শিরোনাম
প্রকাশ: ১৯:৩৪, মঙ্গলবার, ০১ এপ্রিল, ২০২৫ আপডেট: ১৬:০৫, বৃহস্পতিবার, ০৩ এপ্রিল, ২০২৫

বাংলাদেশ কোন পথে, ভারতীয় গণমাধ্যমকে যা বললেন মাহফুজ আনাম

অনলাইন ডেস্ক
অনলাইন ভার্সন
বাংলাদেশ কোন পথে, ভারতীয় গণমাধ্যমকে যা বললেন মাহফুজ আনাম

গত বছরের ৫ আগস্ট ছাত্র-জনতার অভ্যুত্থানে ফ্যাসিস্ট শেখ হাসিনা সরকারের পতন হয়। ওই দিন প্রধানমন্ত্রীর পদ থেকে পদত্যাগ করে ভারতে পালিয়ে যান তিনি। এরপর থেকেই ভারতের সঙ্গে বাংলাদেশের সম্পর্কে ফাটল ধরেছে। ভারতের অভিযোগ, অধ্যাপক ড. মুহাম্মদ ইউনূসের নেতৃত্বাধীন অন্তর্বর্তী সরকার ধর্মীয় সংখ্যালঘুদের সুরক্ষায় যথেষ্ঠ পদক্ষেপ নিচ্ছে না। সেই সঙ্গে ভারত বাংলাদেশে তথা কথিত ইসলামপন্থী শক্তির উত্থানের ব্যাপারেও উদ্বেগ প্রকাশ করেছে। পাশাপাশি পররাষ্ট্র সম্পর্কের ক্ষেত্রে বাংলাদেশ চিরপ্রতিদ্বন্দ্বী পাকিস্তান ও চীনের দিকে ঝুঁকছে বলেও উদ্বিগ্ন ভারত।

অন্যদিকে, শান্তিতে নোবেল জয়ী অর্থনীতিবিদ অধ্যাপক ড. মুহাম্মদ ইউনূসের সরকারের দাবি, তারা দেশের অর্থনৈতিক পতন ঠেকাতে এবং রাজনৈতিক, বিচার বিভাগীয় ও সরকার ব্যবস্থায় সংস্কারের লক্ষ্যে কাজ করছে।

এর মধ্যেই ভারতের প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদি ও বাংলাদেশের অন্তর্বর্তীকালীন সরকারের প্রধান উপদেষ্টা অধ্যাপক ড. মুহাম্মদ ইউনূসের মধ্যে একটি সম্ভাব্য বৈঠক নিয়ে সংবাদমাধ্যমে খবর প্রকাশিত হয়। এপ্রিলের প্রথম সপ্তাহে থাইল্যান্ডে অনুষ্ঠিতব্য বিমসটেক শীর্ষ সম্মেলনের ফাঁকে এই বৈঠক হওয়ার সম্ভাবনার কথা বলা হয়। বে অব বেঙ্গল ইনিশিয়েটিভ ফর মাল্টিসেক্টরাল, টেকনিকাল অ্যান্ড ইকোনমিক কোঅপারেশন (বিমসটেক)-এর  ষষ্ঠ এই সম্মেলনে যোগ দিতে দুই নেতার ২ এপ্রিল থেকে ৪ এপ্রিল ব্যাংকক সফর করার কথা রয়েছে।

এই বিষয়ে ভারতীয় সংবাদমাধ্যম ইন্ডিয়া টুডের সাংবাদিক রাজ চেঙ্গাপ্পার সঙ্গে এক সাক্ষাৎকারে কথা বলেছেন ইংরেজি দৈনিক ডেইলি স্টারের সম্পাদক ও প্রকাশক মাহফুজ আনাম।

‘নাথিং বাট দ্য ট্রুথ’ শিরোনামের ওই সাক্ষাৎকারে রাজ চেঙ্গাপ্পা প্রশ্ন করেন, ড. ইউনূস নেতৃত্বাধীন অন্তর্বর্তী সরকার ইতোমধ্যে সাড়ে ৭ মাস অতিবাহিত করেছে। এই সরকার রাজনৈতিক, অর্থনৈতিক, শাসন ব্যবস্থা ও নিরাপত্তাসহ সরকারের গুরুত্বপূর্ণ সেক্টরে সংস্কার পদক্ষেপ নিয়েছে। এই সরকারের পদক্ষেপগুলোকে আপনি কীভাবে মূল্যায়ন করেন?

জবাবে ডেইলি স্টার সম্পাদক মাহফুজ আনাম বলেন, “এ ব্যাপারে আমি তাকে মিশ্র গ্রেড দেব। কিছু ক্ষেত্রে তিনি খুবই ভাল করেছেন। আবার কিছু ক্ষেত্রে তিনি প্রত্যাশার চেয়ে কম সাফল্য পেয়েছেন।”

তিনি বলেন, এক্ষেত্রে একটি বিষয় এখানে বুঝতে হবে সেটি হচ্ছে- হাসিনা সরকার সরকার ১৫ বছর ক্ষমতায় ছিল। তিনি খুবই ক্ষমতাধর নেতা ছিলেন। ঠিক একইভাবে, তিনি যখন পালিয়ে গেলেন, তখন ক্ষমতার বিরাট এক শূন্যতা তৈরি হয়। আপনারা জানেন ওই সময় ড. মুহাম্মদ ইউনূস প্যারিসে ছিলেন। তিনি ৮ আগস্ট দেশ ফেরেন। আর হাসিনা পালিয়ে যান ৫ আগস্ট। এই তিন দিন আমাদের দেশে কোনও সরকার ছিল না। আর এই তিন দিনে বেশির ভাগ সহিংসতা যেমন- কারাগারে হামলা ও কিছু চরমপন্থীর জেল ভেঙে পলায়ন ইত্যাদিসহ বিভিন্ন বিশৃঙ্খলা এই তিন দিনে ঘটেছে। এই অবস্থায় তিনি আসলেন এবং প্রাথমিক কয়েকজন সদস্যকে নিয়ে সরকার প্রধান হিসেবে শপথ নিলেন তিনি। আমি জানি, এসব সদস্যের অনেককে তিনি ব্যক্তিগতভাবে চেনেনও না। এক্ষেত্রে কেউ কেউ  প্রশ্ন তুলতেই পারেন যে, যাদেরকে ভালোভাবে চেনেনই না তাদেরকে কীভাবে তিনি মন্ত্রিসভায় নিলেন। সুতরাং এ ধরনের বেশ কিছু বিষয় এখানে আছে। এই সরকারের উপদেষ্টারা আগে একে অপরের সঙ্গে কখনও কাজ করেননি। তাদের সরকার চালানোর কোনও অভিজ্ঞতাও নেই। প্রাথমিক পর্যায়ে এই সরকারে এ ধরনের অব্যবস্থাপনা ও ভুল নির্দেশনা ছিল। তবে ৭ মাস পর আমি অবশ্যই বলব, এই সরকার এখন অনেক বেশি স্থীতিশীল। আর অর্থনীতির কথা বললে, শুরুতেই মুদ্রাস্ফীতির কথা বলব, যা ছিল সবচেয়ে বিপজ্জনক একটি বিষয়, সেটিও এখন স্থির হয়েছে। গত দুই মাসে আমরা মুদ্রাস্ফীতি কমতে দেখেছি। আর আমাদের রফতানি আগে যা ছিল তার সমপরিমাণ পর্যায়ে পৌঁছেছে। যেমন- গত বছর আমাদের রফতানি আয় ছিল ১৯ দশমিক ৯ বিলিয়ন ডলার। এ বছরও আমাদের সেই সমপরিমাণ রফতানি হয়েছে। সেই সঙ্গে টাকার মানও ডলারের বিপরীতে স্থিতিশীল হয়েছে এবং আমাদের রেমিট্যান্স প্রবাহ বেড়েছে। সুতরাং বলা যায়- হাসিনা চলে যাওয়ার সময় থেকে অর্থনৈতিক ধসের যে শঙ্কা ছিল, সেটি এখন কেটে গেছে।

এরপর রাজ চেঙ্গাপ্পা প্রশ্ন করেন- গত মাসে হাসিনাকে ক্ষমতাচ্যুত করা ছাত্রনেতারা গত ২৮ মার্চ একটি রাজনৈতিক দল- জাতীয় নাগরিক পার্টির (এনসিপি) আনুষ্ঠানিক যাত্রার ঘোষণা দিয়েছেন। আপনি জানেন- বাংলাদেশের রাজনীতি মূলত দুটি পরিবার কেন্দ্রিক। শেখ হাসিনা নেতৃত্বাধীন আওয়ামী লীগ এবং খালেদা জিয়া নেতৃত্বাধীন বিএনপি। সেখানে এর বিপরীতে গিয়ে, পুরাতন সেই আখ্যান ভেঙে একটি ‘দ্বিতীয় প্রজাতন্ত্র’ গড়ার প্রতিশ্রুতি ব্যক্ত করেছেন সাবেক উপদেষ্টা ও এনসিপির আহ্বায়ক নাহিদ ইসলাম, যেটিকে তারা-ধর্মনিরপেক্ষ বনাম ইসলামপন্থী এবং ভারত বনাম পাকিস্তানকে মিলিয়ে ফেলছেন। এই সময় এই দলের উত্থানের তাৎপর্য কী এবং কখন আগামী জাতীয় নির্বাচন অনুষ্ঠিত হবে?

এর জবাবে মাহফুজ আনাম বলেন, “আমি ব্যক্তিগতভাবে মনে করি এটি একটি স্বাভাবিক ব্যাপার, যেমনটি আপনি বললেন- বাংলাদেশে আওয়ামী লীগ ও বিএনপির যে দ্বিমুখী রাজনৈতিক পরিস্থিতি বিরাজমান, ফ্যাসিস্ট হাসিনার এই সবশেষ ১৫ বছরের ক্ষমতার আগে, সেই ১৯৯১ সাল, যেটিকে আমরা গণতন্ত্র পুনরুদ্ধারের বছর বলি, যখন জেনারেল এরশাদকে ক্ষমতাচ্যুত করা হয়, তখন থেকেই আওয়ামী লীগ ও বিএনপি- এই দুই দল পালাবদল করে পাঁচ বছর মেয়াদে ক্ষমতায় এসেছে। সেখানে এটি একটি নতুন দল। প্রসঙ্গক্রমে বলতে হয়, জেনারেল এরশাদও একটি দল গঠন করেছিলেন- জাতীয় পার্টি নামে। এছাড়া জামায়াতে ইসলামী নামেও একটি পুরনো দল আছে। আজকে ছাত্রদের এই নতুন দল রাজনীতিতে একটি নতুন অধ্যায় বলতে পারেন, যদিও এখনও আমরা তাদেরকে সেভাবে দেখতে পাইনি, তবে এটাও বুঝতে হবে, যেহেতু তারা এখন রাজনৈতিক দল গঠন করেই ফেলেছে, এখন তাদেরকে রাজনৈতিক সংস্কৃতির মধ্যে পড়তে হবে। হাসিনা সরকারের পতনের ক্ষেত্রে তাদের যে সাফল্য, তারা মনে করতে পারে- এর আগে বিএনপি বা অন্য কোনও দল যা করতে পারেনি, আমরা তা মাত্র কয়েক মাসের আন্দোলনেই করে ফেলেছি, সেই আত্মবিশ্বাসের জায়গা থেকে তারা মনে করছে যে, তারা বাংলাদেশকে ভিন্ন রূপ দেবে, যেভাবে তারা বিজয় অর্জন করেছে। এটিই হচ্ছে তাদের আত্মবিশ্বাস। তবে যখন তারা রাজনৈতিক বাস্তবতায় আসবে, বিশেষ করে নির্বাচনে। তবে এই নির্বাচন কিন্তু খুবই তাৎপর্যপূর্ণ একটি বিষয় বলে আমরা সবাই মনে করি। প্রথমত, এটি কমবেশি সিদ্ধান্ত হয়ে গেছে যে, নির্বাচন চলতি বছরের ডিসেম্বর অথবা সর্বোচ্চ আগামী বছরের জানুয়ারিতে অনুষ্ঠিত হবে। এই দুই মাসেই নির্বাচন হতে পারে বলে এখন পর্যন্ত মনে করা হচ্ছে। কিন্তু ছাত্রদের নতুন রাজনৈতিক দল বলছে, তারা নির্বাচনের চেয়ে সংস্কারকেই বেশি প্রাধান্য দিচ্ছে। আর এটা সহজেই বোধগম্য যে, তারা একেবারেই নতুন দল। তারা নির্বাচনে যেতে কিছুটা ভীত। কেননা, এতে খুব বেশি জনসমর্থন তারা নাও পেতে পারে। এতে তাদের জনপ্রিয়তা কমে যেতে পারে। অন্যদিকে, বিএনপি আক্ষরিক অর্থে ক্ষমতায় বসার জন্য একেবারে দরজার বাইরে অপেক্ষা করছে। কারণ, এখানে দুইটি বড় দল- বিএনপি এবং আওয়ামী লীগ। এখন যেহেতু আওয়ামী লীগ বিচ্ছিন্ন অবস্থায় আছে। সুতরাং বিএনপি এখন ক্ষমতায় আসার একেবারে চূড়ান্ত পর্যায়ে অবস্থান করছে। তাই বিএনপি নির্বাচনের জন্য খুবই আগ্রহী, আর ছাত্ররা ততটা আগ্রহী নয়। অন্যদিকে, জামায়াতে ইসলামী, যেটি বাংলাদেশের রাজনীতিতে এখন একটি বড় ফ্যাক্টর, তারা এখন দ্বিধাগ্রস্ত অবস্থায় আছে। দেরি হলেও তাদের কোনও সমস্যা নেই। কারণ, বাংলাদেশের ধর্মভিত্তিক রাজনৈতিক দলগুলো ১০/১৫ বছরও অপেক্ষা করতে পারে- এমন মনোভাব তারা ইতোমধ্যে ব্যক্ত করেছে। সুতরাং তাদের কোনও সমস্যা নেই। তারা নির্বাচন হলে অংশ নেবে, আর যদি না হয় তাতেও তাদের বিরক্ত হওয়ার কিছু নেই। এটিই হচ্ছে বর্তমান পরিস্থিতি। তবে মূলকথা হচ্ছে গোটা জাতি নির্বাচন চায়। বিশেষ করে হাসিনা আমলের তিনটি নির্বাচন- ২০১৪, ২০১৮ ও ২০২৪- ছিল খুবই জালিয়াতিপূর্ণ। এগুলোতে বিশাল সংখ্যক ভোটার তাদের ভোটাধিকার প্রয়োগ করতে পারেনি। তাই বাংলাদেশে এখন নির্বাচন অনুষ্ঠানের জন্য জনগণের মধ্যে প্রচণ্ড আগ্রহ রয়েছে। এটিই বর্তমান পরিস্থিতি। আমরা খুব সম্ভবত ডিসেম্বরেই নির্বাচনের দিকে যাচ্ছি, যদি কোনও নাটকীয় কারণ না ঘটে যায়।

এ পর্যায়ে সাংবাদিক প্রশ্ন করেন- ভারতীয় বিশেষজ্ঞরা উদ্বেগ জানিয়ে বলেছেন যে, নতুন দল এনসিপি ধর্মভিত্তিক দল জামায়াতে ইসলামী দ্বারা প্রভাবিত এবং উদ্বেগ রয়েছে যে, বাংলাদেশ তার ধর্মনিরপেক্ষ অবস্থা থেকে বিচ্যুত হয়ে যাচ্ছে। কেননা, ড. ইউনূস নেতৃত্বাধীন সরকারের সংস্কার কমিশন সংবিধান থেকে জাতীয়তাবাদ, সমাজতন্ত্র এবং ধর্মনিরপেক্ষতা তুলে দিয়ে সমতা, মানবিক মর্যাদা ও সামাজিক ন্যায়বিচার প্রতিস্থাপনের প্রস্তাব করেছে। তাহলে কি বাংলাদেশে পাকিস্তানের মতো ধর্মনিরপেক্ষতা হুমকির মুখে পড়ছে?

জবাবে ডেইলি স্টার সম্পাদক বলেন, এটি খুবই গুরুত্বপূর্ণ একটি বিষয়। ছাত্ররা কিছু দাবি করেছে। আর সংবিধান সংস্কার কমিশন এই সুপারিশগুলো প্রস্তাব করেছে। তবে বাংলাদেশের আজকের সবচেয়ে বড় দল বিএনপি এর বিরোধিতা করেছে। তারা খুব বলিষ্ঠভাবে বলেছে যে, তারা ধর্মনিরপেক্ষতা, জাতীয়তাবাদ, গণতন্ত্রের মতো পুরনো অগ্রাধিকারগুলো ফিরিয়ে আনতে চায়। তাহলে এখানে একটি বিষয় স্পষ্ট যে, আজকের সবচেয়ে বড় দল এই পরিবর্তনগুলোর বিরোধিতা করছে, আর ছাত্ররা এগুলোকে সমর্থন করছে। সুতরাং নির্বাচনই এটিকে নির্ধারণ করবে। আর জামায়াতে ইসলামী আমাদের অনেক নির্বাচনে অংশগ্রহণ করেছে। তারা কখনও ৫ থেকে ৬ শতাংশের বেশি ভোট পায়নি। এমনকি বিএনপির সঙ্গে জোট বেঁধে তারা সর্বোচ্চ ৮ শতাংশ ভোট পেয়েছে। সুতরাং এটিই হচ্ছে তাদের ঐতিহাসিক ভোটের সমর্থন। তারা হয়তো এবার সর্বোচ্চ ১০ শতাংশ ভোট পেতে পারে। এর চেয়ে বেশি পাবে বলে আমি মনে করি না। কিন্তু আপনি যেভাবে বলছেন- বাংলাদেশ কি ইসলামপন্থী হয়ে যাচ্ছে বা পাকিস্তানের মতো হয়ে যাচ্ছে কি না? এই জায়গায় আমি ব্যক্তিগতভাবে আপনাকে এবং অন্যান্য সাংবাদিকদের প্রতি আহ্বান জানাব, বাংলাদেশকে আরও গুরুত্ব সহকারে দেখলে, আমি জানি আপনি পাকিস্তানকে একটি মুসলিম সংখ্যাগরিষ্ঠ দেশ হিসেবে দেখেন এবং পাকিস্তান নিয়ে আপনার নিজস্ব অভিজ্ঞতা আছে এবং সেটা নিয়ে আমি কিছু বলতে চাচ্ছি না। বাংলাদেশও একটি মুসলিম সংখ্যাগরিষ্ঠ দেশ এবং আমার শঙ্কা এখানেই যে, ওই দৃষ্টিভঙ্গি থেকেই বাংলাদেশকে দেখা হচ্ছে, কারণ আমরাও মুসলিম সংখ্যাগরিষ্ঠ দেশ। হ্যাঁ, এটা সত্য যে, আমরাও মুসলিম সংখ্যাগরিষ্ঠ একটা দেশ। এই আমরাই কিন্তু পাকিস্তানকে ভেঙেছি। তাহলে আমরা কারা? আমরা হলাম গর্বিত বাঙালি এবং গর্বিত মুসলিম।

তিনি বলেন, ভারতে ক্ষমতাসীন বিজেপি বিরোধী দল কংগ্রেসের চেয়ে অনেক বেশি হিন্দুত্ববাদী একটি দল। আপনাদের ভারতের ধর্মনিরপেক্ষতার একটি ইতিহাস রয়েছে, যেটিকে বলা হয়- হিন্দুতবা (Hindutva) ইন্ডিয়া। আপনাদের ভোটাররাই এটিকে বেছে নিয়েছে। তাই বলে ভারত কিন্তু পরিবর্তন হয়নি। এজন্য বাংলাদেশের সঙ্গে ভারতের সম্পর্কও কিন্তু পরিবর্তন হয়নি। এমনকি গোটা বিশ্বের সঙ্গেও ভারতের সম্পর্কের কোনও পরিবর্তন হয়নি। বরং আপনারা আপনাদের নিজেদের ধর্মকে আরও বেশি গুরুত্ব দেওয়ার জন্য এটি করেছেন। আমরাও যদি বাংলাদেশে আমাদের ধর্মের পাশাপাশি আমাদের সংস্কৃতিকেও একটু গুরুত্ব দিতে শুরু করি, তাহলে এতে ভয়ের কিছু নেই। অযথা উদ্বিগ্ন হবেন না যে, ও মাই গড, বাংলাদেশ তো বাঙালি হওয়ার কথা, এখন তারা মুসলিম হওয়ার কথা বলছে। এ রকম অযথা উদ্বিগ্ন হবেন না। আমি মনে করি, এখানে একটি মৌলিক আত্মদর্শন বা মৌলিক ঐতিহাসিক পুনর্বিবেচনা আসা উচিত। একটু পিছনে গিয়ে খেয়াল করুন, ১৯৪৭ সালে ভারত-পাকিস্তান ভাগের সময়, বাংলার মুসলিমরা কিন্তু পাকিস্তানের জন্য ভোট দিয়েছে। যদি পরিসংখ্যান দেখেন- ১৯৪৬ সালে বাংলায় মুসলিম লিগ সংখ্যাগরিষ্ঠ আসনে জয় পায়। সেই একই বাংলায় মুসলমানরা যখন দেখল তাদের সাংস্কৃতিক পরিচয় হুমকির মুখে, তখন তারাই পাকিস্তানকে ভেঙে দিল। সুতরাং আমাদের দ্বৈত সভ্যতার ঐতিহ্য রয়েছে। আমরা একই সঙ্গে বাঙালি সংস্কৃতি ও মুসলিম সংস্কৃতির গর্বিত উত্তরাধিকারী। আর একটি বিষয়- আমরা ইসলামি সংস্কৃতির হলেও এটি আমাদের ধর্মীয় চরমপন্থী বানায় না। আমি আমার ভারতীয় বন্ধুদের আহ্বান জানাব যে, আমাদেরকে এই ফাঁদে ফেলবেন না এবং আমাদেরকে আপনাদের পাকিস্তানের অভিজ্ঞতা দিয়ে বিচার করবেন না। আমাদেরকে স্বাধীনভাবে বিচার করুন।

সংখ্যালঘু সুরক্ষার বিষয়ে এক প্রশ্নের জবাবে মাহফুজ আনাম বলেন, সংখ্যালঘুদের নিরাপত্তায় বর্তমান অন্তর্বর্তী সরকার কঠোর এবং কার্যকরী পদক্ষেপ নিয়েছে। এই সরকারের প্রথম ২/৩ মাসের কথা বাদ দিলে, আমি মনে করি বাংলাদেশের অনেক সুন্দর চিত্র আপনি পাবেন। সংখ্যালঘু ইস্যু কিন্তু ভারতেও আছে। আপনাদের সব ধরনের চেষ্টা সত্ত্বেও সেখানে কিন্তু এই ইস্যুটি আছে। দক্ষিণ এশিয়ার অন্যান্য জাতির মতো আমরাও এখানে সংগ্রাম করছি, যেমনটি ভারতও করছে। ধর্মনিরপেক্ষতা এবং আধুনিকায়নের ক্ষেত্রে আমি মনে করি আমাদের একে অপরকে সহযোগিতা করা উচিত এবং সামনে এগিয়ে যাওয়া উচিত, এটিই আমার অভিমত।

ভারত-বাংলাদেশ সম্পর্ক নিয়ে প্রশ্নের জবাবে ডেইলি স্টার সম্পাদক বলেন, পররাষ্ট্র উপদেষ্টা মো. তৌহিদ হোসেনসহ অধ্যাপক ড. মুহাম্মদ ইউনূসের সরকার এবং আমরা বারবার বলছি যে, ভারতের সঙ্গে আমাদের খুব ভাল একটা সম্পর্ক দরকার। আমাদের দুই দেশের বোঝাপড়া ও গভীর সহযোগিতা দরকার। এটাই বাংলাদেশের সরকারি বা আনুষ্ঠানিক অবস্থান। এটাই বাংলাদেশের বর্তমান সরকারের প্রধান উপদেষ্টার অবস্থান। তিনি বারবারই এ কথা বলেছেন। আমরা বিমসটেক সম্মেলনের ফাঁকে ভারতের প্রধানমন্ত্রীর সঙ্গে একটি বৈঠকের প্রস্তাবও করেছি।

তবে এটাও সত্য এবং আমি তা খোলামেলাভাবেই বলব। সেটি হচ্ছে- আপনি যদি দেশের সাধারণ জনগণের কাছে যান, তাহলে তাদের মাঝে এক ধরনের শক্তিশালী ভারতবিরোধী মনোভাব দেখতে পাবেন। তবে এই ভারতবিরোধী মনোভাব কিন্তু ভারত রাষ্ট্রের বিপক্ষে নয়। এটি হচ্ছে- হাসিনার প্রতি বিগত বছরগুলোয় ভারতের যে সমর্থন সেটির বিপক্ষে। হাসিনা থাকলে ভারতের সহযোগিতা পাওয়া যায়, এটিকে আমরা স্বাগত জানাই। কিন্তু হাসিনা বিগত বছরগুলোতে অত্যধিক স্বৈরশাসকে পরিণত হয়েছিলেন, বিশেষ করে বিগত তিনটি জাতীয় নির্বাচনে তার সরকার যে জালিয়াতি করেছে। একজন ভোটার হিসেবে একবার ভাবুন, তারা ভিন্নমতাবলম্বী ও বিরোধী রাজনৈতিক দলের সব নেতাকর্মীকে গ্রেফতার করেছে। তারা নিজেদের মতো ব্যাখ্যা তৈরি করেছে। তারা পুলিশকে ঘুষ দিয়ে ভোটে জালিয়াতি করেছে। আমি মনে করি হাসিনা নির্বাচন ও গণতন্ত্রের মূলমন্ত্রটিই পুরোপুরি ভুলে গিয়েছিল। তিনি মনে করতেন যে, তিনি ভোট জালিয়াতির ক্ষেত্রে এমন আত্মবিশ্বাসের পর্যায়ে পৌঁছে গিয়েছিলেন যে, জনগণের কাছে দায়বদ্ধতার কোনও প্রয়োজন নেই। আর বাংলাদেশের মানুষের ধারণা, হাসিনার এসব অপকর্মের পার্টনার হলো ভারত। তারা মনে করে- এ কারণেই হাসিনা এতবেশি দমন-নিপীড়নমূলক আচরণ করতেন। যাই হোক, আমি ব্যক্গিতভাবে মনে করি, বর্তমানে একটি পরিবর্তনের সময় চলছে- নির্বাচনের দিকে ধাবিত হলে সাধারণ মানুষের এই মনোভাব কমে আসবে এবং সরকারও ভারতের সঙ্গে খুব ভালো একটি সম্পর্ক গড়ে তোলার ব্যাপারে আগ্রহী হবে।

এ পর্যায়ে সাংবাদিক প্রশ্ন করেন- বাংলাদেশ সেনাবাহিনী, তারাও এই রাজনৈতিক পরিস্থিতি নিয়ে উদ্বেগ প্রকাশ করেছে। মার্চের শুরুর দিকে সেনাবাহিনী প্রধান জেনারেল ওয়াকার-উজ-জামান এক বিরল বক্তব্যে বলেছেন যে, বাংলাদেশ বর্তমানে এক ধরনের অরাজক পরিস্থিতির মধ্যে রয়েছে। এই রাজনৈতিক অস্থিরতা চলতে থাকলে দেশের স্বাধীনতা-সার্বভৌমত্ব বিপন্ন হতে পারে। এক্ষেত্রে আপনার অভিমত কী?

এর জবাবে মাহফুজ আনাম বলেন, সেনাবাহিনী যদি ক্ষমতা নিতে চাইতো, তাহলে হাসিনা পালিয়ে যাওয়ার পর ড. মুহাম্মদ ইউনূস দেশে ফেরার আগে যে সময় ছিল, তাতে তাদের অনেক সুযোগ ছিল। কিন্তু তারা সেটি করেনি। তাদের পক্ষ থেকে বারবারই বলা হয়েছে যে, ড. মুহাম্মদ ইউনূসের সরকারকে সর্বতভাবে সহযোগিতা করছে তারা। আর সেনাবাহিনীর পক্ষ থেকে যে সতর্কতার কথা আপনি উল্লেখ করেছেন- আমি মনে করি এটি সময়োপযোগী ছিল। হয়তো কারও কারও কাছে একটু কঠোর মনে হয়েছে, তবে এটি সময়োপযোগী ছিল এবং তৎকালীন পরিস্থিতির ওপর এটি ইতিবাচক প্রভাব ফেলেছে বলে আমি মনে করি। আমি জোর দিয়ে বলতে পারি, সেনাবাহিনী এখানে ক্ষমতা নেওয়ার ব্যাপারে কোনও আগ্রহী নয়। এর আগে ২০০৭ সালেও সেনাসমর্থিত একটি তত্ত্বাবধায়ক সরকার ছিল। তখনও তারা নিতে পারতো। তারা দুই বছর ওই সরকার ও দেশকে সহযোগিতা করেছে। তারা সুন্দর একটি নির্বাচন অনুষ্ঠানে যথেষ্ঠ ভূমিকা রেখেছে। কিন্তু তারা ক্ষমতা নেয়নি। আজও আমি এ ধরনের কোনও সম্ভাবনা দেখি না। 

অভ্যুত্থান পরবর্তী সময়ে পাকিস্তানের সঙ্গে বাংলাদেশের সম্পর্ক উন্নয়নের বিষয়ে এক প্রশ্নের জবাবে মাহফুজ আনাম বলেন, ভারতের অনেক গণমাধ্যম এটিকে (অভ্যুত্থান) পাকিস্তানের আইএসআই  ষড়যন্ত্র হিসেবে আখ্যা দিয়েছে। আমি বেশ কয়েকটি সাক্ষাৎকারে এ বিষয়ে বলেছি যে, আপনারা মনে করেন বাংলাদেশ কিছুই করতে পারে না। হয়তো ভারতের ‘র’ করায়, নয়তো পাকিস্তানের আইএসআই করায়। এখনও এই ধারণাই পোষণ করেন। বাস্তবে হাসিনার আমলে পাকিস্তানের সঙ্গে সম্পর্কটা পুরোপুরি হিমায়তি ছিল। এখন আমরা তাদের সঙ্গে কিছু বাণিজ্যিক পথ খুলছি। আপনি জানেন, পাকিস্তান একটি সার্বভৗম দেশ। আমরাও সার্বভৌম। আমি আমার ভারতীয় বন্ধুদের আহ্বান করি- আপনারা এটিকে নিরাপত্তা হুমকি মনে করবেন না। এটি মূলত একটি সার্কভুক্ত বা দক্ষিণ এশিয়ার দেশের সঙ্গে সম্পর্ক স্বাভাবিককরণ মাত্র। একজন মুক্তিযোদ্ধা হিসেবে আমি এখনও মনে করি, একাত্তরে ভূমিকার জন্য পাকিস্তানের ক্ষমা চাওয়া উচিত। আমি আশা করি- তারা তাদের সেই বর্বরোচিত ঘটনার কথা তাদের বোধগম্য হবে এবং কোনও একদিন এমনটি হবে বলে আমি এখনও আশাবাদী। তবে সম্পর্ক কিছুটা স্বাভাবিক করাটা দক্ষিণ এশিয়ার একটি দেশের সঙ্গে এক ধরনের পরিস্থিতি শিথিলকরণ মাত্র। এর বাইরে কিছু নয়। এ ব্যাপারে আপনারা আমাদের ওপর আস্থা রাখতে পারেন। সূত্র: ইন্ডিয়া টুডে

বিডি প্রতিদিন/একেএ
 

এই বিভাগের আরও খবর
বিমসটেক শীর্ষ সম্মেলনে যেসব সিদ্ধান্ত গৃহীত
বিমসটেক শীর্ষ সম্মেলনে যেসব সিদ্ধান্ত গৃহীত
যুক্তরাষ্ট্রে বাংলাদেশের রফতানি আরও বাড়বে, কমবে না: প্রেস সচিব
যুক্তরাষ্ট্রে বাংলাদেশের রফতানি আরও বাড়বে, কমবে না: প্রেস সচিব
ঢাকাসহ ৭ অঞ্চলে মধ্যরাতের মধ্যে ঝড়ের আভাস
ঢাকাসহ ৭ অঞ্চলে মধ্যরাতের মধ্যে ঝড়ের আভাস
ঈদের ছুটিতে ঢাকা ছেড়েছেন ১ কোটি সিমধারী, ফিরেছেন ৪৪ লাখ
ঈদের ছুটিতে ঢাকা ছেড়েছেন ১ কোটি সিমধারী, ফিরেছেন ৪৪ লাখ
এই মেয়েরাই সামনের দিনেও আমাদের পথ দেখাবে (ভিডিও)
এই মেয়েরাই সামনের দিনেও আমাদের পথ দেখাবে (ভিডিও)
আপনার প্রতি শেখ হাসিনার অসম্মানজনক আচরণ দেখেছি : ড. ইউনূসকে বলেন মোদি
আপনার প্রতি শেখ হাসিনার অসম্মানজনক আচরণ দেখেছি : ড. ইউনূসকে বলেন মোদি
খাদ্য নিরাপত্তা নি‌য়ে কো‌নো শঙ্কা নেই : খাদ্য উপদেষ্টা
খাদ্য নিরাপত্তা নি‌য়ে কো‌নো শঙ্কা নেই : খাদ্য উপদেষ্টা
চার বিভাগে বৃষ্টি হলেও তাপপ্রবাহ থাকবে অব্যাহত
চার বিভাগে বৃষ্টি হলেও তাপপ্রবাহ থাকবে অব্যাহত
কোনো স্থানেই ময়লা পোড়ানো যাবে না : পরিবেশ উপদেষ্টা
কোনো স্থানেই ময়লা পোড়ানো যাবে না : পরিবেশ উপদেষ্টা
যুক্তরাষ্ট্রের শুল্ক ইস্যুতে জরুরি সভা ডেকেছেন প্রধান উপদেষ্টা
যুক্তরাষ্ট্রের শুল্ক ইস্যুতে জরুরি সভা ডেকেছেন প্রধান উপদেষ্টা
‘স্বতন্ত্র সচিবালয়’ প্রতিষ্ঠার দ্বারপ্রান্তে রয়েছে : প্রধান বিচারপতি
‘স্বতন্ত্র সচিবালয়’ প্রতিষ্ঠার দ্বারপ্রান্তে রয়েছে : প্রধান বিচারপতি
বাংলাদেশের মতো সাম্প্রদায়িক সম্প্রীতি কোথাও নেই: স্বরাষ্ট্র উপদেষ্টা
বাংলাদেশের মতো সাম্প্রদায়িক সম্প্রীতি কোথাও নেই: স্বরাষ্ট্র উপদেষ্টা
সর্বশেষ খবর
চাঁদপুরে ৬৪ যানবাহনে তল্লাশি ও জরিমানা
চাঁদপুরে ৬৪ যানবাহনে তল্লাশি ও জরিমানা

১ সেকেন্ড আগে | দেশগ্রাম

বিমসটেক শীর্ষ সম্মেলনে যেসব সিদ্ধান্ত গৃহীত
বিমসটেক শীর্ষ সম্মেলনে যেসব সিদ্ধান্ত গৃহীত

১ মিনিট আগে | জাতীয়

‘পার্বত্য অঞ্চলের শিক্ষাব্যবস্থাকে মানসম্মত করতে হবে’
‘পার্বত্য অঞ্চলের শিক্ষাব্যবস্থাকে মানসম্মত করতে হবে’

১ মিনিট আগে | দেশগ্রাম

যুক্তরাষ্ট্রে বাংলাদেশের রফতানি আরও বাড়বে, কমবে না: প্রেস সচিব
যুক্তরাষ্ট্রে বাংলাদেশের রফতানি আরও বাড়বে, কমবে না: প্রেস সচিব

১০ মিনিট আগে | জাতীয়

সিআরবিতে পরিচ্ছন্নতা অভিযান
সিআরবিতে পরিচ্ছন্নতা অভিযান

১৮ মিনিট আগে | চট্টগ্রাম প্রতিদিন

ঢাকাসহ ৭ অঞ্চলে মধ্যরাতের মধ্যে ঝড়ের আভাস
ঢাকাসহ ৭ অঞ্চলে মধ্যরাতের মধ্যে ঝড়ের আভাস

৩৬ মিনিট আগে | জাতীয়

মুক্তাগাছায় মোটরসাইকেল দুর্ঘটনায় নিহত ১
মুক্তাগাছায় মোটরসাইকেল দুর্ঘটনায় নিহত ১

৪২ মিনিট আগে | দেশগ্রাম

বরিশালে ডোবা থেকে অজ্ঞাত লাশ উদ্ধার
বরিশালে ডোবা থেকে অজ্ঞাত লাশ উদ্ধার

৪৪ মিনিট আগে | নগর জীবন

কালীগঞ্জে রেল ব্রিজের নিচ থেকে অজ্ঞাত যুবকের লাশ উদ্ধার
কালীগঞ্জে রেল ব্রিজের নিচ থেকে অজ্ঞাত যুবকের লাশ উদ্ধার

৫১ মিনিট আগে | দেশগ্রাম

মেক্সিকোতে প্রথম এইচ৫এন১ বার্ড ফ্লু রোগী শনাক্ত
মেক্সিকোতে প্রথম এইচ৫এন১ বার্ড ফ্লু রোগী শনাক্ত

৫১ মিনিট আগে | পূর্ব-পশ্চিম

অষ্টমী স্নানে ব্রহ্মপুত্র নদে পুণ্যার্থীদের ঢল
অষ্টমী স্নানে ব্রহ্মপুত্র নদে পুণ্যার্থীদের ঢল

৫৪ মিনিট আগে | দেশগ্রাম

ধর্ষণের শিকার জমজ দুই বোনকে আইনি সহায়তা প্রদানের দায়িত্ব নিলেন তারেক রহমান
ধর্ষণের শিকার জমজ দুই বোনকে আইনি সহায়তা প্রদানের দায়িত্ব নিলেন তারেক রহমান

১ ঘণ্টা আগে | দেশগ্রাম

ব্যবসায়ীর ফেলে যাওয়া ১৮ ভরি স্বর্ণ ‍ফিরিয়ে দিলেন অটোরিকশাচালক
ব্যবসায়ীর ফেলে যাওয়া ১৮ ভরি স্বর্ণ ‍ফিরিয়ে দিলেন অটোরিকশাচালক

১ ঘণ্টা আগে | দেশগ্রাম

৩২৯টি উপজেলায় হচ্ছে টেকনিক্যাল স্কুল অ্যান্ড কলেজ
৩২৯টি উপজেলায় হচ্ছে টেকনিক্যাল স্কুল অ্যান্ড কলেজ

১ ঘণ্টা আগে | দেশগ্রাম

ডার্ক এনার্জি স্থির নয়! বিজ্ঞানীদের সামনে নতুন ধাঁধা
ডার্ক এনার্জি স্থির নয়! বিজ্ঞানীদের সামনে নতুন ধাঁধা

১ ঘণ্টা আগে | বিজ্ঞান

ঈদের ছুটিতে ঢাকা ছেড়েছেন ১ কোটি সিমধারী, ফিরেছেন ৪৪ লাখ
ঈদের ছুটিতে ঢাকা ছেড়েছেন ১ কোটি সিমধারী, ফিরেছেন ৪৪ লাখ

১ ঘণ্টা আগে | জাতীয়

ঈদের পঞ্চম দিনেও ‘দাগি’-‘জংলি’র দাপট অব্যাহত, আয় কত?
ঈদের পঞ্চম দিনেও ‘দাগি’-‘জংলি’র দাপট অব্যাহত, আয় কত?

১ ঘণ্টা আগে | শোবিজ

পতেঙ্গায় ১ কেজি স্বর্ণালংকারসহ আটক ৫
পতেঙ্গায় ১ কেজি স্বর্ণালংকারসহ আটক ৫

১ ঘণ্টা আগে | চট্টগ্রাম প্রতিদিন

‌‌‘শিক্ষার্থীরা পাস করে চাকরির জন্য নেতাদের পেছনে ঘুরতে হবে না’
‌‌‘শিক্ষার্থীরা পাস করে চাকরির জন্য নেতাদের পেছনে ঘুরতে হবে না’

১ ঘণ্টা আগে | দেশগ্রাম

আগৈলঝাড়ায় বসুন্ধরা শুভসংঘের মাসব্যাপী মাদকবিরোধী প্রচারণা শুরু
আগৈলঝাড়ায় বসুন্ধরা শুভসংঘের মাসব্যাপী মাদকবিরোধী প্রচারণা শুরু

১ ঘণ্টা আগে | বসুন্ধরা শুভসংঘ

বিএনপি নেতার বহিষ্কারের প্রতিবাদে বিক্ষোভ
বিএনপি নেতার বহিষ্কারের প্রতিবাদে বিক্ষোভ

১ ঘণ্টা আগে | দেশগ্রাম

মেঘনা-তিতাসে অষ্টমী গঙ্গাস্নানে উপচেপড়া ভিড়
মেঘনা-তিতাসে অষ্টমী গঙ্গাস্নানে উপচেপড়া ভিড়

১ ঘণ্টা আগে | দেশগ্রাম

কসবায় যুবককে ডেকে নিয়ে হত্যার অভিযোগ
কসবায় যুবককে ডেকে নিয়ে হত্যার অভিযোগ

১ ঘণ্টা আগে | দেশগ্রাম

সিলেটে টাকা ধার না দেওয়ায় যুবক খুন
সিলেটে টাকা ধার না দেওয়ায় যুবক খুন

১ ঘণ্টা আগে | চায়ের দেশ

চট্টগ্রামে জেলেদের জালে মিলল বৃদ্ধার লাশ
চট্টগ্রামে জেলেদের জালে মিলল বৃদ্ধার লাশ

১ ঘণ্টা আগে | চট্টগ্রাম প্রতিদিন

মুন্সিগঞ্জে ধলেশ্বরী নদীর তীরে অষ্টমী স্নান উৎসব পালিত
মুন্সিগঞ্জে ধলেশ্বরী নদীর তীরে অষ্টমী স্নান উৎসব পালিত

১ ঘণ্টা আগে | দেশগ্রাম

ছাত্র আন্দোলনে হত্যা মামলায় শ্রমিক লীগ নেতা গ্রেফতার
ছাত্র আন্দোলনে হত্যা মামলায় শ্রমিক লীগ নেতা গ্রেফতার

১ ঘণ্টা আগে | নগর জীবন

লাশের গন্ধে ভারী মিয়ানমারের সাগাইংয়ের বাতাস
লাশের গন্ধে ভারী মিয়ানমারের সাগাইংয়ের বাতাস

১ ঘণ্টা আগে | পূর্ব-পশ্চিম

পাংকর আইল্যান্ড, যেখানে পাহাড় ও সমুদ্রের অসাধারণ মিতালি!
পাংকর আইল্যান্ড, যেখানে পাহাড় ও সমুদ্রের অসাধারণ মিতালি!

২ ঘণ্টা আগে | পরবাস

এই মেয়েরাই সামনের দিনেও আমাদের পথ দেখাবে (ভিডিও)
এই মেয়েরাই সামনের দিনেও আমাদের পথ দেখাবে (ভিডিও)

২ ঘণ্টা আগে | জাতীয়

সর্বাধিক পঠিত
ঈদুল আজহার সম্ভাব্য তারিখ প্রকাশ
ঈদুল আজহার সম্ভাব্য তারিখ প্রকাশ

২২ ঘণ্টা আগে | পূর্ব-পশ্চিম

আত্মরক্ষার জন্য ইরানের সর্বোচ্চ প্রস্তুতি রয়েছে : সৌদি যুবরাজকে পেজেশকিয়ান
আত্মরক্ষার জন্য ইরানের সর্বোচ্চ প্রস্তুতি রয়েছে : সৌদি যুবরাজকে পেজেশকিয়ান

৮ ঘণ্টা আগে | পূর্ব-পশ্চিম

পর্দায় নয়, এবার সত্যিই বিয়ে করলেন শামীম হাসান সরকার
পর্দায় নয়, এবার সত্যিই বিয়ে করলেন শামীম হাসান সরকার

২২ ঘণ্টা আগে | শোবিজ

আপনার প্রতি শেখ হাসিনার অসম্মানজনক আচরণ দেখেছি : ড. ইউনূসকে বলেন মোদি
আপনার প্রতি শেখ হাসিনার অসম্মানজনক আচরণ দেখেছি : ড. ইউনূসকে বলেন মোদি

৩ ঘণ্টা আগে | জাতীয়

যুক্তরাষ্ট্রের শুল্ক ইস্যুতে জরুরি সভা ডেকেছেন প্রধান উপদেষ্টা
যুক্তরাষ্ট্রের শুল্ক ইস্যুতে জরুরি সভা ডেকেছেন প্রধান উপদেষ্টা

৫ ঘণ্টা আগে | জাতীয়

ইরানে হামলার হুমকি থেকে পিছু হটলেন ট্রাম্প, সরাসরি আলোচনার প্রস্তাব
ইরানে হামলার হুমকি থেকে পিছু হটলেন ট্রাম্প, সরাসরি আলোচনার প্রস্তাব

৪ ঘণ্টা আগে | পূর্ব-পশ্চিম

আওয়ামী লীগের টাকার লোভে না পড়তে দলীয় নেতাদের হুঁশিয়ারি শামা ওবায়েদের
আওয়ামী লীগের টাকার লোভে না পড়তে দলীয় নেতাদের হুঁশিয়ারি শামা ওবায়েদের

১৭ ঘণ্টা আগে | রাজনীতি

৫ মিলিয়ন ডলারের ‘গোল্ড কার্ড’ ভিসা উন্মোচন করলেন ট্রাম্প
৫ মিলিয়ন ডলারের ‘গোল্ড কার্ড’ ভিসা উন্মোচন করলেন ট্রাম্প

২১ ঘণ্টা আগে | পূর্ব-পশ্চিম

ঐশ্বরিয়া আমার মেয়ে নয়, কেবল ছেলের বউ : জয়া বচ্চন
ঐশ্বরিয়া আমার মেয়ে নয়, কেবল ছেলের বউ : জয়া বচ্চন

২২ ঘণ্টা আগে | শোবিজ

শরীয়তপুরে দুই গ্রুপের সংঘর্ষ, শতাধিক হাতবোমা বিস্ফোরণ
শরীয়তপুরে দুই গ্রুপের সংঘর্ষ, শতাধিক হাতবোমা বিস্ফোরণ

৭ ঘণ্টা আগে | দেশগ্রাম

ড. ইউনূস-মোদি বৈঠক আশার আলো তৈরি করেছে: মির্জা ফখরুল
ড. ইউনূস-মোদি বৈঠক আশার আলো তৈরি করেছে: মির্জা ফখরুল

২৩ ঘণ্টা আগে | রাজনীতি

বিশ্বের শক্তিশালী পাসপোর্টের তালিকায় এক ধাপ এগোল বাংলাদেশ
বিশ্বের শক্তিশালী পাসপোর্টের তালিকায় এক ধাপ এগোল বাংলাদেশ

৬ ঘণ্টা আগে | জাতীয়

হোয়াইট হাউস থেকে বরখাস্ত একাধিক শীর্ষ কর্মকর্তা, আলোচনায় লরা লুমার
হোয়াইট হাউস থেকে বরখাস্ত একাধিক শীর্ষ কর্মকর্তা, আলোচনায় লরা লুমার

৮ ঘণ্টা আগে | পূর্ব-পশ্চিম

কালশী ফ্লাইওভারে গাড়ির সঙ্গে মোটরসাইকেলের সংঘর্ষ, দুই যুবক নিহত
কালশী ফ্লাইওভারে গাড়ির সঙ্গে মোটরসাইকেলের সংঘর্ষ, দুই যুবক নিহত

১৮ ঘণ্টা আগে | নগর জীবন

সাত দিনের মধ্যে যুক্তরাষ্ট্র ছাড়ার নির্দেশ, আতঙ্কে ইউক্রেনীয়রা
সাত দিনের মধ্যে যুক্তরাষ্ট্র ছাড়ার নির্দেশ, আতঙ্কে ইউক্রেনীয়রা

২ ঘণ্টা আগে | পূর্ব-পশ্চিম

হাসিনার এক মন্তব্যে সংকটে মাদারগঞ্জের সমবায় সমিতি
হাসিনার এক মন্তব্যে সংকটে মাদারগঞ্জের সমবায় সমিতি

২০ ঘণ্টা আগে | দেশগ্রাম

পরকীয়া প্রেমে বাধা দেওয়ায় স্বামীর পুরুষাঙ্গ কাটলো স্ত্রী
পরকীয়া প্রেমে বাধা দেওয়ায় স্বামীর পুরুষাঙ্গ কাটলো স্ত্রী

৭ ঘণ্টা আগে | দেশগ্রাম

‘আতঙ্কে তারা ভুল করেছে’: চীনের পাল্টা শুল্ক নিয়ে ট্রাম্প
‘আতঙ্কে তারা ভুল করেছে’: চীনের পাল্টা শুল্ক নিয়ে ট্রাম্প

৫ ঘণ্টা আগে | পূর্ব-পশ্চিম

একনজরে আজকের বাংলাদেশ প্রতিদিন (৫ এপ্রিল)
একনজরে আজকের বাংলাদেশ প্রতিদিন (৫ এপ্রিল)

১২ ঘণ্টা আগে | জাতীয়

নির্বাচনের কথা বলে মুখে ফেনা তুলে ফেললেই গণতন্ত্র হয় না : নুসরাত তাবাসসুম
নির্বাচনের কথা বলে মুখে ফেনা তুলে ফেললেই গণতন্ত্র হয় না : নুসরাত তাবাসসুম

৪ ঘণ্টা আগে | রাজনীতি

চালের দানার চেয়েও ছোট পেসমেকার তৈরি করলেন বিজ্ঞানীরা
চালের দানার চেয়েও ছোট পেসমেকার তৈরি করলেন বিজ্ঞানীরা

৯ ঘণ্টা আগে | বিজ্ঞান

ফিলিস্তিনি জনগণের প্রতি পাকিস্তান সেনা কমান্ডারদের অকুণ্ঠ সমর্থন
ফিলিস্তিনি জনগণের প্রতি পাকিস্তান সেনা কমান্ডারদের অকুণ্ঠ সমর্থন

২ ঘণ্টা আগে | পূর্ব-পশ্চিম

৫.৬ মাত্রার ভূমিকম্পে আবার কেঁপে উঠলো মিয়ানমার
৫.৬ মাত্রার ভূমিকম্পে আবার কেঁপে উঠলো মিয়ানমার

৯ ঘণ্টা আগে | পূর্ব-পশ্চিম

মিয়ানমারে বাংলাদেশ সশস্ত্র বাহিনীর নেতৃত্বে উদ্ধার ও চিকিৎসা কার্যক্রম অব্যাহত
মিয়ানমারে বাংলাদেশ সশস্ত্র বাহিনীর নেতৃত্বে উদ্ধার ও চিকিৎসা কার্যক্রম অব্যাহত

১৯ ঘণ্টা আগে | জাতীয়

‘প্রয়োজনে জোটগতভাবে নির্বাচন করবে এনসিপি’
‘প্রয়োজনে জোটগতভাবে নির্বাচন করবে এনসিপি’

২২ ঘণ্টা আগে | রাজনীতি

কালশী ফ্লাইওভারে দুর্ঘটনায় নিহত দুই যুবকের পরিচয় মিলেছে
কালশী ফ্লাইওভারে দুর্ঘটনায় নিহত দুই যুবকের পরিচয় মিলেছে

২ ঘণ্টা আগে | নগর জীবন

আইপিএলের প্রথমবার দেখা গেল এমন কিছু
আইপিএলের প্রথমবার দেখা গেল এমন কিছু

১০ ঘণ্টা আগে | মাঠে ময়দানে

লৌহজংয়ে পাওয়া মরদেহের টুকরোগুলো সাভারের সবুজ মোল্যার
লৌহজংয়ে পাওয়া মরদেহের টুকরোগুলো সাভারের সবুজ মোল্যার

৫ ঘণ্টা আগে | দেশগ্রাম

প্রতিকূল পরিবেশেও খেলাপি ঋণ কমেছে
প্রতিকূল পরিবেশেও খেলাপি ঋণ কমেছে

১৭ ঘণ্টা আগে | বাণিজ্য

আরো বাড়ল মিয়ানমারে ভূমিকম্পে মৃতের সংখ্যা
আরো বাড়ল মিয়ানমারে ভূমিকম্পে মৃতের সংখ্যা

৮ ঘণ্টা আগে | পূর্ব-পশ্চিম

প্রিন্ট সর্বাধিক
সুবিধাবাদী হাইব্রিডে অতিষ্ঠ বিএনপি
সুবিধাবাদী হাইব্রিডে অতিষ্ঠ বিএনপি

প্রথম পৃষ্ঠা

মুজিব ছিলেন বেপরোয়া
মুজিব ছিলেন বেপরোয়া

প্রথম পৃষ্ঠা

চলতি বছর টাইগারদের ৬ টেস্ট
চলতি বছর টাইগারদের ৬ টেস্ট

মাঠে ময়দানে

হাসিনাকে চাইল বাংলাদেশ
হাসিনাকে চাইল বাংলাদেশ

প্রথম পৃষ্ঠা

দেশের প্রযুক্তি খাতে বিপ্লব ঘটাবে স্টারলিংক
দেশের প্রযুক্তি খাতে বিপ্লব ঘটাবে স্টারলিংক

প্রথম পৃষ্ঠা

ধুঁকছেন পেট্রাপোলের ব্যবসায়ীরাও
ধুঁকছেন পেট্রাপোলের ব্যবসায়ীরাও

পেছনের পৃষ্ঠা

ইলিশের দামে আগুন
ইলিশের দামে আগুন

পেছনের পৃষ্ঠা

আজকের ভাগ্যচক্র
আজকের ভাগ্যচক্র

আজকের রাশি

মুখোমুখি সরকার-আইএমএফ
মুখোমুখি সরকার-আইএমএফ

প্রথম পৃষ্ঠা

দীর্ঘদিন ক্ষমতা আঁকড়ে রাখার চিন্তা করলে জনগণ মেনে নেবে না
দীর্ঘদিন ক্ষমতা আঁকড়ে রাখার চিন্তা করলে জনগণ মেনে নেবে না

নগর জীবন

‘মিনি জাফলংয়ে’ স্বাস্থ্যঝুঁকি
‘মিনি জাফলংয়ে’ স্বাস্থ্যঝুঁকি

নগর জীবন

দক্ষিণ এশিয়ার ইসরায়েল ভারত
দক্ষিণ এশিয়ার ইসরায়েল ভারত

পেছনের পৃষ্ঠা

রাজশাহী বিএনপিতে ত্রিধারা
রাজশাহী বিএনপিতে ত্রিধারা

নগর জীবন

হচ্ছে বাম দলের বৃহত্তর জোট!
হচ্ছে বাম দলের বৃহত্তর জোট!

প্রথম পৃষ্ঠা

চট্টগ্রাম-কক্সবাজার সড়কে শঙ্কা
চট্টগ্রাম-কক্সবাজার সড়কে শঙ্কা

পেছনের পৃষ্ঠা

আত্রাই নদীর চরে কুমড়াবাড়ি!
আত্রাই নদীর চরে কুমড়াবাড়ি!

পেছনের পৃষ্ঠা

কবির-মুসার বিরুদ্ধে এবার জালিয়াতির অভিযোগ
কবির-মুসার বিরুদ্ধে এবার জালিয়াতির অভিযোগ

নগর জীবন

নতুন জীবনের খোঁজে মাহি
নতুন জীবনের খোঁজে মাহি

শোবিজ

যৌথ পরিবারের গল্প
যৌথ পরিবারের গল্প

শনিবারের সকাল

এবার জনগণ ভোটাধিকার ফিরে পাবে
এবার জনগণ ভোটাধিকার ফিরে পাবে

প্রথম পৃষ্ঠা

১ লাখ ৮০ হাজার রোহিঙ্গা ফেরত নেবে মিয়ানমার
১ লাখ ৮০ হাজার রোহিঙ্গা ফেরত নেবে মিয়ানমার

প্রথম পৃষ্ঠা

আমাদের সম্পর্কটা বড় ভাই-ছোট ভাইয়ের মতো
আমাদের সম্পর্কটা বড় ভাই-ছোট ভাইয়ের মতো

শোবিজ

অভিযোগে মোশাররফ করিমের জবাব
অভিযোগে মোশাররফ করিমের জবাব

শোবিজ

জমজমাট বিনোদন কেন্দ্রগুলো
জমজমাট বিনোদন কেন্দ্রগুলো

পেছনের পৃষ্ঠা

প্রয়োজনীয় সংস্কার শেষে দ্রুত নির্বাচন
প্রয়োজনীয় সংস্কার শেষে দ্রুত নির্বাচন

প্রথম পৃষ্ঠা

নিশোর মুখে শাকিববন্দনা
নিশোর মুখে শাকিববন্দনা

শোবিজ

বাছাইপর্ব টপকাতে প্রস্তুত নিগাররা
বাছাইপর্ব টপকাতে প্রস্তুত নিগাররা

মাঠে ময়দানে

প্রয়োজনীয় সংস্কার করে দ্রুত নির্বাচন দিতে হবে
প্রয়োজনীয় সংস্কার করে দ্রুত নির্বাচন দিতে হবে

প্রথম পৃষ্ঠা

চলে যাচ্ছেন ম্যানসিটির ডি ব্রুইন
চলে যাচ্ছেন ম্যানসিটির ডি ব্রুইন

মাঠে ময়দানে

কলকাতার জার্সিতে ২০০ উইকেট
কলকাতার জার্সিতে ২০০ উইকেট

মাঠে ময়দানে