শিরোনাম
প্রকাশ: ০৮:০৪, শুক্রবার, ২৮ ফেব্রুয়ারি, ২০২৫

ভাষা, সংস্কৃতি ও ধর্মপ্রচারে মুসলিম বাণিজ্যের প্রভাব

আহমাদ আরিফুল ইসলাম
অনলাইন ভার্সন
ভাষা, সংস্কৃতি ও ধর্মপ্রচারে মুসলিম বাণিজ্যের প্রভাব

ইসলামী সভ্যতার ইতিহাসে বাণিজ্যের ভূমিকা অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ। বাণিজ্যের মাধ্যমে মুসলিম বিশ্ব একদিকে অর্থনৈতিক সমৃদ্ধি অর্জন করেছে, অন্যদিকে ইসলামের শিক্ষা, সংস্কৃতি এবং ভাষার প্রচারও করেছে। প্রাচীনকালে মুসলমান ব্যবসায়ীরা তাঁদের সততা, বিশ্বস্ততা ও ন্যায়বিচারের মাধ্যমে অমুসলিম সমাজের মনোযোগ আকর্ষণ করেছিলেন। এখানে ভাষা ও সংস্কৃতির প্রসার এবং ধর্মীয় দৃষ্টিকোণ থেকে মুসলিম বাণিজ্যের প্রভাব নিয়ে আলোচনা করা হলো—
 
বাণিজ্য ও ইসলামী সভ্যতা

ইসলামী শাসনের অধীনে বাণিজ্য ছিল অত্যন্ত সমৃদ্ধ ও ব্যাপক।


মুসলিম শাসকরা মুক্তবাজার ব্যবস্থা ও শুল্কমুক্ত বাণিজ্য অঞ্চল প্রতিষ্ঠার মাধ্যমে আন্তর্দেশীয় বাণিজ্যকে সহজতর করেছেন। মধ্যযুগে মুসলিম বণিকরা ইউরোপ, আফ্রিকা ও এশিয়ার বিভিন্ন অঞ্চলে ব্যবসা পরিচালনা করতেন। মক্কা, বাগদাদ, কায়রো, করাচি, দিল্লি এবং সমরকন্দের মতো শহরগুলো বাণিজ্য ও জ্ঞানের কেন্দ্রস্থলে পরিণত হয়েছিল।
মুসলিম ও খ্রিস্টান শাসকদের মধ্যে বহু বাণিজ্যচুক্তি স্বাক্ষরিত হয়েছিল, এমনকি ক্রুসেডের সময়ও মুসলিম ও ইউরোপীয় ব্যবসায়ীরা বাণিজ্য চালিয়ে গেছেন।

এ ধরনের অর্থনৈতিক লেনদেন উভয় পক্ষের জন্য উপকারী ছিল এবং আন্তর্জাতিক সম্পর্ক বজায় রাখতে সাহায্য করেছিল।
 

বাণিজ্যের মাধ্যমে আরবি ভাষার প্রসার

আরবি ভাষা শুধু ধর্মীয় কারণেই নয়, বাণিজ্যের কারণে আন্তর্জাতিক ভাষা হিসেবে প্রতিষ্ঠিত হয়েছিল। বিভিন্ন অঞ্চলের বণিক ও ব্যবসায়ীরা আরব ব্যবসায়ীদের সঙ্গে লেনদেন করতে গিয়ে ধীরে ধীরে আরবি ভাষা গ্রহণ করতে শুরু করেন। ফলে বহু আরবি শব্দ বিভিন্ন ভাষায় প্রবেশ করে এবং বহু জাতি স্বতঃস্ফূর্তভাবে আরবি ভাষা শিখতে আগ্রহী হয়।


মধ্যযুগীয় ভূগোলবিদ ইবন হাওকাল উল্লেখ করেন, আজারবাইজান ও আর্মেনিয়ার বেশির ভাগ মানুষের ভাষা ফারসি হলেও সেখানে আরবি ভাষার ব্যাপক ব্যবহার ছিল। তিনি আরো জানান, পাকিস্তানের মানসুরা ও মুলতানে আরবি এবং সিন্ধি ভাষার প্রচলন ছিল, যা প্রমাণ করে যে বাণিজ্যের মাধ্যমে আরবি ভাষা দক্ষিণ এশিয়ায়ও প্রভাব ফেলেছিল। (ইবন হাওকাল, সুরত আল-আর্দ)।
দক্ষিণ এশিয়ার সিন্ধু, গুজরাট ও মালাবার উপকূলে আরবি ভাষার ব্যাপক প্রভাব দেখা যায়। ১১ শতকের ভ্রমণকারী আল-বেরুনী উল্লেখ করেছেন যে ‘সিন্ধু অঞ্চলের ব্যবসায়ীরা আরবি ও সংস্কৃত ভাষায় দক্ষ ছিলেন, যাতে তাঁরা আরবদের সঙ্গে বাণিজ্য করতে পারেন।’
(আল-বেরুনী, কিতাব আল-হিন্দ)।
 
ইসলামের প্রসার ও বাণিজ্যের ভূমিকা

ইসলামের ইতিহাসে ব্যবসায়ীদের ভূমিকা অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ ছিল। মধ্যপ্রাচ্য, উত্তর আফ্রিকা, পশ্চিম আফ্রিকা, মধ্য এশিয়া ও দক্ষিণ-পূর্ব এশিয়ায় ইসলামের প্রসারে ব্যবসায়ীদের বিশেষ অবদান রয়েছে। তাঁরা শুধু ব্যবসার উদ্দেশ্যে ভ্রমণ করেননি, বরং তাঁদের নৈতিকতা, আচার-ব্যবহার এবং ব্যাবসায়িক সততার কারণে বহু মানুষ ইসলামের প্রতি আকৃষ্ট হয়েছে।

ব্রিটিশ ইতিহাসবিদ ইওন মেরডিন লুইস তাঁর গবেষণায় উল্লেখ করেছেন যে বাণিজ্যের সঙ্গে ইসলামের সম্পর্কই আফ্রিকার বহু জাতির ইসলাম গ্রহণের মূল কারণ। তিনি বলেন, পশ্চিম আফ্রিকায় বারবার ব্যবসায়ীদের বিশাল কাফেলা সাহারা মরুভূমির মধ্য দিয়ে যাতায়াত করত, যা ইসলাম প্রচারে সহায়ক হয়েছিল। একইভাবে, উত্তর-পূর্ব আফ্রিকায় সোমালি যাযাবর ব্যবসায়ীরা ইসলামের বার্তা বহন করেছিলেন।

মধ্য এশিয়ায় ইসলামের বিস্তারও মূলত ব্যবসায়ীদের মাধ্যমেই ঘটেছে। এখানে ব্যবসার পাশাপাশি সুফি সাধক ও দাঈরা ইসলামের দাওয়াত দিয়েছেন, যা বহু মানুষকে ইসলাম গ্রহণে উদ্বুদ্ধ করেছে। দক্ষিণ-পূর্ব এশিয়ায়ও ইসলাম প্রধানত ব্যবসায়ীদের মাধ্যমেই ছড়িয়েছে। ইওন মেরডিন লুইস উল্লেখ করেন যে ইন্দোনেশিয়া ও মালয়েশিয়ায় ইসলাম প্রথমে বাণিজ্যের মাধ্যমেই প্রবেশ করেছিল এবং পরে এটি রাজনৈতিকভাবে প্রতিষ্ঠিত হয়।

ইসলামের বিস্তারে ব্যবসায়ীদের ভূমিকা ছিল অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ, বিশেষ করে আফ্রিকায়। ব্রিটিশ নৃতাত্ত্বিক ইয়ান লুইস তাঁর গবেষণায় বলেছেন, ‘ইসলামের সঙ্গে বাণিজ্যের সংযোগই আফ্রিকার বহু জনগোষ্ঠীকে মুসলমান করেছে।’ পশ্চিম আফ্রিকার মালির সম্রাট মানসা মুসার সময়ে ব্যবসায়ীরা ইসলামের প্রচারে মূল ভূমিকা পালন করেন।

ইন্দোনেশিয়া, মালয়েশিয়া ও থাইল্যান্ডের দক্ষিণ অংশে ইসলামের প্রচার মূলত ব্যবসায়ীদের মাধ্যমে হয়েছিল। এই অঞ্চলগুলোর মানুষ মুসলিম ব্যবসায়ীদের ন্যায়পরায়ণতা ও সততায় মুগ্ধ হয়ে স্বেচ্ছায় ইসলাম গ্রহণ করেছিল। ১৩ শতকের আরবি ইতিহাসবিদ ইবনে খালদুন লিখেছেন, ‘ইন্দোনেশিয়ায় ইসলামের বিস্তার বাণিজ্যের মাধ্যমেই সম্ভব হয়েছিল।’ (ইবন খালদুন, মুকাদ্দিমা)

বাণিজ্যের মাধ্যমে ইসলামী সংস্কৃতির বিকাশ

জ্ঞান ও শিক্ষা প্রসার : ইসলামী সভ্যতায় ব্যবসায়ীদের একটি বড় অংশ ছিল জ্ঞানী ও সাহিত্যিক। বিখ্যাত লেখক আল-জাহিজ লিখেছেন, ‘অনেকে মনে করেন যে ব্যবসা বিদ্যার পরিপন্থী, কিন্তু ইতিহাস বলে যে ব্যবসায়ীরাই বহু জ্ঞানচর্চার কেন্দ্র তৈরি করেছেন।’ (আল-জাহিজ, রিসালাহ)। মুসলিম ব্যবসায়ীরা তাঁদের আয়ের একটি বড় অংশ মসজিদ, মাদরাসা ও গ্রন্থাগার তৈরিতে ব্যয় করতেন।

বণিকদের দান-সদকা ও জনকল্যাণমূলক কাজ : বহু মুসলিম ব্যবসায়ী জনকল্যাণমূলক কাজে যুক্ত ছিলেন। তাঁরা হাসপাতাল, পানি সরবরাহ ব্যবস্থা, সেতু ও আশ্রয়কেন্দ্র নির্মাণে সাহায্য করতেন। ১৪ শতকের ঐতিহাসিক আল-মাকরিজি উল্লেখ করেছেন যে ‘মিসরের ব্যবসায়ীরা অসহায়দের সাহায্যের জন্য প্রচুর অর্থ দান করতেন।’ (আল-মাকরিজি, খিতাত)

ইসলামী বাণিজ্যের বিস্তার ও প্রভাব : ইসলামী বাণিজ্যের বিস্তার এতটাই গভীর ছিল যে এটি শুধু মুসলিম বিশ্বকেই নয়, বরং ইউরোপীয় অর্থনীতিতেও প্রভাব ফেলেছিল। বিখ্যাত ইতিহাসবিদ উইল ডুরান্ট তাঁর বইতে উল্লেখ করেছেন, ইসলামী বাণিজ্য চীন, ভারত, পারস্য, শাম (সিরিয়া ও নিকটবর্তী এলাকা), মিসর এবং ইউরোপের বিভিন্ন অঞ্চলকে সংযুক্ত করেছিল। এর ফলে মুসলিম বণিকরা ভূমধ্যসাগরীয় অঞ্চল, স্ক্যান্ডিনেভিয়া, জার্মানি, এমনকি ফিনল্যান্ড পর্যন্ত পৌঁছে গিয়েছিলেন।

উইল ডুরান্ট আরো বলেন, ইসলামী বাণিজ্য দশম শতকে চূড়ান্ত বিকাশ লাভ করে, যখন ইউরোপ অবনতির চরম পর্যায়ে ছিল। ইসলামী সাম্রাজ্যের ব্যবসায়ীরা ইউরোপের বিভিন্ন অঞ্চলে পৌঁছে ব্যবসা করেছিলেন এবং সেখানে ইসলামী সংস্কৃতির প্রভাব ফেলেছিলেন। এ সময় ইসলামী অর্থনীতি এতটাই শক্তিশালী ছিল যে এটি ইউরোপীয় অর্থনীতিকে প্রতিদ্বন্দ্বিতা করতে বাধ্য করেছিল।

এ ছাড়া মুসলিম ব্যবসায়ীরা দাস প্রথার বিরুদ্ধে এবং দরিদ্রদের কল্যাণে কাজ করেছিলেন। তাঁরা যুদ্ধবন্দিদের মুক্ত করতে এবং অসহায়দের সহায়তা করতে অর্থ ব্যয় করতেন। তাঁদের মানবিক গুণাবলির কারণে বিভিন্ন জাতি ও সম্প্রদায়ের মধ্যে তাঁদের প্রতি আস্থা বৃদ্ধি পায়।

মুসলিম বাণিজ্য চীন, ভারত, আফ্রিকা ও ইউরোপের মধ্যে অর্থনৈতিক সংযোগ স্থাপন করে এবং মুসলিম বিশ্বে কূটনৈতিক সম্পর্ক গঠনের ক্ষেত্রেও গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা পালন করেছিল।

মুসলিম ব্যবসায়ীদের সততা ও ন্যায়পরায়ণতা বহু জাতিকে ইসলামের প্রতি আকৃষ্ট করেছিল। আফ্রিকা, এশিয়া ও ইউরোপের বিভিন্ন অঞ্চলে মুসলিম ব্যবসায়ীদের মাধ্যমে শান্তিপূর্ণভাবে ইসলাম প্রচারিত হয়েছিল।

বিডি-প্রতিদিন/সালাহ উদ্দীন

এই বিভাগের আরও খবর
জীবনজুড়ে রমজানের রেশ ধরে রাখুন
জীবনজুড়ে রমজানের রেশ ধরে রাখুন
ফতোয়া প্রদানে সতর্কতা ও আবশ্যিক শর্ত
ফতোয়া প্রদানে সতর্কতা ও আবশ্যিক শর্ত
সন্তানের দ্বিনি শিক্ষা নিশ্চিত করা আবশ্যক
সন্তানের দ্বিনি শিক্ষা নিশ্চিত করা আবশ্যক
যেসব আচরণ শিখিয়ে গেল মাহে রমজান
যেসব আচরণ শিখিয়ে গেল মাহে রমজান
শাওয়াল মাসের ছয় রোজার পুণ্য
শাওয়াল মাসের ছয় রোজার পুণ্য
একাধিক মসজিদের আজান শোনা গেলে যা করব
একাধিক মসজিদের আজান শোনা গেলে যা করব
মুমিন যেভাবে আল্লাহর প্রিয় হয়
মুমিন যেভাবে আল্লাহর প্রিয় হয়
ইসলামপূর্ব আরবের ধর্মবিশ্বাস
ইসলামপূর্ব আরবের ধর্মবিশ্বাস
রমজান-পরবর্তী সময়ে মুমিনের করণীয়
রমজান-পরবর্তী সময়ে মুমিনের করণীয়
আমানতের খেয়ানত মারাত্মক অপরাধ
আমানতের খেয়ানত মারাত্মক অপরাধ
কারাগারে বন্দিদের ঈদ আনন্দ
কারাগারে বন্দিদের ঈদ আনন্দ
রমজানের অর্জন ধরে রাখা আবশ্যক
রমজানের অর্জন ধরে রাখা আবশ্যক
সর্বশেষ খবর
বিমসটেক শীর্ষ সম্মেলনে যেসব সিদ্ধান্ত গৃহীত
বিমসটেক শীর্ষ সম্মেলনে যেসব সিদ্ধান্ত গৃহীত

১ সেকেন্ড আগে | জাতীয়

‘পার্বত্য অঞ্চলের শিক্ষাব্যবস্থাকে মানসম্মত করতে হবে’
‘পার্বত্য অঞ্চলের শিক্ষাব্যবস্থাকে মানসম্মত করতে হবে’

১ সেকেন্ড আগে | দেশগ্রাম

যুক্তরাষ্ট্রে বাংলাদেশের রফতানি আরও বাড়বে, কমবে না: প্রেস সচিব
যুক্তরাষ্ট্রে বাংলাদেশের রফতানি আরও বাড়বে, কমবে না: প্রেস সচিব

৮ মিনিট আগে | জাতীয়

সিআরবিতে পরিচ্ছন্নতা অভিযান
সিআরবিতে পরিচ্ছন্নতা অভিযান

১৬ মিনিট আগে | চট্টগ্রাম প্রতিদিন

ঢাকাসহ ৭ অঞ্চলে মধ্যরাতের মধ্যে ঝড়ের আভাস
ঢাকাসহ ৭ অঞ্চলে মধ্যরাতের মধ্যে ঝড়ের আভাস

৩৪ মিনিট আগে | জাতীয়

মুক্তাগাছায় মোটরসাইকেল দুর্ঘটনায় নিহত ১
মুক্তাগাছায় মোটরসাইকেল দুর্ঘটনায় নিহত ১

৪০ মিনিট আগে | দেশগ্রাম

বরিশালে ডোবা থেকে অজ্ঞাত লাশ উদ্ধার
বরিশালে ডোবা থেকে অজ্ঞাত লাশ উদ্ধার

৪৩ মিনিট আগে | নগর জীবন

কালীগঞ্জে রেল ব্রিজের নিচ থেকে অজ্ঞাত যুবকের লাশ উদ্ধার
কালীগঞ্জে রেল ব্রিজের নিচ থেকে অজ্ঞাত যুবকের লাশ উদ্ধার

৪৯ মিনিট আগে | দেশগ্রাম

মেক্সিকোতে প্রথম এইচ৫এন১ বার্ড ফ্লু রোগী শনাক্ত
মেক্সিকোতে প্রথম এইচ৫এন১ বার্ড ফ্লু রোগী শনাক্ত

৫০ মিনিট আগে | পূর্ব-পশ্চিম

অষ্টমী স্নানে ব্রহ্মপুত্র নদে পুণ্যার্থীদের ঢল
অষ্টমী স্নানে ব্রহ্মপুত্র নদে পুণ্যার্থীদের ঢল

৫৩ মিনিট আগে | দেশগ্রাম

ধর্ষণের শিকার জমজ দুই বোনকে আইনি সহায়তা প্রদানের দায়িত্ব নিলেন তারেক রহমান
ধর্ষণের শিকার জমজ দুই বোনকে আইনি সহায়তা প্রদানের দায়িত্ব নিলেন তারেক রহমান

৫৮ মিনিট আগে | দেশগ্রাম

ব্যবসায়ীর ফেলে যাওয়া ১৮ ভরি স্বর্ণ ‍ফিরিয়ে দিলেন অটোরিকশাচালক
ব্যবসায়ীর ফেলে যাওয়া ১৮ ভরি স্বর্ণ ‍ফিরিয়ে দিলেন অটোরিকশাচালক

৫৯ মিনিট আগে | দেশগ্রাম

৩২৯টি উপজেলায় হচ্ছে টেকনিক্যাল স্কুল অ্যান্ড কলেজ
৩২৯টি উপজেলায় হচ্ছে টেকনিক্যাল স্কুল অ্যান্ড কলেজ

১ ঘণ্টা আগে | দেশগ্রাম

ডার্ক এনার্জি স্থির নয়! বিজ্ঞানীদের সামনে নতুন ধাঁধা
ডার্ক এনার্জি স্থির নয়! বিজ্ঞানীদের সামনে নতুন ধাঁধা

১ ঘণ্টা আগে | বিজ্ঞান

ঈদের ছুটিতে ঢাকা ছেড়েছেন ১ কোটি সিমধারী, ফিরেছেন ৪৪ লাখ
ঈদের ছুটিতে ঢাকা ছেড়েছেন ১ কোটি সিমধারী, ফিরেছেন ৪৪ লাখ

১ ঘণ্টা আগে | জাতীয়

ঈদের পঞ্চম দিনেও ‘দাগি’-‘জংলি’র দাপট অব্যাহত, আয় কত?
ঈদের পঞ্চম দিনেও ‘দাগি’-‘জংলি’র দাপট অব্যাহত, আয় কত?

১ ঘণ্টা আগে | শোবিজ

পতেঙ্গায় ১ কেজি স্বর্ণালংকারসহ আটক ৫
পতেঙ্গায় ১ কেজি স্বর্ণালংকারসহ আটক ৫

১ ঘণ্টা আগে | চট্টগ্রাম প্রতিদিন

‌‌‘শিক্ষার্থীরা পাস করে চাকরির জন্য নেতাদের পেছনে ঘুরতে হবে না’
‌‌‘শিক্ষার্থীরা পাস করে চাকরির জন্য নেতাদের পেছনে ঘুরতে হবে না’

১ ঘণ্টা আগে | দেশগ্রাম

আগৈলঝাড়ায় বসুন্ধরা শুভসংঘের মাসব্যাপী মাদকবিরোধী প্রচারণা শুরু
আগৈলঝাড়ায় বসুন্ধরা শুভসংঘের মাসব্যাপী মাদকবিরোধী প্রচারণা শুরু

১ ঘণ্টা আগে | বসুন্ধরা শুভসংঘ

বিএনপি নেতার বহিষ্কারের প্রতিবাদে বিক্ষোভ
বিএনপি নেতার বহিষ্কারের প্রতিবাদে বিক্ষোভ

১ ঘণ্টা আগে | দেশগ্রাম

মেঘনা-তিতাসে অষ্টমী গঙ্গাস্নানে উপচেপড়া ভিড়
মেঘনা-তিতাসে অষ্টমী গঙ্গাস্নানে উপচেপড়া ভিড়

১ ঘণ্টা আগে | দেশগ্রাম

কসবায় যুবককে ডেকে নিয়ে হত্যার অভিযোগ
কসবায় যুবককে ডেকে নিয়ে হত্যার অভিযোগ

১ ঘণ্টা আগে | দেশগ্রাম

সিলেটে টাকা ধার না দেওয়ায় যুবক খুন
সিলেটে টাকা ধার না দেওয়ায় যুবক খুন

১ ঘণ্টা আগে | চায়ের দেশ

চট্টগ্রামে জেলেদের জালে মিলল বৃদ্ধার লাশ
চট্টগ্রামে জেলেদের জালে মিলল বৃদ্ধার লাশ

১ ঘণ্টা আগে | চট্টগ্রাম প্রতিদিন

মুন্সিগঞ্জে ধলেশ্বরী নদীর তীরে অষ্টমী স্নান উৎসব পালিত
মুন্সিগঞ্জে ধলেশ্বরী নদীর তীরে অষ্টমী স্নান উৎসব পালিত

১ ঘণ্টা আগে | দেশগ্রাম

ছাত্র আন্দোলনে হত্যা মামলায় শ্রমিক লীগ নেতা গ্রেফতার
ছাত্র আন্দোলনে হত্যা মামলায় শ্রমিক লীগ নেতা গ্রেফতার

১ ঘণ্টা আগে | নগর জীবন

লাশের গন্ধে ভারী মিয়ানমারের সাগাইংয়ের বাতাস
লাশের গন্ধে ভারী মিয়ানমারের সাগাইংয়ের বাতাস

১ ঘণ্টা আগে | পূর্ব-পশ্চিম

পাংকর আইল্যান্ড, যেখানে পাহাড় ও সমুদ্রের অসাধারণ মিতালি!
পাংকর আইল্যান্ড, যেখানে পাহাড় ও সমুদ্রের অসাধারণ মিতালি!

১ ঘণ্টা আগে | পরবাস

এই মেয়েরাই সামনের দিনেও আমাদের পথ দেখাবে (ভিডিও)
এই মেয়েরাই সামনের দিনেও আমাদের পথ দেখাবে (ভিডিও)

২ ঘণ্টা আগে | জাতীয়

চট্টগ্রামে বাসায় ঢুকে ডাকাতি, বাধা দেওয়ায় আহত ৮
চট্টগ্রামে বাসায় ঢুকে ডাকাতি, বাধা দেওয়ায় আহত ৮

২ ঘণ্টা আগে | চট্টগ্রাম প্রতিদিন

সর্বাধিক পঠিত
ঈদুল আজহার সম্ভাব্য তারিখ প্রকাশ
ঈদুল আজহার সম্ভাব্য তারিখ প্রকাশ

২২ ঘণ্টা আগে | পূর্ব-পশ্চিম

আত্মরক্ষার জন্য ইরানের সর্বোচ্চ প্রস্তুতি রয়েছে : সৌদি যুবরাজকে পেজেশকিয়ান
আত্মরক্ষার জন্য ইরানের সর্বোচ্চ প্রস্তুতি রয়েছে : সৌদি যুবরাজকে পেজেশকিয়ান

৮ ঘণ্টা আগে | পূর্ব-পশ্চিম

পর্দায় নয়, এবার সত্যিই বিয়ে করলেন শামীম হাসান সরকার
পর্দায় নয়, এবার সত্যিই বিয়ে করলেন শামীম হাসান সরকার

২২ ঘণ্টা আগে | শোবিজ

আপনার প্রতি শেখ হাসিনার অসম্মানজনক আচরণ দেখেছি : ড. ইউনূসকে বলেন মোদি
আপনার প্রতি শেখ হাসিনার অসম্মানজনক আচরণ দেখেছি : ড. ইউনূসকে বলেন মোদি

৩ ঘণ্টা আগে | জাতীয়

যুক্তরাষ্ট্রের শুল্ক ইস্যুতে জরুরি সভা ডেকেছেন প্রধান উপদেষ্টা
যুক্তরাষ্ট্রের শুল্ক ইস্যুতে জরুরি সভা ডেকেছেন প্রধান উপদেষ্টা

৪ ঘণ্টা আগে | জাতীয়

ইরানে হামলার হুমকি থেকে পিছু হটলেন ট্রাম্প, সরাসরি আলোচনার প্রস্তাব
ইরানে হামলার হুমকি থেকে পিছু হটলেন ট্রাম্প, সরাসরি আলোচনার প্রস্তাব

৪ ঘণ্টা আগে | পূর্ব-পশ্চিম

আওয়ামী লীগের টাকার লোভে না পড়তে দলীয় নেতাদের হুঁশিয়ারি শামা ওবায়েদের
আওয়ামী লীগের টাকার লোভে না পড়তে দলীয় নেতাদের হুঁশিয়ারি শামা ওবায়েদের

১৭ ঘণ্টা আগে | রাজনীতি

৫ মিলিয়ন ডলারের ‘গোল্ড কার্ড’ ভিসা উন্মোচন করলেন ট্রাম্প
৫ মিলিয়ন ডলারের ‘গোল্ড কার্ড’ ভিসা উন্মোচন করলেন ট্রাম্প

২১ ঘণ্টা আগে | পূর্ব-পশ্চিম

ঐশ্বরিয়া আমার মেয়ে নয়, কেবল ছেলের বউ : জয়া বচ্চন
ঐশ্বরিয়া আমার মেয়ে নয়, কেবল ছেলের বউ : জয়া বচ্চন

২২ ঘণ্টা আগে | শোবিজ

শরীয়তপুরে দুই গ্রুপের সংঘর্ষ, শতাধিক হাতবোমা বিস্ফোরণ
শরীয়তপুরে দুই গ্রুপের সংঘর্ষ, শতাধিক হাতবোমা বিস্ফোরণ

৭ ঘণ্টা আগে | দেশগ্রাম

ড. ইউনূস-মোদি বৈঠক আশার আলো তৈরি করেছে: মির্জা ফখরুল
ড. ইউনূস-মোদি বৈঠক আশার আলো তৈরি করেছে: মির্জা ফখরুল

২২ ঘণ্টা আগে | রাজনীতি

বিশ্বের শক্তিশালী পাসপোর্টের তালিকায় এক ধাপ এগোল বাংলাদেশ
বিশ্বের শক্তিশালী পাসপোর্টের তালিকায় এক ধাপ এগোল বাংলাদেশ

৬ ঘণ্টা আগে | জাতীয়

হোয়াইট হাউস থেকে বরখাস্ত একাধিক শীর্ষ কর্মকর্তা, আলোচনায় লরা লুমার
হোয়াইট হাউস থেকে বরখাস্ত একাধিক শীর্ষ কর্মকর্তা, আলোচনায় লরা লুমার

৮ ঘণ্টা আগে | পূর্ব-পশ্চিম

কালশী ফ্লাইওভারে গাড়ির সঙ্গে মোটরসাইকেলের সংঘর্ষ, দুই যুবক নিহত
কালশী ফ্লাইওভারে গাড়ির সঙ্গে মোটরসাইকেলের সংঘর্ষ, দুই যুবক নিহত

১৮ ঘণ্টা আগে | নগর জীবন

পরকীয়া প্রেমে বাধা দেওয়ায় স্বামীর পুরুষাঙ্গ কাটলো স্ত্রী
পরকীয়া প্রেমে বাধা দেওয়ায় স্বামীর পুরুষাঙ্গ কাটলো স্ত্রী

৭ ঘণ্টা আগে | দেশগ্রাম

হাসিনার এক মন্তব্যে সংকটে মাদারগঞ্জের সমবায় সমিতি
হাসিনার এক মন্তব্যে সংকটে মাদারগঞ্জের সমবায় সমিতি

১৯ ঘণ্টা আগে | দেশগ্রাম

সাত দিনের মধ্যে যুক্তরাষ্ট্র ছাড়ার নির্দেশ, আতঙ্কে ইউক্রেনীয়রা
সাত দিনের মধ্যে যুক্তরাষ্ট্র ছাড়ার নির্দেশ, আতঙ্কে ইউক্রেনীয়রা

২ ঘণ্টা আগে | পূর্ব-পশ্চিম

একনজরে আজকের বাংলাদেশ প্রতিদিন (৫ এপ্রিল)
একনজরে আজকের বাংলাদেশ প্রতিদিন (৫ এপ্রিল)

১১ ঘণ্টা আগে | জাতীয়

‘আতঙ্কে তারা ভুল করেছে’: চীনের পাল্টা শুল্ক নিয়ে ট্রাম্প
‘আতঙ্কে তারা ভুল করেছে’: চীনের পাল্টা শুল্ক নিয়ে ট্রাম্প

৫ ঘণ্টা আগে | পূর্ব-পশ্চিম

নির্বাচনের কথা বলে মুখে ফেনা তুলে ফেললেই গণতন্ত্র হয় না : নুসরাত তাবাসসুম
নির্বাচনের কথা বলে মুখে ফেনা তুলে ফেললেই গণতন্ত্র হয় না : নুসরাত তাবাসসুম

৪ ঘণ্টা আগে | রাজনীতি

চালের দানার চেয়েও ছোট পেসমেকার তৈরি করলেন বিজ্ঞানীরা
চালের দানার চেয়েও ছোট পেসমেকার তৈরি করলেন বিজ্ঞানীরা

৯ ঘণ্টা আগে | বিজ্ঞান

৫.৬ মাত্রার ভূমিকম্পে আবার কেঁপে উঠলো মিয়ানমার
৫.৬ মাত্রার ভূমিকম্পে আবার কেঁপে উঠলো মিয়ানমার

৯ ঘণ্টা আগে | পূর্ব-পশ্চিম

ফিলিস্তিনি জনগণের প্রতি পাকিস্তান সেনা কমান্ডারদের অকুণ্ঠ সমর্থন
ফিলিস্তিনি জনগণের প্রতি পাকিস্তান সেনা কমান্ডারদের অকুণ্ঠ সমর্থন

২ ঘণ্টা আগে | পূর্ব-পশ্চিম

মিয়ানমারে বাংলাদেশ সশস্ত্র বাহিনীর নেতৃত্বে উদ্ধার ও চিকিৎসা কার্যক্রম অব্যাহত
মিয়ানমারে বাংলাদেশ সশস্ত্র বাহিনীর নেতৃত্বে উদ্ধার ও চিকিৎসা কার্যক্রম অব্যাহত

১৮ ঘণ্টা আগে | জাতীয়

‘প্রয়োজনে জোটগতভাবে নির্বাচন করবে এনসিপি’
‘প্রয়োজনে জোটগতভাবে নির্বাচন করবে এনসিপি’

২২ ঘণ্টা আগে | রাজনীতি

আইপিএলের প্রথমবার দেখা গেল এমন কিছু
আইপিএলের প্রথমবার দেখা গেল এমন কিছু

১০ ঘণ্টা আগে | মাঠে ময়দানে

লৌহজংয়ে পাওয়া মরদেহের টুকরোগুলো সাভারের সবুজ মোল্যার
লৌহজংয়ে পাওয়া মরদেহের টুকরোগুলো সাভারের সবুজ মোল্যার

৫ ঘণ্টা আগে | দেশগ্রাম

কালশী ফ্লাইওভারে দুর্ঘটনায় নিহত দুই যুবকের পরিচয় মিলেছে
কালশী ফ্লাইওভারে দুর্ঘটনায় নিহত দুই যুবকের পরিচয় মিলেছে

২ ঘণ্টা আগে | নগর জীবন

প্রতিকূল পরিবেশেও খেলাপি ঋণ কমেছে
প্রতিকূল পরিবেশেও খেলাপি ঋণ কমেছে

১৭ ঘণ্টা আগে | বাণিজ্য

আরো বাড়ল মিয়ানমারে ভূমিকম্পে মৃতের সংখ্যা
আরো বাড়ল মিয়ানমারে ভূমিকম্পে মৃতের সংখ্যা

৮ ঘণ্টা আগে | পূর্ব-পশ্চিম

প্রিন্ট সর্বাধিক
সুবিধাবাদী হাইব্রিডে অতিষ্ঠ বিএনপি
সুবিধাবাদী হাইব্রিডে অতিষ্ঠ বিএনপি

প্রথম পৃষ্ঠা

মুজিব ছিলেন বেপরোয়া
মুজিব ছিলেন বেপরোয়া

প্রথম পৃষ্ঠা

চলতি বছর টাইগারদের ৬ টেস্ট
চলতি বছর টাইগারদের ৬ টেস্ট

মাঠে ময়দানে

হাসিনাকে চাইল বাংলাদেশ
হাসিনাকে চাইল বাংলাদেশ

প্রথম পৃষ্ঠা

দেশের প্রযুক্তি খাতে বিপ্লব ঘটাবে স্টারলিংক
দেশের প্রযুক্তি খাতে বিপ্লব ঘটাবে স্টারলিংক

প্রথম পৃষ্ঠা

ধুঁকছেন পেট্রাপোলের ব্যবসায়ীরাও
ধুঁকছেন পেট্রাপোলের ব্যবসায়ীরাও

পেছনের পৃষ্ঠা

ইলিশের দামে আগুন
ইলিশের দামে আগুন

পেছনের পৃষ্ঠা

আজকের ভাগ্যচক্র
আজকের ভাগ্যচক্র

আজকের রাশি

মুখোমুখি সরকার-আইএমএফ
মুখোমুখি সরকার-আইএমএফ

প্রথম পৃষ্ঠা

দীর্ঘদিন ক্ষমতা আঁকড়ে রাখার চিন্তা করলে জনগণ মেনে নেবে না
দীর্ঘদিন ক্ষমতা আঁকড়ে রাখার চিন্তা করলে জনগণ মেনে নেবে না

নগর জীবন

‘মিনি জাফলংয়ে’ স্বাস্থ্যঝুঁকি
‘মিনি জাফলংয়ে’ স্বাস্থ্যঝুঁকি

নগর জীবন

দক্ষিণ এশিয়ার ইসরায়েল ভারত
দক্ষিণ এশিয়ার ইসরায়েল ভারত

পেছনের পৃষ্ঠা

রাজশাহী বিএনপিতে ত্রিধারা
রাজশাহী বিএনপিতে ত্রিধারা

নগর জীবন

হচ্ছে বাম দলের বৃহত্তর জোট!
হচ্ছে বাম দলের বৃহত্তর জোট!

প্রথম পৃষ্ঠা

চট্টগ্রাম-কক্সবাজার সড়কে শঙ্কা
চট্টগ্রাম-কক্সবাজার সড়কে শঙ্কা

পেছনের পৃষ্ঠা

আত্রাই নদীর চরে কুমড়াবাড়ি!
আত্রাই নদীর চরে কুমড়াবাড়ি!

পেছনের পৃষ্ঠা

কবির-মুসার বিরুদ্ধে এবার জালিয়াতির অভিযোগ
কবির-মুসার বিরুদ্ধে এবার জালিয়াতির অভিযোগ

নগর জীবন

নতুন জীবনের খোঁজে মাহি
নতুন জীবনের খোঁজে মাহি

শোবিজ

যৌথ পরিবারের গল্প
যৌথ পরিবারের গল্প

শনিবারের সকাল

এবার জনগণ ভোটাধিকার ফিরে পাবে
এবার জনগণ ভোটাধিকার ফিরে পাবে

প্রথম পৃষ্ঠা

আমাদের সম্পর্কটা বড় ভাই-ছোট ভাইয়ের মতো
আমাদের সম্পর্কটা বড় ভাই-ছোট ভাইয়ের মতো

শোবিজ

১ লাখ ৮০ হাজার রোহিঙ্গা ফেরত নেবে মিয়ানমার
১ লাখ ৮০ হাজার রোহিঙ্গা ফেরত নেবে মিয়ানমার

প্রথম পৃষ্ঠা

অভিযোগে মোশাররফ করিমের জবাব
অভিযোগে মোশাররফ করিমের জবাব

শোবিজ

জমজমাট বিনোদন কেন্দ্রগুলো
জমজমাট বিনোদন কেন্দ্রগুলো

পেছনের পৃষ্ঠা

প্রয়োজনীয় সংস্কার শেষে দ্রুত নির্বাচন
প্রয়োজনীয় সংস্কার শেষে দ্রুত নির্বাচন

প্রথম পৃষ্ঠা

নিশোর মুখে শাকিববন্দনা
নিশোর মুখে শাকিববন্দনা

শোবিজ

বাছাইপর্ব টপকাতে প্রস্তুত নিগাররা
বাছাইপর্ব টপকাতে প্রস্তুত নিগাররা

মাঠে ময়দানে

প্রয়োজনীয় সংস্কার করে দ্রুত নির্বাচন দিতে হবে
প্রয়োজনীয় সংস্কার করে দ্রুত নির্বাচন দিতে হবে

প্রথম পৃষ্ঠা

চলে যাচ্ছেন ম্যানসিটির ডি ব্রুইন
চলে যাচ্ছেন ম্যানসিটির ডি ব্রুইন

মাঠে ময়দানে

কলকাতার জার্সিতে ২০০ উইকেট
কলকাতার জার্সিতে ২০০ উইকেট

মাঠে ময়দানে