শিরোনাম
প্রকাশ: ০০:০০, মঙ্গলবার, ১৮ মার্চ, ২০২৫

পিবিআইর গবেষণা

খালাস বেশি ধর্ষণ মামলার রায়ে

♦ ১০৪টির মধ্যে ৯২টিতে খালাস ♦ অধিকাংশ ক্ষেত্রে ধর্ষক ভুক্তভোগীর পূর্বপরিচিত ♦ ১০ বছরে ধর্ষণ ৫০ হাজার ৫৮৬টি
মাহবুব মমতাজী
প্রিন্ট ভার্সন
খালাস বেশি ধর্ষণ মামলার রায়ে

দেশে ধর্ষণ ও ধর্ষণ পরবর্তী হত্যার মতো ঘৃণ্য অপরাধ বেড়েই চলছে। মাগুরার শিশু আছিয়া ধর্ষণের পর মারা যাওয়ার ঘটনাটি দেশবাসীর হৃদয় নাড়া দিয়ে গেছে। শুধু মাগুরার ঘটনাটি নয়, গত ১০ বছরে সারা দেশে ৫০ হাজার ৫৮৬টি ধর্ষণের ঘটনা ঘটেছে। অধিকাংশ ক্ষেত্রেই ধর্ষণকারী ছিল ভুক্তভোগীর পূর্বপরিচিত কিংবা নিকটাত্মীয়।

ধর্ষণ বেড়ে যাওয়ার কারণ খুঁজতে গিয়ে ২০১৮ সালে রাজধানী, গাইবান্ধা, বগুড়া, রংপুর, নওগাঁ, হবিগঞ্জ, মৌলভীবাজার, ফেনী, কুমিল্লা, বরিশাল, বাগেরহাট, ঝিনাইদহ, শেরপুর, নারায়ণগঞ্জ ও টাঙ্গাইল জেলার বিভিন্ন আদালতে ১০৪টি ধর্ষণ মামলার রায় সংগ্রহ করে পুলিশ ব্যুরো অব ইনভেস্টিগেশন (পিবিআই)।

গত ফেব্রুয়ারিতে প্রকাশ হওয়া পিবিআইর গবেষণায় উঠে এসেছে যে, ওইসব মামলায় সাজা হয়েছে মাত্র ১২টির, হার ১১ দশমিক ৫৪ শতাংশ। খালাস দেওয়া হয়েছে ৯২টি মামলায়। অর্থাৎ খালাসের হার ৮৮ দশমিক ৪৬ শতাংশ।

ধর্ষণের ঘটনায় মামলা না হওয়ার কারণ হিসেবে গবেষণায় বলা হয়েছে, বিচার চাইতে গেলেই চরম লাঞ্ছনা ও বিব্রতকর পরিস্থিতিতে পড়তে হয়। রয়েছে মিডিয়ার নানা প্রশ্ন, ডাক্তারদের পরীক্ষা, পুলিশি ঝামেলা, নারীবান্ধব থানার অভাব। আবার মহিলা পুলিশ সব সময় পাওয়া যায় না, তাই বেশির ভাগ সময় থানায় ধর্ষণের শিকার ভুক্তভোগীকে পুরুষ ডিউটি অফিসারের মুখোমুখি হতে হয়, যা এই সমাজে একজন নারীর জন্য অত্যন্ত বিব্রতকর।

গবেষণায় আলোচিত ৮৪টি মামলার তথ্য বিশ্লেষণে দেখা যায়, এসব ধর্ষণের ঘটনা দিনে বেশি ঘটেছে। অধিকাংশ ক্ষেত্রেই ধর্ষণকারী ভুক্তভোগীর পূর্ব পরিচিত। অধিকাংশ ভুক্তভোগী ও আসামি অতি দরিদ্র থেকে নিম্ন মধ্যবিত্ত এবং আসামিদের শিক্ষাগত যোগ্যতা কম। ধর্ষণকারীরা ধর্ষণের ক্ষেত্রে বিয়ের প্রলোভন অথবা একা পেয়ে কিংবা শিশু ভুক্তভোগীর ক্ষেত্রে মিথ্যা প্রলোভনের আশ্রয় নিয়েছে। এক্ষেত্রে ভুক্তভোগীর সরলতার সুযোগ নেওয়া হয়। কিছু ক্ষেত্রে দেখা যায়- ধর্ষণকারী মাদকাসক্ত এবং পর্নোগ্রাফিতে আসক্ত ছিল।

ধর্ষণের পর মামলা না হওয়ার কারণগুলোর মধ্যে আছে : ভুক্তভোগী ও পরিবার হতাশাগ্রস্ত হয়ে পড়ে। লজ্জা ও ভয়ে অনেকেই আইনি লড়াই করা থেকে বিরত থাকে। নারীবান্ধব আইনি প্রক্রিয়া এবং চিকিৎসা পদ্ধতির অভাব। রাজনৈতিক প্রভাবও আইনি প্রক্রিয়াকে জটিল করে তোলে। যথাযথ সচেতনতার অভাব। আসামিপক্ষের ভয়ভীতি প্রদর্শন ও হুমকি।

গবেষণায় পিবিআই প্রায় প্রতিটি মামলার অভিযুক্তের সঙ্গে খোলামেলাভাবে কথা বলেছে। তাদের কাছ থেকে জানতে চেয়েছে- কী কারণে, কোন পরিস্থিতিতে, কী উদ্দীপকের প্রভাবে ও পরিবেশগত কী সুবিধার কারণে ধর্ষণের ঘটনাটি তারা ঘটিয়েছেন।

এখানে ধর্ষণ সংক্রান্ত মাদকসেবীদেরও বক্তব্য উঠে এসেছে। তাদের ভাষ্য, ইয়াবা আসক্ত ছেলে কিংবা মেয়ে দীর্ঘ সময় না ঘুমিয়ে থাকতে পারে। এক পর্যায়ে তাদের যৌন আকাঙ্ক্ষা বেড়ে যায়। এক্ষেত্রে তারা সুযোগ পেলেই ধর্ষণের মতো ঘটনা ঘটিয়ে ফেলে।

পিবিআই প্রধান অতিরিক্তি আইজিপি (চলতি দায়িত্ব) মো. মোস্তফা কামাল এ প্রতিবেদককে বলেন, কঠিন আইন করে শাস্তি নিশ্চিত করতে পারলে ধর্ষণের মতো অপরাধ নিয়ন্ত্রণ করা সম্ভব। কিন্তু সমাজে এটাকে নির্মূল করতে হলে সামগ্রিক বিষয় বিবেচনায় আনতে হবে। এক্ষেত্রে মূল্যবোধ ও নৈতিকতাবোধকে জাগ্রত করতে হবে। পাশাপাশি আমাদের বিবেককেও জাগ্রত করতে হবে, তাহলেই সমাজ থেকে ধর্ষণের ঘটনা সমাজ থেকে উঠে যাবে। তবে ধর্ষণের মতো সামাজিক ব্যাধি নির্মূল করতে হলে প্রকাশ্য এবং অপ্রকাশ্য অনেক বিষয়ে জানার প্রয়োজন রয়েছে। সেটি না হলে কতিপয় ক্ষেত্রে অপরাধীর সাজা হবে কিন্তু সমস্যার সমাধান হবে না।

বাংলাদেশ দণ্ডবিধি ধারার ৩৭৫ অনুযায়ী নারীর ইচ্ছার বিরুদ্ধে কিংবা সম্মতি ছাড়া, মৃত্যু বা শারীরিক আঘাতের ভয় দেখিয়ে সম্মতি দিতে বাধ্য করে, ১৬ বছরের কম বয়সি শিশু সম্মতি দিলে বা না দিলে এবং কোনো নারীকে বিয়ে না করে কোনো পুরুষ যৌন সম্পর্ক স্থাপন করে তাকে ধর্ষণ বলা হবে। নারী ও শিশু নির্যাতন দমন আইন অনুযায়ী একজন অপরাধীর সর্বোচ্চ সাজা মৃত্যুদণ্ড।

তবে বাংলাদেশ লিগ্যাল এইড অ্যান্ড সার্ভিসেস ট্রাস্ট (ব্লাস্ট) ধর্ষণ প্রতিরোধে বাংলাদেশের প্রচলিত আইনসমূহের সংশোধনের ২১ দফা সুপারিশ দিয়েছে।

পুলিশ সদর দপ্তরের তথ্যানুযায়ী, ২০১৪ থেকে ২০২৩ সাল পর্যন্ত গত ১০ বছরে ধর্ষণ মামলা পর্যালোচনা করে দেখা যায়, মোট ৫০ হাজার ৫৮৬টি ধর্ষণের ঘটনা ঘটেছে। ধর্ষণের কারণে মৃত্যু হয়েছে ৩২১ জনের। গণধর্ষণ হয়েছে ৩ হাজার ৬১১টি। ধর্ষণের চেষ্টা হয়েছে ১৯ হাজার ২৩৪টি। এসব ঘটনায় মোট আসামি ১ লাখ ১৭ হাজার ২ জন। এদের মধ্যে গ্রেপ্তার হয়েছেন ৬৭ হাজার ৩৯৭ জন। চার্জশিট হয়েছে ৬১ হাজার ৮৪০টি এবং চূড়ান্ত প্রতিবেদন আদালতে জমা দেওয়া হয়েছে ১০ হাজার ৮৮৪টির। তদন্তাধীন মামলার সংখ্যা ছিল ৯২৮টি।

এদিকে পিবিআই বলছে, তারা ২০১৬ থেকে ২০২৩ সাল পর্যন্ত ১ হাজার ৪৭টি জিআর (থানায় রেকর্ড হওয়া) মামলা তদন্ত করেছে। এসব মামলার আসামি ছিল ২ হাজার ২১৯ জন। তদন্ত শেষ করে ৫৭৫টি মামলায় ১ হাজার ছয়জনের বিরুদ্ধে চার্জশিট দেওয়া হয়েছে। আর ৪১২টি মামলায় চূড়ান্ত প্রতিবেদন দেওয়া হয়। এক্ষেত্রে পুলিশি তদন্তে মামলা প্রমাণের হার ৫৮ শতাংশ। এ ছাড়া আদালতের নির্দেশে ১০ হাজার ৫৮১টি সিআর (আদালতে দেওয়া অভিযোগ) মামলা তদন্ত করা হয়। এর মধ্যে ৫ হাজার ৪৭৪টি মামলা প্রমাণিত হয়। এক্ষেত্রেও তদন্তে প্রমাণের হার ৫৩ শতাংশ।

ধর্ষণ মামলা তদন্তে পুলিশের সীমাবদ্ধতা : অসম্পূর্ণ কিংবা অপর্যাপ্ত তথ্য সংবলিত এবং ত্রুটিপূর্ণ এজাহার। ধর্ষণের পর ভুক্তভোগীর মানসিক অবস্থা থাকে নাজুক। কোনো ক্ষেত্রে অসুস্থ বা মৃত থাকেন ভুক্তভোগী। যে কারণে সঠিকভাবে বর্ণনা পাওয়া যায় না। এজাহারে ঘটনার বিবরণের সঙ্গে ভুক্তভোগীর বক্তব্য, সাক্ষীদের সাক্ষ্য, তদন্তেপ্রাপ্ত ফলাফলের সঙ্গে সামান্য গরমিলে আসামিপক্ষ পূর্ণ সুযোগ গ্রহণ করে থাকে। আর ধর্ষণ মামলার প্রায় ক্ষেত্রেই অন্যকোনো সাক্ষী থাকে না। ভুক্তভোগী নিজেই একমাত্র সাক্ষী, যা এ ধরনের মামলা তদন্ত ও প্রমাণের ক্ষেত্রে বড় অন্তরায়।

 

এই বিভাগের আরও খবর
সাভারে চলন্ত বাসে ডাকাতি
সাভারে চলন্ত বাসে ডাকাতি
বায়তুল মোকাররম মসজিদের সামনে অতিরিক্ত পুলিশ মোতায়েন
বায়তুল মোকাররম মসজিদের সামনে অতিরিক্ত পুলিশ মোতায়েন
পরীমণির বিরুদ্ধে থানায় অভিযোগ
পরীমণির বিরুদ্ধে থানায় অভিযোগ
রাজধানীতে সাঁড়াশি অভিযানে গ্রেপ্তার ১২
রাজধানীতে সাঁড়াশি অভিযানে গ্রেপ্তার ১২
পুলিশ কনস্টেবলকে কুপিয়ে জখম
পুলিশ কনস্টেবলকে কুপিয়ে জখম
দাম বেড়েছে সবজির, কমেছে মুরগির
দাম বেড়েছে সবজির, কমেছে মুরগির
দক্ষিণ এশিয়ার ইসরায়েল ভারত
দক্ষিণ এশিয়ার ইসরায়েল ভারত
পরিবারটির আর কেউ বেঁচে থাকল না
পরিবারটির আর কেউ বেঁচে থাকল না
সরকারের ডিজিটাল তথ্যসেবার নাকাল দশা
সরকারের ডিজিটাল তথ্যসেবার নাকাল দশা
এলসি ছাড়াই হবে রপ্তানি পেমেন্ট অনলাইনে
এলসি ছাড়াই হবে রপ্তানি পেমেন্ট অনলাইনে
ইলিশের দামে আগুন
ইলিশের দামে আগুন
বিচিত্র ফুল বোতল ব্রাশ
বিচিত্র ফুল বোতল ব্রাশ
সর্বশেষ খবর
বাকৃবিতে উন্নত জাতের টমেটোর জাত উদ্ভাবন
বাকৃবিতে উন্নত জাতের টমেটোর জাত উদ্ভাবন

এই মাত্র | প্রকৃতি ও পরিবেশ

১২ এপ্রিল নিউইয়র্কে ‘মঙ্গল শোভাযাত্রা’
১২ এপ্রিল নিউইয়র্কে ‘মঙ্গল শোভাযাত্রা’

৫ মিনিট আগে | পরবাস

টাঙ্গাইলে জীবনের নিরাপত্তা চেয়ে সংবাদ সম্মেলন
টাঙ্গাইলে জীবনের নিরাপত্তা চেয়ে সংবাদ সম্মেলন

৭ মিনিট আগে | দেশগ্রাম

পাওনা টাকা চাওয়ায় হামলা, ঘটনার ৪ দিন পর যুবকের মৃত্যু
পাওনা টাকা চাওয়ায় হামলা, ঘটনার ৪ দিন পর যুবকের মৃত্যু

১৮ মিনিট আগে | দেশগ্রাম

সিলেটে ৯ দিনে ২৮৭ নরমাল ডেলিভারি
সিলেটে ৯ দিনে ২৮৭ নরমাল ডেলিভারি

৩০ মিনিট আগে | চায়ের দেশ

মহাকাশ থেকে পৃথিবীতে পড়েছে ১২০০ বস্তুর ধ্বংসাবশেষ
মহাকাশ থেকে পৃথিবীতে পড়েছে ১২০০ বস্তুর ধ্বংসাবশেষ

৩১ মিনিট আগে | পাঁচফোড়ন

ধূলিঝড়ের পর রাজধানীতে স্বস্তির বৃষ্টি
ধূলিঝড়ের পর রাজধানীতে স্বস্তির বৃষ্টি

৩৫ মিনিট আগে | নগর জীবন

শরীরে একাধিক কোপ, ডোবা থেকে অজ্ঞাত যুবকের লাশ উদ্ধার
শরীরে একাধিক কোপ, ডোবা থেকে অজ্ঞাত যুবকের লাশ উদ্ধার

৩৭ মিনিট আগে | দেশগ্রাম

অক্টোবরেই অচল ২৪ কোটি কম্পিউটার, বিকল্প কী?
অক্টোবরেই অচল ২৪ কোটি কম্পিউটার, বিকল্প কী?

৩৮ মিনিট আগে | টেক ওয়ার্ল্ড

যৌন হেনস্তার অভিযোগে ‘স্কুইড গেম’ তারকার সাজা
যৌন হেনস্তার অভিযোগে ‘স্কুইড গেম’ তারকার সাজা

৪৪ মিনিট আগে | শোবিজ

চাঁদপুরে ৬৪ যানবাহনে তল্লাশি ও জরিমানা
চাঁদপুরে ৬৪ যানবাহনে তল্লাশি ও জরিমানা

৪৯ মিনিট আগে | দেশগ্রাম

বিমসটেক শীর্ষ সম্মেলনে যেসব সিদ্ধান্ত গৃহীত
বিমসটেক শীর্ষ সম্মেলনে যেসব সিদ্ধান্ত গৃহীত

৫০ মিনিট আগে | জাতীয়

‘পার্বত্য অঞ্চলের শিক্ষাব্যবস্থাকে মানসম্মত করতে হবে’
‘পার্বত্য অঞ্চলের শিক্ষাব্যবস্থাকে মানসম্মত করতে হবে’

৫০ মিনিট আগে | দেশগ্রাম

যুক্তরাষ্ট্রে বাংলাদেশের রফতানি আরও বাড়বে, কমবে না: প্রেস সচিব
যুক্তরাষ্ট্রে বাংলাদেশের রফতানি আরও বাড়বে, কমবে না: প্রেস সচিব

৫৯ মিনিট আগে | জাতীয়

সিআরবিতে পরিচ্ছন্নতা অভিযান
সিআরবিতে পরিচ্ছন্নতা অভিযান

১ ঘণ্টা আগে | চট্টগ্রাম প্রতিদিন

ঢাকাসহ ৭ অঞ্চলে মধ্যরাতের মধ্যে ঝড়ের আভাস
ঢাকাসহ ৭ অঞ্চলে মধ্যরাতের মধ্যে ঝড়ের আভাস

১ ঘণ্টা আগে | জাতীয়

মুক্তাগাছায় মোটরসাইকেল দুর্ঘটনায় নিহত ১
মুক্তাগাছায় মোটরসাইকেল দুর্ঘটনায় নিহত ১

১ ঘণ্টা আগে | দেশগ্রাম

বরিশালে ডোবা থেকে অজ্ঞাত লাশ উদ্ধার
বরিশালে ডোবা থেকে অজ্ঞাত লাশ উদ্ধার

১ ঘণ্টা আগে | নগর জীবন

কালীগঞ্জে রেল ব্রিজের নিচ থেকে অজ্ঞাত যুবকের লাশ উদ্ধার
কালীগঞ্জে রেল ব্রিজের নিচ থেকে অজ্ঞাত যুবকের লাশ উদ্ধার

১ ঘণ্টা আগে | দেশগ্রাম

মেক্সিকোতে প্রথম এইচ৫এন১ বার্ড ফ্লু রোগী শনাক্ত
মেক্সিকোতে প্রথম এইচ৫এন১ বার্ড ফ্লু রোগী শনাক্ত

১ ঘণ্টা আগে | পূর্ব-পশ্চিম

অষ্টমী স্নানে ব্রহ্মপুত্র নদে পুণ্যার্থীদের ঢল
অষ্টমী স্নানে ব্রহ্মপুত্র নদে পুণ্যার্থীদের ঢল

১ ঘণ্টা আগে | দেশগ্রাম

ধর্ষণের শিকার জমজ দুই বোনকে আইনি সহায়তা প্রদানের দায়িত্ব নিলেন তারেক রহমান
ধর্ষণের শিকার জমজ দুই বোনকে আইনি সহায়তা প্রদানের দায়িত্ব নিলেন তারেক রহমান

১ ঘণ্টা আগে | দেশগ্রাম

ব্যবসায়ীর ফেলে যাওয়া ১৮ ভরি স্বর্ণ ‍ফিরিয়ে দিলেন অটোরিকশাচালক
ব্যবসায়ীর ফেলে যাওয়া ১৮ ভরি স্বর্ণ ‍ফিরিয়ে দিলেন অটোরিকশাচালক

১ ঘণ্টা আগে | দেশগ্রাম

৩২৯টি উপজেলায় হচ্ছে টেকনিক্যাল স্কুল অ্যান্ড কলেজ
৩২৯টি উপজেলায় হচ্ছে টেকনিক্যাল স্কুল অ্যান্ড কলেজ

১ ঘণ্টা আগে | দেশগ্রাম

ডার্ক এনার্জি স্থির নয়! বিজ্ঞানীদের সামনে নতুন ধাঁধা
ডার্ক এনার্জি স্থির নয়! বিজ্ঞানীদের সামনে নতুন ধাঁধা

১ ঘণ্টা আগে | বিজ্ঞান

ঈদের ছুটিতে ঢাকা ছেড়েছেন ১ কোটি সিমধারী, ফিরেছেন ৪৪ লাখ
ঈদের ছুটিতে ঢাকা ছেড়েছেন ১ কোটি সিমধারী, ফিরেছেন ৪৪ লাখ

২ ঘণ্টা আগে | জাতীয়

ঈদের পঞ্চম দিনেও ‘দাগি’-‘জংলি’র দাপট অব্যাহত, আয় কত?
ঈদের পঞ্চম দিনেও ‘দাগি’-‘জংলি’র দাপট অব্যাহত, আয় কত?

২ ঘণ্টা আগে | শোবিজ

পতেঙ্গায় ১ কেজি স্বর্ণালংকারসহ আটক ৫
পতেঙ্গায় ১ কেজি স্বর্ণালংকারসহ আটক ৫

২ ঘণ্টা আগে | চট্টগ্রাম প্রতিদিন

‌‌‘শিক্ষার্থীরা পাস করে চাকরির জন্য নেতাদের পেছনে ঘুরতে হবে না’
‌‌‘শিক্ষার্থীরা পাস করে চাকরির জন্য নেতাদের পেছনে ঘুরতে হবে না’

২ ঘণ্টা আগে | দেশগ্রাম

আগৈলঝাড়ায় বসুন্ধরা শুভসংঘের মাসব্যাপী মাদকবিরোধী প্রচারণা শুরু
আগৈলঝাড়ায় বসুন্ধরা শুভসংঘের মাসব্যাপী মাদকবিরোধী প্রচারণা শুরু

২ ঘণ্টা আগে | বসুন্ধরা শুভসংঘ

সর্বাধিক পঠিত
ঈদুল আজহার সম্ভাব্য তারিখ প্রকাশ
ঈদুল আজহার সম্ভাব্য তারিখ প্রকাশ

২৩ ঘণ্টা আগে | পূর্ব-পশ্চিম

আত্মরক্ষার জন্য ইরানের সর্বোচ্চ প্রস্তুতি রয়েছে : সৌদি যুবরাজকে পেজেশকিয়ান
আত্মরক্ষার জন্য ইরানের সর্বোচ্চ প্রস্তুতি রয়েছে : সৌদি যুবরাজকে পেজেশকিয়ান

৯ ঘণ্টা আগে | পূর্ব-পশ্চিম

পর্দায় নয়, এবার সত্যিই বিয়ে করলেন শামীম হাসান সরকার
পর্দায় নয়, এবার সত্যিই বিয়ে করলেন শামীম হাসান সরকার

২৩ ঘণ্টা আগে | শোবিজ

আপনার প্রতি শেখ হাসিনার অসম্মানজনক আচরণ দেখেছি : ড. ইউনূসকে বলেন মোদি
আপনার প্রতি শেখ হাসিনার অসম্মানজনক আচরণ দেখেছি : ড. ইউনূসকে বলেন মোদি

৪ ঘণ্টা আগে | জাতীয়

যুক্তরাষ্ট্রের শুল্ক ইস্যুতে জরুরি সভা ডেকেছেন প্রধান উপদেষ্টা
যুক্তরাষ্ট্রের শুল্ক ইস্যুতে জরুরি সভা ডেকেছেন প্রধান উপদেষ্টা

৫ ঘণ্টা আগে | জাতীয়

ইরানে হামলার হুমকি থেকে পিছু হটলেন ট্রাম্প, সরাসরি আলোচনার প্রস্তাব
ইরানে হামলার হুমকি থেকে পিছু হটলেন ট্রাম্প, সরাসরি আলোচনার প্রস্তাব

৪ ঘণ্টা আগে | পূর্ব-পশ্চিম

আওয়ামী লীগের টাকার লোভে না পড়তে দলীয় নেতাদের হুঁশিয়ারি শামা ওবায়েদের
আওয়ামী লীগের টাকার লোভে না পড়তে দলীয় নেতাদের হুঁশিয়ারি শামা ওবায়েদের

১৮ ঘণ্টা আগে | রাজনীতি

ঐশ্বরিয়া আমার মেয়ে নয়, কেবল ছেলের বউ : জয়া বচ্চন
ঐশ্বরিয়া আমার মেয়ে নয়, কেবল ছেলের বউ : জয়া বচ্চন

২৩ ঘণ্টা আগে | শোবিজ

৫ মিলিয়ন ডলারের ‘গোল্ড কার্ড’ ভিসা উন্মোচন করলেন ট্রাম্প
৫ মিলিয়ন ডলারের ‘গোল্ড কার্ড’ ভিসা উন্মোচন করলেন ট্রাম্প

২২ ঘণ্টা আগে | পূর্ব-পশ্চিম

শরীয়তপুরে দুই গ্রুপের সংঘর্ষ, শতাধিক হাতবোমা বিস্ফোরণ
শরীয়তপুরে দুই গ্রুপের সংঘর্ষ, শতাধিক হাতবোমা বিস্ফোরণ

৮ ঘণ্টা আগে | দেশগ্রাম

ড. ইউনূস-মোদি বৈঠক আশার আলো তৈরি করেছে: মির্জা ফখরুল
ড. ইউনূস-মোদি বৈঠক আশার আলো তৈরি করেছে: মির্জা ফখরুল

২৩ ঘণ্টা আগে | রাজনীতি

বিশ্বের শক্তিশালী পাসপোর্টের তালিকায় এক ধাপ এগোল বাংলাদেশ
বিশ্বের শক্তিশালী পাসপোর্টের তালিকায় এক ধাপ এগোল বাংলাদেশ

৭ ঘণ্টা আগে | জাতীয়

হোয়াইট হাউস থেকে বরখাস্ত একাধিক শীর্ষ কর্মকর্তা, আলোচনায় লরা লুমার
হোয়াইট হাউস থেকে বরখাস্ত একাধিক শীর্ষ কর্মকর্তা, আলোচনায় লরা লুমার

৯ ঘণ্টা আগে | পূর্ব-পশ্চিম

সাত দিনের মধ্যে যুক্তরাষ্ট্র ছাড়ার নির্দেশ, আতঙ্কে ইউক্রেনীয়রা
সাত দিনের মধ্যে যুক্তরাষ্ট্র ছাড়ার নির্দেশ, আতঙ্কে ইউক্রেনীয়রা

৩ ঘণ্টা আগে | পূর্ব-পশ্চিম

কালশী ফ্লাইওভারে গাড়ির সঙ্গে মোটরসাইকেলের সংঘর্ষ, দুই যুবক নিহত
কালশী ফ্লাইওভারে গাড়ির সঙ্গে মোটরসাইকেলের সংঘর্ষ, দুই যুবক নিহত

১৯ ঘণ্টা আগে | নগর জীবন

হাসিনার এক মন্তব্যে সংকটে মাদারগঞ্জের সমবায় সমিতি
হাসিনার এক মন্তব্যে সংকটে মাদারগঞ্জের সমবায় সমিতি

২০ ঘণ্টা আগে | দেশগ্রাম

পরকীয়া প্রেমে বাধা দেওয়ায় স্বামীর পুরুষাঙ্গ কাটলো স্ত্রী
পরকীয়া প্রেমে বাধা দেওয়ায় স্বামীর পুরুষাঙ্গ কাটলো স্ত্রী

৮ ঘণ্টা আগে | দেশগ্রাম

‘আতঙ্কে তারা ভুল করেছে’: চীনের পাল্টা শুল্ক নিয়ে ট্রাম্প
‘আতঙ্কে তারা ভুল করেছে’: চীনের পাল্টা শুল্ক নিয়ে ট্রাম্প

৬ ঘণ্টা আগে | পূর্ব-পশ্চিম

একনজরে আজকের বাংলাদেশ প্রতিদিন (৫ এপ্রিল)
একনজরে আজকের বাংলাদেশ প্রতিদিন (৫ এপ্রিল)

১২ ঘণ্টা আগে | জাতীয়

ফিলিস্তিনি জনগণের প্রতি পাকিস্তান সেনা কমান্ডারদের অকুণ্ঠ সমর্থন
ফিলিস্তিনি জনগণের প্রতি পাকিস্তান সেনা কমান্ডারদের অকুণ্ঠ সমর্থন

৩ ঘণ্টা আগে | পূর্ব-পশ্চিম

নির্বাচনের কথা বলে মুখে ফেনা তুলে ফেললেই গণতন্ত্র হয় না : নুসরাত তাবাসসুম
নির্বাচনের কথা বলে মুখে ফেনা তুলে ফেললেই গণতন্ত্র হয় না : নুসরাত তাবাসসুম

৫ ঘণ্টা আগে | রাজনীতি

চালের দানার চেয়েও ছোট পেসমেকার তৈরি করলেন বিজ্ঞানীরা
চালের দানার চেয়েও ছোট পেসমেকার তৈরি করলেন বিজ্ঞানীরা

১০ ঘণ্টা আগে | বিজ্ঞান

কালশী ফ্লাইওভারে দুর্ঘটনায় নিহত দুই যুবকের পরিচয় মিলেছে
কালশী ফ্লাইওভারে দুর্ঘটনায় নিহত দুই যুবকের পরিচয় মিলেছে

৩ ঘণ্টা আগে | নগর জীবন

৫.৬ মাত্রার ভূমিকম্পে আবার কেঁপে উঠলো মিয়ানমার
৫.৬ মাত্রার ভূমিকম্পে আবার কেঁপে উঠলো মিয়ানমার

১০ ঘণ্টা আগে | পূর্ব-পশ্চিম

মিয়ানমারে বাংলাদেশ সশস্ত্র বাহিনীর নেতৃত্বে উদ্ধার ও চিকিৎসা কার্যক্রম অব্যাহত
মিয়ানমারে বাংলাদেশ সশস্ত্র বাহিনীর নেতৃত্বে উদ্ধার ও চিকিৎসা কার্যক্রম অব্যাহত

১৯ ঘণ্টা আগে | জাতীয়

‘প্রয়োজনে জোটগতভাবে নির্বাচন করবে এনসিপি’
‘প্রয়োজনে জোটগতভাবে নির্বাচন করবে এনসিপি’

২৩ ঘণ্টা আগে | রাজনীতি

লৌহজংয়ে পাওয়া মরদেহের টুকরোগুলো সাভারের সবুজ মোল্যার
লৌহজংয়ে পাওয়া মরদেহের টুকরোগুলো সাভারের সবুজ মোল্যার

৬ ঘণ্টা আগে | দেশগ্রাম

আইপিএলের প্রথমবার দেখা গেল এমন কিছু
আইপিএলের প্রথমবার দেখা গেল এমন কিছু

১১ ঘণ্টা আগে | মাঠে ময়দানে

প্রতিকূল পরিবেশেও খেলাপি ঋণ কমেছে
প্রতিকূল পরিবেশেও খেলাপি ঋণ কমেছে

১৮ ঘণ্টা আগে | বাণিজ্য

হাতে সব প্রমাণ আছে, আইনিভাবে মোকাবিলা করবো : পরীমণি
হাতে সব প্রমাণ আছে, আইনিভাবে মোকাবিলা করবো : পরীমণি

৪ ঘণ্টা আগে | শোবিজ

প্রিন্ট সর্বাধিক
সুবিধাবাদী হাইব্রিডে অতিষ্ঠ বিএনপি
সুবিধাবাদী হাইব্রিডে অতিষ্ঠ বিএনপি

প্রথম পৃষ্ঠা

মুজিব ছিলেন বেপরোয়া
মুজিব ছিলেন বেপরোয়া

প্রথম পৃষ্ঠা

চলতি বছর টাইগারদের ৬ টেস্ট
চলতি বছর টাইগারদের ৬ টেস্ট

মাঠে ময়দানে

হাসিনাকে চাইল বাংলাদেশ
হাসিনাকে চাইল বাংলাদেশ

প্রথম পৃষ্ঠা

দেশের প্রযুক্তি খাতে বিপ্লব ঘটাবে স্টারলিংক
দেশের প্রযুক্তি খাতে বিপ্লব ঘটাবে স্টারলিংক

প্রথম পৃষ্ঠা

ধুঁকছেন পেট্রাপোলের ব্যবসায়ীরাও
ধুঁকছেন পেট্রাপোলের ব্যবসায়ীরাও

পেছনের পৃষ্ঠা

ইলিশের দামে আগুন
ইলিশের দামে আগুন

পেছনের পৃষ্ঠা

আজকের ভাগ্যচক্র
আজকের ভাগ্যচক্র

আজকের রাশি

মুখোমুখি সরকার-আইএমএফ
মুখোমুখি সরকার-আইএমএফ

প্রথম পৃষ্ঠা

দীর্ঘদিন ক্ষমতা আঁকড়ে রাখার চিন্তা করলে জনগণ মেনে নেবে না
দীর্ঘদিন ক্ষমতা আঁকড়ে রাখার চিন্তা করলে জনগণ মেনে নেবে না

নগর জীবন

‘মিনি জাফলংয়ে’ স্বাস্থ্যঝুঁকি
‘মিনি জাফলংয়ে’ স্বাস্থ্যঝুঁকি

নগর জীবন

দক্ষিণ এশিয়ার ইসরায়েল ভারত
দক্ষিণ এশিয়ার ইসরায়েল ভারত

পেছনের পৃষ্ঠা

রাজশাহী বিএনপিতে ত্রিধারা
রাজশাহী বিএনপিতে ত্রিধারা

নগর জীবন

হচ্ছে বাম দলের বৃহত্তর জোট!
হচ্ছে বাম দলের বৃহত্তর জোট!

প্রথম পৃষ্ঠা

চট্টগ্রাম-কক্সবাজার সড়কে শঙ্কা
চট্টগ্রাম-কক্সবাজার সড়কে শঙ্কা

পেছনের পৃষ্ঠা

আত্রাই নদীর চরে কুমড়াবাড়ি!
আত্রাই নদীর চরে কুমড়াবাড়ি!

পেছনের পৃষ্ঠা

কবির-মুসার বিরুদ্ধে এবার জালিয়াতির অভিযোগ
কবির-মুসার বিরুদ্ধে এবার জালিয়াতির অভিযোগ

নগর জীবন

নতুন জীবনের খোঁজে মাহি
নতুন জীবনের খোঁজে মাহি

শোবিজ

যৌথ পরিবারের গল্প
যৌথ পরিবারের গল্প

শনিবারের সকাল

এবার জনগণ ভোটাধিকার ফিরে পাবে
এবার জনগণ ভোটাধিকার ফিরে পাবে

প্রথম পৃষ্ঠা

আমাদের সম্পর্কটা বড় ভাই-ছোট ভাইয়ের মতো
আমাদের সম্পর্কটা বড় ভাই-ছোট ভাইয়ের মতো

শোবিজ

১ লাখ ৮০ হাজার রোহিঙ্গা ফেরত নেবে মিয়ানমার
১ লাখ ৮০ হাজার রোহিঙ্গা ফেরত নেবে মিয়ানমার

প্রথম পৃষ্ঠা

অভিযোগে মোশাররফ করিমের জবাব
অভিযোগে মোশাররফ করিমের জবাব

শোবিজ

জমজমাট বিনোদন কেন্দ্রগুলো
জমজমাট বিনোদন কেন্দ্রগুলো

পেছনের পৃষ্ঠা

প্রয়োজনীয় সংস্কার শেষে দ্রুত নির্বাচন
প্রয়োজনীয় সংস্কার শেষে দ্রুত নির্বাচন

প্রথম পৃষ্ঠা

নিশোর মুখে শাকিববন্দনা
নিশোর মুখে শাকিববন্দনা

শোবিজ

বাছাইপর্ব টপকাতে প্রস্তুত নিগাররা
বাছাইপর্ব টপকাতে প্রস্তুত নিগাররা

মাঠে ময়দানে

প্রয়োজনীয় সংস্কার করে দ্রুত নির্বাচন দিতে হবে
প্রয়োজনীয় সংস্কার করে দ্রুত নির্বাচন দিতে হবে

প্রথম পৃষ্ঠা

চলে যাচ্ছেন ম্যানসিটির ডি ব্রুইন
চলে যাচ্ছেন ম্যানসিটির ডি ব্রুইন

মাঠে ময়দানে

কলকাতার জার্সিতে ২০০ উইকেট
কলকাতার জার্সিতে ২০০ উইকেট

মাঠে ময়দানে