শিরোনাম
প্রকাশ: ০০:০০, রবিবার, ০৯ ফেব্রুয়ারি, ২০২৫

বিশ্ব ক্যান্সার দিবস ও একান্ত ভাবনা

প্রিন্ট ভার্সন
বিশ্ব ক্যান্সার দিবস ও একান্ত ভাবনা

মরিয়ম বেগম (ছদ্ম নাম) ৩৫ বছরের গৃহিণী, ভালোই চলছিল সংসার। হঠাৎ পড়ে গিয়ে পায়ের হাড়ে Fracture ধরা পড়ে। পরীক্ষা শেষে দেখা যায় সে আসলে ফুসফুস ক্যান্সারের রোগী, যা সারা শরীরে ছড়িয়ে পড়েছে, সংকটাপূর্ণ অবস্থা। রোগীর মলিকুলার প্রোফাইল করে একটা টার্গেট পাওয়া গেল, সেই মতো Precision Treatment  একটি মুখের ওষুধ (TKI) শুরু হয়। মাত্র ছয় মাসের মাথায় রোগী দিব্বি সুস্থ হয়ে হাঁটছেন। এমনকি PET CT তেও কোনো মেটাবলিক অ্যাক্টিভিটি নেই।

শায়লা রহমান (ছদ্ম নাম) ২০২০ সালে স্তন ক্যান্সারে আক্রান্ত হন, চতুর্থ পর্যায়ের ক্যান্সার, কেমোথেরাপি শুরু করতে গিয়ে বিপর্যয়। রিঅ্যাকশনের জন্য কেমো দেওয়া বন্ধ হয়ে গেল, সৌভাগ্যবশত হরমোন পজিটিভ রোগী ছিলেন। হরমোন ও টার্গেট ওষুধ শুরু হলো, এ অবধি সুস্থ আছেন।

করিম সাহেব (ছদ্ম নাম) অবসরপ্রাপ্ত ব্যাংকার, হঠাৎ করে তার লিভার ক্যান্সার ধরা পড়ে, ছড়িয়ে পড়েছে। তার ছেলেমেয়েরা বিদেশে থাকেন। তারা ভালো চিকিৎসা চান। এন্টিবডি ও ইমিউনো থেরাপি সমন্বয়ে চিকিৎসা শুরু হলো। এখনো ভালো আছেন প্রায় দুই বছর, মোটামুটি স্বাভাবিক জীবনযাপন করছেন।

সোহাগ আহমেদ (ছদ্ম নাম) বয়স ২৫। থাকেন টেকনাফে, তিনি মলদ্বারের ক্যান্সারের অপারেশন করে এসেছেন, ঠিকমতো স্টেজিং হয়নি, মলিকুলার প্রোফাইলিং সম্ভব হয়নি, দুএকটি কেমোথেরাপি দেওয়ার পর থেকে তার অসুস্থতা বেড়ে গেছে। দামি টার্গেট থেরাপি দিয়ে চিকিৎসা তার পক্ষে সম্ভব হয়নি, রোগ ধরা পড়ার ছয় মাসের মধ্যে তিনি পৃথিবীর মায়া ত্যাগ করেন।

পূজা রানী (ছদ্ম নাম), ৩০ বছরের গার্মেন্ট কর্মী। ২ মেয়ে নিয়ে সুখের সংসার, হঠাৎ করে তার স্টেজ-৪ ব্রেস্ট ক্যান্সার ধরা পড়ে। মলিকুলার প্রোফাইলে তার  Her-2 পজিটিভ আসে, যার চিকিৎসা মূলত Trastuzumab নামে একটি দামি এন্টিবডি, যা তার আর্থিক সঙ্গতির মধ্যে ছিল না, প্রায় বছর দেড়েক যুদ্ধের পর রোগের সঙ্গে হার মানলেন এই নারী। 

কামাল সাহেব (ছদ্ম নাম) Vocal cord ক্যান্সারে আক্রান্ত, আর্থিক সমস্যার কারণে LINAC Machine এ রেডিওথেরাপি দেওয়া সম্ভব হয়নি, ঢাকায় আসার কথা বলা হলেও লোকবলের অভাবে যেতে পারেননি। চিকিৎসা শেষ করার ছয় মাসের মাথায় রোগ ফিরে এসেছে। এরপর বছর খানেক হলো বিভিন্ন কেমোথেরাপি নিয়ে রোগ নিয়ন্ত্রণ করা সম্ভব হয়নি। অনেক কষ্টে তিনি বেঁচে আছেন। যদি একে বেঁচে থাকা বলে? গত ৪ ফেব্রুয়ারি পালিতহল বিশ্ব ক্যান্সার দিবস। অন্যান্য দেশের মতো বাংলাদেশেও পালিত হল এ দিনটি। সারা বিশ্বে পাল্লা দিয়ে ক্যান্সার বাড়ছে, বিশেষ করে বাংলাদেশের মতো দেশগুলোতে ২০৩০ সালে ২৬ মিলিয়ন মানুষ ক্যান্সারে আক্রান্ত হবে এবং ১৭ মিলিয়ন মানুষ ক্যান্সারে মারা যেতে পারে। এমনটাই দাবি করছে পরিসংখ্যান। উন্নত দেশগুলো পাকস্থলী, লিভার ও জরায়ুর ক্যান্সার কমিয়ে এনেছে ইনফেকশন নিয়ন্ত্রণ ও ভ্যাক্সিনেশনের মাধ্যমে। পক্ষান্তরে আমাদের মতো দেশগুলোতে বায়ুদূষণ ও খাদ্যে রাসায়নিক দ্রব্যের ব্যবহারে মুটিয়ে যাওয়ার হার বৃদ্ধি পাচ্ছে। ১৯৭৫ সালে তৃতীয় বিশ্বের দেশগুলোতে বিশ্বব্যাপী ক্যান্সারের ৫০ শতাংশ সংগঠিত হয়। ২০০৭ সালে এটি ছিল ৫৫ শতাংশ, ২০৫০ সালে ৬১ শতাংশে উন্নীত হবে। ক্যান্সার প্রাদুর্ভাবের আরেকটি খারাপ দিক হলো কম বয়সে ক্যান্সার হওয়া এবং তৃতীয় বিশ্বে এর প্রবণতা বৃদ্ধি পাচ্ছে। বাংলাদেশের মহিলাদের প্রধান ক্যান্সার স্তন ক্যানসার। এতে আক্রান্তের হারের অর্ধেকের বয়স ৫০ এর নিচে। পরিসংখ্যানে দেখা যায়, এ দেশের মহিলাদের অকাল মৃত্যুর প্রধান কারণ স্তন ক্যান্সার। এ প্রবণতা রোধে গবেষণা ও সমন্বিত উদ্যোগ সময়ের দাবি।

অনেকে ক্যান্সারের সঙ্গে যুদ্ধে হেরে গিয়ে অপরিসীম ব্যথায় দিনাতিপাত করছেন। এদেরও ব্যথা কমানোর চিকিৎসা প্রয়োজন। কিন্তু মরফিনের  মতো ওষুধ সহজলভ্য নয়, এক হিসেবে দেখা যায়, সারা বিশ্বে উৎপাদিত মরফিন জাতীয় ওষুধের ৮০ শতাংশ ব্যবহৃত হয় উন্নত বিশ্বে। এ ছাড়া বিশ্বের অন্যান্য অঞ্চলে এই ওষুধের সংকট প্রবল। ক্যান্সার চিকিৎসার পাশাপাশি পেলিয়েটিভ চিকিৎসা অত্যন্ত জরুরি। বিশেষ করে যেসব রোগী জীবনের শেষ পর্যায়ে এসে খুব কষ্টের সঙ্গে দিন যাপন করছেন।

আমাদের দেশের ক্যান্সারের চিকিৎসা ধীরে ধীরে আন্তর্জাতিক মানে পৌঁছানোর চেষ্টা চলছে। সঠিক সময়ে নির্ভুলভাবে রোগ নির্ণয় এখনো একটি বড় চ্যালেঞ্জ। মলিকুলার প্রোফাইলিং এবং PET CT-এর মতো পরীক্ষা সহজলভ্য নয়। আধুনিক রেডিওথেরাপি চিকিৎসা প্রয়োজনের তুলনায় অনেক কম এবং ব্যয়বহুল। টার্গেটেড চিকিৎসা, যেমন ইমিউনোথেরাপি ক্যান্সার চিকিৎসায় একটি যুগান্তকারী আবিষ্কার, আমাদের দেশেও এখন এটি পাওয়া যাচ্ছে। কিন্তু এর চিকিৎসা ব্যয় সাধারণ মানুষের নাগালের বাইরে। গবেষণায় দেখা যায়, বাংলাদেশের প্রতিটি ক্যান্সার রোগীর চিকিৎসা ব্যয় গড়ে পাঁচ লাখ টাকা। টার্গেটেড চিকিৎসা নিলে এটি বহুগুণে বৃদ্ধি পায়। ২০২৫-২০২৭ সাল পর্যন্ত বিশ্ব ক্যান্সার দিবসের উদ্দেশ্য প্রতিটি ক্যান্সার রোগীর পেছনের গল্পকে অনন্যতাকে মান্যতা দেওয়া। রোগ নির্ণয় থেকে শুরু করে চিকিৎসা যেন আশা-আকাক্সক্ষা, হতাশা- ক্ষোভ, আক্ষেপ-বিলাপ, শোক ও শক্তির সম্মিলন। ক্যান্সারের বিরুদ্ধে লড়াইয়ে ঐক্যবদ্ধ প্রচেষ্টার মাধ্যমে ফলাফল অনুকূলে আনা সম্ভব।

আমাদের দেশে আগামী ২০-২৫ বছর মেয়াদি একটি ক্যান্সার ম্যাপ তৈরি করে রোগের প্রাদুর্ভাব ভিত্তিক অঞ্চল আমরা চিহ্নিত করতে পারি এবং সেই অনুযায়ী চিকিৎসা সেবাকে বিকেন্দ্রীকরণ ও প্রতিরোধমূলক কর্মসূচি গ্রহণ করতে পারি। তাহলে ক্যান্সার রোগ নিয়ন্ত্রণ করা সহজ হবে। সমন্বিত উদ্দ্যেগে সরকারি ও বেসরকারি এবং অন্যান্য সবার সহযোগিতার মাধ্যমে প্রান্তিক জনগোষ্ঠীর ক্যান্সার চিকিৎসা সুনিশ্চিত করা, গবেষণায় বিনিয়োগ করা এবং প্রতিরোধমূলক কর্মসূচি বেগবান করাই হওয়া উচিত আমাদের ক্যান্সার চিকিৎসার মূল্য উদ্দেশ্য If a cancer treatment is not affordable and available to everyone then it may not bring desirable success"

ক্যানসার চিকিৎসার সাফল্য নির্ভর করে দ্রুত শনাক্তকরণ, সঠিক সময়ে সঠিক চিকিৎসা। ১৯০০ সালে কোনো একজন ক্যানসার রোগীর জন্য পাঁচ বছর বেঁচে থাকার সম্ভাবনা ছিল ৫ শতাংশ, ২০২৪ সালে এটি প্রায় ৭০ শতাংশ, কোনো কোনো ক্ষেত্রে ১০০ শতাংশ। এমনকি চতুর্থ পর্যায়ের ক্যানসার এখন আধুনিক চিকিৎসা যেমন ইমিউনোথেরাপি, কার্টিসেল থেরাপির মাধ্যমে অনেকাংশে নিয়ন্ত্রণ করা সম্ভব কিন্তু এ ধরনের চিকিৎসা ব্যবস্থা  সাধারণ মানুষের নাগালের বাইরে অনেকটা। আমরা বিশ্বাস করি, এ জাতির অমিত সম্ভাবনা রয়েছে, যে কোনো দুর্যোগের মতো ক্যানসারের সুনামিও আমরা সামাল দিতে পারব সমন্বিত প্রয়াসের মাধ্যমে। এ জন্য প্রয়োজন ঐক্যবদ্ধ প্রয়াস, মানবসম্পদ উন্নয়ন, আধুনিক চিকিৎসা ব্যবস্থার খরচ সহনশীল পর্যয়ে আনার উদ্যোগ এবং যথাযথ প্রতিরোধ কর্মসূচি। এছাড়া এটাও মনে রাখতে হবে এসবক্ষেত্রে প্রতিকার নয় প্রতিরোধ সর্বদা উত্তম।

-ডা. আলী আসগর চৌধুরী

সহযোগী অধ্যাপক, ক্লিনিক্যাল অনকোলজিস্ট, চট্টগ্রাম মেডিকেল কলেজ হাসপাতাল

এই বিভাগের আরও খবর
হিককাপ অব মাইন্ড কী
হিককাপ অব মাইন্ড কী
অতিরিক্ত গরম ও হিটস্ট্রোক
অতিরিক্ত গরম ও হিটস্ট্রোক
অস্টিওপোরোসিস কী ধরনের রোগ
অস্টিওপোরোসিস কী ধরনের রোগ
ঈদ-পরবর্তী স্বাস্থ্য পরিচর্যা
ঈদ-পরবর্তী স্বাস্থ্য পরিচর্যা
ব্রোকেন হার্ট সিনড্রোম ভগ্ন হৃদয়ের কথা
ব্রোকেন হার্ট সিনড্রোম ভগ্ন হৃদয়ের কথা
ব্যথা নিজে কোনো রোগ নয়, এটি অসুখের লক্ষণ
ব্যথা নিজে কোনো রোগ নয়, এটি অসুখের লক্ষণ
কিডনি রোগীর পুষ্টিতথ্য
কিডনি রোগীর পুষ্টিতথ্য
অটিজমের কিছুকারণ
অটিজমের কিছুকারণ
সোরিয়াসিসের উপসর্গ
সোরিয়াসিসের উপসর্গ
বয়স্কদের সুষম খাদ্য নিয়ে কিছু কথা...
বয়স্কদের সুষম খাদ্য নিয়ে কিছু কথা...
ঈদের খাবার ও স্বাস্থ্যসচেতনতা
ঈদের খাবার ও স্বাস্থ্যসচেতনতা
ঈদের দিনের খাওয়াদাওয়া
ঈদের দিনের খাওয়াদাওয়া
সর্বশেষ খবর
সিরাজগঞ্জে ট্রাক-অটোভ্যান সংঘর্ষে শিশুসহ নিহত ২
সিরাজগঞ্জে ট্রাক-অটোভ্যান সংঘর্ষে শিশুসহ নিহত ২

৮ মিনিট আগে | দেশগ্রাম

ইউনূস-মোদি বৈঠক বাংলাদেশের জন্য ইতিবাচক : গোলাম পরওয়ার
ইউনূস-মোদি বৈঠক বাংলাদেশের জন্য ইতিবাচক : গোলাম পরওয়ার

১২ মিনিট আগে | রাজনীতি

গাজীপুরে ভ্রাম্যমাণ আদালতের অভিযান, জরিমানা
গাজীপুরে ভ্রাম্যমাণ আদালতের অভিযান, জরিমানা

২২ মিনিট আগে | দেশগ্রাম

গাইবান্ধায় হস্তশিল্প মেলার নামে চলছে জুয়া ও অশ্লীল নাচ
গাইবান্ধায় হস্তশিল্প মেলার নামে চলছে জুয়া ও অশ্লীল নাচ

২৮ মিনিট আগে | দেশগ্রাম

নৌকাডুবিতে স্বামীসহ প্রাণ হারালেন ইবি শিক্ষার্থী
নৌকাডুবিতে স্বামীসহ প্রাণ হারালেন ইবি শিক্ষার্থী

৩৬ মিনিট আগে | দেশগ্রাম

নেতাকর্মীদের সতর্ক করলো সিলেট বিএনপি
নেতাকর্মীদের সতর্ক করলো সিলেট বিএনপি

৪১ মিনিট আগে | চায়ের দেশ

গণহত্যার দায়ে আওয়ামী লীগকে বিচারের আওতায় আনা হোক : সালাউদ্দিন আহমেদ
গণহত্যার দায়ে আওয়ামী লীগকে বিচারের আওতায় আনা হোক : সালাউদ্দিন আহমেদ

১ ঘণ্টা আগে | রাজনীতি

মার্কিন শুল্কারোপ নিয়ে আতঙ্কিত হওয়ার কিছু নেই : খলিলুর রহমান
মার্কিন শুল্কারোপ নিয়ে আতঙ্কিত হওয়ার কিছু নেই : খলিলুর রহমান

১ ঘণ্টা আগে | জাতীয়

পাঞ্জাবকে বড় ব্যবধানে হারালো রাজস্থান
পাঞ্জাবকে বড় ব্যবধানে হারালো রাজস্থান

১ ঘণ্টা আগে | মাঠে ময়দানে

চেন্নাইকে হারিয়ে পয়েন্ট টেবিলের শীর্ষে দিল্লি
চেন্নাইকে হারিয়ে পয়েন্ট টেবিলের শীর্ষে দিল্লি

১ ঘণ্টা আগে | মাঠে ময়দানে

চট্টগ্রামে ছুরিকাঘাতে পোশাক শ্রমিকের মৃত্যু
চট্টগ্রামে ছুরিকাঘাতে পোশাক শ্রমিকের মৃত্যু

২ ঘণ্টা আগে | চট্টগ্রাম প্রতিদিন

ব্রহ্মপুত্র নদে অষ্টমীর স্নান উৎসবে লাখো পুণ্যার্থীর ঢল
ব্রহ্মপুত্র নদে অষ্টমীর স্নান উৎসবে লাখো পুণ্যার্থীর ঢল

২ ঘণ্টা আগে | দেশগ্রাম

মিডিয়া সংস্কারে কার স্বার্থে একচোখা সুপারিশ
মিডিয়া সংস্কারে কার স্বার্থে একচোখা সুপারিশ

৩ ঘণ্টা আগে | মুক্তমঞ্চ

গাজীপুরে ট্রাকের ধাক্কায় দুই মোটরসাইকেল আরোহী নিহত
গাজীপুরে ট্রাকের ধাক্কায় দুই মোটরসাইকেল আরোহী নিহত

৩ ঘণ্টা আগে | নগর জীবন

শাহবাগে ফুলের দোকানের আগুন নিয়ন্ত্রণে
শাহবাগে ফুলের দোকানের আগুন নিয়ন্ত্রণে

৪ ঘণ্টা আগে | নগর জীবন

শাহবাগে ফুলের দোকানে আগুন
শাহবাগে ফুলের দোকানে আগুন

৪ ঘণ্টা আগে | নগর জীবন

রাশিয়া-ইউক্রেন যুদ্ধে নিহত ইয়াসিনের পরিবারের পাশে তারেক রহমান
রাশিয়া-ইউক্রেন যুদ্ধে নিহত ইয়াসিনের পরিবারের পাশে তারেক রহমান

৫ ঘণ্টা আগে | রাজনীতি

কু-প্রস্তাবে অসম্মতি জানানোয় বিধবাকে পিটিয়ে আহত, বসতবাড়ি ভাঙচুর
কু-প্রস্তাবে অসম্মতি জানানোয় বিধবাকে পিটিয়ে আহত, বসতবাড়ি ভাঙচুর

৬ ঘণ্টা আগে | দেশগ্রাম

এবার ইউক্রেনের বন্দর চাইছে পোল্যান্ড
এবার ইউক্রেনের বন্দর চাইছে পোল্যান্ড

৬ ঘণ্টা আগে | পূর্ব-পশ্চিম

বিএনপি ক্ষমতার পাগল নয়, ক্ষমতা বিএনপির প্রাপ্য : ফজলুর রহমান
বিএনপি ক্ষমতার পাগল নয়, ক্ষমতা বিএনপির প্রাপ্য : ফজলুর রহমান

৬ ঘণ্টা আগে | রাজনীতি

শুধু মানুষের নয়, বানরও অর্থবহ ভাষা তৈরি করতে সক্ষম : গবেষণা
শুধু মানুষের নয়, বানরও অর্থবহ ভাষা তৈরি করতে সক্ষম : গবেষণা

৬ ঘণ্টা আগে | পাঁচফোড়ন

শুল্ক ইস্যুতে মার্কিন প্রশাসনের সঙ্গে আলোচনা করবেন প্রধান উপদেষ্টা
শুল্ক ইস্যুতে মার্কিন প্রশাসনের সঙ্গে আলোচনা করবেন প্রধান উপদেষ্টা

৬ ঘণ্টা আগে | বাণিজ্য

ইসরায়েলের বিরুদ্ধে মুসলিমদের জিহাদের আহ্বান জানিয়ে ফতোয়া জারি
ইসরায়েলের বিরুদ্ধে মুসলিমদের জিহাদের আহ্বান জানিয়ে ফতোয়া জারি

৬ ঘণ্টা আগে | পূর্ব-পশ্চিম

যথাসময়ে আমরা নির্বাচন আদায় করে নেব : ইশরাক
যথাসময়ে আমরা নির্বাচন আদায় করে নেব : ইশরাক

৬ ঘণ্টা আগে | রাজনীতি

ভারতে ওয়াকফ সংশোধনী বিল পাসে খেলাফত মজলিসের উদ্বেগ
ভারতে ওয়াকফ সংশোধনী বিল পাসে খেলাফত মজলিসের উদ্বেগ

৬ ঘণ্টা আগে | রাজনীতি

‌‘দেশে ভোটের অধিকার ফিরিয়ে আনার জন্য আন্দোলন সংগ্রাম করেছি’
‌‘দেশে ভোটের অধিকার ফিরিয়ে আনার জন্য আন্দোলন সংগ্রাম করেছি’

৬ ঘণ্টা আগে | রাজনীতি

শান্তি আলোচনায় সময় ফুরিয়ে আসছে, রাশিয়াকে হুঁশিয়ারি যুক্তরাষ্ট্রের
শান্তি আলোচনায় সময় ফুরিয়ে আসছে, রাশিয়াকে হুঁশিয়ারি যুক্তরাষ্ট্রের

৬ ঘণ্টা আগে | পূর্ব-পশ্চিম

যুক্তরাষ্ট্র-কানাডার শিক্ষার্থীদের জন্য চ্যাটজিপিটি প্লাস ফ্রি, চলবে মে মাস পর্যন্ত
যুক্তরাষ্ট্র-কানাডার শিক্ষার্থীদের জন্য চ্যাটজিপিটি প্লাস ফ্রি, চলবে মে মাস পর্যন্ত

৬ ঘণ্টা আগে | টেক ওয়ার্ল্ড

বদরগঞ্জে বিএনপির দুই গ্রুপের সংঘর্ষে নিহত ১, আহত ৪০
বদরগঞ্জে বিএনপির দুই গ্রুপের সংঘর্ষে নিহত ১, আহত ৪০

৭ ঘণ্টা আগে | নগর জীবন

মাঠজুড়ে সূর্যমুখী ফুলের সমারোহ
মাঠজুড়ে সূর্যমুখী ফুলের সমারোহ

৭ ঘণ্টা আগে | প্রকৃতি ও পরিবেশ

সর্বাধিক পঠিত
আত্মরক্ষার জন্য ইরানের সর্বোচ্চ প্রস্তুতি রয়েছে : সৌদি যুবরাজকে পেজেশকিয়ান
আত্মরক্ষার জন্য ইরানের সর্বোচ্চ প্রস্তুতি রয়েছে : সৌদি যুবরাজকে পেজেশকিয়ান

১৭ ঘণ্টা আগে | পূর্ব-পশ্চিম

আপনার প্রতি শেখ হাসিনার অসম্মানজনক আচরণ দেখেছি : ড. ইউনূসকে বলেন মোদি
আপনার প্রতি শেখ হাসিনার অসম্মানজনক আচরণ দেখেছি : ড. ইউনূসকে বলেন মোদি

১১ ঘণ্টা আগে | জাতীয়

ইরানে হামলার হুমকি থেকে পিছু হটলেন ট্রাম্প, সরাসরি আলোচনার প্রস্তাব
ইরানে হামলার হুমকি থেকে পিছু হটলেন ট্রাম্প, সরাসরি আলোচনার প্রস্তাব

১২ ঘণ্টা আগে | পূর্ব-পশ্চিম

যুক্তরাষ্ট্রের শুল্ক ইস্যুতে জরুরি সভা ডেকেছেন প্রধান উপদেষ্টা
যুক্তরাষ্ট্রের শুল্ক ইস্যুতে জরুরি সভা ডেকেছেন প্রধান উপদেষ্টা

১৩ ঘণ্টা আগে | জাতীয়

সাত দিনের মধ্যে যুক্তরাষ্ট্র ছাড়ার নির্দেশ, আতঙ্কে ইউক্রেনীয়রা
সাত দিনের মধ্যে যুক্তরাষ্ট্র ছাড়ার নির্দেশ, আতঙ্কে ইউক্রেনীয়রা

১১ ঘণ্টা আগে | পূর্ব-পশ্চিম

ফিলিস্তিনি জনগণের প্রতি পাকিস্তান সেনা কমান্ডারদের অকুণ্ঠ সমর্থন
ফিলিস্তিনি জনগণের প্রতি পাকিস্তান সেনা কমান্ডারদের অকুণ্ঠ সমর্থন

১০ ঘণ্টা আগে | পূর্ব-পশ্চিম

কালশী ফ্লাইওভারে দুর্ঘটনায় নিহত দুই যুবকের পরিচয় মিলেছে
কালশী ফ্লাইওভারে দুর্ঘটনায় নিহত দুই যুবকের পরিচয় মিলেছে

১১ ঘণ্টা আগে | নগর জীবন

ইসরায়েলের বিরুদ্ধে মুসলিমদের জিহাদের আহ্বান জানিয়ে ফতোয়া জারি
ইসরায়েলের বিরুদ্ধে মুসলিমদের জিহাদের আহ্বান জানিয়ে ফতোয়া জারি

৬ ঘণ্টা আগে | পূর্ব-পশ্চিম

বিশ্বের শক্তিশালী পাসপোর্টের তালিকায় এক ধাপ এগোল বাংলাদেশ
বিশ্বের শক্তিশালী পাসপোর্টের তালিকায় এক ধাপ এগোল বাংলাদেশ

১৫ ঘণ্টা আগে | জাতীয়

নির্বাচনের কথা বলে মুখে ফেনা তুলে ফেললেই গণতন্ত্র হয় না : নুসরাত তাবাসসুম
নির্বাচনের কথা বলে মুখে ফেনা তুলে ফেললেই গণতন্ত্র হয় না : নুসরাত তাবাসসুম

১৩ ঘণ্টা আগে | রাজনীতি

শরীয়তপুরে দুই গ্রুপের সংঘর্ষ, শতাধিক হাতবোমা বিস্ফোরণ
শরীয়তপুরে দুই গ্রুপের সংঘর্ষ, শতাধিক হাতবোমা বিস্ফোরণ

১৫ ঘণ্টা আগে | দেশগ্রাম

এবার ইউক্রেনের বন্দর চাইছে পোল্যান্ড
এবার ইউক্রেনের বন্দর চাইছে পোল্যান্ড

৬ ঘণ্টা আগে | পূর্ব-পশ্চিম

হোয়াইট হাউস থেকে বরখাস্ত একাধিক শীর্ষ কর্মকর্তা, আলোচনায় লরা লুমার
হোয়াইট হাউস থেকে বরখাস্ত একাধিক শীর্ষ কর্মকর্তা, আলোচনায় লরা লুমার

১৭ ঘণ্টা আগে | পূর্ব-পশ্চিম

‘আতঙ্কে তারা ভুল করেছে’: চীনের পাল্টা শুল্ক নিয়ে ট্রাম্প
‘আতঙ্কে তারা ভুল করেছে’: চীনের পাল্টা শুল্ক নিয়ে ট্রাম্প

১৪ ঘণ্টা আগে | পূর্ব-পশ্চিম

পরকীয়া প্রেমে বাধা দেওয়ায় স্বামীর পুরুষাঙ্গ কাটলো স্ত্রী
পরকীয়া প্রেমে বাধা দেওয়ায় স্বামীর পুরুষাঙ্গ কাটলো স্ত্রী

১৫ ঘণ্টা আগে | দেশগ্রাম

একনজরে আজকের বাংলাদেশ প্রতিদিন (৫ এপ্রিল)
একনজরে আজকের বাংলাদেশ প্রতিদিন (৫ এপ্রিল)

২০ ঘণ্টা আগে | জাতীয়

হাতে সব প্রমাণ আছে, আইনিভাবে মোকাবিলা করবো : পরীমণি
হাতে সব প্রমাণ আছে, আইনিভাবে মোকাবিলা করবো : পরীমণি

১২ ঘণ্টা আগে | শোবিজ

লৌহজংয়ে পাওয়া মরদেহের টুকরোগুলো সাভারের সবুজ মোল্যার
লৌহজংয়ে পাওয়া মরদেহের টুকরোগুলো সাভারের সবুজ মোল্যার

১৪ ঘণ্টা আগে | দেশগ্রাম

চালের দানার চেয়েও ছোট পেসমেকার তৈরি করলেন বিজ্ঞানীরা
চালের দানার চেয়েও ছোট পেসমেকার তৈরি করলেন বিজ্ঞানীরা

১৮ ঘণ্টা আগে | বিজ্ঞান

ধূলিঝড়ের পর রাজধানীতে স্বস্তির বৃষ্টি
ধূলিঝড়ের পর রাজধানীতে স্বস্তির বৃষ্টি

৮ ঘণ্টা আগে | নগর জীবন

পিঁয়াজ নিয়ে হতাশ মানিকগঞ্জের কৃষকরা
পিঁয়াজ নিয়ে হতাশ মানিকগঞ্জের কৃষকরা

১৫ ঘণ্টা আগে | দেশগ্রাম

৫.৬ মাত্রার ভূমিকম্পে আবার কেঁপে উঠলো মিয়ানমার
৫.৬ মাত্রার ভূমিকম্পে আবার কেঁপে উঠলো মিয়ানমার

১৭ ঘণ্টা আগে | পূর্ব-পশ্চিম

কোনো স্থানেই ময়লা পোড়ানো যাবে না : পরিবেশ উপদেষ্টা
কোনো স্থানেই ময়লা পোড়ানো যাবে না : পরিবেশ উপদেষ্টা

১২ ঘণ্টা আগে | জাতীয়

আইপিএলের প্রথমবার দেখা গেল এমন কিছু
আইপিএলের প্রথমবার দেখা গেল এমন কিছু

১৯ ঘণ্টা আগে | মাঠে ময়দানে

আরো বাড়ল মিয়ানমারে ভূমিকম্পে মৃতের সংখ্যা
আরো বাড়ল মিয়ানমারে ভূমিকম্পে মৃতের সংখ্যা

১৬ ঘণ্টা আগে | পূর্ব-পশ্চিম

প্রেমা নেই, শেষ হয়ে গেল পুরো পরিবার
প্রেমা নেই, শেষ হয়ে গেল পুরো পরিবার

১৪ ঘণ্টা আগে | চট্টগ্রাম প্রতিদিন

ঢাকাসহ চার বিভাগে বৃষ্টির সম্ভাবনা
ঢাকাসহ চার বিভাগে বৃষ্টির সম্ভাবনা

১৬ ঘণ্টা আগে | জাতীয়

কুমিল্লায় মসজিদ কমিটির সেক্রেটারিকে হত্যার ঘটনায় গ্রেফতার ২
কুমিল্লায় মসজিদ কমিটির সেক্রেটারিকে হত্যার ঘটনায় গ্রেফতার ২

২১ ঘণ্টা আগে | দেশগ্রাম

জেলেনস্কির নিজ শহরে রুশ ক্ষেপণাস্ত্র হামলায় ১৮ জন নিহত
জেলেনস্কির নিজ শহরে রুশ ক্ষেপণাস্ত্র হামলায় ১৮ জন নিহত

১৫ ঘণ্টা আগে | পূর্ব-পশ্চিম

গাজায় অ্যাম্বুলেন্সে অগ্নিকাণ্ড ইসরায়েলি ‘যুদ্ধাপরাধ’ হতে পারে : জাতিসংঘ কর্মকর্তা
গাজায় অ্যাম্বুলেন্সে অগ্নিকাণ্ড ইসরায়েলি ‘যুদ্ধাপরাধ’ হতে পারে : জাতিসংঘ কর্মকর্তা

২০ ঘণ্টা আগে | পূর্ব-পশ্চিম

প্রিন্ট সর্বাধিক
জটিলতা ৫৫ আসনে
জটিলতা ৫৫ আসনে

পেছনের পৃষ্ঠা

দূরত্ব কাটাবে ঢাকা-দিল্লি
দূরত্ব কাটাবে ঢাকা-দিল্লি

প্রথম পৃষ্ঠা

সেন্টমার্টিন এখন অন্যরকম
সেন্টমার্টিন এখন অন্যরকম

পেছনের পৃষ্ঠা

ফের উত্তপ্ত হবে রাজপথ
ফের উত্তপ্ত হবে রাজপথ

প্রথম পৃষ্ঠা

ট্রাম্পকাণ্ড রুখে দেওয়ার আহ্বান ওবামার
ট্রাম্পকাণ্ড রুখে দেওয়ার আহ্বান ওবামার

প্রথম পৃষ্ঠা

মার্কিন পণ্যে কমছে শুল্ক
মার্কিন পণ্যে কমছে শুল্ক

প্রথম পৃষ্ঠা

আজকের ভাগ্যচক্র
আজকের ভাগ্যচক্র

আজকের রাশি

এখনো চ্যালেঞ্জিং রোহিঙ্গা ফেরত
এখনো চ্যালেঞ্জিং রোহিঙ্গা ফেরত

প্রথম পৃষ্ঠা

ধর্ষণের শিকার দুই বোনের দায়িত্ব নিলেন তারেক রহমান
ধর্ষণের শিকার দুই বোনের দায়িত্ব নিলেন তারেক রহমান

প্রথম পৃষ্ঠা

বুবলীতে মুগ্ধ দর্শক
বুবলীতে মুগ্ধ দর্শক

শোবিজ

সুপার লিগে খেলার লড়াই
সুপার লিগে খেলার লড়াই

মাঠে ময়দানে

ক্ষমতার মজা পেয়ে গেছেন উপদেষ্টা পরিষদের সবাই
ক্ষমতার মজা পেয়ে গেছেন উপদেষ্টা পরিষদের সবাই

প্রথম পৃষ্ঠা

মিডিয়া সংস্কারে কার স্বার্থে একচোখা সুপারিশ
মিডিয়া সংস্কারে কার স্বার্থে একচোখা সুপারিশ

প্রথম পৃষ্ঠা

রাজবাড়ীতে বিলুপ্তপ্রায় প্রজাতির শকুন উদ্ধার
রাজবাড়ীতে বিলুপ্তপ্রায় প্রজাতির শকুন উদ্ধার

পেছনের পৃষ্ঠা

লাহোরে নিগারদের অনুশীলন
লাহোরে নিগারদের অনুশীলন

মাঠে ময়দানে

যৌন সহিংসতার তথ্য পেয়েছে জাতিসংঘ
যৌন সহিংসতার তথ্য পেয়েছে জাতিসংঘ

প্রথম পৃষ্ঠা

বাণিজ্য ছাড়িয়েছিল হাজার কোটি ডলার
বাণিজ্য ছাড়িয়েছিল হাজার কোটি ডলার

পেছনের পৃষ্ঠা

আওয়ামী লীগ নিষিদ্ধ করতে হবে
আওয়ামী লীগ নিষিদ্ধ করতে হবে

প্রথম পৃষ্ঠা

জরাজীর্ণ ভবন, নষ্ট এক্স-রে মেশিন
জরাজীর্ণ ভবন, নষ্ট এক্স-রে মেশিন

দেশগ্রাম

লিচুর ফলন শঙ্কায় চাষি
লিচুর ফলন শঙ্কায় চাষি

দেশগ্রাম

ভারতে বিতর্কিত ওয়াক্ফ বিল পাসে জামায়াতের নিন্দা
ভারতে বিতর্কিত ওয়াক্ফ বিল পাসে জামায়াতের নিন্দা

প্রথম পৃষ্ঠা

বিএনপির দুই গ্রুপে সংঘর্ষে একজন নিহত, আহত ৪০
বিএনপির দুই গ্রুপে সংঘর্ষে একজন নিহত, আহত ৪০

প্রথম পৃষ্ঠা

সংস্কার শেষেই নির্বাচন দিতে হবে
সংস্কার শেষেই নির্বাচন দিতে হবে

প্রথম পৃষ্ঠা

শরীয়তপুরে খোলা মাঠ যেন যুদ্ধক্ষেত্র
শরীয়তপুরে খোলা মাঠ যেন যুদ্ধক্ষেত্র

প্রথম পৃষ্ঠা

একই দিনে দুই বিয়ে
একই দিনে দুই বিয়ে

শোবিজ

তেহরানে হামলার হুমকি থেকে পিছু হটলেন ট্রাম্প
তেহরানে হামলার হুমকি থেকে পিছু হটলেন ট্রাম্প

পূর্ব-পশ্চিম

জংলি নিয়ে দর্শকদের সাড়া দেখে আমি আনন্দিত
জংলি নিয়ে দর্শকদের সাড়া দেখে আমি আনন্দিত

শোবিজ

অভিযোগের জবাবে পরী
অভিযোগের জবাবে পরী

শোবিজ

বিশ্বজুড়ে মানবিক সহায়তার সিংহভাগ যুক্তরাষ্ট্র আর বহন করবে না
বিশ্বজুড়ে মানবিক সহায়তার সিংহভাগ যুক্তরাষ্ট্র আর বহন করবে না

পূর্ব-পশ্চিম

ট্রাম্পের শুল্কনীতির কী প্রভাব পড়বে বাংলাদেশে
ট্রাম্পের শুল্কনীতির কী প্রভাব পড়বে বাংলাদেশে

সম্পাদকীয়