শিরোনাম
প্রকাশ: ১০:৩১, শুক্রবার, ১৪ ফেব্রুয়ারি, ২০২৫ আপডেট: ০০:৫৯, রবিবার, ১৬ ফেব্রুয়ারি, ২০২৫

শুভ জন্মদিন

একজন ক্রীড়া অন্তপ্রাণ ব্যক্তিত্ব

ইকরামউজ্জমান
অনলাইন ভার্সন
একজন ক্রীড়া অন্তপ্রাণ ব্যক্তিত্ব

ক্রীড়াঙ্গনে সুনির্দিষ্ট লক্ষ্য ও উদ্দেশ্য নিয়ে এগিয়ে এসে দেশের অন্যতম বৃহৎ করপোরেট গ্রুপ বসুন্ধরা বিভিন্ন খেলার চর্চায় সহযোগিতার হাত প্রশস্ত করার পাশাপাশি প্রত্যক্ষভাবে দেশে এবং দেশের বাইরে আন্তর্জাতিক ক্রীড়াঙ্গনেও খেলার আয়োজনে পৃষ্ঠপোষকতা করেছে, যা বেসরকারি উদ্যোগের ক্ষেত্রে কোনো করপোরেট গ্রুপ বিনিয়োগের মাধ্যমে করেনি। 

দেশে আন্তর্জাতিক মানসম্পন্ন বিভিন্ন খেলার ক্রীড়াকাঠামো (বসুন্ধরা স্পোর্টস সিটি, যার স্লোগান হলো ‘আগামী এখানে!’) নির্মাণের পাশাপাশি আধুনিক সব সুযোগ-সুবিধা সমন্বয়ে ফিফা এবং এএফসি সনদপ্রাপ্ত স্টেডিয়াম নির্মাণ করেছে। বসুন্ধরা কিংস অ্যারেনা দক্ষিণ এশিয়ার ফুটবলজগতে একমাত্র আধুনিক প্রাইভেট স্টেডিয়াম। কিংস অ্যারেনা শুধু দক্ষিণ এশিয়ার দেশগুলোর মধ্যে নয়, ইউরোপের স্বনামধন্য ক্লাবগুলোতেও আলোচনার জন্ম দিতে সক্ষম হয়েছে।

তারা বসুন্ধরা গ্রুপের ক্লাব, কিংস অ্যারেনার ফুটবল একাডেমি (বর্তমানে অনাবাসিকভাবে ফুটবলের কার্যক্রম পরিচালিত হচ্ছে) এবং বিভিন্ন সুযোগ-সুবিধার বিষয়ে আগ্রহ দেখিয়েছে। এটি বাংলাদেশের ক্রীড়াঙ্গনের জন্য গৌরবের বিষয়। দেশের ফুটবলে রূপকথার জন্ম দিয়েছে বসুন্ধরা গ্রুপ।

বসুন্ধরা কিংস ক্রীড়াঙ্গনে নতুন জীবনবোধ, মূল্যবোধ, দৃষ্টিভঙ্গিতে পরিবর্তন, ক্লাব সংস্কৃতি এবং খেলা ব্যবস্থাপনায় স্বচ্ছতা, দায়বদ্ধতা, জবাবদিহি, শৃঙ্খলা ও সুশাসনের ক্ষেত্রে অনুকরণীয় দৃষ্টান্ত স্থাপন করেছে।

ক্রীড়া সচেতনতা বৃদ্ধি এবং গণমানুষের ভালোবাসার খেলা ফুটবল উপভোগ করার জন্য মাঠে যাওয়ার উৎসাহ একসময় কমে গিয়েছিল, তাদের আবার মাঠমুখো করার উদ্যোগে সফল হয়েছে। বসুন্ধরা গ্রুপ পরিচালিত বসুন্ধরা কিংস ক্রীড়াঙ্গনে নতুন নজির সৃষ্টি করেছে। তৃতীয় নয়ন খুলে দিয়েছে। সময়ের সঙ্গে বিকশিত হওয়ার পাশাপাশি সময়ের প্রয়োজনকে সঠিকভাবে পড়তে পেরেছে বলেই মর্যাদাসীন ফুটবল আসরে প্রথমবারের মতো নেমেই একনাগাড়ে পাঁচটি মৌসুম লীগ শিরোপা জয় করে নতুন ইতিহাস সৃষ্টি করেছে।

পেরেছে ফুটবল চত্বরে প্রতিধ্বনি সৃষ্টি করতে। জন্ম দিয়েছে আস্থা ও বিশ্বাসের। ভাবা যায়, সাত বছরের পথচলায় এরই মধ্যে ১১টি শিরোপা জয়—এই রেকর্ড তো আর কোনো ক্লাবের নেই এখন পর্যন্ত। কিংস দলের পেশাদারি সংস্কৃতি পাল্টে দিয়েছে দেশের ফুটবলে রোমাঞ্চকর সব গল্প। একটি ফুটবল ক্লাব কিভাবে ঐক্য ও শৃঙ্খলা ধরে রেখে পেশাদারি মোড়কের মধ্যে থেকে অসাধারণ নৈপুণ্যের মাধ্যমে বারবার শিরোপার সিংহাসনে অধিষ্ঠিত হতে পারে, বসুন্ধরা কিংস তার উদাহরণ।
সচেতন মহল বারবার দেখছে ক্লাবের আসল শক্তির জায়গা কোথায়। ধারাবাহিকতার সঙ্গে এই ক্লাবটির নতুন নতুন খেলোয়াড় সৃষ্টির উদ্যোগ সত্যি প্রশংসনীয়।
২০১৬ সালে বসুন্ধরা এলাকায় ক্লাবটির জন্ম। ২০১৬ সালেই খেলেছে পাইওনিয়ার ফুটবল লীগ। ২০১৭ চ্যাম্পিয়নস লীগে চ্যাম্পিয়ন হয়ে ২০১৮-১৯ খেলতে নেমেছে বাংলাদেশ প্রিমিয়ার লীগে। এর পরের বর্ণিল পারফরম্যান্সের ইতিহাস ফুটবল অনুরাগীদের অজানা নয়। এলাকার ক্লাব ছয়-সাত বছরের মধ্যে জাতীয় গণ্ডি পেরিয়ে আন্তর্জাতিক পর্যায়ে মোটা দাগ টানতে সক্ষম হয়েছে। ‘ব্র্যান্ড’ হিসেবে বসুন্ধরা কিংসের প্রতি ভালোবাসা, আনুগত্য, গ্রহণযোগ্যতা বেড়েই চলেছে—স্বাভাবিকভাবে এটি অন্যদের জন্য ঈর্ষণীয়।

গত বছর (২০২৪) মে মাসে একদিন একান্তে কথা হচ্ছিল বসুন্ধরা কিংসের সভাপতি মো. ইমরুল হাসানের সঙ্গে। সেই ২০১৭ সাল থেকে ক্লাবের সভাপতি হিসেবে দায়িত্ব পালন করছেন। বলেছেন, ক্লাসের ফার্স্ব বয়ের কথা চিন্তা করুন, যে সর্বক্ষেত্রে চাইবে তার অবস্থান ধরে রাখতে। আমাদের অবস্থাও তেমন। যত দিন বসুন্ধরা কিংস থাকবে, আমাদের লক্ষ্য থাকবে সর্বোচ্চ পর্যায়ে নিজেদের নিয়ে যেতে। পাওয়ার হাউস হিসেবে চিহ্নিত হতে। সেরাদের সেরা দল হিসেবে থাকব। ক্লাবের সুযোগ-সুবিধা বিশ্বমানের নিশ্চিত করব।

বসুন্ধরা কিংসের স্লোগান হলো ‘Born to Beat’ অর্থাৎ ‘জন্ম জয়ের জন্য’। আর এই জয় শুধু মাঠের লড়াইয়ে নয়, ফুটবলের উন্নয়নে সব প্রতিবন্ধকতার বিপক্ষেও। কিংস পরাজয় মানতে রাজি নয়। কিংসের ফুটবল মানে ভালো ফুটবল এবং সময়ের চাহিদা পূরণের জয়। ফুটবল মাঠে ব্যতিক্রমী গল্পের জন্ম দেওয়া।

‘দেশ ও মানুষের কল্যাণে’ বিশ্বাসী বসুন্ধরা গ্রুপ। শুভ কাজে সবার পাশে। বসুন্ধরা গ্রুপ সামাজিক দায়বদ্ধতায় বছরের পর বছর ধরে শিক্ষা, খেলাধুলা, স্বাস্থ্যসেবা, সমাজসেবা, খাদ্য, পরিবেশ, সুবিধাবঞ্চিত নারী, দারিদ্র্য মোচন, স্বাবলম্বী করার ক্ষেত্রে ব্যাপক সহযোগিতা করে চলেছে। এই নিবন্ধে শুধু গ্রুপের স্পোর্টস কার্যক্রম এবং সব কিছুর পেছনে যে কিংবদন্তি ব্যক্তিত্ব, ক্রীড়া অন্তপ্রাণ মানবদরদি, সব ক্ষেত্রে ন্যায় ও সমতায় বিশ্বাসী আহমেদ আকবর সোবহানকে নিয়ে সংক্ষেপে আলোকপাত করব। ছাত্রজীবনে ছিলেন কৃতী হকি খেলোয়াড়। স্কুলে পড়ার সময়ে নিয়মিত খেলেছেন ১২০ বছরের পুরনো স্কুল আরমানিটোলা উচ্চ বিদ্যালয়ের হয়ে। এই স্কুলকে খেলাধুলার সূতিকাগার বলা হতো। খেলেছেন লীগে এবং টুর্নামেন্টে আজাদ স্পোর্টিং, ব্যাচেলর স্পোর্টিংসহ বিভিন্ন ক্লাবের হয়ে। যুব হকিতে খেলেছেন পূর্ব পাকিস্তান দলের হয়ে। খেলেছেন স্বাধীনতার পর জাতীয় হকি চ্যাম্পিয়নশিপে কুমিল্লা জেলার হয়ে। হকি ছাড়াও ফুটবল এবং অন্যান্য খেলার প্রতিও ছিল তাঁর আগ্রহ। ফুটবল মৌসুমে নিয়মিতভাবে প্রিয় দলের খেলা দেখেছেন স্টেডিয়ামে উপস্থিত হয়ে। ইংলিশ ফুটবল নিয়মিতভাবে অনুসরণ করেছেন সেই ছাত্রজীবন থেকে। 

খেলাধুলার প্রতি বিশেষ দুর্বলতা সব সময় তাঁর মনপ্রাণ জুড়ে আছে। শত ব্যস্ততার মধ্যে ক্রীড়াঙ্গন আর ক্রীড়াচর্চা তাঁকে এখনো ভীষণভাবে টানে। ক্রীড়া তারুণ্য বিরাজ করছে তাঁর মনজুড়ে। সেই প্রথম থেকে এখনো গভীরভাবে বিশ্বাস করেন ক্রীড়াচর্চা সুস্থ জীবনবোধের সন্ধান দিতে সক্ষম। জাতি গঠনে সুস্থ-সবল তারুণ্যের বিকল্প নেই। সমাজ ও দেশকে কখনো পরাজিত হতে দেবে না।

আহমেদ আকবর সোবহানের জন্ম ১৯৫২ সালের ১৫ ফেব্রুয়ারি ঢাকার ইসলামপুরে এক সম্ভ্রান্ত মুসলিম পরিবারে। আদিনিবাস ব্রাহ্মণবাড়িয়ার বাঞ্ছারামপুর উপজেলায়। বাবা আলহাজ আবদুস সোবহান ঢাকা হাইকোর্টের সিনিয়র আইনজীবী ছিলেন। আলহাজ আবদুস সোবহানের ছিল আরেক পরিচয়। তিনি ছিলেন অল ইন্ডিয়া সাঁতারে চ্যাম্পিয়ন। মা উম্মে কুলসুম ছিলেন গৃহিণী। দুই ভাই ও চার বোন। বড় ভাই আবদুস সাদেক কিংবদন্তি হকি ও ফুটবল খেলোয়াড়। আবদুস সাদেকের নেতৃত্বে স্বাধীনতার পর আবাহনী ক্রীড়া চক্রের প্রথম ফুটবল মাঠে পদার্পণ। আহমেদ আকবর সোবহানের রক্তের সঙ্গে মিশে আছে খেলাধুলা। খেলাধুলায় তাঁর অনুরাগ ‘জেনেটিক’। খেলাধুলা চর্চার পাশাপাশি তিনি ছিলেন মেধাবী ছাত্র। ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের ব্যবসায় শিক্ষা বিভাগ থেকে স্নাতক ডিগ্রি অর্জন করেন। তাঁর উদ্ভাবনী চিন্তাশক্তি অসাধারণ।

বসুন্ধরা গ্রুপের চেয়ারম্যান আহমেদ আকবর সোবহানের খেলাধুলার প্রতি গভীর অনুরাগ ও ভালোবাসার পরিপ্রেক্ষিতেই বসুন্ধরা গ্রুপ ক্রীড়াঙ্গনে এগিয়ে এসেছে। এ ক্ষেত্রে সম্মিলিত একটাই স্বপ্ন ক্রীড়ার মানোন্নয়নের মাধ্যমে বিশ্ব ক্রীড়াঙ্গনে বাংলাদেশের ভাবমূর্তি উজ্জ্বল করা। দেশের ফুটবলের রং পাল্টে দেওয়া। বাঙালির পুরনো ফুটবল গৌরবকে ফিরিয়ে আনা।

আহমেদ আকবর সোবহান এবং তাঁর স্ত্রী আফরোজা বেগম দম্পতির চারজন সুুযোগ্য গর্বিত সন্তান আছেন। তাঁরা হলেন সাদাত সোবহান তানভীর, সাফিয়াত সোবহান সানভীর, সায়েম সোবহান আনভীর ও সাফওয়ান সোবহান তাসভীর। প্রত্যেকেই খেলাধুলার অনুরাগী।

ক্রীড়াঙ্গনকে ঘিরে প্রচণ্ড আশাবাদী আহমেদ আকবর সোবহানের নিজস্ব ভিশন ও চিন্তা আছে। ক্রীড়াঙ্গনের ইতিহাস, ঐতিহ্য ও সংস্কৃতি সম্পর্কে তিনি পুরোপুরি ওয়াকিফহাল। দেশের ক্রীড়াঙ্গনকে ঘিরে তাঁর স্বপ্ন হলো বৈষম্যহীন—সবার ক্রীড়াঙ্গন। এ ক্ষেত্রে তাঁর চিন্তার পরিধি অনেক বড়। ২০১৯ সালে তিনি বলেছেন, ‘বাংলাদেশের খেলাধুলায় প্রয়োজনীয় পৃষ্ঠপোষকতার মাধ্যমে এ দেশের খেলোয়াড়দের বিশ্ব পর্যায়ে লড়াই করার জন্য গড়ে তোলাই বসুন্ধরা গ্রুপের লক্ষ্য।’

২০২৩ সালের ডিসেম্বর মাসে এই সজ্জন আশাবাদী ক্রীড়াপ্রেমিক বলেছেন, ‘জাতির অগ্রগতির অংশীদার হিসেবে দেশের খেলাধুলার পরিধি ও পরিসরের বৃদ্ধি এবং সম্প্রসারণে সহায়তা করতে বসুন্ধরা গ্রুপ প্রতিশ্রুতিবদ্ধ। বাংলাদেশের উন্নয়নের অগ্রযাত্রায় প্রতিটি ক্ষেত্রে আমাদের নিরলস প্রচেষ্টা অব্যাহত থাকবে।’

দূরদর্শিতা, প্রজ্ঞা এবং সময়োচিত সিদ্ধান্ত গ্রহণের ক্ষেত্রে বসুন্ধরা গ্রুপের প্রধান অভিভাবক সব সময় এগিয়ে। তরুণ ও যুব সমাজকে খেলাধুলার প্রতি আরো বেশি করে আকৃষ্ট করার জন্য, তাদের উৎসাহিত করার জন্য, তাদের বিশ্ব ক্রীড়াঙ্গনের কার্যক্রমের সঙ্গে সংযুক্ত রাখার জন্য দেশে প্রথম ক্রীড়া চ্যানেল ‘টি স্পোর্টস’ চালু করা হয়েছে, যা এরই মধ্যে দেশ এবং দেশের বাইরে ক্রীড়ামোদী মহলে গ্রহণযোগ্যতা অর্জনে সক্ষম হয়েছে। এটি দেশের ক্রীড়াঙ্গনে একটি মাইলফলক।

স্বপ্নবাজ আহমেদ আকবর সোবহানের বড় স্বপ্ন হলো ৩০০ বিঘা জমির ওপর নির্মিত আধুনিক স্পোর্টস সিটি। এমন কোনো প্রচলিত খেলা নেই, যার স্থান হয়নি এই স্পোর্টস সিটিতে। দক্ষিণ এশিয়ার আর কোনো দেশে করপোরেট গ্রুপের মালিকানায় এত বিশাল পরিধিতে বিভিন্ন খেলার জন্য কাঠামো নির্মাণের উদ্যোগ এখন পর্যন্ত কেউ নেয়নি।

বসুন্ধরা কিংস অ্যারেনায় এরই মধ্যে বিশ্বকাপ ফুটবলের প্রাথমিক পর্যায়ের খেলা, ফিফা আন্তর্জাতিক ম্যাচ, এএফসির ক্লাব টুর্নামেন্টের ম্যাচসহ বেশ কয়েকটি আন্তর্জাতিক ম্যাচ অনুষ্ঠিত হয়েছে। বাস্তবায়িত হয়েছে বসুন্ধরা গ্রুপের চেয়ারম্যান আহমেদ আকবর সোবহানের লালিত স্বপ্নের। তিনি তাঁর প্রতিশ্রুতি রক্ষা করেছেন দেশের ক্রীড়াঙ্গনের ভাবমূর্তি উজ্জ্বল করে।

মো. ইমরুল হাসান বসুন্ধরা কিংসের সভাপতি। গ্রুপের চেয়ারম্যান আহমেদ আকবর সোবহানের খেলার প্রতি গভীর ভালোবাসা ও অনুরাগের সবচেয়ে বড় সাক্ষী। অনেক দিন ক্লাবের ফুটবল নিয়ে কথা বলতে গিয়ে বলেছেন, ‘আমরা চ্যাম্পিয়নস লীগে এখন চ্যাম্পিয়ন হয়ে গেছি। পেশাদার লীগের দল গঠনের জন্য চিন্তা-ভাবনা করছি। একদিন চেয়ারম্যান স্যার জানতে চাইলেন, আমরা দল নামালে কি মানুষ খেলা দেখতে আসবে? বললাম, নতুন কিছু করতে হবে। বিশ্বকাপে খেলা ফুটবলার ও দেশের ভালো খেলোয়াড়দের নিয়ে দল গঠন করতে পারলে আবার মানুষ ফুটবল মাঠে ফিরে আসবে। চেয়ারম্যান স্যার এগিয়ে যাওয়ার সংকেত দিলেন। এর পরের ইতিহাস তো সবার সামনেই ঘটেছে। আরেকটি ঘটনা বলি, প্রিমিয়ার লীগে খেলতে নামব। একদিন ভয়ে ভয়ে গিয়ে চেয়ারম্যান স্যারের কাছে বললাম, প্র্যাকটিস মাঠের জন্য সাত-আট বিঘা জমি হলেই চলবে। তাঁর আগ্রহ ও উৎসাহে এটি হয়েছিল ৫০ বিঘা! চেয়ারম্যান স্যার খুব ভালো খেলা বোঝেন। খেলাধুলা তাঁর রক্তে মিশে আছে। কিংসের খেলা থাকলে অফিসের সব কাজকর্ম বন্ধ করে স্যার বসে যান টিভির সামনে। খেলা শেষে প্রথম যে ফোনটি আসে, সেটি তাঁর কাছ থেকে। এরপর খেলোয়াড়দের পারফরম্যান্স নিয়ে আলাপ ও নির্দেশনা দেন। কেউ কেউ হয়তো বিশ্বাস করবেন না কিংসের প্রত্যেক ফুটবলারের পারফরম্যান্স তাঁর মুখস্থ। এটিই বসুন্ধরা কিংসের এগিয়ে যাওয়ার সবচেয়ে বড় প্রেরণা।’ ক্রীড়াঙ্গনে কোনো বাস্তবধর্মী উদ্যোগ গ্রহণের ক্ষেত্রে কখনো ‘না’ শব্দটি উচ্চারণ করেননি। তিনি যে ক্রীড়াঙ্গন কার্যক্রমের মধ্যে খুঁজে পান অন্য এক ধরনের প্রশান্তি।

ক্রীড়া পৃষ্ঠপোষকতার ক্ষেত্রে আহমেদ আকবর সোবহান কালজয়ী। তিনি জীবন্ত কিংবদন্তি। আগামীকাল শনিবার ১৫ ফেব্রুয়ারি তাঁর জন্মদিন। জন্মদিনে তাঁর প্রতি ক্রীড়াপ্রেমিক ও ক্রীড়ানুরাগী মানুষের পক্ষ থেকে আমাদের বিনম্র শ্রদ্ধা ও ভালোবাসা।

লেখক : কলামিস্ট ও বিশ্লেষক। সাবেক সিনিয়র সহসভাপতি, এআইপিএস এশিয়া। আজীবন সদস্য বাংলাদেশ স্পোর্টস প্রেস অ্যাসোসিয়েশন। প্যানেল রাইটার, ফুটবল এশিয়া

এই বিভাগের আরও খবর
বিমসটেক শীর্ষ সম্মেলনে যেসব সিদ্ধান্ত গৃহীত
বিমসটেক শীর্ষ সম্মেলনে যেসব সিদ্ধান্ত গৃহীত
যুক্তরাষ্ট্রে বাংলাদেশের রফতানি আরও বাড়বে, কমবে না: প্রেস সচিব
যুক্তরাষ্ট্রে বাংলাদেশের রফতানি আরও বাড়বে, কমবে না: প্রেস সচিব
ঢাকাসহ ৭ অঞ্চলে মধ্যরাতের মধ্যে ঝড়ের আভাস
ঢাকাসহ ৭ অঞ্চলে মধ্যরাতের মধ্যে ঝড়ের আভাস
ঈদের ছুটিতে ঢাকা ছেড়েছেন ১ কোটি সিমধারী, ফিরেছেন ৪৪ লাখ
ঈদের ছুটিতে ঢাকা ছেড়েছেন ১ কোটি সিমধারী, ফিরেছেন ৪৪ লাখ
এই মেয়েরাই সামনের দিনেও আমাদের পথ দেখাবে (ভিডিও)
এই মেয়েরাই সামনের দিনেও আমাদের পথ দেখাবে (ভিডিও)
আপনার প্রতি শেখ হাসিনার অসম্মানজনক আচরণ দেখেছি : ড. ইউনূসকে বলেন মোদি
আপনার প্রতি শেখ হাসিনার অসম্মানজনক আচরণ দেখেছি : ড. ইউনূসকে বলেন মোদি
খাদ্য নিরাপত্তা নি‌য়ে কো‌নো শঙ্কা নেই : খাদ্য উপদেষ্টা
খাদ্য নিরাপত্তা নি‌য়ে কো‌নো শঙ্কা নেই : খাদ্য উপদেষ্টা
চার বিভাগে বৃষ্টি হলেও তাপপ্রবাহ থাকবে অব্যাহত
চার বিভাগে বৃষ্টি হলেও তাপপ্রবাহ থাকবে অব্যাহত
কোনো স্থানেই ময়লা পোড়ানো যাবে না : পরিবেশ উপদেষ্টা
কোনো স্থানেই ময়লা পোড়ানো যাবে না : পরিবেশ উপদেষ্টা
যুক্তরাষ্ট্রের শুল্ক ইস্যুতে জরুরি সভা ডেকেছেন প্রধান উপদেষ্টা
যুক্তরাষ্ট্রের শুল্ক ইস্যুতে জরুরি সভা ডেকেছেন প্রধান উপদেষ্টা
‘স্বতন্ত্র সচিবালয়’ প্রতিষ্ঠার দ্বারপ্রান্তে রয়েছে : প্রধান বিচারপতি
‘স্বতন্ত্র সচিবালয়’ প্রতিষ্ঠার দ্বারপ্রান্তে রয়েছে : প্রধান বিচারপতি
বাংলাদেশের মতো সাম্প্রদায়িক সম্প্রীতি কোথাও নেই: স্বরাষ্ট্র উপদেষ্টা
বাংলাদেশের মতো সাম্প্রদায়িক সম্প্রীতি কোথাও নেই: স্বরাষ্ট্র উপদেষ্টা
সর্বশেষ খবর
কু-প্রস্তাবে অসম্মতি জানানোয় বিধবাকে পিটিয়ে আহত, বসতবাড়ি ভাঙচুর
কু-প্রস্তাবে অসম্মতি জানানোয় বিধবাকে পিটিয়ে আহত, বসতবাড়ি ভাঙচুর

২৬ মিনিট আগে | দেশগ্রাম

এবার ইউক্রেনের বন্দর চাইছে পোল্যান্ড
এবার ইউক্রেনের বন্দর চাইছে পোল্যান্ড

৩৮ মিনিট আগে | পূর্ব-পশ্চিম

বিএনপি ক্ষমতার পাগল নয়, ক্ষমতা বিএনপির প্রাপ্য : ফজলুর রহমান
বিএনপি ক্ষমতার পাগল নয়, ক্ষমতা বিএনপির প্রাপ্য : ফজলুর রহমান

৩৮ মিনিট আগে | রাজনীতি

শুধু মানুষের নয়, বানরও অর্থবহ ভাষা তৈরি করতে সক্ষম : গবেষণা
শুধু মানুষের নয়, বানরও অর্থবহ ভাষা তৈরি করতে সক্ষম : গবেষণা

৪২ মিনিট আগে | পাঁচফোড়ন

শুল্ক ইস্যুতে মার্কিন প্রশাসনের সঙ্গে আলোচনা করবেন প্রধান উপদেষ্টা
শুল্ক ইস্যুতে মার্কিন প্রশাসনের সঙ্গে আলোচনা করবেন প্রধান উপদেষ্টা

৪২ মিনিট আগে | বাণিজ্য

ইসরায়েলের বিরুদ্ধে মুসলিমদের জিহাদের আহ্বান জানিয়ে ফতোয়া জারি
ইসরায়েলের বিরুদ্ধে মুসলিমদের জিহাদের আহ্বান জানিয়ে ফতোয়া জারি

৪৫ মিনিট আগে | পূর্ব-পশ্চিম

যথাসময়ে আমরা নির্বাচন আদায় করে নেব : ইশরাক
যথাসময়ে আমরা নির্বাচন আদায় করে নেব : ইশরাক

৫০ মিনিট আগে | রাজনীতি

ভারতে ওয়াকফ সংশোধনী বিল পাসে খেলাফত মজলিসের উদ্বেগ
ভারতে ওয়াকফ সংশোধনী বিল পাসে খেলাফত মজলিসের উদ্বেগ

৫৪ মিনিট আগে | রাজনীতি

‌‘দেশে ভোটের অধিকার ফিরিয়ে আনার জন্য আন্দোলন সংগ্রাম করেছি’
‌‘দেশে ভোটের অধিকার ফিরিয়ে আনার জন্য আন্দোলন সংগ্রাম করেছি’

৫৬ মিনিট আগে | রাজনীতি

শান্তি আলোচনায় সময় ফুরিয়ে আসছে, রাশিয়াকে হুঁশিয়ারি যুক্তরাষ্ট্রের
শান্তি আলোচনায় সময় ফুরিয়ে আসছে, রাশিয়াকে হুঁশিয়ারি যুক্তরাষ্ট্রের

৫৮ মিনিট আগে | পূর্ব-পশ্চিম

যুক্তরাষ্ট্র-কানাডার শিক্ষার্থীদের জন্য চ্যাটজিপিটি প্লাস ফ্রি, চলবে মে মাস পর্যন্ত
যুক্তরাষ্ট্র-কানাডার শিক্ষার্থীদের জন্য চ্যাটজিপিটি প্লাস ফ্রি, চলবে মে মাস পর্যন্ত

১ ঘণ্টা আগে | টেক ওয়ার্ল্ড

বদরগঞ্জে বিএনপির দুই গ্রুপের সংঘর্ষে নিহত ১, আহত ৪০
বদরগঞ্জে বিএনপির দুই গ্রুপের সংঘর্ষে নিহত ১, আহত ৪০

১ ঘণ্টা আগে | নগর জীবন

মাঠজুড়ে সূর্যমুখী ফুলের সমারোহ
মাঠজুড়ে সূর্যমুখী ফুলের সমারোহ

১ ঘণ্টা আগে | প্রকৃতি ও পরিবেশ

ভুরুঙ্গামারীতে কেন্দ্রীয় ছাত্রলীগ নেতা গ্রেফতার
ভুরুঙ্গামারীতে কেন্দ্রীয় ছাত্রলীগ নেতা গ্রেফতার

১ ঘণ্টা আগে | দেশগ্রাম

বাকৃবিতে উন্নত জাতের টমেটোর জাত উদ্ভাবন
বাকৃবিতে উন্নত জাতের টমেটোর জাত উদ্ভাবন

১ ঘণ্টা আগে | প্রকৃতি ও পরিবেশ

১২ এপ্রিল নিউইয়র্কে ‘মঙ্গল শোভাযাত্রা’
১২ এপ্রিল নিউইয়র্কে ‘মঙ্গল শোভাযাত্রা’

১ ঘণ্টা আগে | পরবাস

টাঙ্গাইলে জীবনের নিরাপত্তা চেয়ে সংবাদ সম্মেলন
টাঙ্গাইলে জীবনের নিরাপত্তা চেয়ে সংবাদ সম্মেলন

১ ঘণ্টা আগে | দেশগ্রাম

পাওনা টাকা চাওয়ায় হামলা, ঘটনার ৪ দিন পর যুবকের মৃত্যু
পাওনা টাকা চাওয়ায় হামলা, ঘটনার ৪ দিন পর যুবকের মৃত্যু

২ ঘণ্টা আগে | দেশগ্রাম

সিলেটে ৯ দিনে ২৮৭ নরমাল ডেলিভারি
সিলেটে ৯ দিনে ২৮৭ নরমাল ডেলিভারি

২ ঘণ্টা আগে | চায়ের দেশ

মহাকাশ থেকে পৃথিবীতে পড়েছে ১২০০ বস্তুর ধ্বংসাবশেষ
মহাকাশ থেকে পৃথিবীতে পড়েছে ১২০০ বস্তুর ধ্বংসাবশেষ

২ ঘণ্টা আগে | পাঁচফোড়ন

ধূলিঝড়ের পর রাজধানীতে স্বস্তির বৃষ্টি
ধূলিঝড়ের পর রাজধানীতে স্বস্তির বৃষ্টি

২ ঘণ্টা আগে | নগর জীবন

শরীরে একাধিক কোপ, ডোবা থেকে অজ্ঞাত যুবকের লাশ উদ্ধার
শরীরে একাধিক কোপ, ডোবা থেকে অজ্ঞাত যুবকের লাশ উদ্ধার

২ ঘণ্টা আগে | দেশগ্রাম

অক্টোবরেই অচল ২৪ কোটি কম্পিউটার, বিকল্প কী?
অক্টোবরেই অচল ২৪ কোটি কম্পিউটার, বিকল্প কী?

২ ঘণ্টা আগে | টেক ওয়ার্ল্ড

যৌন হেনস্তার অভিযোগে ‘স্কুইড গেম’ তারকার সাজা
যৌন হেনস্তার অভিযোগে ‘স্কুইড গেম’ তারকার সাজা

২ ঘণ্টা আগে | শোবিজ

চাঁদপুরে ৬৪ যানবাহনে তল্লাশি ও জরিমানা
চাঁদপুরে ৬৪ যানবাহনে তল্লাশি ও জরিমানা

২ ঘণ্টা আগে | দেশগ্রাম

বিমসটেক শীর্ষ সম্মেলনে যেসব সিদ্ধান্ত গৃহীত
বিমসটেক শীর্ষ সম্মেলনে যেসব সিদ্ধান্ত গৃহীত

২ ঘণ্টা আগে | জাতীয়

‘পার্বত্য অঞ্চলের শিক্ষাব্যবস্থাকে মানসম্মত করতে হবে’
‘পার্বত্য অঞ্চলের শিক্ষাব্যবস্থাকে মানসম্মত করতে হবে’

২ ঘণ্টা আগে | দেশগ্রাম

যুক্তরাষ্ট্রে বাংলাদেশের রফতানি আরও বাড়বে, কমবে না: প্রেস সচিব
যুক্তরাষ্ট্রে বাংলাদেশের রফতানি আরও বাড়বে, কমবে না: প্রেস সচিব

২ ঘণ্টা আগে | জাতীয়

সিআরবিতে পরিচ্ছন্নতা অভিযান
সিআরবিতে পরিচ্ছন্নতা অভিযান

২ ঘণ্টা আগে | চট্টগ্রাম প্রতিদিন

ঢাকাসহ ৭ অঞ্চলে মধ্যরাতের মধ্যে ঝড়ের আভাস
ঢাকাসহ ৭ অঞ্চলে মধ্যরাতের মধ্যে ঝড়ের আভাস

৩ ঘণ্টা আগে | জাতীয়

সর্বাধিক পঠিত
আত্মরক্ষার জন্য ইরানের সর্বোচ্চ প্রস্তুতি রয়েছে : সৌদি যুবরাজকে পেজেশকিয়ান
আত্মরক্ষার জন্য ইরানের সর্বোচ্চ প্রস্তুতি রয়েছে : সৌদি যুবরাজকে পেজেশকিয়ান

১১ ঘণ্টা আগে | পূর্ব-পশ্চিম

আপনার প্রতি শেখ হাসিনার অসম্মানজনক আচরণ দেখেছি : ড. ইউনূসকে বলেন মোদি
আপনার প্রতি শেখ হাসিনার অসম্মানজনক আচরণ দেখেছি : ড. ইউনূসকে বলেন মোদি

৬ ঘণ্টা আগে | জাতীয়

ইরানে হামলার হুমকি থেকে পিছু হটলেন ট্রাম্প, সরাসরি আলোচনার প্রস্তাব
ইরানে হামলার হুমকি থেকে পিছু হটলেন ট্রাম্প, সরাসরি আলোচনার প্রস্তাব

৬ ঘণ্টা আগে | পূর্ব-পশ্চিম

যুক্তরাষ্ট্রের শুল্ক ইস্যুতে জরুরি সভা ডেকেছেন প্রধান উপদেষ্টা
যুক্তরাষ্ট্রের শুল্ক ইস্যুতে জরুরি সভা ডেকেছেন প্রধান উপদেষ্টা

৭ ঘণ্টা আগে | জাতীয়

আওয়ামী লীগের টাকার লোভে না পড়তে দলীয় নেতাদের হুঁশিয়ারি শামা ওবায়েদের
আওয়ামী লীগের টাকার লোভে না পড়তে দলীয় নেতাদের হুঁশিয়ারি শামা ওবায়েদের

১৯ ঘণ্টা আগে | রাজনীতি

সাত দিনের মধ্যে যুক্তরাষ্ট্র ছাড়ার নির্দেশ, আতঙ্কে ইউক্রেনীয়রা
সাত দিনের মধ্যে যুক্তরাষ্ট্র ছাড়ার নির্দেশ, আতঙ্কে ইউক্রেনীয়রা

৫ ঘণ্টা আগে | পূর্ব-পশ্চিম

শরীয়তপুরে দুই গ্রুপের সংঘর্ষ, শতাধিক হাতবোমা বিস্ফোরণ
শরীয়তপুরে দুই গ্রুপের সংঘর্ষ, শতাধিক হাতবোমা বিস্ফোরণ

৯ ঘণ্টা আগে | দেশগ্রাম

বিশ্বের শক্তিশালী পাসপোর্টের তালিকায় এক ধাপ এগোল বাংলাদেশ
বিশ্বের শক্তিশালী পাসপোর্টের তালিকায় এক ধাপ এগোল বাংলাদেশ

৯ ঘণ্টা আগে | জাতীয়

ফিলিস্তিনি জনগণের প্রতি পাকিস্তান সেনা কমান্ডারদের অকুণ্ঠ সমর্থন
ফিলিস্তিনি জনগণের প্রতি পাকিস্তান সেনা কমান্ডারদের অকুণ্ঠ সমর্থন

৪ ঘণ্টা আগে | পূর্ব-পশ্চিম

হোয়াইট হাউস থেকে বরখাস্ত একাধিক শীর্ষ কর্মকর্তা, আলোচনায় লরা লুমার
হোয়াইট হাউস থেকে বরখাস্ত একাধিক শীর্ষ কর্মকর্তা, আলোচনায় লরা লুমার

১১ ঘণ্টা আগে | পূর্ব-পশ্চিম

কালশী ফ্লাইওভারে দুর্ঘটনায় নিহত দুই যুবকের পরিচয় মিলেছে
কালশী ফ্লাইওভারে দুর্ঘটনায় নিহত দুই যুবকের পরিচয় মিলেছে

৫ ঘণ্টা আগে | নগর জীবন

কালশী ফ্লাইওভারে গাড়ির সঙ্গে মোটরসাইকেলের সংঘর্ষ, দুই যুবক নিহত
কালশী ফ্লাইওভারে গাড়ির সঙ্গে মোটরসাইকেলের সংঘর্ষ, দুই যুবক নিহত

২১ ঘণ্টা আগে | নগর জীবন

নির্বাচনের কথা বলে মুখে ফেনা তুলে ফেললেই গণতন্ত্র হয় না : নুসরাত তাবাসসুম
নির্বাচনের কথা বলে মুখে ফেনা তুলে ফেললেই গণতন্ত্র হয় না : নুসরাত তাবাসসুম

৭ ঘণ্টা আগে | রাজনীতি

‘আতঙ্কে তারা ভুল করেছে’: চীনের পাল্টা শুল্ক নিয়ে ট্রাম্প
‘আতঙ্কে তারা ভুল করেছে’: চীনের পাল্টা শুল্ক নিয়ে ট্রাম্প

৮ ঘণ্টা আগে | পূর্ব-পশ্চিম

পরকীয়া প্রেমে বাধা দেওয়ায় স্বামীর পুরুষাঙ্গ কাটলো স্ত্রী
পরকীয়া প্রেমে বাধা দেওয়ায় স্বামীর পুরুষাঙ্গ কাটলো স্ত্রী

১০ ঘণ্টা আগে | দেশগ্রাম

হাসিনার এক মন্তব্যে সংকটে মাদারগঞ্জের সমবায় সমিতি
হাসিনার এক মন্তব্যে সংকটে মাদারগঞ্জের সমবায় সমিতি

২২ ঘণ্টা আগে | দেশগ্রাম

একনজরে আজকের বাংলাদেশ প্রতিদিন (৫ এপ্রিল)
একনজরে আজকের বাংলাদেশ প্রতিদিন (৫ এপ্রিল)

১৪ ঘণ্টা আগে | জাতীয়

চালের দানার চেয়েও ছোট পেসমেকার তৈরি করলেন বিজ্ঞানীরা
চালের দানার চেয়েও ছোট পেসমেকার তৈরি করলেন বিজ্ঞানীরা

১২ ঘণ্টা আগে | বিজ্ঞান

লৌহজংয়ে পাওয়া মরদেহের টুকরোগুলো সাভারের সবুজ মোল্যার
লৌহজংয়ে পাওয়া মরদেহের টুকরোগুলো সাভারের সবুজ মোল্যার

৮ ঘণ্টা আগে | দেশগ্রাম

হাতে সব প্রমাণ আছে, আইনিভাবে মোকাবিলা করবো : পরীমণি
হাতে সব প্রমাণ আছে, আইনিভাবে মোকাবিলা করবো : পরীমণি

৬ ঘণ্টা আগে | শোবিজ

৫.৬ মাত্রার ভূমিকম্পে আবার কেঁপে উঠলো মিয়ানমার
৫.৬ মাত্রার ভূমিকম্পে আবার কেঁপে উঠলো মিয়ানমার

১২ ঘণ্টা আগে | পূর্ব-পশ্চিম

প্রতিকূল পরিবেশেও খেলাপি ঋণ কমেছে
প্রতিকূল পরিবেশেও খেলাপি ঋণ কমেছে

২০ ঘণ্টা আগে | বাণিজ্য

মিয়ানমারে বাংলাদেশ সশস্ত্র বাহিনীর নেতৃত্বে উদ্ধার ও চিকিৎসা কার্যক্রম অব্যাহত
মিয়ানমারে বাংলাদেশ সশস্ত্র বাহিনীর নেতৃত্বে উদ্ধার ও চিকিৎসা কার্যক্রম অব্যাহত

২১ ঘণ্টা আগে | জাতীয়

পিঁয়াজ নিয়ে হতাশ মানিকগঞ্জের কৃষকরা
পিঁয়াজ নিয়ে হতাশ মানিকগঞ্জের কৃষকরা

৯ ঘণ্টা আগে | দেশগ্রাম

আইপিএলের প্রথমবার দেখা গেল এমন কিছু
আইপিএলের প্রথমবার দেখা গেল এমন কিছু

১৩ ঘণ্টা আগে | মাঠে ময়দানে

প্রেমা নেই, শেষ হয়ে গেল পুরো পরিবার
প্রেমা নেই, শেষ হয়ে গেল পুরো পরিবার

৮ ঘণ্টা আগে | চট্টগ্রাম প্রতিদিন

আরো বাড়ল মিয়ানমারে ভূমিকম্পে মৃতের সংখ্যা
আরো বাড়ল মিয়ানমারে ভূমিকম্পে মৃতের সংখ্যা

১০ ঘণ্টা আগে | পূর্ব-পশ্চিম

ঢাকাসহ চার বিভাগে বৃষ্টির সম্ভাবনা
ঢাকাসহ চার বিভাগে বৃষ্টির সম্ভাবনা

১০ ঘণ্টা আগে | জাতীয়

কুমিল্লায় মসজিদ কমিটির সেক্রেটারিকে হত্যার ঘটনায় গ্রেফতার ২
কুমিল্লায় মসজিদ কমিটির সেক্রেটারিকে হত্যার ঘটনায় গ্রেফতার ২

১৫ ঘণ্টা আগে | দেশগ্রাম

কোনো স্থানেই ময়লা পোড়ানো যাবে না : পরিবেশ উপদেষ্টা
কোনো স্থানেই ময়লা পোড়ানো যাবে না : পরিবেশ উপদেষ্টা

৭ ঘণ্টা আগে | জাতীয়

প্রিন্ট সর্বাধিক
সুবিধাবাদী হাইব্রিডে অতিষ্ঠ বিএনপি
সুবিধাবাদী হাইব্রিডে অতিষ্ঠ বিএনপি

প্রথম পৃষ্ঠা

মুজিব ছিলেন বেপরোয়া
মুজিব ছিলেন বেপরোয়া

প্রথম পৃষ্ঠা

চলতি বছর টাইগারদের ৬ টেস্ট
চলতি বছর টাইগারদের ৬ টেস্ট

মাঠে ময়দানে

হাসিনাকে চাইল বাংলাদেশ
হাসিনাকে চাইল বাংলাদেশ

প্রথম পৃষ্ঠা

দেশের প্রযুক্তি খাতে বিপ্লব ঘটাবে স্টারলিংক
দেশের প্রযুক্তি খাতে বিপ্লব ঘটাবে স্টারলিংক

প্রথম পৃষ্ঠা

ধুঁকছেন পেট্রাপোলের ব্যবসায়ীরাও
ধুঁকছেন পেট্রাপোলের ব্যবসায়ীরাও

পেছনের পৃষ্ঠা

আজকের ভাগ্যচক্র
আজকের ভাগ্যচক্র

আজকের রাশি

ইলিশের দামে আগুন
ইলিশের দামে আগুন

পেছনের পৃষ্ঠা

মুখোমুখি সরকার-আইএমএফ
মুখোমুখি সরকার-আইএমএফ

প্রথম পৃষ্ঠা

দীর্ঘদিন ক্ষমতা আঁকড়ে রাখার চিন্তা করলে জনগণ মেনে নেবে না
দীর্ঘদিন ক্ষমতা আঁকড়ে রাখার চিন্তা করলে জনগণ মেনে নেবে না

নগর জীবন

‘মিনি জাফলংয়ে’ স্বাস্থ্যঝুঁকি
‘মিনি জাফলংয়ে’ স্বাস্থ্যঝুঁকি

নগর জীবন

দক্ষিণ এশিয়ার ইসরায়েল ভারত
দক্ষিণ এশিয়ার ইসরায়েল ভারত

পেছনের পৃষ্ঠা

রাজশাহী বিএনপিতে ত্রিধারা
রাজশাহী বিএনপিতে ত্রিধারা

নগর জীবন

হচ্ছে বাম দলের বৃহত্তর জোট!
হচ্ছে বাম দলের বৃহত্তর জোট!

প্রথম পৃষ্ঠা

আত্রাই নদীর চরে কুমড়াবাড়ি!
আত্রাই নদীর চরে কুমড়াবাড়ি!

পেছনের পৃষ্ঠা

চট্টগ্রাম-কক্সবাজার সড়কে শঙ্কা
চট্টগ্রাম-কক্সবাজার সড়কে শঙ্কা

পেছনের পৃষ্ঠা

কবির-মুসার বিরুদ্ধে এবার জালিয়াতির অভিযোগ
কবির-মুসার বিরুদ্ধে এবার জালিয়াতির অভিযোগ

নগর জীবন

যৌথ পরিবারের গল্প
যৌথ পরিবারের গল্প

শনিবারের সকাল

নতুন জীবনের খোঁজে মাহি
নতুন জীবনের খোঁজে মাহি

শোবিজ

এবার জনগণ ভোটাধিকার ফিরে পাবে
এবার জনগণ ভোটাধিকার ফিরে পাবে

প্রথম পৃষ্ঠা

১ লাখ ৮০ হাজার রোহিঙ্গা ফেরত নেবে মিয়ানমার
১ লাখ ৮০ হাজার রোহিঙ্গা ফেরত নেবে মিয়ানমার

প্রথম পৃষ্ঠা

আমাদের সম্পর্কটা বড় ভাই-ছোট ভাইয়ের মতো
আমাদের সম্পর্কটা বড় ভাই-ছোট ভাইয়ের মতো

শোবিজ

অভিযোগে মোশাররফ করিমের জবাব
অভিযোগে মোশাররফ করিমের জবাব

শোবিজ

প্রয়োজনীয় সংস্কার শেষে দ্রুত নির্বাচন
প্রয়োজনীয় সংস্কার শেষে দ্রুত নির্বাচন

প্রথম পৃষ্ঠা

জমজমাট বিনোদন কেন্দ্রগুলো
জমজমাট বিনোদন কেন্দ্রগুলো

পেছনের পৃষ্ঠা

নিশোর মুখে শাকিববন্দনা
নিশোর মুখে শাকিববন্দনা

শোবিজ

বাছাইপর্ব টপকাতে প্রস্তুত নিগাররা
বাছাইপর্ব টপকাতে প্রস্তুত নিগাররা

মাঠে ময়দানে

প্রয়োজনীয় সংস্কার করে দ্রুত নির্বাচন দিতে হবে
প্রয়োজনীয় সংস্কার করে দ্রুত নির্বাচন দিতে হবে

প্রথম পৃষ্ঠা

চলে যাচ্ছেন ম্যানসিটির ডি ব্রুইন
চলে যাচ্ছেন ম্যানসিটির ডি ব্রুইন

মাঠে ময়দানে

কলকাতার জার্সিতে ২০০ উইকেট
কলকাতার জার্সিতে ২০০ উইকেট

মাঠে ময়দানে