শিরোনাম
প্রকাশ: ০০:০০, রবিবার, ২৩ ফেব্রুয়ারি, ২০২৫

ঝিনাইদহে তিন খুন, দায় স্বীকার নিয়ে চাঞ্চল্য

ঝিনাইদহ প্রতিনিধি
প্রিন্ট ভার্সন
ঝিনাইদহে তিন খুন, দায় স্বীকার নিয়ে চাঞ্চল্য

ঝিনাইদহের শৈলকুপার মির্জাপুরে শুক্রবার রাতে নিহত জনযুদ্ধ লাল পতাকার (এমএল) তিন চরমপন্থির পরিচয় মিলেছে। তারা হলেন- হরিণাকুন্ডু উপজেলার দৌলতপুর ইউনিয়নের আহাদনগর গ্রামের মৃত রাহাজ উদ্দিনের ছেলে চরমপন্থি দল নেতা হানিফ মন্ডল, তার শ্যালক একই উপজেলার সিরামপুর গ্রামের উম্বাদ আলীর ছেলে লিটন হোসেন (৪০) ও হানিফের দেহরক্ষী কুষ্টিয়া ইসলামী বিশ্ববিদ্যালয় থানার পিয়ারপুর গ্রামের মৃত আরজেদ আলীর ছেলে রাইসুল ইসলাম (৩৫)। ঘটনার দায় স্বীকার করে জাসদ গণবাহিনীর নামে সাংবাদিকদের মেসেজ পাঠানো হয়েছে।

পুলিশ জানায়, কায়েতপাড়া বাওড়ের আধিপত্য বিস্তার নিয়ে দুইদল চরমপন্থি শুক্রবার দিবাগত রাত আটটার দিকে সংঘর্ষে জড়িয়ে পড়ে। সংঘর্ষ চলাকালে উভয়পক্ষের মধ্যে প্রায় ৮/১০ রাউন্ড গুলিবিনিময় হয়। এ সময় গোলাগুলির শব্দে রামচন্দ্রপুর, পিয়ারপুর ও ত্রিবেনী গ্রামবাসীর মধ্যে আতঙ্ক ছড়িয়ে পড়ে। ঘটনাস্থল শৈলকুপার মির্জাপুর শ্মশান খাল এলাকাটি হরিণাকুন্ডু শৈলকুপা এবং কুষ্টিয়ার ইসলামী বিশ্ববিদ্যালয় থানার মধ্যবর্তী দুর্গম বিল এলাকায় অবস্থিত। এলাকাবাসী পার্শ্ববর্তী শৈলকুপার রামচন্দ্রপুর পুলিশ ফাঁড়িতে খবর দেয়। এরপর এলাকাবাসীর সহায়তায় পুলিশ ঘটনাস্থলে পৌঁছে তিন চরমপন্থির গুলিবিদ্ধ লাশ এবং তাদের ব্যবহৃত দুটি মোটরসাইকেল ও একটি ম্যাগাজিনসহ বেশ কিছু গুলির খোসা উদ্ধার করে। নিহত তিনজনের মাথায় গুলি করে ও কুপিয়ে মৃত্যু নিশ্চিত করা হয়েছে বলে রামচন্দ্রপুর পুলিশ ফাঁড়ির ইনচার্জ মতিয়ার রহমান নিশ্চিত করেছেন।

পুলিশের একটি সূত্র জানিয়েছে, দীর্ঘদিন ধরে কুষ্টিয়া, ঝিনাইদহ ও চুয়াডাঙ্গায় আধিপত্য বিস্তার নিয়ে পূর্ববাংলার কমিউনিস্ট পার্টি এমএল জনযুদ্ধ ও জাসদ গণবাহিনী নামের দুটি চরমপন্থি দলের মধ্যে বিরোধ চলে আসছিল। শুক্রবার রাতে রামচন্দ্রপুর শ্মশানঘাট এলাকায় পূর্ববাংলার কমিউনিস্ট পার্টি এমএল জনযুদ্ধের নেতাদের গোপন বৈঠকের খবর পায় প্রতিপক্ষ গ্রুপ। তবে জাসদ গণবাহিনীর শীর্ষ নেতা কালুর নেতৃত্বে এই হত্যাকান্ডের ঘটনা ঘটে থাকতে পারে বলে প্রাথমিকভাবে ধারণা করা হচ্ছে। সূত্রটি আরও জানায়, নিহত হানিফ মন্ডলের বিরুদ্ধে বিভিন্ন থানায় কমপক্ষে ১৩টি হত্যাসহ অনেক মামলা রয়েছে। বিগত ২০০৩ সালের ৫ ডিসেম্বর মির্জাপুর শ্মশান খালের ওই স্থানে অন্য পাঁচজনকে হত্যা করেছিল চরমপন্থিরা। নিহত জনযুদ্ধের আঞ্চলিক প্রধান হানেফ মৃত্যুদন্ডের আসামি ছিলেন। হরিণাকুন্ডু উপজেলার কুলবাড়িয়া গ্রামের আবদুর রহমান হত্যা মামলায় তার ফাঁসির আদেশ হয়। উচ্চ আদালতেও ফাঁসির রায় বহাল থাকলে স্বৈরাচার হাসিনা সরকারের সময় রাষ্ট্রপতি আবদুল হামিদের বিশেষ ক্ষমায় প্রাণভিক্ষা পেয়ে এলাকায় ফিরে এসে ফের ত্রাসের রাজত্ব কায়েম করে হানিফ। এরপর মৎস্যজীবী লীগের হরিণাকুন্ডু উপজেলা কমিটির সহসভাপতি নির্বাচিত হন। বৈষম্যবিরোধী ছাত্র আন্দোলনে ফ্যাসিস্ট হাসিনার পতনের পর দুর্ধর্ষ চরমপন্থি হানিফ আবারও রাজনৈতিক রং পাল্টে পুনরায় এলাকায় প্রভাব বিস্তারের চেষ্টা করেন।

একাধিক সূত্রে জানা গেছে, এই ট্রিপল মার্ডারের নেপথ্যে রয়েছে পার্শ্ববর্তী চুয়াডাঙ্গার আলমডাঙ্গার কায়েতপাড়া বাঁওড়। বাওড়টিতে বছরে কোটি টাকার ওপরে মাছের চাষ হয়। সম্প্রতি মৎস্যজীবী লীগ নেতা পরিচয়ে হানিফ বাওড়ে মাছ ধরা ও প্রভাব বিস্তারের চেষ্টা করলে এলাকার একাধিক গ্রুপের মধ্যে মতবিরোধ দেখা দেয়। সেই সূত্র ধরেই হানিফসহ তার দুই সহযোগীকে গুলি করে হত্যা হয়েছে। কায়েতপাড়া এই বাঁওড়টি নিয়ে গত ৩০ বছরে অর্ধশত মানুষ খুনের শিকার হয়েছে। এলাকাবাসীর মতে, চরমপন্থি নেতা হানিফ ইতোপূর্বে কুলবাড়িয়া গ্রামের আবদুর রহমান, তিওরবিলা গ্রামের লুৎফর রহমান, তাহেরহুদার আবদুল কাদের ও পোলতাডাঙ্গার ইজাল মাস্টারসহ প্রায় ১০ জনকে গুলি ও গলা কেটে হত্যা করার অভিযোগ রয়েছে। এর মধ্যে ইজাল মাস্টারকে হত্যার পর তার মাথা কেটে ফুটবল খেলেছিল হানিফ। সে সময় বিষয়টি দেশে ব্যাপক চাঞ্চল্যের সৃষ্টি করে। অন্যদিকে দীর্ঘদিন পর চরমপন্থিদের মধ্যে হানাহানি ও গণমাধ্যমকর্মীদের কাছে হত্যার দায় স্বীকার করে বিবৃতি প্রদান নিয়ে এলাকায় জনমনে আতংকের সৃষ্টি হয়েছে। জানা গেছে, একই স্থানে ২০০৩ সালের ৫ ডিসেম্বর শৈলকুপার শেখপাড়া গ্রামের শহীদ খাঁ, ত্রিবেনী গ্রামের শাহনেওয়াজ, একই গ্রামের ফারুক, নুরু কানা ও কুষ্টিয়ার ভবানীপুর গ্রামের কটাকে গুলি ও গলা কেটে হত্যা করে চরমপন্থিরা। এই মামলায় ২০২৪ সালের ২৯ অক্টোবর কুষ্টিয়ার আলী রেজা ওরফে কালু ও কুষ্টিয়ার ইবি থানার পিয়ারপুর গ্রামের মহসিন আলীকে যাবজ্জীবন কারাদন্ড দেওয়া হয়। ঝিনাইদহ জেলা জজ দ্বিতীয় আদালতের বিচারক মো. জাকারিয়াহ এই দন্ডাদেশ দেন।

অন্যদিকে শৈলকুপা থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) মাসুম খান জানান, এলাকায় আধিপত্য বিস্তারকে কেন্দ্র করে হত্যার ঘটনা ঘটেছে এটা নিশ্চিত। পুলিশ ঘটনাস্থল থেকে তিনজনের লাশ উদ্ধার করেছে। তিনি আরও জানান, ঘটনার কিছু দূরে সড়কের ওপর দুটি কালো রঙের মোটরসাইকেল উদ্ধার করেছে পুলিশ। এই ঘটনায় পুলিশ এখন পর্যন্ত কাউকে আটক করতে পারেনি। তবে শৈলকুপা থানায় মামলার প্রস্তুতি চলছে। এদিকে নিষিদ্ধ ঘোষিত চরমপন্থি সংগঠন জাসদ গণবাহিনীর কালু গ্রুপের প্রধান কমরেড কালু হোয়াটসঅ্যাপে সাংবাদিকদের মোবাইলে মেসেজ পাঠিয়ে হত্যার দায় স্বীকার করেছেন। তিনি বার্তায় উল্লেখ করেছেন ঝিনাইদহ, চুয়াডাঙ্গা, কুষ্টিয়া, মাগুরা, যশোর, খুলনাবাসীর উদ্দেশ্যে জানানো যাচ্ছেথ- পূর্ববাংলা কমিউনিস্ট পার্টির নামধারী কুখ্যাত ডাকাত বাহিনীর শীর্ষ নেতা অসংখ্য খুন, গুম, দখলদারি, ডাকাতি ও ধর্ষণের অভিযোগে অভিযুক্ত হরিণাকুন্ডু নিবাসী হানিফ তার দুই সহযোগী জাসদ গণবাহিনীর সদস্যদের হাতে নিহত হয়েছেন। এই অঞ্চলে হানিফের সহযোগীদের শুধরে যাওয়ার নির্দেশ দেওয়া হলো। অন্যথায় আপনাদের একই পরিণতির মুখোমুখি হতে হবে। তবে এই হত্যার দায় স্বীকার করা হলেও বিষয়টি রহস্যঘেরা বলে অনেকে মনে করছেন।

এই বিভাগের আরও খবর
প্রয়োজনীয় সংস্কার করে দ্রুত নির্বাচন দিতে হবে
প্রয়োজনীয় সংস্কার করে দ্রুত নির্বাচন দিতে হবে
আলোচনার মাধ্যমে সব সমাধান সম্ভব
আলোচনার মাধ্যমে সব সমাধান সম্ভব
ছুরি মেরে ব্যবসায়ীকে হত্যা পিটুনিতে যুবকের মৃত্যু
ছুরি মেরে ব্যবসায়ীকে হত্যা পিটুনিতে যুবকের মৃত্যু
হচ্ছে বাম দলের বৃহত্তর জোট!
হচ্ছে বাম দলের বৃহত্তর জোট!
১ লাখ ৮০ হাজার রোহিঙ্গা ফেরত নেবে মিয়ানমার
১ লাখ ৮০ হাজার রোহিঙ্গা ফেরত নেবে মিয়ানমার
নির্বাচনে অনিশ্চয়তা বাড়াবে জটিলতা
নির্বাচনে অনিশ্চয়তা বাড়াবে জটিলতা
একাধিক আঞ্চলিক সহযোগিতা চুক্তি ও সমঝোতায় স্বাক্ষর
একাধিক আঞ্চলিক সহযোগিতা চুক্তি ও সমঝোতায় স্বাক্ষর
দক্ষিণ কোরিয়ার প্রেসিডেন্ট অপসারিত
দক্ষিণ কোরিয়ার প্রেসিডেন্ট অপসারিত
এবার জনগণ ভোটাধিকার ফিরে পাবে
এবার জনগণ ভোটাধিকার ফিরে পাবে
বৈঠককে ইতিবাচক দেখছে বিএনপি
বৈঠককে ইতিবাচক দেখছে বিএনপি
ইউনূস-মোদির বৈঠক আশা জাগিয়েছে
ইউনূস-মোদির বৈঠক আশা জাগিয়েছে
প্রয়োজনীয় সংস্কার শেষে দ্রুত নির্বাচন
প্রয়োজনীয় সংস্কার শেষে দ্রুত নির্বাচন
সর্বশেষ খবর
চট্টগ্রামে দেড় কোটি টাকা মূল্যের স্বর্ণসহ গ্রেফতার ৫
চট্টগ্রামে দেড় কোটি টাকা মূল্যের স্বর্ণসহ গ্রেফতার ৫

এই মাত্র | চট্টগ্রাম প্রতিদিন

জয়পুরহাটে নৈশপ্রহরীদের বেঁধে রেখে ৪ দোকানে ডাকাতি
জয়পুরহাটে নৈশপ্রহরীদের বেঁধে রেখে ৪ দোকানে ডাকাতি

১ মিনিট আগে | দেশগ্রাম

থানা থেকে পালিয়েও শেষ রক্ষা হলো না তরুণের
থানা থেকে পালিয়েও শেষ রক্ষা হলো না তরুণের

১ মিনিট আগে | চায়ের দেশ

রংপুরে মুগ্ধতা ছড়াচ্ছে বলিভিয়ার জাতীয় ফুল হেলিকোনিয়া
রংপুরে মুগ্ধতা ছড়াচ্ছে বলিভিয়ার জাতীয় ফুল হেলিকোনিয়া

৪ মিনিট আগে | নগর জীবন

চুলা জ্বালানো নিয়ে সতর্ক করল তিতাস গ্যাস
চুলা জ্বালানো নিয়ে সতর্ক করল তিতাস গ্যাস

১১ মিনিট আগে | নগর জীবন

পদ্মা নদীতে বেড়াতে গিয়ে স্বামী-স্ত্রীর মৃত্যু
পদ্মা নদীতে বেড়াতে গিয়ে স্বামী-স্ত্রীর মৃত্যু

১৮ মিনিট আগে | দেশগ্রাম

কালশী ফ্লাইওভারে দুর্ঘটনায় নিহত দুই যুবকের পরিচয় মিলেছে
কালশী ফ্লাইওভারে দুর্ঘটনায় নিহত দুই যুবকের পরিচয় মিলেছে

১৯ মিনিট আগে | নগর জীবন

অতিরিক্ত গরম ও হিটস্ট্রোক
অতিরিক্ত গরম ও হিটস্ট্রোক

২১ মিনিট আগে | হেলথ কর্নার

সাত দিনের মধ্যে যুক্তরাষ্ট্র ছাড়ার নির্দেশ, আতঙ্কে ইউক্রেনীয়রা
সাত দিনের মধ্যে যুক্তরাষ্ট্র ছাড়ার নির্দেশ, আতঙ্কে ইউক্রেনীয়রা

৩০ মিনিট আগে | পূর্ব-পশ্চিম

বায়ার্নের সঙ্গে মুলারের ২৫ বছরের সম্পর্ক ভাঙছে
বায়ার্নের সঙ্গে মুলারের ২৫ বছরের সম্পর্ক ভাঙছে

৩৬ মিনিট আগে | মাঠে ময়দানে

বাংলাদেশকে বন্ধু রাষ্ট্র ভেবে ভারতকে সামনে এগোতে হবে : এ্যানি
বাংলাদেশকে বন্ধু রাষ্ট্র ভেবে ভারতকে সামনে এগোতে হবে : এ্যানি

৪১ মিনিট আগে | দেশগ্রাম

সাতক্ষীরায় ছোট ভাইয়ের হাতে বড় ভাই খুন
সাতক্ষীরায় ছোট ভাইয়ের হাতে বড় ভাই খুন

৪৬ মিনিট আগে | দেশগ্রাম

গ্রাস ম্যাট রফতানি শুরু করল আরএফএল
গ্রাস ম্যাট রফতানি শুরু করল আরএফএল

৫৫ মিনিট আগে | কর্পোরেট কর্নার

শরীয়তপুরে দুই গ্রুপের সংঘর্ষে আহত ৪ জন ঢামেকে
শরীয়তপুরে দুই গ্রুপের সংঘর্ষে আহত ৪ জন ঢামেকে

৫৭ মিনিট আগে | নগর জীবন

আপনার প্রতি শেখ হাসিনার অসম্মানজনক আচরণ দেখেছি : ড. ইউনূসকে বলেন মোদি
আপনার প্রতি শেখ হাসিনার অসম্মানজনক আচরণ দেখেছি : ড. ইউনূসকে বলেন মোদি

১ ঘণ্টা আগে | জাতীয়

জনবহুল রাজধানী এখনো ফাঁকা, নেই চিরচেনা যানজট
জনবহুল রাজধানী এখনো ফাঁকা, নেই চিরচেনা যানজট

১ ঘণ্টা আগে | নগর জীবন

হাতে সব প্রমাণ আছে, আইনিভাবে মোকাবিলা করবো : পরীমণি
হাতে সব প্রমাণ আছে, আইনিভাবে মোকাবিলা করবো : পরীমণি

১ ঘণ্টা আগে | শোবিজ

ফরিদপুরে বিস্ফোরক মামলায় যুবলীগ নেতা গ্রেফতার
ফরিদপুরে বিস্ফোরক মামলায় যুবলীগ নেতা গ্রেফতার

১ ঘণ্টা আগে | দেশগ্রাম

খাদ্য নিরাপত্তা নি‌য়ে কো‌নো শঙ্কা নেই : খাদ্য উপদেষ্টা
খাদ্য নিরাপত্তা নি‌য়ে কো‌নো শঙ্কা নেই : খাদ্য উপদেষ্টা

১ ঘণ্টা আগে | জাতীয়

ভারতে ওয়াকফ সংশোধনী বিল পাসে জামায়াতের নিন্দা
ভারতে ওয়াকফ সংশোধনী বিল পাসে জামায়াতের নিন্দা

১ ঘণ্টা আগে | রাজনীতি

ফরিদপুরে চোরের হাতে প্রাণ গেল প্রবাসীর
ফরিদপুরে চোরের হাতে প্রাণ গেল প্রবাসীর

১ ঘণ্টা আগে | দেশগ্রাম

ইরানে হামলার হুমকি থেকে পিছু হটলেন ট্রাম্প, সরাসরি আলোচনার প্রস্তাব
ইরানে হামলার হুমকি থেকে পিছু হটলেন ট্রাম্প, সরাসরি আলোচনার প্রস্তাব

১ ঘণ্টা আগে | পূর্ব-পশ্চিম

চার বিভাগে বৃষ্টি হলেও তাপপ্রবাহ থাকবে অব্যাহত
চার বিভাগে বৃষ্টি হলেও তাপপ্রবাহ থাকবে অব্যাহত

১ ঘণ্টা আগে | জাতীয়

কোনো স্থানেই ময়লা পোড়ানো যাবে না : পরিবেশ উপদেষ্টা
কোনো স্থানেই ময়লা পোড়ানো যাবে না : পরিবেশ উপদেষ্টা

২ ঘণ্টা আগে | জাতীয়

'দেশে আর কোন ফ্যাসিস্ট যেন জন্মাতে না পারে'
'দেশে আর কোন ফ্যাসিস্ট যেন জন্মাতে না পারে'

২ ঘণ্টা আগে | দেশগ্রাম

নির্বাচনের কথা বলে মুখে ফেনা তুলে ফেললেই গণতন্ত্র হয় না : নুসরাত তাবাসসুম
নির্বাচনের কথা বলে মুখে ফেনা তুলে ফেললেই গণতন্ত্র হয় না : নুসরাত তাবাসসুম

২ ঘণ্টা আগে | রাজনীতি

যুক্তরাষ্ট্রের শুল্ক ইস্যুতে জরুরি সভা ডেকেছেন প্রধান উপদেষ্টা
যুক্তরাষ্ট্রের শুল্ক ইস্যুতে জরুরি সভা ডেকেছেন প্রধান উপদেষ্টা

২ ঘণ্টা আগে | জাতীয়

মুখের গড়ন বুঝে হতে হবে হেয়ার কাট
মুখের গড়ন বুঝে হতে হবে হেয়ার কাট

২ ঘণ্টা আগে | জীবন ধারা

অভিনেতাসহ গ্রেপ্তার ১১, তুরস্কে বয়কট আন্দোলন
অভিনেতাসহ গ্রেপ্তার ১১, তুরস্কে বয়কট আন্দোলন

২ ঘণ্টা আগে | পূর্ব-পশ্চিম

ভাঙ্গায় কিশোর ও গৃহবধূর লাশ উদ্ধার
ভাঙ্গায় কিশোর ও গৃহবধূর লাশ উদ্ধার

২ ঘণ্টা আগে | দেশগ্রাম

সর্বাধিক পঠিত
ঈদুল আজহার সম্ভাব্য তারিখ প্রকাশ
ঈদুল আজহার সম্ভাব্য তারিখ প্রকাশ

২০ ঘণ্টা আগে | পূর্ব-পশ্চিম

আত্মরক্ষার জন্য ইরানের সর্বোচ্চ প্রস্তুতি রয়েছে : সৌদি যুবরাজকে পেজেশকিয়ান
আত্মরক্ষার জন্য ইরানের সর্বোচ্চ প্রস্তুতি রয়েছে : সৌদি যুবরাজকে পেজেশকিয়ান

৬ ঘণ্টা আগে | পূর্ব-পশ্চিম

প্রথম দফায় ১ লাখ ৮০ হাজার রোহিঙ্গা নিতে রাজি মিয়ানমার
প্রথম দফায় ১ লাখ ৮০ হাজার রোহিঙ্গা নিতে রাজি মিয়ানমার

২৩ ঘণ্টা আগে | জাতীয়

পর্দায় নয়, এবার সত্যিই বিয়ে করলেন শামীম হাসান সরকার
পর্দায় নয়, এবার সত্যিই বিয়ে করলেন শামীম হাসান সরকার

২০ ঘণ্টা আগে | শোবিজ

ড. ইউনূস-মোদির ৪০ মিনিটের বৈঠক, আলাপ হলো কী নিয়ে
ড. ইউনূস-মোদির ৪০ মিনিটের বৈঠক, আলাপ হলো কী নিয়ে

২১ ঘণ্টা আগে | জাতীয়

ড. ইউনূস ও মোদির বৈঠক নিয়ে যা জানালেন ভারতের পররাষ্ট্র সচিব
ড. ইউনূস ও মোদির বৈঠক নিয়ে যা জানালেন ভারতের পররাষ্ট্র সচিব

২১ ঘণ্টা আগে | জাতীয়

যুক্তরাষ্ট্রের শুল্ক ইস্যুতে জরুরি সভা ডেকেছেন প্রধান উপদেষ্টা
যুক্তরাষ্ট্রের শুল্ক ইস্যুতে জরুরি সভা ডেকেছেন প্রধান উপদেষ্টা

২ ঘণ্টা আগে | জাতীয়

আওয়ামী লীগের টাকার লোভে না পড়তে দলীয় নেতাদের হুঁশিয়ারি শামা ওবায়েদের
আওয়ামী লীগের টাকার লোভে না পড়তে দলীয় নেতাদের হুঁশিয়ারি শামা ওবায়েদের

১৪ ঘণ্টা আগে | রাজনীতি

প্রতিশোধ নিল চীন, মার্কিন পণ্যের ওপর অতিরিক্ত ৩৪% শুল্ক আরোপ
প্রতিশোধ নিল চীন, মার্কিন পণ্যের ওপর অতিরিক্ত ৩৪% শুল্ক আরোপ

২৩ ঘণ্টা আগে | পূর্ব-পশ্চিম

৫ মিলিয়ন ডলারের ‘গোল্ড কার্ড’ ভিসা উন্মোচন করলেন ট্রাম্প
৫ মিলিয়ন ডলারের ‘গোল্ড কার্ড’ ভিসা উন্মোচন করলেন ট্রাম্প

১৯ ঘণ্টা আগে | পূর্ব-পশ্চিম

ঐশ্বরিয়া আমার মেয়ে নয়, কেবল ছেলের বউ : জয়া বচ্চন
ঐশ্বরিয়া আমার মেয়ে নয়, কেবল ছেলের বউ : জয়া বচ্চন

১৯ ঘণ্টা আগে | শোবিজ

ড. ইউনূস-মোদি বৈঠক আশার আলো তৈরি করেছে: মির্জা ফখরুল
ড. ইউনূস-মোদি বৈঠক আশার আলো তৈরি করেছে: মির্জা ফখরুল

২০ ঘণ্টা আগে | রাজনীতি

শরীয়তপুরে দুই গ্রুপের সংঘর্ষ, শতাধিক হাতবোমা বিস্ফোরণ
শরীয়তপুরে দুই গ্রুপের সংঘর্ষ, শতাধিক হাতবোমা বিস্ফোরণ

৪ ঘণ্টা আগে | দেশগ্রাম

হোয়াইট হাউস থেকে বরখাস্ত একাধিক শীর্ষ কর্মকর্তা, আলোচনায় লরা লুমার
হোয়াইট হাউস থেকে বরখাস্ত একাধিক শীর্ষ কর্মকর্তা, আলোচনায় লরা লুমার

৬ ঘণ্টা আগে | পূর্ব-পশ্চিম

কালশী ফ্লাইওভারে গাড়ির সঙ্গে মোটরসাইকেলের সংঘর্ষ, দুই যুবক নিহত
কালশী ফ্লাইওভারে গাড়ির সঙ্গে মোটরসাইকেলের সংঘর্ষ, দুই যুবক নিহত

১৬ ঘণ্টা আগে | নগর জীবন

বিশ্বের শক্তিশালী পাসপোর্টের তালিকায় এক ধাপ এগোল বাংলাদেশ
বিশ্বের শক্তিশালী পাসপোর্টের তালিকায় এক ধাপ এগোল বাংলাদেশ

৪ ঘণ্টা আগে | জাতীয়

ইরানে হামলার হুমকি থেকে পিছু হটলেন ট্রাম্প, সরাসরি আলোচনার প্রস্তাব
ইরানে হামলার হুমকি থেকে পিছু হটলেন ট্রাম্প, সরাসরি আলোচনার প্রস্তাব

১ ঘণ্টা আগে | পূর্ব-পশ্চিম

আপনার প্রতি শেখ হাসিনার অসম্মানজনক আচরণ দেখেছি : ড. ইউনূসকে বলেন মোদি
আপনার প্রতি শেখ হাসিনার অসম্মানজনক আচরণ দেখেছি : ড. ইউনূসকে বলেন মোদি

১ ঘণ্টা আগে | জাতীয়

৩০০ আসনে প্রার্থী দেওয়ার চ্যালেঞ্জ নিতে প্রস্তুত এনসিপি: সারজিস
৩০০ আসনে প্রার্থী দেওয়ার চ্যালেঞ্জ নিতে প্রস্তুত এনসিপি: সারজিস

২৩ ঘণ্টা আগে | নগর জীবন

হাসিনার এক মন্তব্যে সংকটে মাদারগঞ্জের সমবায় সমিতি
হাসিনার এক মন্তব্যে সংকটে মাদারগঞ্জের সমবায় সমিতি

১৭ ঘণ্টা আগে | দেশগ্রাম

পরকীয়া প্রেমে বাধা দেওয়ায় স্বামীর পুরুষাঙ্গ কাটলো স্ত্রী
পরকীয়া প্রেমে বাধা দেওয়ায় স্বামীর পুরুষাঙ্গ কাটলো স্ত্রী

৫ ঘণ্টা আগে | দেশগ্রাম

দুই দিন ধরে তুর্কি বিমানবন্দরে আটকা ২৫০ যাত্রী
দুই দিন ধরে তুর্কি বিমানবন্দরে আটকা ২৫০ যাত্রী

২৩ ঘণ্টা আগে | পূর্ব-পশ্চিম

একনজরে আজকের বাংলাদেশ প্রতিদিন (৫ এপ্রিল)
একনজরে আজকের বাংলাদেশ প্রতিদিন (৫ এপ্রিল)

৯ ঘণ্টা আগে | জাতীয়

চালের দানার চেয়েও ছোট পেসমেকার তৈরি করলেন বিজ্ঞানীরা
চালের দানার চেয়েও ছোট পেসমেকার তৈরি করলেন বিজ্ঞানীরা

৭ ঘণ্টা আগে | বিজ্ঞান

৫.৬ মাত্রার ভূমিকম্পে আবার কেঁপে উঠলো মিয়ানমার
৫.৬ মাত্রার ভূমিকম্পে আবার কেঁপে উঠলো মিয়ানমার

৭ ঘণ্টা আগে | পূর্ব-পশ্চিম

ইউনূসের সঙ্গে মোদির বৈঠক প্রয়োজন ছিল: মির্জা আব্বাস
ইউনূসের সঙ্গে মোদির বৈঠক প্রয়োজন ছিল: মির্জা আব্বাস

২২ ঘণ্টা আগে | রাজনীতি

‘আতঙ্কে তারা ভুল করেছে’: চীনের পাল্টা শুল্ক নিয়ে ট্রাম্প
‘আতঙ্কে তারা ভুল করেছে’: চীনের পাল্টা শুল্ক নিয়ে ট্রাম্প

৩ ঘণ্টা আগে | পূর্ব-পশ্চিম

মিয়ানমারে বাংলাদেশ সশস্ত্র বাহিনীর নেতৃত্বে উদ্ধার ও চিকিৎসা কার্যক্রম অব্যাহত
মিয়ানমারে বাংলাদেশ সশস্ত্র বাহিনীর নেতৃত্বে উদ্ধার ও চিকিৎসা কার্যক্রম অব্যাহত

১৬ ঘণ্টা আগে | জাতীয়

‘প্রয়োজনে জোটগতভাবে নির্বাচন করবে এনসিপি’
‘প্রয়োজনে জোটগতভাবে নির্বাচন করবে এনসিপি’

২০ ঘণ্টা আগে | রাজনীতি

আইপিএলের প্রথমবার দেখা গেল এমন কিছু
আইপিএলের প্রথমবার দেখা গেল এমন কিছু

৮ ঘণ্টা আগে | মাঠে ময়দানে

প্রিন্ট সর্বাধিক
সুবিধাবাদী হাইব্রিডে অতিষ্ঠ বিএনপি
সুবিধাবাদী হাইব্রিডে অতিষ্ঠ বিএনপি

প্রথম পৃষ্ঠা

মুজিব ছিলেন বেপরোয়া
মুজিব ছিলেন বেপরোয়া

প্রথম পৃষ্ঠা

চলতি বছর টাইগারদের ৬ টেস্ট
চলতি বছর টাইগারদের ৬ টেস্ট

মাঠে ময়দানে

হাসিনাকে চাইল বাংলাদেশ
হাসিনাকে চাইল বাংলাদেশ

প্রথম পৃষ্ঠা

দেশের প্রযুক্তি খাতে বিপ্লব ঘটাবে স্টারলিংক
দেশের প্রযুক্তি খাতে বিপ্লব ঘটাবে স্টারলিংক

প্রথম পৃষ্ঠা

ধুঁকছেন পেট্রাপোলের ব্যবসায়ীরাও
ধুঁকছেন পেট্রাপোলের ব্যবসায়ীরাও

পেছনের পৃষ্ঠা

ইলিশের দামে আগুন
ইলিশের দামে আগুন

পেছনের পৃষ্ঠা

আজকের ভাগ্যচক্র
আজকের ভাগ্যচক্র

আজকের রাশি

মুখোমুখি সরকার-আইএমএফ
মুখোমুখি সরকার-আইএমএফ

প্রথম পৃষ্ঠা

দীর্ঘদিন ক্ষমতা আঁকড়ে রাখার চিন্তা করলে জনগণ মেনে নেবে না
দীর্ঘদিন ক্ষমতা আঁকড়ে রাখার চিন্তা করলে জনগণ মেনে নেবে না

নগর জীবন

‘মিনি জাফলংয়ে’ স্বাস্থ্যঝুঁকি
‘মিনি জাফলংয়ে’ স্বাস্থ্যঝুঁকি

নগর জীবন

দক্ষিণ এশিয়ার ইসরায়েল ভারত
দক্ষিণ এশিয়ার ইসরায়েল ভারত

পেছনের পৃষ্ঠা

রাজশাহী বিএনপিতে ত্রিধারা
রাজশাহী বিএনপিতে ত্রিধারা

নগর জীবন

চট্টগ্রাম-কক্সবাজার সড়কে শঙ্কা
চট্টগ্রাম-কক্সবাজার সড়কে শঙ্কা

পেছনের পৃষ্ঠা

হচ্ছে বাম দলের বৃহত্তর জোট!
হচ্ছে বাম দলের বৃহত্তর জোট!

প্রথম পৃষ্ঠা

কবির-মুসার বিরুদ্ধে এবার জালিয়াতির অভিযোগ
কবির-মুসার বিরুদ্ধে এবার জালিয়াতির অভিযোগ

নগর জীবন

আত্রাই নদীর চরে কুমড়াবাড়ি!
আত্রাই নদীর চরে কুমড়াবাড়ি!

পেছনের পৃষ্ঠা

নতুন জীবনের খোঁজে মাহি
নতুন জীবনের খোঁজে মাহি

শোবিজ

এবার জনগণ ভোটাধিকার ফিরে পাবে
এবার জনগণ ভোটাধিকার ফিরে পাবে

প্রথম পৃষ্ঠা

আমাদের সম্পর্কটা বড় ভাই-ছোট ভাইয়ের মতো
আমাদের সম্পর্কটা বড় ভাই-ছোট ভাইয়ের মতো

শোবিজ

জমজমাট বিনোদন কেন্দ্রগুলো
জমজমাট বিনোদন কেন্দ্রগুলো

পেছনের পৃষ্ঠা

১ লাখ ৮০ হাজার রোহিঙ্গা ফেরত নেবে মিয়ানমার
১ লাখ ৮০ হাজার রোহিঙ্গা ফেরত নেবে মিয়ানমার

প্রথম পৃষ্ঠা

বাছাইপর্ব টপকাতে প্রস্তুত নিগাররা
বাছাইপর্ব টপকাতে প্রস্তুত নিগাররা

মাঠে ময়দানে

অভিযোগে মোশাররফ করিমের জবাব
অভিযোগে মোশাররফ করিমের জবাব

শোবিজ

নিশোর মুখে শাকিববন্দনা
নিশোর মুখে শাকিববন্দনা

শোবিজ

প্রয়োজনীয় সংস্কার শেষে দ্রুত নির্বাচন
প্রয়োজনীয় সংস্কার শেষে দ্রুত নির্বাচন

প্রথম পৃষ্ঠা

যৌথ পরিবারের গল্প
যৌথ পরিবারের গল্প

শনিবারের সকাল

প্রয়োজনীয় সংস্কার করে দ্রুত নির্বাচন দিতে হবে
প্রয়োজনীয় সংস্কার করে দ্রুত নির্বাচন দিতে হবে

প্রথম পৃষ্ঠা

চলে যাচ্ছেন ম্যানসিটির ডি ব্রুইন
চলে যাচ্ছেন ম্যানসিটির ডি ব্রুইন

মাঠে ময়দানে

কলকাতার জার্সিতে ২০০ উইকেট
কলকাতার জার্সিতে ২০০ উইকেট

মাঠে ময়দানে