আগে | দেশগ্রাম

সাত দিনের মধ্যে যুক্তরাষ্ট্র ছাড়ার নির্দেশ, আতঙ্কে ইউক্রেনীয়রা
সাত দিনের মধ্যে যুক্তরাষ্ট্র ছাড়ার নির্দেশ, আতঙ্কে ইউক্রেনীয়রা

৪ ঘণ্টা আগে | পূর্ব-পশ্চিম

বিশ্বের শক্তিশালী পাসপোর্টের তালিকায় এক ধাপ এগোল বাংলাদেশ
বিশ্বের শক্তিশালী পাসপোর্টের তালিকায় এক ধাপ এগোল বাংলাদেশ

৮ ঘণ্টা আগে | জাতীয়

হোয়াইট হাউস থেকে বরখাস্ত একাধিক শীর্ষ কর্মকর্তা, আলোচনায় লরা লুমার
হোয়াইট হাউস থেকে বরখাস্ত একাধিক শীর্ষ কর্মকর্তা, আলোচনায় লরা লুমার

১০ ঘণ্টা আগে | পূর্ব-পশ্চিম

ফিলিস্তিনি জনগণের প্রতি পাকিস্তান সেনা কমান্ডারদের অকুণ্ঠ সমর্থন
ফিলিস্তিনি জনগণের প্রতি পাকিস্তান সেনা কমান্ডারদের অকুণ্ঠ সমর্থন

৪ ঘণ্টা আগে | পূর্ব-পশ্চিম

কালশী ফ্লাইওভারে গাড়ির সঙ্গে মোটরসাইকেলের সংঘর্ষ, দুই যুবক নিহত
কালশী ফ্লাইওভারে গাড়ির সঙ্গে মোটরসাইকেলের সংঘর্ষ, দুই যুবক নিহত

২০ ঘণ্টা আগে | নগর জীবন

‘আতঙ্কে তারা ভুল করেছে’: চীনের পাল্টা শুল্ক নিয়ে ট্রাম্প
‘আতঙ্কে তারা ভুল করেছে’: চীনের পাল্টা শুল্ক নিয়ে ট্রাম্প

৭ ঘণ্টা আগে | পূর্ব-পশ্চিম

হাসিনার এক মন্তব্যে সংকটে মাদারগঞ্জের সমবায় সমিতি
হাসিনার এক মন্তব্যে সংকটে মাদারগঞ্জের সমবায় সমিতি

২১ ঘণ্টা আগে | দেশগ্রাম

পরকীয়া প্রেমে বাধা দেওয়ায় স্বামীর পুরুষাঙ্গ কাটলো স্ত্রী
পরকীয়া প্রেমে বাধা দেওয়ায় স্বামীর পুরুষাঙ্গ কাটলো স্ত্রী

৯ ঘণ্টা আগে | দেশগ্রাম

একনজরে আজকের বাংলাদেশ প্রতিদিন (৫ এপ্রিল)
একনজরে আজকের বাংলাদেশ প্রতিদিন (৫ এপ্রিল)

১৩ ঘণ্টা আগে | জাতীয়

নির্বাচনের কথা বলে মুখে ফেনা তুলে ফেললেই গণতন্ত্র হয় না : নুসরাত তাবাসসুম
নির্বাচনের কথা বলে মুখে ফেনা তুলে ফেললেই গণতন্ত্র হয় না : নুসরাত তাবাসসুম

৬ ঘণ্টা আগে | রাজনীতি

কালশী ফ্লাইওভারে দুর্ঘটনায় নিহত দুই যুবকের পরিচয় মিলেছে
কালশী ফ্লাইওভারে দুর্ঘটনায় নিহত দুই যুবকের পরিচয় মিলেছে

৪ ঘণ্টা আগে | নগর জীবন

চালের দানার চেয়েও ছোট পেসমেকার তৈরি করলেন বিজ্ঞানীরা
চালের দানার চেয়েও ছোট পেসমেকার তৈরি করলেন বিজ্ঞানীরা

১১ ঘণ্টা আগে | বিজ্ঞান

লৌহজংয়ে পাওয়া মরদেহের টুকরোগুলো সাভারের সবুজ মোল্যার
লৌহজংয়ে পাওয়া মরদেহের টুকরোগুলো সাভারের সবুজ মোল্যার

৭ ঘণ্টা আগে | দেশগ্রাম

৫.৬ মাত্রার ভূমিকম্পে আবার কেঁপে উঠলো মিয়ানমার
৫.৬ মাত্রার ভূমিকম্পে আবার কেঁপে উঠলো মিয়ানমার

১১ ঘণ্টা আগে | পূর্ব-পশ্চিম

হাতে সব প্রমাণ আছে, আইনিভাবে মোকাবিলা করবো : পরীমণি
হাতে সব প্রমাণ আছে, আইনিভাবে মোকাবিলা করবো : পরীমণি

৫ ঘণ্টা আগে | শোবিজ

মিয়ানমারে বাংলাদেশ সশস্ত্র বাহিনীর নেতৃত্বে উদ্ধার ও চিকিৎসা কার্যক্রম অব্যাহত
মিয়ানমারে বাংলাদেশ সশস্ত্র বাহিনীর নেতৃত্বে উদ্ধার ও চিকিৎসা কার্যক্রম অব্যাহত

২০ ঘণ্টা আগে | জাতীয়

প্রতিকূল পরিবেশেও খেলাপি ঋণ কমেছে
প্রতিকূল পরিবেশেও খেলাপি ঋণ কমেছে

১৯ ঘণ্টা আগে | বাণিজ্য

আইপিএলের প্রথমবার দেখা গেল এমন কিছু
আইপিএলের প্রথমবার দেখা গেল এমন কিছু

১২ ঘণ্টা আগে | মাঠে ময়দানে

প্রেমা নেই, শেষ হয়ে গেল পুরো পরিবার
প্রেমা নেই, শেষ হয়ে গেল পুরো পরিবার

৭ ঘণ্টা আগে | চট্টগ্রাম প্রতিদিন

আরো বাড়ল মিয়ানমারে ভূমিকম্পে মৃতের সংখ্যা
আরো বাড়ল মিয়ানমারে ভূমিকম্পে মৃতের সংখ্যা

১০ ঘণ্টা আগে | পূর্ব-পশ্চিম

পিঁয়াজ নিয়ে হতাশ মানিকগঞ্জের কৃষকরা
পিঁয়াজ নিয়ে হতাশ মানিকগঞ্জের কৃষকরা

৮ ঘণ্টা আগে | দেশগ্রাম

ঢাকাসহ চার বিভাগে বৃষ্টির সম্ভাবনা
ঢাকাসহ চার বিভাগে বৃষ্টির সম্ভাবনা

৯ ঘণ্টা আগে | জাতীয়

প্রিন্ট সর্বাধিক
সুবিধাবাদী হাইব্রিডে অতিষ্ঠ বিএনপি
সুবিধাবাদী হাইব্রিডে অতিষ্ঠ বিএনপি

প্রথম পৃষ্ঠা

মুজিব ছিলেন বেপরোয়া
মুজিব ছিলেন বেপরোয়া

প্রথম পৃষ্ঠা

চলতি বছর টাইগারদের ৬ টেস্ট
চলতি বছর টাইগারদের ৬ টেস্ট

মাঠে ময়দানে

হাসিনাকে চাইল বাংলাদেশ
হাসিনাকে চাইল বাংলাদেশ

প্রথম পৃষ্ঠা

দেশের প্রযুক্তি খাতে বিপ্লব ঘটাবে স্টারলিংক
দেশের প্রযুক্তি খাতে বিপ্লব ঘটাবে স্টারলিংক

প্রথম পৃষ্ঠা

ধুঁকছেন পেট্রাপোলের ব্যবসায়ীরাও
ধুঁকছেন পেট্রাপোলের ব্যবসায়ীরাও

পেছনের পৃষ্ঠা

আজকের ভাগ্যচক্র
আজকের ভাগ্যচক্র

আজকের রাশি

ইলিশের দামে আগুন
ইলিশের দামে আগুন

পেছনের পৃষ্ঠা

মুখোমুখি সরকার-আইএমএফ
মুখোমুখি সরকার-আইএমএফ

প্রথম পৃষ্ঠা

দীর্ঘদিন ক্ষমতা আঁকড়ে রাখার চিন্তা করলে জনগণ মেনে নেবে না
দীর্ঘদিন ক্ষমতা আঁকড়ে রাখার চিন্তা করলে জনগণ মেনে নেবে না

নগর জীবন

‘মিনি জাফলংয়ে’ স্বাস্থ্যঝুঁকি
‘মিনি জাফলংয়ে’ স্বাস্থ্যঝুঁকি

নগর জীবন

দক্ষিণ এশিয়ার ইসরায়েল ভারত
দক্ষিণ এশিয়ার ইসরায়েল ভারত

পেছনের পৃষ্ঠা

রাজশাহী বিএনপিতে ত্রিধারা
রাজশাহী বিএনপিতে ত্রিধারা

নগর জীবন

হচ্ছে বাম দলের বৃহত্তর জোট!
হচ্ছে বাম দলের বৃহত্তর জোট!

প্রথম পৃষ্ঠা

আত্রাই নদীর চরে কুমড়াবাড়ি!
আত্রাই নদীর চরে কুমড়াবাড়ি!

পেছনের পৃষ্ঠা

চট্টগ্রাম-কক্সবাজার সড়কে শঙ্কা
চট্টগ্রাম-কক্সবাজার সড়কে শঙ্কা

পেছনের পৃষ্ঠা

কবির-মুসার বিরুদ্ধে এবার জালিয়াতির অভিযোগ
কবির-মুসার বিরুদ্ধে এবার জালিয়াতির অভিযোগ

নগর জীবন

যৌথ পরিবারের গল্প
যৌথ পরিবারের গল্প

শনিবারের সকাল

নতুন জীবনের খোঁজে মাহি
নতুন জীবনের খোঁজে মাহি

শোবিজ

এবার জনগণ ভোটাধিকার ফিরে পাবে
এবার জনগণ ভোটাধিকার ফিরে পাবে

প্রথম পৃষ্ঠা

১ লাখ ৮০ হাজার রোহিঙ্গা ফেরত নেবে মিয়ানমার
১ লাখ ৮০ হাজার রোহিঙ্গা ফেরত নেবে মিয়ানমার

প্রথম পৃষ্ঠা

আমাদের সম্পর্কটা বড় ভাই-ছোট ভাইয়ের মতো
আমাদের সম্পর্কটা বড় ভাই-ছোট ভাইয়ের মতো

শোবিজ

অভিযোগে মোশাররফ করিমের জবাব
অভিযোগে মোশাররফ করিমের জবাব

শোবিজ

জমজমাট বিনোদন কেন্দ্রগুলো
জমজমাট বিনোদন কেন্দ্রগুলো

পেছনের পৃষ্ঠা

প্রয়োজনীয় সংস্কার শেষে দ্রুত নির্বাচন
প্রয়োজনীয় সংস্কার শেষে দ্রুত নির্বাচন

প্রথম পৃষ্ঠা

নিশোর মুখে শাকিববন্দনা
নিশোর মুখে শাকিববন্দনা

শোবিজ

বাছাইপর্ব টপকাতে প্রস্তুত নিগাররা
বাছাইপর্ব টপকাতে প্রস্তুত নিগাররা

মাঠে ময়দানে

প্রয়োজনীয় সংস্কার করে দ্রুত নির্বাচন দিতে হবে
প্রয়োজনীয় সংস্কার করে দ্রুত নির্বাচন দিতে হবে

প্রথম পৃষ্ঠা

চলে যাচ্ছেন ম্যানসিটির ডি ব্রুইন
চলে যাচ্ছেন ম্যানসিটির ডি ব্রুইন

মাঠে ময়দানে

কলকাতার জার্সিতে ২০০ উইকেট
কলকাতার জার্সিতে ২০০ উইকেট

মাঠে ময়দানে